পরীক্ষা আর্কাইভ

১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১ জানুয়ারি, ১৯৯০সময়50 minutes৯৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১ জানুয়ারি, ১৯৯০ · ১০০ প্রশ্ন

.
'বৈরাগ্য সাধনে - সে আমার নয়।' শূন্যস্থান পূরণ করুন।
  1. আনন্দ
  2. মুক্তি
  3. বিশ্বাস
  4. আশ্বাস
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কবিতা- বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়।

কবিতাটি সংক্ষেপে-

বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয়
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয়।
অসংখ্য বন্ধন-মাঝে মহানন্দময়
লভিব মুক্তির স্বাদ। এই বসুধার
মৃত্তিকার পাত্রখানি ভরি বারম্বার
তোমার অমৃত ঢালি দিবে অবিরত
নানাবর্ণগন্ধময়। প্রদীপের মতো
সমস্ত সংসার মোর লক্ষ বর্তিকায়
জ্বালায়ে তুলিবে আলো তোমারি শিখায়
তোমার মন্দির-মাঝে।

-------------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- চৈতালী,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপুট,
- সেঁজুতি,
- শেষ লেখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়’ কবিতা।
.
সমাস ভাষাকে -
  1. সংক্ষেপ করে
  2. বিস্তৃত করে
  3. ভাষারূপ ক্ষুন্ন করে
  4. অর্থবোধক করে
ব্যাখ্যা
♦ সমাস:
- অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দ একসঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
- সমাস অর্থ হল সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ।
- বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের সৃষ্টি।
- সমাসের কাজ হলো ভাষাকে সংক্ষেপ করা, নতুন অর্থবোধক শব্দ সৃষ্টি করা, শব্দ গঠন প্রভৃতি।
- সমাস ব্যাকরণের শব্দ বা রূপতত্ত্বে আলেচিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'সূর্য'-এর প্রতিশব্দ-
  1. সুধাংশু
  2. শশাঙ্ক
  3. বিধু
  4. আদিত্য
ব্যাখ্যা
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ - আদিত্য।

• 'সূর্য' এর অন্যান্য প্রতিশব্দ:
রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ: সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'অর্ধচন্দ্র'-এর অর্থ -
  1. গলাধাক্কা দেয়া
  2. অমাবস্যা
  3. দ্বিতীয়ত
  4. কাস্তে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• অর্ধচন্দ্র (বিশেষ্য পদ):
অর্থ-
- অর্ধ-প্রকাশিত চন্দ্র,
- গলাধাক্কা,
- সেনা সমাবেশের কৌশল বিশেষ।

--------------------
অন্যদিকে,
• 'অর্ধচন্দ্র' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - গলা ধাক্কা।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা ও তাঁর অর্থ:
• 'অগ্নি পরীক্ষা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - কঠিন পরীক্ষা।
• 'অহিনকুল সম্পর্ক' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ভীষণ শত্রুতা।
• 'আক্কেল গুড়ুম' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - হতবুদ্ধি।
• 'আকাশের চাঁদ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
• 'উড়নপেকে' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অপব্যয়ী।
• 'দফা নিকেশ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সমূহ সর্বনাশ।
• ‘নয় ছয়’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অপব্যয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি শুদ্ধ?
  1. সৌজন্নতা
  2. সৌজন্যতা
  3. সৌজনতা
  4. সৌজন্য
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - সৌজন্য।

• সৌজন্য (বিশেষ্য পদ),
-এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সুজনের ভাব বা আচরণ,
- সদাচরণ,
- ভদ্রতা,
- শিষ্টাচার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বেগম রোকেয়ার রচনা কোনটি?
  1. ভাষা ও সাহিত্য
  2. আয়না
  3. লালসালু
  4. অবরোধবাসিনী
ব্যাখ্যা
• 'অবরোধবাসিনী' গদ্যগ্রন্থ:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ 'অবরোধবাসিনী'।
- এই গ্রন্থে মোট ৪৭টি ঘটনা অনুগল্প আকারে লেখা হয়েছে।
- এই গ্রন্থের মাধ্যমে বেগম রোকেয়া গল্প আকারে পর্দা প্রথার ফলে নারীদের অবস্থা সবার কাছে উপস্থাপন করেছেন। ঘটনাগুলো সব বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া।

অন্যদিকে,
• 'ভাষা ও সাহিত্য' নামে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ও মুহম্মদ আবদুল হাই দুজনই গ্রন্থ রচনা করেছেন।
• আবুল মনসুর আহমদ রচিত বিখ্যাত রঙ্গ-ব্যঙ্গ সাহিত্য ‘আয়না’।
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'লালসালু'।

------------------------
• বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন একজন খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তাঁকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়।
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ৯ই ডিসেম্বর ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায় পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বামীর প্রেরণায় তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। সমকালীন মুসলমান সমাজে প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি লেখনী ধারণ করেন।
- সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল ও আনজুমান -ই- খাওয়াতীন -ই- ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে তিনি মুসলমান নারীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথে অগ্রসর হতে সাহায্য করেন।

তাঁর উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ),
- Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ) প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা গীতি কবিতায় ভোরের পাখি কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর'- বিহারীলাল চক্রবর্তীকে গীতি কাব্য-ধারার 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেছেন।

• 'ভোরের পাখি' বলার কারণ:
- বিহারীলালই প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করেন।
- এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রথম। তাই তাকে 'ভোরের পাখি' বলা হয়েছে।

----------------------------
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা ‘বঙ্গসুন্দরী’।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদামঙ্গল।

• বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদামঙ্গল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. একটা গোপনীয় কথা বলি
  2. একটি গোপন কথা বলি
  3. একটি গোপণ কথা বলি
  4. একটি গুপ্ত কথা বলি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: একটা গোপনীয় কথা বলি।

এমনকিছু অশুদ্ধ ও শুদ্ধ বাক্য হলো-
• অশুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষী দিব না।
• শুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষ্য দিব না।

• অশুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণ হয়েছে।
• শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।

• অশুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
• শুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

• অশুদ্ধ বাক্য: পূর্বদিকে সূর্য উদয় হয়।
• শুদ্ধ বাক্য: পূর্বদিকে সূর্য উদিত হয়।

• অশুদ্ধ বাক্য: ঘটনা বর্ণনা হয়েছে।
• শুদ্ধ বাক্য: ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'শিষ্টাচার'-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. নিষ্ঠা
  2. সদাচার
  3. সততা
  4. সংযম
ব্যাখ্যা
• শিষ্টাচার (বিশেষ্য পদ),
অর্থ:
- ভদ্র ব্যবহার;
- নম্র আচরণ।

• সদাচার (বিশেষ্য পদ),
অর্থ:
- সৎ ও মার্জিত আচরণ,
- শাস্ত্রবিহিত আচরণ।

সুতরাং শিষ্টাচার শব্দের সমার্থক শব্দ- সদাচার।

অন্যদিকে:
---------------------
• নিষ্ঠা (বিশেষ্য)
অর্থ:
- দৃঢ় অনুরাগ; আস্থা; বিশ্বাস; শ্রদ্ধা; ভক্তি; মনোযোগ।

• সততা (বিশেষ্য)
অর্থ:
- ন্যায়পরায়ণতা; সাধুতা।

• সংযম (বিশেষ্য)
অর্থ:
- সংযতকরণ; নিয়ন্ত্রণ,
- দমন; আয়ত্তে আনয়ন (ইন্দ্রিয় সংযম)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১০.
'সংশয়'-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. নির্ভয়
  2. বিস্ময়
  3. প্রত্যয়
  4. দ্বিধা
ব্যাখ্যা
• ‘সংশয়' শব্দের অর্থ: সন্দেহ, দ্বিধা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তাবোধ।
• ‘প্রত্যয়’ শব্দের অর্থ: প্রতীতি, বিশ্বাস , নিশ্চায়ত্মক ধারণা, নিঃসন্দিগ্ধতা।

• সুতরাং, 'সংশয়' এর বিপরীতার্থক শব্দ 'প্রত্যয়'।

অন্যদিকে,
- 'ভয়' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - নির্ভয়।
- 'বিস্ময়' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ স্বাভাবিক।
- 'দ্বিধা' এর বিপরীতার্থক শব্দ নির্দ্বিধা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
'ক্ষমার যোগ্য'-এর বাক্য সংকোচন-
  1. ক্ষমার্হ
  2. ক্ষমাপ্রার্থী
  3. ক্ষমা
  4. ক্ষমাপ্রদ
ব্যাখ্যা
• 'ক্ষমার যোগ্য' এর বাক্য সংকোচন - ক্ষমার্হ।

আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- ‘ক্ষমা করার ইচ্ছা’ এক কথায় প্রকাশ - তিতিক্ষা।
- ‘ক্ষমা করতে ইচ্ছুক’ এক কথায় প্রকাশ - তিতিক্ষু।
- ‘প্রশংসার যোগ্য’ এক কথায় প্রকাশ - প্রশংসার্হ।
- ‘স্মরণের যোগ্য’ এক কথায় প্রকাশ - স্মরণার্হ।
- ‘ধন্যবাদের যোগ্য’ এক কথায় প্রকাশ - ধন্যবাদার্হ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  2. মোঃ বরকতুল্লাহ
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. মওলানা আকরম খাঁ
ব্যাখ্যা
• মাওলানা আকরম খাঁ:
- মাওলানা আকরম খাঁ ১৮৬৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার হাকিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত সাংবাদিক, রাজনীতিক, ইসলামিশাস্ত্রজ্ঞ ছিলেন।
- তিনি বাংলাসহ আরবি, উর্দু, পারসি ও সংস্কৃত ভাষায় ব্যুৎপন্ন ছিলেন।
- তাঁর সম্পাদনায় ১৯০৩ সালে 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- তাঁর সম্পাদিত দুটি স্বল্পস্থায়ী দৈনিক পত্রিকার নাম: উর্দু দৈনিক 'জামানা' (১৯২০) ও বাংলা দৈনিক 'সেবক' (১৯২১)।
- তাঁর সাংবাদিক জীবনের কীর্তি 'আজাদ' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা (১৯৩৬ সালের ৩১শে অক্টোবর থেকে)।
- তিনি ১৮ই অগস্ট, ১৯৬৮ মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থগুলো:
- হজরত মোহাম্মদ-এর (স.) জীবনী 'মোস্তফা চরিত' (১৯২৩),
- মোসলেম বাংলার সামাজিক ইতিহাস (১৯৬৫) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থটির রচয়িতা-
  1. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা
 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' (১৯৬৮) গ্রন্থটির রচয়িতা আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি একটি রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ।
- আবুল মনসুর আহমদ রচিত রাজনীতি বিষয়ক আরেকটি গ্রন্থ হলো: ‘শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু’ (১৯৭৩)।

--------------
• আবুল মনসুর আহমদ:
- সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- আবুল মনসুর আহমদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রুপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- আয়না ও
- ফুড কনফারেন্স।

আত্মচরিত:
- আত্মকথা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক-
  1. ভরতচন্দ্র রায়
  2. দৌলত কাজী
  3. সৈয়দ হামজা
  4. আব্দুল হাকিম
ব্যাখ্যা
• পুঁথি সাহিত্য:
- পুঁথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল। এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ সময়ে রচিত বিশেষ ধরণের সাহিত্যই পুথি সাহিত্য নামে পরিচিত। হুগলির বালিয়া-হাফেজপুরের কবি ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০-১৭৭০) আমীর হামজা রচনা করে এ কাব্যধারার সূত্রপাত করেন।

- দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্যর প্রাচীনতম, আদি, শ্রেষ্ঠ ও সার্থক কবি ফকির গরীবুল্লাহ।
- সপ্তদশ শতাব্দীর কবি সৈয়দ হামজা পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম একজন কবি।

• অপশনে ফকির গরীবুল্লাহ না থাকায় সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে সৈয়দ হামজা উত্তর নেয়া হলো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'চাচা কাহিনীর' লেখক-
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. শওকত ওসমান
  4. ফররুখ আহমেদ
ব্যাখ্যা
• ‘চাচা কাহিনী' গ্রন্থটির লেখক - সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

--------------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য।
- শবনম।

• তাঁর রচিত রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে-
  1. শব্দ
  2. কারক
  3. পদ
  4. ক্রিয়াপদ
ব্যাখ্যা
• পদ:
বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে৷

অন্যভাবে, শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার নাম হয় পদ।

• বাক্যের অন্তর্গত এসব শব্দ বা পদকে মােট আটটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
- বিশেষ্য,
- সর্বনাম,
- বিশেষণ,
- ক্রিয়া,
- ক্রিয়াবিশেষণ,
- অনুসর্গ,
- যােজক,
- আবেগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
'রাজলক্ষ্মী' চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক-
  1. বঙ্কিমচন্দ্র
  2. শরৎচন্দ্র
  3. তারাশংকর
  4. নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
'রাজলক্ষ্মী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত একটি চরিত্র।

• 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি শরৎচন্দ্রের আত্মজৈবনিক উপন্যাস। উপন্যাসটি চারটি খণ্ডে রচিত।
- প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭)' শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশিত হয়।
- লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রী শ্রীকান্ত শর্মা'।
- ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়।
- তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়।
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের বিখ্যাত কিশোর চরিত্র হচ্ছে- 'ইন্দ্রনাথ'।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- শ্রীকান্ত,
- রাজলক্ষ্মী,
- অন্নদাদিদি,
- অভয়া,
- রোহিণী,
- কমললতা প্রমুখ।

এ উপন্যাসের বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- 'মধু থাকলেই মৌমাছি এসে জোটে তারা দেশ-বিদেশের বিচার করে না।'
- 'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলিয়া দেয়।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, শরৎচন্দ্র রচনাবলী এবং 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস।
১৮.
What is the synonym of 'Incite'?
  1. Instigate
  2. Permit
  3. Urge
  4. Deceive
ব্যাখ্যা
• Incite -  প্ররোচিত/উত্তেজিত করা

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Urge - তাড়া করা/দেওয়া; তাড়ানো
খ) Permit -  অনুমতি দান করা; বাধা সৃষ্টি না-করা
গ) Instigate - প্ররোচিত/উৎসাহিত করা; উসকানি দেওয়া;
ঘ) Deceive - প্রতারিত করা; ধোঁকা দেওয়া, বিভ্রান্ত করা

সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে Instigate শব্দটি Incite এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। 
- তাই সঠিক উত্তর - Instigate.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৯.
What is the antonym of 'Honorary'?
  1. Official
  2. Honorable
  3. Salaried
  4. Literary
ব্যাখ্যা
• Honorary:
Englis Meaning: An honorary position in an organization is one for which no payment is made.
Bangla meaning: অবৈতনিক।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর অর্থ -
- Official: আনুষ্ঠানিক কর্তৃত্বের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ; আনুষ্ঠানিক কর্তৃত্বের উপযোগী।
- Honorable: সম্মানিত।
- Salaried: বৈতনিক।
- Literary: সাহিত্যবিষয়ক; লেখকসংক্রান্ত; সাহিত্যিক।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় Honorary শব্দটির অর্থ, Salaried শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- তাই Honorary এর antonym হবে - Salaried.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
২০.
What is the verb of the word 'Ability'?
  1. Ableness
  2. Able
  3. Ably
  4. Enable
ব্যাখ্যা
• Ability (noun)
English Meaning: possession of the means or skill to do something.
Bangla meaning: সামর্থ; সক্ষমতা।
- এর verb form হচ্ছে - Enable.

• Enable(verb)
English Meaning: to make someone able to do something, or to make something possible.
Bangla Meaning: সক্ষম করা; ক্ষমতা প্রদান করা।

অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Ableness (noun)
English Meaning: the state of being unable to do something.
Bangla Meaning: সামর্থ; সক্ষমতা।

• Able (adjective)
English Meaning: To have the necessary physical strength, mental power, skill, time, money, or opportunity to do something:
Bangla Meaning: কোনো কিছু করতে সমর্থ/সক্ষম।

• Ably (adverb)
English Meaning: Skilfully; competently.
Bangla Meaning: সক্ষমতার সঙ্গে।

Source: Bangla Academy Dictionary and Oxford Learner's Dictionary.
২১.
Who is the poet of the 'Victorian Age'?
  1. Helen Keller
  2. Mathew Arnold
  3. Shakespeare
  4. Robert Browning
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে -  Mathew Arnold এবং Robert Browning উভয়ই 'Victorian Age' এর সাহিত্যিক।
- দ্বৈত উত্তর থাকায়, প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

The Victorian period: [1832-1901]
- 19th century of English literature refers to The Victorian Period.
- 1832–1901- time frame is known as the ‘Victorian Period’ in English Literature.
- এই যুগটি Queen Victoria র নামে নামকরণ করা হয়।
- Queen Victoria যদিও 1837 সালে ক্ষমতায় আসে কিন্তু এই যুগটির সূচনা হয় 1832 সালে।
- এর কারণ হলো 1832 সাল থেকেই সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যে আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- Fabian Society was founded in 1883 to avoid violence in class-struggle.
- G.B. Shaw was one of the members of the Fabian Society.

• Victorian period মোট ২টি সময়কালে বিভক্ত।
- যথা:
- The Pre-Raphaelites: (1848-1860)
- Aestheticism & Decadence: (1880-1901)

• A list of writers of 'Victorian Age':
- Charles Dickens,
- Thomas Hardy,
- Matthew Arnold,
- Lord Alfred Tennyson,
- Robert Browning,
- George Eliot,
- Charlotte Bronte;
- Emily Bronte;
- Samuel Butler etc.

• Robert Browning কে Victorian age এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- He is often called the father of dramatic monologue.

• Best Works -
- The Ring and the Book,
- Fra Lippo Lippi,
- My Last Duchess,
- The Patriot,
- A Grammarian’s Funeral,
- Andera del Sarto,
- Men and Women,
- Dramatic Lyrics,
- Paracelsus,
- Rabbi Ben Ezra,
- Dramatis Personae, etc.

• Matthew Arnold: 
- তিনি একজন English Victorian poet এবং literary ও social critic.
- তিনি শুরুতে inspector of schools হিসেবে কাজ করেন। পরে তিনি professor of poetry  হিসেবে যোগ দান করেন Oxford এ।

• Some notable works: 
- Culture and Anarchy;
- Dover Beach;
- Empedocles on Etna;
- Essays in Criticism;
- God and the Bible;
- On Translating Homer;
- On the Study of Celtic Literature;
- Sohrab and Rustum;
- The Forsaken Merman;
- The Scholar Gipsy. 

উল্লেখ্য, 
• Helen Keller - Modern period এর writer; 
• Shakespeare - Rennaissance Period এর সাহিত্যিক।

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
২২.
Who is the author of 'For Whom the Bell Tolls'?
  1. Charles Dickens
  2. Homer
  3. Lord Tennyson
  4. Ernest Hemingway
ব্যাখ্যা
• 'For Whom the Bell Tolls'.
- এই নামে ইংরেজি সাহিত্যে দুইটি সাহিত্য কর্ম খুঁজে পাওয়া যায়।
1. A novel by Ernest Hemingway.
2. A poem by John Donne.
• প্রশ্নে যেহেতু কি ধরণের সাহিত্যকর্ম তা উল্লেখ করা নেই এবং শুধুমাত্র Ernest Hemingway এর নাম রয়েছে তাই এটিকে উত্তর রেখে ব্যাখ্যায় বিস্তারিত বলা হলো। 

• For Whom the Bell Tolls (Novel)
- ১৯৪০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি ১৯৩৭ সালে স্পেনের সেগোভিয়ার (Segovi) কাছাকাছি একটি শহরে বসবাস করা আমেরিকান শিক্ষক রবার্ট জর্ডানের (Robert Jordan) গল্প বলে যিনি ntifascist Loyalist army দের সাথে যোগ দিয়েছিলেন।
- The title is derived from Meditation 17 of John Donne’s Devotions upon Emergent Occasions (1624).
- This novel is set against the backdrop of the Spanish Civil War.

• উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র -
- Robert Jordan,
- Maria,
- Pablo,
- Pilar.

• Ernest Hemingway, in full Ernest Miller Hemingway is an American novelist and short-story writer.
- He was noted both for the intense masculinity of his writing and for his adventurous and widely publicized life.
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২0 শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।
- ১৯৫৪ সালে The Old Man and The Sea Novel  এর জন্য Ernest Hemingway, Noble Prize লাভ করেন।

• তাঁর বিখ্যাত novel সমূহ - 
- The Sun Also Rises,
- The old man and The Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa ইত্যাদি
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ পালন করেছে।

Source: Britannica.
২৩.
Fill in blank 'He has assured me _____ safety'
  1. With
  2. At
  3. For
  4. Of
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হচ্ছে - of.
-  Complete sentence: He has assured me of safety.

• Be assured of something
- English Meaning: If you are assured of something, you will definitely get it or achieve it.
- Assure of-নিশ্চয়তা দেওয়া বা আশ্বস্ত করা।

• Example Sentence:
- His victory means that he is now assured of a place in the final.
 
Source: Longman Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
'May Allah help you' What kind of sentence is this?
  1. Optative
  2. Imperative
  3. Assertive
  4. Exclamatory
ব্যাখ্যা
• 'May Allah help you' - is an Optative Sentence.
- বাক্যটিতে বক্তা (speaker) অন্য একজন ব্যক্তির (you-এর) জন্য প্রার্থনা করছে।
- তাই বাক্যটি Optative Sentence.

• More Examples of Optative Sentences:
- May your journey be safe and enjoyable.
- May you find success in every step you take.

• অর্থানুসারে বাক্য ৫ ধরনের হয়ে থাকে।
যথা-  
1. Assertive Sentence (বর্ণনামূলক বাক্য)
- যে Sentence দ্বারা কোন কিছুর বর্ননা বা বিবৃতি প্রকাশ করে তাকে Assertive sentence বলে।
- An assertive sentence is a simple statement or assertion, and it may be affirmative or negative.
- structure: “subject + verb + object/complement/adverb”.

2. Interrogative Sentence (প্রশ্নবোধক বাক্য)
যে Sentence দ্বারা কোন প্রশ্ন করা হয় অথবা কোন কিছুর প্রত্যুত্তর পাওয়ার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করা হয় তখন তাকে Interrogative Sentence বলে।

3. Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য)
- যে Sentence দ্বারা কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকেই Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলে। এই ধরনের বাক্যে Subject (you)  গোপন থাকে।
- যেমন - Never tell a lie.

4. Optative Sentence (প্রার্থনা সূচক বাক্য)
- যে Sentence দ্বারা মনে ইচ্ছা কিংবা প্রার্থনা প্রকাশ করে তাকে Optative Sentence বলে।
- যেমন -May Allah bless you.

5. Exclamatory Sentence (বিস্ময়সূচক বাক্য)
- এই ধরণের বাক্য দ্বারা হঠাৎ আকস্মিকভাবে মনের কোন পরিবর্তন যেমন হর্ষ, বিষাদ, আনন্দ, আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়।
- How charming the sight is!

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
২৫.
A rolling stone gathers no moss. What 'rolling' is?
  1. Gerund
  2. Verbal noun
  3. Participle
  4. Adjective
ব্যাখ্যা
• Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও adjective এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
সংক্ষেপে:
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।

যেমন: A rolling Stone gathers no moss.
She is swimming.
I saw a flying bird.
I saw the girl dancing.

• Verb এর যে রূপ একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে তাকে participle বলে।
- প্রদত্ত বাক্য - A rolling stone gathers no moss. 
- এই বাক্যটিতে verb (roll) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective এর কাজ করেছে, তাই 'rolling' শব্দটি হবে Participle. 

• উল্লেখ্য, যদি অপশনে participle না থাকে, তাহলে adjective উত্তর হবে।
২৬.
'He has been ill ___ Friday last' Fill in the blank.
  1. Since
  2. In
  3. From
  4. On
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - since.
- Complete Sentence: He has been ill since Friday last.

• Since এর ব্যবহার:
- Point of time এর পূর্বে since বসে।
- Point of time হচ্ছে সেই সময়কাল যাকে এক, দুই, তিন ইত্যাদি গণনার একক দ্বারা গণনা করা যায় এবং কোনো মুহূর্ত বা সময়কে নির্দেশ করে।
যেমন- গত সোমবার, গত সপ্তাহ/মাস/বছর, দুইটা, সাড়ে তিনটা ইত্যাদি।
যেমন:
- Mr. Rahim has been absent from the office since Friday last.
- I have been living in Comilla since 2019.
- I have been waiting since two hours.

• অন্যদিকে
- 'For' preposition টি period of time অর্থাৎ অনির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন - 
• He has been ill for three months.
• It is raining for two hours.
২৭.
Which is the noun of the word 'beautiful'?
  1. Beautious
  2. Beauty
  3. Beautifully
  4. Beautify
ব্যাখ্যা
• Beautiful: [adjective]
- English meaning: Very attractive.
- Bangla meaning: সুন্দর, চমৎকার; মন ও ইন্দ্রিয়কে আনন্দ দেয় এমন।
- Example: She was wearing a beautiful dress.
- এর noun form হচ্ছে - Beauty.

• Beauty: [noun]
- English meaning: The quality of being pleasing and attractive, especially to look at.
- Bangla meaning:  সৌন্দর্য, শ্রী, রূপ, লাবণ্য।
- Example: The piece of music he played had a haunting beauty.

• Other forms:
• Beautifully (adverb)
- English meaning: in a way that is very attractive
- Bangla meaning: সুন্দরভাবে,চমৎকারভাবে।
- Example: She carried her wedding dress so beautifully. 

• Beautify (verb)
- English meaning: to improve the appearance of someone or something:
- Bangla meaning: সুন্দর করা।
- Example: Money has been raised to beautify the area.

• Beautious - এই বানানের কোনো অর্থবোধক শব্দ নেই।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.
২৮.
'Hold water' means-
  1. Keep water
  2. Drink water
  3. Bear examination
  4. Store water
ব্যাখ্যা
• "Hold water" means - Bear examination.

• Hold water 
English Meaning: If a reason, argument, or explanation holds water, it is true.
Bangla Meaning: এই যুক্তি তর্ক ধোপে না টেকা।

Example Sentence:
1. His explanation didn't hold water when we examined it closely.
2. The theory sounded good at first, but it doesn't hold water under scrutiny.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৯.
'Out and Out' means-
  1. Not at all
  2. Thoroughly
  3. To be last
  4. Man of outside
ব্যাখ্যা
• 'Thoroughly' is the meaning of the phrase - Out and out.

• Out and out
English Meaning: complete or in every way; in every respect; thoroughly.
Bangla Meaning: সম্পূর্ণরূপে; পুরোপুরি।

• Example Sentence: 
- That's an out-and-out lie!
- The whole project was an out-and-out disaster.

Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩০.
Choose the correct sentence-
  1. Rich is not always happy
  2. The rich is not always happy
  3. The rich is not happy always.
  4. The rich are not always happy
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
The Rich are not always happy. - বাক্যটি সঠিক।

•  প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে rich( ধনী; সম্পদশালী) হচ্ছে adjective
- এবং এর পূর্বে the, article টি বসায় তা plural common noun এ পরিণত হয়েছে।
- Adjective যদি জাতিকে নির্দেশ করে তাহলে এর পূর্বে the বসে এবং এটি plural commom noun হয়ে যায় এবং plural verb গ্রহণ করে। 
- বাক্যে rich দ্বারা সকল ধনীকে বুঝিয়েছে এর ফলে এর পূর্বে the বসেছে।
৩১.
Choose the correct sentence-
  1. He had been hunged for murder
  2. He has been hunged for murder
  3. He was hanged for murder
  4. He was hunged of murder
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - He was hanged for murder.

Hang (verb) - ফাঁসি দেওয়া; ফাঁসি হওয়া; ফাঁসি নেওয়া।
- এই অর্থে এর past tense, past participle form hanged হবে। 
- যেমন:
- He was hanged for murder - খুনের দায়ে ফাঁসি হয়েছে;
- He hanged himself - ফাঁস নিয়ে মরেছে।

 • Hang (verb)- ঝোলা; ঝুলে থাকা; ঝুলানো; ঝুলিয়ে রাখা:
- এই অর্থে এর  past tense, past participle form হবে Hung.
- hang something from the ceiling; a picture hanging on the wall; windows hung with curtains.
৩২.
'Syntax' means-
  1. Manner of speech
  2. Sentence building
  3. Supplementary tax
  4. Synchrounizing act
ব্যাখ্যা
• 'Syntax' means- Sentence building.

• Syntax (noun)
English Meaning: the way in which linguistic elements (such as words) are put together to form constituents (such as phrases or clauses)/ the part of grammar dealing with this.
Bangla Meaning: বাক্যপ্রকরণ; বাক্যরীতি; পদান্বয়; পদযোজনা।

Source:
1. Merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৩.
'Justice delayed is justice denied' was stated by-
  1. Disraeli
  2. Emerson
  3. Gladstone
  4. Shakespeare
ব্যাখ্যা
William E. Gladstone is known for the famous quote, "Justice delayed is justice denied".
- তাঁর পুরো নাম William Ewart Gladstone.
- তিনি ব্রিটেনের রাষ্ট্রনায়ক এবং চারবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

• William Ewart Gladstone এর কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো -
- “Failure is success if we learn from it.”
- “No man ever became great or good except through many and great mistakes.”
- “Good laws make it easier to do right and harder to do wrong.”

Source: Britannica.com ‍and Live MCQ Lecture.
৩৪.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
  1. ৯ : ৫
  2. ১১ : ৭
  3. ১০ : ৬
  4. ৮ : ৬
ব্যাখ্যা
• পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে,
- জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
অর্থাৎ,
— পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থের অনুপাত = ১০ : ৬ = ৫ : ৩।
— পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের মাঝের অনুপাত = ১০ : ৬ : ২ = ৫ : ৩ : ১।

• জাতীয় পতাকা:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. মেঘনা
  2. পদ্মা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা
দেশে দীর্ঘতম নদী:
- দেশে বর্তমানে জীবন্ত নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮টি।
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত এ নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।

পদ্মা নদী:
- ভারতের মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।
- রাজশাহীর কাছে কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- তারপর গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। 
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।
- শাখা নদী: মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসা, পশুর (বা পসুর) বড়াল প্রধান।
- উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।
- পদ্মা-বিধৌত অঞ্চল - ৩৪,১৮৮ বর্গকি.মি.

মেঘনা নদী: 
- মেঘনা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ততম নদী। 
- মেঘনার উৎপত্তি: আসামের লুসাই পাহাড় হতে বরাক নদী নামে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ: সুরমা ও কুশিয়ারা নামে সিলেট জেলা দিয়ে ।
- সুরমা ও কুশিয়ারা মিলিত হয়েছে আজমিরীগঞ্জে এবং নামধারণ করেছে কালনী।
- কালনী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতের নাম: মেঘনা (ভৈরববাজার)।
- শাখানদী: ব্রহ্মপুত্র, গোমতী, শীতলক্ষা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।

দৈর্ঘের দিক থেকে বর্তমানে নবম দীর্ঘতম নদী- মেঘনা। তবে এটি এখনো দেশের প্রশস্ততম ও গভীরতম নদী।
সে হিসেবে- সঠিক উত্তর হবে — মেঘনা।

উল্লেখ্য,
- দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ইছামতী নদী (দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কি.মি.)।
- দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী সাঙ্গু বা শঙ্খ নদী (দৈর্ঘ্য ২৯৪ কি.মি.)।
- সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা (৩৬টি উপজেলা)।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ২২২টি। 
- সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।
 
‘বাংলাদেশ নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যাবিষয়ক বই’ অনুসারে,
- দেশে বর্তমানে নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮টি।
- দেশে নদীপথ রয়েছে: ২২ হাজার কি.মি.।
- দেশের ক্ষুদ্রতম নদী: গাঙ্গিনা নদী (দৈর্ঘ্য ০.০৩২ কি.মি.)।
- সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা (৩৬টি উপজেলা)।

উৎস: নদী রক্ষা কমিশন ওয়েবসাইট এবং ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখের প্রথম আলো প্রতিবেদন, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৬.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. রাজশাহী
  2. ফরিদপুর
  3. রংপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------- 
তুলা চাষ:

- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে। 
- ঝিনাইদহ জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। 
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।
- ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়।
- ১৯৯১ সালে তুলা গবেষণার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়।

তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং
- হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়। 

২০২২-২৩ মৌসুমে আশতুলা উৎপাদন:
কুষ্টিয়া- ৩০৭৪৫, 
চুয়াডাংগা- ৩০১৯৬, 
ঝিনাইদহ- ২৯০৭৭, 
যশোর - ২১৭৩২। 

২০২২-২৩ মৌসুমে বীজতুলা উৎপাদন:
কুষ্টিয়া-১৩৯৮৯, 
চুয়াডাংগা- ১৩৭৩৯, 
ঝিনাইদহ- ১৩২৩০, 
যশোর - ৯৮৮৮।

বাংলাদেশের এই চারটি জেলায় সবচেয়ে বেশি তুলা চাষ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। 
অর্থ্যাৎ- যশোর অঞ্চল তুলা চাষের জন্য বিখ্যাত।
সে হিসেবে উত্তর - যশোর গ্রহণ করা হয়েছে। 

উৎস- বাংলাপিডিয়া, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২২-২৩।
৩৭.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল-
  1. অপরিশোধিত তেল
  2. ক্লিংকার
  3. এমোনিয়া
  4. মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
• ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
------------------- 
ইউরিয়া সার:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেনজাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে।
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন প্রধানত লাভ করে।
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে।
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে।
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে।
- ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩৮.
বাসস একটি-
  1. সংবাদ সংস্থার নাম
  2. একটি প্রেস ক্লাবের নাম
  3. একটি খবরের কাগজের নাম
  4. একটি বিদেশী কোম্পানির নাম
ব্যাখ্যা

• বাসস বা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা — বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা। 
উল্লেখ্য, বাসস খবরের কাগজ হিসেবেও কাজ করে। 
তবে, অধিক গ্রহণযোগ্য এবং প্রচলিত উত্তর হিসেবে অপশন (ক) সংবাদ সংস্থার নাম- গ্রহণ করা হয়েছে।

------------------------- 
• বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):

- বাসস বা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার পুরাতন পল্টনে অবস্থিত।
- ঢাকা ব্যতীত এর আরও ৮টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে।
- বাসস ব্যতীত অন্যান্য বাংলাদেশী সংবাদ সংস্থার মধ্যে ইউএনবি, ইনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- পিটিআই (প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া), এপিপি (অ্যাসোসিয়েট প্রেস অব পাকিস্তান), এএফপি (এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস) যথাক্রমে ভারত, পাকিস্তান ও ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা।
---------------------- 
বাংলাদেশের অন্যান্য সংবাদ সংস্থা:
• ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা):
- বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা, ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরাদস্তুর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়। 

• ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি):
- বেসরকারিখাতে বাংলাদেশি একটি সংবাদ সংস্থা।
- বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল সংবাদ সংস্থা হিসেবে এটি পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮৮ সালে এবং প্রতিষ্ঠাতা এনায়েত উল্লাহ খান ।

উৎস: বাসস ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।

৩৯.
বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়-
  1. ২৬ মার্চ
  2. ১৬ ডিসেম্বর
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: 
- শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৪ ডিসেম্বর পালন করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় বুদ্ধিজীবীদেরকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য হাজার হাজার শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে তাদের ওপর চালায় নির্মম-নিষ্ঠুর নির্যাতন তারপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।

- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন,
অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা.আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক রশীদুল হাসান, ড. আবুল খায়ের, ড.মুর্তজা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরও অনেকে।

বিভিন্ন দিবস:
- স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস - ২৬ মার্চ, 
- জাতীয় শোক দিবস - ১৫ আগষ্ট, 
- সশস্ত্রবাহিনী দিবস - ২১ নভেম্বর, 
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস - ০১ ডিসেম্বর, 
- বিজয় দিবস - ১৬ ডিসেম্বর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪০.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
  1. সিলেটের বনভূমি
  2. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  3. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
ব্যাখ্যা
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি:
- উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হতে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত এ উচ্চভূমি বিস্তৃত। 
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। 
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি। 
- বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি শাল বা গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র।
- এজন্য এটি গজারী বা শালবৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত।
- এ বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্গত।

অন্যদিকে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- বরেন্দ্র বনভূমি হচ্ছে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি।
- সুন্দরবন অঞ্চলের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী, গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ ও বাংলাপিডিয়া।
৪১.
চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য-
  1. ঢাকা শহরকে নদীর ওপারে বিস্তৃত করা
  2. বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্কের স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করা
  3. ঢাকা-আরিচা রোডে যানবাহন চলাচলের চাপ কমানো
  4. দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
ব্যাখ্যা
• চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১: 
- বুড়িগঙ্গা সেতু হলো বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু।
- এটি প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতু হিসেবেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে তৈরি করেছে।
- সেতুটি ৭২৫ মিটার দীর্ঘ।
- এই সেতু নির্মাণ শুরু হয় ৮০-এর দশকে এবং শেষ হয় ১৯৮৯ সালে। ঐ বছর সেতুর উদ্বোধন হয়।
- এই সেতু ঢাকার সঙ্গে কেরানীগঞ্জ উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- এই সেতু ঢাকা-খুলনা মহাসড়ককেও যুক্ত করেছে।

তাই বলা যায়,
চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য- দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা। 

উৎস: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, বাংলাপিডিয়া।
৪২.
হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়-
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
• হরিপুর খনিজ তৈল ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তৈল ক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।
 ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য,
২০২৩ সালে সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপ খনন করে প্রথম স্তরে তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল (১৫৯ লিটার) তেলের প্রবাহ পাওয়া গেছে।
--------------------- 
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৭ ও ৯ নম্বর কূপ থেকে বর্তমানে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রে নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- কূপটিতে প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- এলএনজির আমদানি মূল্য হিসেবে এই গ্যাসের দাম প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
- জুন, ২০২৩ থেকে হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে অনুসন্ধান শুরু হয়।
- কূপটি থেকে প্রতিদিন ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে।

উৎস:
i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন,বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৬ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
iii) সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৪৩.
মিশুকের স্থপতি কে?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. হামিদুর রহমান
  3. শামীম শিকদার
  4. হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
• মিশুকের স্থপতি — মুস্তাফা মনোয়ার।
- ভাস্কর্য তৈরি করেন — হামিদুজ্জামান খান।
------------------------ 
• মিশুকের স্থপতি:
- ১৯৮৫ সালের দ্বিতীয় সাব গেমস এর মাসকট মিশুক এর স্থপতি মোস্তফা মনোয়ার।
- এটি শাহবাগের শিশু পার্কের সামনে অবস্থিত , এটি মূলত হরিণ শাবকের ভাস্কর্য।
- দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ সাফ গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ডিরেক্টর ও ভিজুয়ালাইজার-এর দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা মনোয়ার।
- দ্বিতীয় সাফ গেমস-এর মাসকট ‘মিশুক’, ১০ ফুট উঁচু চলমান হরিণ শিশু এবং ষষ্ঠ সাফ গেমস-এর মাসকট ‘অদম্য’ একটি বড় বাঘরূপী জীবন্ত পাপেট নির্মাণ তাঁর বড় সাফল্য। 

অন্যদিকে,
• হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি।
• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য - স্থপতি শামীম শিকদার — মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো, ইত্তেফাক আর্কাইভ।
৪৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়?
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. টাঙ্গাইল
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ঢাকা বিভাগে (২৯,৪৬,৪৮৬ বেলস)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ফরিদপুর জেলায় (৯,৯১,৮৭৫ বেলস)। 

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২৩

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- বিভাগ অনুসারে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় রংপুর বিভাগে।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: বগুড়া।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৪৫.
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন] বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় কত?
  1. ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
  2. ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
  3. ২ কোটি একর
  4. ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------------
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, 
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৪৬.
উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
  1. ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২২৫ নটিক্যাল মাইল
  4. ১০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল
 বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল= ১.৮৫২ কিলোমিটার।

এছাড়াও, 
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য - ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- সমুদ্র অঞ্চলের আয়তন - ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৪৭.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. করতোয়া
  2. গঙ্গা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. মহানন্দা
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড় — করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। 

• মহাস্থানগড়: 
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। 
- পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্র রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

উৎস: ইতিহাস বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৮.
ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো-
  1. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
  2. ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা
  3. ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া
  4. বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা

তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন।

- ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল । 
- এরপর ২০০৫ সালে এই নীতি নবায়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে আবার এই জাতীয় ঔষধ নীতি নবায়ন করা হয়েছে।
প্রথম ঔষধ নীতি অনুসারে ,
[ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো- অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা] উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে। 
-------------------- 

• "জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬”: 

১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে। 

জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্যসমূহ:
১। জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ঔষধ সহজে ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং সুষ্ঠু পরিবেশন ব্যবস্থা (Dispensing) নিশ্চিত করা।
৩। স্থানীয় সকল পদ্ধতির ঔষধ প্রস্তুতকারী শিল্পসমূহকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে মানসম্পন্ন ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়।
৪। দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৫। ঔষধের কার্যকর নজরদারী (Surveillance) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উৎসঃ dgda.gov.bd, জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬। 

৪৯.
বিকেএসপি হলো-
  1. একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম
  2. একটি সংবাদ সংস্থার নাম
  3. একটি কিশোর ফুটবল টিমের নাম
  4. একটি সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি: 
- দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।

- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়। 
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে।প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫০.
মা ও মনি হলো-
  1. একটি উপন্যাসের নাম
  2. একটি প্রসাধনী শিল্পের নাম
  3. একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
  4. একটি গরিব মা ও মেয়ের গল্প কাহিনী
ব্যাখ্যা
• মা ও মণি গোল্ডকাপ:
- 'মা ও মণি' হলো একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম। 
- ঢাকায় ১৯৯২ সালে ক্লাবগুলোকে নিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- (১৪ বছরের নিচে) টুর্নামেন্ট ১৯৯২ সালের ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, দৈনিক জনকন্ঠ।
৫১.
প্রাচীন 'চন্দ্রদ্বীপ'-এর বর্তমান নাম-
  1. মালদ্বীপ
  2. সন্দ্বীপ
  3. বরিশাল
  4. হাতিয়া
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫২.
[প্রশ্নে ‘নিরক্ষরতা’র স্থলে ‘সাক্ষরতা’ হবে]   '______ সেপ্টেম্বর বিশ্ব নিরক্ষরতা দিবস।' শূন্যস্থান পূরন করুন।
  1. ১০
ব্যাখ্যা
• [প্রশ্নে ‘নিরক্ষরতা’র স্থলে ‘সাক্ষরতা’ হবে] 
বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় -৮ সেপ্টেম্বর।

- ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের মধ্যে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্য তুলে ধরার লক্ষ্যে এ দিবসটি নির্ধারণ করা হয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস:
- ২১ মার্চ: বিশ্ব বন দিবস।
- ৩ মে: বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস।
- ২৫ মে: বিশ্ব থাইরয়েড দিবস।
- ২৮ মে: বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।
- ৩১ মে: বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।
- ৫ জুন: বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ১৫ জুন: বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস।
- ২৯ জুলাই: বিশ্ব বাঘ দিবস।
- ৯ আগস্ট: আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস।
- ১২ আগস্ট: আন্তর্জাতিক যুব দিবস।
- ২৭ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব পর্যটন দিবস।
- ৪ অক্টোবর: বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৫ অক্টোবর: বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
- ১৪ অক্টোবর: বিশ্ব মান দিবস।
- ১৮ই ডিসেম্বর: আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস।

উৎস: Britannica, UNSECO ওয়েবসাইট।
৫৩.
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সদর দপ্তর -
  1. ভিয়েনা
  2. বন
  3. জেনেভা
  4. রোত
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।

IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
৫৪.
জাপানের পার্লামেন্টের নাম-
  1. ডায়েট
  2. পিনসাস
  3. নেসেট
  4. শুরা
ব্যাখ্যা
জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট।

জাপান:
- জাপানের পূর্বনাম নিপ্পন।
- জাপানের সংবিধানকে বিশ্বের ‘শান্তির সংবিধান‘ বলা হয়।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর টোকিও।
- জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট।
- জাপানের প্রধান দ্বীপ হচ্ছে হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ হনসু।
- জাপানের পতাকার রং সাদা ও লাল।
- পতাকায় সাদা পটভূমির উপর মাঝে লাল চাকতি (উদীয়মান সূর্যের প্রতিনিধিত্বকারী) পতাকার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

⇒বিভিন্ন দেশের আইনসভা:
- জাতীয় সংসদ: বাংলাদেশের আইনসভা।
- সংসদ: ভারতের আইনসভা।
- সোংডু: ভুটানের আইনসভা।
- কংগ্রেস: যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা।
- পার্লামেন্ট: যুক্তরাজ্যের আইনসভা।
- ডেল আয়ারম্যান বা ওয়ারেখটাস: আয়ারল্যান্ডের আইনসভা।
- চেম্বার অব ডেপুটিজ: গ্রিসের আইনসভা।
- পিথু ইটার্ড: মায়ানমারের আইনসভা।
- মজলিশ: ইরানের আইনসভা।
- লয়াজিরগা: আফগানিস্তানের আইনসভা।
- মজলিস-ই-শূরা: পাকিস্তানের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরায়েলের আইনসভা।
- ফেডারেল অ্যাসেম্বলি (স্টেট ডুমা): রাশিয়ার আইনসভা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- স্টারটিং: নরওয়ের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- সাবোর: ক্রোয়েশিয়ার আইনসভা।

উৎস: i) WorldAtlas.
         ii) Central Intelligence Agency (.gov).
৫৫.
আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ফ্লোরিডা
  2. পক
  3. জিব্রাল্টার
  4. বেরিং
ব্যাখ্যা
আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে বেরিং প্রণালী।

বেরিং প্রণালি:

- 'বেরিং প্রণালি' এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালিটির গড় গভীরতা ৯৮ থেকে ১৬৪ ফুট (৩০ থেকে ৫০ মিটার)।
- এর প্রশস্ততা প্রায় ৫৩ মাইল (৮৫ কিমি।

অন্যদিকে,
জিব্রাল্টার প্রণালী:
- এই প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- এই প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।

পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।
- এটি উত্তরপূর্বে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণে অবস্থিত মান্নার উপসাগরকে যুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.
৫৬.
সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যন-
  1. জেনারেল সুহার্তো
  2. রবার্ট মুগাবে
  3. জুলিয়াস নায়ারে
  4. ফিডেল ক্যাস্ট্রো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল।

সাউথ কমিশন:
- 'সাউথ কমিশন’ এর বর্তমান নাম ‘সাউথ সেন্টার’।
- এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন জুলিয়াস নায়ারে।

সাউথ সেন্টার:
- সাউথ সেন্টার হলো উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা।
- দক্ষিণ কেন্দ্রটি একটি আন্তঃসরকারি চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৩১ জুলাই, ১৯৯৫ সালে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য ৫৫টি।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ডাঃ কার্লোস।

উৎস: South Centre ওয়েবসাইট।
৫৭.
আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় -
  1. ৭ জুলাই
  2. ৯ মার্চ
  3. ৫ জুন
  4. ২১ মে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় ৫ জুন।

UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালের ৫ জুন।
- সদরদপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- UNEP এর প্রধানের পদবী: নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৮ সালে জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠায় সুইডেন সরকার।
- চিঠির বিষয়বস্তু ছিল প্রকৃতি ও পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে তাদের গভীর উদ্বেগের কথা।
- সে বছরই জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি সাধারণ অধিবেশনের আলোচ্য সূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- পরের বছর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সমাধানের উপায় খুঁজতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
- তখন সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সম্মতিতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ১৯৭২ সালের ৫ থেকে ১৬ জুন জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনটি ইতিহাসের প্রথম পরিবেশ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায়।
- পরে ১৯৭৩ সালে সম্মেলনের প্রথম দিন ৫ জুনকে জাতিসংঘ ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- এরপর ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর দিবসটি সারা বিশ্বে পালন করা হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
৫৮.
জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় -
  1. ২৪ অক্টোবর
  2. ২৪ আগস্ট
  3. ২৪ ডিসেম্বর
  4. ২৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর।

জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি - ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উল্লেখ্য,
- ইয়াল্টা সম্মেলনে বৃহৎ পাঁচটি শক্তি যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, চীন ও ফ্রান্সকে ভেটো ক্ষমতা দেওয়া হয়।
- তাঁরা এমন সিদ্ধান্ত দেন যে বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থাটি গঠন করা হবে।
- ইয়াল্টা শীর্ষ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা মিলিত হন।
- ২৬ জুন ১১১ টি ধারা সম্বলিত সনদটি অনুমোদিত হয়।
- সর্বসম্মতভাবে সনদটি স্বাক্ষরিত হয় ২৪ অক্টোবর।
- মোট ৫১টি দেশ মূল সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
- এ কারণে, প্রতি বছর ২৪ অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে উদ্যাপন করা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫৯.
নামিবিয়ার রাজধানী -
  1. কারাভু
  2. উইন্ডহুক
  3. প্রিটোরিয়া
  4. কোটাভি
ব্যাখ্যা
নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহুক।

নামিবিয়া:
- নামিবিয়া দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর তীরবর্তী আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি দেশ।
- এর উত্তরে অ্যাঙ্গোলা, উত্তর -পূর্বে জাম্বিয়া, পূর্বে বতসোয়ানা, দক্ষিণ -পূর্ব ও দক্ষিণে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর।
- ১৮৮৪ সালে দেশটি জার্মানদের অধিকারে যায়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার জার্মান উপনিবেশ দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক অধিকৃত হয়।
- ১৯৬০ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার নাম পরিবর্তন করে নামিবিয়া নামকরণ করা হয়। 
- ১৯৯০ সালের ২১ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- রাজধানী: উইন্ডহোক।
- অফিশিয়াল ভাষা: ইংরেজি।
- মুদ্রা: নামিবিয়ান ডলার।
- রাষ্ট্রপ্রধান: প্রেসিডেন্ট।
- সরকারপ্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক: ব্যাংক অব নামিবিয়া।

অন্যদিকে,
- দক্ষিন আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী প্রিটোরিয়া।

উৎস: Britannica.
৬০.
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ঋণ প্রদান করে-
  1. স্বাভাবিক সুদে
  2. বিনা সুদে
  3. অল্প সুদে
  4. অতি সামান্য সুদে
ব্যাখ্যা
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ঋণ প্রদান করে বিনা সুদে।

Islamic Development Bank (IsDB):
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- ৫৭তম দেশ: গায়ানা।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডক্টর মুহাম্মদ আল-জাসের (সৌদি আরব)।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ঋণ প্রদান করে বিনা সুদে।

উল্লেখ্য,
- IDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।
- OIC-ভুক্ত দেশ আইভরি কোস্ট IDB-এর সদস্য নয়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে IsDB-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সাল থেকে।

উৎস: IDB ওয়েবসাইট।
৬১.
ওডারনীস নদী -
  1. পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
  2. পশ্চিম জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে সীমা নির্ধারক
  3. পশ্চিম জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
  4. সংযুক্ত জার্মান ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক
ব্যাখ্যা
ওডারনীস নদী পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক।

ওডার নদী:
- ওডার নদী উত্তর মধ্য ইউরোপের একটি নদী।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন পথ।
- এটি চেক প্রজাতন্ত্রের ওলোমুকের কাছে উৎপত্তি লাভ করে উত্তর-পূর্বে প্রবাহিত হয়ে পোল্যান্ডে প্রবেশ করেছে।
- দেশটির দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে রাসিবর্জ, ওপোলে, রোকলভ এবং কোস্ত্রজিনের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সজেসিনের কাছে বাল্টিক সাগরে পতিত হয়েছে।
- নদীটি ৯১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং রাসিবর্জ পর্যন্ত নাব্য।
- ওডার নদী খালের মাধ্যমে পূর্ব জার্মানির ষ্প্রে, হাভেল এবং লাবে নদীর সাথে সংযুক্ত।

⇒ ওডার-নীস লাইন:
- ওডার-নীস লাইন হলো জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা। 
- পটসডাম সম্মেলনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি টানা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ওডার নদী জার্মানির সীমানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হত।
- ১৯৪৫ সালে জার্মানির পরাজয়ের পর ওডার ও নীস নদী ধরে জার্মানি ও পোল্যান্ডের একটি সাময়িক সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়।
- পশ্চিম জার্মানি সরকার সীমান্তটি স্বীকৃতি দিতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত দেরি করে।
- ১৯৯০ সালে পশ্চিম ও পূর্ব জার্মানি একত্র হলে ১৯৪৫ সালের সীমান্তটি কার্যকর করা হয়।

উৎস: Britannica.
৬২.
'হারারে'-এর পুরাতন নাম -
  1. সলসবেরি
  2. ফরমোজা
  3. পেট্রোগ্রাড
  4. রোডেসিয়া
ব্যাখ্যা
'হারারে'-এর পুরাতন নাম সলসবেরি।

হারারে:
- জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারে।
- এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। 
- হারারের পূর্বনাম সলসবেরি।

জিম্বাবুয়ে:
- জিম্বাবুয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত দেশ ।
- রাজধানী: হারারে।
- ভাষা: ইংরেজি।
- মুদ্রা: জিম্বাবুয়ান ডলার।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম প্লাটিনাম উৎপাদনকারী দেশ।

অন্যদিকে,
- জিম্বাবুয়ের প্রাচীন নাম দক্ষিণ রোডেশিয়া।
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান। 

উৎস: Britannica.
৬৩.
পবিত্রভূমি কোনটিকে বলা হয়?
  1. প্যালেস্টাইন
  2. জেরুজালেম
  3. জেদ্দা
  4. তায়েফ
ব্যাখ্যা
পবিত্র ভূমি বলা হয় জেরুজালেমকে।

জেরুজালেম:
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- তিনটি ধর্মের মধ্যম এই শহর।
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে।
- ফলে জেরুজালেম এখন দুই রাষ্ট্র তথা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। 
- জেরুজালেমকে নিয়ে স্বন্দের কেন্দ্রবিন্দু টেম্পল মাউন্ট।
- এখানেই আছে তিন ধর্মের পবিত্র স্থাপনা, যেমন: ওয়েস্টার্ন ওয়াল, চার্চ অব দি হলি সেপালচার, দি ডোম অব দি রক, আল আকসা মসজিদ। 
- তাই জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলা হয়।

⇒ মুসলিমদের জন্য:
- আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।
- মক্কা ও মদিনার পরে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদকে ইসলামের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ মসজিদটি ফিলিস্তিনের প্রাণকেন্দ্র পবিত্র জেরুজালেম নগরীতে অবস্থিত।

⇒ ইহুদিদের জন্য:
- Western wall জেরুজালেমে অবস্থিত।
- জেরুজালেমের পুরাতন শহরে, ইহুদি জনগণের কাছে এটি প্রার্থনা এবং তীর্থযাত্রার স্থান।
- ইহুদিদের বেলায় এই আল-আকসা মসজিদের কম্পাউন্ড টেম্পল মাউন্ট নাম পরিচিত।
- প্রথম মন্দিরটি ৫৮৭-৫৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলনীয়রা ধ্বংস করেছিল এবং দ্বিতীয় মন্দিরটি ৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমানরা ধ্বংস করেছিল।
- টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত ও পবিত্র স্থান।
- চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত।

⇒ খ্রিস্টানদের জন্য:
- যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান বেথলেহেম জেরুজালেম শহরে।
- এই ছোট শহরেই যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়।
- যীশুর সমাধিস্থানও এখানেই।

উৎস: Britannica.
৬৪.
এডেন কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ইয়েমেন
  2. কাতার
  3. ওমান
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
এডেন ইয়েমেনের সমুদ্রবন্দর।

এডেন:
- এডেন ইয়েমেনের শহর।​
- এটি এডেন উপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত এবং আল-তাওয়াহি হারবারের পূর্ব দিকে ঘেরা একটি উপদ্বীপে অবস্থিত।
- এডেন ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের অস্থায়ী রাজধানী।।

⇒ ইয়েমেন:
- ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র পশ্চিম এশিয়ার একটি আরব দেশ।
- দেশটি এককালে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থল ছিল।
- আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দক্ষিণ আরবজুড়ে দেশটির অবস্থান।
- ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ইয়েমেনের সীমান্তে রয়েছে উত্তরে সৌদি আরব, পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর ও আরব সাগর এবং পূর্ব-উত্তর পূর্বে ওমান।
- রাজধানী: এডেন।
- ভাষা: আরবি।
- মুদ্রা: ইয়েমেনি রিয়াল।

অন্যদিকে,
- কাতারের প্রধান সমুদ্রবন্দর হামাদ।
- ওমানের প্রধান সমুদ্রবন্দর সালালাহ।
- ইরাকের প্রধান সমুদ্রবন্দর উম্মে কাসর।

উৎস: i) World Atlas.
         ii) Britannica.
৬৫.
মালদ্বীপের মুদ্রার নাম কি?
  1. রুপী
  2. ডলার
  3. পাউন্ড
  4. রুপাইয়া
ব্যাখ্যা
মালদ্বীপের মুদ্রার নাম রুপাইয়া।

মালদ্বীপ:

- ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেশ মালদ্বীপ।
- এটি ১২ শতাধিক ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ।
- দ্বীপ রাষ্ট্রটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন নির্ভর। 
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট : পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা : মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।

বিভিন্ন দেশের মুদ্রা:
- গুর্দে: হাইতির মুদ্রা,
- লিরা: তুরস্কের মুদ্রা,
- বেলবো: পানামার মুদ্রা,
- রিয়েল: ব্রাজিলের মুদ্রা,
- ইয়েন: জাপানের মুদ্রা,
- ইউয়ান: চীনের মুদ্রা,
- ডং: ভিয়েতনামের মুদ্রা,
- রিঙ্গিত: মালয়েশিয়ার মুদ্রা,
- কিয়াট: মিয়ানমারের মুদ্রা,
- রুবল: রাশিয়ার মুদ্রা,
- পাউন্ড: যুক্তরাজ্য, মিশর, দক্ষিণ সুদান, লেবানন, সিরিয়া, সুদান প্রভৃতি দেশের মুদ্রা,
- ইউরো: ইউরোপিয় মুদ্রা,
- পেসো: মেক্সিকো, ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, চিলি, কলম্বিয়া, উরুগুয়ের মুদ্রা।

উৎস: i) World Atlas.
        ii) Britannica.
৬৬.
১৯৯২ সালে বিশ্ব অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
  1. বার্সেলোনা
  2. জুরিখ
  3. বার্লিন
  4. ব্রাসেলস
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালে বিশ্ব অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়  স্পেনের বার্সেলোনায়। 

অলিম্পিক গেমস:

- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রিস শুরু হওয়া প্রাচীন অলিম্পিক গেমস থেকেই মূলত আধুনিক অলিম্পিক গেমসের জন্ম।
- আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয় গ্রিসের এথেন্সে।
- এটি ১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জনক ফ্রান্সের নাগরিক ব্যরন দ্য কুবার্তো।
- ১৯১৪ সালে কুবার্তো দ্বারা উপস্থাপিত অলিম্পিক পতাকাটি হল প্রোটোটাইপ: এটির সাদা জমিনের কেন্দ্রে পাঁচটি আন্তঃসংলগ্ন রিং রয়েছে - নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
- এই রিংগুলি অলিম্পিকে একসাথে যোগদানকারী 'বিশ্বের পাঁচটি অংশ' প্রতিনিধিত্ব করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে অলিম্পিক গেমসের অনুষ্ঠিত হবে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- ২০২৮ সালে অলিম্পিক গেমসে অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে।

১৯৯২ অলিম্পিক গেমস:
- ১৯৯২ সালে বিশ্ব অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়  স্পেনের বার্সেলোনায়। 

উৎস: i) Olympics.
         ii) Britannica.
৬৭.
আফটা (AFTA) বলতে কি বোঝায় -
  1. একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী
  2. পূর্ব আফ্রিকার একটি সংবাদ সংস্থা
  3. একটি বিমান সংস্থা
  4. একটি সামরিক চুক্তি
ব্যাখ্যা
আফটা (AFTA) বলতে কি বোঝায় একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী।

AFTA:
- AFTA-এর পূর্ণরূপ: ASEAN Free Trade Area.
- AFTA হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে ASEAN মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (AFTA) গঠনে সম্মত হয়।
- AFTA অন্যান্য উদীয়মান আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলির প্রতিক্রিয়া হিসাবেও তৈরি করা হয়েছিল, যেমন উত্তর আমেরিকান ফ্রি ট্রেড এরিয়া (NAFTA) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জানুয়ারি, ১৯৯২।
- AFTA যাত্রা শুরু করে: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১০টি।
- এগুলো হলো: ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস এবং মায়ানমার।

⇒ ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- ASEAN জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)।
- আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ASEAN Regional Forum- ARF) এর সদস্য সংখ্যা ২৭টি।
- বাংলাদেশ ARF এর সদস্য।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
৬৮.
আন্তর্জাতিক রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা -
  1. W. Wilson
  2. Paul Harris
  3. Baden Powel
  4. H. Wilson
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা Paul Harris।

Rotary International:
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে উঠা সেবামূলক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯০৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস।
- নীতিবাক্য: নিজের উপরে সেবা।
- সদরদপ্তর: ইভানস্টন, ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল হলো মানবকল্যাণমুখী সমাজ উন্নয়নমূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- রোটারি নামটি মূলত হ্যারিস দ্বারা প্রস্তাবিত।
- রোটারি আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি সারা বিশ্বের রোটারিয়ানদের মধ্যে আন্তর্জাতিক চৈতনাকে প্রচার করে।
- রোটারি ক্লাবগুলি সমাজকল্যাণ এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যৌথ বা একক উভয়ভাবে পরিচলানা করে থাকে।

এছাড়াও,
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ ১৯৩৭ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় রোটারি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাত্র ৮৮ জন ডিস্ট্রিক্ট সদস্যকে নিয়ে পরবর্তী বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি সনদ প্রাপ্ত হয়।
- তখন থেকে রোটারি কার্যক্রম প্রসারিত হচ্ছে।
- এখন পর্যন্ত রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮০ এর তত্ত্বাবধানে ২০৫ টি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- যার মোট সদস্য সংখ্যা হলো ৪৩০০।
- এছাড়াও এর অনেক জুনিয়র ক্লাব রয়েছে যেমন, রোটারাক্ট ক্লাব, ইন্টারাক্ট ক্লাব এবং রোটারি কমিউনিটি কোর্পস।

উৎস: i) Rotary International ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
চালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬,০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের বর্তমান মূল্য কত?
  1. ৭৫০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ৭২০ টাকা
  4. ৭৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬,০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের বর্তমান মূল্য কত?

সমাধান: 
১০০ টাকায় কমে ১২ টাকা 
১ টাকায় কমে ১২/১০০ টাকা 
৬০০০ টাকায় কমে (১২ × ৬০০০)/১০০
= ৭২০ টাকা 

৭২০ টাকায় ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়।
১ কুইন্টাল বা ১০০ কেজি চালের দাম ৭২০ টাকা
৭০.
একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৩ গুণ। দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার হলে, ক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?
  1. ১২৮ মিটার
  2. ১৪৪ মিটার
  3. ৬৪ মিটার
  4. ৯৬ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৩ গুণ। দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার হলে, ক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
∴ আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার= ৪৮/৩ = ১৬ মিটার

আয়তাকার ক্ষেত্রের পরিসীমা = ২(৪৮ + ১৬) মিটার
= ২ × ৬৪ মিটার
= ১২৮ মিটার
৭১.
ক ঘণ্টায় ১০ কি.মি.এবং খ ঘণ্টায় ১৫ কি.মি. বেগে একই সময় একই স্থান থেকে রাজশাহীর পথে রওয়ানা হলো। ক ১০.১০ মিনিটের সময় এবং খ ৯.৪০ মিনিটের সময় রাজশাহী পৌঁছল। রওয়ানা হওয়ার স্থান থেকে রাজশাহীর দূরত্ব কত কি.মি.?
  1. ২০ কিমি
  2. ২৫ কিমি
  3. ১৫ কিমি
  4. ২৮ কিমি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ঘণ্টায় ১০ কি.মি.এবং খ ঘণ্টায় ১৫ কি.মি. বেগে একই সময় একই স্থান থেকে রাজশাহীর পথে রওয়ানা হলো। ক ১০.১০ মিনিটের সময় এবং খ ৯.৪০ মিনিটের সময় রাজশাহী পৌঁছল। রওয়ানা হওয়ার স্থান থেকে রাজশাহীর দূরত্ব কত কি.মি.?

সমাধান:
ধরি
রাজশাহীর দূরত্ব = x কি.মি.
∴ক এর সময় লাগে= x/১০ ঘণ্টা
=৬০x/১০ মিনিট
=৬x মিনিট।

খ এর সময় লাগে = x/15 ঘণ্টা
= ৬০x/১৫ মিনিট
=৪x মিনিট।

সময় ব্যাবধান= ১০.১০ - ৯.৪০ = ৩০ মিনিট

এখন
৬x - ৩০ = ৪x
বা,২x = ৩০
∴x = ১৫ কি.মি.

অর্থাৎ,রওয়ানা হওয়ার স্থান থেকে রাজশাহীর দুরত্ব ১৫ কি.মি.
৭২.
১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩, ................. । পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ৮৫
  2. ১২১
  3. ৯৯
  4. ৯৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩, ................. । পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
১ম পদ = ১৯
২য় পদ = ১৯ + ১৪ = ৩৩
৩য় পদ = ৩৩ + ১৮ = ৫১ 
৪র্থ পদ = ৫১ + ২২ = ৭৩
৫ম পদ = ৭৩ + ২৬ = ৯৯
৭৩.
একটি ক্রিকেট দলে যতজন স্ট্যাম্প আউট হলো তার দেড়গুণ কট আউট হলো এবং মোট উইকেটের অর্ধেক বোল্ড আউট হলো। এই দলের কতজন কট আউট হলো?
  1. ৪ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্রিকেট দলে যতজন স্ট্যাম্প আউট হলো তার দেড়গুণ কট আউট হলো এবং মোট উইকেটের অর্ধেক বোল্ড আউট হলো। এই দলের কতজন কট আউট হলো?

সমাধান:
ধরি
স্ট্যাম্প আউট হয় = ক জন
কট আউট হয় = ৩ক/২ জন
মোট উইকেট ১০টির অর্ধেক বোল্ড আউট হয়

শর্তমতে,
ক + (৩ক/২) + ৫ = ১০
⇒ (২ক + ৩ক)/২ = ১০ - ৫
⇒ ৫ক/২ = ৫
∴ ক = ২ জন

∴ কট আউট হয় = (৩ × ২)/২ জন
= ৩ জন
৭৪.
একটি বন্দুকের গুলি প্রতি সেকেন্ডে ১,৫৪০ ফুট গতিবেগে লক্ষ্যভেদ করে। এক ব্যক্তি বন্দুক ছুঁড়বার ৩ সেকেন্ড পরে লক্ষ্যভেদের শব্দ শুনতে পায়। শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১১০০ ফুট। লক্ষ্য বস্তুর দূরত্ব কত?
  1. ২০২৫ ফুট
  2. ১৯২৫ ফুট
  3. ১৯৭৫ ফুট
  4. ১৮৭৫ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বন্দুকের গুলি প্রতি সেকেন্ডে ১,৫৪০ ফুট গতিবেগে লক্ষ্যভেদ করে। এক ব্যক্তি বন্দুক ছুঁড়বার ৩ সেকেন্ড পরে লক্ষ্যভেদের শব্দ শুনতে পায়। শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১১০০ ফুট। লক্ষ্য বস্তুর দূরত্ব কত?

সমাধান:
ধরি,
লক্ষবস্তুর দূরত্ব = ক মিটার
ক মিটার যেতে বুলেটের সময় লাগে ক/১৫৪০ সেকেন্ড
ক মিটার আসতে শব্দের সময় লাগে ক/১১০০ সেকেন্ড

প্রশ্নমতে,
(ক/১৫৪০) + (ক/১১০০) = ৩
বা, (৫ক + ৭ক)/৭৭০০ = ৩
বা, ১২ক = ৩ × ৭৭০০
বা, ১২ক  = ২৩১০০
বা, ক = ২৩১০০/১২
বা, ক = ১৯২৫

অতএব
লক্ষবস্তুর দূরত্ব = ১৯২৫ মিটার
৭৫.
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধকে যদি r থেকে বৃদ্ধি করে r + n করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হয়। r-এর মান কত?
  1. n/(√2 - 1)
  2. n + √2
  3. √(2n)
  4. √{2(n + 1)}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধকে যদি r থেকে বৃদ্ধি করে r + n করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হয়। r-এর মান কত?

সমাধান:
ব্যাসার্ধ r হলে ক্ষেত্রফল = πr2
এবং ব্যাসার্ধ (r + n) হলে ক্ষেত্রফল = π(r + n)2

প্রশ্নমতে,
2 × πr2 = π (r + n)2
বা, 2r2 = (r + n)2
বা, √2 r = r + n
বা, √2 r - r = n
বা, r (√2 - 1) = n
∴ r = n/(√2 - 1)

৭৬.
a - {a - (a + 1)} = কত?
  1. a - 1
  2. 1
  3. a
  4. a + 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - {a - (a + 1)} = কত?

সমাধান:
a - {a - (a + 1)}
= a - {a - a - 1}
= a - { - 1}
= a + 1
৭৭.
একটি পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ২। যদি পানি অপেক্ষা দুধের পরিমাণ ৬ লিটার বেশি হয় তবে পানির পরিমাণ-
  1. ১৪ লিটার
  2. ৬ লিটার
  3. ১০ লিটার
  4. ৪ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ২। যদি পানি অপেক্ষা ‍দুধের পরিমাণ ৬ লিটার হয় তবে পানির পরিমাণ 

সমাধান:
ধরি,
দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার,
পানির পরিমাণ = ২ক লিটার

প্রশ্নমতে 
∴ ৫ক - ২ক = ৬ লিটার
বা, ৩ক = ৬ লিটার
∴ ক = ২ লিটার

∴ পানির পরিমাণ = ২ × ২ = ৪ লিটার
৭৮.
  1. 0
  2. 1
  3. 225
  4. 1/225
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৭৯.
ক এর বেতন খ এর বেতন অপেক্ষা শতকরা ৩৫ টাকা বেশি হলে খ এর বেতন ক এর বেতন অপেক্ষা কত টাকা কম?
  1. ২৭ টাকা
  2. ২৫.৯৩ টাকা
  3. ৪০ টাকা
  4. ২৫.৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক এর বেতন খ এর বেতন অপেক্ষা শতকরা ৩৫ টাকা বেশি হলে খ এর বেতন ক এর বেতন অপেক্ষা কত টাকা কম?

সমাধান:
খ এর বেতন ১০০ টাকা
ক এর বেতন ১৩৫ টাকা

১৩৫ টাকায় খ এর বেতন কম ৩৫ টাকা
১টাকায় খ এর বেতন কম ৩৫/১৩৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় বেতন কম (৩৫×১০০)/১৩৫
= ২৫.৯৩ টাকা
৮০.
১০টি সংখ্যার যোগফল ৪৬২। এদের প্রথম ৪টির গড় ৫২ এবং শেষের ৫টির গড় ৩৮। পঞ্চম সংখ্যাটি কত?
  1. ৬০
  2. ৬৪
  3. ৬২
  4. ৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০টি সংখ্যার যোগফল ৪৬২। এদের প্রথম ৪টির গড় ৫২ এবং শেষের ৫টির গড় ৩৮। পঞ্চম সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
প্রথম ৪টির গড় ৫২
প্রথম ৪টি সংখ্যার সমষ্টি = ৪ × ৫২
= ২০৮

শেষ ৫টির সংখ্যার গড় ৩৮
শেষ ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫ × ৩৮
= ১৯০

∴ ৯টি সংখ্যার সমষ্টি = (২০৮ + ১৯০)
= ৩৯৮

∴পঞ্চম সংখ্যাটি = ৪৬২ - ৩৯৮
= ৬৪
৮১.
[প্রশ্নপত্রে ছবি না থাকায় এবং অস্পষ্ট প্রশ্ন হওয়ায় বাতিল করা হলো।]
পাশাপাশি দুটি বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহু ২০ ফুট। BC = ৬, CF = ৫ ফুট, DE = কত?
  1. ১৫ ফুট
  2. ১২ ফুট
  3. ২০ ফুট
  4. ১৮ ফুট
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নপত্রে ছবি না থাকায় এবং অস্পষ্ট প্রশ্ন হওয়ায় কোনো উত্তর প্রদান করা সম্ভব হয় নি।
৮২.
যদি a3 - b3 = 513 এবং a - b = 3 হয়, তবে ab এর মান কত?
  1. 54
  2. 35
  3. 45
  4. 55
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:যদি a3 - b3 = 513 এবং a - b = 3 হয়, তবে ab এর মান কত?

সমাধান: 
দেয়া আছে,
 a3 - b3 = 513
 a - b = 3

আমরা জানি,
(a - b)3 = a- b3 - 3ab(a - b)
বা, 33 = 513 - 3ab(3)
বা, 27 = 513  - 9ab
বা, 9ab = 513 - 27 
বা, 9ab = 486
বা, ab = 486/9
∴ ab = 54
৮৩.
(x + 3)(x - 3) কে x2 - 6 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
  1. - 6
  2. 3
  3. 6
  4. - 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x + 3)(x - 3) কে x2 - 6 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?

সমাধান: 
 (x + 3) (x - 3) 
= x2 - 3
= x2 - 9 

এখন, 
x2 - 6) x2 - 9 (1 
           x2 - 6
_____________
                - 3 

∴ ভাগশেষ = - 3
৮৪.
২ টা ১৫ মিনিটের সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়?
  1. ২৩°
  2. (৪৫/২)°
  3. ২০°
  4. (৪৭/২)°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ টা ১৫ মিনিটের সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়?

সমাধান: 
উৎপন্ন কোণ = ।(11 M - 60 H)/2।°   [এখানে, M=30 মিনিট, H= 2 ঘণ্টা ]
= । (১১ × ১৫ - ৬০ × ২)/২।°
= ।(১৬৫ - ১২০)/২।°
=।৪৫/২।°
= (৪৫/২)°
৮৫.
এক মিটার সমান কত ইঞ্চি?
  1. ৩৭.৩৯ ইঞ্চি
  2. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
  3. ৩৯.৪৭ ইঞ্চি
  4. ৩৮.৫৫ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক মিটার সমান কত ইঞ্চি?

সমাধান:
১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
৮৬.
ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে-
  1. বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝড়ে পড়ে
  2. পাতা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে
  3. কীটপতঙ্গের সাহায্যে
  4. ফুলে ফুলে সংস্পর্শে
ব্যাখ্যা
- ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে- বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে। 

বায়ুর সাহায্যে পরাগায়ন: 
- অনেক উদ্ভিদের ফুলের পরাগায়ন বায়ুর সাহায্যে হয়ে থাকে। 
- যে ফুলের পরাগায়ন বায়ুর সাহায্যে সম্পন্ন হয়ে থাকে তাকে বায়ু পরাগী ফুল বলে এবং এ প্রক্রিয়াকে বায়ু পরাগায়ন বলে। 
- বায়ু পরাগী ফুল সাধারণত আকর্ষণহীন হয়। 
- এ সমস্ত ফুল আকারে ছোট তাই এদের পরাগরেণু ক্ষুদ্র ও হালকা হয়। 
- এদের পরাগরেণু হালকা হওয়ায় সহজেই বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে। 
- বাতাসে ভেসে আসা পরাগরেণু ধরার জন্য এসকল উদ্ভিদের ফুলের গর্ভমুন্ড পাখির পালকের মত রোমশ হয়। 
- পাইনাস, ধান, ভূট্টা, ইক্ষু, গম ইত্যাদি উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটে বাতাসের সাহায্যে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে-
  1. ১০ কি. মি.
  2. ১০ নিউটন
  3. ২৭ কি. মি
  4. ৫ কি. মি.
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ১০ নিউটন। 
- গড় সমুদ্রপৃষ্ঠীয় চাপ হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ। 
- পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের শীর্ষ পর্যন্ত গড়ে ১ বর্গ সেন্টিমিটার প্রস্থচ্ছেদের বায়ুর কলামের ভর ১.০৩ কিলোগ্রাম এবং এটি ১০.১ নিউটন ওজন প্রয়োগ করে, যার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে ১০.১ নিউটন চাপের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট।
৮৮.
সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো-
  1. ইরি - ৮
  2. ইরি - ১
  3. ইরি - ২০
  4. ইরি - ৩
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় ১৯৬৭ সালে ‘ইরি-৮’ ধানের মাধ্যমে। 
- ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান। 
- পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। 
- বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে। 

উৎস: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট।
৮৯.
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে-
  1. বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
  2. সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
  3. লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে
  4. সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
ব্যাখ্যা
- সাধারণ লোহার সাথে সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে কার্বন মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা হয়, তাই এটি সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। 
- ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যার মধ্যে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। 
- এছাড়াও ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯০.
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো-
  1. নাইট্রোজেন গ্যাস
  2. মিথেন
  3. হাইড্রোজেন গ্যাস
  4. কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায় । 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১.
মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয়-
  1. পরমাণু
  2. ইলেকট্রন
  3. অণু
  4. প্রোটন
ব্যাখ্যা
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

পরমাণুর বৈশিষ্ট্য: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। 
যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 

অন্যদিকে, 
- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ-
  1. বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  2. সমুদ্রের পানিতে তাপ পরিচালনা
  3. সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
  4. সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
- সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ বায়ু প্রবাহের প্রভাব। 

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব। 
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়। 
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
(১) নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
(২) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩.
কাজ করার সামর্থ্যকে বলে-
  1. ক্ষমতা
  2. কাজ
  3. শক্তি
  4. বল
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে। 
- ধনাত্মক কাজ হচ্ছে কোনো বস্তুতে শক্তি দেওয়া। 
- ঋনাত্মক কাজ হচ্ছে কোনো বস্তু থেকে শক্তি সরিয়ে নেওয়া। 

অপরদিকে, 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে যদি বস্তুটির সরণ ঘটে, তাহলে বল এবং বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে। 
- একক সময়ে ব্যক্তি বা উৎসটি দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই হচ্ছে ক্ষমতা। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৪.
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো-
  1. দর্পণের কাজ করে
  2. আতষীকাচের কাজ করে
  3. লেন্সের কাজ করে
  4. প্রিজমের কাজ করে
ব্যাখ্যা
- রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। 
- প্রিজমে সাদা আলো পতিত হলে তা সাতটি বর্ণে বিশ্লিষ্ট হয়। 
যথা: বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল, একে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
- বৃষ্টির ফোটায় সূর্যের আলো পড়লে তা প্রিজমের নেয় কাজ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫.
কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো-
  1. জিপসাম
  2. বালি
  3. সাজি মাটি
  4. চুনাপাথর
ব্যাখ্যা
- কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হল বালি। 
- কাঁচ স্বচ্ছ পদার্থ এবং এটি স্বচ্ছ বলেই এর মধ্য দিয়ে আলোকরশ্মি ভেদ করে চলে যেতে পারে। 
- কাঁচ তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে বালু এবং বালুর প্রধান উপাদান হলো সিলিকা অর্থাৎ সিলিকন-ডাই-অক্সাইড। 
- কাঁচ হচ্ছে মূলত সোডিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম সিলিকেট এর মিশ্রণ। 
- রাসয়নিকভাবে কাঁচ একটি ক্ষারীয় দ্বি-লবণ। 
- সোডিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম সিলিকেট এর মিশ্রণকে উত্তপ্ত করে সম্পূর্ণরূপে গলিয়ে শীতল করলে যে শক্ত, অনিয়তাকার স্বচ্ছ ও ভঙ্গুর কঠিন পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে কাঁচ বলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বুঝানো হয়-
  1. এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
  2. তথ্য দেয়া ও তথ্য নেয়ার অংশ বিশেষ
  3. যেসব অংশ মুদ্রায়িত অবস্থায় থাকে
  4. কম্পিউটার তৈরির নকশা
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সফটওয়্যার বলতে বোঝানো হয় কম্পিউটারের প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল। 

কম্পিউটার সফটওয়্যার: 
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ, সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। 
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়। 
উদাহরণ: DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Video Player ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে-
  1. ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
  2. ভূমি ও আয়নোস্ফেয়ারের মধ্যে প্রতিফলন হতে হবে
  3. বিশেষ ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে
  4. খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় সঠিক উত্তরটি হল "ঘ) খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়"।

এর কারণগুলো হল:
1) মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির (সাধারণত 300 MHz থেকে 300 GHz) হওয়ায় এটি সরল রেখায় চলে।
2) দুটি মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) থাকা আবশ্যক।

3) এই পদ্ধতিতে অন্যান্য মাধ্যম যেমন ক্যাবল বা ওয়েভগাইডের প্রয়োজন হয় না।
4) আয়নোস্ফিয়ার প্রতিফলনের প্রয়োজন নেই, কারণ মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ার ভেদ করে যায়।

এই কারণে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় টাওয়ারগুলি এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে তাদের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) বজায় থাকে এবং সিগন্যাল খোলা আকাশের মধ্য দিয়ে সরল রেখায় যেতে পারে।

৯৮.
মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
  1. ২৪ জোড়া
  2. ২৬ জোড়া
  3. ২৩ জোড়া
  4. ২৫ জোড়া
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে-
  1. ট্রান্সফরমার
  2. জেনারেটর
  3. স্টোরেজ ব্যাটারি
  4. ক্যাপাসিটার
ব্যাখ্যা
- সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি। 
অর্থাৎ, স্টোরেজ ব্যাটারি সংযুক্ত থাকলে সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব। 
- Solar panels work hard all day producing electricity from the sun, You can continue benefiting from their energy production after sunset through net metering and solar battery storage.
১০০.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. একই হয়
  2. বেশি হয়
  3. কম হয়
  4. খুব কম হয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়। 
- ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরানো হউক না কেন পাওয়ার একই খরচ হয়, কারণ ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি। 
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাকটর উত্তপ্ত হয়, এই উত্তাপের কারণে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। 
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের বেলায় ভিন্ন, এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর যা তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে। 
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারণে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়, ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে। 
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।