পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (সাহিত্য)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১: বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাজন ও প্রাচীন যুগ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, চর্যাপদ [Live Interactive Class - 1 & 2]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

বাংলাবিদ (সাহিত্য) · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
মধ্যযুগের সময় হলো -
  1. ক) ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. খ) ১২৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. গ) ১২০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ঘ) ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লার মতে মধ্যযুগ হলো ১২০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। এই মত প্রায় অনেকে গ্রহণ করেছেন।

উৎস: চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।
.
বাংলা সাহিত্যে একটি শব্দও না লিখে স্থায়ী আসন গ্রহণ করেছেন কে?
  1. ক) শ্রীকৃষ্ণ
  2. খ) শ্রীরাম
  3. গ) শ্রীচৈতন্য
  4. ঘ) শ্রীদেব
ব্যাখ্যা
১৫০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে চৈতন্য যুগ বলা হয়। এ সময় চৈতন্যদেব বৈষ্ণব ধর্মের বাণী প্রচার করেছেন। ফলে বৈষ্ণব মতাদর্শের দ্বারা প্রভাবতি হয়ে পদ রচনা করেছেন, যা বৈষ্ণব পদাবলি নামে পরিচিত। 

উৎস : চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার। 
.
যুগসন্ধিকাল হলো -
  1. ক) ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
  2. খ) ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
  3. গ) ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
  4. ঘ) ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগের শেষ ও আধুনিক যুগের শুরুর সময়টাকে যুগসন্ধিকাল বলা হয়। বাংলা সাহিত্যে ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত যুগসন্ধিকাল হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস : চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার
.
রবীন্দ্রযুগ হলো -
  1. ক) ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
  2. খ) ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
  3. গ) ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
  4. ঘ) ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বটবৃক্ষের মতো সাহিত্যের সমস্ত স্তরে এক আধিপত্য নিয়ে বিরাজ করছিলেন। অন্যান্য কবি সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথের ভাব, ভাষা ও দর্শন দ্বারা ব্যাপক প্রভাবিত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটা বলয় বা বৃত্ত তৈরি করেছিলেন, এই বলয় বা বৃত্তের বাইরে গিয়ে কেউ নতুন কিছু লিখতে পারছিলেন না, কিন্তু সেই বৃত্ত কেউ কেউ ভেঙেছেন। নতুন কিছু করেছেন। রবীন্দ্রনাথে একক প্রভাব ছিল বলে তার নামে একটি যুগের নামকরণ করা হয়।
--------------
আধুনিক যুগও কয়েকটি ভাগে বিভক্ত:
প্রস্ত্ততিপর্ব (১৮০০-১৮৬০),
বিকাশের যুগ (১৮৬০-১৯০০),
রবীন্দ্রপর্ব (১৯০০-১৯৩০),
রবীন্দ্রোত্তর পর্ব (১৯৩০-১৯৪৭)
এবং বাংলাদেশ পর্ব (১৯৪৭- বর্তমান)।
রবীন্দ্রযুগ বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাব ও সৃজনশীলতার সময়কালকে নির্দেশ করে। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যসাধনার বৃহৎ কাল হিসেবে , ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর।

উৎস: চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।
.
চর্যাপদের অধিকাংশ পদ কোথায় বসে লেখা হয়?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) নওগাঁ
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
চর্যার অধিকাংশ পদ নওগাঁর পাহাড়পুর তথা সোমপুর বিহারে রচিত হয়েছে।

উৎস: চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।
.
চর্যাপদের কয়টি পদ পাওয়া যায়নি?
  1. ক) সাড়ে তিনটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) সাড়ে ছেচল্লিশটি
ব্যাখ্যা
পদসংখ্যা : চর্যাপদের সংখ্যা ৫০ টি। তবে সুকুমার সেন মনে করেন ৫১ টি। 
উদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা : সাড়ে ছেচল্লিশ।
অনুদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা : সাড়ে তিন
অনুদ্ধার বা বিলুপ্ত পদগুলো হলো : ২৩ নম্বরের শেষাংশ (ভুসুকুপা), ২৪ নম্বর (কাহ্নপা), ২৫ নম্বর (তন্ত্রীপা), ৪৮ নম্বর (কুক্কুরীপা)।   

উৎস: চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।
.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লার মতে চর্যাপদের অধিকাংশ কোন ছন্দে লিখিত?
  1. ক) পাদাকুলক
  2. খ) মাদকুলক
  3. গ) পয়ার
  4. ঘ) মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের অধিকাংশ পাদাকুলক ছন্দে রচিত। তবে নানা ধরনের ছন্দের কথা বলা হলেও আধুনিক ছন্দ বিবেচনায় চর্যাপদের ছন্দ মাত্রাবৃত্ত ছন্দ।

উৎস : চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।
.
চর্যাপদের কোন রসের সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. ক) শান্ত
  2. খ) বাৎসল্য
  3. গ) শৃঙ্গার
  4. ঘ) বীর
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের শৃঙ্গার আছে।
উৎস : চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার। 

উৎস: চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার। 
.
নবচর্যাপদ কত খ্রিষ্টাব্দে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯০৭
  2. খ) ১৯৪৭
  3. গ) ১৯৬১
  4. ঘ) ১৯৬৩
ব্যাখ্যা
নবচর্যাপদ চর্যাপদের মতো রচনা। শশীভূষণ দাশগুপ্ত ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে নেপাল ও তরাইভূমি থেকে ২৫০টি পদ আবিষ্কার ও সংগ্রহ করেন। 

উৎস : চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।