পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাস: ব্রিটিশ আমল থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কত সালে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়?
  1. ক) ১৯০১ সালে
  2. খ) ১৯০৫ সালে
  3. গ) ১৯১০ সালে
  4. ঘ) ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।

কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে এবং সহিংস আন্দোলন শুরু করে। ফলে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়। ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
এতে করে ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ডেনমার্কের অধিবাসীদের কী বলা হতো?
  1. ক) দিনেমার
  2. খ) ওলন্দাজ
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) ফিরিঙ্গ
ব্যাখ্যা
ডেনমার্কের অধিবাসীরা : ডেনিশ বা দিনেমার।
অন্যদিকে:
- ফরাসি : ফ্রান্সের অধিবাসী
- ইংরেজ : ইংল্যান্ডের অধিবাসী
- ওলন্দাজ : নেদারল্যান্ডসের অধিবাসী
- পর্তুগিজ : পর্তুগালের অধিবাসী
- ফিরিঙ্গি : পর্তুগিজ জলদস্যু
- বর্গি : মারাঠা সৈন্য

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত হন কে?
  1. ক) নবাব সুজাউদ্দৌলা
  2. খ) সম্রাট শাহ আলম
  3. গ) মীর কাশিম
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
বাংলার স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। বিহারের বক্সার নামক স্থানে ইংরেজদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনী মেজর মনরো'র নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর নিকট পরাজয় বরণ করে।

বক্সারের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতাও পুরোপুরি বিনষ্ট হয় এবং ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন বসেছিলো কোথায়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) মুম্বাই
  4. ঘ) লখনৌতি
ব্যাখ্যা
১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে কংগ্র্রেসের প্রথম অধিবেশন বসে মুম্বাইয়ে। এতে সভাপতিত্ব করেছিলেন বাঙালি ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি।

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস হলো সর্বভারতীয় প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন। এটি ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
বিধবা বিবাহ প্রচলনে কোন মনীষী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) রাজা রামমোহন রায়
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) স্বামী বিবেকানন্দ
ব্যাখ্যা
সাহিত্য সাধনার পাশাপাশি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সমাজ সংস্কারেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রচলন এবং বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধকরণে সংগ্রাম করেন।

তার প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তার ছেলের বিয়ে দেন একজন বিধবা'র সাথে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
লর্ড বেন্টিঙ্ক কবে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন?
  1. ক) ১৮১৫ সালে
  2. খ) ১৮২১ সালে
  3. গ) ১৮২৯ সালে
  4. ঘ) ১৮৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো। ভারতীয় হিন্দু সমাজে যুগ যুগ ধরে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন। তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।

রাজা রামমোহন রায়সহ আরো কিছু ভারতীয় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
নিচের কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিলো?
  1. ক) চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন
  2. খ) চট্টগ্রাম অস্ত্রগার লুন্ঠন
  3. গ) মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন
  4. ঘ) বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ঘটনাসমূহের মধ্যে সবার আগের ঘটনা হলো মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন। ১৯০৯ সালে মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন প্রবর্তিত হয়। এই আইনে প্রথমবারের মতো মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের বিধান গৃহীত হয়।

অন্যদিকে,

- চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন : ১৯১৯ সালে
- বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদিত হয় : ১৯২৩ সালে
- চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন : ১৯৩০ সালে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
ক্যাবিনেট মিশন কবে ভারতে এসেছিলো?
  1. ক) ১৯৪২ সালে
  2. খ) ১৯৪৩ সালে
  3. গ) ১৯৪৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনার জন্যে ১৯৪৬ সালের ২৪ মার্চ ব্রিটিশ সরকার তিন সদস্যের ক্যাবিনেট বা মন্ত্রী মিশন ভারতে পাঠায়।

ক্যাবিনেট মিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন ভারত সচিব পেথিক লরেন্স। অপর দুই সদস্য হলেন স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস এবং এ. ভি. আলেকজান্ডার।

ক্যাবিনেট মিশন ভারতকে তিনটি ভাগে ভাগ করে এবং তিন স্তর বিশিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা করে। মুসলিমলীগ শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা মেনে নিলেও কংগ্রেসের অসহযোগিতায় মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা সফল হয়নি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
জিন্নাহ প্রদত্ত দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তি কী ছিলো?
  1. ক) জাতিতাত্ত্বিক গঠন
  2. খ) ভাষা
  3. গ) ধর্ম
  4. ঘ) আঞ্চলিকতা
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের চল্লিশের দশকে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ হিন্দু-মুসলিম পৃথক জাতিসত্ত্বা সম্পর্কিত দ্বি-জাতি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। তার দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তি ছিলো ধর্ম।

জিন্নাহ প্রদত্ত দ্বি-জাতি তত্ত্বের আলোকেই লাহোর প্রস্তাব ও দিল্লি প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। জিন্নাহ’র পূর্বে স্যার সৈয়দ আহমদ খান এবং আল্লামা ইকবাল মুসলিম জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)