পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ - (৩৫ নম্বর): ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, প্রত্যয়, সন্ধি, কারক - বিভক্তি
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধনি কয়টি?
  1. ক) পাঁচ
  2. খ) ছয়
  3. গ) সাত
  4. ঘ) আট
সঠিক উত্তর:
গ) সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাত
ব্যাখ্যা

ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে।
বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে। এই ধ্বনিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা - স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
- মৌলিক স্বরধ্বনি - ৭টি।
- মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি - ৩০টি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোনটি কৃদন্ত শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) ভাজি
  2. খ) বিবাহিত
  3. গ) দৈনিক
  4. ঘ) পাগলামি
সঠিক উত্তর:
ক) ভাজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাজি
ব্যাখ্যা

- ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে  কৃৎপ্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ।
দুল্‌ + অনা = দোলনা,
ভাজ্‌ + ই = ভাজি।
উদাহরণে 'অনা' ও 'ই' হলো কৃৎপ্রত্যয়, এবং 'দোলনা' ও 'ভাজি' হলো কৃদন্ত শব্দ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. ক) আকাশ
  2. খ) পৃথিবী
  3. গ) অধ্যাদেশ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত রূপ সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা,
- পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।

সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দেকেও তৎসম শব্দ বলে।
যথা,
- অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
অবজ্ঞা অর্থে কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) কানাই
  2. খ) গেঁয়ো
  3. গ) চোরা
  4. ঘ) বেতো
সঠিক উত্তর:
গ) চোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চোরা
ব্যাখ্যা
প্রত্যয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই।
- তবে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরে অনেকে সময়ে শব্দের অর্থ ও শ্রেণিপরিচয় বদলে যায়।
- অবজ্ঞা অর্থে: চোর - চোরা,
- বৃহৎ অর্থে: ডিঙি - ডিঙা,
- সদৃশ অর্থে: বাঘ - বাঘা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'দিক্‌ + অন্ত = দিগন্ত' কোন সন্ধির উদাহরণ?
  1. ক) স্বর সন্ধি
  2. খ) ব্যঞ্জন সন্ধি
  3. গ) বিসর্গ সন্ধি
  4. ঘ) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যঞ্জন সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যঞ্জন সন্ধি
ব্যাখ্যা
স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
ব্যঞ্জনসন্ধি সাধারণত চার নিয়মে হয়, 
১. স্বর+ব্যঞ্জন
২. ব্যঞ্জন + স্বর
৩. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
৪. নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি।

ব্যঞ্জন+স্বর: ক/চ/ট/ত/প+স্বর = গ/জ/ড(ড়)/দ/ব। 
যেমন,
- দিক্‌ + অন্ত = দিগন্ত,
- সৎ + উপায় = সদুপায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'পরিচ্ছেদ' কোন নিয়মে ব্যঞ্জনসন্ধি?
  1. ক) স্বর + স্বর
  2. খ) স্বর + ব্যঞ্জন
  3. গ) ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
  4. ঘ) ব্যঞ্জন + স্বর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বর + ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বর + ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
ব্যঞ্জনসন্ধি সাধারণত চার নিয়মে হয়, 
১. স্বর+ব্যঞ্জন
২. ব্যঞ্জন + স্বর
৩. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
৪. নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি।

স্বর + ব্যঞ্জন: স্বর + ছ = স্বর + চ্ছ।
যেমন,
- কথা + ছলে = কথাচ্ছলে,
- পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি।



.
'নগদ' কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছেন?
  1. ক) তদ্ভব
  2. খ) আরবি
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) ওলন্দাজ
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরবি
ব্যাখ্যা
'নগদ' আরবি ভাষার শব্দ।
আরো বেশকিছু আরবি শব্দ বাংলা ভাষায় এসেছে । 
যেমন - আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত, ইদ, উকিল, কলম, বাকি, আদালত, তারিখ, হালুয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য কয়টি সংখ্যাবর্ণ আছে?
  1. ক) ছয়
  2. খ) সাত
  3. গ) দশ
  4. ঘ) এগার
সঠিক উত্তর:
গ) দশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দশ
ব্যাখ্যা
বাংলা বর্ণমালায় মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি।
তবে মূল বর্ণের পাশাপাশি বাংলা বর্ণের পাশাপাশি বাংলা বর্ণমালায় রয়েছে নানা ধরনের কারবর্ণ, অনুবর্ণ, যুক্তবর্ণ ও সংখ্যাবর্ণ।

কারবর্ণ: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কারবর্ণ বলে।
- কারবর্ণ মোট ১০টি। 

অনুবর্ণ: ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ।
অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে,
- ফলা,
- রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

যুক্তবর্ণ: একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না।
যুক্তবর্ণ দুই রকম হয়,
- স্বচ্ছ,
- অস্বচ্ছ।

সংখ্যাবর্ণ: বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য দশটি সংখ্যাবর্ণ রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'জগতে কীর্তিমান হয় সাধানায়।' - এখানে 'সাধনায়' কোন কারক?
  1. ক) কর্ম কারক
  2. খ) করণ কারক
  3. গ) অপাদান কারক
  4. ঘ) অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
খ) করণ কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করণ কারক
ব্যাখ্যা
যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। 
- এই কারকে সাধারণত 'দ্বারা', 'দিয়ে', 'কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক।
যেমন,
- ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
- জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
'অ/আ+ঋ = অর্‌' নিয়মে সাধিত সন্ধিশব্দ কোনটি?
  1. ক) জনৈক
  2. খ) মহর্ষি
  3. গ) গঙ্গোর্মি
  4. ঘ) সূর্যোদয়
সঠিক উত্তর:
খ) মহর্ষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহর্ষি
ব্যাখ্যা
অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ-কার থাকলে উভয় মিলে 'অর' হয় এবং তা রেফ রূপে পরবর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়।
যেমন,
অ + ঋ = অর্‌ - দেব + ঋষি = দেবর্ষি,
আ + ঋ = অর্‌ - মহা + ঋষি = মহর্ষি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।  
১১.
কোনটি কৃদন্ত শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) লেজুড়
  2. খ) মিশুক
  3. গ) পেটুক
  4. ঘ) ফলক
সঠিক উত্তর:
খ) মিশুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিশুক
ব্যাখ্যা
ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে ।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ।
যেমন,
- মিশ্‌ + উক = মিশুক, এখানে 'উক' কৃৎপ্রত্যয় এবং 'মিশুক' কৃদন্ত শব্দ।

লেজুড়, পেটুক, ফলক তদ্ধিতান্ত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
কোনটি মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ?
  1. ক) র
  2. খ) ড়
  3. গ) জ
  4. ঘ) শ
সঠিক উত্তর:
খ) ড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড়
ব্যাখ্যা
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন: দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। 
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে , সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে ।
- টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভূতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
কোনটি তদ্ভব শব্দ নয়?
  1. ক) হাতি
  2. খ) দাঁত
  3. গ) কুমির
  4. ঘ) পেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেট
ব্যাখ্যা
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষার একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।
যেমন,
- হাত, পা, হাতি, দাঁত, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

- পেট দেশি শব্দের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।