পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৯: সাধারণ জ্ঞান - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: মানব সম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় পুরস্কার, খেলাধুলা, সংস্থা, স্থাপত্য ও অন্যান্য জাতীয় ইস্যু, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা নীতি, প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষা প্রশাসন (প্রতিষ্ঠান ও ইনস্টিটিউট), শিক্ষা কার্যক্রম ও উপবৃত্তি প্রকল্প। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়:
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ঢাকা শহর থেকে উত্তরে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস অবস্থিত।
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ১৭০০ অধিভুক্ত কলেজের মাধ্যমে এর শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা করে।
- ১৯৯২ সালের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইনের মাধ্যমে কৃষি, প্রকৌশল ও চিকিৎসা শিক্ষা প্রদানকারী কলেজ ছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা কর্মসূচি চালিয়ে নেওয়ার জন্য সক্ষম কলেজগুলি অধিভূক্ত করার ক্ষমতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর অর্পণ করা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট ৩৭ নং আইন পাশ করে। এই আইনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের কলেজ অধিভুক্তকরণ, পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, জ্ঞান উন্নয়ন ও বিতরণের কাজে বিশেষ দৃষ্টি প্রদান, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, পরীক্ষার আয়োজন ও ডিগ্রি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর।
- তাঁর পরেই সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হলেন ভাইস-চ্যান্সেলর।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
.
আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে -
  1. ক) কেনিয়া
  2. খ) জিম্বাবুয়ে
  3. গ) ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর সাবেক ইস্ট পাকিস্তান স্পোর্টস ফেডারেশনের ক্রিকেট কমিটিকে জাতীয়ভিত্তিক করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিবি)-এ রূপান্তর করা হয়।

• বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৯ সালে প্রথম আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করে এবং ১৯৯৭ সালে এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এর আগেই ১৯৮৬ সালে এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় বাংলাদেশের।

• ১৯৯৭ সালেই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস ২৬ জুন ২০০০ তারিখে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামে বাংলাদেশ ।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়। 
- ২০০৬ সালে চার ম্যাচের সিরিজে কেনিয়াকে ৪-০তে হারিয়ে প্রথম কোনো দেশকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব অর্জন করে বাংলাদেশ।
- ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট, ওয়ানডে উভয় সিরিজে হারিয়ে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়।
- ২০১০ সালে নিজেদের মাঠে ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ৪-০ ম্যাচে হারিয়ে পায় টেস্ট খেলুড়ে কোনো দেশকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া 
.
'প্রথম ভারতীয় শিক্ষা কমিশন' এর চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. ক) ভাইসরয় লর্ড রিপন
  2. খ) উইলিয়ম হান্টার
  3. গ) লর্ড কার্জন
  4. ঘ) লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
• ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ সালে উইলিয়ম হান্টারকে চেয়ারম্যান করে প্রথম ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন নিয়োগ করেন।
- এই কমিশন সরকারি অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যক্তি উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়া, স্কুলে অভ্যন্তরীণ ও প্রবেশিকা পরীক্ষা অনুষ্ঠান এবং মাধ্যমিক স্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে।
- ১৯০১ সালে সিমলায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান কনফারেন্সের পর লর্ড কার্জন একটি সরকারি সিদ্ধান্তের আদলে ১৯০৪ সালে তাঁর শিক্ষানীতি প্রকাশ করেন।
- এই শিক্ষানীতিতে হাইস্কুল পর্যায়ে বিশেষত পাবলিক স্কুলে মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষালাভের সুযোগ সম্প্রসারিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
'জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক' প্রণয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান -
  1. ক) NAEM
  2. খ) NCTB
  3. গ) BANBEIS
  4. ঘ) NTRCA
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যতম বৃহৎ জাতীয় প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)
- ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড কর্তৃক ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন এবং সেই সাথে একটি নবজাত রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রয়োজনীয় জ্ঞাতব্য বিষয় আধুনিক ধ্যান-ধারণার আলোকে পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশ করা হয়।
- ১৯৭৮-৭৯ সালে টেক্সটবুক বোর্ড নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- ১৯৮৩ সালের মধ্যে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত পাঠ্যপুস্তকের স্থলে মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণের কাজ সম্পন্ন করে। ১৯৮৩ সালে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)”  মাধ্যমে স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্রকে একীভূতকরণের  মাধ্যমে বর্তমান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।  
- সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন ২০১১ অনুযায়ী বোর্ডের কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও  যুগপোযোগী করার  জন্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মহান জাতীয় সংসদে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)”  সংশোধন ও রহিতক্রমে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮’ বিলটি পাশ হয়।

সূত্র: NCTB এর ওয়েবসাইট।
.
'NAPE' কী?
  1. ক) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি
  2. খ) জাতীয় শিক্ষা নীতি
  3. গ) জাতীয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন কেন্দ্র
  4. ঘ) জাতীয় জনশিক্ষা একাডেমি
ব্যাখ্যা
নেপ পরিচিতি:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়।
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা  শুরু করে ।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয় ।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়।
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম  পরিচালনা করে।

সূত্র:  জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE)।
.
‘একুশে পদক’ পুরস্কার ঘোষণা করে -
  1. ক) বাংলা একাডেমি
  2. খ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. গ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
• ‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক - ২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বর্তমান 'চারুকলা ইনস্টিটিউ' এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ কে ছিলেন?
  1. ক) মুস্তফা মনোয়ার
  2. খ) এস এম সুলতান
  3. গ) জয়নুল আবেদিন
  4. ঘ) মর্তজা বশীর
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-১৯৭৬)  আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা। চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- ‘দ্য রেবেল ক্রো’ (জলরং, ১৯৫১) এ ধারার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে অাঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে অাঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
'সখের হাঁড়ি' তৈরি হয় -
  1. ক) পিতল দিয়ে
  2. খ) সোনা ও রূপা দিয়ে
  3. গ) মাটি দিয়ে
  4. ঘ) লোহা ও তামা দিয়ে
ব্যাখ্যা
সখের হাঁড়ি  চিত্রিত মৃণ্ময় পাত্র। কলস বা ঘটসদৃশ মাটির পাত্রের গায়ে সাগু ও আঠার সঙ্গে রং মিশিয়ে তুলির মোটা টানে মাছ, পাখি, পদ্ম, পাতা ও জ্যামিতিক রেখা অাঁকা হয়। 
আলপনা এ শ্রেণীর একটি জনপ্রিয় লোকচিত্র। হিন্দু রমণীদের ব্রত এর আদি উৎস। লক্ষ্মীব্রত, সেঁজুতিব্রত, মাঘমন্ডল ব্রত, হরিচরণ ব্রত, বসুধারা ব্রত ইত্যাদি উপলক্ষে ছড়া ও কথা বলা এবং আলপনা দেওয়ার রীতি আছে। সাধারণত ঐহিক সুখ-সম্পদ ও আত্মীয়-স্বজনের মঙ্গল কামনা করে ছড়া বলে ও কাম্যবস্ত্তর আলপনা এঁকে দেবতার কাছে প্রার্থনা করা হয়। হিন্দু সমাজে  অন্নপ্রাশন ও  বিবাহ উপলক্ষেও আলপনা অাঁকা হয়। 

• করন্ডিচিত্র  শোলা নির্মিত ক্যানভাসে কয়েকটি প্যানেলে অঙ্কিত মনসার কাহিনীভিত্তিক ছবি। এটি করন্ডি, মেড় বা মুন্ডুস নামে হিন্দু সমাজে পূজিত হয়। মনসাপূজা উপলক্ষে মালাকাররা করন্ডিচিত্র অঙ্কন করে।

• ঘটচিত্র  মাটির তৈরী কলস জাতীয় পাত্র ঘট নামে পরিচিত। মঙ্গলঘট, মনসাঘট, নাগঘট, লক্ষ্মীর ঘট, কার্তিকের ভাঁড়, দক্ষিণরায়ের বারা ইত্যাদি বিচিত্র ধরনের ঘট রয়েছে। এ ঘটগুলি হিন্দুদের বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা উপলক্ষে নির্মিত হয়।

সরাচিত্র সরা হচ্ছে চালুনের মতো বড় আকারের ঢাকনা। মাটির তৈরী এরূপ সরার সামনের অবতলভাগে রংতুলি দিয়ে লক্ষ্মীমূর্তি অাঁকা হয়। এটি ‘লক্ষ্মীর সরা’ নামে পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া 
.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ এর ভাস্কর কে ছিলেন?
  1. ক) নভেরা আহমেদ
  2. খ) আজিজুল জলিল পাশা
  3. গ) হামিদুজ্জামান খান
  4. ঘ) নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা
নিতুন কুন্ডু (১৯৩৫-২০০৬) চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর।
- তিনি নির্মাণ করেছেন ভাস্কর্য (‘মা ও শিশু’, ১৯৭৫; স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ‘সাবাস বাংলাদেশ’, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৯২ এবং ঐতিহ্যবাহী নৌকার প্রতীক ‘সাম্পান’, চট্টগ্রাম বিমান বন্দর, ২০০১), ফোয়ারা (‘কদমফুল’, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনের সড়কদ্বীপ, ঢাকা, আশির দশক; ‘সার্ক ফোয়ারা’,  সোনারগাঁ সড়কদ্বীপ, ঢাকা, ১৯৯৩)।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া 
১০.
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) প্রফেসর আবদুল মান্নান
  2. খ) প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ
  3. গ) প্রফেসর ড. মুজাফ্ফর আহমদ চৌধুরী
  4. ঘ) প্রফেসর সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ

• জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে মানসম্মত উচ্চশিক্ষার গুরুত্বকে অনুধাবন করেছিলেন।
- সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তীকালে ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১০ এর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার  সর্বোচ্চ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিধিবদ্ধ হয়।
- সেই সময়ে ইউজিসির কার্যক্রম ছিল তৎকালীন ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদা নিরূপণ। সময়ের সাথে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার পরিধি ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করায় বর্তমানে ইউজিসির কার্যক্রমগুলো হলো : সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান, উচ্চ স্তরের শিখন-শেখানো পদ্ধতির মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা প্রদান, সর্বোচ্চ উদ্ভাবনী গবেষণা ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সুশাসন সংক্রান্ত বিষয়সমূহের উন্নয়ন ঘটানো। এছাড়াও ইউজিসি উচ্চশিক্ষার নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর লক্ষ্যে মান নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী সরকারকে পরামর্শ প্রদান।

সূত্র: UGC এর ওয়েবসাইট।
১১.
'হোসেনী দালান' নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) শাহ সুজা
  2. খ) সৈয়দ মুরাদ
  3. গ) শায়েস্তা খান
  4. ঘ) ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
• হোসেনী দালান পুরানো ঢাকায় অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের একটি ইমারত।
- এটি মুগল আমলে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
- ৬১ হিজরির ১০ মুহররম (৬৮০ খ্রিস্টাব্দের ১০ অক্টোবর) তারিখে ইরাকের কারবালার যুদ্ধে আল-হোসেনের শহীদত্বকে স্মরণ করার জন্য ইমারত নির্মাণ করা ছিল শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত একটি সাধারণ রীতি।
- শাহ সুজার শাসনকালে জনৈক সৈয়দ মুরাদ প্রথম এ ইমারত নির্মাণ করেন বলে মনে করা হয়।
-  শাহ সুজা নিজে সুন্নি মুসলমান হলেও শিয়াদের মধ্যে প্রচলিত রীতিনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করতে আগ্রহী ছিলেন।
- প্রচলিত লোককাহিনী অনুসারে, সৈয়দ মুরাদ একদা স্বপ্নে আল হোসেনকে একটি ‘তাজিয়াখানা’ নির্মাণ করতে দেখে এই ইমারত নির্মাণে উৎসাহিত হন।
- তিনিই এই ইমারতের নাম রাখেন হোসেনী দালান। ইমারতটি সম্ভবত একটি ছোট্ট স্থাপনা ছিল।
- পরবর্তীকালে ১৮০৭ ও ১৮১০ সালে  ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে ইমারতটির সংস্কার করা হয় এবং ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের পর এর কিছু অংশ নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়। সংস্কার ও সম্প্রসারণের ফলেই এটি বর্তমান রূপ ধারণ করেছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া 
১২.
চালুনের মতো বড় আকারের ঢাকনার উপর অঙ্কিত চিত্রের নাম -
  1. ক) আলপনা
  2. খ) করন্ডিচিত্র
  3. গ) ঘটচিত্র
  4. ঘ) সরাচিত্র
ব্যাখ্যা
আলপনা এ শ্রেণীর একটি জনপ্রিয় লোকচিত্র। হিন্দু রমণীদের ব্রত এর আদি উৎস। লক্ষ্মীব্রত, সেঁজুতিব্রত, মাঘমন্ডল ব্রত, হরিচরণ ব্রত, বসুধারা ব্রত ইত্যাদি উপলক্ষে ছড়া ও কথা বলা এবং আলপনা দেওয়ার রীতি আছে। সাধারণত ঐহিক সুখ-সম্পদ ও আত্মীয়-স্বজনের মঙ্গল কামনা করে ছড়া বলে ও কাম্যবস্ত্তর আলপনা এঁকে দেবতার কাছে প্রার্থনা করা হয়। হিন্দু সমাজে  অন্নপ্রাশন ও  বিবাহ উপলক্ষেও আলপনা অাঁকা হয়। 

করন্ডিচিত্র  শোলা নির্মিত ক্যানভাসে কয়েকটি প্যানেলে অঙ্কিত মনসার কাহিনীভিত্তিক ছবি। এটি করন্ডি, মেড় বা মুন্ডুস নামে হিন্দু সমাজে পূজিত হয়। মনসাপূজা উপলক্ষে মালাকাররা করন্ডিচিত্র অঙ্কন করে।

ঘটচিত্র  মাটির তৈরী কলস জাতীয় পাত্র ঘট নামে পরিচিত। মঙ্গলঘট, মনসাঘট, নাগঘট, লক্ষ্মীর ঘট, কার্তিকের ভাঁড়, দক্ষিণরায়ের বারা ইত্যাদি বিচিত্র ধরনের ঘট রয়েছে। এ ঘটগুলি হিন্দুদের বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা উপলক্ষে নির্মিত হয়।

সরাচিত্র সরা হচ্ছে চালুনের মতো বড় আকারের ঢাকনা। মাটির তৈরী এরূপ সরার সামনের অবতলভাগে রংতুলি দিয়ে লক্ষ্মীমূর্তি অাঁকা হয়। এটি ‘লক্ষ্মীর সরা’ নামে পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
বাংলাদেশে পৃথক একটি শিক্ষাতথ্য সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় -
  1. ক) নায়েম
  2. খ) ব্যানবেইস
  3. গ) এনসিটিবি
  4. ঘ) কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিতরণ ও প্রচারের একমাত্র সরকারি সংস্থা।
- স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নির্দেশনায় গঠিত ড. মুহাম্মদ কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের ১৯৭৪ সালে প্রণীত সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বাধীন বাংলাদেশে পৃথক একটি শিক্ষাতথ্য সংস্থা হিসেবে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৯৭৬-৭৭ অর্থ বৎসরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে সংস্থাটি কাজ শুরু করে।
- পরবর্তীতে সংস্থাটি শিক্ষাক্ষেত্রে ধারাবাহিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে শিক্ষাতথ্য বিনির্মাণ ও সরবরাহ করে জাতীয় ও আন্তজার্তিক সংস্থাসমূহের কাছে সমাদৃত হয়েছে।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান কার্যক্রম ছাড়াও শিক্ষা সেক্টরে আই.সি.টি. প্রশিক্ষন ও আই.সি.টি. শিক্ষার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

সূত্র: ব্যানবেইস 
১৪.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন 'কুদরত-ই-খুদা কমিশন' গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৭২ সালের ২৬ জুন
  2. খ) ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই
  3. গ) ১৯৭৩ সালের ২৬ জুন
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালের ২৬ জুলাই
ব্যাখ্যা
• জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২)  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রচলন করা হয় -
  1. ক) স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার
  2. খ) রবীন্দ্র পুরস্কার
  3. গ) নজরুল পুরস্কার
  4. ঘ) একুশে পদক
ব্যাখ্যা
‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক - ২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬.
'মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন' প্রকাশ করে কোন সংস্থা থেকে?
  1. ক) UNESCO
  2. খ) UNDP
  3. গ) FAO
  4. ঘ) UNCTAD
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশ করা ‘মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২১–২২’  বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯ তম।
- ২০২০ সালে মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৩ তম। 

• মানব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে
- শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৭৩ তম।
- ভারতের অবস্থান ১৩২ তম। 
- পাকিস্তানের অবস্থান ১৬১ তম।

সূত্র: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও প্রথম আলো।