পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
Exam -19 Review: Test-4 • Exam- 15,16,18
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫খ(২) অনুযায়ী বিলম্বিত আবেদনের খরচ প্রদান না করলে আবেদনের কী অবস্থা হবে?
  1. আবেদন গৃহীত হবে
  2. আবেদন স্থগিত থাকবে
  3. আবেদন খারিজ হয়ে যাবে
  4. উচ্চ আদালতে আপিল করতে হবে
সঠিক উত্তর:
আবেদন খারিজ হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদন খারিজ হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষ লিখিত বিবৃতি দাখিলের পর বিলম্বিত আবেদন করে, এবং আদালত মনে করে যে আবেদনটি আগে করা উচিত ছিল এবং তা মামলার মূল কার্যধারা বিলম্বিত করতে পারে, তাহলে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করতে পারে শুধু যদি আবেদনকারী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।
- যদি ক্ষতিপূরণ না প্রদান করা হয়, তাহলে আবেদনটি খারিজ হয়ে যাবে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো (গ) আবেদন খারিজ হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 35B. Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters.
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.
(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
.
বিচার্য বিষয় প্রণয়নের জন্য কোনটি প্রয়োজনীয়?
  1. আদালতে পক্ষগণের সাক্ষ্য গ্রহণ।
  2. বাদী ও বিবাদী উভয়ের লিখিত বক্তব্য।
  3. একপক্ষ আদালতে উপস্থিতি স্বীকার করে।
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়ের মধ্যে বিরোধী বক্তব্য।
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়ের মধ্যে বিরোধী বক্তব্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়ের মধ্যে বিরোধী বক্তব্য।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার XIV, রুল ১ অনুসারে, বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজন যে, বাদী ও বিবাদীর মধ্যে কোনো বিষয়ে বিরোধ থাকতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XIV Rule 1 অনুসারে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের জন্য:
- গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির (Material Proposition) প্রয়োজন
- এক পক্ষের দাবি ও অপর পক্ষের অস্বীকার থাকতে হবে
- বিরোধ না থাকলে (যেমন বিবাদী সব দাবি মেনে নিলে) বিচার্য বিষয়ের প্রয়োজন নেই। 

- বিচার্য বিষয় প্রণয়নের জন্য বিরোধী বক্তব্য প্রয়োজনীয়।
- এর মানে হলো, যখন একটি পক্ষ একটি তথ্য বা আইনগত বিষয়ের প্রতি তার দাবি ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ সেটি অস্বীকার করে, তখন এই ধরনের বিরোধী বক্তব্য বা বিবৃতি বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব ঘটায়।
- আদালত তখন এই বিরোধী বিষয়গুলির উপর ভিত্তি করে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করে এবং মামলার নিষ্পত্তির জন্য এগুলি গুরুত্ব দেয়।

ORDER-XIV, Rule-1: Framing of Issues:
(1) Issues arise when a material proposition of fact or law is affirmed by one party and denied by the other.
(2) Material propositions are those propositions of law or fact which a plaintiff must allege in order to show a right to sue or a defendant must allege in order to constitute his defence.
(3) Each material proposition affirmed by one party and denied by the other shall form the subject of a distinct issue.
.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী শুনানির দিন কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে আদালত কী করবে?
  1. মামলা স্থগিত রাখবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. একতরফা রায় দেবে
  4. নতুন সমন জারি করবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 3 অনুযায়ী, যদি শুনানির দিন বাদী এবং বিবাদী উভয়ই আদালতে উপস্থিত না থাকে, তবে আদালত মামলা খারিজ করার আদেশ দিতে পারে।
- Order IX, Rule 4-এ বলা হয়েছে, মামলাটি খারিজ হওয়ার পর বাদী নতুন মামলা দায়ের করতে পারে বা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে, তবে এটি তামাদি আইন সাপেক্ষে।
.
ORDER XV-এর Rule 1 অনুসারে প্রথম শুনানিতে রায় ঘোষণা করা যাবে কখন?
  1. যখন আদালত নতুন সাক্ষী তলব করে না পায়।
  2. যখন বিবাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন বাদী অতিরিক্ত দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়
  4. যখন পক্ষগণ আইনগত বা তথ্যগত কোন প্রশ্নে বিরোধে নেই
সঠিক উত্তর:
যখন পক্ষগণ আইনগত বা তথ্যগত কোন প্রশ্নে বিরোধে নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন পক্ষগণ আইনগত বা তথ্যগত কোন প্রশ্নে বিরোধে নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER XV, Rule 1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে রায় ঘোষণা করা যাবে যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধে নেই।
- অর্থাৎ, যদি প্রথম শুনানিতে দেখা যায় যে, পক্ষগণ তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ (dispute) উত্থাপন করেনি এবং কোনো আইনি বা প্রমাণগত বিষয় নিয়ে বিতর্ক নেই, তাহলে আদালত সরাসরি রায় ঘোষণা করতে পারেন।
- এটি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ তাদের দাবী বা সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন না করলে বা উভয়ের মধ্যে বিরোধ না থাকলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন।

⇒ ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সমন ফেরত আসার পর বাদীকে কত দিনের মধ্যে নতুন সমন জারির আবেদন করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5(1) অনুসারে:
- সমন ফেরত আসার (returned unserved) তারিখ থেকে বাদীর ১ মাস সময় আছে নতুন সমন জারির আবেদন করার।
- এই সময়সীমা আদালতের রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রত্যয়নের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- আদালত যথেষ্ট কারণ দেখলে এই সময়সীমা বাড়াতে পারেন (যেমন: বিবাদী অজানা/পলাতক থাকলে)।
কারণের উদাহরণ:
বিবাদীর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি (Rule 5(1)(a)),
বিবাদী ইচ্ছাকৃতভাবে সমন এড়াচ্ছে (Rule 5(1)(b))।

- ১ মাসের মধ্যে আবেদন না করলে আদালত মামলা খারিজ (dismiss) করবেন (Rule 5(1))।
- তবে বাদী তামাদি সীমার মধ্যে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে (Rule 5(2))।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5 অনুসারে, যদি সমন ফেরত আসে এবং বাদী ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন না করে, তবে আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আদেশ দিতে পারে। তবে বাদী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে তার যথাসাধ্য চেষ্টা সত্ত্বেও সমন জারি করা সম্ভব হয়নি, অথবা অন্য কোনো বৈধ কারণ ছিল, তবে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত কোন বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দেন?
  1. দলিল সম্পাদনের সময়কালে
  2. দলিলের শব্দ ও বাক্য গঠনে
  3. দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
  4. দলিলের আনুষ্ঠানিক প্রয়োজনীয়তায়
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও দলিলের আইনি ফলাফল সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। আদালতের অনুসন্ধান শুধু দলিলের ভাষা বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলিলের প্রকৃত অর্থ কী হওয়া উচিত ছিল, সেটি নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।
অতএব, দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত সর্বাধিক গুরুত্ব দেন দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র দলিলের ভাষা কী ছিল সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
.
ORDER-XII-এর Rule-1 অনুসারে মামলার কোন পক্ষ কীভাবে অপর পক্ষের দাবির সত্যতা স্বীকার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য প্রদানের সময়
  2. শুধুমাত্র মৌখিকভাবে আদালতে
  3. শুধুমাত্র মিডিয়া বিবৃতির মাধ্যমে
  4. লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XII, Rule 1 অনুযায়ী, মামলার যেকোনো পক্ষ তার প্লিডিং (আরজি বা জবাব) বা অন্য কোনো লিখিত মাধ্যমে অপর পক্ষের দাবির সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে। এটি আদালতের কার্যক্রম সহজতর করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।
এতে বলা হয়েছে যে, “Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.”
অর্থাৎ, মামলার পক্ষ তার লিখিত জবাবের মাধ্যমে বা আলাদাভাবে লিখিত নোটিশ দিয়ে এই স্বীকারোক্তি প্রদান করতে পারে।

⇒ ORDER-XII-এর Rule-1 অনুযায়ী, মামলার যেকোনো পক্ষ তার লিখিত প্লিডিং (আরজি/জবাব) বা অন্য কোনো লিখিত মাধ্যমে অপর পক্ষের মামলার সত্যতা স্বীকার করতে পারে। এটি মৌখিকভাবে বা সাক্ষ্য প্রদানের সময় করা যায় না।
- স্বীকারোক্তি অবশ্যই লিখিত হতে হবে এটি প্লিডিং-এর মাধ্যমে (আরজি/জবাব) অথবা পৃথক নোটিশ আকারে দেওয়া যেতে পারে
-তবে মৌখিক স্বীকারোক্তি (ক অপশন) বা মিডিয়া বিবৃতি (গ অপশন) ORDER-XII-এর আওতায় গ্রহণযোগ্য নয়। 

উদাহরণ:
- যদি বিবাদী বাদীর দাবিকৃত ঘটনা স্বীকার করে, তাহলে সে তার লিখিত জবাবে বা পৃথক নোটিশের মাধ্যমে তা জানাতে পারে।
--------------
ORDER XII- ADMISSIONS
Rule-1: Notice of Admission of Case: 
Any party to a suit may give notice, either in their pleading or in writing, admitting the truth of the whole or any part of the case of the opposing party.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সুদ সংযুক্ত হয় কোনটির সাথে?
  1. বাদীর মোট ক্ষতিপূরণ
  2. মামলার ফাইলিং ফি
  3. মামলার ব্যয়ের সাথে
  4. বিবাদীর সম্পত্তির মূল্যের সাথে
সঠিক উত্তর:
মামলার ব্যয়ের সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার ব্যয়ের সাথে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫(৩) অনুসারে, আদালত সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হার পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে এবং এই সুদ মামলার ব্যয়ের সাথে সংযুক্ত হবে।

ধারা ৩৫(৩) এর মূল বক্তব্য:
"The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such."
অর্থাৎ, আদালত যদি মামলার ব্যয়ের উপর সুদ নির্ধারণ করে, তবে তা মামলার ব্যয়ের সাথেই সংযুক্ত হয়ে আদায়যোগ্য হবে, অন্য কোনো খাতের সাথে নয়।
.
ORDER-XII-এর Rule-6 অনুযায়ী স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আদালত কী করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য নিতে পারেন
  2. মামলা খারিজ করতে পারেন
  3. আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
  4. জরিমানা আরোপ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 6 অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষ মামলার প্লিডিং বা অন্য কোনো উপায়ে কোনো ঘটনা স্বীকার করে, তবে যে কোনো পর্যায়ে আদালত সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন, অন্য কোনো বিরোধপূর্ণ প্রশ্ন নিষ্পত্তির অপেক্ষা না করেই।

ORDER XII, Rule 6-এর মূল বক্তব্য:
- যদি মামলার পক্ষগণ কোনো ঘটনা স্বীকার করে, তবে অন্য বিষয়গুলোর নিষ্পত্তির অপেক্ষা না করেই আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় বা আদেশ দিতে পারেন।
- আদালত নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন, যা ন্যায়সংগত বলে মনে হয়।

এ কারণে, আদালত শুধুমাত্র সাক্ষ্য নিতে পারেন (ক), মামলা খারিজ করতে পারেন (খ), কিংবা জরিমানা আরোপ করতে পারেন (ঘ)—এই অপশন গুলো সঠিক নয়।
- বরং আদালত আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় (গ) দিতে পারেন, যা ORDER XII, Rule 6-এর মূল উদ্দেশ্য।

ORDER XII, Rule 6:- Judgment on Admissions:
At any stage of a suit, if any party has made admissions of fact—either in pleadings or otherwise—another party may apply to the Court for a judgment or order based on those admissions. The Court does not need to wait for the resolution of other disputed matters between the parties. Upon such an application, the Court has the discretion to pass any order or give judgment as it deems just.
১০.
ORDER-XIV এর Rule 8 অনুসারে বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পর শুনানির তারিখ ধার্য করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ORDER-XIV এর Rule 8 অনুসারে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পর, আদালত ১২০ দিনের মধ্যে মামলার শুনানির তারিখ ধার্য করতে হবে।
- এর মানে, একবার বিচার্য বিষয় প্রণীত হলে, তারপর ১২০ দিনের মধ্যে মামলার শুনানি শুরু করতে হবে। এর মাধ্যমে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালত একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে।

→ ORDER-XIV Rule 8: Fixed Date for Final Hearing:
After the issues are framed in a suit, the court must fix a date for the final hearing of the suit within one hundred and twenty days from the date of framing the issues.
১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে যদি তা কী রোধ করতে সাহায্য করে?
  1. শাস্তির প্রয়োগ
  2. বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ
  3. সম্পত্তির লঙ্ঘন
  4. অপরাধমূলক কার্যকলাপ
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা এমন একটি নিষেধাজ্ঞা যা কোনো ব্যক্তিকে তার বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যে আদালত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে।
- এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে অস্বীকার করে এবং আদালত মনে করে যে, এটি রোধ করতে হলে সেই ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে। এর মাধ্যমে আদালত বাধ্য করে সেই ব্যক্তি বা পক্ষকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে।

অতএব, ৫৫ ধারা মূলত বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধ করার জন্য কাজ করে এবং এটি শুধুমাত্র বাধ্যতামূলক কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
১২.
আদেশ-১০ বিধি-৪ অনুয়ায়ী, যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  2. মামলার পুনঃশুনানি ঘোষণা করতে পারেন
  3. সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
  4. শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০ বিধি ৪(২) অনুসারে: যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং এর জন্য কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে তাহলে আদালত সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন অথবা মামলা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪(২) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও নির্ধারিত তারিখে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত তবে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা মামলাটির সম্পর্কে অন্য কোন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আদালত তখন ঐ পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দিতে পারেন বা অন্য উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন, যা বিচারক পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল কে পেতে পারেন?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. শুধু আদালত
  4. যে কোন পক্ষ
সঠিক উত্তর:
যে কোন পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার ২০, বিধি ২০ অনুযায়ী: যে কোন পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের কাছে আবেদন করে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল পেতে পারেন।
 এই নকল পাওয়ার জন্য অবশ্যই:
- পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে হবে
- নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে
 "সত্যায়িত নকল" বলতে আদালত কর্তৃক প্রমাণিত ও স্বীকৃত একটি অনুলিপি বোঝায়, যা মূল দলিলের সমতুল্য বিবেচিত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার XX, রুল ২০ অনুযায়ী, আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।
অর্থাৎ, মামলার যে কোনো পক্ষ—বাদী বা বিবাদী—আদালতে আবেদন করে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত কপি পেতে পারেন।
- এই বিধান পক্ষগণের ন্যায়বিচারের অধিকার সংরক্ষণ করে এবং তাদেরকে আপিল বা অন্যান্য আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেয়।
১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৪ অনুযায়ী দলিল সংশোধনের পর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য বাদীকে কী করতে হবে?
  1. আপিল দায়ের করতে হবে
  2. একটি নতুন মামলা দায়ের করতে হবে
  3. আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে
  4. শুধুমাত্র মৌখিক অনুরোধ করলেই চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, কোনো চুক্তি সংশোধনের পর সেটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন চাওয়ার জন্য বাদীকে অবশ্যই মামলার আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে। অর্থাৎ, বাদী যদি মনে করেন যে সংশোধনের পর চুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত, তবে তিনি মামলার শুরুতেই তার আবেদনপত্রে (plaint) সংশোধন ও বাস্তবায়নের জন্য প্রার্থনা করতে পারেন।

ধারা ৩৪-এর মূল কথা:
- প্রথমে চুক্তি সংশোধনের জন্য মামলা করা যেতে পারে।
- আদালত যদি সংশোধন অনুমোদন করেন, তবে সংশোধিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য প্রার্থনা করতে হবে।
- এই প্রার্থনা মামলার আরজিতে (plaint) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- আদালত যদি মনে করেন যে সংশোধনের পর চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, তবে তিনি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, সংশোধনের পর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য বাদীকে অবশ্যই মামলার আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে। এটি আদালতের বিবেচনার ভিত্তিতে মঞ্জুর হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced. 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০ এর ৩ নম্বর বিধি অনুযায়ী, আদালত যদি পক্ষের জবানবন্দী গ্রহণ করে, তবে তা কোথায় লেখা হবে?
  1. আদালতের রেজিস্টারে
  2. মামলার নথিতে
  3. বিচারকের কেস ডায়েরিতে
  4. কোনো স্থানে লেখা হবে না
সঠিক উত্তর:
মামলার নথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথিতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০ এর ৩ নম্বর বিধি অনুসারে, যদি আদালত পক্ষের জবানবন্দী গ্রহণ করে, তবে সেই জবানবন্দীর সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত অবস্থায় আনতে হবে এবং তা মামলার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, আদালতের রেকর্ড হিসাবে জবানবন্দীটি মামলা সংক্রান্ত নথির অংশ হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-10 rule-3 - Substance of examination to be written.
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record.
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়টি বলা হয়েছে?
  1. ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার
  2. চুক্তি রদ করার অধিকার
  3. সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার অধিকার
  4. আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির উপর অধিকার অস্বীকার করা হয়, তাহলে সে ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit) দায়ের করতে পারে। এই মামলার মাধ্যমে আদালত ওই ব্যক্তির অধিকার বা আইনগত পরিচয় ঘোষণা করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাবে নতুন তথ্য যোগ করতে চাইলে কী করতে হবে?
  1. বাদীকে জানালেই চলবে
  2. বাদীর উকিলের স্বাক্ষর প্রয়োজন
  3. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. শুনানির সময় মৌখিকভাবে উল্লেখ করবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order VIII, Rule 9 অনুসারে:
- লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি বিবাদী নতুন কোনো তথ্য বা যুক্তি যোগ করতে চায়, তাহলে তাকে আদালতের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।
- আদালত যথাযথ কারণ দেখলে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার শর্তে এ অনুমতি দিতে পারেন।
প্রক্রিয়া:
- বিবাদীকে আবেদন করে কারণ দর্শাতে হবে।
- আদালত প্রয়োজনে বিপক্ষ পক্ষকে জবাব দানের সুযোগ দিতে পারেন।
- অনুমতি পেলে সংশোধিত লিখিত জবাব দাখিল করতে হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাবে নতুন তথ্য যোগ করতে চাইলে আদালতের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন। অর্থাৎ, যদি বিবাদী লিখিত জবাবে নতুন কোনো তথ্য বা দাবি যোগ করতে চান, তবে তাকে আদালতের অনুমতি নিতে হবে।
১৮.
আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুসারে, দলিল আবিষ্কারের আবেদন করতে কী প্রয়োজন?
  1. শপথনামা
  2. উকিলের স্বাক্ষর
  3. আদালতের পূর্বানুমতি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোনটিই নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুসারে:
কোন মামলার কোন পক্ষ শপথনামা ব্যতিরেকেই আদালতে আবেদন করতে পারেন যে, অপর পক্ষকে তাদের নিকট গচ্ছিত বা আয়ত্তাধীন প্রাসঙ্গিক দলিল আবিষ্কার (discovery) করার নির্দেশ দেয়া হোক।
আদালত শুনানি করে প্রয়োজনীয় মনে করলে আবিষ্কেরের আদেশ দিতে পারেন, অন্যথা আদেশ দানে অস্বীকার করতে পারেন বা স্থগিত রাখতে পারেন।
প্রাসঙ্গিক বিধান:
"অপর পক্ষ শপথনামা ব্যতিতই আদালতে এই মর্মে আবেদন করতে পারেন যে, অপর পক্ষকে শপথের মাধ্যমে উক্ত দলিল আবিষ্কার করার নির্দেশ দেয়া হোক।"

অপশন গুলির বিশ্লেষণ:
ক) শপথনামা → ভুল, কারণ আবেদনের জন্য শপথনামা প্রয়োজন নেই (শুধু আদেশ পাওয়ার পর দলিল দাখিলের সময় শপথনামা দিতে হবে)।
খ) উকিলের স্বাক্ষর → ভুল, উকিলের স্বাক্ষর আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
গ) আদালতের পূর্বানুমতি → ভুল, আবেদন করার জন্য পূর্বানুমতি লাগে না, তবে আদেশ পেতে আদালতের সন্তুষ্টি প্রয়োজন।
ঘ) কোনটিই নয় → সঠিক, কারণ উপরের কোনটিই আবেদনের জন্য আবশ্যক নয়।

সুতরাং, স্পষ্ট যে শপথনামা বা অন্য কোন পূর্বশর্ত ছাড়াই আবেদন করা যায়, তবে আদালতের বিবেচনায় আবিষ্কারের আদেশ পাওয়া যায়।

অর্থাৎ আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুযায়ী, দলিল আবিষ্কারের আবেদন করতে কোনো শপথনামা বা উকিলের স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই। আবেদনটি আদালতে সরাসরি করা যেতে পারে, এবং আদালত প্রয়োজনে আবেদনের শুনানি করে আদেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 rule-12: Application for Discovery of Documents:
Any party may, without filing any affidavit, apply to the Court for an order directing any other party to any suit to make discovery on oath of the documents which are or had been in his possession or power, relating to any matter in question therein. On the hearing of such application the Court may either refuse or adjourn the same, if satisfied that such discovery is not necessary, or not necessary at that stage of the suit, or make such order, either generally or limited to certain classes of documents, as may, in its discretion, be thought fit:
Provided that discovery shall not be ordered when and so far as the Court shall be of opinion that it is not necessary either for disposing fairly of the suit or for saving costs.
১৯.
আদেশ-১৮ বিধি-২০ অনুযায়ী, কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কতটি মোকদ্দমা নির্ধারণ করতে পারবে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১৮ বিধি-২০ অনুযায়ী, আদালত চূড়ান্ত শ্রবণের জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করতে পারবে। এর মধ্যে ২টি "পার্ট-হিয়ার্ড" (অংশিক শুনানী করা) মোকদ্দমা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
এটি আদালতের কার্যক্রমে একটি সীমাবদ্ধতা তৈরি করে যাতে আদালত কার্যক্রমে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং প্রতিটি মামলার শুনানি যথাযথভাবে পরিচালিত হতে পারে।

⇒ আদেশ-১৮ বিধি-২০:-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
-The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits:
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত ব্যয়ের উপর কত শতাংশ পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৭%
  4. ৮%
সঠিক উত্তর:
৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure, 1908) ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী, আদালত ব্যয়ের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হার পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে।

- ধারা ৩৫(৩) এর মূল বক্তব্য:
"The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such."
অর্থাৎ, আদালত যদি ব্যয়ের উপর সুদ নির্ধারণ করে, তবে তা সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে হতে পারে এবং উক্ত সুদ ব্যয়ের অংশ হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী, ভুলের কারণে চুক্তি রদ করার প্রধান শর্ত কী?
  1. চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া
  2. উভয় পক্ষের সম্মতি থাকা
  3. চুক্তিতে উল্লেখিত মূল্য পরিশোধ করা
  4. পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হওয়া
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারায় ভুলের কারণে চুক্তি রদ করার জন্য মূল শর্ত হলো, চুক্তি রদ করার পর যেই পক্ষটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হতে হবে। এর মানে, চুক্তি রদের পর কোনো পক্ষ যদি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আসতে না পারে, তাহলে চুক্তি রদ করা যাবে না।
এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে চুক্তি রদ করার ফলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বিশেষ কোনও ক্ষতি বা অবিচারের মুখে পড়তে হবে না, এবং তাকে তার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে, যেমন সে চুক্তি না করার অবস্থায় ছিল।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
----------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ নং আদেশ অনুযায়ী, মুলতবির জন্য খরচ কত হতে পারে?
  1. সর্বনিম্ন ৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা
  2. সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা
  4. সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের অধীনে মুলতবি বা Adjournment সম্পর্কিত কিছু নিয়ম রয়েছে। যখন কোনো পক্ষ শুনানিতে উপস্থিত না হতে পারে বা অন্য কোনো কারণে শুনানি স্থগিত করতে চায়, তখন আদালত মুলতবি বা Adjournment মঞ্জুর করতে পারে।

→ মুলতবির আবেদন করার জন্য আদালত খরচ নির্ধারণ করে। এই খরচের পরিমাণ, আইন অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

- এই খরচ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হয় এবং তা মুলতবি মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে এক ধরনের শাস্তি বা প্রেরণা হিসেবে কাজ করে, যাতে পক্ষগুলি মাত্রাতিরিক্ত সময়ের জন্য মামলার শুনানি স্থগিত না করে।
২৩.
আদেশ-১১ বিধি-৮ অনুযায়ী, প্রশ্নমালার উত্তর দাখিল করতে কত দিন সময় দেওয়া হয়েছে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১১ বিধি-৮ অনুযায়ী, প্রশ্নমালার উত্তর দাখিল করতে ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে যে, প্রশ্নমালার উত্তর শপথনামার মাধ্যমে ১০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
- শপথনামার মাধ্যমে প্রশ্নমালার উত্তরের যথার্থতা নিশ্চিত করা হয়, এবং ১০ দিনের মধ্যে তা দাখিল করা বাধ্যতামূলক।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-8. Affidavit in answer, filing:
Interrogatories shall be answered by affidavit to be filed within ten days.
২৪.
ORDER-XII-এর Rule-2 অনুযায়ী দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
ORDER-XII এর Rule-2 অনুযায়ী, দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে।
- এটি নির্দেশ করে যে, যদি এক পক্ষ অপর পক্ষকে দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ দেয়, তবে উক্ত নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই দলিল স্বীকার করার জন্য পক্ষটি বাধ্য থাকবে।
- যদি দলিলটি স্বীকার করতে অস্বীকার করা হয় অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো উত্তর না দেওয়া হয়, তবে সেই দলিলের প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকেই বহন করতে হবে, তবে আদালত যদি অন্য কোনো নির্দেশনা দেয়, তাহলে তা ভিন্ন হতে পারে।
------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-2. Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party, [to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document], saving all just exceptions. In case of refusal or neglect to admit the document after such notice, the costs of proving such document shall be paid by the party neglecting or refusing, regardless of the outcome of the suit, unless the Court directs otherwise. Additionally, no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the Court deems the omission to give notice as a saving of expense.
২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী "দাবী-সমন্বয় (Set-off)" বলতে কী বোঝায়?
  1. বিবাদীর নতুন মামলা দায়ের
  2. আদালতের রায় পরিবর্তন
  3. মামলা স্থগিত করার আবেদন
  4. বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
সঠিক উত্তর:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন।

⇒ দাবী-সমন্বয় (Set-off) হলো দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর Order VIII, Rule 6-এ বর্ণিত একটি আইনি প্রক্রিয়া, যেখানে:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদী তার নিজস্ব আইনগতভাবে প্রাপ্য দাবি উত্থাপন করতে পারে।
এটি একই মামলায় উভয় পক্ষের আর্থিক দাবির সমন্বয় করে, যাতে আদালত একই রায়ে উভয় দাবি নিষ্পত্তি করতে পারে।

প্রয়োজনীয় শর্তাবলী:
- দাবী নির্দিষ্ট ও পরিশোধযোগ্য (ascertained money) হতে হবে।
- উভয় পক্ষের দাবি একই বৈশিষ্ট্যের হতে হবে ।
- দাবীর পরিমাণ আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
উদাহরণ:
বাদী বিবাদীর কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা দাবি করলে, বিবাদী যদি বাদীর কাছ থেকে ৩০,০০০ টাকা পাওনা থাকে, তাহলে সে দাবী-সমন্বয় করে মাত্র ২০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হতে পারে।

- দাবী-সমন্বয় হলো বিবাদীর জন্য একটি সুযোগ, যাতে সে বাদীর দাবি খণ্ডন করার পাশাপাশি নিজের দাবিও আদায় করতে পারে।