পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৫৪ রিভিশন (পরীক্ষা ৫১-৫৩)"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. উদাসীন পথিকের মনের কথা
  2. বিষাদ-সিন্ধু
  3. রত্নবতী
  4. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
সঠিক উত্তর:
রত্নবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রত্নবতী
ব্যাখ্যা
"রত্নবতী" উপন্যাস:
• মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস "রত্নবতী"। উপন্যাসটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ ও মুসলমান সাহিত্যিক রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও। 

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ:
• রত্নবর্তী উপন্যাসের মূল দুই চরিত্র রাজপুত্র সুকুমার ও মন্ত্রিপুত্র সুমন্ত। সুমন্ত বিদ্যাবুদ্ধিতে রাজতনয় অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ছিলেন। তারা দুইজন বাল্য কালাবধি যৌবনকাল পর্যন্ত একত্র ভোজন, একত্র শয়ন এবং একসঙ্গে খেলাধুলা করায় তাদের মধ্যে প্রণয়ের বিশেষ আধিক্য জন্মেছিল।

• একদিন সকালে ৰাগানে ঘুর গিয়ে রাজপুত্র মন্ত্রিপুত্রকে জিজ্ঞাসা করে, বন্ধু! বলো তো পৃথিবীতে ধন শ্রেষ্ঠ কি বিদ্যা শ্রেষ্ঠ? মন্ত্রিপুত্র বলেন, সে আর বলতে কি, ধন অপেক্ষা বিদ্যা সহস্র অংশে শ্রেষ্ঠ। রাজতনয় বলেন, এটা কখনই হতে পারে না। কারণ আমরা সচরাচর দেখি যে, ধনবানরা জগতের মধ্যে বিশেষ গণ্য এবং পূজনীয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। অবশেষে লেখক মীর মশরারফ হোসেন বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে এ কথাই প্রমাণ করেছেন যে, ধন অপেক্ষা বিদ্যাই জগতের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

অন্যদিকে, 
• বিষাদ-সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১) মীর মশাররফ হোসেনের অমর কীর্তি। বিষাদ-সিন্ধু উপন্যাসে কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনি বিবৃত হয়েছে। 

• আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসোপম রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০),
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী (১৮৯৯) সালে প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়।

উৎস: "রত্নবতী" উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন?
  1. নবীন তপস্বিনী
  2. লীলাবতী
  3. জামাই বারিক
  4. কমলে কামিনী
সঠিক উত্তর:
জামাই বারিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামাই বারিক
ব্যাখ্যা
• দীনবন্ধু মিত্রের 'জামাই বারিক' (১৮৭২) প্রহসনটি সামাজিক বিষয়াবলম্বনে রচিত। জামাতা পোষণ পদ্ধতি ব্যঙ্গ করে লিখিত এই নাটকে তিনি যথেষ্ট কৃতিত্ব প্রকাশ করেছেন।

দীনবন্ধু মিত্রের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রহসন হলো:
• 'সধবার একাদশী' (১৮৬৬) নামক প্রহসনে তৎকালীন ইয়ংবেঙ্গল দলের উচ্ছৃঙ্খলতা ও অনাচারের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে। প্রহসনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা' অনুসরণে রচিত। এতে গ্রাম্যতা ও রুচিবিকল্পতা থাকলেও তা গুরুত্বপূর্ণ রচনা।

• 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' (১৮৬৬) বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লিখিত একটি প্রহসন।

অন্যদিকে, 
----------------
• 'নবীন তপস্বিনী' (১৮৬৩) দীনবন্ধু মিত্রের দ্বিতীয় নাটক। এতে যে দুটি ভিন্ন কাহিনি স্থান পেয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে মিশ্রিত হয় নি।
• দীনবন্ধু মিত্রের 'লীলাবতী' (১৮৬৭) নাটকটি রচনা হিসেবে সার্থকতা লাভ করতে পারে নি। 
• 'কমলে কামিনী' (১৮৮৩) তাঁর শেষ রচনা। রোমান্টিক প্রণয়চিত্র হিসেবে এর গুরুত্ব।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম।
.
কায়কোবাদ ছিলেন-
  1. গীতিকবিতার জনক
  2. মহাকাব্য ধারার শেষ কবি
  3. বাঙ্গালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট রচয়িতা
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ:
- কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৫১) ছিলেন আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি, তিনি বাঙ্গালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট রচয়িতা এবং আধুনিক বাংলাসাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি। 

- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী, ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

- অতি অল্পবয়স থেকে কায়কোবাদের সাহিত্য-প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে। মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য বিরহবিলাপ (১৮৭০) প্রকাশিত হয়।

 তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে:
- কুসুম কানন,
- অশ্রুমালা,
- মহাশ্মশান,
- শিব-মন্দির,
- অমিয়ধারা,
- শ্মশান-ভস্ম ও
- মহরম শরীফ।

• কবির মৃত্যুর বহুদিন পরে প্রেমের ফুল; প্রেমের বাণী; প্রেম-পারিজাত; মন্দাকিনী-ধারা; ও গওছ পাকের প্রেমের কুঞ্জ প্রকাশিত হয়।
- সম্প্রতি বাংলা একাডেমি কায়কোবাদ রচনাবলী (৪ খণ্ড, ১৯৯৪-৯৭) প্রকাশ করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. পরিক্রমা
  2. বন্দীর বন্দনা
  3. মায়ামালঞ্চ
  4. হঠাৎ আলোর ঝলকানি
সঠিক উত্তর:
পরিক্রমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিক্রমা
ব্যাখ্যা
• "পরিক্রমা" বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। 

---------------
• বুদ্ধদেব বসু:

বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) ছিলেন সাহিত্যিক, সমালোচক ও সম্পাদক। ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে। 

ঢাকা থেকে প্রগতি (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে কবিতা (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম। কবিতাবিষয়ক কবিতা পত্রিকাটি তখন সাহিত্যিক মহলে উচ্চ প্রশংসা লাভ করে; রবীন্দ্রোত্তর কবিতা-আন্দোলনেও এর ভূমিকা স্বীকৃত।

• বুদ্ধদেবের উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প গ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- বন্দীর বন্দনা,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়ামালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত প্রবন্ধ:
- হঠাৎ আলোর ঝলকানি,
- কালের পুতুল । 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘বর্ষ-আবাহন’ কবিতাটি কার রচনা?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. বিষ্ণু দে
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
জীবনানন্দ দাশ:
• জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি। জীবনানন্দের কাব্যচর্চার শুরু অল্পবয়স থেকেই। স্কুলে ছাত্রাবস্থায় তাঁর প্রথম কবিতা ‘বর্ষ-আবাহন’ ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় (বৈশাখ ১৩২৬/এপ্রিল ১৯১৯) প্রকাশিত হয়।

• মূলত কবি হলেও তিনি অসংখ্য ছোটগল্প, কয়েকটি উপন্যাস ও প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।

• তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলি হচ্ছে-  ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), রূপসী বাংলা (রচনাকাল ১৯৩৪, প্রকাশকাল ১৯৫৭), বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)। এছাড়াও বহু অগ্রন্থিত কবিতা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

• ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হিসেবে জীবনানন্দের স্বতন্ত্র প্রতিভা ও নিভৃত সাধনার উন্মোচন ঘটে মৃত্যুর পরে প্রাপ্ত অসংখ্য পান্ডুলিপিতে।
উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে-  মাল্যবান, সুতীর্থ, জলপাইহাটি, জীবনপ্রণালী, বাসমতীর উপাখ্যান ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পের সংখ্যা প্রায় দুশতাধিক। কবিতার কথা (১৯৫৫) নামে তাঁর একটি মননশীল ও নন্দনভাবনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
  1. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. জন্ম যদি তব বঙ্গে
  3. বন্দি শিবির থেকে
  4. জাহান্নম হইতে বিদায়
সঠিক উত্তর:
জাহান্নম হইতে বিদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহান্নম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা
"জাহান্নম হইতে বিদায়" উপন্যাস সম্পর্কে কিছু কথা:
• জাহান্নম হইতে বিদায় বইটি শওকত ওসমানের একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। কিন্তু অনন্যতার দাবী রাখে এই উপন্যাস। কারণ মুক্তিযুদ্ধের অন্যসব উপন্যাসের মতো করে রচিত হয়নাই।
• এই উপন্যাসে যুদ্ধের প্রারম্ভ, যুদ্ধের নৈতিক দিক, যুদ্ধের প্রস্তুতি ইত্যাদি বিষয়ের দিকে অধিক আলোকপাত করেছেন। তাছাড়া এই বইয়ের ভেতর দিয়ে শওকত ওসমান যুদ্ধের সময় চীনের অবস্থানের কারনে চীনকে কটাক্ষ করেছেন।

অন্যদিকে,
• সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যনাট্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' (১৯৭৬)।
• 'জন্ম যদি তব বঙ্গে' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প।
• শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ 'বন্দি শিবির থেকে'। 

উৎস: "জাহান্নম হইতে বিদায়" উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত অনুবাদগ্রন্থ কোনটি?
  1. অর্কেস্ট্রা
  2. ক্রন্দসী
  3. প্রতিধ্বনি
  4. সংবর্ত
সঠিক উত্তর:
প্রতিধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা
• "প্রতিধ্বনি" (১৯৫৪) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত একটি অনুবাদগ্রন্থ। 

-------------------
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০) কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম। 

• সুধীন্দ্রনাথ ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম। ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।

• বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান। তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
• ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৫-৪৯ সময়কালে তিনি স্টেটসম্যান পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। 

আধুনিক মনন ও বৈশ্বিক চেতনার কারণে তিনি বাংলা কাব্যে স্বতন্ত্র স্থান লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:

• কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেস্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- দশমী। 

• গদ্যগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ। 

উৎস:উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন বাহুগুলো দ্বারা ত্রিভুজ গঠন করা যাবে?
  1. ৫, ৭, ১০
  2. ৬, ৬, ১২
  3. ৮, ২, ১২
  4. ৯, ১১, ২০
সঠিক উত্তর:
৫, ৭, ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫, ৭, ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বাহুগুলো দ্বারা ত্রিভুজ গঠন করা যাবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
ত্রিভুজের দুইবাহুর সমষ্টি, তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর।
∴ (৫ + ৭) > ১০
১২ > ১০
.
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৬৮° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?
  1. ৩৬
  2. ৩২
  3. ২৫
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৬৮° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?

সমাধান:
বহুভুজটির বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ =(১৮০° - ১৬৮°) = ১২°
∴ বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা,
= ৩৬০°/ বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ
= ৩৬০°/১২°
= ৩০ টি
১০.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২৮ সে.মি. এবং প্রস্থ ১৬ সে.মি.। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য ৩২ সে.মি. বৃদ্ধি করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে?
  1. ৮ সে.মি.
  2. ১৪ সে.মি.
  3. ১২ সে.মি.
  4. ১২.৫ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১৪ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২৮ সে.মি. এবং প্রস্থ ১৬ সে.মি.। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য ৩২ সে.মি. বৃদ্ধি করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে?

সমাধান:
আয়তক্ষেত্র দুটির ক্ষেত্রফল সমান হওয়ায়, 
নতুন আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ
= ক্ষেত্রফল / নতুন আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 
= (২৮ × ১৬)/৩২
= ১৪ সে.মি.
১১.
কোনটি দেওয়া থাকলেও নির্দিষ্ট ত্রিভুজ অংঙ্ক করা যাবে না?
  1. দুইবাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ
  2. তিনবাহু
  3. দুই কোণ ও কোণ সংলগ্ন বাহু
  4. তিন কোণ
সঠিক উত্তর:
তিন কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন কোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি দেওয়া থাকলেও নির্দিষ্ট ত্রিভুজ অংঙ্ক করা যাবে না?

সমাধান:
শুধু তিন কোণ দ্বারা কোনো ত্রিভুজ গঠন করা যায় না ।
১২.
একটি সামান্তরিকের উচ্চতা ৫ মিটার এবং ভূমি ১৫ মিটার হলে, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১২৫ বর্গমিটার
  2. ১৫০ বর্গমিটার
  3. ৭৫ বর্গমিটার
  4. ৩৭.৫ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
৭৫ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সামান্তরিকের উচ্চতা ৫ মিটার এবং ভূমি ১৫ মিটার হলে, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
সামান্তরিকের ভূমি = ১৫ মিটার
সামান্তরিকের উচ্চতা = ৫  মিটার
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = (১৫ × ৫) বর্গমিটার
= ৭৫ বর্গমিটার
১৩.
ABCD রম্বসের ∠ A = ৫৫° হলে ∠ D =?
  1. ১২৫°
  2. ১৫৫°
  3. ১৪৫°
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
১২৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ABCD রম্বসের ∠ A = ৫৫° হলে ∠ D =? 

সমাধান:
ABCD রম্বসে, ∠A + ∠D = ১৮০°
⇒ ৫৫° + ∠D = ১৮০°
⇒ ∠D = ১৮০° - ৫৫° 
⇒ ∠D = ১২৫°
∴  ∠D = ১২৫°
১৪.
একটি ত্রিভুজের ভূমি ১৫ সে.মি., যা এর উচ্চতার দ্বিগুণ। তাহলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৫৬.২৫ বর্গ সে.মি.
  2. ২২৫ বর্গ সে.মি.
  3. ৫৬.২৫ বর্গ মি.
  4. ৫৬.২৫ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৫৬.২৫ বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬.২৫ বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ভূমি ১৫ সে.মি., যা এর উচ্চতার দ্বিগুণ। তাহলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, ভূমি = ১৫ সে.মি
উচ্চতা = ১৫/২ = ৭.৫
∴ ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা 
= (১/২) ×১৫ × ৭.৫
=৫৬.২৫ বর্গ সে.মি
১৫.
মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশ কোনটি?
  1. নাসিকা
  2. গলবিল
  3. শ্বাসনালী
  4. ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
ব্যাখ্যা
মানুষের শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অংশসমূহের নাম: 
- দেহের যে অঙ্গগুলো শ্বসন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, সেগুলোকে একত্রে শ্বাসতন্ত্র বলে।
- যে সকল অঙ্গগুলো নিয়ে মানব শ্বাসতন্ত্র গঠিত তা হলো- নাসারন্ধ্র ও নাসাপথ (Nasal cavity), গলবিল ও গলনালি (Pharynx), স্বরযন্ত্র (Larynx), শ্বাসনালি (Trachea), বায়ুনালি বা ব্রঙ্কাস (Bronchus), ফুসফুস (Lung) ও মধ্যচ্ছদা (Diaphragm) ।

নাসারন্ধ্র বা নাসাপথ: 
- মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশের নাম নাসিকা। 
- এটা মুখ গহ্বরে উপরে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার গহ্বর, এর সাহায্যে কোন বস্তুর সুগন্ধ বা দুর্গন্ধ বোঝা যায়।
- একটি বিশেষ ধরনের স্নায়ু এ অঙ্গকে উদ্দীপিত করে, ফলে গন্ধ পাওয়া যায়।
- একটি পাতলা পর্দা দ্বারা এটি দু'ভাগে বিভক্ত।
- ইহার সম্মুখ ভাগ লোম দ্বারা আবৃত ও পেছনের দিকের অংশ শ্লেষ্মা প্রস্তুতকারী পর্দা দ্বারা আবৃত।
- শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বায়ুতে বিদ্যমান ধূলিকণা, রোগ জীবাণু ও আবর্জনা থাকলে তা এ লোম ও পর্দাতে আটকে যায়।
- ফলে বায়ু ফুসফুসে প্রবেশের পূর্বে অনেকটা নির্মল হয়ে যায়।
- এছাড়া শ্বসনের জন্য গৃহীত বায়ু নাসাপথ দিয়ে যাওয়ার সময় কিছুটা শুষ্ক ও আর্দ্র হয়। এর ফলে হঠাৎ ঠান্ডা বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে কোন প্রকার ক্ষতি করতে পারে না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কাজ সৃষ্টির জন্য নিচের কোন দুটি রাশি জানা থাকা প্রয়োজন?
  1. সরণ ও ত্বরণ
  2. বল ও ত্বরণ
  3. বল ও সরণ
  4. সরণ ও মন্দন
সঠিক উত্তর:
বল ও সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল ও সরণ
ব্যাখ্যা
কাজ, বল ও সরণের মধ্যে সম্পর্ক: 
- কাজ পরিমাণ করতে হলে বল এবং সরণ এই দুটি রাশি জানা প্রয়োজন। কারণ কাজ সৃষ্টির জন্য বল ও সরণের প্রয়োজন হয়। 
- কাজ হচ্ছে বল ও সরণের গুণফল। 
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই। 

কাজের মাত্রা: 
কাজের মাত্রা = বলের মাত্রা × সরণের মাত্রা 
= ভর × সরণ/সময়2 × সরণ 
= ভর × (সরণ/সময়)2
[W] = ML2T-2 । 

কাজের একক: 
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)। 
অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। 
- নিউটন মিটারকে জুল (J) বলা হয়। এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক। 
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে কোন উপাদানটি বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে?
  1. আয়রন
  2. হাইড্রোজেন
  3. সালফার
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি: 
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। 
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে। 
- এ ৬০টি উপাদানের মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।এ ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (Essential elements) বলা হয়। কারণ এ উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়। 

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ম্যাক্রোউপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোউপাদান বলা হয়।
- এরূপ ৯টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) । 

২। মাইক্রোউপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোউপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (C) ও ক্লোরিন (Cl) । 

পুষ্টি উপাদানের উৎস: 
- উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে কার্বন (C) ও অক্সিজেন (O) বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে। 
- হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O) পানি থেকে গ্রহণ করে। 
- অন্য সব উপাদান মাটি থেকে মূলের সাহায্যে শোষণ করে। 
- এ উপাদানগুলো মাটিতে বিভিন্ন লবণ হিসেবে থাকে কিন্তু এগুলোকে উদ্ভিদ সরাসরি শোষণ করতে পারে না। 
- এরা বিভিন্ন আয়ন হিসেবে শোষিত হয়। 
যেমন- Ca++, Mg++, NH4+, NO3-, K+ ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
pH স্কেলে pH এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Preference of hydrogen
  2. Petroleum of hydrogen
  3. Potenz of hydrogen
  4. Permanent of hydrogen
সঠিক উত্তর:
Potenz of hydrogen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Potenz of hydrogen
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্বক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+


- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশী হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
পড়ন্ত বস্তুর দ্বিতীয় সূত্রানুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. h2 ∝ t
  2. v ∝ t
  3. h ∝ t
  4. h ∝ 1/t2
সঠিক উত্তর:
v ∝ t
উত্তর
সঠিক উত্তর:
v ∝ t
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্রসমূহ: 
- কোন বস্তুকে উপর থেকে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষের প্রভাবে মাটিতে পড়ে। 
- বাতাসের বা অন্য কোন বাধা দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে কেবল অভিকর্ষের প্রভাবে পড়ন্ত বস্তুকে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তু। 
- ষোড়শ শতাব্দীতে ইটালীর বিখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী গ্যালেলিও গ্যালিলাই পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে তিনটি সূত্র দেন যেগুলোকে পড়ন্ত বস্তুর সূত্র বলা হয়। 
- এগুলো এখন সর্বজন গৃহীত সূত্র। 
যেমন- 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় বা মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, বস্তু t সময়ে v বেগ প্রাপ্ত হলে, v ∝ t  । 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, t সময়ে বস্তু h দূরত্ব অতিক্রম করলে, h ∝ t2

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।