১.
মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
সঠিক উত্তর: গ
রত্নবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রত্নবতী
ব্যাখ্যা
"রত্নবতী" উপন্যাস:
• মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস "রত্নবতী"। উপন্যাসটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ ও মুসলমান সাহিত্যিক রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ:
• রত্নবর্তী উপন্যাসের মূল দুই চরিত্র রাজপুত্র সুকুমার ও মন্ত্রিপুত্র সুমন্ত। সুমন্ত বিদ্যাবুদ্ধিতে রাজতনয় অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ছিলেন। তারা দুইজন বাল্য কালাবধি যৌবনকাল পর্যন্ত একত্র ভোজন, একত্র শয়ন এবং একসঙ্গে খেলাধুলা করায় তাদের মধ্যে প্রণয়ের বিশেষ আধিক্য জন্মেছিল।
• একদিন সকালে ৰাগানে ঘুর গিয়ে রাজপুত্র মন্ত্রিপুত্রকে জিজ্ঞাসা করে, বন্ধু! বলো তো পৃথিবীতে ধন শ্রেষ্ঠ কি বিদ্যা শ্রেষ্ঠ? মন্ত্রিপুত্র বলেন, সে আর বলতে কি, ধন অপেক্ষা বিদ্যা সহস্র অংশে শ্রেষ্ঠ। রাজতনয় বলেন, এটা কখনই হতে পারে না। কারণ আমরা সচরাচর দেখি যে, ধনবানরা জগতের মধ্যে বিশেষ গণ্য এবং পূজনীয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। অবশেষে লেখক মীর মশরারফ হোসেন বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে এ কথাই প্রমাণ করেছেন যে, ধন অপেক্ষা বিদ্যাই জগতের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
অন্যদিকে,
• বিষাদ-সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১) মীর মশাররফ হোসেনের অমর কীর্তি। বিষাদ-সিন্ধু উপন্যাসে কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনি বিবৃত হয়েছে।
• আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসোপম রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০),
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী (১৮৯৯) সালে প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়।
উৎস: "রত্নবতী" উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।
• মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস "রত্নবতী"। উপন্যাসটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ ও মুসলমান সাহিত্যিক রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ:
• রত্নবর্তী উপন্যাসের মূল দুই চরিত্র রাজপুত্র সুকুমার ও মন্ত্রিপুত্র সুমন্ত। সুমন্ত বিদ্যাবুদ্ধিতে রাজতনয় অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ছিলেন। তারা দুইজন বাল্য কালাবধি যৌবনকাল পর্যন্ত একত্র ভোজন, একত্র শয়ন এবং একসঙ্গে খেলাধুলা করায় তাদের মধ্যে প্রণয়ের বিশেষ আধিক্য জন্মেছিল।
• একদিন সকালে ৰাগানে ঘুর গিয়ে রাজপুত্র মন্ত্রিপুত্রকে জিজ্ঞাসা করে, বন্ধু! বলো তো পৃথিবীতে ধন শ্রেষ্ঠ কি বিদ্যা শ্রেষ্ঠ? মন্ত্রিপুত্র বলেন, সে আর বলতে কি, ধন অপেক্ষা বিদ্যা সহস্র অংশে শ্রেষ্ঠ। রাজতনয় বলেন, এটা কখনই হতে পারে না। কারণ আমরা সচরাচর দেখি যে, ধনবানরা জগতের মধ্যে বিশেষ গণ্য এবং পূজনীয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। অবশেষে লেখক মীর মশরারফ হোসেন বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে এ কথাই প্রমাণ করেছেন যে, ধন অপেক্ষা বিদ্যাই জগতের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
অন্যদিকে,
• বিষাদ-সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১) মীর মশাররফ হোসেনের অমর কীর্তি। বিষাদ-সিন্ধু উপন্যাসে কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনি বিবৃত হয়েছে।
• আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসোপম রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০),
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী (১৮৯৯) সালে প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়।
উৎস: "রত্নবতী" উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।