পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭৪
সিলেবাস
৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৮ [রাউন্ড – ৩] পরীক্ষার টপিক: ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ২৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ১৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৪ প্রশ্ন

.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কত সনে গঠিত হয়?
  1. ১৯৯২ সনে
  2. ২০০০ সনে
  3. ২০০১ সনে
  4. ২০০২ সনে
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।।
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

.
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ কাকে বলা হয়?
  1.  স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম
  2. আইনসভা 
  3. বিচার বিভাগ 
  4. সুশীল সমাজ
ব্যাখ্যা

 স্বাধীন সংবাদমাধ্যম:
- স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
- গণমাধ্যম যখন স্বাধীন হয়, তখনই তা প্রকৃতপক্ষে জনগণের পক্ষে কথা বলতে সক্ষম হয় এবং সত্য প্রকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভের ওপর নজরদারি রাখতে পারে। 
- গণমাধ্যমকে যখন কোনোভাবে দমন করা হয়, তখন সমাজে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা হ্রাস পায়, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর।

• রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদপত্রকে সর্বপ্রথম নির্দেশ করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টারিয়ান এডমন্ড বার্ক। তিনি ১৭৮৭ সালে হাইজ অব কমন্সের সংসদীয় বিতর্ক পর্বে প্রত্যয়টি প্রথম ব্যবহার করেন।

অন্যদিকে -
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা মূলত তিনটি স্তম্ভ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়।
- এই মূল ভিত্তিগুলো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায়, ক্ষমতার সুষম বন্টন নিশ্চিত করার মাধ্যমে শাসনকার্যকে পরিচালনা করতে সার্বিক সহায়তা করে।
- স্তম্ভগুলো হলো:
১. আইন বিভাগ,
২. শাসন বিভাগ,
৩. বিচার বিভাগ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।

.
আটলান্টিক সনদ কোন দেশগুলোর মধ্যে হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: Britannica.

.
 গ্রিনপিস কোন দেশ ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন?
  1. ফ্রান্স
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালে।
- সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

উৎস: Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
কোনটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ত্রিপুরা
  2. মণিপুর
  3. নাগাল্যান্ড
  4. বিহার
ব্যাখ্যা

• সেভেন সিস্টার্স:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন-
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. লর্ড কার্জন
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা

• বঙ্গভঙ্গ:
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল বাঙালি লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। 
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রদেশ করা হয়।
- পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের সাথে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদাহ ও আসামকে যুক্ত করে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন।
- নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা।
- অন্য দিকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে আরেকটি প্রদেশ হয় ।
- এর নামকরণ করা হয় বাংলা প্রদেশ।
- বাংলা প্রদেশের রাজধানী করা হয় কলকাতা ।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

.
আলুর একটি জাত-
  1. রূপালী
  2. ড্রামহেড
  3. কার্ডিনাল
  4. রতন
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'রূপালী' - উন্নত জাতের তুলা শস্যের নাম।
• ড্রামহেড- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত।
• টমেটোর বিভিন্ন জাত - মানিক, রতন, বাহার, মিন্টু, চৈতী, টিপু সুলতান, বারি টমেটো, সিঁদুর ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই।

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে?
  1. ১২৭ নং
  2. ১৩৭ নং
  3. ১৩৯ নং
  4. ১৪১ নং
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে।

 ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ: কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- ‘আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে’।

অন্যদিকে,
১২৭। মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
১৩৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য পদের মেয়াদ।
১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে -
  1. বেরিং প্রণালী
  2. পানামা খাল
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খালের অবস্থান সিনাই উপদ্বীপ, মিশর।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে।
- সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছে ১৮৬৯ সালে।
- এর দৈর্ঘ্য ১৯৩ কি.মি।
- সুয়েজ খাল মিশর জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।
- সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে।
- সুয়েজ খাল পৃথক করেছে - এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে।

উৎস: Britannica.com

১০.
United Nations Conference on Trade and Development (UNCTAD)-এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. হেগ 
  2. জেনেভা
  3. ভিয়েনা
  4. ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা

• UNCTAD:
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Trade and Development বা জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা।
- এটি ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের অধীনে গঠিত একটি সংস্থা যা অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণে কাজ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫টি।
- মহাসচিব রেবেকা গ্রিন্সপান (কোস্টারিকা)।
- সংস্থাটি বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে UNCTAD এর সদস্য পায়।

উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট।

১১.
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?(আগস্ট, ২০২৫)
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ৩০টি
  4. ৩২টি
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১২.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কোন জেলার সাথে ভারতের কোনো সংযোগ নেই?
  1. বান্দরবান
  2. দিনাজপুর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
তার মধ্যে -
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা বান্দরবানের সাথে ভারতের কোন সংযোগ নেই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩.
'মনপুরা ৭০' চিত্রকর্মটি কার?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল হাসান
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা

 • মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ৩০ অক্টোবর ২০১৬, প্রথম আলো।

১৪.
সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে কোন মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
  1. দায়িত্বশীলতা
  2. সৃজনশীলতা
  3. নিরপেক্ষতা
  4. জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা

• সৃজনশীলতা সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

• সুশাসন:

- সু-শাসন হচ্ছে এক ধরণের শাসন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষমতা সুষ্ঠুভাবে চর্চা করা হয়।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণ স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে, সরকারের নীতি ও কর্মকান্ড সম্পর্কে অবগত থাকে এবং নারী-পুরুষ স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে।
- এটি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করে।

সুশাসনের প্রধান উপদান -
১. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা,
২. অংশগ্রহণ,
৩. আইনের শাসন,
8. নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা,
৫. জনপ্রশাসনের উৎকর্ষতা ও বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৫.
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম কোন শহরে অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নোয়াখালী
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম
•' শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম'  বগুড়া শহরে অবস্থিত।

- বগুড়া জেলার উত্তরপশ্চিমস্থ প্রান্তে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকায় এটির অবস্থান। 
- এই স্টেডিয়ামে প্রথম ২০০৬ সালে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মধ্যে টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- এই স্টেডিয়াম এর ধারন ক্ষমতা ২০, ০০০জন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।

১৬.
 সংবিধানের কত তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয়?
  1. ৮ ম 
  2. ১১ তম
  3. ১২ তম
  4. ১৩ তম
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

• দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৭.
উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. লর্ড মিন্টো
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা

লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- তিনি ১৯০০ সালের ২৫ জুন ইংল্যান্ডের উইন্ডসর (Windsor)-এ জন্মগ্রহণ করেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯১৩ সালে রাজকীয় নৌবাহিনীতে প্রবেশ করেন।
- ১৯২১ সালে প্রিন্স অব ওয়েলস্-এর সহকারী (aide-de-camp) নিযুক্ত হওয়ার আগে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪৩ সালে লর্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মিত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং বার্মা পুনরুদ্ধার করেন।
- ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে তিনি ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন এবং একই বছরের মধ্যআগস্ট পর্যন্ত এই পদে আসীন থাকেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।

১৮.
ক্রিকেটে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায়-
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

• ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ । 
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- বাংলাদেশ ভারতের সাথে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০৫ সালে ।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট & প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১৯.
বাংলাদেশ OIC-এর সদস্য হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

• OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন।
- OIC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে।
- ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর জেদ্দায়।
- OIC এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় মরক্কোতে।
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্য হয় ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ OIC-এর ৩২ তম সদস্য।

উৎস: OIC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২০.
 বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট কোন সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে?
  1. IFC
  2. ICSID
  3. MIGA
  4. IDA
ব্যাখ্যা

IFC:
 - IFC (International Finance Corporation) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে।
- IFC ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৮৫টি।
- IFC এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে কাজ করে ICSID।
- MIGA বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।
- IDA উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

২১.
নিচের কোন নিয়ামকটি একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না?
  1. দ্রাঘিমারেখা
  2. সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা
  3. পাহাড়-পর্বতের অবস্থান
  4. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
ব্যাখ্যা

• দ্রাঘিমারেখা জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক নয়।

জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক:
- যে সব উপাদান আবহাওয়া এবং জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণ ও পরিবর্তন সাধন করে তাদেরকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

⇒ জলবায়ুর নিয়ামক:
১. অক্ষাংশ,
২. সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা,
৩. জল ও স্থলভাগের অবস্থান,
৪. পাহাড়-পর্বতের অবস্থান,
৫. বনভূমির অবস্থান,
৬. সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
৭. সমুদ্র স্রোত,
৮. বায়ুপ্রবাহ,
৯. বৃষ্টিপাত,
১০. ভূমির ঢাল, 
১১. জলীয়বাষ্প:
১২. দিবাভাগের দৈর্ঘ্য,
১৩. বায়ুর আর্দ্রতা, 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
IPCC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৯২সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

IPCC:
- IPCC-এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)-এর মিলিত উদ্যোগে IPCC প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার সময়: ১৯৮৮ সাল
- বর্তমানে সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- IPCC জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমনের বিকল্পগুলির নিয়মিত মূল্যায়ন প্রদান করে।
- এর কাজ হলো মানুষের ক্রিয়াকলাপের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে এগিয়ে নেওয়া।

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।

২৩.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ২য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. বীরপ্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীরউত্তম
  4. বীরবিক্রম
ব্যাখ্যা

 ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে — সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

• মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

• খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা:
• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৪.
Identify the plural number.
  1. Datum
  2. Analysis
  3. Cactus
  4. Phenomena
ব্যাখ্যা

Phenomena is the Plural Number.

Phenomena
- English meaning: a fact or an event in nature or society, especially one that is not fully understood.
- Bangla meaning: ইন্দ্রিয়গোচর বস্তু বা বিষয়।

• তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় Plural বানানোর স্বাভাবিক নিয়ম হলো noun এর শেষে s/ es যোগ করা।
- কিন্তু কিছু বিদেশী শব্দ রয়েছে যেগুলোর Plural স্বাভাবিক নিয়মে হয় না। সেগুলো মুখস্ত করে নেয়াই যুক্তিযুক্ত।

নিম্নে কিছু বিদেশী ভাষা থেকে আগত উল্লেখযোগ্য শব্দের plural form দেওয়া হলো
- Singular - Plural
- Phenomenon - Phenomena,
- Radius - Radii,
- Medium - Media,
- Focus - Focuses/ Foci,
- Analysis - Analyses,
- Agendum - Agenda,
- Datum - Data,
- Criterion - Criteria, etc.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das.

২৫.
The mother sat vigilantly beside the sick baby.
Here, "vigilantly" is -
  1. adverb
  2. noun
  3. adjective
  4. preposition
ব্যাখ্যা

The mother sat vigilantly beside the sick baby. Here, "vigilantly" is - Adverb.

• এখানে, 'vigilantly' adverb 'sat' verb কে modify করেছে।
- অর্থাৎ, যে word কোনো verb- কে modify করে, তাকে Adverb বলে।

• Vigilantly (Adverb)
- English Meaning: In a way that is always careful to notice things.
- Bangla Meaning: সতর্কভাবে।

Example Sentence: Our community has acted vigilantly to ensure that all activities are appropriate.

Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৬.
The manager made the workers ____ extra hours last week.
  1. to work
  2. working
  3. worked
  4. work
ব্যাখ্যা

Correct answer: The manager made the workers work extra hours last week.

Causative Verb
- Subject যখন নিযে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় তখন এই অর্থে Causative Verb ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি প্রচলিত Causative Verb.
- Make, Have, Get ইত্যাদি যোগে verb কে Causative Verb এ পরিনত করা হয়।

• Causative Verb হিসেবে Make এর ব্যবহার:
- Make এরপর ব্যক্তি বা বস্তু যাই থাকুক না কেন এরপর verb এর Base form বস।
- কাউকে কোন কিছু করতে বাধ্য করা অথবা Have, Get এর চেয়ে বেশি জোর প্রদান করতে Make ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

More Example:
- She makes her kids brush their teeth before bed.
- My boss makes me stay late at work sometimes.

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

২৭.
Which of the following sentences is correct?
  1. One of my brothers are a doctor.
  2. One of my brothers were a doctor.
  3. One of my brothers is a doctor.
  4. One of my brothers have a doctor.
ব্যাখ্যা

Correct Sentence: One of my brothers is a doctor.

One of/ Any of/ Each of/ Either of/ Neither of যদি subject হিসেবে ব্যবহার  হয় তাহলে এরপরে সব সময় Plural Noun বসে। যার কারণে এটি 'One of my brothers' হয়েছে।
- আর 'One of my brothers' phrase এর headword টি 'One' singular হওয়ায় Verb Singular হবে।
- তাই Verb হিসেবে is ব্যবহার হয়েছে।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- (ক), (খ), (ঘ) অপশনগুলোতে "One of my brothers" (plural sub) এরপর verb হিসেবে are, were, have বসেছে, যা plural verb হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- কিন্তু One of/ Any of/ Each of/ Either of/ Neither of subject হিসেবে ব্যবহার হলেও এরপর Verb Singular হবে।
- তাই, এ Sentence গুলো Incorrect Sentence.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.

২৮.
Despite being ____ one-eyed stray, the dog showed immense loyalty to its new owner.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article
ব্যাখ্যা

Correct answer: Despite being a one-eyed stray, the dog showed immense loyalty to its new owner.

Article এর নিয়ম অনুসারে,
- 'O' vowel এর উচ্চারণ যদি (wa) ওয়া এর মত হয় তবে এর পূর্বে article 'a' বসে।
- যেমন: A one(ওয়ান), a one-taka note, a one-eyed deer.

Example Sentence:
1. The storyteller captivated the children with tales of a one-eyed giant who guarded a hidden treasure.
2. I saw a one-eyed man when I was walking on the road.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.

২৯.
Do you know ____ is knocking at the door?
  1. who
  2. whom
  3. whose
  4. that
ব্যাখ্যা

Complete sentence: Do you know who is knocking at the door?

Relative pronoun:
- যে pronoun পূর্বে উল্লেখিত কোন Noun বা Pronoun কে নির্দেশ পূর্বক দুটি বাক্যাংশ/বাক্যকে যুক্ত করে তাকে Relative Pronoun বলে।
- Who, which, that, what - এগুলো Relative Pronoun রূপে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তির পরিবর্তে relative pronoun হিসেবে who/ whom/ whose বসে।
- বস্তুর ক্ষেত্রে which/ that বসে 
- ব্যক্তি নয় ও বস্তুও নয় এমন বোঝাতে what বসে।

- দুই clause বিশিষ্ট বাক্যে gap (শূন্যস্থানে) এর পরে verb থাকলে এবং antecedent (পূর্বপদ) টি person হলে gap এ "who" বসে।
- তবে antecedent (পূর্বপদ) টি thing/animal হলে gap এ "which/that" বসে।

- প্রদত্ত বাক্যে gap (শূন্যস্থানে) এর পরে verb (knocking) এবং antecedent (পূর্বপদ) টি person (you), তাই gap এ "who" বসবে

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.

৩০.
"A written record of historical events" is called -
  1. A chronicle
  2. An autobiography
  3. A diary
  4. A biography
ব্যাখ্যা

"A written record of historical events" is called - A chronicle.

• A chronicle (Noun)
- English meaning: A written record of events in the order in which they happened.
- Bangla meaning: কালানুক্রমিক ঘটনাপঞ্জি।

Other options:
- An autobiography: The story of a person’s life, written by that person; this type of writing.
- Bangla meaning: আত্মজীবনী, আত্মচরিত।

- A diary: A book in which you can write down the experiences you have each day, your private thoughts, etc..
- Bangla meaning: ব্যক্তিগত দৈনিক জীবনযাত্রার কাহিনি; দিনলিপি; রোজনামচা; দৈনিক দেখাসাক্ষাৎ, কর্তব্যকর্ম, চিন্তাভাবনা টুকে রাখার খাতা।।

- A biography: ​The story of a person’s life written by somebody else; this type of writing.
- Bangla meaning: জীবনী; জীবনইতিহস; বিভিন্ন ব্যক্তির জীবনকথাবিষয়ক সাহিত্যের বিশেষ শাখা।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary. 

৩১.
"Adonais" is an elegy written by P.B. Shelley to mourn the death of -
  1. Lord Byron
  2. John Keats
  3. William Wordsworth
  4. S.T. Coleridge
ব্যাখ্যা

"Adonais" is an elegy written by P.B. Shelley to mourn the death of - John Keats.

Adonais:
- এটি Shelley রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি হলো একটি pastoral elegy.
- এই ধরনের কবিতাগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো মৃত্যু এবং গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণনা।
- Shelley তার বন্ধু John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এই কবিতাটি লিখেছিলেন।
- গ্রীক পূরাণ কাহিনী অনুযায়ী Adonais একজন তরুণ বীরের নাম।
- এই কবিতাকে John Milton এর Lycidas কবিতার সাথে তুলনা দেয়া হয়।
- কবিতায় দেখা যায়, John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে প্রকৃতি, দেবতাদের আহবান করা হচ্ছে যেন তারাও শোক প্রকাশ করে।

Percy Bysshe Shelley (1792-1822):
- ইংল্যান্ডের সাসেক্স শহরে জন্ম লাভ করেন। পড়াশোনা করেছেন Oxford University তে।
- কিন্তু পরবর্তীতে ১৮১১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয় "The necessity of Atheism" পুস্তিকা লেখার জন্য। ২১ বছর তিনি বয়সে নিজেকে "নাস্তিক” ঘোষণা করেন।
- তাকে গণ্য করা হয় ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poets হিসেবে। তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজ পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এছাড়াও তাকে বলা হয়, "The poet of Hope and Regeneration".
- তার স্ত্রী Mary Shelley ও একজন লেখিকা ছিলেন।

Best works:
Poem:
- Ode to the West Wind,
- Queen Mab,
- Alastor,
- Adonais,
- Ozymandias,
- To a Skylark.

Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.

৩২.
Choose the correct spelling.
  1. Obnoxiious
  2. Obnuxious
  3. Obnoxious
  4. Obonoxious
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Obnoxious' (Adjective).
- English meaning: Extremely unpleasant, especially in a way that offends people.
- Bangla meaning: নোংরা; অত্যন্ত আপত্তিকর। 

Example sentence: Some people find loud music at night really obnoxious..
- Bangla meaning: অনেকেই রাতের উচ্চশব্দের গানকে সত্যিই বিরক্তিকর মনে করে।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

৩৩.
The word "Hideous" means -
  1. Beautiful
  2. Ugly
  3. Honest
  4. Pleasant
ব্যাখ্যা

The word "Hideous" means - Ugly.

• Hideous (Adjective):
- English Meaning: Causing intense displeasure, disgust, or resentment.
- Bangla Meaning: অতি কুৎসিত; কদাকার; করাল; করালদর্শন; বীভৎস; ভয়ানক; বিকট; উৎকট।

• Synonym: Ugly, Disgusting, Horrible, Sickening.
• Antonym: Innocuous, Acceptable, Attractive, Desirable.

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Beautiful - সুন্দর।
- Ugly - কুৎসিত।
- Honest - সৎ।
- Pleasant - সুখকর।

• Example sentence
- The monster in the movie looked absolutely hideous.
- She wore a hideous dress that didn’t match the occasion.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৪.
The expression "Three score" refers to -
  1. Sixty
  2. Thirty
  3. Three hundred
  4. More than three
ব্যাখ্যা

The expression "Three score" refers to - Sixty.

• Three score (Adjective, Noun):
- English Meaning: Being three times twenty: SIXTY.
- Bangla Meaning: ষাট।

Example: The man is three score and ten now.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৫.
The car blew ______ as soon as it hit the wall.
  1. up
  2. away
  3. off
  4. out
ব্যাখ্যা

Correct answer: The car blew up as soon as it hit the wall.
- Bangla meaning: গাড়িটি দেওয়ালে ধাক্কা লাগার সাথে সাথেই বিস্ফোরিত হলো।

- বিস্ফোরিত হওয়া অর্থে এখানে Blew এরপর up ব্যবহার হয়েছে।

• Blow up
- English Meaning: Explode.
- Bangla Meaning: বিস্ফোরিত হওয়া।

প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে -

Blow away:
- English Meaning: 1. to dissipate or remove as if with a current of air.
- Bangla Meaning: ১. বাতাস যেমন উড়িয়ে দেয় তেমনি করে উড়িয়ে দেওয়া

- English Meaning: 2. defeat an opponent convincingly.
- Bangla Meaning: ২. প্রতিপক্ষকে বড় ব্যবধানে হারানো।

- English Meaning: 3. impress someone greatly.
- Bangla Meaning: ৩. কাউকে ভালোভাবে প্রভাবিত করা।

Blow off:
- English Meaning: To remove or carry away with force (by wind, explosion, etc.).
- Bangla Meaning: নির্গত।

Blow out:
- English Meaning: Be extinguished by an air current/ If a flame blows out or you blow it out, it stops burning when a person or the wind blows on it:
- Bangla Meaning: নেভানো, ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দেওয়া; বায়ু প্রবাহের ফলে নিভে যাওয়া।

Source:
1. Live MCQ Lecture
2. Oxford Learner's Dictionary
3. Cambridge Dictionary.
4. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৬.
Her argument was devoid _____ logic and coherence.
  1. at
  2. with
  3. of
  4. in
ব্যাখ্যা

শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - of.
- Complete Sentence: Her argument was devoid of logic and coherence.

• Devoid of (Idiom)
- English Meaning: not having (something usual or expected): completely without (something).
- Bangla Meaning: অর্থ বঞ্চিত; বিহীন বা বর্জিত।

• Devoid এরপর Preposition হিসেবে 'of' বসে।

Example Sentence:
- The abandoned house was devoid of any signs of life.
- He is devoid of commonsense.

Source: Merriam-webster Dictionary. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৭.
Who is calling me? (Make it passive)
  1. By whom am I been called?
  2. By whom were I being called?
  3. By whom have I being called?
  4. By whom am I being called?
ব্যাখ্যা

Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active voice কে Passive voice এর রুপান্তরের নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে By whom দিয়ে বাক্য শুরু হবে।
- tense ও person অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
- Active voice এর object টি passive voice এ subject হিসেবে বসে।
- অনেক সময় be/ being/ been বসাতে হয়।
- মূল verb এর past participle হয়।
- Question mark (?) হয়।

- Active voice: Who is calling me?
- Passive voice: By whom am I being called?

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৮.
He is looking forward ________ his new job.
  1. starting
  2. to starting
  3. started
  4. start
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to starting.
- Complete sentence: He is looking forward to starting his new job.

Use of Look forward:
- Look forward এরপর to + verb + ing বসে।

Example:
- I am looking forward to receiving your letter.
- I am looking forward to seeing you.
- My friend is looking forward to going to London.
- He is looking forward to starting his new job.

• এছাড়াও, বাক্যে mind, cannot help, could not help, with a view to, look forward to, be used to, get used to, worth ইত্যাদির পর কোনাে Verb আসলে উক্ত Verb - এর সাথে ing যুক্ত হয়।

Example:
- He came to Dhaka with a view to visiting a new place.
- Would you mind closing the door?
- I don't mind taking a cup of tea.
- He cannot help laughing out loud.

Source: Applied English Grammar and Composition, P.C. DAS.

৩৯.
দুইটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার বর্গের অন্তর ৯২ হলে বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ১৮ 
  2. ২০
  3. ২৪ 
  4. ৩২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার বর্গের অন্তর ৯২ হলে বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
​ছোট সংখ্যাটি = ক
​বড় সংখ্যাটি = ক + ২

​প্রশ্নমতে,
​(ক + ২) - ক = ৯২
​⇒ ক + ৪ক + ৪ - ক = ৯২
​⇒​ ৪ক = ৯২ - ৪
​​⇒ ৪ক = ৮৮
​⇒ ​ক = ৮৮/৪
​⇒ ​ক = ২২

∴ ​ছোট সংখ্যাটি = ২২
​এবং বড় সংখ্যাটি = ২২ + ২ = ২৪

৪০.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. Hermefrodite
  2. Hermaphrodite
  3. Harmaphrodite
  4. Hermaphrodyte
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি সঠিক?

সমাধান:
সঠিক বানানটি হলো- Hermaphrodite

Hermaphrodite অর্থ হলো- একাধারে স্ত্রী ও পুংলিঙ্গ কিংবা বৈশিষ্ট্যসংবলিত প্রাণী। 

​উৎস:
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪১.
বার্ষিক ৭% হারে কত বছরে ১২০০ টাকার সরল মুনাফা ২৫২ টাকা হবে?
  1. ২ বছর 
  2. ৩ বছর 
  3. ৫ বছর 
  4. ৭ বছর 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ৭% হারে কত বছরে ১২০০ টাকার সরল মুনাফা ২৫২ টাকা হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
​আসল, P = ১২০০ টাকা 
​মুনাফার হার, r = ৭% = ৭/১০০
​মুনাফা, I = ২৫২ টাকা 
​সময়, n = ?

সরল মুনাফা, ​I = Pnr
⇒ ​n = I/Pr
​⇒ ​n = ২৫২/{১২০০ × (৭/১০০)}
⇒ ​n​ = ২৫২/৮৪
⇒ ​n​ = ৩

৪২.
কোনো একটি বছরের এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ যদি রবিবার হয় তাহলে মে মাসের ২ তারিখ কী বার হবে?
  1. শনিবার 
  2. রবিবার 
  3. সোমবার 
  4. মঙ্গলবার 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো একটি বছরের এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ যদি রবিবার হয় তাহলে মে মাসের ২ তারিখ কী বার হবে?

সমাধান:
​মে মাসের ২ তারিখ হবে সোমবার।

আমরা জানি,
​কোনো নির্দিষ্ট তারিখ হতে ৭/১৪/২১/২৮ দিন পর পর একই বার পাওয়া যায়।

​এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ রবিবার হলে এর ২৮ দিন পর হবে রবিবার। এপ্রিল মাস = ৩০ দিন
​এপ্রিল মাসের ৩ তারিখের ২৮ দিন পর হবে = ২৮ + ৩ = ৩১ = এপ্রিল মাসের ৩০ দিন + ১ দিন = মে মাসের ১ তারিখ 

​অর্থাৎ এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ রবিবার হলে,
​মে মাসের ১ তারিখ = রবিবার 
​২ তারিখ = সোমবার 

৪৩.
কোনো কাজের এক-তৃতীয়াংশ শেষ করতে ১৫ জন লোকের ২০ দিন সময় লাগে। পুরো কাজটি শেষ করতে ২০ জন লোকের কতদিন সময় লাগবে?
  1. ৩০ দিন 
  2. ৪২ দিন 
  3. ৪৫ দিন 
  4. ৬০ দিন 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো কাজের এক-তৃতীয়াংশ শেষ করতে ১৫ জন লোকের ২০ দিন সময় লাগে। পুরো কাজটি শেষ করতে ২০ জন লোকের কতদিন সময় লাগবে?

সমাধান:
১/৩ অংশ কাজ শেষ করতে ১৫ জন লোকের সময় লাগে = ২০ দিন
∴ ​১ বা সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে ১৫ জন লোকের সময় লাগে = (২০ × ৩) দিন 
∴ ​১ বা সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে ১ জন লোকের সময় লাগে = (২০ × ৩ × ১৫) দিন 
∴ ​১ বা সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে ২০ জন লোকের সময় লাগে​= (২০ × ৩ × ১৫)/২০ দিন 
​= ৪৫ দিন 

​বিকল্প:
​(P1 × D1)/(P2 × D2) = ১/৩
⇒ ​​(১৫ × ২০)/(২০ × D2) = ১/৩
⇒ ​১৫/D2 = ১/৩
⇒ ​D2 = ৪৫ 

৪৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 142
  2. 158
  3. 162
  4. 210
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
প্রথম চিত্রে, 
​(11)2 × (6/3) 
​= 121 × 2 = 242

​দ্বিতীয় চিত্রে, 
​(13)2 × (4/2) 
​= 169 × 2 = 338 

​তৃতীয় চিত্রে, 
​(9)2 × (6/3) 
​= 81 × 2 = 162

৪৫.
কোনটি 4x4 - 25x2 + 36 এর উৎপাদক নয়?
  1. x + 3
  2. 2x + 3
  3. 2x - 3
  4. x - 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনটি 4x4 - 25x2 + 36 এর উৎপাদক নয়?

সমাধান:
প্রদত্ত রাশি,
4x4 - 25x2 + 36
= 4x4 - 16x2 - 9x2 + 36
= 4x2(x2 - 4) - 9 (x2 - 4)
= (x2 - 4) (4x2 - 9)
= (x + 2)(x - 2){(2x)2 - 32}
= (x + 2)(x - 2)(2x + 3)(2x - 3)

৪৬.
এক ব্যক্তি ভোরবেলা হাঁটতে বের হওয়ার সময় সূর্য তার ডানদিকে ছিলো। হাঁটার কিছুক্ষন পর তিনি বাম দিকে ঘুরে আবার ডানদিকে ঘুরলেন। এখন তিনি কোনদিকে মুখ করে আছেন?
  1. উত্তর 
  2. দক্ষিণ 
  3. পূর্ব 
  4. পশ্চিম 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তি ভোরবেলা হাঁটতে বের হওয়ার সময় সূর্য তার ডানদিকে ছিলো। হাঁটার কিছুক্ষন পর তিনি বাম দিকে ঘুরে আবার ডানদিকে ঘুরলেন। এখন তিনি কোনদিকে মুখ করে আছেন?

সমাধান:

ভোরবেলা সূর্য থাকে পূর্ব আকাশে,
​ঐ ব্যক্তি হাঁটার সময় সূর্য তার ডানদিকে থাকলে ঐ ব্যক্তির মুখ থাকবে উত্তর দিকে।

​হাঁটার কিছুক্ষন পর তিনি বাম দিকে অর্থাৎ পশ্চিম দিকে ঘুরে আবার ডানদিকে অর্থাৎ উত্তর দিকে ঘুরলেন।

​তাহলে এখন তিনি উত্তর দিকে মুখ করে আছেন। 

৪৭.
একটি সমান্তর ধারার ১ম পদ ১১ এবং ৩য় পদ ১৯ হলে প্রথম ৯ টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ১২৭ 
  2. ১৮৯ 
  3. ২৪৩ 
  4. ২৭২ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার ১ম পদ ১১ এবং ৩য় পদ ১৯ হলে প্রথম ৯ টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
​প্রথম পদ = ১১

​দ্বিতীয় পদ = (১১ + ১৯)/২ = ৩০/২ = ১৫

​সাধারণ অন্তর = ১৫ - ১১ = ৪ 
n সংখ্যক পদের সমষ্টি = (n/২){২a + (n - ১)d}
∴​ প্রথম ৯ টি পদের সমষ্টি = (৯/২){২a + (৯ - ১)d} 
​= (৯/২)(২ × ১১ + ৮ × ৪)
​= (৯/২)(২২ + ৩২)
​= (৯/২) × ৫৪
​= ৯ × ২৭
​= ২৪৩ 

৪৮.
∣x + 2∣ > 5 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
  1. (5, ∞)​
  2. (- ∞, 5) ∪ (2 , ∞)​
  3. (- ∞,- 7) ∪ (3, ∞)​
  4. (3, ∞)​
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ∣x + 2∣ > 5 অসমতাটির সমাধান সেট কোনটি? 

সমাধান:
∣x + 2∣ > 5
x + 2 কে ধনাত্মক ধরে,
x + 2 > 5 
⇒ ​x > 5 - 2
⇒ ​x > 3

আবার, 
x + 2 কে ঋণাত্মক ধরে,
- (x + 2) > 5
⇒ ​x + 2 < - 5
⇒ ​x < - 5 - 2
⇒ ​x < - 7

অসমতার সমাধান = ​​x < - 7 অথবা x > 3
 অর্থাৎ x এর মান - ∞ থেকে - 7 পর্যন্ত অথবা  3 থেকে  ∞ পর্যন্ত 

​সুতরাং,
∣x + 2∣ > 5 অসমতাটির সমাধান সেট =
(− ∞,− 7) ∪ (3, ∞)​

৪৯.
কোন যান্ত্রিক গিয়ারের পরস্পর সংযুক্ত দুইটি অসম আকৃতির চাকার মধ্যে ছোট চাকাটি বড়টির তুলনায় কীভাবে ঘুরবে?
  1. আস্তে ঘুরবে 
  2. জোরে ঘুরবে 
  3. একইভাবে ঘুরবে 
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন যান্ত্রিক গিয়ারের পরস্পর সংযুক্ত দুইটি অসম আকৃতির চাকার মধ্যে ছোট চাকাটি বড়টির তুলনায় কীভাবে ঘুরবে?

সমাধান:
কোন যান্ত্রিক গিয়ারের পরস্পর সংযুক্ত দুইটি অসম আকৃতির চাকার মধ্যে ছোট চাকাটি বড়টির তুলনায় দ্রুত বা জোরে ঘুরবে। 

গিয়ারের ঘূর্ণন নির্ভর করে তার দাঁতের সংখ্যা ও ব্যাসের উপর।
যান্ত্রিক গিয়ারের পরস্পর সংযুক্ত দুইটি অসম আকৃতির চাকার মধ্যে ছোট চাকাটির ব্যাস বড় চাকার তুলনায় কম এবং দাঁত সংখ্যাও কম হবে।
অর্থাৎ ছোট চাকাটির ঘূর্ণন সংখ্যা হবে বড় চাকাটি অপেক্ষা বেশি।
কারন ছোট চাকাটিকে ঘূর্ণনের সময় কম পরিধি অতিক্রম করতে হবে। 

অর্থাৎ, ছোট চাকাটি দ্রুত ঘুরবে, বড় চাকাটি ধীরে ঘুরবে।
৫০.
একটি বক্সের মধ্যে যথাক্রমে ৬ টি লাল কলম, ৮ টি সবুজ কলম ও ১০ টি নীল কলম আছে। ঐ থলি হতে দৈবভাবে একটি কলম তোলা হলে তা নীল না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৫/১২
  2. ১/২
  3. ৭/১২ 
  4. ১/৩ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বক্সের মধ্যে যথাক্রমে ৬ টি লাল কলম, ৮ টি সবুজ কলম ও ১০ টি নীল কলম আছে। ঐ থলি হতে দৈবভাবে একটি কলম তোলা হলে তা নীল না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
মোট কলম সংখ্যা = (৬ + ৮ + ১০) টি = ২৪ টি 
​নীল কলম = ১০ টি 

​কলমটি নীল হওয়ার সম্ভাবনা = ১০/২৪ = ৫/১২ 

​∴ কলমটি নীল না হওয়ার সম্ভাবনা = ১ - (৫/১২) 
​= (১২ - ৫)/১২ 
​= ৭/১২ 

​বিকল্প:
​নীল না হওয়ার অর্থ হলো কলমটি হবে লাল বা সবুজ।
​লাল ও সবুজ কলম = ১৪ টি 

​নির্ণেয় সম্ভাবনা = ১৪/২৪ = ৭/১২ 

৫১.
যদি MINDS = OKPFU হয় তবে SLEEP = ?
  1. TKDDQ
  2. VMFFS
  3. UNGGR
  4. RKGGO
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি MINDS = OKPFU হয় তবে SLEEP = ?

সমাধান:
যদি MINDS = OKPFU হয় তবে SLEEP = UNGGR

MINDS শব্দটির বর্ণগুলোর অবস্থান থেকে 2 ধাপ এগিয়ে,
M + 2 → O
I + 2 → K
N + 2 → P
D + 2 → F
S + 2 → U

অনুরূপভাবে,
SLEEP শব্দটির বর্ণগুলোর অবস্থান থেকে 2 ধাপ এগিয়ে,
S + 2 → U
L + 2 → N
E + 2 → G
E + 2 → G
P + 2 → R

∴ নির্ণেয় শব্দটি হবে= UNGGR
৫২.
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ "বাংলা সাহিত্যের কথা" কে রচনা করেছেন?
  1. দীনেশচন্দ্র সেন 
  2. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  3. আশুতোষ মুখোপাধ্যায় 
  4. সুকুমার সেন 
ব্যাখ্যা
• ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম- বাংলা সাহিত্যের কথা।

• গ্রন্থটি একাধিক সংস্করণে প্রকাশিত হয়:
- প্রথম সংস্করণ-এপ্রিল, ১৯৫৩।
- দ্বিতীয় নতুন সংস্করণ-এপ্রিল, ১৯৬৩
- তৃতীয় পরিমার্জিত সংস্করণ-কার্তিক ১৩৭৩ (অক্টোবর ১৯৬৬)
- চতুর্থ পরিবর্ধিত নূতন সংস্করণ-শ্রাবণ ১৩৭৫ (জুলাই ১৯৬৮)

-----------------------------
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস রচনাসহ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বহু জটিল সমস্যার সমাধান করেন।

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- দীওয়ানে হাফিজ,
- রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম,
- নবী করিম মুহাম্মাদ,
- ইসলাম প্রসঙ্গ,
- বিদ্যাপতি শতক,
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ,
- ব্যাকরণ পরিচয়,
- বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান,
- মহররম শরীফ,
- টেইল ফ্রম দি কুরআন,
- Buddhist Mystic Songs (১৯৬০),
- Hundred Sayings of the Holy Prophet.

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের কথা (প্রথম খণ্ড)
৫৩.
'শিরে সংক্রান্তি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- 
  1. অপদার্থ
  2. দীর্ঘসূত্রিতা
  3. আসন্ন বিপদ
  4. দুর্লভ বস্তু
ব্যাখ্যা

• 'শিরে সংক্রান্তি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- আসন্ন বিপদ বা সামনেই বিপদ।
উদাহরণ: আমার এখন শিরে সংক্রান্তি, কিভাবে সব সামলাব তাই ভাবছি।

অন্যদিকে,
'অকাল কুষ্মাণ্ড' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অপদার্থ।
'আঠারো মাসে বছর' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দীর্ঘসূত্রিতা।
'আকাশের চাঁদ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৪.
''পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ'' - উদ্ধৃতাংশের পথিক কে?
  1. কপালকুণ্ডলা
  2. কাপালিক
  3. নবকুমার
  4. চন্দ্রশেখর
ব্যাখ্যা
• “পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?"  উক্তিটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। 

• ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস:

- কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস। 
- এতে নিগূঢ় ভাবসঙ্গতির জন্য 'রোমান্স' বলা যায়। অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা। কুপালকুণ্ডলার মধ্যে যে রহস্য সেই রহস্য উদ্ঘাটনই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।
- কাহিনিতে একদিকে আছে সম্রাট জাহাঙ্গিরের সময়কার আগ্রার নগর ও স্থাপত্য এবং অন্যদিকে অরণ্য ও সমুদ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা, কপালকুণ্ডলার চরিত্র, কাহিনির ট্র্যাজিক পরিণতি এই তিনটি কারণে উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম স্মরণীয় রচনা।
- বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়। অনেকের মতে এটি বঙ্কিমের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

• নায়িকা কপালকুণ্ডলা নায়ক নবকুমার কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?" এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোম্যান্টিক সংলাপ।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুপালকুণ্ডলা,
- নবকুমার,
- কাপালিক ইত্যাদি।

--------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
- তাঁর রচিত প্রথম ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’।

• বঙ্কিমচন্দ্র রচিত ত্রয়ী উপন্যাসগুলো হলো:
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরানী ও 
- সীতারাম উপন্যাস।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৫৫.
'নীলদর্পণ' নাটকটি কত সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৬৬ সালে
  2. ১৮৬০ সালে
  3. ১৮৫০ সালে
  4. ১৮৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম নাটক এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন। অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।

---------------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে ১৮৩০ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ। 
- ১৮৭১ সালে লুসাই যুদ্ধের সময় দীনবন্ধু কাছাড়ে সফলভাবে ডাক বিভাগ পরিচালনা করেন, যার জন্য সরকার তাঁকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। 

দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক।

নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৫৬.
ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান' এর রচয়িতা কে?
  1. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. মামুনুর রশিদ
ব্যাখ্যা

• ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান' এর রচয়িতা- 'দ্বিজেন্দ্রলাল রায়'।
- এটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন অবলম্বনে রচিত প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক।

• 'সাজাহান' নাটক:
- নাটকটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক।
- 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয় ।
- নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- সম্রাট সাজাহানকে নিয়ে দ্বিজেন্দ্রলালই সর্বপ্রথম নাটক রচনা করেন।
- 'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
- গানটি তাঁর 'সাজাহান' নাটকে ছিল।

--------------------------
• দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:
- তিনি ছিলেন কবি, নাট্যকার, সুরকার ও গীতিকার।
- তিনি ডি.এল রায় নামে পরিচিত।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম।
- তাঁর দুই অগ্রজ রাজেন্দ্রলাল ও হরেন্দ্রলালও সাহিত্যিক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
- ছাত্রজীবনে তাঁর কাব্য 'আর্য্যগাথা' এবং বিলেতে থাকাকালে কাব্য 'Lyrics of Ind' প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গণজাগরণমূলক গান রচনায় তাঁর অবদান ছিল।
- ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত সামাজিক নাটক:
- পরপারে।
- বঙ্গনারী।
- পুনর্জন্ম।
- ত্র্যহস্পর্শ।
- প্রায়শ্চিত্ত।
- আনন্দ বিদায়।
- কল্কি অবতার।

• তাঁর রচিত কয়েকটি গ্রন্থ:
- আর্য্যগাথা।
- মন্দ্র।
- আলেখ্য।
- ত্রিবেণী ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত ঐতিহাসিক নাটক:
- তারাবাই।
- রানা প্রতাপসিংহ।
- মেবার পতন।
- নূরজাহান।
- সাজাহান।
- চন্দ্রগুপ্ত।
- সিংহল বিজয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

৫৭.
শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?
  1. কাব্যরস
  2. ভাবরস
  3. প্রেমরস
  4. মধুর রস
ব্যাখ্যা
• বৈষ্ণব পদাবলি:
- বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।
- বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়।
- রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত ‘গীতগোবিন্দম্‌' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে এটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায়।
- পরবর্তীতে বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলির রচনা করেন চণ্ডীদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলিতে কৃষ্ণের প্রধান প্রেমিকা শ্রীরাধাকে নায়িকা বলা হয়। পদাবলিতে নায়িকার ৮ টি অবস্থা।

- এই কাব্যে পাঁচটি রস রয়েছে। যথা:
১. শান্তরস,
২. দাস্যরস,
৩. সখ্যরস,
৪. বাৎসল্যরস ও
৫. মধুররস।

• মধুর রস’কে শৃঙ্গার রসও বলে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাল নীল দীপাবলি হুমায়ুন আজাদ।
৫৮.
'Custom' শব্দের বাংলা পরিভাষা- 
  1. শুল্ক
  2. রাজস্বনীতি
  3. প্রথা
  4. বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

• ‘Custom' শব্দের পারিভাষিক শব্দ - প্রথা, অভ্যাস, সামাজিক রীতিনীতি।

অন্যদিকে,
- ‘Customs’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - শুল্ক বিভাগ।
- ‘Business’ এর পারিভাষিক শব্দ - বাণিজ্য।
- ‘Duty’ এর পারিভাষিক শব্দ - শুল্ক।

উৎস: প্রসাশসিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।

৫৯.
‘নেমেসিস’ নাটকের প্রেক্ষাপট কী?
  1. পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ঐতিহাসিক বিদ্রোহ
  4. সামাজিক কুসংস্কার 
ব্যাখ্যা

‘নেমেসিস’ নাটক: 
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম সুরজিত নন্দী, নৃপেন বোস, সুলতা, অসীম, অমল বাবু, ইয়াকুব ইত্যাদি।

নুরুল মোমেন বিখ্যাত নাটক:
- যদি এমন হতো,
- নেমেসিস
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া ,
- আইনের অন্তরালে ,
- শতকরা আশি ,
- রূপলেখা ,
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

৬০.
দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
  1. লাঙল 
  2. কবিতা
  3. কল্লোল
  4. কালিকলম
ব্যাখ্যা

'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন- 'দীনেশরঞ্জন দাশ'।

'কল্লোল' পত্রিকা:
- ১৯২৩ সালে প্রথম কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
- 'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকমার সেনগুপ্ত, শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।

অন্যদিকে,
- বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা 'কবিতা' ও 'প্রগতি'।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা 'লাঙল’ এবং
- প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত পত্রিকা কালিকলম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

৬১.
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কোন কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন? 
  1. অগ্নিবীণা
  2. বিষের বাঁশি
  3. দোলনচাঁপা
  4. সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা

• কবি কাজী নজরুল ইসলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে 'সঞ্চিতা' কাব্যটি উৎসর্গ করেছিলেন।

'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থ:
- 'সঞ্চিতা' কাজী নজরুল ইসলামের একটি কবিতা সংকলন।
- এটি ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটি তিনি উৎসর্গ করেন বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
- এতে মোট ৭৮টি কবিতা ও গান আছে।
- নজরুলের কবিতার ধারা বুঝবার জন্য এ সংকলনটি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা তাঁর জীবিতাবস্থায় এগুলোকেই তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য সৃষ্টি বলে অনুমোদন করে গেছেন।

​উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত 'বসন্ত' নাটকটি কাজী নজরুল ইসলাম কে উৎসর্গ করেছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৬২.
‘পেরেশান’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. আরবি 
  2. তৎসম 
  3. ফারসি
  4. তুর্কি 
ব্যাখ্যা

- ‘পেরেশান’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত।
- ​পেরেশান' শব্দের অর্থ: উদ্বগ্ন, চিন্তিত।

ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৬৩.
অনুসর্গ নয় কোনটি?
  1. থেকে
  2. চেয়ে
  3. দ্বারা
  4. অতি
ব্যাখ্যা
• ‘অতি’ তৎসম উপসর্গের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
থেকে, চেয়ে, দ্বারা - অনুসর্গের উদাহরণ।

​অনুসর্গ:
- যেসব শব্দ কোনাে শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন -
সে কাজ ছাড়া কিছুই বােঝে না।
এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ।

কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
- অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, চেয়ে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতাে, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি। 

---------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
৬৪.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. আসছে আগামীকাল স্কুল বন্ধ হবে।
  2. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত
  3. তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
  4. অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।

অশুদ্ধ বাক্যগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো:
• অশুদ্ধ: 'আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।’
• শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।

অশুদ্ধ বাক্য: আসছে আগামীকাল স্কুল বন্ধ হবে।
শুদ্ধ বাক্য: আগামীকাল স্কুল বন্ধ হবে।

অশুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
শুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৬৫.
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কোন পদে বেশি?
  1. বিশেষ্য ও ক্রিয়া পদে
  2. বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
  3. বিশেষ্য ও সর্বনাম পদে
  4. ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে
ব্যাখ্যা

সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের ভিন্নতায়।
- সাধুভাষায় পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয় আর চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
- সাধু ভাষা তৎসম শব্দ বেশি আর চলিত ভাষায় অতৎসম শব্দ বেশি।
---------------------

• চলিত রীতি:
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ সময়ের প্রবাহের কারনে চলিত রীতি পরিবর্তিত রূপ লাভ করে।
- এই রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। এছাড়াও এতে দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।
- চলিতরীতির লৈখিক ও মৌখিক দুটি রূপই বিদ্যমান।
- এই রীতি সহজবোধ্য, সংক্ষিপ্ত। বকৃতা, সংলাপ ও আলাপ-আলোচনার জন্য উপযোগী।

• সাধু ভাষা/রীতি:
- দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে।
- সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ দীর্ঘতর হয়ে থাকে।
- সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সুতরাং, এই দুটি পদের ভিন্নতার জন্যই সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
- সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৬৬.
'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
  1. নবীতুন 
  2. জয়গুন
  3. আনোয়ারা 
  4. জয়নব 
ব্যাখ্যা
• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাস:
- আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- ১৯৫৫সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের গ্রাম জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ।
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী'।
- জয়গুন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।

• উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র:
- হাসু,
- মায়মুন,
- শাফি,
- ডা. রমেশ চক্রবর্তী,
-মোরল গদু ইত্যাদি।

---------------------
• আবু ইসহাক:
- আবু ইসহাক কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা। জন্ম শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে, ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- পরে কলিকাতার সওগাত, আজাদ প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর বিভিন্ন রচনা প্রকাশিত হয়।
- আবু ইসহাকের দ্বিতীয় উপন্যাস পদ্মার পলিদ্বীপ (১৯৮৬); এ উপন্যাসে পদ্মার বুকে জেগে-ওঠা চরের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-সংগ্রামের কথা আছে।
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• আবু ইসহাক রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল।

• গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৭.
'দেশে-বিদেশে' - কোন সমাস?
  1. অলুক তৎপুরুষ
  2. অলুক বহুব্রীহি
  3. অলুক দ্বন্দ্ব
  4. একশেষ দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

অলুক দ্বন্দ:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনাে সমস্যমান পদের বিভক্তি লােপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন:
- দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে,
- জলে ও স্থলে = জলে-স্থলে,
- দেশে ও বিদেশে = দেশে-বিদেশে,
- হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৬৮.
বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
  1. ১১ টি
  2. ৩২ টি
  3. ২০ টি
  4. ২৫ টি
ব্যাখ্যা

যৌগিক স্বরধ্বনি:
পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনিরুপে উচ্চারিত হয়। এরূপে একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলে।

​- বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫ টি।
​যেমন-
- অ + ই = অই (বই),
- অ+ উ = অউ (বউ),
- অ + এ = অয় (বয়, ময়না), 

- বাংলা ভাষার দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনির প্রতীক ২ টি,যথা: ঔ,ঐ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

৬৯.
"যদি সে কাল আসে তাহলে আমি যাব।" - কোন জাতীয় বাক্য?
  1. সরল বাক্য
  2. যৌগিক বাক্য
  3. জটিল বাক্য
  4. সাপেক্ষ বাক্য 
ব্যাখ্যা

মিশ্র বা জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল/মিশ্র বাক্য তৈরি হয়।

- যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে । যেমন –
যেমন:
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- যদি সে কাল আসে তাহলে আমি যাব।
- যে-ই তার দর্শন পেলাম, সে-ই আমরা প্রস্থান করলাম।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ৯২০১৯- সংস্করণ)।

৭০.
কোষের বর্জ্য পদার্থ এবং বাইরের জীবাণু ধ্বংস করার কাজটি কোন অঙ্গাণু করে?
  1. নিউক্লিয়াস
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  4. লাইসোজোম
ব্যাখ্যা

লাইসোজোম কোষের বর্জ্য পদার্থ এবং বাইরের জীবাণু ধ্বংস করার কাজ করে।

• লাইসোজোম:
- লাইসোজোম কোষের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু, যা কোষকে জীবাণু এবং বর্জ্য পদার্থের হাত থেকে রক্ষা করে।
- এটিতে বিভিন্ন হাইড্রোলাইটিক এনজাইম থাকে যা ক্ষতিকর পদার্থকে ভেঙে ফেলে।
- এ কারণেই লাইসোজোমকে প্রায়শই কোষের "আত্মহননকারী থলি" বা "suicidal bag" বলা হয়।

• লাইসোজোমের কাজসমূহ-
১. এরা ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis) পদ্ধতিতে জীবাণু ধ্বংস করে।
২. বিগলনকারী এনজাইমসমূহকে আবদ্ধ করে রেখে এটি কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুকে রক্ষা করে।
৩. লাইসোসোম অন্তঃকোষীয় পরিপাক কাজে সাহায্য করে।
৪. কোষ বিভাজনকালে এরা কোষীয় ও নিউক্লীয় আবরণী ভাঙ্গতে সাহায্য করে।
৫. এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস পদ্ধতিতে ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা স্কোয়াড বলা হয়।
৬. টিস্যু বিগলনকারী অ্যাসিড ফসফেটেজ এনজাইম থাকে।
৭. ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭১.
নিচের কোনটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীতমুখী হয়ে কাজ করে?
  1. জেনারেটর
  2. সৌর প্যানেল
  3. তাপীয় পাম্প
  4. থার্মোস্ট্যাট
ব্যাখ্যা

একটি তাপ ইঞ্জিন উচ্চ তাপমাত্রা থেকে তাপ গ্রহণ করে কাজ সম্পাদন করে, কিন্তু তাপীয় পাম্প তার বিপরীত কাজ করে। এটি বিদ্যুৎ বা অন্য কোনো শক্তির সাহায্যে কাজ সম্পাদন করে তাপকে নিম্ন তাপমাত্রা থেকে উচ্চ তাপমাত্রার দিকে স্থানান্তর করে।
-
রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারও একই মূলনীতিতে কাজ করে।

তাপীয় ইঞ্জিন:
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। যথা:
১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন,
২. পেট্রোল ইঞ্জিন,
৩. ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
- অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে।

অন্যদিকে,
• তাপীয় পাম্প:
- তাপীয় পাম্প (Heat Pump) হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপগতিবিদ্যার নীতির ওপর ভিত্তি করে তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। এটি রেফ্রিজারেটর বা এয়ার কন্ডিশনারের মতোই কাজ করে।
- একটি তাপীয় পাম্প যান্ত্রিক কাজ (বিদ্যুৎ) ব্যবহার করে তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে, যা তাপ ইঞ্জিনের কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত।
- অর্থাৎ, তাপ ইঞ্জিন তাপকে কাজে পরিণত করে, আর তাপীয় পাম্প কাজকে তাপ স্থানান্তরে পরিণত করে।

উল্লেখ্য,
- জেনারেটর কোনো তাপীয় যন্ত্র নয়, বরং এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- সৌর প্যানেল আলোক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীত নয়।
- থার্মোস্ট্যাট হলো একটি নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, যা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু নিজে তাপ স্থানান্তর করে না।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
নিম্নলিখিত কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্যতম সুবিধা?
  1. অত্যধিক খরচের বাধ্যবাধকতা
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধতা
  3. প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিসের পরিমাণ বৃদ্ধি ও হ্রাস
  4. ব্যবহারকারীর ডেটা নিরাপত্তায় সীমিত নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্যতম বড় সুবিধা হলো Scalability (স্কেলযোগ্যতা), অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিস বা রিসোর্স বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন
- সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।

৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।

এছাড়াও ক্লাউড সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করে থাকে:
- যত চাহিদা তত সার্ভিস (Resource Flexibility/Scalability),
- যখন চাহিদা তখন সার্ভিস (On Demand),
- যখন ব্যবহার তখন মূল্য শোধ (Pay as you go) এবং
- উদ্যোক্তাদের সুযোগ (Opportunity for Entrepreneurs) ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৭৩.
কোন পদার্থটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্য পদার্থকে জারিত করে?
  1. সোডিয়াম
  2. হাইড্রোজেন
  3. সালফার ডাই অক্সাইড
  4. ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

জারক পদার্থ (Oxidizing Agent) হলো এমন একটি রাসায়নিক সত্তা যা কোনো জারণ-বিজারণ (Redox) বিক্রিয়ায় অন্য পদার্থ থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে। ক্লোরিন একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ কারণ এর ইলেকট্রন গ্রহণ করার প্রবণতা অত্যন্ত বেশি।

জারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়।
- যেমন: O2, Cl2, F2, HNO3, H2SO4, H2O2 প্রভৃতি জারক পদার্থ।

বিজারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়।
- পর্যায় তালিকার গ্রুপ এ অবস্থিত মৌলসমূহ যেমন: H, Li, Na, K, Rb প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। এছাড়াও Mg, Ca, SO2, H2S প্রভৃতি বিজারক পদার্থ।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 

৭৪.
শুষ্ক বরফের প্রধান রাসায়নিক উপাদান কোনটি?
  1. CO2
  2. N2
  3. H20
  4. CH4
ব্যাখ্যা

শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাই অক্সাইডের (CO2) কঠিন রূপ।
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়।
- শুষ্ক বরফের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম, প্রায় - 78.5°C বা - 109.3°F।
- এর নাম "শুষ্ক বরফ" কারণ এটি তরল হয় না এবং কোনো জলীয় অবশেষ রাখে না।
-  এটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে হিমায়ন বা শীতলকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পরিবহন এবং সংরক্ষণ।
- শুষ্ক বরফ থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস কোনো গন্ধ বা রঙ সৃষ্টি করে না, তবে এটি বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় নিচের দিকে অবস্থান করে।
- মঞ্চের অনুষ্ঠানে এটি কৃত্রিম ধোঁয়া বা কুয়াশা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- শুষ্ক বরফকে খোলা জায়গায় ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এটি বাতাসের অক্সিজেনকে প্রতিস্থাপন করতে পারে এবং দম বন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।