পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬৮
সিলেবাস
Exam - 29 Full Model Test-5 Topic: • BAR Council Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৮ প্রশ্ন

.
কোন আদালত ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয় এমন মোকদ্দমা গ্রহণের এখতিয়ার রাখে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction) নির্ধারণ করে কোন আদালত কত টাকার মামলা গ্রহণ করতে পারবে।
⇒ The Civil Courts (Amendment) Act, 2021 অনুযায়ী:
→ সহকারী জজ আদালত: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
→ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
→ যুগ্ম জেলা জজ আদালত: সীমাহীন (unlimited)।
→ তাই, ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয় এমন (≤১৫ লক্ষ) মোকদ্দমা সহকারী জজ আদালত গ্রহণ করতে পারে।
→ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫ অনুযায়ী, মামলাটি সর্বনিম্ন যােগ্যতাসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
- সহকারী জজ আদালতই সর্বনিম্ন স্তরের আদালত যার এখতিয়ার ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

→ অতএব, ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয় এমন মোকদ্দমা দায়েরের এখতিয়ার একমাত্র সহকারী জজ আদালতের রয়েছে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩ বিধি-১ অনুসারে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কয়টি পদ্ধতি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩, বিধি ১ (Order III, Rule 1 of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী,
- একটি পক্ষ আদালতে হাজিরা দিতে পারে তিনটি উপায়ে:
১. ব্যক্তিগতভাবে (In person)
২. স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে (By recognized agent)
৩. আইনজীবীর মাধ্যমে (By pleader)
তবে আদালত চাইলে পক্ষকে নিজে (personally) হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।

- অতএব: মোট পদ্ধতি: ৩টি → সঠিক অপশন: গ) ৩টি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৪৯ কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. ডিক্রি জারি
  2. ডিক্রি হস্তান্তর
  3. ডিক্রি বাতিল
  4. ডিক্রি সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির, ১৯০৮ এর ধারা ৪৯ (Section 49) হলো "Transferee" অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তর সম্পর্কিত বিধান।
- এই ধারায় বলা হয়েছে "Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder."
- অর্থাৎ, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) সেই ডিক্রিটি তেমনিভাবেই গ্রহণ করবেন, যেভাবে মূল ডিক্রি-ধারী (Original Decree-holder) তা ভোগ করতেন।
- ডিক্রি-দেনাদার (Judgment-debtor) যে প্রতিরক্ষা বা অধিকার মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারতেন, তা হস্তান্তরিত ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য হবে।
- কোনো অতিরিক্ত সুবিধা বা অধিকারের দাবী Transferee করতে পারবেন না।

⇒ অর্থাৎ ধারা ৪৯ মূলত ডিক্রির হস্তান্তর (Transfer of Decree) ও হস্তান্তরিত ব্যক্তির অধিকার সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা কোন সময়সীমার মধ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলার ইস্যু নির্ধারণের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে। এই প্রশ্নমালাগুলো আদালতের অনুমতির পরে এক বা একাধিক পক্ষের বিরুদ্ধে দেয়া যেতে পারে এবং প্রশ্নমালার শেষে তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে কোন পক্ষকে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
- অর্থাৎ আদেশ-১১ বিধি-১ অনুযায়ী, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য ১০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭, বিধি ২-এর বিধান কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সহকারী জজ আদালত
  4. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭, বিধি-২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, “হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ” পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশ প্রদানকারী বিচারকের কাছেই আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ, এই বিধান হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি ও এখতিয়ার সংবিধান এবং নিজস্ব বিধিমালার মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্ধারিত।
অন্যদিকে, জেলা জজ, যুগ্ম-জেলা জজ, সহকারী জজ আদালত—এসব নিম্ন আদালতের ক্ষেত্রে আদেশ ৪৭, বিধি ২ প্রযোজ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫, বিধি-১ অনুসারে পক্ষগণ বিরোধী না হলে আদালত কী করবে?
  1. প্রমাণ গ্রহণ করবে
  2. মামলা স্থগিত করবে
  3. পক্ষকে নোটিশ জারি করবে
  4. তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫, বিধি-১ এ বলা হয়েছে- যদি মামলার প্রথম শুনানির দিনে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণ (বাদী ও বিবাদী) আইনগত বা তথ্যগত কোনো প্রশ্নে বিরোধী নয়, অর্থাৎ তারা কোনো বিষয়ে বিতর্ক করছে না, তাহলে আদালত প্রমাণ গ্রহণ, সাক্ষ্যগ্রহণ বা আরও শুনানির প্রয়োজনীয়তা ব্যতিরেকে তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, কমিশনাররা পৃথক প্রতিবেদন কখন প্রণয়ন করবেন?
  1. তাদের কার্য সম্পাদনে ব্যর্থ হলে
  2. তারা একমত না হলে
  3. আদালত নির্দেশ দিলে
  4. সময়সীমা অতিক্রম করলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তারা একমত না হলে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুসারে, যদি একাধিক কমিশনার নিয়োগ করা হয় এবং তারা নিজেদের মধ্যে একমত না হন, অর্থাৎ কেউ কেউ একটি ভাগ বা সীমানা নির্ধারণের পক্ষে থাকেন, আর অন্যরা বিপক্ষে অবস্থান নেন, তখন তারা প্রত্যেকে পৃথক পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেন।
এই পৃথক প্রতিবেদনগুলোতে, সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ, প্রতিটি অংশের পরিমাণ ও সীমানা (যদি আদালতের আদেশে তা উল্লেখ থাকে), সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং প্রতিবেদনগুলো নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- অর্থাৎ কমিশনারদের মধ্যে মতভেদ হলে প্রতিবেদন বিলম্বিত না করে প্রত্যেকে পৃথকভাবে প্রতিবেদন তৈরি ও দাখিল করবেন, যাতে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন। প্রতিটি পৃথক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করবে এবং পরে এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতে দাখিল করতে হবে।
এতে বলা হয়েছে যে, একাধিক কমিশনারের মধ্যে একমত না হলে, তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন এবং আদালতে তা দাখিল করবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(1) Dividing Property and Allotting Shares:
The Commissioner, after conducting the necessary inquiry, will divide the property into as many shares as directed by the order under which the commission was issued. The Commissioner will allot these shares to the parties involved and may, if authorized by the order, award sums to equalize the value of the shares.

(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

(3) Court's Action on the Report:
If the Court confirms or varies the report(s), it will pass a decree based on the report as confirmed or varied. However, if the Court sets aside the report(s), it may either issue a new commission or make any other order it deems fit.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৯, বিধি-১ অনুসারে কোন প্রক্রিয়ার নোটিশ উকিল সরবরাহ করতে পারে না?
  1. সাক্ষীর সমন
  2. ডিক্রি কার্যকরের রিট
  3. দলিল উপস্থাপনের নোটিশ
  4. বিবাহবিচ্ছেদ মামলার নোটিশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৯, বিধি ১ অনুযায়ী, নিম্নোক্ত বিচারিক প্রক্রিয়া উকিল (advocate) বা তার নিযুক্ত ব্যক্তি পরিবেশন (serve) করতে পারেন:
- দলিল উপস্থাপনের নোটিশ (Notice to produce documents)
- সাক্ষীদের সমন (Summons to witnesses)
- অন্যান্য বিচারিক প্রক্রিয়া (other judicial processes)
→ যখন সেগুলো হাইকোর্ট বিভাগের আসল দেওয়ানি, বিবাহ সম্পর্কিত, উইল সংক্রান্ত বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিচারিক ক্ষমার আওতায় পড়ে।

তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে, যেগুলো উকিল বা তার লোক পরিবেশন করতে পারবেন না:
- Defendants-এর সমন (summonses to defendants)
- ডিক্রি কার্যকরের রিট (writs of execution) 
- প্রতিপক্ষের প্রতি নোটিশ (notices to respondents) 

তাই, প্রশ্ন অনুযায়ী এর সঠিক উত্তর হলো:
খ) ডিক্রি কার্যকরের রিট — কারণ এটি স্পষ্টভাবে আদেশ ৪৯, বিধি ১-এ ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
--------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order- XLIX, Rule-1: Who may serve processes of the High Court Division:
Notices to produce documents, summonses to witnesses, and all other judicial processes issued by the High Court Division while exercising its original civil jurisdiction (including matrimonial, testamentary, and intestate jurisdictions)—except for summonses to defendants, writs of execution, and notices to respondents—may be served by: The advocates involved in the suits, Persons employed by those advocates, or Any other persons as directed by the High Court Division through its rules or orders.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৭৪ প্রযোজ্য হয় কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে?
  1. স্বর্ণালংকার
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষিজাত ফসল
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৭৪ (Rule 74 of Order 21 of CPC) বিশেষভাবে "sale of agricultural produce" বা "কৃষিজাত ফসল বিক্রয়" সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে। এতে বলা হয়েছে, নিলামের সময় যদি ন্যায্য মূল্য না পাওয়া যায় এবং মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধ থাকে, তাহলে নিলাম স্থগিত করে পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে সম্পন্ন করা হবে। এটি কেবলমাত্র কৃষিজাত ফসল সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অন্য কোনো ধরণের সম্পত্তি (যেমন, স্বর্ণালংকার বা স্থাবর সম্পত্তি) এর আওতায় পড়ে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.

১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-১৪ অনুযায়ী, কে মোকদ্দমা খারিজের আবেদন করতে পারে?
  1. যেকোনো নাবালক
  2. নাবালকের অভিভাবক
  3. নাবালকের আইনজীবী
  4. সাবালকত্ব প্রাপ্ত হওয়া একমাত্র বাদী নাবালক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সাবালকত্ব প্রাপ্ত হওয়া একমাত্র বাদী নাবালক।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-১৪ অনুযায়ী, একটি নাবালক যে একমাত্র বাদী হিসেবে তার Next Friend (নেক্সট ফ্রেন্ড) এর মাধ্যমে মোকদ্দমা রুজু করেছিল, সে সাবালক হওয়ার পর যদি মনে করে যে মামলাটি ছিল অযৌক্তিক (unreasonable) বা অনুচিত (improper), তবে সে নিজেই আদালতে সেই মামলা খারিজের আবেদন করতে পারে।
- এই বিধান কেবলমাত্র এমন নাবালক বাদীর জন্য প্রযোজ্য,  যিনি একমাত্র বাদী ছিলেন এবং পরবর্তীতে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন।
 আদালত যদি আবেদনকারী সাবালক বাদীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয় যে মামলাটি অযৌক্তিক বা অনুচিত, তবে আদালত: মামলাটি খারিজ করতে পারে; নেক্সট ফ্রেন্ডকে সংশ্লিষ্ট সকল খরচ বহনের নির্দেশ দিতে পারে; অথবা অন্য কোনও উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১৪: অযৌক্তিক বা অনুচিত মোকদ্দমা:
১) কোন নাবালক একমাত্র বাদি হলে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়ে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসংগত হওয়ার কারণে খারিজ হবে।
২) সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপর আবেদনের নোটিশ জারি করতে হবে এবং উক্ত অসংগত কারণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে এবং আবেদনপত্র ও মোকদ্দমার ব্যাপারে কোন কিছু সম্পর্কে সকল পক্ষ বরাবর খরচাদি পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-32 Rule-14:
(1)A minor, upon attaining majority, may, if he is the sole plaintiff, apply for the dismissal of a suit instituted in his name by his next friend on the grounds that it was unreasonable or improper.
(2)Notice of the application shall be served on all the parties concerned. Upon being satisfied of the unreasonableness or impropriety of the suit, the Court may grant the application and order the next friend to pay the costs of all parties regarding the application and anything done in the suit, or make such other order as it deems appropriate.
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুসারে, অধস্তন আদালতের ভাষা কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের পরামর্শে
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশ অনুযায়ী
  3. আদালতের বিচারকের পছন্দ অনুযায়ী
  4. সরকার কর্তৃক ঘোষিত বা পূর্বের প্রচলিত ভাষা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুযায়ী, যেসব অধস্তন আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেগুলোর ভাষা আইন কার্যকর হওয়ার সময় যেটি প্রচলিত ছিল, সেটাই বহাল থাকবে — যতক্ষণ না সরকার ভিন্নভাবে কোনো নির্দেশ দেয়। অর্থাৎ, আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রয়েছে। এছাড়া সরকার আদালতের আবেদনপত্র এবং কার্যধারার রীতিনীতিও নির্ধারণ করতে পারে।
- সুতরাং, অধস্তন আদালতের ভাষা সরকারি ঘোষণা বা পূর্বের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজির সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজির অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, Section: 137- Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs.
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written.
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ অনুযায়ী, আদালত কোন কোন ক্ষেত্রে বাদীর অভিযোগ (Plaint) ফেরত দিতে বা খারিজ করতে পারে?
  1. যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়
  2. যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা উল্লেখ না থাকে
  3. যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908) এর আদেশ ৭ (Order VII) অনুসারে, বাদীর দায়ের করা অভিযোগ বা Plaint ফেরত (Return) বা খারিজ (Rejection) করার বিভিন্ন পরিস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিচে প্রতিটি অপশন ব্যাখ্যা করা হলো: 
ক) যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১০ অনুযায়ী, যদি Plaint এমন আদালতে দায়ের করা হয় যার বিচারিক ক্ষমতা (jurisdiction) নেই, তাহলে আদালত Plaint ফেরত (Return) দিতে পারে যেন বাদী তা সঠিক আদালতে পুনরায় দায়ের করতে পারে। এটি খারিজ নয়, বরং ফেরত দেওয়া।
 খ) যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা (Cause of Action) উল্লেখ না থাকে:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(ক) অনুযায়ী, যদি Plaint-এ মামলা দায়েরের কারণ (cause of action) স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে আদালত Plaint খারিজ (Reject) করতে পারে।
গ) যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(গ) অনুযায়ী, যদি Plaint অপর্যাপ্ত আদালত ফি বা স্ট্যাম্পে লেখা হয় এবং আদালত নির্দেশিত সময় (সাধারণত ২১ দিন) এর মধ্যে তা পরিশোধ করা না হয়, তাহলে Plaint খারিজ (Reject) করা হবে।

উল্লেখ্য, 
→ ফেরত (Return): এটি মূলত তখন হয় যখন বিচারিক এখতিয়ার নেই বা স্থান ভুল।
→ খারিজ (Rejection): এটি তখন হয় যখন Plaint-এর ভিতরেই গুরুতর ত্রুটি থাকে।

অর্থাৎ প্রশ্নে বর্ণিত তিনটি পরিস্থিতিই সঠিক। Plaint ফেরত বা খারিজ—উভয় ক্ষেত্রেই আদেশ ৭ প্রযোজ্য হয়।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে।
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ এর কোন বিধিতে "mutatis mutandis" শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-২
  3. বিধি-৩
  4. বিধি-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ (Order XLVII) এর বিধি-৩ (Rule 3)-এ নিম্নোক্তভাবে বলা হয়েছে:
→ Form of applications for review: "The provisions as to the form of preferring appeals shall apply, mutatis mutandis, to applications for review."
- এখানে "mutatis mutandis" শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে— যার অর্থ হলো, "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ প্রয়োগযোগ্য"।
- এই বিধি অনুযায়ী, আপিলের যেভাবে আবেদন করা হয়, রিভিউ আবেদনেও একইরকম নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
- তবে, যেহেতু রিভিউ আবেদন ও আপিলের মধ্যে কিছু কাঠামোগত পার্থক্য আছে, তাই প্রাসঙ্গিক পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ এর বিধি-৩: পুনর্বিবেচনার আবেদনের ফর্ম:
- আপিল করার যেভাবে ফর্মাল আবেদন (Form of Appeal) করা হয়, সেরকমভাবেই রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রেও একই ফর্ম বা নিয়ম প্রযোজ্য হবে, যতটা প্রাসঙ্গিকভাবে মানিয়ে নেওয়া যায় (mutatis mutandis)।
-------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order-XLVII, Rule-3 Form of applications for review:
- The provisions as to the form of preferring appeals shall apply, mutatis mutandis, to applications for review.
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশের অধীনে রিসিভার নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৩৭
  2. আদেশ-৩৯
  3. আদেশ-৪০
  4. আদেশ-৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ (Order XL)-এর অধীনে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
→ এই আদেশ অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করে যে কোনো সম্পত্তির বিষয়ে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক (just and convenient), তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে পারে:
- রিসিভার নিয়োগ করতে পারে – ডিক্রির পূর্বে বা পরে।
- সম্পত্তি থেকে কোনো ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারে।
- সম্পত্তিটি রিসিভারের হেফাজত, দখল বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে।
রিসিভারকে এমন সব ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন:
- মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা
- সম্পত্তি উদ্ধার, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন
- ভাড়া/মুনাফা সংগ্রহ ও প্রয়োগ
- দলিল সম্পাদন ইত্যাদি
→ রিসিভারের পারিশ্রমিকও আদালত নির্ধারণ করে (বিধি ২ অনুযায়ী)।
- অর্থাৎ, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত বিধান আদেশ ৪০-এর অধীনে দেওয়া হয়েছে।

আদেশ ৪০ – রিসিভার নিয়োগ:

১. রিসিভার নিয়োগ:
১.(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১.(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।
২. পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।
-------------- 
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XL – Appointment of Receivers:
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমায় বাদী কোন বিকল্প আবেদন করতে পারেন?
  1. চুক্তি সংশোধন
  2. চুক্তি বাড়ানো
  3. চুক্তি রদ ও বিলুপ্ত
  4. চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৭ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণের জন্য মামলা করে, তখন তিনি বিকল্পভাবে আদালতে আবেদন করতে পারেন যে:
→ যদি আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর না করে, তবে তা রদ করে দেওয়া হোক এবং বাতিল (delivered up to be cancelled) ঘোষণা করা হোক।
→ এই বিধান বাদীকে একই মোকদ্দমার মধ্যে দুইটি বিকল্প প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ দেয়:
- মূল আবেদন: চুক্তি কার্যকর করা হোক।
- বিকল্প আবেদন: চুক্তি কার্যকরযোগ্য না হলে তা রদ ও বিলুপ্ত করা হোক।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মতে, স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কোন অবস্থায় মামলা করতে পারে?
  1. যদি আদালত সম্মতি দেয়
  2. যদি তার স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়
  3. যদি তার অনুমতি ছাড়া দখলচ্যুত হয়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া এবং আইনগত পন্থা অনুসরণ না করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়, তবে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তি আদালতে মামলা করে সেই সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারে। এই ধারা এমন ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য যারা অবৈধভাবে তাদের সম্পত্তির দখল হারিয়েছে, এবং এটি সম্পত্তির বৈধতা বা মালিকানা প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয়, বরং শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
- যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
- Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
- No suit under this section shall be brought against the Government.
- No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুসারে, নিম্নের কোনটি সুনির্দিষ্ট কাজ আদায়ের একটি যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি?
  1. চুক্তি মৌখিক হওয়া
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
  3. প্রতিপক্ষের আর্থিক অবস্থা যাচাই করা
  4. আদালতকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানানো
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২-এ সুনির্দিষ্টভাবে কাজ আদায়ের জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে:
১) আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় (ধারা ১২(গ))
২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কোনো মানদণ্ড নেই (ধারা ১২(খ))
৩) ট্রাস্ট বা আমানত সংক্রান্ত কাজ (ধারা ১২(ক))
৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই (ধারা ১২(ঘ))
অন্যদিকে, মৌখিক চুক্তি (ক), প্রতিপক্ষের আর্থিক অবস্থা (গ) বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা (ঘ) - এই বিষয়গুলো ধারা ১২-এর শর্ত হিসেবে গণ্য নয়।

- মূল আইনের: "যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না" (ধারা ১২(গ))
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার মতে কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের একটি উপায়?
  1. আপিল দায়ের
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. ফৌজদারি মামলা দায়ের
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার: কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো এক ধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় নিম্নোক্ত উপায়ে:
১) সম্পত্তি প্রত্যর্পণের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষণামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
- এখানে "রিসিভার নিয়োগ" একটি বৈধ ও স্বীকৃত উপায়, কিন্তু "আপিল দায়ের" এবং "ফৌজদারি মামলা" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতাভুক্ত নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section: 5. Specific relief how given:
- Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

১৯.
কোন তফসিলে দণ্ডবিধির অপরাধসমূহের বিচারব্যবস্থা, আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বলা আছে কোন অপরাধ আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য বা জামিন-অযোগ্য, এবং দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালতে বিচারযোগ্য – এসব বিষয়ের বিস্তারিত শ্রেণিবিন্যাস।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:
প্রণয়ন সাল: আইনটি সর্বপ্রথম ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬১ সালে পাস করা হয়।
বলবৎ হওয়ার তারিখ: কার্যকর হয় ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে।
বর্তমান সংস্করণ: ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে বর্তমান সংস্করণ কার্যকর রয়েছে।
মোট ভাগ (Part): ৯টি, মোট অধ্যায় (Chapter): ৪৬টি, মোট ধারা (Section): ৫৬৫টি। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মূল বিষয়বস্তু:
- অপরাধ সংঘটনের পর তদন্ত কীভাবে হবে।
- আসামি গ্রেফতার এবং জামিন সংক্রান্ত বিধান।
- বিচার কার্যক্রম পরিচালনা, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়দান, খালাস ও সাজা।
- কিছু কিছু ধারা অপরাধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথাও বলে, যাতে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তা ঠেকানো যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল (Schedule) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ৪টি।
→ প্রথম তফসিল (First Schedule): এটি বর্তমানে বাতিল করা হয়েছে এবং আর কার্যকর নয়।
→ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule): কোন অপরাধ আমলযোগ্য / আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য / জামিন-অযোগ্য, কোন আদালতে বিচার হবে, এই তফসিলটি বিচারিক শ্রেণিবিন্যাস নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
→ তৃতীয় তফসিল (Third Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary Powers) বর্ণিত।
→ চতুর্থ তফসিল (Fourth Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
→ পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule): বিভিন্ন ধরণের ফরম (Forms) সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কতটি প্রধান ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898)-এর ধারা ৫৬১ক (Section 561A) হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত (inherent) ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে।
- এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ তিনটি প্রধান উদ্দেশ্যে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. To give effect to any order under this Code.
অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করা।
২. To prevent abuse of the process of any Court.
অর্থাৎ, কোনো আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা।
৩. To secure the ends of justice.
অর্থাৎ, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- এগুলো হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার প্রয়োগের তিনটি মূল ভিত্তি।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২১.
নিম্নের কোন ম্যাজিস্ট্রেট ২০২ ধারার অধীনে অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(১) ধারার ভাষ্য অনুযায়ী: “...তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।”
অর্থাৎ, তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না। শুধুমাত্র তৃতীয় শ্রেণির ঊর্ধ্বতন ম্যাজিস্ট্রেটগণ (যেমন প্রথম শ্রেণির, দ্বিতীয় শ্রেণির, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 202. Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint:
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant.
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath:
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা কোন ধরনের দণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. কঠোর কারাদণ্ড
  4. সাধারণ কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা (Section 35A of the CrPC, 1898) অনুযায়ী, যখন কোন আসামি ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময় জেল হাজতে থাকে এবং পরে তাকে কারাদণ্ড (simple বা rigorous) দেওয়া হয়, তখন সেই হাজতে থাকার সময়টুকু তার দণ্ডের মেয়াদ থেকে বিয়োজন (Deduct) করে দেওয়া হয়।
তবে এই ধারা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, যদি কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে বিচার চলাকালে জেলহাজতে কাটানো সময় তার দণ্ড থেকে বাদ যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.

২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি সরকার কর্তৃক "Proclaimed Offender" হিসেবে ঘোষিত হয়, পুলিশ তাকে —
  1. জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  2. গ্রেফতার করতে পারে না
  3. পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে
  4. কেবল আদালতের নির্দেশে গ্রেফতার করতে পারে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা (Section 54 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াও কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র হলো: ৫৪ ধারা (৩ নম্বর ভিত্তি): “যদি কোনো ব্যক্তিকে আদালত বা সরকার ‘Proclaimed Offender’ হিসেবে ঘোষণা করে,” তাহলে পুলিশ তাকে পরোয়ানা ছাড়াই (without warrant) গ্রেফতার করতে পারে।
→ Proclaimed Offender বলতে বোঝায়: একজন Proclaimed Offender হচ্ছে এমন একজন ব্যক্তি, যাকে আদালত বা সরকার আইনসম্মতভাবে অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করেছে, সাধারণত তখন যখন সে পলাতক থাকে এবং আদালতের আদেশ অমান্য করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে:
৯টি ক্ষেত্র যেখানে পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে:
১) যদি কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (Cognizable Offence) করে বা তাতে জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ থাকে।
২) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট আইনসংগত কারণ ছাড়া ঘরভাঙার সরঞ্জাম (Implement of House Breaking) পাওয়া যায়।
৩) যদি কোনো ব্যক্তিকে আদালত বা সরকার "Proclaimed Offender" হিসাবে ঘোষণা করে।
৪) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (Stolen Property) পাওয়া যায় বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে যুক্তিযুক্ত সন্দেহ হয়।
৫) যদি কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেয় বা আইনসংগত হেফাজত (Lawful Custody) থেকে পলায়ন করে বা পলায়নের চেষ্টা করে।
৬) যদি কোনো ব্যক্তি সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলায়নকারী (Deserter) হয়।
৭) যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে এমন কোনো কাজ করে যা বাংলাদেশে অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে এবং যার জন্য তাকে বন্দি বা গ্রেফতার করা যেতে পারে।
৮) যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি (Released Convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারার অধীনে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করে।
৯) যদি কোনো পুলিশ অফিসার অন্য কোনো পুলিশ অফিসারের অনুরোধে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে, তবে শর্ত থাকে যে অনুরোধে গ্রেফতারযোগ্য অপরাধের উল্লেখ থাকতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54. When police may arrest without warrant:
(1) Any police officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly, any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of housebreaking;
thirdly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh ;
seventhly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.

২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা দায়রা আদালত বা চীফ ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৭
  2. ধারা ৩৩৮
  3. ধারা ৩৩৯
  4. ধারা ৩৩৯ক
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ (Section 338 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, দায়রা আদালত, অথবা তার নির্দেশে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে, যদি তারা মনে করে যে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং এটি রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারা অনুসারে, একই ধরনের কতটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে সংঘটিত হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যায়?
  1. সর্বোচ্চ দুটি
  2. সর্বোচ্চ তিনটি
  3. সর্বোচ্চ চারটি
  4. সর্বোচ্চ পাঁচটি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৩৪ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হন, এবং উক্ত অপরাধগুলো ১২ (বারো) মাস সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধ একত্রে অভিযোগ (charge) আকারে গঠন করে একটিমাত্র বিচার কার্যক্রমে বিচার করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.
(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.

২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে রিমান্ড দেওয়ার যৌক্তিক কারণ কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. পুলিশের অনুরোধে
  2. আদালতের সুবিধার জন্য
  3. আসামীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য
  4. আরও সাক্ষ্য সংগ্রহের সম্ভাবনা থাকলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) আরও সাক্ষ্য সংগ্রহের সম্ভাবনা থাকলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪ অনুসারে, কোনো বিচার বা অনুসন্ধান স্থগিত করে ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামিকে হাজির রাখার আদেশ দেন (রিমান্ড), তাহলে তার অবশ্যই লিখিতভাবে যৌক্তিক কারণ দেখাতে হবে।
এই "যৌক্তিক কারণ" হিসেবে যে বিষয়টি প্রধান বিবেচ্য হয় তা হলো: "যদি আদালত মনে করে যে তদন্তের স্বার্থে আরও সাক্ষ্য বা প্রমাণ সংগ্রহের সম্ভাবনা আছে।"
- রিমান্ড দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য তদন্ত বা বিচার কার্যক্রমে সহায়ক তথ্য সংগ্রহ করা। এটি কোনোভাবেই শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়।
- আদালত কেবল তখনই রিমান্ড মঞ্জুর করবেন, যদি তাঁর কাছে যৌক্তিক কারণ থাকে যে আরও তথ্য বা সাক্ষ্য বের হতে পারে, যা মামলার নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে।
অর্থাৎ ধারা ৩৪৪ অনুসারে, “আরও সাক্ষ্য বা তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা থাকলে” সেটিই হচ্ছে রিমান্ড দেওয়ার বৈধ ও যৌক্তিক কারণ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামি হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন:
রিমান্ড: শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামিকে একসঙ্গে ১৫ (পনেরো) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।
(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যা: আসামি অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামিকে রিমান্ডে দেওয়ার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:
Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.
(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুসারে তল্লাশী করার পূর্বে কমপক্ষে কতজন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ১ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রম শুরু করার আগে, তল্লাশীকারী অফিসারকে যে স্থানে তল্লাশী হবে সেই এলাকার অন্তত দুইজন নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে।
→ অর্থাৎ, আইনের ন্যূনতম শর্ত হল— ২ জন সাক্ষী।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা অনুসারে কোন সময় বা পরিস্থিতিতে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে পারেন?
  1. মামলার রায় ঘোষণার সময়
  2. মামলার আবেদন গ্রহণের সময়
  3. মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর
  4. মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২-এর শর্তাংশ অনুযায়ী: বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যেকোনো পর্যায়ে (অনুসন্ধান/বিচার) যথাযথ কারণ থাকলে (যেমন: ন্যায়বিচার, নাগরিক শৃঙ্খলা, ভিকটিমের সুরক্ষা ইত্যাদি) আদেশ দিতে পারেন যে সর্বসাধারণ বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি আদালত কক্ষে প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 352: Courts to be open:
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের কাস্টডিতে থাকা জিনিসের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিতে পারেন কে?
  1. যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৬(২) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছে যে, ডাক বিভাগ বা টেলিগ্রাফ বিভাগের কাস্টডিতে থাকা কোনো দলিল, পার্সেল বা বস্তু সম্পর্কে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করার ক্ষমতা কেবলমাত্র তিন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটের আছে:
১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
২) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
৩) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
- এই ক্ষমতা সাধারণ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন অবস্থায় সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. শপথ ব্যতীত
  2. শপথ গ্রহণপূর্বক
  3. পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) শপথ গ্রহণপূর্বক।
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের অস্বীকৃতি বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন, তবে তা শুধুমাত্র শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। অর্থাৎ, অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দিতে চান, তবে তাকে শপথ নিতে হবে, না হলে তিনি সাক্ষ্য দিতে পারবেন না।
এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))।
- সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))।
- সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
তবে শর্ত এই যে-
- সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
- সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দোভাষীর দায়িত্ব সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪১
  2. ধারা ৫৪২
  3. ধারা ৫৪৩
  4. ধারা ৫৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩-এ দোভাষীর (Interpreter) দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী: দোভাষীকে অবশ্যই সাক্ষ্য বা বক্তব্য সঠিকভাবে এবং নির্ভুলভাবে অনুবাদ করতে হবে।
- কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ প্রদান করতে হবে।
- দোভাষীকে সত্যনিষ্ঠ হতে হবে এবং সঠিক অনুবাদ দেওয়ার জন্য বাধ্য থাকতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে দোভাষী (Interpreter) প্রয়োজন হয়, তার প্রধান দায়িত্ব হল সঠিকভাবে সাক্ষ্য বা বক্তব্যের অনুবাদ প্রদান করা, এবং এই অনুবাদটি সত্যানুগ হতে হবে। দোভাষীকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তিনি যে কোনো সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে, এবং কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 543. Interpreter to be bound to interpret truthfully:
 When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৩২.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন ধারায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪-এ বাংলাদেশের আঞ্চলিক সীমার বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে, যেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
→ ধারা ৪(৪) অনুযায়ী: বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে, তা বাংলাদেশের সীমানার ভিতরে বা বাইরে যেখানেই ঘটুক না কেন।
→ এই ধারায় "অপরাধ" বলতে এমন সব কাজকে বোঝায় যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হতো।
→ যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation. -In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.
৩৩.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার আলোকে নিম্নলিখিত কোনটি "গুরুতর আঘাত" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. সামান্য রক্তপাত
  2. অস্থি ভঙ্গ হওয়া
  3. কেবল অস্থায়ী আঁচড়
  4. ত্বকে সামান্য লাল হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০ গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt) এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে:
“অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ” — এটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, কারো হাড় ভেঙে গেলে (fracture) বা দাঁত ভেঙে গেলে অথবা স্থানচ্যুত হলে, সেটা গুরুতর আঘাত হিসেবে আইনের চোখে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যদিকে, সামান্য রক্তপাত, অস্থায়ী আঁচড়, ত্বকে সামান্য লাল হওয়া – এগুলো সাধারণ আঘাত (Simple hurt) হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ধারা ৩২০ এর অধীনে পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৩৪.
দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, পূর্ববর্তী ধারার শাস্তি ব্যতীত অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি কী?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনকারী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২ বছরের যেকোনো ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, এবং পূর্ববর্তী ধারায় (ধারা ৫০৬) অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত শাস্তিও প্রযোজ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 507: Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.
৩৫.
'A' যদি 'Z'-কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে এবং 'Z' মারা যায়, তাহলে 'A' কী অপরাধ করেছে?
  1. Murder
  2. Attempt to Murder
  3. Culpable Homicide
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত এই ঘটনার ক্ষেত্রে 'A' ইচ্ছাকৃতভাবে 'Z'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছে এবং তার ফলে 'Z'-এর মৃত্যু হয়েছে। দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ধারা ৩০০ অনুযায়ী, এটি "Murder" হিসেবে গণ্য হবে। ধারা ৩০০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে হত্যার ইচ্ছা নিয়ে এমন কাজ করে যা মৃত্যুর কারণ হয়, তাহলে তা Murder হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণ স্বরূপ, Penal Code এর Illustration (a) তে বলা হয়েছে: "A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder." এটি সরাসরি প্রশ্নের সাথে মিলে যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 300: Murder:
-Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustration:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
৩৬.
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জেনে-বুঝে প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভুল ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে, তবে তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে এমন কোনো ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে যা সে জানে মিথ্যা বা ভুল, তবে সে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
- অর্থাৎ, জেনে-বুঝে প্রতারণামূলকভাবে ভুল যন্ত্র ব্যবহার করা হলে সর্বোচ্চ ১ বছরের সাজা হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 264. Fraudulent use of false instrument for weighing:
- Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৩৭.
কোন অবস্থায় দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী সর্বোচ্চ এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
  2. যদি অপরাধ তদন্তাধীন থাকে
  3. যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়
  4. যদি অপরাধ পরিকল্পনার পর্যায়ে থাকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) যদি অপরাধ সংঘটিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী, যদি কেউ এমন একটি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে এবং সেই অপরাধটি বাস্তবে সংঘটিত হয়, তাহলে সে ব্যক্তি মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
- অপরাধ সংঘটিত না হলে, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ এক-অষ্টমাংশ সময় পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানায় দণ্ডিত হতে পারেন।
⇒ তাই, শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটিত হলেই এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের ডিজাইন (পরিকল্পনা) গোপন করে এবং সেই অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে সেই ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত।
- যে ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, সে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে তাকে শাস্তির এক চতুর্থাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।
- যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে তাকে এক অষ্টমাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-120. Concealing design to commit offence punishable with imprisonment
Whoever, intending to facilitate or knowing it to be likely that he will thereby facilitate the commission of an offence punishable with imprisonment, 
voluntarily conceals, by any act or illegal omission, the existence of a design to commit such offence, or makes any representation which he knows to be false respecting such design,
if offence be committed; if offence be not committed
shall, if the offence be committed, be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth, and, if the offence be not committed, to one-eighth, of the longest term of such imprisonment, or with such fine as is provided for the offence, or with both.
৩৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মারামারির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৭
  3. ধারা ১৫৯
  4. ধারা ১৬০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫৯-এ বলা হয়েছে: “যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে ও শান্তিভঙ্গ ঘটায়, তখন বলা হয় যে তারা ‘মারামারি’ করেছে (commit an affray)।”

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৩৯.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের কম বয়সী শিশু কর্তৃক কৃত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ধারা ৮৪
  2. ধারা ৮২
  3. ধারা ৮১
  4. ধারা ৮০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৮২ অনুসারে, ৯ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু দ্বারা করা কাজ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় না, কারণ এই বয়সের শিশুরা সাধারণত তাদের কাজের অপরাধমূলক প্রকৃতি বা পরিণতি বুঝতে সক্ষম হয় না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 82. Act of a child under nine years of age:
 - Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
৪০.
সরকারি কর্মচারীর সমন, বিজ্ঞপ্তি বা ঘোষণার অধীনে হাজির হতে কেউ বাধ্য থাকলেও ইচ্ছাকৃতভাবে অনুপস্থিত থাকলে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১৫০০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মচারীর জারি করা সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট স্থানে ও সময়ে স্বয়ং অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে উপস্থিত না হয়, তবে তিনি এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা  ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
তবে, যদি আদেশটি আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়, তাহলে দণ্ড হতে পারে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
কিন্তু প্রশ্নে যেহেতু আদালতের বিষয় নয়, সাধারণ সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুযায়ী হাজির না হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড = ৫০০ টাকা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত: কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৪১.
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মহিলার শাড়ি টান দেয় যাতে তার শালীনতাহানি ঘটে, তাহলে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫২ক
  3. ধারা ৩৫৪
  4. ধারা ৩৫৪ক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মহিলার উপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে এবং তার শালীনতায় আঘাত দেয়ার উদ্দেশ্যে বা জ্ঞানসহকারে এটি করে, তাহলে তাকে শাস্তি প্রদান করা হয়।
- যেহেতু মহিলার শাড়ি টান দেয়ার মাধ্যমে তার শালীনতায় আঘাত করা হচ্ছে, এটি ধারা ৩৫৪ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪২.
"Wrongful gain" ও "Wrongful loss" সংক্রান্ত সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৩-এ “Wrongful gain” ও “Wrongful loss”–এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
→ Wrongful gain বলতে বোঝায় – এমন কোনো সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তি আইনি অধিকার রাখে না।
→ Wrongful loss হলো – এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আইনি অধিকারসহ কোনো সম্পত্তির মালিক, সেই ব্যক্তি যদি অবৈধ উপায়ে উক্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হন, সেটিই wrongful loss।

→ অবৈধ লাভ [Wrongful Gain]: অবৈধ লাভ অর্থ হলো বেআইনিভাবে এরূপ সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারী ব্যক্তির কোন আইনানুগ অধিকার নেই। যেমন 'ক' একটি ঘড়ি চুরি করলো। উক্ত ঘড়িতে চোর, ক-এর কোনো আইনানুগ অধিকার নেই। সুতরাং ক সম্পত্তিটি অবৈধ লাভ করেছে বলে গণ্য হবে।
→ অবৈধ ক্ষতি [Wrongful Loss]: অবৈধ ক্ষতি হলো বেআইনিভাবে এমন সম্পত্তির ক্ষতি, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত লোকের আইনানুগ অধিকার আছে। A, B এর একটি ঘড়ি চুরি করলো। এখানে B হলো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এবং উক্ত ঘড়িতে B এর আইনানুগ অধিকার ছিল। সুতরাং চুরির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, B এর অবৈধ ক্ষতি হলো এবং চোর, A অবৈধ লাভ করলো।

⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
 "Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.
৪৩.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি একত্র হলে তা বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, যদি পাঁচ (৫) বা ততোধিক ব্যক্তি এমন উদ্দেশ্যে একত্র হয়, যার মধ্যে যেকোনো একটি নিচের উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে তা "বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly)" হিসেবে বিবেচিত হবে:
১. সরকার বা সরকারি কর্মচারীকে ভীতি প্রদর্শন করতে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা তার হুমকি প্রদান।
২. কোনো আইন বা আইনগত প্রক্রিয়া কার্যকর করায় বাধা সৃষ্টি করা।
৩. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্য কোনো দুষ্কর্ম সংঘটিত করা।
৪. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে কারো সম্পত্তি দখল বা অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।
৫. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা তার হুমকি দ্বারা কাউকে এমন কিছু করতে বাধ্য করা, যা সে আইনত বাধ্য নয় বা অধিকার থাকা সত্ত্বেও তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৪৪.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা কী ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. জালিয়াতি
  3. শারীরিক আক্রমণ
  4. অনধিকার গৃহে প্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪২ "অনধিকার গৃহে প্রবেশ" (House-trespass) সংক্রান্ত। এ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে অন্যের বাসস্থান, উপাসনালয় বা সম্পত্তি হেফাজতের স্থানে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে, তবে এটি অনধিকার গৃহে প্রবেশের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশ (যেমন: হাত বা পা) প্রবেশ করলেই এই অপরাধ সম্পন্ন হয়।
- অতএব, এটি চুরি, জালিয়াতি বা শারীরিক আক্রমণ নয়, বরং “অপরাধমূলক প্রবেশ”-এর একটি উন্নততর রূপ, যা একটি নির্দিষ্ট গৃহ বা স্থানে ঘটে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation: -The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house trespass.
৪৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী "দস্যুতা" (Robbery)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭৮
  2. ধারা ৩৮০
  3. ধারা ৩৯০
  4. ধারা ৩৯২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৯০ অনুযায়ী "দস্যুতা" (Robbery)-এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
- ধারা ৩৯০ – দস্যুতা (Robbery): এই ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক দস্যুতার মধ্যে হয় চুরি (theft), না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (extortion) থাকে। চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যদি নিম্নোক্ত উপায়ে সংঘটিত হয়, তবে তা দস্যুতা বলে গণ্য হবে, চুরির সময় বা তা করতে গিয়ে যদি অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটায়, আঘাত করে, অন্যায়ভাবে আটকে রাখে, বা আশু মৃত্যু/আঘাত/অন্যায় আটকের ভয় দেখায়, তাহলে সেটি "দস্যুতা"। একইভাবে, যদি Extortion করার সময় অপরাধী উপস্থিত থেকে আশু মৃত্যু/আঘাত/অন্যায় আটকের ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় করে, তাহলেও তা দস্যুতা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৪৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী জোরপূর্বক বা প্রতারণামূলকভাবে কাউকে স্থানান্তর করাকে "অপহরণ" (Abduction) বলা হয়?
  1. ধারা ৩৬০
  2. ধারা ৩৬১
  3. ধারা ৩৬২
  4. ধারা ৩৬৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬২ অনুযায়ী, "অপহরণ" (Abduction)-এর সংজ্ঞা হলো: "যদি কোনো ব্যক্তি জোরপ্রয়োগ করে বা প্রতারণামূলক উপায়ে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে বাধ্য করে, তাহলে তাকে অপহরণ বলে গণ্য করা হবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
৪৭.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ১৯৬
  2. ধারা ১৯৭
  3. ধারা ১৯৮
  4. ধারা ১৯৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথচ জেনে বা বিশ্বাস করে যে তা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার মতোই শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৪৮.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোন কাজ “বলপ্রয়োগ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. কারো সম্পত্তি চুরি করা
  2. কাউকে চিঠির মাধ্যমে হুমকি দেওয়া
  3. কাউকে মৌখিকভাবে গালিগালাজ করা
  4. কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, “বলপ্রয়োগ” বলতে বোঝায়, “যখন কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধ করেন বা কোনো বস্তুকে এমনভাবে নাড়ান যাতে তা ঐ ব্যক্তির শরীর, তার পরিহিত বা বহনকৃত দ্রব্যের সংস্পর্শে আসে।”
- তাই কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা স্পষ্টভাবে “বলপ্রয়োগ” এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.

৪৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি বেসরকারি দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. খতিয়ান
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. আদালতের রায়
  4. সরকারি আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৫ অনুযায়ী, বেসরকারি দলিল (Private Document) হলো সেইসব দলিল যা সরকারি কর্তৃপক্ষ বা আদালতের কার্যক্রমের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত বা বেসরকারি উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। বিক্রয় চুক্তি একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তিগত লেনদেনের জন্য তৈরি হয় এবং এর সাথে কোনো সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকে না।
অন্যদিকে:
- খতিয়ান (Land Record) এবং আদালতের রায় সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এগুলি সরকারি কর্তৃপক্ষ বা আদালতের নথিপত্র হিসেবে রক্ষিত থাকে।
- সরকারি আদেশ (Government Order) একটি সরকারি দলিল, যা সরকারি সংস্থা বা কর্তৃপক্ষের দ্বারা জারি করা হয় এবং এটি সরকারী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
অতএব, বিক্রয় চুক্তি হলো একটি বেসরকারি দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৫০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়?
  1. আদালতের উদ্দেশ্যে
  2. মামলার একটি পক্ষের উদ্দেশ্যে
  3. সরকারি কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে
  4. বিশেষজ্ঞের নিজস্ব সংস্থার উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined…”
অর্থাৎ, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যেই প্রণীত হবে, কোনো পক্ষের জন্য নয়। বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতকে সহায়তা করা, পক্ষপাতিত্ব নয়।
- প্রতিবেদন কোনো পক্ষের হয়ে তৈরি করা যাবে না। এটি আদালতের নিকট প্রদান করতে হবে। বিশেষজ্ঞ সাক্ষী আদালতের সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করেন, কোনো পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৫১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা নকল কী ধরনের সাক্ষ্য?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  4. অপ্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩ অনুযায়ী, মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা অনুলিপি বা নকল হলো মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)।
- এই ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিতগুলো মাধ্যমিক সাক্ষ্যর অন্তর্ভুক্ত হয়: মূল দলিল থেকে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত অনুলিপি, মূল দলিলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা কপি, সত্যায়িত অনুলিপি ইত্যাদি।

উদাহরণ:
- ধরা যাক, একটি জমির বিক্রয় চুক্তিপত্রের মূল কপি না পাওয়া গেলেও তার স্ক্যান করা ফটোকপি যদি মূল কপির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় এবং তার নির্ভুলতা প্রমাণিত হয়— তবে সেটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গৃহীত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section - 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
৫২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অফিসারের নিকট করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ (Section 25) অনুযায়ী, “কোনো পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো ব্যক্তি যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”
- এ ধারা প্রণয়ন করা হয়েছে যেন পুলিশ জোর বা নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় করতে না পারে। এর ফলে আসামিকে দেওয়া স্বীকারোক্তি স্বতঃস্ফূর্ত ও বিশ্বাসযোগ্য না হলে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.
৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৩ অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কোন বিষয়টি প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হয়?
  1. আসামীর পূর্বের খারাপ চরিত্র
  2. আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র
  3. আসামীর পূর্বের দোষী সাব্যস্তি
  4. আসামীর নির্দিষ্ট কাজের বিবরণ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, ফৌজদারি মামলায় আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এটি প্রমাণিত হলে তা আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে, আসামীর খারাপ চরিত্র সাধারণত ফৌজদারি মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়, যতক্ষণ না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য প্রদান করা না হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। এর কারণ হলো, একজন ব্যক্তির সুনাম (reputation) ও স্বভাবগত প্রবৃত্তি (disposition) তার নির্দোষ হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। আদালত এটি বিবেচনায় নিতে পারে, বিশেষ করে যখন অপরাধের ধরন এমন যে, কোনো নৈতিক চরিত্রের বিষয়বস্তু রয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872 section- 53. In criminal cases, previous good character relevant:
- In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

৫৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৬৫ক
  2. ধারা ৬৭ক
  3. ধারা ৬৮ক
  4. ধারা ৭০ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুযায়ী, সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক - ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সম্পর্কিত বিধান: সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।

⇒ The Evidence Act, 1872 section- 67A. Proof as to digital signature: - Except in the case of a secure digital signature, if the digital signature of any subscriber is alleged to have been affixed to a digital record the fact that such digital signature is the digital signature of the subscriber must be proved.

৫৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক দলিলের শর্ত পরিবর্তনের প্রমাণ দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৯১
  2. ধারা ৯২
  3. ধারা ৯৯
  4. ধারা ১০০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি দলিলের পক্ষ না, অথবা তাদের প্রতিনিধিরা, তারা সেই দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে, যদি এটি তৃতীয় পক্ষের স্বার্থকে প্রভাবিত করে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার কোনো সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে এমন ব্যক্তি হলো তৃতীয় পক্ষ, যারা দলিলের শর্তকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাদের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি দলিলের পক্ষ না, কিংবা তাদের প্রতিনিধিরা, তারা সেই দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো সমঝোতা দুটি পক্ষের মধ্যে হয় এবং এটি অন্য কোনো পক্ষের স্বার্থকে প্রভাবিত করে, তবে সে তৃতীয় পক্ষও এটি প্রমাণ করতে পারে।
উদাহরণ: যদি A এবং B কোনো লিখিত চুক্তি করেন এবং তাদের মধ্যে মৌখিকভাবে কিছু শর্ত পরিবর্তিত হয়, তবে C, যদি তার স্বার্থ প্রভাবিত হয়, সে এই পরিবর্তনের প্রমাণ দিতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 99. Who may give evidence of agreement varying terms of document:
Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.
Illustration: A and B make a contract in writing that B shall sell A certain cotton, to be paid for on delivery. At the same time they make an oral agreement that three months' credit shall be given to A. This could not be shown as between A and B, but it might be shown by C, if it affected his interests.

৫৬.
সাক্ষ্য আইন কতটি অধ্যায়ে বিভক্ত?
  1. ১০টি অধ্যায়
  2. ১১টি অধ্যায়
  3. ১৩টি অধ্যায়
  4. ১৫টি অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) ভারতীয় উপমহাদেশে প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা সাক্ষ্য সংক্রান্ত বিধানাবলী নির্ধারণ করে।
- প্রণয়ন তারিখ: ১৫ মার্চ, ১৮৭২
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ মোট ১১টি অধ্যায়ে বিভক্ত।
- এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে।
- এই আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
- প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এটি সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য এবং সমস্ত বিচারিক কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়, তবে সামরিক আদালত বা সালিশি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
- এই আইনের মাধ্যমে আদালতে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য ও প্রমাণের ধরন, সাক্ষ্যগ্রহণের পদ্ধতি এবং প্রমাণের মূল্যায়ন সম্পর্কে বিধান নির্ধারিত হয়।
৫৭.
‘A’ ‘B’-কে একটি দলিল সম্পর্কে বলে, “যাও ‘C’-কে জিজ্ঞাসা করো, সে সব জানে।” এই পরিস্থিতিতে ‘C’-এর বিবৃতি কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. Evidence
  2. Admission
  3. Confession
  4. Hearsay Evidence
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী, যখন কোনো পক্ষ অন্য কাউকে একটি বিষয়ে তথ্য জানার জন্য স্পষ্টভাবে রেফার করে, তাহলে ওই ব্যক্তির বিবৃতিটি Admission হিসেবে গণ্য হবে।
এখানে ‘A’ ‘B’-কে ‘C’কে রেফার করছে, ফলে ‘C’-এর বক্তব্য Admission হিসেবে গণ্য হবে।
- সঠিক উত্তর: খ) স্বীকারোক্তি (Admission)

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০ (Section 20) এই পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য। ধারা ২০-তে বলা হয়েছে: "Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions."
অর্থাৎ, যদি মামলার কোনো পক্ষ (এখানে ‘A’) কোনো বিষয়ে তথ্যের জন্য স্পষ্টভাবে অন্য কোনো ব্যক্তিকে (‘C’) রেফার করে, তবে সেই ব্যক্তির (‘C’) বিবৃতি একটি Admission হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 20. Admissions by persons expressly referred to by party to suit:
- Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.
Illustrations:
- The question is whether a horse sold by A to B is sound.
- A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.
৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩ মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অপরাধের উদ্দেশ্য প্রমাণ
  2. অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব প্রমাণ
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ধারণ
  4. দণ্ডযোগ্য অপরাধের স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩ বলছে: “Where the question is as to the existence of any right or custom, the following facts are relevant…”
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলায় অধিকার (right) বা প্রথা (custom)-এর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে যেসব ঘটনা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি, প্রয়োগ বা বিরোধিতার সঙ্গে সম্পর্কিত—সেসব ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক (relevant) বিবেচনা করা হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩-এ অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যেসকল ক্ষেত্রে কোনো অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত বিষয় প্রমাণিত হওয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ প্রাসঙ্গিক হবে:
১) যেকোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি বা বিরোধিতা করার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
২) কোনো অধিকার বা প্রথার প্রয়োগ বা বিরোধিতা সংক্রান্ত বিশেষ ঘটনা, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেটিও প্রাসঙ্গিক।
এটি মূলত অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব বা তার প্রয়োগের ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
এবং ধারা ১০, ধারা ৭, বা ধারা ১২ এসবের মধ্যে কোনোটি অধিকার বা প্রথার প্রমাণের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-13. Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.
৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুযায়ী কে আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে উপযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন?
  1. আসামীর আত্মীয়
  2. দুষ্কর্মের সহযোগী
  3. কোনো স্বাধীন সাক্ষী
  4. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী "An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice."
- এখানে “Accomplice” বলতে বোঝানো হয়েছে সেই ব্যক্তি, যে অপরাধে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা সহায়তা করেছে। যদিও সে নিজেও দোষী, তবুও সে আইনত উপযুক্ত (competent) সাক্ষী হিসেবে গণ্য হয় এবং তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দেওয়া আইনসঙ্গত।
- তবে সতর্কতা হিসেবে, আদালত সাধারণত দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্যের সাথে সমর্থনকারী সাক্ষ্য (corroborative evidence) খোঁজে, যেটা ধারা ১১৪-এর illustration (b) তে উল্লেখ রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

৬০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী, কোন ধরণের ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. গোপন ঘটনা
  2. স্বীকৃত ঘটনা
  3. সন্দেহজনক ঘটনা
  4. প্রত্যক্ষদর্শী দ্বারা প্রত্যক্ষ ঘটনা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী, যে ঘটনা পক্ষগণ আদালতে স্বীকার করে নেয় বা লিখিতভাবে স্বীকার করে, সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এটি "স্বীকৃত ঘটনা" হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ আদালতে শুনানির সময় কোন ঘটনা স্বীকার করেন, অথবা শুনানির পূর্বে নিজে লিখিতভাবে সে ঘটনা স্বীকার করেন, তবে সেটি প্রমাণ করার দরকার নেই। আদালত তাদের স্বীকৃত ঘটনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে আদালত চাইলে সেই ঘটনার অতিরিক্ত প্রমাণও দাবি করতে পারে।
এছাড়া, "গোপন ঘটনা", "সন্দেহজনক ঘটনা" অথবা "প্রত্যক্ষদর্শী দ্বারা প্রত্যক্ষ ঘটনা" প্রমাণের ক্ষেত্রে পৃথক বিধান রয়েছে, এবং সেগুলির প্রমাণ আদালতে হতে হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.

৬১.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. উইলে করা বিবৃতি
  4. দৈনন্দিন কাজের রেকর্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) সাক্ষীর জবানবন্দি।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এই ধারায় নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত:
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।

- এছাড়া, "সাক্ষীর জবানবন্দি" সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত আদালতে সরাসরি সাক্ষী দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতি যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জীবিত থাকে, এবং তা সাধারণত ক্রস-এক্সামিনেশন এর মাধ্যমে যাচাই করা হয়।

এজন্য, সঠিক উত্তর হল খ) সাক্ষীর জবানবন্দি।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৬২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ কাদের সাক্ষ্য প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. বোবা সাক্ষী
  2. বিদেশি সাক্ষী
  3. নাবালক সাক্ষী
  4. মানসিক ভারসাম্যহীন সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ বোবা সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম (বোবা), তিনি তার সাক্ষ্য লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে প্রদান করতে পারবেন, তবে এই সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে এবং এটি প্রকাশ্য আদালতে দিতে হবে।
- অতএব, সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ কেবল বোবা সাক্ষীদের সম্পর্কে আলোচনা করে।
সঠিক উত্তর: ক) বোবা সাক্ষী।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৬৩.
তামাদি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী, তামাদি মেয়াদ গণনায় কোন সময় বাদ দেওয়া হয়?
  1. নোটিশের সময়কাল
  2. মামলার শুনানির সময়
  3. আদালতের বিবেচনার সময়
  4. ডিক্রি নকল সংগ্রহের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ১৫(২) (Section 15(2), Limitation Act, 1908) অনুযায়ী "যেখানে কোনো আইনে (law) কোনো মামলার পূর্বে কোনো নোটিশ দেওয়ার বা কোনো অনুমতি বা সম্মতি (sanction or consent) গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এবং বাদী বা আবেদনকারী সেই বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে পালন করে, তখন সেই নোটিশ প্রদানের জন্য নির্ধারিত সময় বা অনুমতি/সন্মতি গ্রহণের জন্য অতিবাহিত সময় তামাদি মেয়াদ গণনায় বাদ যাবে।"

⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-15: Exclusion of time during which proceedings are suspended:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৬৪.
তামাদি আইনের ১২ ধারা প্রধানত কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. ডিক্রি জারির আবেদন
  3. শুধুমাত্র মোকদ্দমা দায়ের
  4. আপিল, পুনরীক্ষণ এবং দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা মূলত আপিল, পুনরীক্ষণ (Review) এবং দরখাস্ত সংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য। এই ধারায় বিশেষভাবে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো রায় বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা পুনরীক্ষণ করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ডিক্রি বা রায়ের নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় তামাদি গণনার সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে। এছাড়া, যদি কোনো রোয়েদাদ বাতিলের জন্য দরখাস্ত করা হয়, তখনও রোয়েদাদের নকল সংগ্রহের সময় বাদ দেয়া হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ১২ ধারা আইনানুগ কার্যধারায় নির্দিষ্ট কিছু সময় তামাদি গণনার সময় থেকে বাদ দেওয়ার বিধান দেয়।
- এই ধারা মূলত আপিল, পুনরীক্ষণ (Review) এবং দরখাস্তের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
- তামাদি আইনের ১২ ধারার মূল বিধানসমূহ:
১২(১) ধারা:  মামলার তামাদি গণনার ক্ষেত্রে, মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হয় সেই দিনটি বাদ যাবে।
১২(২) ধারা: আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত বা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের ক্ষেত্রে—
- রায় বা ডিক্রি প্রদানের দিন বাদ যাবে।
-  ডিক্রি, দণ্ডাদেশ বা আদেশের নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ যাবে।
১২(৩) ধারা: যদি কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা পুনরীক্ষণ করা হয়, তাহলে ডিক্রির নকল সংগ্রহের সময় বাদ দেওয়া হবে।
 - এছাড়াও, ডিক্রির ভিত্তি যেই রায়ে দেওয়া হয়েছে, সেই রায়ের নকল সংগ্রহের সময়ও বাদ যাবে।
১২(৪) ধারা: যদি রোয়েদাদ বাতিলের জন্য দরখাস্ত করা হয়, তাহলে সেই রোয়েদাদের নকল সংগ্রহের সময়ও বাদ যাবে।

⇒ The Limitation Act:- Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৬৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬২ অনুসারে হাইকোর্টের রায়ের পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬২ এ বলা হয়েছে: যখন হাইকোর্ট তার আদি এখতিয়ার (Original Jurisdiction) প্রয়োগ করে কোনো রায় বা আদেশ প্রদান করে, তখন সেই রায়ের পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত (Review Petition) দাখিল করতে হবে ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে ২০ দিনের মধ্যে।
- এই সময়সীমা মূলত উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ন্ত্রণ করে।

 উদাহরণস্বরূপ:
- যদি হাইকোর্ট কোনো দেওয়ানি মামলায় সরাসরি (আদি এখতিয়ারে) রায় প্রদান করে, এবং কেউ তা রিভিউ করতে চায়, তাহলে তাকে ২০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হবে।
৬৬.
নৈতিক অবক্ষয়জনিত অপরাধে দণ্ডিত হলে, একজন ব্যক্তি কত বছর পর্যন্ত অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্য থাকবেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972-এর অনুচ্ছেদ ২৭(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নৈতিক অবক্ষয়জনিত অপরাধে দণ্ডিত হন, তবে তাকে ৫ বছর পর্যন্ত অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। তবে, সরকার চাইলে গেজেট নোটিফিকেশন দ্বারা এই সময়সীমা কমাতে পারে।
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.

৬৭.
একজন অ্যাডভোকেট নিচের কোন উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবেন না?
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য
  2. মক্কেলের আইনি অধিকার রক্ষার জন্য
  3. প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য
  4. আদালতের সিদ্ধান্তের আইনগত ত্রুটি চিহ্নিত করার জন্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette এর Chapter IV, Rule 1 অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য কোন মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবেন না। এর উদ্দেশ্য হলো আইনি প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে হিংসা, প্রতিহিংসা, বা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা প্রতিরোধ করা।

অন্যদিকে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও মক্কেলের আইনি অধিকার রক্ষা বা আদালতের সিদ্ধান্তের আইনগত ত্রুটি চিহ্নিত করার জন্য মামলা গ্রহণ বা আপিল করা সম্পূর্ণভাবে সঠিক এবং নৈতিক।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর Chapter IV: Conduct with Regard to the Public Generally অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব হলো সমাজ ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
এই অধ্যায়ের Rule 1-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purpose of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter."
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলা গ্রহণ বা আপিল করার উদ্দেশ্য হয়: হিংসা, প্রতিহিংসা, হয়রানি করা, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা, তাহলে সে কাজটি অ্যাডভোকেটের পেশাগত নৈতিকতা পরিপন্থী এবং এটি করা অনুচিত।
৬৮.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972 এর অনুচ্ছেদ-৩৬ অনুসারে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. জেলা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৬(১) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের (যা অনুচ্ছেদ ৩৪ অনুযায়ী গঠিত) আদেশে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি সেই আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারেন।
অনুচ্ছেদ ৩৬(২) অনুযায়ী, এই আপিল ডিভিশন বেঞ্চ দ্বারা শুনানি হবে এবং হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
- তাই অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, আপিল জেলা আদালত বা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নয়, বরং হাইকোর্ট বিভাগে দাখিল করতে হয়।

→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, ওই অ্যাডভোকেট বা ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। এই আপিল ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে এবং তা ডিভিশন বেঞ্চ দ্বারা শ্রবণ করা হবে, যার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.