পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ৭ জানুয়ারি, ২০২৩সময়50 minutes৭৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১১ (গোলাপ) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ০৯.১২.২০১১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ৭ জানুয়ারি, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
দেহকোষের পুনরুজ্জীবন ঘটানোর জন্য প্রয়োজন -
  1. ক) কার্বোহাইড্রেট
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) স্নেহদ্রব্য
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- খাদ্য উপাদানসমূহের মধ্যে আমিষ বা প্রোটিন অন্যতম যা কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- আমিষের গঠন একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। একাধিক অ্যামাইনো অ্যাসিড মিলিত হয়ে প্রোটিন গঠিত হয়। 
- লাইসিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, মিথিওনিন, ট্রিপটোফ্যান, ভ্যালিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনিন এ ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিডকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড বলা হয়।

উৎস অনুসারে প্রোটিন ২ প্রকার-(১) প্রাণিজ 
প্রোটিন ও (২) উদ্ভিজ্জ প্রোটিন।
মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির, ডাল, বাদাম, শিমের বিচি, সয়াবিন, মটরশুঁটি ইত্যাদি প্রোটিনের ভালো উৎস।

- দেহকোষ ও পেশি গঠন, ক্ষয়পূরণ, দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি ইত্যাদি প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি।
- শারীরিক অবস্থা বয়স, ও শ্রমভেদে মানবদেহে প্রোটিনের দৈনিক চাহিদা বিভিন্ন ধরনের হয়।
- প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশু, বাড়ন্তবয়সের বালক-বালিকা, কিশোর-কিশোরী, গর্ভবর্তী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের প্রোটিন চাহিদা বেশি হয়।

উৎসঃ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন উদ্ভিদের কান্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে?
  1. ক) ফণিমনসা
  2. খ) পাথরকুচি
  3. গ) ফার্ণ
  4. ঘ) আদা
ব্যাখ্যা
ফনিমনসার কান্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে।

ফাইলােক্ল্যাড বা পর্ণ কাণ্ডের উদ্ভিদ হলাে ফনিমনসা।
এ ধরণের কান্ড পাতার মত চ্যাপ্টা ও সবুজ, যার ফলে এরা খাদ্য তৈরি করতে পারে।
পাতাগুলাে কাঁটায় পরিণত হয়ে উদ্ভিদের আত্মরক্ষার কাজ করে।

সূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণি।
.
সবচেয়ে শক্ত বস্তু কোনটি?
  1. ক) গ্রানাইট পাথর
  2. খ) পিতল
  3. গ) ইস্পাত
  4. ঘ) হীরা
ব্যাখ্যা
হীরক হলো সবচেয়ে কঠিন পদার্থ। 
 
কার্বনের দুটি বিশেষ রূপ হলো হীরক ও গ্রাফাইট।
দুটি পদার্থই খনিতে পাওয়া যায়। 
ভূগর্ভের অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপ ও চাপের প্রভাবে কোটি কোটি বছর ধরে রূপান্তরিত হয়ে কার্বন কেলাসিত হয়ে গ্রাফাইট ও হীরকে পরিণত হয়।
 
উৎস : ব্রিটানিকা; সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়?
  1. ক) সাদা
  2. খ) লাল
  3. গ) কালো
  4. ঘ) ধূসর
ব্যাখ্যা
- কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি।
- চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমান তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হবে।
- সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য সাদা রঙের কাপে চা বেশি সময় গরম থাকে।
.
পানির খরতার কারণ-
  1. ক) ক্যালসিয়াম বাইকার্বনেট লবণ
  2. খ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড লবণ
  3. গ) ক্যালসিয়াম সালফেট লবণ
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট লবণ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম বাইকার্বনেট লবণ ছাড়াও ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড লবণ, ক্যালসিয়াম সালফেট লবণের কারণেও পানির খরতা সৃষ্টি হয়।
একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নের উত্তর তুলে দেওয়া হয়েছে।

যে পানিতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ও আয়রনের বাইকার্বনেট, ক্লোরাইড ও সালফেট লবণ দ্রবীভূত থাকে তাকে খর পানি বলে।
খর পানিতে সহজে সাবানের ফেনা উৎপন্ন হয় না। ঝর্নার পানি, নদীর পানি, সমুদ্রের পানি ইত্যাদি খর পানি।
খর পানিতে খাদ্য দ্রব্য ও সহজে রান্না হয় না।

যে পানিতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম 
ও আয়রনের বাইসালফেট, কার্বনেট, ক্লোরাইড ও সালফেট লবণ দ্রবীভূত থাকে না তাকে মৃদু পানি বলে। মৃদু পানিতে সাবান সহজে ফেনা উৎপন্ন করে।
যেমন, বৃষ্টির পানি, পতিত পানি ইত্যাদি। 

পানিতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন প্রভৃতির বাইকার্বনেট, ক্লোরাইড ও সালফেট জাতীয় লবণ 
দ্রবীভূত থাকার জন্যই পানির খরতার সৃষ্টি হয়, সুতরাং ঐ সমস্ত দ্রবীভূত লবণকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অদ্রবীভূত লবনে পরিণত করে তাকে পানি হতে পৃথক করলে পানির খরতা দূর হয়। 

উৎসঃ রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?
  1. ক) কপার
  2. খ) এলুমিনিয়াম
  3. গ) জিংক
  4. ঘ) লৌহ
ব্যাখ্যা
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%। 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।


উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা। 
.
এমএস ওয়ার্ড এ কোনাে কিছু কপি করতে হলে কি-বোর্ডে কমান্ড বাটন হচ্ছে-
  1. ক) Shift + Copy
  2. খ) Shift + Alter + C
  3. গ) Alt + G
  4. ঘ) Ctrl + C
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে
- কোনো কিছু খুজে বের করতে Ctrl + F
- কোন কিছু কপি করতে Ctrl + C,
- পেস্ট করতে Ctrl + V,
- কোন ফাইল কর্তনে Ctrl + X,
- কোনো ফাইল Undo করতে Ctrl + Z,
- Undo-কৃত ফাইলকে Redo করতে Ctrl + Y ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট
.
’জন্ডিস’ একটি-
  1. ক) কাব্যগ্রন্থ
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) নাটক
  4. ঘ) গল্প সংকলন
ব্যাখ্যা
• জন্ডিস কোন রোগ নয়, এটি রোগের লক্ষ্মণমাত্র।
- রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়।

• যেহেতু অপশনে সাহিত্য সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, ধারনা করা যায় যে, এটি ’জন্ডিস’ এর পরিবর্তে ''জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন'' বুঝানো হয়েছে।

• 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' সেলিম আল দীন রচিত একটি নাটক।
সেলিম আল দীন বাংলা সাহিত্যের প্রতিথযশা নাট্যব্যক্তিত্ব।

সেলিম আল দীন রচিত নাটকগুলো হলো:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কীর্তন খোলা, 
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা, যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ, নিমজ্জন,
- একটি মারমা রূপকথা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
’হাজার বছর ধরে’ রচনাটি কার?
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) জহির রায়হান
  3. গ) মোতাহার হোসেন চৌধুরী
  4. ঘ) প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জহির রায়হানের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস - 'হাজার বছর ধরে'। 
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- আবহমান বাংলার জীবন ও জনপদ ছিল উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য। 
- এই উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।

তার প্রথম উপন্যাস - শেষ বিকালের মেয়ে (১৯৬০)।
তার রচিত অন্যান্য উপন্যাস -
- তৃষ্ণা, 
- কয়েকটি মৃত্যু,
- বরফ গলা নদী,
- আর কত দিন,
- আরেক ফাল্গুন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
’ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আহসান হাবীব
  2. খ) ফররুখ আহমদ
  3. গ) শামসুর রাহমান
  4. ঘ) সুকান্ত ভট্রাচার্য
ব্যাখ্যা
• ’ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আহসান হাবীব। 
- আহসান হাবীব ছিলেন মূলত কবি ও সাংবাদিক।
- তাঁর ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। মোট কবিতার সংখ্যা ২৪।
- এ কাব্যগ্রন্থে তাঁর সমাজ-সচেতনতা প্রকাশিত হয়েছে।
- ঐতিহ্যাশ্রয়ী কবি এখানে বণিক সভ্যতার রুদ্র রূপ দেখেছেন। তিনি গ্রামীণ অনুষঙ্গে স্থিত হতে চেয়েছেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - রাত্রিশেষে।
- ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি এবং ১৯৭৮ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
পাশাপাশি দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে কি বলে?
  1. ক) উপসর্গ
  2. খ) অনুসর্গ
  3. গ) সমাস
  4. ঘ) সন্ধি
ব্যাখ্যা
সন্ধি: 
- পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- অন্য কথায়, সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণের সহজপ্রবণতা এবং ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন৷ সন্ধি শব্দ গঠনেরও একটি উপায়।
* তবে সন্ধির প্রধান সুবিধা হলো উচ্চারণের সুবিধা। 
- পৃথিবীর বহু ভাষায় পাশাপাশি শব্দের একাধিক ধ্বনি নিয়মিতভাবে সন্ধিবদ্ধ হলেও বাংলা ভাষায় তা বিরল।
- যেমন আমি এখন চা আনতে যাই বাংলা ভাষার এই বাক্যটিকে সন্ধির সূত্র মনুযায়ী ‘আম্যেখন চানতে যাই বলা যায় না।
- তবে বাংলা ভাষায় উপসর্গ, প্রত্যয় ও সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) বাল্মিকী
  2. খ) বাল্মিকি
  3. গ) বাল্মীকি
  4. ঘ) বাল্মীকী
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - বাল্মীকি
বাল্মীকি  (বিশেষ্য) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = বাল্মীক+ই 
অর্থ: রামায়ণের প্রণেতা কবি ও মুনি, আদিকবি। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৩.
কোনটি বহুব্রীহি সমাস?
  1. ক) সুপুরুষ
  2. খ) দশানন
  3. গ) সাদাকালো
  4. ঘ) চৌরাস্তা
ব্যাখ্যা
• দশ আনন যার = দশানন; বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ- 

• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাের কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনাে পদকে বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী,
পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন- সুন্দর যে পুরুষ = সুপুরুষ
• চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা - দ্বিগু সমাস [পুরাতন সংস্করণের বইগুলোতে 'দ্বিগু' আলাদা সমাস থাকলেও ২০২১ এর সংস্করণে দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।]
• সাদা ও কালাে = সাদাকালাে
বিরােধার্থক দ্বন্দ্ব: অর্থের দিক থেকে যে দ্বন্দ্ব পরস্পরের মধ্যে বিরােধ তৈরি করে তাকে বলা হয় বিরােধার্থক দ্বন্দ্ব।
যেমন- ভালােমন্দ, সাদাকালাে, দা-কুমড়া, অহি-নকুল, স্বর্গ-নরক, দেবদান, ধনীগরিব ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ এবং ২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) শারীরিক
  2. খ) শারিরীক
  3. গ) শারিরিক
  4. ঘ) শারীরীক
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান = শারীরিক

শারীরিক (বিশেষণ) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = শরীর+ইক
অর্থ: শরীর বিষয়ক। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৫.
নিচের কোনটি নিত্য সমাস?
  1. ক) ভালমন্দ
  2. খ) বেয়াদব
  3. গ) পঞ্চনদ
  4. ঘ) দেশান্তর
ব্যাখ্যা
নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। শুধু সমস্তপদের ব্যাখ্যা দিতে হয়।
যেমন: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
- তেমনিভাবে, কালসাপ - নিত্য সমাসের উদাহরণ।
- সমস্তপদের শেষে ‘অন্তর’ থাকলে ব্যাসবাক্যে ‘অন্য’ হবে। যেমন: দেশান্তর = অন্য দেশ।
- সমস্তপদের শেষে ‘মাত্র/খানা’ থাকলে ‘কেবল’ হবে। যেমন: শয়নমাত্র = কেবল শয়ন।

- অনুতাপ, প্রবচন, প্রগতি - ইত্যাদি প্রাদি সমাসের উদাহরণ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি (২০১৯)।
১৬.
’দশে মিলে করি কাজ’ বাক্যে ‘দশে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্তৃকারকে ২য়া
  2. খ) সম্প্রদান কারকে ৭মী
  3. গ) কর্তৃকারকে ৭মী
  4. ঘ) কর্তৃকারকে ৪র্থী
ব্যাখ্যা
“দশে মিলি করি কাজ” বাক্যে 'দশে'- কর্তৃকারকে/কর্তাকারকে ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। 

• বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক। (কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)

কর্তৃকারকে বিভক্তির প্রয়োগের উদাহরণ- 
- পাখি সব করে রব = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির
- আমার দ্বারা এ কাজ হবে না সাধন = কর্তৃকারকে তৃতীয়া বিভক্তির 
- পাছে লােকে কিছু বলে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির
- বুলবুলিতে ধান খেয়েছে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির
- ঘােড়ায় গাড়ি টানে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির 
- মানুষ ভাবে এক হয় আর এক = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির
- সবাইকে একদিন মরতে হবে = কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
’পাতায় পাতায় পড়ে নিশির শিশির’- ‘পাতায় পাতায়’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) অধিকরণে ষষ্ঠী
  2. খ) অধিকরণে ৭মী
  3. গ) অপাদানে ষষ্ঠী
  4. ঘ) অপাদানে ৭মী
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন- আধার (স্থান) : আমরা প্রতিদিন কলেজে যাই। কাল (সময়) সকালে সূর্য উঠবে।
 
• ’পাতায় পাতায় পড়ে নিশির শিশির  - বাক্যে অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।
বাক্যটি ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার কালকে বোঝাচ্ছে। 
এবং এতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
তাই বাক্যটি = অধিকরণে ৭মী প্রকাশ করেছে। 
 
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
’যে ব্যক্তি এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায়’- এক কথায়-
  1. ক) মাধুকর
  2. খ) মধুকর
  3. গ) অর্বাচীন
  4. ঘ) অবিমৃষ্যকারী
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: মাধুকরী
নিকটতম অপশন হিসাবে মাধুকরকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হলো। 

মাধুকরী (বিশেষ্য) - নানা পুষ্প থেকে মধুকরের মধু আহরণের মতো বৃত্তি; যে ব্যক্তি এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায়।

মধুকর - মৌমাছি
অর্বাচীন - হালের; নবীন; আধুনিক; অপ্রবীণ।
অবিমৃষ্যকারী - হঠকারী; গোঁয়ার; অবিবেচক; যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৯.
’অকালে যাকে জাগরণ করা হয়’- এক কথায়-
  1. ক) অকুতোভয়
  2. খ) অনন্যসাধারণ
  3. গ) অঘটন ঘটন পটিয়সী
  4. ঘ) অকালবোধন
ব্যাখ্যা
অকালবোধন (বিশেষ্য) - অসময়ে আহবান।
অকালে যাকে জাগরণ করা হয় - অকালবোধন।
অন্যদিকে,
যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই - অকুতোভয়৷
যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায়না এমন - অনন্যসাধারণ।
- অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা - প্রত্যুদ্‌গমন
- কি করতে হবে যে স্থির করতে পারে না - কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
- দু’হাতে সমান কাজ করতে পারে যে/ দু হাত সমান চলে যার - সব্যসাচী।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি অভিধান। 
২০.
’গড্ডলিকা প্রবাহ’ এর সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. ক) লন্ড-ভন্ড হওয়া
  2. খ) স্বেচ্ছায় প্রবাহিত হওয়া
  3. গ) অন্ধ অনুকরণ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
গড্ডল, গড্ডর (বিশেষ্য):
১. ভেড়া
২. গাড়ল
{গাড়ল > (তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ) গড্ডল, গড্ডর (র = ল) (অর্বাচীন সংস্কৃত শব্দ)}

গড্ডলিকা প্রবাহ (বিশেষ্য):
১. ভেড়ার পালের মতো একের অন্যকে অনুসরণ;
২. ভালোমন্দ না বুঝে অন্ধের ন্যায় অনুসরণ।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: অন্ধ অনুকরণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
২১.
’আগুন’ এর প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) অনল
  2. খ) বহ্নি
  3. গ) পাবক
  4. ঘ) কর
ব্যাখ্যা
'আগুন' এর প্রতিশব্দ =  অনল, বহ্নি, বৈশ্বানর, হুতাশন, পাবক, দহন, সর্বভুক, অগ্নি, পিঙ্গল, হিমারতি, বায়ুসখা, শুচি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
'কর' (বিশেষ্য) এর অর্থ:
- রাজস্ব, শুল্ক 
-  হস্ত, হাত,
- শুঁড়
- কিরণ
- পদবিশেষ

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি এবং ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
২২.
’চপল’ এ বিপরীতার্থক শব্দ-
  1. ক) স্তব্ধ
  2. খ) গম্ভীর
  3. গ) অলৌকিক
  4. ঘ) অবাস্তব
ব্যাখ্যা
চপল শব্দের অর্থ চঞ্চল, অস্থির।
চপল - এর বিপরীতার্থক শব্দ গম্ভীর।
রাশভারী (বিশেষণ) এর অর্থ = গম্ভীর প্রকৃতির। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
কোনো একটি বই ৪০ টাকায় বিক্রয় করলে ২০% ক্ষতি হয়। কত টাকা বিক্রয় করলে ৪০% লাভ হবে?
  1. ক) ৬৫ টাকা
  2. খ) ৭০ টাকা
  3. গ) ৪৪ টাকা
  4. ঘ) ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো একটি বই ৪০ টাকায় বিক্রয় করলে ২০% ক্ষতি হয়। কত টাকা বিক্রয় করলে ৪০% লাভ হবে?

সমাধান: 
২০% ক্ষতিতে,
বিক্রয়মূল্য = ১০০ - ২০ = ৮০ টাকা।

৪০% লাভে,
বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৪০ = ১৪০ টাকা।

বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা হলে বিক্রয় করতে হবে = ১৪০ টাকায়।
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয় করতে হবে = ১৪০/৮০ টাকায়।
বিক্রয়মূল্য ৪০ টাকা হলে বিক্রয় করতে হবে = (১৪০ × ৪০)/৮০ টাকায়।
                                                                 = ৭০ টাকায়।
২৪.
কোনো একটি সামগ্রীর ক্রয়মূল্য বাজার দরের ৮০% । এতে কত শতাংশ লাভ বা ক্ষতি হবে?
  1. ক) ৮% লাভ
  2. খ) ৮% ক্ষতি
  3. গ) ২৫% লাভ
  4. ঘ) ২৫% ক্ষতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো একটি সামগ্রীর ক্রয়মূল্য বাজার দরের ৮০% । এতে কত শতাংশ লাভ বা ক্ষতি হবে?

সমাধান: 
ধরি,
বাজার দর = ১০০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য = ১০০ × ৮০%
= ৮০টাকা
∴ লাভ = (১০০ - ৮০) টাকা
= ২০ টাকা

∴ লাভের হার = (২০ × ১০০)/৮০
= ২৫ টাকা
২৫.
১ হতে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যাগুলির গড় কত?
  1. ক) ৫০
  2. খ) ৪৯.৫
  3. গ) ৩৩
  4. ঘ) ২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার গড় কত?

সমাধান:
১ থেকে n পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টি = n(n + ১)/২
১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যার সমষ্টি = ৪৯(৪৯ + ১)/২
 = ৪৯ × ২৫ 

১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার গড় = (৪৯ × ২৫)/৪৯
 = ২৫
২৬.
কোনো শ্রেণীতে ২০ জন ছাত্রীর বয়সের গড় ১২ বছর। ৪ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি হওয়ায় বয়সের গড় ৪ মাস কমে গেল। নতুন ৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় কত
  1. ক) ৮ বছর
  2. খ) ৯ বছর
  3. গ) ১০ বছর
  4. ঘ) ১১ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো শ্রেণীতে ২০ জন ছাত্রীর বয়সের গড় ১২ বছর। ৪ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি হওয়ায় বয়সের গড় ৪ মাস কমে গেল। নতুন ৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় কত?

সমাধান: 
২০ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২০ × ১২) বছর।
= ২৪০ বছর।

২৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় = ১২ - (৪/১২) বছর।
= ৩৫/৩ বছর।

২৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (৩৫/৩) × ২৪) বছর।
= ২৮০ বছর।

৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২৮০ - ২৪০) বছর।
= ৪০ বছর।
৪ জন ছাত্রীর গড় বয়স = ৪০/৪ বছর।
= ১০ বছর।
২৭.
কোনো ত্রিভুজের তিন কোণের দ্বি-খন্ডকগুলো যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে কি বলে?
  1. ক) বহিঃকেন্দ্র
  2. খ) ভরকেন্দ্র
  3. গ) পরিকেন্দ্র
  4. ঘ) অন্তঃকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
- ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদবিন্দুকে ভরকেন্দ্র বলে।
- ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দুকে অন্তঃকেন্দ্র বলে।
- ত্রিভুজের তিন বাহুর লম্বদ্বিখণ্ডকগুলোর ছেদবিন্দুকে পরিকেন্দ্র বলে।
২৮.
কোন ক্ষেত্রটি সামন্তরিক নয়?
  1. ক) রম্বস
  2. খ) বর্গক্ষেত্র
  3. গ) আয়তক্ষেত্র
  4. ঘ) ট্রাপিজিয়াম
ব্যাখ্যা
- সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল।
- সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরষ্পর অসমান।
- সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় যদি পরস্পর সমান হয় তবে সামান্তরিকটি আয়তক্ষেত্র হবে।

সামন্তরিকের সংজ্ঞা অনুসারে,
যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুদ্বয় পরস্পর সমান ও সমান্তরাল তাকে সামন্তরিক বলে তাই ট্রাপিজিয়াম সামান্তরিক নয়।
২৯.
9a2 + 16b2 রাশিটির সাথে নিচের কোনটি যোগ করলে যোগফল পূর্ণ বর্গ হবে?
  1. ক) 12ab
  2. খ) 24ab
  3. গ) 36ab
  4. ঘ) 144ab
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9a2 + 16b2 রাশিটির সাথে নিচের কোনটি যোগ করলে যোগফল পূর্ণ বর্গ হবে?

সমাধান: 
9a2 + 16b2
= (3a)2 + 2.3a.4b + (4b)2 - 24ab
= (3a + 4b)2 - 12ab
অতএব, 9a2 + 16b2 রাশিটির সাথে 24ab যোগ করলে যোগফল পূর্ণ বর্গ হবে।
৩০.
P - এর মান কত হলে 4x2 - px + 9 একটি পূর্ণবর্গ হবে?
  1. ক) 12
  2. খ) 16
  3. গ) 10
  4. ঘ) 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P - এর মান কত হলে 4x2 - px + 9 একটি পূর্ণবর্গ হবে?

সমাধান: 
4x2 - px + 9
= (2x)2 - 2.2x.3 + 32 - px + 2.2x.3
= (2x - 3)2 + 12x - px

রাশিটি পূর্ণবর্গ হলে,
12x - px = 0
বা, px = 12x
∴ p = 12
৩১.
কোনো পুস্তকের ৯৬ পৃষ্ঠা পড়বার পরেও তার ৫/১৩ অংশ পড়তে বাকি থাকলে পুস্তকটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৮৫ পৃষ্ঠা
  2. খ) ১৫৬ পৃষ্ঠা
  3. গ) ২৫০ পৃষ্ঠা
  4. ঘ) ৩২০ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো পুস্তকের ৯৬ পৃষ্ঠা পড়বার পরেও তার ৫/১৩ অংশ পড়তে বাকি থাকলে পুস্তকটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা কত?

সমাধান: 
পুস্তকটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা = ১ অংশ 

অবশিষ্ট অংশ = ১ - (৫/১৩) অংশ 
= (১৩ - ৫)/১৩ অংশ 
= ৮/১৩ অংশ 

প্রশ্নমতে
 ৮/১৩ অংশ  = ৯৬ পৃষ্ঠা 
১ অংশ  =(৯৬ × ১৩)/৮
             = ১৫৬ পৃষ্ঠা 
৩২.
এক খন্ড জমির ৩/৮ অংশের মূল্য ৩৭৫ টাকা হলে ঐ জমির ১/৫ অংশের দাম কত?
  1. ক) ৩২৫ টাকা
  2. খ) ২৫০ টাকা
  3. গ) ২০০ টাকা
  4. ঘ) ৪০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন : এক খন্ড জমির ৩/৮ অংশের মূল্য ৩৭৫ টাকা হলে ঐ জমির ১/৫ অংশের দাম কত?

সমাধান: 
৩/৮ অংশ জমির মূল্য ৩৭৫ টাকা
১ অংশ জমির মূল্য (৩৭৫× ৮)/৩ টাকা
১/৫ অংশ জমির মূল্য (৩৭৫× ৮)/(৩ × ৫) টাকা
= ২০০ টাকা 
৩৩.
কয়লার দাম ২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। কোনো পরিবার যদি কয়লার জন্য মাসিক খরচ অপরিবর্তিত রাখতে চায়, তবে কয়লার ব্যবহারের পরিমাণ শতকরা কত হারে কমাতে হবে?
  1. ক) ২২%
  2. খ) ১৯%
  3. গ) ১০%
  4. ঘ) ২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কয়লার দাম ২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। কোনো পরিবার যদি কয়লার জন্য মাসিক খরচ অপরিবর্তিত রাখতে চায়, তবে কয়লার ব্যবহারের পরিমাণ শতকরা কত হারে কমাতে হবে?

সমাধান: 
২৫% বৃদ্ধিতে 
বর্তমান মূল্য = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা 

১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে ২৫ টাকা 
১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে ২৫/১২৫ টাকা 
১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে ২৫ × ১০০/১২৫ টাকা 
= ২০টাকা 
৩৪.
১৬ : ২৫ অনুপাতের উভয় পদ থেকে কত বিয়োগ করলে অনুপাতের মান ১/২ হবে?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১১
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৬ : ২৫ অনুপাতের উভয় পদ থেকে কত বিয়োগ করলে অনুপাতের মান ১/২ হবে?

সমাধান: 
মনেকরি 
ক বিয়োগ করতে হবে 

প্রশ্নমতে,
(১৬ - ক)/(২৫ - ক) = ১/২
২৫ - ক = ৩২ - ২ক 
২ক - ক = ৩২ - ২৫
ক = ৭ 
৩৫.
২ বছর আগে বাবার বয়স পুত্রের বয়সের ১৪ গুণ। দুই বছর বাদে বাবার বয়স পুত্রের বয়সের চেয়ে ২৬ বছর বেশি হয়, তবে বাবা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত কত হবে?
  1. ক) ১৫ : ২
  2. খ) ৩ : ৬
  3. গ) ১ : ৪
  4. ঘ) এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ বছর আগে বাবার বয়স পুত্রের বয়সের ১৪ গুণ। দুই বছর বাদে বাবার বয়স পুত্রের বয়সের চেয়ে ২৬ বছর বেশি হয়, তবে বাবা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত কত হবে?

সমাধান: 
ধরি
পুত্রের বয়স ক  বছর
পিতার বয়স ক + ২৬ বছর

দুই বছর আগে পুত্রের বয়স ক - ২
দু'বছর আগে পুত্রের বয়স ক + ২৬ - ২ = ক + ২৪ 

শর্তমতে,
১৪(ক - ২) = ক + ২৪
১৪ ক - ২৮ = ক + ২৪
১৪ক - ক = ২৪ + ২৮ 
১৩ক = ৫২
ক = ৪

পিতার বয়স = ক + ২৬
= ৪ + ২৬ = ৩০ 

পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ৩০ : ৪ 
= ১৫ : ২
৩৬.
৩, ৬, ১১, ১৮, ২৭ এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ৩৫
  2. খ) ৩৮
  3. গ) ৪২
  4. ঘ) ৪৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩, ৬, ১১, ১৮, ২৭ এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
১ম পদ = ৩
২য় পদ = ৩ + ৩ = ৬
৩য় পদ = ৬ + ৫ = ১১
৪র্থ পদ = ১১ + ৭ = ১৮
৫ম পদ = ১৮ + ৯ = ২৭ 
৬ষ্ঠ পদ = ২৭ + ১১ = ৩৮ 
৩৭.
নিম্নের ক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা কত? ৫, ১৪, ৪০, ১১৭, ______
  1. ক) ২৮০
  2. খ) ৩০০
  3. গ) ৩৪৭
  4. ঘ) ৩৫১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের ক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা কত? ৫, ১৪, ৪০, ১১৭, ____

সমাধান: 
১ম পদ = ৫
২য় পদ = ৫ + ৫ × ২ - ১
= ৫ + ৯ 
= ১৪
৩য় পদ = ১৪ + ১৪ × ২ - ২
= ১৪ + ২৬ 
= ৪০ 

৪র্থ পদ = ৪০ + ৪০ × ২ - ৩
= ৪০ + ৮০ - ৩
= ৪০ + ৭৭
= ১১৭

৫ম পদ = ১১৭ + ১১৭  × ২ - ৪
= ১১৭ + ২৩৪ - ৪
= ১১৭ + ২৩০ 
= ৩৪৭
৩৮.
পৃথিবীর সবচাইতে বড় মহাসাগর-
  1. ক) অ্যান্টার্কটিক
  2. খ) আটলান্টিক
  3. গ) প্রশান্ত
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি.
- এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
- ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত‌।
- আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস
৩৯.
কোনটি ‘পিংক সিটি’ নামে পরিচিত?
  1. ক) টোকিও
  2. খ) দিল্লি
  3. গ) বেইজিং
  4. ঘ) জয়পুর
ব্যাখ্যা
- ভারতের জয়পুর শহরকে বলা হয় গোলাপি শহর (Pink City)।
- জয়পুর হলো ভারতের রাজস্থান রাজ্যের রাজধানী। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪০.
সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ-
  1. ক) বৃহস্পতি
  2. খ) বুধ
  3. গ) শনি
  4. ঘ) পৃথিবী
ব্যাখ্যা
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।
- সৌরজগতে বৃহস্পতির সর্বাধিক উপগ্রহ রয়েছে।
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ।
৪১.
পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল-
  1. ক) অপরিবর্তিত থাকে
  2. খ) কমে যায়
  3. গ) বেশি হয়
  4. ঘ) প্রথমে কমে, পরে বাড়ে
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বল।
= পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল কমে যায়। 

উৎসঃ ব্রিটানিকা, নাসা, স্পেস ওয়েবসাইট 
৪২.
ধ্রুবতারা দেখা যায়-
  1. ক) পূর্ব গোলার্ধে
  2. খ) পশ্চিম গোলার্ধে
  3. গ) উত্তর গোলার্ধে
  4. ঘ) সব গোলার্ধে
ব্যাখ্যা
ধ্রুবতারা দেখা যায় উত্তর গোলার্ধে। 

প্রাচীনকালে মানুষ নৌকায় সমুদ্রযাত্রা করার সময় রাতের বেলা আকাশের তারা দেখেই দিক চিহ্নিত করত।
কিন্তু পৃথিবী নিজ অক্ষরেখার চারপাশে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অবিরাম ঘুরছে, তাই আকাশে তারার অবস্থান স্থির থাকে না।
আজ রাতে একটি নির্দিষ্ট তারা আকাশের যেখানে থাকে, কাল রাতে একটু এদিক-ওদিক সরে যায়।
এ অবস্থায় বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করে আবিষ্কার করেন, অন্য সব তারা আকাশে অবস্থান বদলালেও উত্তর আকাশে একটি উজ্জ্বল তারা প্রতি রাতে একই অবস্থানে থাকে। নড়েচড়ে না। এ তারাই হলো ধ্রুবতারা।
ইংরেজিতে পোলারিস, পোলস্টার বা নর্থপোল স্টার নামে পরিচিত।
নাবিকেরা রাতের আকাশ দেখে সহজেই ধ্রুবতারাটি বের করে ফেলে এবং তখন বুঝতে পারে ওই দিকই উত্তর। সুবিধা হলো, এই তারা খুব উজ্জ্বল এবং মেঘমুক্ত আকাশে খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়।

উৎস : প্রথম আলো 
৪৩.
হ্যালির ধূমকেতু আবির্ভূত হয়-
  1. ক) প্রতি একশত বছর পর পর
  2. খ) আশি বছর পর পর
  3. গ) দুইশত বছর পর পর
  4. ঘ) ছিয়াত্তর বছর পর পর
ব্যাখ্যা
জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬+৭৬ = ২০৬২ সালে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৪.
চট্রগ্রাম গ্রীষ্মকালে দিনাজপুর অপেক্ষা শীতল ও শীতকালে উষ্ণ থাকে-
  1. ক) মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
  2. খ) সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে
  3. গ) স্থল বায়ুর প্রভাবে
  4. ঘ) আয়ন বায়ুর প্রভাবে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থানের কারণে সামুদ্রিক ও স্থল বায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়। 
সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রাম গ্রীষ্মকালে দিনাজপুর অপেক্ষা শীতল এবং শীতকালে উষ্ণ থাকে।
 
সমুদ্র হতে দূরত্ব জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন। 
সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এ কারণে সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়। 
 
স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়। কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি। 
অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত হতে যে পরিমাণ তাপের দরকার হয় তার সমপরিমাণ মাটি উত্তপ্ত হতে তার থেকে কম তাপ দরকার হয়। তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে। 
এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়। আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়। ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে। 
মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।
 
উৎস : ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৫.
উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো-
  1. ক) প্রায় ১২ ঘন্টা
  2. খ) প্রায় ২৪ ঘন্টা
  3. গ) প্রায় ৬ ঘন্টা
  4. ঘ) চাঁদের তিথি অনুসারে ভিন্ন
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
• সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক স্থানে ফুলে ওঠে এবং এক স্থানে নেমে যায়। পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
• এক স্থানে প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।
• উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়।
• উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
• সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলো স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাটা অধিক হয়। সাধারণত সমুদ্রের মধ্যভাগ অপেক্ষা উপকূলের কাছে অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা অধিক থাকে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
কোনটিকে বলা হয় ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- নিশীথ সূর্যের দেশ : নরওয়ে।
- এর রাজধানী : অসলো।
- নরওয়ে বছরের আট মাস বরফের নিচে ঢাকা থাকে। বছরের দুই মাস এখানে সূর্য ওঠে না।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৪৭.
কোন ভিটামিনের অভাবে ‘রাতকানা’ রোগ হয়?
  1. ক) ভিটামিন ‘ই’
  2. খ) ভিটামিন ‘এ’
  3. গ) ভিটামিন ‘বি’
  4. ঘ) ভিটামিন ‘ডি’
ব্যাখ্যা
ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। 

- রাতকানা রোগ এক ধরণের দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা যা নিক্যালোপিয়া নামেও পরিচিত।
- রাতকানা রোগে ভুক্তভোগী রোগীরা রাতে বা অস্পষ্ট আলোকিত পরিবেশে দুর্বল দৃষ্টিভঙ্গি অনুভব করে। 
- কয়েকটি চোখের পরিস্থিতি রাতকানা রোগের কারণ হতে পারে-
- দূরদৃষ্টিতে অবাস্তব জিনিসগুলির দিকে তাকালে অস্পষ্ট দৃষ্টি।
- ছানি বা চোখের লেন্সের ক্লাউডিং।
- রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা, যা অন্ধকার রঙ্গক যখন আপনার রেটিনায় সংগ্রহ করে এবং টানেলের দৃষ্টি তৈরি করে তখন তা ঘটে।
- উশর সিন্ড্রোম, একটি জেনেটিক অবস্থা যা শ্রবণশক্তি এবং দৃষ্টি উভয়কেই প্রভাবিত করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮.
বাংলাদেশে বছরের দীর্ঘতম দিন-
  1. ক) ২২ জুলাই
  2. খ) ২০ জুন
  3. গ) ২২ জুন
  4. ঘ) ২১ জুন
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২১ জুন।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন।
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান : ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

যেহেতু বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত, তাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দিন হলো ২১ জুন। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী
৪৯.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. ক) যশোর
  2. খ) রংপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) ফরিদপুর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ৪টি অঞ্চলে তুলার চাষ হচ্ছে। এ অঞ্চলগুলো হলো-যশোর, রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম।
যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলা হয়।

উৎসঃ cdb.jessore.gov.bd
৫০.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মহানন্দা
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র
  4. ঘ) যমুনা
ব্যাখ্যা
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নারায়নগঞ্জ এবং নরসিংদী জেলা অবস্থিত।
- গড়াই নদীর তীরে কুষ্টিয়া শহর অবস্থিত।
- আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে মাদারীপুর শহর অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৫১.
'Remove' শব্দটির Noun -
  1. ক) Removing
  2. খ) Remove
  3. গ) Removal
  4. ঘ) Re-movement
ব্যাখ্যা
Remove (verb) 
- সরানো; সরিয়ে নেওয়া;
এর noun form হচ্ছে - Removal.

সাধারণত শব্দের শেষে al থাকলে Adjective হলেও, remove- verb এর Noun Form হচ্ছে Removal.
এ রকম আরো শব্দ হচ্ছে Trial, Disposal ইত্যাদি।
৫২.
'Full' শব্দটির verb-
  1. ক) Filled
  2. খ) Fulfilment
  3. গ) Full
  4. ঘ) Fill
ব্যাখ্যা
Full (adjective) - ভরতি; ভরা; পূর্ণ; পরিপূর্ণ; ভরপুর; সংকুল; আকীর্ণ; সমাকীর্ণ; টইটম্বুর।
Filled (adjective) - ভরা।
Fulfilment (noun) - সিদ্ধি; সংসিদ্ধি; পূরণ; পরিতৃপ্তি।
Fill (noun, verb) - পরিপূর্ণ সরবরাহ; পূর্ণ পরিমাণ। পূরণ করা; পূর্ণ হওয়া।

সুতরাং, 'Full' শব্দটির  verb - Fill.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy
৫৩.
Let me do the sum বাক্যের Passive voice-
  1. ক) Let the sum done by me.
  2. খ) Let the sum being done by me.
  3. গ) Let the sum be done by me.
  4. ঘ) Let the sum is to be done by me.
ব্যাখ্যা
Let যুক্ত imperative বাক্যের passive গঠন-
Let + object + be + v3 (past participle) + by + let পরবর্তী ব্যক্তিবাচক object.
তাই প্রশ্নোক্ত বাক্যটির সঠিক Passive voice form হচ্ছে-
Let the sum be done by me.
৫৪.
Who gave you this pen? বাক্যের Passive form-
  1. ক) By whom were you got this pen?
  2. খ) By whom were you given this pen?
  3. গ) By whom was you given this pen?
  4. ঘ) By whom have you given this pen?
ব্যাখ্যা
Who দ্বারা শুরু হওয়া বাক্যের passive form এর শুরু হয় By whom দ্বারা।
এরপর auxiliary verb + sub + verb এর past participle + extension.

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্য হবে - By whom were you given this pen?
৫৫.
You said to me, 'Would you help me, please?' বাক্যের Indirect speech-
  1. ক) You politely asked me if I would help you.
  2. খ) You politely asked to me if I would help you.
  3. গ) You politely asked me that whether I would help you.
  4. ঘ) You politely asked me that if I should help you.
ব্যাখ্যা
- যদি Direct speech Interrogative sentence হয়, তাহলে indirect speech এ if/whether বসে এবং Reported speech কে Indirect করার সময় sentence কে assertive করে নিতে হয়।
- Reporting verb টি past tense এ হওয়ায়, Reported speech - ও past tense এ হবে।
- reported speech এর will এর পরিবর্তিত হয়ে would হবে।
 
সে অনুসারে সঠিক উত্তর ক) You politely asked me if I would help you.

অন্যান্য অপশনগুলো -
খ) asked to me থাকায় বাক্যটি ভুল। asked এর পর সরাসরি object বসে।
গ) whether - conjunction এর পূর্বে that ব্যবহৃত হয়েছে যার কারণে এ দুটি ভুল।
ঘ) অর্থ সঙ্গতি ঠিক নেই।
৫৬.
He said to his friends, 'Let us play now.'
  1. ক) He requested to his friends that they should play then.
  2. খ) He proposed to his friends that they should play then.
  3. গ) He proposed to his friends that they would play then.
  4. ঘ) He proposed to his friends that we should play then.
ব্যাখ্যা
Direct Narration এ Let’s/ Let us থাকলে Indirect Narration এ Propose + to + Object (শ্রুতা) বসে।
এর পর Verb+ing বসে অথবা that + Subject + should + Main verb বসে।
এ হিসেবে সঠিক উত্তর (খ)।
৫৭.
He is ____ European. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ-
  1. ক) an
  2. খ) the
  3. গ) a
  4. ঘ) of
ব্যাখ্যা
• শব্দের শুরুতে যদি Vowel থাকে এবং তা যদি ইউ (U) বা ওয়া (wa) এর মতো উচ্চারিত হয় তাহলে তারপূর্বে an না বসে a বসে।
- যেমন: a European, a uniform, a university, useful metal, a unique, a one-eyed man ইত্যাদি।
৫৮.
______ English speak English. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ -
  1. ক) Only
  2. খ) A
  3. গ) An
  4. ঘ) The
ব্যাখ্যা
Article এর নিয়মানুযায়ী যেকোনো জাতির নামের পুর্বে article হিসাবে the বসাতে হয়।
যেহেতু প্রশ্নে English দ্বারা ইংরেজ জাতিকে নির্দেশ করা হয়েছে তাই এর পূর্বে the বসবে।
৫৯.
'Out and out' phrase টির অর্থ
  1. ক) Costly
  2. খ) Briefly
  3. গ) Thoroughly
  4. ঘ) Partially
ব্যাখ্যা
Out and out
- complete or in every way; used to emphasize an unpleasant quality of a person or thing; thoroughly;
বাংলা অর্থ - সম্পূর্ণরূপে; পুরোপুরি।

যেমন:
- That's an out-and-out lie!
- The whole project was an out-and-out disaster.
৬০.
'Black sheep' phrase টির অর্থ-
  1. ক) Wicked man
  2. খ) Costly sheep
  3. গ) A sheep of black colour
  4. ঘ) Big sheep
ব্যাখ্যা
• Black sheep
English Meaning:
1. a disfavoured or disreputable member of a group.
2. a member of a family or group who is regarded as a disgrace to it.
Bangla Meaning: দুশ্চরিত্র, কুলাঙ্গার

Wicked - মন্দ; খারাপ; ভ্রান্ত, অসৎ; অন্যায়; নীতিবিগর্হিত।

সুতরাং, 'Black sheep' phrase টির অর্থ - Wicked man.
৬১.
'Latent' শব্দটির Synonym হচ্ছে-
  1. ক) Conspicuous
  2. খ) Concealed
  3. গ) Evident
  4. ঘ) Visible
ব্যাখ্যা
Latent - লুক্কায়িত; গুপ্ত; সুপ্ত; অদৃশ্য; নিহিত
Conspicuous - দৃষ্টি-আকর্ষক; সহজে দেখা যায় এমন; দর্শনীয়:
Conceal - গোপন করা; লুকিয়ে রাখা; গুপ্ত বা অব্যক্ত রাখা; ছদ্মবেশ পরানো:
Evident - সহজবোধ্য।
Visible - দৃষ্টিগ্রাহ্য; দৃষ্টিগোচর; দৃশ্যমান; প্রত্যক্ষ; সাক্ষাৎ।

সুতরাং, 'Latent' শব্দটির Synonym হচ্ছে - Concealed.

Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary
৬২.
'Sacred' শব্দটির ‍Synonym হচ্ছে -
  1. ক) Evil
  2. খ) Secular
  3. গ) Profane
  4. ঘ) Divine
ব্যাখ্যা
Sacred - 
(১) ঐশ্বর; ঐশ্বরিক; ধর্মীয়: a sacred building; sacred writings.
(২) ভাবগম্ভীর; পবিত্র; অলঙ্ঘনীয়: a sacred prose.
(৩) পূত; পবিত্র; পরম শ্রদ্ধেয়; পূজনীয়: a sacred animal.

Evil - দুষ্ট; পাপী; মন্দ; বদমাশ।
Secular -  পার্থিব; ইহজাগতিক; জড়-জাগতিক; লোকায়ত।
Profane - লৌকিক; ইহজাগতিক; ঈশ্বর বা পবিত্র বস্তুসমূহের প্রতি অবজ্ঞাপূর্ণ; ধর্মদ্বেষী; ঈশ্বরবিদ্বেষী; ধর্মদ্রোহিতাপূর্ণ।
Divine - ঐশ্বরিক; দেবসুলভ; দৈব; দিব্য। অনুপম; অতীব সুন্দর।

সুতরাং, 'Sacred" শব্দটির ‍Synonym হচ্ছে - Divine

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy
৬৩.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Comentry
  2. খ) Commentry
  3. গ) Commentary
  4. ঘ) Commentery
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান - Commentary (noun) 
Meaning:
(১) মন্তব্য; টীকা।
(২) ভাষ্য; বিবরণী।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy

৬৪.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Grammatic
  2. খ) Grammetic
  3. গ) Gramatic
  4. ঘ) Grametic
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান - Grammatic. (Adj)
Meaning - of or relating to grammar.

Source: Collins Dictionary
৬৫.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) I saw his pulse.
  2. খ) I felt his pulse.
  3. গ) I found his pulse.
  4. ঘ) I examined his pulse.
ব্যাখ্যা
Feel someone's pulse - to measure how fast someone's heart is beating.
সুতরাং pulse এর সাথে feel ব্যতীত অন্য verb সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সুতরাং সঠিক বাক্যঃ I felt his pulse.
৬৬.
একজন মানুষের দেহে মোট কত টুকরা হাড় থাকে?
  1. ক) ৫০৬
  2. খ) ৪০৬
  3. গ) ৩০৯
  4. ঘ) ২০৬
ব্যাখ্যা
অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়।
শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।

- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৬৭.
ফরায়েজী আন্দোলনকে কোন নেতা রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন?
  1. ক) হাজী শরীয়তউল্লাহ
  2. খ) তিতুমীর
  3. গ) দুদু মিয়া
  4. ঘ) নবাব সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। ফরায়েজী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।

১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
৬৮.
আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ৭ জুলাই
  2. খ) ৯ মার্চ
  3. গ) ৫ জুন
  4. ঘ) ২১ মে
ব্যাখ্যা
- ৫ জুন : বিশ্ব পরিবেশ দিবস
- ৩ মার্চ : বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস
- ২২ মে : আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস
- ১৬ সেপ্টেম্বর : আন্তর্জাতিক ওজোনস্তর সংরক্ষণ দিবস।

(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬৯.
পূর্ব ইউরোপের ‍দেশ নয়-
  1. ক) রুমানিয়া
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) হাঙ্গেরী
  4. ঘ) আলবেনিয়া
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
পর্তুগাল ও আলবেনিয়া পূর্ব ইউরোপের দেশ নয়। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নের উত্তর তুলে দেওয়া হয়েছে। 

পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো হলোঃ
- বেলারুশ
- বুলগেরিয়া
- চেক প্রজাতন্ত্র
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- মোল্ডোভা
- রোমানিয়া
- রাশিয়া
- স্লোভাকিয়া
- ইউক্রেন

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস
৭০.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ১২ টি
  3. গ) ১৩ টি
  4. ঘ) ৯ টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭১.
কমনওয়েলথ গেমস শুরু হয় কত বছর পর পর?
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ৩ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ গেমস প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২২ সালের ২৮ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত হবে কমনওয়েলথের ২২তম আসর।
এই আসরে ২৪ বছর পর পুনরায় ক্রিকেট ইভেন্ট ‍যুক্ত হবে।
২১তম কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়ার গোল্ডকোস্টে ২০১৮ সালে।

(সূত্র: কমনওয়েলথ গেমস ওয়েবসাইট)
৭২.
বাংলাদেশের কোন নেতা কলকাতা করপোরেশনের মেয়র ছিলেন?
  1. ক) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. খ) শের-এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) এদের কেউই নন
ব্যাখ্যা
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- লোকপ্রিয়ভাবে ‘শেরে বাংলা’ বা হক সাহেব রূপে পরিচিত আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৭৩.
কতজন নারী বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত হয়েছেন?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৪ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ২ জন
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও
- তারামন বিবি।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ডয়েচভেলে রিপোর্ট।
৭৪.
’আইএমএফ’ এর সদর দফতর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ওয়াশিংটন ডিসি
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) লন্ডন
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আইএমএফ (IMF- International Monetary Fund)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ১২তম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিলিনা জর্জিয়েভা।
- আইএমএফের প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন ক্রিস্টিন লাগার্দ।
- আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপিনাথ।

উৎসঃ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ওয়েবসাইট।
৭৫.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. ঘ) হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।

- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি - বোর্ড বই, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry।
৭৬.
ইতিহাস বিখ্যাত ‘ট্রয় নগরী’ কোথায়?
  1. ক) ইটালীতে
  2. খ) গ্রীসে
  3. গ) তুরস্কে
  4. ঘ) স্পেনে
ব্যাখ্যা
- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত।
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়।
- গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
৭৭.
চট্রগ্রামের অস্ত্রাগার লুন্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯১১ সালে
  2. খ) ১৯১৫ সালে
  3. গ) ১৯২১ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী মাস্টার দা সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে সরকারি অস্ত্রগার লুন্ঠন হয়।
এ ঘটনার পর সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন ‘চিটাগাং রিপাবলিকান আর্মি’ চট্টগ্রামের সাথে পুরো ভারতবর্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ‘স্বাধীন চিটাগাং সরকার’ এর ঘোষণা দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে বিপ্লবীরা পরাজিত হয়।
১৯৩৪ সালে সূর্যসেনকে ফাসি দেওয়া হয়। তার সহচরদের মধ্যে ছিলেন অম্বিকা চক্রবর্তী, লো
কনাথবল, নির্মল সেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার প্রমুখ।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৭৮.
যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন-
  1. ক) বাড়ে
  2. খ) কমে
  3. গ) অর্ধেক হয়
  4. ঘ) একই থাকে
ব্যাখ্যা
যখন কোন বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন বাড়তে থাকে। 

- বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি; সুতরাং কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষীয় ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
- যে স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি।
- অভিকর্ষীয় ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম। যেহেতু মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি।
- বিষুব অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ কম তাই বিষুব অঞ্চলে বস্তুর ওজনও কম।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষীয় ত্বরণ শূন্য, এজন্য পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর কোনো ওজন নাই। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭৯.
কোন মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর হয়?
  1. ক) এনোফিলিস
  2. খ) এডিস
  3. গ) কিউলেক্স
  4. ঘ) স্ত্রী এনাফিলিস
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু রোগের বাহক হচ্ছে এডিস মশা। 

উষ্ণমন্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমন্ডলীয় শহরাঞ্চলীয় চক্রেই ডেঙ্গু ভাইরাস স্থিতি লাভ করে। এজন্যই শহুরে লোকদের মধ্যেই রোগটি বেশি। মানুষের আবাসস্থলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দিনের বেলায় দংশনকারী Aedes aegypti মশা এসব ভাইরাসের বাহক। কোনো কোনো অঞ্চলে অন্যান্য প্রজাতি Aedes albopictus, A. polynesiensis মশাও সংক্রমণ ঘটায়। রোগীকে দংশনের দুই সপ্তাহ পর মশা সংক্রমণক্ষম হয়ে ওঠে এবং গোটা জীবনই সংক্রমণশীল থাকে।

রোগের লক্ষণ ১. ডেঙ্গুজ্বর ডেঙ্গু-ভাইরাসের সংক্রমণ উপসর্গবিহীন থেকে নানা রকমের উপসর্গযুক্ত হতে পারে, এমনকি তাতে মৃত্যুও ঘটে। সচরাচর দৃষ্ট ডেঙ্গুজ্বর, যাকে প্রায়ই ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু বলা হয়, সেটি একটি তীব্র ধরনের জ্বর যাতে হঠাৎ জ্বর হওয়া ছাড়াও থাকে মাথার সামনে ব্যথা, চক্ষুগোলকে ব্যথা, বমনেচ্ছা, বমি এবং লাল ফুসকুড়ি। প্রায়ই চোখে প্রদাহ এবং মারাত্মক পিঠব্যথা দেখা দেয়। এসব লক্ষণ ৫-৭ দিন স্থায়ী হয় এবং রোগী আরও কিছুদিন ক্লান্তি অনুভব করতে পারে এবং এরপর সেরে ওঠে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৮০.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ-
  1. ক) ৭৭ সে.মি.
  2. খ) ৭.৬ সে.মি.
  3. গ) ৭২ সে.মি.
  4. ঘ) ৭৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান।

(তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)