পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৯ রিভিশন (পরীক্ষা ১৩ – ১৮)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
তেজস্ক্রিয়তার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. তাপ, চাপ, দ্বারা প্রভাবিত হয় না
  2. আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল
  3. উৎপত্তি স্থল নিউক্লিয়াস
  4. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তার নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্মি।
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মিনামে পরিচিত।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- 
১. প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা:
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে।

২. কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা:
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। 
- এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানুষের রক্তরসে পানির পরিমাণ কত?
  1. ৮-৯%
  2. ৪০-৪৫%
  3. ৬০-৬৫%
  4. ৯১-৯২%
সঠিক উত্তর:
৯১-৯২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯১-৯২%
ব্যাখ্যা
• রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তের উপাদান দুটি। যথা-
১. রক্তরস:
- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ।
- এর প্রায় ৯১-৯২% অংশ পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 

২. রক্তকণিকা:
- রক্তকণিকা তিন ধরনের। যথা- লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।
- লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়।
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
.
কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ব্যাপন
  2. অভিস্রবণ
  3. প্রস্বেদন
  4. সালোকসংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
• অভিস্রবণ:
- কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে
- দুটো দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
- অভিস্রবন এক প্রকার ব্যাপন।
- অভিস্রবণ কেবলমাত্র তরলের ক্ষেত্রে ঘটে।

• ব্যাপন:
- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘনস্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ করার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- সর্বত্র সমানভাবে বিস্তৃত হয়ে ঘনত্বের পার্থক্যে সমতা না আসা পর্যন্ত ব্যাপন চলতে থাকে এবং তারপর বন্ধ হয়ে যায়।
- এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিনি ঢাললে ক্রমান্বয়ে চিনির দানার অনুগুলো গ্লাসের সমস্ত পানিতে ছড়িয়ে পড়ে এই প্রক্রিয়ায়।

• প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গ হতে জলীয়বাষ্প বের হয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রস্বেদন।
- উদ্ভিদ তার মূল দিয়ে মাটি হতে পানি শোষণ করে থাকে এবং এ পানিই কান্ড, শাখা-প্রশাখা, পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গে স্থানান্তরিত হয়।

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ কোষে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, পরিবেশের বায়ুমণ্ডল থেকে গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মূল দ্বারা শোষিত জলের বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যের সংশ্লেষ ঘটে এবং গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইডের সমপরিমাণ অক্সিজেন প্রকৃতিতে নির্গত হয়, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, Live MCQ লেকচার শীট।
.
ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ নয় কোনটি?
  1. যক্ষ্মা
  2. আমাশয়
  3. ডেঙ্গু
  4. টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion (little rod) থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটির উৎপত্তি।
- ব্যাকটেরিয়া (একবচনে ব্যাকটেরিয়াম) এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- অ্যান্টনি ভ্যান লীউয়েনহুককে ব্যাকটেরিওলজি ও প্রোটোজুওলজির জনক বলা হয়ে থাকে।
- জার্মান বিজ্ঞানী এরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে এসব ক্ষুদ্রজীবদের ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়ার ওপর ব্যাপক গবেষণা এবং ব্যাকটেরিইয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্টিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব, এদের কোষে জড় কোষ প্রাচীর থাকে।

- মানবদেহে ব্যাকটেরিয়া গঠিত কিছু রোগ হলো:
• যক্ষ্মা
• নিউমোনিয়া
• কলেরা
• টাইফয়েড
• কলেরা
• ডিপথেরিয়া
• আমাশয়
• ধনুষ্টংকার
• হুপিংকাশি ইত্যাদি।

- ডেঙ্গু ভাইরাস গঠিত রোগ।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
.
জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে কোনটি?
  1. লাইসোজোম
  2. রাইবোজোম
  3. সেন্ট্রোসোম
  4. কোষ গহ্বর
সঠিক উত্তর:
লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইসোজোম
ব্যাখ্যা
• লাইসোজোম:
- লাইসোজোম জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে
- দেহে অক্সিজেনের অভাব হলে বা বিভিন্ন কারণে লাইসোজোমের পর্দা ক্ষতিগ্রস্থ হলে এর আশেপাশের অঙ্গগুলো নষ্ট হয়ে যায়। কোষটি মারা যায়না।

• রাইবোজোম:
- প্রাণী এবং উদ্ভিদ উভয় ধরণের কোষেই এদের পাওয়া যায়।
- রাইবোজোম প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে।

• সেন্ট্রোসোম:
- প্রাণীকোষে পাওয়া যায়।
- প্রাণীকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, তাদের সেন্ট্রিওল বলে।

• কোষগহ্বর:
- সাইটোপ্লাজমে কোষের মধ্যে যে আপাত ফাঁকা স্থান দেখা যায়, সেগুলোই চচ্ছে কোষগহ্বর।
- কোষগহ্বর এর প্রধান কাজ কোষরস ধারণ করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
.
উদ্ভিদে কয়টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে?
  1. ৬ টি
  2. ১০ টি
  3. ১৬ টি
  4. ৬০ টি
সঠিক উত্তর:
৬০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ টি
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি:
- উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি ও পরিপুষ্টির জন্য মাটি, বায়ু এবং পানি থেকে কতগুলো উপাদান গ্রহণ করে, এই উপাদানগুলোকে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদন বলে।
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (essential elements) বলা হয়।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ম্যাক্রো উপাদান
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা- নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।

২. মাইক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn). মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
.
নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

২. RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিও ভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
.
বারিমণ্ডলের কতভাগ মহাসাগর, সাগর এবং উপসাগর ধারণ করছে?
  1. ২৯ ভাগ
  2. ৭১ ভাগ
  3. ৯০ ভাগ
  4. ৯৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৯৭ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৭ ভাগ
ব্যাখ্যা
• বারিমণ্ডল:
- পৃথিবীর জলভাগই হলো বারিমণ্ডল।
- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere।
- Hydro অর্থ পানি এবং Sphere অর্থ ক্ষেত্র। অর্থাৎ আভিধানিক অর্থে Hydrosphere এর অর্থ পানির ক্ষেত্র বা আধার।
- অক্সিজেন (O) এবং হাইড্রোজেন (H2) এর সমন্বয়ে পানি (H2o) গঠিত।
- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর, হ্রদ, নদীসহ অন্যান্য জলাধার নিয়ে বারিমণ্ডল গঠিত। 
- পৃথিবীর ৭১% জলভাগ এবং ২৯% স্থলভাগ।
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগই মহাসাগর, সাগর এবং উপসাগর ধারণ করছে
- অবশিষ্ট ৩ ভাগ অন্যান্য জলাধার ধারণ করছে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শিশুর হাম ও রুবেলার এমআর টিকা প্রদানের সময় কোনটি?
  1. ৬ মাস বয়সে
  2. ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে
  3. ৬ মাস এবং ৫ বছর বয়সে
  4. ৩ মাস এবং ৬ মাস বয়সে
সঠিক উত্তর:
৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে
ব্যাখ্যা
- শিশুর জন্মের ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে এসব টিকার একটি করে ডোজ অর্থাত চার সপ্তাহ বিরতিতে একেকটি টিকার তিন ডোজ সম্পন্ন করা হয়।
- পেন্টাভ্যালেন্ট হল ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশ (পারটুসিস), ধনুষ্টংকার (টিটেনাস), হিমোফিলিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি এবং হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ থেকে শিশুদের রক্ষা করতে সমবেত একটি টিকা।
- শিশুর বয়স নয় মাস এবং ১৫ মাস বয়সে যথাক্রমে হাম ও রুবেলার প্রতিষেধক এমআর টিকা দেয়া হয়। 
- শিশুর ৬ মাস থেকে ৫ বছরের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হয়।

- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের ফ্যাক্ট-শিট অনুযায়ী শিশু জন্মের পরপরই যক্ষ্মা বা টিবি প্রতিরোধে বিসিজি টিকা দেয়া হয়। 
- শিশু জন্মের ছয় সপ্তাহের মধ্যে আরও তিনটি টিকা দিতে হয়। যথা-
• পোলিওর প্রতিষেধক ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন-ওপিভি,
• নিউমোনিয়ার প্রতিষেধক নিউমোককাল কনজুগেট ভ্যাকসিন-পিসিভি এবং
• পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা।

উৎস: bbc