পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ পড়তে হবে) পার্ট-২) পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি। পার্ট-১ সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ। পার্ট-২ সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
বিশ্বের মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ৫৫ শতাংশ
  2. খ) ৬৫ শতাংশ
  3. গ) ৭৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ইলিশ উৎপাদনে,

- বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম,
- ভারত বিশ্বে দ্বিতীয়,
- মিয়ানমার বিশ্বে তৃতীয়।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ- ১২%।
- মোট দেশজ উৎপাদনে ইলিশের অবদান- ১%।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬% (World Fish- এর তথ্যানুসারে)
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৫% (FAO এর The State of World Fisheries and Aquaculture 2020 এর তথ্যানুসারে)।

.
জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে দেশে শিল্পোন্নত জেলা-
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১৪টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশে শিল্পোন্নত জেলা ১৪টি।
• এগুলো হলোঃ
- ঢাকা,
- গাজীপুর,
- নারায়ণগঞ্জ,
- নরসিংদী,
- টাঙ্গাইল,
- বগুড়া,
- চট্টগ্রাম,
- কক্সবাজার,
- নোয়াখালী,
- চাঁদপুর,
- কুমিল্লা,
- ফেনী,
- লক্ষীপুর ও
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
উৎসঃ জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬।

.
বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক রেমিটেন্স প্রবাহঃ
গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে ‘COVID-19 Crisis Through a Migration Lens’ নামক প্রতিবেদন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে -
- শীর্ষ দেশ - ভারত (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ৮৩.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- দ্বিতীয় - চীন
- অষ্টম - বাংলাদেশ (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ১৮.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সৌদি আরব থেকে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

.
বর্তমানে বাংলাদেশে সংরক্ষিত শিল্প কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শিল্পনীতি-২০১৬ তে চারটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি (সমরাস্ত্র শিল্প)
- পারমাণবিক শক্তি
- সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল এবং
- বনায়ন ও সংরক্ষিত বনভূমির সীমানায় যান্ত্রিক আহরণ
• এগুলো সরাসরি রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।



উৎসঃ বাংলাদেশ শিল্পনীতি-২০১৬।

.
BEPZA কোনটির অধীনে?
  1. ক) শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. খ) পরিকল্পনা কমিশন
  3. গ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা

- BEPZA (Bangladesh Export Processing Zones Authority) ১৯৮০ সালে গঠিত হয়।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠা, ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
- বেপজার অধীনে বর্তমানে দেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
উৎসঃ বেপজা ওয়েবসাইট।

.
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার কত শতাংশ বোনাস প্রদান করে?
  1. ক) ১ শতাংশ
  2. খ) ৩ শতাংশ
  3. গ) ২ শতাংশ
  4. ঘ) ৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা

- বিদেশ থেকে অবৈধপথে অর্থ প্রেরণ বন্ধ করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে ২ শতাংশ প্রণোদনা বা বোনাস প্রদান চালু করে।
- এ উদ্যোগের ফলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের রেমিট্যান্স আহরণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে রেমিট্যান্স আহরণ ২৪.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌছায় যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক প্রথম আলো।

.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রথম এক হাজার টাকার নোট প্রচলন করে?
  1. ক) ২০০৫ সালে
  2. খ) ২০০৭ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ১০০০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে ৫০ টাকা,
- ১৯৭৭ সালে ৫০০ টাকা,
- ১৯৮০ সালে ২০ টাকা এবং
- ১৯৮৯ সালে ২ টাকার নোটের প্রচলন হয়।

.
আলোর কণা তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
  1. ক) হাইগেন
  2. খ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা

- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
টেকটনিক প্লেট ধারণাটির প্রবক্তা কে?
  1. ক) আলফ্রেড নোবেল
  2. খ) রবার্ট টেকটিউনস
  3. গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
  4. ঘ) এডওয়ার্ড স্নোডেন
ব্যাখ্যা

- সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব থেকেই টেকটনিক প্লেট ধারণাটির জন্ম হয়।
- ওয়েগেনারের মতে, বহুকাল আগে পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল (প্যানজিয়া), কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- এই তত্ত্বটিকে বলা হয় মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব।

১০.
কোয়াশিয়রকর রোগ হয়-
  1. ক) শর্করার অভাবে
  2. খ) ভিটামিনের অভাবে
  3. গ) আমিষের অভাবে
  4. ঘ) খনিজ পুষ্টির অভাব
ব্যাখ্যা

- ২ থেকে ৪ বছরের শিশুদের কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষের অভাবে।
- শিশুদের মেরাসমাস ও কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে।
- এর ফলে দেখা দেয় রক্তস্বল্পতা।
- এ রোগের লক্ষণগুলো হলোঃ
• শিশুর বৃদ্ধি হ্রাস পায়।
• পেটের পীড়া দেখা দেয়।
• পেশি ক্ষয় হতে থাকে।
• পানি জমে শরীর ফুলে যায়। ‌

১১.
হিমোগ্লোবিন কী জাতীয় পদার্থ?
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) স্নেহ
ব্যাখ্যা

- হিমোগ্লোবিন আমিষ জাতীয় পদার্থ।
- রক্তের রং লাল হয় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বণ-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।

১২.
রিকটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা যায়-
  1. ক) ০ থেকে ৭ মাত্রার
  2. খ) ০ থেকে ১১ মাত্রার
  3. গ) ০ থেকে ৬ মাত্রার
  4. ঘ) ০ থেকে ১০ মাত্রার
ব্যাখ্যা

- রিখটার স্কেলের মাধ্যমে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়।
- এই স্কেলের সাহায্যে ০-১০ মাত্রার তীব্রতা পরিমাপ করা যায়।
- ১৯৩৫ সালে মার্কিন ভূকম্প ও পদার্থবিদ চার্লস এবং রিখটার ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের এই স্কেল আবিস্কার করেন।
- তাঁর নামানুসারে এই স্কেলের নামকরণ করা হয়েছে রিখটার স্কেল।

১৩.
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে-
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  3. গ) পাঞ্চকার্ড
  4. ঘ) বায়ুশূন্য টিউব
ব্যাখ্যা

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- যার ফলে সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪.
E = mc2 সূত্রটি প্রদান করেন-
  1. ক) আর্কিমিডিস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা

• E = mc2 সূত্রটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের ভর-শক্তির সমীকরণ।
• যেখানে, E = শক্তি, m = ভর, c = আলোর বেগ।
• ১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন।
• এটি ভরকে শক্তিতে এবং শক্তিকে ভরে রূপান্তরের জন্য আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ।
• একে আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।

১৫.
গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় টিকা-
  1. ক) বিসিজি
  2. খ) টিটি
  3. গ) পোলিও
  4. ঘ) টিবি
ব্যাখ্যা

• গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় টিকা- টিটি।
• ৫ ডোজে টিটি টিকা নিতে হয়।
• মায়েরা টিটি টিকা না নিলে নবজাতকের ধনুষ্টংকার রোগ হবার আশঙ্কা থাকে।

১৬.
পৃথিবীর আবর্তন বেগ ঘন্টায় প্রায়-
  1. ক) ১৫০০ কি.মি.
  2. খ) ১৬০০ কি.মি.
  3. গ) ১৭০০ কি.মি.
  4. ঘ) ১৮০০ কি.মি.
ব্যাখ্যা

- পৃথিবী গতিশীল।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এজন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি।
- যা ঘণ্টায় প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার।
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
উৎসঃ‌ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে বলা হয়-
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) ফিশন
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে ফিউশন বলে।
- নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলে।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮.
কেমােথেরাপির জনক হলেন-
  1. ক) গােল্ড সেইন
  2. খ) পল এহর্লিক
  3. গ) উইলিয়াম রনজেন
  4. ঘ) মাদাম কুরি
ব্যাখ্যা
- কেমােথেরাপি হলাে এমন একধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ (উচ্চতর এন্টিবায়ােটিকও হতে পারে) ব্যবহার করে দেহের ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- পল এহর্লিককে কেমােথেরাপির জনক বলা হয়। উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায় কোন তত্ত্ব দ্বারা?
  1. ক) তড়িৎ চৌম্বক তত্ত্ব
  2. খ) কণা তত্ত্ব
  3. গ) কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  4. ঘ) তরঙ্গ তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

- কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো তড়িৎ বলে।
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২০.
ওরাল পোলিও প্রতিষেধক আবিষ্কারক-
  1. ক) রস
  2. খ) জেনার
  3. গ) কচ
  4. ঘ) সাবিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জোনাস স্যাক পোলিও রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
- ১৯৬১ সালে আলবার্ট সাবিল মুখে খাওয়ার উপযোগী ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন।