পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
ইথার নামক কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আলোক সঞ্চালনের প্রস্তাবনা পাওয়া যায়-
  1. ক) কণা তত্ত্বে
  2. খ) তরঙ্গ তত্ত্বে
  3. গ) তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বে
  4. ঘ) কোয়ান্টাম তত্ত্বে
ব্যাখ্যা

তরঙ্গ তত্ত্বঃ 
আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়। তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে বিভিন্নতার জন্য আলোর বর্ণ বিভিন্ন হয়। এই তত্ত্ব আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হলেও মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষায় ইথারের অস্তিত্ব নেই প্রমাণিত হওয়ায় এই তত্ত্ব বিতর্কিত হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত কোনটি?
  1. ক) আলোকরশ্মি হালকা মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমের দিকে যাবে
  2. খ) আপতন কোণ ও প্রতিসরণ কোণ সমান হবে
  3. গ) আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বড় হবে
  4. ঘ) সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection):
এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচছ সমসত্ব মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় তবে আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যমে বিন্দুমাত্র প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে বিভেদ তল দ্বারা ঘন মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্তঃ
১) আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে।
২) আপতন কোণ সংকট কোণের থেকে বড় হতে হবে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
সমতল দর্পণে কোন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
  1. ক) বাস্তব ও সোজা
  2. খ) সদ ও বিবর্ধিত
  3. গ) অসদ ও সোজা
  4. ঘ) অবাস্তব ও খর্বিত
ব্যাখ্যা
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ ঃ
১. দর্পণ থেকে বস্তু দূরত্ব যত, দর্পণ থেকে বিম্বের দূরত্ব তত।
২. বস্তু ও বিম্ব সংযোগকারী রেখা দর্পণ তলকে লম্বভাবে ছেদ করে।
৩. সমতল দর্পণে গঠিত বিম্ব অসদ (অবাস্তব) ও সোজা।
৪. বিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান হয়।
৫. বিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
স্যাটেলাইট ডিস এন্টেনায় কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অবতল দর্পণ
  2. খ) উত্তল দর্পণ
  3. গ) সমতল দর্পণ
  4. ঘ) উত্তল ও অবতল দর্পণ
ব্যাখ্যা

অবতল দর্পণের প্রতিফলক তল নিচু। এটি আলোক রশ্মিকে বাস্তবে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করতে পারে, ফলে এটি সদ ও অসদ উভয় প্রকারের বিম্ব গঠন করতে পারে। এজন্য এর ব্যবহার ব্যাপক। 

স্যাটেলাইট ডিস এন্টিনায় অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। কমিউনিকেশন স্যাটেলইটের মাধ্যমে প্রেরক এন্টিনাসমূহ তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গকে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেয়। যেহেতু পৃথিবী থেকে স্যাটেলাইটগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি তাই পৃথিবীতে আসা দুর্বল তরঙ্গগুলো প্রায় সমান্তরালভাবে অবতল তলে আপতিত হয় এবং প্রতিফলনের নিয়মে ফোকাসে মিলিত হয়। আগত দুর্বল তরঙ্গ একটি ফোকাসে মিলিত হওয়ায় বেশ জোরাল হয়। অতপর এটি বর্ধিত করে গ্রাহক যন্ত্রে প্রেরিত হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
কোন যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো বস্তুতে আধানের উপস্থিতি নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) ইলেকট্রোস্কোপ
  2. খ) ভোল্টমিটার
  3. গ) ক্রোনোমিটার
  4. ঘ) পটেনশিওমিটার
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর চার্জের উপস্থিতি, প্রকৃতি এবং পরিমাণ নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র(Electroscope) বলে। যে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রে স্বর্ণপাত ব্যবহার করা হয় তাকে স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
পৃথিবীর বিভব-
  1. ক) অসীম
  2. খ) শূন্য
  3. গ) ধনাত্মক
  4. ঘ) ঋণাত্মক
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর তড়িৎ বিভব:
কোনো আহিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে যুক্ত করলে বস্তুটি নিস্তাড়িত বা আধান নিরপেক্ষ হয়, ধনাত্মক আধানে আহিত বস্তুকে ভু-সংযুক্ত করলে পৃথিবী থেকে ইলেকট্রন এসে বস্তুটিকে নিস্তাড়িত করে। আবার ঋণাত্মকভাবে আহিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে সংযুক্ত করলে বস্তু থেকে ইলেকট্রন ভূমিতে চলে যায়। ফলে বস্তুটি নিস্তাড়িত হয়। পৃথিবী এত বড় যে, এতে ইলেকট্রন যুক্ত হলে বা এ থেকে ইলেকট্রন চলে গেলে এর বিভবের আদৌ কোনো পরিবর্তন হয় না। পৃথিবী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বস্তু থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করছে এবং বিভিন্ন বস্তুতে ইলেকট্রন প্রদানও করছে। ফলে পৃথিবীকে বিভবশূন্য মনে করা হয় এবং ভু-সংযুক্ত পরিবাহীর বিভবও শূন্য ধরা হয়। উল্লেখ্য যে, বিভব নির্ণয়ের সময় পৃথিবীর বিভবকে শূন্য ধরা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রা্‌ম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক কোনটি?
  1. ক) Js-1
  2. খ) JC-1
  3. গ) NC-1
  4. ঘ) kWh
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। একে W দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এক সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতা হলো এক
ওয়াট।
∴1W = 1J/1s = 1Js-1


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
এক্সরে রশ্মি ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ক্যান্সার চিকিৎসায়
  2. খ) চোরাচালান রোধে
  3. গ) পাকস্থলীতে পাথর শনাক্তকরণে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

এক্সরের ব্যবহার

চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঃ রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়ের ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বাধিক ব্যবহারের কারণেই এক্সরে জনসাধারণের কাছে বহুল পরিচিত। এক্সরের ভেদন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়।
কোমল এক্সরে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করে যেতে পারে না। কোমল এক্সরে ব্যবহার করে দেহের হাড় ভাঙলে, কোনো অবাঞ্ছিত বস্তু যেমন বন্দুকের গুলি, দুর্ঘটনায় কোনো ধাতব বস্তু দেহে প্রবেশ করলে, পাকস্থলি বা মুত্রথলিতে পাথর সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা সনাক্ত ও অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় যুগান্তকারী উন্নতি সাধনের জন্য এক্সরের অবদান অকল্পনীয়।
এছাড়াও ফুসফুসের কোনো ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের গোড়ায় আলসার ইত্যাদি নির্ণয়ে এক্সরে সর্বদাই ব্যবহার হচ্ছে।
বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং কোনো কোনো চর্মরোগ নিরাময়ে এক্সরে ব্যবহার করা হয়।

গোয়েন্দা বিভাগে ঃ চোরাচালান ধরার জন্য কাঠের, ধাতব বাক্সে বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক, নিষিদ্ধ বস্তু লুকানো থাকলে কিংবা কেউ গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ করলে তা সন্ধানের জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়। এমনকি হত্যাকান্ড অনুসন্ধানেও এক্সরে প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি?
  1. ক) আলফা কণিকা
  2. খ) বিটা কণিকা
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য ঃ
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়ঃ 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০.
কোন রশ্মিটি আলোর বেগে গতিশীল?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) এক্সরে রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) বিটা রশ্মি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) এক্সরে রশ্মি ও গ) গামা রশ্মি
- ডাবল উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
- উল্লেখ্য, বেটা রশ্মির গতি প্রায় আলোর কাছাকাছি (আলোর গতির ৯/১০ ভাগ)।
- সবচেয়ে কম গতিসম্পন্ন রশ্মি - আলফা রশ্মি।

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি ঃ
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
৩। এর কোন চার্জ ও ভর নাই।
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
৮। গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়