পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৩
সিলেবাস
৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৬ পরীক্ষার টপিক: ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ২৩তম বিসিএস এর প্রশ্নের উপর লাইভ পরীক্ষা। ১৪তম বি.সি.এস. এর প্রশ্নের উপর লাইভ পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৩ প্রশ্ন

.
Listening to music is her favourite hobby.
The underlined part of the sentence is a/an-
  1. Adverbial phrase
  2. Adjective Phrase
  3. Noun Phrase
  4. Conjunctional Phrase
ব্যাখ্যা

• Correct answer: noun phrase.
- Listening to music is her favourite hobby.
- 'Listening to music' এখানে verb এর subject হিসেবে বসে noun -এর কাজ করছে, তাই এটি Noun phrase.

Noun phrase:
- A group of words in a sentence that together behaves as a noun.
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun-এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- অধিকাংশ সময়ই, noun phrase মূলত noun বা pronoun এর কাজ করে।
- এছাড়া এরা কোন sentence এ verb এর Subject, Object বা Complement রূপে অথবা Preposition এর object রূপে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
ক) Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence-এ adjective-এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Example: She is a woman full of wisdom.

খ) Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb-এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ।
- সাধারণত verb কে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কীভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.
- যেমন: He often visits in the summer.

ঘ) Verb Phrase:
- যে phrase - verb-এর কাজ করে তাকে Verb Phrase বলে।
- যেমন: The police are trying to find the criminal.

Source: A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.

.
What is the antonym of the word "verbose"?
  1. Terse
  2. Detailed
  3. Progressive
  4. Descriptive
ব্যাখ্যা

Correct answer: Terse.

Verbose (adjective)
- English meaning: containing more words than necessary: wordy.
- Bangla meaning: বাগাড়ম্বরপূর্ণ; শব্দাড়ম্বরপূর্ণ।

Terse (adjective)
- English meaning: using few words : devoid of superfluity.
- Bangla meaning: বাহুল্যবর্জিত, সংক্ষিপ্ত এবং লাগসই।

Other options:
খ) Detailed
- English meaning: marked by abundant detail or by thoroughness in treating small items or parts.
- Bangla meaning: ক্ষুদ্র; বিশেষ তথ্য বা উপাত্ত; অনুপুঙ্খ; খুঁটিনাটি; আনুপুঙ্খিক তথ্য।

গ) Progressive
- English meaning: of relating to, or characterized by progress: such as using, involving, or interested in new or modern ideas.
- Bangla meaning: অগ্রগতিশীল; উন্নতিশীল; বৃদ্ধিশীল।

ঘ) Descriptive
- English meaning: presenting observations about the characteristics of someone or something: serving to describe.
- Bangla meaning: বর্ণনাত্মক; বর্ণনামূলক।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
Identify the correct spelling-
  1. Questionaire
  2. Questionoir
  3. Questionnaire
  4. Questionair
ব্যাখ্যা

Correct answer: Questionnaire.

Questionnaire (noun):

- English Meaning: A set of questions for obtaining statistically useful or personal information from individuals.
- Bengali Meaning: প্রশ্নাবলি; মতামত জরিপ কাজে ব্যবহৃত প্রশ্নমালা।

Example of sentences:
1. The questionnaire helps us collect data on consumer preferences.
2. Most of the staff who responded to the questionnaire were supportive.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
Who among the following is an Indian born British novelist?
  1. D.H. Lawrence 
  2. William Makepeace Thackeray
  3. Joseph Conrad
  4. Virgina Woolf
ব্যাখ্যা

Correct answer: William Makepeace Thackeray.

William Makepeace Thackeray:
- William Makepeace Thackeray was an Indian-born British novelist.
- He belongs to the Victorian period of English Literature.
- তিনি ভিক্টোরীয় যুগের অন্যতম সেরা প্রতিভাধর ও বুদ্ধিদীপ্ত লেখক হিসেবে পরিচিত। 
- তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগে Charles Dickens এর সমসাময়িক এবং তার ব্যঙ্গাত্মক লেখার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- William Makepeace Thackeray তার লেখায় ব্রিটিশ সমাজের নৈতিকতা ও ভণ্ডামি তুলে ধরতেন।

Best Works:
- Vanity Fair,
- The Virginians: A Tale of the Last Century,
- Catherine: A Story,
- The Newcomes,
- The Book of Snobs.

অন্যদিকে,
ক) D.H. Lawrence was a famous British author.

খ) Joseph Conrad ছিলেন একজন পোলিশ বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক।

গ) Virginia Woolf  ছিলেন একজন ব্রিটিশ লেখিকা।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

.
The judge let the suspect speak.
Here, speak is a/an-
  1. Infinitive
  2. Gerund
  3. Participle
  4. Verbal Noun
ব্যাখ্যা

Correct answer: Infinitive.
- The judge let the suspect speak.
- Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive বসে। তাই verb "speak" টি Infinitive.

• Infintive দুই রকম হতে পারে-
1.To-যুক্ত Infinitve এবং
2. To-বিহীন Infinitive বা Bare Infinitive.

• Bare Infinitive:
- Bare infinitive হলো ক্রিয়াপদের সেই রূপ যা 'to' ছাড়া ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত কিছু বিশেষ ক্রিয়া, যেমন make, let, help, see, hear, watch ইত্যাদির পরে বসে।
- Modals verbs যেমন: can, could, will, would, shall, should, may, might, must এর পরে সাধারণত bare infinitive বসে।
-"Had better" এবং "Would rather"-এর পরে: এই দুটি বাক্যাংশের পরেও bare infinitive বসে।
- যখন Do কোনো বাক্যে প্রধান ক্রিয়াপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তার পরে bare infinitive বসে।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
"Lady Chatterley's Lover," written by D.H. Lawrence is a- 
  1. Poem
  2. Short Story
  3. Novel
  4. Play
ব্যাখ্যা

Correct answer: Novel.

• Lady Chatterley's Lover:
- Modern Period এর স্বনামধন্য সাহিত্যিক D. H Lawrence রচিত ই উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে প্রথম England এ প্রকাশিত হয়।
- কিন্তু ১৯৫৯ সালে নিউইয়র্কে এবং ১৯৬০ সালে লন্ডনে এর সম্পূর্ণ বই টি প্রকাশ পায়।
- এই উপন্যাসটি লেখকের বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করে যে পুরুষ এবং মহিলাদের অবশ্যই শিল্পোন্নত সমাজের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে হবে এবং আবেগপ্রবণ প্রেমের জন্য তাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুসরণ করতে হবে।

Summary:
- Sir Clifford Chatterley একজন সম্পদশালী জমিদার; জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে যার কোমরের নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে।
- তিনি বিছানায় পড়ে থাকেন সারাদিন আর বইয়ের পাতায় ডুবিয়ে রাখেন নিজেকে।
- তার স্ত্রীর নাম Constanc (The Lady from the title) -যিনি স্বামীর অক্ষমতার কারণে শারীরিক এবং মানসিক অশান্তিতে ভুগে সারাদিন।
- একজন বই প্রকাশকের সাথে অসম্পূর্ণ এবং অবৈধ প্রণয়ের পর, তিনি একজন নিম্নবিত্ত এবং তার স্বামীর অধীনে চাকরি
করা Oliver Mellors এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন।।
- Oliver Mellors একজন নিম্নবিত্ত শ্রেণীর লোক, কিন্তু সুপুরুষ; Chatterley এর আহবান সে উপেক্ষা করতে পারে।
 
D.H. Lawrence:
- He was an English author.
- তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, সাহিত্য সমালোচক।
- তার novel Sons and Lovers, The Rainbow এবং Women in Love তাকে 20th century এর
সবচেয়ে influential English writers হিসেবে প্রকাশ করে।
- তার লেখা আধুনিকতাবাদ, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং শিল্পায়নের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করে, এবং একইসাথে মানুষের প্রবৃত্তি, যৌনতা ও প্রাণশক্তির পক্ষে কথা বলে।

His most famous novels are -
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Lovers,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

.
Which one of the following is a common Gender?
  1. Bee
  2. Friend
  3. Emperor
  4. king
ব্যাখ্যা

Correct answer: Friend.

• Friend
- English meaning: one attached to another by affection or esteem.
- Bangla meaning: বন্ধু; বান্ধব; সখা; সুহৃদ; মিত্র।

• Common Gender:
- যে Noun দ্বারা একই সাথে পুংবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয়কেই বুঝায় তাকে Common Gender বলা হয়।
- Example: Parent, Child, Baby, Cousin, Student, Orphan, Monarch, Friend, etc.

Other options-
ক) Bee- মৌমাছি; মধুকর; ভ্রমর।
- Bee হলো Drone (পুং মৌমাছি) এর feminine form.

গ) Emperor (রাজা) (Masculine gender)
- যার Feminine gender হলো Empress (রানী)।

ঘ) king (রাজা) Masculine gender,
- যার Feminine gender হলো Queen (রানী)।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
He passed the exam since ___________________.
  1. he studies hard.
  2. he studied hard.
  3. he will study hard.
  4. he is studying hard.
ব্যাখ্যা

Correct answer: he studied hard.
- Complete sentence: He passed the exam since he studied hard.
- এখানে Conjunction "Since" এর পূর্ববর্তী Clause টি Past tense হওয়ায় পরবর্তী Clause টিও Past tense হবে।

• বাক্যে principal এবং subordinate clause একই tense এর হওয়া বাঞ্ছনীয়।
- যদি principal clause present tense এ হয় তবে subordinate clause টি যেকোনো tense এর হয়ে পারে।
- দুইটি clause এর মাঝে কোনো conjunction আসলে তখন নিয়মানুযায়ী tense এর পরিবর্তন ঘটতে পারে।

Other options:
ক) he studies hard.
- বাক্যের Principal clause টি Past tense হওয়ায় পরবর্তী Clause টিও Past tense হবে। তাই এটি সঠিক নয়।

গ) he will study hard.
- বাক্যের Principal clause টি Past tense হওয়ায় পরবর্তী Clause টি ও Past tense হবে। এখানে পরবর্তী Clause টি Future tense এ আছে। তাই এটি সঠিক নয়।

ঘ) he is studying hard.
- বাক্যের Principal clause টি Past tense হওয়ায় পরবর্তী Clause টি ও Past tense হবে। এখানে পরবর্তী Clause টি Present tense এ আছে। তাই এটি সঠিক নয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
I need _______ to learn the new software operation.
  1. sometimes
  2. sometime
  3. some time 
  4. some times
ব্যাখ্যা

Correct answer: some time.
- Complete sentence: I need some time to learn the new software operation.
- বাক্যের অর্থ: আমার নতুন সফটওয়্যারের অপারেশন শিখতে কিছু সময় প্রয়োজন।
- এখানে কিছু সময় অর্থে শূন্যস্থানে "some time" বসবে।

Other options:
ক) Sometimes- মাঝে মাঝে।
- Ex: We sometimes go out for pizza on Fridays.

খ) sometime কোন এক সময়।
- Ex: She will return from her trip sometime in December.

ঘ) some times বলে কোনো শব্দ নেই।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১০.
The operator or pilot of an aircraft is called-
  1. Loco pilot
  2. Aviator
  3. Autopilot
  4. Flight attendants,
ব্যাখ্যা

Correct answer: Aviator.

Aviator
- English meaning: the operator or pilot of an aircraft and especially an airplane.
- Bangla meaning: - একজন বিমান, নভোযান বা বেলুনের চালক; বৈমানিক।

Other options:
ক) Loco pilot
English Meaning: A professional train driver.
Bangla Meaning: ট্রেন চালক।

গ) Autopilot
English Meaning: a device that keeps aircraft, spacecraft, and ships moving in a particular direction without human involvement.
Bangla Meaning: স্বয়ংক্রিয় পাইলট।

ঘ) Flight attendants
English Meaning: a person who attends passengers on an airplane.
Bangla Meaning: বিমান বালা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১.
A synonym for 'resentment' is-
  1. Fear
  2. Grievance
  3. Sympathy
  4. Panic
ব্যাখ্যা

Correct answer: Grievance.

• Resentment (noun)

- English Meaning: a feeling of indignant displeasure or persistent ill will at something regarded as a wrong, insult, or injury.
- Bangla Meaning: অসন্তুষ্টি; বিরতি; অপমানবোধ।

• Grievance (noun)

- English meaning:  a cause of distress (such as an unsatisfactory working condition) , forming the reason for complaint or resistance.
- Bangla meaning: দুঃখদুর্দশার কারণ; দুঃখদুর্দশা।

Other options: 
ক) Fear
- English meaning: an unpleasant emotion caused by the threat of danger, pain, or harm.
- Bangla meaning: ভয়; আতঙ্ক।

গ) Sympathy
- English meaning: a feeling or expression of sincere concern for someone who is experiencing something difficult or painful.
- Bangla meaning: সহানুভূতি; সমবেদনা; দরদ; কারুণ্য; অনুকম্পা; অনুবেদনা।

ঘ) Panic
- English meaning: of, relating to, or arising from a panic.
- Bangla meaning: দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এমন অবুঝ নিয়ন্ত্রণহীন আতঙ্ক।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২.
She ________ the job offer because the salary was too less.
  1. turned down 
  2. turned up
  3. turned bottom
  4. turned over
ব্যাখ্যা

Correct answer: turned down.
- She turned down the job offer because the salary was too less.
- চাকরির প্রস্তাবটি গ্রহণ না করা বা প্রত্যাখান করা অর্থে এখানে "turned down" বসেছে।

Turned down:
- English meaning: to refuse to accept or agree to something.
- Bangla meaning: প্রত্যাখ্যান করা।

Other options:
খ) turned up:
- English meaning: to appear or come to your attention.
- Bangla meaning: উপস্থিত হওয়া; আসা।

গ) turned bottom:
- কোনো অর্থবোধক phrase নয়।

ঘ) turned over:
- English meaning: to change the position of, as by rolling.
- Bangla meaning: উলটানো; উলটে যাওয়া; অবস্থান পরিবর্তন করা; আছাড় খাওয়া; পাশ ফেরা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩.
Please bring me a glass of water (Change into passive voice)
  1. You are ordered to bring me a glass of water.
  2. You are requested to bring me a glass of water.
  3. You are asked to bring me a glass of water.
  4. You are told to bring me a glass of water.
ব্যাখ্যা

Correct answer: You are requested to bring me a glass of water.
- Please দিয়ে শুরু হওয়া কোন Imperative sentence এর Voice change এর ক্ষেত্রে Please এর পরিবর্তে "You are requested" ব্যবহার করতে হয়।

• Please যুক্ত Imperative change এর voice change এর নিয়ম:
- ১ম এ Please এর পরিবর্তে "You are requested to" বসে।
- তারপর Verb এর base form বসে।
- তারপর Object + extension বসে।

Other options:
ক) You are ordered to bring me a glass of water.
- Please দিয়ে শুরু হওয়া কোন Imperative sentence এর Voice change এর ক্ষেত্রে Please এর পরিবর্তে "You are requested" ব্যবহার করতে হয়।তাই এটি সঠিক নয়।

গ) You are asked to bring me a glass of water.
- Please দিয়ে শুরু হওয়া কোন Imperative sentence এর Voice change এর ক্ষেত্রে Please এর পরিবর্তে "You are requested" ব্যবহার করতে হয়।তাই এটি সঠিক নয়।

ঘ) You are told to bring me a glass of water.
- Please দিয়ে শুরু হওয়া কোন Imperative sentence এর Voice change এর ক্ষেত্রে Please এর পরিবর্তে "You are requested" ব্যবহার করতে হয়।তাই এটি সঠিক নয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৪.
Choose the opposite meaning of the idiom 'swan song'- 
  1. The greatest work.
  2. Final performance before retirement.
  3. The debut performance.
  4. A sweet voice.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Final performance before retirement.

Swan song:

- English meaning: a farewell appearance or final act or pronouncement.
- Bangla meaning: শেষ কর্ম বা শেষ রচনা।

Debut:
- English meaning: The occasion when someone performs or presents something to the public for the first time.
- Bangla meaning:(অভিনেতা, গায়ক, গায়িকা, খেলোয়াড়) প্রকাশ্য মঞ্চে প্রথম উপস্থিতি; প্রথম প্রকাশ

সুতরাং, 'Swan song' এর opposite meaning হলো - The debut performance.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫.
What is the pseudonym of  William Sydney Porter?
  1. Boz
  2. O' Henry
  3. Elia
  4. Curren Bell
ব্যাখ্যা

Correct answer: O' Henry.

O' Henry (1862-1910):
- "William Sydney Porter" is the full name of the great American short story writer O' Henry.
- তিনি হচ্ছেন একজন American short-story writer whose tales romanticized the commonplace. -
- তিনি Modern Period এর একজন বিখ্যাত লেখক এবং তাঁর pseudonym O' Henry নামেই বেশি পরিচিত।
-
Henry is best known for his short stories.
- তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে তিনি ছোটগল্প লিখতেন।
- তার গল্পগুলোতে হাস্যরস, কাকতালীয়তা এবং চমকপ্রদ উপসংহার ছিল।
- এই চমকপ্রদ সমাপ্তিই তার গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

• His famous works:
- Heart of the West,
- The Gift of the Magi,
- Sixes and Sevens,
- Roads of Destiny,
- Cabbage and Kings,
- The Four million,
- The Voice of the city etc.

অন্যদিকে,
ক) Boz: Charles Dickens তার 'Oliver Twist' উপন্যাসটি "Boz" ছদ্মনামে লিখেছিলেন।

গ) Elia: Charles Lamb "Elia"  ছদ্মনাম এ লিখতেন।

ঘ) Curren Bell: Charlotte Bronte তাঁর এই "Jane Eyre" Novel টি "Curren Bell" ছদ্মনাম এ লিখেন।

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

১৬.
Can you tell me _______________ ?
  1. where is the train station.
  2. where station the train is.
  3. the train station is where.
  4. where the train station is.
ব্যাখ্যা

Correct answer: where the train station is.
- Complete sentence: Can you tell me where the train station is?
- Embedded question এর নিয়মানুসারে যেহেতু উল্লেখিত বাক্যের প্রথম অংশে প্রশ্ন বোধক বাক্য বসেছে তাই এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসবে এবং "wh" word এর পর subject বসবে।

Embedded question:
- বাক্যের মাঝে wh-word বসে যে প্রশ্ন তৈরি করে তাই embedded question.
- Embedded question, English Grammar এর এমন একটি নিয়ম যেখানে একটি assertive বাক্যের মধ্যে একটি interrogative বা প্রশ্নবোধক বাক্য সন্নিবেশিত করা হয়।
- এরা প্রশ্নের মত কিন্তু প্রশ্ন নয়।
- এমন বাক্যের প্রথম অংশে যেকোন এমনকি প্রশ্নবোধক বাক্য ও বসতে পারে।
- প্রশ্ন বোধক বাক্য প্রথম অংশে বসলে সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে এবং প্রশ্ন বোধক বাক্য প্রথম অংশে বসলে full stop হয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৭.
They entered ______ the building.(Choose the correct preposition)
  1. into
  2. to 
  3. on
  4. no preposition
ব্যাখ্যা

Correct answer: no preposition.

• Preposition: যেসব শব্দ noun বা pronoun এর পূর্বে বসে তার সাথে বাক্যের অন্যান্য শব্দের সম্পর্ক স্থাপন করে তাদের preposition বলে।যেমন: He is in the room.

• কখনো কখনো Preposition ব্যবহার করার দরকার হয় না।
- কিছু নির্দিষ্ট Verb-এর পরে কোনো Preposition বসে না। 
- যেমন: 'paint', 'attack', 'enter', 'mention', 'reach' ইত্যাদি Verb-এর পরে কোনো Preposition বসে না।
- Incorrect: They entered into the building.
- Correct: They entered the building.
- আবার 'Here' বা 'There'-এর পরে সাধারণত Preposition বসে না (যদি না অন্য কোনো Noun/Pronoun থাকে)। 
- যেমন: "Come here".

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৮.
The phrase "A soporific speech" means -
  1. Maiden speech
  2. That put one to sleep
  3. That makes people laugh
  4. A verbose speech
ব্যাখ্যা

Correct answer: That put one to sleep.

A soporific Speech

- English meaning: A speech causing sleep or making a person want to sleep.
- Bangla meaning: নিদ্রার উদ্রেক করে এমন বক্তৃতা, যা শ্রোতাকে ক্লান্ত ও চোখে ঘুমের উদ্রেক করে।

অন্যদিকে,
ক) Maiden speech: 
- পার্লামেন্টে নবাগত সদস্যের প্রথম ভাষণ বা First Speech.

খ) A speech of too many words is called:
- একটি দীর্ঘ ও শব্দবহুল বক্তৃতা বা "অতিরিক্ত শব্দপূর্ণ ভাষণ।

গ) That makes people laugh:
- এমন বক্তৃতা যা মানুষকে হাসায়।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৯.
A person showing strong feelings about something/somebody is-
  1. Complacent
  2. Ardent
  3. Confident
  4. Apprehensive
ব্যাখ্যা

Correct answer: ardent.

Ardent (adjective)
- English Meaning: showing strong feelings.
- Bengali meaning: অতিশয় আকুল বা অত্যন্ত উৎসাহী।

Other options:
Complacent:
- English Meaning: a feeling of calm satisfaction with your own abilities or situation that prevents you from trying harder.
- Bengali meaning: আত্মতুষ্ট; পরিতৃপ্ত।

Confident:
- English Meaning: being certain of your abilities or having trust in people, plans, or the future.
- Bengali meaning: আত্মবিশ্বাসী; আস্থাশীল; নিশ্চিত।

Apprehensive:
- English Meaning: feeling worried about something that you are going to do or that is going to happen.
- Bengali meaning: উদ্বিগ্ন; উৎকণ্ঠিত; শঙ্কিত।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২০.
"Paradise Lost" by John Milton is written in-
  1. Free verse
  2. Rhymed verse
  3. Blank verse
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

Correct answer: Blank verse.

Paradise Lost:
- Neo-classical period এর অন্যতম সাহিত্যিক John Milton রচিত একটি epic.
- The theme of Paradise Lost or 'Paradise Lost' attempted to - Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।

এই Epic এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Adam,
- Eve,
- Satan,
- Beelzebub,
- Raphael,
- Michael,
- Gabriel, etc.

John Milton:
- He was born in London, England in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry),
- -On Shakespeare (First published poem),
- Samson Agonistes,
- L'Allegro,
- Il Penseroso,
- Of Education,
- Areopagitica.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

২১.
ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয়-
  1. রেফ
  2. হসন্ত
  3. কার
  4. ফলা
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জনধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলা হয়। 

• ফলা:
- যখন কোনো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হতে গিয়ে ব্যঞ্জনবর্ণের মূল আকৃতি ছোট হয়ে যায়, তখন সেই সংক্ষিপ্ত রূপটিই ফলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে মোট ছয় ধরনের ফলা রয়েছে :
- ন-ফলা, ব-ফলা, ম-ফলা, য-ফলা, র-ফলা এবং ল-ফলা।
- ফলার ব্যবহার:
• ন/ণ-ফলা: কৃষ্ণ;
• ব-ফলা: বিশ্ব, সম্বল;
• ম-ফলা: আত্মা;
• য-ফলা: বিদ্যালয়;
• র-ফলা: প্রথম, শ্রেণি।

অন্যদিকে, 
• র-এর একটি বিশেষ অনুবর্ণ হলো রেফ, যা সাধারণত যুক্তব্যঞ্জনের শুরুতে ব্যবহৃত হয়, 
- যেমন বর্ণ, কর্ম ইত্যাদি।
• হসন্ত বাংলা লিপির একটি বিশেষ চিহ্ন ( ‌্ ),
- এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত স্বরধ্বনি অপসারণ করে ব্যঞ্জনটির উচ্চারণকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
• বাংলা ব্যাকরণে ‘কার’ বলতে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বোঝানো হয়।
- এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তার উচ্চারণে পরিবর্তন আনে। যেমন— আ-কার, ই-কার ইত্যাদি।
------------------------------
উল্লেখ্য, 
• ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপকে বলা হয় অনুবর্ণ। 
- অনুবর্ণ তিন ধরনের হয় : ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

• বর্ণসংক্ষেপ হলো সেই রূপ যা যুক্তবর্ণ গঠনের সুবিধার্থে বর্ণের আকার সংক্ষিপ্ত করে তৈরি হয়।
- বাংলা ভাষায় ভ, দ, ন, ম, ষ, স প্রভৃতি বর্ণ প্রায়ই এইভাবে সংক্ষেপিত রূপে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া ৎ বর্ণটি ত-এর একটি সংক্ষিপ্ত রূপ হলেও বাংলা বর্ণমালায় এটি স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২২.
বিধবার প্রেম নিয়ে কোন সাহিত্যিক উপন্যাস রচনা করেছে? 
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি'
  3. ’কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’
ব্যাখ্যা

- বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি'।

চোখের বালি:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের বালি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশ পায়। 
- গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিনোদিনী—শিক্ষিতা, সৌন্দর্যবতী, কিন্তু বাল্যবিধবা হওয়ায় সমাজ ও পরিবারের চোখে সে এক ‘চোখের বালি’, অর্থাৎ চক্ষুশূল।
- প্রধান চরিত্র: বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা, বিহারী, রাজলক্ষ্মী।
- এই উপন্যাসের বিশেষত্ব হলো চরিত্রগুলোর মনোজগতের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ।
- বিনোদিনীর আকাঙ্ক্ষা, মহেন্দ্রর চঞ্চলতা এবং আশালতার সরলতা - প্রত্যেকটি মানসিক স্তরকে রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- উপন্যাসে বিনোদিনী, মহেন্দ্র এবং বিহারীর সম্পর্কই মূল দ্বন্দ্ব তৈরি করে।
- আকর্ষণ, ঈর্ষা, মান–অভিমান ও প্রেমের টানাপোড়েন তাদের জীবনে অশান্তির ঝড় তোলে।
- রবীন্দ্রনাথ এখানে তৎকালীন সমাজের কঠোরতা, বিশেষত বিধবা নারীর প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।
- নারী–পুরুষের সম্পর্ক, বন্ধুত্ব, বৈবাহিক মূল্যবোধ - সবকিছুই সমাজের নিয়মে কীভাবে বাঁধা পড়ে, তাই গল্পজুড়ে ফুটে উঠেছে।

অন্যদিকে, 
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাসটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নারীর স্বাধীনতা, সামাজিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, প্রেমের জটিলতা এবং মানুষের অন্তর্গত সত্তার অনুসন্ধান।
- গল্পের নায়িকা কমলিকা একজন আধুনিক, মুক্তচিন্তার অধিকারী নারী, যার জীবন সংগ্রাম সমাজের প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংঘাতে ভরা।
- কমলের ভাবনা, ব্যক্তিত্ব ও সিদ্ধান্ত গল্পের প্রাণ।
- যেখানে সমাজের বাঁধাধরা ধারণা, নারীর অবস্থান এবং প্রেমের প্রকৃত অর্থকে প্রশ্নের মুখোমুখি করা হয়েছে।
- তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে কমলিকা ও তার চিন্তাধারা ছিল যেন এক ঝড়, যা পুরনো মানসিকতাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে নওরোজ পত্রিকায়।
- এটি নজরুলের অন্যতম রাজনৈতিক উপন্যাস।
- ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসে নজরুল তৎকালীন ভারতবর্ষের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বৈষম্য এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেছেন।
- গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর এক তরুণ বিপ্লবী;
- যার চোখ দিয়ে লেখক সমাজ, রাজনীতি ও ধর্মের নানা জটিলতা ও অন্যায়কে দেখিয়েছেন।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য উক্তি :
 “ইহারা মায়াবিনীর জাত; সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে, ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।”

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল রোমান্টিক ও কাব্যধর্মী উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
- ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় রচনা হলেও তাঁর শ্রেষ্ঠ কৃতির তালিকায় অন্যতম।
- বনবালিকা কপালকুণ্ডলা ও নবকুমারের নিষিদ্ধ প্রেম, সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলের আগ্রার নগরী ও অরণ্যের রহস্যময় পরিবেশ;
- এবং লোকবিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবতার দ্বন্দ্ব - এই উপন্যাসে বিশেষভাবে উন্মোচিত হয়েছে। 
- অরণ্যে এক কাপালিকের পালিতা কপালকুণ্ডলাকে ঘিরে গল্পের প্রবাহ তৈরি হয়;
- পরে সমাজপরিচয়হীন এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিবাহ এবং তাদের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে নানা দ্বন্দ্ব ও শেষ পর্যন্ত ট্র্যাজিক পরিণতি উপন্যাসটিকে আরও গভীরতা দেয়।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক সংলাপ— “পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?”—এই উপন্যাসেই উচ্চারিত হয়।
- প্রধান চরিত্র: কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা — ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

২৩.
উপসর্গযোগে গঠিত কোন শব্দটি ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অকাজ
  2. আবছায়া
  3. আলুনি
  4. নিখুঁত
ব্যাখ্যা

অভাব বোঝাতে খাঁটি বাংলা ‘আ’ উপসর্গযোগে গঠিত আলুনি ব্যবহৃত হয়েছে।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা ভাষার নিজস্ব ২১টি উপসর্গ আছে:
 - অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
- উল্লেখযোগ্য যে, আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।
- আনমনা এর ‘আন’ → দেশি উপসর্গ।
- খাঁটি বাংলা ‘আ’ উপসর্গের বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার:
∗ অভাব বোঝাতে ‘আ’ উপসর্গ:
- উদাহরণ: আধোয়া, আলুনি, আকাঁড়া।
∗ নিকৃষ্ট বা নিম্ন মান বোঝাতে ‘আ’ উপসর্গ:
- উদাহরণ: আগাছা, আকাঠা। 
---------------------------------------
অন্যদিকে,
- ‘আবছায়া’ শব্দে ‘আব’ উপসর্গ খাঁটি বাংলায় ‘অস্পষ্টতা’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ‘অ’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ নিন্দিত বা নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ: অকাজ, অকেজো, অবেলা, অপায়া।
- ‘নি’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘নিখুঁত’ শব্দে ব্যবহৃত হয়েছে, যা ‘নাই/নেতি’ অর্থ প্রকাশ করে।
--------------------------------------
• উপসর্গ:
- উপসর্গ এক ধরণের অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা কোনো শব্দ বা ধাতুর আগে যুক্ত হয়ে তার অর্থে পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায়।
- উপসর্গের নিজস্ব আলাদা অর্থ না থাকলেও শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থযুক্ত শব্দ গঠন করতে পারে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গ মোট তিন ধরনের— খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি উপসর্গ।

বিদেশি উপসর্গ:
- বিদেশি উপসর্গগুলো মূলত ফারসি, আরবি, উর্দু-হিন্দি, এবং ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে। পাশাপাশি কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে।
- তবে বিদেশি উপসর্গের তালিকা নির্দিষ্ট বা স্থির নয়।
- নিমরাজী' শব্দটিতে 'নিম' একটি বিদেশি উপসর্গ কারণ এটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
- ফারসি ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গ : না, নিম, ফি, বে, ব, দর, কার, বর, বদ, কম।
- আরবি উপসর্গ যেমন : আম, খাস, খয়ের,  গর্,  বাজে, লা।
-উর্দু উপসর্গ : হর।
- ইংরেজি উপসর্গ : হেড, সাব, ফুল, হাফ।

তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ হলো সেই উপসর্গ যা সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং সংস্কৃত ধাতু/শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে—যেমন প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
- নিখুঁত এর ‘নি’ = তৎসম উপসর্গ।
- অবহেলা এর ‘অব’ = তৎসম উপসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

২৪.
'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থটি কার সাহিত্যকর্ম?
  1. শওকত ওসমান
  2. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. হাসান আজিজুল হক
ব্যাখ্যা

• ‘দুধভাতে উৎপাত’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত গল্পসংকলন।

• ‘দুধেভাতে উৎপাত’:
- ‘দুধেভাতে উৎপাত’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ছোটগল্পের সংকলন
- ‘দুধেভাতে উৎপাত’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। 
- সংকলনটিতে মোট চারটি গল্প অন্তর্ভুক্ত :
∗ মিলির হাতে স্টেনগান,
∗ দুধেভাতে উৎপাত,
∗ পায়ের নিচে জল এবং
∗ দখল।
- সংকলনের গল্পগুলোতে বাস্তবধর্মী বর্ণনা, সমাজ-রাজনীতির সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ এবং গ্রাম-শহরের জীবনের টানাপোড়েন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
- এই গল্পগুলোতে আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য থেকে জন্ম নেওয়া বিভিন্ন সমস্যা বা ‘উৎপাত’ সাধারণ মানুষের জীবনে কীভাবে প্রভাব ফেলে—তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
- বিশেষ করে ‘মিলির হাতে স্টেনগান’ লেখা হয়েছে এমন এক সময়কে কেন্দ্র করে, যখন যুদ্ধশেষে অর্জিত স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে।
- এখানে ‘স্টেনগান’ শুধু একটি অস্ত্র নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা এবং সেই চেতনার বিপথে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। 
----------------------------------
• আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস:
- আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস (১৯৪৩–১৯৯৭) ছিলেন একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক।
- তিনি ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধার গোটিয়া গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত রচনার মধ্যে রয়েছে:
‘রেইনকোট’:
- গল্পটি ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে রচিত এবং ঢাকার পটভূমিতে নির্মিত। 
- গল্পে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের বর্বরতা, যুদ্ধাবস্থায় শহরের আতঙ্কগ্রস্ত জীবনযাপন, সাধারণ মানুষের অসহায়তা দেখান হয়েছে;
- পাশাপাশি প্রধান চরিত্র নুরুল হুদার মানসিক টানাপোড়েন গভীরভাবে চিত্রিত হয়েছে।
 - এটি ‘জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল’ গল্পগ্রন্থে সংকলিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।

• 'চিলেকোঠার সেপাই':
- আখতারুজ্জামান এর রচিত ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের পটভূমি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান;
- যেখানে তিনি সেই সময়ের গণ-আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সংগ্রামকে জীবন্তভাবে তুলে ধরেছেন।
- এটি ইলিয়াসের প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।

- তাঁর আরও কিছু রচনার মধ্যে রয়েছে:
•‘দোজখের ওম’ (ছোটগল্প সংকলন);
•‘চিলেকোঠার সেপাই’ (উপন্যাস);
•‘খোয়াবনামা’ (উপন্যাস);
• আর ‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ হলো ২২টি প্রবন্ধ নিয়ে গঠিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

২৫.
সমার্থক শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন-
  1. দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী
  2. শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
  3. গাঙ, তটিনী, অর্ণব
  4. স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু
ব্যাখ্যা

সমার্থক শব্দগুচ্ছ: শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ।
- শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ হল ‘নদী’ শব্দের সমার্থক রূপ।
- এছাড়া ও ‘নদী’ শব্দের বেশ কিছু সুন্দর সমার্থক রূপ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
- এর মধ্যে রয়েছে: নদ, নদনদী, তটিনী, প্রবাহিণী, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, নির্ঝরণী, গাঙ, সমুদ্রকান্তা, সমুদ্রদয়িতা, স্রোতবহা, মন্দাকিনী, স্রোতোবহ, কল্লোলিনী - ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ‘সিন্ধু’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- সাগর, সমুদ্র।
• ‘অর্ণব’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- সমুদ্র, সাগর, সিন্ধু, পারাবার, জলধি, বারিধি।
• ‘দীর্ঘিকা’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- দীঘি, বৃহৎ পুষ্করিণী, বড় পুকুর।
• ‘প্রণালি’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- পদ্ধতি, রীতি, প্রক্রিয়া, কৌশল, ব্যবস্থা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৬.
'প্রাতরাশ'-এর সন্ধিবিচ্ছেদ- 
  1. প্রাত + রাশ
  2. প্রাতঃ + রাশ
  3. প্রাতঃ + আশ
  4. প্রাত + আশ
ব্যাখ্যা

• 'প্রাতরাশ'-এর সন্ধি- প্রাতঃ + আশ।

• বিসর্গসন্ধি:
-  বিসর্গসন্ধি হলো এমন একটি সন্ধি যেখানে শব্দের শেষে থাকা বিসর্গ (ঃ) পরবর্তী স্বর বা ব্যঞ্জনের সঙ্গে মিলিত হয়ে উচ্চারণের সুবিধার্থে রূপ বদলায়।
- অনেক ক্ষেত্রে বিসর্গ লোপ পায়, কখনও ‘র্’ বা ‘স্’-জাত বিসর্গে রূপান্তরিত হয়, আবার কোথাও ‘ও’-কারে বা দীর্ঘ স্বরে পরিবর্তিত হয়।

• ‘র্’-জাত বিসর্গ:
- শব্দের শেষে থাকা র্ → বিসর্গ (ঃ) হয়ে পরবর্তী স্বরের সঙ্গে মিললে আবার র ধ্বনিতে ফিরে আসে।
- উদাহরণ:
- অন্তঃ + অঙ্গ = অন্তরঙ্গ।
- প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ।
- পুনঃ + উত্থান = পুনরুত্থান।
- অন্তঃ + গত = অন্তর্গত।

• ‘স্’-জাত বিসর্গ:
- যখন বিসর্গের পরে ক, খ, প, ফ প্রভৃতি ধ্বনি (বিশেষত অ/আ-কারের পর) আসে, তখন বিসর্গ ধ্বনি ‘স্’-এ রূপান্তরিত হয়। ফলে নতুন শব্দ গঠনে স যুক্ত হয়ে উচ্চারণ সহজ হয়।
- উদাহরণ :
- ভাঃ + কর → ভাস্কর।
- নমঃ + কার → নমস্কার।
-পুরঃ + কার → পুরস্কার।

• বিসর্গ → ‘ও’-কার বা বিসর্গধ্বনি:
- বিসর্গের পর যদি স্বরধ্বনি বা ঘোষ ব্যঞ্জন থাকে, তাহলে বিসর্গ অনেকসময় ও–কার বা তার কাছাকাছি ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়
- উদাহরণ:
- মনঃ + রম = মনোরম।
- মনঃ + তাপ = মনস্তাপ।

• বিসর্গ লোপ হয়ে স্বর দীর্ঘ হওয়া:
- বিসর্গ পরে র এলে বিসর্গ লোপ পায় এবং আগের স্বর দীর্ঘ হয়।
- উদাহরণ:
- নিঃ + রব = নীরব।
- নিঃ + রোগ = নীরোগ।

• বিসর্গ → ‘শ/ষ’ ধ্বনি:
- বিসর্গের পর শ / ষ আসলে বিসর্গ শ / ষ–এ পরিণত হয়।
- উদাহরণ:
- দুঃ + শাসন = দুঃশাসন।
- নিঃ + শব্দ = নিঃশব্দ।

• নিপাতনে সিদ্ধ (ব্যতিক্রম):
- এগুলো প্রচলিত নিয়ম মেনে হয়না ; তাই এগুলোকে ব্যতিক্রম হিসেবে ধরা হয়।
- উদাহরণ:
- বনস্পতি (বন্ + পতি)।
- পরস্পর (পর্ + পর)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৭.
নিচের কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ?
  1. জন্ম > জম্ম
  2. আজি > আইজ
  3. ডেস্ক > ডেক্স
  4. অলাবু > লাবু > লাউ
ব্যাখ্যা

- আজি > আইজ অপিনিহিতির উদাহরণ।

অপিনিহিতি:
- অপিনিহিতি ঘটে তখন, যখন শব্দে থাকা ‘ই-কার’ বা ‘উ-কার’ তার মূল অবস্থানের আগে উচ্চারিত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ:
• সত্য → সইত্য,
• চারি → চাইর,
• রাখিয়া → রাইখ্যা।
- এখানে ‘ই’ বা ‘উ’ ধ্বনির অগ্রসরণ লক্ষ্য করা যায়।

অন্যদিকে,
• জন্ম → জম্ম - সমীভবন এর উদাহরণ।
- সমীভবন – শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমান হয়ে যায়।
- উদাহরণ: কাদনা → কান্না।

• ডেস্ক → ডেক্স - ধ্বনি বিপর্যয় এর উদাহরণ।
- ধ্বনি বিপর্যয় – শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন।
- উদাহরণ: পিশাচ → পিচাশ,
- বাক্স → বাসক,
- লাফ → ফাল,
- রিক্সা → রিসকা,
- লোকসান → লোসকান।

• অলাবু → লাবু → লাউ - আদিস্বরলোপ এর উদাহরণ।

উল্লেখ্য, 
- আদিস্বরলোপ সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ এর প্রকার।
- সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ - যা মূলত দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্যবর্তী স্বরধ্বনি বাদ দেওয়া।
- সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ ৩ প্রকার :
আদিস্বরলোপ :  উদ্ধার → উধার → ধার।
• মধ্যবর লোপ : অগুরু → অণু, সুবর্ণ → স্বর্ণ।
• অন্ত্যস্বর লোপ :
- আশা → আশ,
- আজি → আজ,
- চারি → চার। 

উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১);
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ।

২৮.
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার প্রতিবাদী চরিত্র?
  1. চণ্ডীমঙ্গল
  2. মনসামঙ্গল
  3. ধর্মমঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা

চাঁদ সওদাগর বাংলা মনসামঙ্গল কাব্যধারার চরিত্র।

• মনসামঙ্গল:
- মনসামঙ্গল বাংলা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যধারার সবচেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় ধারা।
- ‘মনসামঙ্গল কাব্য’-এর আদি কবি কানহরিদত্ত হলেও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে স্বীকৃত বিজয়গুপ্ত।
- তিনি ‘পদ্মপুরাণ’ নামে এই কাব্য রচনা করেন, যেখানে দেবী মনসার জন্ম ও চাঁদ সওদাগরের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
- এছাড়া এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রতিষ্ঠা, তাঁর মাহাত্ম্য, শক্তি ও মানবজীবনে তাঁর প্রভাবকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।
- কাহিনীর মূল চরিত্র চাঁদ সওদাগর।
- তিনি প্রথমে মনসাকে তুচ্ছ করলেও পরে দেবীর অলৌকিক শক্তি স্বীকার করে নেন।
- এই বিরোধ, সংকট ও গ্রহণের মধ্য দিয়েই কাব্যের গল্প এগোতে থাকে।
- মনসামঙ্গলে কেবল পৌরাণিক আখ্যানই নয়, সমাজবাস্তবতার দিকও প্রকাশ পেয়েছে।
- চাঁদ ও মনসার দ্বন্দ্বে আর্য–অনার্য সংঘাত, দেব–মানব বিরোধ, এবং সমাজের শ্রেণী-বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছিল।
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র :
• দেবী মনসা,
• চাঁদ সওদাগর,
• বেহুলা,
• লক্ষিন্দর,
• সনকা ও
• নেতাইধোপানি।
- মধ্যযুগের সাহিত্যে চাঁদ সওদাগর সর্বাধিক প্রতিবাদী পুরুষ চরিত্র হিসেবে বিবেচিত;
- আর বেহুলা সেই যুগের সর্বাধিক প্রতিপ্রাণা নারী চরিত্র— যিনি স্বামীর প্রাণ রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত ছিলেন

উৎস: 
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস – মাহবুবুল আলম।
লাল নীল দীপাবলী বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী – হুমায়ুন আজাদ।

২৯.
'পেয়ারা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ফরাসী 
  2. হিন্দি
  3. পর্তুগিজ
  4. রুশ 
ব্যাখ্যা

পেয়ারা পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।

• পর্তুগিজ শব্দ:

- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু পর্তুগিজ শব্দ হলো:
• গির্জা,
•  চাবি,
• গুদাম,
• আলমারি,
• আনারস,
পেয়ারা,
• সাবান,
• কেরানি,
• পাদ্রি,
• বালতি,
• কেদারা,
• কামরা,
• জানালা,
• বারান্দা,
• আলমারি,
• গুদাম,
• পেঁপে,
• পাউরুটি,
• তোয়ালে,
• বোতাম ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- ফরাসী ভাষা থেকে আগত শব্দ- আয়োডিন, থিয়েটার, ইত্যাদি। 
- হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বহু শব্দ এসেছে, যেমন - 'জঙ্গল', ‘পালকি’,‘চাটনি’, ‘চামচা', 'হাওয়া', 'দোস্ত', 'পাগল', 'শহিদ', 'গুমটি', 'খানা', 'বাজার' ইত্যাদি। 
- রুশ ভাষা থেকে আগত শব্দ- 'কমরেড', 'বলশেভিক', ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩০.
বাংলা সাহিত্যে কোন লেখক “কালকূট” নামে পরিচিত?
  1. সমরেশ মজুমদার
  2. শওকত ওসমান
  3. সমরেশ বসু
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

সমরেশ বসুর ব্যবহৃত ছদ্মনাম ছিল ‘কালকূট’।

• বাংলা সাহিত্যে বহু লেখক বিভিন্ন নামে লিখেছেন, যেমন:
- মধুসূদন মজুমদারের ছদ্মনাম - দৃষ্টিহীন।
- বলাইচাঁদ বনফুল নামে লিখতেন। 
- প্রমথ চৌধুরী লিখতেন বীরবল নামে।
- প্যারীচাঁদ মিত্র–এর ছদ্মনাম ছিল টেকচাঁদ ঠাকুর।
- রোকনুজ্জামান ব্যবহার করেছেন দাদাভাই নামটি।
- শামসুর রহমান লিখতেন মজলুম আদিব নামে।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত–এর ছদ্মনাম ছিল টিমোথি পেনপয়েম।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় পরিচিত ছিলেন যাযাবর নামে।
- সৈয়দ মুজতবা আলী ব্যবহার করতেন প্রিয়দর্শী নামটি।
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখতেন তাঁর বিখ্যাত ছদ্মনাম নীল লোহিত ব্যবহার করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩১.
'রামগরুড়ের ছানা' বাগধারাটির অর্থ- 
  1. কাল্পনিক জন্তু
  2. গোমড়ামুখো লোক
  3. মুরগি
  4. পুরাণোক্ত পাখি
ব্যাখ্যা

‘রামগরুড়ের ছানা’ বলতে বোঝায় গোমড়ামুখো বা সবসময় রাগী-রাগী মুখ করা লোক।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- ধামাধরা : তোষামোদ করতে অভ্যস্ত ব্যক্তি,
- যমের দোসর : অত্যন্ত নিষ্ঠুর স্বভাবের মানুষ,
- ভাঁড়ে মা ভবানী : চরম দারিদ্র্য বা অত্যন্ত অভাবগ্রস্ত অবস্থা।
- বুদ্ধির ঢেঁকি : একেবারে বোকা বা নির্বোধ লোক,
- ফেকলু পার্টি : কদরহীন বা গুরুত্বহীন ব্যক্তি,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- চোখে ধুলো দেওয়া = প্রতারণা করা,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- তিলকে তাল করা = বাড়িয়ে বলা,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- সব শেয়ালের এক রা : ঐকমত্য,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাবিদ ব্যাকরণ।

৩২.
বর্ণ হচ্ছে- 
  1. শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ
  2. একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ
  3. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
  4. ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ
ব্যাখ্যা

বর্ণ হচ্ছে- ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক।
• বর্ণ:
- ভাষায় ভাব প্রকাশের জন্য উচ্চারিত ধ্বনিকে লেখায় রূপ দেওয়ার যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলা হয়।
- অর্থাৎ ধ্বনি কানে শোনা যায়;
- আর সেই ধ্বনির প্রতীক বর্ণ চোখে দেখা যায় এবং তা লিখে প্রকাশ করা হয়।
- ভাষার নির্মাণে বর্ণ মূল ভিত্তি, কারণ শব্দ গঠনের সবচেয়ে ছোট একক হলো বর্ণ।
- কোনো ভাষায় ব্যবহৃত সব বর্ণের সমষ্টিকে বর্ণমালা বলা হয়। 
- বাংলায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে—এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

- বাংলা বর্ণমালায় ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে
• স্বরবর্ণ: এ, ঐ, ও, ঔ;
• ব্যঞ্জনবর্ণ: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।

- আবার অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি:
• যার মধ্যে ১টি স্বরবর্ণ (ঋ) এবং
• ৭টি ব্যঞ্জনবর্ণ (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।

- বাকি ৩২টি বর্ণ পূর্ণমাত্রার - যেখানে ৬টি স্বরবর্ণ এবং ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।

উৎস: 
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১);
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ।

৩৩.
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত কোনটি?
  1. সমাজ
  2. পানি
  3. মিছিল
  4. নদী
ব্যাখ্যা

• জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত- নদী।

• বিশেষ্য:

- যে শব্দ দ্বারা ব্যক্তি, প্রাণী, বস্তু, স্থান, ধারণা বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য বলা হয়;
- যেমন: নদী, বই, বাংলাদেশ, সততা ইত্যাদি।
- বিশেষ্য পদের মাধ্যমে কোনো নামকে চিহ্নিত করা হয়- যেমন কলম, বই, আকাশ, সাগর, ফুল, ফল।
- এই নাম আবার ব্যবহার, অর্থ ও ধারণার ওপর ভিত্তি করে কয়েক ভাগে বিভক্ত।

• বিশেষ্যের ছয়টি প্রধান শ্রেণি:
১. নামবাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা কোনো প্রসিদ্ধ গ্রন্থের নাম বোঝানো হয় তাকে নামবাচক বিশেষ্য বলে।
- এটিকে সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যও বলা হয়।
- উদাহরণ:
∗ ব্যক্তি: কামাল, রবীন্দ্রনাথ, রহিম;
∗ স্থান: ঢাকা, মক্কা, নেপাল, বাংলাদেশ, ইত্যাদি।

২. জাতিবাচক বিশেষ্য:
- যে শব্দ কোনো একজাতীয় প্রাণী, বস্তু বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে।
-  উদাহরণ: মানুষ, ঘোড়া, গরু, নদী, পর্বত, ইংরেজ।

৩. বস্তুবাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য উপাদান বা দ্রব্যের নাম বোঝায় তাকে বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলা হয়।
- এ ধরনের বস্তুর পরিমাণ বোঝানো যায়, গণনা করা যায় না।
- উদাহরণ: পানি, দুধ, চিনি, লবণ, মধু, চাল।

৪. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য:
- যে শব্দ একদল ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুকে সমষ্টিগতভাবে বোঝায় তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলা হয়।
- উদাহরণ: জনতা, সমাজ, সভা, সমিতি, দল, ঝাঁক, কাফেলা, সমাজ, মিছিল।

৫. ভাববাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য কোনো কাজ বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে।
- উদাহরণ: দর্শন (দেখা), ভোজন (খাওয়া), শয়ন (শোয়া), শ্রবণ (শোনা)।

৬. গুণবাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য কোনো বস্তুর গুণ, দোষ, বৈশিষ্ট্য বা মানসিক অবস্থা বোঝায় তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে।
- উদাহরণ: সৌন্দর্য, সততা, বীর্য, সুখ, দুঃখ, তরলতার তারল্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

৩৪.
“পরানের গহীন ভিতর” কাব্যের লেখক কে?
  1. অসীম সাহা
  2. অরুণ বসু
  3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা

‘পরানের গহীন ভিতর’ কাব্যের রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক।

- সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রতিভাবান কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকার।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তার বহুমুখী অবদানের জন্য তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে সম্মানিত করা হয়।

- তাঁর প্রধান রচনা:
• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - নিষিদ্ধ লোবান।
• তাঁর সবচেয়ে বিতর্কিত উপন্যাস - খেলারাম খেলদে দে।

• কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- নুরলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন।

• গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীতের শেষ বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)।

• কাব্যগ্রন্থ: 
- একদা এক রাজ্যে,
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা, 
- পরানের গহীন ভিতর,
- বেজান শহরের জন্য কোরাস,
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে,
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৩৫.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নষ্টনীড়' গল্পের বিখ্যাত চরিত্র কোনটি? 
  1. বিনোদিনী
  2. হৈমন্তী
  3. আশালতা
  4. চারুলতা
ব্যাখ্যা

'নষ্টনীড়’:
- এটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয়।
- গল্পের কেন্দ্রবিন্দু চারুলতা, যে তার কর্মব্যস্ত স্বামী ভূপতির অবহেলায় একাকী ও নিঃসঙ্গ জীবন কাটায়।
- একাকীত্ব ও অতৃপ্তি থেকে তার মধ্যে জন্ম নেয় অমল নামক ভূপতির ছোট ভাইয়ের প্রতি সূক্ষ্ম মানসিক আকর্ষণ।
- এছাড়াও অমলের লেখালেখি ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংযোগ চারুলতার জীবনে নতুন অনুভূতির জন্ম দেয়।
- ‘নষ্টনীড়’ বা ভাঙা নীড় কেবল ঘর নয়, বরং সম্পর্কের ভিত্তি এবং মানসিক আশ্রয়স্থল ভেঙে যাওয়াকে বোঝায়।
- প্রধান চরিত্রগুলো হলো : চারুলতা, ভূপতি এবং অমল।
- গল্পটি মূলত উনিশ শতকের বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের বাস্তবতা এবং নারীর মনস্তত্ত্বের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে।
- এছাড়াও, এই ছোটগল্পের উপর ভিত্তি করে ১৯৬৪ সালে সত্যজিৎ রায় “চারুলতা” নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

অন্যদিকে,
• চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো আশালতা ও বিনোদিনী।
• ‘হৈমন্তী’ হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
- ‘হৈমন্তী’ ছোটগল্পের বিখ্যাত চরিত্র হলো ‘হৈমন্তী’।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
‘নষ্টনীড়’ ছোটগল্প।

৩৬.
বাংলা সাহিত্যে 'ভোরের পাখি' নামে অভিহিত করা হয়- 
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. রাজশেখর বসু
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যে 'ভোরের পাখি' বলা হয়- বিহারীলাল চক্রবর্তীকে।

• 
বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের একজন কবি এবং গীতিকার ছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে ও পরিচিত।
- বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি হিসেবে পরিচিত।
- ১৮৩৫ সালের ২১ মে কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল ফরাসডাঙ্গায় এবং তাঁদের আদি পারিবারিক পদবি ছিল ‘চট্টোপাধ্যায়’।
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিহারীলাল গীতি কবিতা শুনিয়েছে বলে তাকে বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ তাকে এ উপাধি দিয়েছেন। 
- বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয় কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করতেন যে তাঁর গীতিকবিতা বাংলা কবিতার নবজাগরণের সূচনা করেছিল, ঠিক যেমন ভোরের প্রথম পাখির ডাক নতুন দিনের আগমনী বার্তা বহন করে। তাঁর কাব্যধারা ছিল বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। 

• বিহারীলালের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ সারদামঙ্গল।
• বিহারীলালের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে:
- সঙ্গীতশতক;
- বন্ধুবিয়োগ;
 - প্রেমপ্রবাহিণী;
- নিসর্গসন্দর্শন;
- বঙ্গসুন্দরী;
- সারদামঙ্গল;
- নিসর্গসঙ্গীত;
- সাধের আসন এবং
- ধূমকেতু।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৩৭.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতা- 
  1. হুলিয়া
  2. তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া
  3. সোনালি কাবিন
  4. স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা

• "স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো চারকোটি পরিবার খাড়া রয়েছি তো!" পঙ্কতিগুলো 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতার অংশ।
- 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মিনার ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে লেখা হয়।

'স্মৃতিস্তম্ভ':
- স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার ? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো ! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
হীরের মুকুট নীল পরোয়ানা খোলা তলোয়ার
খুরের ঝটকা ধুলায় চূর্ণ যে পদ-প্রান্তে
যারা বুনি ধান
গুণ টানি, আর তুলি হাতিয়ার হাঁপর চালাই
সরল নায়ক আমরা জনতা সেই অনন্য ।
ইটের মিনার
ভেঙেছে ভাঙুক ! ভয় কি বন্ধু, দেখ একবার আমরা জাগরী
চারকোটি পরিবার ।
- আলাউদ্দিন আল আজাদের কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ (১৯৫৩) সংকলনে।
- কবি এখানে বলতে চেয়েছেন যে কংক্রিটের তৈরি মিনার ভেঙে গেলেও, জনতা বা "চার কোটি পরিবার" এখনো টিকে আছে এবং তাদের হৃদয়ে ভাষার জন্য যে মিনার তৈরি হয়েছে, তা কেউ ভাঙতে পারবে না। 
-----------------------------------------
আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- আলাউদ্দিন আল আজাদ (১৯৩২–২০০৯) ছিলেন একজন বহুমুখী সাহিত্যিক—শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক ও সমালোচক।
-১৯৩২ সালের ৬ মে নরসিংদীর রামনগর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- পাকিস্তান আমলে প্রগতিশীল ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকাই তাঁকে সাহিত্যচর্চায় গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।
- পঞ্চাশের দশকে তাঁর সাহিত্যজীবনের সূচনা হয় এবং খুব দ্রুতই তিনি সেই যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

∗ ষাটের দশকে তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র ও
- কর্ণফুলী।
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র অবলম্বনে সুভাষ দত্ত বসুন্ধরা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়।

∗ তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো:
- শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন;
- ক্ষুধা ও আশা।

∗ নাট্যকার হিসেবেও তিনি ছিলেন সফল; তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক:
- নিঃশব্দ যাত্রা ও
- নরকে লাল গোলাপ।

∗ তাঁর উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প: স্মৃতি তোমাকে ভুলবোনা।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৩৮.
'সংবাদ প্রভাকর' প্রথম প্রকাশিত হয় কার সম্পাদনায় 
  1. প্রমথ চৌধুরী 
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা

‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।

• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন একজন কবি ও সাংবাদিক।
- ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫ ফাল্গুন (মার্চ ১৮১২) পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার কাঞ্চনপল্লী বা কাঁচড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী কবি হিসেবে পরিচিত।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন যুগসন্ধিক্ষণের কবি (১৭৬১ – ১৮৬০)।
- তাকে যুগসন্ধিক্ষণের  কবি বলা হয় কারণ তার রচনায় মধ্যযুগের সাহিত্যরীতি ও বিষয়বস্তু যেমন ছিল, তেমনি আধুনিক যুগের প্রভাবও ছিল স্পষ্ট।
- তিনি ছিলেন দুই যুগের মেলবন্ধনের প্রতীক।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন।
- অল্পদিনের মধ্যেই এটি বন্ধ হলেও ১৮৩৬ সালে পুনরায় প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে ‘সংবাদ প্রভাকর’ বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকায় পরিণত হয়।
- এছাড়া ‘সংবাদ প্রভাকর’ ছাড়াও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকাও সম্পাদনা করেছিলেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে উদ্দেশ করে এই উক্তিটি করেন-  “এতো বড় প্রতিভা কেবলই ইয়ার্কিতে ফুরালো।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অসামান্য প্রতিভা মূলত ব্যঙ্গ-রসাত্মক ও অপ্রধান বিষয়নির্ভর রচনাতেই নষ্ট হয়েছে, যা সাহিত্যকে গভীরতা বা স্থায়ী মূল্য দিতে পারেনি।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
লাল নীল দীপাবলী বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী – হুমায়ুন আজাদ।

৩৯.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. মনোকষ্ট
  2. মনঃকষ্ট
  3. মণকষ্ট
  4. মনকস্ট
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান: মনঃকষ্ট।
• মনঃকষ্ট একটি বিশেষ্য পদ, যা সংস্কৃত শব্দ থেকে উদ্ভূত। 
- এর গঠন: মনস্‌ + √কষ্‌ + ত।
-অর্থ হলো মনের দুঃখ বা মনোবেদনা, এটি মানুষের অন্তর্গত মানসিক যন্ত্রণাকে বোঝায়।

• আরও কিছু শুদ্ধ বানান :
• শুদ্ধ বানান: আত্মসমর্পণ।
- আত্মসমর্পণ একটি ক্রিয়া, যার অর্থ হলো নিজের সমস্ত ক্ষমতা বা ইচ্ছা সমর্পণ করা।
- এটি সাধারণত সম্মান বা কর্তৃত্বের প্রতি নিজের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
• শুদ্ধ বানান: অভ্যন্তরীণ।
- অভ্যন্তরীণ একটি বিশেষণ, যার অর্থ হলো ভেতরের বা অন্তর্গত।
- এটি কোনো বস্তু বা ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য বা অবস্থান প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
• শুদ্ধ বানান: বিবেকবোধ।
- বিবেকবোধ একটি বিশেষ্য, যা ন্যায় ও অ-ন্যায় চিনতে সক্ষম হওয়ার ক্ষমতাকে বোঝায়।
- এটি মানুষের নৈতিক বোধ বা অন্তর্দৃষ্টি প্রকাশ করে।
• শুদ্ধ বানান: দ্বন্দ্ব।
- দ্বন্দ্ব একটি বিশেষ্য, যার অর্থ হলো বিরোধ বা সংঘাত।
- এটি সাধারণত মানুষের মধ্যে মতবিরোধ, লড়াই বা মতানৈক্যের পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
• শুদ্ধ বানান: ঈর্ষা।
- ঈর্ষা একটি বিশেষ্য।
- অর্থ: অন্যের সাফল্য বা সুখ দেখে মনের অসন্তোষ বা অপ্রসন্নতা।
• শুদ্ধ বানান: তৎপরতা।
- তৎপরতা একটি বিশেষ্য।
- অর্থ: কোনো কাজ সম্পাদনে সক্রিয়তা বা সতর্ক মনোভাব।
• শুদ্ধ বানান: সম্প্রীতি।
- সম্প্রীতি একটি বিশেষ্য।
- অর্থ: মানুষ বা সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য ও মৈত্রী।
• শুদ্ধ বানান: প্রজ্ঞা।
- প্রজ্ঞা একটি বিশেষ্য।
- অর্থ: গভীর জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতা।
• শুদ্ধ বানান: দুঃস্বপ্ন।
- দুঃস্বপ্ন একটি বিশেষ্য।
- অর্থ: খারাপ বা ভয়ঙ্কর স্বপ্ন, যা মানসিক কষ্ট সৃষ্টি করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪০.
জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস- 
  1. গঙ্গা
  2. পুতুলনাচের ইতিকথা
  3. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
  4. গৃহদাহ
ব্যাখ্যা

• গঙ্গা:
- সমরেশ বসুর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা ‘গঙ্গা’ ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট অবিভক্ত ২৪ পরগনার গঙ্গাতীরবর্তী মৎস্যজীবী সমাজের জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে রচিত।
- এখানে জেলে-জীবনের অনিশ্চয়তা, প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই, ক্ষুদ্র আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং তাদের বিশ্বাস–সংস্কারের বাস্তব চিত্র জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
- লেখক চরিত্রকে আলাদা করে নয়, বরং পুরো জেলে-সমাজের সামষ্টিক টানাপোড়েনকে প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছেন।
- গল্পে নিবারণ, তার ভাই পাঁচু, ছেলে বিলাস, হিমি, পাচী (ছায়া), বশীর, রসিক, দুলাল, অমর্তের বউ, দামিনী, আতর, ব্রজেন ঠাকুর—এমন বহু চরিত্র রয়েছে।
- কিন্তু মূল কেন্দ্রে রয়েছে নিবারণ;
-তাকে ঘিরেই উপন্যাসে নির্মিত।
- সমগ্র উপন্যাসে গঙ্গা নদী যেন নিজেই এক শক্তিশালী চরিত্র, যার বুকে জেলেদের টিকে থাকার লড়াই উপন্যাসের প্রধান সুর।

অন্যদিকে,
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুলনাচের ইতিকথা এমন এক উপন্যাস, যেখানে গ্রামের মানুষদের জীবনকে নিয়তির বাঁধনে আটকে থাকা পুতুলের মতো দেখানো হয়েছে।
- গল্পে দেখা যায় যে, ডাক্তার শশী শহর থেকে গ্রামে ফিরে আসার পর কুসুমের প্রতি তার পুরনো অনুভূতি আবার জেগে ওঠে।
- কিন্তু গ্রাম্য পরিবেশ, মানুষজনের কথা, আর নিজের দ্বিধা–দ্বন্দ্ব তাকে এগোতে দেয় না।
- শশী, কুসুম, পরাণ ও অন্যদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে মানুষের ভালোবাসা, হতাশা, ভীতি এবং নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণহীনতার যন্ত্রণা ধরা পড়ে।
- পুরো উপন্যাসে ‘পুতুলনাচ’ মূলত এই কথাই বুঝিয়েছে যে, মানুষ যেন সমাজের সুতোয় বাঁধা, নিজের চাওয়া-পাওয়া থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতির দোলনায় নড়ে।
- শশী–কুসুমের অসম্পূর্ণ সম্পর্ক সেই সীমাবদ্ধ জীবনেরই প্রতীক।

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাঁসুলী বাঁকের উপকথা মূলত একটি গ্রামীণ সমাজের পরিবর্তনের গল্প।
- বীরভূমের হাঁসুলী বাঁক এলাকার কাহার সম্প্রদায়ের জীবন, তাদের পুরোনো বিশ্বাস ও আচার;
- এবং নতুন যুগের প্রভাবের সঙ্গে তাদের টানাপোড়েন - সব মিলিয়ে এই উপন্যাসে গ্রামবাংলার বাস্তবতা ও সামাজিক রূপান্তরের শক্তিশালী চিত্র ফুটে উঠেছে।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ
প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালে ভারতবর্ষ পত্রিকায়।
- উপন্যাসের কেন্দ্র গড়ে উঠেছে অচলা, সুরেশ ও মহিম এই তিনজনের ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়ে।
- যেখানে প্রেমের সাথে যুক্ত হয় সন্দেহ, সংঘাত ও মানসিক টানাপোড়েন।
- অচলাকে ঘিরে মহিম ও সুরেশের দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে গভীর সংকটে পরিণত হয়।
- এখানে ‘গৃহদাহ’ মানে শুধু ঘরের আগুন নয় বরং মানুষের ভেতরের ভালোবাসার ঘর পুড়ে যাওয়াও বোঝায়।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৪১.
√(- 18) × √(- 2) = কত?
  1. - 6
  2. 6i
  3. - 6i
  4. 6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: √(- 18) × √(- 2) = কত?

সমাধান:
√- 18 × √- 2
= √{18(i2)} × √{2(i2)} [i2 = - 1]
= 3√(2)i × √(2)i
= 3 × 2 × i2
= 6 × (- 1)
= - 6

৪২.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১২ একক এবং অপর সমান বাহুদ্বয়ের প্রতিটি ১০ একক। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?
  1. ২৪ বর্গএকক
  2. ৩৬ বর্গএকক
  3. ৪৮ বর্গএকক
  4. ৬০ বর্গএকক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১২ একক এবং অপর সমান বাহুদ্বয়ের প্রতিটি ১০ একক। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?

সমাধান:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহু a একক এবং ভূমি b একক হলে,
ক্ষেত্রফল = (b/4) × √(4a2 − b2)

এখানে,
a = ১০, b = ১২

∴ ক্ষেত্রফল = (১২/৪) × √{৪(১০) - (১২)] বর্গএকক
= ৩ × √(৪০০ - ১৪৪) বর্গএকক
= ৩ × √২৫৬ বর্গএকক
= ৩ × ১৬ বর্গএকক
= ৪৮ বর্গএকক

৪৩.
REASONING - শব্দটির আয়নায় প্রতিবিম্ব নিচের কোনটি হবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: REASONING - শব্দটির আয়নায় প্রতিবিম্ব নিচের কোনটি হবে?


সমাধান:
REASONING - শব্দটির আয়নায় প্রতিবিম্ব হবে নিম্নরূপ:

সঠিক উত্তর: (খ)

৪৪.
কোনো কলেজে ৬৫% শিক্ষার্থী গণিত এবং ৭৫% শিক্ষার্থী পদার্থবিজ্ঞানে পাস করেছে। কিন্তু ১৫% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে। যদি উভয় বিষয়ে ২৭৫ জন শিক্ষার্থী পাস করে থাকে তবে ঐ কলেজে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে?
  1. ৪৫০ জন 
  2. ৫০০ জন 
  3. ৬০০ জন 
  4. ৭২০ জন 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো কলেজে ৬৫% শিক্ষার্থী গণিত এবং ৭৫% শিক্ষার্থী পদার্থবিজ্ঞানে পাস করেছে। কিন্তু ১৫% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে। যদি উভয় বিষয়ে ২৭৫ জন শিক্ষার্থী পাস করে থাকে তবে ঐ কলেজে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে?

সমাধান:
উভয় বিষয়ে ফেল করে = ১৫%
শুধু গণিতে ফেল = (৩৫ - ১৫)% = ২০%
শুধু পদার্থবিজ্ঞানে ফেল = (২৫ - ১৫)% = ১০%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = {১০০ - (২০ + ১০ + ১৫)}%
= ৫৫%

প্রশ্নমতে,
৫৫% = ২৭৫ জন
বা, ১% = ২৭৫/৫৫ জন 
বা, ১০০% = (২৭৫ × ১০০)/৫৫ জন 
= ৫০০ জন

৪৫.
|x - 3| < 4 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m < 2x + 7 < n হবে?
  1. m = 5, n = 21
  2. m = 4, n = 20
  3. m = 3, n = 22
  4. m = 2, n = 18
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |x - 3| < 4 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m < 2x + 7 < n হবে?

সমাধান:
|x - 3| < 4
বা, - 4 < x - 3 < 4
বা, - 4 + 3 < x - 3 + 3 < 4 + 3
বা, - 1 < x < 7
বা, - 2 < 2x < 14
বা, - 2 + 7 < 2x + 7 < 14 + 7
∴ 5 < 2x + 7 < 21

m < 2x + 7 < n এর সাথে তুলনা করে পাই,

∴ m = 5 এবং n = 21

৪৬.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 36
  2. 4
  3. 6
  4. 46
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
প্রথম কলামে,
27 - 7 × 2 = 13

দ্বিতীয় কলামে,
144 - 45 × 2 = 54

অতএব,
তৃতীয় কলামে,
68 - 32 × 2 = 4

∴ প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 4 বসবে।

৪৭.
যদি চিনির মূল্য ৫০% বৃদ্ধি পায়, তবে চিনির ব্যবহার শতকরা কত কমালে চিনি বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ২৫%
  2. ৩৩.৩৩%
  3. ৪০%
  4. ৪৫.৬%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি চিনির মূল্য ৫০% বৃদ্ধি পায়, তবে চিনির ব্যবহার শতকরা কত কমালে চিনি বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?

সমাধান:
চিনির মূল্য ৫০% বৃদ্ধি পেলে,
বর্তমান মূল্য = (১০০ + ৫০) = ১৫০ টাকা

খরচ অপরিবর্তিত রাখতে হলে ১৫০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে ৫০ টাকার সমপরিমাণ।

১৫০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ৫০ টাকা
∴ ১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ৫০/১৫০ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = (৫০ × ১০০)/১৫০ টাকা
= ১০০/৩ টাকা
= ৩৩.৩৩ টাকা (প্রায়)

৪৮.
নিচের কোন ভগ্নাংশটি বৃহত্তম?
  1. ২/৩
  2. ৩/৪
  3. ৫/৯
  4. ৭/১২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন ভগ্নাংশটি বৃহত্তম?

সমাধান:
২/৩ = ০.৬৬
৩/৪ = ০.৭৫
৫/৯ = ০.৫৫
৭/১২ = ০.৫৮

এখানে বৃহত্তম ভগ্নাংশটি হলো ৩/৪

৪৯.
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

৫০.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. Sacriligious
  2. Acquintance
  3. Millennium
  4. Neccessary
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি সঠিক?

সমাধান:
সঠিক বানান: Millennium.
শব্দটির অর্থ হলো সহস্রাব্দ।
১,০০০ বছর = ১ সহস্রাব্দ।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
Sacriligious = Sacrilegious.
Acquintance = Acquaintance.
Neccessary = necessary

৫১.
বার্ষিক ১৫% মুনাফায় ৬০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
  1. ৭৮০ টাকা
  2. ৭৯৩.৫ টাকা
  3. ৮০৫.৩৩ টাকা
  4. ৮২০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ১৫% মুনাফায় ৬০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

সমাধান:
এখানে, মূলধন, p = ৬০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ১৫%
সময়, n = ২ বছর

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = p(১ + r/১০০)n
= ৬০০(১ + ১৫/১০০)
= ৬০০ × (১১৫/১০০)
= ৬০০ × (২৩/২০)
= ৬০০ × ৫২৯/৪০০
= ৭৯৩.৫ টাকা

৫২.
  1. 36√3
  2. 45
  3. 52
  4. 68
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

৫৩.
০.১৮ + ০.০০১৮ + ০.০০০০১৮ + ........ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল-
  1. ২/১১
  2. ৪/৩৩
  3. ১/১২
  4. ৮/১৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ০.১৮ + ০.০০১৮ + ০.০০০০১৮ + ........ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল-

সমাধান:
প্রদত্ত ধারা: ০.১৮ + ০.০০১৮ + ০.০০০০১৮ + ......
এখানে,
প্রথম পদ, a = ০.১৮
সাধারণ অনুপাত, r = ০.০০১৮/০.১৮ = ০.০১

যেহেতু |r| < ১, সেহেতু ধারাটির অসীম সমষ্টি বিদ্যমান।

আমরা জানি,
অসীম পদের সমষ্টি, S = a/(১ - r)
∴ S = ০.১৮/(১ - ০.০১)
= ০.১৮/০.৯৯
= ১৮/৯৯
= ২/১১

৫৪.
দুইটি ছক্কা একত্রে নিক্ষেপ করা হলে তাদের গুণফল জোড় সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 2/3
  2. 1/6
  3. 3/4
  4. 1/12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি ছক্কা একত্রে নিক্ষেপ করা হলে তাদের গুণফল জোড় সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
ছক্কা দুইবার নিক্ষেপ করলে মোট ঘটনা = 6 × 6 = 36

গুণফল জোড় হওয়ার জন্য অন্তত একটি সংখ্যা জোড় হতে হবে।

গুণফল বিজোড় হওয়ার ঘটনা = উভয় সংখ্যা বিজোড় হলে
= {(1, 1), (1, 3), (1, 5), (3, 1), (3, 3), (3, 5), (5, 1), (5, 3), (5, 5)} = 9 টি

∴ গুণফল জোড় হওয়ার ঘটনা = 36 - 9 = 27 টি

∴ সম্ভাবনা = 27/36 = 3/4

৫৫.
দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন রঙ মূলত কোন কারণে দেখা যায়?
  1. কম্পাঙ্ক স্থির থাকার কারণে 
  2. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার কারণে 
  3. আলোর বেগ পরিবর্তনের কারণে 
  4. আলোর তীব্রতা পরিবর্তনের কারণে 
ব্যাখ্যা

- দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন রঙ মূলত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার কারণে দেখা যায়। 

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 

- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র। 
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনী, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনী আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে
  2. বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করতে পারে 
  3. এটি নির্ভূলভাবে কাজ করতে পারে 
  4. এটি অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করতে পারে
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয়- নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে। 

কম্পিউটার: 
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা(আইকিউ- Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই।
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল-
• বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা,
• নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং
• অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
ডায়াবেটিস রোগের প্রধান কারণ কী? 
  1. রক্তে অক্সিজেনের অভাব 
  2. ভিটামিনের ঘাটতি
  3. ইনসুলিনের অভাব 
  4. অতিরিক্ত পানি পান 
ব্যাখ্যা

- ডায়াবেটিস রোগের প্রধান কারণ হচ্ছে- ইনসুলিনের অভাব। 

ডায়াবেটিস রোগ: 

- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন হরমোন নির্গত হয় যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না, যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৮.
ব্লুটুথ (Bluetooth) এর উদ্ভাবক কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. নোকিয়া
  2. আইবিএম
  3. সনি
  4. এরিকসন
ব্যাখ্যা

ব্লুটুথ (Bluetooth): 
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়। 
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৫৯.
‘টেস্টিং সল্ট’ হিসেবে কোন লবণ ব্যবহৃত হয়?
  1. সোডিয়াম ক্লোরাইড 
  2. সোডিয়াম গ্লুটামেট 
  3. পটাশিয়াম নাইট্রেট 
  4. অ্যামোনিয়াম ফসফেট 
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- লবণ হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 
- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে যা সাধরণ লবণ বা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত। তরকারি ছাড়াও আরও অনেক খাবার যেমন- পাউরুটি, আচার, চানাচুর ইত্যাদিতে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়। 
- খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য সোডিয়াম গ্লুটামেট লবণ ব্যবহার করা হয় যা 'টেস্টিং সল্ট' নামে পরিচিত। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য যে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়, সেই চুনাপাথর একটি লবণ। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬০.
কোন মাধ্যমের মাধ্যমে শব্দ অতিক্রম করতে পারে না? 
  1. বায়ু 
  2. শূন্য
  3. পানি
  4. ইস্পাত
ব্যাখ্যা

 - শূন্য মাধ্যমের মাধ্যমে শব্দ অতিক্রম করতে পারে না। 

শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬১.
কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস নয় কোনটি?
  1. অ্যাভাস্ট 
  2. নরটন
  3. ভিয়েনা
  4. এভিরা
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার ভাইরাস: 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের
ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
-  কয়েকটি অ্যান্টি-ভাইরাসের নাম হলো: এভিজি, এভিরা,  অ্যাভাস্ট, নরটন ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬২.
যে স্থানে g-এর মান বেশি, সেখানে বস্তুর ওজন কেমন হয়? 
  1. বেশি 
  2. কম 
  3. শূন্য 
  4. অপরিবর্তিত
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন: 
- বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
- একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। 
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- মেরু অঞ্চলে g - এর মান বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজনও বেশি। 
- আবার পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজনও শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬৩.
ইলেকট্রনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. চার্জহীন
  2. ভরহীন 
  3. ধনাত্মক চার্জধারী
  4. ঋণাত্মক চার্জধারী 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 

প্রোটন: 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
(12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?
  1. 1010
  2. 0100
  3. 0011
  4. 1100
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?

সমাধান: 
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011  ।

৬৫.
সূর্য কী?
  1. ধূমকেতু
  2. নক্ষত্র 
  3. গ্রহ
  4. উপগ্রহ
ব্যাখ্যা

সূর্য: 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- এটি একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড। 
- এটি হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৬.
কাগমারী সম্মেলনের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2.  মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  4. চিত্তরঞ্জন দাস
ব্যাখ্যা

কাগমারী সম্মেলন :
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন।
- স্থান: টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষ।
- সম্মেলনের সভাপতি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের প্রতি 'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৬৭.
কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেল ৭(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
  4. অনুচ্ছেদ ৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ৭খ: 
- সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।
• ৭খ অনুচ্ছেদের বিস্তারিত:
সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।

উল্লেখ্য,
- ৭নং অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- ৭ক অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং
- ৮নং অনুচ্ছেদে ''রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ'' উল্লেখিত রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৮.
বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?
  1. IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
  2.  IDA credit-এর মাধ্যমে
  3. বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে
  4. প্রবাসীদের পাঠানাে remittance-এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ও বাণিজ্য ঘাটতি :
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) অন্যতম কাজ - সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি দূর করণে ব্যবস্থা করা।
- বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য IMF তার সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের ঋণ প্রদান করে থাকে (Bailout Package - এর মাধ্যমে)।
- বাংলাদেশও IMF এর সদস্য হিসাবে Bailout Package - এর মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- প্রবাসীদের পাঠানো remittance বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করে, কিন্তু পুরোপুরি ভারসাম্য আনতে পারে না।

উৎস: ব্রিটানিকা, OSMBA প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
IFC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Financial Committee
  2. International Finance Commission
  3. International Fiscal Committee
  4. International Finance Corporation
ব্যাখ্যা

IFC:
- IFC-এর পূর্ণরূপ: International Finance Corporation.
- IFC ১৯৫৬ সালের ২০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৬টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে আর্থিক সহযোগীতা করে ও উপদেশ দিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
• প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
- International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
- International Finance Corporation (IFC).
- Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
- International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
- International Development Association (IDA).

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

৭০.
পানামা খাল কোন দুইটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. আমেরিকা ও এশিয়া
  3. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ইউরোপ ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

পানামা খাল :
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- পানামা খাল উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ও  ব্রিটানিকা।

৭১.
কোনটি সূর্যোদয়ের দেশ নামে পরিচিত?
  1. নরওয়ে
  2. জাপান
  3. তিব্বত
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

জাপান:
- এশিয়ার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র জাপান।
- এটি উত্তর-পূর্ব-দক্ষিণ-পশ্চিম বৃত্তে অবস্থিত এক বিশাল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- পশ্চিম উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে প্রায় ১,৫০০ মাইল (২,৪০০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রায় সমগ্র ভূমি এলাকা দেশের চারটি প্রধান দ্বীপ দ্বারা দখল করা হয়েছে; উত্তর থেকে দক্ষিণে এগুলি হল- হক্কাইডো, হনশু, শিকোকু, এবং কিউশু।
- পূর্ব-মধ্য হোনশুতে অবস্থিত জাতীয় রাজধানী টোকিও (টোকিও) বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহরগুলির মধ্যে একটি।
- সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় জাপানকে।

• পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম-
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭২.
১৯৫২ সালে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিমউদ্দিন
  2. নুরুল আমিন
  3. গোলাম মুহাম্মদ
  4. লিয়াকত আলী খান
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন:
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী- খাজা নাজিমউদ্দিন, 
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী- নুরুল আমিন
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল-  গোলাম মুহাম্মদ।

উল্লেখ্য,
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ও বিবিসি বাংলা নিউজ।

৭৩.
হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
  1. কর্ণফুলী নদী
  2. পদ্মা নদী
  3. মেঘনা নদী
  4. ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদ :
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

উল্লেখ্য,
- কর্ণফুলী নদী মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম কী?
  1. কেওক্রাডাং
  2. গারো
  3. লুসাই
  4. জয়ন্তিকা
ব্যাখ্যা

গারো পাহাড় :
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ও সবচেয়ে উঁচু পাহাড় নাম- গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণি।
- মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো-খাসিয়া পর্বতশ্রেণির একটি অংশকে গারো পাহাড় বলে।
- এর কিছু অংশ রয়েছে ভারতের আসাম রাজ্যে ও বাংলাদেশের শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাগুলো এ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের মোট আয়তন প্রায় আট হাজার ১৬৭ বর্গকিলোমিটার।
- গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম নকরেক, যা ভারত অংশে অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৪ হাজার ৬৫২ ফুট বা এক হাজার ৪০০ মিটার।
- মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলং এ পাহাড়েই অবস্থিত।
- গারো পাহাড় বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি।

অন্যদিকে,
- তাজিংডং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৫.
ফারাক্কা বাঁধ কোন নদীর উপর অবস্থিত?
  1. কর্ণফুলী নদী
  2. তিস্তা নদী
  3. ব্রহ্মপুত্র নদ
  4. গঙ্গা নদী
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- যার অবস্থান বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের শেষ হয় ১৯৭৫ সালে।
- সেই বছর ২১ এপ্রিল থেকে বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা নিউজ।

৭৬.
পিএলও (PLO) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০
  2. ১৯৬৪
  3. ১৯৬৯
  4. ১৯৭২
ব্যাখ্যা

পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- পিএলও প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- এর সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৭.
সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়?
  1. দ্বিতীয় তফসিল
  2. তৃতীয় তফসিল
  3. চতুর্থ তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে চতুর্থ তফসিলের অপব্যবহার করা হয়।
• বাংলাদেশে সংবিধান:
- মোট ৭টি তফসিল আছে।
এগুলো হলো- 
- প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)। 
- তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী। 
- পঞ্চম তফসিল - বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল - বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল - মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৮.
'ওয়ানগালা' কাদের উৎসব?
  1. চাকমাদের
  2. গারোদের
  3. ত্রিপুরাদের
  4. সাঁওতালদের
ব্যাখ্যা

'গারো' উপজাতি:
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস- ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়া, শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।

উল্লেখ্য,
- চাকমাদের প্রধান উৎসবের নাম বিঝু।
- বৈসুক ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসবের নাম।
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের প্রধান উসব।

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

৭৯.
মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস কোনটি?
  1. সমাজ
  2. গোষ্ঠী
  3. পরিবার
  4. বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ :
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরণের মাধ্যমে।
- তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।
- শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৮০.
United Nations Conference on Trade and Development (UNCTAD) -এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. জেনেভা
  2. নিউইয়র্ক
  3. হেগ
  4. ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা

UNCTAD :
- UNCTAD -পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Trade and Development বা জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন।
- এটি ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে।
- UNCTAD এর সদরদপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫। (জানুয়ারি-২০২৬)
- সংস্থাটি বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

• জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) বাৎসরিক যে রিপোর্টগুলো প্রকাশ করে সেগুলো হল:
- The Trade and Development Report,
- The Trade and Environment Review,
- The World Investment Report,
- The Least Developed Countries Report,
- The Technology and Innovation Report,
- Digital Economy Report ইত্যাদি।

উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট।

৮১.
দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. মার্চ
  3. জুলাই
  4. ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

গোলার্ধ:
- নিরক্ষরেখা নামক একটি কাল্পনিক রেখা উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে বিভক্ত করে।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত স্থানগুলি উত্তর গোলার্ধের অংশ।
- নিরক্ষরেখার দক্ষিণে স্থানগুলি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
 আফ্রিকার কিছু অংশ, দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ এবং সমস্ত অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

• দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮২.
কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
  1. সৌদি আরব
  2. আলবেনিয়া
  3. তুরস্ক
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা

ন্যাটো (NATO) :
- NATO এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ১২টি।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- ন্যাটোর মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- অনুচ্ছেদ- ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৮৩.
বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন কতটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল?
  1. চারটি
  2. ছয়টি
  3. আটটি
  4. নয়টি
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন :
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
- চারটি স্তম্ভ হলো:
১. দায়িত্বশীলতা
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো ও
৪. অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

৮৪.
'হেলসিঙ্কি' কোন দেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর?
  1. ডেনমার্ক
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ড
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা

ফিনল্যান্ড :
- হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড।
- ফিনল্যান্ড নর্ডিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হেলসিঙ্কি।
- দেশটি ঘন বনাঞ্চলে পূর্ণ এবং পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপের সীমান্ত তৈরি করে আছে।
- ফিনল্যান্ডের পশ্চিম সীমান্তবর্তী দেশ সুইডেন ও পূর্ব সীমান্তবর্তী দেশ রাশিয়া।
- ১৮০৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘদিন ফিনল্যান্ড সুইডেনের উপনিবেশ ছিল।
- এই সময়টাতে সুইডেন ফিনল্যান্ডকে তাদের উপনিবেশ হিসাবে ব্যবহার করতো।
- ফিনল্যান্ডের আইনসভা এডুসকুন্টা।

উল্লেখ্য,
- ডেনমার্ক-এর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো কোপেনহেগেন।
- নেদারল্যান্ডের রাজধানী আমস্টারডাম।
- স্টকহোম সুইডেনের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৫.
মহাস্থানগড় কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. সারিয়াকান্দি
  2. শিবগঞ্জ
  3. ধুনট
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা

মহাস্থানগড় :
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলো পুণ্ড্র।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরের। 
- সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৬.
মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. মিশ্র শিলা
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা :
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

• রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

• রূপান্তরিত শিলার প্রকারভেদ:
ক. আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
খ. পাললিক শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে, পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট (Quartzite) তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
- পাললিক শিলা: কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭.
সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1.  অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
  2. জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
  3. পররাষ্ট্রনীতি
  4. মালিকানার নীতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৮ (১) নং দফায় বলা হয়েছে,
- জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
• ১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
- গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা আছে ১৩ নং অনুচ্ছেদে।
- অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম সম্পর্কে উল্লেখ আছে ২০ নং অনুচ্ছেদে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতির কথা সম্পর্কে উল্লেখ। উক্ত অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৮.
'ওন' (won) কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. জাপান
  2. চীন
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ কোরিয়া:
- দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- এটি কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত। 
- রাষ্ট্রীয় নাম- রিপাবলিক অব কোরিয়া বা কোরীয় প্রজাতন্ত্র।
- এটি স্বাধীনতা লাভ করে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- এর রাজধানী- সিউল।
- দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম- 'ওন' (won)।
- সরকার পদ্ধতি- সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট- সিগম্যান রী।
- প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম- ব্লু হাউজ।

উল্লেখ্য,
- জাপানের সরকারি মুদ্রা ইয়েন।
- ইউয়ান চীনের সরকারি মুদ্রার নাম।
- আর্জেন্টিনার মুদ্রার নাম হলো পেসো। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৯.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৪
  2. ২০০৬
  3. ২০০৭
  4. ২০০৮ 
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯০.
ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় গঠিত কমিটি-
  1. UZDMC
  2. UDMC
  3. NDMAC
  4. NDMC
ব্যাখ্যা

UDMC :
- UDMC-এর পূর্ণরূপ: Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় UDMC।
- এই কমিটি দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসের অন্তত একবার UDMC এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- DMC গঠিত হয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এনজিও কর্মকর্তা দুর্যোগের বিপর্যস্ত গ্রুপের প্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সমন্বয়ে।
- স্বাভাবিক সময়ে এ কমিটি একটি করে মিটিং করে এবং দুর্যোগ কালীন সময়ে একাধিক মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

• বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের পূর্ণরূপ:
- NDMC: National Disaster Management Council.
- NDMAC: National Disaster Management Advisory Committee.
- DDMC: District Disaster Management Committee.
- UZDMC: Upazila Disaster Management Committee.

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৯১.
'Political Ideals' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. প্লেটো 
  2. এরিস্টটল
  3. মেকিয়াভেলি
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা

বার্ট্রান্ড রাসেল:
- রাসেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজকর্মী, অহিংসাবাদী, এবং সমাজ সমালোচক।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ব্যক্তিত্ব।
- ১৯৫০ সালে রাসেল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা ছিল তার 'মানবতার আদর্শ ও চিন্তার মুক্তি'কে ওপরে তুলে ধরা তার বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ।

• বার্ট্রান্ড রাসেল রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো -
- The Elements of Ethics,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Moral and others,
- Power: A New Social Analysis,
- Political Ideals,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.

উৎস: শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন কে?
  1. লর্ড কার্জন
  2. রাজা পঞ্চম জর্জ
  3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  4. লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা

ভারত:
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
- ভারত স্বাধীনতা লাভ করে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭।
- ভারতের সংবিধান কার্যকর হয় ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০।
- ভারত প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয় ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০।
- ১২ ডিসেম্বর, ১৯১১ দিল্লিতে রাজা জর্জ পঞ্চমের অভিষেক অনুষ্ঠানে কলকাতা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন রাজা পঞ্চম জর্জ।
- দিল্লিতে সরকারের অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হয় ১৯১২ সালে।
- ১৯৩১ সালে দিল্লিকে রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ সমাপ্ত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৩.
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
  1. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  2. ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
  3. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  4. সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

- মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত আছেন ২ জন বীরশ্রেষ্ঠ।
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।

• বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান:
- তার জন্ম ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, খদ্দখালিশপুর, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।
- ১৯৭১ সালে আনসারে স্বল্প সময় কাজ করে ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সেনাবাহিনীর ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- অক্টোবর ১৯৭১, মৌলভীবাজার জেলার ধলই সীমান্ত চৌকি আক্রমণে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- সামনে থেকে যুদ্ধ করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন।
- প্রথমে তাকে সমাহিত করা হয় আমবাসা গ্রাম, কমলপুর, ত্রিপুরা, ভারত।
- পরে তার দেহাবশেষ দেশে এনে ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে, 
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান শহীদ হন ২০ আগস্ট ১৯৭১।
- তাকে প্রথমে সমাহিত করা হয় মাসরুর বিমান ঘাঁটি, করাচি, পাকিস্তান।
- পরবর্তীতে ২৪ জুন ২০০৬, ৩৫ বছর পর তার দেহাবশেষ দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।