পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮: বিষয়ের নাম: সাধারণ বিজ্ঞান - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার Optimum তাপমাত্রা কত? 
  1. ১৫-২২° সেলসিয়াস
  2. ২২-৩৫° সেলসিয়াস
  3. ১৮-২৫° সেলসিয়াস
  4. ৩০-৪০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- আলো এবং ক্লোরোফিল ছাড়াও সালোকসংশ্লেষণ আরও কতগুলো প্রভাবক দিয়ে প্রভাবিত হয়।
- প্রভাবকগুলো কিছু বাহ্যিক এবং কিছু অভ্যন্তরীণ।
- প্রভাবকের উপস্থিতি, অনুপস্থিতি, পরিমাণের কম-বেশি  সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণও কম-বেশি করে থাকে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রকিয়ায় তাপমাত্রা বিশেষ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। 
- সাধারণত অতি নিম্ন তাপমাত্রা (০° সেলসিয়াসের কাছাকাছি) এবং অতি উচ্চ তাপমাত্রয় (45° সেলসিয়াসের উপরে) এ প্রক্রিয়া চলতে পারে না। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য পরিমিত (Optimum) তাপমাত্রা হলো ২২° সেলসিয়াস থেকে ৩৫° সেলসিয়াস পর্যন্ত। 
- তাপমাত্রা ২২° সেলসিয়াসের কম বা ৩৫° সেলসিয়াসের বেশি হলে সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যাবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি ঊর্ধ্বপাতিত হয়? 
  1. সোডা অ্যাস
  2. তুঁতে
  3. অ্যামোনিয়া
  4. আয়োডিন
ব্যাখ্যা
ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন: নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3)। 
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়।
- কোনো কঠিন পদার্থের মিশ্রণের মধ্যে একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ মিশ্রিত থাকলে ঐ ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থকে মিশ্রণ থেকে পৃথক করা যায়।
যেমন: নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) এর সাথে খাদ্য লবণ (NaCl) মিশ্রিত থাকলে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতির মাধ্যমে নিশাদলকে পৃথক করা যায়। 
- কঠিন অবস্থায় ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থে তাপ প্রয়োগ করতে থাকলে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ সহজেই বাষ্পীভূত হয়।
- আয়োডিন মিশ্রিত খাদ্য লবণের মধ্যে আয়োডিন একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ
- কাজেই ঐ আয়োডিন মিশ্রিত খাদ্য লবণের মিশ্রণকে তাপ দিলে আয়োডিন সহজেই বাষ্পীভূত হয়। ঐ বাষ্পকে ঠান্ডা করে কঠিন আয়োডিনে পরিণত করা যায়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি গাজরের মূলে পাওয়া যায়?
  1. লিউকোপ্লাস্ট
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. ক্রোমোপ্লাস্ট
  4. এমাইলোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। 
- রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে ক্রোমোপ্লাস্ট পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
আনারসের সুগন্ধি তৈরিতে কোন এস্টার ব্যবহৃত হয়?
  1. মিথাইল বিউটাইরেট
  2. অকটাইল অ্যাসিটেট
  3. অ্যামাইল বিউটাইরেট
  4. আইসোঅ্যামাইল অ্যাসিটেট
ব্যাখ্যা
এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -CO-O-R. 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 
- তেল, চর্বি, আঠা, সেলুলোজ, রঙ, ভার্ণিশ ইত্যাদির দ্রাবক হিসেবে এস্টার ব্যবহৃত হয়। 
- বিউটাইল অ্যাসিটেট 'পেনিসিলিন' -এর দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

- কৃত্রিম মনোরম স্বাদ ও সুগন্ধি তৈরিতে। 
যেমন: 
এস্টার ⇔ সুগন্ধির প্রকৃতি 
• আইসোবিউটাইল ফরমেট ⇔ রাসবেরী, 
• আইসোঅ্যামাইল অ্যাসিটেট ⇔ কলা, 
• অকটাইল অ্যাসিটেট ⇔ কমলা, 
মিথাইল বিউটাইরেট ⇔ আনারস
• অ্যামাইল বিউটাইরেট ⇔ অ্যাপ্রিকট, 
• আইসোঅ্যামাইল ভ্যালেরেট ⇔ আপেল। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে -
  1. ট্রান্সফরমার
  2. রেকটিফায়ার
  3. ট্রানজিস্টর
  4. অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পিভিসি প্লাস্টিক পোড়ালে বায়ুতে নিচের কোন গ্যাসটি নিঃসৃত হয়? 
  1. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  2. ওজোন
  3. হাইড্রোজেন ক্লোরাইড
  4. হাইড্রোজেন সায়ানাইড
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিক: 
- প্লাস্টিক শব্দের অর্থ হলো সহজেই ছাচঁযোগ্য। 
- নরম অবস্থায় প্লাস্টিক ইচ্ছেমতো ছাঁচে ফেলে সেটা থেকে নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি বিশিষ্ট পদার্থ তৈরি করা যায়। 
- প্লাস্টিক জাতীয় সবকিছুই পলিমার পদার্থ। 
- বেশির ভাগ প্লাস্টিকই পানিতে অদ্রবণীয়। 
- প্লাস্টিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম হলো এরা বিদ্যুৎ এবং তাপ পরিবহন করে না, তাই বিদ্যুৎ এবং তাপ নিরোধক হিসেবে এদের বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো গলিত অবস্থায় এদেরকে যেকোন আকার দেয়া যায়। 
- পলিথিন, পিভিসি পাইপ, পলিস্টার কাপড়, বাচ্ছাদের খেলনা- এসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়, এদেরকে থার্মোপ্লাস্টিকস (Thermoplastics) বলে। 
- অন্যদিকে মেলামাইন, বাকেলাইট এগুলো তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায়। এদেরকে একবারের বেশি ছাঁচে ফেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না, এসব প্লাস্টিককে থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস (Thermosetting Plastics) বলে। 
- প্লাস্টিক পোড়ালে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়।
যেমন: পিভিসি পোড়ালে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl) গ্যাস নিঃসৃত হয়। আবার পলিইউরেথেন প্লাস্টিক পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়। 
- বেশির ভাগ প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবেশ যথেষ্ট নিষ্ক্রিয়। এরা বাতাসের জলীয় বাষ্প এবং অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। প্লাস্টিক কোন পচনশীল বস্তু নয়, এরা দীর্ঘদিন মাটি বা পানিতে পড়ে থাকলেও পচে না। 
- প্লাস্টিক সাধারণত দাহ্য হয় অর্থাৎ এদেরকে আগুন ধরালে পুড়তে থাকে এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
তেজস্ক্রিয়তার এস. আই লব্ধ একক কোনটি? 
  1. কুরী
  2. ওহম
  3. রন্টজেন
  4. বেকেরেল
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তেজস্ক্রিয়তার এস. আই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ কোনটি? 
  1. ভিনেগার
  2. আসিটিলিন
  3. বেনজোয়িক এসিড
  4. সোডিয়াম বেনজোয়েট
ব্যাখ্যা
ফুড প্রিজারভেটিভ: 
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য খাদ্যসামগ্রীতে দিলে খাদ্যসামগ্রীতে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না, দুর্গন্ধ হয় না, পচন হয় না সেসব রাসায়নিক দ্রব্যকে ফুড প্রিজারভেটিভ বলে। 

অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ: 
- যেসব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না এবং সেগুলোকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে সেসব ফুড প্রিজারভেটিভকে অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম বেনজোয়েট, বেনজোয়িক এসিড, ভিনেগার, লবণের দ্রবণ, চিনির প্রবণ ইত্যাদি। 

অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ: 
- যেসব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে আমাদের শরীরের ক্ষতি হয় সেগুলোকে অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়। 
যেমন- ইথিলিন, আসিটিলিন ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য ম্যাক্রো উপাদান কতটি? 
  1. ৬ টি
  2. ৮ টি 
  3. ১০ টি 
  4. ১৬ টি
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন: ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)। 

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- উদ্ভিদের মাইক্রো উপাদান ৬টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকতে প্রতি লিটার পানিতে কমপক্ষে কতটুকু অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন?
  1. ৫.০ মিলিগ্রাম
  2. ০.৫ মিলিগ্রাম
  3. ০.০৫ মিলিগ্রাম
  4. ০.০০৫ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেনের দরকার হয়। 
- আর তারা এই অক্সিজেন পায় পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকা অক্সিজেন থেকে। 
- জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতি লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫.০ মিলিগ্রাম অক্সিজেন থাকা দরকার
- এই অক্সিজেন নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে গেলে জলজ প্রাণীগুলোর সমস্যা হতে থাকে। 
- যদি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন না থাকে, তাহলে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাচঁতেই পারবে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
ক্লাস রুমে শব্দের তীব্রতার লেভেল কত?
  1. 10 dB
  2. 50 dB
  3. 30 dB
  4. 60 dB
ব্যাখ্যা
- ক্লাস রুমে শব্দের তীব্রতার লেভেল হলো- 50 dB. 

শব্দের তীব্রতার লেভেল: 

- শব্দের তীব্রতা হচ্ছে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- এর মূল একক W/m2
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্ব নিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। 
- এই সর্ব নিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা। 
- এর মান 10-12 Wm-2 বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা হিসাবেও ধরা হয়। 


উৎস:
পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নিচের কোনটি মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
  3. হাইড্রোজেন পার অক্সাইড
  4. ডাইহাইড্রোজেন মনোঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। 

মডারেটর (Moderator): 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো - 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোনটির কারণে ধানের ব্লাস্ট রোগ হয়?
  1. ছত্রাক
  2. ভাইরাস
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ব্যাক্টেরিওফাজ
ব্যাখ্যা
ধানের রোগ: 
১.বাদামি দাগ রোগ: 
- ধানের বাদামি দাগ রোগের কারণ বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক। 

২. ব্লাস্ট রোগ (Blast): 
- ধানের ব্লাস্ট রোগের কারণ পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক। 

৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot): 
- ধানের খোল পচা রোগের কারণ স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক। 

৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight): 
- জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। 

৫. টুংরো (Tungro): 
- টুংরো রোগের কারণ রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস। 

৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra): 
- উফরা রোগ (ডাক পোড়া) রোগের কারণ ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৪.
কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি? 
  1. কাচ
  2. তামা
  3. ইস্পাত
  4. রাবার
ব্যাখ্যা
স্থিতিস্থাপকতা: 
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়। 

স্থিতিস্থাপক সীমা: 
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক। 
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়। 
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন। 
যেমন, ইস্পাতের স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রবারের খুব কম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোনটি থার্মোসেটিং পলিমার? 
  1. স্টার্চ
  2. পলিথিন
  3. সেলুলোজ
  4. ফাইবার গ্লাস
ব্যাখ্যা
পলিমার: 
- গ্রিক শব্দ 'পলি' (poly) অর্থ বহু বা অনেক এবং 'মেরোস' (meros) অর্থ একক বা অংশ। 
- এ দুটি শব্দ থেকেই পলিমার শব্দের উৎপত্তি। 
- প্রকৃত অর্থে পলিমার বলতে বোঝায় বহু অংশযুক্ত উচ্চ আণবিক ভর সম্পন্ন বৃহদাকার অণু। 
- পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) প্রাকৃতিক পলিমার ও 
খ) কৃত্রিম পলিমার। 

ক) প্রাকৃতিক পলিমার:  
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে প্রাপ্ত পলিমার এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি। 

খ) কৃত্রিম পলিমার: 
- পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- পলিইথিলিন, পলিস্ট্যারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি। 
- গঠন ও তাপীয় বেশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কৃত্রিম পলিমারকে আবার দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। থার্মোপ্লাস্টিক ও 
২। থার্মোর্সেটিং প্লাস্টিক। 

থার্মোসেটিং প্লাস্টিক: 
- এরা অপেক্ষাকৃত শক্ত ও কম নমনীয় হয়। 
- তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়। 
- এ জাতীয় পলিমার অণুতে পরমাণুগুলোর শিকলের মধ্যে সমযোজী এবং পার্শ্ববর্তী শিকলের গঠনের সাথে দৃঢ়ভাবে হাইড্রোজেন বন্ধন বর্তমান থাকে। 
যেমন- ব্যাকেলাইট প্লাস্টিক, ফাইবার গ্লাস, কৃত্রিম রেজিন ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কোনটি উদ্ভিদ কোষের বাইরে এবং ভেতরে পদার্থের স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে? 
  1. কোষ প্রাচীর
  2. কোষ ঝিল্লী
  3. রাইবোসোম
  4. লাইসোসোম
ব্যাখ্যা
কোষ ঝিল্লী (Plasma membrane): 
- কোষ প্রাচীরের নিচে সমস্ত প্রোটোপ্লাজমকে ঘিরে যে স্থিতিস্থাপক ও অর্ধভেদ্য সজীব পর্দা থাকে তাকে প্লাজমা মেমব্রেন, সেল মেমব্রেন, সাইটোমেমব্রেন বা কোষ ঝিল্লী বলে। 
- মেমব্রেনটি স্থানে স্থানে ভাঁজবিশিষ্ট হতে পারে। 
- প্রতিটি ভাঁজকে মাইক্রোভিলাস (বহুবচনে মাইক্রোভিলাই) বলে। 
- কোষের ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকা মাইক্রোভিলাসকে বলা হয় পিনোসাইটিক ফোস্কা। 
- কোষ ঝিল্লী প্রধানত লিপিড ও প্রোটিন দিয়ে তৈরি। 
- রাসায়নিকভাবে কোষ ঝিল্লী ৬০-৮০% প্রোটিন, ২০-৪০% লিপিড, ৪-৫% কার্বোহাইড্রেট এবং পানি ও লবণ দিয়ে গঠিত। 

কোষ ঝিল্লী এর কাজ: 
১। কোষকে নির্দিষ্ট আকার দান করে। 
২। কোষ এর আভ্যন্তরীণ সকল বস্তুকে বেষ্টন করে রাখে। 
৩। বাইরের সকল প্রতিকূল অবস্থা থেকে অভ্যন্তরীণ বস্তুকে রক্ষা করে। 
৪। কোষের বাইরে এবং ভেতরে পদার্থের স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে (ভেদ্য, অভেদ্য বা অর্ধভেদ্য হিসেবে)। 
৫। বিভিন্ন বৃহদাণু সংশ্লেষ করতে পারে। 
৬। বিভিন্ন রকম কোষ অঙ্গাণু (যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ইত্যাদি) সৃষ্টিতে সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন প্রোটিন দিয়ে 'রেশম তন্তু' তৈরি হয়? 
  1. ফাইব্রেয়ন
  2. প্রোলামিন
  3. প্রোটামিন
  4. অ্যালবিউমিন
ব্যাখ্যা
রেশম: 
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়। 
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে। 
- রেশম তন্তু 'ফাইব্রেয়ন' নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
বিএমআই মতে, মোটা হওয়ার প্রথম স্তরের মান হিসেবে কোন মানটি বিবেচনা করা হয়?
  1. ২৫ - ২৯.৯
  2. ৩০ - ৩৪.৯
  3. ৩৫.০-৩৯.৯
  4. ১৮.৫ - ২৪.৯
ব্যাখ্যা
বিএমআই (Body Mass Index): 
- বিএমআই (Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে। 
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এটি খুবই উপযোগী। 
     বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার) 

বিএমআই মান ⇒ করণীয়: 
• ১৮.৫ -এর নিচে ⇒ শরীরের ওজন কম। পরিমিত খাদ্যগ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে। 
• ১৮.৫-২৪.৯ ⇒ এটি সুস্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ মান। 
• ২৫.০-২৯.৯ ⇒ শরীরের ওজন অতিরিক্ত। ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ওজন কমানো প্রয়োজন। 
৩০.০-৩৪.৯ ⇒ মোটা হওয়ার প্রথম স্তর। বেছে খাদ্যগ্রহণ ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
• ৩৫.০-৩৯.৯ ⇒ মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর। পরিমিত খাদ্য গ্রহন ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
• ৪০.০ -এর উপরে ⇒ অতিরিক্ত মোটাত্ব।মৃত্যুঝুঁকির আশঙ্কা। ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য কোনটি? 
  1. স্টার্চ
  2. শ্বেতসার
  3. কাইটিন
  4. গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
প্রাণী কোষের বৈশিষ্ট্য: 
- প্রাণী কোষে কোন কোষ প্রাচীর থাকে না। পাতলা স্থিতিস্থাপক প্লাজমা ঝিল্লী দ্বারা প্রাণী কোষ আবৃত অবস্থায় থাকে। 
- প্রাণী কোষে সাধারণত প্লাস্টিড থাকে না। 
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন। 
- প্রাণী কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে। 
- প্রাণী কোষে সাধারণত কোন কোষ গহ্বর থাকে না। থাকলেও আকারে ক্ষুদ্রাকৃতির হয় এবং ক্ষণস্থায়ী। 
- পূর্ণাঙ্গ প্রাণী কোষের আকার পরিবর্তিত হয়। 
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে। 
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের কেন্দ্রস্থলে থাকে। 
- সকল কোষেই লাইসোসোম থাকে। 
- স্নেহ দ্রব্য অর্ধতরল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
ঋণাত্নক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে কী বলা হয়? 
  1. ক্যাটায়ন
  2. অ্যানায়ন
  3. একক বন্ধন
  4. সমযোজী বন্ধন
ব্যাখ্যা
আয়নিক বন্ধন: 
- নিকটতম নিস্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের উদ্দেশ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পরমাণুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণের ফলে উৎপন্ন বিপরীতধর্মী আয়নের মধ্যে স্থির তড়িৎ আকর্ষণ বলের মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে। 
- আয়নিক বন্ধন গঠনের ক্ষেত্রে তড়িৎ ধনাত্মক মৌল ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অন্যদিকে তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল ইলেকট্রনকে গ্রহন করে ঋণাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- ধনাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে ক্যাটায়ন এবং ঋণাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে অ্যানায়ন বলে। 
- NaCl যৌগের মধ্যে Na+ ক্যাটায়ন ও Cl- অ্যানায়ন। 
- ক্যাটায়নের মধ্যে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের তুলনায় কম এবং অ্যানায়নের মধ্যে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের তুলনায় বেশি থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
সবুজ উদ্ভিদে কার্বন ডাই-অক্সাইড বিজারণের কতটি গতিপথ শনাক্ত করা হয়েছে? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
- আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়ে আলোর প্রত্যক্ষ প্রয়োজন পড়ে না, তবে আলোর উপস্থিতিতেও এই প্রক্রিয়া চলতে পারে। 
- বায়ুমণ্ডলের CO2 পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে কোষে প্রবেশ করে। 
- আলোক পর্যায়ে তৈরি ATP, NADPH এবং H+ এর সাহায্যে আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়ে CO2 বিজারিত হয়ে কার্বোহাইড্রেটে পরিণত হয়। 
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) বিজারণের তিনটি গতিপথ শনাক্ত করা হয়েছে। 
যেমন: ক্যালভিন চক্র, হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র এবং ক্রেসুলেসিয়ান এসিড বিপাক। 

ক্যালভিন চক্র বা C3 গতিপথ: 
- CO2 আত্তীকরণের এ গতিপথকে আবিষ্কারকদের নামানুসারে ক্যালভিন-বেনসন ও ব্যাশাম চক্র বা সংক্ষেপে ক্যালভিন চক্র বলা হয়। 
- অধিকাংশ উদ্ভিদে এই প্রক্রিয়ায় শর্করা তৈরি হয় এবং প্রথম স্থায়ী পদার্থ 3-কার্বনবিশিষ্ট ফসফোগ্লিসারিক এসিড বলে এই ধরনের উদ্ভিদকে বলে C3 উদ্ভিদ। 
- ক্যালভিন তাঁর এ আবিষ্কারের জন্য ১৯৬১ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র বা C4 গতিপথ: 
- অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী M.D. Hatch ও C.R. Slack (1996 সালে) CO2 বিজারণের আর একটি গতিপথ আবিষ্কার করেন। 
- এই গতিপথের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো 4-কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো এসিটিক এসিড, তাই একে C4 গতিপথ বলে। 
- C4 উদ্ভিদে একই সাথে হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র এবং ক্যালভিন চক্র পরিচালিত হতে দেখা যায়। 
- C3 উদ্ভিদের তুলনায় C4 উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার বেশি এবং উৎপাদন ক্ষমতাও বেশি। 
- সাধারণত ভূট্টা, আখ, অন্যান্য ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ, মুথা ঘাস, অ্যামারন্যথাস ইত্যাদি উদ্ভিদে C4 পরিচালিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক? 
  1. বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
  2. বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
  3. বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
  4. বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মিশ্রণকে বোঝায়
ব্যাখ্যা
- এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে তাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
- একটি ভাগে আছে পদার্থ যাদের ওজন বা ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা দেয়। 
- দুই বা ততোধিক পদার্থকে যে কোনো অনুপাতে একত্রে মিশ্রিত করলে যদি তারা নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে, তবে উক্ত সমাবেশকে মিশ্রণ বলা হয়। 
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ বায়ুতে এর উপাদানসমূহ যেমন- নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে। 

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২৩.
সূর্য থেকে আলোর তাপ কোন বল দিয়ে তৈরি হয়? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force): 
- এটি হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
নিচের কোনটির সাথে রাবার রাসায়নিক বিক্রিয়া করে?
  1. ওজোন
  2. পানি
  3. দুর্বল ক্ষার
  4. দুর্বল এসিড
ব্যাখ্যা
রাবার: 
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য। 
- পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার। 
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়।
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী, তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে। 
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়।
- অনুরূপভাবে প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O3) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
কোনটি সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের উদাহরণ? 
  1. অলিয়িক এসিড
  2. লিনোলিক এসিড
  3. স্টিয়ারিক এসিড
  4. অক্সালিক এসিড
ব্যাখ্যা
ফ্যাটি এসিড(Fatty Acid): 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়, কারণ এ শ্রেণীর উচ্চতর সদস্যকে প্রাথমিকভাবে ‘ফ্যাট বা চর্বি' থেকে অম্লীয় আর্দ্র বিশ্লেষণে প্রস্তুত করা হয়। 
যেমন- পামিটিক এসিড [CH3(CH2)14.COOH), স্টেয়ারিক এসিড (CH3(CH2)16.COOH] ইত্যাদি। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1-COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 

সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের উদাহরণ: 
(১) প্রোপানোয়িক এসিড CH3CH2COOH, 
(২) স্টিয়ারিক এসিড C17H35COOH
(৩) পামিটিক এসিড C15H31COOH ইত্যাদি। 

অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের উদাহরণ: 
(১) অক্সালিক এসিড CH2=CHCOOH, 
(২) অলিয়িক এসিড C17H33COOH, 
(৩) লিনোলিক এসিড C17H31COOH ইত্যাদি। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
২৬.
কোনটি অকেলাসিত পদার্থ? 
  1. মাইকা
  2. তামা
  3. কাচ
  4. কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা
কেলাসিত পদার্থ: 
- যে সকল কঠিন বস্তুর অণু ও পরমাণুগুলো নির্দিষ্ট ও নিয়মিত ভাবে সুসজ্জিত থাকে, তাকে কেলাসিত কঠিন বস্তু বলে। 
- কেলাসিত কঠিন বস্তুর কয়েকটি উদাহরণ হলো- কোয়ার্টজ, মাইকা, চিনি, তামা, সোডিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি। 

কেলাসিত পদার্থর বৈশিষ্ট্য: 
১. কেলাসিত পদার্থতে অণু বা পরমাণুগুলো নির্দিষ্ট ক্রমে সুসজ্জিত থাকে। 
২. কেলাসিত পদার্থগুলো সমতল তল দ্বারা আবদ্ধ থাকে। 
৩. কেলাসিত পদার্থ হলো অসমসত্ত্বক। কেলাসিত পদার্থের ভৌত ধর্ম অর্থাৎ‍ তাপীয় পরিবাহিতা, তড়িৎ পরিবাহিতা, সঙ্কোচনশীলতা ইত্যাদি বিভিন্ন দিকে বিভিন্ন। 
৪. কেলাসিত পদার্থগুলো সুষম রাসায়নিক যৌগ দিয়ে গঠিত। 
৫. কেলাসিত পদার্থের নির্দিষ্ট গলনাঙ্ক আছে অর্থাৎ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হঠাৎ তরলে রূপান্তরিত হয়। 

অকেলাসিত পদার্থ: 
- যে সকল কঠিন বস্তুর অণু ও পরমাণুগুলো অনির্দিষ্ট ও অনিয়মিত ভাবে সজ্জিত থাকে তাকে অকেলাসিত কঠিন বস্তু বলে। 
- অকেলাসিত কঠিন বস্তুর কয়েকটি উদাহরণ হলো- কাচ, রবার, সালফার ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।