পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩১ বিগত ৬টি বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
'স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি’- এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি? 
  1. নৈয়ায়িক
  2. স্মার্ত
  3. শাস্ত্রকার
  4. শাস্ত্রজ্ঞ
ব্যাখ্যা

• ‘স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি’- এর এক কথায় প্রকাশ হচ্ছে- ‘শাস্ত্রজ্ঞ’।
--------------------------------------
অন্যদিকে, 
- ন্যায়শাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = নৈয়ায়িক।
- যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন = স্মার্ত।
- স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি = শাস্ত্রকার।
-----------------------------------------
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- যে নারী নিয়ন্ত্রণ করে = নিয়ন্তা;
- যে নারীর হিংসা নেই = অনসূয়া;
- যে নারীর স্বামী ও সন্তান নেই = অবীরা;
- যে নারীর স্বামী বর্তমান = সধবা;
- হিরণ্য (স্বর্ণ) দ্বারা নির্মিত = হিরন্ময়;
- বাতাসে চরে যে = কপোত;
- পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার = জাতিস্বর;
- যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না = অলঙ্ঘনীয়;
- যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না = দুস্তর;
- যা বলা হয়েছে = বক্ষ্যমাণ;
- যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি = অচিন্তিতপূর্ব;
- যা পূর্বে কখনও আস্বাদিত হয় নাই = অনাস্বাদিতপূর্ব;
- যা পূর্বে শোনা যায় নি = অশ্রুতপূর্ব;
- যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে = জাজ্বল্যমান;
- যে ব্যক্তি এক ঘর হতে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায় = মাধুকর;
- যা পূর্বে ছিল এখন নেই = ভূতপূর্ব;
- যা পূর্বে দেখা যায় নি = অদৃষ্টপূর্ব;
- যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
কোনটি সমার্থক  দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
  1. চাল-ডাল
  2. দিন-রাত
  3. হাট-বাজার 
  4. চা-বিস্কুট
ব্যাখ্যা

সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ- হাট-বাজার।
-----------------------------------------
• দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
- যেমন:
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।
- জায়া ও পতি =  দম্পতি।
----------------------------------------------------
•  সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস:  
- সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হলো এমন এক ধরনের সমাস যেখানে দুটি একই বা সমান অর্থের শব্দকে ‘ও’ বা ‘এবং’ দিয়ে একসাথে মিলিয়ে লেখা হয়।
- এই সমাসে দুইটি শব্দের গুরুত্ব সমানভাবে থাকে।
- যেমন:
- হাঁট ও বাজার → হাঁটবাজার; 
- ‘জন ও মানব’ → জনমানব;
- ‘ধন ও দৌলত’ → ধনদৌলত;
- ‘কাগজ ও পত্র’ → কাগজ-পত্র;
- 'বই ও পুস্তুক'  → বইপুস্তুক;
- 'কল ও কারখানা' → কল-কারখানা।
------------------------------------------------ 
অন্যদিকে, 
- চাল-ডাল, দিন-রাত ও চা-বিস্কুট- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস।

• মিলনার্থক দ্বন্দ্ব:
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হলো এমন একটি সমাস যেখানে দুটি বা তার বেশি পদ সমান প্রাধান্য নিয়ে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক বা মিল প্রকাশ করে।
- এই সমাসের ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'আর'-এর মতো সংযোজক অব্যয় থাকে।
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসে প্রতিটি পদেরই সমান প্রাধান্য থাকে।

- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ হলো-
 • মা-বাপ (মা ও বাপ),
চা-বিস্কুট (চা ও বিস্কুট),
• জ্বিন-পরি (জ্বিন ও পরি),
• ভাই-বোন (ভাই ও বোন),
চাল-ডাল (চাল ও ডাল),
• দিন-রাত (দিন ও রাত),
• তাল-তমাল (তাল ও তমাল), 
• ভালো-মন্দ (ভালো ও মন্দ),
• মাতা-পিতা (মাতা ও পিতা)। 
------------------------ 
উল্লেখ্য,
- দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ: 

• সাধারণ দ্বন্দ্ব – দুটি পদ একত্রিত হয়, অর্থ স্পষ্ট।
- উদাহরণ: কালি + কলম = কালিকলম, লতা + পাতা = লতাপাতা

• মিলনার্থক দ্বন্দ্ব – অর্থে মিল থাকলেও পদ পৃথক।
- উদাহরণ: মা + বাপ = মা-বাপ, মাসি + পিসি = মাসি-পিসি

• বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব – দুটি পদ বিপরীতার্থ প্রকাশ করে।
- উদাহরণ: দা + কুমড়া = দা-কুমড়া, স্বর্গ + নরক = স্বর্গ-নরক

• বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব – সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ।
- উদাহরণ: আয় + ব্যয় = আয়-ব্যয়, জমা + খরচ = জমা-খরচ

• সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস: সমাসবদ্ধ পদ দুটির অর্থ প্রায় একই হয়। 
- যেমন: কাজ ও কর্ম = কাজ-কর্ম।

• একশেষ দ্বন্দ্ব – একাধিক পদ মিলিত হয়ে এক শব্দ তৈরি করে।
- উদাহরণ: তুমি + সে + আমি = আমরা

• অলুক দ্বন্দ্ব – বিভক্তি লোপ পায় না।
- উদাহরণ: ঘরে + বাইরে = ঘরে-বাইরে

• বহুপদী দ্বন্দ্ব – তিন বা ততোধিক পদ একত্রিত হয়।
- উদাহরণ: সাহেব + বিবি + গোলাম = সাহেব-বিবি-গোলাম

উৎস: 
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
ভাবী অসমাপিকা ক্রিয়ার উদাহরণ কোনটি?
  1. আবার দেখে আমি মুগ্ধ হলাম। 
  2. সে খেলতে বলল।
  3. পরিশ্রম করলে ফল ভালো হবে। 
  4. পড়ে সে ঘুমিয়ে পড়ল
ব্যাখ্যা

ভাবী অসমাপিকা ক্রিয়ার উদাহরণ- সে খেলতে বলল। 
----------------------- 
• ভাব প্রকাশের ধরন, বাক্যে কাজের উপস্থিতি ও গঠনগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ক্রিয়াকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়।
- ভাবপ্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া প্রধানত দুই প্রকার—

১. সমাপিকা ক্রিয়া—
- সমাপিকা ক্রিয়া হলো সেই ক্রিয়াপদ, যার মাধ্যমে বাক্যের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায় এবং বাক্যটি শেষ বা পূর্ণতা লাভ করে। 
- উদাহরণ:
- আমরা সিনেমা দেখলাম (এখানে দেখলাম সমাপিকা ক্রিয়া)।

২. অসমাপিকা ক্রিয়া— 
- যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না, বরং কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
- যেমন :
- আমি ভাত খেয়ে...,
- সে নিয়মিত পড়াশোনা করতে করতে...,
- সকালে সূর্য উঠলে...।
--------------------------------- 
• অসমাপিকা ক্রিয়ার প্রকারভেদ:

- অসমাপিকা ক্রিয়া তিন ভাগে বিভক্ত—
- ভূত অসমাপিকা ক্রিয়া;
- ভাবী অসমাপিকা ক্রিয়া; 
- শর্ত অসমাপিকা ক্রিয়া। 

• ভাবী অসমাপিকা ক্রিয়া:
- • ভাবী অসমাপিকা ক্রিয়া হলো এমন ক্রিয়া, যা ভবিষ্যতে হতে পারে এমন কোনো কাজ বা সম্ভাবনার কথা বোঝায়, কিন্তু নিজে একা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না।
- এই ধরনের ক্রিয়া অন্য একটি সমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তবেই বাক্যের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
- উদাহরণ- 
- সে খেলতে বলল—এখানে খেলতে হলো ভাবী অসমাপিকা ক্রিয়া, যা বলল সমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্থ পূর্ণ করছে।
----------------------------- 
অন্যদিকে,
• ভূত অসমাপিকা ক্রিয়া:
- অসমাপিকা ক্রিয়াগুলো বাক্যের ভাব অসম্পূর্ণ রাখে এবং যখন সেই ক্রিয়াগুলো অতীতকাল নির্দেশ করে, তখন সেগুলোকে ভূত অসমাপিকা ক্রিয়া বলা হয়।
- ভূত অসমাপিকা ক্রিয়া হলো এমন অসমাপিকা ক্রিয়া, যা বাক্যে অতীতকাল নির্দেশ করে;
- কিন্তু নিজে একা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না। 
- এগুলো পরবর্তী সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে বাক্যের পূর্ণ অর্থ তৈরি করে। 

- যেমন: 
- খেয়ে সে বাড়ি গেল—এখানে খেয়ে অতীতের কাজ বোঝাচ্ছে, কিন্তু বাক্য শেষ করেছে গেল সমাপিকা ক্রিয়া। 
- আবার দেখে আমি মুগ্ধ হলাম—এখানে দেখে অতীতকে নির্দেশ করছে, কিন্তু বাক্যের অর্থ মুগ্ধ হলাম ক্রিয়ার মাধ্যমে পূর্ণ হয়। 
- পড়ে সে ঘুমিয়ে পড়ল বা কাজটি করতে আমার দেরি হয়ে গেল—এগুলোতে পড়ে ও করতে ক্রিয়াগুলো অতীতের কাজ বোঝাচ্ছে, কিন্তু বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রদানের জন্য সমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। 

• শর্ত অসমাপিকা ক্রিয়া:
- শর্ত অসমাপিকা ক্রিয়া হলো এমন অসমাপিকা ক্রিয়া, যা বাক্যে কোনো শর্ত বা আবশ্যকতা নির্দেশ করে, কিন্তু একা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না।
- এই ধরনের ক্রিয়াগুলো অন্য কোনো সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে বাক্যের পূর্ণ অর্থ তৈরি করে।
- যেমন: 
- পরিশ্রম করলে ফল ভালো হবে—এখানে করলে শর্ত বোঝাচ্ছে, এবং মনোযোগ দিলে তুমি পাস করবে—এখানে দিলে শর্তসূচক।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম- দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
‘মাধুর্য’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি? 
  1. মধুর + ষ্ণ 
  2. মধুর + ঈমন্‌
  3. মধুর + ইমন্‌ 
  4. মাধুর + ইষ্ণ
ব্যাখ্যা

‘মাধুর্য’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয়: মধুর + ষ্ণ। 
------------------------------- 
• প্রকৃতি-প্রত্যয়:
- ‘মাধুর্য’ শব্দটি সংস্কৃত মধুর (বিশেষণ) শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় ষ্ণ/য/ষ্ণ্য যুক্ত হয়ে গঠিত।
- এখানে 'মধুর' হল মুল শব্দ বা প্রকৃতি। 
- শব্দগঠনের সময় মূল শব্দের স্বরের বৃদ্ধি ঘটে।
- ফলে মধুর → মাধুর রূপ গ্রহণ করে এবং তার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাধুর্য শব্দটি তৈরি হয়।
- এটি একটি গুণবাচক বিশেষ্য, যা কোনো কিছুর মিষ্টতা বা সৌন্দর্যবোধক গুণ প্রকাশ করে।
- মধুর (বিশেষণ) + য/ষ্ণ (তদ্ধিত প্রত্যয়) → মাধুর্য (বিশেষ্য)।

- 'ষ্ণ'>অ- প্রত্যয় যুক্ত কিছু শব্দ-
- গুরু + ষ্ণ>অ = গৌরব ,
- শিশু + ষ্ণ>অ = শৈশব,
- লঘু + ষ্ণ>অ = লাঘব,
- মধুর + ষ্ণ>অ = মাধব।
------------------------------------
- সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়গুলোর মধ্যে- ষ্ণ, য, বতুপ্, মতুপ্, বিন্, র, ল, ফ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- উদাহরণস্বরূপ:
• ষ্ণ (অ) প্রত্যয় প্রাতিপদিকের স্বর বৃদ্ধি করে যেমন: মধুর + ষ্ণ (ষ্ণ্য) = মাধুর্য।
• য প্রত্যয় প্রাতিপদিকের অন্ত্যস্বর লোপ ঘটায় যেমন: সম + য = সাম্য।
• বতুপ্ ও মতুপ্ বিশেষণ গঠন করে যেমন: গুণ + বতুপ্ = গুণবান।
• বিন্ বিশেষণ গঠন করে যেমন: মেধা + বিন্ = মেধাবী।
• এছাড়া, র এবং ল প্রত্যয় বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয় যেমন: মধু + র = মধুর, শীত + ল = শীতল।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'অলুক তৎপুরুষ' সমাস নয় কোনটি?   
  1. চিনির বলদ
  2. তেলে ভাজা
  3. মাথায়পাগড়ি
  4. ঘিয়ে ভাজা
ব্যাখ্যা

'অলুক তৎপুরুষ' সমাস নয়- মাথায়পাগড়ি। 
----------------------------------------------
-  চিনির বলদ = চিনির বলদ,
- তেলে ভাজা = তেলে ভাজা,
- ঘিয়ে ভাজা = ঘিয়ে ভাজা- অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।

• অলুক তৎপুরুষ সমাস:
- যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী) সমস্তপদেও লোপ পায়না তাই অলুক তৎপুরুষ সমাস।
- তৎপুরুষ সমাসের যতগুলি শ্রেণি আছে, অলুক তৎপুরুষ তার সর্বকম শ্রেণিরই হতে পারে।
- যেমন: 
- ঘোড়ার-ডিম = ঘোড়ার ডিম, 
- খসে পড়া = খসে পড়া, 
- ছাঁটে চালা = ছাঁটে চালা, 
- আইনের প্যাঁচ = আইনের প্যাঁচ, 
- ভাগের-মা = ভাগের মা, 
- সোনার-বাংলা = সোনার বাংলা, 
- সোনার-তরী = সোনার তরী, 
- হাতের-পাঁচ = হাতের পাঁচ, 
- সাপের-পা = সাপের পা, 
- মনের-মানুষ = মনের মানুষ, 
- কলের-গান = কলের গান, 
- হাতে-কাটা = হাতে কাটা,
- চোখের-বালি = চোখের বালি। 
---------------------------------
• অলুক বহুব্রীহি সমাস:
- পূর্বপদের বিভক্তি লোপ না পেয়ে যে বহুব্রীহি সমাস হয় তাকে অলুক বহুব্রীহি সমাস বলে।
- যেমন:
- গলায় গামছা যার = গলায়গামছা,
- মুখে ভাত দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = মুখেভাত,
- মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি,
- গায়ে হলুদ দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়ে-হলুদ।
- হাতে খড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি। 

• অলুক বহুব্রীহি সমাসের কিছু উদাহরণ-
- কথায় পটু, মাথায় ছাতা, চশমা-নাকে, মুখে-মধু,পায়ে-বেড়ি ইত্যাদি।


উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
16x2 + 49y2 এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ রাশি হবে?
  1. 25xy
  2. 36xy
  3. 45xy
  4. 56xy
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 16x2 + 49y2 এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ রাশি হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 16x2 + 49y2
= (4x)2 + (7y)2

আমরা জানি,
(x + y)2 = x2 + 2xy + y2

∴ (4x)2 + 2.(4x).(7y) + (7y)2
= (4x + 7y)2

অর্থাৎ (4x)2 + (7y)2 এর সাথে যদি 2.4x.7y = 56xy যোগ করি তাহলে পূর্ণবর্গ হবে।

∴ 16x2 + 49y2 এর সাথে 56xy যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ রাশি হবে।

.
a3 + 2a2 - 5a - 6 এর উৎপাদক কোনটি?
  1. (a - 1)(a + 3)(a - 3)
  2. (a + 1)(a + 3)(a - 2)
  3. (a + 1)(a - 3)(a + 3)
  4. (a + 1)(a - 3)(a + 2)
ব্যাখ্যা

সমাধান:
ধরি,
f(a) = a3 + 2a2 − 5a − 6
a = -1 বসিয়ে পাই,
f(−1) = −1 + 2 + 5 − 6 = 0
∴ (a + 1) প্রদত্ত রাশির একটি উৎপাদক।

a3 + 2a2 - 5a - 6
= a3 + a2 + a2 + a - 6a - 6
= a2(a + 1) + a(a + 1) - 6(a + 1)
= (a + 1)(a2 + a - 6)
= (a + 1)(a2 + 3a - 2a - 6)
= (a + 1){a(a + 3) - 2(a + 3)}
= (a + 1)(a + 3)(a - 2)

∴ নির্ণেয় উৎপাদক = (a + 1)(a + 3)(a - 2)

.
একটি লঞ্চে মোট যাত্রী 90 জন। কেবিনের মাথাপিছু ভাড়া ডেকের ভাড়ার দ্বিগুণের চেয়ে 10 টাকা বেশি। ডেকের ভাড়া মাথাপিছু 40 টাকা এবং মোট ভাড়া প্রাপ্তি 5200 টাকা হলে কেবিনে কতজন যাত্রী আছে?
  1. 32 জন
  2. 35 জন
  3. 37 জন
  4. 42 জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি লঞ্চে মোট যাত্রী 90 জন। কেবিনের মাথাপিছু ভাড়া ডেকের ভাড়ার দ্বিগুণের চেয়ে 10 টাকা বেশি। ডেকের ভাড়া মাথাপিছু 40 টাকা এবং মোট ভাড়া প্রাপ্তি 5200 টাকা হলে কেবিনে কতজন যাত্রী আছে?

সমাধান:
ধরি, ডেকের যাত্রী = x জন
∴ কেবিনের যাত্রী = (90 - x) জন

ডেকের ভাড়া মাথাপিছু 40 টাকা।
∴ কেবিনের ভাড়া = (40 × 2 + 10) টাকা
= 80 + 10 = 90 টাকা

প্রশ্নমতে,
40x + 90(90 - x) = 5200
⇒ 40x + 8100 - 90x = 5200
⇒ 8100 - 50x = 5200
⇒ 50x = 8100 - 5200
⇒ 50x = 2900
⇒ x = 2900/50
∴ x = 58

∴ কেবিনের যাত্রী সংখ্যা = 90 - 58 = 32 জন।

.
a = 5, b = 3, c = 6 এবং d = 2 হলে, a - (- b) + (- c) - (- d) = কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a = 5, b = 3, c = 6 এবং d = 2 হলে, a - (- b) + (- c) - (- d) = কত?

সমাধান:
a - (- b) + (- c) - (- d)
= a + b - c + d
= 5 + 3 - 6 + 2
= 4

১০.
যদি x + y = 6 এবং x2 + y2 = 20 হয়, তবে x3 + y3 এর মান কত?
  1. 60
  2. 72
  3. 78
  4. 84
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x + y = 6 এবং x2 + y2 = 20 হয়, তবে x3 + y3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + y = 6
⇒ (x + y)2 = 62
⇒ x2 + 2xy + y2 = 36  [যেহেতু x2 + y2 = 20]
⇒ 20 + 2xy = 36
⇒ 2xy = 16
∴ xy = 8

এখন,
x3 + y3 = (x + y)3 - 3xy(x + y)
= (6)3 - 3 × 8 × 6
= 216 - 144
= 72

১১.
What is the meaning of the phrase "once and for all"?
  1. After a long delay
  2. At a fixed scheduled time
  3. For the last time
  4. For a long duration of time
ব্যাখ্যা

Correct answer: for the last time.

• Once and for all (phrase)
- English meaning: for the last time.
- Bangla meaning: শেষবারের মতো বা চিরদিনের মতো।

Example sentence:
1. We need to settle this dispute once and for all.
2. She decided to end the toxic friendship once and for all.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২.
They have offered him a job. (make it passive)
  1. He has offered a job by them.
  2. He has been offered a job by them.
  3. He was offered a job by them.
  4. He had been offered a job by them.
ব্যাখ্যা

Active: They have offered him a job. 
Passive: He has been offered a job by them.
- বাক্যটি Present Perfect Tense-এ আছে। Present Perfect Tense-এর Passive voice-এ Subject-এর পর "has been" বসেছে।

• Double object যুক্ত Active voice কে Passive Voice এ রূপান্তরের নিয়ম:
- দু'টি object এর যেকোন একটিকে Passive voice এর Subject করতে হয় (তবে ব্যক্তিবাচক অর্থাৎ Indirect object-কে subject করাই শ্রেয়) +
- Tense অনুযায়ী Auxiliary verb বসে +
- প্রদত্ত মূল verb এর Past Participle বসে +
- প্রদত্ত বাকী object টি বসে+
- by বসে+
- প্রদত্ত active voice এর subject টি object রূপে বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৩.
The priest said, "God is everywhere."(make it indirect)
  1. The priest said that God was everywhere.
  2. The priest told that God is everywhere.
  3. The priest said that God is everywhere.
  4. The priest told that God was everywhere.
ব্যাখ্যা

Direct: The priest said, "God is everywhere."
Indirect: The priest said that God is everywhere.
- একটি চিরন্তন সত্য (Universal Truth)। Direct speech-এ যদি কোনো চিরন্তন সত্য, বৈজ্ঞানিক সত্য, বা অভ্যাসগত কাজ বোঝায়, তবে indirect speech-এ রূপান্তর করার সময় ভেতরের Tense-এর কোনো পরিবর্তন হয় না।

 • Narration এর নিয়মানুযায়ী,
- Reported speech দ্বারা যদি কোনো চিরন্তন সত্য বা অভ্যাসগত কর্ম বা ঐতিহাসিক সত্য বা বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশ পায়, তবে Indirect Narration এ Tense এর কোনো পরিবর্তন হয় না৷
- Reporting verb এর subject এবং verb অপরিবর্তিত ভাবে বসে।
- Inverted comma উঠে that বসে।
- বাকি অংশ অপরিবর্তিত থাকে।

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

১৪.
The politician seemed completely _______ to the needs of the local community. (fill in the gap)
  1. humorous
  2. ponderous
  3. oblivious
  4. auspicious
ব্যাখ্যা

Correct answer: Oblivious.
Complete sentence: The politician seemed completely oblivious to the needs of the local community.
- রাজনীতিবিদকে স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রয়োজনের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন বলে মনে হয়েছিল।

Oblivious (Adjective):

- English meaning: lacking remembrance, memory, or mindful attention.
- Bangla meaning: অচেতন; বিস্মৃত।

Other options:
ক) humorous
- রসাত্মক; সরস; হাস্যরসাত্মক; রসিকতাপূর্ণ; সকৌতুক। 

খ) ponderous
- ভারী; ভারবান; গুরুভার; স্থূলকায়।

গ) auspicious
- শুভ; অনুকূল; সুপ্রসন্ন; মাঙ্গলিক।

• অপশনগুলো বিবেচনা করলে দেখা যায় শুন্যস্থানে oblivious বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫.
What is the meaning of the word "melancholy"?
  1. Unwilling to obey orders
  2. Being very happy
  3. A state of sadness
  4. Willing to follow rules
ব্যাখ্যা

Correct answer: A state of sadness.

Melancholy (noun)

- English meaning: a state of sadness: depression of spirits: dejection.
- Bangla meaning: বিষাদ; হতাশা; বিষাদপূর্ণ চিন্তারোগ।

Example sentence:
1. She played a slow, melancholy tune on the piano.
2. The film left me with a deeply melancholy feeling.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৬.
মিশরীয়রা ব্যঞ্জনবর্ণের কয়টি বর্ণ আবিষ্কার করে?
  1. ১১ টি
  2. ৩৯ টি
  3. ২৩ টি
  4. ২৪ টি
ব্যাখ্যা

মিশরীয়দের লিখনপদ্ধতি ও কাগজ আবিষ্কার:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের মন্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- পরে এই কাগজের উপর তারা লিখতে শুরু করে।
- গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’। যে শব্দ থেকে ইংরেজি ‘পেপার’শব্দের উৎপত্তি।
- এখানে উল্লেখ্য নেপোলিয়ান বোনাপার্টের মিশর জয়ের সময় একটি পাথর আবিষ্কৃত হয়, যা রসেটা স্টোন নামে পরিচিত।
- এতে গ্রিক এবং ‘হায়ারোগ্লিফিক’ ভাষায় অনেক লেখা ছিল; যা থেকে প্রাচীন মিশরের অনেক তথ্য জানা যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৭.
'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলনের প্রবর্তক কে?
  1. মালালা ইউসুফজাই
  2. গ্রেটা থুনবার্গ
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. জেনিফার লরেন্স
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার (Fridays For Future):
- এটি একটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলন।
- প্রধান অংশগ্রহণকারী: স্কুল শিক্ষার্থী।
- সূত্রপাত: ২০১৮ সালে।
- প্রবর্তক: সুইডিশ শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গ।
- উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি ও বৈশ্বিক নীতিমালা প্রভাবিত করা।

উৎস: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

১৮.
ওয়াটারলু যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ১৮ জুন, ১৭৯৮
  2. ১৮ জুন, ১৮১৫
  3. ২২ জুন, ১৮১৫
  4. ৫ মে, ১৮২১
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৮ জুন, ১৮১৫ সাল।
- স্থান: ওয়াটারলু, বেলজিয়াম। 
- বিবাদমান পক্ষ- নেপোলিয়ানের নেতৃত্বে ফ্রান্স বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
- বিজয়ী - সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
- বিজিত - ফ্রান্স বাহিনী।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ সম্মিলিত বাহিনী গঠিত হয়- বেলজিয়ান, জার্মান ও ডাচ বাহিনীর সমন্বয়ে।
- এই বাহিনী নেতৃত্ব দেন- আর্থার ওয়েলেসলি যিনি ছিলেন ‘প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন'।
- যুদ্ধে নেপোলিয়ানের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
- ২২ জুন, ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত 'সেইন্ট হেলেনা' দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- ৫ মে, ১৮২১ সালে নেপোলিয়ান মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে সমাহিত করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

১৯.
কমলা বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. জর্জিয়া
  4. লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা

কমলা বিপ্লব (Orange Revolution):
- স্থান: ইউক্রেন।
- সময়কাল: ২০০৪–২০০৫।
- মূল কারণ: ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সংক্রান্ত জালিয়াতি ও অনিয়ম এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বচ্ছ নির্বাচন দাবী। 
- বিপ্লবের ধরন: শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন ও প্রমাণভিত্তিক প্রতিবাদ।
- প্রধান রঙ: কমলা (Orange) বিপ্লবী দলের প্রতীক।
- প্রধান নেতা: ভিক্টর ইউসচেঙ্কো (Viktor Yushchenko)।
- ফলাফল: পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ও ইউসচেঙ্কো বিজয়ী হন এবং প্রেসিডেন্ট হন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২০.
কোন শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং গ্রীন শক্তি হিসাবে পরিচিত?
  1. অনবায়নযোগ্য শক্তি
  2. নবায়নযোগ্য শক্তি
  3. পারমাণবিক শক্তি
  4. কয়লা শক্তি
ব্যাখ্যা

নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।

▪ পরিবেশ বান্ধব নবায়যোগ্য শক্তি:
- সৌরশক্তি,
- পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি,
- জোয়ার-ভাটার শক্তি,
- ভূ-তাপীয় শক্তি,
- বায়ু শক্তি,
- বায়োমাস ইত্যাদি।

• অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum),
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas),
- কয়লা (Coal),
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
জটিল বাক্যের দৃষ্টান্ত- 
  1. যখন বৃষ্টি নামল, তখন ঈশানরা ছাতা খুঁজতে শুরু করল।
  2. ললিতা রান্না করল, ঘর মুছল, তারপর খেতে বসল। 
  3. তুমি ঘুমোবে, না পড়বে?
  4. তারা দুইজন আড়ি পেতে ছিল, নইলে চোর ধরা পড়ত না
ব্যাখ্যা

জটিল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক অপ্রধান বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলা হয়।
- এসব খণ্ডবাক্য সাধারণত সাপেক্ষ সর্বনাম বা সাপেক্ষ যোজকের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- যেমন— যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক ব্যবহার করে প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

- “যখন বৃষ্টি নামল, তখন ঈশানরা ছাতা খুঁজতে শুরু করল।” — এটি একটি জটিল বাক্য।

- কারণ:
- এই বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য আছে—একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং একটি প্রধান খণ্ডবাক্য।
• আশ্রিত খণ্ডবাক্য: যখন বৃষ্টি নামল — এটি সময় নির্দেশ করে এবং প্রধান বাক্যের ওপর নির্ভরশীল। তাই এটি ক্রিয়াবিশেষণীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
• প্রধান খণ্ডবাক্য: তখন ঈশানরা ছাতা খুঁজতে শুরু করল — এটি মূল বক্তব্য প্রকাশ করে।
- সংযোজক: যখন... তখন — এই সংযোজক দুটি খণ্ডবাক্যের মধ্যে সময়গত সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
-----------------
অন্যদিকে,
- ললিতা রান্না করল, ঘর মুছল, তারপর খেতে বসল; 
- তুমি ঘুমোবে, না পড়বে?
- তারা দুইজন আড়ি পেতে ছিল, নইলে চোর ধরা পড়ত না- এই বাক্যগুলো যৌগিক বাক্যের উদাহরণ। 

• যৌগিক বাক্য:
- যখন দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলা হয়।
- এই ধরনের বাক্যে প্রতিটি খণ্ডবাক্য নিজে নিজেই স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
- যৌগিক বাক্যে সাধারণত এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক ব্যবহৃত হয়।
- কখনো কখনো কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (-) প্রভৃতি যতিচিহ্নও যোজকের মতো কাজ করে খণ্ডবাক্যগুলোকে সংযুক্ত করে।
- যেমন— সামিনা গল্পের বই পড়ছে, আর আমিনা খেলা করছে। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২২.
“দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য।”- বাক্যটির জটিল রূপ কোনটি? 
  1. দুর্জন লোককে পরিত্যাগ করা উচিত।
  2. দুর্জন লোক মাত্রই পরিত্যাগ করতে হবে। 
  3. যে লোক দুর্জন, সে পরিত্যাজ্য।
  4. দুর্জন লোক মাত্রই পরিত্যাজ্য।
ব্যাখ্যা

• সরল বাক্য:
- সরল বাক্য সেই বাক্য, যার মধ্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।
- যেমন- সে ভাত খেয়ে কলেজে গেল।
- অনেক সময় সরল বাক্যে ক্রিয়া উপস্থিত না থেকেও অর্থ প্রকাশ সম্ভব।
- যেমন- আমরা চার বন্ধু।
- এছাড়া, একাধিক ক্রিয়া থাকলেও বাক্যটি সরল থাকতে পারে।
- যেমন- সে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে হাঁটতে হাঁটতে পার্কে গেল।
- মূলত, সরল বাক্যে একটি প্রধান ক্রিয়া বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকলেই এটি সরল বাক্য হিসেবে গণ্য হয়।

জটিল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক অপ্রধান বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলা হয়।
- এসব খণ্ডবাক্য সাধারণত সাপেক্ষ সর্বনাম বা সাপেক্ষ যোজকের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- যেমন— যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক ব্যবহার করে প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর:
- “দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য"- সরল বাক্যটির জটিল রূপ- যে লোক দুর্জন, সে পরিত্যাজ্য।

- ব্যাখ্যা:
- সরল বাক্য “দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য”-কে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার সময় মৌলিক অর্থ অপরিবর্তিত রাখতে হয়।

- সূত্র অনুযায়ী:
• সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহার:
- সরল বাক্যের “দুর্জন লোক” অংশটি যে দিয়ে শুরু করে আশ্রিত খণ্ডবাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে → “যে লোক দুর্জন”।

• খণ্ডবাক্য নির্ধারণ:
- আশ্রিত খণ্ডবাক্য: যে লোক দুর্জন;
- প্রধান খণ্ডবাক্য: সে পরিত্যাজ্য। 

• কমা ব্যবহার:
- আশ্রিত খণ্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসিয়ে প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

- ফলত, “যে লোক দুর্জন, সে পরিত্যাজ্য।” বাক্যটি একটি জটিল বাক্য, যেখানে একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং একটি প্রধান খণ্ডবাক্য আছে, এবং অর্থ মূল বাক্যের মতই রক্ষা করা হয়েছে।
------------------- 
অন্যদিকে,
• দুর্জন লোককে পরিত্যাগ করা উচিত-
- এটি একটি সরল বাক্য, কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই।

• দুর্জন লোক মাত্রই পরিত্যাজ্য-
- এটি ও একটি সরল বাক্য, শুধু মূল ভাব প্রকাশ করেছে, আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই।

• দুর্জন লোক মাত্রই পরিত্যাগ করতে হবে-
- এটি একটি সরল বাক্য, যার মধ্যে কোনো আশ্রিত বা প্রধান খণ্ডবাক্য নেই।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

২৩.
নিচের কোনটি ফারসি উপসর্গের উদাহরণ নয়? 
  1. দর
  2. না
  3. ফি
  4. খাস
ব্যাখ্যা

ফারসি উপসর্গের উদাহরণ নয়- ‘খাস’।
- ‘খাস’- আরবি উপসর্গ।
--------------------------
‘উপসর্গ’:
- উপসর্গ’ শব্দের মূল অর্থ হলো ‘উপসৃষ্ট’।
- এর প্রধান কাজ হলো মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজস্ব অর্থ নেই, তবে এটি মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।

• বিদেশি উপসর্গ:
- বিদেশি উপসর্গগুলো মূলত ফারসি, আরবি, উর্দু-হিন্দি, এবং ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে।
- পাশাপাশি কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে।
- আরবি: আম, খাস, লা, গর, বাজে, খয়ের।
- ফারসি: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু: হর।
- ইংরেজি: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;  
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৪.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?    
  1. লক্ষণীয়
  2. জনগন
  3. সিন্ডিকেট
  4. সাধারণ 
ব্যাখ্যা

• বানান শুদ্ধিকরণ:

অশুদ্ধ বানান - 'জনগন';
- শব্দের শুদ্ধ বানান - 'জনগণ';
- ‘গণ’ শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ হয়।
- 'জনগণ' একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য পদ।
- জনগণ শব্দের অর্থ- জনসাধারণ, সাধারণ লোক, জনতা।  
-----------------------------------------
অন্যদিকে,
• লক্ষণীয়, সিন্ডিকেট, সাধারণ - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

- লক্ষণীয়- ষ এর পরে (ক্ষ = ক + ষ) ‘ন’ মূর্ধন্য ণ হয়।
- সিন্ডিকেট- বিদেশি শব্দে ণত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়।
- সাধারণ- ‘র’ এর পরে ‘ন’ মূর্ধন্য ণ হয়েছে। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৫.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ? 
  1. সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
  2. আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভবপর।
  3. ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
  4. আলেমগণ আজ উপস্থিত
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বাক্য- সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়। 
-------------------------------
• নিয়ম: 
• বহুবচনের অপ্রপ্রয়োগজনিত ভুল:
- বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়।
- বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে একবার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুবচন অপ্রয়োজনীয়।
- তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব, সকল ইত্যাদি যত বহুবচক পদ আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ পদের সঙ্গে গণ, রা, গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।

- যেমন:
- অশুদ্ধ- সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
- শুদ্ধ- সকল ছাত্র পাঠে মনোযোগী নয়।

--------------------------
• কিছু বাক্যশুদ্ধি:

অশুদ্ধ- ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
শুদ্ধ- ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।

- অশুদ্ধ- সকল আলেমগণ আজ উপস্থিত।
- শুদ্ধ- আলেমগণ আজ উপস্থিত।

- অশুদ্ধ- আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব।
- শুদ্ধ- আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভবপর।

- অশুদ্ধ- অনেক ছাত্রছাত্রীরা ভালো পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় ভালো ফল করে না।
- শুদ্ধ- অনেক ছাত্রছাত্রী ভালো পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় ভালো ফল করে না।

- অশুদ্ধ- অন্যান্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।
- শুদ্ধ- অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

২৬.
বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার বাধ্যতামূলক আইন কত সালে পাস হয়?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৩
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা:
- ১৯৭৩: স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করা হয়।
- ১৯৮১: পৃথক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯০: বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়।
- ১৯৯২: আইন প্রাথমিকভাবে ৬৮টি উপজেলায় চালু হয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩: সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর হয়।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) ওয়েবসাইট।

২৭.
সুপ্রিম কোর্ট কত ভাগে বিভক্ত?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court):
- বাংলাদেশে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয়।
- জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
- প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্ধারিত সংখ্যক বিচারপতি নিয়ে গঠিত।

• সুপ্রিম কোর্ট দুইটি বিভাগে বিভক্ত:
- হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)।
- আপীল বিভাগ (Appellate Division)।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ধারা ৯৪ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কতদিনের মধ্যে সংসদ আহবান করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
ব্যাখ্যা

সংসদের অধিবেশন:
৭২। (১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
1[তবে শর্ত থাকে যে,2[১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে] সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।]
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।
(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।3[* * *]
(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

২৯.
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৮৩
  3. ২০১১
  4. ২০১৮
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB):
- ১৯৭২–১৯৭৭: স্কুল টেক্সটবুক বোর্ড ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন করে।
-এর লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রের জনসাধারণের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা।
- ১৯৭৮–১৯৭৯: নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন শুরু।
- ১৯৮৩: ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণ সম্পন্ন।
- ১৯৮৩ সালে: The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 এর মাধ্যমে স্কুল টেক্সটবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্র একীভূত হয়ে NCTB প্রতিষ্ঠিত।
- ২০১৮ সালে: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮ দ্বারা ১৯৮৩ সালের আইন সংশোধন ও পুনর্বিন্যাস করা হয়।

• উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম: 
- দেশের সকল স্কুলে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণ করা।
- শিক্ষাক্রম (Curriculum) পরিকল্পনা ও হালনাগাদ করা।
- শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সময়োপযোগী শিক্ষাসংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়ন।

উৎস: NCTB এর ওয়েবসাইট।

৩০.
প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে বিকল্প সরকার বলতে কী বোঝায়?
  1. সরকারি দল
  2. বিরোধী দল
  3. বিচার বিভাগ
  4. সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা

বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে বিরোধী দলকে বিকল্প সরকার বলা হয়।
- এটি সরকারি দলের নীতি ও কর্মকাণ্ডের প্রতি সমালোচনামূলক নজরদারি রাখে।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি বা দুর্নীতিপরায়ণ না হয়, তা নিশ্চিত করা।
- সরকারের নীতি ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করা।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে সরকারি নীতির বিকল্প প্রস্তাব দেয়।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন, যেখানে সরকারের কার্যক্রমে বিরোধী দলের তত্ত্বাবধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।