পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes৫১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫২
সিলেবাস
পার্ট – ১: বাংলা সাহিত্য - টপিকসমূহ: ১. বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ; ২. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ; ৩. অন্ধকার যুগ ও তাঁর সাহিত্যকর্ম; ৪. কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম ও উপাধি; ৫. সাহিত্য বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা ও সাময়িকী; ৬. বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের বিভিন্ন সাহিত্য কর্মের গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ/উক্তি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] --------------------- পার্ট – ২: সাধারণ বিজ্ঞান - টপিকসমূহ: ভৌত বিজ্ঞান: (রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক) ১. পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, মৌলের ধর্ম, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়। ২. মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ৫২ প্রশ্ন

.
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন কী নামে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) চর্যাপদ
  2. খ) ডাকার্ণব ও দোহাকোষ
  3. গ) বৌদ্ধগান ও দোহাকোষ
  4. ঘ) হাজার বছরের পুরাণ বাঙালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজার বছরের পুরাণ বাঙালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজার বছরের পুরাণ বাঙালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
ব্যাখ্যা
- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায়  হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে  চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে “হাজার বছরের পুরাণ বাঙালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা” নামে চর্যাপদসহ আরো তিনটি পুঁথি একত্রে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদ ছাড়াও ছিল, সরহপাদ ও কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডার্কাণব।

- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র Buddhist Mystic Songs (১৯৬০) গ্রন্থটি চর্যাপদের অনুবাদ ও সম্পাদনা কর্ম। তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে চর্যাপদ সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় রচিত; এর ধর্মতত্ত্ব নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।
-  ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যার তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন। 

তথ্যসূত্র:- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোন কবিকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি বলা হয়?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. খ) বিজয় গুপ্ত
  3. গ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. ঘ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
গ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা
- ভারতচন্দ্রে জীবনকাল ১৭২২ থেকে ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ।
- তিনি আঠার শতকের মঙ্গলকাব্য ধারার শ্রেষ্ঠ কবি।
- মধ্যযুগের শেষ বড় কবি ছিলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
- তাকে নাগরিক কবিও বলা হয়।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি ‘অন্নদামঙ্গল’ (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ ‘বিদ্যাসুন্দর’।
- তার রচিত আর একটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম সত্যপীরের পাঁচালি (১৭৩৭-৩৮)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
.
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কার রচনা?
  1. ক) বিদ্যাপতি
  2. খ) বড়ু চণ্ডীদাস
  3. গ) দ্বিজ বংশীদাস
  4. ঘ) ভারতচন্দ্র রায়
সঠিক উত্তর:
খ) বড়ু চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বড়ু চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
- বড়ু চণ্ডীদাস আনুমানিক ১৩০৯ খ্রিষ্টাব্দে ছাতনা, বাঁকুড়া মতান্তরে বীরভূমের নানুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বড়ু চণ্ডীদাসের রাধাকৃষ্ণনের প্রণয় বর্ণনার মাধ্যমে ঈশ্বরতত্ত্ব প্রকাশ করে রচিত কাব্যগ্রন্থ। এটি মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাসের দৌহিত্র শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ্রন্থকে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামেও অভিহিত করা হয়।
- এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩বঙ্গাব্দে) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনা করেন কোন কবি?
  1. ক) ধর্মপা
  2. খ) ভুসুকুপা
  3. গ) লুইপা
  4. ঘ) কাহ্নপা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাহ্নপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাহ্নপা
ব্যাখ্যা
- চর্যাপদের সর্বাধিক পদরচয়িতা হচ্ছেন কাহ্নপা। তিনি সহজিয়া তান্ত্রিক বৌদ্ধযোগী ছিলেন। তিনি ধর্মশাস্ত্র ও সঙ্গীত শাস্ত্র উভয় দিকেই দক্ষ ছিলেন।
- তিনি মোট ১৩ টি পদ রচনা করেন। পদগুলো: ৭, ৯ থেকে ১৩, ১৮, ১৯, ৩৬, ৪০, ৪২, ৪৫ (২৪ নং পদটি কাহ্নপা রচিত, তবে সেটি পাওয়া যায় নি)।
- এই পদসমূহের বৈশিষ্ট হলো: এই পদগুলোতে নিপুণ কবিত্বশক্তি প্রকাশের পাশাপাশি তৎকালীন সমাজচিত্রও উদ্ঘাটিত। 
- চর্যাপদে কাহ্নপার আরো কিছু নাম পাওয়া যায়- কাহ্নু, কাহ্নি, কাহ্নিল, কৃষ্ণচর্য, কৃষ্ণবজ্রপাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
.
‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের অপর নাম কী?
  1. ক) পদ্মাপুরাণ
  2. খ) ধর্মমঙ্গল
  3. গ) পদ্মাদেবী
  4. ঘ) কেতকামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মাপুরাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মাপুরাণ
ব্যাখ্যা
- ‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।
- সাপের দেবী মনসার স্তব, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য ‘মনসামঙ্গল’।
- মনসামঙ্গল মূরত পাঁচালী পালা।
- কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি।
- এছাড়াও বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকা দাস ক্ষেমানন্দ প্রমুখ মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
.
মহিলা রামায়ণকার বলা হয় কাকে?
  1. ক) পদ্মাবতী
  2. খ) মাধবী
  3. গ) চন্দ্রাবতী
  4. ঘ) রামী
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রাবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রাবতী
ব্যাখ্যা
- মহিলা রামায়ণকার বলা হয় চন্দ্রাবতীকে।
- চন্দ্রাবতী মধ্যযুগের তিনজন মহিলা কবির একজন। অপর দুইজন চণ্ডীদাসের অনুরাগী রামী ও চৈতন্যের কৃপাপাত্রী মাধবী।
- চন্দ্রাবতী ১৫৫০ খ্রিষ্টাব্দে ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জের পাতোয়ারি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- চন্দ্রাবতী ছিলেন মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা।
- লৌকিক, মানবিক ও কিছু মৌলিক উপাদান সংযোগের ফলে তাঁর রচিত রামায়ণ বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিল।
- চন্দ্রাবতীর রচিত কাব্যগুলো হলো মালুয়া, দস্যু কেনারামের পালা, রামায়ণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
“অর্ধেক মানবী তুমি অর্ধেক কল্পনা” - উদ্ধৃতিটি কার?
  1. ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তর:
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
উদ্দৃতাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মানসী' কবিতা থেকে নেওয়া।
মানসী কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের ''চৈতালী'' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

--------------------------
মানসী
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী!
পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি
আপন অন্তর হতে। বসি কবিগণ
সোনার উপমাসূত্রে বুনিছে বসন।
সঁপিয়া তোমার ‘পরে নূতন মহিমা
অমর করেছে শিল্পী তোমার প্রতিমা।
কত বর্ণ, কত গন্ধ, ভূষণ কত-না –
সিন্ধু হতে মুক্তা আসে, খনি হতে সোনা,
বসন্তের বন হতে আসে পুষ্পভার,
চরণ রাঙাতে কীট দেয় প্রাণ তার।
লজ্জা দিয়ে, সজ্জা দিয়ে, দিয়ে আবরণ,
তোমারে দুর্লভ করি করেছে গোপন।
পড়েছে তোমার ‘পরে প্রদীপ্ত বাসনা –
অর্ধেক মানবী তুমি, অর্ধেক কল্পনা।।
.
চিত্রগুপ্ত ছদ্মনামে কে লিখতেন?
  1. ক) বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
  2. খ) সতীনাথ ভাদুড়ী
  3. গ) শম্ভু মিত্র
  4. ঘ) বিমল মিত্র
সঠিক উত্তর:
খ) সতীনাথ ভাদুড়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সতীনাথ ভাদুড়ী
ব্যাখ্যা
• চিত্রগুপ্ত ছদ্মনামে লিখতেন সতীনাথ ভাদুড়ী
• বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যাযাবর।
• বিমল মিত্র জাবালি ছদ্মনামে লিখতেন।
• শম্ভু মিত্রের ছদ্মনাম প্রসাদ দত্ত।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর
.
বাঙ্গালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচয়িতা কে?
  1. ক) কায়কোবাদ
  2. খ) শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর
  3. গ) কাজী মোতাহার হোসেন
  4. ঘ) ফররুখ আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক) কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
- বাঙ্গালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন কবি কায়কোবাদ
- তার প্রকৃত নাম ‘কাজেম আর কোরেশী’। কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- মাত্র তের বছর বয়সে তিনি রচনা করেন ‘বিহার বিলাপ’ (১৮৭০)
- ‘মহাশ্মাশান’ ( ১৯০৫) কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি একটি মহাকাব্য।
- বাঙ্গালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচনা করেন।
- তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবিও বলা হয় (১৮৫৭-১৯৫১)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
১০.
‘সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি’ - এই বিখ্যাত উক্তটি জীবনানন্দ দাশের কোন রচনার অংশ?
  1. ক) বনলতা সেন
  2. খ) কবিতার কথা
  3. গ) রূপসী বাংলা
  4. ঘ) ধূসর পাণ্ডুলিপি
সঠিক উত্তর:
খ) কবিতার কথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কবিতার কথা
ব্যাখ্যা
- কবি জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘কবিতার কথা’।
- এই গ্রন্থের বিখ্যাত উক্তি হলো, ‘সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।’
- কবি  জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলা কবি বলা হয়। 
- মূলত তিনি কবি হয়েও অসংখ্য ছোটগল্প, কয়েকটি উপন্যাস ও প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক (১৯২৮)
- ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬)
- বনলতা সেন (১৯৪২)
- মহাপৃথিবী (১৯৪৪)
- সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)
- রূপসী বাংলা (১৯৫৭)
- বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি’- চরণটি কোন কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. ক) ধূমকেতু
  2. খ) বীরঙ্গনা
  3. গ) শিখা
  4. ঘ) বিদ্রোহী
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিদ্রোহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা
- ‘আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি’- চরণটি বিদ্রোহী কবিতার।
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের।
- ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ‘বিজলী, পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- বাংলা মাস হিসেবে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি  সাপ্তাহিক বিজলী পত্রিকায় ২২শে পৌষ (১৩২৮ সংখ্যায়) প্রকাশিত হয়।
- নজরুল ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্যই তাকে বিদ্রোহী কবি বলা হয় ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
১২.
‘বীরবল’ কোন লেখকের ছদ্মনাম?
  1. ক) প্রমথ চৌধুরী
  2. খ) মীর মোশাররফ হোসেন
  3. গ) বিমল ঘোষ
  4. ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ক) প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- প্রমথ চৌধুরী ৭ই আগষ্ট ১৮৬৮ সালে যশোর জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয় প্রমথ চৌধুরীকে।
- তিনি ছদ্ম নাম ‘বীরবল’ ব্যবহার করে অনেক রচনা প্রকাশ করেন।
- চরিত রীতিতে তার প্রথম গদ্যরচনা হলো ‘বীরবলের হালখাতা’ ।
- ‘বীরবলের হালখাতা’ ভারতীয় পত্রিকা ‘ভারতী’তে ১৯০২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) প্রমথ চেীধুরী সম্পাদিত বিশিষ্ট সাহিত্য পত্রিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
১৩.
‘ছন্দের রাজা’ হিসাবে কে পরিচিত?
  1. ক) সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. গ) ডি এল রায়
  4. ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
- ছন্দের রাজা ও ছন্দের জাদুকর হিসেবে খ্যাতি ছিল সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের।
- তাঁর বহুল প্রচলিত কবিতার নাম ‘মেথর’।
- তাঁর কবিতার ভাববস্তু মূলত দেশাত্মবোধ, শক্তির সাধনা ও মানবতার বন্দনা।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতা সমূহ সমৃদ্ধ ছন্দের ঝঙ্কারে।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্য গুলো হলো:
• সবিতা (১৯০০)
• সন্ধিক্ষণ (১৯০৫)
• বেণু (১৯০৬)
• কুহু ও কেকা (১৯১২)
• অভ্র আবীর (১৯১৬)
• হসন্তিকা (১৯১৯)
• বেলা শেষের গান (১৯২৩)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
১৪.
‘আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি’- চরণটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. খ) মুনির চৌধুরী
  3. গ) হাসান আজিজুল হক
  4. ঘ) সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
- ‘আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি’- চরণটি সৈয়দ শামসুর হকের রচিত আমার পরিচয় কবিতার ।
- ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটি  সৈদয় শামসুল হকের ‘কিশোর কবিতা সমগ্র; থেকে সম্পাদিত আকারে চয়ন করা হয়েছে।
- কবিতাটির মাধ্যমে লেখক বাঙালি জাতির বর্তমান অবস্থার পেছনের বর্ণিল ইতিহাসের কথা তুলে ধরেছেন।
- সৈয়দ শামসুল হক ২৯ বছর বয়সে ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
- তিনি আদমজি সাহিত্য পুরস্কার পান ১৯৬৯ সালে।
- এছাড়াও তিনি আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ১৯৮৩ ও একুশে পদক ১৯৮৪ সালে লাভ করেন।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য পাঠ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
১৫.
‘ধূমকেতু’ পত্রিকার সম্পাদক কে?
  1. ক) প্রমথ চৌধুরী
  2. খ) নলিনীকান্ত সেন
  3. গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
-কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ‘ ধূমকেতু’ অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
-  রবীন্দ্রনাথের ‘আয় চলে আয়, রে ধূমকেতু/আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু’ বাণীটি ধূমকেতু পত্রিকায় ছাপা হয়।
- ধূমকেতুর পূজা সংখ্যায় ২৬শে সেপ্টম্বর ১৯২২ সালে ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি প্রকাশিত হলে কাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

- নজরুল দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক নবযুগ’ এর যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর সম্পাদিত আরেক টি পত্রিকার নাম ‘লাঙ্গল’।
- ‘লাঙ্গল’ পত্রিকাটি  ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।

- নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম ব্যাথার দান (১৯২২)। 
- প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি এবং প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম বাঁধন-হারা (১৯২৭)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি কে?
  1. ক) শেখ ফয়জুল্লাহ
  2. খ) মোহাম্মাদ নাসির উদ্দিন
  3. গ) শাহ্ আবদুল করিম
  4. ঘ) হুমায়ুন আজাদ
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ ফয়জুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ ফয়জুল্লাহ
ব্যাখ্যা
- মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি বলা হয় শেখ ফয়জুল্লাহকে।
- কারবালা ও ইসলামি বিয়োগান্তক কাহিনি নিয়ে মূলত মুসলমানদের রচিত সাহিত্যই মর্সিয়া সাহিত্য।
- শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত মর্সিয়া সাহিত্যের গ্রন্থের নাম জয়নালের চৌতিশা। গ্রন্থটি ১৫৭০ সালে রচনা করা হয়।
- মর্সিয়া সাহিত্যের হিন্দু কবি রাধারমণ গোপ। তাঁর রচিত গ্রন্থ সমূহ হচ্ছে ‘ইমামগণের কেচ্ছা’ ‘আফৎনামা’।
- ‘মুক্তল হোসেন’ মুহম্মদ খান রচিত পারসি থেকে অনূদিত (১৬৪৫) বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
১৭.
‘ভারতী’ পত্রিকা কার সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ক) সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) সঞ্জয় ভট্টাচার্য
  3. গ) দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
- ‘ভারতী’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়  ১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দে, রবীন্দ্র-ভাতা দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায়।
- পরে স্বর্ণকুমারী দেবী, সরলা দেবী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ এ পত্রিকার সম্পাদক হন।
- ‘ভারতী, একটি লেখক গোষ্ঠি গোড়ে তোলে।
- এই লেখক গোষ্ঠিই মূলত রবীন্দ্রানুসারী।
- রবীন্দ্রনাথসহ, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রেমাঙ্কুর আতর্থী প্রমুখ নিয়মিত এই পত্রিকায় লিখতেন।
- পত্রিকাটি দীর্ঘায়ু লাভ করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
জয়নন্দীপা চর্যাপদের কততম পদ রচনা করেন?
  1. ক) ২১ সংখ্যা পদ
  2. খ) ৩৬ সংখ্যা পদ
  3. গ) ৪৫ সংখ্যা পদ
  4. ঘ) ৩৭ সংখ্যা পদ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।

- জয়নন্দীপা জাতিতে ব্রাহ্মণ এবং কোনো রাজার মন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি চর্যাপদের কবিদের মধ্যে একজন ছিলেন।
- তিনি চর্যাপদের ৪৬ সংখ্যক পদটি রচনা করেন।
- তাঁর ভাষা ছিল গৌড় অপভ্রংশের পরবর্তী আধুনিক ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীন রূপ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
রামায়ণ কোন ভাষার রচিত মহাকাব্য?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) অসমিয়া
  3. গ) হিন্দি
  4. ঘ) সংস্কৃত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংস্কৃত
ব্যাখ্যা
- কবি বাল্মীকি রচিত রামায়ণ সংস্কৃত ভাষার কাব্য। বাল্মীকি আগে রত্নাকর নামে দস্যুবৃত্তি করতেন।
- বল্মীকির ‘রামায়ণ’ প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি কৃত্তিবাস ওঝা।
- কৃত্তিদাস ওঝা রামায়ণের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক। তাঁর রচিত রামায়ণের অন্য নাম ‘শ্রীরাম-পাঁচালি’।
- তাঁর বাংলায় অনুবাদ কৃত রামায়ণ টি এতোটাই জনপ্রিয়তা অর্জন করে যে, ১৮০২-০৩ খ্রিষ্টাব্দে শ্রীরামপুরের পাদ্রিরা তাদের নব প্রতিষ্ঠিত প্রেসে গ্রন্থটি মুদ্রণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
“আয়ুবশ আমারে রাখিল বিধাতায়। সবে ভিক্ষা প্রাণ রক্ষা ক্লেশে দিন যায়”- এটি কার উক্তি?
  1. ক) আলাওল
  2. খ) রামবিধি গুপ্ত
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) রাধারমণ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ক) আলাওল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলাওল
ব্যাখ্যা
- আরাকান রাজ সভার শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ( অনেকের মতেই, মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি) আলাওল। যার একাধিক গ্রন্থ বিশেষ মূল্যবান।
- তিনি সতের শতকের কবি, ‘পদ্মাবতী’ তাঁর অমর কীর্তি।
- বাস্তবতা ও অলৌকিকতার সংমিশ্রণে ‘পদ্মাবতী’ একটি চমৎকার কাব্য।

তাঁর কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি (কবিতার লাইন} হচ্ছে
- ‘আয়ুবশ আমারে রাখিল বিধাতায়। সবে ভিক্ষা প্রাণ রক্ষা ক্লেশে দিন যায়।’
- ‘মন্দকৃতি ভিক্ষাবৃত্তি জীবন কর্কশ।’

উৎস: লালা নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ।
২১.
দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয় কাকে?
  1. ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. খ) ভারতচন্দ্র রায়
  3. গ) জীবনানন্দ দাশ
  4. ঘ) চন্দ্রকুমার দে
সঠিক উত্তর:
ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মানব-রসের প্রথম ও একমাত্র স্রষ্টা।
- চণ্ডীমঙ্গলের প্রধান কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। তিনি ষোল শতকের কবি।
- মেদিনীপুরের রাজা রঘুনাথ রায়ের অনুরোধে তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্য লেখেন।
- গণজীবনের করুণ চিত্র তাঁর কাব্যে তুলে ধরেন।
- কবির প্রতিভার স্বকৃতিস্বরূপ রাজা রঘুনাথ তাকে কবিকঙ্কন উপাধি প্রদান করেন।
- তাঁকে দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
এনার্জি বাল্বে গ্যাস পরমাণু কী অবস্থায় থাকে?
  1. ক) তরল
  2. খ) প্লাজমা
  3. গ) কঠিন
  4. ঘ) বায়বীয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাজমা
ব্যাখ্যা
- প্লাজমা অবস্থা হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা। 
- প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস। 
- এ অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়।
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- সূর্যসহ মহাবিশ্বের নক্ষত্রসমূহের অভ্যন্তরভাগ প্লাজমা অবস্থার উদাহরণ ।
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
 
উৎস : পদাথবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৩.
নিচের কোনটি সবচেয়ে কঠিন পদার্থ?
  1. ক) গ্রানাইট
  2. খ) হীরক
  3. গ) চক
  4. ঘ) গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর:
খ) হীরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হীরক
ব্যাখ্যা
হীরক হলো সবচেয়ে কঠিন পদার্থ। 
 
কার্বনের দুটি বিশেষ রূপ হলো হীরক ও গ্রাফাইট।
দুটি পদার্থই খনিতে পাওয়া যায়। 
ভূগর্ভের অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপ ও চাপের প্রভাবে কোটি কোটি বছর ধরে রূপান্তরিত হয়ে কার্বন কেলাসিত হয়ে গ্রাফাইট ও হীরকে পরিণত হয়।

উৎস : ব্রিটানিকা; সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৪.
নিচের কোনটি সবচেয়ে দুর্বল বিজারক?
  1. ক) সিজিয়াম
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) লিথিয়াম
  4. ঘ) পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) লিথিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লিথিয়াম
ব্যাখ্যা
বিজারণ ধর্ম (Reducing Property) : 
ক্ষার ধাতুর মৌলগুলোর ক্ষেত্রে গ্রুপ বরাবর উপর থেকে যত নিচের দিকে যাওয়া যায় পারমাণবিক আকার তত বাড়তে থাকে। 
ফলে বিজারণ ক্ষমতাও বাড়তে থাকে।
গ্রুপ বরাবর উপর থেকে নিচের দিকে আয়নিকরণ বিভবের মান কমতে থাকে।
এ কারণে Cs হলো তীব্র বিজারক এবং Li হলো সবচেয়ে দুর্বল বিজারক। 
 
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৫.
সোডিয়ামের (Na) এর ভরসংখ্যা 23 হলে, এর নিউট্রন সংখ্যা হবে -
  1. ক) 9
  2. খ) 12
  3. গ) 7
  4. ঘ) 11
সঠিক উত্তর:
খ) 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 12
ব্যাখ্যা
কোনো পরমাণুতে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলে। ভরসংখ্যাকে A দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
যেহেতু ভরসংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। 
 
সোডিয়ামের (Na) ভরসংখ্যা হলো 23, এর প্রোটন সংখ্যা 11, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে 23 - 11= 12

কোনো পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা পরমাণুর প্রতীকের নিচে বাম পাশে লেখা হয়, পরমাণুর ভরসংখ্যা প্রতীকের বাম পাশে উপরের দিকে লেখা হয়। 
 
যেমন— সোডিয়াম পরমাণুর প্রতীক Na এর পারমাণবিক সংখ্যা 11 এবং ভরসংখ্যা 23। এটাকে এভাবে প্রকাশ করা যায়:
 
উৎস : রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 
২৬.
গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় লোহার উপর কোনটির প্রলেপ দেয়া হয়?
  1. ক) নিকেল
  2. খ) দস্তা
  3. গ) টিন
  4. ঘ) কোবাল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং : 
এক ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেয়াকেই গ্যালভানাইজিং বলে।
লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়। এর ফলে ঘরের টিনে সহজে মরিচা পড়তে পারে না। 
গুড়া দুধের টিন বা টিনজাত খাবারের টিনগুলো মূলত লোহা ও ইস্পাতের তৈরি। 
এর উপর টিনে ধাতুর পাতলা প্রলেপ দেয়া থাকে ফলে এতে মরিচা ধরে না এবং ভিতরকার খাবার নষ্ট হয় না।

উৎস : সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
নরম সাবান তৈরিতে বিশেষভাবে কোনটির ব্যবহার হয়?
  1. ক) কষ্টিক পটাস
  2. খ) লবণ
  3. গ) কষ্টিক সোডা
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
ক) কষ্টিক পটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কষ্টিক পটাস
ব্যাখ্যা
- সাবান তৈরির মূল উপাদান চর্বি এবং ক্ষার।
- সাবান সাধারণত শক্ত এবং কোমল এই শ্রেণীতে বিভক্ত।
-  শক্ত সাবান তৈরিতে কষ্টিক সোডা এবং কোমল সাবান তৈরিতে কস্টিক পটাসের ব্যবহার হয়ে থাকে। 
- বিভিন্ন আকার এবং বিভিন্ন ধরনের সাবান বিভিন্ন কাজের উপযোগী করে তৈরি করা হয়।
 
উৎস : সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৮.
বেকিং সোডা হচ্ছে মূলত-
  1. ক) পটাশিয়াম বাই-টারটারেট
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
  3. গ) সোডিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট
  4. ঘ) সোডিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
ব্যাখ্যা
বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডার সাধারণ উপাদান  NaHCO (সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট)
 
বেকিং সোডা (Baking Soda) : 
বেকিং সোডা (NaHCO3) বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। বেকিং সোডা ব্যবহার করে খাবার তৈরির বেলায় খাবারের উপাদান হিসেবে ভিনেগার বা লেবুর রস বা টক দই অথবা অন্য এমন কোন উপাদান থাকে যা অম্লধর্মী। এক্ষেত্রে NaHCO3 খাবারের অম্ল উপাদানের (যেমন- ভিনেগার) সাথে বিক্রিয়া করে H2CO3 এসিড উৎপন্ন করে। H2CO3 সহজেই বিয়োজিত হয় এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন করে যা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে।

বেকিং পাউডার : বেকিং পাউডার হচ্ছে NaHCO3 ও পটাশিয়াম বাই-টারটারেটের অথবা সোডিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এর মিশ্রণ। উত্তপ্ত করলে বেকিং পাউডার থেকে CO2 গ্যাস নির্গত হয় যা কেক বা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে।
 
উৎস : রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৯.
নিচের কোনটি অপধাতু?
  1. ক) লিথিয়াম
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
খ) সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলিকন
ব্যাখ্যা
-যে সকল মৌল কোনো কোনো সময় ধাতুর মতো আচরণ করে এবং কোনো কোনো সময় অধাতুর মতো আচরণ করে তাদেরকে অর্ধধাতু বা অপধাতু বলা হয়। 
 
আবার আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী যে সকল মৌল কোনো কোনো সময় ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং কোনো কোনো সময় ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাদেরকে অপধাতু বলে। 
যেমন: সিলিকন (Si) একটি অপধাতু।

পর্যায় সারণির যেকোনো একটি পর্যায়ের দিকে লক্ষ করলে দেখা যাবে যে, বাম দিকের মৌলগুলো সাধারণত ধাতু, মাঝের মৌলগুলো সাধারণত অর্ধধাতু বা উপধাতু এবং ডান দিকের মৌলগুলো সাধারণত
অধাতু।
 
উৎস : রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩০.
কোনটির ব্যাপনের হার বেশি?
  1. ক) CO2
  2. খ) H2
  3. গ) N2
  4. ঘ) O2
সঠিক উত্তর:
খ) H2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) H2
ব্যাখ্যা
- কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে। 
- যেমন: ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এটি ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 
 
- কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার কম ।
 
H2, He, N2, O2 এবং CO2 গ্যাসগুলোর আণবিক ভর যথাক্রমে 2, 4, 28, 32 এবং 44। 
এই গ্যাসগুলোর মধ্যে H2 এর আণবিক ভর কম। 
তাই H2 এর ব্যাপন হার বেশি হবে এবং CO2 এর আণবিক ভর বেশি, কাজেই CO2 এর ব্যাপন হার কম হবে।
 
উৎস : রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 

৩১.
নিম্নের কোনটি তৈরিতে ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) লেড স্টোরেজ ব্যাটারি
  2. খ) লিথিয়াম ব্যাটারি
  3. গ) ড্রাইসেল
  4. ঘ) মারকারিসেল
সঠিক উত্তর:
গ) ড্রাইসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড্রাইসেল
ব্যাখ্যা
তড়িৎ শক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনে দৈনন্দিন কাজে আমরা বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করে থাকি। 
লেড স্টোরেজ ব্যাটারি, ড্রাইসেল, মারকারি সেল, লিথিয়াম সেল ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকৃতির সেলের ব্যবহার আজকাল খুবই ব্যাপক। 
 
সব ব্যাটারির মধ্যেই কোনো না কোন ধাতু ও ধাতব আয়ন থাকে। যেমন :
- লেড স্টোরেজ ব্যাটারিতে সিসা (Pb) ও সিসার অক্সাইড (PbO2), 
- মারকারি কোষে দস্তা (Zn) ও মারকিউরাস অক্সাইড (HgO), 
- ড্রাইসেলে দস্তা ও ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড (MnO2), 
- লিথিয়াম ব্যাটারিতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড (liCoO2) ব্যবহার করা হয়। 
 
এ ধাতুগুলো সবই ভারী ধাতু হিসেবে পরিচিত। এ সব ধাতু মানবদেহের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকারক এবং জীবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী নিয়ামক
হিসেবে বহুল পরিচিত।
৩২.
কোনটির সাহায্যে তরল পদার্থের বিশুদ্ধতা নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) বাষ্পীভবন
  2. খ) স্ফুটনাঙ্ক
  3. গ) ঘনীভবন
  4. ঘ) গলনাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
ব্যাখ্যা
- স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
- গলনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ রসায়ন বোর্ড বই, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৩৩.
পলিমার অণুর অপর নাম কোনটি?
  1. ক) মাইক্রো মলিকুল
  2. খ) ন্যানো মলিকুল
  3. গ) ম্যাকক্রো মলিকুল
  4. ঘ) পার্টিকেল মলিকুল
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাকক্রো মলিকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাকক্রো মলিকুল
ব্যাখ্যা
পলিমার শব্দ দ্বারা সাধারণত বৃহদাকার অনুকে বোঝায় যা কিনা ক্ষুদ্রাকৃতির কোন অণুর বারবার সংযোগের ফলে গঠিত হয়। 
যেমন, প্রাকৃতিক বায়োঅণু পলিস্যাকারাইড, প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড ইত্যাদি এবং সাংশ্লেষিক পলিমার যেমন প্লাস্টিক, নাইলন, পলিএস্টার, অ্যাক্রাইলিক ইত্যাদি। 
পলিমার অণুর অপর নাম ম্যাকক্রো মলিকুল। 
 
উৎস : রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৪.
বস্তুর কোন অবস্থাটির মধ্যে তাপশক্তি সবচেয়ে কম থাকে?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) বায়বীয়
  3. গ) প্লাজমা
  4. ঘ) তরল
সঠিক উত্তর:
ক) কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কঠিন
ব্যাখ্যা
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। 
- তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। 
- তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়।
 
 
উৎস : পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৫.
যে পদার্থের জারণ ঘটে তাকে বলা হয় -
  1. ক) জারণ পদার্থ
  2. খ) বিজারিত পদার্থ
  3. গ) জারক পদার্থ
  4. ঘ) জারিত পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জারিত পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জারিত পদার্থ
ব্যাখ্যা
যে পদার্থের সাহায্যে জারণ ক্রিয়া সংঘটিত হয় তাকে জারক পদার্থ এবং যার জারণ ঘটে তাকে জারিত পদাৰ্থ বা বিজারক বলা হয়।
যেমন, SnCl2(aq) + Cl2(g) → SnCl4(aq)
এই বিক্রিয়ায় জারক পদার্থ ক্লোরিন এবং এর সাহায্যে SnCl2 জারিত হয়েছে। 
অতএব SnCl2 বিজারক পদার্থ । 

যে পদার্থের সাহায্যে বিজারণ ক্রিয়া সংঘটিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ এবং যার বিজারণ ঘটে তাকে বিজারিত পদার্থ বলা হয়। যেমন:
ZnO + C = Zn + CO
এই বিক্রিয়ায় বিজারক পদার্থ C এর সাহায্যে ZnO বিজারিত হয়ে Zn ধাতুতে পরিণত হয়েছে।

উৎস : রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৬.
নিচের কোন দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করে না?
  1. ক) HCl
  2. খ) C6H12O6
  3. গ) CaCl2
  4. ঘ) NaCl
সঠিক উত্তর:
খ) C6H12O6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) C6H12O6
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য প্রয়োজন বিচ্ছিন্ন ধনাত্মক বা ঋণাত্মক আয়ন। 
খাদ্য লবণের (NaCl) জলীয় দ্রবণে ধনাত্মক আয়ন হিসেবে Na+ ও ঋণাত্মক আয়ন হিসেবে cl-বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

যেহেতু জলীয় দ্রবণে আয়নিক যৌগসমূহ বিচ্ছিন্ন ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন হিসেবে অবস্থান করে কাজেই সকল আয়নিক যৌগ জলীয় দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করে।
অপরদিকে জলীয় দ্রবণে সমযোজী যৌগ বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। কারণ সমযোজী যৌগ কোনো বিচ্ছিন্ন আয়ন তৈরি করে না। আর দ্রবণে আয়ন না থাকলে তা কখনই বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারবে না।

CaCl2 দ্রবণে Ca2+ ও Cl থাকে। HCl দ্রবণে H+ ও Cl- থাকে। কাজেই এরা দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করে। 
গ্লুকোজ (C6H12O6) দ্রবণে আয়ন আকারে বিভক্ত হয় না, কাজেই গ্লুকোজ দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করে না।
 
উৎস : রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৭.
কোন মৌলিক ধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে?
  1. ক) থ্যালিয়াম
  2. খ) পারদ
  3. গ) বেরিয়াম
  4. ঘ) রেডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারদ
ব্যাখ্যা
- পারদ একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮০ এবং গলনাঙ্ক প্রায় ৩৮.৮৩° সেলসিয়াস।
- তাই এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।

উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৮.
নিম্নে কোনটির গলনাঙ্ক নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) নিশাদল
  2. খ) মোম
  3. গ) ন্যাপথোলিন
  4. ঘ) কার্বন ডাই অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
খ) মোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোম
ব্যাখ্যা
- কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরল অবস্থায় পরিবর্তিত করার প্রক্রিয়াকে গলন বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ হলে এটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গলতে আরম্ভ করে এবং গলন যতক্ষণ শেষ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তাপমাত্রা স্থির থাকে। - এরূপ যে স্থির তাপমাত্রায় কোনো বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থ গলতে শুরু করে তাকে ঐ কঠিন পদার্থের গলনাংক বলে। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে অপদ্রব্য বা ভেজাল মিশ্রিত থাকলে উহা অপেক্ষাকৃত নিম্ন তাপমাত্রায় গলতে শুরু করে।
 
কঠিন মোমকে তাপ দিলে তা গলে গিয়ে তরল মোমে পরিণত হয়। অর্থাৎ মোমের গলনাঙ্ক নির্ণয় করা যায়। 
 
কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন, কার্বন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়।
 
উদ্বায়ী পদার্থের গলনাংক নির্ণয় করা যায় না, যেহেতু তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। 
 
উৎস : রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৯.
প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত ভিনেগারে কোন এসিড থাকে?
  1. ক) এসকরবিক এসিড
  2. খ) অ্যাসিটিক এসিড
  3. গ) অক্সালিক এসিড
  4. ঘ) মিথানোয়িক এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসিটিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসিটিক এসিড
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয় । 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) এর 6 -10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে। 
- এর আরেক নাম সিরকা। 
- এটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। 
- এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতিসহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
তা ছাড়াও এর তেমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
 
এটি যেভাবে কাজ করে তা হলো খাদ্যদ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে একে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমিয়ে দেয়।  এ মান 5 থেকে 4 এর মধ্যে নেমে আসে। 
তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। 
যেমন, অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6-5-7-5 এর মধ্যে। তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না এবং এটি বহুল প্রচলিত।
 
উৎস : রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪০.
মাটি থেকে মূলরোমে পানি প্রবেশ করে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) বহিঅভিস্রবণ
  2. খ) ব্যাপন
  3. গ) অন্তঅভিস্রবণ
  4. ঘ) প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
গ) অন্তঅভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অন্তঅভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ (Osmosis) 
একই দ্রাবক বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে পৃথক করা থাকলে দেখা যায় যে দ্রাবক পাতলা দ্রবণ থেকে পর্দার ভেতর দিয়ে ঘন দ্রবণের দিকে যায়। দুটি দ্রবণের ঘনত্ব এক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে । এরই নাম অভিস্রবণ ।
 
অভিস্রবণ দু'ধরনের।  যথা :
(১) অন্তঅভিস্রবণ : দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঅভিস্রবণ ঘটে। অন্তঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে। উদাহরণ- কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে। 

(২) বহিঅভিস্রবণ : দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঅভিস্রবণ ঘটে। টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিম্বা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহি:অভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে।

অন্তঅভিস্রবণ এবং বহিঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ার সম্মিলিত কার্যক্রমের ফলে উদ্ভিদের কোষ থেকে কোষান্তরে পানির চলাচল ঘটে ।
 
উৎস : উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪১.
কোনটি চুনের পানিকে ঘোলা করে?
  1. ক) NO2
  2. খ) SO2
  3. গ) CO2
  4. ঘ) CO
সঠিক উত্তর:
গ) CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CO2
ব্যাখ্যা
কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) কে চুনের পানির মধ্যে চালনা করলে চুনের পানি ঘোলা হয়। 
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়াটি হচ্ছে:
Ca(OH)2 + CO2 -----> CaCO3 + H2O
 
উৎস : রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪২.
ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় কোনটি?
  1. ক) সিলিকন
  2. খ) লোহা
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩.
তড়িৎযোজী বন্ধন কখন গঠিত হয়?
  1. ক) দুটি পরমাণুর মধ্যে প্রোটনের আদান-প্রদান ঘটে
  2. খ) একটি পরমাণু ইলেকট্রন দান করে এবং অপর পরমাণুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে
  3. গ) দুটি মৌলের পরমাণু পরস্পরের সাথে নিউট্রন বিনিময় করে
  4. ঘ) দুটি পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রনের শেয়ার ঘটে
সঠিক উত্তর:
খ) একটি পরমাণু ইলেকট্রন দান করে এবং অপর পরমাণুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একটি পরমাণু ইলেকট্রন দান করে এবং অপর পরমাণুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা
তড়িৎযোজী বন্ধন বা আয়নিক বন্ধন : 
নিকটতম নিষ্ক্রিয় মৌলের ইলেকট্রন গঠন কাঠামো লাভের উদ্দেশ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পরমাণুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রন দান ও গ্রহণের ফলে উৎপন্ন বিপরীতধর্মী আয়নের মধ্যে স্থির তড়িৎ আকর্ষণ বলের মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয়, তাকে তড়িৎযোজী বন্ধন বা আয়নিক বন্ধন বলে।
 
তড়িৎযোজী বন্ধনের প্রবক্তা বিজ্ঞানী কোসেল ( Kossel)। 
তাঁর ধারণা মতে দুই বা ততোধিক পরমাণু রাসায়নিকভাবে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে এক বা একাধিক পরমাণু ইলেকট্রন দান করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
উৎপন্ন ধনাত্মক আয়ন নিকটতম নিষ্ক্রিয় মৌলের ইলেকট্রন গঠন কাঠামো প্রাপ্ত হয়। বিপরীতভাবে এক বা একাধিক পরমাণু ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয় । উৎপন্ন ঋণাত্মক আয়ন নিকটতম নিষ্ক্রিয় মৌলের ইলেকট্রন গঠন কাঠামো প্রাপ্ত হয়। 
এভাবে উৎপন্ন দুই বা ততোধিক ধনাত্মক আয়ন ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে ঘিরে তড়িৎ আকর্ষণ বলের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করে ।
 
উৎস : রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৪.
কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) গ্লাস
  3. গ) রূপা
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) গ্লাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্লাস
ব্যাখ্যা
তামা হচ্ছে একটি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 

যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎপ্রবাহ চলাচল করতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
যেমন– তামা, রূপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।

যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ পরিবহনের জন্য কোন মুক্ত ইলেকট্রন নেই, সেগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, গ্লাস ইত্যাদি। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫.
সার হিসেবে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নিম্নের কোন এসিড থেকে প্রস্তুত করা হয়?
  1. ক) H2SO4
  2. খ) HNO3
  3. গ) H3PO4
  4. ঘ) HCl
সঠিক উত্তর:
খ) HNO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) HNO3
ব্যাখ্যা
- ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলো অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। 
- সার হিসেবে আমরা যেগুলো ব্যবহার করি তার অন্যতম হলো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম সালফেট ((NH4)2SO4) ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), আর সার কারখানায় এগুলো তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড (HNO3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এবং ফসফরিক এসিড (H3PO4) দিয়ে।
 
উৎস : সাধারণ বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি। 
৪৬.
নিচের কোনটি বহুরূপী মৌল?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) গন্ধক
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
একই মৌল প্রকৃতিতে বিভিন্ন ভৌত গুণাগুণ প্রদর্শন করে কিন্তু রাসায়নিক ধর্মের তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না। অর্থাৎ কিছু অধাতব মৌলের রাসায়নিক গুণাগুণ মোটামুটি অভিন্ন হলেও ভৌত ধর্মের মধ্যে বিভিন্নতা থাকে। এইসব পদার্থ বা মৌলগুলোকেই বহুরূপী মৌল বলে এবং মৌলের এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় বহুরূপতা। 
 
======
 
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, গ্রাফাইট ও হিরক একই মৌল কার্বন দ্বারা গঠিত হলেও এদের ভৌত ধর্ম এবং রাসায়নিক ধর্মে পার্থক্য বিদ্যমান। অর্থাৎ হীরক ও গ্রাফাইট হলো কার্বনের রূপভেদ। শুধু তাই নয়; প্রকৃতিতে কার্বন বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।

অনুরূপভাবে গন্ধক (সালফার) ও ফসফরাস দুটি মৌলও বহুরূপী। 
প্রকৃতিতে চার ধরনের গন্ধক ও দুই ধরনের ফসফরাস পাওয়া যায়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৪৭.
কাপে গরম চা রাখলে নিচের কোন প্রক্রিয়াটি ঘটে?
  1. ক) বাষ্পীভবন
  2. খ) ঊর্ধ্বপাতন
  3. গ) নিঃসরণ
  4. ঘ) ব্যাপন
সঠিক উত্তর:
ক) বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। 
- যেমন— চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। 
- এটি বাষ্পীভবনের উদাহরণ। 
- আবার, উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে। 
- যেমন— জলীয় বাষ্প তাপশক্তি নির্গত করে ঠাণ্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়। এটি ঘনীভবন প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে।
অর্থাৎ 
পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন (Distillation = Vaporization + Condensation)
 
উৎস : রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪৮.
ক্যাথােডে কোন বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়?
  1. ক) জারণ
  2. খ) বিজারণ
  3. গ) প্রশমন
  4. ঘ) পানি যোজন
সঠিক উত্তর:
খ) বিজারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিজারণ
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে। 
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়
-  বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথােডে
- জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানােডে।

এভাবে মনে রাখা যায়- 
- জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
- জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
- বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
- বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বাের্ড বই
৪৯.
কোনটিকে ড্ৰাই আইস বলা হয়?
  1. ক) হিমায়িত নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) হিমায়িত ক্যালশিয়াম অক্সাইড
  3. গ) হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  4. ঘ) হিমায়িত সালফার-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ বা ‘ড্রাই আইস’ হলো জমাট বা হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড
- এ কঠিনীকৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড -78.5℃ উষ্ণতায় কঠিন অবস্থা থেকে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
- তাই এর নাম শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০.
'পাওয়ার অ্যালকোহল' হিসেবে পরিচিত -
  1. ক) অ্যালকোহল-ইথার
  2. খ) অ্যালকোহল-পানি
  3. গ) অ্যালকোহল-অ্যাসিড
  4. ঘ) অ্যালকোহল-বেনজিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালকোহল-বেনজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালকোহল-বেনজিন
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
ইথানল ও বেনজিনের নির্দিষ্ট অনুপাতের মিশ্রণ মটর গাড়ীর জ্বালানী রূপে ব্যবহার করা যায়। শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় বলে এ জাতীয় মিশ্রণকে “পাওয়ার অ্যালকোহল” (Power alcohol) বলে।
 
উৎস : রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫১.
পরমাণূর মূল কণিকা কয় ধরনের?
  1. ক) পাঁচ
  2. খ) তিন
  3. গ) দুই
  4. ঘ) চার
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
ব্যাখ্যা
পরমাণূর মূল কণিকা তিন ধরনের। যথা:
স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা।

(১) স্থায়ী মূল কণিকা: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়। (হাইড্রোজেন-1 পরমাণুতে শুধু 1.0টি ইলেকট্রন ও 1.0টি প্রোটন আছে) এতে কোন নিউট্রন নেই।

(২) অস্থায়ী মূল কণিকা: কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকণিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা ।

(৩) কম্পোজিট কণিকা (Composite particles): স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ।
 
উৎস : রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫২.
শুকনো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ক্লোরিন গ্যাসের বিক্রিয়া ঘটিয়ে কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. ক) লাইম ওয়াটার
  2. খ) ব্লিচিং পাউডার
  3. গ) মিল্ক অফ লাইম
  4. ঘ) মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ব্লিচিং পাউডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্লিচিং পাউডার
ব্যাখ্যা
ব্লিচিং পাউডার তৈরি হয় শুকনো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ক্লোরিন গ্যাসের (Cl2) বিক্রিয়া ঘটিয়ে। 

ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের পাতলা দ্রবণ যা চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার (Lime water) নামে পরিচিত সেটি আমাদের ঘরবাড়ি হোয়াইট ওয়াশ করতে ব্যবহার করা হয়। 
 
অন্যদিকে, পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট যা মিল্ক অফ লাইম (Milk of Lime) নামে অধিক পরিচিত, তা পোকামাকড় দমনে ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস : বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম - দশম শ্রেণি।