পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৫১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৫২
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫২ প্রশ্ন

.
বাংলা গদ্যে প্রথম সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. প্রমথ চৌধুরী 
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার 
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যতিচিহ্ন স্থাপন করেন। তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন।

- বিদ্যাসাগরের সৃষ্ট গদ্যরীতির প্রভাবেই পরবর্তী পর্যায়ে বাংলা গদ্যের পরিণত রূপের সৃষ্টি হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।
- প্রমথনাথ বিশী বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন।

- তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। কারণ তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণ দান করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পূর্বে অনেকেরই গদ্যের বিকাশে অবদান থাকলেও, বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা তাকেই বলা যায়।

উল্লেখ্য,
• বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি তাঁর 'সবুজপত্র' পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে এই রীতি প্রবর্তন করেন এবং এই রীতিতে রচিত প্রথম গ্রন্থ ছিল তাঁরই লেখা 'বীরবলের হালখাতা'।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
ব্রজবুলি ভাষার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ছিলেন- 
  1. বিদ্যাপতি
  2. যশোরাজ খান
  3. গোবিন্দদাস কবিরাজ 
  4. জয়দেব
ব্যাখ্যা

• ব্রজবুলি ভাষা:
- ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪-১৪৬০) এই কৃত্রিম ভাষার উদ্ভাবক। তিনি মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিশ্রণে এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা উদ্ভাবন করেন।

- এ ভাষায় তিনি রাধাকৃষ্ণের লীলাবিষয়ক বহু পদ রচনা করেন। পদগুলিতে রাধাকৃষ্ণের ব্রজলীলা বর্ণিত হওয়ায় এর নাম হয়েছে ব্রজবুলি।
- বিদ্যাপতির পদগুলি বাংলায় খুব জনপ্রিয় হয়েছিল; বিশেষত চৈতন্যদেব এই পদ আস্বাদন করায় এর ভাষার প্রতি বাংলার কবিগণ আকৃষ্ট হন।
-ষোল শতকের বাঙালি বৈষ্ণব কবিরা বিদ্যাপতির পদের ভাষা ও ছন্দের অনুকরণে রাধাকৃষ্ণবিষয়ক পদ রচনা করতে শুরু করেন।
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল বৈষ্ণব কবি এ ভাষায় বহু পদ রচনা করেন। এই ধারা উনিশ শতক পর্যন্ত চলেছিল। আধুনিক কবিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছেন এ ভাষায়।

- বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি পদ রচনা করেন যশোরাজ খান, আসামে শংকরদেব এবং উড়িষ্যায় রামানন্দ রায়। তারা তিনজনই ছিলেন ষোল শতকের কবি। ব্রজবুলির শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ছিলেন গোবিন্দদাস কবিরাজ (১৬শ-১৭শ শতক)। 

অন্যদিকে, 
• বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়। রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে জয়দেব রচিত 'গীতগোবিন্দম্' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে এটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
'দুর্দিনের দিনলিপি' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. আবুল ফজল
  3. জাহানারা ইমাম 
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

• 'দুর্দিনের দিনলিপি':
- 'দুর্দিনের দিনলিপি' গ্রন্থটির রচয়িতা- আবুল ফজল। গ্রন্থটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি তার মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের রোজনামচা।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক সেনাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য আত্মগোপন করেন এবং সে সময় তিনি এই ডায়রি লিখেন।

-----------------------
• আবুল ফজল কবি পরিচিতি:
আবুল ফজল ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, ও কথাসাহিত্যিক। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৩০ সালে এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আবুল ফজল উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম, ভ্রমণকাহিনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।

তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
• উপন্যাস:
- চৌচির,
- প্রদীপ ও পতঙ্গ,
- রাঙ্গা প্রভাত।

• গল্পগ্রন্থ:
- মাটির পৃথিবী,
- মৃতের আত্মহত্যা।

• দিনলিপি:
- রেখাচিত্র,
- দুর্দিনের দিনলিপি প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
• জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ "প্রবাসের দিনলিপি"।

উৎস:  'দুর্দিনের দিনলিপি' গ্রন্থ; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

.
জীবনানন্দ দাশ রচিত কোন কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে?
  1. বনলতা সেন
  2. হায় চিল
  3. মৃত্যুর আগে
  4. রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা

• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।

- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।

- জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।

- তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে।

- তাঁর 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথে ইয়েটস্-এর 'He reproves the curlow' কবিতার মিল রয়েছে।

- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে। জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়।

- বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে।

- এছাড়া জীবনানন্দ দাশের 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে।
- তিনি ট্রামের নিচে পড়ে আহত হন এবং হাসপাতালে মারা যান।

------------------
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা ও কালবেলা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ ইত্যাদি।

• 'কবিতার কথা' হচ্ছে জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
বিশেষ্য পদ নয় কোনটি?
  1. বীরত্ব
  2. সুখ
  3. তাজা 
  4. গমন
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ নয়- তাজা। 

• তাজা (বিশেষণ পদ)। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সদ্যপ্রাপ্ত, নতুন (তাজা খবর)।
- টাটকা (তাজা সবজি)।
- জীবন্ত; প্রাণবন্ত, প্রফুল্ল (তাজা প্রাণ)।

--------------------
বিশেষ্যের উদাহরণগুলো হলো:
• নজরুল, ঢাকা, মেঘনা, হিমালয়, অগ্নিবীণা- এই উদাহরণগুলো সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করে।
• মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, পর্বত, নদী- এই উদাহরণগুলো জাতিবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করছে।
• বই, খাতা, কলম, লোহা, জল, চিনি- এই উদাহরণগুলো দ্রব্যবাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করছে।
• সভা, সমিতি, জনতা, মাহফিল, দল, পাল- এই উদাহরণগুলো সমষ্টিবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করছে। 
• গমন, দর্শন, ভোজন- এই উদাহরণগুলো ভাববাচক বা ক্রিয়াবাচক বা অবস্থাবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করে।
• তারুণ্য, সৌন্দর্য, বীরত্ব, যৌবন, দুঃখ, সুখ-এই উদাহরণগুলো গুণবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

.
'পশ্চিম' শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. পশ্চাৎ + ইম্
  2. পশ্চৎ + ইম্
  3. পশ্চ্‌ + ইম্
  4. পশ্চাত + ইম্
ব্যাখ্যা

• ইম্ (ডিমচ্)- সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়: পর্যায়ে অর্থে বিশেষণ শব্দ গঠন করে।
যেমন:
- অগ্র + ইম্ = অগ্রিম,
- অন্ত + ইম্ = অন্তিম,
- পশ্চাৎ + ইম্ = পশ্চিম,
- আদি + ইম্ আদিম ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

.
'আমি অপমান হয়েছি'- বাক্যটিতে কী ধরনের অশুদ্ধি ঘটেছে?
  1. সন্ধিঘটিত অশুদ্ধি 
  2. বাচ্যজনিত অশুদ্ধি 
  3. বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
  4. সমাসঘটিত অশুদ্ধি 
ব্যাখ্যা

• বাচ্যজনিত ভুল:
কর্তৃবাচ্যে বিশেষ্য ও করা ক্রিয়ার রূপ থাকলে কর্মবাচ্যে বিশেষণ ও হওয়া ক্লিয়ার রূপ হবে।
যেমন:
অশুদ্ধ: আমি অপমান হয়েছি।
শুদ্ধ: আমি অপমানিত হয়েছি।

অশুদ্ধ: এ কথা প্রমাণ হয়েছে।
শুদ্ধ: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।

অশুদ্ধ: ঘটনা বর্ণনা হয়েছে।
শুদ্ধ: ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

অশুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
শুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

.
'জন্মেনি যে' এক কথায় কী বলে?
  1. অজন্মা 
  2. আজানু
  3. বেজন্মা
  4. অজ
ব্যাখ্যা

• 'জন্মেনি যে' এক কথায় বলে - অজ।


অন্যদিকে, 
• জানু পর্যন্ত- আজানু।

আবার, 
• 'বেজন্মা' অর্থ - জারজ, গালি। 
• 'অজন্মা' অর্থ-  শস্যাদি উৎপন্ন হয় না এমন অবস্থা, শস্য ফলনের অভাব; দুর্ভিক্ষ, বেজম্মা, জারজ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

.
নীলকরদের শোষণ ও অত্যাচারের পটভূমিতে 'নীলকর' কবিতাটি কে রচনা করেন?
  1. দিনবন্ধু মিত্র
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. হরিনাথ মজুমদার
  4. হরিশচন্দ্র মুখার্জী
ব্যাখ্যা

• 'নীলকর' কবিতা:
'সংবাদ প্রভাকর’ এ মহারাণী ভিক্টোরিয়াকে সম্বোধন করে ‘নীলকর’ নামে ব্যঙ্গাত্মক কবিতা লিখেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। এই কবিতাটির মাধ্যমে তিনি সে সময়কার নীলকরদের শোষণ ও অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরেছেন, যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী একটি প্রকাশ।

কবিতার কিছু অংশ হলো-

নীলকর
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু
শিখিনি শিং বাকানো ,
কেবল খাব খোল বিচালী ঘাস।
যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,
গামলা ভাঙ্গে না;
আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,
ঘুসি খেলে বাঁচব না।।

---------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক। 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা
প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে, 
--------------
• দিনবন্ধু মিত্র: তিনি সরাসরি কবিতা না লিখলেও, তাঁর নীলদর্পণ নাটকে নীলচাষীদের ওপর নীলকর সাহেবদের অমানবিক অত্যাচার ও শোষণের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন, যা পরবর্তীতে নীল বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

• হরিনাথ মজুমদার (হালুয়াঘাটি কবি): তিনি গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা পত্রিকার মাধ্যমে নীলকরদের শোষণ ও কুসীদজীবীদের অত্যাচারের কাহিনী প্রকাশ করতেন। 

• হরিশচন্দ্র মুখার্জী: সিপাহী বিদ্রোহের পর হতে নীলকর আর নীলচাষ নিয়ে উঠে পড়ে লাগেন হরিশচন্দ্র মুখার্জী। তাঁর ‘হিন্দু পেট্রিয়ট’ এ নিয়মিত প্রচার হতো নীলকরদের অত্যাচারের খবর । খবর পাঠাতেন দীনবন্ধু মিত্র, কুমার খালির ‘কাঙাল হরিনাথ’ হরিনাথ মজুমদার, যশোরের শিশির কুমার ঘোষ প্রমুখ । ক্রমে কৃষকররা কোনভাবেই রাজী হচ্ছিলো না নীলচাষ করতে । ফলে ১৮৬০ এ ফের চালু হয় ‘নীল চাষ না করলে জেলে পুরার’ ১৮৩০ এর সেই পুরোনো কালাকানুন।

গ্রামে গ্রামে ঘুরে কৃষকদের ধরে দলে দলে পুরা হয় জেলে। বিপন্ন কৃষকদের একান্ত ভরসা ছিল হরিশচন্দ্র আর আশ্রয়স্থল তাঁর গৃহ। দিনের পর দিন নীলকরদের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁর ‘হিন্দু পেট্রিয়ট’ মারফত। ‘হিন্দু পেট্রিয়ট’ এর ভূমিকায় নীলকর বিরোধী জনমত প্রবল হওয়াতে বিচলিত হয় ইংরাজ সরকার। এতো হৈচৈ পড়া নীলচাষের ভেতরের খবর জানতে সরকার বাধ্য হয় কমিশন গঠন করতে। ৩১শে মার্চ, ১৮৬০ এ গঠন হয় এই নীল কমিশন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'নীলকর' কবিতা।

১০.
ভাষা আলোচনাক্রমে চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম স্বীকৃতি দেন-
  1. শশিভূষণ দাশগুপ্ত
  2. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  3. সুকুমার সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:
- ড. বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রপথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।

- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃতি দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। ১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ - বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ।অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।

- ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমার সেন, ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে-চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।

- ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।
- ১৯৪৬ সালে ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
-  বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান - ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১১.
মুসলিম জাগরণমূলক কোন কাব্যটি তৎকালীন সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়?
  1. সাত সাগরের মাঝি
  2. জিঞ্জীর
  3. অনল প্রবাহ
  4. বুলবুলিস্তান
ব্যাখ্যা

• 'অনল প্রবাহ' কাব্যের পরিচয়:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।

- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'- এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাবাটিতে।

- 'অনল প্রবাহে' কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ভারত ভিক্ষা', 'ভারত বিলাপ' ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।

- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি। এগুলো হচ্ছে: অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পুজা, অভিভাষণ: ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।

- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

- সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন। পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

অন্যদিকে, 
• কবি ফররুখ আহমদ-এর "সাত সাগরের মাঝি" কাব্যগ্রন্থ বাজেয়াপ্ত হয়নি, বরং এটি একটি অত্যন্ত আলোচিত এবং জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এর চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি মুসলিম জাগরণ ও আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে মুসলিম সমাজে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। 

• কাজী নজরুল ইসলামের 'জিঞ্জীর' কাব্যগ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত হয়নি, তবে ব্রিটিশ সরকার তার পাঁচটি গ্রন্থ বাজেয়াপ্ত করেছিল: যুগবাণী, বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, প্রলয় শিখা এবং চন্দ্রবিন্দু।  

• "বুলবুলিস্তান" হলো কবি গোলাম মোস্তফা (১৮৯৭-১৯৬৬) কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। গোলাম মোস্তফার 'বুলবুলিস্তান' কাব্যগ্রন্থ বাজেয়াপ্ত হয়নি। বরং, এটি তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য এবং পরিচিত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।
 
------------------------
• সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- অনল প্রবাহ,
- আকাঙ্ক্ষা,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- নব উদ্দীপনা,
- স্পেন বিজয় কাব্য,
- সঙ্গীত সঞ্জীবনী,
- প্রেমাঞ্জলি। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস,
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম,
- নূরুদ্দীন।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- তুর্কি নারী জীবন,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• ভ্রমণ কাহিনি: তুরস্ক ভ্রমণ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কোন রসপ্রধান কাব্য?
  1. করুণ রস 
  2. শান্ত রস
  3. বীর রস
  4. শৃঙ্গার রস
ব্যাখ্যা

• "শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভপশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।

- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

- পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি। কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি। কাব্যের চরিত্র-মধ্যে ঘাত-প্রতিঘাত আছে; বাক-বিতণ্ডতা, রাগ-দ্বেষ ইত্যাদি আছে। ফলে কাব্যটি গতিশীল ও নাট্যরসাশ্রিত হয়েছে।

- এতে গীতিরসেরও উপস্থিতি লক্ষণীয়। কাব্যটি শৃঙ্গাররসপ্রধান এবং ঝুমুর গানের লক্ষণাক্রান্ত। এটি পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। এগুলো হলো -
- জন্মখণ্ড,
- তাম্বুল খণ্ড,
- দানখণ্ড,
- নৌকাখণ্ড,
- ভারখণ্ড,
- ছত্রখণ্ড,
- বৃন্দাবন খণ্ড,
- কালিয়দমন খণ্ড,
- যমুনা খণ্ড,
- হার খণ্ড,
- বাণ খণ্ড,
- বংশী খণ্ড ও
- বিরহ খণ্ড।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা।

১৩.
হিন্দি কবি মনঝনের কাব্যের অনুসরণে রচিত বাংলা অনুবাদ কাব্য কোনটি?
  1. গুলে বকাওলী
  2. মধুমালতী
  3. চন্দ্রাবতী
  4. সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী 
ব্যাখ্যা

• 'মধুমালতী' কাব্য:
- মুহম্মদ কবীর হিন্দি কবি মনঝনের মধুমালত্ বা সাধনের মৈনাসত্ কাব্যের অনুসরণে তাঁর বাংলা 'মধুমালতী' কাব্য রচনা করেন। এর রচনা কাল ১৫৮৮ খ্রিষ্টাব্দ এবং এ কাহিনি ভারতীয়।
- রাজপুত্র মনোহর ও রাজকন্যা মধুমালতীর রূপকথাসুলভ রোম্যান্টিক প্রেম এতে বর্ণিত হয়েছে।
- মূল কাব্য অধ্যাত্ম রসাত্মক হলেও অনুবাদে তা আদি রসাত্মক কাব্যে পরিণত হয়েছে।
- কাব্যটি তৎকালে এতই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল যে, কবিরের পরবর্তী আরও ছয়জন কবি একই নামে কাব্য রচনা করেন। তবে একমাত্র সৈয়দ হামজা ব্যতীত অন্য কারও কাব্য শিল্পসফল হয়নি; আবার সৈয়দ হামজার কাব্যও কবিরের কাব্যের মতো সার্থক নয়।

অন্যদিকে, 
-----------------
• 'গুলে বকাওলী' কাব্য:
- ইজ্জতুল্লা নামক এক বাঙালি লেখক রচিত পারসি গ্রন্থ গুলে বকাওলী'।
- ১৭২২ থেকে ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দে রচিত 'গুলে বকাওলী' গ্রন্থটি রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি কাব্য।
- সতের শতকের কবি নওয়াজিস খান প্রথমে 'গুলে বকাওলী' কাব্যটি বঙ্গানুবাদ করেন।
এর পরে মুহম্মদ মুকিম, মুহম্মদ আলী ও উমাচরণ মিত্রসহ অনেকেই 'গুলে বকাওলী' নামে কাব্য রচনা করেন।

• 'চন্দ্রাবতী' কাব্য:
- 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের একমাত্র রচয়িতা কেরেশী মাগন ঠাকুর।
- এর একটি খণ্ডিত পুথি পাওয়া গেছে।
- কাব্যের রচনাকাল নিয়ে সংশয় আছে। তবে মাগন আরাকান রাজ্যের মন্ত্রী ও আলাওলের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাই কাব্যটি সতের শতকের।
- 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের প্রাচীন উৎস জানা যায় না। মনে হয় এটা কবির স্বাধীন কল্পনা।

• 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য:
- 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যটির রচয়িতা- 'দৌলত কাজী'। এটি সাধনের 'মৈনাসত' কাব্য থেকে অনুদিত।
-  এই কাব্যগ্রন্থটির তৃতীয় খণ্ড আলাওলের রচনা। তিনি আরাকান রাজসভার আদি কবি এবং প্রথম বাঙালি কবি।
- লোরচন্দ্রানী কাব্যটি পয়ার ত্রিপদী ছন্দে রচিত।

-------------------
'রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান' অনুবাদ সাহিত্যসমূহ হলো:
- ইউসুফ-জোলেখা,
- লায়লী মজনু,
- মধুমালতী,
- গুলে বকাওলী,
- চন্দ্রাবতী,
- পদ্মাবতী
- সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী ইত্যাদি।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. ডাহুকী
  2.  কাবিলের বোন
  3. বখতিয়ারের ঘোড়া
  4. আগুনের মেয়ে
ব্যাখ্যা

• আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস নয়- বখতিয়ারের ঘোড়া। 
- 'বখতিয়ারের ঘোড়া' আল মাহমুদ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 

-----------------
• আল মাহমুদ:
- আল মাহমুদ একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- প্রহরান্তে পাশফেরা,
- একচক্ষু হরিণ,
- মিথ্যাবাদী রাখাল,
- দ্বিতীয় ভাঙন,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- আগুনের মেয়ে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- গন্ধবণিক,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ চর্যাপদের কবি নন কে?
  1. তারকনাথ পা 
  2. দারিক পা
  3. আর্যদেব পা
  4. মহীধর পা
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদের কবি নন-  তারকনাথ পা। 
- তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি লেখক। 

--------------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের - একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে (১৩১৪ বঙ্গাব্দে)। এবং ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। প্রাচীন এ গ্রন্থটির সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

চর্যার কবিদের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে-
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

চর্যাপদের কবিগণ হলেন:
- কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেগুণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা,  মহীধরপা, লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; তন্ত্রীপা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৬.
'সত্যপীর' ছদ্মনামে লিখতেন কোন সাহিত্যিক?
  1. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী 
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর বিভিন্ন গ্রন্থে কয়েকটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেন, এগুলো হলো: প্রিয়দর্শী, ওমর খৈয়াম, মুসাফির ও সত্যপীর।

অন্যদিকে,
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।
• মীর মশাররফ হোসেনর ছদ্মনামগুলো হলো: গৌড়তটবাসী মশা, গাজী মিয়াঁ এবং  উদাসীন পথিক।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম:
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম- বীরবল।
- প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম- টেকচাঁদ ঠাকুর।
- সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।
- মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম 'যুবনাস্ব'।
- বিমল মিত্র 'জাবালি' ছদ্মনামে লিখতেন।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিলো- যাযাবর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
'দস্যু কেনারামের পালা' কোন সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. নাথ সাহিত্য 
  2. পূর্ববঙ্গ গীতিকা
  3. মৈমনসিংহ গীতিকা
  4. ধর্মমঙ্গল কাব্য 
ব্যাখ্যা

• মৈমনসিংহ গীতিকা:
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। চন্দ্রকুমার দে ছিলেন ময়মনসিংহ নিবাসী।
- দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
- মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।

মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে। যথা:
- মহুয়া (দ্বিজ কানাই),
- মলুয়া (চন্দ্রাবতী),
- চন্দ্রাবতী (নয়ানচাঁদ ঘোষ),
- দেওয়ানা মদিনা (মনসুর বয়াতি)
- কমলা (দ্বিজ ঈশান),
- দস্যু কেনারামের পালা (চন্দ্রাবতী),
- রূপবতী,
- দেওয়ান ভাবনা, 
- কঙ্ক ও লীলা ও
- কাজলরেখা (রূপকথা)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া

১৮.
ভাষা-আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস-
  1. হাঙর নদী গ্রেনেড
  2. যাপিত জীবন
  3. উৎস থেকে নিরন্তর
  4. কাঠকয়লার ছবি
ব্যাখ্যা

• 'যাপিত জীবন' উপন্যাস:
- ভাষা-আন্দোলনের পটভূমিতে সেলিনা হোসেনের লেখা উপন্যাস 'যাপিত জীবন'।
- উপন্যাসের নায়ক জাফর জীবনের কথা বলে জীবনেরই বিনিময়ে। সেলিনা হোসেন জাফরের স্বচ্ছ প্রতীকচিত্রে বাঙালির শেকড় আর অস্তিত্বের কথা ঘোষণা করে তাঁর 'যাপিত জীবন'-এ।

- বিজ্ঞান ও বিজ্ঞাপনের এ যুগল মাত্রার, তরঙ্গসস্কুল রাজনৈতিক পটভূমিতে দাঁড়িয়ে নিজের চাষের ভূমিতে প্রতিনিয়ত ঘুরে ঘুরে একজন শিল্পীর অজানা প্রদেশের নিত্য উদ্ভাবন-কর্মের শিল্পীতরূপ 'যাপিত জীবন'।

- জাফর প্রতিটি অণুমুহূর্তে ঘোষণা করে বেড়ায় তাঁর বাঙালি অস্তিত্ব। তাঁর শেকড়। নিজের মৃত্তিকারসে জারিত স্বকীয় বিকাশের সমস্ত প্রয়াস ভর করে বাঙালি জাতিসত্তার প্রতিনিধি জাফরের মাঝে। জাফর বাঙালি কন্ঠের বলিষ্ঠ উৎসারণ।

 সেলিনা হােসেন রচিত উপন্যাসসমূহ:
• ‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ (১৯৮৭): চল্লিশের দশকের পটভূমিতে রচিত।

• ‘কাকতাড়ুয়া’ (১৯৯৬): এটি শিশুতোষ উপন্যাস। এটি বুধা নামে এক এতিম সাহসী কিশোর মুক্তিযোদ্ধার কাহিনি।

• 'হাঙর নদী গ্রেনেড' (১৯৭৬): এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭২ সালে এ ঘটনা নিয়ে তিনি গল্প লেখেন। পরবর্তীতে এটি উপন্যাসে রূপান্তরিত করেন ।

• ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি' (১৯৮৬): উপন্যাস বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নাফ নদীর তীরবর্তী শাহপরী দ্বীপ নামক এক ছোট দ্বীপের ধীবর শ্রেণির মানুষের জীবন সংগ্রাম এর বাস্তব রূপায়ণ । চরিত্র: মালেক, সাফিয়া।

• 'কাঠকয়লার ছবি' (২০০১): এটি চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থ:
- 'উৎস থেকে নিরন্তর' সেলিনা হোসেনের প্রথম গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- ভাষা আন্দোলন, নারী-পুরুষের সমতা প্রত্যাশা, গ্রামীণ পারিবারিক পরিমণ্ডলের ভাঙ্গন ইত্যাদি বিষয়বস্তুর পেক্ষাপটে গল্পগুলো রচিত।

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি; 'যাপিত জীবন' উপন্যাস সেলিনা হোসেন; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১৯.
'আঁটকুড়ো' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. সামান্য লোক
  2. অত্যন্ত অলস
  3. নিরেট বোকা
  4. নিঃসন্তান
ব্যাখ্যা

• 'আঁটকুড়ো' বাগ্‌ধারার অর্থ - নিঃসন্তান। 

অন্যদিকে, 
• 'আদাড়ের হাঁড়ি' অর্থ - সামান্য লোক। 
• 'আকাট মূর্খ' অর্থ - নিরেট বোকা। 
• 'অকর্মার ধাড়ি' অর্থ - অত্যন্ত অলস। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

২০.
বাংলা ভাষা বিবর্তনের ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের পরবর্তী স্তর কোনটি?
  1. ইন্দো-ইরানীয়
  2. ভারতীয় আর্য
  3. দ্রাবিড়ীয়
  4. প্রাকৃত
ব্যাখ্যা

ভাষা পরিবার:
পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয়, চীনা-তিব্বতীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে। ইংরেজি, জার্মান, ফরাসি, হিস্পানি, রুশ, পর্তুগিজ, ফারসি, হিন্দি, উর্দু, নেপালি, সিংহলি প্রভৃতি ভাষার মতো বাংলা ভাষায় ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের সদস্য। বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় অহমিয়া ও ওড়িয়া।

• ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর শ্রেণিবিভাগ:

- বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর সদস্য। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার শাখা ২টি; কেন্তুম ও শতম।
- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর শতম শাখা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি।

- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে। এই বিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করেতে হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ইন্দো-ইউরোপীয় - ইন্দো-ইরানীয় - ভারতীয় আর্য - প্রাকৃত - বাংলা। 

- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর প্রাচীন শাখা ৯টি। আধুনিককালে অনেকে ১০টি বলেও উল্লেখ করেছেন। আমরা যেহেতু আধুনিক যুগের মানুষ তাই সেহেতু আধুনিক মতকেই স্বীকার করবো।

- ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যাপক অ্যাসকোলি আদি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী থেকে সৃষ্ট ভাষাগুলোকে দুটো প্রধান ভাগে ভাগ করেছেন। একটি শতম (Satam) ও অন্যটি কেন্তম (Centum)। 

- কেন্তুম ও শতম এ বিভাজন হয়েছিলো মূলত কণ্ঠবর্ণের উচ্চারণ বৈশিষ্ঠ্য লক্ষ্য করে। এ বিভাজনের ফলে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত ভাষাগুলোর ভেতর একটি ভৌগোলিক বিভাজনও হয়। অ্যাসকোলির ধারণা কেন্তম গোষ্ঠীর ভাষাগুলো সব পশ্চিমের আর শতম গোষ্ঠির ভাষাগুলো সব পূর্বের।

উল্লেখ্য, 
যদি প্রশ্ন আসে কোন ভাষাগোষ্ঠী থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে তবে উত্তর হবে 'ইন্দো-ইউরোপীয়' বা 'আদি আর্য'।
যদি প্রশ্ন আসে কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে তবে উত্তর হবে 'প্রাকৃত' অথবা 'পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত'।
যদি প্রশ্ন আসে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে কোন প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে তবে উত্তর হবে 'গৌড়/গৌড়ীয় প্রাকৃত'।

উৎস: ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে বাংলা (বাংলা ভাষার ইতিহাস), রেজাউল ইসলাম এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২১.
অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?




ব্যাখ্যা

• ঠোঁটের আকৃতি অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনি ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
সংবৃত: ২টি (ই, উ)।
অর্ধসংবৃত: ২টি (এ, )।
বিবৃত: ১টি (আ)।
অর্ধবিবৃত: ২টি (অ্যা, অ)।

---------------------
• জিভের উচ্চতা অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনি ৪ প্রকার। যথা:
উচ্চ-স্বরধ্বনি: ২টি (ই, উ);
উচ্চমধ্য-স্বরধ্বনি: ২টি (এ, ও);
নিম্নমধ্য-স্বরধ্বনি: ২টি (অ্যা, অ);
নিম্ন-স্বরধ্বনি: ১টি (আ)।

• জিভের অগ্রপশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনি ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
সম্মুখ স্বরধ্বনি: ৩টি (ই, এ, অ্যা)।
কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি: ১টি (আ)।
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: ৩টি (অ, ও, উ)।

• কোমল তালুর অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
মৌখিক স্বরধ্বনি: ৭টি স্বরধ্বনির স্বাভাবিক উচ্চারণ
অনুনাসিক স্বরধ্বনি: ৭টি স্বরধ্বনির অনুনাসিক উচ্চারণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াত মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

২২.
অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ কোনটি?
  1. বহু > বউ
  2. চাহিল > চাইল
  3. আশা > আশ
  4. আজ > আজি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

ক ও খ উভয় সঠিক উত্তর। অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

• 'চাহিল' শব্দে "হি" ধ্বনিটি (হ ও ই) দুটি অক্ষরের সংযোগ।
- উচ্চারণকে সহজ করার জন্য ‘হ’ ধ্বনিটি লোপ পেয়েছে (এটাই অন্তর্হতি)।
- চাহিল > চাইল - এখানে ‘হ’ ধ্বনির অন্তর্হতি ঘটেছে।

• 'বহু > বউ' এই উদাহরণেও শব্দের মধ্যস্থ হ ধ্বনি লোপ পেয়েছে। সুতরাং এটিও অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ। 

--------------------------
• অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তন:

শব্দের মধ্যস্থ কোনো স্বরহীন বা স্বরযুক্ত ব্যঞ্জনের লোপ ঘটলে তাকে অন্তর্হতি বলা হয়।
যেমন:
- ফাল্গুন > ফাগুন,
- পূর্ব > পুব,
- আলাহিদা > আলাদা,
- ফলাহার > ফলার,
- গাহিল > গাইল, 
- চাহিল > চাইল।

অন্যদিকে, 
-------------------
• অন্ত্যস্বরলোপ: উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের শেষে স্বরধ্বনির লোপ হলে তাকে অন্ত্যস্বর লোপ
বলে। যেমন: আশা > আশ।

• অন্ত্যস্বরাগম: উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের শেষে স্বরধ্বনির আগমন ঘটলে তাকে স্বরাগম বলে।
যেমন: আজ > আজি। 

• ধ্বনিলোপ: স্বর কিংবা ব্যঞ্জন যা-ই হোক না কেন, একটি ধ্বনি লোপ পাবে বা উধাও হয়ে যাবে।
যেমন: বহু > বউ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

২৩.
"কবি তার কবিতায় সুধাংশুর রূপ বর্ণনা করেছেন।"- 'সুধাংশু' শব্দের অর্থ কী?
  1. জ্যোৎস্না 
  2. সূর্য 
  3. গঙ্গা 
  4. চাঁদ
ব্যাখ্যা

• 'সুধাংশু' শব্দের অর্থ- চাঁদ। 

'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ:
চন্দ্র, শশী, শশাঙ্ক, সুধাকর, ইন্দু, সোম, শশধর, বিধু, নিশাকর, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৪.
'মূর্ধন্য-ষ' এর অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. পৌষ 
  2. পোষাক
  3. পরুষ
  4. পৌষ্টিক
ব্যাখ্যা

• 'মূর্ধন্য-ষ' এর অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে- পোষাক শব্দে। 
• আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে 'মূর্ধন্য-ষ' হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।

-----------------
• ষ-ত্ব বিধান:

বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

'ষ' ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ, পৌষ্টিক ইত্যাদি।

৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের 'স' 'ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।

৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ" হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।

৫. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, পরুষ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ষ হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও 'ষ' হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

২৫.
'ণিজন্ত' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? 
  1. ণিচ্ + অন্ত
  2. ণিচ্ + জন্ত
  3. ণিজ্‌ + অন্ত
  4. ণিক্‌ + অন্ত
ব্যাখ্যা

ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম (ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি):
ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্‌, জ্, ড্ (ড়), দ্‌, ব্‌ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত;
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত;
- ষট্ + আনন = ষড়ানন;
- তৎ + অবধি = তদবধি;
- সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৬.
'মহারাজ' কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস 
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা

কর্মধারয় সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হয়।
যথা:
১. দুটি বিশেষণ পদে একটি বিশেষ্যকে বোঝালে। যেমন- যে চালাক সেই চতুর = চালাক-চতুর।

২. দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে। যেমন- যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজ সাহেব।

৩. কার্যে পরম্পরা বোঝাতে দুটি কৃতন্ত বিশেষণ পদেও কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন- আগে ধোয়া পরে মোছা = ধোয়ামোছা।

৪. পূর্বপদে স্ত্রীবাচক বিশেষণ থাকলে কর্মধারয় সমাসে সেটি পুরুষ বাচক হয়। যেমন- সুন্দরী যে লতা = সুন্দরলতা, মহতী যে কীর্তি = মহাকীর্তি।

৫. বিশেষণবাচক মহান বা মহৎ শব্দ পূর্বপদ হলে, 'মহৎ' ও 'মহান' স্থানে 'মহা' হয়। যেমন- মহৎ যে জ্ঞান = মহাজ্ঞান, মহান যে নবি = মহানবি।

৬. পূর্বপদে 'কু' বিশেষণ থাকলে এবং পরপদের প্রথমে স্বরধ্বনি থাকলে 'কু' স্থানে 'কৎ' হয়। যেমন- কু যে অর্থ = কদর্থ, কু যে আচার = কদাচার।

৭. পরপদে 'রাজা' শব্দ থাকলে কর্মধারয় সমাসে 'রাজ' হয়। যেমন- মহান যে রাজা = মহারাজ।

৮. বিশেষণ ও বিশেষ্য পদে কর্মধারয় সমাস হলে কখনো কখনো বিশেষণ পরে আসে, বিশেষ্য আগে যায়। যেমন- সিদ্ধ যে আলু আলুসিদ্ধ, অধম যে নর নরাধম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৭.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. করোজ্জল 
  2. কর্তব্যবিমূঢ়
  3. করুণানিধী 
  4. কল্পনাপ্রসুত
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান- কর্তব্যবিমূঢ়। 
- শব্দটি বিশেষণ পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- কর্তব্য স্থির করতে অক্ষম এমন।

অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো- করুণানিধি, করোজ্জ্বল,  কল্পনাপ্রসূত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২৮.
Identify the correct sentence.
  1. It is high time to realize the value of discipline.
  2. It is high time to realized the value of discipline.
  3. It is high time realized the value of discipline.
  4. It is high time to realizing the value of discipline.
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: It is high time to realize the value of discipline.

• It is time/It is high time:
- It is time/It is high time থাকলে আর এর পর subject বসলে subject - এরপরের verb টি past form হয়।

• It is time ও It is high time এর পরে subject না এসে, কোন verb আসলে ঐ verb এর Infinitive form হবে। 
যেমন: It is high time to change our attitude.

Example Sentence:
- It is high time we addressed the environmental issues affecting our community.

Other options,

খ) It is high time to realized the value of discipline.
- ভুল, কারণ to এর পরে verb সবসময় base form হয়, realized হবে না।

গ) It is high time realized the value of discipline. 
- ভুল, কারণ এখানে subject নেই। t is time/It is high time থাকলে আর এর পর subject বসলে subject - এরপরের verb টি past form হয়।

ঘ) It is high time to realizing the value of discipline. 
- ভুল, কারণ to + verb হলে verb এর base form হয়, to realizing হবে না।

Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain.

২৯.
Patients usually fast overnight before undergoing surgery. Here, 'fast' is -
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

Patients usually fast overnight before undergoing surgery. Here, 'fast' is - Verb.
- এখানে 'fast' হলো Verb.
- কারণ বাক্যের বিষয় হলো রোগীরা (Patients) কাজটি করছে — অর্থাৎ তারা রাতভর খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত আছে।

fast: [verb]
English meaning: to eat little or no food for a period of time, especially for religious or medical reasons.
Bangla meaning: উপবাস করা; রোজা রাখা।

Example:
- Muslims fast during Ramadan.
- Patients usually fast overnight before undergoing surgery.

Source: Oxford Dictionary.

৩০.
The word “Reprobate” means —
  1. Equivalent in effect or value
  2. Stubborn and unyielding
  3. A morally unprincipled person
  4. Causing sleep or drowsiness
ব্যাখ্যা

Answer- গ) A morally unprincipled person.

• Reprobate (noun)
English Meaning: A person of bad character and habits/ a person who behaves in a way that society thinks is not moral.
Bangla Meaning: অনুমোদন লাভে ব্যর্থ ব্যক্তি; নৈতিক চরিত্রের কারণে অশ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। 

Example Sentence: 
- Every time I see you, you're drunk, you old reprobate!

Source: Live MCQ Lecture.

৩১.
The bravery of the soldiers was admired by everyone.
- Here, the underlined word is -
  1. Collective Noun
  2. Proper Noun
  3. Abstract Noun
  4. Common Noun
ব্যাখ্যা

The bravery of the soldiers was admired by everyone.
- Here, the underlined word is - Common Noun.
- bravery মূলত হচ্ছে একটি Abstract noun.
- কিন্তু bravery এর পূর্বে article, The ব্যবহৃত হওয়ায় এখানে bravery, Abstract noun না হয়ে Common noun হবে।

• Abstract Noun: 
- যে Noun কোনো অবস্তুগত ধারণা বা গুনকে নির্দেশ করে, যার কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই এবং যা ছোঁয়া যায় না, গন্ধ দ্বারা বা শ্রবণ দ্বারা বোঝা যায় না কিন্তু কল্পনা দ্বারা বোঝা যায় তাদেরকে Abstract Noun বলে।

• কিন্তু uncountable ও abstract noun এর আগে article ব্যবহার হয় না।
- Abstract noun এর পূর্বে Article বসালে সেটি Common noun এ পরিণত হয়।

• তাই প্রশ্নে উল্লিখিত bravery এর পূর্বে article থাকায় এটি common noun হিসেবে বিবেচিত হবে।

৩২.
He’s adept ______ making people feel at ease.
  1. at
  2. to
  3. on
  4. of
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - at.
- Complete sentence: He’s adept at making people feel at ease.

• Adept (Adjective)
English Meaning: having a natural ability to do something that needs skill/ Skilled.
Bangla Meaning: সুদক্ষ, কুশলী।

- সুদক্ষ, কুশলী অর্থে adept এর সাথে appropriate preposition হিসেবে in/at বসে। 

Example:
- She is adept at cutting through red tape.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩৩.
Hello. Is that Jo? - Here, 'that' is -
  1. Preposition
  2. Pronoun
  3. Adverb
  4. Noun
ব্যাখ্যা

Hello. Is that Jo? - Here, 'that' is - pronoun.
- এখানে 'that' হচ্ছে Pronoun.
- কারণ এটি Jo নামের ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে, অর্থাৎ এখানে 'that' কেউ বা কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।

That: [pronoun]
English meaning: used for referring to a person or thing that is not near the speaker, or not as near to the speaker as another.
Bangla meaning:  দূরবর্তী ব্যক্তি বা বস্তু নির্দেশক।

Example: 
- Who's that?
- That's Peter over there.
- Hello. Is that Jo? 
 
Source: Oxford Dictionary.

৩৪.
Which one is the plural form of Beau?
  1. Beauxe
  2. Beauxie
  3. Beaus
  4. Belle
ব্যাখ্যা

Answer - beaus.

• Beau:
English meaning: a boyfriend.
Bangla meaning: নাগর, প্রণয়ী।

Plural: beaux, beaus.
Feminine form: Belle.

Source: Cambridge & Accessible &  Dictionary.

৩৫.
"Hit the nail on the head" means —
  1. To make a mistake
  2. To hit someone with a force
  3. To exaggerate
  4. To say something that is exactly right
ব্যাখ্যা

"Hit the nail on the head" means —To say something that is exactly right.

• Hit the nail on the head:
English meaning: to describe exactly what is causing a situation or problem.
Bangla meaning: মূল সমস্যাটি চিহ্নিত করা; আসল কথায় আসা।

Example:
- I think Mick hit the nail on the head when he said that what's lacking in this company is a feeling of confidence.

Source: Cambridge Dictionary.

৩৬.
Which Victorian poet wrote “Dover Beach”?
  1. Alfred Tennyson
  2. Matthew Arnold
  3. Robert Browning
  4. Sylvia Plath
ব্যাখ্যা

• Dover Beach:
- কবিতাটি Matthew Arnold রচিত।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬৭ সালে তাঁর New Poems সংকলনে।
- এটি Arnold-এর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং প্রশংসিত কবিতা।
- মোট ৩৭ লাইনের এই কবিতায় আধুনিক পৃথিবীতে ধর্মীয় বিশ্বাসের পতনের কথা বলা হয়েছে।
- কবি বিশ্বাস করেন, এই ধর্মীয় শূন্যতার পরিবর্তে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা হতে পারে মানুষের একমাত্র আশ্রয়।

• Matthew Arnold:
- তিনি একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের ইংরেজ কবি ছিলেন, এবং সাহিত্য ও সামাজিক critic হিসেবে পরিচিত।
- তিনি সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির রুচি ও আচরণের সমালোচনার জন্য পরিচিত।
- তিনি সংস্কৃতির একজন প্রচারক হিসেবে খ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত রচনা Culture and Anarchy (1869)-এর জন্য।

• Best Works:
• Essays:
- The Study of Poetry, 
- Culture and Anarchy,
- Essays in Criticism.

• Poems:
- Dover Beach, 
- Thyrsis,
- The Scholar Gypsy.

Source: Britannica.

৩৭.
"Frailty, thy name is woman."  — This famous quote is from -
  1. Hamlet
  2. Macbeth
  3. Othello
  4. The Tempest
ব্যাখ্যা

• "Frailty, thy name is woman." — এই বিখ্যাত উক্তিটি এসেছে William Shakespeare-এর নাটক "Hamlet" থেকে।
- এই উক্তিটি Hamlet তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।
- উক্তিটি এই tragedy এর প্রথম soliloquy হতে উদ্ধৃত।
- এই উক্তির দ্বারা মুলত Hamlet তাঁর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সমগ্র নারী জাতিকে frail and weak in character বলে অভিহিত করেছেন।

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of Denmark.
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর দেখা যায়  প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- 'There is divinity that shapes our end'.
 
• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৩৮.
The Ministry of Utmost Happiness was written by -
  1. American author
  2. Indian author
  3. Nigerian author
  4. Irish author
ব্যাখ্যা

The Ministry of Utmost Happiness was written by - Indian author.

• The Ministry of Utmost Happiness:
- এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে। 
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Anjum যে একজন transgender woman এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের নাম হচ্ছে Tilo.
- সমসামিয়ক ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন অন্ধকারতম দিক, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগতি, এগুলো এই উপন্যাসটির অন্যতম উপজীব্য বিষয়।

• Arundhati Roy:
- Born: November 24, 1961, Shillong, Meghalaya, India.
- Indian author, actress, and political activist.
- She is best known for the award-winning novel The God of Small Things (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.
- ১৯৯৮ সালে তিনি Man Booker Prize লাভ করেন ফিকশন রচনার জন্য। 
 
Source: Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture

৩৯.
Lycidas is a/an: 
  1. Epic poem
  2. Elegy
  3. Sonnet
  4. Satire
ব্যাখ্যা

• Lycidas:
- এটি রচনা করেন John Milton.
- এটি একটি Elegy.
- কবি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু বা সহপাঠীর জাহাজ দূর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রেক্ষিতে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে।
- এটি একটি Pastoral elegy.
- John Milton wrote Lycidas (Pastoral elegy) on the death of Edward king.
- Edward king was a friend of John Milton.

• John Milton:
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Some notable works:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৪০.
The 'Restoration period' in English literature refers to –
  1. 1660-1800
  2. 1660-1700
  3. 1650-1720
  4. 1610-1800
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: 1660-1700.

• Restoration period:
- ১৬৬০ সালে এই যুগের শুরু এবং ১৭০০ সালে এর সমাপ্তি ঘটে।
- The Restoration Period মূলত The Neo- classical Period এর অন্তর্গত একটি ছোট যুগ।
- This period is called the Restoration Period because, in this period, with the Restoration Monarchy, the English literary tradition was restored. 
- John Dryden হচ্ছেন The Restoration Period  এর বিখ্যাত English poet, dramatist and literary critic, যিনি তাঁর সময়ের সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে এতটাই আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন যে এই যুগটিকে the Age of Dryden হিসেবেও ধরা হয়।

• Important Authors from the Restoration period are: 
- Samuel Butler,
- John Bunyan,
- John Dryden,
- William Wycherley,
- William Congreve,
- George Farquhar, etc.

• The Neoclassical Period তিনটি ছোট যুগ বা period নিয়ে গঠিত -
- The Restoration Period (1660-1700)
- The Augustan Age (1702-1745)
- The Age of Sensibility (1745-1785)

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৪১.
Who authored the poetic work Hudibras?
  1. John Dryden
  2. Samuel Butler
  3. Alexander Pope
  4. John Milton
ব্যাখ্যা

• Hudibras:
- এটি Samuel Butler রচিত একটি satirical poem.
- কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৬৬৩ সালে।
- এই কবিতাটি Burlesque poem নামেও পরিচিত।
- এই কবিতাটি বেশ কিছু কারণে বিখ্যাত তন্মধ্যে অন্যতম হলো, এটি ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম সার্থক satire যেটি কোন ব্যক্তিকে বিদ্রুপ না করে ‘আইডিয়া’ কে বিদ্রুপ করেছে।
- অর্থাৎ পুরো পিউরিটান মতাদর্শে দীক্ষিত জনসাধারণকেই তিনি তীক্ষ্ণ ভাষায় বিদ্রুপ করেছেন।
- প্রধান চরিত্র হলো একজন রগচটা, এবং ঝগড়াটে Knight যার নাম Sir Hudibras.

• Samuel Butler:
- তিনি একজন British poet ও satirist.
- তিনি Restoration Period এর একজন author.
- His famous satire in verse is Hudibras.

• Notable works:
- The Way of All Flesh (novel), 
- Erewhon (novel),
- Hudibras (poem).

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.

৪২.
Geoffrey Chaucer is celebrated as the representative poet of — 
  1. 16th century
  2. 12th century
  3. 13th century
  4. 14th century
ব্যাখ্যা

• Geoffrey Chaucer:
- তিনি ছিলেন Shakespeare এর আগের একজন অন্যতম লেখক।
- তিনি মধ্য যুগের কবি।
- তাকে বলা হয় "Father of Modern English Poetry".
- তার নামানুসারে Age of Chaucer(1340-1400) নামকরণ করা হয়।
- The Canterbury Tales ranks as one of the greatest poetic works in English.
- Chaucer is known as the representative poet of the 14th century.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.

৪৩.
Despite his humble background, he achieved remarkable ______ in literature.
  1. esoteric
  2. eminence
  3. cogent
  4. prudent
ব্যাখ্যা

Options,

ক) esoteric:
- কেবল দীক্ষিত ব্যক্তিরা বুঝতে পারে এমন দুর্বোধ্য।

খ) eminence:
- খ্যাতি; বিশিষ্টতা।

গ) cogent:
- (যুক্তি) জোরালো এবং দৃঢ় প্রত্যয়োৎপাদক।

ঘ) prudent:
- সতর্ক; দূরদর্শী; কৃতাবধান; পরিণামদর্শী; সুবিবেচক; বিচক্ষণ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, সঠিক শব্দটি - eminence.

Complete sentence: Despite his humble background, he achieved remarkable eminence in literature.

Source - Accessible Dictionary.

৪৪.
The police investigated ____ the robbery carefully.
  1. on
  2. in
  3. to
  4. No preposition
ব্যাখ্যা

• কিছু কিছু verb এর পর preposition বসে না।
যেমন: reach, resemble, violate, discuss, resign, sign, investigate, recommend, order, command, enter ইত্যাদি transitive verb এর পর কোন preposition বসে না, সরাসরি object বসে। 

• investigate এর পর কোন preposition বসে না।
- তাই The police investigated the robbery carefully.- এই বাক্যে কোন preposition বসবে না। 

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.

৪৫.
'Mr. Jones and Old Major' are famous characters created by-
  1. George Orwell
  2. T.S. Eliot
  3. Philip Sidney
  4. Ben Jonson
ব্যাখ্যা

• 'Mr. Jones and  Old Major' are famous characters created by - George Orwell.

Animal Farm:
- এটি রচনা করেন George Orwell.
- It is a political allegory/ satirical allegorical novel about revolution and power.
- অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ।
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language.

• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington, Mr. Frederick
২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.

• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• Notable work:
- A Clergyman’s Daughter,
- A Hanging,
- Animal Farm,
- Burmese Days,
- Coming Up for Air,
- Down and Out in Paris and London,
- Homage to Catalonia,
- Keep the Aspidistra Flying,
- Nineteen Eighty-four.

Source: Britannica.

৪৬.
Although she has many friends, she feels lonely. [Simple]
  1. In spite of her many friends, she feels lonely.
  2. In spite of her having many friends, she feels lonely.
  3. In spite her having many friends, she feels lonely.
  4. Despite of her having many friends, she feels lonely.
ব্যাখ্যা

• Complex to simple:
যদি Though/Although clause এ has/have/had থাকে সেক্ষেত্রে নিচের নিয়মটি ব্যবহার করে simple এ পরিণত করতে হবে:

- Though/Although এর পরিবর্তে Despite/In spite of বসে।
- subject এর possessive form বসে।
- has/have/had এর স্থানে having অথবা verb+ ing ব্যবহার হবে।
- বাকি অংশ বসে। 
- ২য় clause.

Complex: Though the man has much riches, he wants more.
Simple: In spite of his having much riches, he wants more.

Complex: Although she has many friends, she feels lonely.
Simple: In spite of her having many friends, she feels lonely.

৪৭.
By the time she reaches the office, we ______ the meeting.
  1. had completed
  2. will have completed
  3. have completed
  4. completed
ব্যাখ্যা

• By the time, by the year of দ্বারা ভবিষ্যৎ কালের কোন কিছু ঘটবে বোঝালে verb - এর future perfect tense হয়।
-  By the time যুক্ত clause টি present indefinite হয় এবং অন্য clause টি future perfect tense হয়।
- Structure
- Future perfect tense -এর সঠিক structure হলো sub + will have + verb এর past participle form.

• সুতরাং শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর - will have completed.
- Complete sentence: By the time she reaches the office, we will have completed the meeting.

৪৮.
While I was reading a book, _______.
  1. the phone ring
  2. the phone rang
  3. the phone rung
  4. the phone had rung
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence - While I was reading a book, the phone rang.

• দুটি ঘটনার মধ্যে একটি ঘটার সময় আরেকটি ঘটতে থাকলে তখন ঘটমান বিষয়টির সাথে While বসে।
- While দ্বারা দুইটি বাক্যাংশ যুক্ত হলে:
- While যুক্ত অংশটি Past continuous tense হলে অপরটি Past indefinite tense হয়।

• Example:
- My uncle arrived while I was watching the movie.

৪৯.
He’s gone to the market, _____?
  1. hasn’t he
  2. isn't he
  3. doesn't he
  4. won't he
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence - He’s gone to the market, hasn’t he?

• Tag question করার নিয়ম:
- সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত কোন উক্তি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
- Statement positive হলে tag question টা negative হবে; আবার statement negative হলে tag question positive হবে।

- Tag question এর নিয়মানুযায়ী বাক্যটি positive হওয়ায় Tag question negative হবে।
- বাক্যটি present perfect tense  হওয়ায় Tag question এর ক্ষেত্রে hasn't he হবে।

৫০.
Identify the correct sentence.
  1. One of the students have been absent today.
  2. One of the students is absent today.
  3. One of the students are absent today.
  4. One of the student is absent today.
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence - One of the students is absent today.

• One of এর পরে noun plural হয় ও verb singular হয়।
- একাধিকের মধ্যে একটি বুঝাতে One of ব্যবহৃত হয়।
- Structure: one of + plural noun + singular verb.

• Example:
- One of my brothers is a doctor.
- One of my friends is a politician.
- One of my cousins is a lawyer.

Other options,
ক) One of the students have been absent today.
- এটি ভুল কারণ এখানে subject হলো “One”, যা singular।
- কিন্তু have been হলো plural verb.

গ) One of the students are absent today. 
- এটি ভুল কারণ “are” হলো plural verb, কিন্তু “one” singular.
- subject-verb agreement অনুযায়ী, singular subject এর সাথে singular verb ব্যবহার করতে হয়।

ঘ) One of the student is absent today. 
- এটি ভুল কারণ এখানে student singular, কিন্তু “one of the …” এর পরে plural noun বসতে হয়, কারণ এটি বোঝায় “অনেকের মধ্যে একজন।” 

৫১.
The library is ______ people who lose their books.
  1. cracking down on
  2. cracking down
  3. cracking down off
  4. cracking down with
ব্যাখ্যা

• Crack down on something: [phrasal verb]
English meaning: to start dealing with bad or illegal behaviour in a more severe way.
Bangla meaning: কারো বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।

Example sentence: 
- He campaigned earnestly, promising to crack down on street crime.

Complete sentence: The library is cracking down on people who lose their books.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৫২.
Choose the synonym for 'fright':
  1. placidity
  2. composure
  3. apprehension
  4. equanimity
ব্যাখ্যা

[49 BCS Preli]

সঠিক উত্তর: গ) apprehension.

• Fright: [noun]
English meaning: the feeling of fear, especially if felt suddenly, or an experience of fear that happens suddenly.
Bangla meaning: আকস্মিক প্রচণ্ড ভীতি; আতঙ্ক; ত্রাস; সন্ত্রাস; শঙ্কা।

Other options,

ক) Placidity: [noun]
English meaning: the fact of being calm and peaceful, with very little movement.
Bangla meaning: শান্ততা; প্রসন্নতা।

খ) Composure: [noun]
English meaning: the state of being calm and in control of your feelings or behaviour.
Bangla meaning: শান্তি; স্থৈর্য; আত্মসংবরণ।

গ) Apprehension: [noun]
English meaning: 
- worry about the future, or a fear that something unpleasant is going to happen.
- an act of catching and arresting someone who has not obeyed the law.
- the act of understanding something, or the way that something is understood.

Bangla meaning:
- [Countable noun, Uncountable noun] আশঙ্কা; ভবিষ্যৎ বিষয়ে উৎকণ্ঠার অনুভূতি: filled with apprehension; an apprehension of failure. 
- [Uncountable noun] (আইন সম্বন্ধীয়) গ্রেফতার: the apprehension of a thief.
- [Uncountable noun] উপলব্ধি; চেতনা; বোধ: apprehension of truth. 

ঘ) Equanimity: [noun]
English meaning: a calm mental state, especially after a shock or disappointment or in a difficult situation
Bangla meaning: মনমেজাজের প্রশান্তি।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, Fright এর synonym হলো - Apprehension.
 
Source:
- Cambridge Dictionary.
- Accessible Dictionary.
- Oxford Dictionary.

৫৩.
If they had prepared well, they ______ the match.
  1. would won
  2. would have won
  3. would win
  4. would had won
ব্যাখ্যা

• 3rd Conditional এর নিয়মানুযায়ী,
- If clause- এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause a would/could/might + have + V3 + extension ব্যবহৃত হয়।
- Conditional sentence এ Had + Sub + V3 + Extension এভাবে কোন sentence শুরু হলে সেটি Perfect conditional / 3rd conditional হয়।

Complete Sentence: If they had prepared well, they would have won the match.

৫৪.
The barking dog scared the intruder away.
- Here, 'barking' is an example of 
  1. Cognate verb
  2. Finite verb
  3. Participle
  4. Gerund
ব্যাখ্যা

The barking dog scared the intruder away.
- Here 'barking' is an example of a participle.

• এটি dog কে describe করছে → adjective-এর মতো কাজ করছে।
- Verb থেকে এসেছে কিন্তু noun বা finite verb নয়।
- এরকম verb-form যেটি verb বা adjective হিসেবে কাজ করে তাকে বলা হয় participle.
- Verb + ing যখন adjective এর কাজ করে তখন তাকে participle বলে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার:
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog.
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens.
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

৫৫.
This is the book she bought. Here, 'she bought' is-
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverb Clause
  4. None of these
ব্যাখ্যা

This is the book she bought. Here 'she bought' is - An adjective clause.
- যে subordinate clause কোন Adjective এর মত কাজ করে তাকে Adjective Clause বলে।

- এটি book কে describe করছে → adjective-এর মতো কাজ করছে।
- অর্থাৎ, কোন বই তা নির্দিষ্ট করছে।
- যেটি noun-এর পরিবর্তে কাজ করে না, কিন্তু noun কে modify করে, তাকে বলা হয় adjective clause.

• Adjective Clause:
- Adjective সাধারণত Noun এর আগে বা Linking verb এর পরে বসে। কিন্তু Adjective Clause সর্বদা Noun এর পরে বসে।
- Adjective Clause সাধারণত Relative Pronoun ( who, which, that, whom, whose, of which) ও Relative Adverb (Why, where, when, how, as) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- যেমন:
- He could not explain the reason why they left.
- The boy who is playing cricket is my brother.

৫৬.
Choose the antonym of 'controversy':
  1. contention
  2. bickering
  3. unanimity
  4. dispute
ব্যাখ্যা

[47 BCS Preli]

• The antonym of 'controversy' is - unanimity.

• Controversy (noun)
- English Meaning: a discussion marked especially by the expression of opposing views: dispute; a disagreement, quarrel, strife.
- Bangla Meaning: বিতর্ক; বিরোধ; মতান্তর; কোনো সামাজিক, নৈতিক বা রাজনৈতিক প্রশ্ন নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বাদানুবাদ।

• Given options:
ক) Contention
- English Meaning: a point advanced or maintained in a debate or argument.
- Bangla Meaning:  তর্ক; যুক্তিপ্রদর্শন; কলহ।

খ) Bickering
- English Meaning: petty and petulant quarreling especially when prolonged or habitual.
- Bangla Meaning: খুঁটিনাটি বা গুরুত্বহীন বিষয় নিয়ে ঝগড়া করা

গ) Unanimity
- English Meaning: agreement by all people involved; consensus; the quality or state of being unanimous.
- Bangla Meaning: ঐকমত্য; মতৈক্য।

ঘ) Dispute
- English Meaning: to engage in argument: debate.
- Bangla Meaning: বিতর্ক; বিরোধ; যুক্তি।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে,  The antonym of 'controversy' is - unanimity.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫৭.
"A man can be destroyed but not defeated." — Who phrased it?
  1. APJ Abdul Kalam
  2. Charles Dickens
  3. John Milton
  4. Ernest Hemingway
ব্যাখ্যা

"A man can be destroyed but not defeated." — এই বিখ্যাত উক্তিটি Ernest Hemingway-এর উপন্যাস The Old Man and the Sea থেকে নেওয়া হয়েছে।

• The Old Man and the Sea: 
- এটি Ernest Hemingway লিখিত একটি short heroic novel.
- এটি 1952 সালে প্রকাশিত হয়।
- Santiago হলো এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- তিনি একজন old Cuban fisherman.

• উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র কিউবান জেলে Santiago, টানা ৮৪ দিন ধরে সে কোন মাছ ধরতে সক্ষম হয়নি।
- তার একজন ক্ষুদে সহকারী ছিল, নাম Manolin. যে তার পরিবারের বারণ সত্ত্বেও বৃদ্ধ জেলে Santiago এর সহচর্য ছাড়ে না। 
- Santiago এবং Manolin এর সম্পর্ক অনেকটা গুরু শিষ্যর মতো। বৃদ্ধের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে সমৃদ্ধ হতে চায় কিশোর Manolin.

• একদিন সমুদ্রের বেশ গভীরে এবং এবং অনেক দূরে চলে যায় Santiag, শেষমেষ সে একটি বৃহৎ মার্লিন মাছ ধরতে পারে।
- টানা তিনদিন এটি নিয়ে সে প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়, কিন্তু হাঙ্গরের দল মাছটি ভক্ষণ করে ফেলে। এবং সে প্রচন্ড ক্লান্ত অবস্থায় কেবল মাছের কঙ্কাল নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে।

• Ernest Hemingway:
- তিনি একজন American writer.
- তিনি একজন novelist এবং short-story writer.
- তিনি 1954 সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

• Famous novel:
- The Sun Also Rises,
- The Old Man and the Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa ইত্যাদি।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman, Live MCQ Lecture and Britannica.

৫৮.
তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফল সর্বদাই নিচের কোন সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য হবে?
  1. 5
  2. 11
  3. 6
  4. 7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফল সর্বদাই নিচের কোন সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য হবে?

সমাধান: 
পরপর তিনটি স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফল সর্বদা 6 দ্বারা বিভাজ্য হবে।

কারণ হলো:
2 দ্বারা বিভাজ্যতা: পরপর তিনটি স্বাভাবিক সংখ্যার মধ্যে অন্তত একটি জোড় সংখ্যা থাকে, যা 2 দ্বারা বিভাজ্য।  
3 দ্বারা বিভাজ্যতা: পরপর তিনটি স্বাভাবিক সংখ্যার মধ্যে অন্তত একটি সংখ্যা 3 দ্বারা বিভাজ্য।  
6 দ্বারা বিভাজ্যতা: যেহেতু গুণফলটি 2 এবং 3 উভয় দ্বারাই বিভাজ্য, তাই এটি 2 × 3 = 6 দ্বারাও বিভাজ্য হবে।  
 
যেমন:
1 × 2 × 3 = 6 (যা 6 দ্বারা বিভাজ্য)
2 × 3 × 4 = 24 (যা 6 দ্বারা বিভাজ্য)
3 × 4 × 5 = 60 (যা 6 দ্বারা বিভাজ্য)

সুতরাং, তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফল সর্বদা 6 দ্বারা বিভাজ্য হয়। 

৫৯.
'FRIEND' শব্দের বর্ণগুলো কতভাবে সাজানো যায়?
  1. 720
  2. 360
  3. 480
  4. 520
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'FRIEND' শব্দের বর্ণগুলো কতভাবে সাজানো যায়?

সমাধান:
'FRIEND' শব্দে মোট 6টি অক্ষর রয়েছে।
এখানে সব অক্ষরই ভিন্ন (কোনো পুনরাবৃত্তি নেই)।

সুতরাং, বিন্যাসের সংখ্যা = 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 × 1 = 720

অর্থাৎ, 'FRIEND' শব্দের অক্ষরগুলো 720 ভিন্নভাবে সাজানো যায়। 

৬০.
যদি x = √12 + 3 হয়, তবে x3 - (27/x3) এর মান কত? 
  1. 48√12
  2. 180
  3. 64√3
  4. 270
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x = √12 + 3 হয়, তবে x3 - (27/x3) এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
x = √12 + 3

এখন, 
1/x = 1/√12 + 3
= (√12 - 3)/(√12 + 3)(√12 - 3)
= (√12 - 3)/{(√12)2 - 32}
= (√12 - 3)/(12 - 9)
= (√12 - 3)/3
∴ 3/x = √12 - 3

∴ x - (3/x) = √12 + 3 - √12 + 3 = 6

প্রদত্ত রাশি, 
x3 - (27/x3) = x3 - (3/x)3
= {x - (3/x)}3 + 3 . x . (3/x){x - (3/x)}      ;[a3 - b3 = (a - b)3 + 3ab(a - b)]
= 63 + (9 × 6)
= 216 + 54
= 270

৬১.
যদি log66 + log6(5x + 1) = log6(x + 5) + 1 হয়, তাহলে x এর মান কত?
  1. 3
  2. - 2
  3. 0
  4. 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log66 + log6(5x + 1) = log6(x + 5) + 1 হয়, তাহলে x এর মান কত?

সমাধান: 
প্রদত্ত রাশি, 
⇒ log66 + log6(5x + 1) = log6(x + 5) + 1
⇒ log66 + log6(5x + 1) = log6(x + 5) + log66     ;[logaa = 1]
⇒ log6[6(5x + 1)] = log6[6(x + 5)]
⇒ 6(5x + 1) = 6(x + 5)
⇒ 30x + 6 = 6x + 30
⇒ 30x - 6x = 30 - 6
⇒ 24x = 24
∴ x = 1

৬২.
4800 টাকার 25 শতাংশের 15 শতাংশের 10 শতাংশ কত?
  1. 24 টাকা
  2. 18 টাকা
  3. 42 টাকা
  4. 16 টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4800 টাকার 25 শতাংশের 15 শতাংশের 10 শতাংশ কত?

সমাধান:
১ম ক্ষেত্রে,
4800 টাকার 25%
= 4800 × (25/100)
= 1200 টাকা

২য় ক্ষেত্রে, 
1200 টাকার 15%
= 1200 × (15/100)
= 180 টাকা

২য় ক্ষেত্রে, 
180 টাকার 10%
= 180  × (10/100)
= 18 টাকা

অতএব, 4800 টাকার 25% -এর 15% -এর 10% হলো  18 টাকা

৬৩.
এপ্রিল মাসে নড়াইল শহরে 3 দিন বৃষ্টি হয়েছে। তাহলে 10 ই এপ্রিল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা কত?
  1. 25%
  2. 20%
  3. 15.25%
  4. 10%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এপ্রিল মাসে নড়াইল শহরে 3 দিন বৃষ্টি হয়েছে। তাহলে 10 ই এপ্রিল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা কত?

সমাধান:
এপ্রিল মাসে মোট দিন সংখ্যা = 30 দিন
বৃষ্টি হয়েছে মোট 3 দিন। 

যেহেতু বৃষ্টি হওয়ার দিনগুলি নির্দিষ্ট নয়, তাই 10 ই এপ্রিল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা হল,

∴ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা শতকরায়  =  বৃষ্টির দিন সংখ্যা/মোট দিন সংখ্যা
= 3/30
= (1/10) × 100%
= 10%

সুতরাং, 10 ই এপ্রিল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা = 10%

৬৪.
(2, 3) এবং (4, 7) বিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ কোনটি?
  1. y = 2x - 1
  2. y = 2x + 2
  3. y = x + 1
  4. y = 4x
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (2, 3) এবং (4, 7) বিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
(x1, y1) = (2, 3) এবং (x2, y2) = (4, 7)

আমরা জানি, 
দুটি বিন্দু (x1, y1) এবং (x2, y2) দিয়ে গঠিত সরলরেখার ঢাল,
m = (y2​ - y1)/(x2 - x1)
= (7 - 3)/(4 - 2) 
= 4/2
∴ m = 2

আমরা জানি, 
সরলরেখার সমীকরণ,
y - y1 ​= m(x - x1​)
⇒ y - 3 = 2 (x - 2)     ; [(x1​, y1​) = (2, 3) এবং m = 2 বসিয়ে]
∴ y - 3 = 2x - 4
y = 2x - 1

অতএব, (2, 3) এবং (4, 7) বিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ হলো y = 2x - 1

৬৫.
একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 8 সেন্টিমিটার এবং 40 মিলিমিটার। সামান্তরিকটির পরিসীমা কত?
  1. 96 সে.মি.
  2. 20 সে.মি.
  3. 80 সে.মি.
  4. 24 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 8 সেন্টিমিটার এবং 40 মিলিমিটার। সামান্তরিকটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সামান্তরিকের এক বাহু = 8 সেন্টিমিটার 
অপর বাহু = 40 মিলিমিটার
= (40/10) সেন্টিমিটার
= 4 সেন্টিমিটার

∴ সামান্তরিকের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) একক 
= 2(8 + 4) সে.মি.
= (2 × 12) সে.মি.
= 24 সে.মি.

৬৬.
1 + 2 + 3 + 4 +..............+ 95 = ?
  1. 5000
  2. 4560
  3. 4840
  4. 4950
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 + 2 + 3 + 4 +..............+ 95 = ?

সমাধান:
আমরা জানি,
1 + 2 + 3 + .......... + n = n(n + 1)/2

1 + 2 + 3 + .......... + 95 = 95(95 + 1)/2
= (95 × 96)/2
= 95 × 48
= 4560

৬৭.
শতকরা বার্ষিক টাকা মুনাফায় ৫০০০ টাকার কত বছরের সরল মুনাফা ২৫৫০ টাকা হবে?
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক টাকা মুনাফায় ৫০০০ টাকার কত বছরের সরল মুনাফা ২৫৫০ টাকা হবে?

সমাধান: 
আসল, P = ৫০০০ টাকা 
মুনাফার হার (r) = ১৭/২% 
= (১৭/২) × (১/১০০)
= ১৭/২০০

মুনাফা, I = ২৫৫০ টাকা

আমরা জানি, 
সরল মুনাফার, I = Prn
২৫৫০ = ৫০০০ × (১৭/২০০) × n
⇒ ২৫৫০ = ২৫ × ১৭ × n
⇒ n = ২৫৫০/(২৫ × ১৭)
∴ n = ৬ বছর 

সুতরাং, মুনাফা ২৫৫০ টাকা হতে ৬ বছর সময় লাগবে।

৬৮.
f(x) = x2 - 8x + 15 এবং f(x) = 0 হলে, x এর মান কত?
  1. 5, 3
  2. 2, 4
  3. - 2, 4
  4. - 5, - 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: f(x) = x2 - 8x + 15 এবং f(x) = 0 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
f(x) = x2 - 8x + 15
আবার,
f(x) = 0

∴ x2 - 8x + 15 = 0
⇒ x2 - 5x - 3x + 15 = 0
⇒ x(x - 5) - 3(x - 5) = 0
⇒ (x - 5)(x - 3)= 0
∴ x = 5, 3

৬৯.
|2x - 5| ≤ 3, x ∈ N অসমতাটির সমাধান সেট কোনটি?
  1. {1}
  2. [1,  4]
  3. {1, 2, 3, 4}
  4. {3, 4, 5, 6, 7}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |2x - 5| ≤ 3, x ∈ N অসমতাটির সমাধান সেট কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
|2x - 5| ≤ 3 এবং x ∈ N
⇒ - 3 ≤ 2x - 5 ≤ 3
⇒ - 3 + 5 ≤ x - 5 + 5 ≤ 3 + 5
⇒ 2 ≤ 2x ≤ 8
⇒ 1 ≤ x ≤ 4

এখন, 
 x ∈ N এর অর্থ হলো x স্বাভাবিক সংখ্যা যা 1 এর সমান বা 1 থেকে বড় এবং 4 এর সমান বা 4 থেকে ছোট। 
সুতরাং, 1 ≤ x ≤ 4 সীমার মধ্যে স্বাভাবিক সংখ্যা গুলো হলো 1, 2, 3, 4
[1, 4] মানে একটি অবিচ্ছিন্ন ব্যবধান। অর্থাৎ1 থেকে 4 পর্যন্ত সব সংখ্যা, যেমন 1.5, 2.7, 3.2 ইত্যাদিও এর মধ্যে পড়ে।

সুতরাং, সমাধান সেট = {1, 2, 3, 4}

৭০.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৭২ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিবৃত্তের ব্যাস কত?
  1. ১২ মিটার
  2. ৮ মিটার
  3. ১৬ মিটার
  4. ৬√২ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৭২ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিবৃত্তের ব্যাস কত?

সমাধান:

দেওয়া আছে,
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৭২ বর্গমিটার 

বর্গক্ষেত্রের বাহু = √৭২
= √(৩৬ ×২)
= ৬√২ মিটার 

বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বাহু × √২
= (৬√২× √২) মিটার
= ১২ মিটার 

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিবৃত্তের ব্যাস = বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ১২ মিটার 

অর্থাৎ, বর্গক্ষেত্রের পরিবৃত্তের ব্যাস ১২ মিটার।

৭১.
৪০ এবং ৬০ সংখ্যা দু’টির গড় ব্যবধান কত? 
  1. ২৫ 
  2. ৩০ 
  3. ২০ 
  4. ১০ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪০ এবং ৬০ সংখ্যা দু’টির গড় ব্যবধান কত?

সমাধান:
৪০, ৬০ এর গড় = (৪০ + ৬০)/২
= ৫০

∴ গড় ব্যবধান = {।৪০ - ৫০। + ।৬০ - ৫০।}/২
= (১০ + ১০)/২
= ২০/২
= ১০

৭২.
যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুর দিকে নেওয়া হয়, তখন তার ওজনের কী হয়? 
  1. শূন্য হয়
  2. কমে 
  3. বাড়ে 
  4. অপরিবর্তিত থাকে 
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন: 
- যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন বাড়তে থাকে। 
- বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি। 
- কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষীয় ত্বরণের উপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি। 
- অভিকর্ষীয় ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম। 
- যেহেতু মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুব অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ কম তাই বিষুব অঞ্চলে বস্তুর ওজনও কম। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষীয় ত্বরণ শূন্য, এজন্য পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন শূন্য। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৩.
বোসন কোন ধরনের কণা?
  1. যৌগিক কণা 
  2. জটিল কণা 
  3. দুর্বল কণা
  4. মৌলিক কণা 
ব্যাখ্যা

কণা: 
- কণাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- মৌলিক কণা এবং যৌগিক কণা। 
- মৌলিক কণা হলো এমন কণা যার ভিতরে আর কোনও কণা নেই। 
- যৌগিক কণা হলো এমন কণা যা দুটি বা ততোধিক মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত। 
 
বোসন: 
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (০, ১, ২ ইত্যাদি) স্পিন করে। 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা ০, ১ ইত্যাদি। 
-  স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ। 
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা- ১। গেজ বোসন ও ২। হিগস বোসন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
নিচের কোন উদ্ভিদটি আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদের উদাহরণ? 
  1.  ইক্ষু 
  2.  তামাক 
  3. চন্দ্রমল্লিকা 
  4. আউশ ধান 
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদে আলো-অন্ধকারের ছন্দকে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলা হয়।
- উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদে পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, তামাক, শিম, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া ইত্যাদি। 
 
২। দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন হয়। 
যেমন- পালংশাক, আফিম, ভুট্টা, যব, লেটুস, ঝিঙা ইত্যাদি। 
 
৩। আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে আলো কোনও প্রভাব ফেলে না। 
যেমন- টমেটো, কার্পাস, আউশ ধান, শসা, সূর্যমুখী ইত্যাদি। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
একমুখীকরণের কাজ নিচের কোন যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয়?
  1. অ্যামপ্লিফায়ার 
  2. রেফটিফায়ার 
  3. ট্রানজিস্টর 
  4.  ট্রান্সফরমার 
ব্যাখ্যা

রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। 
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে। 
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। 
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়। 
 
উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
মৃৎক্ষার ধাতু নিচের কোনটি?
  1. বেরিয়াম 
  2. সিজিয়াম 
  3. রুবিডিয়াম 
  4. সোডিয়াম 
ব্যাখ্যা

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals): 
- পর্যায় সারণির 2নং গ্রুপের মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। 
যেমন- 
• বেরিলিয়াম (Be), 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg), 
• ক্যালসিয়াম (Ca), 
• স্ট্রনসিয়াম (Sr), 
বেরিয়াম (Ba) এবং 
• রেডিয়াম (Ra)। 
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। 
- এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়। 

ক্ষার ধাতু (Alkali Metals): 
- পর্যায় সারণির 1নং গ্রুপের মৌলগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি মৌলগুলোকে ক্ষারধাতু বলে। 
- এই মৌলগুলোর প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়। 
যেমন- 
• লিথিয়াম (Li), 
• সোডিয়াম (Na), 
• পটাসিয়াম (K), 
• রুবিডিয়াম (Rb), 
• সিজিয়াম (Cs) এবং 
• ফ্রান্সিয়াম (Fr)। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৭.
জড় পরিবেশের মূল উপাদান নয় কোনটি?
  1. পানি 
  2. মাটি
  3. উদ্ভিদ 
  4. বায়ু 
ব্যাখ্যা

পরিবেশের উপাদান: 
- পরিবেশকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। 
- একটি হলো পরিবেশের সকল সজীব উপাদান, যা জীব উপাদান নামে পরিচিত। 
- এই জীব উপাদানকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সকল উপাদান নিয়ে আর একটি পরিবেশ গঠিত। যাকে বলা হয় জড় পরিবেশ বা অজীব পরিবেশ। 
- জীব পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী। 
- পরিবেশের প্রাণহীন সব উপাদান নিয়ে জড় পরিবেশ গঠিত । এগুলো অজীব বা জড় উপাদান নামে পরিচিত। 
- জড় পরিবেশের মূল উপাদান হচ্ছে মাটি, পানি এবং বায়ু; কারণ এ উপাদানগুলো ছাড়া কোন জীবই বেঁচে থাকতে পারে না। 
- মাটি, পানি, বায়ু, আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, জলবায়ু ইত্যাদি বিভিন্ন অজীব উপাদান বিভিন্নভাবে পরিবেশের প্রতিটি জীবের স্বভাব এবং বিস্তৃতিকে প্রভাবিত করে 
- এসব উপাদানের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট স্থানে কোন ধরনের জীব উপাদান থাকবে।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৭৮.
কোন যন্ত্রের মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. মাইক্রোফোন 
  2. বৈদ্যুতিক মোটর 
  3.  জেনারেটর 
  4. লাউড স্পিকার 
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯.
উপকূলে কোনো একটি স্থানে জোয়ারের কত সময় পর ভাটার সৃষ্টি হয়? 
  1. ৮ ঘণ্টা ১২ মিনিট 
  2. ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট 
  3. ১২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট
  4. ১৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাটা বলে না। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
IoT অ্যাপগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল কোনটি?
  1. MQTT 
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• IoT অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল হলো MQTT। এটি “Message Queuing Telemetry Transport” নামে পরিচিত এবং কম ব্যান্ডউইথ ও কম পাওয়ার খরচে ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। MQTT হালকা ও দ্রুত, তাই সেন্সর বা স্মার্ট ডিভাইসের মতো রিসোর্স সীমিত ডিভাইসের জন্য আদর্শ। অন্যদিকে, HTTP তুলনামূলকভাবে ভারী এবং স্থায়ী সংযোগের জন্য বেশি উপযুক্ত, SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য। তাই IoT-এর ক্ষেত্রে রিয়েল-টাইম ও লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য MQTT সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: ক) MQTT.

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- aws.amazon [link]
- Britannica.

৮১.
ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার তথ্যের মৌলিক একক হলো:
  1. Block
  2. Segment
  3. Frame
  4. Page
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার তথ্যের মৌলিক একক হলো Page। ভার্চুয়াল মেমরি একটি প্রক্রিয়াকে তার প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিক্যাল মেমরিতে লোড করতে সাহায্য করে, যাতে পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমরিতে না থাকলেও এটি চলতে পারে। প্রক্রিয়ার ভেতরের মেমরিকে ছোট ছোট সমান আকারের অংশে ভাগ করা হয়, যাকে Page বলা হয়। আর ফিজিক্যাল মেমরিতেও সমান আকারের অংশ থাকে, যাকে Frame বলা হয়। ভার্চুয়াল মেমরির পেজগুলো ফিজিক্যাল ফ্রেমে লোড হয় প্রয়োজন অনুযায়ী। Page ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রামের স্থানীয়তা বজায় রাখে এবং মেমরির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, ফলে বড় প্রোগ্রামও সীমিত মেমরিতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে।

- এই কারণে, ভার্চুয়াল মেমরির মৌলিক একক হলো Page.

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks [link]

৮২.
এমবেডেড সিস্টেমের একটি মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. রিয়েল-টাইম অপারেশন
  2. উচ্চ মেমরি ক্ষমতা
  3. পিসির মতো মাল্টিটাস্ক করার সক্ষমতা
  4. উচ্চগতির গ্রাফিক্স প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড সিস্টেমের একটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো রিয়েল-টাইম অপারেশন। এমবেডেড সিস্টেম সাধারণত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, অটোমোবাইলের এয়ারব্যাগ সিস্টেম বা মেডিকেল ডিভাইসের মনিটরিং সিস্টেমে সময়মতো প্রতিক্রিয়া দেখানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের সিস্টেমে সাধারণত উচ্চ মেমরি ক্ষমতা বা পিসির মতো মাল্টিটাস্কিং সুবিধা প্রধান লক্ষ্য নয়। বরং নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করা এমবেডেড সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) রিয়েল-টাইম অপারেশন।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. geeksforgeeks [link]

৮৩.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্রোভাইডার নয়?
  1. Google Cloud Platform
  2. Microsoft Azure
  3. Amazon Web Services (AWS)
  4. Linux Kernel
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটিং সার্ভিস যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস এবং সফটওয়্যার প্রদান করার একটি প্রযুক্তি। এর জন্য বিশেষ ধরনের কোম্পানি বা প্রোভাইডার রয়েছে যারা এই সার্ভিসগুলো অফার করে। Google Cloud Platform, Microsoft Azure এবং Amazon Web Services (AWS) এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই পরিচিত ক্লাউড প্রোভাইডার, যারা ব্যবহারকারীদের ক্লাউডে ডেটা সংরক্ষণ, অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং এবং বিশ্লেষণাত্মক কার্যক্রম সম্পাদনের সুযোগ দেয়।
- অন্যদিকে, Linux Kernel একটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের সঙ্গে সফটওয়্যারকে সংযোগ স্থাপন করে, কিন্তু এটি কোনো ক্লাউড সার্ভিস প্রদান করে না।
- তাই, ক্লাউড কম্পিউটিং প্রোভাইডার নয় Linux Kernel.

 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস:
1) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।
2) geeksforgeeks [link]

৮৪.
কোনটি LLM-ভিত্তিক ডিপ লার্নিং-এ সাধারণ GPU লাইব্রেরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. NumPy
  2. TensorFlow
  3. Matplotlib
  4. Pandas
ব্যাখ্যা

• LLM-ভিত্তিক ডিপ লার্নিং বা বড় ভাষা মডেল তৈরি এবং প্রশিক্ষণে সাধারণত TensorFlow একটি গুরুত্বপূর্ণ GPU-সাপোর্টেড লাইব্রেরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। TensorFlow মূলত গুগল দ্বারা উন্নত একটি ওপেন সোর্স ফ্রেমওয়ার্ক, যা নিউরাল নেটওয়ার্ক মডেল তৈরির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এটি GPU ও TPU ব্যবহার করে বড় ডেটাসেট দ্রুত প্রসেস করতে সক্ষম, যা LLM-এর প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে প্রয়োজন। অন্যদিকে NumPy, Matplotlib, এবং Pandas সাধারণত ডেটা প্রসেসিং, বিশ্লেষণ বা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সরাসরি GPU-ভিত্তিক ডিপ লার্নিং মডেলের জন্য নয়। তাই LLM-ভিত্তিক ডিপ লার্নিংয়ে সাধারণ GPU লাইব্রেরি হিসেবে TensorFlow ব্যবহৃত হয়।
- এছারাও, PyTorch-ও একটি জনপ্রিয় ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক যা GPU সাপোর্ট করে এবং LLM-এ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অপশন আলোচনা :
ক) NumPy - এটি শুধুমাত্র numerical computation-এর জন্য লাইব্রেরি, মূলত CPU-based এবং ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক নয়। 
গ) Matplotlib - এটি ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন লাইব্রেরি, ডিপ লার্নিং বা GPU-এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। 
ঘ) Pandas - এটি ডেটা ম্যানিপুলেশন ও বিশ্লেষণের লাইব্রেরি, ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক নয়। 
 
• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• Graphics Card (GPU):
- GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।  
- LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।  
- CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।  
- LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স—দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।  
- বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।  
- GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।  

অন্য যন্ত্রাংশগুলোর ভূমিকা:  
- RAM: ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে এবং GPU/CPU তে সরবরাহ করে।  
- Processor (CPU): সাধারণ কাজ, সিস্টেম কন্ট্রোল ও ডেটা হ্যান্ডলিং এ সহায়তা করে।  
- Storage Device: ডেটাসেট, মডেল ফাইল ও চেকপয়েন্ট সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।  

- যদিও RAM, Processor এবং Storage Device জরুরি, কিন্তু LLM চালানোর জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল Graphics Card (GPU).

সূত্র: 
- NVIDIA [link]
- IBM [link]

৮৫.
কোন নীতি কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয়?
  1. Interference
  2. Entanglement
  3. Superposition
  4. Decoherence
ব্যাখ্যা

•  কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয় Superposition নীতি। এটি কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার একটি মূল বৈশিষ্ট্য, যা বলে যে একটি কিউবিট একই সময়ে একাধিক অবস্থা ধারণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কিউবিট ০ বা ১ অবস্থার পরিবর্তে ০ এবং ১-এর সমন্বয় অবস্থায় থাকতে পারে। এই ক্ষমতার কারণে কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। Superposition কেবল কিউবিটকে একাধিক সম্ভাব্য ফলাফলের মধ্যে একসাথে থাকতে দেয়, যা পরে পরিমাপের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফলাফলে পরিবর্তিত হয়। এটি কোয়ান্টাম এলগরিদমের শক্তির মূল ভিত্তি।

সঠিক উত্তর: গ) Superposition.

- Interference হল বিভিন্ন স্টেটের মিলিত প্রভাব, Entanglement কিউবিটগুলোর পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অবস্থাকে বোঝায়, আর Decoherence কিউবিটের সুপারপজিশন ভেঙে সাধারণ স্টেটে পরিণত হওয়া।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:

- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।

- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।

- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।

উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) Microsoft [link]

৮৬.
অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর বাইনারি রূপ হচ্ছে:
  1. (১০১ ১১০)
  2. (১০১ ১০০)
  3. (১১১ ১১১)
  4. (০১০ ১০০)
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর বাইনারি রূপ হচ্ছে: (০১০ ১০০)

অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০


∴ (২৪) = (০১০ ১০০)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭.
লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার (লেক্সার) কী কাজ করে?
  1. সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করে 
  2. টোকেনগুলোকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
  3. সিনট্যাক্স ত্রুটি পরীক্ষা করে
  4. কোডকে অপ্টিমাইজ করে
ব্যাখ্যা

• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার বা লেক্সার কম্পাইলারের প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করে। এটি সোর্স কোডকে পড়ে এবং কোডের ছোট ছোট ইউনিট বা টোকেন এ ভাগ করে। টোকেন হলো প্রোগ্রামিং ভাষার মৌলিক উপাদান যেমন কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর, সংখ্যা বা সিম্বল। লেক্সারের মূল কাজ হলো কোডকে সহজ ও সুসংগঠিত আকারে ভাগ করা, যাতে পরবর্তী ধাপ যেমন সিনট্যাক্স অ্যানালাইসিস সহজ হয়। লেক্সার সোর্স কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না, সিনট্যাক্স ত্রুটি পরীক্ষা করে না এবং কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না। তাই, লেক্সারের সঠিক কাজ হলো সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা, যা কম্পাইলেশনের জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করে।

• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার (Lexical Analyzer / Lexer):
- লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার হলো একটি প্রোগ্রামিং কম্পাইলারের প্রথম ধাপের অংশ যা সোর্স কোডকে প্রক্রিয়াকরণ করে।
- এটি সোর্স কোডকে ছোট ছোট একক অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করে, যেগুলোকে টোকেন (Token) বলা হয়।
- প্রতিটি টোকেন সাধারণত একটি কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর বা প্রতীক হতে পারে।
- লেক্সার মূলত সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করার কাজ করে, যাতে পরবর্তী ধাপে সিনট্যাক্স বিশ্লেষণ সহজ হয়।
- এটি কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না।
- লেক্সার সাধারণত সিনট্যাক্স ত্রুটি বা কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না; শুধুমাত্র টোকেন তৈরির কাজ সম্পন্ন করে।

সুতরাং, লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজারের কাজ হল সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা।  
সঠিক উত্তর: ক) সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করে। 

উৎস: geeksforgeeks [link]

৮৮.
GSM-এ SIM কার্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. ভয়েস কল এনক্রিপ্ট করা
  2. অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যাল এ রূপান্তর করা
  3. সিগন্যাল শক্তি বৃদ্ধি করা
  4. নেটওয়ার্ক তথ্য এবং গ্রাহকের পরিচয় সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• GSM-এ SIM কার্ডের প্রধান কাজ হলো নেটওয়ার্ক তথ্য এবং গ্রাহকের পরিচয় সংরক্ষণ করা। এটি ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, পরিচয় তথ্য এবং নিরাপত্তা কীগুলি ধারণ করে, যা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার সময় ব্যবহার করা হয়। SIM কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে গ্রাহককে শনাক্ত করা যায় এবং কল, SMS, ডেটা পরিষেবা প্রভৃতি ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়। এটি ভয়েস কল এনক্রিপশন বা সিগন্যাল শক্তি বৃদ্ধি করার কাজ করে না, বরং মূলত নিরাপদভাবে পরিচয় যাচাই এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই GSM-এর মূল উদ্দেশ্যে SIM কার্ড হলো ব্যবহারকারীর তথ্য সংরক্ষণ এবং নিরাপদ নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস নিশ্চিত করা।

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM (Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৮৯.
কোনটি হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালের অসুবিধা?
  1. কনফিগার করা সহজ 
  2. উচ্চ প্রাথমিক খরচ
  3. একাধিক ডিভাইসকে রক্ষা করতে অক্ষম
  4. সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের চেয়ে ধীর
ব্যাখ্যা

• হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ডিভাইস হলেও এর কিছু অসুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো উচ্চ প্রাথমিক খরচ, যা ছোট বা মধ্যম আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ হতে পারে। এছাড়া, এটি কনফিগার করা তুলনামূলকভাবে কঠিন, কারণ যথাযথ নেটওয়ার্ক নীতি ও নিয়মাবলী নির্ধারণ করতে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া, হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত একাধিক ডিভাইস বা দূরবর্তী নেটওয়ার্কের জন্য সমন্বিত সুরক্ষা প্রদান করতে সীমিত সক্ষমতা রাখে। যদিও সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের তুলনায় এটি দ্রুত, তবে এর মূল অসুবিধা হলো খরচ এবং স্থাপনার জটিলতা, যা ছোট প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায়ই বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
 
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩.geeksforgeeks [link]

৯০.
কোন সার্চ ইঞ্জিনটি প্রাইভেসি রক্ষা করে এবং ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি ট্র্যাক করে না?
  1. Yahoo
  2. Bing
  3. DuckDuckGo
  4. Google
ব্যাখ্যা

• প্রাইভেসি রক্ষা এবং ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি ট্র্যাক না করার ক্ষেত্রে DuckDuckGo অন্যতম জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে না এবং কোনো প্রকার আইপি অ্যাড্রেস বা কুকি ট্র্যাকিং করে না। DuckDuckGo ব্যবহার করলে সার্চ ইতিহাস গোপন থাকে এবং ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যক্রম অনুসরণ করা হয় না। অন্যদিকে, Google, Yahoo, এবং Bing ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি এবং অন্যান্য ডেটা সংগ্রহ করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য। ফলে যারা প্রাইভেসি গুরুত্ব দেন এবং নিজের সার্চ কার্যক্রম লুকাতে চান, তাদের জন্য DuckDuckGo একটি নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য বিকল্প। এটি ব্যবহার করা সহজ এবং সাধারণ সার্চ ইঞ্জিনের মতো কার্যকর।

উত্তর: গ) DuckDuckGo.

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৯১.
কোনটি WAN-এর মূল বৈশিষ্ট্য?
  1. ছোট ভৌগোলিক এলাকা কভার করে
  2. উচ্চ গতির LAN সুইচের প্রয়োজন
  3. দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযুক্ত করে 
  4. শুধু এক ভবনের মধ্যে কাজ করে
ব্যাখ্যা

• WAN বা Wide Area Network হলো একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক যা সাধারণত বড় ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে ডিভাইস সংযোগ স্থাপন করে। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি দীর্ঘ দূরত্বে বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার বা নেটওয়ার্ক ডিভাইসকে সংযুক্ত করতে পারে, এমনকি ভিন্ন শহর বা দেশের মধ্যে থাকলেও। এটি LAN-এর মতো সীমিত এলাকায় কাজ করে না, তাই LAN-এর উচ্চ গতির সুইচের প্রয়োজন হয় না এবং শুধুমাত্র একটি ভবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাই WAN-এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযোগ করা, যা গ্লোবাল যোগাযোগ এবং ডেটা শেয়ারিংকে সহজ করে তোলে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযুক্ত করে।

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

• PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯২.
কোন যন্ত্রটি ইলেকট্রনিক সংকেতকে ভিজ্যুয়াল আকারে রূপান্তরিত করে?
  1. Monitor
  2. Keyboard
  3. Printer
  4. USB Drive
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রনিক সংকেতকে ভিজ্যুয়াল আকারে রূপান্তর করার জন্য যে যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো মনিটর। মনিটর কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস, যা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক সংকেতকে মানুষের চোখের জন্য দৃশ্যমান আকারে প্রদর্শন করে। যখন কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, তখন সেগুলি ইলেকট্রনিক সংকেত আকারে থাকে। মনিটরের স্ক্রিন এই সংকেতগুলোকে পিক্সেল আকারে রূপান্তরিত করে এবং ব্যবহারকারীকে ছবি, লেখা বা ভিডিও আকারে দেখায়। অন্যদিকে, কীবোর্ড তথ্য ইনপুট দেয়, প্রিন্টার তথ্যকে কাগজে মুদ্রণ করে এবং ইউএসবি ড্রাইভ তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং ভিজ্যুয়াল আউটপুটের জন্য সঠিক উত্তর হলো মনিটর।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

৯৩.
DBMS-এ ACID-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Access, Consistency, Isolation, Durability
  2. Atomicity, Control, Integrity, Data
  3. Access, Control, Integrity, Data
  4. Atomicity, Consistency, Isolation, Durability
ব্যাখ্যা

• DBMS-এ ACID হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ডেটাবেস ট্রানজেকশনগুলোর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। ACID-এর পূর্ণরূপ হলো Atomicity, Consistency, Isolation, Durability, যা এখানে দেওয়া অপশন ঘ) এর সঙ্গে মিলে।
- Atomicity মানে একটি ট্রানজেকশন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা একেবারেই হবে না।
- Consistency নিশ্চিত করে যে ট্রানজেকশন শেষ হওয়ার পর ডেটাবেস সবসময় বৈধ অবস্থায় থাকবে।
- Isolation নির্দেশ করে যে একাধিক ট্রানজেকশন একসাথে চললেও তারা একে অপরের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
- Durability মানে একটি ট্রানজেকশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে তার পরিবর্তন স্থায়ী এবং ক্ষয়শীল হবে না।
- ACID নীতি ডেটাবেসের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
- geeksforgeeks [link]

৯৪.
A হল C এর পুত্র; C এবং Q বোন; Z হল Q এর মা এবং P হল Z এর পুত্র। P, A এর সম্পর্কে কী হয়?
  1. মামা
  2. ভাই  
  3. নানা 
  4. বাবা 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A হল C এর পুত্র; C এবং Q বোন; Z হল Q এর মা এবং P হল Z এর পুত্র। P, A এর সম্পর্কে কী হয়?

সমাধান:
A হল C এর পুত্র

C এবং Q বোন
অতএব, Q, A এর খালা
C, A এর মা

Z হল Q এর মা
Z হলেন A এর নানী

P হল Z এর পুত্র
অতএব, P, A এর মামা।

৯৫.
নিচের প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
FL, IO, LR, ?, RX
  1. MY
  2. PS
  3. OU
  4. NO
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
FL, IO, LR, ?, RX

সমাধান:
এখানে দুটি ধারা বিদ্যমান।

প্রথম ধারা- F, I, L, ?, R
F এর পরে তৃতীয় বর্ণ I
I এর পরে তৃতীয় বর্ণ L
L এর পরে তৃতীয় বর্ণ O
O এর পরে তৃতীয় বর্ণ R

দ্বিতীয় ধারা L, O, R, ?, X
L এর পরে তৃতীয় বর্ণ O
O এর পরে তৃতীয় বর্ণ R
R এর পরে তৃতীয় বর্ণ U
U এর পরে তৃতীয় বর্ণ X

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে OU বসবে।

৯৬.
Choose the correct spelling-
  1. Conscientious
  2. Consciencious
  3. Conscientiouse
  4. Conscientios
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Choose the correct spelling-

সমাধান:
Conscientious অর্থ - সতর্ক, দায়িত্বশীল, সততা এবং মনোযোগ দিয়ে কাজ করা।

উদাহরণ- He is a conscientious student who always completes his assignments on time.
অন্য বানান গুলো ভুল। 

সঠিক উত্তর ক) Conscientious

৯৭.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 3
  2. 9
  3. 5
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান: 
১ম তিনটি কলামের গুণফল = শেষ কলাম 

এখন,
১ম ক্ষেত্রে, 
9 × 7 × 5 = 315

২য় ক্ষেত্রে,
5 × 3 × 8 = 120

একইভাবে,
 8 × 7 × ? = 168
56 × ? = 168
? = 168/56 = 3

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 3 সংখ্যাটি বসবে। 

৯৮.
একটি ভোজসভার শেষে ১৪ জন ব্যক্তি একে অপরের সাথে করমর্দন করে। সেখানে মোট কতটি করমর্দন হবে?
  1. ৬৬ 
  2. ১০২ 
  3. ৯১ 
  4. ৮৮ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ভোজসভার শেষে ১৪ জন ব্যক্তি একে অপরের সাথে করমর্দন করে। সেখানে মোট কতটি করমর্দন হবে?

সমাধান:
যে কোনো ২ জন ব্যক্তির মধ্যে ১টি করমর্দন হয়।
সুতরাং, মোট করমর্দনের সংখ্যা = ১৪ জন থেকে ২ জন নির্বাচন করার সংখ্যা।

∴ মোট করমর্দনের সংখ্যা = ১৪C
= ১৪!/২!(১৪ - ২)!
= (১৪ × ১৩ × ১২!)/(২ × ১২!)
= ৯১ 

৯৯.
Cattle is to Fodder as Fish is to _______?
  1. hay
  2. tube
  3. insect
  4. plankton
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Cattle is to Fodder as Fish is to _______?

সমাধান:
fodder বা গবাদি পশুর শুকনা খাদ্য যেমন Cattle বা গবাদি পশুর খাবার।
তেমন plankton বা সাগর, নদী, হ্রদ ইত্যাদিতে ভাসমান (প্রধানত আণুবীক্ষণিক) জীবাণুবিশেষ; প্ল্যাংকটন হলো fish বা মাছের খাবার।

অন্যদিকে,
hay - খড়।
insect - এক শ্রেণির অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যাদের দুটি পা থাকে এবং শরীর তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে থাকে,যেমন পিপড়া, মাছি।
tube - নল, চোঙা

১০০.
মিতা পূর্ব দিকে মুখ করে ৬ কি.মি. হাঁটে। তারপর বাম দিকে ঘুরে ৪ কি.মি. যায়। এরপর ডান দিকে ঘুরে ৩ কি.মি. দৌড়ায়। শেষে আবার ডান দিকে ঘুরে ২ কি.মি. হাঁটে। মিতা এখন কোন দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে?
  1. উত্তর দিকে 
  2. পূর্ব দিকে
  3. দক্ষিণ দিক
  4. পশ্চিম দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: মিতা পূর্ব দিকে মুখ করে ৬ কি.মি. হাঁটে। তারপর বাম দিকে ঘুরে ৪ কি.মি. যায়। এরপর ডান দিকে ঘুরে ৩ কি.মি. দৌড়ায়। শেষে আবার ডান দিকে ঘুরে ২ কি.মি. হাঁটে। মিতা এখন কোন দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে?

সমাধান: 
 

মিতা পূর্ব দিকে A থেকে B বিন্দুতে ৬ কি.মি. হেঁটে বামদিকে B থেকে C বিন্দুতে ৪ কি.মি. গেলো অর্থাৎ উত্তর দিকে গেলো।
সেখান থেকে ডান দিকে C থেকে D বিন্দুতে অর্থাৎ পূর্ব দিকে ঘুরে ৩ কি.মি. দৌড়ালো।
এরপর আবার ডান দিকে D থেকে E বিন্দুতে অর্থাৎ দক্ষিণ দিকে ফিরে ২ কি.মি. হাঁটল।

সুতরাং মিতা এখন দক্ষিণ দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে। 

১০১.
Eye : Retina : : Ear : _______?
  1. Cochlea
  2. Eardrum 
  3. Auditory Nerve
  4. Ear Canal
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Eye : Retina :: Ear : _____? 

সমাধান:
Eye (চোখ) এর Retina হল সেই অংশ যেখানে আলোর তথ্য প্রক্রিয়াকরণ হয়, অর্থাৎ দৃষ্টিশক্তির জন্য মূল কার্যকরী অংশ।

একইভাবে,
Ear (কান) এর Cochlea হল সেই অংশ যেখানে শব্দ তরঙ্গ প্রক্রিয়াকরণ হয়, অর্থাৎ শ্রবণশক্তির জন্য মূল কার্যকরী অংশ।

অন্যদিকে,
Eardrum: শব্দ তরঙ্গ গ্রহণ করে, কিন্তু প্রক্রিয়াকরণের মূল অংশ নয়।
Auditory Nerve: শব্দের সংকেত মস্তিষ্কে পাঠায়, কিন্তু কার্যকরী অংশ নয়।
Ear Canal: শব্দ প্রবেশের পথ, কিন্তু প্রক্রিয়াকরণের অংশ নয়।

১০২.
২, ৬, ১৪, ৩০, ৬২, ... অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ৯৩ 
  2. ১২০ 
  3. ১৩২ 
  4. ১২৬ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২, ৬, ১৪, ৩০, ৬২, ... অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
অনুক্রমটিতে
৬ - ২ = ৪
১৪ - ৬ = ৮
৩০ - ১৪ = ১৬
৬২ - ৩০ = ৩২

অনুক্রমটিতে সংখ্যার অন্তরগুলো দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। 
অর্থাৎ ক্রমটিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার অন্তর হবে প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যাদ্বয়ের অন্তরের দ্বিগুণ।

সুতরাং  অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যাটি হবে = ৬২ + (৩২ × ২) = ৬২ + ৬৪ = ১২৬

১০৩.
একটি সাইকেল ১৫ মাইল/ঘণ্টা বেগে ১২ মাইল যায়। যদি সাইকেলটির যাওয়া-আসায় মোট ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট সময় লাগে। ফেরার গতিবেগ কত?
  1. ২০ মাইল/ঘণ্টা
  2. ১২ মাইল/ঘণ্টা
  3. ১৫ মাইল/ঘণ্টা
  4. ৮ মাইল/ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সাইকেল ১৫ মাইল/ঘণ্টা বেগে ১২ মাইল যায়। যদি সাইকেলটির যাওয়া-আসায় মোট ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট সময় লাগে। ফেরার গতিবেগ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট = ৯৬ মিনিট
১৫ মাইল/ঘণ্টা বেগে ১২ মাইল যেতে সময় লাগে = (১২/১৫) ঘণ্টা = (১২/১৫) × ৬০  = ৪৮ মিনিট

∴ ফিরে আসতে সময় লাগে = (৯৬ - ৪৮) মিনিট = ৪৮ মিনিট

৪৮ মিনিটে ফিরে আসে = ১২ মাইল
∴ ৬০ মিনিটে ফিরে আসার গতিবেগ হবে = (১২ × ৬০)/৪৮ = ১৫ মাইল/ঘণ্টা

অতএব, ফেরার গতিবেগও ১৫ মাইল/ঘণ্টা।

১০৪.
যদি 4 × 2 = 3216 এবং 6 × 3 = 4824 হয়, তবে 7 × 5 = ?
  1. 7050
  2. 5860
  3. 5640
  4. 4056
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 4 × 2 = 3216 এবং 6 × 3 = 4824 হয়, তবে 7 × 5 = ?

সমাধান:
4 × 2 = 3216 এবং 6 × 3 = 4824 হয়, তবে 7 × 5 = 5640

4 × 8 = 32 [8 দ্বারা গুণ করে]
2 × 8 = 16 [8 দ্বারা গুণ করে]
∴ 4 × 2 = 3216 [গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে]

এবং
6 × 8 = 48 [8 দ্বারা গুণ করে]
3 × 8 = 24 [8 দ্বারা গুণ করে]
∴ 6 × 3 = 4824 [গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে]

অনুরূপভাবে,
7 × 8 = 56 [8 দ্বারা গুণ করে]
5 × 8 = 40 [8 দ্বারা গুণ করে]
∴ 7 × 5 = 5640 [গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে]

১০৫.
A শীটটি ডটেড লাইন বরাবর ভাঁজ করা হলে, কোনটির মত প্যাটার্ন তৈরি হবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A শীটটি ডটেড লাইন বরাবর ভাঁজ করা হলে, কোনটির মত প্যাটার্ন তৈরি হবে?

সমাধান:

3 নং প্যাটার্ন তৈরি হবে।

১০৬.
গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত বাংলার কোন জনপদ ব্যতীত সমগ্র বাংলা জয় করেন?
  1. বরেন্দ্র
  2. সমতট
  3. গৌড়
  4. পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- চন্দ্রগুপ্তের মৃত্যুর পর সমুদ্রগুপ্ত পাটালিপুত্রের সিংহাসনে বসেন।
- তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান বলা হয়।
- তার রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা জয় করা হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সূত্রে জানা যায় যে, তিনি সমতট ব্যতীত বাংলার অন্য সব জনপদ তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত করেছিলেন।
- সমুদ্রগুপ্তের বিস্তীর্ণ সাম্রাজ্যের পূর্বতন প্রত্যন্ত রাজ্য ছিল নেপাল, কর্তৃপুর (শনাক্তকরণ বিতর্কিত), কামরূপ, ডবাক (আসাম অথবা ঢাকা), এবং সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা)। সমতট সম্ভবত গুপ্তদের করদ রাজ্য ছিল। তবে কালক্রমে এ অঞ্চলও গুপ্ত সাম্রাজ্যভুক্ত হয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য,
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনে বাংলা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ।ভারতের ইতিহাসে গুপ্ত যুগ সামগ্রিকভাবে ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে খ্যাত।
- গুপ্ত যুগে বাংলায় স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার সর্বব্যাপী প্রচলন হয়। স্বর্ণ মুদ্রার বহুল প্রচলন বাংলার আর্থিক সমৃদ্ধির পরিচায়ক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

১০৭.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চিলমারী, কুড়িগ্রাম
  2. ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
  3. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
  4. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

- কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট স্থলবন্দর অবস্থিত।

• সোনাহাট স্থলবন্দর:

- স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দর।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়সহ সেভেন সিস্টারস রাজ্যগুলোর সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্যের অন্যতম প্রবেশদ্বার এটি।
- ২০২৫ সালে এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ-ভারত স্থলবন্দরবিষয়ক যৌথ বৈঠকে সোনাহাটকে আঞ্চলিক ট্রানজিট পয়েন্টে রূপান্তরের প্রস্তাব তোলা হয়।

• দেশের কয়েকটি স্থলবন্দর:
- বেনাপোল: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর এবং যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় অবস্থিত।
- হিলি: এটি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর।
- ভোমরা: সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- বুড়িমারী: লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।
- বিরল: দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
- দর্শনা: চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত।
- আখাউড়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাবান্ধা: পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- টেকনাফ: বাংলাদেশের মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত একমাত্র স্থলবন্দর।
- তামাবিল: সিলেট জেলায় অবস্থিত।

উৎস: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১০৮.
কোন দেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে জয়লাভ করে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. পাকিস্তান
  3. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- এর আগে, ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা অর্জন করে এবং
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশের এখন অব্দি অন্যতম অর্জন হলো ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।

১০৯.
সম্প্রতি, বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কয়টি সংস্থা একীভূত করে 'সিঙ্গেল উইন্ডো' কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

• ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি 'সিঙ্গেল উইন্ডো' বা কেন্দ্রীয় কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার।
- দেশে বর্তমানে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে এরকম শীর্ষ ছয় প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা,
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা),
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা),
- বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ,
- পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ
- ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।
- এই ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি 'সিঙ্গেল উইন্ডো' বা কেন্দ্রীয় কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১১০.
বাংলায় বারো ভূঁইয়াদের সম্পূর্ণরূপে দমন করেন কে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সুবাদার  ইসলাম খান
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সুবাদার  মীর জুমলা 
ব্যাখ্যা

• ইসলাম খান চিশতী:
- আকবরের মৃত্যুর পুত্র জাহাঙ্গীর ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে বসেন।
- তার পিতার নিযুক্ত সুবাদার মানসিংহকে বাংলার সুবাদারি পদে বহাল রাখেন।
- ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁর দুধ-ভাই কুতব-উদ-দীন খান কোকাকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করে পাঠান।
- কতুব-উদ-দীন বর্ধমানের ফৌজদার আলীকুলীকে দমন করার জন্য বর্ধমানে গেলে সেখানে আলী কুলী ও কুতব-উদ-দীন উভয়েই নিহত হন।
- এই আলী কুলীর পরমা সুন্দরী স্ত্রী ছিলেন মেহের-উন-নিসা।
- আর এই মেহের-উন-নিসাই পরে জাহাঙ্গীরের স্ত্রীরূপে নূরজাহান উপাধি লাভ করেন।
- এরপর সম্রাট ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করে পাঠান।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ,
- এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- ইসলাম খান বার ভূঁইয়াদের দমন করেন।
- এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- ইসলাম খান চিশতী ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র,
- তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

উৎস: ¡)বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        ¡¡) বিবিসি বাংলা।[লিঙ্ক]

১১১.
মণিপুরীদের সর্ববৃহৎ উৎসবের নাম কী?
  1. বিঝু
  2. মাইলুকমা
  3. রাস পুর্ণিমা
  4. বৈসুক
ব্যাখ্যা

- মণিপুরীদের সর্ববৃহৎ উৎসবের নাম রাস পুর্ণিমা।

মণিপুরী:
- অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর মণিপুর রাজ্যের অধিবাসীরা দেশত্যাগ করে পাক-ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আশ্রয় গ্রহণ করে।
- বর্তমানে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় মণিপুরী জনগোষ্ঠীর লোক বাস করে।
- ভাষাগত এবং ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত
- স্থানীয়ভাবে তারা (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ ও (৩) পাঙন নামে পরিচিত।
- তাদের ভাষার নাম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা।
- মৈতৈরা মঙ্গোলয়েড মহাজাতির তিব্বতী-বর্মী উপ-পরিবারের অন্তর্গত এবং তাদের ভাষার নাম মৈতৈ।
- পাঙনরা আর্য বংশদ্ভুত হলেও মৈতৈ ভাষায় কথা বলে এবং ধর্মীয়ভাবে তারা মুসলিম।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরীদের বৃহৎ উৎসব রাসপূর্ণিমা।
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে মণিপুরের রাজা মহারাজ ভাগ্যচন্দ্র প্রবর্তিত শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলানুকরন বা রাসপুর্ণিমা নামের মণিপুরীদের সর্ববৃহৎ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে প্রায় দেড়শত বছর ধরে (আনুমানিক ১৮৪৩ খ্রী: থেকে) পালিত হয়ে আসছে।
- কার্ত্তিকের পুর্ণিমা তিথিতে দুরদুরান্তের ল ল ভক্ত-দর্শক মৌলবীবাজার জেলার সিলেটের কমলগঞ্জের মাধবপুর জোড়ামন্ডবের এই বিশাল ও বর্ণাঢ্য উৎসবের আকর্ষনে ছুটে আসেন। 

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

১১২.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম ভাগের বিষয়বস্তু-
  1. নির্বাচন
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইনসভা
ব্যাখ্যা

- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১১৩.
’একলাখি মসজিদ’ কার শাসনামলে আমলে নির্মিত হয়?
  1. সুলতান জালালউদ্দীন মুহম্মদ শাহ
  2. সুলতান ইলিয়াস শাহ 
  3. সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহ
  4. সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
ব্যাখ্যা

- সুলতান জালালউদ্দিন মুহম্মদ শাহ-এর শাসনকালে নির্মিত হয় 'এক লাখি মসজিদ'। 
- এর নির্মাণকাল ১৪১৮-১৪২৩ সাল।
- পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার পান্ডুয়ায় অবস্থিত। 
- প্রবাদ আছে যে, তখনকার দিনে এক লাখ টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।তাই এটি 'এক লাখি মসজিদ' নামে পরিচিত হয়েছে।
- এ মসজিদ আসলে একটি কবর। এ সমাধিসৌধে সুলতান এবং তাঁর স্ত্রী-পুত্রদের সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বড় সোনা মসজিদের আর এক নাম 'বারোদুয়ারী মসজিদ'।
- এতে বৃহৎ বারোটি দরজা ছিল। এ মসজিদে সোনালি রঙের গিলটি করা কারুকার্য ছিল। সম্ভবত এজন্যই এটি সোনা মসজিদ নামে অভিহিত হতো। এ মসজিদটি গৌড়ের বৃহত্তম মসজিদ।
- আসাম বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য হুসেন শাহ এ মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ১৫২৭ সালে নসরত শাহ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৪.
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর স্লোগান কী?
  1. আকাশে শান্তির পায়রা
  2. আকাশে শান্তির ডানা
  3. বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত
  4. বাংলার আকাশে সদা জাগ্রত
ব্যাখ্যা

- ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শ্লোগান।

• বাংলাদেশ বিমান বাহিনী: 

- ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে গঠিত হলেও বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
- দেশের আকাশসীমা রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কিলো ফ্লাইট গঠনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।
- ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শ্লোগান।
- বর্তমান বিমান বাহিনীর প্রধান Hasan Mahmood Khan.

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

১১৫.
‘অর্থ বিল’ সম্পর্কিত বিধানাবলি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদে-৮৩
  2. অনুচ্ছেদে-৮১
  3. অনুচ্ছেদে-৮২
  4. অনুচ্ছেদে-৮০
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান: অনুচ্ছেদে-৮১: অর্থবিল।
- ৮১। (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
 (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
 (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
 (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
 (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
 (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
 (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদে- ৮০। আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি;
- অনুচ্ছেদে- ৮২। আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ;
- অনুচ্ছেদে- ৮৩। সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১৬.
বাংলাদেশের সরকারি কাগজের নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. গভর্নর
  2. অর্থ সচিব
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে দুই ধরনের কাগুজে নোট:- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট।
- এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
• ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

১১৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ”যুদ্ধশিশু”এর পরিচালক কে?
  1. মমতাজ আলী
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত
  4. আলমগীর কুমকুম
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র "যুদ্ধশিশু" এর পরিচালক- মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত।

অন্যদিকে,
- রক্তাক্ত বাংলা - মমতাজ আলী।
- নদীর নাম মধুমতী- তানভীর মোকাম্মেল।
- আমার জন্মভূমি - আলমগীর কুমকুম।

• কয়েকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- বাঘা বাঙ্গালী - আনন্দ।
- রক্তাক্ত বাংলা - মমতাজ আলী।
- শ্লোগান - কবীর আনোয়ার।
- কার হাসি কে হাসে - আনন্দ।
- এখনো অনেক রাত খান আতাউর রহমান।
- '৭১-এর লাশ'- নাজিরউদ্দীন রিজভী।
- ইতিহাস কন্যা-শামীম আখতার।
- জয় বাংলা - ফখরুল আলম।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো[লিঙ্ক]

১১৮.
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন প্রদান করে- 
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. মন্ত্রিপরিষদ
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

- নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন প্রদান করে।

• রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:

- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন প্রদান করে।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।
• রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু হয় ২০০৮ সালে।

• রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
- উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
- কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ১০টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ৫০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
         ii) প্রথম আলো।

১১৯.
কোন জনগোষ্ঠীর মানুষেরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ নামে অভিহিত করেন?
  1. খাসিয়া
  2. রাখাইন
  3. ম্রো
  4. ওঁরাও 
ব্যাখ্যা

ম্রো :
- ম্রো আদিবাসী জনগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত। 
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না।
- ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা তিববতী-বর্মী গ্রুপের একটি বিশেষ ভাষায় কথা বলে।
- বতর্মানে এদের নিজস্ব ভাষায় ও বর্ণমালায় তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রোদের বংশ পরিচয় পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১২০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য 'গোবরা ক্যাম্প' কোথায় স্থাপন করা হয়েছিল?
  1. সিলেটে
  2. ঢাকায়
  3. কলকাতায়
  4. চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা

 মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার পার্ক সার্কাস ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি গোবরা নামের স্থানে শুধু নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল।
- সেটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।
- নারী যোদ্ধাদের জন্য অনুরূপ আরো তিনটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং: ১. সিভিল ডিফেন্স, ২. নার্সিং, ৩. অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।

উল্লেখ্য
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: ।) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
     ।।) দৈনিক ইত্তেফাক।[লিঙ্ক]

১২১.
বাল্যবিবাহ বন্ধে সরকারি হটলাইন কোনটি?
  1. ১০৯
  2. ৯৯৯
  3. ৩৩৩
  4. ১০৬
ব্যাখ্যা

• দেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সরকারি হটলাইন নম্বর ৩৩৩ ।
- বাল্যবিবাহ বন্ধে ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল চালু হয়েছে সরকারি হটলাইন নম্বর ৩৩৩ ।
- এছাড়া পুলিশের জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বাল্যবিবাহ ঠেকানো যায়।

অন্যদিকে,
- ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস - ৯৯৯।
- কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩)।
- নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার - ১০৯
- ১৬২৬৩ নম্বরে কল দিলেই ঘরের সামনে যাবে অ্যাম্বুলেন্স।
- দুর্নীতি দমন কমিশন হেল্পলাইন নাম্বার ডায়াল: ১০৬।
- দুর্যোগ প্রারম্ভিক সতর্কতা (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়) - ১০৯০।

উৎস: জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমী।[লিঙ্ক] ও প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১২২.
বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি রেডিও সেন্টার কোনটি?
  1. রেডিও পল্লীকণ্ঠ
  2. রেডিও মেঘনা
  3. রেডিও পদ্মা
  4. রেডিও বলাকা 
ব্যাখ্যা

- দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতার রেডিও পদ্মা’।
- রাজশাহী থেকে দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতার রেডিও পদ্মা’র আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয়েছে গত ০৭ অক্টোবর ২০১১ ইং তারিখ থেকে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মাননীয় তথ্যমন্ত্রী জনাব আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানিকভাবে রেডিও পদ্মা’র সম্প্রচার কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

• বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কেন্দ্র:
- বৃটিশ ভারতের এ অঞ্চল, যা বর্তমানে বাংলাদেশ নামে পরিচিত; প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে (বর্তমানে এটি বোরহান উদ্দিন কলেজ) দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”। 
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- কালের পরিক্রমায় বেতার ভবন স্থানান্তরিত হয় শাহবাগে ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: ¡)জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং রেডিও পদ্মার ওয়েবসাইট।
         ¡¡) ডেইলি স্টার পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১২৩.
১৯৭২ সালে বিজয় দিবসের স্মারক ডাকটিকিটের ডিজাইনার কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. কে.জি. মুস্তফা
  3. রিপ্টি চিন্টনিশ
  4. নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা

ডাকটিকেট: 
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতেই ২০, ৬০ ও ৭৫ পয়সা মূল্যমানের ৩টি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়।
- ডাকটিকিটের নকশায় আনন্দের আতশবাজি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে ছয়টি পায়রার ছবি স্থান পায়।
- এর ডিজাইনার কে জি মুস্তাফা।

উল্লেখ্য,
- এরপর ১৯৮২ সালের বিজয় দিবসে প্রকাশিত প্রতিটি ৫০ পয়সা মূল্যের ৭টি স্মারক ডাকটিকিটে স্থান পায় ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর ছবি ডিজাইনার আহমেদ ফজলুল করিম।
- দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ১৯৯৬ সালে বিজয়ের রজত জয়ন্তীতে ৪ ও ৬ টাকা মূল্যমানের ২টি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়। এতে জনগণের বিজয় উল্লাস ও  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় উল্লাসের নকশা করেন মোহাম্মদ সামসুজ্জোহা।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।[লিঙ্ক]

১২৪.
বাংলাদেশে সাংবিধানিক গণভোট ছিল- 
  1. তৃতীয় গণভোট
  2. প্রথম গণভোট
  3. দ্বিতীয় গণভোট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- ১৯৯১ সালে সাংবিধানিক গণভোেট তথা দেশের ৩য় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে মোট তিনবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এর মধ্যে দুটি প্রশাসনিক গণভোট এবং আরেকটি সাংবিধানিক গণভোট।
- প্রথম গণভোট হয়েছিল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে ১৯৭৭ সালে।
- দ্বিতীয় গণভোট হয় রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৫ সালে।
- সর্বশেষ গণভোট ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তৃতীয় গণভোট:
- গণ আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ।
- এর ৩ মাসের মধ্যে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয় বিএনপি।
- ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা থেকে প্রধানমন্ত্রীশাসিত সংসদীয় পদ্ধতির (পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি) সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট মধ্যরাতে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদে বিল পাস হয়।

উৎস: গণভোট আইন ১৯৯১ এবং  প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১২৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে কত টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে?
  1. ২৫০ কোটি টাকা
  2. ১২৫ কোটি টাকা
  3. ৯২ কোটি টাকা
  4. ৭২ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের অভিঘাত মোকাবেলা তহবিলে ৮,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- জিডিপিপ্রবৃদ্ধির - ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা”।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১২৬.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন-
  1. ১০ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৯ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৭ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১২৭.
দক্ষিণ এশিয়ার কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে? 
  1. দ্বিতীয়
  2. প্রথম
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষরকারী ১২৯তম দেশ।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।(দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
• দক্ষিণএশিয়ার দেশ সমূহ অনুমোদন করে:
- আফগানিস্তান: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৩.
- বাংলাদেশ: ৮ মার্চ, ২০০০.
- মালদ্বীপ:৭ সেপ্টেম্বর, ২০০০.
- শ্রীলঙ্কা: ২৫ জুলাই, ২০২৩.
• ভারত, পাকিস্তান এবং ভুটান এখনও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, এবং নেপাল স্বাক্ষর করলেও অনুমোদন করেনি।

СТВТ:

- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।
- ৯টি দেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- এগুলো হলো: চীন, মিশর, ইরান ইসরায়েল, নেপাল, রাশিয়া, সোমালিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইয়েমেন।

উৎস: Arms Control Association [লিঙ্ক] এবং СТВТ ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১২৮.
অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা করা হয় কত তারিখে?
  1. ১৮ মার্চ, ১৯৭১
  2. ২২ মার্চ, ১৯৭১
  3. ১৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২০ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চ লাইট'।
- ১৭ মার্চ, ১৯৭১ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা  সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- ১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।

- ১৯শে মার্চ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু হয়।
- ২০শে মার্চ সরকার অস্ত্র জমা দেয়ার নির্দেশ জারি করে। ঐ দিন জেনারেল ইয়াহিয়া খান তার সামরিক উপদেষ্টা হামিদ খান, জেনারেল টিক্কা খান, জেনারেল পিরজাদা, জেনারেল ওমর প্রমুখকে নিয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সামরিক প্রস্তুতিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেন।
- ২৪শে মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে এম ভি সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র ও রসদ খালাস শুরু হয়।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫শে মার্চ গণহত্যার জন্য বেছে নেওয়া হয়। মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইটের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১২৯.
বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলায় কতটি চা-বাগান রয়েছে? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ৮৭ টি
  2. ৯০ টি
  3. ৯৫ টি
  4. ৮২ টি
ব্যাখ্যা

- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

চা শিল্প:

- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

এছাড়াও
- হবিগঞ্জ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ২৫ টি।
- সিলেট জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ১৯ টি।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ২২ টি
- রাঙ্গামাটি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ২ টি।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ১১ টি।
- ঠাকুরগাওঁ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ১টি।
- খাগড়াছড়ি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা-১ টি

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৩০.
মায়া সভ্যতার সৌর ক্যালেন্ডার কোনটি?
  1. টজলকিন
  2. নব
  3. হাব
  4. এরিস
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।
- মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
২. ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

⇒ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com

১৩১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল -
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

১৩২.
'UNEP' - এর প্রধানের পদবী -
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. মহাসচিব
  3. প্রশাসক
  4. মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা

UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP).
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- UNEP - সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- UNEP এর প্রধানের পদবী- নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক- ইনগার অ্যান্ডারসেন। (অক্টোবর, ২০২৫)
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP.

তথ্যসূত্র - UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩৩.
ESCWA-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. বৈরুত, লেবানন
  3. আম্মান, জর্ডান
  4. কায়রো, মিশর
ব্যাখ্যা

ESCWA:
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ESCWA.
- ECWA এর পূর্ণরূপ United Nations Economic and Social Commission for Western Asia.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৩ সালে।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলিতে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপকে উত্সাহিত করা, তাদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা। 
- সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন।

তথ্যসূত্র - ESCWA ওয়েবসাইট।

১৩৪.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয় কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. গ্রিনল্যান্ড
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

⇒ গ্রিনল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
 
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com

১৩৫.
বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে কত সালে দক্ষিণ আফ্রিকা কমনওয়েলথ থেকে সরে যায়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩৬.
সেভেন সিস্টার্সের কোন রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. অরুণাচল
  2. আসাম
  3. মিজোরাম
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা

⇒ সেভেন সিস্টার্সের অরুণাচল রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৩৭.
পাকিস্তানের পক্ষে সিমলা চুক্তি কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. পারভেজ মুশাররফ
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

১৩৮.
পরিবেশ বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

১৩৯.
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল কী?
  1. শ্রম অধিকার বিষয়ক সংস্থা
  2. নারী অধিকার বিষয়ক সংস্থা
  3. উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
  4. দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা
ব্যাখ্যা

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল:
- অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
- এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮২ সালের মে মাসে তারবিসের প্লেন প্রথম পানামায় ল্যান্ড করে।
- ১৯৮৫ সালে অরবিস বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে।
- বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসকদের নিয়ে ৪,০০০ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করার পাশাপাশি অরবিস প্রায় ২৪,০০০ বাংলাদেশির চোখের অপারেশন করে।
- বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টি দেশে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

১৪০.
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. লাইন অব ডিমারকেশন
  2. সনোরা লাইন
  3. ওডার-নেইস লাইন
  4. ব্লু লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৪১.
বেলফাস্ট চুক্তির অপর নাম কী?
  1. Peace Accord
  2. Northern Ireland Pact
  3. Good Friday Agreement
  4. Atlanta Peace Treaty
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৪২.
South Asian Free Trade Area (SAFTA) চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

SAFTA:
- SAFTA এর পূর্ণরূপ: South Asian Free Trade Area (SAFTA)।
- সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া (সাফটা) সংক্রান্ত চুক্তি ইসলামাবাদে দ্বাদশ সার্ক সম্মেলনের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৬ জানুয়ারি ২০০৪।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০০৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ৮টি।
- সাফটা স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হল: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সার্ক ওয়েবসাইট।

১৪৩.
ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখানদী - 
  1. মধুমতী
  2. শীতলক্ষা
  3. করতোয়া 
  4. ধরলা 
ব্যাখ্যা

• ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখানদী -  বংশী ও শীতলক্ষা।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান উপনদী - ধরলা ও তিস্তা।
-  পদ্মা নদীর প্রধান উপনদী -  কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ।
- যমুনা নদীর প্রধান উপনদী -  করতোয়া ও আত্রাই।

উৎস: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৪৪.
বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে কত ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত?
  1. ১২০ ডিগ্রি
  2. ৪৫ ডিগ্রি
  3.  ৯০ ডিগ্রি
  4. ৭৫ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রিনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।।

১৪৫.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে কী ধরনের বৃষ্টিপাত হয়?
  1.  শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  2. পরিচলন বৃষ্টি
  3. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  4. ঘূর্ণি বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

 • পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে।
- এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে।
- এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমণ্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে।
- জলীয়বাষ্প হালকা বলে সহজেই তা উপরে উঠে গিয়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে করে পড়ে।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।

উল্লেখ্য,
বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি অনুসারে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
যথা-
(১) পরিচলন বৃষ্টি,
(২) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি,
(৩) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি ও
(৪) ঘূর্ণি বৃষ্টি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৪৬.
মর্মর সাগর – কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করে কোন প্রণালী? 
  1.  তিরান প্রণালী
  2. দার্দানেলেস প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

অন্যদিকে,

• তিরান প্রণালী: লোহিত সাগর এবং আকাবা উপসাগরকে সংযুক্ত করে ।
• দারদানেলিস প্রণালী : এটি এজিয়ান সাগরকে মারমারা সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
• এডেন – লোহিত সাগরকে যুক্ত করে- বাব এল মান্দেব প্রণালী।

উৎস: Britannica.

১৪৭.
বাংলাদেশের কোন জেলা পলল সমভূমি নামে পরিচিত?
  1. ঢাকা
  2. কক্সবাজার
  3. দিনাজপুর 
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা

• পাদদেশীয় পলল সমভূমি :
- অনেক সময় পাহাড়িয়া নদী দ্বারা পলি সঞ্চিত হয়ে পাহাড়ের পাদদেশে নতুন সমভূমি গড়ে ওঠে।
- এরূপ সমভূমিকে পাহাড়ের পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলা হয়।
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পলল সমভূমি নামে পরিচিত। 
- তিস্তা, আত্রাই, যমুনেশ্বরী প্রভৃতি নদী দ্বারা এ অঞ্চল বিধৌত।
- এসব নদী হিমালয় পর্বত হতে উৎপন্ন হয়েছে। 
- ফলে নদীগুলো সহজেই পাহাড় হতে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে। 
- পাহাড়ের পাদদেশে দুই বা ততোধিক পলল পাখা বা কোণ মিলিত হয়েও পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠন করতে পারে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৮.
ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. জেরেমি বেন্থাম
  2. জন স্টুয়ার্ট মিল
  3. ইমানূয়েল কান্ট
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা

• জন স্টুয়ার্ট মিল :
- মূলত জন স্টুয়ার্ট মিল [John Stuart Mill] এর হাতে ঊনবিংশ শতাব্দীর ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ বলিষ্ঠ রূপ ধারণ করে।
- জে. এস. মিল ছিলেন ধ্রুপদী ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের এক একনিষ্ঠ প্রবক্তা।
- আবার অনেকের মতে তিনিই হলেন আলোচ্য মতবাদের শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা।

তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- Utilitarianism,
- A System of Logic,
- On Liberty,
- Three Essays on Religion: Nature, the Utility of Religion, and Theism
- The Subjection of Women,

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪৯.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি গৃহীত হয়?
  1. ২৯ অক্টোবর, ২০০৩ 
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫
  3. ৩১ অক্টোবর, ২০০৩
  4. ১২ ডিসেম্বর, ২০০৫
ব্যাখ্যা

UNCAC:
- জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন (UNCAC):
- UNCAC এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- জাতিসংঘের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৫০.
উপযোগবাদের মতে নৈতিকতার ভিত্তি হলো—
  1. কর্তব্য
  2. সুখ
  3. ধর্ম
  4. আইন
ব্যাখ্যা

• উপযোগবাদ:
- সুখকে নৈতিকতার মান হিসেবে যে মতবাদ গ্রহণ করে তাকেই সুখবাদ বলে। 
- সুখবাদী নিজেদেরকে উপযোগবাদী বলে পরিচয় দিতে ভালবাসতেন।
- এর কারণ হচ্ছে তাঁরা বিশ্বাস করতেন যে, একটি কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে তার উপযোগিতা দিয়ে।
- জন স্টুয়ার্ট মিলের ভাষায় উপযোগবাদ হচ্ছে "একটি বিশ্বাস যা নৈতিকতার ভিত্তি হিসেবে উপযোগিতা বা সর্বোচ্চ আনন্দের নীতিকে গ্রহণ করে এই মনে করে যে কার্যাবলী যথার্থ হয় আনন্দকে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাদের প্রবণতার অনুপাতে"।
- উপযোগবাদের মতে আমাদের কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে।

⇒ উপযোগবাদের প্রথম প্রবক্তা হিসেবে বেনথামের আলোচনা অনেকটা স্কুল সুখবাদের ইঙ্গিত দেয়।
- তিনি যখন সর্বাধিক লোকের জন্য সর্বোচ্চ সুখের কথা বলেন তখন এ সুখ তিনি নির্দেশ পরিমাণ দ্বারা।
- অর্থাৎ দুটো কাজের মধ্যে যে কাজ আমাদেরকে সর্বোচ্চ পরিমাণের সুখ।

⇒ উপযোগবাদ একটি দার্শনিক মতবাদ যার মূল বক্তব্য হলো সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জন্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ সুখ।
- এই মতবাদ অনুসারে নৈতিকতার ভিত্তি হলো সুখ।
- সুখের মাধ্যমেই ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য নিরূপিত হয়।
- উপযোগবাদ সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন হাচিসন।
- তবে উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা হলেন জেরেমি বেন্থাম এবং জে এস মিল।

উৎস: i) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৫১.
সংখ্যালঘিষ্ঠের প্রতি সহিষ্ণু আচরণ কোন ধরনের মূল্যবোধ?
  1. রাজনৈতিক মূল্যবোধ
  2. সামাজিক মূল্যবোধ
  3. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  4. নৈতিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক মূল্যবোধ (Political Values):
- যে চিন্তাভাবনা লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের রাজনৈতিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করে তার সমষ্টিকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ বলে ৷

রাজনৈতিক মূল্যবোধ হলো:
→ রাজনৈতিক সততা,
 শৃঙ্খলাবোধ, শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ,
→ রাজনৈতিক সহনশীলতা,
→ রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা,
→ দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর করা,
→ পরমতসহিষ্ণুতা,
→ সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান,
→ সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫২.
নিচের কোনটি সুশাসনের স্তম্ভ নয়?
  1. দায়িত্বশীলতা
  2. স্বচ্ছতা
  3. আইনী কাঠামো
  4. উন্নয়ন বাজেট
ব্যাখ্যা

• সুশাসনের স্তম্ভ নয়- উন্নয়ন বাজেট।

• সুশাসন (Good Governance):
- সুশাসন প্রত্যয়টি পৌরনীতির সাম্প্রতিক সংযোজন।
- সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'Good Governance'

- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক। সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- সুশাসন ধারণাটির উদ্ভাবক বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে প্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।

- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
চারটি স্তম্ভ হল- 
(i) দায়িত্বশীলতা 
(ii) স্বচ্ছতা 
(iii) আইনী কাঠামো ও 
(iv) অংশগ্রহণ।

- এক কথায়, জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো- সুশাসন।
- UNDP সুশাসনের ধারণাকে সমৃদ্ধ করেছে।  

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো.মোজাম্মেল হক।