পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ১৩ নভেম্বর, ২০২৩সময়30 minutes৩৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭ (খুলনা বিভাগ) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ০৭.০৯.২০০৭
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ১৩ নভেম্বর, ২০২৩ · ৪০ প্রশ্ন

.
মেট্রিক পদ্ধতিতে ভরের একক কোনটি?
  1. গ্রাম
  2. পাউন্ড
  3. কিলোগ্রাম
  4. মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার (cm), ভরের একক গ্রাম (g) এবং সময়ের একক (s). 

এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক মিটার (m), ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং সময়ের একক (s). 

এফ.পি.এস পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক ফুট (ft), ভরের একক পাউন্ড (lb) এবং সময়ের একক (s). 

উৎস: britannica.com এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি সবচেয়ে বৃহৎ গ্রহ?
  1. মঙ্গল
  2. বৃহস্পতি
  3. শনি
  4. পৃথিবী
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter) গ্রহ:
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ গুণ বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ১৬টি।
- বৃহস্পতির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘শিক্ষার জন্য অর্থ’ কর্মসূচির আওতায় একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাসে কত টাকা পান?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১২৫ টাকা
  3. ১৫০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
শিক্ষার জন্য অর্থ কর্মসূচি:
- প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধ ও তাদের উপস্থিতি বাড়াতে উপবৃত্তি কার্যক্রম ভালো ভূমিকা রাখায় উপবৃত্তির টাকা বাড়াতে যাচ্ছে সরকার।
- ২০১৬ সালের জুলাই মাস থেকে প্রথমবারের মত রূপালী ব্যাংক শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মোবাইলে উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
- এর পর জুলাই ২০১৭ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সারা বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপবৃত্তি চালু করা হয়।
- ‘শিক্ষার জন্য অর্থ’ কর্মসূচির আওতায় একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাসে ১০০ টাকা পান।
- উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি থাকার আগ্রহ যেমন বেড়েছে, তেমনি অনেক অভিভাবক বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর ব্যাপারে সচেতন হয়েছেন।
- একজন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিমাসে ন্যূনতম গড়ে ৮৫ শতাংশ পাঠ দিবসে উপস্থিত থাকতে হবে।
- উপবৃত্তির ১০০ টাকা দিয়ে একজন শিক্ষার্থীর খাতা-কলমের খরচ মেটানো সম্ভব।
- প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর এই উপবৃত্তির টাকা প্রদান করা হয়।

উৎস: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, দৈনিক পূর্বকোণ। [link]
.
পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৪ গুণ। ৫ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৪ গুণ। ৫ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
পুত্রের বয়স ক বছর
পিতার বয়স ৪ক বছর
শর্তমতে,
ক + ৫ + ৪ক + ৫ = ৬০
⇒ ৫ক + ১০ =৬০
⇒ ৫ক = ৫০
∴ ক = ১০

∴ পিতার বর্তমান বয়স =৪ × ১০ বছর = ৪০ বছর।
.
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?
  1. দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
  2. ভূমি × উচ্চতা
  3. ১/২ (ভূমি × উচ্চতা)
  4. এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?

সমাধান:
আমরা জানি,
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা

সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল।
সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরষ্পর অসমান।
সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় যদি পরস্পর সমান হয় তবে সামান্তরিকটি আয়তক্ষেত্র হবে।
.
Iron is a useful metal. এখানে 'Iron' শব্দটি কোন প্রকারের noun?
  1. Proper Noun
  2. Common Noun
  3. Collective Noun
  4. Material Noun
ব্যাখ্যা
• Iron is a useful metal.
- এখানে 'Iron' শব্দটি হচ্ছে Material noun.

• Material Noun: 
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়।
- একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Iron (লৌহ; লোহা) হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক।
- আরো উদাহরণ: Silver, Mutton, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Wood, Mutton, Sugar, Oil etc.


• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 

ক) Proper Noun
- যে Concrete Noun কোন একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, প্রভৃতির নাম বুঝায় তাকে Proper noun  বলে। 
- A proper noun refers to a particular person and always starts with a capital letter.
- যেমন: Dhaka, Maria, London, The Padma, Cat, etc.

খ) Common Noun:
- A common noun is one which is common to each member of class of persons or things/A noun that names a general class of persons, place or things.
- যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে।
- যেমন: The words "teacher," "river," and "table" are common nouns.

গ) Collective Noun
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority, etc.
.
বিশেষ্য পদযোগে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. ভালো-ভালো আম
  2. যে-যে যাবে
  3. বাড়ি-বাড়ি যাবে
  4. লাল-লাল ফুল
ব্যাখ্যা
দ্বিরুক্ত শব্দ:
- বাংলা ভাষার কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে
- অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
যেমন:
- আমার জ্বর জ্বর লাগছে অর্থাৎ ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব অর্থে এই প্রয়োগ।

⇒ বিশেষণ শব্দযুগলের বিশেষণ রূপে ব্যবহার:
• আধিক্য বোঝাতে:
- ভালো ভালো আম নিয়ে এসো।
- ছোট ছোট ডাল কেটে ফেল।
- লাল লাল ফুল। 

⇒ বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণরূপে ব্যবহার:
- আধিক্য বোঝাতে: রাশি রাশি ধান, ধামা ধামা ধান।
- সামান্য বোঝাতে: আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি।
- ধারাবাহিকতা বোঝাতে: তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলেছ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ )।
.
UNICEF' - এর সদর দফতর কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন
  3. জেনেভা
  4. রোম
ব্যাখ্যা
UNICEF:
- UNICEF এর পূর্ণরূপ: United Nations International Children's Emergency Fund.
- UNICEF বা জাতিসংঘ শিশু তহবিল বিশ্বব্যাপী শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ক্যাথরিন রাসেল।
- UNICEF বর্তমানে বিশ্বের ১৯০টির ও বেশি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করছে।

উৎস: UNICEF ওয়েবসাইট।
.
পৃথিবীতে কয়টি মহাসাগর আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
মহাসাগর (Ocean):
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানিরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে।
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে।
- যথা:
i) প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean),
ii) আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean),
ii) ভারত মহাসাগর ( Indian Ocean),
iv) উত্তর মহাসাগর (North Ocean),
v) দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)।

প্রশান্ত মহাসাগর: 
- মহাসাগরসমূহের মধ্যে আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়।
- এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং গড় গভীরতা, ৪,২৭০ মিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়।
- এর আয়তন ৮ কোটি ২৪ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর গড় গভীরতা ৩,৯৩২ মিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।

ভারত মহাসাগর:
- ভারত মহাসাগরের আয়তন ৭ কোটি ৩৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গভীরতার দিক থেকে ভারত মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়।
- ভারত মহাসাগরের গড় গভীরতা ৩,৯৬২ মিটার।
- অবস্থান: আফ্রিকা, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।

উত্তর মহাসাগর:
- পৃথিবীর উত্তর মেরুর চারদিকে উত্তর মহাসাগর রয়েছে এর আয়তন ১ কোটি ৫০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং গভীরতা ৮২৪ মিটার।
- অবস্থান: পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ।

দক্ষিণ মহাসাগর:
- দক্ষিণ মেরুতে দক্ষিণ মহাসাগরের আয়তন ১ কোটি ৪৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এর গড় গভীরতা ১৪৯ মিটার।
- অবস্থান: এন্টার্কটিকা ও ৬০ দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
সুয়েজ খাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. মিশর
  4. জর্দান
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উৎস: Britannica.
১১.
প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে অর্জন উপযোগী প্রান্তিক যোগ্যতা মোট কয়টি?
  1. ৫১
  2. ৫৩
  3. ৫৫
  4. ৬০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রান্তিক যোগ্যতা:
- পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা যে চিহ্নিত অর্জনযোগ্য যোগ্যতাগুলো (জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি) অর্জন করবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, সে গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার প্রান্তিক যোগ্যতা বলে।
- কোন শ্রেণিতে কোন্ কোন্ যোগ্যতা শিক্ষার্থীগণ কতটুকু অর্জন করবে- যোগ্যতার প্রকৃতি ও শিক্ষার্থীর সাধারন শিখন ক্ষমতা অনুসারে তা বিভাজন ও বিন্যস্ত করা হয়।
- এভাবে শ্রেণি অনুসারে যোগ্যতা সমূহের বিভাজন ও বিন্যাসকে শ্রেণি ভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা বলে।
- প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে অর্জন উপযোগী প্রান্তিক যোগ্যতা মোট ২৯টি।
- ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের চাহিদা অনুযায়ী যোগ্যতার যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, সে গুলোকে বিষয় ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা বলে।

উৎস: শিক্ষক বাতায়ন।
১২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।

- ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

- ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

- ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
একটি গ্রামের লোকসংখ্যা ৮% হারে বর্ধিত হয়ে ১৬২০ হলে পূর্বের লোকসংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৪০০
  2. ১৪৫০
  3. ১৫০০
  4. ১৫৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গ্রামের লোকসংখ্যা ৮% হারে বর্ধিত হয়ে ১৬২০ হলে পূর্বের লোকসংখ্যা কত ছিল?

সমাধান:
১০% বৃদ্ধিতে লোকসংখ্যা হবে = ১০০ + ৮ = ১০৮ জন।

বর্তমানে ১০৮ জন হলে পূর্বে ছিল ১০০ জন
বর্তমানে ১ জন হলে পূর্বে ছিল ১০০/১০৮ জন
বর্তমানে ১৬২০ জন হলে পূর্বে ছিল (১০০ × ১৬২০)/১০৮ জন।
= ১৫০০ জন।
১৪.
2(a2 + b2) = কত?
  1. (a + b)2 - (a - b)2
  2. (a - b)2 - (a + b)2
  3. (a + b)2 + (a - b)2
  4. (a + b)2 - 4ab
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2(a2 + b2) = কত?

সমাধান:
কিছু প্রয়োজনীয় সূত্র:
2(a2 + b2) =(a + b)2 + (a - b)2
4ab = (a + b)2 - (a - b)2
(a + b)2 = (a - b)2 + 4ab
(a - b)2 = (a + b)2 - 4ab

১৫.
Which one of the following sentences is redundant?
  1. Nazrul is both a poet and a singer.
  2. The ruling will affect both tourists and residents.
  3. The ruling will affect tourists as well as residents.
  4. The ruling will affect both tourists as well as residents.
ব্যাখ্যা
• Redundant - প্রয়োজনাতিরিক্ত; বাড়তি; অনাবশ্যক.

• উল্লিখিত বাক্যে গুলোর মধ্যে - The redundant sentence is "The ruling will affect both tourists as well as residents."
- কারণ এখানে একই সাথে 'both' এবং 'as well as ' এর ব্যবহার হয়েছে যা অনাবশ্যক।
- এখানে যেকোন একটি ব্যবহৃত হলে বাক্যটি সঠিক হবে - 
যেমন
1. The ruling will affect both tourists and residents.
2. The ruling will affect tourists as well as residents.

• অন্য বাক্য গুলো সঠিক।
১৬.
তৎসম শব্দ কোনটি?
  1. বৈষ্ণব
  2. নক্ষত্র
  3. চামার
  4. ঈমান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

[অপশনে ‘নক্ষত্র’ ও ‘বৈষ্ণব’ দুইটি সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

• 'নক্ষত্র'
- বিশেষ্য পদ।
- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: = ন + √ক্ষি + ত্র।
  অর্থ: 
- তারা,
- তারকা।

• বৈষ্ণব,
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: বিষ্ণুর উপাসক সম্প্রদান, বিষ্ণুভক্ত, বিষ্ণুসম্পর্কিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
কানে কানে যে কথা = কানাকানি; এই উদাহরণ কোন সমাসের?
  1. অলুক বহুব্রীহি
  2. ব্যতিহার বহুব্রীহি
  3. অব্যয়ীভাব
  4. সপ্তমী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস:
- ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
- এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়।
যেমন:
- হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি,
- কানে কানে যে কথা = কানাকানি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নবাবগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. নওগাঁ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
যে রোগে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায় তাকে বলে-
  1. ধনুষ্টঙ্কার
  2. হৃদরোগ
  3. জন্ডিস
  4. এইডস
ব্যাখ্যা
এইডস: 
- AIDS রোগের পূর্ণরূপ হচ্ছে Acquired Immune Deficiency Syndrome. 
- Human immunodeficiency virus বা HIV নামক ভাইরাস এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। 
- HIV এমনই ভয়ংকর জাতের ভাইরাস যে এ ভাইরাস মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার পর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। 
- ফলে HIV আক্রান্ত রোগী যে কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে এবং যা তাকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক হচ্ছেন -
  1. বদরুদ্দীন ওমর
  2. আবদুল্লাহ আল-মুতী
  3. কবীর চৌধুরী
  4. আশরাফ সিদ্দীকি
ব্যাখ্যা
আবদুল্লাহ আল-মুতী:
- বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক হচ্ছেন আবদুল্লাহ আল-মুতী।
- তিনি ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে এম.এসসি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে ১৯৬০ সালে এম.এ ও ১৯৬২ সালে পিএইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন।
- বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সচিব আল-মুতী শরফুদ্দিনের কর্মজীবন শুরু হয় সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক হিসেবে।
- বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আল-মুতী শরফুদ্দিনের অবদান অসামান্য।
- তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ।
- তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮।
- উল্লেখযোগ্য বইগুলির মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞান ও মানুষ, এ যুগের বিজ্ঞান, বিপন্ন পরিবেশ, বিজ্ঞান-জিজ্ঞাসা, সাগরের রহস্যপুরী, মেঘ বৃষ্টি রোদ এবং পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে।
- বিজ্ঞান শিক্ষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, শিশু একাডেমী পুরস্কার, ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার এবং ড. কুদরত-ই-খুদা স্বর্ণপদকসহ এক ডজনের অধিক পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২১.
বাংলাদেশের একমাত্র খরস্রোতা নদীর নাম কি?
  1. সাঙ্গু
  2. মহানন্দা
  3. কর্ণফুলী
  4. হালদা
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী।
- এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে শুরু হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরচট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। 
- প্রধান উপনদী হলো কাসালং, হালদা, বোয়ালখালী।
- কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ ৭৫° হলে বিপরীত কোণটি হবে -
  1. ১৫°
  2. ২৫°
  3. ৯০°
  4. ১০৫°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ ৭৫° হলে বিপরীত কোণটি হবে -

সমাধান:
বৃত্তস্থ চতুর্তুজের দুটি বিপরীত কোণের সমষ্টি = ১৮০°
একটি কোন ৭৫° হলে, অপরটি = (১৮০ - ৭৫) বা ১০৫°
২৩.
3x2 - 7x - 6 এর উৎপাদক কোনটি?
  1. (3x + 2)(x - 3)
  2. (3x - 2)(x - 3)
  3. (3x + 2)(x + 3)
  4. (3x - 2)(x + 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3x2 - 7x - 6 এর উৎপাদকসমূহ কোনটি?

সমাধান:
3x2 - 7x - 6
= 3x2 - 9x + 2x - 6
= 3x(x - 3) + 2(x - 3)
= (x - 3)(3x + 2)
২৪.
Who is calling me? বাক্যটির passive form হবে -
  1. By whom I am called?
  2. By whom I am being called?
  3. By whom am I being called?
  4. By whom have I been called?
ব্যাখ্যা
• Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive Voice এ পরিণত করার নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- এরপর Tense ও Person অনুযায়ী modal auxiliary Verb বসাতে হয়। 
- Object টি Subject হয় 
- Tense অনুযায়ী কর্তার পরে  be/being/been বসাতে হয়। 
- মূল Verb এর Past Participle বসে।
- সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। 

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী,
Active: Who is calling me?
Passive: By whom am I being called?
২৫.
'Patriotism' কবিতাটির রচয়িতা কে?
  1. William Shakespeare
  2. William Wordsworth
  3. Sir Walter Scott
  4. Robert Browning
ব্যাখ্যা
• 'Patriotism' কবিতাটির রচয়িতা হচ্ছেন - Sir Walter Scott.

Sir Walter Scott:
- He was born on August 15, 1771, Edinburgh, Scotland.
- A great Scottish novelist, poet, historian, and biographer.
- He was often considered both the inventor and the greatest practitioner of historical novels.

• Notable Literary works:
- Ivanhoe (novel)
- Patriotism (Poem)
২৬.
‘যা দ্বীপ্তি পাচ্ছে’ -এক কথায় কি হবে?
  1. সন্দীপন
  2. দেদীপ্যমান
  3. দীপ্তমান
  4. দীপ্তিমান
ব্যাখ্যা
• যা দীপ্তি পাচ্ছে – দেদীপ্যমান। 

• গুরত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ: 
- যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে – সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব।
- যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই – অকুতোভয়। 
- যার আকার কুৎসিত – কদাকার। 
- যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে – অযত্নলব্ধ। 
- যা বার বার দুলছে – দোদুল্যমান।  
- যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন – অনন্যসাধারণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
২৭.
‘দেনা পাওনা’ গল্পটির রচয়িতা কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রথম চৌধুরী
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- বাংলা ছোট গল্পের জনক বলা হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে। 
- তিনি ১১৯ টি ছোট গল্প রচনা করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোট গল্পগুলো হল:
- ভিখারিণী ,
- দেনা পাওনা ,
- মনিহারা ,
- পোস্টমাস্টার,
- এক রাত্রি ,
- ক্ষুধিত পাষাণ ,
- স্ত্রীর পত্র ,
- নষ্টনীড়,
- কাবুলিওয়ালা ,
- হৈমন্তী ,
- মুসলমানীর গল্প । 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২৮.
নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী সদস্য।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে। 
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- জাতিসংঘ সনদের ৯৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিয়োগ দিবেন।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
২৯.
২০০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম কি?
  1. গুন্টার গ্রাস
  2. ডোরিস লেসিং
  3. জাও জিং জিয়ান
  4. টনি মরিসন
ব্যাখ্যা
২০০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার:
- ১৯০১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- অন্যান্য খাতে একাধিক বা যৌথভাবে এ পুরস্কার পেলেও সাহিত্যে কেবল একক ব্যক্তি এ পুরস্কার পেয়ে থাকেন।
- সুইডেনের সুইডিশ একাডেমি প্রদান করে সাহিত্যে নোবেল।
- ২০০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডোরিস লেসিং।

উল্লেখ্য,
- সাহিত্যে নোবেলজয়ী সর্বোজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি হলেন ডোরিস লেসিং।
- ২০০৭ সালে যখন লেসিংকে পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা করা হয় তখন তার বয়স ছিল ৮৮ বছর।

 উৎস: ৫ অক্টোবর ২০২৩, দেশ রূপান্তর। 
৩০.
কবে থেকে দেশব্যাপী বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়েছে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  2. ১ জানুয়ারি, ১৯৯২
  3. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় ।

উৎস: i) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট। 
          ii) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩১.
দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার কে?
  1. নিয়ামুল হোসেন রাজীব
  2. রিফাত বিন সাত্তার
  3. রাণী হামিদ
  4. জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান।
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) ২২ মে, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii)  ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৩২.
কোন সংখ্যার ৭৫% সমান ৯০?
  1. ১০০
  2. ১১০
  3. ১১৫
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যার ৭৫% সমান ৯০?

সমাধান: 
ধরি,
৯০ 'ক' সংখ্যার ৭৫%

প্রশ্নমতে
ক এর ৭৫% = ৯০
⇒ ক × ৭৫/১০০ = ৯০
⇒ ক = (৯০ × ১০০)/৭৫
∴ ক = ১২০
৩৩.
At present English is taught to the children through -
  1. discussion method
  2. dialogue method
  3. communicative method
  4. direct method
ব্যাখ্যা

• Communicative method বর্তমানে ইংরেজি শেখানোর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ্ধতি।
- বর্তমানে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে শেখানো হলেও Communicative method একটি সাধারণ এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত পদ্ধতি।
- এটির মূল লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে যোগাযোগ করার দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
- এজন্য শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিগুলো অনুকরণ করে ইংরেজিতে আলোচনা এবং যোগাযোগ করে শেখে।
- এটি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কথা বলা, শোনা, পড়া এবং লেখার মাধ্যমে ভাষায় সচেতনভাবে অংশগ্রহণ করতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে।

• বাচ্চাদের অথবা শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখানোর লক্ষ্যে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা ক্যারিকুলামেও Communicative method এর প্রয়োগ রয়েছে। 
- discussion, dialogue এবং direct methods গুলো ইংরেজি ভাষা শিক্ষার কার্যকরী পদ্ধতি হলেও, Communicative merhod একটি সাধারণ এবং বিস্তৃতভাবে ব্যবহৃত পদ্ধতি। 

৩৪.
He has gone to dogs -এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
  1. সে কুকুরের কাছে গেছে
  2. সে কুকুর খুব ভালোবাসে
  3. সে গোল্লায় গেছে
  4. সে কুকুর পোষে
ব্যাখ্যা
• Go to the dogs (Phrase):
English Meaning: Deteriorate shockingly.
Bangla Meaning: গোল্লার যাওয়া; সর্বনাশগ্রস্ত হওয়া।

English sentence: He has gone to dogs.
Bangla meaning: - সে গোল্লায় গেছে।
৩৫.
‘পরীক্ষা খুবই নিকটবর্তী’ -এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ কোনটি?
  1. The examination in coming soon.
  2. The examination will start soon.
  3. The examination is knocking at the door.
  4. The examination is beginning soon.
ব্যাখ্যা
• Be knocking at someone's door
English Meaning: to be likely to happen soon, or to be starting to happen
Bangla Meaning: অতি শীঘ্রই কিছু হবে বা ঘটবে, নিকটবর্তী এমন কিছু বোঝায়।

• সুতরাং, ‘পরীক্ষা খুবই নিকটবর্তী’ -এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ - The examination is knocking at the door.
- সাধারণত পরীক্ষা ঘনিয়ে এসেছে বোঝাতে এই idiom টিই ব্যবহার করা হয়।
৩৬.
কুয়েতের মহিলারা দেশটির ইতিহাসে কবে প্রথম ভোট প্রদান করে?
  1. ১ এপ্রিল, ২০০৬
  2. ৪ এপ্রিল, ২০০৬
  3. ৩ এপ্রিল, ২০০৬
  4. ২ এপ্রিল, ২০০৬
ব্যাখ্যা
কুয়েতের মহিলাদের প্রথম ভোট প্রদান:
- ১৯৮৫ সালে কুয়েতে প্রথম ভোটের প্রচলন হয়।
- এই অধিকার পরে অপসারণ করা হয়।
- ২০০৫ সালে কুয়েতি নারীদের পুনরায় ভোটাধিকার প্রদান করা হয়।
- কুয়েতে নারীদের ভোটাধিকার দেওয়ার প্রথম বিলটি ১৯৬৩ সালে সংসদে উত্থাপিত হয়।
- রক্ষণশীলদের চাপের কারণে এটি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়।
- দেশটির ইতিহাসে মহিলারা প্রথম ভোট প্রদান করে ৪ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে।

উৎস: ৫ এপ্রিল, ২০০৬, The Guardian।
৩৭.
নিচের কোন ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের তৈরি?
  1. কাওসার
  2. ফজর -৩
  3. টর্পেডো
  4. ওপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইরানের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র:
- মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ফোর্সের মালিক ইরান।
- ইরান সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করেছে।
- ইরানের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র টর্পেডো, ফজর -৩, কাওসার।
- মাটির নিচে ইরানের মোট ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র শহর রয়েছে।
- বিভিন্ন পর্বতের ১ হাজার ৬৪০ ফুট নিচে ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারগুলো তৈরি করা হয়েছে।
- এগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

উৎস: i) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, কালের কন্ঠ।
         ii) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, যুগান্তর।
        iii) ২১ আগস্ট ২০১৮, প্রথম আলো।
৩৮.
দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার আবিষ্কার করে?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
  3. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. সিলেট বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার:
- প্রি-পেইড মিটার এক ধরনের বিশেষ বৈদ্যুতিক মিটার যাতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে মিটার হতে ধীরে ধীরে টাকা কেটে নেয়া হয় এবং টাকা শেষ হয়ে গেলে মিটারটি এক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
- অতঃপর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হলে পুনরায় মিটারটি রিচার্জ করতে হয়।
- প্রি-পেইড মিটার দুই প্রকারঃ স্মার্ট কার্ড ও কী-প্যাড প্রি- পেইড মিটার।
- ২০০৯ সালে প্রথম মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর বিদ্যুতে প্রি-পেইড মিটারিং স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে আওয়ামী লীগ সরকার। 
- প্রি-পেইড মিটার দেওয়ার কার্যক্রম প্রথম শুরু হয় বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম থেকে।
- বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার আবিস্কার করেন।

উৎস: i) ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি।
         ii) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। 
৩৯.
EEZ - এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Exclusive Economic Zone
  2. Energy Economic Zone
  3. Expensive Economic Zone
  4. Experiment Economic Zone
ব্যাখ্যা
 EEZ:
- EEZ- এর পূর্ণরূপ: Exclusive Economic Zone.
- ১৯৫৮ সালের কনভেনশন অনুযায়ী, সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলোর স্থলভাগের বেসলাইন থেকে লম্বালম্বিভাবে সমুদ্রের ২০০ মাইল পর্যন্ত এলাকার মালিকানা সম্পূর্ণ ওই দেশের।
- একে বলা হয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক অঞ্চল (ইইজেড) বা একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এখানে সমুদ্রের পানি ও তলদেশের ওপর ওই দেশের একছত্র অধিকার থাকে।
- সেখানকার সমুদ্রে অন্য কোন দেশ মাছ ধরতে পারে না।
- এরপর থেকে দেড়শ মাইল পর্যন্ত সীমার সমুদ্র তলদেশের খনিজ সম্পদের মালিক হবে ওই দেশ, তবে পানিতে থাকা মাছ ধরতে পারে অন্য দেশও।
- এই পুরো সাড়ে তিনশো মাইলকে ওই দেশের মহীসোপান বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের Exclusive Economic Zone (EEZ) এর দৈর্ঘ্য ২০০ নটিকেল মাইল।

উৎস: ১৯ এপ্রিল ২০২১, বিবিসি বাংলা।
৪০.
দেশের সর্বোচ্চ (৭১ ফুট) শহীদ মিনার কোনটি?
  1. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
  2. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার
  4. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনার:
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেয় সেই আত্মত্যাগী ভাষাশহীদদের কথা, যারা ভাষার জন্য বুকের তাজা রক্তে রঞ্জিত করেছেন রাজপথ। 
- শহীদ মিনারের উচ্চতা ৭১ ফুট, যা দেশের শহীদ মিনারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এ শহীদ মিনারের স্তম্ভের উচ্চতা ৭১ ফুট করা হয়েছে।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চের ব্যাস রাখা হয়েছে ৫২ ফুট যা ৫২-এর ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চে ব্যবহার করা হয়েছে ৮টি সিঁড়ি, যা দেশ বিভাগ থেকে শুরু করে আমাদের জাতীয় জীবনের স্বাধীনতা অভিমুখী নানা তাৎপর্যমন্ডিত ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা পর্যন্ত ৮টি ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রতীক।
- শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভটি তিনটি ভাগে বিভক্ত, যা প্রথমত বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি, দ্বিতীয়ত মাটি-মানুষ, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং তৃতীয়ত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক মুক্তি, গণতান্ত্রিক চেতনা প্রভৃতি বিষয়কে নির্দেশ করে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান শহীদ মিনারটির উদ্বোধন করেন।

উৎস: ২৭ অক্টোবর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।