পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪সময়55 minutes৭৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩ (করতোয়া) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ১৪.০৪.২০১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ · ৮০ প্রশ্ন

.
‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের লেখকের নাম-
  1. কাজী ইমদাদুল হক
  2. মীর মোশাররফ হোসেন
  3. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  4. মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা
• ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের লেখকের নাম - কাজী ইমদাদুল হক

কাজী ইমদাদুল হক:
- তিনি ১৮৮২ সালের ৪ নভেম্বর খুলনা জেলার গোদাইপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- তিনি ১৯১১ সালে ঢাকার শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ে ভূগোলের অধ্যাপক, ১৯১৪ সালে ঢাকা বিভাগের মুসলিম শিক্ষার সহকারী স্কুল-পরিদর্শক এবং ১৯১৭ সালে কলকাতা ট্রেনিং স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা (১৯১৮) প্রকাশনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯২১ সালে নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের প্রথম কর্মাধ্যক্ষ হয়ে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত উক্ত পদে বহাল ছিলেন।
- অত্যন্ত যোগ্যতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব পালন করায় সরকার তাঁকে ১৯১৯ সালে ‘খান সাহেব’ এবং ১৯২৬ সালে ‘খান বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯২৬ সালের ২০ মার্চ কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আবদুল্লাহ

তাঁর রচিত কাব্য:
- আঁখিজল,
- লতিকা।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- প্রবন্ধমালা।

তাঁর রচিত শিশুতোষগ্রন্থ:
- নবীকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্যসংকলন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. জসীমউদ্দীন
  4. নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
সঞ্চিতা:
- 'সঞ্চিতা' কাজী নজরুল ইসলামের অনুমোদনে প্রকাশিত তাঁর কবিতার নির্বাচিত সংগ্রহ।
- ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশ পায়।
- উৎসর্গ করেন এই লিখে: 'বিশ্বকবিসম্রাট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু'।
- ৭৮টি কবিতা ও গান এখানে সংকলিত।
- কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার ধারা বুঝবার জন্য এ সংকলনটি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, জীবিতাবস্থায় কাজী নজরুল ইসলাম এগুলোকেই তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যসৃষ্টি বলে অনুমোদন করে গেছেন।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
 - তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
-  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- অগ্নি-বীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- জিঞ্জির,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
‘বসন্তকুমারী’ নাটক কার রচনা?
  1. সঞ্জীব কুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. মীর মোশাররফ হোসেন
  3. সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
  4. শহীদুল্লাহ কায়সার
ব্যাখ্যা
• ‘বসন্তকুমারী’ নাটক মীর মোশাররফ হোসেন এর রচনা।

মীর মোশাররফ হোসেন:
- তিনি ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক। 
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' (১৮৩১) ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'-র (১৮৬৩) মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন। এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ  ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু। 
- মীর মশাররফ হোসেন 'আজীজননেহার' (১৮৭৪) ও 'হিতকরী' (১৮৯০) নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ হোসেন 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত প্রথম উপন্যাস 'রত্নবতী' ও নাটক 'বসন্তকুমারী' তাঁর রচনা।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাস।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রত্নবতী,
- বিষাদ-সিন্ধু,
- উদাসীন পথিকের মনের কথা।

তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমিদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের বাক্যে ‘সুন্দর’ শব্দটি কোন পদ?
‘সুন্দরের একটি নিজস্ব আকর্ষণ শক্তি আছে।’
  1. বিশেষণ
  2. ক্রিয়া বিশেষণ
  3. বিশেষ্য
  4. সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• ‘সুন্দরের একটি নিজস্ব আকর্ষণ শক্তি আছে’ - এই বাক্যে ‘সুন্দর’ শব্দটি হলো 'বিশেষ্য' পদ।
- এখানে 'সুন্দর' হলো গুণবাচক বিশেষ্য।

গুণবচক বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তা-ই গুণবাচক বিশেষ্য।
যথা:
• মধুর মিষ্টত্বের গুণ - মধুরতা।
• তরল দ্রব্যের গুণ - তারল্য।
• তিক্ত দ্রব্যের দোষ বা গুণ - তিক্ততা।
• তরুণের গুণ - তারুণ্য ইত্যাদি।
তদ্রুপ: সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন, সুখ, দুঃখ ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
  1. বীণাপাণি
  2. চৌরাস্তা
  3. বনস্পতি
  4. সিংহাসন
ব্যাখ্যা
• 'বীণাপাণি' শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।

ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি:
বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ কোনোটিই যদি বিশেষণ না হয়, তবে তাকে বলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি।
যথা:
- আশীতে (দাঁতে) বিষ যার = আশীবিষ,
- কথা সর্বস্ব যার = কথাসর্বস্ব,
- বীণা পানিতে যার = বীণাপাণি।

• পরপদ কৃদন্ত বিশেষণ হলেও ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।
যেমন -
- দুই কান কাটা যার = দু কানকাটা,
- বোঁটা খসেছে যার = বোঁটাখসা।
অনুরূপভাবে - ছা-পোষা, পা-চাটা, পাতা-চাটা, পাতাছেঁড়া, ধামাধরা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- চৌরাস্তা = দ্বিগু কর্মধারয় সমাস।
- বনস্পতি = ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
- সিংহাসন = মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোন শব্দটি রূপক কর্মধারায় সমাসের একটি উদাহরণ?
  1. জলযান
  2. মনমাঝি
  3. সিংহদ্বার
  4. একাদশ
ব্যাখ্যা
• রূপক কর্মধারায় সমাসের উদাহরণ - মনমাঝি

রূপক কর্মধারায় সমাস:
কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়। এগুলোকে রূপক
কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন -
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু,
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি,
- ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল।
- আনন্দ রূপ সাগর = আনন্দসাগর।
- পরান রূপ পাখি = পরানপাখি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. নির্ণিমেষ
  2. ণির্নিমেষ
  3. নির্নিমেষ
  4. নির্নিমেশ
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - নির্নিমেষ
- ‘নির্নিমেষ’ শব্দটি বিশেষণ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- ‘নির্নিমেষ’ অর্থ: নিমেষহীন, অপলক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
সৌম্য -এর বিপরীত শব্দ-
  1. শান্ত
  2. উদ্ধত
  3. কঠিন
  4. উগ্র
ব্যাখ্যা
• 'সৌম্য' এর বিপরীত শব্দ - উগ্র

অন্যদিকে,
- 'শান্ত' এর বিপরীত শব্দ = অশান্ত / দুরন্ত / চঞ্চল।
- 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ = বিনীত।
- 'কঠিন' এর বিপরীত শব্দ = সহজ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি সূর্যের প্রতিশব্দ?
  1. অবনী
  2. সুধাকর
  3. সবিতা
  4. কলানিধি
ব্যাখ্যা
• সূর্যের প্রতিশব্দ - সবিতা

সূর্যের আরো কিছু প্রতিশব্দ:
- রবি,
- তপন,
- ভানু,
- ভাস্কর,
- আদিত্য,
- প্রভাকর,
- দিবাকর,
- বিভাবসু,
- দিনমণি,
- মার্তণ্ড,
- অংশুমালী,
- অরুণ।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর প্রতিশব্দ = অবনী।
- চাঁদের প্রতিশব্দ = সুধাকর, কলানিধি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে সপ্তমী
  2. অধিকরণে সপ্তমী
  3. অপাদানে সপ্তমী
  4. করণে শূন্য
ব্যাখ্যা
কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণে সপ্তমী

অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ 'এ', 'য়', 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় ইত্যাদি দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়,তা-ই অধিকরণ কারক।
যেমন -
- আধার (স্থান) : আমরা প্রতিদিন কলেজে যাই।
- কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য উঠে।

কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল - বাক্যের ক্রিয়াপদকে 'কখন' দিয়ে প্রশ্ন করলে 'কাননে' (সময়) উত্তর পাওয়া যায়, তাই এটি অধিকরণ কারক।
কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল - অধিকরণে সপ্তমী

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
আলোয় আঁধার দূর হয় - বাক্যে ‘আলোয়’ শব্দটি কোন কারকের উদাহরণ?
  1. অপাদান
  2. করণ
  3. সম্প্রদান
  4. অধিকরণ
ব্যাখ্যা
• আলোয় আঁধার দূর হয় - বাক্যে ‘আলোয়’ শব্দটি করণ কারকের উদাহরণ।

করণ কারক:
- 'করণ' শব্দটির অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়।
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক।
যেমন -
নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম)
'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় - সাধনা)

আলোয় আঁধার দূর হয় - বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'আলোয়' (উপায় - আলো), তাই এটি করণ কারক।
আলোয় আঁধার দূর হয় - করণে সপ্তমী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
‘চাক্ষুষ’ - এর বিপরীত শব্দ -
  1. অদৃশ্য
  2. নিরিবিলি
  3. নিভন্ত
  4. অগোচর
ব্যাখ্যা
• 'চাক্ষুষ' শব্দের অর্থ - চোখে চোখে লব্ধ, চোখে দেখা, প্রত্যক্ষ
• 'অদৃশ্য' শব্দের অর্থ - দেখা যায় না এমন, দৃষ্টির অগোচর।
• নিরিবিলি শব্দের অর্থ - নিভৃত, নিরালা, নির্জন, বিজন, জনমানবশূন্য।
• নিভন্ত শব্দের অর্থ - প্রায় নিভে যাচ্ছে এমন, নিভুনিভু।
• 'অগোচর' শব্দের অর্থ - বুদ্ধি বা ইন্দ্রিয়ের অতীত, অপ্রত্যক্ষ, অজ্ঞাত।

• সুতরাং, শব্দের অর্থ অনুসারে, ‘চাক্ষুষ’ এর বিপরীত শব্দ - অগোচর

অন্যদিকে,
• দৃশ্য - অদৃশ্য।
• জ্বলন্ত - নিভন্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. সরিসৃপ
  2. সরীসৃপ
  3. শরীসৃপ
  4. শরিসৃপ
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - সরীসৃপ
- ‘সরীসৃপ’ শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- ‘সরীসৃপ’ অর্থ: বুকে ভর দিয়ে চলে এমন ডিম্বজ মেরুদণ্ডী প্রাণী (সাপ, টিকটিকি, কুমির প্রভৃতি)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
‘পটল তোলা’ এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. পটল গাছ হতে পটল তোলা
  2. পরীক্ষায় ফেল করা
  3. মারা যাওয়া
  4. পটল খাওয়া
ব্যাখ্যা
• ‘পটল তোলা’ বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ - মারা যাওয়া

এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
- অক্কা পাওয়া = মারা যাওয়া।
- গঙ্গা পাওয়া = মারা যাওয়া।
- পঞ্চত্ব প্রাপ্ত = মারা যাওয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৫.
‘যাহা কষ্টে অর্জন করা য়ায়’ তাকে এক কথায় বলে-
  1. দুর্জয়
  2. অদম্য
  3. কষ্টার্জিত
  4. পরিশ্রমলব্ধ
ব্যাখ্যা
• ‘যাহা কষ্টে অর্জন করা য়ায়’ তাকে এক কথায় বলে - কষ্টার্জিত

অন্যদিকে,
- যা কষ্টে জয় করা য়ায় = দুর্জয়।
- দমন করা যায় না যাকে = অদম্য।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন:
- ‘অরিকে দমন করে যে’ এর এককথায় প্রকাশ - অরিন্দম।
- ‘আয়ুর পক্ষে হিতকর’ এর এককথায় প্রকাশ - আয়ুষ্য।
- ‘বিশ্বজনের হিতকর’ এর এককথায় প্রকাশ - বিশ্বজনীন।
- ‘যা অতি দীর্ঘ নয়’ এর এককথায় প্রকাশ - নাতিদীর্ঘ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
'Franchise' শব্দটির synonym হচ্ছে -
  1. Utility
  2. Privilege
  3. French
  4. Frankness
ব্যাখ্যা
• Franchise - পূর্ণ নাগরিক অধিকার, ভোটাধিকার।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Utility - উপযোগিতা; উপযোগ
খ) Privilege -  নাগরিক অধিকার,বিশেষ সুবিধা বা অধিকার।
গ) French - ফরাসি।
ঘ) Frankness - অকপটতা; অমায়িকতা।

- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে -Privilege  এবং  Franchise শব্দটি সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। 
- তাই সঠিক উত্তর  Privilege.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Humourous
  2. Humourious
  3. Humorous
  4. Humorious
ব্যাখ্যা
• Humorous (Adjective):
English Meaning: Causing laughter and amusement; comic.
বাংলা অর্থ:- রসাত্মক; সরস; হাস্যরসাত্মক; রসিকতাপূর্ণ; সকৌতুক।

Other forms:
- Humorously (adverb) রসিকতাচ্ছলে; সকৌতুকে।

Example sentence: 
He gave a humorous account of their trip to Spain.
It's a humorous look at the world of fashion.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Oxford Learner's Dictionary.
১৮.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. A new cabinet has sworn in Dhaka
  2. A new cabinet has been sworn by in Dhaka
  3. A new cabinet has been sworn in Dhaka
  4. A new cabinet has been sworn in in Dhaka.
ব্যাখ্যা
• Swear in শপথ গ্রহন করা এবং স্থানের নামের পূর্বে in হবে।
- আবার শপথ কাজটি প্রধান বিচারপতি করান, cabinet নিজে করে না।
- তাই বাক্যটি passive voice হবে।

সুতরাং সঠিক বাক্য-
A new cabinet has been sworn in in Barishal.

Swear in (verb):
Meaning: to induct into office by administration of an oath.
বাংলা অর্থ:- শপথ গ্রহণ করা।

• প্রশ্নের বাক্যটির সঠিক অর্থ - ঢাকায় নতুন একটি মন্ত্রিপরিষদ শপথ নিয়েছে।
- লক্ষণীয়, আনুষ্ঠানিক শপথ নিজে নিজে গ্রহণ করা হয় না, অন্য আরেকজনের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করতে হয়।
- যেমন: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথবাক্য পাঠ করান।

• তাই এখানে বাক্যেটি active voice এ না হয়ে passive voice এ হবে।
- সঠিক উত্তর - A new cabinet has been sworn in in Dhaka.
১৯.
'To read between the lines' এর অর্থ হচ্ছে-
  1. To read carefully
  2. To read carefully to find out any hidden meaning
  3. To read only some lines
  4. To read quickly to save time
ব্যাখ্যা
To read between the lines
English Meaning: to try to understand someone's real feelings or intentions /to understand more than is directly stated/ read carefully to find out hidden meanings.
Bangla Meaning: নিগূঢ় অর্থ উদ্ধার করা / মনযোগ দিয়ে পড়া।

Example Sentence- Read between the lines, so that you won't miss anything important. 
বাংলা অনুবাদ- মনোযোগের সাথে অধ্যয়ন করে অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝবার চেষ্টা করো, যেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু তোমার কাছ থেকে ছুটে না যায়। 
 
Source: Live MCQ Lecture
২০.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. Why you have done this?
  2. Why did you have done this?
  3. Why have you done this?
  4. Why you had done this?
ব্যাখ্যা
• WH -question-এর structure:
- WH + + auxiliary verb + subject + principal verb + object or others + question mark.
- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে - Why have you done this?

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) বাক্যে auxiliary verb subject এরপর বসাতে এটি ভুল।
খ) বাক্যে did এরপর আবার have done আসায় বাক্যের tense ভুল হয়েছে। 
গ) বাক্যে auxiliary verb subject এরপর বসাতে এটি ভুল।
২১.
'Incredible' শব্দটির Synonym হচ্ছে-
  1. Unbelievable
  2. Unthinkable
  3. Unlikely
  4. Unthinking
ব্যাখ্যা
• Incredible - অবিশ্বাস্য; অশ্রদ্ধেয়; (কথ্য) বিশ্বাস করা কঠিন; প্রত্যয়াতীত; বিস্ময়কর।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) Unbelievable - অবিশ্বাস্য, অত্যন্ত বিস্ময়কর।
খ) Unthinkable - অচিন্তনীয়; অবিবেচ্য।
গ) Unlikely - অসম্ভাবনীয়; অসম্ভাবিত; অঘটনীয়।
ঘ) Unthinking - চিন্তাশূন্য; বিবেচ্যহীন; অপরিণামদর্শী; অসতর্ক।

• সুতরাং, শব্দগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করে বোঝা যাচ্ছে যে, Incredible এর synonym হচ্ছে Unbelievable.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২২.
Now-a-days many villages are lit _____ electricity বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. by
  2. with
  3. from
  4. on
ব্যাখ্যা
• কোন কিছু আলোকিত করা বা আলোকবিশিষ্ট করা বুঝালে light by ব্যবহৃত হয়।
- আর light verb এর past এবং past participle form হলো lit/lighted.
- যেমন- The house is lighted/lit by electricity.

• বিভিন্ন Dictionary তে ব্যবহার ভেদে দেখা যায় আলোকিত করা বা আলোকবিশিষ্ট করা বোঝাতে by and with দুইটাই ব্যবহার হচ্ছে।
- তবে, সাধারণ নিয়ম হিসেবে, সরাসরি কোন কিছু দ্বারা আলোকিত হলে with ব্যবহার হয়।
- যেমন, The room was lit with an electric bulb/candle.
- এখানে Electricity কিন্তু সরাসরি আলোকিত করছে না, Electricity এখানে bulb এর মাধ্যমে আলোকিত করছে। তাই, এখানে by electricity হবে।

• Complete Sentence: Now-a-days many villages are lit by electricity 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Mispell
  2. Misspell
  3. Mispel
  4. Mispe
ব্যাখ্যা
• Misspell (Verb)
- English Meaning: spell (a word) wrongly.
- Bangla Meaning:  বানান ভুল করা; ভুল বানান করা।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
'Heart' শব্দটির adjective হচ্ছে-
  1. Heart
  2. Hearten
  3. Heartening
  4. Heartful
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে - 

ক) Heart (noun) আবেগ-অনুভূতি, বিশেষত প্রেমানুভূতির উৎস; হৃদয়; প্রাণ;হৃৎপিণ্ড ; হৃদ্‌যন্ত্র; রক্তাশয়।
খ) Hearten (verb) - উৎসাহ দেওয়া; উল্লসিত করা।
গ) Heartening (adjective) - উৎসাহব্যঞ্জক; উল্লাসজনক।
ঘ) Heartful - (কোন শব্দ নেই)

• সুতরাং, The adjective of the word 'Heart' is 'Heartening'.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
'What is the time _____ your watch' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. with
  2. in
  3. at
  4. by
ব্যাখ্যা
• Preposition 'by' এর অর্থ হলো according to.
- তোমার ঘড়িতে অর্থ বুঝাতে ‘by your watch’ phrase টি ব্যবহৃত হয়।

- অতএব, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হিসেবে 'by' বসবে। 
- Complete Sentence: What is the time by your watch?​
২৬.
I said, 'Do it.' বাক্যের indirect speech হবে -
  1. I ordered to do it.
  2. I said to do it.
  3. I said that it should be done.
  4. I said that let it be done.
ব্যাখ্যা
• Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের বেলায়:
- Reporting verb এর subject বসে।
- Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে।
- Inverted comma উঠে that বসে।
- Reported speech এর subject number/person অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।

• “Do it” একটি Imperative Sentence এবং তা আদেশ করা (order) অর্থ প্রকাশ করে।
- তাই indirect narration এ said to এর পরিবর্তে ordered ব্যবহৃত হবে।
- সঠিক উত্তর - I ordered to do it.
২৭.
'Who will do the work?' বাক্যের Passive form হচ্ছে -
  1. Who will done the work?
  2. By whom will the work be done?
  3. Who will be done the work?
  4. Whom will the work be done?
ব্যাখ্যা
• Who দিয়ে শুরু হওয়া interrogative sentence কে  passive করতে হলে -
- Who এর স্থানে By whom বসে।
- এরপর বাক্যটির tense অনুযায়ী auxiliary/ be verb/ active voice এ will থাকলে passive এ will be হয়।
- তারপর subject এবং
- verb এর past participle form
- এবং সবশেষে object বসবে। 
Structure: By whom + auxiliary verb + Subject + verb এর past participle রূপ + object.

সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - By Whom will the work be done?
২৮.
'Some children were helping the wounded man.' বাক্যের Passive voice হচ্ছে -
  1. The wounded man was helped by some children.
  2. The wounded man was helping some children.
  3. The wounded man was being helped by some children.
  4. The wounded man was to be helped by some children.
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি Past continuous tense এ আছে।
- Past continuous tense যুক্ত active voice কে passive করার নিয়ম -

• Object টি subject হয়ে বসবে।
- Tense ও person অনুযায়ী was/were + being বসবে।
- এরপর verb এর past participle form + by + subject টি object হয়ে বসবে।

- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, 
• Active: Some children were treating the wounded man.
• Passive: The wounded man was being helped by some children.
২৯.
'Birds eye view' এর অর্থ হচ্ছে -
  1. Eyes of birds
  2. Eyes of a flock of birds
  3. A view of the sky
  4. A rough idea
ব্যাখ্যা
• A bird's eye view
English Meaning: A general view from above/ a rough idea/ a general view.
Bangla Meaning: উপর থেকে এক নজরে দেখা/ এক নজরে দেখে ধারণা করা।

Ex. Sentence: Climb to the top of the Eiffel Tower if you want a bird's eye view of Paris.
Bangla Meaning: আইফেল টাওয়ারের চূড়ায় উঠে প্যারিসকে এক নজরে দেখা যায়।

Source: Live MCQ Lecture.
৩০.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Bureaucrat
  2. Buroucrat
  3. Burocrat
  4. Beaurocrat
ব্যাখ্যা
• Bureaucrat (Noun)
English Meaning: an official in a government department, in particular one perceived as being concerned with procedural correctness at the expense of people's needs.
Bangla Meaning: সরকারি কর্মকর্তা; ক্ষমতাসীন আমলা; আমলাতন্ত্রবাদী ব্যক্তি।

• Other forms: 
- Bureaucracy- (noun) - আমলাতন্ত্র; আমলাদের পরিচালিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
- Bureaucratic (adjective) - আমলাসুলভ; আমলাতান্ত্রিক।
- Bureaucratically (adverb) - আমলাতান্ত্রিকভাবে।

Example Sentence: The unemployed will be dealt with not by faceless bureaucrats but by individuals.

Source: Oxford Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
দুইটি সংখ্যার গুণফল ৩১৫। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু ১০৫ হলে, গ.সা.গু কত?
  1. ১৪
  2. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার গুণফল ৩১৫। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু ১০৫ হলে, গ.সা.গু কত?

সমাধান: 
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. × সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু.
বা, সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. × সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. = দুটি সংখ্যার গুণফল
বা, ১০৫ × সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. = ৩১৫
বা, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. = ৩১৫/১০৫
∴ সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. == ৩
৩২.
দুটি সংখ্যার বিয়োগফল ৩৭ এবং যোগফল বিয়োগফলের ১১ গুণ। সংখ্যা দুটি কত?
  1. ২০, ৫৭
  2. ১৯, ৫৬
  3. ১৮৫, ২২২
  4. ১৭০, ২০৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার বিয়োগফল ৩৭ এবং যোগফল বিয়োগফলের ১১ গুণ। সংখ্যা দুটি কত?

সমাধান:
ধরি
সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে x, y
x - y = 37 ...................(1)
x + y = 11 × 37 
x + y = 407 ...................(2)

(1) + (2) ⇒
x - y + x + y= 37 + 407
2x = 444
x = 222

(2) ⇒
222 + y = 407
y = 407 - 222
y = 185

সংখ্যা দুটি = 222, 185
৩৩.
দুই সমকোণ থেকে বড়, কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট, সে ধরনের কোণের নাম কী?
  1. সুক্ষ্ম কোণ
  2. স্থূল কোণ
  3. সম্পূরক কোণ
  4. প্রবৃদ্ধ কোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই সমকোণ থেকে বড়, কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট, সে ধরনের কোণের নাম কী?

সমাধান:
প্রবৃদ্ধ কোণ (Reflex angle ): দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয়।
১৯০° হলো প্রবৃদ্ধ কোণ। 
৩৪.
০.০০০১ এর বর্গমূল কত?
  1. ০.১
  2. ০.০১
  3. ০.০০১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.০০০১ এর বর্গমূল কত?

সমাধান:
০.০০০১ এর বর্গমূল = √০.০০০১
= ০.০১
৩৫.
১২০ মিটার লম্বা একটি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস একটি লাইট পোস্টকে ৬ সেকেন্ডে অতিক্রম করল। ট্রেনটির গতিবেগ কিলোমিটার/ঘণ্টায় কত?
  1. ৭২
  2. ৪৮
  3. ৩৬
  4. ৯৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১২০ মিটার লম্বা একটি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস একটি লাইট পোস্টকে ৬ সেকেন্ডে অতিক্রম করল। ট্রেনটির গতিবেগ কিলোমিটার/ঘণ্টায় কত?

সমাধান:
ট্রেনটি ৬ সেকেন্ডে ট্রেনটি অতিক্রম করে =১২০ মিটার
∴ ১ সেকেন্ডে ট্রেনটি অতিক্রম করে = ১২০/৬ মিটার
সুতরাং, ১ ঘণ্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ডে ট্রেনটি অতিক্রম করে = (৩৬০০ × ১২০)/৬) মিটার
= ৭২০০০ মিটার
= ৭২ কি.মি.

অতএব, ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় = ৭২ কি.মি.
৩৬.
চালের দাম ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় এক ব্যক্তি চালের ব্যবহার এমনভাবে কমালেন যেন চালের খরচ অপরিবর্তিত থাকে। তিনি চালের ব্যবহার শতভাগ (শতকরা) কত কমালেন?
  1. ১৬
  2. ১৮
  3. ২০
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চালের দাম ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় এক ব্যক্তি চালের ব্যবহার এমনভাবে কমালেন যেন চালের খরচ অপরিবর্তিত থাকে। তিনি চালের ব্যবহার শতভাগ (শতকরা) কত কমালেন?

সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে চালের বর্তমান মূল্য = (১০০ + ২৫) টাকা = ১২৫ টাকা

বর্তমান মূল্য ১২৫ টাকা হলে পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা 
∴ বর্তমান মূল্য ১ টাকা হলে পূর্বমূল্য = ১০০/১২৫ টাকা 
∴ বর্তমান মূল্য ১০০ টাকা হলে পূর্বমূল্য = (১০০ × ১০০)/১২৫ টাকা 
= ৮০ টাকা 

∴ চালের ব্যবহার কমাতে হবে = (১০০ - ৮০)% 
= ২০% 
৩৭.
দুইটি বৃত্তের ব্যাসের অনুপাত ১ : ৩। এদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
  1. ১ : ২৭
  2. ১ : ৯
  3. ১ : ১২
  4. ১ : ১৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি বৃত্তের ব্যাসের অনুপাত ১ : ৩। এদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্ত দুইটির ব্যাসার্ধ x/2 এবং 3x/2

∴ বৃত্ত দুইটির ক্ষেত্রফলের অনুপাত = π(x/2)2 : π(3x/2)2
= πx2/4 : 9πx2/4
= 1 : 9
৩৮.
একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। তাতে সোনা : তামা এর পরিমাণ ৩ : ১। কী পরিমাণ সোনা যোগ করলে সোনা : তামা অনুপাত হবে ৪ : ১ ?
  1. ৮ গ্রাম
  2. ৬ গ্রাম
  3. ৫ গ্রাম
  4. ৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। তাতে সোনা : তামা এর পরিমাণ ৩ : ১। কী পরিমাণ সোনা যোগ করলে সোনা : তামা অনুপাত হবে ৪ : ১ ?

সমাধান: 
গহনার ওজন = ১৬ গ্রাম
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ১ = ৪
∴ সোনার পরিমাণ = (১৬ × ৩)/৪ = ১২ গ্রাম
∴ তামার পরিমাণ = (১৬ × ১)/৪ = ৪ গ্রাম

ধরি,
ক পরিমাণ সোনা মিশাতে হবে

প্রশ্নমতে,
ক + ১২ : ৪ = ৪ : ১
(ক + ১২)/৪ = ৪/১
ক + ১২ = ১৬
ক = ১৬ - ১২
ক = ৪

∴ অতিরিক্ত সোনা মেশাতে হবে ৪ গ্রাম
৩৯.
দুই ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে করতে পারে। প্র্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
  1. ২৪ দিনে
  2. ২২ ‍দিনে
  3. ২০ দিনে
  4. ১৮ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে করতে পারে। প্র্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি  ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী কাজটি কত দিনে করতে পারবে?

সমাধান: 
২ জন ১ দিনে করে কাজটির ১/৮ অংশ
প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে কাজটির ১/১২ অংশ

সুতরাং, ২য় ব্যক্তি ১ দিনে করে কাজটির (১/৮) - (১/১২) অংশ
= (৩ - ২)/২৪ অংশ
= ১/২৪ অংশ

 ২য় ব্যক্তি কাজটির ১/২৪ অংশ করে ১ দিনে
 ২য় ব্যক্তি কাজটির ১ অংশ (সম্পূর্ণ ) করে (১ × ২৪)/১ দিন 
= ২৪ দিন
৪০.
৬০ জন লোক কোন কাজ ১৮ দিনে করতে পারে। উক্ত কাজ ৩৬ জন লোক কতদিনে সম্পন্ন করতে পারে?
  1. ১৮ দিনে
  2. ৩০ দিনে
  3. ৩৬ দিনে
  4. ৯৮ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ জন লোক কোন কাজ ১৮ দিনে করতে পারে। উক্ত কাজ ৩৬ জন লোক কতদিনে সম্পন্ন করতে পারে?

সমাধান:
কোন কাজ,
 ৬০ জন লোক করতে পারে ১৮ দিনে
১ জন লোক করতে পারে (৬০ × ১৮) দিনে
∴ ৩৬ জন লোক করতে পারে  (৬০ × ১৮)/৩৬ দিনে
= ৩০ দিনে
৪১.
পিতা ও দুই পুত্রের বয়সের গড় ৩০ বছর। দুই পুত্রের বয়সের গড় ২০ বছর। পিতার বয়স কত?
  1. ২০ বছর
  2. ৪০ বছর
  3. ৫০ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও দুই পুত্রের বয়সের গড় ৩০ বছর। দুই পুত্রের বয়সের গড় ২০ বছর। পিতার বয়স কত?

সমাধান:
দুই পুত্রের বয়সের গড় ২০ বছর
দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ২ × ২০ = ৪০ বছর

পিতা ও দুই পুত্রের বয়সের গড় ৩০ বছর
পিতা ও দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩ × ৩০ = ৯০ বছর
পিতার বয়স = ৯০ - ৪০ = ৫০ বছর
৪২.
a = 2, b = 3 হলে 2a + 4b এর সাথে 2a2 + a - b যোগ করলে যোগফল কত হবে?
  1. 15
  2. 17
  3. 19
  4. 23
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = 2, b = 3 হলে 2a + 4b এর সাথে 2a2 + a - b যোগ করলে যোগফল কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে
a = 2, b = 3

এখন
2a + 4b + 2a2 + a - b
= 2a2 + 3a + 3b
= 2 × 22 + 3 × 2 + 3 × 3
= 8 + 6 + 9
= 23
৪৩.
৩৬ টাকা ডজন দরে ক্রয় করে ২০% লাভে বিক্রয় করা হয়, এক কুড়ি কলার বিক্রয়মূল্য কত হবে?
  1. ৭২ টাকা
  2. ৬২ টাকা
  3. ৬০ টাকা
  4. ৭৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩৬ টাকা ডজন দরে ক্রয় করে ২০% লাভে বিক্রয় করা হয়, এক কুড়ি কলার বিক্রয়মূল্য কত হবে?

সমাধান:
১২ টি কলার ক্রয়মূল্য = ৩৬ টাকা
∴ ১ টি কলার ক্রয়মূল্য = ৩৬/১২ টাকা
= ৩ টাকা

২০% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ হলে বিক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১২০/১০০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ৩ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১২০ × ৩)/১০০ টাকা
= ৩.৬ টাকা

আবার,
১টি কলার বিক্রয়মূল্য = ৩.৬ টাকা
∴ ২০টি কলার বিক্রয়মূল্য = (৩.৬ × ২০) টাকা
= ৭২ টাকা
৪৪.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে 3 ও 4 সে.মি. হলে, তার অতিভুজের মান কত?
  1. ৭ সে.মি.
  2. ৫ সে.মি.
  3. ৬ সে.মি.
  4. ৮ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে 3 ও 4 সে.মি. হলে, তার অতিভুজের মান কত?

সমাধান: 
অতিভুজ = √(32 + 42) সে.মি.
= √(9 + 16) সে.মি.
= √25 সে.মি. 
= 5 সে.মি.
৪৫.
কোন পরীক্ষায় শতকরা ৮৫ জন ইংরেজিতে পাস করেছে। ইংরেজিতে মোট ফেলের সংখ্যা ৭৫ হলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত?
  1. ৭৭৫ জন
  2. ৬৫০ জন
  3. ৫০০ জন
  4. ৩৫৭ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন পরীক্ষায় শতকরা ৮৫ জন ইংরেজিতে পাস করেছে। ইংরেজিতে মোট ফেলের সংখ্যা ৭৫ হলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত?

সমাধান:
মোট পরীক্ষার্থী ১০০ জন হলে,
ফেল করে = (১০০ - ৮৫) জন 
= ১৫ জন

১৫ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = ১০০ জন
∴ ১ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = ১০০/১৫ জন
∴ ৭৫ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = (১০০ × ৭৫)/১৫ জন 
= ৫০০ জন 

∴ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ৫০০ জন। 
৪৬.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ভৌগোলিক কাল্পনিক রেখা গেছে তার নাম কি?
  1. কর্কট রেখা
  2. মকর রেখা
  3. বিষুব রেখা
  4. দ্রাঘিমা রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। 
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। 
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
সুন্দরবনের পশ্চিমে কোন নদী অবস্থিত?
  1. মাতামুহুরী
  2. রায়মঙ্গল
  3. পশুর
  4. বলেশ্বর
ব্যাখ্যা
রায়মঙ্গল নদী: 

- ইছামতি-কালিন্দী-রায়মঙ্গল মূলত একই নদী, বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। ইহা
- একটি জোয়ারে মোহনার নদী। ইছামতি নদী সাতক্ষীরা জেলার পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে কালিন্দী নামে প্রবাহিত হয়ে আরও দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর প্রবেশের পর রায়মঙ্গল নাম ধারণ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সুন্দরবনের পশ্চিমে রায়মঙ্গল নদী অবস্থিত।
- মোহনায় রায়মঙ্গল নদীর মুখ ফানেলের মতো। একসময় এই পথে স্টিমার সার্ভিস কলকাতা থেকে বরিশাল হয়ে বাংলাদেশের অন্যান্য বন্দরে চলাচল করতো।
- রায়মঙ্গল জোয়ারভাটা দ্বারা প্রভাবিত নদী এবং এর পানি লবণাক্ত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৮.
মহানন্দা কোন নদীর উপনদী?
  1. মেঘনা
  2. যমুনা
  3. কর্ণফুলী
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা
মহানন্দা নদী:

- মহানন্দা পদ্মার একটি প্রধান উপনদী।
- নদীটি নেপালের দক্ষিণ-পশ্চিমস্থ হিমালয় থেকে উদ্ভূত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে কার্সিয়াং ও শিলিগুড়ি অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণপূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে ভোলাহাটের কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশ সীমায় প্রবেশের পর নবাবগঞ্জ (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) শহরকে বাম তীরে রেখে গোদাগাড়ীতে গিয়ে গঙ্গায় পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৬ কিমি।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
যমুনা নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:

- যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর একটি।
- এটি ব্রহ্মপুত্র নদীর প্রধান শাখা।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশ ভূখন্ডে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার দৈর্ঘ্য ২৭৬ কিমি যার মধ্যে যমুনা নদীর দৈর্ঘ্য ২০৫ কিমি।
- নদীটির প্রশস্ততা ৩ কিমি থেকে ২০ কিমি পর্যন্ত। তবে এর গড় প্রশস্ততা প্রায় ১০ কিমি।
- যমুনা নদী পদ্মা নদীতে পতিত হয় গোয়ালন্দে।
- যমুনার প্রবাহমান জেলাসমূহ-বগুড়া জেলা, সিরাজগঞ্জ জেলা, টাঙ্গাইল জেলা (টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতি এবং ভূঞাপুর উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত) গাইবান্ধা জেলা।
- যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী (করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী) বাঙালি+যমুনা বগুড়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৫০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার কোনটি?
  1. শালবন বিহার
  2. আনন্দ বিহার
  3. সোমপুর বিহার
  4. সীতাকোট বিহার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের হিসাবমতে, বাংলাদেশে মোট ৫১৮টি প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট রয়েছে।
এক্ষেত্রে, প্রশ্নে উল্লেখিত সাইটগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ হচ্ছে -

সিতাকোট বিহার:
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সিতাকোট বিহার অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এই কক্ষগলি একটি প্রশস্ত টানা বারান্দার সংগে যুক্ত ছিল।
- সীতাকোট বিহার আঙ্গিনার মধ্যবর্তী স্থানে কোন প্রধান মন্দির ছিলনা।
- এখানে পাহাড়পুর,শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- সময়কাল: - খ্রিঃ ৭-৮ম শতক।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- সময়কাল: অষ্টম-নবম শতক (আনুমানিক ৭৭০ - ৮১০ খিঃ)

শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক

আনন্দ বিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- বিহারটি নির্মাণ করেন - প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

[উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা বলা যায় যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সিতাকোট বিহার সবচেয়ে প্রাচীন।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৫১.
ষাটগম্বুজ মসজিদটির নির্মাতা কে?
  1. ইসলাম খান
  2. ঈসা খাঁ
  3. শায়েস্তা খান
  4. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ষাটগম্বুজ মসজিদ

- এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- ১৫ শতকের দিকে উলঘ খান-ই-জাহান ঐতিহাসিক মসজিদের শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া।
- দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে।
- মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট।
- মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে।
- ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে।

[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫২.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. করতোয়া
  2. মহানন্দা
  3. গঙ্গা
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:

- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৩.
বাংলাদেশ কত সালে কমনওয়েলথ - এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ:

- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথের সাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।

তথ্যসূত্র - কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৪.
জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে-
  1. ৭ ডিসেম্বর ১৯৩৯
  2. ৭ ডিসেম্বর ১৯৪০
  3. ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১
  4. ৭ ডিসেম্বর ১৯৪২
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:

- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ। চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২।
৫৫.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. হাম
  2. ডিপথেরিয়া
  3. এইডস
  4. জন্ডিস (হেপাটাইটিস)
ব্যাখ্যা
- 'ডিপথেরিয়া' একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ  এবং বাকিগুলো হচ্ছে ভাইরাসজনিত রোগ। 

ভাইরাসজনিত রোগ: 

• ডেঙ্গু, 
• হেপাটাইটিস, 
• পীতজ্বর, 
হাম
• রুবেলা, 
• মাম্পস, 
এইডস
• পোলিও ইত্যাদি। 

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
• কুষ্ঠ,
• যক্ষ্মা,
• ধনুষ্টংকার,
ডিপথেরিয়া,
• আমাশয়,
• কলেরা,
• নিউমোনিয়া,
• হুপিং কাশি ইত্যাদি। 

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫৬.
বিলিরুবিন তৈরি হয় -
  1. কিডনীতে
  2. পিত্তথলিতে
  3. প্লিহায়
  4. যকৃতে
ব্যাখ্যা
- বিলিরুবিন পুরোপুরি তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। এটি জমা থাকে প্লীহাতে। 

বিলিরুবিন: 
- বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যেটা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়। 
- বিলিরুবিনে বিলি থাকে, যেটা লিভারে তৈরি পাচক তরল পদার্থ এবং এটি গলব্লাডারে থাকে। 
- এটা খাবারকে হজম করতে এবং মল তৈরি হতে সাহায্য করে।  
- জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া। 
- যদি কোন কারণের ফলে বিলিরুবিন বিলির সাথে মিশতে না পারে কিংবা যখন লাল রক্ত কনিকা সামান্য থেকে কম পরিমাণে ভাঙতে শুরু করে, তখন রক্তে বিলিরুবিনের স্তর দ্রুত বাড়তে থাকে। আর এই ভাবে এটা অন্য অঙ্গে পৌঁছে সেখানে হলুদ ভাবের সৃষ্টি করে। 

• ব্রিটানিকা থেকে -
Bilirubin, a brownish-yellow pigment of bile, secreted by the liver in vertebrates, which gives to solid waste products (feces) their characteristic color.
It is produced in bone marrow cells and in the liver as the end product of red-blood-cell (hemoglobin) breakdown.

উৎস: University of California Website ও ব্রিটানিকা। 
৫৭.
ব্যাঙের হৃৎপিণ্ডের কয়টি প্রকোষ্ঠ থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
- ক্যাটল ফিস এবং অক্টোপাসের হৃৎপিণ্ড আছে ৩টি করে। 
- ব্যাঙের হৃৎপিণ্ড ৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 
- তেলাপোকার হৃৎপিণ্ড ১৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮.
মানুষের ক্রোমোজমের সংখ্যা কত?
  1. ২০ জোড়া
  2. ২১ জোড়া
  3. ২২ জোড়া
  4. ২৩ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানুষের ক্রোমেজোমের সংখ্যা ২৩ জোড়া। 
- এর মধ্যে ২২ জোড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম। এদের অটোজোম বলা হয়। 
- বাকি এক জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলে। 
- মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজোমের দুই সেট থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান,২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
ভূ - ত্বকে কোন উপাদান সবচেয়ে কম থাকে?
  1. সোডিয়াম
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. লোহা
ব্যাখ্যা
ভূ-ত্বক: 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম। 
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন। 

ভূ-ত্বকে, 
অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%, 
সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%, 
অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%, 
লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%, 
ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%, 
সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%, 
পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং 
ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬০.
কোনটি খর পানিতে উত্তম ফেনা দেয়?
  1. টয়লেট সাবান
  2. ডিটারজেন্ট
  3. লন্ড্রিসাবান
  4. তরল সাবান
ব্যাখ্যা
- দেহ, কাপড়-চোপড় এবং দ্রব্য সামগ্রীর উপর জমা ময়লা পরিষ্কার করার জন্য যে সব দ্রব্যাদি ব্যবহার করা হয় তাদেরকে পরিষ্কারক সামগ্রী বলে। 
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন: পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
কোন রঙের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম?
  1. লাল
  2. বেগুনি
  3. নীল
  4. হলুদ
ব্যাখ্যা
- লাল রঙের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬২.
কত তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. ০° সে.গ্রে
  2. ৪° সে.গ্রে
  3. ৬° সে.গ্রে
  4. ৮° সে. গ্রে
ব্যাখ্যা
-  পানির ঘুনত্ব তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। 
- ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ। 
- এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব ১গ্রাম/সি.সি. বা ১০০০ কেজি/মিটার। 
- অর্থাৎ ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৬৩.
কোনটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ নয়?
  1. ভুট্টা
  2. নারিকেল
  3. গম
  4. কাঁঠাল
ব্যাখ্যা
একবীজপত্রী উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে, তাদের একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, নারিকেল, খেজুর ইত্যাদি। 

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: আম, জাম, কাঁঠাল, ছোলা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৬৪.
টেস্ট ক্রিকেটের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান কি?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
ব্যাখ্যা
টেস্টে বাংলাদেশ:

- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান নবম।

তথ্যসূত্র - ICC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৫.
কত বছর পর পর বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপ ফুটবল:

- ১৯০৪ সালের ২১ মে প্যারিসে ইউরোপের ৭টি দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকে ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল দ্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ফিফা) গঠিত হয়।
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়ে আয়োজন করা হয় বিশ্বকাপ ফুটবলের।
- উরুগুয়ে প্রথম বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে।
- সর্বশেষ ২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বকাপ ফুটবল ৪ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - ফিফা ও বাংলাপিডিয়া।
৬৬.
বিশ্বকাপ ফুটবলে ৪ (চার) বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে -
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. আর্জেন্টিনা
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
ফুটবল বিশ্বকাপ:

- ১৯৩০ সাল থেকে শুরু হয় বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় আসর ফুটবল বিশ্বকাপ।
- প্রথম স্বাগতিক দেশ হলো উরুগুয়ে এবং প্রথম চ্যাম্পিয়ানও হয় উরুগুয়ে। 
- সবচেয়ে বেশি ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল।
- জার্মানি ও ইতালি ৪ বার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- জার্মানি ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০, ২০১৪ সালে এবং ইতালি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২, ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ান হয়।
- প্রতি ৪ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপ।
- পরবর্তী ফুটবল বিশ্বকাপ (২৩তম আসর) অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালে।
- ঐ বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করবে।
- বিশ্বকাপটি যৌথভাবে আয়োজন করবে কানাডা, মেক্সিকো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র - ফিফা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৭.
কলম্বিয়া দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. ইউরোপ
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
কলম্বিয়া:

- কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ।
- আয়তন ৪৪০,৫৩১ বর্গ মাইল।
- রাজধানী: বোগোটা।
- ভাষা: স্প্যানিশ (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক)।
- মুদ্রা: পেসো।
- কফি দেশটির প্রধান অর্থকরী ফসল।
- কলম্বিয়া হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্না উৎপাদনকারী এবং দক্ষিণ আমেরিকার সোনার বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬৮.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা নির্বাচন হয় কোন সালে?
  1. ১৯৮৩
  2. ১৯৮৪
  3. ১৯৮৫
  4. ১৯৮৬
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:

- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থ্যায় গুরুত্বপূর্ণ স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই বছর ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, অধিভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়র (যদি থাকে) ও তিনজন মহিলা সদস্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত।
- তাছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য এর পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের প্রধান কাজ হল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক প্রথম আলো, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
৬৯.
আরাকান পাহাড় হতে ‍উৎপন্ন নদী কোনটি?
  1. ফেনী নদী
  2. সাঙ্গু নদী
  3. কর্ণফুলি নদী
  4. নাফ নদী
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়?
  1. কুমির
  2. তিমি
  3. হাতি
  4. বাদুড়
ব্যাখ্যা
স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে লোম দ্বারা আবৃত থাকে। 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে। 
- শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়। 
যেমন- তিমি, বাদুড়, শুশুক, গরু, হাতি, মানুষ, কুকুর, বানর, ঘোড়া, ইঁদুর, জিরাফ ইত্যাদি। 

 সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী: 
-  এরা বুকে ভর দিয়ে চলে, ডিম পাড়ে এবং ডিম ফুটে বাচ্চা হয়। 
যেমন- সাপ, কুমির, ঘড়িয়াল, কচ্ছপ, টিকটিকি, গিরগিটি, ডাইনোসর প্রভৃতি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭১.
প্রথম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল -
  1. সিউলে
  2. নয়াদিল্লিতে
  3. ম্যানিলায়
  4. কুয়ালালামপুরে
ব্যাখ্যা
এশিয়ান গেমস:

- ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন এশিয়া’।
- অলিম্পিকের পর বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড় ও ক্রীড়াবিদদের অনুষ্ঠান।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে খেলাধুলার মাধ্যমে প্রীতির সম্পর্ক স্থাপন, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও সম্মিলিতভাবে এশিয়া ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এই গেমসের লক্ষ্য।
- নয়াদিল্লির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ১৯৫১ সালের ৪ থেকে ১১ মার্চ প্রথম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিকভাবে গেমসের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- অংশ নিয়েছিল ১১টি দেশ।
- প্রথমবার অন্তর্ভুক্ত ছিল ফুটবল, বাস্কেটবল, অ্যাথলেটিকস, সাঁতার, সাইক্লিং ও ভারোত্তোলন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৮ আগস্ট, ২০১৮।
৭২.
মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভোযান কোনটি?
  1. সরুজ
  2. এপোলা
  3. ভয়েজার
  4. ভাইকিং
ব্যাখ্যা
- মার্কিন মহাকাশযান সফলভাবে মঙ্গল গ্রহে উড়েছে (মেরিনার্স 4, 6 এবং 7), 
- গ্রহকে প্রদক্ষিণ করেছে (মেরিনার 9 এবং ভাইকিংস 1 এবং 2), এবং 
- এর পৃষ্ঠে ল্যান্ডে মডিউল স্থাপন করেছে (ভাইকিংস 1 এবং 2)। 

U.S. spacecraft successfully flew by Mars (Mariners 4, 6, and 7), orbited the planet (Mariner 9 and Vikings 1 and 2), and placed lander modules on its surface (Vikings 1 and 2).
উৎস: Britannica Encyclopedia. 
৭৩.
টিউমার সংক্রান্ত চর্চাকে বলে -
  1. টিউমারোলজি
  2. অনকোলজি
  3. সাইটোলজি
  4. একোলজি
ব্যাখ্যা
- বাস্তুসংস্থান সম্পর্কিত যে চর্চাকে বলা হয়- ইকোলজি। 
- টিউমার, ক্যান্সার সংক্রান্ত চর্চাকে বলা হয়- অঙ্কোলজি। 
- কোষবিদ্যাকে বলা হয়- সাইটোলজি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৪.
ব্যাঙের ছাতা কোন শ্রেণির উদ্ভিদ?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. শৈবাল
  3. ছত্রাক
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ছত্রাক: 
- পঁচা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ভ্যাপসা আবহাওয়ায় ব্যাঙের ছাতা বা ছত্রাক জন্মাতে দেখা যায়। 
- এই ব্যাঙের ছাতার আরেকটি নাম হলো এগারিকাস। 
- বাসি, পঁচা রুটির উপর তুলার আঁশের মত এক প্রকার বস্তু জন্মাতে দেখা যায়। একে রুটির ছত্রাক বা মিউকর বলে।
- এসব উদ্ভিদ ক্লোরোফিলবিহীন। এ কারণে এদের রঙ সাদা। 

শৈবাল: 
- আবদ্ধ জলাশয়, জমে থাকা বৃষ্টির পানি, নর্দমা, কল পাড়ের স্যাঁতসেতে মাটিতে সবুজ শেওলা জন্মে থাকে। এসব শেওলা জাতীয় উদ্ভিদকে শৈবাল বলা হয়। 
- এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে তাই নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. তামা
  3. দস্তা
  4. পারদ
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। 

 ভূত্বক: 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম। 
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন। 
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%, 
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%, 
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%, 
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%, 
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%, 
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%, 
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং 
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%। 


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৭৬.
সিরডাপ (CIRDAP) - এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. দিল্লি
  2. ইসলামাবাদ
  3. ঢাকা
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
CIRDAP:

- CIRDAP The Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific.
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক, আন্তঃসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত একটি সংস্থা।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) উদ্যোগে (CIRDAP) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৬ জুলাই, ১৯৭৯ সালে CIRDAP গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর ঢাকার অবস্থিত।
- CIRDAP এর সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ফিজি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম।

তথ্যসূত্র - CIRDAP ওয়েবসাইট।
৭৭.
বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক -
  1. জুল
  2. ওয়াট
  3. নিউটন
  4. ক্যালরি
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা: 
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। 
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ক্ষমতা = বল × বেগ। 

অন্যদিকে, 
- শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। তাই, ১ ক্যালরি = ৪.২ জুল। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
বাংলাদেশে দীর্ঘতম গাছের নাম কি?
  1. বৈলাম
  2. অর্জুন
  3. মেহগনি
  4. ইউক্যালিপটাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বা উঁচু গাছের নাম বৈলাম। 
- এই বৃক্ষ ২৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। 
- বর্তমানে বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার ডুলাহাজাড়ায় বৈলাম বৃক্ষ দেখা যায়। 
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির গহীন অরণ্যে পাওয়া যায়। 
- বৃক্ষটি বর্তমানে বিপন্নের পথে। 

উৎস: দৈনিক সমকাল পত্রিকা।
৭৯.
কোনটি ভূকম্পন পরিমাপের যন্ত্র?
  1. হাইড্রোফোন
  2. আইসোফোন
  3. ডিকটোফোন
  4. সিসমোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
 সিসমোগ্রাফ: 
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ। 
- এ যন্ত্রে মিটারস্কেল ব্যবহার করা হয় বলে একে সিসমোমিটারও বলা হয়। 
- সিসমোগ্রাফ ভূ-পৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। 
- এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচন্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। 
- ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের জন্য রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮০.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
  1. কেওকারাডং
  2. লুসাই
  3. আরাকান
  4. এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
তাজিংডং:

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান। 
- তাজিংডং পর্বতের উচ্চতা প্রায় ১২৩১ মিটার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭।