পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৭: বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ii) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ১০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  2. আজম খান
  3. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  4. আবরার ফাহাদ 
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
• পুরস্কারপ্রাপ্তরা:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্যের ক্ষেত্রে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২- এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত? 
  1. ১.৩২%
  2. ১.১২%
  3. ১.২২%
  4. ১.৭৯%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস- ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস- ১০,০৬৭ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী' এর পরিচালক কে?
  1. খান আতাউর রহমান 
  2. সুভাষ দত্ত 
  3. চাষী নজরুল ইসলাম 
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত 
ব্যাখ্যা

- অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী এর পরিচালক : সুভাষ দত্ত।
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’- জনপ্রিয় এ গানটি ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ সিনেমার।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রায় এক বছর পরই ১৯৭২ সালের ১০ নভেম্বর মুক্তি পায় সিনেমাটি।

অন্যদিকে,
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র-

- Stop Genocide: জহির রায়হান,
- ওরা ১১ জন : চাষী নজরুল ইসলাম,
- আবার তোরা মানুষ হ : খান আতাউর রহমান,
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড : চাষী নজরুল ইসলাম,
- অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী : সুভাষ দত্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশে মরমী কবি হিসেবে পরিচিত কে? 
  1. লালন ফকির
  2. শাহ আব্দুল করিম
  3. হাসন রাজা
  4. জীবানান্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
ব্যাখ্যা

হাসন রাজা:
- হাসন রাজা মরমি কবি, সাধক।
- তাঁর প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী।
- সিলেট জেলার সুনামগঞ্জে লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- হাসন রাজার পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয়ই ছিল অযোধ্যাবাসী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাঁরা সুনামগঞ্জ আসেন।
• তার কয়েকটি গান:
- আঁখি মঞ্জিয়া দেখ রূপ রে।
- আগুন লাগাইয়া দিল কুনে, হাছন রাজার মনে।
- সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো।
- নিশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে।

অন্যদিকে,
- করিম, শাহ আবদুল (১৯১৬-২০০৯) লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার।
- লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ প্রোটালের নাম কী? 
  1. বাসস
  2. ইউএনবি
  3. বিডি নিউজ ২৪
  4. আরটিএনন
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ ২৪
ব্যাখ্যা

অনলাইন-নির্ভর সংবাদ পোর্টাল: 
- বিডিনিউজ২৪ বাংলাদেশে প্রথম অনলাইন-নির্ভর সংবাদ পোর্টাল। 
- এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় একটি ইন্টারেক্টিভ ও সমন্বিত মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়।
- এটি বেক্সিমকো গ্রুপের বাংলাদেশ নিউজ ২৪ আওয়ার্স লিমিটেড-এর মালিকানাধীন। 
- সাবেক বিবিসি সম্প্রচারক ও সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর-এর সম্পাদক ও মহাব্যবস্থাপক।

উৎস:  All Bangla newspapaer Net [লিংক]

.
প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ ছায়াছবি-
  1. চরিত্রহীন
  2. মেঘের অনেক রং
  3. লাঠিয়াল
  4. তিনটি বাচ্চা
সঠিক উত্তর:
লাঠিয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাঠিয়াল
ব্যাখ্যা

- প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ ছায়াছবি: লাঠিয়াল ।

• জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার:

- চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য সরকার ব্যক্তিবিশেষকে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
- ১৯৭৬ সালের ২৪ মার্চ প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেন - তথ্যসচিব এ বি এম গোলাম মোস্তফা।
- প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের ১২ শাখায় মোট ১৩ জনকে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- ১৯৭৫ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ ছায়াছবি: লাঠিয়াল ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক: নারায়ণ ঘোষ মিতা (লাঠিয়াল)।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii)  জাতীয়তথ্য বাতায়ন।[লিঙ্ক]

.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা- 
  1. বরিশাল
  2. মাদারীপুর
  3. নোয়াখালী
  4. পিরোজপুর 
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর 
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। 
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাইলট প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
যুক্তরাষ্ট্রের সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি কোন বাংলাদেশী?
  1. আরিফুর রহমান খান
  2. তাজুল ইসলাম
  3. ফজলুর রহমান খান
  4. নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ফজলুর রহমান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা

ফজলুর রহমান খান:
• ফজলুর রহমান খান বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী আমেরিকান স্থপতি ও পুরকৌশলী।
- তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার এর নকশা প্রণয়ন করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের মধ্যে অন্যতম বলা হয়।
- বর্তমানে শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার এর নাম উইলিস টাওয়ার।

উল্লেখ্য,
- ফজলুর রহমান খান ঢাকায় একটি বাঙ্গালী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবা খান বাহাদুর আবদুর রহমান খাঁ ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ।
- তাঁদের আদিবাড়ি ছিল মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার ভাণ্ডারিকান্দি গ্রামে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০.
২০০০ সালে ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী কতজন ভাষা শহিদকে একুশে পদকে ভূষিত করেছিল? 
  1. ৫জন
  2. ৪জন
  3. ৬জন
  4. ২জন 
সঠিক উত্তর:
৫জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫জন
ব্যাখ্যা

- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী ৫জনকে ২০০০ সালে ভাষা শহিদকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

• একুশে পদক ২০০০:
১. শহীদ আবুল বরকত ,ভাষা আন্দোলন (মরণোত্তর)
২. শহীদ আবদুল জব্বার ,ভাষা আন্দোলন (মরণোত্তর)
৩. শহীদ আবদুস সালাম ,ভাষা আন্দোলন (মরণোত্তর)
8. শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ ,ভাষা আন্দোলন (মরণোত্তর)
৫. শহীদ শফিউর রহমান, ভাষা আন্দোলন (মরণোত্তর)
৬. জনাব আবু নছর মোঃ গাজীউল হক (ভাষা আন্দোলন)
৭. মরহুম মহিউদ্দিন আহমেদ, সমাজ ও রাজনীতি (মরণোত্তর)
৮. ড. নীলিমা ইব্রাহীম, (শিক্ষা)
৯.অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি)
১০.জনাব এস্পাসউদ্দিন আহ্মদ (সাহিত্য)
১১.মরহুম জাহিদুর রহিম ,(সঙ্গীত) (মরণোত্তর)
১২.জনাব খালিদ হোসেন (সঙ্গীত)
১৩.সৈয়দ আবদুল হাদী (সঙ্গীত)
১৪.জনাব আবদুল্লাহ আল মামুন (নাটক)
১৫.জনাব শামীম সিকদার (ভাস্কর্য)

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।[Link]

১১.
‘আলোকিত মানুষ চাই’ এটি কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান? 
  1. জাতীয় গ্রন্ত্রকেন্দ
  2. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
  3. সুশাসনের জন্য নাগরিক
  4. জাতীয় নাগরিক পার্টি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

 বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।
• 'আলোকিত মানুষ চাই' হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

১২.
স্বাধীন বাংলাদেশে মোট কতবার আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে
- ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়।
- যা 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৩.
বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কী ছিল? 
  1. বাংলা ভবন
  2. চামেলী হাউজ 
  3. বর্ধমান হাউজ
  4. উত্তরা গণ হাউজ
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।

অন্যদিকে,
- চামেরী হাউজ ইংরেজদের কুটিরের আদলে নির্মিত ভবনটি ঢাকার হাইকোর্ট ভবনের উল্টাদিকে ১৯২০ সালে নির্মিত হয়।
- ডিআইটি ভবন বর্তমানে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার  কত সাল থেকে চালু করা হয়? 
  1. ১৯৯০ সাল
  2. ১৯৮৫ সাল
  3. ১৯৮৬ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সাল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার: 
- বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার  শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমী বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন এবং ইংরেজী ১৯৮৯ খ্রি থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে। 
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমী পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিংক]

১৫.
’মেইতেই’ নামে  ডাকা হয় কোন জনগোষ্ঠীকে? 
  1. ওরাঁও
  2. বম 
  3. মণিপুরী  
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী  
ব্যাখ্যা

মণিপুরী জাতিসত্তা:
- অবস্থান: মণিপুরী জাতিগোষ্ঠী মূলত ভারতের মণিপুর রাজ্যের বাসিন্দা।
- বাংলাদেশে তাদের বসবাস প্রধানত সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলায়।
- অন্য নাম: মণিপুরী জনগোষ্ঠীকে "মেইতেই" নামেও ডাকা হয়।
- উৎপত্তি: এরা মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- ধারণা করা হয়, প্রায় ১৭শ শতাব্দীতে তারা মণিপুর রাজ্য থেকে সিলেট অঞ্চলে আসেন।
- ভাষা: মণিপুরী ভাষা বা "মেইতেই লোন"।
- ভাষাটি তিব্বত-বর্মণ ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- ধর্ম: মূলত হিন্দু (বিশেষত বৈষ্ণব সম্প্রদায়)।
- কিছু মণিপুরী মুসলিম (পাঙাল বা মণিপুরী মুসলমান নামে পরিচিত)।
- পেশা: কৃষিকাজ, তাঁতশিল্প (বিশেষত শাড়ি ও কাপড় বুনন), এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় নিয়োজিত।
- সংস্কৃতি: মণিপুরী নৃত্য (বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী)।
- নিজস্ব উৎসব যেমন রাস উৎসব।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

১৬.
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবকে কী নামে অভিহিত করে?
  1. বিজু
  2. হৈসু
  3. বৈসু
  4. মৈতৈই
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা

- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবকে বৈসু  নামে অভিহিত করে।

বৈসাবি: 
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- আদিবাসীরা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে বিভিন্ন নামে।
- কেউ বৈসু, কেউ সাংগ্রাই আবার কেউ বিজু।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে।
- এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৭.
২০২৫ সালে একুশে পদক কোন ক্রীড়া দলকে প্রদান করা হয়েছে? 
  1. বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক-২০২৫:
-  ২০২৫ সালে  ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৮.
খাবার স্যালাইনের উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান কোনটি? 
  1. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  2. আইসিডিডিআর,বি
  3. ব্র্যাক
  4. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর,বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর,বি
ব্যাখ্যা

ICDDR,B:
- ICDDR,B এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো ওরস্যালাইন।
- আইসিডিডিআর.বি (ICDDR,B/আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত
চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা এবং সেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটির আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৯ সালে।
- ICDDR,B এর পূর্ণরূপ হচ্ছে (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh).
ICDDR,B এর সদর দপ্তর ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।

উৎস: আইসিডিডিআরবি এর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
নাটক ও নাট্যসাহিত্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪  লাভ করেন-
  1. সলিমুল্লাহ খান 
  2. সৈয়দ জামিল আহমেদ 
  3. শুভাশিস সিনহা 
  4. মাসুদ খান
সঠিক উত্তর:
শুভাশিস সিনহা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুভাশিস সিনহা 
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে নাটক ও নাট্যসাহিত্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ লাভ করেন শুভাশিস সিনহা।

• বাংলা একাডেমি পুরস্কার:

- বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়: ১৯৬০ সালে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- কবিতা- মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান,
- বিজ্ঞান: রেজাউর রহমান,
- অনুবাদক: জি এইচ হাবিব,
- গবেষণা- মুহম্মদ শামজাহান মিয়া,
- ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি  ওয়েবসােইট।[লিঙ্ক]

২০.
বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা-
  1. ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
  2. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা 
  3. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  4. বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা): 
- ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)  বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্ত্তর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।

অন্যদিকে,
- অনলাইন ভিত্তিক দেশে প্রধান নিউজ সংস্থা হলো Bdnews24.com.
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)  ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়। 
- ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)  ১৯৮৮ সালে সংবাদ সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২১.
কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন?
  1. ড. সাইদুর রহমান সাইফি
  2. ড. মাকসুদুল আলম
  3. ড. মিনহাজুল করিম
  4. ড. আব্দুল আলিম
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা

পাটের জীবন রহস্য: 
- ড. মাকসুদুল আলম ছিলেন একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ।
- তিনি ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন।
- তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা।
এছাড়া
- তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকেরও জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
- ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান।

উৎস: বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো,

২২.
রাখাইন জনগোষ্ঠী প্রধানত কোথায় বসবাস করে? 
  1. চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা 
  2. সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা 
  3. রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট
  4. কক্সবাজার, পটুয়াখালী, বরগুনা 
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার, পটুয়াখালী, বরগুনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার, পটুয়াখালী, বরগুনা 
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর নাম। 
- এরা মগ নামেও পরিচিত।
- আঠারো শতকের শেষে এরা আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়।
- এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু রখাইন বসতি দেখা যায়। 
- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।
- রাখাইন শব্দটির উৎস পলি ভাষা। 
- ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে, ১৭৮৪ সালে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে রাখাইনদের আগমন ঘটে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

২৩.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় কাকে সম্মানিত করা হয়েছে?
  1. ড. অসীম দত্ত
  2. এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
  3. রেজাউর রহমান
  4. মুহম্মদ শামজাহান মিয়া
সঠিক উত্তর:
এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায়  ড. অসীম দত্ত।
- এবং রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।[ লিঙ্ক]

২৪.
খাসিয়াদের পুঞ্জি প্রধানকে কী বলা হয়? 
  1. রাজা 
  2. সিয়েম
  3. সর্দার
  4. হেডম্যান
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া ও গারো বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চ্যাপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- এরা পাঁচ শত বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়াদের গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তরপূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ ,হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার আবাস তাদের।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে।
- বর্তমানে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ খাসিয়াই খ্রিষ্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৫.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত? 
  1. ৭২.৮%
  2. ৭৪.৮%
  3. ৭৪.২%
  4. ৭১.৮%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৬.
জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৯তম
  2. ৩০তম
  3. ২৭তম 
  4. ৩২তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৭.
বাংলাদেশে সম্প্রতি কততম নারী কাবাডি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ 
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন করছে।
- ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ টুর্নামেন্টটি ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
- এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৬ নভেম্বর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

২৮.
বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে কত সালে? 
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

• নজরুল পুরস্কার-২০২৫:

 - ২০২৫সালে নজরুল পুরস্কার পেয়েছেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল।
- বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। 
- মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

উৎস: বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।[ লিঙ্ক]

২৯.
’চিত্রা নদীর পাড়ে’ চলচ্চিত্রটি কোন প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে? 
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. দেশ ভাগ  
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
দেশ ভাগ  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশ ভাগ  
ব্যাখ্যা

- ’চিত্রা নদীর পাড়ে’ চলচ্চিত্রটি দেশ ভাগ নিয়ে নির্মিত হয়েছে।
- ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের জীবনী।
- চিত্রা নদীর পাড়ে তানভীর মোকাম্মেল ১৯৯৮ সালের নির্মিত চলচ্চিত্র।
- এটি ১৯৯৯ সালে ৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
• তানভীর মোকাম্মেল বিখ্যাত কয়েকটি চলচ্চিত্র:
- নদীর নাম মধুমতী, লালসালু, লালন, রাবেয়া, জীবনঢুলী ও রূপসা নদীর বাঁকে।

অন্যদিকে,
- আবার তোরা মানুষ হ: খান আতাউর রহমান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি যুদ্ধ-পরবর্তী সামাজিক চিত্র তুলে ধরে।
- মাটির ময়না ২০০২ সালের বাংলাদেশি বাংলা যুদ্ধভিত্তিক নাট্য চলচ্চিত্র।
- মেঘের অনেক রং ১৯৭৬ সালে নির্মিত বাংলাদেশী বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন হারুনর রশিদ।

উৎস: প্রথম আলো। 

৩০.
চাকমাদের গ্রাম প্রধানকে কী বলা হয়? 
  1. কার্বারী
  2. সার্কেল প্রধান
  3. আদাম
  4. হেডম্যান
সঠিক উত্তর:
কার্বারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বারী
ব্যাখ্যা

- চাকমা গ্রাম প্রধানের উপাধি হলো 'কার্বারী'। 

চাকমা জাতিসত্তা: 
- পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর মধ্যে চাকমারা জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম। 
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলাতে তাদের বসবাস রয়েছে।
- এছাড়া চাকরিসূত্রে চাকমারা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বসবাস করছে। 
- আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের মিজোরাম, ত্রিপুরা, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ও দিল্লীসহ বিভিন্ন রাজ্যে অনেক চাকমা বসবাস করে।
- খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশ এবং রাঙ্গামাটি জেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে চাকমা সার্কেল যার প্রধান হলেন চাকমা চীফ বা চাকমা রাজা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের আরও দুটি সার্কেলের মতো চাকমা সার্কেলও অনেক মৌজা নিয়ে গঠিত। 
- চাকমা ভাষায় গ্রামকে আদাম বা পাড়া বলা হয়। 
- গ্রাম প্রধানের উপাধি হলো 'কার্বারী'। 

এছাড়াও,
- কয়েকটি 'আদাম' বা গ্রাম নিয়ে গঠিত হয় এক-একটি মৌজা।
- মৌজা প্রধান হলেন 'হেডম্যান' যার নেতৃত্বে মৌজার অধিবাসীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খাজনা আদায়, বিভিন্ন সামাজিক বিরোধের বিচারসহ এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এবং জনগণের ভালমন্দ দেখভালের কাজগুলো পরিচালিত হয়। 

উৎস:  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই।

৩১.
বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত ’গ্র্যান্ডমাস্টার’ অর্জন করেন কে?
  1. রিফাত বিন সাত্তার
  2. নিয়াজ মোরশেদ 
  3. জিয়াউর রহমান
  4. হান্নান মাসুদ
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ 
ব্যাখ্যা

দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। 
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি
- বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার ৩য় গ্র্যান্ড মাস্টার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব ৪র্থ গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

৩২.
শততম টেস্টে সেঞ্চুরি অর্জন করেন বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার? 
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. নাজমুল হোসেন শান্ত
  4. মুমিনুল হক
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

শততম টেস্ট ম্যাচ:
- মুশফিকুর রহিম ১১তম খেলোয়াড় হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি অর্জন করেন।
- বিপক্ষ দল: আয়ারল্যান্ড।
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।
- মুশফিক প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১০৬ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি করেন অপরাজিত ৫৩ রান।
- সব মিলিয়ে শততম টেস্টে অন্তত এক ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ব্যাটারের সংখ্যা এখন ১১ জন।
- এদের মধ্যে মুশফিকসহ মাত্র চারজন ব্যাটার দুই ইনিংসেই ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন।

• শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাকি সাত ব্যাটার:
- রিকি পন্টিং, ইনজামাম উল হক, জো রু,ট  কলিন কাউড্রি, জাভেদ মিঁয়াদাদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

৩৩.
২০২৪ সালে বেগম রোকেয়া পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন-
  1. পারভীন হাসান 
  2. তাসলিমা আখতার 
  3. রাণী হামিদ
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা

• বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে 'বেগম রোকেয়া পদক' প্রদান করা হয়।
• নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম  রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান, (শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মী)
- তাসলিমা আখতার, (শ্রম অধিকার কর্মী ও ফটোগ্রাফার)
- রাণী হামিদ, (দাবা খেলায়)
- শিরিন পারভিন হক, (নারী অধিকারকর্মী)

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।