পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সংবিধান [সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা এবং তফসিলসমূহ।] উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
নিম্নের কোন তফসিলৎ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- যার নাম দেয়া হয় বাকশাল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক কে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সুপ্রিমকোর্ট
  3. গণপরিষদ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সুপ্রিমকোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক:
- নাগরিকের মৌলিক অধিকারের উপর সংসদ যে সমস্ত বাঁধা নিষেধ আরোপ করতে পারে সেগুলো যুক্তিসঙ্গত কিনা তা বিচার করবার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যাস্ত।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিংবা তার নির্দেশক্রমে অন্য কোন বিচারক সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীদেরকে নিযুক্ত করবেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ অধ্যায়ে সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে আইনি বিধান রয়েছে। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ কত দিন বিরতি থাকে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।
- প্রতিবছর সংসদের অন্যূন দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি' সম্পর্কে সংবিধানের কোন তফসিলে বলা আছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ২১ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
 গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার মাত্র ১১৬ দিন পর গণপরিষদের এ প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।

⇒ এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়।
- এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?
  1. আব্দুর রউফ
  2. হাশেম খান
  3. সমরজিৎ রায় চৌধুরী
  4. আবুল বারক আলভী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।

উল্লেখ্য,
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।

উৎস: ⅰ) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
iii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় -
  1. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
  3. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয়।

⇒ এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই আদেশে গণপরিষদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয় নি।
- এ ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  2. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
  3. কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
  4. বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়? 
সঠিক উত্তর: গ) কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল ও ঘ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। 
প্রশ্নে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
=========================

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
⇒ যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে। বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত।
- নির্বাহী বিভাগ বা শাসন বিভাগ (প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও প্রসাশনিক মন্ত্রনালয়),
- আইন বিভাগ (জাতীয় সংসদ),
- বিচার বিভাগ (হাইকোট, সুপ্রীম কোট, অধীনস্থ আদালত ও ট্রাইবুনাল),
- নির্বাচন কমিশন,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি),
- অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়,
- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।

অন্যদিকে -
- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
সংবিধানের কোন তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়।
- সংবিধানের ৬ষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।

⇒ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদ সদস্য অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- ঘোষণার মাধ্যমে নবগঠিত আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে।
- ঘোষণায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।
- এ ঘোষণাবলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে গণপরিষদের কতজন সদস্য স্বাক্ষর করেন?
  1. ৪০৩ জন
  2. ৩৯৯ জন
  3. ৩৪৩ জন
  4. ৩০৩ জন
ব্যাখ্যা
সংবিধানে স্বাক্ষর:
- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- এটি একটি লিখিত দলিল।
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য ছিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১১.
হস্তলিখিত সংবিধানে গণপরিষদের সদস্যরা সাক্ষর করেন কত তারিখে?
  1. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ তারিখ স্পিকারের আমন্ত্রণে সংবিধানে সর্ব প্রথম স্বাক্ষর দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- প্রথমে সংবিধানের বাংলা এবং পরে ইংরেজি পাঠে।
- তারপর স্বাক্ষর করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ।
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১২.
বাংলাদেশের সংবিধান কয়টি ভাষায় লিখিত?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান দুইটি ভাষায় লিখিত।
- এগুলো হলো বাংলা ও ইংরেজি।
- তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- স্পিকার সংসদ অধিবেশনের কাজকর্ম পরিচালনা করেন।
- তিনি সভার নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।
- কোনো সদস্য নিয়মবহির্ভূত আচরণ করলে তাকে সভাধ্যক্ষবরখাস্ত করতে পারেন।
- তিনি অনাস্থা প্রস্তাব, মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব ও নিয়মানুযায়ী দৃষ্টি-আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তি সহ বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি দেন।
- অধিবেশনে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে তাও স্পিকার স্থির করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান: প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।
- অর্থাৎ, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
১৪.
বাংলাদেশের সংবিধান কীসের মাধ্যমে রচিত হয়?
  1. সাধারণ আইন পরিষদের মাধ্যমে
  2. রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে
  3. গণপরিষদের মাধ্যমে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- এই গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।

⇒ ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণরিষদ গঠনের আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ সমগ্র বাংলাদেশের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য ছিল।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- রাজনৈতিক দল থেকে বহিঃস্কৃত ব্যক্তি গণপরিষদ থেকে বহিঃস্কৃত হতেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সংবিধান রচনার পবিত্র দায়িত্ব এ পরিষদের উপর ন্যস্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।