পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১ পার্ট – ১: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: i) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণগুলো), জাতিসংঘ মিশন সমূহ; ii) Bretton Woods - সংস্থাসমূহ [বিশ্বব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও GATT/WTO) পার্ট – ২: বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
WTO কীসের স্থলাভিষিক্ত হয়?
  1. MATT
  2. GATT
  3. CATT
  4. SUTT
সঠিক উত্তর:
GATT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GATT
ব্যাখ্যা
WTO-
- World Trade Organization (WTO) বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
- WTO এর পূর্বনাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
- ১৯৪৭ সালে GATT প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৮ সালে কার্যকর হয়।
- GATT ১ জানুয়ারী, ১৯৯৫ সালে WTO-তে রুপান্তরিত হয়।

- সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য ১৬৬ টি।
- সর্বশেষ সদস্য - পূর্ব তিমুর।
- বর্তমান মহাপরিচালক - এনগোজি ওকোনজো- ইওয়েলা (নাইজেরিয়া)।

উৎস: WTO website.
.
কোন দুইটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস সিস্টার বলা হয়?
  1. IFC ও IBRD
  2. IMF ও IBRD
  3. IMF ও MIGA
  4. IDA ও IBRD
সঠিক উত্তর:
IMF ও IBRD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF ও IBRD
ব্যাখ্যা
ব্রেটন উডস সিস্টারস:
- Bretton Woods Institutions এর অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি।
- প্রতিষ্ঠান দুইটি হলো: IMF ও IBRD.

- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এবং IMF এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- বিশ্বব্যাংকের IBRD সহ ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু এর মধ্যে IMF অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
.
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিজার্ভ মুদ্রা কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF):
- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৭ সালের ১লা মার্চে।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
- IMF এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর অ্যান্ডোরা সংস্থাটির ১৯০তম সদস্যপদ লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
-  IMF এর রিজার্ভ মুদ্রা ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।
- এর দাপ্তরিক ভাষা ৩টি (ইংরেজি, ফরাসি ও স্প্যানিশ)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
.
অছি পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত আছে কোন সাল থেকে?
  1. ১৯৯৩ সাল
  2. ১৯৯৪ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সাল
ব্যাখ্যা
অছি পরিষদ/Trusteeship Council-
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেসকল ট্রাস্ট অঞ্চল স্বাধীনতা পাওয়ার যোগ্য সেসকল অঞ্চলসমূহকে স্বাধীন বা স্বায়ত্তশাসন লাভ করার উপযোগী করার উদ্দেশ্যে অছি পরিষদ কাজ করেছে।
- ১ নভেম্বর, ১৯৯৪ সালে এই পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত হয়। তবে প্রয়োজন মনে হলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অথবা নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনক্রমে এটি আবার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
- জাতিসংঘ সনদের ত্রয়োদশ অধ্যায়ে (৮৬ - ৯১নং অনুচ্ছেদ) অছি পরিষদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অছি পরিষদের অধীনে ১১টি ট্রাস্ট অঞ্চল যা জাতিসংঘের ৭টি সদস্য রাষ্ট্রের অধীনস্ত ছিলো, সেগুলো স্বাধীনতা বা স্বায়ত্বশাসন লাভ করে। এই পরিষদের অধীনে সর্বশেষ স্বাধীনতা লাভকারী দেশ “পালাউ” যা যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্ত ছিলো।
- ১৯৯৪ সালে পালাউয়ের স্বাধীনতা প্রাপ্তির মাধ্যমে সকল অছি অঞ্চলই স্বাধীন দেশে পরিণত হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে অছি পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. জাহানারা ফেরদৌস
  2. দিলরুবা নাসরিন
  3. রুবাব ফাতিমা
  4. ইসমাত জাহান
সঠিক উত্তর:
ইসমাত জাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসমাত জাহান
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নিযুক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক: 
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ এস এ করিম জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন।
- ২০০৭ সালের ১৮ জুন জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে ইসমাত জাহান নিয়োগ পান।
- তিনি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১২তম স্থায়ী প্রতিনিধি।
- রুবাব ফাতিমা ১৫তম ও ২য় নারী স্থায়ী প্রতিনিধি।

উৎস: জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন ওয়েবসাইট। 
.
জাতিসংঘ কতৃক Universal Declaration of Human Rights চুক্তিটি অনুমোদিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৬ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার সংক্রান্ত বৈশ্বিক ঘোষণার ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্রটি অনুমোদিত হয়।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার:

- প্যালাইজ দ্য চেইলট, প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সন্মেলনে মানবাধিকার সংক্রান্ত বৈশ্বিক ঘোষণাপত্রটিকেই মানবাধিকার সার্বজনীন ঘোষণাপত্র বলা হয়।
- ইংরেজিতে একে বলে Universal Declaration of Human Rights (UDHR)।
- জাতিসংঘের এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, নারী-পুরুষ, আর্থিক অবস্থাভেদে বিশ্বের সব দেশের সব মানুষের এই মানবাধিকার পাওয়ার অধিকারকে নিশ্চিত করে।
- এই ঘোষণাপত্রটি যৌথভাবে লেখেন কানাডার জন পিটার্স হামফ্রে, ফ্রান্সের রেনে ক্যাসিন ও স্টিফানে হেসেল, চীনের পি. সি. চ্যাং, লেবাননের চার্লস মালিক, যুক্তরাষ্ট্রের রুজভেল্টসহ আরো অনেকে।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
.
IMF এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?(অক্টোবর, ২০২৪)
  1. টুভ্যালু
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. নাউরু
  4. অ্যান্ডোরা
সঠিক উত্তর:
অ্যান্ডোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্ডোরা
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF):
- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৭ সালের ১লা মার্চে।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
- IMF এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর অ্যান্ডোরা সংস্থাটির ১৯০তম সদস্যপদ লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর রিজার্ভ মুদ্রা ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।
- এর দাপ্তরিক ভাষা ৩টি (ইংরেজি, ফরাসি ও স্প্যানিশ)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
.
UNCTAD এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি?(অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ১৯৫ টি
  2. ১৯৭ টি
  3. ১৯৩ টি
  4. ১৯০ টি
সঠিক উত্তর:
১৯৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫ টি
ব্যাখ্যা
UNCTAD:
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ- United Nations Conference on Trade and Development.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়  ৩০ ই ডিসেম্বর  ১৯৬৪ সালে।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫টি।
- UNCTAD শীর্ষ সম্মেলন প্রতি (৪) চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।
- UNCTAD এর প্রথম কনফারেন্স ১৯৬৪ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১৬ জুন জেনেভায় অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে UNCTAD এর সদস্য পায়। 

উৎস: UNCTAD এর ওয়েবসাইট।
.
ECOSOC এর বর্তমান সভাপতি কে?(অক্টোবর, ২০২৪)
  1. পাউলি নারভেজ
  2. লাচেজারা স্টোভা
  3. অ্যান্টেনিও গুতারেস
  4. বব রে
সঠিক উত্তর:
বব রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বব রে
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC):
- এই সংস্থাটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজকর্মের সমন্বয় করে থাকে।
- পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৫৪।
- প্রথম দিকে এই সদস্য সংখ্যা ছিল ১৮।
- ১৯৬৫ সালে সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ২৭, আর ১৯৭৩ সালে তা আরো বাড়িয়ে করা হয় ৫৪।
- সদস্যরা তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকে।
- প্রতিবছর ১৮টি সদস্য রাষ্ট্র তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয় এবং যে ১৮টি রাষ্ট্রের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয়, তাদের স্থান পূরণ করে নতুন ১৮টি রাষ্ট্র।
- সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
- ECOSOC-এর বর্তমান (৮০ তম) প্রেসিডেন্ট  বব রে।  

উল্লেখ্য,
- ECOSOC এর ৭৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন পাউলি নারভেজ।
- ৭৮তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন লাচেজারা স্টোভা।

উৎস: 
ECOSOC এর অফিশিয়াল  সাইট।
১০.
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশি ছলেন কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. বিচারপতি টি এইচ খান
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:

- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সভাপতিত্ব করেন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

এছাড়াও জাতিসংঘের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশ:
- সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া ESCAP- এর নির্বাহী সচিবের পদমর্যাদায় ১৯৮১-৯১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- বিচারপতি টি এইচ খান International Criminal Tribunal-এর সদস্য হিসেবে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী Human Rights Commission-এর চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫-৮৬ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- মেজর জেনারেল মোঃ আব্দুস সালাম UN Peace Keeping Mission-এর কমান্ডার হিসেবে ১৯৯২-৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- পূর্ব তিমুরে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান সামরিক লিয়াজোঁ অফিসার পদে ব্রিগেডিয়ার রেজাউল হায়দার দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: UN General Assembly, .
১১.
ব্রেটন উডস সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রেটন উডস সম্মেলন:
- ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস শহরে অনুষ্ঠিত United Nations Monetary and Financial Conference ব্রেটন উডস সম্মেলন নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে বিশ্বের ৪৪টি দেশের ৭৩০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছিলো।
- ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে The International Bank for Reconstruction and Development (IBRD) এবং The International Monetary Fund (IMF) জন্ম লাভ করে। তাই এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে ‘ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশন’ বলা হয়।

উৎস: WB ওয়েবসাইট.
১২.
বাংলাদেশ নারী পুলিশ সর্বপ্রথম কোথায় শান্তিরক্ষা মিশনে যায়?
  1. নামাবিয়া
  2. পূর্ব-তিমুর
  3. ইরাক-ইরান যুদ্ধ
  4. কঙ্গো
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-তিমুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-তিমুর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্য হয় ১৯৭৯ সাল্র।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথম অংশ নেয়।
- প্রথম অংশগ্রহণ করা মিশনটির নাম ছিলো - UNIIMOG.
- ১৯৮৮ সালের ইউএন ইরান ও ইরাক মিলিটারি অবজারভেশন গ্রুপ (ইউনিমগ) মিশনে মাত্র ১৫ জন সেনা পর্যবেক্ষক প্রেরণের মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রার সূচনা হয়।
- পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৮৯ সালে নামিবিয়ায় বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি রক্ষা মিশনে অংশ নেয়।
- বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী ১৯৯৩ সালে শান্তিরক্ষা মিশনে যায়।
- বাংলাদেশ নারী পুলিশ ২০০০ সালে পূর্ব তিমুরে প্রথম শান্তি রক্ষা মিশনে যায়।
- ২০১০ সালে নারী পুলিশ কঙ্গোতে পূর্ণাঙ্গ মিশনে যায়। সদস্য ছিলো ৮১ জন। মিশনের নাম ছিলো ফর্মেড পুলিশ ইউনিট।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ভূমিকাকে সম্মান দেখিয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরালিওন বাংলাকে একটি সরকারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। 

উৎস: বাংলাদেশ আর্মড ফোর্স ডিভিশন ওয়েবসাইট ও UN Peacekeeping এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩.
বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. বিশ্ব ব্যাংক
  2. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  3. জাতিসংঘ
  4. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশ্ব ব্যাংক:
- বিশ্ব ব্যাংক একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা উন্নয়নশীল দেশগুলিকে ঋণ ও অনুদান প্রদান করে।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- বর্তমানে ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে ১৭ আগস্ট বিশ্ব ব্যাংকে যোগদান করে।
- বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বর্তমান (১৪তম) প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা (২ জুন ২০২৩ - পরবর্তী ৫ বছর)।
- প্রতি বছর বিশ্ব ব্যাংক বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন(WDI) প্রকাশ করে।

বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত -
১. আইবিআরডি (IBRD),
২. আইডিএ (IDA),
৩. আইএফসি(IFC) ,
৪. আইসিএসআইডি (ICSID), এবং
৫. মিগা (MIGA)।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪.
UNICEF এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিলো?
  1. United Nations Children’s Emergency Fund
  2. United Nations International Children’s Fund
  3. United Nations International Children’s Emergency Fund
  4. United Nations Children’s Fund
সঠিক উত্তর:
United Nations International Children’s Emergency Fund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations International Children’s Emergency Fund
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শিশু তহবিল (UNICEF):
- UNICEF এর পূর্ণরূপ United Nations Children’s Fund। ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠার সময় এর নাম ছিলো - United Nations International Children’s Emergency Fund (UNICEF)।
- প্রতিষ্ঠাকাল - ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সাল
- কার্যক্ষেত্র - ১৯০টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে। 
- সদরদপ্তর - নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও ECOSOC - এর তত্ত্ববধানে UNICEF প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান প্রধান (নির্বাহী পরিচালক) - ক্যাথরিন রাসেল (১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ - বর্তমান)। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

উৎস: UNICEF ওয়েবসাইট।
১৫.
International Court of Justice এর বিচারকগণ কত বছরের জন্য নির্বাচিত হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বিচারালয় (International Court of Justice, ICJ):
- জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের বিচারকের সংখ্যা ১৫ জন। 
- ৪ জন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ হতে,
- ৪ জন এশিয়া হতে,
- ৩ জন ইউরোপ হতে,
- ২ জন লাতিন আমেরিকা থেকে এবং,
- ২ জন আফ্রিকা থেকে নির্বাচিত হন। 

- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৫ সাল।
- সভাপতির মেয়াদ: ৩ বছর।
- বিচারকের মেয়াদ ৯ বছর। 
-  সদর দপ্তর: নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
- সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ পৃথক পৃথক ভাবে ভোটে এদের নির্বাচিত করে।
- প্রতি বছর এক তৃতীয়াংশ বিচারক অবসর গ্রহণ করেন এবং তাঁদের স্থানে নতুন বিচারক নির্বাচিত হন। 

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. বালি
  2. ব্যাংকক
  3. কলম্বো
  4. দিল্লি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে।
এগুলো হলো:
১. এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP)
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।

২. পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA)
- সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন।

৩. ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC)
- সদর দপ্তর: সান্তিয়াগো, চিলি।

৪. ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECE)
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

৫. আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA)
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৭.
জাতিসংঘের নারী উন্নয়ন তহবিল (UNIFEM) প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
- UNIFEM (United Nations Development Fund for Women) হচ্ছে জাতিসংঘের নারী উন্নয়ন তহবিল।
- এটি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

উল্লেক্ষ্য,
- UN WOMEN হল লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য নিবেদিত জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য UN Women প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুলাই, ২০১০ সালে।  
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৮.
নিচের কোনটি বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের সদস্য নয়?
  1. ICA
  2. MIGA
  3. IDA
  4. IBRD
সঠিক উত্তর:
ICA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICA
ব্যাখ্যা
ICA বিশ্বব্যাংক এর সদস্য নয়।

বিশ্ব ব্যাংক:
- বিশ্ব ব্যাংক একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা উন্নয়নশীল দেশগুলিকে ঋণ ও অনুদান প্রদান করে।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- বর্তমানে ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বর্তমান (১৪তম) প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।

বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত -
১. আইবিআরডি (IBRD),
২. আইডিএ (IDA),
৩. আইএফসি(IFC) ,
৪. আইসিএসআইডি (ICSID), এবং
৫. মিগা (MIGA)।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৯.
‘শ্যামলী' কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তমিল রয়েছে?
  1. চিত্রা
  2. মানসী
  3. পুনশ্চ
  4. সেঁজুতি
সঠিক উত্তর:
পুনশ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনশ্চ
ব্যাখ্যা
‘শ্যামলী' কাব্যগ্রন্থ:
• ‘শ্যামলী' (১৯৩৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
• এ গ্রন্থের নাম দেয়া হয়েছে শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের মাটির ঘরের নামে। এটি মোট বাইশটি কবিতার সংকলন।
• এগুলো গদ্যকবিতার বিশেষ উদাহরণ। ‘পুনশ্চ' কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে এর মিল আছে।
• ‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ', ‘বাঁশিওয়ালা’, ‘হঠাৎ দেখা' প্রভৃতি পরিচিতি পঙ্‌ক্তি বা কবিতাগুলি এ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
• রবীন্দ্রনাথের-কাব্যজীবনের শেষ পর্বের নিরলঙ্কারী ভাষা, উদাসীনতা ও জীবনের প্রতি আসক্তির বিরোধী অনুভূতি ‘শ্যামলী' কাব্যের বৈশিষ্ট্য।

------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২০.
‘The Zamindar and Royats’ প্রবন্ধটি কোন পটভূমিকায় রচিত?
  1. বঙ্গভঙ্গের
  2. নীলকরদের অত্যাচারের
  3. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের
  4. পঞ্চাশের মন্বন্তরের
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের
ব্যাখ্যা
• The Zamindar and Royats প্রবন্ধের রচয়িতা টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে খ্যাত প্যারীচাঁদ মিত্র।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমালোচনা করে তিনি এই প্রবন্ধটি রচনা করেন।

-------------------
প্যারীচাঁদ মিত্র:
• প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
• তাকে বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ বলা হয় ৷
• তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লিখতেন।
• তাঁর রচিত কথিত প্রথম উপন্যাসের নাম 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮)। ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ‘মাসিক পত্রিকা'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়ে ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।

• প্যারীচাঁদের অন্যান্য গ্রন্থ:
- আামারঞ্জিকা' (১৮৬০) স্ত্রীশিক্ষামূলক গ্রন্থ।

• তাঁর প্রবন্ধ পুস্তক:
- 'কৃষিপাঠ' (১৮৬১),
- 'যৎকিঞ্চিৎ' (১৮৬৫),
- 'ডেবিড হেয়ারের জীবনচরিত' (১৮৭৮) প্রভৃতি।

• সংলাপপ্রধান গল্পমূলক রচনা:
- 'অভেদী' (১৮৭১),
- 'আধ্যাত্মিকা' (১৮৮০) ইত্যাদি গ্রন্থ সংলাপপ্রধান গল্পমূলক রচনা এবং মূলত নীতিবিষয়ক।

• 'এতদ্দেশীয় স্ত্রীলোকদিগের পূর্বাবস্থা' (১৮৭৮) গ্রন্থে প্রাচীন ভারতের নারীদের শিক্ষা ও মহত্ত্বের পরিচয় উপলক্ষে পৌরাণিক নারীচরিত্রের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

• 'গীতাঙ্কুর' (৩য় সংস্করণ, ১৮৭০) ব্রহ্মবিষয়ক গানের সমষ্টি।
• 'বামাতোষিণী' (১৮৮১) প্যারীচাঁদ মিত্রের সর্বশেষ রচনা-নারীশিক্ষার উদ্দেশ্যে গ্রন্থটির রচিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
২১.
‘ফাঁস কাগজ’ প্রহসনটির রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. নুরুল মোমেন
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
• ‘ফাঁস কাগজ’ মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি প্রহসন।

-------------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:

- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির  গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়।

• প্রহসন:
- টালা অভিনয়,
- এর উপায় কি,
- ফাঁস কাগজ,
- ভাই ভাই এইতো চাই।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২২.
১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক কোনটি?
  1. মানুষ
  2. কবর
  3. দণ্ডকারণ্য
  4. মুখরা রমণী বশীকরণ
সঠিক উত্তর:
মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ
ব্যাখ্যা
মানুষ' নাটক:
• 'মানুষ' (১৯৪৭) এক দৃশ্য বিশিষ্ট মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত।
• মানুষ নাটকের চরিত্রাবলি: ফরিদ, জুলেখা, বাবা, মা, ডাক্তার।

কাহিনি সংক্ষেপ:
এক হিন্দু তরুণ ডাক্তার আত্মরক্ষার জন্য এক মুসলিম বাড়িতে প্রবেশ করে। সে বাড়িতে একজন অসুস্থ, অন্য একজন দাঙ্গায় মারা গেছে। ডাক্তার রোগীকে চিকিৎসা দেয়। এ সময় হিন্দু ডাক্তারের খোঁজে মুসলিম দাঙ্গাকারীরা ঘরে প্রবেশ করে। তখন গৃহকর্ত্রী মশারির নিচে অসুস্থ সন্তানের পাশে ডাক্তারকে আড়াল করে তার জীবন রক্ষা করে। এভাবেই মানুষ বা মানবতা বড় হয়ে দেখা দেয়।

অন্যদিকে,
• 'কবর' নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
• ‘দণ্ডকারণ্য’ পৌরাণিক আবহে রচিত নাটক।
• ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ শেক্সপিয়রের গ্রন্থের অনুবাদকৃত একটি কমেডি নাটক।

-------------------------
• মুনীর চৌধুরী:

- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- ‘মুনীর অপটিমা’ তাঁর উদ্ভাবিত বাংলা টাইপ-রাইটিং।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- মানুষ,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৩.
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্প নয় কোনটি?
  1. মেঘমল্লার
  2. ইছামতী
  3. মৌরীফুল
  4. রূপহলুদ
সঠিক উত্তর:
ইছামতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইছামতী
ব্যাখ্যা
• 'ইছামতী' উপন্যাস:
- ‘ইছামতী’ ১৯৫০ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত শেষ উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের জন্য তিনি 'রবীন্দ্র পুরস্কার' লাভ করেন।
- ইছামতি নদীর তীরবর্তী গ্রামের মানুষের জীবনকথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।

• উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- ভবানী বাঁড়ুয্যে,
- তিলু,
- বিলু,
- নীলু।

---------------------------
• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে চব্বিশ পরগনায় মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা কথা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত শেষ উপন্যাস ‘ইছামতী’ প্রকাশিত হয় ১৯৫০ সালে।
- মানুষের জীবনের কথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৪৯) লাভ করেন।
- ১৯৫০ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
• উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ,
- চাঁদের পাহাড়।

• তাঁর রচিত গল্পের বই:
- মেঘমল্লার,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- জন্ম ও মৃত্যু,
- কিন্নর দল,
- বিধু মাস্টার,
- রূপহলুদ,
- কুশল পাহাড়ী
- নবাগত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪.
'নয়া খান্দান' নুরুল মোমেন রচিত কোন ধরনের নাটক?
  1. সমাজিক নাটক
  2. ঐতিহাসিক নাটক
  3. রাজৗনতিক নাটক
  4. কমেডি নাটক
সঠিক উত্তর:
কমেডি নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমেডি নাটক
ব্যাখ্যা
• 'নয়া খান্দান' নাটক:
- নাটকটি ১৯৬১ সালে রচিত, ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- বংশমর্যাদা ও এ নিয়ে আভিজাত্যের প্রতি শ্লেষ ব্যক্ত হয়েছে এ নাটকে।
- নাট্যকার দেখিয়েছেন- আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিতদের কাছে বংশমর্যাদার চেয়ে সুরুচিই বরং কাম্য। এ সুশিক্ষাই বর্তমান যুগের নতুন বা নয়া খান্দান (আভিজাত্য) হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি কমেডি নাটক।

------------------------
• নুরুল মোমেন:
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক রূপান্তর ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়। তিনি নিজে নাটকটি পরিচালনা করেন। ১৯৪৭ সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।
- নুরুল মোমেন রচিত প্রথম রম্যগ্রন্থ 'বহুরূপা'।

• নুরুল মোমেন এর বিখ্যাত নাটক:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে,
- শতকরা আশি,
- রূপলেখা,
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

• তাঁর রচিত রম্যগ্রন্থগুলো হলো:
- বহুরূপা,
- নরসুন্দর,
- হিংটিং ছট।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
২৫.
নির্মলেন্দু গুণের ডাকনাম কী ছিলো?
  1. প্রকাশ
  2. রতন
  3. মিলু
  4. গুণ
সঠিক উত্তর:
রতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রতন
ব্যাখ্যা
• নির্মলেন্দু গুণ: 
- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সম্পূর্ণ নাম ‘নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী’।
- নির্মলেন্দু গুণের ডাকনাম ছিলো রতন। প্রিয়জনেরা ‘রতু’ বলে ডাকতেন।
- বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয় নির্মলেন্দু গুণ কে। 
- তাঁকে  ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এছাড়া ১৯৮২ সালেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়। 

নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো-
• প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
• না প্রেমিক না বিপ্লবী,
• দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
• ও বন্ধু আমার,
• চাষাভূষার কাব্য,
• পৃথিবীজোড়া গান,
• দূর হ দুঃশাসন,
• ইসক্রা,
• নেই কেন সেই পাখি,
• মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা,
• শিয়রে বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমণ কাহিনি:
- ভলগার তীরে,
- গীনসবার্গের সঙ্গে,
- আমেরিকায় জুয়া খেলার স্মৃতি,
- ভ্রমি দেশে দেশে।

তাঁর রচিত কিশোর উপন্যাস:
- কালো মেলা,
- বাবা যখন ছোট্ট ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২৬.
'শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকা'র সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন-
  1. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা
• মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক:
- কবি, সাংবাদিক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (১৮৬০-১৯৩৩) পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'শান্তিপুরের কবি' হিসেবে পরিচিত মোজাম্মেল হক মুসলিম জীবনাদর্শ, ইসলামের নবজাগরন ইত্যাদি অবলম্বনে কাব্য রচনা করলেও জীবনী ও উপন্যাস রচনায় বৈশিষ্ট্য দেখিয়েছেন।
- মোজাম্মেল হক 'লহরী' , 'মোসলেম ভারত' ও 'শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকা'র সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন
- মোজাম্মেল হক ছিলেন মূলত কবি, তবে তাঁর গদ্যরচনাও আছে।
- তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক ‘কাব্যকণ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- জোহরা,
- দরাফ খান গাজী।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কুসুমাঞ্জলি,
- অপূর্ব দর্শন,
- প্রেমহার,
- জাতীয় ফোয়ারা,
- ইসলাম সংগীত,
- হযরত মুহম্মদ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- মহর্ষি মনসুর,
- ফেরদৌসি চরিত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭.
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. রাজাবলি
  2. ইতিহাসমালা
  3. বেদান্তচন্দ্রিকা
  4. হিতোপদেশ
সঠিক উত্তর:
ইতিহাসমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতিহাসমালা
ব্যাখ্যা
• বেদান্তচন্দ্রিকা, হিতোপদেশ, রাজাবলি - মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের রচনা।

অন্যদিকে,
• উইলিয়াম কেরি রচিত গ্রন্থ - ইতিহাসমালা।

------------------
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন।
- এছাড়াও তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পণ্ডিত হিসেবে।
- তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রন্থের রচয়িতা।

• তার রচিত গ্রন্থ:
- বত্রিশ সিংহাসন,
- রাজাবলি,
- হিতোপদেশ,
- বেদান্তচন্দ্রিকা,
- প্রবোধচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
২৮.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. আনন্দমঠ
  3. রাজসিংহ
  4. যুগলাঙ্গুরীয়
সঠিক উত্তর:
আনন্দমঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনন্দমঠ
ব্যাখ্যা
• ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাস:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে ১৮৮২ সালে।
- উপন্যাসটিতে প্রতিপাদ্য বিষয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে স্বদেশভক্তি, স্বজাতি ও স্বধর্মপ্রীতি।
- এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্বদেশ বলতে বঙ্গভূমিকে, আর ধর্ম বলতে হিন্দু ধর্মকে বুঝিয়েছেন।
- 'বন্দে মাতরম্' গান দ্বারা বুঝিয়েছেন ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের দীক্ষা।
- উল্লেখ্য যে এটি কোন ঐতিহাসিক উপন্যাস নয়। এর ঘটনা কল্পিত কিন্তু অবিশ্বাস্য নয়। চরিত্রগুলি আদর্শায়িত।
- মন্বন্তরের বর্ণনা নিখুঁত, সাধারণ গ্রামীণ জীবনের আখ্যান বাস্তব।
- সর্বোপরি প্রেম এবং আদর্শের দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের কাহিনিকে নিবিড়তা দিয়েছে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই গ্রন্থের 'বন্দে মাতরম্' গানটির ভূমিকা যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি ঐতিহাসিক এই উপন্যাসের প্রভাব। - নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত 'The Abbey of Bliss' (1907) এবং শ্রী অরবিন্দ 'Ananda Math' (1910) নামে উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদ করেন। - এটি মূলত বাস্তবানুগ রোমান্সধর্মী উপন্যাস।
- এই গ্রন্থে রচিত গানের 'বন্দে মাতরম্' ধ্বনি পরবর্তীকালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকারীদের অত্যন্ত প্রিয় ও উদ্দীপক স্লোগান হিসেবে গৃহীত হয়।
- এই গ্রন্থ থেকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনায় স্বসম্প্রদায়প্রীতি লক্ষ করা যায়।

----------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
- তাঁর রচিত প্রথম ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’।

• বঙ্কিমচন্দ্র রচিত ত্রয়ী উপন্যাসগুলো হলো:
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরানী ও
- সীতারাম উপন্যাস।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯.
কল্লোল সাহিত্যগোষ্ঠীর লেখক ছিলেন-
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. বিষ্ণু দে
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা
'কল্লোল' পত্রিকা ও কল্লোল সাহিত্যগোষ্ঠী:
• ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
• এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র সাহিত্যিক বলয় তৈরী হয়েছিল এবং ‘কল্লোল যুগ’ নামে আলাদা একটি যুগের সৃষ্টি হয়।
• কল্লোল যুগের একটি প্রধান বৈশিষ্ট ছিল রবীন্দ্র বিরোধিতা।
• যে সময়ে কল্লোলের আবির্ভাব, তখন বাংলা সাহিত্যের সর্বকোণ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাবে প্রোজ্জ্বল।
• কল্লোল যুগের লেখকদের মূল লক্ষ্য ছিল রবীন্দ্র বৃত্তের বাইরে এসে সাহিত্যর একটি মৃত্তিকাসংলগ্ন জগৎ সৃষ্টি করা।
• মূলত বাংলা কবিতায় গদ্যধারার প্রবর্তন শুরু হয় কল্লোল যুগেই।

• কবিতার ক্ষেত্রে যাদের নাম কল্লোল যুগের শ্রেষ্ঠ নায়ক বিবেচনায় প্রচারিত তারা হলেন কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু, অমিয় চক্রবর্তী, জীবনানন্দ দাশ, বিষ্ণু দে। এই পাঁচজন বিশিষ্ট কবিকে একসাথে বলা হয় বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব। এ পঞ্চপাণ্ডবই ছিলেন মূলত কল্লোল যুগের কাণ্ডারি।

• তবে কাজী নজরুল ইসলাম, প্রেমেন্দ্র মিত্র, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, সঞ্জয় ভট্টাচর্য, অবনীনাথ রায় প্রমুখ অনেকেরই ভূমিকা কোন অংশে খাটো করে দেখবার উপায় নেই।

-----------------------
• বিষ্ণু দে:

- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হল:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
৩০.
বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ ছিলেন কোন সাহিত্যিক?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) পর্যন্ত মোট ছয়বার জাপান সফর করেন এবং সেখানে সর্বমোট ৫ মাস ১৪ দিন অবস্থান করেন।
- জাপান সফরের এই কাহিনিগুলো নিয়ে তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি ‘জাপান যাত্রী’।

• ‘জাপান যাত্রী’ ভ্রমণকাহিনি:
• জাপান যাত্রী তাঁর জাপানে প্রথম সফরের সময় সংরচিত। রবীন্দ্রনাথ অন্যান্য বিদেশ যাত্রার মত জাপান যাত্রার প্রাক্কালে সেবারও 'সবুজ পত্র'র জন্য ভ্রমণ-বৃত্তান্ত লিখে পাঠাবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। জাপান যাত্রার তিন দিন পর ২১ বৈশাখ তোসামারু জাহাজে বসেই রবীন্দ্রনাথ প্রমথ চৌধুরীকে পত্র লেখেন। এই পত্রে লিখিত কাহিনিগুলোই পরে বিভিন্ন পরিচ্ছেদে প্রকাশিত হয়।

• প্রবাসি ও মডার্ণ রিভিউ পত্রিকা সম্পাদক বিশিষ্ট ব্রাহ্মনেতা রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় এর নামে জাপান যাত্রী উৎসর্গ করেন রবীন্দ্রনাথ।
• জাপান-যাত্রী পরবর্তীকালে ১৩৪৩ সালে জাপানে-পারস্যে গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়।

• ১৯৬৯ সালে রবীন্দ্র শতবর্ষ উদযাপনের সময় জাপান যাত্রী জাপান ভ্রমণ সংক্রান্ত বহু তথ্য, চিঠিপত্র, ভাষণ ও অন্যান্য রচনা একত্র করে আলাদাভাবে সচিত্র সংস্করণ হিসেবে প্রকাশিত হয়।

• সবুজ পত্রে লেখাগুলির প্রকাশকাল এবং গ্রন্থাকারে জাপান-যাত্রীর প্রথম প্রকাশকাল সম্পর্কিত পূর্বোক্ত তথ্য পর্যালোচনা করে বলা যায় রবীন্দ্রনাথের জাপান যাত্রার বিবরণ মূলত প্রথমবার যাত্রাপথে জাহাজে বসে লেখা এবং জাপানে বসে লেখা মাত্র চারটি পরিচ্ছেদ তাও প্রথম বার সফরের সময়।

• এটাও প্রণিধানযোগ্য যে রবীন্দ্রনাথ মোট ছয়বার জাপানে পদার্পণ করলেও ১৯১৬ সালে প্রথমবার ৩ মাস ৬ দিন, ১৯২৪ সালে চতুর্থবারে ২৩ দিন এবং ১৯২৯ সালে ষষ্ঠ বারে ২৯ দিন একটানা অবস্থান করেছিলেন। বাকি তিন বারের অবস্থান ছিল যাত্রাবিরতি প্রকৃতির, ২ থেকে ৭ দিনের মতো।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্যান্য ভ্রমণকাহিনি হলো:
- জাভা যাত্রীর পত্র;
- জাপান যাত্রী;
- রাশিয়ার চিঠি;
- জাপানে-পারস্যে;
- পারসো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘জাপান যাত্রী’ ভ্রমণকাহিনি।
৩১.
‘সাগর থেকে ফেরা’ প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. গল্পগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• ‘সাগর থেকে ফেরা’ প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটি ১৯৫৭ সালে অকাদেমী পুরস্কার ও ১৯৫৮ সালে রবীন্দ্রপুরস্কার লাভ করে।

---------------------
• প্রেমেন্দ্র মিত্র:

- প্রেমেন্দ্র মিত্র একাধারে কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক।
- তাঁর জন্ম ১৯০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাশিতে।
- তিনি কল্লোল পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন।
- প্রেমেন্দ্র মিত্র কলকাতার সাউথ সাবার্বন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯২০) পাস করে সাহিত্য-সাধনায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পঞ্চশর,
- বেনামী বন্দর,
- পুতুল ও প্রতিমা,
- অফুরন্ত,
- ধূলিধূসর,
- জলপায়রা,
- মৃত্তিকা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পাঁক,
- কুয়াশা,
- মিছিল,
- উপনয়ন ,
- আগামীকাল,
- প্রতিশোধ,
- প্রতিধ্বনি ফেরে,
- অন্য এক নাম,
- পা বাড়ালেই রাস্তা ইদ্যাদি।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- প্রথমা,
- সম্রাট,
- ফেরারী ফৌজ,
- সাগর থেকে ফেরা,
- হরিণ চিতা চিল,
- এখনো মেঘ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
'ললিতা তথা মানস' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. প্রবন্ধ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. গল্প
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
- তাঁর রচিত প্রথম ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’।

• বঙ্কিমচন্দ্র রচিত ত্রয়ী উপন্যাসগুলো হলো:
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরানী ও
- সীতারাম উপন্যাস।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৩.
বদরুদ্দীন উমর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. আমি বিজয় দেখেছি
  2. একাত্তরের বিজয়
  3. যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ
  4. একাত্তরের রণাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ
ব্যাখ্যা
• ‘যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ’:
- ‘যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ’ বদরুদ্দীন উমর রচিত ও সম্পাদিত প্রবন্ধগ্রন্থ।
- যে প্রবন্ধগুলি এই সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেগুলি সবই ১৯৭০ সালের ফেব্রুয়ারী থেকে ১৯৭১ সালের মার্চ পর্যন্ত সাপ্তাহিক 'গণশক্তি' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো।
- তখন 'গণশক্তি'র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে বদরুদ্দীন উমর পত্রিকাটি সম্পাদনার যাবতীয় দায়িত্ব পালন করতেন।
- 'যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ' নামে মুজিব আমলে লিখিত রাজনৈতিক প্রবন্ধগুলির যে সংকলন ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়েছে সেগুলির সাথে 'যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ' নামক এই সংকলনের প্রবন্ধগুলি মিলিয়ে পাঠ করলে চিন্তার ধারাবাহিকতা সহজেই বোঝা যাবে। 

অন্যদিকে,
• শামসুল হুদা চৌধুরী রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ ‘একাত্তরের রণাঙ্গন’ ‘একাত্তরের বিজয়’।
• এম এ আখতার মুকুল রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ  'আমি বিজয় দেখেছি'।

---------------------
• বদরুদ্দীন উমর:
- বদরুদ্দীন উমর ১৯৩১ সালের ২০শে ডিসেম্বর পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমানে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মূলত অধ্যাপক এবং রাজনীতিক।
- তিনি ‘সংস্কৃতি’ সাময়িকী সম্পাদনা করেন।

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হলো: 
- সাম্প্রদায়িকতা।
- সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা।
- পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ।
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ।
- যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ।
- ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ।
- বঙ্গভঙ্গ ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি।
- বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ’ প্রবন্ধগ্রন্থ।