পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 13” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৫ প্রশ্ন

.
A person who is Chivalrous is -
  1. Polite
  2. Handsome
  3. Cruel
  4. Cowardly
ব্যাখ্যা
A person who is Chivalrous is - Polite.

• Chivalrous:

English meaning: A chivalrous man is polite, honest, fair, and kind towards women.
Bangla meaning: বীর্যবত্তার যুগবিষয়ক; মধ্যযুগীয় বীরব্রতী নাইটকুলসম্পর্কিত; মর্যাদাবান/ ভদ্র, সাহসী ও নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

Example: 
- He was polite and chivalrous and never cursed in front of her.
- It's very chivalrous of you to defend her but don't you think she can speak for herself?

Other options,

খ) Handsome:
- সুদর্শন; সুপুরুষ।

গ) Cruel:
- নিষ্ঠুর; নির্দয়। 

ঘ) Cowardly:
- কাপুরুষোচিত।
 
Source: Cambridge Dictionary.
.
He insisted _____ there.
  1. on my going
  2. is to go
  3. over going
  4. to go
ব্যাখ্যা
→ [36 BCS Preliminary]

• Complete Sentence: He insisted on my going there.

• Insist on/upon/ Insist on doing something:
- To keep doing something, even if it annoys other people, or people think it is not good for you.
- বাংলায়, কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা।
- Insist on/upon এর সাথে verb এর -ing form বসে।

যেমন:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.
- He insisted on seeing her.

Source: Cambridge Dictionary Grammar Reference.
.
She has lived in this house ______ 2010.
  1. since
  2. from
  3. for
  4. till
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - since.
Complete Sentence: She has lived in this house since 2010.
- Since ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট কোনো সময় (যেমন: 2010, yesterday, Monday) নির্দেশ করতে।

• Since এর ব্যবহার:
- Point of time এর পূর্বে since বসে।
- Point of time হচ্ছে সেই সময়কাল যাকে এক, দুই, তিন ইত্যাদি গণনার একক দ্বারা গণনা করা যায় না বরং কোনো সময়কে নির্দেশ করে।
- সময় - নির্দিষ্ট দিন হতে পারে (Friday, Monday), নির্দিষ্ট ঘড়ির কাঁটা হিসেবে ঘন্টা হতে পারে (five o'clock), নির্দিষ্ট সাল হতে পারে (1971) প্রভৃতির পূর্বে since বসে।

Example Sentence:
- They have been playing since four o'clock. 
- He has been ill since Friday.
- I have been waiting since half past three.
.
Learning is rewarding. Here, 'rewarding' is —
  1. Participle
  2. Gerund
  3. Main verb
  4. Finite verb
ব্যাখ্যা
• Learning is rewarding. HERE 'rewarding' is — Participle.
- rewarding শব্দটি এখানে Participle (বিশেষত Present Participle) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি “reward” verb -ing ফর্ম, যা এখানে adjective হিসেবে “Learning” কে বর্ণনা করছে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.
.
Complete the following sentence by choosing the appropriate option:
She hit the nail on the head, so—
  1. She accidentally hurt her hand.
  2. She forgot what to say next.
  3. She made a perfect point.
  4. She made everyone laugh with her joke.
ব্যাখ্যা
Answer: She made a perfect point.

• Hit the nail on the head:
English meaning: to describe exactly what is causing a situation or problem.
Bangla meaning: মূল সমস্যাটি চিহ্নিত করা; আসল কথায় আসা।

Example:
- I think Mick hit the nail on the head when he said that what's lacking in this company is a feeling of confidence.

Source: Cambridge Dictionary.
.
Complete the following sentence by choosing the appropriate option:
Nina always burns the midnight oil, so she often—
  1. has trouble falling asleep
  2. stays up until midnight
  3. avoids using electricity
  4. studies late at night
ব্যাখ্যা
Correct answer: ঘ) studies late at night.

Nina always burns the midnight oil, so she often— studies late at night.


• To burn the midnight oil (Idiom)
English Meaning: Read or work late into the night.
Bangla Meaning: অধিক রাত পর্যন্ত জেগে কাজ করা।

• Example Sentence:
- Do you write best in the morning or do you burn the midnight oil?
- A short while back, he was ever poring over the written page and burning the midnight oil.
.
Fill in the gap with the right tense:
If you heat metal, it ___.
  1. expands
  2. will expand
  3. expanded
  4. would expand
ব্যাখ্যা
• এটি একটি zero conditional sentence, যা সাধারণ সত্য বা বৈজ্ঞানিক নিয়ম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

• Zero conditional এর গঠন হলো:
- If + Present Simple + Present Simple.

Complete sentence: If you heat metal, it expands.
Bangla: যখন তুমি ধাতবকে গরম করো, তখন এটা প্রসারিত হয়।

Example:
- If you touch fire, it burns.
.
Fill in the blank:
They ___ for permission before using the equipment.
  1. had better to ask
  2. had better ask
  3. had better asking
  4. had better asked
ব্যাখ্যা
Complete sentence: They had better ask for permission before using the equipment.

• Had better এর পরে verb এর base form বসে।
- এখানে had হলো unreal past বা অবাস্তব অতীত।
- Had better অর্থ তবুও/ বরং ভালো।
- এ ধরণের বাক্য সবসময় present বা future অর্থ প্রদান করে।
- Had better যুক্ত sentence past tense এর হলেও তা মূলত past tense নয়।
- এ জাতীয় বাক্যগুলি মূলত একটি উপদেশ বা suggestion প্রকাশ করে।
- Had better এর পর infinitive to বসে না।

• Structure: Subject + had better/would better/had rather + verb এর base form.
- যেমন:
- I had better meet him now.
- You had better stay today.
.
You look a bit down. Is something the matter? Here, 'down' is -
  1. Verb
  2. Noun
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
You look a bit down. Is something the matter? Here, 'down' is - adjective.

- এখানে ‘down’ ব্যক্তির মানসিক অবস্থা বা মেজাজকে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ ‘a bit down’ মানে কিছুটা দুঃখী বা মন খারাপ।
- ‘Look’ হলো linking verb, যার পরে যেটা আসে তা সাধারণত adjective হয় যা subject এর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
- তাই ‘down’ এখানে adjective হিসেবে কাজ করছে।

• এখানে "a" টি "down" এর article নয়।
- 'a bit' একটি phrase.
- এটি একটি quantifier এবং এটি adjective কে modify করতে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে “a bit” মানে “একটু”, বা "কিছুটা" এবং এটি down adjective-এর আগে বসেছে।
- "a bit down" মানে একটু মন খারাপ / সামান্য বিষণ্ণ।
- এখানে 'down' হলো Adjective (মন-মেজাজ বোঝাতে)।

• Down: [adjective]
English meaning: sad or depressed.
Bangla meaning: ‘দুঃখিত’, ‘মন খারাপ’ বা ‘অবসন্ন’।

Example:
- I feel a bit down today.
- You look a bit down. Is something the matter?
- Don't let the weather get you down.

Source: Oxford Dictionary.
১০.
'Mutton' is -
  1. Common noun
  2. Abstract noun
  3. Material noun
  4. Proper noun
ব্যাখ্যা
• Mutton (ভেড়া/খাসির মাংস) হলো Material noun.
- কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক।

• Materiel noun: 
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়। একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Wood, Mutton, Oil etc.
১১.
He is confident about what he can achieve. Here, the underlined part is -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverbial clause
  4. None of these
ব্যাখ্যা
He is confident about what he can achieve. Here, the underlined part is - noun clause.
- এখানে "what he can achieve" অংশটি একটি noun clause.
- 'about' preposition এর object হিসেবে এটি noun clause হয়েছে। 

• A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Noun clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.

• একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause  বসতে পারে -
1. Subject হিসাবে,
যেমন: What will he do is uncertain.

2. Transitive verb এর object হিসেবে,
যেমন: I believe what you have said.

3. Linking verb এরপরে complement হিসাবে,
যেমন: The reason is why they are angry.

4. Preposition এরপরে,
যেমন: Listen to what they say.
১২.
I saw ____________ eagle flying over ___________ Himalayas.
  1. an, the
  2. an, a
  3. the, a
  4. no article, no article
ব্যাখ্যা
The correct answer is: ক) an, the.

Complete sentence: I saw an eagle flying over the Himalayas.

• "an eagle" → কারণ eagle শব্দটি vowel sound দিয়ে শুরু হয়, তাই an indefinite article ব্যবহৃত হয়।
- "the mountain" → কারণ এখানে পর্বতমালার নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে।

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- সাধারণত পর্বতমালার নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে।
 -যেমনঃ The Himalayas, The Bindhays.
১৩.
The word 'chronology' deals with —
  1. dreams
  2. time
  3. numbers
  4. Both B & C
ব্যাখ্যা
Answer: time.

• Chronology:
English meaning: the science that deals with measuring time by regular divisions and that assigns to events their proper dates.
Bangla meaning: ঘটনাপঞ্জির কালানুক্রমিক গ্রন্থনা; কালনির্ঘন্ট।

• Chronology মানে হলো ঘটনাগুলোর কালানুক্রমিক ধারাবিবরণী, অর্থাৎ সময় অনুযায়ী সাজানো ক্রম।

Example:
- The historian presented the chronology of events leading to the war.
Bangla:  ইতিহাসবিদ যুদ্ধের দিকে যাওয়ার ঘটনাগুলো সময়ের ধারায় তুলে ধরেন।
১৪.
Something 'Ephemeral' is —
  1. long-lasting
  2. boring
  3. short-lived
  4. painful
ব্যাখ্যা
Answer: short-lived.

• Ephemeral (adjective)
English Meaning: Lasting for only a short time.
Bangla Meaning: স্বল্পজীবী; স্বল্পস্থায়ী।

Example Sentence:
1. Happiness for Aristotle is not a fleeting feeling or an ephemeral passion.
2. The autumnal blaze of colors is always to be treasured, all the more so because it is so ephemeral.

Source: Live MCQ Lecture.
১৫.
The term for intense fear of being in crowded or open spaces is —
  1. pacifist
  2. xenophobia
  3. agoraphobia
  4. acrophobia
ব্যাখ্যা
The term for intense fear of being in crowded or open spaces is — agoraphobia.

Agoraphobia:
English meaning:
fear of going outside and being in public places or of being in a situation from which it might be difficult to escape or in which help might not be available.
Bangla meaning:
মুক্ত স্থান সম্বন্ধে আতঙ্ক; মুক্তস্থানাতঙ্ক।

Options,
ক) pacifist:
- শান্তিবাদী।

খ) xenophobia:
- বিদেশিদের সম্বন্ধে অহেতুক ভয় বা ঘৃণা।

ঘ) acrophobia:
- উচ্চতার ভয়।
১৬.
The painting of the wall took two days. Here, "painting" does the function of —
  1. adverb
  2. verb
  3. noun
  4. adjective
ব্যাখ্যা
The painting of the wall took two days. Here, "painting" does the function of — noun.
- বাক্যে শব্দটি মূলত verbal noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে “painting” শব্দটি ক্রিয়ার -ing রূপ হলেও এটি বাক্যে noun হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।
- কারণ এটি “দেয়ালটি রঙ করার কাজ” বা “রং করা” বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ একটি কাজের নাম।
- তাই “painting” এখানে noun

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পুর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- Verbal Noun দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।

• নিয়মানুযায়ী, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে painting এর পূর্বে the ও পরে of বসেছে, তাই এটি verbal noun হয়েছে।
১৭.
Please turn off the lights. [passive]
  1. The lights are turned off by someone.
  2. Let the lights be turn off.
  3. You are requested to turn off the lights.
  4. Let the lights to be turn off.
ব্যাখ্যা
• Active voice কে Passive voice এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Active Voice এর object‌ টি Passive voice এর subject হয়
- Tense অনুযায়ী Auxiliary verb
- মূল verb এর past participle + Active voice এর subject টি Passive voice এর object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to, in) বসে।

- Active voice এর শুরুতে Please  থাকলে passive voice এ you are requested to বসে,
- active voice টি present এ রয়েছে তাই passive voice এ present tense হবে।

Active: Please go back.
Passive: You are requested to go back.

Active: Please turn off the lights.
Passive: You are requested to turn off the lights.
১৮.
An extra message added at the end of a letter after it is signed -
  1. Encl.
  2. NB
  3. RSVP
  4. P.S.
ব্যাখ্যা
The correct answer is: ঘ) P.S.

• Postscript is an extra message added at the end of a letter after it is singed.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পর যুক্ত অত্তিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলীকে বলা হয় - Postscript.
-  একে সংক্ষিপ্ত ভাবে - PS বলে।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- যার বাংলা অর্থ- পুনশ্চ, পত্রের পুনশ্চ লিখন।

• অন্যদিকে,
Encl.
Meaning: "Enc." or "Encl." on a business letter indicates that there are enclosed documents within the same envelope. 

• NB এর পূর্ণরূপ হলো Nota Bene.
- Nota Bene (Latin phrase)
- English Meaning: used to call attention to something important.
- Bangla Meaning: সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।
- লেখনীতে কোনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে N.B. ব্যবহার করা হয়।

• RSVP is an initialism derived from the French phrase 'Répondez s'il vous plaît,' meaning ''Please respond'' to require confirmation of an invitation.
• Invitation letter এ প্রায়ই RSVP কথাটি দেখতে পাওয়া যায়।
- এটি একটি French Phrase-এর abbreviation.
- এর অর্থ হলো Please respond / please reply.
 - It is used at the end of a written invitation to mean that you should let the people who invited you know whether or not you are coming.
১৯.
The Fabian Society was founded on -
  1. Romantic period
  2. Modern period
  3. Neoclassical period
  4. Victorian period
ব্যাখ্যা
The correct answer is: ঘ) Victorian period.

• Fabian Society:
- Fabian Society ছিল একটি  socialist society যা  1884 সালে London প্রতিস্থাপিত হয়।
- এই society এর নামটি উদ্ভূত হয় Roman general Fabius Cunctator থেকে
- It was founded to avoid violence in class- struggle.
- G.B. Shaw ছিলেন এই society এর একজন সদস্য।

• Some related people of the Fabian Society:
- George Bernard Shaw,
- H.G. Wells,
- Clement Attlee, 
- Lancelot Thomas Hogben,
- Beatrice Webb.

Source: Britannica.
২০.
Who wrote Man and Superman?
  1. Thomas Hardy
  2. Virginia Woolf
  3. G.B. Shaw
  4. Charles Dickens
ব্যাখ্যা
"Man and Superman" is a play written by George Bernard Shaw.

• The play 'Man and Superman' is written by - G.B Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- Basic to Man and Superman, which Shaw subtitled A Comedy and A Philosophy, is his belief in the conflict between man as spiritual creator and woman as guardian of the biological continuity of the human race. 
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes.

• George Bernard Shaw:
- Irish comic dramatist, literary critic, and socialist propagandist.
- George Bernard Shaw is considered to be the greatest modern English dramatist.
- The Nobel Prize in Literature 1925 was awarded to George Bernard Shaw.

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion,
- Mrs. Warren's Profession,
- Arms and the Man,
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra,
- Man and Superman,
- The Doctor's Dilemma,
- St. Joan of Arc etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica
২১.
"Listen to many, speak to a few." - This quote is from -
  1. Julius Caesar
  2. King Lear
  3. Macbeth
  4. Hamlet
ব্যাখ্যা
• "Listen to many, speak to a few." - This quote is from - Hamlet.
"Listen to many, speak to a few."
— এই উদ্ধৃতিটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটক Hamlet, Act 1, Scene 3 থেকে নেওয়া হয়েছে।

এই কথা Polonius তার ছেলে Laertes-কে উপদেশ দেওয়ার সময় বলে।

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of Denmark.
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর দেখা যায়  প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- 'There is divinity that shapes our end'.
 
• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
২২.
Famous literary piece, Ozymandias is -
  1. Play
  2. Sonnet
  3. Epic
  4. Elegy
ব্যাখ্যা
"Ozymandias" হলো ইংরেজি সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কবিতা, যার রচয়িতা Percy Bysshe Shelley.
- এটি একটি Sonnet.

• Ozymandias:
- এটি P.B. Shelley রচিত কবিতা।
- এটি একটি Sonnet.
- প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালে।
- Ozymandias was a Greek name for the pharaoh Ramesses II.
- অর্থাৎ মিশরীয় শাসক ফারাও বা ফিরাউন ২য় রামসেস এর গ্রীক নাম হল Ozymandias.
- এই কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, একচ্ছত্র ক্ষমতাও ক্ষনস্থায়ী।
- যত বড় ক্ষমতাধর এবং শক্তিশালী শাসকই হোক না কেন তার ক্ষমতা সীমাবদ্ধ।
 
• P.B. Shelley:
- তিনি একজন English Romantic poet.
- Her passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
 
Best works:
Poem:
- Ode to the West Wind,
- Queen Mab,
- Alastor,
- Adonais,
- Ozymandias,
- To a Skylark.
 
Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.

Source: Britannica.
২৩.
Jane Eyre is a-
  1. Romantic character
  2. Victorian character
  3. Modern character
  4. Restoration character
ব্যাখ্যা
Correct answer: খ) Victorian character.
"Jane Eyre" হলো Charlotte Bronte-র লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, এই উপন্যাসটি Victorian Era-তে রচিত ও সেট করা হয়েছে।

• Jane Eyre:
- Bronte এর famous novel 'Jane Eyre" এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Jane Eyre অর্থাৎ তাঁর নামেই novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" এর অধীনে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি ক্লাসিক হিসাবে বিবেচিত।

• Short Summary: 
- Story of Rochester and Jane Eyre. 
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়। এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। 
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে। 

• Charlotte Bronte: 
- তিনি একজন British author.
- English novelist noted for Jane Eyre a strong narrative of a woman in conflict with her natural desires and social condition. 

• Notable work:
- Jane Eyre,
- Poems by Currer,
- Ellis and Acton Bell,
- Shirley: A Tale,
- The Professor,
- Villette.

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.
২৪.
The Ministry of Utmost Happiness is written by -
  1. French writer
  2. British writer
  3. American writer
  4. Indian writer
ব্যাখ্যা
"The Ministry of Utmost Happiness" উপন্যাসটি লিখেছেন Arundhati Roy, একজন বিখ্যাত Indian writer.

• The Ministry of Utmost Happiness:
- এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে। 
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Anjum যে একজন transgender woman এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের নাম হচ্ছে Tilo.
- সমসামিয়ক ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন অন্ধকারতম দিক, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগতি, এগুলো এই উপন্যাসটির অন্যতম উপজীব্য বিষয়।

• Arundhati Roy:
- Born: November 24, 1961, Shillong, Meghalaya, India.
- Indian author, actress, and political activist.
- She is best known for the award-winning novel The God of Small Things (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.
- ১৯৯৮ সালে তিনি Man Booker Prize লাভ করেন ফিকশন রচনার জন্য।
২৫.
"O, brave new world, that has such people in't!" - Who said it?
  1. William Shakespare
  2. Ben Jonson
  3. Aldous Huxley
  4. Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা
"O, brave new world, that has such people in't!" -  এই বিখ্যাত উক্তিটি এসেছে William Shakespeare-এর নাটক The Tempest থেকে।

• The Tempest: 
- William Shakespeare এর last work বা Swan Song, 'The Tempest'
- এর  কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম হচ্ছে Prospero, যিনি একজন magician অর্থাৎ, জাদুকর।
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Foilo এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.

• এই কমেডিতে Duke Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda এর কাহিনি বর্ণিত হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Propero কে supernatural powers এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
- Ariel  is “an airy spirit, and stands for good অর্থাৎ, Ariel হচ্ছে এমন একটি সুপার ন্যাচরাল ক্যারেক্টার যে জাদু ব্যবহার করে প্রসপেরোকে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্য করে।

• অন্যদিকে,
- Caliban, a feral, sullen, misshapen creature.
- যে হচ্ছে অত্যধিক ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং বিদ্রোহী।
- Caliban represents the black magic of his mother and initially appears bad, especially when judged by conventional civilized standards.
- Caliban, তাকে ক্রীতদাস বানিয়ে রাখার কারণে Prospero কে জন্য ঘৃণা করে এবং সে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা তৈরি করে।

• নাটকের শুরুতেই দেখা যায় Prospero তার জাদু শক্তির ব্যবহার করে সমুদ্রে এক ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে নাটকের অন্য চরিত্র গুলো তার নির্বাসিত স্বীপে এসে পৌঁছেছে।
- Prospero, using his knowledge of magic and sorcery, conjures a storm (the tempest) to shipwreck his brother Antonio, who had usurped his position and cast him out.

• Some quotations from The Tempest: 
- “Hell is empty and all the devils are here.”
- “We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep.”
- “This thing of darkness, I Acknowledge mine.”
- “Thought is free.”
- “O, brave new world, that has such people in't!”
- “Awake, dear heart, awake. Thou hast slept well. Awake.”
- “Misery acquaints a man with strange bedfellows.”

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

Source: Britannica.
২৬.
Lycidas is written by -
  1. Edmund Spenser
  2. Alexander Pope
  3. John Milton
  4. P.B. Shelley
ব্যাখ্যা
"Lycidas" is a famous pastoral elegy written by John Milton.

• Lycidas:
- এটি রচনা করেন John Milton.
- এটি একটি শোকগাঁথা।
- কবি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু বা সহপাঠীর জাহাজ দূর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রেক্ষিতে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে।
- এটি একটি Pastoral elegy.
- John Milton wrote Lycidas (Pastoral elegy) on the death of Edward king.
- Edward king was a friend of John Milton.

• John Milton:
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Some notable works:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem).

Source: Britannica.
২৭.
O’Henry is -
  1. novelist
  2. playwright
  3. short-story writer
  4. poet
ব্যাখ্যা
O. Henry (মূল নাম: William Sydney Porter) ছিলেন একজন বিখ্যাত আমেরিকান ছোটগল্পকার।

• O’Henry:
- তিনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান ছোট গল্প লেখকএবং Modern Period এর অন্যতম সাহিত্যিক।
- যদিও তাঁর পুরো নাম বা real name হচ্ছে William Sydney Porter' কিন্তু তিনি O' Henry হিসেবেই সাহিত্য জগতে অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন।
- বলা হয়ে থাকেO' Henry is the short-story writer whose tales romanticized the commonplace - বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
- তাঁর সাহিত্যে আমেরিকার নিউইর্ক এর সাধারণ মানুষের জীবন ধারনের চিত্র নতুন মাত্রায় স্থান পেয়েছে।

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
২৮.
Who wrote "Dejection: An Ode"?
  1. P.B. Shelley
  2. John Keat
  3. T.S. Eliot
  4. Samuel Taylor Coleridge
ব্যাখ্যা
"Dejection: An Ode" একটি বিখ্যাত কবিতা যা লিখেছেন Samuel Taylor Coleridge.

• Dejection: An Ode:
- এটি রচনা করেন Samuel Taylor Coleridge.
- এটি একটি autobiographical poem.
- প্রকাশিত হয় 1802 সালে।
- When he wrote this poem, Coleridge was addicted to opium, was unhappy in his marriage, and had fallen in love with Sara Hutchinson.

• Samuel Taylor Coleridge: 
- তিনি একজন British poet.
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement, and his Biographia Literaria (1817) is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography);
- Christabel (Poem);
- Dejection: An Ode (Poem);
- Frost at Midnight (Poem);
- Kubla Khan (poem);
- Lyrical Ballads (Book);
- The Rime of the Ancient Marine (Poem).
 
Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman, Live MCQ Lecture and Britannica.
২৯.
A Modest Proposal is written by -
  1. Jonathan Swift
  2. Daniel Defoe
  3. Samuel Johnson
  4. John Dryden
ব্যাখ্যা
Correct answer: ক) Jonathan Swift.

• A Modest Proposal
- A Modest Proposal, in full A Modest Proposal for Preventing the Children of Poor People from Being a Burthen to their Parents, or the Country, and for Making Them Beneficial to the Publick, satiric essay by Jonathan Swift.
- এটি ১৭২৯ সালে pamphlet আকারে প্রকাশিত হয়।
-The essay is a masterpiece of satire.
- এই রচনাটি England’s legal and economic exploitation of Ireland এর উপরে একটি আক্রমণাত্মক রচনা, যার দ্বারা তিনি সমাজের সেই বিশেষ ব্যবস্থার hypocrisy তুলে ধরতে চেয়েছেন।
- "A Modest Proposal" হলো একটি তীব্র সামাজিক সমালোচনা, যা Swift -এর ব্যঙ্গাত্মক শৈলীতে নির্মিত।
- এটি মানবতা, সামাজিক ন্যায় এবং সরকারের দায়িত্বের প্রতি পাঠকদের সচেতন করে তোলে।
- Swift -এর এই রচনা আধুনিক সময়েও প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি সামাজিক সমস্যাগুলি নিয়ে চিন্তা করতে উৎসাহিত করে।

• Jonathan Swift:
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তিনি Augustan period -এর একজন Author.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.
- Jonathan Swift একজন প্রবন্ধকার এবং কবি, যিনি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম মহান লেখক হিসেবে পরিচিত।
- He was a prose satirist in the English language.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তিনি সমাজ, রাজনীতি এবং মানব প্রকৃতির সমালোচনার জন্য বিখ্যাত।

• Notable works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal (pamphlet),
- Drapier’s Letters (pamphlet,
- A Journey to Stella,
- The Battle of Books, etc.
৩০.
"Mr. Jones and Mr. Whymper" - are characters created by -
  1. Thomas Hardy
  2. Ben Jonson
  3. Jane Austen
  4. George Orwell
ব্যাখ্যা
Mr. Jones and Mr. Whymper are characters from George Orwell’s famous allegorical novella Animal Farm.

• Animal Farm:
- এটি রচনা করেন George Orwell.
- It is a political allegory/ satirical allegorical novella about revolution and power.
- অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ।
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language.

• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington,Mr. Frederick
২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.

• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• Notable work:
- A Clergyman’s Daughter,
- A Hanging,
- Animal Farm,
- Burmese Days,
- Coming Up for Air,
- Down and Out in Paris and London,
- Homage to Catalonia,
- Keep the Aspidistra Flying,
- Nineteen Eighty-four.

Source: Britannica.
৩১.
জসীম উদ্‌দীন রচিত 'সুচয়নী’ কী ধরনের গ্রন্থ?
  1. প্রবন্ধ সংকলন
  2. ছোটগল্প সংকলন
  3. নির্বাচিত কবিতার সংকলন
  4. নাটকের সংকলন
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীনের 'সূচয়িনী' হলো - নির্বাচিত কবিতার সংকলন।

জসীম উদ্‌দীন:
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ 'সূচয়নী'। 

তাঁর রচিত অন্যান্য জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন: 
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- ধানক্ষেত
- মাটির কান্না,

জসিমউদ্দীন রচিত গানের সংকলনের নামগুলো হলো:
- গাঙের পাড়;
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি; 
- জারিগান। 

উল্লেখ্য, 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত কবিতা সংকলন গ্রন্থ - সঞ্চয়িতা।
কাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচিত কবিতা সংকলন গ্রন্থ - সঞ্চিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৩২.
নিচের কোনটি মুসলিম নাট্যকার রচিত প্রথম নাটক হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. জমীদার দর্পণ
  2. বসন্তকুমারী
  3. বিষাদ-সিন্ধু
  4. আলালের ঘরের দুলাল
ব্যাখ্যা
'বসন্তকুমারী' নাটক:
- মীর মশাররফ হোসেনের নাটকগুলোর মধ্যে ‘বসন্তকুমারী নাটক’ (১৮৭৩) উল্লেখযোগ্য।
- এই নাটকটিকে মুসলমান নাট্যকার রচিত প্রথম নাটক হিসেবে নির্দেশ করা যায়।
-  ইন্দ্রপুরের বিপত্নীক রাজার বৃদ্ধ বয়সে যুবতী স্ত্রী গ্রহণ, রাজার যুবক পুত্রের প্রতি বিমাতার আকর্ষণ এবং প্রেম নিবেদন, পুত্রের প্রত্যাখ্যান ও বিমাতার ষড়যন্ত্র’ পরিশেষে রাজপরিবারের সকলের মৃত্যু- এই কাহিনি অবলম্বনে ‘বসন্তকুমারী নাটক রচিত।
- নাটকটির অপর নাম ‘বৃদ্ধস্য তরূণী ভার্যা’।
- ‘জমীদার দর্পণ’ (১৮৭৩) মীর মশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় নাটক।

মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায়  সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির  গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক  কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- পরে তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী বিবি কুলসুমও এক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখেন।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর সাহিত্যকর্ম:
নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।

উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু, 

গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতার রচয়িতা কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. শামসুর রাহমান
  4. মোহাম্মদ মনীরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটির রচয়িতা- 'আলাউদ্দিন আল আজাদ'। 
---------------------
• আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- আলাউদ্দিন আল আজাদ একজন  শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
- তিনি  ১৯৩২ সালের  ৬ মে , নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 

• 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতা: 
- এটি আলাউদ্দিন আল আজাদ এর 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
-‌ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাটি। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস :
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, 
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন, 
- কর্ণফুলী, 
- ক্ষুধা ও আশা, 
- খসড়া কাগজ, 
- স্বপ্নশিলা, 
- বিশৃঙ্খলা।  

• কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র, 
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ, 

• গল্পগ্রন্থ:
- জেগে আছি, 
- মৃগনাভি, 
- ধানকন্যা, 
- যখন সৈকত, 
- অন্ধকার সিঁড়ি, 
- জীবনজামিন,  
- আমার রক্ত স্বপ্ন আমার। 
---------------------------
স্মৃতিস্তম্ভ কবিতার কয়েকটি লাইন নিম্নরূপ:

স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো ! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
হীরের মুকুট নীল পরোয়ানা খোলা তলোয়ার
খুরের ঝটকা ধুলায় চূর্ণ যে পদ-প্রান্তে
যারা বুনি ধান
গুণ টানি, আর তুলি হাতিয়ার হাঁপর চালাই
সরল নায়ক আমরা জনতা সেই অনন্য ।
ইটের মিনার
ভেঙেছে ভাঙুক ! ভয় কি বন্ধু, দেখ একবার আমরা জাগরী
চারকোটি পরিবার ।

উৎস: স্মৃতিস্তম্ভ, আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৪.
'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়—
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে
  2. আব্দুল হাইকে
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্-কে
  4. কাজী আবদুল ওদুদকে
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
• ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন।
• ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।
• তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।
• ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৫.
'ঝ’ - কোন উচ্চারণস্থানভুক্ত ব্যঞ্জন?
  1. দন্ত্য
  2. মূর্ধন্য
  3. তালব্য
  4. ওষ্ঠ্য
ব্যাখ্যা
• 'ঝ' - তালব্য ধ্বনি।
---------------- 
• তালব্য ধ্বনি:
জিভের পাতা উঁচু করে অগ্রতালুর সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের তালব্য ধ্বনি বলা হয়। 

- স্বরবর্ণের মধ্যে তালব্য বর্ণ হচ্ছে - ই, ঈ।

উল্লেখ্য, 
- ব্যঞ্জণবর্ণে তালব্য ধ্বনি - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
 
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৬.
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পথের পাঁচালী' প্রকাশিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯২১
  2. ১৯২৯
  3. ১৯৩১
  4. ১৯৩৫
ব্যাখ্যা
• 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস:
- 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
- এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের তিনটি ভাগ। বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রূর সংবাদ।
- 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু।

উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো: 
- অপু,
- দুর্গা,
- ইন্দির ঠাকরুন,
- সর্বজয়া।

এছাড়াও, 
'পথের পাঁচালী' ও 'অপরাজিত' উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস। 
৩৭.
'মনসামঙ্গল' কাব্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি ছিলেন -
  1. চণ্ডীদাস
  2. কৃত্তিবাস
  3. দ্বিজ বংশীদাস
  4. মুকুন্দরাম
ব্যাখ্যা
• দ্বিজ বংশীদাস:
দ্বিজ বংশীদাস পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম কবি ছিলেন।

- তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাতুয়ারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কাব্যে ‘মঘ-ফিরিঙ্গি’, ‘বন্দুক-পলিতা’ প্রভৃতি শব্দের ব্যবহার দেখে অনেকে মনে করেন, কবি সতেরো শতকে আবির্ভূত হন।
- দ্বিজ বংশীদাস সংস্কৃত, পুরাণ, আগম ও তন্ত্রাদি শাস্ত্রে পন্ডিত ছিলেন।
- সুকণ্ঠ গায়ক হিসেবেও তিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- বংশীদাস কবি চন্দ্রাবতীর পিতা।
- কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণের অনুবাদে পিতা বংশীদাসের পরিচয় তুলে ধরেছেন।

অন্যদিকে,
- চণ্ডীদাসকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
- সংস্কৃত রামায়ণের প্রথম অনুবাদক ও বাংলা রামায়ণের আদি কবি ‘কৃত্তিবাস ওঝা’।
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী (কবিকঙ্কন) চণ্ডীমঙ্গল এর রচয়িতা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৮.
'সবুজপত্র' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯২৪ সালে
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯১৪ সালে
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে।

• 'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়।
- ১৯২৭ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৯.
নবীনচন্দ্র সেন কোন দুটি ধর্মগ্রন্থ কাব্যানুবাদ করেছিলেন?
  1. বাইবেল ও কোরআন
  2. রামায়ণ ও মহাভারত
  3. ভগবদগীতা ও চণ্ডী
  4. ত্রিপিটক ও উপনিষদ
ব্যাখ্যা
• নবীনচন্দ্র সেন:
- নবীনচন্দ্র সেন একজন কবি ছিলেন।
- ১৮৪৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের নোয়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- নবীনচন্দ্র সেন ছাত্রজীবন থেকেই নবীনচন্দ্র কবিতা রচনা শুরু করেন।
- প্যারীচরণ সরকার সম্পাদিত এডুকেশন গেজেটে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হতো।
 - তাঁর প্রথম কাব্যসংকলন অবকাশরঞ্জিনী প্রকাশিত হয় ১৮৭১ সালে।
- ১৮৭৫ সালে তাঁর পলাশীর যুদ্ধ মহাকাব্য প্রকাশিত হলে তিনি ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েন।
- রৈবতক, কুরুক্ষেত্র ও প্রভাস, নবীনচন্দ্রের কাব্যত্রয়ী এবং তাঁর কবিপ্রতিভার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ।
- ১৯০৯ সালের ২৩ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।  

• নবীনচন্দ্রের আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- আমার জীবন,
- খৃস্ট,
- ক্লিওপেট্রা,
- ভানুমতী,
- প্রবাসের পত্র ইত্যাদি।

- তিনি ভগবদগীতা ও চণ্ডীর কাব্যানুবাদ করেন।

• তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ: 
- আমার জীবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪০.
‘উলুখাগড়া’ কাকে বোঝায়?
  1. একগুঁয়ে লোক
  2. গুরুত্বহীন লোক
  3. কাণ্ডজ্ঞানহীন
  4. ধূর্ত লোক
ব্যাখ্যা
• 'উলুখাগড়া' বলতে বোঝায় - গুরুত্বহীন লোক।

আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
• 'উনপাঁজুরে' অর্থ - দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
• 'গোঁয়ার গোবিন্দ' অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
• 'উড়নচণ্ডী' অর্থ - অমিতব্যয়ী। 
• খণ্ড প্রলয় - তুমুল কাণ্ড।
• গড্ডলিকা প্রবাহ - অন্ধ অনুকরণ।
• গদাই লস্করি চাল - আলসেমি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।।
৪১.
"আলো-আঁধারি ভাষা, কতক আলো, কতক অন্ধকার; খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না।” — চর্যাপদ সম্পর্কে এই মন্তব্যটি কার?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. ড. সুকুমার সেন
  3. ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'চর্যাপদ' এর ভাষা:
- চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় 'সন্ধ্যা' বা 'সান্ধ্য ভাষা'। এ ভাষা কোথাও স্পষ্ট, কোথাও অস্পষ্ট। তাই একে 'আলো-আঁধারি' ভাষাও বলা হয়।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এ ভাষা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, 'আলো আঁধারি ভাষা, কতক আলো, কতক অন্ধকার, খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না। যাঁহারা সাধন-ভজন করেন, তাঁহারাই সে কথা বুঝিবেন, আমাদের বুঝিয়া কাজ নাই।'
- চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভপর নয়। তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অধীনে বিবেচ্য।

চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:
• বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।

• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃতি দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভলোপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।

• ১৯২৭ সালে সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।
• ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে-চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
• ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
• বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৪২.
মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিদেশি লেখকের রচনা 'সভ্যতা' নামে ভাবানুবাদ করেছেন?
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল
  2. টমাস পেইন
  3. ক্লাইভ বেল
  4. হ্যারল্ড লাস্কি
ব্যাখ্যা
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী (১৯০৩-১৯৫৬):
মোতাহের হোসেন চৌধুরী একজন শিক্ষাবিদ এবং লেখক, যিনি নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরী এবং মননে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাব স্পষ্ট। তিনি সংস্কৃতি, ধর্ম, মানবতাবোধ, এবং মানুষের জীবনাচরণ নিয়ে মৌলিক বিষয়গুলোকে উন্মোচিত করতে চেয়েছেন এবং বিচিত্র ও সুন্দরভাবে বাঁচার মাধ্যমে মহত্তম জীবনের সন্ধান করেছেন।

প্রধান গ্রন্থসমূহ: 
• 'সংস্কৃতি কথা' (১৯৫৮): এটি তাঁর প্রধান প্রবন্ধ গ্রন্থ।
• 'সুখ' (১৯৬৫): বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের ভাবানুবাদ।
• 'সভ্যতা' (১৯৬৫): ক্লাইভ বেল-এর Civilisation গ্রন্থের ভাবানুবাদ।

বিশেষ খ্যাতি: 
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী মুক্তবুদ্ধিচর্চার প্রবক্তা, উদার মানবতাবাদী, এবং মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন।

উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ:
• আমাদের দৈন্য, 
• আদেশপন্থী ও অনুপ্রেরণাপন্থী, 
• মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা।

উৎস:
• বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর,
• বাংলাপিডিয়া।
৪৩.
'কাশিমের লড়াই' নামক মর্সিয়া কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ সুলতান
  2. মুহম্মদ খান
  3. কবি শেররাজ
  4. শেখ ফয়জুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• 'কাশিমের লড়াই' গ্রন্থটির রচয়িতা - 'কবি শেররাজ'। 

• 'জঙ্গনামা' কাব্য: 
- মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য।
- ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। 
- বাংলা সাহিত্যে ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।
-------------
জঙ্গনামা শ্রেণির কাব্যধারার উল্লেখযোগ্য কবি ও কাব্যের নাম হলো:  
শেখ ফয়জুল্লাহ - ষোল শতক।
গ্রন্থের নাম: জয়নবের চৌতিশা।
   
দৌলত উজির বাহরাম খান - ষোল শতক।
গ্রন্থের নাম: জঙ্গনামা।

মুহম্মদ খান - সতের শতক।
গ্রন্থের নাম: মকতুল হোসেন।

শেরবাজ - আঠার শতক। 
গ্রন্থের নাম: কাশিমের লড়াই ও ফাতিমার সুরতনামা।

হেয়াত মামুদ - আঠার শতক।
গ্রন্থের নাম: জারি-জঙ্গনামা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- ড.মাহবুবুল আলম।
৪৪.
'জ্যোৎস্নারাত' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. দ্বন্দ্ব
  2. তৎপুরুষ
  3. বহুব্রীহি
  4. কর্মধারয়
ব্যাখ্যা
• মধ্যপদলােপী কর্মধারয়:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ হয়, তাকে মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা-
- জ্যোৎস্না শোভিত যে রাত = জ্যোৎস্নারাত;
- চালে আশ্রিত কুমড়া = চালকুমড়া;
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা;
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন;
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ= স্মৃতিসৌধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ।
৪৫.
"পদ্মা তোমার যৌবন চাই / যমুনা তোমার প্রেম; সুরমা তোমার কাজল বুকের / পলিতে গলিত হেম।" - এখানে 'হেম' বলতে কী বোঝায়?
  1. ঝিনুক
  2. বরফ
  3. পাথর
  4. স্বর্ণ
ব্যাখ্যা
• " পদ্মা তোমার যৌবন চাই / যমুনা তোমার প্রেম
সুরমা তোমার কাজল বুকের / পলিতে গলিত হেম।" - এখানে 'হেম' বলতে বোঝায় - স্বর্ণ।



• আরো কিছু শব্দার্থ: 
- ‘ললনা’ শব্দের অর্থ - নারী, কান্তা, পত্নী।
- 'আফতাব' শব্দের অর্থ - সূর্য।
- 'বিবর' শব্দের অর্থ - গহ্বর। 
- চূড়া' শব্দের অর্থ - শীর্ষদেশ, শিখর। 
- পর্ণ শব্দের অর্থ - গাছের পাতা; তাম্বুল; পান; ডানা ইত্যাদি।
- পর্ণমোচী শব্দের অর্থ - পত্রঝরা; পত্রমোচী।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৬.
'উচ্ছ্বাস' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. উৎ +ছাস
  2. উদ + শ্বাস
  3. উৎ + শ্বাস
  4. উৎ + চ্ছাস
ব্যাখ্যা
• সন্ধির নিয়ম:
ত ও দ এর পর শ থাকলে ত ও দ- এর স্থলে চ এবং শ- এর স্থলে ছ উচ্চারিত হয়। যেমন:
- উৎ+ শ্বাস = উচ্ছ্বাস।
- তদ্ + শক্তি = তচ্ছক্তি।
- পদ্ + হতি = পদ্ধতি।
- তদ্ + হিত = তদ্ধিত।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪৭.
'ধনুকের ধ্বনি’ – এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
  1. শিঞ্জন
  2. টঙ্কার
  3. মন্দ্র
  4. ঝংকার
ব্যাখ্যা
• 'ধনুকের ধ্বনি' এর বাক্য সংকোচন - টঙ্কার।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন: 
• ‘গম্ভীর ধ্বনি’ - এর বাক্য সংকোচন - 'মন্দ্র'।
• 'অলঙ্কারের ধ্বনি' এর বাক্য সংকোচন - শিঞ্জন।
• 'বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি' এর বাক্য সংকোচন - ঝংকার।
• 'নূপুরের ধ্বনি' এর বাক্য সংকোচন - নিক্বণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৮.
'কুঞ্জর' শব্দটি কোন প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ঘোড়া
  2. সিংহ
  3. হাতি
  4. হরিণ
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) হাতি।

• ‘কুঞ্জর’ শব্দটি সংস্কৃত ব্যুৎপত্তিযুক্ত এবং এটি হাতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ।

আরো কয়েকটি প্রতিশব্দ:
- হস্তী, গজ, করী, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরথ, নাগ, বারণ, মাতঙ্গ ইত্যাদি।

অন্য অপশনগুলোর প্রতিশব্দ:
ক) ঘোড়া = অশ্ব, হয়, তুরঙ্গ, ঘোটক, তুরঙ্গম, তুরগ, হ্রেষী, বামী।
খ) সিংহ = কেশরী, মৃগেন্দ্র, পশুরাজ।
ঘ) হরিণ = কুরঙ্গ, মৃগ, সুনয়ন, সারঙ্গ।
  
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি ( ২০২২  সংস্করণ)।
৪৯.
'De facto' শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো —
  1. ত্রুটি
  2. কার্যত
  3. ভাবগত
  4. লিখিত
ব্যাখ্যা
• 'De facto' এর বাংলা পরিভাষা - কার্যত।

• আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাংলা পরিভাষা:
- 'Dictation' এর বাংলা পরিভাষা - শ্রুতলিপি।
- 'Drop-scene' এর বাংলা পরিভাষা - যবনিকা-পতন।
- 'Mechanize' এর বাংলা পরিভাষা - কৌশল।
- 'Pledged' এর বাংলা পরিভাষা - বন্ধকী।
- 'Defect' এর বাংলা পরিভাষা - ত্রুটি, খুঁত, অপূর্ণতা; পক্ষত্যাগ করা।
- 'Defamation' এর বাংলা পরিভাষা - মানহানি।
- 'Defaulter' এর বাংলা পরিভাষা - ব্যতিক্রমী, খেলাপকারী।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
৫০.
'প্রাচ্য' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. অপ্রাচ্য
  2. অগ্র
  3. অধঃস্ত
  4. প্রতীচ্য
ব্যাখ্যা
• 'প্রাচ্য এর বিপরীত শব্দ- প্রতীচ্য।

• প্রাচ্য শব্দের অর্থ:
 ১ পূর্বদিকস্থ। ২ পূর্বদেশীয়। বি. ইউরোপের পূর্বদিকস্থ দেশসমূহ।

• প্রতীচ্য  শব্দের অর্থ:
- পশ্চিম দিকস্ব। ২ পশ্চিমদেশীয়, পাশ্চাত্য।

• আরো কয়েকটি বিপরীত শব্দ:
- 'অগ্র' এর বিপরীত শব্দ -পেছনে।
- 'বামপন্থী' এর বিপরীত শব্দ-ডানপন্থী।
- 'পদস্থ' এর বিপরীত শব্দ- নিম্নস্থ।
- 'বাড়তি' এর বিপরীত শব্দ - কমতি।
- 'নিন্দা' এর বিপরীত শব্দ- স্ততি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫১.
'ব্রতী' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ব্রতী + ইন্‌
  2. ব্রত + ইন্‌
  3. ব্রত + ঈ
  4. ব্রতী+ ষ্ণ্য
ব্যাখ্যা
• 'ব্রতী' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হচ্ছে — ব্রত + ইন।

• ব্রতী (বিশেষণ):
- এর সঠিক উচ্চারণ হচ্ছে ব্রোতি।
- এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হচ্ছে ব্রত+ইন।
- এর অর্থ হচ্ছে ব্রতপালনকারী, ব্রতধারী, পুণ্যকর্মের অনুষ্ঠাতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫২.
'পরাভব' শব্দের 'পরা' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিপরীত অর্থে
  2. আতিশয্য অর্থে
  3. অভাব অর্থে
  4. বিকৃত অর্থে
ব্যাখ্যা
• উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
- অজনা = অ + জানা;
- অভিযোগ = অভি + যোগ।

- উপসর্গের নিজের কোনো অর্থ নেই।
- কিন্তু নতুন নতুন অর্থবোধক তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এজন্য বলা হয় - উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্ত অর্থ দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে।

'পরা' উপসর্গ:
• আতিশয্য অর্থে - পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ।
• বিপরীত অর্থে - পরাজয়, পরাভব।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯, ২০২১- সংস্করণ)।
৫৩.
কোনটি অনুকার দ্বিত্ব?
  1. ঠুকঠুক
  2. অল্পস্বল্প
  3. গুনগুন
  4. হাতে হাতে
ব্যাখ্যা
• অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়।

যেমন:
- বুঝে-সুঝে,
অল্পস্বল্প,
- বুদ্ধিশুদ্ধি,
- গুটিশুটি,
- অঙ্ক-টঙ্ক,
- আম-টাম।

অন্যদিকে:
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব - ঠুকঠুক, গুনগুন।
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব - হাতে হাতে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।
৫৪.
'ভাটিয়াল' শব্দটি কোন পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. ক্রিয়া
  4. ক্রিয়া-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ভাটিয়াল' - শব্দটি বিশেষণ পদ।

অর্থ: দক্ষিণ দেশীয়; যে নৌকা ভাটার মুখে যায়।




উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৫.
মৌর্য শাসনামলে বাংলার পূর্বনাম কী ছিলো?
  1. তাম্রলিপ্ত
  2. গঙ্গারিডই
  3. বঙ্গ
  4. সমতট
ব্যাখ্যা
• মৌর্য শাসনামলে বাংলা:
- গ্রিক লেখকদের বিবরণ থেকে জানা যায় যে, গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণকালে বর্তমান বাংলাদেশ এলাকায় গঙ্গারিডই নামে সমৃদ্ধশালী রাজ্য ছিল।
- এ রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল গঙ্গা।
- এ সময়কালকে মৌর্য শাসনামল বলে ধারণা করা হয়।
- পণ্ডিতদের ধারণা হলো, 'গঙ্গারিডই' ছিল বর্তমানকালের বাংলা।
- আর্যদের আগমনের আগেই বাংলায় মৌর্য বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ৩২১ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে ভারতে মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- 'গঙ্গারিডই' (বাংলার পূর্বনাম) রাজ্যের রাজধানীতে সূক্ষ্ম মসলিন কাপড় তৈরি হতো, যা সুদূর পশ্চিমা দেশে রপ্তানি হতো।
- মৌর্য শাসনামলে বাংলার সীমানা বিস্তৃত হয়। মৌর্য সম্রাট অশোকের সময় প্রাচীন পুণ্ড্ররাজ্য মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

অন্যদিকে,
• তাম্রলিপ্ত একটি প্রাচীন জনপদ।
-বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিপ্তর প্রাণকেন্দ্র। 

- বঙ্গ, সমতট, বাংলার প্রাচীন জনপদ।

উৎস: ইতিহাস, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
ভুট্টা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? (জুলাই-২০২৫)
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. ঠাকুরগাও
  4. চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুসারে:
- মোট ভুট্টার উৎপাদন = ৪৫,৯২,৫০৭.৬৩ মে. টন
- ভুট্টার আবাদ করা হয়েছে =  ১২,২৭,২৯৯.৩৭ একর জমিতে।

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন হয়েছে, রংপুর বিভাগে (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- দ্বিতীয় – খুলনা বিভাগ (৯,৪২,২৯৩.৬৪ মে. টন)।

- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন হয়েছে,  দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- দ্বিতীয় – চুয়াডাঙ্গা জেলা (৫,৫৫,১১৬ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪।
৫৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ-
  1. ২,৪৫,৫০০ কোটি
  2. ২,৪৫,৬০৯ কোটি
  3. ২,৪৫,৭০৯ কোটি
  4. ২,৩৫,৬০০ কোটি
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬
৫৮.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ২ নং সেক্টরের সাব সেক্টর কয়টি ছিলো?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৪টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
• ২ নং সেক্টর :
- ২ নং সেক্টর  ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
-  এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।

• এই সেক্টরের ছয়টি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে:
- গঙ্গাসাগর, আখাউড়া ও কসবা (মাহবুব এবং পরে লেফটেন্যান্ট ফারুক ও লেফটেন্যান্ট হুমায়ুন কবীর);
- মন্দভাব (ক্যাপ্টেন গাফফার);
-  শালদানদী (আবদুস সালেক চৌধুরী);
- মতিনগর (লেফটেন্যান্ট দিদারুল আলম);
- নির্ভয়পুর (ক্যাপ্টেন আকবর এবং পরে লেফটেন্যান্ট মাহ্বুব);
- এবং রাজনগর (ক্যাপ্টেন জাফর ইমাম এবং পরে ক্যাপ্টেন শহীদ ও লেফটেন্যান্ট ইমামুজ্জামান)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৯.
’মহানন্দা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তুলা
  2. পেয়ারা
  3. আম
  4. তরমুজ
ব্যাখ্যা
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।

এছাড়া ও,
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
৬০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচন কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৩ সালের ৭ জানুয়ারি
  2. ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৭৮ সালের ৫ মার্চ
  4. ১৯৮৯ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
-  ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে ১৫ই আগস্টের অভ্যূত্থানকারীদের বিরুদ্ধে একটি সেনা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।
- এই সেনা অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ।
- কিন্তু খালেদ মোশাররফও বেশি দিন স্থায়ী হতে পারেন নি।
- মাত্র ৩ দিন পর অর্থাৎ ৭নভেম্বর সংঘটিত পাল্টা অভ্যুত্থানে প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ।
- এই ধারাবাহিকতায় ক্ষমতার দখল নিয়ে নেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।
- তিনি বিচারপতি আবু সাদাত সায়েমকে সামনে রেখে ক্ষমতা সুসংহত করার জন্য নানা ধরনের উদ্যোগ নেন।
- জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক শাসন পরিচালনা করেন।
- ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যভিত্তিক একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান।
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দল গঠনের পরেই ১৭ নভেম্বর রাজনৈতিক কর্মসূচির উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে দেন।
- তিনি এই ধারাবাহিকতাতে ১৯৭৯ সালের ২৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।
- কিন্তু বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর চাপের মুখে ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ পুন:নির্ধারিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি ক্ষুদ্র নৃজাতি গোষ্ঠী-
  1. মণিপুরী
  2. কোচ
  3. সাঁওতল
  4. পাংখো
ব্যাখ্যা
•পাংখো:
- চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের একটি উপজাতি, 
-  পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ বলে দাবি করে থাকে।
- তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’, যেমন লুসেইদের ‘পুথিয়ান’। 

অন্যদিকে,
• মণিপুরী:
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।

• সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।

• কোচ:
- কোচ বাংলাদেশে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- কোচরা মাতৃভূমি কোচবিহার পরিত্যাগ করে ময়মনসিংহ জেলায় তাদের আবাস গড়ে তোলে।
- বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।
- বর্তমানে তাদের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১১৮নং
  2. ১২১নং
  3. ১৩৭নং
  4. ১২৩নং
ব্যাখ্যা
•নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৩.
২০২২ সালের জনশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা-
  1. ৩.৯৫জন
  2. ৩.৭৬জন
  3. ৩.৮৯জন
  4. ৩.৯৮জন
ব্যাখ্যা
 জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৬৬%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
৬৪.
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর কে? (জুলাই-২০২৫)
  1. এডভোকেট মোঃ মনজুর আলম
  2. এডভোকেট রেদওয়ান আহম্মেদ রনজিব
  3. এডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
  4. এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম মন্টু
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- এটি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি অপরাধ ট্রাইবুনাল যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচার করা।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩-এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ।
- এ্যাটর্নী জেনারেল পদমর্যাদায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের “চীফ প্রসিকিউটর” হিসেবে বর্তমানে নিয়োগপ্রাপ্ত ’জনাব মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম’। 

উৎস: চীফ প্রসিকিউটর কার্যালয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
৬৫.
Value Added Tax (VAT) কত সালে চালু হয়?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• Value Added Tax (VAT):
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট  চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
৬৬.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংবিধানের কোন সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করে?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. অষ্টম সংশোধনী
  4. দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- বিগত সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।

উল্লেখ্য,
-তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়।

উৎস: বিবিসি লিংক
৬৭.
'বুড়িমারী স্থলবন্দর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লালমনিরহাট
  3. পঞ্চগড়
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপেজলার বুড়িমারী সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেখলিগঞ্জ মহাকুমার চেংড়াবান্ধা এলসিএস রয়েছে;  
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা হয়।
--------------------------------------------------------
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর।
৬৮.
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর ২০২৫ এ প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তি-
  1. আসিফ নজরুল ইসলাম
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
 - ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
- ৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে মার্কিন এই সাময়িকী।
- নেতাদের তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ‘লৌহমানবী’ খ্যাত ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো, মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কসহ ২১ জন।

উৎস: প্রথম আলো লিংক।
৬৯.
কার সভাপতিত্বে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ' গঠিত হয়।
  1. কাজী গোলাম মাহবুব
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া
  4. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়:
- ৩০ জানুয়ারি – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ সভা ও ছাত্র ধর্মঘটের আহ্বান জানায়।
- ৩১ জানুয়ারি – মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ' গঠিত হয়।

- কর্মসূচির মধ্যে ছিল: ৪ ও ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল।
- পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমিন ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেন।
- ২০ ফেব্রুয়ারি – সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভা হয়।

প্রথমে কিছু সদস্য ১৪৪ ধারা ভাঙার বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু আবদুল মতিন, অলি আহাদ, মোহাম্মদ তোহা, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতারা অমান্যের পক্ষে জোর দেন।
অবশেষে ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম  ও দশম শ্রেণি।
৭০.
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো কোন টুর্নামেন্টের মূল পর্বে অংশগ্রহণ করবে?
  1. এএফসি কাপ
  2. সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
  3. অলিম্পিক নারী ফুটবল
  4. নারী বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে।
- বাংলাদেশই বাছাইপর্ব থেকে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে ওঠা প্রথম দল।
- ২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়া অনুষ্টিত হওয়া এএফসি নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এখন পর্যন্ত একবারই এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার কীর্তি আছে।
- ১৯৮০ সালে কুয়েতে খেলেছিল বাংলাদেশের পুরুষদের জাতীয় দল।
- এরপর আর কখনো বাংলাদেশের কোনো জাতীয় দল এশিয়ান কাপে খেলতে পারেনি।

উৎস: প্রথম আলো লিংক
৭১.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৩.৩৪%
  2. ৫.৩৪%
  3. ৩.৮৪%
  4. ৪.৩৪%
ব্যাখ্যা
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:

• শিল্প (Industry) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।

উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়াও, 

সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের হার ১.৭৯ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের হার ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ।
৭২.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  3. সংসদীয়
  4. একনায়কতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা:
-  সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। তিনি সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।
- কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯১ রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু ছিল।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
- বিশেষ করে জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি পদটিকে বাংলাদেশে খুবই আকর্ষণীয় করে তোলা হয়।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান সংসদের নিকট দায়বদ্ধ থাকেন না।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ব্যবস্থা বলবৎ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৯১ সালের ১০ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়।
- পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
বাংলাদেশে প্রথম ’ইপিজেড’ কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. নীলফামারী
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা:
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ১৫ এপ্রিল ১৯৮১ তারিখে গঠন করা হয় এবং এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ব্যবস্থাপনা ও এগুলোর কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে। 
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
-  এছাড়া (মংলা, খুলনা), (উত্তরা, নীলফামারী), (ঈশ্বরদী, পাবনা,), কুমিল্লা, (কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম)ও (আদমজী, নারায়ণগঞ্জ,) আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৪.
স্থানীয় প্রশাসনে সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
• উপজেলা প্রশাসনের কার্যাবলি:
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের কার্যাবলি বলতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যাবলিকেই বুঝিয়ে থাকে। 

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে, ’জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন নিদের্শনা’ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- ২৪ নং অনুচ্ছেদে, জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন নিদের্শনা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।
------------------------------------------------
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাদ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক ।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ সমাবেশেরে স্বাধীনতা  বিষয়ক ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৬.
বিশ্ব জনসংখ্যার অবস্থা (এসডব্লিউওপি)-২০২৫ অনুসারে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা-
  1. ১৭ কোটি ৫৭ লাখ
  2. ১৬ কোটি ৮৭ লাখ
  3. ১৮ কোটি ৫৭ লাখ
  4. ১৫ কোটি ৫৯ লাখ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যার অবস্থা (এসডব্লিউওপি) ২০২৫- অনুসারে,
-বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৫৭ লাখ ।
-এর মধ্যে অর্ধেক নারী।
- আর দুই-তৃতীয়াংশ  (১১ কোটি ৫০ লাখ) কর্মক্ষম বয়সী।
- বাংলাদেশের এই জনসংখ্যার ৭ শতাংশ (১ কোটি ২০ লাখ) ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী।
- বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১৯ শতাংশ কিশোর-কিশোরী (প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ)। 
- বৃহত্তর যুব জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ২৮ শতাংশ (প্রায় ৫ কোটি)।

উৎস: ইউনাইটেড নিউজ অফ বাংলাদেশ (ইউ এন বি) লিংক
৭৭.
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীন রাজ্য হিসেবে দেব বংশের উত্থান ঘটে কোন শতকে?
  1. নবম শতক
  2. অষ্টম শতক
  3. দশম শতক
  4. সপ্তম শতক
ব্যাখ্যা
• দেব বংশ:
- অষ্টম শতকের শুরুতে  দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীন রাজ্য হিসেবে বৌদ্ধধর্মালম্বী দেব বংশের উত্থান ঘটে।
- এ বংশের চারজন রাজার নাম পাওয়াযার।
- এরা হলেন শ্রী শান্তিদেব, শ্রী বীরদেব, শ্রী আনন্দদেব ও শ্রী ভবদেব।
- দেব রাজারা শক্তিধর ছিলেন। তাঁদের নামের সাথে যুক্ত থাকতো বড় বড় উপাধি। যেমন- পরম সৌগত, পরম ভট্টারক, পরমেশ্বর, মহারাজাধিরাজ ইত্যাদি।
- তাঁদের রাজধানী ছিল দেবপর্বতে।
- কুমিল্লার নিকট ময়নামতীর কাছে ছিল এ দেবপর্বত।
- দেবদের রাজত্ব বিস্তৃত ছিল সমগ্র সমতট এলাকায়। আনুমানিক ৭৪০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দেব রাজারা শাসন করেন।
- পাল রাজাদের মতো দেব রাজারাও ছিলেন বৌদ্ধ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।
৭৮.
দালাইলামা কোন দেশের ধর্মীয় নেতা?
  1. নেপাল
  2. ভ্যাটিকান সিটি
  3. তিব্বত
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা
দালাইলামা:
- দালাইলামা তিব্বতের ধর্মীয় নেতা।
- তিনি তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা।
- বর্তমান দালাই লামার নাম তেনজিন গিয়াৎসো। তিব্বতীয় বৌদ্ধ বিশ্বাস অনুযায়ী, তিনি দালাই লামার চতুর্দশ পুনর্জন্ম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে তিব্বতের রাজধানী লাসায় চীনা সেনারা এক বিদ্রোহ দমন করার পর দালাই লামা এবং হাজার হাজার তিব্বতি ভারতে চলে যান। সেখানেই তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।
- চীন দালাই লামাকে একজন ‘বিদ্রোহী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে বিবেচনা করে থাকে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই ধর্মীয় নেতা নিজেকে একজন ‘সাধারণ বৌদ্ধভিক্ষু’ হিসেবে পরিচয় দেন।
- নির্বাসিত অনেক তিব্বতির আশঙ্কা, দালাই লামার মৃত্যুর পর চীন নিজেই একজন উত্তরসূরি নিয়োগ দিতে পারে। আর এর মধ্য দিয়ে ১৯৫০ সালে সেনা পাঠিয়ে দখলে নেওয়া তিব্বতের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে পারে চীন।
- ২ মে, ২০২৫ তারিখে দালাই লামা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, পঞ্চদশ দালাই লামাকে শনাক্ত করার দায়িত্ব শুধু ভারতভিত্তিক গাদেন ফোদরাং ট্রাস্টের হাতে থাকবে। এটি দালাই লামার দপ্তর।
- ২০১১ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার তিব্বতির ভোটে নির্বাচিত একটি নির্বাসিত সরকারের হাতে দালাই লামা রাজনৈতিক কর্তৃত্ব হস্তান্তর করেন।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
৭৯.
'Loss and Damage Fund'-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. বনায়ন প্রকল্প
  2. জীবাশ্ম জ্বালানির উন্নয়ন
  3. জলবায়ু গবেষণা
  4. জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পূরণ
ব্যাখ্যা
Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৮০.
'March on Rome' নিম্নের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ভ্লাদিমির লেনিন
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. বেনিতো মুসোলিনি
  4. জোসেফ স্টালিন
ব্যাখ্যা
বেনিতো মুসোলিনি:
- ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক বেনিতো মুসোলিনি।
- বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক। তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।

⇒ তিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- 'মার্চ অন রোম' বেনিটো মুসোলিনি'র সাথে সম্পর্কিত।
- 'March on Rome' ছিল ১৯২২ সালের অক্টোবরে ফ্যাসিস্ট পার্টির একটি সংগঠিত অভিযান।
- ফ্যাসিস্টরা ইতালির বিভিন্ন শহরে সমাবেশ করে এবং রোমের দিকে যাত্রা শুরু করে।
- রাজা তৃতীয় ভিক্টর এমানুয়েল মুসোলিনিকে রোমে ডেকে পাঠান এবং তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- মুসোলিনির ক্ষমতা দখল ইউরোপে ফ্যাসিবাদের উত্থানের সূচনাচিহ্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.
৮১.
IAEA-এর বর্তমান মহাপরিচালক কে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. মোহাম্মদ এলবারাদেই
  2. সিগভার্ড একলুন্ড
  3. রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি
  4. ইউকিয়া আমানো
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
৮২.
‘Everything but Arms (EBA)’ বাণিজ্য-সুবিধা কোন সংস্থা প্রদান করে?
  1. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)
  2. ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)
  3. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)
  4. আসিয়ান (ASEAN)
ব্যাখ্যা
‘Everything but Arms (EBA):
- ‘Everything but Arms (EBA)’ বাণিজ্য-সুবিধা প্রদান করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।

⇒ Everything But Arms হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা প্রোগ্রাম।
- এই প্রোগ্রামের আওতায় স্বল্পোন্নত দেশগুলি থেকে ইইউতে অস্ত্র ব্যতীত সকল পণ্য শুল্ক এবং কোটামুক্তভাবে আমদানি করা যায়। 
- এই সুবিধা ২০০১ সালের ৫ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।
- এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের Generalised System of Preferences (GSP)-এর অংশ।

⇒ ‘Everything but Arms (EBA)’ বাণিজ্য-সুবিধাভোগী দেশ:
- জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি (UN Committee for Development Policy) দ্বারা সংজ্ঞায়িত সবচেয়ে কম উন্নত দেশগুলো (LDCs) এই সুবিধা পায়।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এই তালিকায় রয়েছে।

উৎস: EU Trade ওয়েবসাইট।
৮৩.
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫-এ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জিডিপির কত শতাংশ প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়?
  1. ২ শতাংশ
  2. ৪ শতাংশ
  3. ৫ শতাংশ
  4. ৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশ জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- ২০২৪ সালে, ৩২টি সদস্য দেশের মধ্যে ২৩টি এই ২ শতাংশ লক্ষ্য পূরণ করেছে বা অতিক্রম করেছে বলে প্রত্যাশিত।
- ২০২৫ সালের মধ্যে ৩২ সদস্যই তা পূরণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

⇒ ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৮৪.
মন্ট্রিল প্রটোকল কোন আন্তর্জাতিক চুক্তির ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছিল?
  1. ভিয়েনা কনভেনশন
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. রটারডাম কনভেনশন
  4. মেরিডা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল ভিয়েনা কনভেনশনের ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছিল।

মন্ট্রিল প্রটোকল:

- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।
৮৫.
পুলিৎজার পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ী ফিলিস্তিনি সাহিত্যিক কে?
  1. গাসসান কানাফানি
  2. ইসাবেলা হাম্মাদ
  3. মোসাব আবু তোহা
  4. সামি তামিমি
ব্যাখ্যা
পুলিৎজার পুরস্কার:
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুলিৎজার পুরস্কার সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ হিসেবে খ্যাত।
- ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
- সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত, নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতিবছর পুরস্কার ঘোষণা করে।

⇒ ২০২৫ সালে পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করে রয়টার্স, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্ট।
- ৬ মে, ২০২৫ তারিখে এ পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।

• পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি লেখক, কবি ও সাহিত্যিক মোসাব আবু তোহা।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী দ্য নিউইয়র্কার-এ প্রকাশিত একাধিক প্রবন্ধের জন্য আবু তোহা সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ নামে খ্যাত সম্মানজনক এ পুরস্কার পেয়েছেন।
- আবু তোহা তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চালানো শারীরিক ও মানসিক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রবন্ধগুলো গভীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হলেও ব্যক্তিগত স্মৃতিকথার মিশেলে সেগুলো উপস্থাপন করেছেন তিনি, যা ফিলিস্তিনি জনগণের যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা জীবন্ত করে তুলেছে।

⇒ ২০২৫ সালের পুলিৎজারে নিউইয়র্ক টাইমস সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়েছে ৪টি বিভাগে-
- আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন।
- স্থানীয় প্রতিবেদন।
- ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদন।
- ব্রেকিং নিউজ ফটোগ্রাফি।

উৎস: The Pulitzer Prizes ওয়েবসাইট।
৮৬.
'ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM)' কোন প্রোটোকলের অংশ?
  1. নাগোয়া প্রোটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রোটোকল
  3. কিয়োটো প্রোটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM):
- ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম বা Clean Development Mechanism কিয়োটো প্রটোকল-এর অংশ।
- প্রোটোকলের ১২ অনুচ্ছেদে অনুসারে, ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) এর আওতায় কোন উন্নত দেশ অন্য উন্নয়নশীলদেশে গ্রীনহাউস গ্যাসের নি:সরণ কমানোর জন্য কোন প্রকল্প নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা বিনিয়োগের মাধ্যমে চুক্তি খেলাপের হাত থেকে বাঁচতে পারে।

⇒ কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
- UNFCCC তার কনভেনশানে সারা বিশ্বের সব দেশগুলিকে ৩টি তালিকা বা Annex এ বিভক্ত করেছে।

• Annex-I: শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ।
- অ্যানেক্স I হলো UNFCCC-এর একটি তালিকা, যাতে শিল্পোন্নত দেশ ও অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তনশীল রাষ্ট্রসমূহ অন্তর্ভুক্ত।
- এদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনগত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৮৭.
রুশ বিপ্লবের ফলে কোন রাজবংশের পতন ঘটে?
  1. রোমানভ
  2. হোহেনজোলার্ন
  3. বোরবোঁ
  4. হ্যাবসবার্গ
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। 
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য,
- রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- বিপ্লবের পরে রাশিয়ায় গৃহযুদ্ধ (১৯১৭-১৯২২) শুরু হয়, যেখানে রেড আর্মি (বোলশেভিক সমর্থিত) এবং হোয়াইট আর্মি (বিপ্লব বিরোধী) একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- রেড আর্মির বিজয়ের মাধ্যমে গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
৮৮.
'বান্দুং সম্মেলন' থেকে নিম্নের কোনটির সূচনা হয়?
  1. আরব লীগ প্রতিষ্ঠা
  2. ওআইসি প্রতিষ্ঠা
  3. ন্যাম প্রতিষ্ঠা
  4. ন্যাটো প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
বান্দুং সম্মেলন:
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের অংশগ্রহণে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- 'বান্দুং সম্মেলন'-এর প্রধান লক্ষ্য ছিল জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) গঠন।
- এর অংশ হিসেবে ভারতের জওহরলাল নেহেরু, ইন্দোনেশিয়া ড. আহমেদ সুকর্ণ, মিশরের গামাল আবদেল নাসের প্রমুখ নেতৃত্ববৃন্দের উদ্যোগে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
- বান্দুং সম্মেলন থেকেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

⇒ এই সম্মেলনে (i) বিভিন্ন দেশে ঔপনিবেশিক শাসন ও বর্ণ-বৈষম্য নীতির অবসান, (ii) ঠান্ডা লড়াই জনিত উত্তেজনা প্রশমন, (iii) নয়া উপনিবেশবাদ ও বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরোধিতা, (iv) তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, (v) বিশ্বরাজনীতিতে ভারসাম্য রক্ষা প্রভৃতি বিষয়ে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করা হয় ।

⇒ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM):
- NAM (Non-Aligned Movement) একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, যা মূলত শীতল যুদ্ধের সময়ে বিশ্ব রাজনীতির দুটি প্রধান শক্তির ব্লক- পূর্ব ব্লক (সোভিয়েত ইউনিয়ন) এবং পশ্চিম ব্লক (যুক্তরাষ্ট্র)-এর বাইরে থাকার উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিল।
- এর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন দেশকে নিরপেক্ষভাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করা, যাতে তারা কোনো একটি শক্তির পক্ষও নিতে বাধ্য না হয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা: যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটো, ঘানার রাষ্ট্রপতি কোয়ামে নক্রমা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ।
- NAM প্রতিষ্ঠা মূল উদ্দেশ্য ছিল: বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, আন্তর্জাতিক শক্তির সমতা প্রতিষ্ঠা করা, কল্যাণমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানবাধিকার রক্ষা করা, আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর ২৫টি দেশের অংশগ্রহণে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে প্রথম NAM শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
৮৯.
'হাম্মুরাবির কোড' কোন সভ্যতার অবদান?
  1. মিশরীয়
  2. ব্যাবিলনীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. অ্যাজটেক
ব্যাখ্যা
'হাম্মুরাবির কোড' ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান।

হাম্মুরাবি কোড:

- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কয়টি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি অন্য সব বিপক্ষ নগররাষ্ট্রগুলো গুঁড়িয়ে দেন।
- রাজা হাম্মুরাবি ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ব্যাবিলন শাসন করেন।

⇒ ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।
- বিষয় অনুসারে আইনগুলো নানা শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। যেমন পারিবারিক বিষয়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দাসপ্রথা।
- জনসাধারণ যদিও পড়তে জানত না, তবু আইনভঙ্গকারীদের দাঁত উপড়ে নেওয়া বা শূলে চড়ানোর মতো শাস্তি ভোগ করতে হতো।

উৎস: i) History.com
ii) প্রথম আলো।
৯০.
কোন দেশের উদ্যোগে সংঘাত নিরসনে ‘আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা সংস্থা (IOMed)’ সংস্থা গঠিত হয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. চীন
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা সংস্থা (IOMed):
- IOMed-এর পূর্ণরূপ: International Organization for Mediation.
- চীনের উদ্যোগে সংঘাত নিরসনে হংকংয়ে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা সংস্থা (আইওমেড) নামে একটি বৈশ্বিক সংস্থা গঠিত হয়েছে। 
- ৩০ মে, ২০২৫ তারিখে এ বিষয়ে একটি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে বিশ্বের ৩১টি দেশ। 
- বেইজিং আশা করছে, নতুন সংস্থাটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, 
⇒  হংকংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সভাপতিত্বে IOMed প্রতিষ্ঠার চুক্তি ‘the Convention on the Establishment of the International Organization for Mediation’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এ সময় ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, লাওস, কম্বোডিয়া ও সার্বিয়াসহ ৩১টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি জাতিসংঘসহ প্রায় ২০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
- ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ অথবা ২০২৬ সালের শুরুর দিকে কার্যক্রম শুরু করবে সংস্থাটি।
- IOMed এক দেশের সঙ্গে আরেক দেশের, একটি দেশের সঙ্গে অন্য একটি দেশের নাগরিকদের এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিশি বা মধ্যস্থতা করবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) mofa.go.ug
৯১.
'AFC Women's Asian Cup-2026'-এর আয়োজক দেশ কোনটি?
  1. উজবেকিস্তান
  2. ভারত
  3. কাতার
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
AFC Women's Asian Cup-2026:
- আয়োজক দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- আয়োজক শহর: ৩টি (সিডনি, পার্থ এবং গোল্ড কোস্ট)।
- অনুষ্ঠিত সময়: ১-২১ মার্চ, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১২টি।

উল্লেখ্য,
- নারী এশিয়া কাপ ফুটবল-২০২৬-এর বাছাইপর্ব ২০২৫ সালে মায়ানমারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: AFC ওয়েবসাইট।
৯২.
ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধ-২০২৫ কতদিন স্থায়ী হয়েছিল?
  1. ৯ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১১ দিন
  4. ১২ দিন
ব্যাখ্যা
ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধ:
- ইরান ও ইসরায়েল এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে।
- এই যুদ্ধ ১৩ জুন-২৪ জুন মোট ১২ দিন স্থায়ী হয়েছিল।

⇒ ১৩ জুন ইরানে আকস্মিক ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
- এরপর পাল্টা প্রতিশোধ নিতে ইরানও ইসরায়েলের ওপর হামলা শুরু করে।
- এতে দেশ দুইটির মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- এর মাঝে যুক্তরাষ্ট্র গত ২১ জুন ইরানের প্রধান তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
- সর্বশেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। 
- ২৪ জুন এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ বলেছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৩ জুন, ২০২৫ তারিখে ইসরাইল ইরানের তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে যে হামলা চালায় তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’। এর লক্ষ্য ছিল তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ‘হৃদয়’-এ আঘাত হানা।
- ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে ইরানের পরিচালিত অভিযানের নাম ‘ট্রু প্রমিজ ৩’। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের ডজনখানেক সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।

উৎস: i) CSIS ওয়েবসাইট।
ii) The Times of Israel. [link]
৯৩.
Convention on Wetlands কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ব্রাজিল
  2. কেনিয়া
  3. ইরান
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (Convention on Wetlands):
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।
- উদ্দেশ্য: আর্দ্রভূমির অবক্ষয় রোধ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
৯৪.
বিশ্বব্যাংক-এর তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে -
  1. ২.৩ শতাংশ
  2. ২.৯ শতাংশ
  3. ৩.৩ শতাংশ
  4. ৩.৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য উত্তেজনার প্রভাবে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমবে: বিশ্বব্যাংক
- ২০২৫ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ০.৪ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
- সংস্থাটির মতে, এ বছর বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ২.৩ শতাংশ হবে।
- ১০ জুন ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সংস্থাটির ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপ্রেক্ট’ বা ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
- এতে বলা হয়, উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ ও অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে প্রায় সব অর্থনীতির জন্যই একটি বড় ‘প্রতিবন্ধকতা’ তৈরি হয়েছে।

⇒ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনটিতে তাদের মাত্র ছয় মাস আগের পূর্বাভাসের তুলনায় বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমবে বলে জানানো হয়েছে।
- সংস্থাটির পূর্বাভাসে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইউরোপ এবং উদীয়মান ছয়টি অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমবে।
- বিশ্বব্যাংক সরাসরি মন্দার পূর্বাভাস না দিলেও জানিয়েছে, চলতি ২০২৫ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে এমন এক দুর্বল অবস্থায় নামবে, যা ২০০৮ সালের পর মন্দা ব্যতিরেকে সবচেয়ে দুর্বল।
- আগামী ২০২৭ সাল নাগাদ বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) গড় প্রবৃদ্ধি হবে মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ, যা ১৯৬০-এর দশকের থেকে কোনো একক দশকে সবচেয়ে ধীরগতির প্রবৃদ্ধি।

উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]
ii) প্রথম আলো।
৯৫.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কী?
  1. একটি সফটওয়্যার
  2. একটি সার্ভার
  3. হাইপারটেক্সট ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
World Wide Web (WWW) হচ্ছে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)

- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
নিচের কোনটি SaaS-এর উদাহরণ?
  1. Google App Engine
  2. Microsoft Azure App Services
  3. Google Docs
  4. Rackspace
ব্যাখ্যা
Google Docs হচ্ছে SaaS-এর একটি উদাহরণ।

SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৭.
FoxPro, Oracle প্রোগ্রামগুলো কোন ক্যাটাগরির সফটওয়্যার?
  1. অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. গ্রাফিক ডিজাইন সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
FoxPro, Oracle প্রোগ্রামগুলো হচ্ছে ডাটাবেজ সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
F1 কী সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Rename করা
  2. Fullscreen মোড চালু/বন্ধ
  3. Restart করার জন্য
  4. Help মেনু খোলার জন্য
ব্যাখ্যা
F1 কী সাধারণত Help মেনু খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।
৯৯.
কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. এভিজি
  2. নরটন
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাভাস্ট
ব্যাখ্যা
ট্রোজান হর্স একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
Facebook বর্তমানে কোন কোম্পানির অংশ?
  1. Alphabet Inc.
  2. Meta Platforms
  3. Amazon
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
Facebook বর্তমানে Meta Platforms কোম্পানির অংশ।

• Facebook:
- Facebook একটি মার্কিন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নেটওয়ার্ক পরিষেবা।
- এটি Meta Platforms কোম্পানির একটি অংশ।
- ২০০৪ সালে Facebook প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Facebook-এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের Menlo Park, California-তে অবস্থিত।

- প্রতিষ্ঠাতারা হলেন:
• Mark Zuckerberg,
• Eduardo Saverin,
• Dustin Moskovitz,
• Chris Hughes.

- Facebook বিশ্বে সবচেয়ে বড় সামাজিক নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে।
- ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, Facebook-এর প্রায় তিন বিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে।
- প্রতিদিন প্রায় আড়াই বিলিয়ন ব্যবহারকারী Facebook ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০১.
কোন ধরণের পদার্থে তাপমাত্রা বাড়ালে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়? 
  1. অর্ধপরিবাহী
  2. সুপরিবাহী
  3. অপরিবাহী
  4. পরিবাহী
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০২.
ব্যাটারিতে শক্তির রূপান্তর কীভাবে ঘটে? 
  1. আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি
  2. গতি শক্তি → তাপ শক্তি
  3. তাপ শক্তি → রাসায়নিক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মানুষ তার বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করে থাকে। 
রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
- মহাবিশ্বে শক্তির রূপান্তরের ঘটনা ক্রমাগত চলতে থাকে, যা প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম পর্যায়ে ঘটে। 
- শক্তি এক রূপ থেকে একাধিক রূপে রূপান্তরিত হতে পারে, তবে মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমাণ কখনোই পরিবর্তিত হয় না। 
- এক রূপের শক্তি অন্য রূপে রূপান্তরিত হওয়াকে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 
- এর মাধ্যমে শক্তির ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের কার্য সম্পাদিত হয়, যেমন যান্ত্রিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি, গতি শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি ইত্যাদি। 

রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- খাদ্য এবং জ্বালানি যেমন- তেল, গ্যাস, কয়লা ও কাঠ হচ্ছে রাসায়নিক শক্তির আধার। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের শক্তি দেহে মুক্ত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার সময় দরকারী কাজ করা হয়। 
- বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তি আবার বাতির ফিলামেন্টে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩.
পরমাণুর কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক? 
  1. এটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে
  2. এটি একটি যৌগ
  3. এটি স্বাধীনভাবে সব সময় থাকে
  4. এটি দুই বা তার অধিক পরমাণুর সংযোগে গঠিত হয়
ব্যাখ্যা
পরমাণু: 
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
- পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
- সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। 
যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
- পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
- একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 

অণু: 
- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৪.
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, বিক্ষেপণ তত - 
  1. কম
  2. বেশি
  3. মাঝামাঝি
  4. অপরিবর্তিত
ব্যাখ্যা
বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০৫.
ঘরের টিউবলাইটের ভেতর কোন অবস্থা তৈরি হয়? 
  1. তরল
  2. গ্যাসীয়
  3. প্লাজমা
  4. কঠিন
ব্যাখ্যা
পদার্থের চতুর্থ অবস্থা (প্লাজমা): 
- কঠিন, তরল এবং গ্যাস এই তিনটি ভিন্ন অবস্থার বাইরেও পদার্থের চতুর্থ আরেকটি অবস্থা হতে পারে, এর নাম প্লাজমা। 
- অণু কিংবা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি পজিটিভ চার্জের প্রোটন থাকে তার বাইরের ঠিক সেই কয়টি নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন থাকে। সে কারণে একটা অণু কিংবা পরমাণুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য। 
- বিশেষ অবস্থায় অণু কিংবা পরমাণুকে আয়নিত করে ফেলা যায়, কিছু পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে মুক্ত করে ফেলা যায়, তখন আলাদা আলাদাভাবে পরমাণুগুলো আর চার্জ নিরপেক্ষ থাকে না। 
- ইলেকট্রন এবং আয়নের এক ধরনের মিশ্রণ তৈরি হয়। এটি যদিও গ্যাসের মতো থাকে কিন্তু গ্যাসের সব ধর্ম এর জন্য সত্যি নয়। 
যেমন- গ্যাসের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্লাজমার নির্দিষ্ট আকার তৈরি করে ফেলা যায়। 

- প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়, শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করেও প্লাজমা করা যায়। 
- ঘরে টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়, আবার নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলোর ভেতরেও প্লাজমা থাকে। 
- বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলো দেখা যায়, সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে। 
- বর্তমানে ফিশান পদ্ধতিতে ভারী নিউক্লিয়াসকে ভেঙে নিউক্লিয়ার শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- হালকা নিউক্লিয়াসকে একত্র করে ফিউশন পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি করার জন্য প্লাজমা ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয় এবং এটি এখন পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৬.
ক্ষমতা নির্ণয়ের সঠিক সূত্র কোনটি? 
  1. P = বল/সময়
  2. P = কাজ × সময়
  3. P = বল × বেগ
  4. P = সময়/কাজ
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
সুতরাং, ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- 1 H. P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
কোন ধরনের অ্যালকোহল মোটর ইঞ্জিনে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. রেকটিফাইড স্পিরিট
  2. মেথিলেটেড স্পিরিট
  3. পাওয়ার অ্যালকোহল
  4. ডেনেচার্ড অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়, এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়, এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
একটি সংখ্যাকে ১৩ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ ৭ থাকে। যদি ভাগফল ভাগশেষের পাঁচগুণ হয়, তবে সংখ্যাটি কত?
  1. ৫২৪
  2. ৪৬২
  3. ৫১২
  4. ৪৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যাকে ১৩ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ ৭ থাকে। যদি ভাগফল ভাগশেষের পাঁচগুণ হয়, তবে সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
প্রদত্ত শর্তানুসারে,
একটি সংখ্যাকে ১৩ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ ৭ থাকে এবং ভাগফল ভাগশেষের পাঁচগুণ হয়।
ভাগশেষ = ৭
সুতরাং ভাগফল = ৫ × ৭ = ৩৫

এখন, সংখ্যাটি অর্থাৎ, ভাজ্য নির্ণয় করতে হবে।
সংখ্যাটি(ভাজ্য) = (ভাগক × ভাগফল) + ভাগশেষ
= (১৩ × ৩৫) + ৭
= ৪৫৫ + ৭
= ৪৬২

সুতরাং সংখ্যাটি ৪৬২।
১০৯.
x2/3 + x1/3 = 2 হলে, x এর মান কত?
  1. 9
  2. - 8
  3. 6
  4. - 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2/3 + x1/3 = 2 হলে, x এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
⇒ x2/3 + x1/3 = 2
⇒ (x2/3 + x1/3)3 = 23  [ ঘন করে]
⇒ (x2/3)3 + (x1/3)3 + 3 . x2/3 . x1/3 . (x2/3 + x1/3) = 8   ;[ (a + b)3 = a3 + b3 + 3ab(a + b)]
⇒ x2 + x + 3 . x . 2 = 8
⇒ x2 + 7x - 8 = 0
⇒ x2 + 8x - x - 8 = 0
⇒ x(x + 8) - 1(x + 8) = 0
⇒ (x + 8)(x - 1) = 0

হয়, x = - 8 
অথবা, x = 1

∴  x এর মানগুলোর - 8, 1
১১০.
5(nx - 1) = 5a(nx - 2) হলে, x এর মান কত?
  1. 2/n
  2. 5n
  3. 2
  4. n/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5(nx - 1) = 5a(nx - 2) হলে, x এর মান কত?  

সমাধান:
⇒ 5(nx - 1) = 5a(nx - 2) 
⇒ 5(nx - 1)/5 = a(nx - 2)
⇒ 5(nx - 1 - 1) = a(nx - 2)
⇒ 5(nx - 2) = a(nx - 2)
⇒ (5/a)(nx - 2) = 1
⇒ (5/a)(nx - 2) = (5/a)0
⇒ (nx - 2) = 0
⇒ nx = 2
∴ x = 2/n
১১১.
B = {x ∈ N, 3 < x ≤ 13 এবং x মৌলিক সংখ্যা} হলে, B এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?
  1. 23
  2. 16
  3. 15
  4. 31
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: B = {x ∈ N, 3 < x ≤ 13 এবং x মৌলিক সংখ্যা} হলে, B এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?

সমাধান:
3 < x ≤ 13 এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলোর হলো - 5, 7, 11, 13

আমরা জানি,
কোন সেটের উপাদান সংখ্যা n হলে ঐ সেটের প্রকৃত উপসেট = 2n - 1 এবং উপসেট = 2n
∴ B সেটের উপাদান সংখ্যা = 4

∴ B এর প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা = 24 - 1 = 16 - 1 = 15
১১২.
একটি কোণ তার সম্পূরক কোণের চার-পঞ্চমাংশ। কোণটির সম্পূরক কোণ কত?
  1. 90°
  2. 120°
  3. 80°
  4. 100°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কোণ তার সম্পূরক কোণের চার-পঞ্চমাংশ। কোণটির সম্পূরক কোণ কত?

সমাধান:
ধরি,
কোণটি = x
∴ কোণটির সম্পূরক কোণ = 180 - x

প্রশ্নমতে,
x = (4/5) × (180 - x)
⇒ 5x = 720 - 4x
⇒ 9x = 720
⇒ x = 80

∴ কোণটির সম্পূরক কোণ = 180 - 80 = 100°
১১৩.
গতকাল শেয়ারের দাম ৩০% বেড়েছিল, কিন্তু আজ ২৫% কমেছে। শেয়ারের দাম মোট কত কমেছে বা বেড়েছে?
  1. ২.৫% কমেছে
  2. ৫.২৫% বেড়েছে
  3. ২.৭৫% বেড়েছে
  4. ৬.৫% কমেছে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: গতকাল শেয়ারের দাম৩০% বেড়েছিল, কিন্তু আজ ২৫% কমেছে। শেয়ারের দাম মোট কত কমেছে বা বেড়েছে?

সমাধান:
ধরি,
শেয়ারের প্রকৃত মূল্য = ১০০ টাকা

৩০% বৃদ্ধিতে শেয়ারের মূল্য হয় = ১০০ + ৩০ = ১৩০ টাকা

আবার,
২৫% হ্রাস পেয়ে শেয়ারের মূল্য হয় = ১৩০ - (১৩০ এর ২৫%) = ১৩০ - ৩২.৫ = ৯৭.৫ টাকা

∴ শেয়ারের মূল্য হ্রাস = ১০০ - ৯৭.৫ = ২.৫ টাকা

∴ শতাংশে কমেছে = (২.৫/১০০) × ১০০% = ২.৫%
১১৪.
যদি a = √10 + 3 হয়, তাহলে a3 - (1/a)3 এর মান কত?
  1. 320
  2. 280
  3. 234
  4. 190
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি a = √10 + 3 হয়, তাহলে a3 - (1/a)3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a = √10 + 3

এখন,
1/a = 1/(√10 + 3)
= (√10 - 3)/(√10 + 3)(√10 - 3)
= (√10 - 3)/{(√10)2 - 32}
= (√10 - 3)/(10 - 9)
= √10 - 3
∴ 1/a = √10 - 3

∴ a - (1/a) = √10 + 3 - √10 + 3 = 6

প্রদত্ত রাশি,
a3 - (1/a)3
= (a - 1/a)3 + 3 . a . 1/a . (a - 1/a)
= 63 + (3 × 6)
= 216 + 18
= 234


১১৫.
১১ + ১৪ + ১৭ ........ ধারাটির কোন পদ ৩৯৮ হবে?
  1. ১৩০
  2. ১২৮
  3. ১৩৫
  4. ১২১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১১ + ১৪ + ১৭ ........ ধারাটির কোন পদ ৩৯৮ হবে?

সমাধান:
প্রথম পদ, a = ১১
সাধারণ অন্তর, d = ১৪ - ১১ = ৩

আমরা জানি,
n-তম = a + (n - 1)d

প্রশ্নমতে,
⇒ a + (n - ১)d = ৩৯৮
⇒ ১১ + (n - ১)৩ = ৩৯৮
⇒ ১১ + ৩n - ৩ = ৩৯৮
⇒ ৮ + ৩n = ৩৯৮
⇒ ৩n = ৩৯৮ - ৮
⇒ ৩n = ৩৯০
∴ n = ১৩০

∴ ১৩০‑তম পদটি ৩৯৮
১১৬.
56 মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র বৃত্তে অন্তর্লিখিত হয়েছে। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 98π বর্গমিটার
  2. 156π বর্গমিটার
  3. 98 বর্গমিটার
  4. 120π বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 56 মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র বৃত্তে অন্তর্লিখিত হয়েছে। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:


ABCD বর্গের পরিসীমা = 56 মিটার
∴ ABCD বর্গের বাহু = 56/4 = 14 মিটার

এখন,
কর্ণ = ব্যাস = বাহু × √2 = 14√2
∴ ব্যাসার্ধ = 14√2/2 = 7√2

∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
= π(7√2)2
= π × 49 × 2
= 98π বর্গমিটার
১১৭.
4x + 3 < 2x + 9 এর সমাধান কোনটি?
  1. [0, 3)
  2. (- ∞, 3)
  3. {3, 0}
  4. (3, ∞)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4x + 3 < 2x + 9 এর সমাধান কোনটি?

সমাধান:
4x + 3 < 2x + 9
⇒ 4x - 2x < 9 - 3
⇒ 2x< 6
⇒ x < 3

∴ নির্ণেয় সমাধান সেট = (- ∞, 3)
১১৮.
MATHEMATICS শব্দটির বর্ণগুলোকে কত রকমে সাজানো যায় যখন সর্বদা শুরুতে H থাকে?
  1. 226800
  2. 453600
  3. 362880
  4. 907200
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: MATHEMATICS শব্দটির বর্ণগুলোকে কত রকমে সাজানো যায় যখন সর্বদা শুরুতে H থাকে?

সমাধান:
MATHEMATICS শব্দটিতে 11টি বর্ণ আছে।
যার মধ্যে M আছে 2টি, A আছে 2টি, T আছে 2টি এবং বাকি গুলো ভিন্ন ভিন্ন।

এখন,
সর্বদা শুরুতে H রাখলে, প্রতিটি বিন্যাসে H কে স্থির রেখে বাকি 10টি বর্ণের বিন্যাস,
= 10!/(2! × 2! × 2!)
= 453600
১১৯.
১৫ মিটার  দৈর্ঘ্য এবং ১২ মিটার  প্রস্থবিশিষ্ট একটি কাপের্ট দ্বারা একটি মেঝের ৭৫% মোড়ানো যায় । মেঝেটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ মিটার?
  1. ১৬০ বর্গমিটার
  2. ৩২০ বর্গমিটার
  3. ১৮০ বর্গমিটার
  4. ২৪০ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫ মিটার  দৈর্ঘ্য এবং ১২ মিটার  প্রস্থবিশিষ্ট একটি কাপের্ট দ্বারা একটি মেঝের ৭৫% মোড়ানো যায় । মেঝেটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ মিটার?

সমাধান:
কার্পেটের ক্ষেত্রফল = (১৫ × ১২) = ১৮০ বর্গ মিটার 

এখন ,
মেঝের ৭৫%   = ১৮০ বর্গমিটার 
মেঝের ১%      = ১৮০/৭৫ বর্গমিটার 
মেঝের ১০০% = (১৮০ × ১০০)/৭৫ বর্গমিটার 
= ২৪০ বর্গমিটার 

∴ মেঝেটির ক্ষেত্রফল ২৪০ বর্গমিটার।
১২০.
যদি 5.625 × 10k = 0.0005625 হয়, তাহলে k এর মান কত?
  1. - 4
  2. 5
  3. 4
  4. - 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 5.625 × 10k = 0.0005625 হয়, তাহলে k এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
⇒ 5.625 × 10k = 0.0005625
⇒ 10k = 0.0005625/5.625
⇒ 10k = (5625 × 103)/(5625 × 107)
⇒ 10k = 103 - 7
⇒ 10k = 10- 4
∴ k = - 4
১২১.
Which one is the correct spelling?
  1.  synchronization
  2. syncronization
  3.  syncronisation
  4.  synchronieation
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Which one is the correct spelling?

সমাধান:
সঠিক বানান: synchronization
অর্থ: সময় বা কাজকে সমন্বয় করা।
এটি American English অনুযায়ী সঠিক বানান।
১২২.
রুবেল মিয়া বাড়ি ছেড়ে সাইকেল চালিয়ে দক্ষিণ দিকে ১৫ কি.মি. তারপর ডানদিকে ঘুরল এবং ৮ কি.মি. সাইকেল চালালো এবং তারপর আবার ডানদিকে ঘুরল এবং ১৫ কি.মি.সাইকেল চালালো। এর পর সে বাম দিকে ঘুরে ১২ কি.মি. সাইকেল চালালো। তাকে কত কি.মি. সাইকেল চালিয়ে সোজা তার বাড়িতে পৌঁছাতে হবে?
  1. ৮ কি.মি.
  2. ২০ কি.মি.
  3. ৩৫ কি.মি.
  4. ৪ কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রুবেল মিয়া বাড়ি ছেড়ে সাইকেল চালিয়ে দক্ষিণ দিকে ১৫ কি.মি. তারপর ডানদিকে ঘুরল এবং ৮ কি.মি. সাইকেল চালালো এবং তারপর আবার ডানদিকে ঘুরল এবং ১৫ কি.মি.সাইকেল চালালো। এর পর সে বাম দিকে ঘুরে ১২ কি.মি. সাইকেল চালালো। তাকে কত কি.মি. সাইকেল চালিয়ে সোজা তার বাড়িতে পৌঁছাতে হবে?

সমাধান:

যাত্রা শুরুর স্থান A এবং গন্তব্য স্থান E
নির্ণেয় দূরত্ব AE = (১২ + ৮) কি.মি.
= ২০ কি.মি.
১২৩.
‘যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা’ কে এককথায় কী বলা হয়?
  1. মহাশ্বেতা
  2. ধুরন্ধর
  3. পুণ্ডরীক
  4. চিত্রার্পিতা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ‘যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা’ কে এককথায় কী বলা হয়?

সমাধান:
‘যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা’ এর এককথায় প্রকাশ - মহাশ্বেতা

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ‘শ্বেত বর্ণ পদ্ম’ এর এককথায় প্রকাশ - পুণ্ডরীক।
- 'অতি কর্মনিপুণ ব্যক্তি' এর এককথায় প্রকাশ - ধুরন্ধর।
- 'যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা' এর এককথায় প্রকাশ - চিত্রার্পিতা
১২৪.
১৫০ গজ লম্বা একটি সড়কের উভয় পাশে ২৫ ফুট অন্তর গাছ লাগাতে কতটি চারার প্রয়োজন? 
  1. ১৯টি
  2. ৩৬টি
  3. ৩৮টি
  4. ৪২টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫০ গজ লম্বা একটি সড়কের উভয় পাশে ২৫ ফুট অন্তর গাছ লাগাতে কতটি চারার প্রয়োজন? 

সমাধান:
আমরা জানি,
১ গজ = ৩ ফুট
∴ ১৫০ গজ = (৩ × ১৫০)ফুট = ৪৫০ ফুট

এক পাশে চারা গাছ লাগবে = {(৪৫০/২৫) + ১}টি = (১৮ + ১)টি = ১৯ টি

∴ রাস্তার উভয় পাশে চারা গ্যাস লাগবে = (১৯ × ২)টি = ৩৮টি
১২৫.
'Apprentice' শব্দের পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. শাসক
  2. উপভাষাতত্ত্ব
  3. অপভাষা
  4. শিক্ষানবিশ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'Apprentice' শব্দের পারিভাষিক শব্দ কোনটি?

সমাধান:
'Apprentice' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - শিক্ষানবিশ।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ‘Obscene’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - অপভাষা।
- 'Magistrate' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - শাসক।
- ‘Dialectology' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - উপভাষাতত্ত্ব।

উৎস :
১. বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা অভিধান।
২. ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২৬.
নীচের সংখ্যা সিরিজের প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ২৩, ?
  1. ২৫
  2. ২৭
  3. ২৯
  4. ২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নীচের সংখ্যা সিরিজের প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ২৩, ?

সমাধান:
নিচের সংখ্যা সিরিজের প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ২৩, ?

এখানে,
বিজোড় স্থানীয় সংখ্যা ৩, ৯, ১৫, ২১, ?
প্রতিটি সংখ্যা পূর্ববর্তী সংখ্যার চেয়ে ৬ বেশি।

জোড় স্থানীয় সংখ্যা ৫, ১১, ১৭, ২৩
প্রতিটি সংখ্যা পূর্ববর্তী সংখ্যার চেয়ে ৬ বেশি।

'?' স্থানের সংখ্যাটি হবে বিজোড় স্থানীয়। যা ২১ এর চেয়ে ৬ বেশি অর্থাৎ, ২১ + ৬ = ২৭।
১২৭.
A বয়সে B থেকে বড় কিন্তু C থেকে ছোট। D, E থেকে ছোট কিন্তু A থেকে বড়। C যদি D থেকে ছোট হয়, তাহলে সবচেয়ে বড় কে?
  1. D
  2. E
  3. C
  4. A
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A বয়সে B থেকে বড় কিন্তু C থেকে ছোট। D, E থেকে ছোট কিন্তু A থেকে বড়। C যদি D থেকে ছোট হয়, তাহলে সবচেয়ে বড় কে?

সমাধান:
A বয়সে B থেকে বড় কিন্তু C থেকে ছোট = C > A > B 
D, E থেকে ছোট কিন্তু A থেকে বড় = E > D > A
C, D থেকে ছোট=  D > C

অসমতা গুলো ক্রমানুসারে সাজিয়ে পাই 
E > D > C > A > B
১২৮.
যদি 10152 = JOB হয়, তাহলে 524113 = ?
  1. VIVA
  2. LIVE
  3. TEST
  4. EXAM
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 10152 = JOB হয়, তাহলে 524113 = ?

সমাধান:

10152 = JOB
5 24 1 13 = EXAM
১২৯.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে?
  1. বগুড়া
  2. রাজশাহী
  3. মৌলভীবাজার
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ু কোনটি?
  1. মিস্ট্রাল
  2. সাইমুম
  3. পাম্পেরু
  4. বোরা
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
- উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে কী বলে?
  1. বিন্দু
  2. অনুকেন্দ্র
  3. সমকেন্দ্র
  4. উপকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২.
'জনসমষ্টি' রাষ্ট্রের কততম উপাদান?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র:
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান।
- রাষ্ট্র বলতে সেই জনসমষ্টিকে বোঝায়, যারা কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানায় বসবাস করে, যাদের একটি সরকার আছে সর্বোপরি যারা বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রণ হতে সর্বোতভাবে মুক্ত থাকে।
- রাষ্ট্র হচ্ছে নাগরিক জীবনের অন্যতম একটি সংঘ।
⇒ রাষ্ট্রের উপাদান ৪টি। যথা:
(১) জনসমষ্টি,
(২) ভূ-খন্ড,
(৩) সরকার ও.
(৪) সার্বভৌমত্ব।
- এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য।
- এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৩.
'জেরেমি বেন্থাম' নিম্নের কোন মতবাদের প্রবক্তা?
  1. ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদ
  2. সামাজিক চুক্তি
  3. উপযোগবাদ
  4. সাম্যবাদ নীতি
ব্যাখ্যা
জেরেমি বেন্থাম:
- জেরেমি বেন্থাম একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, এবং তাত্ত্বিক আইনবিদ।
- তিনি ছিলেন যুক্তরাজ্যের অধিবাসী।
- তিনি ছিলেন উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা।
- জেরেমি বেস্থাম যে সুখবাদ প্রচার করেন তা 'অসংযত পরসুখবাদ বা উপযোগবাদ' (Gross Utilitarianism) নামে পরিচিত।
- বেন্থাম মনস্তাত্ত্বিক সুখবাদ (Psychlogical Hedonism) ও আত্মসুখবাদ (Egoism) সমর্থন করেও ঐ প্রকার সুখবাদ থেকে পরসুখবাদ বা উপযোগবাদ অনুমান করেন।
- বিভিন্ন সুখের মধ্যে গুণগত পার্থক্য স্বীকার না করার জন্যই বেস্থামের সুখবাদকে 'অসংযত পরসুখবাদ বা উপযোগবাদ' (Gross Altruism or Ulititarianism) বলা হয়।
- বেন্থাম বলেন, 'Quantity of pleasures being equal, pushpin is as good as poetry' অর্থাৎ 'পরিমাণের তারতম্য না ঘটলে, খেলার সুখ (দৈহিক সুখ) ও কবিতা পাঠের সুখ (মানসিক সুখ) তুল্যমূল্য'।
- সুখের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য বেস্থাম সুখের সাতটি দিকের বা মানের উল্লেখ করেছেন।
- যথা: তীব্রতা, স্থায়িত্ব, নৈকট্য, নিশ্চয়তা, বিশুদ্ধি, উর্বরতা ও বিস্তৃতি।

⇒ জেরেমি বেন্থাম Greatest Happiness Principle নীতির (১৭৮৯) প্রবক্তা।
- এই নীতির অর্থ হলো কোন কিছু বা কোন কাজকে উদ্দেশ্য নয়, বরং ফলাফল দ্বারা মূল্যায়ন করতে হবে।
- তাঁর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Principles of Morals and Legislation.

উল্লেখ্য:
- ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদ তত্ত্বের প্রবক্তা জন মিল।
- সামাজিক চুক্তি তত্ত্বের প্রবক্তা রুশো।
- সাম্যবাদ নীতি তত্ত্বের প্রবক্তা কার্ল মার্কস।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও নীতিবিদ্যা, দর্শন চতুর্থ পর্ব, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
নীতিবিদ্যা মানুষের কোন ক্রিয়া আলোচনা করে?
  1. প্রারম্ভিক ক্রিয়া
  2. আবশ্যিক ক্রিয়া
  3. ঐচ্ছিক ক্রিয়া
  4. অনৈচ্ছিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
নীতিবিদ্যা:
- মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
- নীতিবিদ্যায় মানুষের আচরণ বলতে মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়াকে বুঝানো হয়।
- নীতিবিদ্যা শুধু মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া বিচার করে।
- ঐচ্ছিক ক্রিয়ার স্বরূপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার সাথে অনৈচ্ছিক ক্রিয়ার পার্থক্য, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার ধাপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার উৎস, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায় প্রভৃতি নীতিবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র - নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
নিচের কোনটি কর্তব্যের পরিপূরক?
  1. দেশসেবা
  2. স্বাধীনতা
  3. অধিকার
  4. আইন
ব্যাখ্যা
অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক:
- অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।
- অধিকার ও কর্তব্যের প্রকৃতি, স্বরূপ এবং পরিধি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এগুলো একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
- কর্তব্যহীন অধিকার বা অধিকারবিহীন কর্তব্যের কথা কল্পনা করা যায় না।
- অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর পরিপূরক।
- এরা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

⇒ নাগরিকের যা অধিকার রাষ্ট্রের নিকট তাই কর্তব্য এবং রাষ্ট্রের যা অধিকার নাগরিকের নিকট তাই কর্তব্য।
- রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার আছে এবং রাষ্ট্র যখন সে অধিকার দাবি করে তখন নাগরিকের চরম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।
- যেমন- রাষ্ট্র যখন বিপদগ্রস্ত হয় তখন নাগরিকদের জীবনের বিনিময়ে হলেও রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসতে হয়।
- রাজনৈতিক সচেতনতার ফলে নাগরিক কখনও অধিকার ও কর্তব্যকে পৃথক করে দেখতে পারে না।
- অধিকারের মধ্যে কর্তব্য নিহিত থাকে।

তথ্যসূত্র - সিভিক এডুকেশন-১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, এসএসএইচএল বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।