পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫ টপিক: ৩. সংস্কৃত ব্যাকরণ: অব্যয়পদ, স্ত্রী প্রত্যয়; আত্মনেপদবিধান, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয় ও অন্যান্য। উৎস: ১১শ ও ১২শ ক্লাস ও সংশ্লিষ্ট পাঠ্যবই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন

.
ঋ, র, ষ এর পর ন/স ধ্বনি আসে, তখন তা কোন ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়?



  1. ণ/ষ
সঠিক উত্তর:
ণ/ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ণ/ষ
ব্যাখ্যা

ঋ, র,ষ এর পরে ন/স ধ্বনি আসলে তা ণ/ষ-এ রূপান্তরিত হয়। এটি ণত্ব /ষত্ব  বিধি অনুযায়ী ধাতুর ক্রিয়ার সম্পূর্ণতা নির্দেশ করে।

.
সংস্কৃত ধাতুতে ‘র’ এর পরে ‘স’ ধ্বনি আসলে তা কোন ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়?




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

‘র’ এর পরে ‘স’ ধ্বনি ষত্ব বিধি অনুযায়ী ‘ষ’ তে রূপান্তরিত হয়। এটি ধাতুর ক্রিয়ার ফল বা সম্পূর্ণতা নির্দেশ করার নিয়ম।

.
‘ঋ’ + ন ধ্বনির সমন্বয়ে সঠিক রূপ কোনটি?
  1. ঋন
  2.  ঋণ
  3. ঋস
  4. ঋন্
সঠিক উত্তর:
 ঋণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ঋণ
ব্যাখ্যা

ঋৃ -এর পরে ন ধ্বনি আসলে তা ণ-এ রূপান্তরিত হয়। তাই সঠিক বানান হলো ‘ঋণ’। এটি ণত্ব বিধির একটি উদাহরণ।

.
ঋ এর পরে স ধ্বনি এলে কোন ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়?




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

ঋ ধ্বনির পরে যদি স আসে তবে তা ষ-এ পরিবর্তিত হয়। উদাহরণ: ঋ + স → ঋষ। এখানে স ধ্বনি সরাসরি ষ ধ্বনিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই ধ্বনিগত রূপান্তরকে বলা হয় ষত্ব বিধান। ফলে ধ্বনি মিলন সহজ হয়।

.
ষ এর পরে ন ধ্বনি এলে কী হবে?




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

ষ এর পরে ন এলে ন ধ্বনি ণে পরিণত হয়। যেমন — ষ্ণ। এখানে সরাসরি ন → ণ হচ্ছে। এই পরিবর্তন ণত্ব বিধির নিয়ম অনুযায়ী ঘটে। সংস্কৃত শব্দ গঠনে এই বিধি গুরুত্বপূর্ণ।

.
ষ এর পরে স ধ্বনি এলে কোন ধ্বনি হবে?

  1.  ন


সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

ষ এর পরে স এলে স → ষ হয়। যেমন — ষষ্ঠ (ষ + ষ্ঠ)। এটি ষত্ব বিধির সঠিক প্রয়োগ। এর মাধ্যমে একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটে, ফলে শব্দ উচ্চারণ দৃঢ় হয়।

.
“কর্ণ” শব্দে ণত্ব বিধান প্রযোজ্য হয়েছে কেন?
  1. ঋ ধ্বনির কারণে
  2. র-ফলা ধ্বনির কারণে
  3. র ধ্বনির কারণে
  4. স্বাভাবিক নিয়মে
সঠিক উত্তর:
র ধ্বনির কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র ধ্বনির কারণে
ব্যাখ্যা

‘কর্ণ’ শব্দে র-এর পরে ন ধ্বনি এসেছে। ণত্ব বিধান অনুযায়ী র এর পরে ন এলে ন → ণ হয়। তাই এখানে “ন” ধ্বনি “ণ”-এ রূপান্তরিত হয়েছে। এর ফলেই শব্দটি “কর্ণ” হয়েছে, “করন” নয়।

.
“ঘর্ষণ” শব্দে কোন বিধি প্রয়োগ হয়েছে?
  1. ণত্ব বিধি
  2. ষত্ব বিধি
  3. উভয় নিয়মে
  4. স্বাভাবিকভাবে
সঠিক উত্তর:
ণত্ব বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ণত্ব বিধি
ব্যাখ্যা

ঘর্ষণ শব্দে “র” ধ্বনির পরে “ন” এসেছে। তাই ন → ণ হয়েছে। এটি ণত্ব বিধির সঠিক প্রয়োগ। যদি এই বিধি না মানা হতো তবে শব্দ হতো “ঘরসন”।

.
"কৃষ্ণ” শব্দে কোন বিধি কার্যকর?
  1. ষত্ব বিধি
  2. ণত্ব বিধি
  3. স্বাভাবিক নিয়ম 
  4. ণত্ব ও ষত্ব বিধি
সঠিক উত্তর:
ণত্ব বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ণত্ব বিধি
ব্যাখ্যা

কৃ + ষ+ণ → কৃষ্ণ। এখানে ঋ-এর পরে  স ও ন এসেছে। ফলে স> ষ এবং  ন → ণ হয়েছে। এটি ণত্ব বিধির সঠিক উদাহরণ। তাই শব্দ হয়েছে কৃষ্ণ, কৃস্ন নয়।

১০.
“পর্ষণ” শব্দে কোন পরিবর্তন ঘটেছে?
  1. ন → ণ
  2. স → ষ
  3. ন → ণ ও স → ষ উভয়ই
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ন → ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন → ণ
ব্যাখ্যা

পর্ষণ শব্দে র-এর পরে ন এসেছে। ণত্ব বিধি অনুযায়ী ন → ণ হয়েছে। তাই শব্দটি পর্সন হয়নি, বরং পর্ষণ। এটি ণত্ব বিধির জটিল প্রয়োগ।

১১.
অব্যয় পদ হলো -
  1. যা পরিবর্তিত হয়
  2. যা ব্যয় হয়
  3. যা অপরিবর্তনীয়
  4. যা অপরিবর্তনীয় নয়
সঠিক উত্তর:
যা অপরিবর্তনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা অপরিবর্তনীয়
ব্যাখ্যা

অব্যয় পদ হলো সেই শব্দ যা কোনো লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তি অনুসারে পরিবর্তিত হয় না। এটি সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে। উদাহরণ: অতঃ, চ, হি ইত্যাদি। এজন্য অব্যয় শব্দকে অপরিবর্তনীয় পদ বলা হয়।

১২.
অব্যয় পদের প্রধান কাজ কী?
  1. বাক্যে ক্রিয়া হিসেবে কাজ করা
  2. বাক্যে সংযোগ বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা
  3. বাক্যে বিশেষণ হিসেবে কাজ করা
  4. বাক্যে বিভক্তি নির্ধারণ করা
সঠিক উত্তর:
বাক্যে সংযোগ বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যে সংযোগ বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা

অব্যয় পদ ক্রিয়ার কাজ করে না, বিশেষ্য বা বিশেষণ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় না। বরং এটি বাক্যে বিশেষ অর্থ, সংযোগ বা ক্রিয়া-বিশেষণীয় ভূমিকা পালন করে। যেমন – “চ” মানে এবং, যা দুই বাক্যকে যুক্ত করে।

১৩.
“চ” অব্যয়টি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. কিন্তু
  2. যদি
  3. তবে
  4. এবং
সঠিক উত্তর:
এবং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবং
ব্যাখ্যা

“চ” অব্যয়টি দুটি বা একাধিক শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: রামঃ চ কৃষ্ণঃ চ → রাম এবং কৃষ্ণ। এজন্য চ অব্যয়কে সম্বন্ধবাচক অব্যয় বলা হয়।

১৪.
“অতঃ” অব্যয়ের অর্থ কী?
  1. এজন্য
  2. তবে
  3. সজন্য
  4.  অতএব
সঠিক উত্তর:
এজন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজন্য
ব্যাখ্যা

“অতঃ” অব্যয় পদ সাধারণত কারণ বা ফল প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: অতঃ গচ্ছতি → এজন্য সে যায়। এজন্য অতঃকে ফলবাচক অব্যয় বলা হয়।

১৫.
“তথা” অব্যয়ের অর্থ কী?
  1. যেমন
  2. সেই
  3. যেই
  4. তাই
সঠিক উত্তর:
তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাই
ব্যাখ্যা

“তথা” অব্যয়টি তুলনা বা ফল নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন – যথা রামঃ তথা কৃষ্ণঃ → যেমন রাম তেমনি কৃষ্ণ। এটি তুলনামূলক অব্যয়ের উদাহরণ।

১৬.
অব্যয় পদ কোন প্রকার শব্দের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিশেষ্য
  2. সর্বনাম
  3. অপরিবর্তনীয়
  4. ক্রিয়া-বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
অপরিবর্তনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিবর্তনীয়
ব্যাখ্যা

অব্যয় পদ কোনো বিশেষ্য বা ক্রিয়া নয়। এগুলো সর্বদা অপরিবর্তনীয়, তাই বিভক্তি, লিঙ্গ বা বচন অনুযায়ী বদলায় না। এজন্য এগুলোকে অপরিবর্তনীয় শব্দের শ্রেণিতে ধরা হয়।

১৭.
“হি” অব্যয়টির অর্থ কী?
  1. তবে
  2. কিন্তু
  3. তো/নিশ্চয়ই
  4. যখন
সঠিক উত্তর:
তো/নিশ্চয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তো/নিশ্চয়ই
ব্যাখ্যা

“হি” অব্যয় বাক্যে জোর বা নিশ্চয়তা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: সঃ হি মহাবলঃ → সে তো মহাবলী। এটি জোরালো অব্যয়ের উদাহরণ।

১৮.
“কুতঃ” অব্যয়ের অর্থ কী?
  1. কোথা থেকে
  2. কোথায়
  3. কখন
  4. কেমন
সঠিক উত্তর:
কোথা থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোথা থেকে
১৯.
সংস্কৃতে স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের জন্য কোন প্রত্যয়টি বেশি ব্যবহৃত হয়?

  1. টা
  2. নী
  3. ইক
সঠিক উত্তর:
নী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নী
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত ভাষায় স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের জন্য “নী” প্রত্যয় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। যেমন – কবি → কবিনী, ভৃত্য → ভৃত্যণী। এই প্রত্যয় বসে পুরুষবাচক শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গে রূপান্তরিত করে।

২০.
“ভৃত্য” (দাস) শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কী?
  1. ভৃত্যী
  2. ভৃত্যাণী
  3. ভৃত্যণী
  4. ভৃত্যবউ
সঠিক উত্তর:
ভৃত্যণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৃত্যণী
ব্যাখ্যা

“ভৃত্য” শব্দে স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের জন্য “ণী” প্রত্যয় বসে। তাই “ভৃত্য + ণী = ভৃত্যণী”। এর অর্থ দাসী।

২১.
“অশ্ব” (ঘোড়া) শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কী?
  1. অশ্বিণী
  2. অশ্বী
  3. অশ্বিনী
  4. অশ্বাণী
সঠিক উত্তর:
অশ্বী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্বী
ব্যাখ্যা

“অশ্ব” শব্দে স্ত্রীলিঙ্গ করতে “ঈ” প্রত্যয় বসে। তাই “অশ্ব + ঈ = অশ্বী”। এর মানে “ঘোটকী” বা স্ত্রীঘোড়া।

২২.
“ভ্রাতা” শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ কী?
  1. ভ্রাতৃমাতা
  2. ভ্রাত্রী
  3. ভ্রাতৃকা
  4. ভগিনী
সঠিক উত্তর:
ভগিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভগিনী
ব্যাখ্যা

“ভ্রাতা” শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ সরাসরি প্রত্যয় দ্বারা গঠিত নয়, বরং আলাদা শব্দ “ভগিনী” দ্বারা প্রকাশিত হয়। এর মানে “বোন”।

২৩.
“গোপ” শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কীভাবে গঠিত হয়?
  1. গোপী
  2. গোপিণী
  3. গোপিকা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

“গোপ” (গো রাখে যে) শব্দ থেকে স্ত্রীলিঙ্গ তৈরি হয় “গোপী/গোপিকা/গোপিণী”। ভিন্ন ভিন্ন প্রত্যয় (ই, ইক, ণী) দ্বারা এই রূপগুলো গঠিত হয়।

২৪.
“শিষ্য” শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কী?
  1. শিষ্যী
  2. শিষ্যা
  3. শিষ্যিকা
  4. শিষ্যাণী
সঠিক উত্তর:
শিষ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিষ্যা
ব্যাখ্যা

“শিষ্য” শব্দে “আ” প্রত্যয় বসে স্ত্রীলিঙ্গ হয় “শিষ্যা”। এর মানে নারী শিষ্য বা ছাত্রী।

২৫.
“বনিতা” শব্দটি কোন লিঙ্গের উদাহরণ?
  1. পুংলিঙ্গ
  2. স্ত্রীলিঙ্গ
  3. উভয়লিঙ্গ
  4. নপুংসক লিঙ্গ
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীলিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীলিঙ্গ
ব্যাখ্যা

“বনিতা” শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ, যার অর্থ “নারী/অভিনেত্রী/সুন্দরী”। এটি লিঙ্গবাচক শব্দ, যেখানে বিশেষ কোনো প্রত্যয় যোগ হয়নি, বরং স্বভাবত স্ত্রীলিঙ্গ।

২৬.
সংস্কৃতে আত্মনেপদ ক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. ফল অন্যের জন্য
  2. ফল নিজের জন্য
  3. ফল কারো জন্য নয়
  4. ফল সর্বজনীন
সঠিক উত্তর:
ফল নিজের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল নিজের জন্য
ব্যাখ্যা

আত্মনেপদ ক্রিয়া এমন ক্রিয়া যেখানে কর্মফল কর্তার নিজের জন্য হয়। যেমন স্নানं करोति = সে নিজের জন্য স্নান করে। এই বৈশিষ্ট্যই আত্মনেপদকে পরস্মৈপদ থেকে আলাদা করে।

২৭.
“পঠ” ধাতুর পরস্মৈপদ রূপ কোনটি?
  1. পঠতি
  2. পঠয়তে
  3. পঠতে
  4. পঠয়ামি
সঠিক উত্তর:
পঠতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঠতি
ব্যাখ্যা

“পঠ” ধাতুর পরস্মৈপদ রূপ হলো “পঠতি” = সে পড়ে। এখানে পড়ার ফল অন্যকে জানানো বা অন্যের উদ্দেশ্যে হয়। তাই এটি পরস্মৈপদ।

২৮.
“লিখ” ধাতু আত্মনেপদে কেমন হবে?
  1. লেখতি
  2. লিখতি
  3. লিখয়তি
  4. লেখ্যতে
সঠিক উত্তর:
লেখ্যতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেখ্যতে
ব্যাখ্যা

আত্মনেপদে ধাতুর শেষে সাধারণত “তে” প্রত্যয় যোগ হয়। তাই “লিখ” ধাতু আত্মনেপদে “লেখ্যতে” হয়। এর মানে দাঁড়ায় “সে নিজের জন্য লেখে।”

২৯.
যে ধাতুতে উভয় পদে (আত্মনেপদ ও পরস্মৈপদ) রূপ পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?
  1. একপদি
  2. দ্বিপদি
  3. উভয়পদি
  4. বহুপদী
সঠিক উত্তর:
উভয়পদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয়পদি
ব্যাখ্যা

সংস্কৃতে অনেক ধাতুই কখনও আত্মনেপদে, কখনও পরস্মৈপদে ব্যবহৃত হয়। এদেরকে “উভয়পদি ধাতু” বলা হয়। যেমন – গম্ (যাওয়া) ধাতু।

৩০.
“ক্রীড়” (খেলা করা) ধাতুর সঠিক আত্মনেপদ রূপ কোনটি?
  1. ক্রীড়তি
  2. ক্রীড়্যতি
  3. ক্রীড়্যতে
  4. ক্রীড়য়তি
সঠিক উত্তর:
ক্রীড়্যতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রীড়্যতে
ব্যাখ্যা

আত্মনেপদে ক্রিয়ার শেষে সাধারণত “তে” যোগ হয়। তাই “ক্রীড়” ধাতু আত্মনেপদে হয় ক্রীড়্যতে = সে নিজের জন্য খেলে।

৩১.
আত্মনেপদে ক্রিয়ার তৃতীয় পুরুষ একবচনে কী প্রত্যয় যোগ হয়?
  1. তি
  2. তে

  3.  তাম
সঠিক উত্তর:
তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তে
ব্যাখ্যা

আত্মনেপদ ক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য হলো তৃতীয় পুরুষ একবচনে “তে” প্রত্যয় যোগ হওয়া। যেমন – পঠ্যতে, লেখ্যতে, গচ্ছতে। এটি আত্মনেপদের প্রধান চিহ্ন।

৩২.
পরস্মৈপদে ক্রিয়ার প্রথম পুরুষ একবচনে কী প্রত্যয় যোগ হয়?
  1. মি
  2. মে
  3.  আমি
  4.  আ
সঠিক উত্তর:
মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মি
ব্যাখ্যা

পরস্মৈপদে প্রথম পুরুষ একবচনে “মি” প্রত্যয় থাকে। যেমন – পঠামি, লিখামি। এই প্রত্যয় দ্বারা বোঝা যায় ধাতুটি পরস্মৈপদে ব্যবহৃত হয়েছে।

৩৩.
“সে নিজের জন্য বসে” – এই বাক্যটি সংস্কৃতে কীভাবে প্রকাশিত হবে?
  1. উপবিশতি
  2. উপবিশামি
  3. উপবিশসि
  4. উপবিশ্যতে
সঠিক উত্তর:
উপবিশ্যতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপবিশ্যতে
ব্যাখ্যা

এখানে কর্মফল নিজের জন্য, তাই আত্মনেপদ রূপ হবে। “উপবিশ” ধাতু আত্মনেপদে হয় উপবিশ্যতে।

৩৪.
“পঠ” ধাতুর উভয়পদী ব্যবহার কোন বাক্যে সঠিক?
  1. সঃ পুস্তকং পঠতি
  2. সঃ আত্মনং পঠতে
  3. ত্বম পুস্তকং পঠসি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

“পঠ” ধাতু উভয়পদী। পঠতি (সে বই পড়ে – পরস্মৈপদ), আবার পঠते (সে নিজের জন্য পড়ে – আত্মনেপদ)। উভয়ভাবেই ব্যবহার করা যায়। এজন্য ধাতুটি উভয়পদী।

৩৫.
“ধৌ” (ধোওয়া) ধাতুটি সাধারণত কোন পদে পাওয়া যায়?
  1. আত্মনেপদ
  2. পরস্মৈপদ
  3. উভয়পদ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
আত্মনেপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মনেপদ
ব্যাখ্যা

“ধৌ” ধাতুর রূপ হয় ধৌতে = সে ধোয়। কাপড় ধোওয়া বা নিজেকে ধোওয়া – সাধারণত নিজের কাজ হিসেবে বিবেচিত। তাই এটি আত্মনেপদ ধাতু।

৩৬.
কৃৎ প্রত্যয়ের সংজ্ঞা কী?
  1. ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে অব্যয় তৈরি করে
  2. ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে সমাস তৈরি করে
  3. ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে কারক তৈরি করে
  4. ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নাম পদ তৈরি করে
সঠিক উত্তর:
ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নাম পদ তৈরি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নাম পদ তৈরি করে
ব্যাখ্যা

কৃৎ প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয়, যা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষ্য বা বিশেষণ তৈরি করে। যেমন – পঠ + ক = পাঠক। এভাবে কৃৎ প্রত্যয় ধাতুর অর্থের সাথে সম্পর্কিত একটি বিশেষ্য পদ গঠন করে।

৩৭.
“কৃৎ” শব্দের মূল অর্থ কী?
  1. ধাতু
  2. কর্ম
  3. করা
  4. প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করা
ব্যাখ্যা

কৃৎ” শব্দের মূল ধাতু হলো কृ (করা)। যেহেতু এরা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে করণজনিত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এদের নাম কৃৎ প্রত্যয়।

৩৮.
কৃৎ প্রত্যয় যোগে কোন পদ তৈরি হয়?
  1. অব্যয়
  2. ক্রিয়া
  3. বিশেষ্য বা বিশেষণ
  4. কারক
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য বা বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য বা বিশেষণ
ব্যাখ্যা

কৃৎ প্রত্যয় যোগে ধাতু থেকে নাম পদ (বিশেষ্য) ও বিশেষণ তৈরি হয়। যেমন – কর্তা, পাঠক, গায়ক, লিখিত, গম্য ইত্যাদি। এগুলো আর ক্রিয়া নয়, বরং নাম বা বিশেষণ।

৩৯.
“গম্য” শব্দে কৃৎ প্রত্যয়ের ভূমিকা কী?
  1. কর্মকে প্রকাশ করে
  2. কর্তাকে প্রকাশ করে
  3. করণকে প্রকাশ করে
  4. কালের নির্দেশ দেয়
সঠিক উত্তর:
কর্মকে প্রকাশ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মকে প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা

“গম্য” মানে “যেখানে যাওয়া উচিত” বা “যেখানে যাওয়া যায়।” এখানে “য” কৃৎ প্রত্যয় কর্মবাচক অর্থ প্রকাশ করছে।

৪০.
“ভোক্তা” শব্দের অর্থ কী?
  1. যে খায়
  2. যে খেয়েছে
  3. যে খাবে
  4. যে খেতে পারে
সঠিক উত্তর:
যে খাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে খাবে
ব্যাখ্যা

“ভুজ” (খাওয়া) ধাতুর সাথে “তृন” কৃৎ প্রত্যয় যোগ হলে হয় ভোক্তা। এর অর্থ দাঁড়ায় – যে ভোগ করবে বা খাবে।

৪১.
কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দকে কী বলা হয়?
  1. কারক
  2. তদ্ধিতান্ত
  3. প্রতিপাদিক
  4. কৃদন্ত
সঠিক উত্তর:
কৃদন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃদন্ত
ব্যাখ্যা

যে শব্দ ধাতুর সাথে কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় তাকে কৃদন্ত বলা হয়। যেমন – পাঠক, কর্তা, লিখিত ইত্যাদি। এরা আর ধাতু নয়, ধাতুজাত বিশেষ্য বা বিশেষণ।

৪২.
“কর্তব্য” শব্দের অর্থ কী?
  1. যা করা হয়
  2. যা করা হয়েছে
  3. যা করা উচিত
  4. যা করানো হয়
সঠিক উত্তর:
যা করা উচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা করা উচিত
ব্যাখ্যা

“কৃ” ধাতুর সাথে “তব্য” কৃৎ প্রত্যয় যোগ হয়ে হয় কর্তব্য। এর অর্থ – যা করা উচিত বা কর্তব্য। এটি কৃৎ প্রত্যয়ের বিধেয় অর্থের উদাহরণ।

৪৩.
কোনটির সাথে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় হয়?
  1. ধাতু
  2. বিভক্তি
  3. কারক
  4. প্রাতিপদিক
সঠিক উত্তর:
প্রাতিপদিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাতিপদিক
ব্যাখ্যা

নাম বা প্রাতিপদিকের সাথে যে সমস্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকেই তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। সুতরাং সঠিক উত্তর প্রাতিপদিক।

৪৪.
তদ্ধিত প্রত্যয়ের মাধ্যমে কী তৈরি হয়?
  1. ধাতুর ক্রিয়া
  2. নামপদ
  3. অব্যয়
  4. কৃদন্ত পদ
সঠিক উত্তর:
নামপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নামপদ
ব্যাখ্যা

তদ্ধিত প্রত্যয় ধাতুর অর্থ ধারণকারী নামপদ/শব্দে যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষ্য বা বিশেষণ তৈরি করে। যেমন – লেখ + অন → লেখন।

৪৫.
নিচের কোনটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের বৈশিষ্ট্য?
  1. ধাতুর সাথে প্রত্যক্ষ যুক্তি
  2. ক্রিয়া বিশেষণ গঠন
  3. নামপদে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠন
  4. কৃদন্ত শব্দ তৈরি
সঠিক উত্তর:
নামপদে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নামপদে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠন
ব্যাখ্যা

তদ্ধিত প্রত্যয়ে ধাতুর অর্থ ধারণকারী নামপদে প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং নতুন বিশেষ্য বা বিশেষণ তৈরি হয়। ধাতুর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয় না।

৪৬.
“গীত” নামপদের সাথে কোন তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে “গীত্য” হয়?
  1. ত্ব

  2. ষ্ণ
  3. য্য
সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

“গীত” + য → গীত্য। অর্থ – যা গাওয়া উচিত। ধাতু সরাসরি যুক্ত নয়, শুধু নামপদে তদ্ধিত প্রত্যয়।

৪৭.
“সত্য” শব্দের তদ্ধিত প্রত্যয়ের মাধ্যমে অর্থ কী প্রকাশ পায়?
  1. যা সত্যি
  2. যা সত্যি নয়
  3. যা সত্যি হবে
  4. যা সত্যি হতে পারে
সঠিক উত্তর:
যা সত্যি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা সত্যি
ব্যাখ্যা

সত্য = নামপদ সৎ + তদ্ধিত প্রত্যয়। অর্থ – যা সত্যি। এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের মাধ্যমে নামপদভিত্তিক বিশেষ্য তৈরি করার উদাহরণ।

৪৮.
“ধর্ম” নামপদের সাথে কোন তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে “ধার্মিক” হয়?
  1.  ষ্ণীক
  2.  ঈক
  3.  ক
  4.  ষ্ণিক
সঠিক উত্তর:
 ষ্ণিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ষ্ণিক
ব্যাখ্যা

ধার্মিক= নামপদ ধর্ম + ষ্ণিক(ইক)। অর্থ – যে ধর্ম পালন করে। এখানে ধাতু সরাসরি যুক্ত নয়।

৪৯.
দশরথ + ইঞ্ = দাশরথি - কোন নিয়মে/সূত্রের মাধ্যমে এটি নিষ্পন্ন?
  1. সর্বজনাৎ ঠঞ্
  2. বাহ্বদিভ্যশ্চ
  3.  অত ইঞ্
  4. কুলাৎ ইঞ্
সঠিক উত্তর:
 অত ইঞ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অত ইঞ্
ব্যাখ্যা

অত ইঞ্- অ-কারান্ত শব্দের উত্তর অপত্যার্থে ইঞ্ প্রত্যয় হয়। যথা- দশরথ + ইঞ্= দাশরথি(দশরথের পুত্র)। এরূপ- রাবণি, গার্গি ইত্যাদি।