পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: [প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব, বিভিন্ন দেশের সংস্কার আন্দোলন ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ] এবং বিষয় - মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. ভাষাগত যৌক্তিক বিচার (Verbal Reasoning) ২. সমস্যা সমাধান (Problem Solving) ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে কী বলা হয়?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. বলশেভিক বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. খ + গ
সঠিক উত্তর:
খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ
ব্যাখ্যা
→বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলা হয় রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে।

• রুশ বিপ্লব:
- রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯১৭ সালে।
- যা ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৯১৭ সালের এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে  রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

→ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- এই বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালে ফেব্রুয়ারিতে সেন্ট পিটার্সবার্গে খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা সংঘঠিত হয়।
- সেনাবাহিনীরা এই বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে;
- তখন নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলা হয় রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে ।
- এই বিপ্লবের ফলে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে।
- এই বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উল্লেখ্য,
- পশ্চিম ইউরোপের পুঁজিবাদী সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর চরম আঘাত করে এই বলশেভিক বিপ্লব।
- শ্রমিক ও কৃষক সমাজকে শোষণ বঞ্চনার হাত থেকে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আরো অনুপ্রাণিত করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৯ সালে সংঘটিত হয় চৈনিক সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ওজোনস্তর রক্ষায় গৃহীত মন্ট্রিল প্রটোকল কতবার সংশোধনী হয়?
  1. ৫ বার
  2. ৬ বার
  3. ৪ বার
  4. ৭ বার
সঠিক উত্তর:
৬ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বার
ব্যাখ্যা
• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- ওজোনস্তর রক্ষায় বৈশ্বিক চুক্তি।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৭ সালে ১৬ সেপ্টম্বর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়।
- গুরুত্ব: ওজোনস্তর রক্ষায় এটি প্রথম বৈশ্বিক আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি।
- সর্বশেষ সংশোধনী: কিগালি সংশোধনী (২০১৬) – এতে হাইড্রোফ্লোরোকার্বন (এইচএফসি) নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ।

→সংশোধন ও সম্প্রসারণ:
- প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণ: প্রাথমিকভাবে ৮টি ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- সংশোধন: ১৯৯০ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট ৬ বার প্রটোকল সমন্বয় করা হয়।
- বর্তমান অবস্থা: বর্তমানে ৯৬টি দ্রব্যের উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

• বৈশ্বিক গ্রহণ:
- প্রাথমিক স্বাক্ষরকারী: ২৪টি রাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: জাতিসংঘভুক্ত ১৯৭টি রাষ্ট্র মন্ট্রিল প্রটোকল ও এর সংশোধনীসমূহ অনুস্বাক্ষর করেছে।
 
• ৬ষ্ঠ সংশোধনী :
- কিগালি সংশোধনী হলো মন্ট্রিল প্রোটোকলের সর্বশেষ সংশোধনী ।
- ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর রুয়ান্ডার কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকলের ২৮তম সভায় শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস-হাইড্রোফ্লোরো কার্বনের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- মন্ট্রিল প্রোটোকলের কিগালি সংশোধনী হলো হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার এবং উৎপাদন ধীরে ধীরে হ্রাস করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: UNEP ও বাংলাদেশে তথ্য অধিদপ্তর।
.
পবিত্র ’আল-আকসা’ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. রামাল্লা
  2. তেল আবিব
  3. জেরুজালেম
  4. বাগদাদ
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
• আল-আকসা মসজিদ:
- আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।
- এটি মুসলমানদের পবিত্র ইসলামিক উপাসনালয়।
- সূরা আল-ইসরা (১৭:১)  বর্ণিত যে, এক রাতে আল্লাহ মহানবীকে মক্কার পবিত্র মসজিদ (আল-মসজিদ আল-হারাম) থেকে জেরুজালেমের  এই দূরবর্তী মসজিদে (আল-মসজিদ আল-আকসা) নিয়ে যান।
- এই পবিত্র স্থানে পৌঁছে, মহানবী (সা.) ইব্রাহিম (আ.), মূসা (আ.), ঈসা (আ.) সহ আল্লাহর অন্যান্য রাসূলদের (রুসুল) নিয়ে নামাজ আদায় করেন।
- ঐ রাতেই তিনি এই স্থান থেকে আসমানে আরোহণ করেছিলেন।
-  আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করেন, যাকে ইসলামে মিরাজ বলা হয়।
- ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী,  মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ঐতিহাসিক ইসরা (রাত্রিকালীন সফর) যাত্রার শেষ গন্তব্য হয়েছিল।
- আল-আকসা মসজিদ শব্দটি অনেক সময় শুধু মূল মসজিদ নয়।
- বরং সমগ্র চত্বর- যেখানে ডোম অব দ্য রকসহ বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে- সেটিকেও বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এই সমগ্র এলাকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত আল-হারাম আল-শরীফ (অর্থাৎ "মহান পবিত্র স্থান”) নামে।

উৎস: Britannica.
.
সুমেরীয়দের লিখন পদ্ধতির নাম কী ছিল?
  1. হায়ারোগ্লিফিক
  2. কিউনিফর্ম
  3. হিব্রু
  4. কার্টোগ্রাফিক
সঠিক উত্তর:
কিউনিফর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউনিফর্ম
ব্যাখ্যা
• সুমেরীয়দের লিখন পদ্ধতি: 
- সুমেরীয় সভ্যতার অন্যতম কীর্তি ছিল একধরনের লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন।
- এই পদ্ধতি ছিল প্রথমতঃ চিত্রলিপি এবং পরবর্তীতে তা শব্দলিপিতে রূপান্তরিত হয়।
- এই লিখন পদ্ধতি 'কিউনিফর্ম' নামে পরিচিত।
- কাঁদা মাটিতে চাপ দিয়ে চিত্রাংকন দ্বারা মনের ভাব প্রকাশ করতো।
- যা মেসোপটেমীয় লিপি হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এ সুমেরের বিখ্যাত শহর নিন্ধুরে এ কিউনিফর্ম (Cuneiform) চিত্রলিপির প্রায় চার হাজার মাটির চাকতি পাওয়া গেছে।
- এসকল কিউনিফর্ম বর্ণভিত্তিক নয়। 
- বরং একে বলা যেতে পারে অক্ষরভিত্তিক বর্ণলিখন।

এছাড়াও, 
- 'চাকা' আবিষ্কার- সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো।

উৎস:  ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র,  এইচ এস এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মেসোপটেমীয়া বলতে কোন অঞ্চলকে বুঝানো হয়?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. সিরিয়া
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতার অবস্থান:
- খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলোর আলাদা আলাদা নাম থাকলেও।
- একই ভূখণ্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত।
- মেসোপটেমীয়া একটি গ্রিক শব্দ।
- যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- মেসোপটেমীয়া বলতে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা-ফোরাত) এই দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বোঝায়।

উল্লেখ্য,
- মেসোপটেমীয়া  উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল।
- পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি।
- দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর।
- পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'জনগণতান্তিক' বিপ্লবের তত্ত্ব দিয়েছিলেন কে?
  1. সান ইয়াৎ সেন
  2. মাও সেতুং
  3. কার্ল মার্কস
  4. কনফুসিয়াস
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
ব্যাখ্যা
→ মাও সেতুং 'জনগণতান্তিক' বিপ্লবের তত্ত্ব দেন

• মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং।
- বর্তমান সংস্করণ মাও জে ডং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- তিনি হুনান প্রদেশে শাওশান গ্রামে কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- মাঞ্চু সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে (১৯১১-১২) ন্যাশনাষ্টি আর্মির পক্ষে যুদ্ধ করেন। 
- ১৯২০ সালে মাও জে ডং চাংশা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদে যোগদান করেন।
- মার্কসবাদী হয়ে উঠেন এবং সাংহাই কমিউনিষ্ট পার্টির দলে যোগ দেন।
- মাও জে ডং হুনান কৃষকদের সংগঠিত করার কাজে পুরোমাত্রায় রাজনৈতিক কর্মী বনে যান।
- চীনের মতো আধা সামন্ততান্তিক ও আধা উপনিবেশিক দেশে দরিদ্র চাষীরাই বিপ্লব সংগঠনে প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
- সর্বহারা শ্রেণীর বিপ্লবী তত্ত্বের সাথে;
- 'আধা উপনিবেশিক ও আধা-সামন্তবাদী' সমাজ ব্যবস্থায় 'জনগণতান্তিক' বিপ্লবের তত্ত্ব দেন।

উৎস: বিশ্ব ইতিহাস ও সভ্যতা, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে প্রথম কোন দেশ?
  1. কানাডা
  2. জাপান
  3. ফ্রান্স
  4. আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
• কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল (Kyoto Protocol) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো স্বাক্ষর হয়।
- লক্ষ্য: গ্যাস নির্গমন কমানো যা পরিবেশ দূষণে অবদান রাখেবিশ্ব উষ্ণায়ন।
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- কানাডা প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে।

→মূল উদ্দেশ্য:

- কিয়োটো প্রটোকলের প্রধান লক্ষ্য ছিল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের (GHG) ঘনত্ব এমন মাত্রায় স্থিতিশীল করা।
- যা জলবায়ু ব্যবস্থায় বিপজ্জনক মানবসৃষ্ট হস্তক্ষেপ রোধ করবে।
- এটি ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ২০০৮–২০১২ সালের মধ্যে GHG নির্গমন ৫.২% কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করে।​

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মতো বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কার্বন নির্গমনকারী দেশটির প্রতিশ্রুতি অর্জন করতে পারেনি।
- ২০১১ সালে কানাডা, রাশিয়া এবং জাপান ঘোষণা করে যে তারা কিয়োটোর নতুন লক্ষ্য গ্রহণ করবে না।
- ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।
 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

উৎস: Britannica.
.
জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গৌতম বুদ্ধ
  2. শ্রী চৈতন্য
  3. মহাবীর
  4. ভগৎ সিং
সঠিক উত্তর:
মহাবীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাবীর
ব্যাখ্যা
• জৈন ধর্ম:
- মহাবীর ও গৌতম বুদ্ধ দু'জনেই ছিলেন একই সময়ের।
- দু'জনের জন্ম ক্ষত্রিয় গোত্রে।
- দু'জনেই ব্রাহ্মণদের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে নতুন ধর্ম প্রচার করেন।
- প্রচলিত ধারণা মতে, জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন মহাবীর।
- তবে, জৈনদের বিশ্বাস জৈন ধর্মের অনেক গুরু বা তীর্থঙ্কর ছিলেন।
- মহাবীর হলেন শেষ তীর্থঙ্কর।
- প্রথম তীর্থঙ্কর এর নাম ঋষভদেব বা আদিনাথ।
- জৈন সাহিত্যে মোট ২৩ জন তীর্থঙ্করের নাম পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- ৫৪০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে উত্তর বিহারের বৈশালীর কাছে মহাবীরের জন্ম বলে অনুমান করা হয়।
- তাঁর পিতা সিদ্ধার্থ ছিলেন গোত্র প্রধান।
- তাঁর গোত্রের নাম 'জ্ঞাতৃক'।
- মহাবীরের আসল নাম বর্ধমান।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র,  এইচ এস এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কত সাল থেকে হিজরি সন গণনা শুরু হয় ?
  1. ৬১০ সাল থেকে
  2. ৬২২ সাল থেকে
  3. ৬২০ সাল থেকে
  4. ৬১৫ সাল থেকে
সঠিক উত্তর:
৬২২ সাল থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২২ সাল থেকে
ব্যাখ্যা
• হিজরি সন:
- ৬২২ সালে মহানবী (সা.) মক্কা ছেড়ে মদিনায় যান।
- ইসলামে একে বলা হয় ‘হিজরত’।
- হিজরি সনের সূচনা হয় মহানবীর (সা.) হিজরতের সময়কে কেন্দ্র করেই।
- তাই ৬২২ সাল থেকেই হিজরি সন গণনা শুরু হয়।
- ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.)-এর আমলে আনুষ্ঠানিকভাবে হিজরি সন গণনা শুরু হয়।
- আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘ওমর (রা.) হিজরি সন প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।
- তিনি তখন একটি পরামর্শ সভার আহ্বান করেন।
- সভায় নবীজি (সা.)-এর জন্ম, মৃত্যু, নবুওয়াত ও হিজরত- বিশেষত এই চারটি সময় থেকে বর্ষ গণনার প্রস্তাব আসে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১০.
সিন্ধু সভ্যতার অর্থনীতি প্রধানত কিসের উপর নির্ভর করত?
  1. পশুপালন
  2. বাণিজ্য
  3. কৃষি
  4. মৎস্য
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক অবস্থা: 
- সিন্ধু সভ্যতার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষি নির্ভর।
- অর্থনীতির আর একটি বড় দিক ছিল পশুপালন ও বাণিজ্য।
- কৃষি ও পশুপালনের পাশাপাশি;
- মৃৎপাত্র নির্মাণ, ধাতুশিল্প, বয়নশিল্প, অলংকার নির্মাণ, পাথরের কাজ ইত্যাদিতেও তারা যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল।
- পণ্ডিতদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত এ সভ্যতার উত্থান-পতনের কাল।

• নগর পরিকল্পনা:
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো নগর দুটো সিন্ধু সভ্যতায়।
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা উন্নত ধরনের নাগরিক সভ্যতায় অভ্যস্ত ছিল।
- নগরির ভিতর দিয়ে চলে গেছে পাকা রাস্তা।
- রাস্তাগুলো ছিল সোজা।
- প্রত্যেকটি বাড়িতে খোলা জায়গা, কূপ ও স্নানাগার ছিল।
- পথের ধারে ছিল সারিবদ্ধ ল্যাম্পপোস্ট। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কিউবা সশস্ত্র বিপ্লব সংঘটিত হয় কবে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
• কিউবা বিপ্লব:
- কিউবা সশস্ত্র বিদ্রোহ হয় ১৯৫৯ সালের ১ জানুয়ারী।
- ফলে ফুলজেনসিও বাতিস্তার সরকারকে উৎখাত করে কিউবা ।
- বিপ্লবের নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।
-  তিনি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে  ছিলেন।
- তিনি কিউবার রাজনৈতিক নেতা যিনি তার দেশকে প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে রূপান্তর করেছিলেন।
- ক্যাস্ট্রো লাতিন আমেরিকায় কমিউনিস্ট বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন।
- আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করেন ফেব্রুয়ারি ২০০৮ সালে ।
- তিনি ২৫ নভেম্বর ২০১৬ সালে মৃত্যু বরণ করেন।

উৎস: Britannica.
১২.
নাগোয়া প্রটোকলটি কোন বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত?
  1. জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  2. বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস
  3. গ্রীন হাউস গ্যাস হ্রাস
  4. সমুদ্র ব্যবস্থাপনা
সঠিক উত্তর:
জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
• নাগোয়া প্রটোকল: 
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।

→ মূল উদ্দেশ্য:

- জীববৈচিত্র্য ব্যবহারের ফলে অর্জিত সুবিধার ন্যায্য ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা।
- বিশেষভাবে জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি।
- বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান।
- জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশন (Convention on Biological Diversity - CBD) এর আওতায় গৃহীত
সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় নাগোয়া, জাপান।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৯ অক্টোবর, ২০১০।
- কার্যকর : ১২ অক্টোবর, ২০১৪।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: The Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট। [Link]
১৩.
শিখদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
  1. ত্রিপিটিক
  2. বেদ
  3. গুরু গ্রন্থসাহেব
  4. পুরাণ
সঠিক উত্তর:
গুরু গ্রন্থসাহেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরু গ্রন্থসাহেব
ব্যাখ্যা
• শিখ ধর্ম:
- শিখ শব্দটির উৎপত্তি পাঞ্জাবি ভাষায় শিখনা থেকে।
- পনের শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তার সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত।
- শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ 'গুরু গ্রন্থসাহেব'।
- এটি শিখ গুরুদের রচনার সংকলন।
- শিখদের প্রধান মন্দির পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির। 
- এ ধর্মের মূলকথা নিরাকার এক ঈশ্বরের উপাসনা করা।
- শিখরা তাদের বিশ্বাসকে বলে গুরমত যার অর্থ গুরুর পথ।
- শিখ ঐতিহ্য অনুসারে, শিখ ধর্ম গুরু নানক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- পরবর্তীতে আরও নয়জন গুরুর উত্তরাধিকার দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

অপরদিকে,
- হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ নাম: বেদ।
- ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ: হিব্রু বাইবেল (তাওরাত)।
- বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ:  ত্রিপিটক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ইসলামের প্রথম পত্র, বিএসএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয় কোন রাজ বংশের আমলে?
  1. তাং-রাজ বংশ
  2. কেকিয়াং রাজ-বংশ
  3. ঝেং রাজ-বংশ
  4. চৌ-রাজ বংশ
সঠিক উত্তর:
চৌ-রাজ বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌ-রাজ বংশ
ব্যাখ্যা
• চীনের প্রাচীর:
- চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয় চৌ-রাজ বংশের আমলে।
- রাজা শি-হুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়েছিল। 
- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা গড়ে ২৪ ফুট।
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারতো।

এছাড়াও,
- দর্শন বিদ্যায় চিন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়।
- চৌ-রাজাদের আমলে একটি শিক্ষিত নতুন সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- দার্শনিকরা ছিল এই শ্রেণিভুক্ত।
- চীনের প্রাচীন দার্শনিক ছিলেন লাওৎসে (খ্রিষ্টপূর্ব ৬০৪-৫১৭)।
- তিনি বিশ্বসভ্যতায় এক অবিস্মরণীয় মানবতাবাদী দর্শন উপহার দেন।
- কনফুসিয়াসের দর্শন খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চিনে ধর্মে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধে কোন পক্ষদ্বয় জড়িত ছিল?
  1. ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড
  2. জাপান ও রাশিয়া
  3. চীন ও যুক্তরাজ্য
  4. জার্মান ও ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ:
- শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ (Hundred Years' War) ছিল ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- ১৩৩৭ থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত চলা এক দীর্ঘ ও জটিল সংঘর্ষ।
- এটি মূলত ফ্রান্সের সিংহাসনের উত্তরাধিকার এবং ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণে শুরু হয়েছিল।​

• যুদ্ধের কারণ: 
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড, ফ্রান্সের রাজা ফিলিপ চতুর্থের নাতি, ফ্রান্সের সিংহাসনে তার অধিকার দাবি করেছিলেন।
- ফ্রান্সের অভিজ্ঞান অনুযায়ী, তার দাবিকে অগ্রাহ্য করে ফিলিপ চতুর্থের পুত্র ফিলিপ ষষ্ঠকে সিংহাসনে বসানো হয়।
- এটি ইংল্যান্ডকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে প্ররোচিত করে।​

উল্লেখ্য,
- ফ্রান্সের রাজা চার্লস সপ্তমের নেতৃত্বে ফ্রান্স ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সফল প্রতিরোধ গড়ে তোলে।​
- ফ্রান্সের জাতীয় পরিচয় ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।​
- ইংল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়,
- যা পরবর্তীতে 'রোজ যুদ্ধ' নামে পরিচিত গৃহযুদ্ধের সূচনা করে।​

উৎস: Britannica.
১৬.
’রামসার চুক্তি’ নিচের কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ডেনমার্ক
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
→ ইরানের রামসার শহরে রামসার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• রামসার কনভেনশন:

- রামসার কনভেনশন  জলাভূমি ও জলাশয় সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক চুক্তি।

→ উদ্দেশ্য:
- জলাভূমি ও জলাশয় সংরক্ষণ।
- জলাভূমির জীববৈচিত্র্য রক্ষা।
- জলাভূমির স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখা।
- গৃহীত হয়: ১৯৭১ সালে, রামসার, ইরান।
- কার্যকর হয়: ১৯৭৫ সালে।
- বাংলাদেশের অংশগ্রহণ: ১৯৯২ সালে।
- চুক্তিকারী দেশ: ১৭১টি।

• বাংলাদেশের রামসার সাইট:
- সুন্দরবন (১৯৯২),
- টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

উৎস: রামসার কনভেনসন। 
১৭.
'অহিংসা পরম ধর্ম'- এটি কোন ধর্মাবলম্বীদের মূলমন্ত্র?
  1. হিন্দু
  2. খ্রিস্টান
  3. বৌদ্ধ
  4. ইহুদি
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
• বৌদ্ধ ধর্ম: 
- বৌদ্ধ ধর্মের আবির্ভাব ঘটে হিন্দু ধর্মের কঠোর বর্ণবাদ ও ব্রাহ্মাণ্যবাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিবাদ হিসেবে।
- সমাজে মানুষের সমানাধিকার, সার্বিক কল্যাণ ও সেবার নীতি নিয়েই বৌদ্ধ ধর্মের আবির্ভাব লক্ষ্য করা যায়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক মহান গৌতমবুদ্ধ।
- তিনি বর্ণবাদ ও ব্রাহ্মাণ্যবাদকে চরমভাবে ঘৃণা করতেন।
- বৌদ্ধ ধর্মের মূলমন্ত্র হচ্ছে 'অহিংসা পরম ধর্ম'।

• গৌতমবুদ্ধ বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জগত ও জীবন অবলোকন করে চারটি সত্যে উপনীত হন। যথা:-
১) পৃথিবীর সবকিছুই দুঃখময়।
২) দুঃখের অবশ্যই কোন না কোন কারণ রয়েছে।
৩) দুঃখ নিরোধের কোন না কোন উপায় অবশ্যই আছে।
৪) দুঃখের নিরোধ সম্ভব এবং অবশ্যই সম্ভব।

এছাড়াও,
- তিনি দুঃখ নিরোধের পন্থা হিসেবে আটটি উপায়ের কথা বলেন। যেমন-
 ১। সৎজীবন ) সৎকর্ম ৩) সৎবাক্য ৪) সৎচিন্তা ৫) সৎ ইচ্ছা ৬) সৎচেষ্টা ৭) সৎ দৃষ্টি ও ৮) সৎ লোভ।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
পৃথিবীর কোথায় প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয়?
  1. পারস্য
  2. ব্যাবিলনে
  3. পাঞ্জাবে
  4. বেতেলহামে
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনে
ব্যাখ্যা
• ব্যাবিলনীয় সভ্যতার:
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত।
- এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে।

→ শিল্পকর্ম:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় তৈলচিত্রের সন্ধান পাওয়া যায়।
- তাদের আঁকা বিভিন্ন ছবি পাওয়া গেছে।
- জিগুরাট মন্দির পক্তে শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য কীর্তি।
- একটি মন্দির আবিষ্কৃত হয়েছে যা ৭ তলা বিশিষ্ট।

এছাড়াও,
- সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
পৃথিবীর প্রথম মানচিত্র অঙ্কন করেন কারা?
  1. মিশরীয়রা
  2. সিন্ধুরা
  3. গ্রিকরা
  4. চীনরা
সঠিক উত্তর:
গ্রিকরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিকরা
ব্যাখ্যা
• গ্রিক বিজ্ঞান:
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

এছাড়াও,
- গ্রিস দেশটি আড্রিয়াটিক সাগর, ভূ-মধ্যসাগর ও ইজিয়ান সাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- ইউরোপের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত বলকান উপদ্বীপ।
- এর দক্ষিণাংশে একটি ছোট পাহাড়ি দেশ গ্রিস।
- গ্রিস মূলত একটি পর্বতময় দ্বীপ রাষ্ট্র।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. আইসেন হাওয়ার
  2. উড্রো উইলসন
  3. জর্জ লয়েড
  4. দ্বিতীয় উইলহেম
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
মিত্রবাহিনীর জয়লাভ:
- ১৯১৮ সালের গ্রীষ্ম ও শরৎ: মিত্রবাহিনী বিভিন্ন স্থানে জার্মান বাহিনীর ওপর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন পায়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা রণাঙ্গনে পা রাখতেই যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন শুরু হয়।​
- নানা স্থানে এগিয়ে থাকা জার্মান সৈন্যরাও ধীরে ধীরে পিছু হটতে থাকে।​
- ১৯১৭ সালের ৬ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন সরাসরি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।​
- ১৯১৭ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রো-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধেও যুদ্ধ ঘোষণা করে।​
- মিত্রবাহিনী সার্বিয়া দখল করে নিলে ৩০ সেপ্টেম্বর বুলগেরিয়া শান্তিচুক্তিতে সই করে।​
- ৩১ অক্টোবর তুর্কি সুলতান যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হন।​
- ৩ নভেম্বর অস্ট্রিয়া যুদ্ধ পরাজিত হয়ে শান্তিচুক্তিতে সম্মত হয়।​
- রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ গোলযোগের পাশাপাশি মিত্রবাহিনীর সুগঠিত আক্রমণ দেখে কাইজার দ্বিতীয় উইলহেম হল্যান্ডে পালিয়ে যান।​
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর জার্মানির আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মিত্রবাহিনীর চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।​

• অস্ত্রসমর্পণ:
- জার্মানির যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব: ১৯১৮ সালের ৩ অক্টোবর জার্মানি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়।​
- অস্ত্রবিরতি চুক্তি: ১১ নভেম্বর কম্পেইনের বনাঞ্চলে একটি রেলওয়ের বগিতে স্বাক্ষরিত হয় জার্মান-মিত্রবাহিনী অস্ত্রবিরতি চুক্তি।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে মূল বিষয়বস্তু ছিল-
  1. 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ' তহবিল গঠন
  2. উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা
  3. উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা
  4. 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' তহবিল গঠন
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা
ব্যাখ্যা
→ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।

• প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:

- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: (৩০ নভেম্বর -১২ ডিসেম্বর) ২০১৫ সালে, ফ্রান্সে।
- কপ-২১ তম সম্মেলনে।
- কার্যকর : ৪ নভেম্বর ২০১৬। 

→ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে,।
- ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা। 
- ধনী দেশগুলোর 'জলবায়ু তহবিল' দিয়ে সাহায্য করা।

উল্লেখ্য,
• কপ-২৯ সম্মেলন:
- ২০২৪ সালের ১১-২২ নভেম্বর আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
- এবং জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন আলোচনা করেন ।​

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২২.
আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে কবে?
  1. ১২৫৩ সালে
  2. ১২৫৫ সালে
  3. ১২৫৮ সালে
  4. ১২৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১২৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
→ ১২৫৮ খ্রি: খলীফা আল মুসতাসিম বিল্লাহর হত্যার মধ্য দিয়ে আব্বাসীয় শাসন অবসান ঘটে।

• আব্বাসীয় শাসন:

- আব্বাসীয় শাসনের সূত্রপাত হয় উমাইয়া খিলাফতের পতনের পর।
- তারা ৭৫০ থেকে ১২৫৮ পর্যন্ত সুদীর্ঘ কাল শাসন ক্ষমতায় ছিল।
- এই সময়টি ছিল ইসলামের ইতিহাসে এক গৌরবদীপ্ত অধ্যায়।
- মুসলিম সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এই বংশ এক মাইলফলক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।
- এটি ছিল মূলত ইসলামী কৃষ্টি, সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক যুগ।
- এই বংশে সর্বমোট ৩৭ জন খলীফার আবির্ভাব ঘটেছে।

এছাড়াও,
- উমাইয়া খিলাফতকাল ছিল এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপে একক আধিপত্যের যুগ।
- কিন্তু আব্বাসীয় শাসনকালের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মুসলিম খিলাফত ৩টি ভাগে ভাগ হয়ে যায়।
- বাগদাদ কেন্দ্রিক আব্বাসীয় খিলাফত।
- মিসরের কায়রোয়ান কেন্দ্রিক ফাতিমীয় খিলাফত।
- ও স্পেনের কর্ডোভা কেন্দ্রিক উমাইয়া খিলাফত।
- অবশেষে ১২৫৮ খ্রি: হালাকু খান কর্তৃক বর্বরোচিত আক্রমণে সর্বশেষ খলীফা আল মুসতাসিম বিল্লাহর হত্যার মধ্য দিয়ে এই খিলাফতের অবসান ঘটে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ নরপতি ছিলেন কে?
  1. হাম্বুরাবী
  2. নেবুচাঁদনেজার
  3. অগাস্টাস
  4. রোমিউলাস
সঠিক উত্তর:
নেবুচাঁদনেজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেবুচাঁদনেজার
ব্যাখ্যা
→ নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য শ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলেন নেবুচাঁদনেজার।

• নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য: 

- হাম্বুরাবীর মৃত্যুর পর ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব বেশী দিন হয়নি।
- এ সময় সুমেরীয় অঞ্চল আবার অনেকগুলো ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- নিষ্ঠুর সামরিক নীতি প্রয়োগ করে মেসোপটেমিয়া বিশাল এক সাম্রাজ্য গড়ে তোলে তারা।
- খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্দশ শতকে এ অঞ্চলে উত্থান ঘটে অ্যাসিরিয়ানদের।
- খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতকে অ্যাসিরিয়ানদের পরাজিত করে সামন্তরাজা নেবুচাঁদনেজার।
- তিনি ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে নতুন একটি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সাম্রাজ্য 'নব্য ব্যাবিলনীয়' সাম্রাজ্য নামে পরিচিত।
- এই সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলেন নেবুচাঁদনেজার।
- রাজা রাণীর সন্তুষ্টি বিধানের জন্য নগর দেয়ালের উপরে এক মনোরম উদ্যান নির্মাণ করেন।
- এ উদ্যানই বিশ্বখ্যাত 'ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান' বা 'ঝুলন্ত উদ্যান' নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিচিত- 'ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান'।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
A mother is always____ than her daughter.
  1. wiser
  2. older
  3. taller
  4. more wrinkled
সঠিক উত্তর:
older
উত্তর
সঠিক উত্তর:
older
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A mother is always____ than her daughter.

সমাধান:
ক) wiser → সব সময় নয়, কারণ কখনো মেয়ে বেশি জ্ঞানী হতে পারে।

খ) older  → হ্যাঁ, মা সর্বদা বয়সে বড় হয় মেয়ের থেকে।

গ) taller → সব সময় নয়, মেয়েরা উচ্চতায় বড় হতে পারে।

ঘ) more wrinkled → সব সময় না, বয়সের ওপর নির্ভর করে।
২৫.
দেয়ালে আটকানো একটি এনালগ ঘড়িতে ৮ : ৫০ বাজে। আয়নার মধ্যে এ সময়কে কত দেখাবে?
  1. ৩ : ১০
  2. ৪ : ১৫
  3. ৬ : ১০
  4. ৩ : ০০
সঠিক উত্তর:
৩ : ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ : ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দেয়ালে আটকানো একটি এনালগ ঘড়িতে ৮ : ৫০ বাজে। আয়নার মধ্যে এ সময়কে কত দেখাবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূল সময়: ৮:৫০

∴ আয়নার সময় = ১১ : ৬০ - ৮ : ৫০ = ৩ : ১০
২৬.
গ্রীষ্মকালে মানুষ কালো চশমা পরিধান করেন, কারণ -
  1. তারা তাদের সুদর্শন দেখাতে পছন্দ করেন
  2. তারা নিজেদের লুকাতে চান
  3. তারা এ ধরনের চশমার ব্যয়ভার সহজে বহন করতে পারেন
  4. তারা তাদের চোখকে ঝলসানো আলো থেকে রক্ষা করতে চান
সঠিক উত্তর:
তারা তাদের চোখকে ঝলসানো আলো থেকে রক্ষা করতে চান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা তাদের চোখকে ঝলসানো আলো থেকে রক্ষা করতে চান
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: গ্রীষ্মকালে মানুষ কালো চশমা পরিধান করেন, কারণ -

সমাধান:
সূর্যের তীব্র আলো থেকে চোখ রক্ষা করতেই কালো চশমা পরে মানুষ।
২৭.
আপনার পাড়ার ছেলেরা আপনার কলেজপড়ুয়া বোনকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে, তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা হলে আপনার বোনের ক্ষতি হতে পারে। বড় ভাই হিসেবে আপনি কী করবেন?
  1. এই পাড়া থেকে চলে যাবেন।
  2. বোনকে ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করবেন।
  3. তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে থানায় জানাবেন।
  4. তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন।
সঠিক উত্তর:
তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে থানায় জানাবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে থানায় জানাবেন।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আপনার পাড়ার ছেলেরা আপনার কলেজপড়ুয়া বোনকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে, তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা হলে আপনার বোনের ক্ষতি হতে পারে। বড় ভাই হিসেবে আপনি কী করবেন?

সমাধান: 
ক) এই পাড়া থেকে চলে যাবেন।
→ সমস্যার সমাধান নয়।

খ) বোনকে ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করবেন।
→ এটি বোনের স্বাধীনতা হরণ এবং অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া। এটি সমস্যার সমাধান নয়।

গ) তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে থানায় জানাবেন।
→ এটাই সঠিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ। আইনের আশ্রয় নেওয়াই নিরাপদ, ন্যায়সংগত ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান।

ঘ) তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন।
→ ভালো চেষ্টা, তবে এতে ঝুঁকি রয়েছে, কারণ অপরাধীরা সহিংস হতে পারে এবং এতে বোনের ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।
২৮.
একটি সারিতে রিয়ার অবস্থান বাম দিক থেকে ১৫তম এবং ডান দিক থেকে ২০তম। সারিতে মোট কতজন আছে?
  1. ৩৩ জন
  2. ৩৪ জন
  3. ৩২ জন
  4. ৩৫ জন
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সারিতে রিয়ার অবস্থান বাম দিক থেকে ১৫তম এবং ডান দিক থেকে ২০তম। সারিতে মোট কতজন আছে?

সমাধান:
মোট সংখ্যা = (বাম থেকে অবস্থান + ডান থেকে অবস্থান) - ১
= (১৫ + ২০) - ১
= ৩৫ - ১
= ৩৪ জন
২৯.
মরুভূমি অঞ্চলের মানুষের জন্য অসম্ভব হলো_____
  1. মৎস্যজীবী হওয়া
  2. স্বাস্থ্যবান হওয়া
  3. ধর্মপ্রাণ হওয়া
  4. যাযাবর হওয়া
সঠিক উত্তর:
মৎস্যজীবী হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্যজীবী হওয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মরুভূমি অঞ্চলের মানুষের জন্য অসম্ভব হলো_____

সমাধান:
ক) মৎস্যজীবী হওয়া
→ মরুভূমিতে জলাশয় বা নদী-সাগর থাকে না, তাই মাছ ধরা বা মৎস্যজীবী হওয়া প্রায় অসম্ভব।
খ) স্বাস্থ্যবান হওয়া
→ সম্ভব, যদি খাদ্য-পানীয় পাওয়া যায়।
গ) ধর্মপ্রাণ হওয়া
→ এটি বিশ্বাস বা মানসিকতার ব্যাপার, অঞ্চল-নির্ভর নয়।
ঘ) যাযাবর হওয়া
→ বরং মরুভূমিতে মানুষ যাযাবর জীবনযাপন করে।
৩০.
৭২ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৫ : ৪। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার পেট্রোল মিশালে অনুপাত ৫ : ৬ হবে?
  1. ২১ লিটার
  2. ২০ লিটার
  3. ১২ লিটার
  4. ১৬ লিটার
সঠিক উত্তর:
১৬ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৭২ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৫ : ৪। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার পেট্রোল মিশালে অনুপাত ৫ : ৬ হবে?

সমাধান:
কেরোসিন = ৭২ × (৫/৯) = ৪০ লিটার
পেট্রোল = ৭২ - ৪০ = ৩২ লিটার

ধরি,
x লিটার পেট্রোল মিশালে শর্তানুসারে আমরা পাই,
⇒ ৪০/(৩২ + x) = ৫/৬
⇒ ১৬০ + ৫x = ২৪০
⇒ ৫x = ২৪০ - ১৬০
⇒ ৫x = ৮০
⇒ x = ৮০/৫ = ১৬
∴ x = ১৬ লিটার

∴ ১৬ লিটার পেট্রোল যোগ করতে হবে।
৩১.
It is impossible to win respect-
  1. without money
  2. without education
  3. without respecting others
  4. without a famous character
সঠিক উত্তর:
without respecting others
উত্তর
সঠিক উত্তর:
without respecting others
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: It is impossible to win respect-

সমাধান:
গ) without respecting others 
 এটি একটি নৈতিক ও সর্বজনীন সত্য।
 আপনি যদি অন্যকে সম্মান না করেন, তবে আপনার প্রতিও কেউ সম্মান দেখাবে না। ✅
৩২.
একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৮৪ কি. মি. বেগে চলে। ট্রেনটি ৮০০ মি. দীর্ঘ একটি প্লাটফরম ১ মিনিটে অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৫২০ মিটার
  2. ৬০০ মিটার
  3. ৪৬০ মিটার
  4. ৬৩০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৬০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৮৪ কি. মি. বেগে চলে। ট্রেনটি ৮০০ মি. দীর্ঘ একটি প্লাটফরম ১ মিনিটে অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার।
৮৪ কিলোমিটার = ৮৪ × ১০০০ = ৮৪০০০ মিটার

১ ঘণ্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ৮৪০০০ মিটার
∴ ১ সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ৮৪০০০/৩৬০০ মিটার
১ মিনিট বা ৬০ সেকেন্ড অতিক্রম করে = (৮৪০০০ x ৬০)/৩৬০০ মিটার
= ১৪০০ মিটার

∴ ট্রেনের দৈর্ঘ্য = (১৪০০ - ৮০০) মিটার = ৬০০ মিটার।
৩৩.
নিচের কোন উত্তরটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
  1. দুর্গেশনন্দিনী
  2. বিষবৃক্ষ
  3. কপালকুন্ডলা
  4. রায়নন্দিনী
সঠিক উত্তর:
রায়নন্দিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়নন্দিনী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন উত্তরটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?

সমাধান:
উপর্যুক্ত রচনাবলীর মধ্যে 'রায়নন্দিনী' সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী কর্তৃক রচিত উপন্যাস এবং অন্যগুলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা।
৩৪.
Which of the following is the largest value?
  1. (1/2) of 30% of 280
  2. 2 of 50% of 30
  3. (1/3) of 70% of 160
  4. 3 of 40% of 40
সঠিক উত্তর:
3 of 40% of 40
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3 of 40% of 40
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Which of the following is the largest value?

সমাধান:
ক) (1/2) × (30/100) × 280 = 42

খ) 2 × (50/100) × 30 = 30

গ) (1/3) × (70/100) × 160 = 37.3

ঘ) 3 × (40/100) × 40 = 48
৩৫.
Apron : Clothing : :
  1. curtain : theatre
  2. pillow : bedding
  3. towel : rack
  4. banner : flagpole
সঠিক উত্তর:
pillow : bedding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pillow : bedding
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Apron : Clothing : : 

সমাধান:
Apron (এপ্রন) হলো এক ধরনের clothing (পোশাক)।
একইভাবে, Pillow (বালিশ) হলো এক ধরনের bedding (বিছানার সরঞ্জাম) যেমন তোশক, চাদর ইত্যাদি।
৩৬.
প্রিয়ার বয়স ফারিয়ার দ্বিগুণ। ফারিয়া, সিয়ামের চেয়ে ৩ বছর বড়। সিয়ামের বয়স ৫ বছর হলে, প্রিয়ার বয়স কত?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রিয়ার বয়স ফারিয়ার দ্বিগুণ। ফারিয়া, সিয়ামের চেয়ে ৩ বছর বড়। সিয়ামের বয়স ৫ বছর হলে, প্রিয়ার বয়স কত?

সমাধান:
সিয়ামের বয়স = ৫ বছর

∴ ফারিয়ার বয়স = সিয়াম + ৩ = ৫ + ৩ = ৮ বছর
∴ প্রিয়ার বয়স = ২ × ফারিয়া
= ২ × ৮
= ১৬ বছর
৩৭.
‘যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে’ এক কথায় কি হবে-
  1. কুমারী
  2. মাধুকর
  3. নবোঢ়া
  4. অবীরা
সঠিক উত্তর:
নবোঢ়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবোঢ়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ‘যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে’ এক কথায় কি হবে-
 
সমাধান:
‘যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে’ এক কথায় বলে - নবোঢ়া

আরও কয়েকটি এক কথায় নিচে দেওয়া হলোঃ
যে নারী প্রিয় কথা বলে = প্রিয়ংবদা।
যে নারী প্রিয় বাক্য বলে = প্রিয়ভাষী।
যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় = স্বয়ংবরা।
যে নারী (মেয়ের) বিয়ে হয়নি = কুমারী।
যে নারীর বিয়ে হয় না = অনূঢ়া।
যে নারীর কোন সন্তান হয় না = বন্ধ্যা।
যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে = কাকবন্ধ্যা।
যে নারীর সন্তান বাঁচে না = মৃতবৎসা।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত = অবীরা।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত = বীরা বা পুরন্ধ্রী
৩৮.
প্রথম ৪০টি স্বাভাবিক সংখ্যার গড় কত?
  1. ২০.৫
  2. ১৯.৫
  3. ২২.৫
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
২০.৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০.৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রথম ৪০টি স্বাভাবিক সংখ্যার গড় কত?

সমাধান:
প্রথম ৪০টি স্বাভাবিক সংখ্যার গড় হলো,

∴ গড় = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা​)/২
= (১ + ৪০​)/২
= ২০.৫
৩৯.
আপনার কাকার একমাত্র বড় ভাইয়ের মেয়ের ছোট ভাই আপনার কী হয়?
  1. চাচা
  2. ভাই
  3. ভাগ্নে
  4. মামা
সঠিক উত্তর:
ভাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আপনার কাকার একমাত্র বড় ভাইয়ের মেয়ের ছোট ভাই আপনার কী হয়?

সমাধান:
আপনার কাকার একমাত্র বড় ভাই ⇒ আপনার বাবা
আপনার বাবার মেয়ে ⇒ আপনার বোন
আপনার বোনের ছোট ভাই ⇒ আপনার ভাই

 

৪০.
একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ। এর ক্ষেত্রফল ২৯৪ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত?
  1. ৮০ মিটার
  2. ৬৪ মিটার
  3. ৭৫ মিটার
  4. ৭০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৭০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ। এর ক্ষেত্রফল ২৯৪ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তাকার ঘরের প্রস্থ ক মিটার এবং
দৈর্ঘ্য = ৩ক/২ মিটার

প্রশ্নমতে,
ক × (৩ক/২) = ২৯৪
⇒ ৩ক/২ = ২৯৪
⇒ ক = (২৯৪ × ২)/৩
⇒ ক = ১৯৬
∴ ক = ১৪

আয়তাকার ঘরের প্রস্থ ১৪ মিটার
এবং দৈর্ঘ্য = (৩ × ১৪)/২ = ২১ মিটার

∴ পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২(২১ + ১৪) = ৭০ মিটার
৪১.
আবিষ্কার : প্রয়োজন : : গরম :
  1. গাম
  2. তাপ
  3. ঠান্ডা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আবিষ্কার : প্রয়োজন : : গরম :

সমাধান:
প্রয়োজনের তাগিদে আবিষ্কার হয় আর তাপ বৃদ্ধির ফলে গরম অনুভূত হয়।
৪২.
একটি পার্টিতে একজন ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী তাদের দুই পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৫ জন করে সন্তান ছিল। পার্টিতে মোট কতজন উপস্থিত ছিল?
  1. ১৫ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১৮ জন
  4. ১৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পার্টিতে একজন ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী তাদের দুই পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৫ জন করে সন্তান ছিল। পার্টিতে মোট কতজন উপস্থিত ছিল?

সমাধান:
একজন ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী,
ব্যক্তি (১ জন) + স্ত্রী (১ জন) = ২ জন

তাদের দুই পুত্র ও তাদের স্ত্রী,
পুত্র (২ জন) + তাদের স্ত্রী (২ জন) = ৪ জন
এবং
প্রত্যেক পুত্রের ৫ জন করে সন্তান
২ পুত্র × প্রত্যেকের ৫ সন্তান = ১০ জন সন্তান

∴ মোট = ২ + ৪ + ১০ = ১৬ জন
৪৩.
ম্রো, চাক, বম, তঞ্চঙ্গ্যা এ শব্দগুলোর সাথে সম্পর্ক আছে-
  1. ভাষার
  2. ভাষা ও নৃগোষ্ঠীর
  3. রাজনীতির
  4. নৃগোষ্ঠীর
সঠিক উত্তর:
ভাষা ও নৃগোষ্ঠীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা ও নৃগোষ্ঠীর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ম্রো, চাক, বম, তঞ্চঙ্গ্যা এ শব্দগুলোর সাথে সম্পর্ক আছে-

সমাধান:
ম্রো, চাক, বম, তঞ্চঙ্গ্যা — এরা সকলেই বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী নৃগোষ্ঠী।
এদের প্রত্যেকের নিজস্ব ভাষা এবং সংস্কৃতি রয়েছে।