পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
Exam - 31 The Code of Civil Procedure, 1908: Test-6 Topic: • Withdrawal and Adjustment of Suits (Order-23) • Special Suits (Sections 79-81, 83-87, Orders 32+33+35) • Appointment of Commission (Section 75 & Order-26) • Arrest and Attachment before Judgement (Order-38)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত কী কারণে কমিশন প্রেরণ করতে পারে না?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য
  2. বাটোয়ারা করার জন্য
  3. হিসাব পর্যালোচনার জন্য
  4. পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কমিশন প্রেরণ করতে পারে, যেগুলো হল—
(ক) কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য
(খ) স্থানীয় তদন্ত করার জন্য
(গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য
(ঘ) বাটোয়ারা (partition) করার জন্য
- এই চারটি উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে ধারা ৭৫-এ উল্লেখ আছে এবং এই কাজগুলো কমিশনের মাধ্যমে আদালতের পক্ষে সম্পাদন করা যেতে পারে।
কিন্তু "পক্ষগণের মধ্যস্থতা (mediation)" করার জন্য আদালত ধারা ৭৫ এর অধীনে কমিশন প্রেরণ করতে পারে না।
মধ্যস্থতার বিষয়টি সাধারণত সিপিসির ধারা ৮৯ এবং সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়, যা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) এর অন্তর্গত।
অর্থাৎ পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষমতা ধারা ৭৫-এ নেই। তাই এটি কমিশনের বৈধ উদ্দেশ্যের বাইরে। এই কারণে "ঘ" অপশনটি সঠিক উত্তর।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXIII এর বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. বাদীর দাবী পরিত্যাগের ক্ষেত্রে
  3. ডিক্রি জারির কার্যক্রমের ক্ষেত্রে
  4. মামলার আপোষ মীমাংসার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির কার্যক্রমের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির কার্যক্রমের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (ORDER XXIII) মূলত নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর জন্য প্রযোজ্য:
১) মামলা প্রত্যাহার – বাদী নিজে মামলা তুলে নিতে পারে।
২) দাবির আংশিক পরিত্যাগ – বাদী তার দাবির কিছু অংশ বাদ দিতে পারে।
৩) আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন মামলা দায়ের – নির্দিষ্ট শর্তে অনুমতি নিয়ে।
৪) মামলার আপোষ মীমাংসা – আইনগত আপোষ হলে আদালত সেটি রেকর্ড করে ডিক্রি দেয়।
→ কিন্তু বিধি ৪ (Rule 4) স্পষ্টভাবে বলে: "এই আদেশের কোনো কিছুই ডিক্রি বা আদেশের জারির কোন কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।"
অর্থাৎ, একবার ডিক্রি হয়ে গেলে সেটি কার্যকর করার বা execution চালানোর জন্য আদেশ ২৩-এর বিধান প্রযোজ্য নয়। এ জন্য আলাদা বিধান রয়েছে।

সুতরাং ORDER XXIII কেবল মামলার প্রত্যাহার, পরিত্যাগ এবং আপোষে নিষ্পত্তি নিয়ে, কিন্তু ডিক্রি কার্যকর (execution) নিয়ে নয়।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-4. Proceedings in execution of decrees not affected:
 Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৫ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. আবেদনকারী যদি প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
  2. আবেদনকারী যদি মামলার বিষয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়।
  3. আবেদনকারীর অভিযোগ যদি নালিশের কারণ না দর্শায়।
  4. উপরের সবকটি।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৩৩, বিধি ৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণগুলোর যেকোন একটি বিদ্যমান থাকলে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
১. আবেদনটি বিধি অনুযায়ী গঠিত না হলে বা সঠিকভাবে দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল ব্যক্তি না হলে।
৩. আবেদনকারী প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকলে।
৪. আবেদনকারীর অভিযোগ কোনো নালিশের কারণ না দর্শালে।
৫. আবেদনকারী মামলার বিষয়বস্তুর উপর এমন কোনো চুক্তিতে পৌঁছে থাকলে, যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তি সেই বিষয়ে স্বার্থবান হয়।
- এই সবগুলো ক্ষেত্রই আদালতের পক্ষ থেকে আবেদন প্রত্যাখ্যান করার যথাযথ ভিত্তি।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-5.Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper-
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ অনুযায়ী কোন শর্তে বিদেশী শত্রু (Alien enemy) বাংলাদেশে মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. স্থানীয় থানার অনুমতিতে
  2. আদালতের বিশেষ আদেশে
  3. জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে
  4. বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ (১) অনুযায়ী, বিদেশী শত্রু (alien enemy) যদি বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশে বসবাস করেন, তবে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকের মতই আদালতে মামলা করতে পারবেন।
- ধারা ৮৩ (১) অনুযায়ী বলা হয়েছে: "Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh as if they were citizens of Bangladesh."
অর্থাৎ, সরকারি অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশী শত্রু মামলা দায়ের করতে পারবেন না।

→ সুতরাং বিদেশী শত্রু যদি বাংলাদেশে সরকারের অনুমতি নিয়ে বসবাস করেন, তাহলে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর: ঘ) বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ - কখন বিদেশি ব্যক্তি মামলা করতে পারে:
(১) সরকারের অনুমতিক্রমে বিদেশি শক্রগণ এবং বিদেশি বন্ধুগণ বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে তারা বাংলাদেশের নাগরিকের মতই বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবেন।
(২) এরূপ অনুমতি ব্যতীত বিদেশি শত্রু বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে বা বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাস করলে অনুরূপ কোন আদালতে মামলা করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা: যে সকল বিদেশি রাষ্ট্রের সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বা সামরিক অভিমানে জড়িত, সেই সকল দেশে বসবাসরত এবং বাংলাদেশ সরকারের একন সচিবের সহিযুক্ত অনুমতি ব্যতীত ঐ সকল দেশে ব্যবসা চালাইতে থাকলে (২) উপধারার উদ্দেশ্যে উক্তরূপ বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাসরত প্রত্যেক ব্যক্তি বিদেশি শত্রু বলে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 83. When aliens may sue:
(1) Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh, as if they were citizens of Bangladesh.
(2) No alien enemy residing in Bangladesh without such permission, or residing in a foreign country, shall sue in any of such Courts. 
Explanation.-Every person residing in a foreign country the Government of which is at war with, or engaged in military operations against, Bangladesh, and carrying on business in that country without a license in that behalf under the hand of a Secretary to the Government shall, for the purpose of sub-section (2), be deemed to be an alien enemy residing in a foreign country.
.
নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসেবে কাজ করার জন্য কোন শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. ব্যক্তি অবশ্যই বিবাদী পক্ষ হতে হবে
  2. ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
  3. ব্যক্তি অবশ্যই আদালতের কর্মচারী হতে হবে
  4. ব্যক্তির স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল হতে হবে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি নাবালকের “নেকস্ট ফ্রেন্ড” হিসেবে মামলায় কাজ করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কিছু নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। এই শর্তগুলো হলো:
১) সুস্থ মনের অধিকারী হতে হবে- মানসিক ভারসাম্য থাকতে হবে।
২) প্রাপ্তবয়স্ক (Adult) হতে হবে- নাবালক নয়।
৩) নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো স্বার্থ থাকা চলবে না।
৪) যদি তিনি নেকস্ট ফ্রেন্ড হন, তাহলে তিনি বিবাদী হতে পারবেন না।
৫) যদি তিনি মামলার অভিভাবক হিসেবে নিয়োগ পেতে চান, তাহলে তিনি বাদী হতে পারবেন না।
অতএব, “সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি” হওয়াটাই হলো নেকস্ট ফ্রেন্ড হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ অনুযায়ী মামলার আপোষ বা মীমাংসার ক্ষেত্রে আদালত কী করবে?
  1. বিবাদীকে শাস্তি প্রদান করবে
  2. মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেবে
  3. বাদীকে নতুন মামলা দায়েরের নির্দেশ দেবে
  4. আপোষ বা চুক্তির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করে ডিক্রি প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
আপোষ বা চুক্তির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করে ডিক্রি প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপোষ বা চুক্তির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করে ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ৩ অনুযায়ী, যদি আদালত পরিতুষ্ট হয় যে, মামলাটি আইনসম্মত কোনো আপোষ, চুক্তি বা পরিতুষ্টির মাধ্যমে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, তাহলে আদালত সেই আপোষ, চুক্তি বা সমঝোতার বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে, এবং যতটুকু মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সে অনুযায়ী একটি ডিক্রি প্রদান করবে।
- এটি করতে আদালতের অনুমোদন এবং আইনানুগতা যাচাই প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩, বিধি-৩: মামলার আপোষ: যেক্ষেত্রে আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক ইহা প্রমাণিত হয় যে, আইন সঙ্গতঃ চুক্তি বা আপোষমূলে কোন মামলা সামগ্রিক বা আংশিক ভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সামগ্রিক বা । আংশিকভাবে বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপোষ বা পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং যতদূর মামলার সঙ্গে ইহা সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদনুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-3. Compromise of suit:
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawful agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
.
যদি নোটিশ প্রদান না করে মামলা দায়ের করা হয় এবং দুই মাসের মধ্যে মীমাংসা হয়, তবে বাদী কী পাবেন না?
  1. খরচ
  2. প্রতিকার
  3. মামলার রায়
  4. আইনি সহায়তা
সঠিক উত্তর:
খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২ মাসের নোটিশ প্রদান না করে মামলা দায়ের করেন, অথবা
নোটিশ দেওয়ার ২ মাসের সময়কাল শেষ হওয়ার আগেই মামলা দায়ের করেন, এবং সেই মামলাটি দুই মাসের মধ্যে মীমাংসিত হয় অথবা সরকার বাদীর দাবি মেনে নেয়, তাহলে বাদী কোনো খরচ (costs) পাবে না।
- আইন অনুযায়ী: "...সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না।"

অপশন বিশ্লেষণ:
খ) প্রতিকার:→ প্রতিকার (relief) বাদী পেতে পারেন যদি দাবি মেনে নেওয়া হয়।
গ) মামলার রায়: → মামলা নিষ্পত্তি হলে রায় দেওয়া হয়, তাই বাদী রায় পায়।
ঘ) আইনি সহায়তা: → এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়, আদালত বা রাষ্ট্র আইনি সহায়তা দিতে পারে প্রয়োজনে।

- সুতরাং নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে, এবং সরকার যদি স্বেচ্ছায় বাদীর দাবী মেনে নেয় বা মামলা নিস্পত্তি হয়, তাহলে বাদী কেবল "খরচ" (costs) পাবে না।
অন্য প্রতিকার বা রায় পেতে কোনো বাধা নেই।
- অর্থাৎ ধারা ৮০ অনুযায়ী, নোটিশ ছাড়া মামলা করে দুই মাসের মধ্যে সমাধান হলে বাদী কোনো খরচ দাবি করতে পারবেন না। তাই সঠিক উত্তর: ক) খরচ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ - নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুইমাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
খ) ১. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতিত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
২. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবী করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লেখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জর করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
.
মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর বাদি কখন তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার পর
  2. শুধুমাত্র বিচার শুরুর আগে
  3. শুধুমাত্র সাক্ষ্য গ্রহণের আগে
  4. মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, এই বিধানে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, বরং বলা হয়েছে "মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়", তাই বাদী মামলার যেকোনো স্তরে, এমনকি রায় ঘোষণার আগমুহূর্তেও, তার মামলা বা দাবির একটি অংশ প্রত্যাহার করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী পদাধিকারে কৃত কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলায় বিবাদীর কী ধরনের অব্যাহতি রয়েছে?
  1. গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি
  2. সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি
  3. 'ক' এবং 'খ'
  4. কোনো অব্যাহতি নেই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, যদি সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে (official capacity) কৃত কোনো কাজের জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা বা অব্যাহতি পান:
- (ক) গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি: মামলাটি দেওয়ানি হলেও আদালতের নির্দেশে বা অন্য কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না, যতক্ষণ না ডিক্রির (decree) ভিত্তিতে প্রয়োজন হয়।
- (খ) সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি: মামলার রায় কার্যকর করার (ডিক্রিজারী) বাইরে কোনো কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক (attachment) করা যাবে না।

→ আইনের ভাষা অনুসারে: “...the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree…”
অর্থাৎ, কেবল ডিক্রির (রায়) কার্যকরীকরণের সময় এই দুটি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

→ সুতরাং সরকারি কর্মকর্তা যদি তার পদাধিকারবলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কাজ করেন এবং সেই কারণে মামলা হয়,
তাহলে তিনি পাবেন: ১) গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি, ২) সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি (ডিক্রির বাইরে)।
- অতএব, সঠিক উত্তর: গ) 'ক' এবং 'খ'।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭ অনুযায়ী কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয় কোন উদ্দেশ্যে?
  1. রায় প্রদানের জন্য
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
  3. আপিল শুনানির জন্য
  4. ফৌজদারি বিচারের জন্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-26, Rule-17(1) অনুযায়ী, কমিশন দ্বারা নিযুক্ত কমিশনার যখন সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বা দলিলপত্র উপস্থিত করার জন্য কাউকে নির্দেশ দেন, তখন তিনি সেই নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য হন।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো কমিশনার সাক্ষ্যগ্রহণ করতে পারবেন, সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিত করতে পারবেন, সাক্ষীকে সমন দিতে পারবেন, সাক্ষ্য না দিলে বা নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট বিধানে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। 
- এগুলো করতে পারার জন্য কমিশনারকে অস্থায়ীভাবে "দেওয়ানী আদালত" এর ক্ষমতা দেওয়া হয়, তবে শুধুমাত্র সাক্ষ্য ও দলিল সংক্রান্ত উদ্দেশ্যে।
- তবে এই ক্ষমতা কমিশনারকে রায় প্রদানের বা আপিল শুনানির বা ফৌজদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দেওয়া হয় না।
- অর্থাৎ কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয়, শুধু সাক্ষ্য গ্রহণ ও দলিল সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য, যাতে আদালতের বাইরে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যায়।
 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীর হাজিরা ও জবানবন্দী প্রদান:
(১) সাক্ষীদের সমন প্রদান, হাজিরা এবং জবানবন্দী গ্রহণ এবং সাক্ষীর পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দন্ড আরোপ সংক্রান্ত অত্র কোডের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক, না কেন, উক্ত কমিশন কর্তৃক অত্র আদেশ অনুসারে সাক্ষ্য দানের জন্য বা দলিল উপস্থিত করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং অত্র বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসাবে গন্য করা হবে।
(২) যে আদালতের স্থানীয় সীমানার ভিতর কোন সাক্ষী বসবাস করে, তিনে প্রয়োজনীয়তা খুজিয়া পেলে সে সাক্ষীর প্রতি বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ নহে) কমিশনার আবেদন করতে পারেন, এবং উক্ত আদালত ইচ্ছা করলে যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারেন।
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৮৬
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪-এ বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ধারা ৮৪ এর মূল বিষয়বস্তু: কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবে, যদি সরকার তাকে স্বীকৃতি প্রদান করে, এবং মামলার উদ্দেশ্য হয় সেই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা কোনো কর্মকর্তার সরকারি ক্ষমতার অধীনে ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করা।
- আদালতকে অবশ্যই বিচার বিভাগীয় নজরে (judicial notice) রাখতে হবে যে উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কি না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪ - কখন বিদেশী রাষ্ট্র মামলা করতে পারে:
(১) কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের যে কোন আদালতে মামলা করতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধানের বা এরূপ রাষ্ট্রের কোন কর্মকর্তার হাতে সরকারী ক্ষমতায় নিহিত কোন ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করাই মামলার উদ্দেশ্য হতে হবে।
(২) কোন বিদেশী রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কিনা তা প্রত্যেক আদালত বিচার বিভাগীয় নজরে নিবেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 84.When foreign States may sue.
(1) A foreign State may sue in any Court in Bangladesh:
Provided that such State has been recognized by the Government: 
Provided, also, that the object of the suit is to enforce a private right vested in the head of such State or in any officer of such State in his public capacity. 
(2) Every Court shall take judicial notice of the fact that a foreign State has or has not been recognized by the Government.
১২.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারে?
  1. যখন বাদী অনুপস্থিত থাকে
  2. যখন বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
  4. যখন নাবালক সাক্ষ্য দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(৪) অনুযায়ী যদি কোনো নাবালকের মামলার জন্য অভিভাবক হিসাবে কোনো যোগ্য ও ইচ্ছুক ব্যক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে আদালত তার কোনো কর্মচারীকে (যেমন: কোর্ট অফিসার) নাবালকের পক্ষে মামলার অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।
- সেই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে,ওই কর্মচারীর খরচ এক বা একাধিক পক্ষ বহন করবে, অথবা, যদি আদালতে নাবালকের জন্য কোনো তহবিল থাকে, সেখান থেকেও খরচ বহন করা যেতে পারে।

- সুতরাং, যখন মামলার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক কেউ পাওয়া যায় না, তখনই আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার সম্পত্তি কখন ক্রোক করা যেতে পারে?
  1. ডিক্রি জারির সময়
  2. নোটিশ প্রদানের সময়
  3. মামলা দায়েরের সময়
  4. কখনোই ক্রোক করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে (official capacity) কৃত কাজের কারণে মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে তার সম্পত্তি কেবলমাত্র ডিক্রি কার্যকর করার সময় (i.e., execution of decree) ক্রোক করা যেতে পারে।

- আইনের ভাষা (ধারা ৮১ এর (a) অংশ): "the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree"
অর্থাৎ, ডিক্রি ছাড়া অন্য কোনো কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক (attachment) করা চলবে না।
→ সুতরাং সরকারি কর্মকর্তার পদাধিকারবলে কৃত কার্য সংক্রান্ত মামলায় তার সম্পত্তি শুধুমাত্র ডিক্রি কার্যকর করতে গিয়ে ক্রোক করা যায়, এর বাইরে নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) ডিক্রি জারির সময়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তির আবেদনপত্র শুনানির জন্য কত দিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনপত্র যদি প্রত্যাখ্যানের কারণ না দেখায়, তাহলে আদালত শুনানির জন্য একটি দিন নির্ধারণ করবে। এই শুনানির তারিখ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে কমপক্ষে ১০ দিনের পূর্বে পরিষ্কার নোটিশ দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬: আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখের নোটিশ:
যেক্ষেত্রে ৫ নম্বর বিধিতে বর্ণিত কোনো অজুহাতে আদালত আবেদনপত্র খারিজের কারণ না দেখেন, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারী তার নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণের জন্য যে রকম সাক্ষ্য হাজির করবে তা গ্রহণের জন্য এবং তা অপ্রমাণের জন্য যে সাক্ষ্য হাজির করা হয়, তা শুনানির জন্য একটি দিন ধার্য করবেন।
(যার কমপক্ষে ১০ দিনের পরিস্কার নোটিশ বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে দিতে হবে)।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-6: Notice of day for receiving evidence of applicant's pauperism:
Where the Court sees no reason to reject the application on any of the grounds stated in rule 5, it shall fix a day (of which at least ten days' clear notice shall be given to the opposite party and the Government pleader) for receiving such evidence as the applicant may adduce in proof of his pauperism, and for hearing any evidence which may be adduced in disproof thereof.
১৫.
কোন অবস্থায় নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণ করা যেতে পারে?
  1. বিদেশে চলে গেলে
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হলে
  3. বিবাদীর সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ থাকলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯ অনুযায়ী নিম্নলিখিত যেকোনো অবস্থায় নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণ করা যেতে পারে:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হলে: - যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে।
বিবাদীর সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ থাকলে: - যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড এমন কোনো বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট হয় যার স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী, তবে তার দ্বারা ন্যায্যভাবে নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশে বসবাস করা বন্ধ করে দিলে / বিদেশে চলে গেলে: - যদি মামলা বিচারাধীন অবস্থায় সে বাংলাদেশে আর না থাকে, তবে সেটিও অপসারণের বৈধ কারণ।
- তাই উপরের সবগুলো অবস্থাতেই আদালত উল্লেখযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত কারণ মনে করলে নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারে এবং মামলার খরচ সম্পর্কেও আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯: নেকষ্ট ফেণ্ডের অসারণ:
(১) যখন কোন নাবালকের নেকষ্ট ফ্রেণ্ডের স্বার্থে ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে বা যখন সে এমন বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট, যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে যার দরুণ তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ যথার্থভাবে সংরক্ষণ সম্ভব নহে, অথবা যখন সে তার কর্তব্য পালন করে না বা মামলা বিচারাধীন থাকাকারে বাংলাদেশে বসবাস করা শেষ করে অথবা অন্য কোন যথেষ্ট কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদী কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হন, তবে নেকষ্ট ফ্রেণ্ডকে তদানুসারে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নেকষ্ট ফ্রেণ্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং উক্ত মতে নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ডের স্থলে নিজেই নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেকষ্ট ফ্রেণ্ড নিয়োগ করা উচি নহে, এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মামলায় যে খরচ হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাদি সাপেক্ষে নেকষ্ট ফ্রেণ্ড হিসাবে নিয়োগ করবেন।
১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI অনুযায়ী যদি আদালত কমিশনারের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট হন, তবে কী করতে পারেন?
  1. মামলা স্থগিত করতে পারেন
  2. কমিশন বাতিল করতে পারেন
  3. অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কমিশনারকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 10(3) অনুযায়ী,“যে ক্ষেত্রে আদালত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তুষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।”
- এখানে “অতিরিক্ত তদন্ত” বলতে বোঝানো হয়েছে যে আদালত কমিশনের কার্যক্রম যথাযথ না মনে করলে নতুন করে বা সম্পূরকভাবে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারেন।
- কমিশন বাতিল বা মামলা স্থগিত করার উল্লেখ নেই। এছাড়া, আদালত কমিশনারকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে না, তবে পক্ষগণ আবেদনের মাধ্যমে তাকে সাক্ষ্য দিতে ডাকতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবেঃ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার র্গহীত প্রমাণাদি (কিনউ প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
১৭.
সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পূর্বে কত দিনের লিখিত নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ (১) অনুযায়ী, যদি কেউ সরকার বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো দেওয়ানি মামলা করতে চান, তবে তাকে মামলা দায়েরের আগে কমপক্ষে দুই মাস (৬০ দিন) পূর্বে একটি লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
এই নোটিশে থাকতে হবে:
- মামলার কারণ (cause of action),
- বাদীর নাম, বিবরণ ও বাসস্থান,
- এবং বাদী যে প্রতিকার বা দাবি করছেন তা।

এই নোটিশটি প্রদান করতে হবে:
- সাধারণ সরকারের বিরুদ্ধে হলে: সরকারের সচিব বা জেলা কালেক্টরকে
- রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলায়: রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারকে
- সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হলে: সেই কর্মকর্তাকে বা তাঁর অফিসে
এছাড়াও, মামলার অর্জিতে (plaint) এই নোটিশ প্রদান বা পাঠানোর বিষয়ে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ - নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুইমাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
খ) ১. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতিত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
২. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবী করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লেখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জর করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-৬ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মামলায় বাদীর মামলার খরচ কীভাবে ব্যবস্থা করা যায়?
  1. দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে
  2. বিবাদীদের কাছ থেকে সরাসরি আদায় করে
  3. সরকারের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে
  4. কোনো খরচ ব্যবস্থা করা যায় না
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXXV, Rule-6 অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে মামলাটি যথারীতি দায়ের করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত মূল বাদীকে তার দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে বা অন্য কার্যকর পন্থায় তার খরচের ব্যবস্থা করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫ বিধি-৬ বাদীর মামলার খরচের জন্য দায়: যেক্ষেত্রে মামলাটি যথারীতি দায়ের করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত মূল বাদীকে তার দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে অথবা অন্য কোন কার্যকর পথে মামলার খরচার ব্যবস্থা করতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-35 Rule-6. Charge for plaintiff's costs:
Where the suit is properly instituted the Court may provide for the costs of the original plaintiff by giving him a charge on the thing claimed or in some other effectual way.

১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২২ অনুযায়ী, কমিশনের রিপোর্ট কে প্রেরণ করবে বিদেশী আদালতে?
  1. সংশ্লিষ্ট সাক্ষী
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. সরাসরি কমিশনার
  4. বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-২২ অনুযায়ী, যখন বিদেশী রাষ্ট্রে অবস্থিত কোনো আদালতের অনুরোধে বাংলাদেশে বসবাসকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করা হয়, তখন সেই কমিশনের কার্য সম্পাদন ও প্রতিবেদন হাইকোর্ট বিভাগে ফেরত পাঠাতে হয়। এরপর হাইকোর্ট বিভাগই সেই প্রতিবেদন ও সাক্ষ্য গ্রহণপত্র অনুরোধপত্রসহ বিদেশী আদালতে প্রেরণ করেন।
- অর্থাৎ কমিশনের প্রতিবেদন বিদেশী আদালতে প্রেরণের দায়িত্ব শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের, কারণ তারাই যথাযথভাবে প্রতিবেদন যাচাই করে এবং আইনি উপায়ে তা বিদেশে পাঠান।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-২২ কমিশন প্রেরণ সম্পাদন এবং ফেরত দান এবং বিদেশী আদালত প্রমাণ প্রেরণ:
অত্র আদেশের ৬, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ বিধিতে বর্ণিত বিধানসমূহ যতদুর সম্ভব উক্ত কমিশন প্রেরণ, উহার কার্য সম্পাদন এবং ফেরত পাঠাবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং তখন অনুরূপ কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিতে হয়, যখন উহা তদানুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সহ হাইকোর্ট বিভাগে ফেরত দিতে হবে, যা বিদেশী আদালতে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ পত্র সহ হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরণ করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-26, Rule-22. Issue, execution and return of commissions, and transmission of evidence to foreign Court:
The provisions of rules 6, 15, 16, 17 and 18 of this Order is so far as they are applicable shall apply to the issue, execution and return of such commissions, and when any such commission has been duly executed it shall be returned, together with the evidence taken under it, to the High Court Division, which shall forward it to the Government, along with the letter of request for transmission to the foreign Court.
২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুসারে, বিদেশী শাসকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কিভাবে করা উচিত?
  1. রাষ্ট্রদূতের নামে
  2. রাষ্ট্রপতির নামে
  3. সংশ্লিষ্ট সচিবের নামে
  4. সংশ্লিষ্ট বিদেশী রাষ্ট্রের নামে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিদেশী রাষ্ট্রের নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিদেশী রাষ্ট্রের নামে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুযায়ী, “কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তা কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হলে, সেই রাষ্ট্রের নামে মামলাটি করতে হবে।”
- এটি করা হয় যাতে আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার এবং কূটনৈতিক মর্যাদা বজায় থাকে। তবে, সরকার যদি পূর্ববর্তী ধারা অনুযায়ী (ধারা ৮৬) সম্মতি দেয়, তাহলে সরকার নির্দেশ দিতে পারে যে, সেই শাসকের বিরুদ্ধে মামলা তার কোনো প্রতিনিধি বা অন্য কারো নামে করা যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭-মামলার পক্ষ হিসেবে শাসনকর্তার উপাধি:
- কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তা কর্তৃক এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করতে হলে তার রাষ্ট্রের নামে মামলা করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পুর্ববতী ধারায় উল্লেখিত সম্মতি প্রদানকালে সরকার এরূপ নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা কোন প্রতিনিধি বা অপর কারো নামে দায়ের করা যাবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 87. Style of Rulers as parties to suits.
The Ruler of a foreign State may sue, and shall be sued, in the name of his State:
Provided that in giving the consent referred to in the foregoing section the Government, or the Government, as the case may be, may direct that any such Ruler shall be sued in the name of an agent or in any other name.
২১.
যদি কোন নাবালক নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা করে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত করে
  2. মামলাটি মঞ্জুর করে
  3. মামলার শুনানি শুরু করে
  4. মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ২ অনুযায়ী, যদি কোনো নাবালক (minor) নেকস্ট ফ্রেন্ড (next friend) ছাড়া মামলা দায়ের করে, তবে বিবাদী (opposite party) আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যেন সেই মামলা নথি হতে খরচসহ অপসৃত (struck off the record) করা হয়। কারণ, আইন অনুযায়ী কোনো নাবালক নিজে এককভাবে বা স্বাধীনভাবে মামলা দায়ের করতে পারে না। নেকস্ট ফ্রেন্ড হল এমন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি, যে নাবালকের হয়ে তার স্বার্থ রক্ষায় মামলা করে।
সুতরাং, যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা হয়, তাহলে আদালত সেই মামলাকে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করবে না এবং প্রয়োজনীয় শুনানির পর মামলাটি নথি হতে বাদ দিয়ে দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-২ নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসৃত হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলা কোন নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়াই নাবালক কর্তৃক বা নাবলকের পক্ষে দায়ের হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদী উক্ত আরজি যে, উকি ব্যক্তি কর্তৃক দাখিল হয়েছিল, তার নিকট হতে মামলার খরচাসহ আরজিটি নথি হতে অপসৃত করার জন্য আবেদন করতে পারে।
(২) উক্ত আবেদন পত্রের নোটিশ উক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করতে হবে এবং আদালত তার আপত্তি (যদি থাকে) শবণের পর বিষয়টির উপর বিবেচনা মত সঙ্গত আদেশ দান করতে পারেন।
২২.
দেওয়ানি আদালত ধারা ৭৫ অনুযায়ী নিম্নের কোন কাজের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারেন?
  1. নতুন আইন প্রণয়ন
  2. স্থানীয় তদন্ত করা
  3. কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান
  4. পুলিশকে গ্রেফতারের আদেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় তদন্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় তদন্ত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালতের কমিশন প্রেরণের চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। তার মধ্যে একটি হলো: "স্থানীয় তদন্ত করা"- মানে কোনো ঘটনার বা সম্পত্তির বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ “স্থানীয় তদন্ত করা” ধারা ৭৫ অনুসারে আদালতের কমিশন প্রেরণের একটি বৈধ ও নির্ধারিত উদ্দেশ্য।
- অন্য অপশনগুলো আদালতের কমিশনের মাধ্যমে সম্পাদনের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: খ) স্থানীয় তদন্ত করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মামলায় দাবিকৃত বস্তু কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. ব্যাংক লকারে
  2. পুলিশ কাস্টডিতে
  3. আদালতের হেফাজতে
  4. স্থানীয় প্রশাসনের কাছে
সঠিক উত্তর:
আদালতের হেফাজতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের হেফাজতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXXV, Rule 2 অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেওয়া বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, তখন বাদীকে কোনো আদেশ পাওয়ার পূর্বে তা আদালতের হেফাজতে জমা দিতে বলা যেতে পারে। এভাবে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিরাপদ ও নিরপেক্ষভাবে আদালতের হেফাজতে থাকে, যাতে দুই পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেয়া:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তুটি আদালতে জমা দিবার বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে উহা অনুরূপভাবে জমা দিতে বা স্থাপন করতে নির্দেশ দেয়া যাবে।
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-35 Rule-2. Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI অনুযায়ী কমিশনারের প্রতিবেদন এবং গৃহীত প্রমাণাদি কীভাবে মামলায় বিবেচিত হয়?
  1. তথ্য হিসেবে গৃহীত হয়
  2. শুধুমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে
  3. মামলার নথির অংশরূপে গণ্য হয়
  4. মামলায় গ্রহণযোগ্য হয় না
সঠিক উত্তর:
মামলার নথির অংশরূপে গণ্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথির অংশরূপে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 10(2) অনুযায়ী, কমিশনারের প্রতিবেদন এবং গৃহীত প্রমাণাদি মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তবে শুধু প্রমাণাদি (প্রতিবেদন ছাড়া) মামলায় গ্রহণযোগ্য নয়।
- অর্থাৎ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তিনি যে প্রমাণাদি গ্রহণ করেছেন (কিন্তু শুধুমাত্র প্রতিবেদন নয়), সেগুলো মামলার প্রমাণ ও নথির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তবে, আদালত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে কমিশনারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে (যেমন: তার তদন্ত পদ্ধতি, প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয় ইত্যাদি সম্পর্কে)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবেঃ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার র্গহীত প্রমাণাদি (কিনউ প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮, বিধি-৪ অনুযায়ী, বিবাদী জামানত প্রদানে ব্যর্থ হলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে
  2. মামলার শুনানি স্থগিত করতে পারে
  3. বিবাদীকে মামলা থেকে মুক্তি দিতে পারে
  4. বিবাদীকে দেওয়ানী কারাগারে সোপর্দ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে দেওয়ানী কারাগারে সোপর্দ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে দেওয়ানী কারাগারে সোপর্দ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-৩৮, বিধি-৪ অনুযায়ী, যদি আদালত বিশ্বাস করে যে বিবাদী এমন কাজ করছে বা করতে যাচ্ছে যা ভবিষ্যতে ডিক্রির কার্যকারিতা ব্যাহত করতে পারে (যেমন: দেশ ছেড়ে পালানো, সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়া, আত্মগোপন করা ইত্যাদি), তবে আদালত তাকে জামানত প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে।
- যদি বিবাদী জামানত না দেয় বা কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয়: আদালত তখন তাকে দেওয়ানী কারাগারে সোপর্দ করতে পারেন।
- এই হেফাজত থাকবে: মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অথবা যদি ডিক্রি হয়, তবে ডিক্রি সম্পূর্ণ পরিতুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত।
- তবে এক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে: সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত হেফাজতে রাখা যাবে। যদি মামলার মূল্য ৫০ টাকার কম হয়, তবে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত রাখা যাবে। বিবাদী যদি পরবর্তীতে আদেশ অনুযায়ী জামানত প্রদান করে, তবে তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে।
⇒ অর্থাৎ বিবাদী যদি আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে জামানত জমা না দেন, তবে আদালতের অধিকার আছে তাকে দেওয়ানী কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়ার, কারণ এটি আদালতের রায় কার্যকর করার একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত প্রদানে বা নুতন জামানত দিতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে কার্য পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধি অনুসারে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মামলায় সিদ্ধান্ত প্রদান না করা পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রি পরিতুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তাকে দেওয়ানী কারাগারে সোপর্দ করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অত্র বিধি অনুসারে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক সময় কারাগারে আটক রাখা চলবে না, কিংবা মামলার বিষয়বস্তুর পরিমাণ বা মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনুদ্ধ হলে, সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিকা সময়ের জন্য:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি উক্ত আদেশ পালন করার পর তাকে অত্র বিধির অধীনে কারাগারে আটক রাখা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-38 Rule-4. Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:
Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka:
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
২৬.
নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কখন ডিক্রির অধীনে টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারে?
  1. বিবাদী পক্ষের সম্মতি নিয়ে
  2. নাবালকের অনুমোদন নিয়ে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  4. আদালতের অনুমতি নিয়ে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৬(১) অনুযায়ী, মামলার কোনো নেকস্ট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া নাবালকের পক্ষে—
ক) ডিক্রি বা আদেশের পূর্বে আপোষক্রমে, কিংবা
খ) ডিক্রির অধীনে কোনো টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারবে না।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো নাবালকের স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং যেন কেউ ব্যক্তিস্বার্থে নাবালকের নামে কোন আপোষ বা অর্থগ্রহণ করতে না পারে। আদালত যাচাই করে উপযুক্ত মনে করলে লিখিত অনুমতি দেয়।
 সুতরাং,নাবালকের পক্ষে ডিক্রির অধীনে টাকা বা সম্পত্তি গ্রহণ শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৬ নাবালকের জন্য ডিক্রির অধীনে নেকষ্ট ফেণ্ড বা অভিভাবক কর্তৃক সম্পত্তি গ্রহণ:
(১) মামলার কোন নেকষ্ট ফ্রেণ্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ব্যতিত নাবালকের পক্ষে–
ক) ডিক্রি বা আদেশের পূর্বে আপোষ ক্রমে কিংবা
খ) নাবালকের অনুকূলে প্রদত্ত কোন ডিক্রির অধীনে, কোন টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে মামলার নেকষ্ট ফ্রেণ্ড বা অভিভাবক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নাবালকের সম্পত্তির অভিভাবক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়েছে অথবা এভাবে নিযুক্ত বা ঘোষিত হওয়ার পর কোন টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণের অক্ষমতা আদালতের গোচরীভূত থাকে সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে যদি সম্পত্তি গ্রহণের অনুমতি দান করেন, তবে সম্পত্তিটিকে ধ্বংস হতে রক্ষা করার জন্য এবং উহার উপযুক্ত ব্যবহার তজ্জন্য যথেষ্ট হবে।
২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী আদালত কখন সরকারি কর্মকর্তাকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে?
  1. যখন বিবাদী স্বেচ্ছায় হাজিরা দিতে চায়
  2. যখন মামলার বিষয়বস্তু সমাধান হয়ে যায়
  3. যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
  4. যখন বিবাদী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে
সঠিক উত্তর:
যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ (b) অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে কৃত কাজের জন্য মামলা হলে, আদালত নিম্নলিখিত শর্তে তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে, যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী (সরকারি কর্মকর্তা) তার দায়িত্ব থেকে অনুপস্থিত থাকলে জনসেবায় ক্ষতি হতে পারে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিবে।

- আইনের ভাষা অনুসারে: "...where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person."
অর্থাৎ, জনসেবা বিঘ্নিত হবে এমন পরিস্থিতিতে আদালতের অনুমোদনে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা না দিয়েও মামলা চালাতে পারবেন।
- সঠিক উত্তর: গ) যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ অনুযায়ী যদি বাদী আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা প্রত্যাহার করে, তবে কী ঘটবে?
  1. বাদী নতুন মামলা দায়েরে বাধা পাবে
  2. বাদী মামলার খরচের জন্য দায়ী হবে
  3. বিবাদীকে মামলার খরচ বহন করতে হবে
  4. 'ক' এবং 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১(৩) অনুযায়ী, “যদি বাদী আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা প্রত্যাহার করে বা দাবির অংশ পরিত্যাগ করে, তাহলে সে মামলার খরচ বহনের জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা দাবির অংশ সম্পর্কে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না।”
অর্থাৎ, বাদী দুটি ফলাফলের সম্মুখীন হবে:
১) মামলার খরচ তাকে বহন করতে হবে, এবং
২) পুনরায় একই বিষয়ে মামলা করতে পারবে না।
এই কারণে উত্তর: 'ঘ' (ক এবং খ) সঠিক।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩, বিধি-১ মামলা প্রত্যাহার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
(১) মামলা দায়ের হবার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মামলা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে ।
(২) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে পরিতুষ্ট হন—
ক) যে, মামলাটি কোন আনুষ্ঠানিক ক্রটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা
খ) যে, মামলার বিষয় বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নুতনভাবে মামলা দায়েরের জন্য বাদীকে অনুমতি দেয়ার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত রয়েছে। সেক্ষেত্রে আদালত ইহার বিবেচনা মত উপযুক্ত শর্তে বাদীকে উক্ত মামলার বিষয় বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নূতনভাবে মামলা দায়ের করার স্বাধীনতা সহ উক্ত মামলা হতে প্রত্যাহার করার বা দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জর করতে পারেন।
(৩) উপবিধি (২) এ উল্লেখিত অনুমতি ছাড়া যেক্ষেত্রে বাদী মামলা প্রত্যাহার করে, বা দাবীর অংশ পরিত্যাগ করে, সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মামলার খরচের জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নূতনভাবে কোন মামলা দায়ের করা হতে বাধা গ্রস্থ হবে।
(৪) অত্র বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে হতে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতিত মামলা প্রত্যাহার করার অনুমতি দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim:
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.
(2) Where the Court is satisfied—
(a) that a suit must fail by reason of some formal defect, or
(b) that there are other sufficient grounds for allowing the plaintiff to institute a fresh suit for the subject-matter of a suit or part of a claim,
it may, on such terms as it thinks fit, grant the plaintiff permission to withdraw from such suit or abandon such part of a claim with liberty to institute a fresh suit in respect of the subject-matter of such suit or such part of a claim.
(3) Where the plaintiff withdraws from a suit, or abandons part of a claim, without the permission referred to in sub-rule (2), he shall be liable for such costs as the Court may award and shall be precluded from instituting any fresh suit in respect of such subject-matter or such part of the claim.
(4) Nothing in this rule shall be deemed to authorise the Court to permit one of several plaintiffs to withdraw without the consent of the others.
২৯.
নাবালকের জন্য অভিভাবক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনটি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. নাবালকের সম্মতি
  2. শপথনামা সমর্থিত আবেদন
  3. নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবককে নোটিশ প্রদান
  4. অভিভাবকের স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল না হওয়া
সঠিক উত্তর:
নাবালকের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকের সম্মতি
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ক) নাবালকের সম্মতি।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ (Order XXXII) অনুযায়ী, যখন কোনো নাবালক বিবাদী হয় বা তার পক্ষে কোনো মামলা চলমান থাকে, তখন আদালত তার জন্য একজন "অভিভাবক" (Guardian for the suit) নিযুক্ত করে। এই প্রক্রিয়ায় কিছু বিষয় বাধ্যতামূলক, আবার কিছু বিষয় ঐচ্ছিক বা প্রাসঙ্গিক নয়।

যা বাধ্যতামূলক:
শপথনামা সমর্থিত আবেদন দিতে হয় বিধি ৩(৩)-এ বলা হয়েছে যে, যিনি অভিভাবক হতে চান, তাকে একটি শপথনামাসহ আবেদন করতে হবে যাতে প্রমাণ থাকে যে তার স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী নয়।
নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক বা পিতা-মাতাকে নোটিশ প্রদান করতে হয় বিধি ৩(৪)-এ বলা আছে যে, অভিভাবক নিযুক্তির আগে উপযুক্ত নোটিশ প্রদান করা বাধ্যতামূলক।
নিয়োগপ্রত্যাশী ব্যক্তির স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল না হওয়া বাধ্যতামূলক কারণ তার স্বার্থ সংঘাতপূর্ণ হলে সে উপযুক্ত অভিভাবক নয়।

যা বাধ্যতামূলক নয়:
→ নাবালকের সম্মতি: কোনো নাবালকের ব্যক্তিগত সম্মতি অভিভাবক নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নয়। কারণ নাবালক আইনত পূর্ণরূপে সচেতন বা সক্ষম বিবেচিত হন না, তাই আদালতই তার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন এবং তার মঙ্গল বিবেচনায় অভিভাবক নিয়োগ করেন।
→ সঠিক উত্তর: ক) নাবালকের সম্মতি। এটি আইনত বাধ্যতামূলক নয়, বরং আদালতের বিবেচনা ও অন্যান্য দায়িত্বশীল প্রক্রিয়া অনুসারে অভিভাবক নিয়োগ হয়।
৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI, Rule-9 অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 9 অনুযায়ী, আদালত যদি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন মনে করে (যেমন: সম্পত্তির বাজারমূল্য নির্ধারণ, অন্তবর্তীকালীন মুনাফা, খেসারত ইত্যাদি), তবে আদালত কমিশনের মাধ্যমে একজন কমিশনার নিযুক্ত করতে পারেন।
- এই কমিশনারকে আদালত "অনধিক তিন মাসের মধ্যে" প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে আদালতের বিবেচনায় যদি যথার্থ কারণ থাকে এবং কমিশনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সময় বৃদ্ধি করতেও পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-26, Rule-9: Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
৩১.
স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষেত্রে কমিশনারের প্রধান কাজ কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা
  2. সম্পত্তির তালিকা তৈরি করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করা
  4. সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, Order 26, Rule 13 ও 14-এ স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা বিষয়ক বিধান দেওয়া হয়েছে।
-যেখানে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদান করা হয়, সেখানে আদালত একজন কমিশনার নিয়োগ করেন।
- কমিশনারের প্রধান দায়িত্ব হলো—আদালতের আদেশ অনুযায়ী সম্পত্তি বিভক্ত করে তা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা।

বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৩: স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে, বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৪: কমিশনের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার পয়োজনীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশমূলে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সেই আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি বিভক্ত করবেন, এবং উক্ত অংশগুলি পক্ষগণের মধ্যে বন্টন করবেন এবং যদি উপরোক্ত আদেশমূলে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন অংশের মূল্যেল সমতা সাধনের জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারেন।
(২) কমিশনার তখন একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন অথবা কমিশনারগণ (যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেতি হয়ে থাকে এবং তাকে একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষেরে অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উপরোক্ত আদেশের এরূপ নির্দেশিত হয়ে থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি পৃথক করে আলাদা প্রতিবেদনসমূহ প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন। উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি প্রদান করলে তা শুনানির পরে আদলত উহা অনুমোদন পরিবর্তন বা বাতিল করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদন ক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হলে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১০ অনুযায়ী আদালত কোন সময় কোর্ট ফি হিসাব করবে?
  1. মামলার শুরুতে
  2. বাদী আবেদন করলে
  3. বাদী মামলায় সফল হলে
  4. প্রতিপক্ষ আপত্তি জানালে
সঠিক উত্তর:
বাদী মামলায় সফল হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী মামলায় সফল হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১০ অনুসারে, যখন কোনো নিঃসম্বল ব্যক্তি (pauper) আদালতের অনুমতি নিয়ে কোর্ট ফি না দিয়ে মামলা করে এবং সে মামলায় সফল হয়, তখন আদালত হিসাব করে দেখে "যদি সে নিঃসম্বল না হতো, তাহলে তাকে কত কোর্ট ফি দিতে হতো।"
এই হিসাবকৃত পরিমাণটি তখন সরকার কর্তৃক ডিক্রির মাধ্যমে যাকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার কাছ থেকে আদায়যোগ্য হয় এবং মামলার বিষয়বস্তুর উপর ‘first charge’ বা প্রথম দায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
তাই, কোর্ট ফি মামলার শুরুতে নয়, শুধুমাত্র তখনই হিসাব করা হয়, যখন বাদী মামলায় সফল হন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-১০: নিঃসম্বল ব্যক্তি সফল হলে মামলার খরচ: 
যেক্ষেত্রে বাদী মামলায় সফল কার্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত, বাদী যদি নিঃসম্বলব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি না পাইত, তবে তাহলে তাকে যে পরিমাণ কোর্ট ফি প্রদান করতে হতো, সেই পরিমাণ কোর্ট ফি হিসাব করবেন, সেই পরিমাণ অর্থ ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়, সেই পক্ষের নিকট হতে সরকার কর্তৃক আদায় যোগ্য হবে, এবং উহা মামলার বিষয় বস্তুর উপর প্রথম দায় হিসাবে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-10. Costs where pauper succeeds:
Where the plaintiff succeeds in the suit, the Court shall calculate the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper; such amount shall be recoverable by the Government from any party ordered by the decree to pay the same, and shall be a first charge on the subject-matter of the suit.
৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের কাজের জন্য ধারা ৮০ প্রযোজ্য?
  1. ব্যক্তিগত কাজের জন্য
  2. ঘুষ গ্রহণের কাজের জন্য
  3. অবসরকালীন কাজের জন্য
  4. পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য
সঠিক উত্তর:
পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী, যদি সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়, তাহলে তা তখনই এই ধারা অনুযায়ী চলবে যদি মামলা- "পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্য" (any act purporting to be done in official capacity)-এর জন্য হয়।
অর্থাৎ, সরকারি কর্মকর্তা যদি তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কাজ করেন, এবং সেই কাজের জন্য কেউ তার বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় — তাহলে ধারা ৮০ অনুযায়ী আগে ২ মাসের নোটিশ প্রদান করতে হবে।

- যেসব কাজের ক্ষেত্রে ধারা ৮০ প্রযোজ্য নয়:
ক) ব্যক্তিগত কাজের জন্য – যদি কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে কিছু করে থাকেন, তা সরকারি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, তাই ধারা ৮০ প্রযোজ্য নয়।
খ) ঘুষ গ্রহণের কাজের জন্য – ঘুষ নেওয়া একটি অপরাধ এবং তা কখনোই অফিসিয়াল ডিউটির অংশ নয়, তাই এটি ফৌজদারি বিষয়ে পড়ে, ধারা ৮০ এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) অবসরকালীন কাজের জন্য – অবসরের পর কোনো কাজ সরকারি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।

- প্রযোজ্য কেবল: ঘ) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্য – অর্থাৎ, যে কাজ সরকারি ক্ষমতার অধীনে, দায়িত্ব হিসেবে সম্পাদিত হয়েছে বা হয়েছে বলে দাবি করা হয়, শুধু সেই ক্ষেত্রেই ধারা ৮০ প্রযোজ্য।
- সুতরাং ধারা ৮০ কেবলমাত্র সেই কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা সরকারি কর্মকর্তা তার পদাধিকারবলে করেছেন বা করেছেন বলে দাবি করেছেন।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ - নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুইমাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
খ) ১. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতিত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
২. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবী করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লেখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জর করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.