পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৮: Full Model Test - 8
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৪ প্রশ্ন

.
Choose the correct sentence:
  1. No sooner had they reached the station then the train arrived.
  2. No sooner had they reached the station than the train arrive.
  3. No sooner had they reached the station than the train had arrived.
  4. No sooner had they reached the station than the train arrived.
সঠিক উত্তর:
No sooner had they reached the station than the train arrived.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No sooner had they reached the station than the train arrived.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: No sooner had they reached the station than the train arrived.

• No sooner had.....than — এটি একটি Correlative Conjunction, যা “করতে না করতেই/হতে না হতেই” অর্থ প্রকাশ করে।

Structure: No sooner had + subject + past participle (V3) + than + subject + past form (V2).

Rule Summary:
- বাক্যে No sooner had থাকলে → follow with than (not then),
- বাক্যে Hardly had থাকলে → follow with when,
- বাক্যে Scarcely had থাকলে → follow with when.

- No sooner had they reached the station than the train arrived.
→ এটি সঠিক বাক্য, কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।

Other Options:
ক) No sooner had they reached the station then the train arrived.
→ “then” ব্যবহৃত হয়েছে ভুলভাবে, এখানে than হতে হবে।

খ) No sooner had they reached the station than the train arrive.
→ “arrive” এর স্থলে arrived (past form) হবে।

গ) No sooner had they reached the station than the train had arrived.
→ এখানে অতিরিক্ত had ব্যবহার ভুল; দ্বিতীয় clause-এ simple past যথেষ্ট।

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.

.
We should help one another in times of need. here, 'one another' is - 
  1. Demonstrative Pronoun
  2. Distributive Pronoun
  3. Reflexive Pronoun
  4. Reciprocal pronoun
সঠিক উত্তর:
Reciprocal pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reciprocal pronoun
ব্যাখ্যা

• We should help one another in times of need. here, 'one another' is - Reciprocal pronoun.

• Reciprocal pronoun:
- এই pronoun একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝায়।
- পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে each other এবং one another এই দুইটি pronoun ব্যবহার করা হয়, যারা reciprocal pronoun নামে পরিচিত।
- One another, Each other হচ্ছে Reciprocal pronoun.

• Each other: Each other" ব্যবহৃত হয় দু'জনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
Example: Habiba and Tonny hugged each other.

• One another: One another" ব্যবহৃত হয় দু'জনের অধিক জনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
Example: The team members supported one another. 

• Pronoun ৮ প্রকার।
- যথা-
1. Personal Pronoun (I, we, me, it),
2. Demonstrative Pronoun (this, that),
3. Interrogative Pronoun (what, who),
4. Relative Pronoun (what, who, that),
5. Indefinite Pronoun (one, some, any, all, many),
6. Distributive Pronoun (each, every),
7. Reflexive Pronoun (myself, themselves),
8. Reciprocal Pronoun (each other, one another).

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.

.
Before the meeting, everyone must submit their reports. Here, ‘Before’ is –
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Preposition
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preposition
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Preposition.

- “Before” এখানে preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ “এর আগে”।
- এটি “the meeting” নামক noun phrase-এর আগে অবস্থান করে সময় নির্দেশ করছে।

• Before: [preposition]
- English meaning: earlier than (the time or event mentioned).
- Bangla meaning: আগে। 

Examples:
- Before the meeting, everyone must submit their reports.
- We met before the movie started.
- He called me before leaving the office.

Source: Cambridge Dictionary

.
’মহামুনি বিহার’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা জেলায়
  2. চট্টগ্রাম জেলায়
  3. রংপুর জেলায়
  4. সিলেট জেলায়
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম জেলায়
ব্যাখ্যা

মহামুনি বিহার:
- মহামুনি বিহার চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে অবস্থিত।
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়।
- এ মন্দিরকে কেন্দ্র করে মং সার্কেল রাজা ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামুনি মন্দির চত্বরে মেলার প্রবর্তন করেন, যা চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।

.
২০২৫ সালে নেপালে জেন জি প্রতিবাদের উস্কানি কী ছিল?
  1. আমদানিতে হঠাৎ কর বৃদ্ধি
  2. বিরোধী দলকে নিপীড়ন
  3. সরকারের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা 
  4. বিশ্ববিদ্যালয়ের জোরপূর্বক বন্ধ 
সঠিক উত্তর:
সরকারের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা 
ব্যাখ্যা

• নেপালে জেন জি প্রতিবাদ: 
- জেন জি প্রতিবাদের মূল কারন: ফেসবুক ও ইউটিউবসহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা।

- নেপালে জেন জিদের বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি।
- ওই ঘোষণার পরেও বিক্ষোভকারীরা নেপালের পার্লামেন্ট ভবন ও মন্ত্রীদের বাসভবন সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর করেছে ও আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পাশাপাশি দুর্নীতি মোকাবিলার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন হাজার হাজার তরুণ-তরুণী।

উল্লেখ্য,
- নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান মন্ত্রী সুশীলা কার্কী।
- সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার জন্য কোন আইন করেনি তবে নিষাধাজ্ঞা করেছিল।

উৎস: বিবিসি নিউজ।[লিঙ্ক]

.
’স্বত্ববিলোপ নীতি‘ আরোপ করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসি:
- ব্রিটিশ সরকার ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য যে-সব নীতি অবলম্বন করে সেগুলির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হল স্বত্ববিলোপ নীতি।, কোনো ব্রিটিশ আশ্রিত দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে সেই রাজ্যটি সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে এই নীতি স্বত্ববিলোপ নীতি নামে পরিচিত।
- স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তক- লর্ড ডালহৌসি।
- ১৮৪৮ খ্রি: স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তন করা হয়।
- স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ডালহৌসি সর্বপ্রথম সাঁতারা রাজ্য দখল করেন
- স্বত্ববিলোপ নীতি বাতিল করেন-মহারানি ভিক্টোরিয়া।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশ কবে New Development Bank এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- ব্রিকস দেশসমূহ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- ২০১২ সালের ব্রিকস সামিটে NDB গঠনের প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়।
- ২০১৪ সালের ব্রাজিল ব্রিকস সামিটে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যার ভিত্তিতে ২০১৫ সালের ৭ জুলাই অফিশিয়াল ভাবে NBD তার কার্যক্রম শুরু করে।
- বাংলাদেশ ১৬ সেপ্টেম্বর,২০২১ সালে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (NDB) সদস্যপদ লাভ করে। 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সালের ৭ জুলাই।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- NDB এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পাঁচটি।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: চীন, ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- নতুন সদস্য: বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর, আলজেরিয়া নতুন সদস্য।
- প্রসপেক্টিভ সদস্য : উরুগুয়ে ,  কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান।

উৎস: New Development Bank।[লিঙ্ক]

.
১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের সম্মেলনে দ্বিজাতিতত্ত্বের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন কে? 
  1. আল্লামা ইকবাল
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ
  4. হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

- ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর দ্বিজাতিতত্ত্বের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

দ্বিজাতিতত্ত্ব: 

- দ্বিজাতিতত্ত্ব  ভারত ও পাকিস্তান নামে দু’টি স্বাধীন জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে ভারতকে রাজনৈতিকভাবে দ্বিধাবিভক্ত করার নির্ণায়ক ও আদর্শাশ্রয়ী একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
- মুসলমানদের একটি জাতি হিসেবে আত্মপরিচয়ের সন্ধানে উদ্বুদ্ধ করতে স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রথম এ ধারণার উন্মেষ ঘটান।
- ১৯৩০ সালের ডিসেম্বর মাসে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে কবি ও দার্শনিক স্যার মুহাম্মদ ইকবাল দ্বিজাতিতত্ত্বের তাত্ত্বিক কাঠামো উপস্থাপন করেন। 
- ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসন অবসানের প্রাক্কালে বিশ শতকের চল্লিশের দশকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের এ ধারণার উন্মেষ ঘটান।
- ১৯৪০ সালের ২২-২৩ মার্চ তারিখে লাহোরে বাংলাসহ ভারতের একাধিক প্রদেশে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের সম্মেলনের সভাপতির ভাষণে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর দ্বিজাতিতত্ত্বের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
কোন মহাদেশ বা অঞ্চল বর্তমানে বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ হারে উষ্ণায়ন হচ্ছে? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. আফ্রিকা
  2. এশিয়া
  3. অ্যান্টার্কটিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে এশিয়া মহাদেশ বৈশ্বিক গড় হারের প্রায় দ্বিগুণ উষ্ণ হচ্ছে।
- ২০২৪ সাল ছিল এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ অথবা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণ বছর।
- এ সময়ে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ সমুদ্র তাপমাত্রার কারণে এ অঞ্চলের অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও সমাজে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
- এশিয়ায় ভূমির পরিমাণ বিশাল এবং তা আর্কটিক পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় উষ্ণতা বৃদ্ধির হারও বেশি।
- স্থলভাগে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সাধারণত সমুদ্রের চেয়ে বেশি হয়, ফলে মহাদেশটি দ্বিগুণ হারে উত্তপ্ত হচ্ছে।
- ২০২৪ সালে এশিয়ার সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা ছিল রেকর্ড পরিমাণ।
- এ সময় সমুদ্রপৃষ্ঠ প্রতি দশকে ০.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বেড়েছে, যা বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ।
- বিশেষ করে উত্তর ভারত মহাসাগর ও পূর্ব চীন সাগরসহ সমুদ্রের বিস্তীর্ণ অংশে এই উষ্ণতা লক্ষ করা গেছে।
- এতে উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড মেটোরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন।[লিঙ্ক]

১০.
২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. জোয়েল মোকির
  2. ফিলিপ আগিয়োঁ 
  3. পিটার হাউইট
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা

নোবেল পুরস্কার ২০২৫:
- চলতি ২০২৫ সালের জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনজন জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।
- উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁরা এ পুরস্কার পেয়েছেন।
- এই তিন অর্থনীতিবিদের মধ্যে অর্ধেক পুরস্কার পেয়েছেন জোয়েল মোকির। প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির পূর্বশর্তগুলো শনাক্ত করার জন্য তিনি পুরস্কার পেয়েছেন।
- ‘সৃজনশীল বিনাশ’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব দেওয়ার জন্য বাকি অর্ধেক পুরস্কার যৌথভাবে পেয়েছেন ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

উৎস: Noble Prize Committe.

১১.
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির নাম কী? 
  1. ইসলামিক নিরাপত্তা জোট চুক্তি 
  2. আরব-পাকিস্তান নিরাপত্তা চুক্তি
  3. উপসাগরীয় ভ্রাতৃত্ব প্রতিরক্ষা চুক্তি
  4. কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি
ব্যাখ্যা

কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির নাম 'কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি' (এসএমডিএ)।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোতে ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিরক্ষায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানকে বিভিন্নভাবে অর্থসহায়তা দেবে সৌদি আরব। বিনিময়ে প্রয়োজনীয় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান।

উৎস: প্রথম আলো।

১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১) কী পুনরুদ্ধার করেছে? 
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা 
  2. রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা
  3. রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ
  4. পাকিস্তান-শৈলীর ফেডারেলিজম
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়
- এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩.
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রথম খণ্ডের নাম কী?
  1. তাম্বুল খণ্ড
  2. ছত্রখণ্ড
  3. নৌকাখণ্ড
  4. জন্মখণ্ড
সঠিক উত্তর:
জন্মখণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মখণ্ড
ব্যাখ্যা

• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
 ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাসের দৌহিত্র শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ্রন্থকে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামেও অভিহিত করা হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাশ।
- এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে।
এগুলো হলো -
- জন্মখণ্ড,
- তাম্বুল খণ্ড,
- দানখণ্ড,
- নৌকাখণ্ড,
- ভারখণ্ড,
- ছত্রখণ্ড,
- বৃন্দাবন খণ্ড,
- কালিয়দমন খণ্ড,
- যমুনা খণ্ড,
- হার খণ্ড,
- বাণ খণ্ড,
- বংশী খণ্ড ও
- বিরহ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪.
”কাঁদকাঁদ” শব্দের সঠিক প্রকৃত-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √কাঁদ্ + আ
  2. √কাঁদ্ + কাঁদ্
  3. √কাঁদ্ + অ
  4. √কাঁদ্ + ও
সঠিক উত্তর:
√কাঁদ্ + অ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√কাঁদ্ + অ
ব্যাখ্যা

• কৃৎ-প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন :

• অ-প্রত্যয়:
- কেবল ভাববাচ্যে অ-প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন √ধর্ + অ =ধর, √মার + অ =মার।
- আধুনিক বাংলায় অ-প্রত্যয় সর্বত্র উচ্চারিত হয় না। যেমন √হার্ + অ = হার, √জিত্ + অ = জিত।

- কোনো কোনো সময় অ-প্রত্যয়যুক্ত কৃদন্ত শব্দের দ্বিত্ব প্রয়োগ হয়।
- যেমন (আসন্ন সম্ভাব্যতা অর্থে দ্বিত্বপ্রাপ্ত) √কাঁদ্ + অ = কাঁদকাঁদ (চেহারা)। এরূপ √পড় + অ=পড়পড়, √মর্ + অ=মরমর (অবস্থা) ইত্যাদি।
- কখনো কখনো দ্বিত্বপ্রাপ্ত কৃদন্ত পদে উ-প্রত্যয় হয়। যেমন √ডুব্‌+উ= ডুবুডুবু। √উড়+উ = উড়ুউডু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৯ সংস্করণ)।

১৫.
'হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. শওকত ওসমান
  2. সেলিনা হোসেন
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4.  সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড:
- সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীকালে এ উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম হাঙর নদী গ্রেনেড নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

• সেলিনা হোসেন:

- বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখিকা সেলিনা হোসেন।
- তিনি রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- দীপান্বিতা ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- উৎস থেকে নিরন্তর,
- খোলকরতাল,
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প ইত্যাদি;

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, কিন্তু এর সুরাহা খুঁজে পেলাম না।” নিম্নরেখ শব্দ কোন কারকের উদাহরণ?
  1. কর্তৃকারক
  2. কর্মকারক
  3. অপাদান কারক
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
কর্মকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মকারক
ব্যাখ্যা

• কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
(ক) প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি:
- ডাক্তার ডাক।
- আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম)
- রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, কিন্তু এর সুরাহা খুঁজে পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে)

(খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি: তাকে বল।
রে বিভক্তি :'আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা'।

(গ) ষষ্ঠী বা র বিভক্তি: তোমার দেখা পেলাম না।

(ঘ) সপ্তমীর এ বিভক্তি : 'জিজ্ঞাসিবে জনে জনে।' (বীপ্সায়)।

উল্লেখ্য,
• কর্মকারক
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।

• কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম, গৌণ কর্ম। যেমন-
- বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৯ সংস্করণ)।

১৭.
”লহরি” শব্দের অর্থ কী?
  1. অশ্রু
  2. ঊর্মি
  3. আলো
  4. ইচ্ছা
সঠিক উত্তর:
ঊর্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊর্মি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- লহরি শব্দের অর্থ- তরঙ্গ, ঢেউ, ঊর্মি, বীচি।

অন্যদিকে,
”অশ্রু” শব্দের সমার্থক শব্দ- অশ্রুবারি, আঁখি-নীর, চোখের জল, নয়নজল,নেত্রজল, লোর।
”আলো” শব্দের সমার্থক শব্দ- উদ্ভাস, আভা, জ্যোতি, দীপ্তি, দ্যুতি, নূর, প্রভা, বিভা, 
”ইচ্ছা” শব্দের সমার্থক শব্দ- অভিপ্রায়, অভিলাষ, আগ্রহ, আকাঙ্ক্ষা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
”এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার উর্দ্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে” পঙক্তিটির লেখক কে?
  1. রফিক আজাদ
  2. মাহবুবুল আলম চৌধুরী
  3. সমর সেন
  4. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
মাহবুবুল আলম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহবুবুল আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা

- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’—একুশের প্রথম কবিতা।
- কবিতার একটি পঙক্তি ”এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার উর্দ্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে।”
- কবিতাটির লেখক মাহবুবুল আলম চৌধুরী।

• মাহবুবুল আলম চৌধুরী:

- তিনি ছিলেন  কবি, সাংবাদিক, লেখক, ভাষা সৈনিক এবং ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার রচয়িতা। 
- মাহবুব উল আলম চৌধুরীর জন্ম ৭ নভেম্বর ১৯২৭, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা।
-  মাহবুব ১৯৪৭ সালে গহিরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ডিসটিংশন সহ এন্ট্রান্স পাশ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম কলেজে ইন্টারমিডিয়েট পড়াকালে রাজনৈতিক কারণে কলেজ ত্যাগ করেন।
- বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে পাকিস্তানের সংবিধানভূক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় মাহবুব উল আলম চৌধুরী পাকিস্তান সরকারের মৌলিক গণতান্ত্রিক রাজনীতির (১৯৫০) বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিলেন। 
- মাহবুব উল আলম ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত যুক্তফ্রন্টের চট্টগ্রাম শাখা কমিটির আহবায়ক হিসেবে কাজ করেছেন।
- মওলানা ভাসানীর আহবানে কাগমারী সম্মেলনে ১৯৫৭ সালে তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম থেকে একটি সাংস্কৃতিক দল যোগ দেয়।
- যদিও ১৯৬৫ সালের পর তিনি প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেন।
- এরপর থেকে তিনি প্রধানত সাংস্কৃকিত কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৯.
"Contrariety" শব্দের পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. বৈসাদৃশ্য
  2. প্রতিবাদ
  3. বৈপরীত্য
  4. সঙ্কোচন
সঠিক উত্তর:
বৈপরীত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈপরীত্য
ব্যাখ্যা

"Contrariety" শব্দের পারিভাষিক শব্দ = বৈপরীত্য।
"Contrast" শব্দের পারিভাষিক শব্দ = বৈসাদৃশ্য।
"Contradiction" শব্দের পারিভাষিক শব্দ = প্রতিবাদ।
"Contraction" শব্দের পারিভাষিক শব্দ = সঙ্কোচন।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা অভিধান।

২০.
জসীম উদ্‌দীন রচিত নাটক কোনটি?
  1. নেমেসিস
  2. বহিপীর
  3. পদ্মাবতী
  4. পল্লী বধূ
সঠিক উত্তর:
পল্লী বধূ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পল্লী বধূ
ব্যাখ্যা

• পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন:
-  তিনি একাধারে কবি, কাব্যোপন্যাসিক, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, ভ্রমণকাহিনীকার, নাট্যকার, স্মৃতিকথক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক ইত্যাদি বহুবিধ পরিচয়ে পরিচিত।
-  ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। 
-  তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
-  তাঁর নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতি-কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম।
- 'বোবা কাহিনী' তাঁর একমাত্র উপন্যাস।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- হাসু ,
- মাটির কান্না,
- এক পয়সার বাঁশী,
- সখিনা,
- মা যে জননী কান্দে,
- পদ্মা নদীর দেশে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে ,
- পল্লীবধূ, ইত্যাদি।

• তাঁর ভ্রমণ কাহিনী:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরির দেশে,
- যে দেশে মানুষ বড় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
”নেমেসিস” নাটকের রচিয়তা- নুরুল মোমেন।
”বহিপীর” নাটকের রচিয়তা- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
”পদ্মাবতী” নাটকের রচিয়তা- মাইকেল মধুসূদন দত্ত

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

২১.
একটি ক্লাসে ৫০০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে যার মধ্যে ৪০% ছাত্র, সেই ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা কত হবে? 
  1. ২৫০ জন
  2. ৩০০ জন
  3. ৩২০ জন
  4. ৩৫০ জন
সঠিক উত্তর:
৩০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ক্লাসে ৫০০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে যার মধ্যে ৪০% ছাত্র, সেই ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা কত হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
মোট ছাত্র-ছাত্রী = ৫০০ জন 

∴ ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা = ৫০০ এর ৪০% 
= ৫০০ এর ৪০/১০০ 
= ২০০ জন

∴ ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা = (৫০০ - ২০০) জন
= ৩০০ জন।

২২.
a = 1, b = 1, c = 2 এবং d = 2 হলে, a - (- b) - (- c) - (- d) = কত? 
  1. 4
  2. 6
  3. 0
  4. 2
সঠিক উত্তর:
6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a = 1, b = 1, c = 2 এবং d = 2 হলে, a - (- b) - (- c) - (- d) = কত? 

সমাধান:
প্রদত্ত রাশি = a - (- b) - (- c) - (- d) 
= a + b + c + d 
= 1 + 1 + 2 + 2 
= 6

২৩.
২০ জন পুরুষ একটি পুকুর ১৫ দিনে খনন করতে পারে। কত জন পুরুষ ২০ দিনে পুকুরটি খনন করতে পারবে? 
  1. ১০ জন
  2. ১৫ জন
  3. ১৮ জন
  4. ২০ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০ জন পুরুষ একটি পুকুর ১৫ দিনে খনন করতে পারে। কত জন পুরুষ ২০ দিনে পুকুরটি খনন করতে পারবে? 

সমাধান: 
১৫ দিনে পুকুরটি খনন করতে পুরুষ লাগে = ২০ জন
∴ ১ দিনে পুকুরটি খনন করতে পুরুষ লাগে = ২০ × ১৫ জন 
∴ ২০ দিনে পুকুরটি খনন করতে পুরুষ লাগে = (২০ × ১৫)/২০ জন 
= ১৫ জন। 

∴ নির্ণেয় লোক সংখ্যা = ১৫ জন।

২৪.
একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৭ সেন্টিমিটার ও ১০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত? 
  1. ৩৫ সেন্টিমিটার
  2. ৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার
  3. ৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
  4. ২০ বর্গ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৭ সেন্টিমিটার ও ১০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
রম্বসের একটি কর্ণ = ৭ সেন্টিমিটার 
এবং অপর কর্ণ = ১০ সেন্টিমিটার 

আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল 
= (১/২) × ৭ × ১০
= ৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার।

২৫.
পিতা ও তার দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩০ বছর। দুই সন্তানের বয়সের গড় ২১ বছর হলে, পিতার বয়স কত? 
  1. ৪৮ বছর 
  2. ৫০ বছর
  3. ৫২ বছর
  4. ৫৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৪৮ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ বছর 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতা ও তার দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩০ বছর। দুই সন্তানের বয়সের গড় ২১ বছর হলে, পিতার বয়স কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় = ৩০ বছর
∴ পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি = (৩০ × ৩) বছর
= ৯০ বছর 

আবার, 
দুই সন্তানের বয়সের গড় = ২১ বছর
∴ দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি = (২১ × ২) বছর 
= ৪২ বছর 

∴ পিতার বয়স = (৯০ - ৪২) বছর 
= ৪৮ বছর।

২৬.
নিচের কোন শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ সবচেয়ে কম হয়?
  1. কয়লা 
  2. সৌর শক্তি
  3. খনিজ তেল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা

- 'সৌর শক্তি' উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ সবচেয়ে কম হয়, কারণ এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস যার দূষণের পরিমাণ কম থাকে। 

শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:  
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না। 
- এটি সাধারণত পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে। 
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়। 
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না। 
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে। 
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী কী করবেন?
  1. নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করবেন
  2. পদত্যাগ করবেন
  3. সংসদ ভেংগে দিবেন
  4. সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজনের কাছে ক্ষমতা অর্পণ করবেন
সঠিক উত্তর:
পদত্যাগ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদত্যাগ করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭- প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি- 
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 

(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন। 

(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

২৮.
জনগুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাইতে পারেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য উক্ত প্রশ্ন পাঠাতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:

যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

২৯.
কোন ধরনের বিল রাষ্ট্রপতি সংসদে পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন না?
  1. প্রশাসনিক বিল
  2. অর্থ বিল
  3. জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিল
  4. সাংবিধানিক সংশোধনী বিল
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।

৩০.
“Res Integra” শব্দগুচ্ছের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. পূর্ব নির্ধারিত বিষয়
  2. বিচারাধীন মামলা
  3. অনির্ধারিত বিষয়
  4. পুনর্বিবেচিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অনির্ধারিত বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্ধারিত বিষয়
ব্যাখ্যা

Res Integra বলতে এমন কোনো আইনি প্রশ্ন বা বিষয়কে বোঝায়, যা এখনও আদালতের কোনো সিদ্ধান্ত বা রায় দ্বারা নির্ধারিত হয়নি — অর্থাৎ, যা এখনো অনির্ধারিত বা অমীমাংসিত।

অন্যভাবে বলা যায়,
“Res Integra” হলো এমন একটি বিষয়, যেটি এখনো কোনো পূর্ববর্তী মামলার নজির (precedent) দ্বারা আবদ্ধ নয়, ফলে বিচারক নীতি ও যুক্তির ভিত্তিতে নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

উদাহরণ ও মামলা (Case Laws):
➤ Rajendra Kumar Sharma vs. State of Chhattisgarh & Others
ছত্তীসগড় উচ্চ আদালত (High Court) রায় দেয় যে,
এই মামলার বিষয়টি আর res integra নয়, কারণ সুপ্রিম কোর্ট পূর্বে একাধিক মামলায় স্পষ্ট করেছে যে, অস্থায়ী (ad hoc) নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের চাকরিতে থাকার বা পুনর্বহালের কোনো অধিকার নেই।

➤ Prem Chand and Others vs. Union of India and Others
দিল্লির কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল (CAT) রায় দেয় যে,পূর্ববর্তী সময়ে একই বিষয়ে আবেদনকারীরা দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন,তাই বিষয়টি আর নতুন বা অনির্ধারিত নয় (no more res integra)।

➤ Ghulam Qadir Badder & Another vs. State of J&K and Another
জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্ট রায় দেয় যে, আইনের দৃষ্টিতে এই বিষয়টি আর res integra নয় —
কারণ অভিযোগের স্বীকৃতি (cognizance) ও প্রক্রিয়া জারি (issuance of process) অভিযুক্তের কোনো অধিকার হ্রাস করে না;
যতক্ষণ না দোষ প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযুক্ত কেবল অভিযুক্তই থাকেন।

৩১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০৫
  2. অনুচ্ছেদ ১০৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০৭
  4. অনুচ্ছেদ ১০৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।

৩২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

সপ্তদশ সংশোধনী, ২০১৮:
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। ৮ জুলাই, ২০১৮ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বহাল রাখার প্রস্তাব সংবলিত সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৯৮-০ ভোটে বিলটি পাস হয়। সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ২৯ জুলাই, ২০১৮ এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।

উল্লেখ্য,
নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।

৩৩.
According to Article 31 of the Constitution of Bangladesh, Right to protection of law is the _________ of every citizen.
  1. alienable right
  2. inalienable right
  3. alienable privilege
  4. inalienable freedom
সঠিক উত্তর:
inalienable right
উত্তর
সঠিক উত্তর:
inalienable right
ব্যাখ্যা

Article 31: Right to protection of law:
To enjoy the protection of the law, and to be treated in accordance with law, and only in accordance with law, is the inalienable right of every citizen, wherever he may be, and of every other person for the time being within Bangladesh, and in particular no action detrimental to the life, liberty, body, reputation or property of any person shall be taken except in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার:
আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।

৩৪.
সংসদ-সদস্যের শপথ পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় তফসিল- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;

প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

৩৫.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ১৬ অনুযায়ী, নিয়োগের ক্ষমতা কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. নীতি নির্ধারণের ক্ষমতা
  2. বরখাস্তের ক্ষমতা
  3. পদবী পরিবর্তনের ক্ষমতা
  4. বেতন নির্ধারণের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বরখাস্তের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরখাস্তের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• The General Clauses Act,1897: ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।

Section 16- Power to appoint to include power to suspend or dismiss:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

৩৬.
'There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament' - সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. Article 120
  2. Article 121
  3. Article 122
  4. Article 123
সঠিক উত্তর:
Article 121
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 121
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

Article 121: Single electoral roll for each constituency-
There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament, and no special electoral roll shall be prepared so as to classify electors according to religion, race, caste or sex.

৩৭.
‘ক’ দোকানে ঢুকে মালিক ‘খ’ কে ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি দিতে বাধ্য করে। ‘ক’ কোন অপরাধ করেছে?
  1. Theft
  2. Dacoity
  3. Extortion
  4. Robbery
সঠিক উত্তর:
Extortion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Extortion
ব্যাখ্যা

• সাধারণ ভাষায় বলা যায়, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে সম্পত্তি গ্রহণ করাকে জোরপূর্বক গ্রহণ (Extortion) বলা হয়।

দণ্ডবিধির ৩৮৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃতভাবে তাহার বা অন্য কারও ক্ষতির ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত বা সাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হয় তাহা হস্তান্তরে বাধ্য করে, সেই ব্যক্তি বলপূর্বক গ্রহণ বা আদায় (Extorion) করে। এখানে ‘ক’ ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি গ্রহণ করেছে → Extortion.

বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি :
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অন্যান্য ক্ষেত্রে-
Theft (চুরি): সম্পত্তি নেওয়া হয় কিন্তু কোনো ভয় বা বল প্রয়োগ হয় না।
Robbery (দস্যুতা): সরাসরি ভয় দেখিয়ে বা বল প্রয়োগ করে সম্পত্তি নেওয়া।
Dacoity (ডাকাতি): ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি দস্যুতা সংঘটন করা বা সংঘটনের চেষ্টা করা

৩৮.
‘A’ কে X আদালতের এলাকায় গুরুতর আহত করা হয়। এরপর ১০ দিন ‘A', Y আদালতের এলাকায় এবং ১০ দিন Z আদালতের এলাকায় চিকিৎসাধীন থাকে। The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৭৯ অনুসারে, ‘A’–কে গুরুতর আঘাত দেওয়ার অপরাধ কোন আদালতে বিচার করা যেতে পারে?
  1. শুধু X আদালতে
  2. শুধু Y বা Z আদালতে
  3. অভিযুক্ত যে আদালতের এখতিয়াধীন এলাকায় বাস করে
  4.  X বা Y বা Z যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
 X বা Y বা Z যেকোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 X বা Y বা Z যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৭৯- অপরাধের বিচার: যেখানে কাজ ঘটেছে বা ফলাফল প্রাপ্ত হয়েছে:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটিত করার জন্য অভিযুক্ত হয়, যার জন্য কোনো কাজ (act) করা হয়েছে অথবা কোনো ফলাফল (consequence) ঘটেছে, তাহলে সেই অপরাধ যে কোন নিম্নলিখিত আদালতের সীমার মধ্যে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে: 
- যে অঞ্চলে সেই কাজ করা হয়েছে;
- যে অঞ্চলে সেই ফলাফল ঘটেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ যেখানে সংঘটিত হয়েছে বা যেখানে তার প্রভাব দেখা দিয়েছে, সেই যেকোনো আদালত মামলা করতে পারে।

Illustrations (উদাহরণ):
(ক) ‘A’ কে Court X–এর এলাকায় আহত করা হয়।‘A’ পরে Court Z–এর এলাকায় মারা যায়।
→ ‘A’–এর হত্যার মামলা Court X বা Court Z–এ তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(খ) ‘A’ কে Court X–এর এলাকায় আহত করা হয়। এরপর ১০ দিন ‘A’ Court Y–এর এলাকায় এবং ১০ দিন Court Z–এর এলাকায় চিকিৎসাধীন থাকে। 
→ ‘A’–কে গুরুতর আঘাত (grievous hurt) দেওয়ার অপরাধ Court X, Y বা Z–এ তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(গ) ‘A’ কে Court X–এর এলাকায় ভয় দেখানো হয়। ভয় দেখানোর কারণে ‘A’ Court Y–এর এলাকায় সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
→ ‘A’–এর উপর জোরপূর্বক গ্রহণ (Extortion)–এর অপরাধ Court X বা Y–এ তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(ঘ) ‘A’ কে ঢাকা–এ আহত করা হয়। ‘A’ পরে চট্টগ্রাম–এ আহত অবস্থায় মারা যায়।
→ ‘A’–এর মৃত্যুর জন্য দায়ী অপরাধ চট্টগ্রাম–এ তদন্ত বা বিচার করা যাবে।

৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১(২) অনুযায়ী, মৌখিক নালিশ দায়ের হলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নালিশ বাতিল করবেন
  2. নালিশ গ্রহণ করবেন
  3. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  4. নালিশকারীকে লিখিত নালিশ দাখিল করতে বলবেন
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.

৪০.
যদি কোনো ব্যক্তি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারাধীন দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার অপরাধে দণ্ডিত হয়, কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. সংশ্লিষ্ট যুগ্ম দায়রা জজের নিকট
  4. সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

৪১.
একজন ব্যক্তি আদালতে বললেন- “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি।” এটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৬
  3. ধারা ৪৭
  4. ধারা ৪৭ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী-
যখন আদালতকে কারো লেখা বা স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে গণ্য হয়, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত।

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে- যদি কেউ ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ কোনো চিঠি পেয়ে থাকে, তবে তিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে গণ্য হবেন।

অতএব, যে ব্যক্তি বলেন “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি,” তার মতামত ধারা ৪৭-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ (হস্তলিপি সম্পর্কে মতামত):
যখন আদালতকে কোনো নথি কে লিখেছে বা স্বাক্ষর করেছে — সে বিষয়ে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন কোনো ব্যক্তির মতামত, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত, এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক (Relevant) বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ- যে ব্যক্তি ঐ লেখকের লেখার ধরন বা স্বাক্ষরের সঙ্গে পরিচিত, তার মতামত আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

ব্যাখ্যা (Explanation): কোনো ব্যক্তি অন্য একজনের হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত (acquainted) বলে গণ্য হবে যদি সে ব্যক্তিকে নিজ চোখে লিখতে দেখেছে, অথবা সে ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ চিঠি পেয়েছে, যা সে নিজে বা তার কর্তৃত্বে লেখা এবং ঐ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, অথবা  ব্যবসার সাধারণ নিয়মে, ঐ ব্যক্তির লেখা বলে ধারণা করা হয় এমন নথিপত্র নিয়মিতভাবে তার কাছে জমা দেওয়া হয় এবং সে সেগুলো দেখে অভ্যস্ত।

৪২.
What is the maximum term of imprisonment under Section 363 of  for kidnapping a person from Bangladesh?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
সঠিক উত্তর:
7 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 years
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Punishment for kidnapping:
Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:
 কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

৪৩.
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হয় কখন?
  1. যখন সরকারী কর্মচারী দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে
  2. যখন কেউ সরকারী আদেশ অমান্য করে
  3. যখন আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করা হয় না
  4. যখন সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা প্রদান করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করা হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করা হয় না
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৪৪.
Z, B-কে আঘাত করে। B রাগে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। A (একজন দর্শক), সুযোগ নিয়ে B-এর হাতে ছুরি দেয় যাতে B, Z-কে হত্যা করে। B সেই ছুরি দিয়ে Z–কে হত্যা করে। এক্ষেত্রে-
  1. B কোনো অপরাধ করে নি
  2. B খুন করেছে
  3. A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে
  4. A খুন করেছে
সঠিক উত্তর:
A খুন করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A খুন করেছে
ব্যাখ্যা

B-এর কাজ:
- ‘Z’-এর প্ররোচনায় ‘B’ হঠাৎ রাগে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারায়।
- হত্যাটি পরিকল্পিত নয়, বরং “grave and sudden provocation”-এর ফল।
- তাই ‘B’–এর অপরাধ নিন্দনীয় নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to Murder)।

A-এর কাজ:
- ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘B’–এর রাগের সুযোগ নিয়ে তাকে ছুরি দেয় যাতে সে ‘Z’–কে মেরে ফেলে।
- তাই ‘A’–এর কাজ পরিকল্পিত খুন (Murder)।

The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১:
যদি কোনো ব্যক্তি গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার (grave and sudden provocation) ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে (deprived of self-control) প্ররোচনাদাতা ব্যক্তিকে হত্যা করে, অথবা ভুলক্রমে (by mistake) বা দুর্ঘটনাক্রমে (by accident) অন্য কাউকে হত্যা করে, তাহলে সেই হত্যা “খুন (Murder)” নয়, বরং “নিন্দনীয় নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to Murder)” বলে গণ্য হবে।

শর্তাবলী (Provisos):
এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না, যদি-
প্রথমত: অপরাধী নিজেই প্ররোচনা সৃষ্টি করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটায়, যাতে হত্যার অজুহাত তৈরি হয়।
দ্বিতীয়ত: প্ররোচনাটি আসে এমন কোনো কাজ থেকে, যা আইনের অধীনে বৈধভাবে সম্পাদিত, অথবা কোনো সরকারি কর্মচারী বৈধ দায়িত্ব পালনের সময় করেছেন।
তৃতীয়ত: প্ররোচনাটি আসে এমন কোনো কাজ থেকে, যা আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার (right of private defence) প্রয়োগের সময় করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
“প্ররোচনা কতটা গুরুতর ও হঠাৎ ছিল, যা অপরাধকে হত্যা (murder) না করে দোষজনক হত্যাকাণ্ডে নামিয়ে আনে”— এটি সম্পূর্ণ Question of Fact, যা আদালত প্রমাণ ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে নির্ধারণ করবে।

Illustrations (উদাহরণসহ ব্যাখ্যা):
(a) A, Z-এর দেওয়া প্ররোচনায় রাগের মাথায় Z-এর সন্তান Y-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ প্ররোচনাটি শিশুটি দেয়নি এবং শিশুর মৃত্যু ছিল না দুর্ঘটনাক্রমে।

(b) Y, A-কে হঠাৎ ও গুরুতরভাবে প্ররোচিত করে। A, রাগে Y-এর দিকে গুলি চালায়, কিন্তু ভুলবশত Z নামের আরেকজনকে হত্যা করে।  এটি Culpable Homicide not amounting to Murder, কারণ হত্যা ভুলক্রমে হয়েছে।

(c) A-কে বৈধভাবে গ্রেপ্তার করে সরকারি কর্মচারী Z। A, রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ প্ররোচনাটি বৈধ সরকারি কাজ থেকে এসেছে।

(d) A সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির হয়। বিচারক Z বলে যে, “তুমি মিথ্যা বলছ।” A রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ কথাগুলি আইনের আওতায় বলা হয়েছে।

(e) A, Z-এর নাক টানতে যায়। Z আত্মরক্ষায় A-কে ধরে ফেলে। A রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ Z বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছিল।

(f) Z, B-কে আঘাত করে। B রাগে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। A (একজন দর্শক), সুযোগ নিয়ে B-এর হাতে ছুরি দেয় যাতে B, Z-কে হত্যা করে। এখানে B culpable homicide করেছে, কিন্তু A guilty of murder।

৪৫.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার মূল ভাব?
  1. স্বীকৃতি  চূড়ান্ত সাক্ষ্য
  2. স্বীকৃতি প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয় না
  3. স্বীকৃতি কেবল দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য
  4. স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তির স্বীকৃতি আদালতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ, কিন্তু চূড়ান্ত বা একমাত্র প্রমাণ নয়।
তবে, কিছু ক্ষেত্রে সেই স্বীকৃতি estoppel হিসেবে কাজ করে। মানে, স্বীকারকারী ব্যক্তি পরবর্তীতে নিজের স্বীকারোক্তির বিপরীত কিছু বলতে বা অস্বীকার করতে পারে না।

সুতরাং, ধারাটির মূল ভাব হলো —“স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়।”

৪৬.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ৫ লাখ টাকা
  3. ৩ লাখ টাকা
  4. ২ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যে শাস্তি দিতে পারে:

(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর, এর মধ্যে আইন অনুযায়ী একাকী বন্দি করা অন্তর্ভুক্ত।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা।

৪৭.
Which section of The Special Powers Act, 1974 provides for the confirmation of death sentences by the High Court Division?
  1. Section 28
  2. Section 29
  3. Section 30(1)
  4. Section 30(2)
সঠিক উত্তর:
Section 30(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 30(2)
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.

(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

৪৮.
সালমা তার স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রায় প্রদানকালে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হয়, অভিযোগ মিথ্যা ছিল। এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারবে?
  1. শুধু ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল—
- অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করবে, এবং
- অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে,
- প্রয়োজন মনে করলে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 

(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৪৯.
“নিয়ন্ত্রিত বিলি (Controlled Delivery)” বলতে কী বোঝায়?
  1. মাদকদ্রব্য বিক্রির অনুমোদন দেওয়া
  2. মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার প্রক্রিয়া
  3. মাদক পরীক্ষার সরকারি অনুমতি
  4. মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
সঠিক উত্তর:
মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
ব্যাখ্যা

• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।

৫০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৭ ধারা অনুযায়ী,  আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. ধ্বংস করার
  2. বিক্রি করার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. স্থানীয় থানার অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।

৫১.
মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনার ন্যূনতম কারাদণ্ড কত?
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮- অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৫২.
সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশের অপরাধের অর্থদণ্ড সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ৫ লক্ষ টাকা
  3. ১০ লক্ষ টাকা
  4. ২০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ২৬: সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যের আইডিতে অবৈধ প্রবেশ করিয়া এমন কোনো কিছু সাইবার স্পেসে প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যাহা সহিংসতা তৈরি বা উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা করে, তাহা হইলে অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৫৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক এর অধীনে থানার অফিসার ইনচার্জ কার মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. শুধু অভিযোগকারীর
  2. শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অভিযোগকারীর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তি উভয়ের
সঠিক উত্তর:
শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
ব্যাখ্যা

 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক: থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব-
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।

(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।

৫৪.
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু একত্রে অপরাধ করলে, শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫(২) অনুযায়ী-
  1. একসাথে অপরাধ আমলে গ্রহণ করা যাবে
  2.  কেবল শিশুর অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  3. কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  4. প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
ব্যাখ্যা

• শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ:

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে।

৫৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর কত বিধিতে মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. বিধি ২৫
  2. বিধি ২৬
  3. বিধি ২৭
  4. বিধি ২৮
সঠিক উত্তর:
বিধি ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২৫
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ২৫- মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রম:

(১) কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার এর নিকট মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য যে কোনো বিষয় মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করা হইলে, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক উহা নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা থাকিবে।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন আপসযোগ্য যে কোনো বিষয় মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কোনো নথি লিগ্যাল এইড অফিসে প্রেরণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ার নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাইবে না।

(৩) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল থেকে মধ্যস্থতার জন্য কোনো নথি প্রাপ্ত হইলে নির্ধারিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করত স্বয়ং নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন, বা ক্ষেত্রমতে, লিগ্যাল এইড অফিসারকে বা স্পেশাল মেডিয়েটর-কে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিবেন।

(৪) এই বিধির অধীন কোনো মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে পক্ষদের প্রতি কোনো নোটিশ জারি ও মধ্যস্থতা সভার কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে এই বিধিমালার তৃতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত বিধিবিধান অনুসরণ করিতে হইবে।

(৫) মধ্যস্থতাকারী এই বিধিমালার অধীন মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন হইবার বা ক্ষেত্রমত, উক্তরূপ কার্যক্রম বা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হইবার পর অনধিক ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে আদালত বা ট্রাইব্যুনাল হইতে প্রাপ্ত দলিল ও কাগজাদসহ প্রস্তুতকৃত মধ্যস্থতা-চুক্তি বা প্রতিবেদন যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, নির্ধারিত ফরম অনুসারে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনালের নিকট প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করিবেন।

৫৬.
দেওয়ানী মোকদ্দমার যুক্তিতর্ক শুনানী সমাপ্তির পর আদালতকে কত দিনের মধ্যে রায় প্রচার করতে হয়?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

৫৭.
'ক' তার পৈতৃক বাড়ির মালিকানার জন্য 'Declaratory Suit' দায়ের করতে চান। কত দিনের মধ্যে এই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Suit' বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। এক্ষেত্রে ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।

৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক(১) অনুসারে, মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া শুরু হয় কখন?
  1. আরজি দাখিলের পরপর
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  3. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  4. রায় ঘোষণার আগে
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৮৯ক(১): মধ্যস্থতা (Mediation):
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (আইন নং ৮, ২০০৩)–এর অধীন মামলাগুলি ছাড়া, যে কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায় লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর, যদি উভয় পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) নিজে বা তাদের উকিলের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত থাকে,
তাহলে আদালত শুনানি স্থগিত করে (adjourn the hearing) মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা (mediation) করার ব্যবস্থা করবে।

এই মধ্যস্থতার উদ্দেশ্যে আদালত- নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে, অথবা মামলাটি পাঠাতে পারে আইনগত সহায়তা কর্মকর্তা (Legal Aid Officer)-এর নিকট, যিনি আইনগত সহায়তা আইন, ২০০০ (আইন নং ৬, ২০০০) অনুসারে নিয়োজিত, অথবা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের নিযুক্ত উকিলগণের নিকট, অথবা যেসব ক্ষেত্রে কোনো উকিল নিযুক্ত নেই, সেখানে পক্ষগণ নিজেরাই, অথবা জেলা জজ কর্তৃক প্রণীত প্যানেলভুক্ত কোনো মধ্যস্থতাকারী (mediator)–এর নিকট, মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করার জন্য রেফার করতে পারেন।

৫৯.
একটি সমনের কপি আদালতের ভবন এবং বিবাদীর শেষ বাসস্থানে টাঙানো হয়েছে, কিন্তু বিবাদী দাবি করছে যে সে কখনো দেখেনি। আইন অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির Order 5 Rule 20(2) এর অধীনে এই সমন-
  1. অবৈধ
  2. আংশিক কার্যকর
  3. ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
  4. শুধুমাত্র পরামর্শমূলক
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
ব্যাখ্যা

Order 5 Rule 20(2) অনুযায়ী- আদালতের আদেশে বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি দেওয়া সমনের সমান কার্যকর। যদিও বিবাদী সমন দেখেনি, তবুও আইন অনুযায়ী সে লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার সমান গণ্য হবে।

• আদেশ ৫, বিধি ২০- বিকল্প/প্রতিস্থাপিত সমন দাখিল:
(১) বিকল্প সমনের কারণ ও পদ্ধতি: যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে- বিবাদী সমন এড়ানোর উদ্দেশ্যে অনুপস্থিত আছে, অথবা অন্য কোনো কারণে সাধারণ পদ্ধতিতে সমন পৌঁছানো সম্ভব নয়, তাহলে আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে- সমনের একটি কপি আদালতের প্রধান ভবনের (Court-house) কোনো স্পষ্ট স্থানে টাঙানো হবে, এবং সমনের একটি কপি সেই বাড়ির কোনো স্পষ্ট স্থানে (যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা নিজের উপার্জনের কাজ করেছিল) টাঙানো হবে, অথবা যে কোনো অন্য উপায়ে, যা আদালত যথাযথ মনে করে, সমন প্রদান করা হবে।
 
(১ক) সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া: যদি আদালত উপ-ধারা (1)–এর মাধ্যমে সমন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় - সংবাদপত্রটি অবশ্যই দৈনিক হতে হবে, এবং সেই এলাকার মধ্যে প্রকাশিত হতে হবে যেখানে বিবাদী শেষবার বাস্তবে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা কাজ করেছিল।
 
(২) বিকল্প সমনের কার্যকারিতা: আদালতের আদেশ অনুযায়ী বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন, ব্যক্তিগতভাবে বিবাদীর কাছে পৌঁছানো সমনের সমান কার্যকর হবে।
 
(৩) উপস্থিতির সময় নির্ধারণ: আদালতের আদেশ অনুযায়ী যদি সমন বিকল্পভাবে দাখিল করা হয়, আদালত বিবাদীর উপস্থিতির সময় নির্ধারণ করবে, যা মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী যথোপযুক্ত হবে।

৬০.
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ শুরু হবে-
  1. দরখাস্ত দাখিলের দিন থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
  3. মামলার শেষ হওয়ার দিন থেকে
  4. বিচারকের আদেশ পাওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।
অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।

৬১.
যুগ্ম জেলা জজ নিম্নের কত মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. ১৫–২৫ লক্ষ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) কোনটিই নয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার- সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক- এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ, যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে। তাই “সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ” বা “১৫–২৫ লক্ষ” বা “সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ” সঠিক নয়।

৬২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি ৬ এর অধীন কোন পক্ষের আবেদনের সাপেক্ষে আদালত অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বাদীর
  2. শুধুমাত্র বিবাদীর
  3. মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের
  4. শুধুমাত্র আদালতের নিজস্ব উদ্যোগে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

[The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.]

৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ বিধি ৪ অনুসারে, আদালত কখন পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারে?
  1. ডিক্রি বা আদেশ বাতিল হলে
  2. যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
  3. বিপরীত পক্ষ উপস্থিত না থাকলে
  4.  আবেদনকারী নতুন প্রমাণ উপস্থাপন করলে
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ বিধি-৪: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের নিকট দৃষ্টিগোচর হয় যে, পুনর্বিবেচনা করার মত যথেষ্ট অজুহাত নেই, তাহলে আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) আবেদন মঞ্জুর হওয়ার ক্ষেত্রেঃ যদি আদালত মনে করেন যে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিতঃ তবে শর্ত থাকে যে,
ক) যে ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা করা হয়েছে, সে ডিক্রি বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য পূর্বে নোটিশ প্রদান করা না হলে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না; এবং

খ) প্রার্থনাকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি, উক্ত অভিযোগের কারণে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা আবেদন করা হলে ঐরূপ অভিযোগ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ব্যতীত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না।

৬৪.
দেওয়ানি আদালত যদি পক্ষগণের সম্মতিতে ডিক্রি দেন, তাহলে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে-
  1. আপিল চলবে না
  2. হাইকোর্টে সরাসরি আপিল করা যাবে
  3. শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতে আপিল করা যাবে
  4. শুধু আর্থিক ক্ষতির ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল চলবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল চলবে না
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।

(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

৬৫.
শিল্প উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত স্থাবর সম্পত্তির ইজারা সমাপ্তির ক্ষেত্রে নোটিশ বছরের শেষ দিন থেকে কত দিন আগে দিতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান- লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।

- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

৬৬.
কোনো জিনিস ভাড়ার ভিত্তিতে জিম্মা দেওয়ার ক্ষেত্রে জিম্মাদাতার দায় সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. ত্রুটি সম্পর্কে জানলে দায়ী
  2. ত্রুটি সম্পর্কে না জানলেও দায়ী
  3. শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি থাকলে দায়ী
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৫০- জিম্মায় প্রদত্ত পণ্যের ত্রুটি প্রকাশ করা জিম্মাদারের দায়িত্ব- 
জিম্মাদাতা জিম্মার পণ্যের যে সকল ত্রুটিসম্পর্কে জানেন সেইগুলি, এবং সেইগুলি উহাদের ব্যবহারের ক্ষেত্র গুরুতর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সেইগুলি, বা জিম্মাদারকে বিশেষ ঝুঁকির মধ্যে ফেলিয়া দেয় সেইগুলি জিম্মাদারের নিকট প্রকাশ করিতে বাধ্য; এবং যদি তিনি এইরূপ ত্রুটিসমূহ প্রকাশ না করেন, তাহা হইলে তিনি এইরূপ ত্রুটিসমূহ হইতে প্রত্যক্ষভাবে উদ্ভূত জিম্মাদারের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকিবেন। যদি কোনো জিনিস ভাড়ায় জিম্মা প্রদান করা হয়, তাহা হইলে জিম্মাদাতা এইরূপ ক্ষতির জন্য দায়ী থাকিবেন, তিনি জিম্মাকৃত জিনিসের ত্রুটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেন বা না জানেন।

উদাহরণ-
(ক) ক, খ-কে একটি ঘোড়া ধার দেন, যাহাকে তিনি বদমেজাজী বলিয়া জানেন। ঘোড়াটি যে বদমেজাজী উহা তিনি প্রকাশ করেন নাই। ঘোড়াটি দৌড়াইয়া পালাইয়া যায়। খ ছিটকাইয়া পড়িয়া আহত হন। সংঘটিত ক্ষতির জন্য ক খ এর নিকট দায়ী হইবেন।

(খ) ক, খ এর গাড়ি ভাড়া করেন। গাড়িটি অনিরাপদ, যদিও খ ইহা সম্পর্কে অবগত নন, এবং ক আহত হন। খ, ক-এর নিকট আহত হইবার জন্য দায়ী হইবেন।

৬৭.
'ক' নদীর পাশের জমি 'খ'- এর নিকট রেহেন দিল এবং জমি প্রাকৃতিকভাবে বৃদ্ধি পেল। উক্ত বর্ধিত অংশের অধিকারী হবে-
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. রাষ্ট্র
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৭০: রেহেনকৃত সম্পত্তি বৃদ্ধি বা সংযোজন-
রেহেনের তারিখের পর যদি রেহেন সম্পত্তিতে কোনো বৃদ্ধি ঘটিয়া থাকে, তাহা হইলে ভিন্নরূপ কোনো চুক্তি না থাকিলে, জামানতের দরুন রেহেনগ্রহীতা উক্ত বৃদ্ধির অধিকারী হইবেন।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' এর নিকট নদীর পাশের এক খণ্ড জমি রেহেন দিল। পয়স্থিজনিত কারণে, উক্ত জমি বৃদ্ধি পাইল। জামানতের দরুন 'খ' উক্ত বর্ধিত অংশের অধিকারী হইবে।

(খ) 'ক' 'খ' এর নিকট এক খণ্ড দালান করিবার যোগ্য জমি রেহেন দিল এবং পরবর্তীতে তাহাতে একটি বাড়ি নির্মাণ করিল। 'খ' জামানতের দরুন জমি ও বাড়ির অধিকারী হইবে।

৬৮.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারায় কার নিকট আপিল করার বিধান আছে?
  1. কালেক্টর
  2. হাইকোর্ট
  3. জেলা জজ
  4. রাজস্ব কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারার বিধান- আপিল:
১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।

Section 14. Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.

৬৯.
'ক', 'খ' কে এই শর্তে একটি খামার ইজারা দিলো যে, 'খ' প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল হাঁটবে। উক্ত ইজারা-
  1. বাতিল
  2. বৈধ
  3. বাতিলযোগ্য
  4. আদালত অনুমতি দিলে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ২৫- শর্তসহ হস্তান্তর:
যখন হস্তান্তরের মাধ্যমে একটি স্বার্থ সৃষ্টি করা হইয়া থাকে এবং উক্ত স্বার্থ এমন শর্তের উপর নির্ভরশীল করা হয় যাহা পালন করা অসম্ভব, বা আইনত নিষিদ্ধ বা এইরূপ প্রকৃতির যে, যদি তাহা পালন করিতে দেওয়া হয়, তাহা হইলে কোনো আইন ভঙ্গ হইবে বা অন্য কাহারও শরীর বা সম্পত্তির সহিত সংশ্লিষ্ট বা শরীর বা সম্পত্তির পক্ষে অনিষ্টকর, বা আদালত উহাকে নৈতিক বা জনস্বার্থের বিরোধী বলিয়া গণ্য করিবেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত স্বার্থ কার্যকর হইবে না।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' কে এই শর্তে একটি খামার ইজারা দিল যে, 'খ' প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল হাঁটিবে। উক্ত ইজারা বাতিল হইবে।
(খ) 'ক', 'খ' কে এই শর্তে ৫০০ টাকা প্রদান করিল যে, 'খ' 'ক' এর মেয়ে 'গ' কে বিবাহ করিবে। কিন্তু আসলে উক্ত সময়ে 'গ' মারা গিয়েছে। উক্ত হস্তান্তর বাতিল হইবে।
(গ) 'ক', 'খ' কে এই শর্তে পাঁচশত টাকা প্রদান করিল যে, 'খ' 'গ' কে খুন করিবে। এই হস্তান্তর বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
(ঘ) 'ক', তাহার ভাইজি 'গ' কে এই শর্তে ৫০০ টাকা প্রদান করিল যে, 'গ' তাহার স্বামীকে ত্যাগ করিবে। এইরূপ হস্তান্তর বাতিল হইবে।

৭০.
'Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.'- The Contract Act, 1872 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.

In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

• চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।

এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।

৭১.
ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল কোন মামলার আপিল শুনানি করতে পারে?
  1. সকল ভূমি সংক্রান্ত আপিল
  2. সাধারন দেওয়ানি আদালতের ভূমি সংক্রান্ত আপিল
  3. শুধুমাত্র ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
  4. দেওয়ানি, রাজস্ব আদালত এবং ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে, প্রয়োজনে যতগুলি প্রয়োজন হয় ততগুলি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে, যা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল শুনানির জন্য গঠিত হবে।

(২) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন এলাকার সীমা নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারবে।


(৩) সরকার, জেলা জজদের মধ্য থেকে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবে।

(৩ক) যতক্ষণ না (৩) উপধারার অধীনে কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেক জেলায় জেলা জজকে আপাতভাবে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত করতে পারবে।
(৩খ) (৩ক) উপধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলা জজকে এই ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক বলে গণ্য করা হবে।
(৩গ) প্রয়োজনে সরকার এক বা একাধিক অতিরিক্ত জেলা জজকে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে, যিনি মূল বিচারকের কাছ থেকে স্থানান্তরিত আপিল শুনানি করবেন।

(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য নয়।

(৫) যে কোনো ব্যক্তি যিনি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি রায়ের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

(৬) যদি আপিলকারী যথাযথ বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেন, তবে ট্রাইব্যুনাল সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গ্রহণ করতে পারে।

৭২.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০ অনুযায়ী, প্রজা কত বছরের অধিক সময় ধর্মীয় উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার না করলে উচ্ছেদযোগ্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছ
  4. ৫ বছ
সঠিক উত্তর:
৩ বছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছ
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০- সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যের প্রজাস্বত্ব সমূহের প্রতি প্রযোজ্য বিশেষ বিধানাবলি- 
এই আইনের অন্য কোথাও অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমি লিখিত ইজারা চুক্তির অধীন কোনো সময়ের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্যে, যাহার উল্লেখ উক্ত ইজারা চুক্তিতে রহিয়াছে, অধিকৃত থাকে, তাহা হইলে উক্ত প্রজাস্বত্ব ধারা ৭ এ বর্ণিত শ্রেণীর প্রজাস্বত্ব বলিয়া গণ্য হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজা কর্তৃক উক্ত জমি উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার, অথবা তিন বৎসরের অধিক সময়ের জন্য উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উক্ত জমি ব্যবহার না করার, কারণ ব্যতীত উক্ত প্রজাকে তাহার ভূমি মালিক কর্তৃক উচ্ছেদ করা যাইবে না।

৭৩.
The Contract Act, 1872 এর ৭৪ ধারার অধীনে চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. কোনো সীমা নেই
  2. আদালতের discretion অনুযায়ী
  3. চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থের দ্বিগুণ পর্যন্ত
  4. চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থ বা জরিমানা পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থ বা জরিমানা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থ বা জরিমানা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872 এর ধারা ৭৪ – চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ যেখানে জরিমানা উল্লেখিত:
যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গ হয় এবং চুক্তিতে নির্দিষ্ট অর্থের পরিমাণ বা জরিমানা উল্লেখ থাকে, তাহলে চুক্তি ভঙ্গের শিকার পক্ষ প্রমাণের প্রয়োজন ছাড়াই সেই অর্থ বা জরিমানার পরিমাণ পর্যন্ত যুক্তিসঙ্গত ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে

ব্যাখ্যা: যদি চুক্তিতে দেরি হলে সুদের হার বৃদ্ধি করা হয়, তা জরিমানা বা শাস্তিমূলক ধারা হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম (Exception):
যদি কোনো ব্যক্তি জামিনপত্র, স্বীকৃতি, সরকারি বাধ্যবাধকতার চুক্তি বা সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী কোনো বন্ড প্রদান করে, যেখানে সাধারণ জনগণের স্বার্থ জড়িত, তবে চুক্তি ভঙ্গ হলে উল্লিখিত পুরো অর্থই দিতে হবে।

ব্যাখ্যা: সরকারের সঙ্গে চুক্তি করলেই ব্যক্তিগতভাবে জনগণের স্বার্থের কোনো দায়িত্ব নেওয়া হয় না।

Section 74. Compensation for breach of contract where penalty stipulated for: 
When a contract has been broken, if a sum is named in the contract as the amount to be paid in case of such breach, or if the contract contains any other stipulation by way of penalty, the party complaining of the breach is entitled, whether or not actual damage or loss is proved to have been caused thereby, to receive from the party who has broken the contract reasonable compensation not exceeding the amount so named or, as the case may be, the penalty stipulated for. 

Explanation – A stipulation for increased interest from the date of default may be stipulation by way of penalty.

Exception– When any person enters into any bail-bond, recognizance or other instrument of the same nature, or, under the provisions of any law, or under the orders of the 2[Government], gives any bond for the performance of any public duty or act in which the public are interested, he shall be liable, upon breach of the condition of any such instrument, to pay the whole sum mentioned therein. 

Explanation- A person who enters into a contract with Government does not necessarily t

৭৪.
আপিলযোগ্য আদেশের ক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হতে _________ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে আদেশের কপি দাখিল করা যাবে।
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

• The Registration Act,1908 এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেইক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।

Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within 19[three months] from the date of its execution: 

Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

৭৫.
'Where no mode of payment of dower is specified in the nikah nama, the entire amount of the dower shall be  payable on demand'- কোন আইনে বলা হয়েছে?
  1. মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯
  2. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  3. মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪
  4. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১
সঠিক উত্তর:
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১: ধারা ১০- দেনমোহর:
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand.

[যদি নিকাহ নামা বা বিবাহ চুক্তিতে দেনমোহরের পরিশোধের উপায় বা সময়কাল উল্লেখ না করা হয়, তাহলে পূর্ণ দেনমোহর স্ত্রী চাইলে অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য হবে।]

৭৬.
কোনো মুসলিম লোকের যদি একাধিক স্ত্রী থাকে এবং কোনো সন্তান না থাকে, তবে তার মৃত্যুর পর স্ত্রীরা সম্পত্তির কত অংশ পাবেন?
  1. প্রত্যেকে এক-চতুর্থাংশ
  2. সবাই মিলে এক-চতুর্থাংশ
  3. প্রত্যেকে এক-অষ্টমাংশ
  4. সবাই মিলে এক-অষ্টমাংশ
সঠিক উত্তর:
সবাই মিলে এক-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবাই মিলে এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

মুসলিম স্ত্রীর অংশ:
বাবা, মা, স্বামী, স্ত্রী, পুত্র ও কন্যা। এ ছয়জনকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না বলে এদেরকে বলা হয় প্রাথমিক বা মৌলিক উত্তরাধিকারী। আর এ ছয় জনের মধ্যে স্ত্রী একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

কোন মুসলিম নারীর স্বামীর মৃত্যু হলে, আর তাদের কোনো সন্তান না থাকলে, তিনি তার স্বামীর সমুদয় সম্পত্তির এক-চতুর্থাংশ পাবেন। যদি এক্ষেত্রে একাধিক স্ত্রী থাকেন তাহলে সবাই মিলেই এক চতুর্থাংশ বা ১/৪ অংশ পাবেন। আর যদি তাদের সন্তান থাকে তাহলে স্ত্রী পাবেন এক-অষ্টমাংশ (১/৮ অংশ বা আট ভাগের এক ভাগ)। এক্ষেত্রেও যদি একাধিক স্ত্রী থাকেন, তাহলে প্রত্যেকে মিলেই এক অষ্টমাংশ পাবেন, এর বেশি নয়।

৭৭.
নিম্নের কোন ওয়াকফ মুসলিম আইনে বৈধ?
  1. ব্যক্তিগত ব্যবসার প্রসারে জমি দান
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
  3. তিন বছরের জন্য মসজিদের জন্য জমি উৎসর্গ
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান।

⇒ ওয়াকফ মুসলিম আইনে স্থায়ী এবং বৈধ উদ্দেশ্যের জন্য করা হয়। ব্যক্তিগত ব্যবসার জন্য ওয়াকফ বৈধ নয়। তিন বছরের জন্য অস্থায়ী ওয়াকফ ই অবৈধ। তাই কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী ওয়াকফ বৈধ।


• Waqf শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ নিরোধ বা আটক করা। ওয়াকফ হলো কোনো সম্পত্তি ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা। সাধারণত ওয়াকফ বলতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইসলাম ধর্ম অনুসারে ধর্মীয়, সাধু বা দাতব্য বলে স্বীকৃত কোনো উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে সম্পত্তি উৎসর্গ করা বুঝায়। কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নামে উৎসর্গ করতে পায়ে, যে সম্পত্তির চূড়ান্ত সুবিধা পরিব ব্যক্তিগণ পাবে অথবা সম্পত্তিটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার হবে।

• ওয়াক্কের অপরিহার্য উপাদান হলো-
ক. উৎসর্গ (Dedication);
খ. উদ্দেশ্য (Purpose)।

ক. উৎসর্গ (Dedication):
সম্পত্তির মালিককে আল্লাহরনামে সম্পত্তিটি স্থায়ীভাবে এবং শর্তহীনভাবে উৎসর্গ করতে হবে। সুতরাং অস্থায়ীভাবে কোনো সম্পত্তি ওয়াকফ করা যায় না। 

খ. উদ্দেশ্য (Purpose):
ওয়াকফ করার উদেশ্য অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য হতে হবে। যেমন। কোনো মসজিদের জন্য অথবা গরীব, দুঃস্থ মানুষের ভরণপোষণের জন্য ওয়াকফ করা যায়।
ওয়াকফ অবশ্যই বৈধ উদ্দেশ্যে করতে হবে। যদি কেউ বেআইনি উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে তাহলে ওয়াক্‌ফটি অবৈধ হবে। যদি এমন হয় ওয়াকফকারীর কিছু উদ্দেশ্য বৈধ এবং কিছু উদ্দেশ্য অবৈধ সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের যতটুকু বৈধ ওয়াকফ, ততটুকু বৈধ হবে বাকী অংশ অবৈধ হবে।

৭৮.
মুসলিম আইনের অধীনে অগ্রক্রয়ের দ্বিতীয় দাবী কোনটি?
  1. তলব-ই-মৌসিবত
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-ইশাদ
  4. তলব-ই-মুকরর
সঠিক উত্তর:
তলব-ই-ইশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলব-ই-ইশাদ
ব্যাখ্যা

শুফা বা অগ্রক্রয়:
অগ্রক্রয়কে আরবীতে ‘শুফা’ বলা হয়। কোন সম্পত্তি বিক্রয় হয়ে গেলে তা পুনরায় ক্রয় করার অধিকারকে শুফা বা অগ্রক্রয় বলে। ইহা স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে। অগ্রক্রয়ের অধিকার ব্যক্তিগত অধিকার। অগ্রক্রয়ের এই অধিকার প্রয়োগ করে কোন স্থাবর সম্পত্তির মালিক অন্য একজনের বিক্রিত অপর একটি স্থাবর সম্পত্তি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্রয় করার সুযোগ লাভ করে। এভাবে কোন স্থাবর সম্পত্তির মালিক কর্তৃক অন্য কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় মূল্য প্রদান করে ক্রেতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার অধিকারকে ‘অগ্রাধিকার’ [Right of Pre-emption] বলে।

মুসলিম আইনের অধীনে তিন শ্রেণীর ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের দাবী করতে পারেন। এরা হলেন-
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার।
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা।
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

প্রথম শ্রেণীর অধিকার দ্বিতীয় শ্রেণীর অধিকারকে এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অধিকার তৃতীয় শ্রেণীর অধিকারকে বহির্ভূত করে। কিন্তু যখন একই শ্রেণীভূক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকবে,তখন যে সম্পত্তির ক্ষেত্রে উক্ত অধিকারটির দাবী জানানো হয়েছে, তাতে তারা প্রত্যেকেই সমান দাবী করতে পারবেন।

মুসলিম আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের দাবী উত্থাপনের পদ্ধতি:
(ক) প্রথম দাবী (তলব-ই-মৌসিবত): শব্দগত অর্থে তলব-ই-মৌসিবত হলো লাফ দিয়ে দাবী করা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। অগ্রক্রয়কারী ব্যক্তিকে বিক্রয় সম্পূর্ণ হওয়ার সংবাদ পাবার সাথে সাথে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারে নিজের অভিপ্রায় ঘোষণা করতে হবে। এটা মৌখিকভাবে ও করা যেতে পারে আবার লিখিতভাবে ও করা যেতে পারে। প্রথম দাবীর জন্য কোন সাক্ষীর উপস্থিতি অপরিহার্য নয়। সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে তলব-ই-মৌসিবত অবৈধ হবে না। তবে তলব-ই-মৌসিবত যে যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে করা হয়েছিল এই বিষয়ে কিছু প্রমাণ থাকতে হবে।

(খ) দ্বিতীয় দাবী (তলব-ই-ইশাদ):
তলব-ই-ইশাদ অর্থ হলো সাক্ষীর সম্মুখে দাবী করা। তলব-ই-মৌসিবত উত্থাপনের পর এটা দ্বিতীয় পদক্ষেপ এবং এটা প্রথম দাবীরই পুনরাবৃত্তি। তবে দ্বিতীয় দাবী কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর সামনে হতে হবে। এজন্য একে ‘তলব-ই-তকরির’ ও বলা হয়। তলব-ই-ইশাদ ঘোষণা আকারে ও হতে পারে, লিখিত আকারেও হতে পারে। আবার মৌখিক আকারেও হতে পারে। ইতিপূর্বে প্রথম দাবী করা না হয়ে থাকলে তলব-ই-ইশাদ অকার্যকর হবে। এটি বিক্রেতা বা ক্রেতাকে সম্বোধন করে প্রকাশ করতে হবে। তবে তাদের কাউকে পাওয়া না গেলে দ্বিতীয় দাবীটি বিক্রিত সম্পত্তিটিকে সম্বোধন করে করতে হবে।

(গ) তৃতীয় দাবী (তলব-ই-তমলিক):
তলব-ই-তমলিক প্রথম দুটি দাবীর পরে তৃতীয় দাবী। প্রথম দুটি দাবীর পর যদি ক্রেতা মেনে নেয় এবং তার নিকট সম্পত্তিটি বিক্রয় করে দেয় তাহলে অগ্রক্রয়ের দাবী বাস্তবায়িত হয়। সেক্ষেত্রে আর কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই এবং ক্রেতার স্হলে অগ্রক্রয়কারী প্রতিস্হাপিত হয়। কিন্তু যদি প্রথম দুটি দাবীর পর অগ্রক্রয়কারী বিক্রীত সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার শরনাপন্ন হতে হবে অর্থাৎ আদালতে কোন মামলা দায়ের করতে হবে।

৭৯.
মুসলিম উইলকারী যদি ১/৩ অংশের বেশি সম্পত্তি হস্তান্তর করতে চান, তবে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. সরকারের অনুমতি
  3. উত্তরাধিকারীদের সম্মতি
  4. অনুমতির প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের সম্মতি
ব্যাখ্যা

উইল বা অছিয়ত একটি আইনি দলিল, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কিভাবে বণ্টন করা হবে তা নির্ধারণ করে দেন। উইল লিখনকারীকে উইলকারক বা “testator” বলা হয় এবং উইলে যার নাম উল্লেখ করা হয়, তাকে বলা হয় উত্তরাধিকারী বা “beneficiary”। উইলে সম্পত্তি ছাড়াও আর্থিক সঞ্চয়, অলঙ্কার, জমি, বাড়ি এবং অন্যান্য বস্তু উল্লেখ করা যায়। উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা যায় যা মৃত্যুর পর আইনি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়।

উইল তৈরি করার জন্য উইলকারককে অবশ্যই মানসিকভাবে সুস্থ এবং আইনি প্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী) হতে হবে। মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি বা অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ উইল তৈরি করতে পারবে না। উইলকারককে তার সম্পদের মালিকানা এবং তার ইচ্ছার প্রতি সম্পূর্ণ সচেতন থাকতে হবে।

কোনো মুসলিম ব্যক্তি তার দাফন-কাফন ব্যয় ও দেনা পরিশোধের পর, উদ্বৃত্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের অধিক উইল করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। 

৮০.
একটি প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে কোনটি প্রয়োজন?
  1. সুপ্রাচীন
  2. যুক্তিসঙ্গত
  3. নৈতিকতা বিরোধী নয়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

• প্রথা (Customs):
ইহা এমন একটি নিয়ম বা রীতি যাহা একটি বিশেষ পরিবারে অথবা শ্রেণীতে অথবা অঞ্চলবিশেষে বহুকাল প্রচলিত হইবার দরুন আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। স্মৃতি এবং প্রথার মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হলে আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা স্মৃতির চেয়েও শক্তিশালী; হিন্দু আইনের এই নীতিগত প্রশ্নটির মীমাংসা হয় কালেক্টার, মাদুরা বনাম মুট্টুরামলিঙ্গ মামলায় প্রিভি কাউন্সিলে (12 Μ.Ι. Α. 379) তাহাতে বলা হয়- "Clear proof of usage will out weigh the written texts of the law" অর্থাৎ আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা হিন্দু ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী লিখিত বিধান হইতেও অধিক শক্তিশালী।

• একটি প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে, তার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদানগুলি অবশ্যই থাকতে হবে-

(ক) প্রথাটি অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে।

(খ) ইহা নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের (opposed to public policy) পরিপন্থী হলে চলবে না।

(গ) ইহা আইনসভা কর্তৃক কোন আইন দ্বারা নিষিদ্ধ ঘোষিত হইলে চলবে না। যেমন একসময়ে হিন্দুদের মধ্যে সতীদাহ প্রথা চালু ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে লর্ড বেন্টিংকের সময় রাজা রামমোহন রায় প্রমুখ মহানুভব ব্যক্তিদের উদ্যোগে আইনসভা কর্তৃক উহা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।

(ঘ) প্রথাটিকে অবশ্য স্মরণাতীত কাল হইতে আরম্ভ হইয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু থাকতে হবে।

৮১.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ৩-এর শর্ত অনুযায়ী, যদি স্বামীর চাচা বা ভাই থাকে, তাহলে-
  1. তারা মামলা থেকে বাদ পড়বেন
  2. শুধুমাত্র উত্তরাধিকারী হলে মামলায় পক্ষভুক্ত হবেন
  3. উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবেন
  4. তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হবে
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবেন
ব্যাখ্যা

• মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর  ধারা ৩- নিরুদ্দেশ স্বামীর উত্তরাধীকারদের উপর নোটিশ প্রদান:
২নং ধারার ১নং উপ ধারার প্রয়োগযোগ্য মামলায়-
(ক) আরজি দাখিল করিবার তারিখে স্বামীর মৃত্যু ঘটলে তবে মুসলিম আইন অনুসারে যারা তার উত্তরাধীকারী হতো তাদের নাম, ঠিকানা, আরজিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
খ) ঐরূপ ব্যক্তিগণের উপর মামলার নোটিশ জারি করতে হবে; এবং
গ) উক্ত মামলার শুনানিতে তাদের বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি স্বামীর কোন চাচা এবং ভাই থাকে তবে সে অথবা তার উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবে।

৮২.
'যদু' নামক একজন হিন্দু মৃতা বড় কন্যার এক দৌহিত্র এবং ছোট মৃতা কন্যার দিকের দুই দোহিত্র এবং পিতাকে রেখে মারা গেল। এক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে পিতা সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ এক্ষেত্রে পিতা কিছু পাবে না, কারণ পিতার স্থান সপিন্ডদের তালিকায় দৌহিত্রের পরে।  তাই তিন দৌহিত্র মাথাপিছু নিয়মে প্রত্যেকে সমান অংশ পাবে। অর্থাৎ ১/৩ অংশ করে পাবে। উল্লেখ্য, হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা ও দৌহিত্র কেউই জীবিত না থাকেন, তাহলে মৃত ব্যক্তির পিতা সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন।

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে। ১. পিণ্ডদান; ২. পিণ্ডলেপ ও ৩. জলদান।

সপিণ্ড:
মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।

নিম্ন তালিকা অনুসারে সপিণ্ডগণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন (প্রথম ২০ জন):
১. পুত্র, ২. পুত্রের পুত্র, ৩, পুত্রের পুত্রের পুত্র, ৪. স্ত্রী (পুত্রের স্ত্রী/পুত্রের পুত্রের স্ত্রী/পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী) ৫. কন্যা, ৬. কন্যার পুত্র, ৭. পিতা, ৮, মাতা, ৯, ভ্রাতা, সহোদর ভ্রাতা না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতা, ১০ ভ্রাতুস্পুত্র, সহোদর না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতার পুত্র, ১১. ভ্রাতুষ্পুত্রের পুত্র, সহোদর ভ্রাতা না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতার পুত্রের পুত্র, ১২. বোনের পুত্র, ১৩. পিতার পিতা, ১৪. পিতার মাতা, ১৫, পিতার ভ্রাতা, ১৬ পিতার ভ্রাতার পুত্র, ১৭. পিতার ভ্রাতা পুত্রের পুত্র, ১৮. পিতার ভগ্নীয় পুত্র, ১৯, পিতার পিতার পিতা, ২০ পিতার পিতার মাতা।

৮৩.
পারিবারিক আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যায়?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩এর ধারা ২৩- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

৮৪.
বিলম্বিত দেনমোহরের অপর নাম কী?
  1. আশু দেনমোহর
  2. মুয়াজ্জল দেনমোহর
  3. মুঅজ্জল দেনমোহর
  4. জরুরি দেনমোহর
সঠিক উত্তর:
মুঅজ্জল দেনমোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুঅজ্জল দেনমোহর
ব্যাখ্যা

দেনমোহর:
দেনমোহর হচ্ছে প্রত্যেক বিবাহিত মুসলিম নারীর আইনগত অধিকার যা পুরুষ কর্তৃক পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। অন্য ভাষায় বলা যায়, দেনমোহর হচ্ছে স্ত্রীর নিকট স্বামীর জামানতবিহীন ঋণ যা পরিশোধ করা শুধু কর্তব্যই না বরং বাধ্যতামূলক।

দেনমোহরের প্রকারভেদ:
মুসলিম শরীয়াহ আইন অনুযায়ী, দেনমোহর দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে মুয়াজ্জল বা আশু দেনমোহর যা স্ত্রী দাবী করা মাত্র স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। মুয়াজ্জল দেনমোহর আবার তাৎক্ষণিক দেনমোহর হিসেবেও পরিচিত।

আরেক ধরনের দেনমোহর হচ্ছে মুঅজ্জল বা বিলম্বিত দেনমোহর। এ দেনমোহর শুধুমাত্র তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে দাবী করা যায়। অন্যথায়, মুঅজ্জল দেনমোহর দাবী করা যায় না।

দেনমোহর কখন নির্ধারণ করতে হয়:
দেনমোহর বিবাহের সময়, পূর্বে বা পরে যে কোন সময় নির্ধারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই। তবে দেনমোহর ব্যতীত কোন বিবাহ সম্পন্ন হতে পারে না। স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় দেনমোহর মাফ করে দেন তবে সেটা ব্যতিক্রম বিষয়। অন্যথায়, দেনমোহরের অস্তিত্ব বাধ্যতামূলক।