পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়45 minutes
মোট প্রশ্ন৫৬
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি: [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] ১৯৪৭ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ইতিহাস। পার্ট-২) সূচক ও লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম ও ধারা। পার্ট–১ সোর্স: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]যেকোনো গাইড বই, বিগত ১২ মাসের সাম্প্রতিক পত্রিকা (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার দেখুন)। এবং সম্ভব হলে সম্পর্কিত বাংলাদেশ সরকারেরে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (যেমন, nrigostisanad.gov.bd, bangladesh.gov.bd) থেকে এই টপিকের সাধারণ তথ্যাবলী দেখে নিন। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৬ প্রশ্ন

.
'আমি কোনো ব্লকে নেই। প্রাচ্য ব্লকেও নয়, পাশ্চাত্য ব্লকেও নয়—আমি স্বাধীন নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী।' - কার উক্তি?
  1. ক) এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতিতে বিশ্বাসী।
- তিনি বিশ্বাসী ছিলেন এ জোটনিরপেক্ষ নীতিতে।
- এজন্যই ১৯৭২ সালের মে মাসে আমেরিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, 'আমি কোনো ব্লকে নেই। প্রাচ্য ব্লকেও নয়, পাশ্চাত্য ব্লকেও নয়—আমি স্বাধীন নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী।'

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
.
কোন পাকিস্তানি কূটনীতিক সর্বপ্রথম পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে দূতাবাসে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন?
  1. ক) নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী
  2. খ) ওয়াশিংটনে নিযুক্ত এ.এম.এ. মুহিত
  3. গ) কলকাতায় নিযুক্ত হোসেন আলী
  4. ঘ) লন্ডনে নিযুক্ত মহিউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের মিশন স্থাপন
- বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও স্টকহোম সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন এবং ঐসব স্থানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করা।

ভারতে বাংলাদেশ মিশন স্থাপন
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকেই মুজিবনগর সরকার দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দু'টি মিশন স্থাপন করে।
- নয়াদিল্লিতে মিশন প্রধান ছিলেন হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী এবং কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন জনাব হোসেন আলী।
- ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের পর ১৮ এপ্রিল কলকাতাস্থ পাকিস্তান মিশনের সহকারী কমিশনার জনাব হোসেন আলী ১০ জন সহকর্মীসহ বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং পাকিস্তান মিশন ভবন হতে পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
- বিদেশে কলকাতাতেই প্ৰথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপিত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘৩ জুন পরিকল্পনা’ কী সংক্রান্ত?
  1. ক) বাংলা প্রদেশ বিভক্ত করার পরিকল্পনা
  2. খ) বাংলাদেশ স্বাধীন করার পরিকল্পনা
  3. গ) ভারত বিভক্ত করার পরিকল্পনা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
৩ জুন পরিকল্পনা

- স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলা রাষ্ট্র' গঠনের প্রস্তাব এবং এর ভবিষ্যৎ সংবিধানের রূপরেখা প্রকাশিত হলে 'হিন্দু মহাসভা’, কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়াশীল ও ধর্মান্ধ অবাঙালি নেতাগণ এর বিরোধিতা শুরু করেন।
- এসব সাম্প্রদায়িক ও ধর্মান্ধ নেতাগণ ভারত বিভক্তির সাথে সাথে বাংলা এবং পাঞ্জাবের বিভক্তিরও দাবি জানান।
- ১৯৪৭ সালের জুন মাসে মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে মি. জিন্নাহর প্ররোচনায় অবাঙালি মুসলিম লীগ নেতাদের সমর্থনে ভারত বিভক্তি সংক্রান্ত মাউন্টব্যাটেনের '৩ জুন পরিকল্পনা' গৃহীত হয়।

- বাংলা প্রদেশের অধিবাসী হয়েও খাজা নাজিমুদ্দিন এবং মওলানা আকরাম খান সেদিন জিন্নাহকেই সমর্থন করেছিলেন, অখণ্ড বাংলাকে নয়।
- তবে আবুল হাশিমসহ ৭ জন প্রতিনিধি এ সিদ্ধান্তের জোরালো প্রতিবাদ করেছিলেন।
- এর ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারত বিভক্ত হয় এবং এর পাশাপাশি বাংলা বিভক্ত হয়ে পূর্ব অংশ 'পাকিস্তানের' সাথে এবং পশ্চিম অংশ ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
.
১৯৪৭ সালে 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলা’ রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) এ. কে. ফজলুল হক
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা
'স্বাধীন সার্বভৌম অখণ্ড বাংলার' পরিকল্পনা

- ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগ এবং এর পাশাপাশি বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলসহ অনেক কংগ্রেস নেতাও ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের সিদ্ধান্তকে মেনে নেন ।

- বাঙালি জাতির এ দুঃসময়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও অবিভক্ত বাংলার সে সময়ের মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবুল হাশিম ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা প্রদেশকে বিভক্তির বিরোধিতা করেন।
- শরৎচন্দ্র বসু, কিরণ শংকর রায়, সত্য রঞ্জন বক্সীর মতো প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক কংগ্রেস ও ফরোয়ার্ড ব্লক নেতাগণও বাংলাকে বিভক্ত করার বিরোধিতা করেন।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এসব প্রগতিশীল নেতার সাথে পরামর্শ করে ১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলা’ রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

- 'স্বাধীন বাংলা' রাষ্ট্রগঠন আন্দোলনের নেতাগণ বিশেষ করে অবিভক্ত বাংলার কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল নেতাগণ ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি যৌথ কমিটি গঠন করেন।
- এ যৌথ কমিটি ১৯৪৭ সালের ২০ মে স্বাধীন বাংলার ভবিষ্যৎ সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি রূপরেখাও প্রণয়ন করে।

এ রূপরেখা অনুযায়ী স্বাধীন সার্বভৌম অখণ্ড বাংলার ভবিষ্যৎ সংবিধানের বৈশিষ্ট্য হবে নিম্নরূপ:

১। বাংলা হবে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। ভারতের অবশিষ্ট অংশের সাথে এর সম্পর্ক কীরূপ হবে তা স্বাধীন বাংলার পরিচালক ও সংগঠকবন্দই নির্ধারণ করবেন।
২। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার আইনসভা গঠিত হবে যুক্ত নির্বাচন ও সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে।
৩। স্বাধীন বাংলার প্রস্তাব গৃহীত হলে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।
৪। অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার প্রধানমন্ত্রী হবেন একজন মুসলমান। তবে মন্ত্রিসভায় সমান সংখ্যক মুসলমান ও হিন্দু মন্ত্রী থাকবেন।
৫। স্বাধীন বাংলার সামরিক ও পুলিশ বাহিনীসহ অন্যান্য সকল চাকরিতে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সংখ্যাসাম্যের ব্যবস্থা থাকবে।
৬। সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি গণপরিষদ গঠিত হবে। গণপরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে ৩০ জন, এর মধ্যে ১৬ জন হবেন মুসলমান এবং ১৪ জন হবেন হিন্দু। তাঁরা বর্তমান আইনসভার মুসলমান ও অমুসলমান সদস্যগণের দ্বারা পৃথকভাবে নির্বাচিত হবেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
.
বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের প্রথম মিশন স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের মিশন স্থাপন

- বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও স্টকহোম সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন এবং ঐসব স্থানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করা।

ভারতে বাংলাদেশ মিশন স্থাপন
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকেই মুজিবনগর সরকার দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দু'টি মিশন স্থাপন করে।
- নয়াদিল্লিতে মিশন প্রধান ছিলেন হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী এবং কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন জনাব হোসেন আলী।
- ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের পর ১৮ এপ্রিল কলকাতাস্থ পাকিস্তান মিশনের সহকারী কমিশনার জনাব হোসেন আলী ১০ জন সহকর্মীসহ বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং পাকিস্তান মিশন ভবন হতে পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
- বিদেশে কলকাতাতেই প্ৰথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপিত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আইয়ুব খান গণঅভ্যুত্থান ঠেকানোর জন্য ১৯৬৯ সালে গোল টেবিল বৈঠক আহ্বান করেন -
  1. ক) লাহোর
  2. খ) রাওয়ালপিন্ডি
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) করাচি
ব্যাখ্যা
গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য

- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলন পাকিস্তানের রাজনীতিতে বিশেষ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ গণআন্দোলনের ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদ সুসংগঠিত হয়ে ওঠে। এ আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার বিরোধী মানসিকতা জনগণের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত হয়। জনগণ সর্বস্ব ত্যাগ স্বীকারের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়।

- আন্দোলনের তীব্রতায় আইয়ুব সরকার জনগণের নিকট নতি স্বীকার করে এবং ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাওয়ালপিন্ডিতে একটি সর্বদলীয় গোল টেবিল বৈঠক ডাকতে বাধ্য হন। এ গোলটবিল বৈঠকে তিনটি বিষয়ে নেতৃবর্গ ঐকমত্যে পৌঁছান। যথা-

- যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন পদ্ধতির প্রবর্তন,
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন এবং
- প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানটির রচয়িতা -
  1. ক) আলতাফ মাহমুদ
  2. খ) আব্দুল লতিফ
  3. গ) গোবিন্দ হালদার
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্য

- সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল লতিফ রচনা করেন এবং নিজেই সুর করেন বিখ্যাত সঙ্গীত 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং 'তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'।
- চট্টগ্রামে কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী লেখেন তাঁর বিখ্যাত 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'।
- ঢাকায় কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ লেখেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'স্মৃতির মিনার'।
- আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি পারি'।


ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়

ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার হাতে-পায়ে
ওরা কথায় কথায়,
শিকল পরায় আমাদেরই হাতে-পায়ে
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায় ।।......

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
.
আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন কে?
  1. ক) শামসুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আতাউর রহমান খান
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ

নতুন দল গঠনের তৎপরতা ও প্রস্তুতির পর ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেন নামের একটি বাড়িতে কর্মী সম্মেলন হয়।
- ৩০০ জন শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
- সভায় সর্বসম্মতভাবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- মাওলানা ভাসানীকে সভাপতি, শামসুল হককে সম্পাদক এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও খন্দকার মোশতাক আহমদকে যুগ্ম সম্পাদক করে ৪০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ঢাকার আরমানিটোলায় ২৪শে জুন সদ্য গঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করে দলের নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই দলটি বাঙালিদের প্রধান রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।' - উক্তিটি কার?
  1. ক) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. গ) লিয়াকত আলী খান
  4. ঘ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা সম্পর্কে জিন্নাহর দম্ভোক্তি:

- গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স (ঘোড়দৌড়) ময়দানের জনসভায় এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কনভোকেশনে ছাত্র-শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, 'উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' (Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan)।
- জিন্নাহর এ বক্তব্য পেশের সময় উপস্থিত ছাত্ররা 'না' 'না' ধ্বনি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানান।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১০.
কার নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিশ' গঠিত হয়?
  1. ক) অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. গ) শাহেদ আলী
  4. ঘ) আবদুল গফুর
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ

- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় ‘পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ’।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১.
‘মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা’ অনুযায়ী প্রণীত হয় -
  1. ক) মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন
  2. খ) ভারত স্বাধীনতা আইন
  3. গ) ভারত শাসন আইন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন

- ১৯৪৭ সালের জুন মাসে মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে মি. জিন্নাহর প্ররোচনায় অবাঙালি মুসলিম লীগ নেতাদের সমর্থনে ভারত বিভক্তি সংক্রান্ত মাউন্টব্যাটেনের '৩ জুন পরিকল্পনা' গৃহীত হয়।
- এটিই ‘৩ জুন পরিকল্পনা’ বা ‘মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা’ নামে খ্যাত।
- মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই যে আইন পাস করে তা 'ভারত স্বাধীনতা আইন' নামে খ্যাত।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১২.
বাংলা ভাষা কত সালে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে মর্যাদা পায়?
  1. ক) ১৯৫৩
  2. খ) ১৯৫৪
  3. গ) ১৯৫৬
  4. ঘ) ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা

প্রবল আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। জাতীয় পরিষদে বাংলা ভাষা বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে এর সদস্য আদেলউদ্দিন আহমদের দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বিল পাস করা হয়। ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে মর্যাদা দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
ঢাকায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের প্রধান দু'টি বধ্যভূমি -
  1. ক) পিলখানা ও সেনানিবাস
  2. খ) জগন্নাথ হল ও ইকবাল হল
  3. গ) শিয়ালবাড়ি ও রায়ের বাজার
  4. ঘ) রমনা ও রেসকোর্স
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিজীবী হত্যা

- জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে যুদ্ধবিরতির পক্ষে ব্যাপক সাড়া পড়ে গেলে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পরাজয় নিশ্চিত জেনে আলবদর ও রাজাকার বাহিনীর সহযোগিতায় ১০ ডিসেম্বর থেকে বুদ্ধিজীবী অপহরণ ও হত্যাকান্ড দ্রুত ঘটানো হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর ঢাকার গভর্নর হাউসে বোমাবর্ষণের পর ডা. মল্লিক মন্ত্রিসভার পদত্যাগের পর পাকবাহিনীর সকল আশা ধূলিসাৎ হলে ইতোমধ্যে আটককৃত কিংবা নতুন আটককৃত বুদ্ধিজীবীদের সরাসরি হত্যা করা হয়।
- ঢাকার বুদ্ধিজীবীদের মিরপুর শিয়ালবাড়ি ও মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়।
- স্থানীয় পর্যায়ে আরো অনেক বধ্যভূমিতে তাঁদের লাশ পাওয়া যায়।
- আবার কারো কারো লাশও পাওয়া যায়নি।
- স্বাধীনতার পর লাশের স্তুপে যাঁদের পাওয়া গিয়েছে তাঁদের সকলের হাত-পা-চোখ বাঁধা ছিল।
- কারো হাত নেই, কারো চোখ বা হৃৎপিন্ড নেই। এগুলো নরপিশাচদের নির্যাতনের স্বাক্ষর বহন করে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
মুজিবনগর সরকারের মোট কতটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে-১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলায় সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। 
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন - আবদুল মান্নান।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন - অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- মুজিবনগর সরকারকে ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম নিম্নরূপ:
- রাষ্ট্রপতি- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি- সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী- তাজউদ্দীন আহমদ।
-অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়- এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়- এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
৫২-এর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) আব্দুস সালাম
  2. খ) আব্দুল জব্বার
  3. গ) আবুল বরকত
  4. ঘ) রফিক উদ্দিন
ব্যাখ্যা
শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ রফিক

- বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ রফিক

- তিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার পারিল গ্রামের উত্তর পাড়ায় ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম আব্দুল লতিফ এবং মাতার নাম রাফিজা খাতুন।
- বাবুবাজার-বাদামতলীর একটি প্রিন্টিং প্রেসের মালিক ছিলেন জনাব আব্দুল লতিফ।
- রফিক জগন্নাথ কলেজের (মতান্তরে মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের) ছাত্র ছিলেন।
- পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে রফিক তার পিতার কাজে সাহায্য করতেন।
- একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলনত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
- বিকেল সাড়ে তিনটার পর মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশ ছাত্রদেরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে রফিক ঘটনাস্থলেই সাথে সাথে মারা যান।
- তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১৬.
বাংলার 'দ্বিতীয় মীরজাফর' বলে পরিচিত কে?
  1. ক) মোনায়েম খান
  2. খ) আইয়ুব খান
  3. গ) ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
আইয়ুব-মোনায়েম খানের পতন ও জেনারেল ইয়াহিয়ার সামরিক শাসন জারি

- ১৯৬৮-৬৯ সালের গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হলে আইয়ুব-মোনায়েম খানের পতন ত্বরান্বিত হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফলে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ২০ মার্চ বাংলার 'দ্বিতীয় মীরজাফর' বলে পরিচিত মোনায়েম খানকে গভর্নর পদ থেকে আইয়ুব খান অপসারণ করতে বাধ্য হন।
- মোনায়েম খানের স্থলে নতুন গভর্নর নিযুক্ত করা হয় প্রাদেশিক অর্থমন্ত্রী ড. এম. এন হুদাকে
- এতে পরিস্থিতি শান্ত না হয়ে বরং জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানকে অপসারণের জন্য দৃপ্ত শপথ ঘোষণা করে।
- ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান বাধ্য হয়ে সামরিক শাসন জারি করে তদানীন্তন প্রধান সেনানায়ক জেনারেল আগা মো. ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এভাবেই আইয়ুব-মোনায়েম খানের স্বৈরাচারী শাসনের যবনিকাপাত ঘটে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১৭.
মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর প্রথম কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) মুজিবনগর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার

- মুজিবনগর সরকার গঠন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত।
- দেশী-বিদেশী ১২৭ জন সাংবাদিক ও কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল।
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।

- পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- কারণ, মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের মাত্র ২ ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমা বর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
শেখ মুজিবুর রহমানকে কবে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক' ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ৩ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন

- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ 'স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে পাকিস্তানি উপনিবেশবাদের কবল হতে মুক্ত হয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, নির্ভেজাল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করে 'কৃষ্ণক শ্রমিকরাজ' কায়েম করার শপথ গ্রহণ করা হয়।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক' ঘোষণা করা হয়।
- এদিনের এ ছাত্র গণ জমায়েতে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১৯.
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে -
  1. ক) ই. পি. আর.
  2. খ) আনসার ভিডিপি
  3. গ) ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
  4. ঘ) পুলিশ
ব্যাখ্যা
সশস্ত্র প্রশিক্ষণ ও পাকবাহিনীকে প্রতিরোধ

- জয়দেবপুরে প্রথম সশস্ত্র গণপ্রতিরোধের সূচনা হয়।
- ৭ মার্চের পর এখানে মো. হাবিবুল্লাহ, আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯ মার্চ জয়দেবপুরে জনতার সশস্ত্র প্রতিরোধ শুধু গাজীপুরে নয় সারা দেশের সার্বিক স্বাধীনতার সংগ্রামে তাৎপর্যপূর্ণ।
- ২৫ মার্চ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আগেই জয়দেবপুরবাসী গর্জে ওঠে।
- ঐদিন ব্রিগেডিয়ার জাহানজেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি দল ঢাকা থেকে জয়দেবপুরে দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের (দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট) বাঙালি সৈনিকদের অস্ত্র জমা নেওয়ার জন্য এলে পথে হাজার হাজার লোক দুর্ভেদ্য ব্যারিকেড দেয়।
- জয়দেবপুর রেলক্রসিং-এর কাছে লাঠি, তীর, বন্দুক ছাড়াও অনেকে ব্যক্তিগত কয়েকটি বন্দুক নিয়ে উপস্থিত হয়।
- সেদিন জনতার অনুরোধে ৫ জন বাঙালী সৈনিক পাঞ্জাবি সৈনিকদের ওপর প্রথম গুলি ছুঁড়ে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক প্রথম আলো।
২০.
মুজিবনগর সরকার ছিল -
  1. ক) রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. খ) মন্ত্রিপরিষদ শাসিত
  3. গ) সংসদীয়
  4. ঘ) সামরিক শাসিত
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর: বাংলাদেশের প্রথম সরকার

- ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি), তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীকে অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তৎকালীন কর্নেল এম এ জি ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- এই দিন ১০ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। 
- ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, 'এতদ্বারা আমরা আরো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছি যে, শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্র প্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদেও অধিষ্ঠিত থাকবেন। রাষ্ট্রপ্রধানই সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী।'

- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থাকে পরিশুদ্ধ করে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের ব্যবস্থার রূপরেখা প্রণয়ন করেন, যার ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
২১.
আগরতলার পরিকল্পনা ফাঁসকারী -
  1. ক) রাও ফরমান আলী
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আমির আবদুল্লাহ খান
  4. ঘ) আমির হোসেন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা

- আওয়ামী লীগ এবং সামরিক বাহিনীর প্রায় ২৫০ জন সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাংলাকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করে।
- পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য। সেই যুদ্ধে ভারতের সামরিক সহায়তা প্রয়োজন।
- এ কারণে ১২-১৫ জুলাই, ১৯৬৭ আগরতলায় আওয়ামী লীগ নেতা আলী রেজা এবং মুজিবুর রহমান বৈঠক করেন ভারতের ব্রিগেডিয়ার মেনন এবং মেজর মিশ্রের সাথে।
- ভারতের সবুজ সংকেত পাওয়ার পূর্বেই অক্টোবর, ১৯৬৭ পরিকল্পনাকারীদের একজন আমির হোসেন ৬৮ পৃষ্ঠায় গোপন তথ্য-উপাত্ত উল্লেখ করে গোয়েন্দা বিভাগে ফাঁস করে দেয়।
- শুরু হয় গ্রেফতার।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক ও বাংলাপিডিয়া।
২২.
৬ দফাকে আইয়ুব খান কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. ক) মুক্তির সনদ
  2. খ) বাঁচার দাবি
  3. গ) বিচ্ছিন্নতার দাবি
  4. ঘ) ষড়যন্ত্র কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
ছয় দফা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন

- পাকিস্তানে যখনই সুস্থ গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি প্রবর্তন, স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন এবং মাতৃভাষার স্বীকৃতি চাওয়া হয়েছে, তখনই শাসকগোষ্ঠী এর বিরুদ্ধাচরণ করেছে।
- গণতন্ত্রকামী ও স্বায়ত্তশাসনকামী নেতাদেরকে 'ভারতের দালাল', 'সোভিয়েত রাশিয়ার দালাল’, 'কমিউনিস্ট', 'বিচ্ছিন্নতাবাদী', 'পাকিস্তানের শত্রু', ‘ইসলামের শত্রু' বলে সমালোচনা করা হয়েছে।
- ছয় দফা প্রকাশিত হলে আইয়ুব সরকার ছয় দফাকে 'রাষ্ট্রবিরোধী' এবং 'বিচ্ছিন্নতার দাবি' এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে 'পাকিস্তানের শত্রু’ ও 'ভারতের দালাল' বলে অভিহিত করেছেন।
- কিন্তু বাঙালি জনগণ এসব কথায় বিভ্রান্ত হয়নি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২৩.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার কর্মসূচির মূল বক্তব্য ছিল -
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) পূর্ব বাংলাকে শিল্পায়িত করা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
স্বায়ত্তশাসনের প্রতি উপেক্ষা প্রদর্শন

- পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করে।
- লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্যই ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- কিন্তু ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দ স্বায়ত্তশাসন প্রদানের পরিবর্তে পূর্ববাংলার জনগণের উপর শোষণ ও জাতিগত নিপীড়ন শুরু করে।
- যুক্তফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন অর্জনের এ আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করে জনগণের মনে আবেদন সৃষ্টি করেন।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির মূল বক্তব্যই ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২৪.
ইউনেস্কো বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা দেয় -
  1. ক) ১৯৯৭ সালে
  2. খ) ১৯৯৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৯ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

- ভাষা আন্দোলনের ৪৬ বছর পর কানাডা প্রবাসী বাঙালি রফিক (রফিকুল ইসলাম) এক দুঃসাহসী কাজ করে ফেলেন।
- তিনি ১৯৯৮ সালের ৯ জানুয়ারি জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি আনানকে ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের অবদানের কথা উল্লেখ করে একটি চিঠি লিখেন।
- এ চিঠিতে তিনি একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানের জন্য কফি আনানের কাছে প্রস্তাব করেন।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩১তম সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসাবে গৃহীত হয়। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২৫.
স্বাধীনতার প্রাক্কালে ১৯ মার্চ জনতার সঙ্গে পাকবাহিনীর প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ হয় -
  1. ক) ফার্মগেট
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
পাকবাহিনীকে প্রতিরোধ

- জয়দেবপুরে প্রথম সশস্ত্র গণপ্রতিরোধের সূচনা হয়।
- ৭ মার্চের পর এখানে মো. হাবিবুল্লাহ, আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯ মার্চ জয়দেবপুরে জনতার সশস্ত্র প্রতিরোধ শুধু গাজীপুরে নয় সারা দেশের সার্বিক স্বাধীনতার সংগ্রামে তাৎপর্যপূর্ণ।
- ২৫ মার্চ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আগেই জয়দেবপুরবাসী গর্জে ওঠে।

- ঐদিন ব্রিগেডিয়ার জাহানজেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি দল ঢাকা থেকে জয়দেবপুরে দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের (দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট) বাঙালি সৈনিকদের অস্ত্র জমা নেওয়ার জন্য এলে পথে হাজার হাজার লোক দুর্ভেদ্য ব্যারিকেড দেয়।
- জয়দেবপুর রেলক্রসিং-এর কাছে লাঠি, তীর, বন্দুক ছাড়াও অনেকে ব্যক্তিগত কয়েকটি বন্দুক নিয়ে উপস্থিত হয়।
- সেদিন জনতার অনুরোধে ৫ জন বাঙালী সৈনিক পাঞ্জাবি সৈনিকদের ওপর প্রথম গুলি ছুঁড়ে।
- পাল্টা গুলিতে নিহত হয় জয়দেবপুর বাজারে মনুমিয়া নামের এক দর্জি ও নিয়ামত নামে এক কিশোর আহত হয়।
- কানু মিয়া নামে আর একজন নিহত হয়।
- মারমুখী জনতার প্রতিরোধ মোকাবেলা করে সে যাত্রা পাক সেনারা ঢাকা ফিরে যায়।
- কিন্তু জয়দেবপুরের প্রতিরোধের শিক্ষা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিভিন্ন জায়গায় শ্লোগান ওঠে ‘জয়দেবপুরের পথ ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর।'

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক প্রথম আলো।
২৬.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটির লেখক নন -
  1. ক) কাজী মোতাহার হোসেন 
  2. খ) ড. এনামুল হক
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ 
  4. ঘ) আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকা

- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে এদের লেখক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম বাংলাকে পূর্ব - বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।
- এই মূল পুস্তিকার মুখবন্ধে, পুস্তিকার সম্পাদক আবুল কাশেম কর্তৃক প্রণীত বাংলাকে স্বীকৃতি দানের দাবির একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাবনাও ছিল।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২৭.
'বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড' পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কোন পরিকল্পনার অন্তর্গত?
  1. ক) অপারেশন এঞ্জেল
  2. খ) অপারেশন সার্চলাইট
  3. গ) অপারেশন চেঙ্গিস খান
  4. ঘ) অপারেশন ক্যাক্টাস লিলি
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট

পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।

এ অপারেশনের উদ্দেশ্য ছিল -

- ঢাকাসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ এবং বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনে হত্যা,
- সামরিক আধা সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্রীকরণ,
- অস্ত্রাগার, রেডিও ও টেলিফোন এক্সচেঞ্জ দখলসহ প্রদেশের সামগ্রিক কর্তৃত্ব গ্রহণ এবং
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন কঠোর হস্তে দমন করে প্রদেশে পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৮.
logx(3/4) = - 1/2 হলে x এর মান কত?
  1. ক) 9/16
  2. খ) 16/9
  3. গ) 8/3
  4. ঘ) 3/8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: logx(3/4) = - 1/2 হলে x এর মান কত?

সমাধান: 
logx(3/4) = - 1/2
⇒ x(- 1/2) = 3/4
⇒ 1/x1/2 = 3/4
⇒ 1/√x = 3/4
⇒ (1/√x)2 = (3/4)2 [বর্গ করে]
⇒ 1/x = 9/16
∴ x = 16/9
২৯.
X = (2a-1 + 3b-1)-1 × (1/ab) হলে, X এর মান নিচের কোনটি?
  1. ক) 3a + 2b
  2. খ) 1/(2a + 3b)
  3. গ) 2a + 3b
  4. ঘ) 1/(3a + 2b)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X = (2a-1 + 3b-1)-1 × (1/ab) হলে, X এর মান নিচের কোনটি?

সমাধান: 
X = (2a-1 + 3b-1)-1 × (1/ab)
= {(2/a) + (3/b)}-1 × (1/ab)
= {(2b + 3a)/ab}-1 × (1/ab)
= {1/(3a + 2b)/ab} × (1/ab)
= {ab/(3a + 2b)} × (1/ab)
= 1/(3a + 2b)
৩০.
log8m = 22 এবং log2n = 6 হলে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) m = n11
  2. খ) m = n10
  3. গ) n = m11
  4. ঘ) m = n12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log8m = 22 এবং log2n = 6 হলে নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান: 
এখানে,
 log2n = 6
⇒ n = 26

আবার,
log8m = 22 
⇒ m = 822 
⇒ m = (23)22 
⇒ m = 266 
⇒ m = (26)11 
⇒ m = n11 [n = 26]
∴ m = n11
৩১.
(log5√5 ÷ log55) × 2 এর সমাধান নিচের কোনটি?
  1. ক) 1/2
  2. খ) 1
  3. গ) - 1
  4. ঘ) 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (log5√5/log55) × 2 এর সমাধান নিচের কোনটি?

সমাধান: 
(log5√5/log55) × 2 
= (log551/2/log55) × 2
= (1/2) × (log55/log55) × 2
= (1/2) × 2
= 1
৩২.
সমাধান কত?
  1. ক) 0
  2. খ) 2
  3. গ) 4
  4. ঘ) 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমাধান কত?


সমাধান: 

৩৩.
কোন সমান্তর ধারার ১ম পদ 3, দ্বিতীয় পদ 9 হলে ধারাটির 17 তম পদের মান কত?
  1. ক) 96
  2. খ) 97
  3. গ) 98
  4. ঘ) 99
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সমান্তর ধারার ১ম পদ 3, দ্বিতীয় পদ 9 হলে ধারাটির 17 তম পদের মান কত?

সমাধান:

১ম পদ a = 3
২য় পদ = 9
সাধারণ অন্তর d = 9 - 3 = 6

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদ = a + (n - 1) d
17 তম পদ = a + (17 - 1) d
= 3 + (16 × 6)
= 3 + 96
= 99
৩৪.
1 + 4 + 7 + 10 + ................. + 70 ধারাটির পদ সংখ্যা কত?
  1. ক) 20
  2. খ) 22
  3. গ) 24
  4. ঘ) 25
৩৫.
1 + 5 + 9 + ...................... ধারাটির প্রথম 8 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ক) 118
  2. খ) 120
  3. গ) 122
  4. ঘ) 124
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 5 + 9 + ...................... ধারাটির প্রথম 8 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:

১ম পদ, a = 1
সাধারণ অন্তর, d = 5 - 1 = 4

আমরা জানি,
n সংখ্যক পদের সমষ্টি = n/2 {2a + (n - 1)} d
∴ 8 টি পদের সমষ্টি = (8/2) × {(2 × 1) + (8 - 1) × 4}
= 4 × {2 + (7 × 4)}
= 4 × (2 + 28)
= 4 × 30
= 120

∴ ধারাটির প্রথম 8 টি পদের সমষ্টি 120
৩৬.
যদি ax = by হয় তবে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ক) logb/loga = y/x
  2. খ) loga/logb = x/y
  3. গ) loga/logb = y/x
  4. ঘ) loga/logb = - y/x
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ax = by হয় তবে নিম্নের কোনটি সঠিক?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ax = by
⇒ logax = logby
⇒ xloga = ylogb
⇒ loga/logb = y/x
∴ loga/logb = y/x
৩৭.
কোন সমান্তর ধারার m তম পদ n ও n তম পদ m হলে, ধারাটির সাধারণ অন্তর কত?
  1. ক) 1
  2. খ) - 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সমান্তর ধারার m তম পদ n ও n তম পদ m হলে, ধারাটির সাধারণ অন্তর কত?

সমাধান: 
মনে করি,
সমান্তর ধারার প্রথম পদ = a
সাধারণ অন্তর = d

১ম শর্তমতে,
m তম পদ a + (m - 1)d = n
বা, ‍a + md - d = n .......................(1)
২য় শর্তমতে,
n তম পদ a + (n - 1)d = m
বা, a + nd - d = m ........................ (2)

(1) নং থেকে (2) নং বিয়োগ করে পাই,
a + md - d = n
 a + nd - d = m
md - nd = n - m
বা, d (m - n) = n - m
বা,  d = - (m - n)/(m - n)
∴ d = - 1

∴ ধারাটির সাধারণ অন্তর = - 1
৩৮.
3a + 2 = 81 হয় তবে 3a - 2 = কত?
  1. ক) 3
  2. খ) 0
  3. গ) 1
  4. ঘ) 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3a + 2 = 81 হয় তবে 3a - 2 = কত?

সমাধান:
 3a + 2 = 81
বা, 3a + 2 = 34
বা, ‍a + 2 = 4
বা, a = 4 - 2
∴ a = 2

এখন, 3a - 2 = 32 - 2
= 30 = 1
৩৯.
(3/2)m - 3 = 1  হলে m এর মান কত?
  1. ক) 4
  2. খ) - 3
  3. গ) 0
  4. ঘ) 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (3/2)m - 3 = 1  হলে m এর মান কত?

সমাধান: 
(3/2)m - 3 = 1 
⇒ (3/2)m - 3 = (3/2)0
⇒ m - 3 = 0
∴ m = 3
৪০.
1/(2x + 1) + 1/(2x + 1)2 + 1/(2x + 1)3 + .............. অনন্ত গুণোত্তর ধারা এবং x = 1 হলে, ধারাটির সাধারণ অনুপাত কত?
  1. ক) 1/3
  2. খ) 3
  3. গ) - 1/3
  4. ঘ) 1/9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1/(2x + 1) + 1/(2x + 1)2 + 1/(2x + 1)3 + .............. অনন্ত গুণোত্তর ধারা এবং x = 1 হলে, ধারাটির সাধারণ অনুপাত কত?

সমাধান: 
 
৪১.
3x + 3x + 3x এর মান নিচের কোনটি?
  1. ক) 3x + 3
  2. খ) 3x + 1
  3. গ) 32x + 2
  4. ঘ) 3x
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3x + 3x + 3x এর মান নিচের কোনটি?

সমাধান:
3x + 3x + 3x
= 3x . (1 + 1 + 1)
= 3x . 3
= 3x + 1
৪২.
64 + 32 + 16 + .............. ধারাটির কোন পদ 1/2?
  1. ক) 6ষ্ঠ
  2. খ) 7ম
  3. গ) 8ম
  4. ঘ) 9ম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 64 + 32 + 16 + .............. ধারাটির কোন পদ 1/2?

সমাধান:
ধারাটির ১ম পদ, a = 64
সাধারণ অনুপাত, r = 32/64 = 1/2
প্রদত্ত ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা।
ধরি, ধারাটির n তম পদ = 1/2

∴ arn - 1 = 1/2
⇒ 64 × (1/2)n - 1 = 1/2
⇒ (1/2)n - 1 = 1/(2 × 64)
⇒ (1/2)n - 1 = 1/128
⇒ (1/2)n - 1 = (1/2)7
⇒ n - 1 = 7
∴ n = 8

∴ ধারাটির 8ম পদ 1/2
৪৩.
যদি x = 3 হয় তবে √x3 এর 3 ভিত্তিক লগ কত?
  1. ক) 1/2
  2. খ) 1/3
  3. গ) 2/3
  4. ঘ) 3/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x = 3 হয় তবে √x3 এর 3 ভিত্তিক লগ কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
x = 3 
√x3 এর 3 ভিত্তিক লগ = log3√x
= log3√33
= log3(33)1/2
= log333/2
= 3/2 × log 33
= 3/2 × 1
= 3/2
৪৪.
নিচের কোন শর্তে am/an= am - n?
  1. ক) m ≤ n
  2. খ) m < n
  3. গ) m ≥ n
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন শর্তে am/an= am - n?

সমাধান: 
৪৫.
কোন গুণোত্তর ধারার ২য় পদ এবং ৩য় পদ যথাক্রমে 27 এবং 9 হলে ধারাটির সাধারণ অনুপাত কত?
  1. ক) 3
  2. খ) 1/3
  3. গ) 1/4
  4. ঘ) 1/5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন গুণোত্তর ধারার ২য় পদ এবং ৩য় পদ যথাক্রমে 27 এবং 9 হলে ধারাটির সাধারণ অনুপাত কত?

সমাধান: 
ধরি,
গুণোত্তর ধারার সাধারণ অনুপাত = r
প্রশ্নমতে,
২য় পদ, ar2 - 1 = 27
বা, ar = 27 ................. (1)
৩য় পদ, ar3 - 1 = 9
বা, ar2 = 9 ...............(2)

(2) নং কে (1) নং দ্বারা ভাগ করে পাই,
ar2/ar = 9/27
বা, r = 1/3

∴ ধারাটির সাধারণ অনুপাত = 1/3
৪৬.
p, q, r ও s সমান্তর ধারার চারটি ক্রমিক পদ হলে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) p = (q + r)/2
  2. খ) q = (p + r)/2
  3. গ) r = (p + s)/2
  4. ঘ) q = (p + s)/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: p, q, r ও s সমান্তর ধারার চারটি ক্রমিক পদ হলে নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান: 
p, q, r ও s সমান্তর ধারার চারটি ক্রমিক পদ।
∴ সমান্তর ধারাটি p + q + r + s

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার যেকোন পদ এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী পদের গাণিতিক গড়ের সমান।
২য় পদ = (১ম পদ + ৩য় পদ)/২
∴ q = (p + r)/2
৪৭.
4 + 8 + 16 + 32 +............. ধারাটির 7 তম পদ কত?
  1. ক) 1024
  2. খ) 128
  3. গ) 256
  4. ঘ) 512
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4 + 8 + 16 + 32 +............. ধারাটির 7 তম পদ কত?

সমাধান:
ধরি,
ধারাটির ১ম পদ, a = 4
সাধারণ অনুপাত, r = 8/4
∴ r = 2

7 তম পদ = ar7 - 1
= ar6
= 4 × (2)6
= 4 × 64
= 256

∴ ধারাটির 7 তম পদ 256
৪৮.
(m/3)x -5 = 1 হলে x এর মান কত?
  1. ক) 6
  2. খ) 5
  3. গ) 0
  4. ঘ) 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (m/3)x -5 = 1 হলে x এর মান কত?

সমাধান:
(m/3)x -5 = 1
⇒ (m/3)x -5 = (m/3)0
⇒ x - 5 = 0
∴ x = 5
৪৯.
  1. ক) 6/5
  2. খ) 3/5
  3. গ) 7/6
  4. ঘ) 5/6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 

সমাধান: 
= log7(71/2 . 71/3)
= log77(1/2 + 1/3)
= log775/6
= (5/6) × log77
= (5/6) × 1
= 5/6
৫০.
[4 - (3-1) -1] -1 = কত?
  1. ক) -1
  2. খ) 1
  3. গ) 1/2
  4. ঘ) -1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: [4 - (3-1) -1] -1 = কত?

সমাধান: 
[4 - (3-1) -1] -1
= [4 - (1/3) -1]-1
= [4 - {1/(1/3)}]-1
= [4 - 3]-1
= [1]-1
= 1
৫১.
কোনো ধারার n তম পদ 2n.2n - 1 হলে ধারাটির প্রথম তিনটি পদের সমষ্টি কত?
  1. ক) 43
  2. খ) 34
  3. গ) 32
  4. ঘ) 30
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো ধারার n তম পদ 2n.2n - 1 হলে ধারাটির প্রথম তিনটি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ধারাটির n তম পদ = 2n.2n - 1
১ম পদ = 2 . 1 . 21 - 1= 2 . 20 = 2
২য় পদ = 2 . 2 . 22 - 1 = 8
৩য় পদ = 2 . 3 . 23 - 1 = 24

∴ ধারাটির প্রথম তিনটি পদের সমষ্টি = 2 + 8 + 24
= 34
৫২.
1 + 6 + 11 + ................... + 96 সমান্তর ধারাটির যোগফলের অর্ধেক কত?
  1. ক) 970
  2. খ) 485
  3. গ) 484
  4. ঘ) 972
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 6 + 11 + ................... + 96 সমান্তর ধারাটির যোগফলের অর্ধেক কত?

সমাধান:
প্রদত্ত ধারার প্রথম পদ, a = 1
সাধারণ অন্তর, d = 6 - 1 = 5
পদ সংখ্যা, n = {(96 - 1)/5} + 1
= (95/5) + 1
= 20

∴ 20 তম পদের সমষ্টি = (20/2) × {2a + (n - 1)d}
= 10 × {(2 × 1) + (20 - 1) × 5}
= 10 × {2 + (19 × 5)}
= 10 × ( 2 + 95)
= 10 × 97
= 970

∴ ধারটির যোগফলের অর্ধেক = 970/2
= 485
৫৩.
loga√3 = 1/6 হলে, ‍a2 = কত?
  1. ক) 27
  2. খ) 81
  3. গ) 729
  4. ঘ) 735
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: loga√3 = 1/6 হলে, ‍a2 = কত?

সমাধান: 
loga√3 = 1/6 
⇒ ‍a1/6 = √3
⇒ a(1/3. 1/2) = 31/2
⇒ a1/3 = 3
⇒ a = 33
⇒ a = 27
⇒ a2 = 272
∴ a2 = 729
৫৪.
নিচের কোন শর্তে গুণোত্তর ধারার সমষ্টি সত্য?
  1. ক) r > 1
  2. খ) r < 1
  3. গ) r = 1
  4. ঘ) r ≥ 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন শর্তে গুণোত্তর ধারার সমষ্টি সত্য?

প্রশ্ন: 
গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ a, সাধারণ অনুপাত r হলে n তম পদের সমষ্টি,

এবং
৫৫.
1/√5, 1, √5............. ধারাটির কোন পদ 125√5?
  1. ক) 6
  2. খ) 7
  3. গ) 8
  4. ঘ) 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1/√5, 1, √5............. ধারাটির কোন পদ 125√5?

সমাধান: 
এখানে,
প্রথম পদ, a = 1/√5
সাধারণ অনুপাত, r = 1/(1/√5) = √5
এটি একটি গুণোত্তর ধারা।

আমরা জানি, n -তম পদ = ‍arn - 1

প্র্রশ্নমতে, ‍arn - 1 = 125√5
বা, (1/√5) × (√5)n - 1 = 125√5
বা, (√5)n - 1 = 125√5 × √5
বা, (√5)n - 1 = (125 × 5)
বা, (√5)n - 1 = 625
বা, (√5)n - 1 = (√5)8
বা, n - 1 = 8
∴ n = 9

সুতরাং, ধারাটির 9 তম পদের মান 125√5
৫৬.
কোনো সমান্তর ধারার ১ম পদ 3 এবং সাধারণ অন্তর 2 হলে ধারাটির n তম পদ কত?
  1. ক) 2n - 1
  2. খ) 2n + 2
  3. গ) 2n + 1
  4. ঘ) 2n - 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সমান্তর ধারার ১ম পদ 3 এবং সাধারণ অন্তর 2 হলে ধারাটির n তম পদ কত?

সমাধান:
সমান্তর ধারার ১ম পদ a = 3
সাধারণ অন্তর d = 2

∴ n তম পদ = a + (n - 1)d
= 3 + (n - 1)2
= 3 + 2n - 2
= 2n + 1