পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯২
সিলেবাস
Exam - 49 Full Model Test-6 Topic ➝ Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯২ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোনো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, সাধারণত কতদিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হয়?
  1. ৬ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৪ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
.
স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
  2. যেখানে বিবাদী বসবাস করে
  3. যেখানে অনিষ্ট সংঘটিত হয়েছে
  4. যেখানে বাদী বসবাস করে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।
.
"Mesne Profits" এর সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২(৮)
  2. ২(১০)
  3. ২(১২)
  4. ২(১৪)
ব্যাখ্যা
ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits.

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
.
কে দেওয়ানি কারাগার থেকে রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গুরুতর অসুস্থতার কারনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. পুলিশ
  2. সোপর্দকারী আদালত
  3. সোপর্দকারী আদালত যে আদালতের অধীনস্ত
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারা- অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।

Section 59- Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর অধীন আদালত বাদীকে কোন ধরনের খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বাদীর হাজির হওয়ার খরচ
  2. শুধুমাত্র বিবাদীর সম্ভাব্য খরচ
  3. মোকদ্দমার ব্যয়ের যাবতীয় খরচ
  4. বিবাদীর সম্ভাব্য এবং মোকদ্দমার ব্যয়ের যাবতীয় খরচ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিষয়বস্তু হচ্ছে খরচের জন্য জামানত [Security for costs]।

⇒ বিধি ১- অনুসারে,
বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩৮ আদেশের কত বিধি অনুযায়ী বিবাদী কর্তৃক জামানত প্রদান করা হলে, আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. বিধি-৩
  2. বিধি-৯
  3. বিধি-১০
  4. বিধি-১১
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
.
"Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies."- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
ব্যাখ্যা
Section 12- Bar to further suit-
Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies. 

ধারা ১২- পুনরায় মোকদ্দমা দায়েরে বাধা:
কোনো বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে রায় ঘোষণার তারিখ হতে ______ দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।

৩৩ ধারা মতে,
কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-
''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
.
'ক' তার প্রতিবেশী 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছিল। মামলার শুরুতেই আদালত 'খ' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, অপর্যাপ্ত কারণে এই মামলা করা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে 'খ', আবেদন সাপেক্ষে 'ক' এর বিরুদ্ধে অনধিক কত টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে, অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds):

(১) যেখানে কোনো মামলায় গ্রেফতার বা আটক করা হয়েছে অথবা পূর্ববর্তী ধারা অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে-

(ক) যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে এরূপ গ্রেফতার, আটক বা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে আবেদন করা হয়েছিল, অথবা

(খ) বাদীর মামলা বিফল হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে মামলা দায়ের করার কোনো যুক্তিসংগত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না, তাহলে বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারবেন এবং আদালত এরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে তাঁর ব্যয় বা ক্ষতির জন্য যুক্তিসংগত প্রতিকর হিসেবে বাদীর বিরুদ্ধে তার আদেশে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আদালত তার আর্থিক আধিকারের সীমা অতিক্রম না করে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে।

(২) এরূপ কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করে আদেশ করলে সেই আদেশ উক্ত গ্রেফতারী, আটক বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের কোনো মামলা বাধা দিবে।
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১০ এ কীসের কার্যপদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. অভিযুক্ত সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  2. বাদী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  3. মোকদ্দমার ৩য় পক্ষ সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  4. সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৬ বিধি-১০: সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি-

১) যেক্ষেত্রে সাক্ষ্য দিতে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য যার উপর সমন দেয়া হয়েছে ঐ ব্যক্তি উক্তরূপ সমন মোতাবেক স্বয়ং হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত জারিকারক অফিসারের প্রত্যয়নপত্রের সত্যতা শপথনামার মাধ্যমে নির্ণীত না হয়ে থাকে এবং যদি তা অনুরূপ সত্যায়িত না হয় তবে সমন জারি হওয়া বা না হওয়া সম্পর্কে জারিকারক অফিসারকে শপথের মাধ্যমে পরীক্ষা করবে কিংবা করতে পারে কিংবা অন্য আদালত কর্তৃক পরীক্ষা করাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত সঙ্গত কারণে মনে করে যে, অনুরূপ সাক্ষ্য বা দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐ ব্যক্তি আইনসঙ্গত কোন অব্যাহতি ব্যতীত সমন মোতাবেক হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে বা ইচ্ছাকৃতভাবে জারি এড়িয়ে গেছে তদ্‌ক্ষেত্রে আদালত ইশতেহারে বর্ণিত সময়ে এবং নির্দিষ্ট স্থানে তাকে সাক্ষ্য প্রদান করতে হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে আদেশ প্রদান করার ইশতেহার প্রচার করতে পারবেন; এবং উক্ত ইশতেহারের একটি নকল উক্ত ব্যক্তি যে স্থানে বসবাস করে এরূপ বাড়ীর বহির্দ্বারে বা অন্য কোন দৃষ্টি আকর্ষক স্থানে টাঙ্গিয়ে দিতে হবে।

৩) উক্ত ইশতেহার প্রচারের পরিবর্তে বা সময়ে বা তার পরে যে কোন সময় আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় উক্ত ব্যক্তির জামিন ব্যতীত গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারবে এবং ক্রোকের খরচা ১২ বিধি অনুসারে আরোপিত হতে এরূপ কোন জরিমানার অনূর্ধ্ব, আদালতের বিবেচনামত এইরূপ অংক পরিমিত তার সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবে না।
১১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 10 অধীন প্রদত্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত আদেশ
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. চূড়ান্ত এবং আপিলঅযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার:
আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮২ ধারায় কার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে?
  1. সরকার
  2. সরকারি অফিসার
  3. ডিক্রিদার
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি:

১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে, এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

Section 82- Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.

(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারার অধীন সমন অমান্যের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ কত?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে,
সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৪নং বিধির অধীনে খারিজকৃত মোকদ্দমা পুনর্বহাল করা হলে, মোকদ্দমাটি কোন পর্যায় থেকে চালু হবে?
  1. শুরু থেকে
  2. পক্ষদ্বয়ের আবেদনক্রমে যে কোন পর্যায় থেকে
  3. আদালতের নির্দেশমত যে কোন পর্যায় থেকে
  4. যে পর্যায় থেকে খারিজ বা রদ হয়েছিল সেই পর্যায় থেকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত আদেশ ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারায় আদালত কোন পরিস্থিতিতে দেনাদারকে দেওয়ানি জেলে আটক করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  2. ডিক্রিদার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করলে
  3. দেনাদার আদালতের অবমাননা করলে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:

যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।
১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ভাগের বিধানবলী শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের জন্য প্রযোজ্য?
  1. ৭ম ভাগ
  2. ৮ম ভাগ
  3. ৯ম ভাগ
  4. ১০ম ভাগ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ম ভাগ হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বিধানগুলির সাথে সম্পর্কিত। নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদগুলি উচ্চ আদালত বিভাগের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে:

১১৬ ধারা-
এই অধ্যায়টি শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের জন্য প্রযোজ্য।

১১৭ ধারা-
এই অধ্যায়ে বা অধ্যায় ১০-এ বা বিধিমালায় যা উল্লেখ করা হয়নি, সেই অংশগুলি হাইকোর্ট বিভাগে প্রযোজ্য হবে।

১১৮ ধারা-
যদি হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে মোকদ্দমার খরচ নির্ধারণ করা হওয়ার আগেই তাদের আদেশটি কার্যকর করা প্রয়োজন, তাহলে তারা আদেশ দিতে পারেন যে খরচ সম্পর্কিত অংশ বাদে অন্য অংশগুলি প্রথমেই কার্যকর করা হবে। খরচ নির্ধারণের পর সেই অংশটিও কার্যকর করা হবে।

১১৯ ধারা-
এই কোডের কোনো কিছুই এমন অর্থ বহন করবে না যে অন্য কারো পক্ষে কেউ হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি বক্তব্য রাখতে বা সাক্ষী পরীক্ষা করতে পারবেন, যদি না আদালত তাদের এই অধিকার দেয়। তবে আইনজীবীদের সম্পর্কে বিধি প্রণয়নের উচ্চ আদালতের ক্ষমতা থাকবে।

১২০(১) ধারা-
১৬, ১৭ এবং ২০ ধারা হাইকোর্ট বিভাগের মৌলিক দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।
১৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন পর্যায়ে কোনো সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারে?
  1. যেকোনো পর্যায়ে
  2. তদন্তকালীন পর্যায়ে
  3. সমন জারিকালীন
  4. বিচারকালীন সময়ে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
-------------
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
১৮.
আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ যদি বিবাদী চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করে, তাহলে এর ফলাফল কী হবে?
  1. মিথ্যা বলে গণ্য হবে
  2. স্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
  3. অনির্ণীত আছে বলে গণ্য হবে
  4. অস্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী তার লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
১৯.
বিচারিক আদালত যদি কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমা কোনো প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে ডিক্রি দিয়ে থাকে এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয়, তাহলে আপিল আদালত এক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নিবে?
  1. নিজেই মোকদ্দমাটি পুনরায় বিচার করবে
  2. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের আদেশ দিবে না
  3. মোকদ্দমাটি নতুন করে গ্রহণ করবে
  4. মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনের প্রয়োগকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ঊর্ধ্বে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
  3. রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
  4. উল্লিখিত সকল আইনকে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে।
২১.
'অনিল ও রাজু একটি জমি বিক্রয়ের চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের আগেই সেই জমি নদী ভাংগনের দরুন বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধানের সাথে উক্ত ঘটনা সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৬ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-

চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে; অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
২২.
"trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 3- Interpretation-clause:
"trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character:

এর অর্থ হল:
"ট্রাস্টি" শব্দটি শুধুমাত্র সরাসরি নিযুক্ত ট্রাস্টিদেরই নয়, পরোক্ষভাবে বা প্রকৃতপক্ষে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য এমন সকল ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করে যারা আস্থাভাজন চরিত্র বহন করে। এখানে "আস্থাভাজন চরিত্র" বলতে বোঝায় অন্য কারও স্বার্থ বা মঙ্গল রক্ষা করার দায়িত্ব। যেমন - অভিভাবক, এগজিকিউটর, এডমিনিস্ট্রেটর ইত্যাদি।
অর্থাৎ, ট্রাস্টি শুধু সে নয় যাকে সরাসরি এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বরং যারা পরোক্ষভাবে বা প্রকৃতপক্ষে অন্যের স্বার্থ বা মঙ্গল রক্ষার দায়িত্বে আছে তারাও ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য হবে।
২৩.
সংশোধিত লিখিত চুক্তি কখন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. উক্ত চুক্তি বাদীর বিরুদ্ধে হলে
  2. বাদী আরজিতে প্রার্থনা করলে
  3. বিবাদী তার লিখিত জবাবে প্রার্থনা করলে
  4. উক্ত চুক্তি বিবাদীর বিরুদ্ধে হলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
২৪.
একজন উইলকারীর দুইজন নির্বাহক (executors) হচ্ছে A ও B । B এর অনুমতি আছে এই ভুল ধারণায় A, C এর সাথে উইলকারীর সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য একটি চুক্তি করেন। এক্ষেত্রে 'C'-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে না
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে
  3. চুক্তির সংশোধন দাবি করতে পারে
  4. উল্লিখিত যেকোনো প্রতিকার পাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারা: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:

(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;

(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।

⇒ এখানে সমস্যাটি হলো, A'র কাছে প্রকৃতপক্ষে সহ-নির্বাহক B এর অনুমতি ছিল না। সুতরাং A এবং B'র মধ্যকার চুক্তিটি আইনত বৈধ নয়। ফলস্বরূপ, C নির্দিষ্ট পালন বা স্পেসিফিক পারফরম্যান্স দাবি করতে পারবে না। কারণ চুক্তিটি ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে করা হয়েছিলো।

Section 28(c)-
if assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise:
Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.

Illustrations- to clause (c)-
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed.
২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ______ প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
  1. সাধারন
  2. সুনির্দিষ্ট
  3. অতিরিক্ত
  4. অনির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

৬ ধারা: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
২৬.
'A' একজন মৃত চিত্রকরের একটি ছবি এবং দুটি দুর্লভ চায়না ফুলদানির মালিক, যা 'B' এর দখলে আছে। এই জিনিসগুলি এতটাই বিশেষ প্রকৃতির যে, এদের কোনো নির্দিষ্ট বাজার মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় 'B' কে বাধ্য করা যেতে পারে-
  1. জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করার
  2. A কে যথেষ্ট পরিমাণে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার
  3. অন্য কোনো দুর্লভ বস্তুর মাধ্যমে A কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার
  4. A এর সাথে জিনিসগুলি ভাগাভাগি করে নেয়ার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

⇒ এখানে প্রধান বিষয় হলো- এই জিনিসগুলির স্বতন্ত্র ও অনন্য প্রকৃতি। এদের আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা কঠিন। সুতরাং অর্থপ্রতিপূরণ বা ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে A তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পালন বা স্পেসিফিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই A তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। অর্থাৎ, আদালত B কে বাধ্যতামূলকভাবে নির্দেশ দিতে পারে যেন সে, জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করে।
২৭.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এক্ষেত্রে 'খ'-কে কীভাবে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  2. ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে
  3. ক্রয়মূল্য+ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  4. কোনোভাবেই বাধ্য করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান:
যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

Section-13: Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.

Illustration:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারায় চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ জরিমানা প্রদানে রাজি থাকলে চুক্তির ফলাফল কী হবে?
  1. বাতিল হবে
  2. বাস্তবায়িত হতে পারে
  3. বাস্তবায়িত হবে না
  4. জরিমানা মওকুফ হবে
ব্যাখ্যা
• Section 20- Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.

যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানে রাজি থাকে, তাহলেও নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার যোগ্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলী যদি সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে চুক্তির ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিকল্প জরিমানার বিধান থাকলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে ভঙ্গকারী পক্ষ যদি জরিমানা প্রদানে রাজি থাকে তাহলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করানো যাবে।
২৯.
The definition of "offence" is stated in __________ of The Code of Criminal Procedure, 1898.
  1. Section 4(j)
  2. Section 4(l)
  3. Section 4(n)
  4. Section 4(o)
ব্যাখ্যা
• Section 4(o)-
"offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force.

"অপরাধ" বলতে বর্তমানে প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য কোন কাজ বা কাজ না করাকে বোঝায়।
৩০.
বাংলাদেশে কোন দুই প্রকার ফৌজদারি আদালত আছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট ও দায়রা আদালত
  2. সুপ্রিম কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. দায়রা আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. জেলা জজ আদালত এবং সহকারি জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
৩১.
রাজু একজন আসামী, যার সম্পত্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী সরকারের এখতিয়ারভূক্ত হয়েছিল। এক্ষেত্রে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য ক্রোক করার সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে যে, সে পলাতক ছিল না বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সে যদি ক্রোক করার ২ বছরের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হয় এবং প্রমাণ করতে পারে যে, সে পলাতক ছিলনা বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি, তাহলে খরচ বাদ দিয়ে তার সম্পত্তি তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এমর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার অধীন কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালানোর বিধান রয়েছে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ১ জন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:

(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.

(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৩৩.
'ক' নামে একজন জঙ্গি সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ একটি ক্লাবে গিয়েছিল। তাদের যদি বিশ্বাস থাকে যে, 'ক' সেখানেই আছে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী ক্লাবের ম্যানেজার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী পুলিশকে প্রবেশ এবং তল্লাশির সুবিধা দিতে বাধ্য?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪৪ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।

Search of place entered by person sought to be arrested:
If any person acting under a warrant of arrest, or any police-officer having authority to arrest, has reason to believe that the person to be arrested has entered into, or is within, any place, the person residing in, or being in charge of, such place shall, on demand of such person acting as aforesaid or such police-officer, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে "Complaint" এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে
  2. জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে সম্পর্কিত হতে হবে
  3. অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”
"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

⇒ নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

⇒ নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারায় কাদের সমন্বয়ে বেঞ্চ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, যে কোন দুই বা ততোধিক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ রূপে একসাথে বসতে পারবেন।

Section 19- Benches:
Any two or more of Metropolitan Magistrates may, subject to the rules made by the Chief Metropolitan Magistrate, sit together as Bench.
৩৬.
মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিয়ে যদি দেখে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তি আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?
  1. শাস্তি দিবেন
  2. চার্জ গঠন করবেন
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন
  4. মামলার রায় দিবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০);
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

Section 242- Charge to be framed:
If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় কে আটককৃত মালামাল বিক্রির আদেশ দিতে পারে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জব্দকারী পুলিশ অফিসার
  4. সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারে?
  1. ৩৫৮ ধারার
  2. ৪৫৮ ধারার
  3. ৫৫৮ ধারার
  4. ২৫৮ ধারার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

• ধারা ৫৫৮- আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
৩৯.
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. হাজির হতে বাধ্য
  2. হাজির হতে বাধ্য নয়
  3. হাজির হতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ১৬০ ধারা অনুযায়ী,
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না।

Section 160- Police-officer's power to require attendance of witnesses:
Any police-officer making an investigation under this Chapter may, by order in writing, require the attendance before himself of any person being within the limits of his own or any adjoining station who, from the information given or otherwise, appears to be acquainted with the circumstances of the case; and such person shall attend as so required.

যদি কোনো ব্যক্তি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় দণ্ডিত হতে পারে যা ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা জরিমানাসহ যা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়।
৪০.
"ফৌজদারি কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৪০৪ ধারায়
  2. ৪১৪ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ যারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

• ধারা ৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না-
উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।

Section 404: Unless otherwise provided, no appeal to lie-
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
৪১.
কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষগণকে নোটিশ দিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে যেতে পারেন?
  1. কেবলমাত্র অভিযুক্ত চাইলে
  2. শুধুমাত্র বিচারের সময়
  3. শুধুমাত্র তদন্তের সময়
  4. তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ (সরেজমিনে পরিদর্শন)-

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Sec 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৫৫
  2. ১৫৭
  3. ১৫৯
  4. ১৬০
ব্যাখ্যা
• প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।

এই ধারা অনুসারে,
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ পোষন করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের করবেন ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন। তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই । তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।
৪৩.
ম্যাজিস্ট্রেট একসঙ্গে কত দিনের বেশি আসামীকে রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
৪৪.
ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন যে স্থানে বসবে, সেই স্থান কি ধরনের আদালত হিসাবে গণ্য হবে?
  1. গোপন আদালত
  2. নিরাপদ আদালত
  3. উন্মুক্ত আদালত
  4. বন্ধ আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৪৫.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২ হাজার
  2. ৫ হাজার
  3. ১০ হাজার
  4. ১৫ হাজার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান:

(১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৪৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১(২) ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. অভিযুক্তকে
  3. পুলিশ অফিসারকে
  4. মামলার পক্ষগণকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তি না করার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. গণ-উপদ্রব
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত যেকোনো অপরাধ
  3. বিশেষ আইনের অধীন যেকোনো অপরাধ
  4. যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি করা বা অব্যাহত রাখা নিষিদ্ধ করতে পারবেন:
কোনো জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রাপ্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবলে অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তির প্রতি দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে উল্লেখিত গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি না করার বা উহা অব্যাহত না রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 143- Magistrate may prohibit repetition or continuance of public nuisance:
A District Magistrate or any other Executive Magistrate] empowered by the Government or the District Magistrate in this behalf, may order any person not to repeat or continue a public nuisance, as defined in the Penal Code or any special law.
৪৮.
দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের
  2. যেকোনো উপায়ে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
  3. ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
  4. এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারাতে 'ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে কাউকে গুরুতর আঘাতের' শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এই ধারানুযায়ী,
স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানকারী ব্যক্তির শাস্তি হবে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

নোটঃ
ধারালো অস্ত্র দ্বারা কাউকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে,তার বিরুদ্ধে ৩২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে। আর ধারালো অস্ত্র দ্বারা কাউকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক আঘাত করলে,তার বিরুদ্ধে ৩২৬ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।

Section 326- Voluntarily causing grievous hurt by dangerous weapons or means:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt by means of any instrument for shooting, stabbing or cutting, or any instrument which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, or by means of fire or any heated substance, or by means of any poison or any corrosive substance, or by means of any explosive substance, or by means of any substance which it is deleterious to the human body to inhale, to swallow, or to receive into the blood, or by means of any animal, shall be punished with 107[imprisonment] for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৪৯.
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "__________".
  1. honestly
  2. dishonestly
  3. legally
  4. fraudulently
ব্যাখ্যা
• Section 24- “Dishonestly”:
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".

- কোনো ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি অবৈধ লাভ বা অবৈধ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করলে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত কাজটি অসাধুভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
৫০.
সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় কোথায় দস্যুতা অনুষ্ঠিত হলে, কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে?
  1. বাসগৃহে
  2. রাজপথে
  3. সরকারি ভবনে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392⇒ Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৫১.
বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টির অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 124A- Sedition:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
৫২.
এক গ্রামে ৮/১০ জন লোক জমায়েত হয়েছিল এবং তাদের উদ্দেশ্য ছিল যে, তারা একজন ব্যক্তিকে তার জমি থেকে বেদখল করবে এবং সেই জমি নিজেরা দখল করবে। এই সমাবেশটি দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৪৮ ধারা
  3. ১৪১ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে 'বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly' বলে।

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে, ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। যথা-
i) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
ii) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা;
iii) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন;
iv) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত;
v) কোনো ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

অর্থাৎ এই সমাবেশটি উল্লেখিত উদ্দেশ্যের কারনে দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার অধীন বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে।

Section 141: Unlawful assembly:

An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First- To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second- To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth- By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation- An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৫৩.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্র 'অপহরণ' হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. জোরপূর্বক বাধ্য করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  2. প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  3. ক বা খ উভয়
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ কোনো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সম্মতিসহ চলে গেলে তা অপহরণ হিসেবে গণ্য হবে না।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
৫৪.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা মতে-
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৫৫.
'ক' ৬ মাস আগে একজন গৃহকর্মী নিযুক্ত করেছিল। কিন্তু সেই গৃহকর্মী ৩ মাস পর কাজ করার পর, পরবর্তীতে কাজ করতে অসম্মতি জানায়। তবুও 'ক' তাকে জোর করে কাজ করাতে বাধ্য করে। এক্ষেত্রে 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।


(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:

(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
৫৬.
প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য নিয়ে আইনতঃ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে না জানা সত্ত্বেও, বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর কারাবাস
  2. ৭ বছর কারাবাস
  3. ১০ বছর কারাবাস
  4. ১৪ বছর কারাবাস
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৬ ধারা- আইনসম্মত বিবাহ সম্পাদন ছাড়াই প্রতারণামূলক ভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা:
কোনো ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য নিয়ে সে আইনতঃ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে না জানা সত্ত্বেও বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 496- Marriage ceremony fraudulently gone through without lawful marriage:
Whoever, dishonestly or with a fraudulent intention, goes through the ceremony of being married, knowing that he is not thereby lawfully married, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৫৭.
সিমু জানতো যে, তার চাচা একটি গাড়ি চুরি করে এনেছে। তবুও সে চুরিকৃত গাড়িটি নিজের বাসায় লুকিয়ে রাখলো। এক্ষেত্রে সিমু দণ্ডবিধির কত ধারা অধীনে শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৪১২ ধারা
  2. ৪১৩ ধারা
  3. ৪১৪ ধারা
  4. ৪১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা- চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণ:
কোনো ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৫৮.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারায় কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সাজা হ্রাস করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. বিচারিক আদালত
  4. আপিল আদালত
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৫৯.
দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ঘুষ
  2. মুদ্রা জাল
  3. দাঙ্গা
  4. মারামারি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা অনুসারে-
কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক কোনি সরকারি কাজ বৈধ পারিশ্রমিক ছাড়া অন্যকোন রকম বখশিস নিয়ে করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বখশিস গ্রহণ বা গ্রহণে সম্মত বা গ্রহণের চেষ্টা করলে সেই কর্মকর্তা-কর্মচারী যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা বা উভয়প্রকার দণ্ড হতে পারে।
 
নিজে না করে অন্য কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করে দেওয়ার জন্য বখশিস গ্রহণও এই ধারা অনুসারে ঘুষের মধ্যে পড়ে। ঘুষ চাওয়া যেমন অপরাধ, তেমনি ঘুষ না দিলে বিপদ হবে এ ধরণের ধমক দেওয়াও ঘুষ নেওয়ার শামিল। আবার কাউকে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাবও অপরাধ।
৬০.
দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার বিধান হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. Criminal breach of trust by carrier, etc.
  2. Criminal breach of trust by clerk or servant
  3. Criminal breach of trust by public servant, or by banker etc
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
৬১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোনো নারীর শ্লীলতাহানীর উদ্দেশ্যে অঙ্গভঙ্গি বা মন্তব্য করার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৫০৩
  2. ৫০৯
  3. ৫১০
  4. ৫১১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোনো নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোনো মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্যঃ
যদি কেউ কোনো নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোনো কাজ করে, তাহলে দায়ী ব্যক্তিকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সাজা বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman: 
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬২.
১৫ বছর বয়সী রিপন একজন উন্মাদ ব্যক্তি। তার চাচা সজীব তাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বিষ খেতে সহায়তা করে। রিপন সেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। সজীব এই কাজের জন্য কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৬৩.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা- খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ অপরাধজনক নরহত্যার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি খুন নয় এমন শাস্তি যোগ্য নরহত্যা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে, ,যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, অথবা এমন দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, যে দৈহিক জখমের দরুণ মৃত্যু ঘটতে পারে,
অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি সম্পাদনের দরুণ মৃত্যু অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা থাকে, অথচ কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হয় নাই যে দৈহিক জখম করার কারণে মৃত্যু ঘটতে পারে।
৬৪.
রাজন একজন সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দিয়েছিল যে, যদি সে রাজনের মেয়েকে তার অফিসে চাকরি না দেয়, তবে তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেবে। রাজন কর্তৃক উক্ত কাজ-
  1. শাস্তিযোগ্য নয়
  2. সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তিযোগ্য
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছর শাস্তিযোগ্য
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর শাস্তিযোগ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬৫.
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধনের শাস্তি কী হতে পারে?
  1. শুধু কারাদণ্ড
  2. শুধু অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন,
অনিষ্টসাধনের শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস বা অর্থদণ্ড বা উভয়।

Section 426⇒ Punishment for mischief:
Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
৬৬.
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী _________ জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে, তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
  1. আইনগত কাজের
  2. ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার
  3. কোনো অপরাধে সহায়তার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।

"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
৬৭.
'অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে"- দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৬৩
  2. ৬৭
  3. ৭০
  4. ৭৩
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য, মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70- Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।
৬৮.
নিম্নে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে দোষ স্বীকার গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. দায়রা জজের কাছে দেয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  2. পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  3. পুলিশের কাছে দেয়া দোষ স্বীকার অনুযায়ী আলামত উদ্ধার করলে
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা: পুলিশ অফিসারের নিকট স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা যাবে না:
যে কোন অপরাধে অভিযুক্ত, পুলিশ অফিসারের নিকট দোষ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

Section 25⇒ Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

তবে ২৭ ধারা অনুযায়ী, আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে। তাছাড়া আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি সকল ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য অর্থাৎ বিরুদ্ধ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৬৯.
'A previous conviction is relevant as evidence of bad character'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৫২ ধারায়
  2. ৫৩ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 54:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1- This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2- A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।
ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

→ এই ধারার অর্থ হলো,
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্তের খারাপ চরিত্র বিচারে গৃহীত হবে না, যদি না তিনি নিজের ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেন। যদি তিনি ভালো চরিত্রের দাবি করেন, তাহলে তার খারাপ চরিত্র বিচার্য হবে। তবে যেখানে কাউকে খারাপ চরিত্রের অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ খারাপ চরিত্রটাই মামলার মূল বিষয়বস্তু। পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হবে।
৭০.
মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন ধরনের ব্যক্তির স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক?
  1. মালিকানাধারী ব্যক্তির
  2. আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তির
  3. ক ও খ উভয়ের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-

ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

Section- 18:
Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.

by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.

by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or

by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
৭১.
যদি কোনো ব্যক্তিকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে-
  1. সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে
  2. সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
  3. বিশেষ সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে
  4. সুবিধাভোগী পক্ষের সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• Section- 139: Cross-examination of person called to produce a document:
A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.

বাংলা অর্থ:
যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না। আর যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করা হয়, ততক্ষণ তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
নথি উপস্থাপনকারী ব্যক্তি সাক্ষী নয়, শুধুমাত্র নথি উপস্থাপনকারী। তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান না করা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না। নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে স্বতঃই সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না।
৭২.
সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল কোন ধরনের দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. বেসরকারি দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. ব্যক্তিগত দলিল
  4. সকল দলিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা:
"অনুরূপ জাবেদা নকল (সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল) সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে দেয়া হয়, সেই দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"

[Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.]
৭৩.
প্রয়োজনীয় নোটিশ দেয়ার পরও কোনো নথি উপস্থাপন না করলে, সাক্ষ্য আইনের ৮৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কি অনুমান করবে?
  1. নথিটি বাতিল
  2. নথিটির বৈধতা নিশ্চিত নয়
  3. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয় নি
  4. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
• Section 89⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:
The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.

যদি আদালত কোনো নথি দেখতে চায় এবং প্রয়োজনীয় নোটিশ দিয়েও তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে উক্ত নথিটি আইনগত  প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সাক্ষ্যযুক্ত, মুদ্রাঙ্কিত এবং সম্পাদিত হয়েছিল।

অর্থাৎ, আদালত থেকে নথি দেখার নির্দেশ থাকলেও যদি তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত নিজে থেকেই ধরে নেবে যে সেই নথিটি আইনগতভাবে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছিল। এটি একটি গৃহীত ধারণা যা প্রতিপক্ষের উল্টো প্রমাণ না থাকলে বলবৎ থাকবে।
৭৪.
"When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner."- This provision is laid in ___________ of The Evidence Act, 1872
  1. Section 106
  2. Section 108
  3. Section 110
  4. Section 111
ব্যাখ্যা
Section-110. Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
৭৫.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. ৪৮ ধারায়
  2. ৪৯ ধারায়
  3. ৫০ ধারায়
  4. ৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০- যখন আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত প্রাসঙ্গিক:

যখন আদালতকে একজন ব্যক্তির অন্য একজনের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে মতামত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে পারিবারিক সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি যার এ বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান আছে, তার আচরণ দ্বারা প্রকাশিত এমন সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
তবে এমন মতামত ডিভোর্স আইনের অধীনে মামলা বা দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৫, ৪৯৭ বা ৪৯৮ ধারার অধীনে অভিযোগের ক্ষেত্রে বিবাহ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট হবে না।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্নটি হল, A এবং B কি বিবাহিত ছিলেন? তাদের বন্ধুবান্ধব স্বামী-স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ ও আচরণ করেছেন, এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
(খ) প্রশ্নটি হল, A কি B এর বৈধ সন্তান? পরিবারের সদস্যরা A কে তাই হিসাবে গ্রহণ করেছেন, এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

Section 50: Opinion on relationship, when relevant-
When the Court has to form an opinion as to the relationship of one person to another the opinion, expressed by conduct, as to the existence of such relationship, of any person who, as a member of the family or otherwise, has special means of knowledge on the subject, is a relevant fact:
Provided that such opinion shall not be sufficient to prove a marriage in proceedings under the Divorce Act, or in prosecutions under section 494, 495, 497 or 498 of the 38[* * *] Penal Code.

Illustrations-
(a) The question is, whether A and B were married. The fact that they were usually received and treated by their friends as husband and wife, is relevant.
(b) The question is, whether A was the legitimate son of B. The fact that A was always treated as such by members of the family, is relevant.
৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  3. ডিজিটাল সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  4. ফরেনসিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে:

"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

অর্থাৎ এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
৭৭.
সাক্ষ্য আইনের ১৩০ ধারা কোন ধরনের সাক্ষীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. নিজ পক্ষের সাক্ষীদের ক্ষেত্রে
  2. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ
  3. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়
  4. বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীদের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩০ ধারা অনুসারে,
যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়, তাকে বাধ্য করা যাবে না তার কোনো সম্পত্তির খতিয়ান বা এমন কোনো নথি দেখাতে যা তাকে অপরাধে জড়িত করতে পারে। তবে যদি সেই সাক্ষী লিখিতভাবে রাজি হয়ে থাকে নথিগুলো দেখাতে, তাহলে তাকে দেখাতে হবে।

[No witness who is not a party to a suit shall be compelled to produce his title-deeds to any property or any document in virtue of which he holds any property as pledgee or mortgagee or any document the production of which might tend to criminate him, unless he has agreed in writing to produce them with the person seeking the production of such deeds or some person through whom he claims.]
৭৮.
নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে
  2. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবে
  3. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
  4. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে।

⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৭৯.
'A', 'B'- এর বিরুদ্ধে জমির দখলের একটি রায় পেয়েছে। 'B' এর পুত্র 'C', এর প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে 'A'- কে হত্যা করে। উক্ত খুনের ক্ষেত্রে প্রদত্ত দেওয়ানি রায়ের অস্তিত্ব-
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক
  3. কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৩ ধারা অনুযায়ী,
৪০, ৪১ এবং ৪২ ধারায় উল্লিখিত রায়, আদেশ বা নির্দেশনা ব্যতীত অন্য সকল রায়, আদেশ বা নির্দেশনা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। তবে যদি এমন রায়, আদেশ বা নির্দেশনার অস্তিত্বই মামলার বিচার্য বিষয় হয়, অথবা এই আইনের অন্য কোনো বিধানে তা প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে।

উদাহরণটিতে দেখা যাচ্ছে, A কর্তৃক B'র বিরুদ্ধে জমির দখল নেওয়ার রায়ের অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক কারণ এটি B এর পুত্র C এর A-কে হত্যা করার উদ্দেশ্য দেখায়। অর্থাৎ, এই রায়ের অস্তিত্ব অপরাধের প্রেরণা বা মোটিভকে প্রদর্শন করায় তা প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।

Section 43:

Judgments, orders or decrees, other than those mentioned in sections 40, 41 and 42, are irrelevant, unless the existence of such judgment, order or decree is a fact in issue, or is relevant under some other provision of this Act.

Illustration-
(d) A has obtained a decree for the possession of land against B. C, B's son, murders A in consequence. The existence of the judgment is relevant, as showing motive for a crime.
৮০.
তামাদি আইনের উদ্দেশ্য কী?
  1. দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
  2. অনাবশ্যক বিলম্ব দূর করা
  3. বিবাদীর বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• তামাদি এক ধরনের আইনি অবস্থা বা সময়সীমা যা আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য নির্ধারিত থাকে। এটি ফরাসি শব্দ "limitation" থেকে এসেছে। আইনগত অর্থে, তামাদি মানে সেই সময়সীমা বা মেয়াদ যার মধ্যে কোনো বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। প্রত্যেক মামলার ধরন অনুযায়ী তামাদি সময়সীমা আলাদা থাকে। যদি

কোনো মামলা এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দায়ের না করা হয়, তাহলে সাধারণত সেই মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না। তামাদি আইন মানে সেই আইন যা বিভিন্ন ধরনের মামলার জন্য তামাদি বা সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে। এর উদ্দেশ্য হলো যাতে অনাবশ্যক বিলম্ব না হয় এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। বিবাদীর বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা এই আইনের উদ্দেশ্য নয়, শুধু এই আইন না কোনো আইনের উদ্দেশ্যই নয়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে যেকোনো আইনের প্রধান উদ্দেশ্য।
৮১.
একজন শ্রমিক ১লা জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে তার মজুরী পায়নি। বকেয়া মজুরীর জন্য তাকে কত দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ অনুসারে,
গৃহ-ভৃত্য, কারিগর বা শ্রমিকের মজুরী বকেয়া হলে তার মামলা করার সময়সীমা হলো ১ বছর। অর্থাৎ শ্রমিকের মজুরী যে তারিখে বকেয়া হবে সে তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে তাকে মামলা করতে হবে।

এক্ষেত্রে তাহলে, তার মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ শুরু হবে ১লা জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে। অর্থাৎ তাকে ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখের মধ্যে মামলা করতে হবে। যদি সে ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত মামলা না করে, তাহলে তার মামলা করার অধিকার বাতিল হয়ে যাবে।
৮২.
'Adverse possession' এর অর্থ কী?
  1. পক্ষ দখল
  2. বৈধ দখল
  3. বিরূদ্ধ দখল
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারায় সম্পত্তিতে স্বত্বের বিলুপ্তির (Extinguishment of right to property) বিধান আছে।  ২৮ ধারা অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পুনরূদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সে সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোন অবৈধ প্রবেশকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে মূল মালিকের বিনা বাধায় এবং জ্ঞাতসারে দখলে থাকলে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হবে এবং কেবল জবর দখলের ভিত্তিতে উক্ত সম্পত্তিতে জবর দখলকারীর স্বত্বের সৃষ্টি হবে।

এভাবে কোন অবৈধ দখলকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে দখল থাকার কারণে, উক্ত সম্পত্তিতে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হয়ে জবর দখলকারীর স্বত্ব বা মালিকানা সৃষ্টি হওয়াকে জবর দখল বা বিরূদ্ধ দখল (Adverse possession) বলে।
৮৩.
The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. প্রতারণার ফলাফল
  2. বৈদেশিক রায়
  3. অবিরাম চুক্তিভঙ্গ
  4. ক্ষতিপূরণ মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারা: অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-

যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs-
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৮৪.
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে, সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদি গণনা করা হবে:
  1. অধিকার সৃষ্টির তারিখ থেকে
  2. প্রতিনিধি নিযুক্ত হওয়ার তারিখ থেকে
  3. ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ থেকে
  4. প্রতিনিধি মামলা করার যোগ্যতা অর্জন করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।
৮৫.
'বিবাদী যতদিন দেশের বাইরে থাকবে, ততোদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে'- তামাদি আইনের কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৫ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৮৬.
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬:

- লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।
৮৭.
তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদে কোন আইন সংশ্লিষ্ট আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধি
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. বিশেষ ক্ষমতা আইন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২:
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল:
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

অনুচ্ছেদ- ১৫৬:
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল:
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
৮৮.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অধীন আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তি আইনচর্চা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ডাদেশ পেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে,
আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডাদেশ।

Article- 41:
Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.
৮৯.
বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 4:
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.

[অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল হবে তিন বছর যা বার কাউন্সিলের নির্বাচনের পরবর্তী জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হবে; এবং প্রতিটি মেয়াদের শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারাবেন।]
৯০.
'অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারীকে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।'- The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

Article- 34(6):
The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.
৯১.
'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ২য় অধ্যায়ে কয়টি বিধি রয়েছে?
  1. ৮ টি
  2. ৯ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।
৯২.
'An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means.'- এই বিধান 'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ১ম অধ্যায়ের কয় নং বিধিতে দেয়া আছে?
  1. ১নং
  2. ২নং
  3. ৩নং
  4. ৪নং
ব্যাখ্যা
CHAPTER-1: CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:

Rule- 2:
An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.

এই অনুচ্ছেদ অনুসারে,
একজন আইনজীবী বিজ্ঞাপন দিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহক আনার চেষ্টা করতে পারবেন না। তবে নিজের পরিচয়পত্র, নামফলক বা ডিরেক্টরিতে নামের সাধারণ তালিকা দেওয়া যাবে। সেখানে শুধু নিজের পেশাগত ও শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বর্তমানে অধ্যুষিত সরকারি পদের তথ্য থাকতে পারবে।