পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes২৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। ২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ। এবং বিষয় - মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. স্থানাঙ্ক সমস্যা (Space Relation) ২. সংখ্যাগত দক্ষতা (Numerical Ability) ------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
অধ্যাদেশ জারি করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে? (মার্চ, ২০২৫)
  1. মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন
  2. সৈয়দ সালেহ্‌ মুনসুর
  3. ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ
  4. মোস্তফা জামান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

[সম্প্রতি ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ পদত্যাগ করায় তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে নেই, তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।] 

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো:
• চারুকলা বিভাগ,
• নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ,
• সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ,
• গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ,
• প্রশিক্ষণ বিভাগ,
• প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।

- একাডেমির সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

.
‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্যটি কোন চিত্রশিল্পীর?
  1. পটুয়া কামরুল হাসান
  2. মুস্তাফা মনোয়ার
  3. শাহাবুদ্দিন আহাম্মেদ
  4. জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- ‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এপর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
মন্ত্রনালয়ের একাধিক শাখার প্রধান -
  1. সচিব
  2. সহকারী সচিব
  3. যুগ্ম-সচিব
  4. উপসচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী: মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব: মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব: উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব: উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব: একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব: শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব: শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
.
একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় - (মার্চ, ২০২৫)
  1. মোহাম্মদ আশরাফুল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।
.
বিচার বিভাগের কার্যাবলি নিচের কোনটি?
  1. আইন সংক্রান্ত কাজ
  2. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
  3. সংবিধান সংরক্ষণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কার কাছে শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. স্পিকার
  4. আইন মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কার প্রস্তাবনায় ‘All India Muslim League’ গঠিত হয়?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. ফজলুল হক
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নবাব সলিমুল্লাহ:
- ঢাকার আহসান মঞ্জিলে ১৮৭১ সালের ৭ জুন নবাব সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা এবং পিতামহের নাম যথাক্রমে নওয়াব স্যার খাজা আহসানুল্লাহ ও নওয়াব স্যার খাজা আব্দুল গণি।
- ১৮৯৩ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের চাকরি নেন।
- ১৯০১ সালে পিতার মৃত্যুর পর জীবিত জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে তিনি ঢাকা নওয়াব এস্টেট এর কর্তৃত্ব লাভ করেন।
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর নওয়াব সলিমুল্লাহর প্রস্তাবনায় ‘All India Muslim League’ গঠিত হয়।
- তিনি এর সহ-সভাপতি এবং গঠনতন্ত্র তৈরি কমিটির সদস্য মনোনীত হন।
- লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকা সফরে এলে নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলিম নেতৃবৃন্দ ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি তাঁর কাছে বিভিন্ন দাবি পেশ করেন।
- সেদিনই ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং মুসলিমদের জন্য একজন শিক্ষা অফিসার নিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ছিলেন একজন দানশীল ব্যক্তি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি অকাতরে দান করতেন।
- ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতার চৌরঙ্গীর বাসভবনে নওয়াব সলিমুল্লাহর মৃত্যু হয়।

তথসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামো কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
সরকার কাঠামো:
- নির্বাচনী বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামোর অংশ নয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামো ৩টি। যথা-
• আইন বিভাগ।
• বিচার বিভাগ।
• শাসন বিভাগ।
- একটি বিভাগ কখনও অন্য বিভাগের কার্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।

আইন বিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের সরকার কাঠামোতে বিচার বিভাগ সরকারের সকল প্রকার বিচারিক কার্য সম্পাদন করে থাকে।
- বিচারিক কার্যের অংশ হিসেবে এই বিভাগটি মূলত সংবিধান ও আইন অনুযায়ী অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে থাকে ও জনগণের অধিকার রক্ষা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন -
  1. সলিমুল্লাহ খান
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. লতিফ, নওয়াব আবদুল
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি 'সম্বাদ কৌমুদী', ‘মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস?
  1. টোল
  2. উপকর
  3. ফিস
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে- সিটি কর্পোরেশন।
- প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস:
(ক) সরকার হতে প্রাপ্ত অনুদান।
(খ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত এবং তৎকর্তৃক পরিচালিত সকল সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত আয় বা মুনাফা।
(গ) সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত যে-কোনো কর, উপকর, রেইট, টোল ও ফিস ইত্যাদি।
(ঘ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক প্রদত্ত দান।
(ঙ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত সকল ট্রাস্ট হতে প্রাপ্ত আয়।
(চ) কর্পোরেশনের অর্থ বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত মুনাফা।
(জ) আইনের অধীন অর্থদন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন কে?
  1. নুজহাত আফরীন
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. ফাতেমা হক
  4. নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
১৩.
নিচের কোনটি বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল?
  1. জজ কোর্ট
  2. আপিল বিভাগ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
জাতীয় সংসদের কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি
  3. বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রধান নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সংবিধান প্রণীত নীতি অনুযায়ী সংঘটিত হয়। আইন প্রণয়ন হলো জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

• আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

• সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

• বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

• শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

• অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
A, B-এর পশ্চিমদিকে, B, C এর দক্ষিণ দিকে হলে C, A এর কোনদিকে অবস্থিত?
  1. উত্তর-পূর্ব
  2. দক্ষিণ-পূর্ব
  3. উত্তর-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A, B-এর পশ্চিমদিকে, B, C এর দক্ষিণ দিকে হলে C, A এর কোনদিকে অবস্থিত?

সমাধান:

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,
A, B-এর পশ্চিম দিকে → অর্থাৎ B, A-এর পূর্ব দিকে।
B, C-এর দক্ষিণ দিকে → অর্থাৎ C, B-এর উত্তর দিকে।

এখন, C এর অবস্থান,

C, B-এর উত্তর দিকে অবস্থিত।
B, A-এর পূর্ব দিকে অবস্থিত।

সুতরাং, C, A-এর উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
১৬.
নিচের কোন ভগ্নাংশটি সবচেয়ে ছোট?
  1. 4/5
  2. 6/7
  3. 5/6
  4. 8/11
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন ভগ্নাংশটি সবচেয়ে ছোট?

সমাধান:
4/5 = 0.80
6/7 = 0.85
5/6 = 0.83
8/11 = 0.72
১৭.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
64 : 13 : : 36 : ?
  1. 49
  2. 25
  3. 11
  4. 13
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
64 : 13 : : 36 : ?

সমাধান:
এখানে
সম্পর্কটি হলো x2 : x + 5
82 = 64 , 8 + 5 = 13
62 = 36 , 6 + 5 = 11
১৮.
নিচের ধারার শূন্য স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
72, 69, 64, 57, 48, ____
  1. 18
  2. 12
  3. 37
  4. 42
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের ধারার শূন্য স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
72, 69, 64, 57, 48, ____

সমাধান:
72
72 - 3 = 69
69 - 5 = 64
64 - 7 = 57
57 - 9 = 48.
48 - 11 = 37

∴ শূন্য স্থানে 37 হবে।
১৯.
একটি শ্রেণিকক্ষে ৯০ জন শিক্ষার্থী আছে। সালমার অবস্থান শুরু থেকে ২৫তম। তাহলে শেষের দিক থেকে তার অবস্থান কত?
  1. 66
  2. 60
  3. 65
  4. 55
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি শ্রেণিকক্ষে 90 জন শিক্ষার্থী আছে। সালমার অবস্থান শুরু থেকে 25 তম। তাহলে শেষের দিক থেকে তার অবস্থান কত?

সমাধান:
শেষ দিক থেকে অবস্থান = মোট শিক্ষার্থী - শুরু দিক থেকে অবস্থান + 1
 = 90 - 25 + 1 = 66 তম

সুতরাং, সালমার অবস্থান শেষের দিক থেকে 66 তম।
২০.
নিচের ধারার মধ্যে কোনটি ব্যতিক্রম?
8, 27, 64, 81, 125, 216, 343
  1. 27
  2. 81
  3. 125
  4. 216
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের ধারার মধ্যে কোনটি ব্যতিক্রম?
8, 27, 64, 81, 125, 216, 343

সমাধান:
8 = 23
27 = 33
64 = 43
81 = 92 or 34
125 = 53
216 = 63
343 = 73

∴ ব্যতিক্রম 81
২১.
১ থেকে ৭৫ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যাসমূহের যোগফল কত?
  1. ২৮৫০
  2. ৩৩২০
  3. ২৬৮০
  4. ২৮৯০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ৭৫ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যাসমূহের যোগফল কত?

সমাধান:
১ থেকে n পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল = [n(n + ১)]/২

∴ ১ থেকে ৭৫ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল = [৭৫(৭৫ + ১)]/২
= (৭৫ × ৭৬)/২
= ২৮৫০
২২.
১০০ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ৯ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ২৬
  2. ২০
  3. ১৪
  4. ২২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০০ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ৯ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি?

সমাধান:
১০০ এর উপরে ৯ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা ১০৮ এবং ৩০০ এর নিচে ৯ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা ২৯৭ ।

সুতরাং মোট বিভাজ্য সংখ্যা = {(২৯৭ - ১০৮)/৯} + ১
= (১৮৯/৯) + ১
= ২১ + ১
= ২২ টি

অতএব, ১০০ থেকে ৩০০ এর মধ্যে মোট ৯টি সংখ্যা ২১ দ্বারা বিভাজ্য।
২৩.
নিচের কোনটি আদর্শ সংখ্যা নয়?
  1. ২৮
  2. ২০
  3. সবগুলোই আদর্শ সংখ্যা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি আদর্শ সংখ্যা নয়?

সমাধান:
আদর্শ সংখ্যা বা নিখুঁত সংখ্যা (Perfect Number) বলতে সেই সংখ্যাকে বুঝায়। যে সংখ্যাটি নিজের চেয়ে ছোট নিজের সকল উৎপাদক এর যোগফল এর সমান।
যেমন-

৬ এর উৎপাদকগুলো হলো: ১, ২, ৩ এবং ৬
৬ এর চেয়ে ছোট উৎপাদকগুলো হলো: ১, ২, এবং ৩
এখানে,
১ + ২ + ৩ = ৬, যা সংখ্যাটির সমান
সুতরাং, ৬ একটি আদর্শ সংখ্যা

আবার,
২৮ এর উৎপাদকগুলো হলো: ১, ২, ৪, ৭, ১৪ এবং ২৮
২৮ এর চেয়ে ছোট উৎপাদকগুলো হলোঃ ১, ২, ৪, ৭ এবং১৪
এখানে,
১ + ২ + ৪ + ৭ + ১৪ = ২৮, যা সংখ্যাটির সমান
সুতরাং, ২৮ একটি আদর্শ সংখ্যা

আবার,
২০ এর উৎপাদকগুলো হলো: ১, ২, ৪, ৫, ১০ এবং ২০
২০ এর চেয়ে ছোট উৎপাদকগুলো হলো: ১, ২, ৪, ৫ এবং ১০
এখানে,
১ + ২ + ৪ + ৫ + ১০ = ২২, যা সংখ্যাটির সমান নয়
সুতরাং, ২০ সংখ্যাটি আদর্শ সংখ্যা নয় ।
২৪.
নিচের সিরিজে কতগুলো জোড় সংখ্যা আছে, যাদের আগে বিজোড় সংখ্যা এবং পরে জোড় সংখ্যা রয়েছে?
5 1 4 7 3 9 8 5 7 2 6 3 1 5 8 6 3 8 5 2 2 4 3 4 9 6
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 4 এর বেশি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের সিরিজে কতগুলো জোড় সংখ্যা আছে, যাদের আগে বিজোড় সংখ্যা এবং পরে জোড় সংখ্যা রয়েছে?
5 1 4 7 3 9 8 5 7 2 6 3 1 5 8 6 3 8 5 2 2 4 3 4 9 6

সমাধান:
আমরা এমন জোড় সংখ্যা খুঁজব, যার আগে বিজোড় সংখ্যা এবং পরে জোড় সংখ্যা আছে,
5 1 4 7 3 9 8 5 7 2 6 3 1 5 8 6 3 8 5 2 2 4 3 4 9 6

মোট শর্ত পূরণকারী সংখ্যা = 3টি (2, 8, 2)
২৫.
যদি SMART = TNBSU হয়, তাহলে BRAVE = ?
  1. THMDF
  2. RVFFO
  3. CSBWF
  4. TJMFO
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি SMART = TNBSU হয়, তাহলে BRAVE = ?
সমাধান:


SMART = TNBSU প্রতিটি বর্ণ পরের বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
∴ BRAVE = CSBWF
২৬.
০.২২ × ০.০২ × ০.৮ = ?
  1. ০.০০০৩৫৪২
  2. ০.০০০৩৫২
  3. ০.০৩৫২৪
  4. ০.০০৩৫২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.২২ × ০.০২ × ০.৮ = ?

সমাধান:
০.২২ × ০.০২ × ০.৮
= (২২/১০০) × (২/১০০) × (৮/১০)
= (২২ × ২ × ৮)/(১০০ × ১০০ × ১০)
= ৩৫২/১০০০০০
= ০.০০৩৫২
২৭.
যদি RIVER = 18922518 হয়, তাহলে FISH =?
  1. 10131622
  2. 69198
  3. 14820
  4. 68417
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি RIVER = 18922518 হয়, তাহলে FISH =?

সমাধান:


FISH = 69198
২৮.
একটি সংখ্যা ৫৪০ থেকে যত ছোট ৩৭২ থেকে তত বড় হলে সংখ্যাটি কত?
  1. ৪৫৬
  2. ৫২০
  3. ৪৫০
  4. ৪৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যা ৫৪০ থেকে যত ছোট ৩৭২ থেকে তত বড় হলে সংখ্যাটি কত?

সমাধান :
সংখ্যাটি হবে = ( ৫৪০ + ৩৭২)/২
= ৯১২/২
= ৪৫৬
২৯.
যদি ৫ + ৪ = ২০১, ৮ + ৫ = ৪০৩ হয়, তাহলে ১০ + ৬ =?
  1. ২০১
  2. ১৩৬
  3. ৬০৪
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ৫ + ৪ = ২০১, ৮ + ৫ = ৪০৩ হয়, তাহলে ১০ + ৬ =?

সমাধান:
এখানে
৫ + ৪ = ২০১ ⇒ ৫ × ৪ = ২০, ৫ - ৪ = ১
৮ + ৫ = ৪০৩ ⇒ ৮ × ৫ = ৪০, ৮ - ৫ = ৩
১০ + ৬ = ৬০৪ ⇒ ১০ × ৬ = ৬০, ১০ - ৬ = ৪
৩০.
8, 6, 13, 9, 18, 12, 23, ....... ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. 15
  2. 18
  3. 28
  4. 21
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 8, 6, 13, 9, 18, 12, 23, ....... ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
এখানে দুটি ধারা রয়েছে,
বিজোড় স্থানের সংখ্যাগুলো নিয়ে ধারা,
8, 13, 18, 23, .....
যা প্রতিবারে 5 করে বৃদ্ধি পায়

জোড় স্থানের সংখ্যাগুলো নিয়ে ধারা,
6, 9, 12
যা প্রতিবারে 3 করে বৃদ্ধি পায়

যা সংখ্যাটি জানতে চাওয়া হয়েছে তা জোড় স্থানের রয়েছে
∴ সংখাটি 12 + 3 = 15