পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
বাংলাদেশের সংবিধান: ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ এবং তফসিল। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বাংলাদেশের সংবিধান।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কয়টি?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ১২ টি
  4. ঘ) ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধানত ১২ টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে ।
যথা-
১. প্রজাতন্ত্র
২. রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতি
৩. মৌলিক অধিকার
৪. সংসদীয় সরকার পদ্ধতি
৫. লিখিত সংবিধান
৬. জনগণের সার্বভৌমত্ব
৭. সংবিধানের সার্বভৌমত্ব
৮. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
৯. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান
১০. এককেন্দ্রিক রাষ্ট
১১. এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
১২. আইনের শাসন
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনটি সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী?
  1. ক) শাসন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) আইন বিভাগ
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা

- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে
- রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

.
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক কতজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৫ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ নম্বর ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে
- সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন
- ১১৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, 'এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বৎসর কাল হইবে'
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীতে এটি সংযোজিত হয়। এর পূর্বে নির্বাচন কমিশনারের সংখ্যা নির্দিষ্ট ছিলো না
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ক) ৬৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৬৬ (২) নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৬৭ (১) নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৭১ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- ৬৫ (৩) নং অনুচ্ছেদে ৩০০ টি আসনের মধ্যে ৫০ টি নারী আসন আগামী ২৫ বছর অর্থাৎ ২০৪৪ সাল পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে। 
- ১৯৭২ সালের সংবিধানে এ সংখ্যা ছিলো ১৫টি।
অন্যদিকে,
- ৬৬(২) নং অনুচ্ছেদ : সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা
- ৬৭(১) নং অনুচ্ছেদ : সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়া
- অনুচ্ছেদ ৭১ : দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান)

.
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় স্পিকার কে ছিলেন?
  1. ক) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  2. খ) শাহ আবদুল হামিদ
  3. গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ঘ) মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দুপুর বেলায় বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়
- তখন গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ এবং
- ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
- ১৪ ডিসেম্বর স্পিকার হিসেবে মোহাম্মদ উল্লাহ গৃহীত সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যগণ এতে স্বাক্ষর করেন।
- প্রথমে বঙ্গবন্ধু এবং এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর করেন।
- উল্লেখ্য, গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের স্পীকার ছিলেন - শাহ আবদুল হামিদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত?
  1. ক) ৪৭
  2. খ) ৪২
  3. গ) ৩৭
  4. ঘ) ৭০
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৭
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের( প্রথম সংশোধন) আইন
- উত্থাপন: ১৯৭৩ সালের ১২ জুলাই
- উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী ড. কামাল উত্থাপন করেন
- গৃহীত: ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই
 -রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৭ জুলাই
- এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানের ৪৭ নং অনুচ্ছেদের একটি অতিরিক্ত দফা সংযুক্ত করা হয়, যা গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধের দায়ে যে কোন ব্যক্তির বিচার ও শাস্তি অনুমোদন করে

৪৭(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে -
''এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন]কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দন্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।''
উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

.
চতুর্থ সংশোধনীর আলোচ্য বিষয় কী ছিল?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রর্বতন
  2. খ) সংসদীয় শাসন পদ্ধতি
  3. গ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রর্বতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রর্বতন
ব্যাখ্যা

চতুর্থ সংশোধনী-
- উত্থাপন: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি
- উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর উত্থাপন করেন
- গৃহীত ও রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ:: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি
আলোচ্য বিষয়-
- সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতির প্রবর্তন
- জাতীয় সংসদের কতক ক্ষমতা খর্ব করা হয়; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়; সুপ্রিম কোর্ট
নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহিত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়

- ত্রয়োদশ সংশোধনীর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান

.
২ক নং অনুচ্ছেদটি কোন সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত করা হয়?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
খ) অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অষ্টম
ব্যাখ্যা

-সংবিধানের ২ক নং অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ছিলো না। 
-১৯৮৮ সালে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্মের বিধান সংবলিত ২ক নং অনুচ্ছেদটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়। 
-২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা এটিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়। 
অন্যদিকে,
-পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ৮,৯,১০,১২ অনুচ্ছেদ পুণর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়। 
-চতুর্দশ
সংশোধনীর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫টি করা হয়। 
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

.
জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে কোন সংশোধনীতে?
  1. ক) সপ্তদশ
  2. খ) ষোড়শ
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৪ক নং অনুচ্ছেদে সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসসমূহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধারাটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়। 
- সপ্তদশ সংশোধনী
৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়। 
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

১০.
ষোড়শ সংশোধনী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে কখন?
  1. ক) ২০১৪ সালের ৭ সেপ্টম্বর
  2. খ) ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর
  3. গ) ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
  4. ঘ) ২০১৮ সালের ৮ জুলাই
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
ব্যাখ্যা

ষোড়শ সংশোধনী-
- উত্থাপন:২০১৪ সালের ৭ সেপ্টম্বর
- উত্থাপনকারী:এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক
- গৃহীত: :২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
ষোড়শ সংশোধনীর আলোচ্য বিষয়-
৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান

১১.
প্রস্তাবনার শীর্ষে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম' সংযুক্ত করা হয় কোন সংশোধনী দ্বারা?
  1. ক) পঞ্চম সংশোধনী
  2. খ) ষষ্ঠ সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় ৫ টি ভাগ রয়েছে। 
-- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয়। 
- ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার শীর্ষে 'বিসমিল্লাহির-রাহমানির রহিম' (দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে) বাক্য সংযুক্ত হয়।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলা তর্জমায় (পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে) সংযোজন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)

১২.
কোনো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি কোন অনুচ্ছেদ বলে আদালতে রিট আবেদন করতে পারে?
  1. ক) ৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৭ক নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৭খ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ১০২ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- মৌলিক অধিকার সমূহ বলবৎ করার জন্য কোনো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ১০২ নং অনুচ্ছেদ বলে আদালতে রিট আবেদন করতে পারেন। 
- ৭ নং অনুচ্ছেদ : সংবিধানের প্রাধান্য
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ : সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ। 
- ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান - আরিফ খান

১৩.
‘এ সংবিধান বাঙালি জাতির স্বাধীন সত্তার অভিব্যক্তি’- উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) ড. কামাল হোসেন
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

- আইনমন্ত্রী ও খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. কামাল হােসেন বলেন যে, ‘এ সংবিধান বাঙালি জাতির স্বাধীন সত্তার অভিব্যক্তি’ 
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সংসদে বলেন যে, ‘এ সংবিধান লিখিত হয়েছে লাখাে শহীদের রক্তের অক্ষরে’

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন -প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 

১৪.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ছিলেন?
  1. ক) বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল
  2. খ) ন্যাপ (মোজাফফর)
  3. গ) ন্যাপ (ভাসানী)
  4. ঘ) জাতীয় কংগ্রেস
সঠিক উত্তর:
খ) ন্যাপ (মোজাফফর)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ন্যাপ (মোজাফফর)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিলো ৩৪ জন
- এর মধ্যে একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
- তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ, মোজাফফর) এর সদস্য ছিলেন
- তিনি সংবিধানের মূল কপিতে স্বাক্ষর করেননি
- কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন
- একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

১৫.
ড. কামাল হোসেন ব্যতীত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য কতজন ছিলেন?
  1. ক) ৩৩ জন
  2. খ) ৩৪ জন
  3. গ) ৩৫ জন
  4. ঘ) ৩৬ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩ জন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়
- কামাল হোসেন ব্যতিত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা - ৩৩ জন
- এর সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু
- একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ-মোজাফফর)
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

১৬.
কোন তারিখটিকে সংবিধান দিবস হিসাবে পালন করা হয়?
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ১২ অক্টোবর
  3. গ) ৪ নভেম্বর
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধান খসড়া তৈরীর উদ্দেশ্যে গণপরিষদে ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়। 
- এই কমিটি ৭০টি বৈঠক করে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করেন। 
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদে উত্থাপন করা হয় সাধারন আলোচনার জন্য। 
- গণপরিষদ সদস্যরা সাধারন আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর তা গণপরিষদে পাশ হয়। 
- ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস।  
সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান