পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬: বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলী - [৮০ নাম্বার] পরীক্ষার টপিক: i) বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন - ১৯৪৭ পর্যন্ত) ii) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ; iii) বাংলাদেশের অর্থনীতি; iv) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য উৎস: - ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, - বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, - বাংলাপিডিয়া, - সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও - যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
'বঙ্গভঙ্গ' কালে ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  3. লর্ড লিনলিথগো
  4. লর্ড ওয়াভেল
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
 - ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে বাংলাদেশ কত তারিখে নতুন মুদ্রানীতি চালু করে?
  1. ২০ জুন, ২০২৩
  2. ১৯ জুন, ২০২৩
  3. ১৮ জুন, ২০২৩
  4. ১৭ জুন, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৮ জুন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
নতুন মুদ্রানীতি:
- বাংলাদেশের মুদ্রানীতিতে বড় পরিবর্তন এনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য সংকোচনমূলক নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ১৮ জুন, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগামী ছয় মাসের জন্য এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর 'আব্দুর রউফ তালুকদার'।
- আব্দুর রউফ তালুকদার মুদ্রানীতিতে চারটা বিষয়ে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে।
- মে মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৯৪%।
- এতদিন ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত ৯ অথবা ১০ শতাংশের বেশি ব্যাংকগুলো সুদ নিতে পারতো না।
- এর সাথে মিল রেখে তাদের আমানত সংগ্রহ করতে হতো।
- কিন্তু এখন থেকে ঋণে সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা আর থাকছে না।
- এখন থেকে ঋণের সুদের হার হবে বাজার ভিত্তিক।
- তবে এজন্য একটি রেফারেন্স রেট থাকবে।
- বর্তমানে ট্রেজারি বিলের ছয় মাসের গড় সাত দশমিক ১০ শতাংশ।

উৎস: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।      

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মির্জা মুহাম্মদ হাকিম
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সঠিক উত্তর:
জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা - জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।

• জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর:
- জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবর (১৪৮৩-১৫৩০)  ভারতে মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- পিতার দিক থেকে আমীর তৈমুর (১৩৩৬-১৪০৫ খ্রি.) এবং মায়ের দিক থেকে চেঙ্গিজ খানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
- ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে বাবুর তুর্কিস্তানের খোকন্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা উমর শেখ মির্জা ফরগানার অধিপতি ছিলেন।
- ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে পিতার মৃত্যুর পর বাবুর অল্প বয়সে ক্ষমতা লাভ করেন।
- বারবার রাজ্যহারা হয়ে তিনি মধ্যএশিয়া ত্যাগ করেন এবং ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে কাবুল দখল করেন।
- ১৫০৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাদশাহ উপাধি গ্রহণ করেন।
- ১৫১১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বাবুর প্রায় সমগ্র মধ্য এশিয়ার শাসকে পরিণত হন।
- ১৫২৬ সালের এপ্রিল মাসে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য স্থিতিশীলতা লাভ করে সম্রাট আকবরের শাসনামলে।
- দুইশ বছরের অধিক সময় ধরে মুঘলরা ভারতবর্ষ শাসন করে।
- সর্বশেষ মুঘল সম্রাট হলেন দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
 চা বোর্ড:
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ১৯৫১ সালে প্রথম পাকিস্তান টি বোর্ড গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৬৮টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
.
নিচের কোনটি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা?
  1. রঙ্গপুর বার্তাবহ
  2. গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
  3. জ্যোতি
  4. সমাচার দর্পণ
সঠিক উত্তর:
জ্যোতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যোতি
ব্যাখ্যা
সংবাদপত্র:
- পূর্ববঙ্গ অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র হলো রঙ্গপুর বার্তাবহ।
- এটি ছিলো একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮৪৭ সালের আগস্ট মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন গুরুচরণ শর্মা রায়।
- ১৮৫৭ সালে পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে,
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সম্পাদিত ঢাকা প্রকাশ (১৮৬১) হল ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা পত্রিকা।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকা (১৮৬৩) পত্রিকা হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হয়।
- জ্যোতি পত্রিকা ১৯২১ সালে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা।
- সমাচার দর্পণ একটি বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যা ব্যাপটিস্ট মিশনারি সোসাইটি প্রকাশ করেছিল এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রীরামপুরের ব্যাপটিস্ট মিশন প্রেস থেকে 1818 সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এটি প্রথম ভারতীয় ভাষার সংবাদপত্র হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং লাল নীল দীপাবলি, ড.হুমায়ুন আজাদ।
.
নিচের কোনটি 'কাটারিভোগ' চাল উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি সুগন্ধি চাল। এটি প্রধানত দিনাজপুর এলাকায় পাওয়া যায়।
- কাটারিভোগ জাতের ধান কৃষকেরা আমন মৌসুমে ফলায়।
- এই জাতের ধান চাষ করতে বাড়তি কোনো উপাদান বা খরচ হয় না। স্বাভাবিক আমন ধানের নিয়মে তা চাষ হয়ে থাকে। তবে আমন ধানের চেয়ে কাটারিভোগ জাতের ধান কম ফলন হয়, বিঘাপ্রতি ৮ থেকে ১০ মণ হয়ে থাকে।

এছাড়াও,
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই)।
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

উৎস:- কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd.
.
মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজধানী ছিল-
  1. বরেন্দ্র
  2. মহাস্থানগড়
  3. সোনারগাঁও
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
জনপদ:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রবর্ধন অন্যতম।
- এ জনপদের রাজধানী ছিলো বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়
- পরবর্তীতে মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলেও বাংলার রাজধানী ছিলো পুন্ড্রনগর।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রনগর ছিলো সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং এখানে প্রাপ্ত শিলালিপি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বলে স্বীকৃত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  3. আশুগঞ্জ সার কারখানা
  4. যমুনা সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:
- সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা) এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা। [বিস্তারিত]
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- এই কারখানাটিতে ১৯৬৯ সালে এ্যামোনিয়াম সালফেট প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১,০৬,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পাট কলটি কবে বন্ধ হয়ে যায়?
  1. ৩০ অক্টোবর, ২০০২
  2. ৩০ আগস্ট, ২০০২
  3. ৩০ জুন, ২০০২
  4. ৩০ এপ্রিল, ২০০২
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
ব্যাখ্যা
• জুট মিল:
- ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদমজীনগরে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম পাটকল ‘আদমজী জুট মিল’।
- এটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ৩০ জুন, ২০০২ এটি বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি. ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।
- এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল - কর্ণফুলী রেয়ন মিল (চন্দ্রঘোনা, রাঙামাটি)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
  1. গম
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
 ফসলের জাতসমূহ:
- আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।
- টমেটো উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা , শ্রাবণী।
- তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
- গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১২.
নিচের কোনটি লর্ড ডালহৌসীর অবদান?
  1. দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
  2. স্বত্ববিলোপ নীতি
  3. সুপ্রিম কোর্ট স্থাপন ব্যবস্থা
  4. ইন্ডিয়ান পেনাল কোড
সঠিক উত্তর:
স্বত্ববিলোপ নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ববিলোপ নীতি
ব্যাখ্যা
লর্ড ডালহৌসী:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত যত সাম্রাজ্যবাদী শাসক এ উপমহাদেশে প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে লর্ড ডালহৌসী ছিলেন ঘোর সাম্রাজ্যবাদী।

তার অবদান সমূহ
- স্বত্ববিলোপ নীতি ছিল একটি সাম্রাজ্যবাদী নীতি। লর্ড ডালহৌসি এই সাম্রাজ্যবাদী নীতিটি প্রবর্তন করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।
- ১৮৫০ সালে গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলওয়ে নামক কোম্পানি মুম্বাই থেকে থানা পর্যন্ত ৩৩ কিমি দীর্ঘ রেললাইন স্থাপন করতে থাকে। লাইনটি উদ্বোধন করা হয় ১৬ এপ্রিল ১৮৫৩ সালে। এটিই ছিল ব্রিটিশ ভারতে রেলওয়ের প্রথম যাত্রা। ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ে কোম্পানি কর্তৃক নির্মিত হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত ৩৮ কিমি রেললাইনের উদ্বোধন হয় ১৮৫৪ সালে এবং এর মাধ্যমে চালু হয় বাংলার প্রথম রেললাইন। তাঁরই সময়ে কলকাতা হতে পেশোয়ার পর্যন্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড পুনরায় চালু হয়। 
- কলকাতা হতে আগ্রা পর্যন্ত প্রথম টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা ও পেনী পোস্টকার্ড ব্যবস্থা চালু করেন।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন।

অন্যদিকে,
• বেন্টিঙ্ক লর্ড মেকলের সহায়তায় আইন কমিশন গঠন করে ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ তৈরি করেন ।
• ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭৪ সালে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের ভূখণ্ডে এটিই প্রথম সুপ্রিম কোর্ট।


উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
’জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী’- এটি কার ঘোষণা?
  1. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  2. দুদু মিয়া
  3. তিতুমীর
  4. ফকির মজনু শাহ
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
• দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র,মো. মোজাম্মেল হক।
১৪.
কররানী রাজবংশের রাজধানী ছিল -
  1. কর্ণসুবর্ণ
  2. পাটলিপুত্র
  3. তাণ্ডায়
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
তাণ্ডায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাণ্ডায়
ব্যাখ্যা
- কররানী রাজবংশের রাজধানী ছিল তাণ্ডায়।
- সর্দার তাজ খান কররানী বাংলায় কররানী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন (১৫৬৪ খ্রি.)।
- তাজ খান কররাণী ও সুলায়মান খান কররাণী শের শাহের সেনাপতি ছিলেন।
- দাউদ কররাণী ছিলেন বাংলায় শেষ আফগান শাসক।
- কর্ণসুবর্ণ বাংলার গৌড় রাজ্যের প্রথম স্বাধীন শাসক শশাঙ্ক-এর রাজধানী।
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
- পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো। এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
ট্রিপল সুপার ফসফেট সার কারখানাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ডেমরা
  2. আশুগঞ্জ
  3. ঘোড়াশাল
  4. চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
সার কারখানা:
- ট্রিপল সুপার ফসফেট সারই টিএসপি সার নামে পরিচিত। এতে সর্বাধিক পরিমাণ ফসফেট পাওয়া যায়।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ, উত্তর পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপেস্নক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎদকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস : www.bcic.gov.bd
১৬.
ভারতবর্ষকে 'দারুল হারব' বা বিধর্মীর দেশ বলে ঘোষণা করেন?
  1. শাহ ওলিউল্লাহ
  2. মীর নিসার আলী
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী শরীয়তউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
•ফরায়েজি মতবাদ:
- হাজী শরিয়ত উল্লাহ ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব’ অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি। 
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয়(ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি বিধর্মী বিজাতীয় শাসিত দেশে জুমা এবং দুই ঈদের নামাজ বর্জনের জন্য মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।নুন-ভাতের দাবিও উত্থাপন করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
-  ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
বাংলাদেশ কবে 'Least Developed Countries' হতে উত্তরণ করবে?
  1. ২০২৯ সালে
  2. ২০২৮ সালে
  3. ২০২৭ সালে
  4. ২০২৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
• LDC (Least Developed Countries):
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৮.
বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে -
  1. জার্মানি
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি:
-বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে ‘এমভি স্টেলা মরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে এ যাবৎকালে নির্মিত জাহাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও উচ্চ গতিসম্পন্ন জাহাজ ‘এনজিয়ান’ জার্মান ক্রেতা প্রতিষ্ঠান জার্মান কমরোসকি মারিটিম জিএমবিএইচ-এর প্রতিনিধির কাছে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৯.
কোন আইনের অধীনে 'ঋণ সালিশি বোর্ড' স্থাপিত হয়?
  1. বেঙ্গল অ্যাক্ট ১১
  2. বেঙ্গল অ্যাক্ট ৯
  3. বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭
  4. বেঙ্গল অ্যাক্ট ৫
সঠিক উত্তর:
বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭
ব্যাখ্যা
১৯৩৬ সালে বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ডেটরস অ্যাক্ট (১৯৩৬-এর বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭)-এর অধীনে ঋণ সালিশি বোর্ড স্থাপিত হয়।

• ঋণ সালিশি বোর্ড:
- বোর্ড অব ইকোনমিক ইনকোয়ারি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৩৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গীয় আইন পরিষদে খাজা নাজিমউদ্দীন একটি বিল উত্থাপন করেন।
- বিলটি বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ডেটরস অ্যাক্ট (১৯৩৬-এর বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭) শিরোনামে ১৯৩৬ সালের এপ্রিলে আইন পরিষদে পাস হয়।
- আইনটি ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতা উভয়ের দ্বারা মনোনীত স্থানীয় প্রভাবশালী ও শিক্ষিত লোকদের মধ্য থেকে সদস্য নিয়ে ‘বোর্ড’ নামক ঋণবিষয়ক বেশ কয়টি সালিশি সভা স্থাপনের ব্যবস্থা করে দেয়।
- বোর্ডের দায়িত্ব ছিল দু পক্ষেরই কথা শুনে প্রধানত মহাজনদের কাছে ঋণগ্রস্ত কৃষকদের অনাদায়ী ঋণ আনুপাতিক হারে কমানো এবং এভাবে তাদের ওপর থেকে চাপ লাঘব করা।
- ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত এসব বোর্ড সক্রিয় ছিলো।

এছাড়াও,
- ঋণ সালিশি বোর্ড কৃষকদের ঋণের বোঝা থেকে রক্ষা করলেও এর প্রভাবে বাংলার গ্রামীণ ঋণ বাজার দুর্বল হয়ে পড়ে।
- কারণ অনেক মহাজন তাদের ব্যবসা গুটিয়ে ফেলে।
- এতে করে কৃষি ঋণের অভাবে অনাবাদী জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- এটিকে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের অন্যতম একটি কারণ হিসেবে অনেকে মনে করেন।
- এই দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২০.
আয়কর ও মূসক আদায়ের দায়িত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. মুনাফা রাজস্ব বোর্ড
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
• আয়কর ও মূসক আদায়ের দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের। 

রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং  ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
২১.
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন -
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. শায়েস্তা খান
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
বাংলা নববর্ষ: 
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। 
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। 
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব। 
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। 
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর। 
- এই কৃষি কাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। 
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। 
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২২.
লক্ষ্মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯১৮ সালে
  3. ১৯১৭ সালে
  4. ১৯১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা
লক্ষ্মৌ চুক্তি:
- ১৯১৬ সালে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ভারতের শাসনতান্ত্রিক সরকারের নীতির প্রশ্নে লক্ষ্মৌ শহরে যে চুক্তি সম্পাদন করেন সেটি ইতিহাসে লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত।
- এ চুক্তির উদ্দেশ্য হচ্ছে - জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগীতা বৃদ্ধি, স্বরাজ অর্জন ইত্যাদি।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।
২৩.
সুন্দরবনে বাঘ গনণায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ফুটমার্ক
  2. ক্যামেরা ট্র্যাপিং
  3. স্পিড মার্ক
  4. কোয়ার্ড ট্র্যাপিং
সঠিক উত্তর:
ক্যামেরা ট্র্যাপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যামেরা ট্র্যাপিং
ব্যাখ্যা
বাঘ গণনা:
- ২০২২ সালে সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হচ্ছে ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি
- এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর আওতায় সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণ ও সুরক্ষার কাজও করা হবে।
- এর মধ্যে ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা খরচ করা হবে বাঘ গণনায়। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত।
- বন বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে ২০২৪ সালে বাঘ গণনার তথ্য প্রকাশ করা হবে।
- ২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের সুন্দরবনে বাঘ রয়েছে ১১৪টি।
- ২০১৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ১০৬টি।
 
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৪.
'গৌড়ের রত্ন’ বলা হয় -
  1. ছোট সোনা মসজিদ
  2. কান্তনগর মন্দির
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. শ্রীকৃষ্ণ মন্দির
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ: 
- প্রাচীন বাংলার গৌড়ের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় সেন বংশের রাজাদের স্মৃতিচিহ্ন ও সুলতানী আমলে নির্মিত মসজিদই এ এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এই স্থাপনাগুলোর মধ্যে সুলতানী স্থাপত্যের ছোট সোনা মসজিদ অন্যতম।
- ছোট সোনা মসজিদ ১৪৯৩ সালে নির্মাণ করা হয়।
- ওয়ালি মোহাম্মদ মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বলে শিলালিপি থেকে জানা যায়।
- উত্তর-দক্ষিণে ৮২ ফুট লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে ৫২.৫ ফুট চওড়া মসজিদটি সম্পূর্ন সোনালী রঙে ঢাকা ছিল তাই একে ‘গৌড়ের রত্ন’ বলা হত

উৎস: ট্রাভেল নিউজ.গভ.বিডি এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
২৫.
নিচের কোন জেলা রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. যশোর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম গুটি:
- রেশম উৎপাদন বা রেশমচাষ প্রথম চীন দেশে উদ্ভাবিত হয়
- পৃথিবীর বস্ত্রজগতে ‘রেশম’ বলতে তুঁতগাছের রেশমকেই বোঝায়।
- কারণ, পৃথিবীর সর্বমোট উৎপন্ন রেশমের শতকরা ৯৫ ভাগই আসলে তুঁত রেশম।
- রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত রাজশাহী জেলা।
-  ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতির ৬২নং অধ্যাদেশ দ্বারা রাজশাহীতে প্রধান কার্যালয়সহ বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন 'BGMEA' এর পূর্ণরুপ -
  1. Bangladesh Garments Manufact and Exporters Association
  2. Bangladesh Garment Manufacting Exported Association
  3. Bangladesh Garments Manufacturers and Exporters Associated
  4. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
ব্যাখ্যা
• BGMEA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
•  বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিজিএমইএ (BGMEA)।
•  প্রতিষ্ঠা-১৯৮৩সালে।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
২৭.
ইংরেজি কত সালে 'পঞ্চাশের মন্বন্তর' হয়েছিল?
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯৪৩ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
 দুর্ভিক্ষ:
- ইংরেজি ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় এটিকে "পঞ্চাশের মন্বন্তর" বলা হয়।
- এ দুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
-এ দুর্ভিক্ষের জন্যে কৃত্রিম সংকটকে দায়ী করা হয়। এ দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার - মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
নিচের কোনটির অধীনে পরিচালিত হয় 'বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ'?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
- এছাড়া মংলা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, কর্ণফুলী ও আদমজী আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৯.
শশাঙ্ক প্রাচীন বাংলার কোন অঞ্চলের শাসক ছিলেন?
  1. বঙ্গ
  2. রাঢ়
  3. গৌড়
  4. চন্দ্রদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
প্রাচীন বাংলা:
- সপ্তম শতকের প্রারম্ভে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্ক উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন যা গৌড়রাজ্য নামে পরিচিত।
- এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৩০.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য?
  1. বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
  2. শিল্পের অনগ্রসর
  3. স্বল্প মাথাপিছু আয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। সুতরাং উন্নয়নশীল অর্থনীতির সকল বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কম-বেশি দেখতে পাওয়া য়ায়।

• নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো:
- স্বল্প মাথাপিছু আয়।
- কৃষির উপর নির্ভরশীলতা।
- প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার।
- শিল্পের অনগ্রসর।
- জনসংখ্যার চাপ।
- মিশ্র অর্থনীতি।
- সস্তা শ্রম।
- বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ।
- মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩১.
কত সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হয়?
  1. ১৭৯০ সালে
  2. ১৭৯১ সালে
  3. ১৭৯২ সালে
  4. ১৭৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার কৃষকরা জমির উপর তাদের মালিকানা হারায়।
- ১৯৫০ সালের ‘পূর্ববঙ্গ জমিদার অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে’র ফলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার বিলুপ্তি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩২.
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে প্রথম এসেছিল -
  1. পর্তুগিজরা
  2. ওলন্দাজরা
  3. ইংরেজরা
  4. ফরাসিরা
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
• বাংলায় বণিকেরা:
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পনেরো শতকের শুরু থেকেই তারা বাণিজ্যের জন্য দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা শুরু করে।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে ভাস্কো ডা গামার কালিকটে পৌঁছার কয়েক দশক পরে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
- পনেরো শতকের শেষ দিক হতেই এশিয়া থেকে মসলা আহরণের উদ্দেশ্যে ভেনিস ও আরব বণিকদের এড়িয়ে বিকল্প পথ অনুসরণের ফলেই এদেশে পর্তুগিজদের অনুপ্রবেশ ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
বাংলাদেশে কোন তারিখে অর্থবছর শুরু হয়?
  1. ১ জুন
  2. ১ জানুয়ারি
  3. ১ জুলাই
  4. ১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই
ব্যাখ্যা
বাজেট: 
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর - জুলাই থেকে জুন। 
- অর্থবছর শুরু হয় - ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট - ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন - অর্থমন্ত্রী।
- বর্তমান বাজেট - ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩, 
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩,

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩ এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৪.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. সুন্দরবনের গোলপাতা
  2. সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  3. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
  4. সুন্দরবনের গেওয়া গাছের পাতা
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
ব্যাখ্যা
• চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও -
বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে -
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৩৫.
বাংলাদেশ ব্যতীত কোন দেশের মালিকানা শেয়ার রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে?
  1. জার্মান
  2. চীন
  3. ভুটান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
শেয়ার মার্কেট:
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক চীনের সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ।
- ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনের অধীনে ২০১৮ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ার চীনা কোম্পানির দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়।
- এ শেয়ার ক্রয়ে চীনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো ভারত।
- “দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে এমন কৌশলগত বিনিয়োগ করা হয়।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং দৈনিক কালেরকণ্ঠ।
৩৬.
‘জিজিয়া কর’ কী?
  1. সরকারের বাণিজ্য কর
  2. মুসলমানদের উপর ধার্য ভূমি কর
  3. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কর
  4. অমুসলিমদের উপর ধার্য এক ধরনের নিরাপত্তা কর
সঠিক উত্তর:
অমুসলিমদের উপর ধার্য এক ধরনের নিরাপত্তা কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমুসলিমদের উপর ধার্য এক ধরনের নিরাপত্তা কর
ব্যাখ্যা
কর:
 - জিজিয়া কর মুসলিম রাষ্ট্রের যুদ্ধক্ষম অমুসলিম নাগরিকদের থেকে আদায়যোগ্য এক ধরনের নিরাপত্তা 'কর'।
- এটা নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের ওপর আরোপিত হয় না। বলা যায়, এটা মুসলিম রাষ্ট্রে বসবাস করে প্রতিরক্ষা কাজে তাদের কায়িক অংশগ্রহণ না করার বিনিময়ে প্রদেয় কর।

এছাড়াও,
- যুদ্ধের সময়ও এই করের বিনিময়ে অমুসলিমরা মুসলিম রাষ্ট্রে সব রকম নাগরিক অধিকার ভোগ করে।
- মুসলিম ভারতে সব সময়ই অমুসলমানদের নিকট থেকে জিজিয়া আদায় করা হত।
- সম্রাট আকবর ১৫৬৪ সালে জিজিয়া কর রহিত করেন।
- কিন্তু সম্রাট আওরঙ্গজেব পুনরায় ১৬৭৯ সালে তা অমুসলমানদের উপর আরোপ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৭.
বাংলার দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশের নাম কী?
  1. মৌর্য বংশ
  2. সেন বংশ
  3. পাল বংশ
  4. গুপ্ত বংশ
সঠিক উত্তর:
পাল বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল বংশ
ব্যাখ্যা
• পাল বংশ:
- বাংলা শাসনকারী সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ হলো পাল বংশ
- ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে গোপাল এ বংশের প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর থেকে দ্বাদশ শতকের দ্বিতীয় ভাগ পর্যন্ত প্রায় চারশ বছর ধরে পাল শাসকরা বাংলা শাসন করেন।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠতম শাসক ছিলেন ধর্মপাল।
- তিনি প্রায় (৭৮১-৮২১ খ্রি.) ৪০ বছর বাংলা শাসন করেন।
- তার উপাধি ছিলো পরমেশ্বর, পরমভট্টারক, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর -
  1. এম নূরুল ইসলাম
  2. খোরশেদ আলম
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. কাজী হাবিবুল আউয়াল
সঠিক উত্তর:
আ ন ম হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ ন ম হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২ তম)। 

অন্যদিকে -
- এম নূরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৃতীয় গভর্নর। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় গভর্নর ছিলেন তিনি।
- একেএন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় গভর্নর।
- খোরশেদ আলম বাংলাদেশ ব্যাংকের পঞ্চম গভর্নর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৯.
'ভারতের তোতা পাখি' বলা হয় -
  1. আবুল ফজলকে
  2. সরোজিনী নাইডুকে
  3. আমীর খসরুকে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আমীর খসরুকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমীর খসরুকে
ব্যাখ্যা
কবি পরিচিত:
- আমির খসরু কবি এবং ইতিহাসবিদ, যিনি ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফার্সি ভাষার কবি হিসেবে বিবেচিত।
- আমীর খসরুকে বলা হয় "Parrot of India" ভারতের তোতা পাখি বলা হয়

এছাড়াও,
- সরোজিনী নাইডু, The Golden Threshold ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সাধারণ্যে ‘বুলবুলে হিন্দ’ খেতাবে বিভূষিত হন। ১৯০৮ সালে হায়দ্রাবাদে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কায়সার-ই-হিন্দ স্বর্ণপদক প্রদান করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা। [Link]
৪০.
প্রাচীন সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল -
  1. পাটালিপুত্র
  2. কোটিবর্ষ
  3. বড় কামতা
  4. কর্ণসুবর্ণ
সঠিক উত্তর:
বড় কামতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় কামতা
ব্যাখ্যা
সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

এছাড়া,
- কর্ণসুবর্ণ ছিলো গৌড়ের রাজধানী।
- পাটালিপুত্র মৌর্য সম্রাজ্যের রাজধানী।
- কোটিবর্ষ ছিলো রাঢ়ের রাজধানী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, NCTB।