পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
৪১তম বিসিএস ২৫ দিনে ফাইনাল রিভিশন - সাধারণ বিজ্ঞান সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
আরশোলার বৈজ্ঞানিক নাম কি?
  1. ক) Apis indica
  2. খ) Periplaneta americana
  3. গ) Bufo melanostictus
  4. ঘ) Plasmodium vivax
ব্যাখ্যা

Apis indica - মৌমাছি
Periplaneta americana - আরশোলা
Bufo melanostictus - কুনোব্যাঙ
Plasmodium vivax - ম্যালেরিয়ার জীবাণু

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোন পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষ এর বিভাজন ঘটে?
  1. ক) মাইটোসিস
  2. খ) অ্যামাইটোসিস
  3. গ) মিয়োসিস
  4. ঘ) ক্লিভেজ
ব্যাখ্যা
যৌন প্রজনন ও জনঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। মিয়ােসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। অপত্য জননকোষে ক্রোমােজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমােজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোষ বিভাজনের সময় প্রাণী কোষের নিম্নোক্ত কোন উপাদানটির প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) কোষঝিল্লি
  2. খ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  3. গ) গলগি বস্তু
  4. ঘ) সেন্ট্রোজোম
ব্যাখ্যা

প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, তাদের সেন্ট্রিওল বলে। সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরলকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার এবং সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে সেন্ট্রোজোম বলে।
সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার রে তৈরি করে। এছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশগ্রহণ করে।

.
রাবার কোন ধরনের টিস্যু?
  1. ক) জটিল টিস্যু
  2. খ) ভাজক টিস্যু
  3. গ) স্থায়ী টিস্যু
  4. ঘ) তরুক্ষীয় টিস্যু
ব্যাখ্যা
যে টিস্যু থেকে তরুক্ষীর (ষধঃবী) নিঃসৃত হয় তাদেরকে তরুক্ষীর টিস্যু বলা হয়। তরুক্ষীর দুধের মত একরকম সাদা, হলুদ অথবা বর্ণহীন আঠালো তরল পদার্থ। তরুক্ষীরে শ্বেতসার, আমিষ, চর্বি, আঠা উৎসেচক ইত্যাদি থাকে।
যেমন: রাবার, আকন্দ, ছাতিম, আফিম ইত্যাদি।
রেফারেন্সঃ জীববিজ্ঞান বই, এসএসসি লেভেল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মাইটোকনড্রিয়া কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) বেনডা
  2. খ) রবার্ট হুক
  3. গ) ওয়াটসন ও ক্রিক
  4. ঘ) থ্রিওফাস্টাস
ব্যাখ্যা
শ্বসনে অংশগ্রহণকারী মাইটোকন্ড্রিয়া দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী বা ঝিল্লি দিয়ে ঘেরা। ১৮৯৮ সালে বেনডা (Benda) এ অঙ্গাণুটি আবিষ্কার করেন। জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ। মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস।
আবিষ্কার নিয়ে অবশ্য বিতর্ক আছে। তবে, প্রচলিত উত্তর হিসেবে বেনডা ঠিক আছে।
রেফারেন্সঃ জীববিজ্ঞান বই, এসএসসি লেভেল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটির অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না?
  1. ক) আয়রন
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) সালফার
ব্যাখ্যা

পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণঃ
নাইট্রোজেন (N) এর অভাবে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে। তাই পাতা হলুদ হয়। এ প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে। কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন হ্রাস পায়। ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে।
ফসফরাস (P) এর অভাবে পাতা বেগুনি রং ধারণ করে। পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়। পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে। উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।
পটাসিয়াম (K) এর অভাবে পাতার শীর্ষ ও কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়। উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।
ক্যালসিয়াম (Ca) এর অভাবে কঁচি পাতায় ক্লোরোসিস হয়, উদ্ভিদের বর্ধনশীল শীর্ষ অঞ্চল মরে যায়। ফুল ফোঁটার সময় উদ্ভিদের কান্ড শুকিয়ে যায় এবং উদ্ভিদ হঠাৎ নেতিয়ে পড়ে।
ম্যাগনেসিয়াম (Mg) এর অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে। পাতার সরুশিরাসমূহের মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।
আয়রন (Fe) এর অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়, তবে পাতার সরুশিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথমে হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনও কখনও সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়। কান্ড দুর্বল ও ছোট হয়।
সালফার (S) এর অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। কান্ডের শীর্ষ মরে যায় এবং ডাউব্যাক রোগের সৃষ্টি হয়। কান্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় তাই উদ্ভিদ খর্বাকৃতির হয়।
বোরন (B) এর অভাবে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। কচি পাতার বৃদ্ধি কমে এবং পাতা বিকৃত হয়, কান্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।

সুত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিম্নের কোন খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ বেশি?
  1. ক) ঘি
  2. খ) গরুর দুধ
  3. গ) খাসির মাংস
  4. ঘ) ইলিশ মাছ
ব্যাখ্যা

100 গ্রাম ঘি এ মোট 900 কিলোক্যালরি শক্তি আছে।
অন্যদিকে, 100 গ্রাম গরুর দুধ, খাসির মাংস, ইলিশ মাছ এ শক্তি আছে যথাক্রমে 67 কিলোক্যালরি 194 কিলোক্যালরি এবং 273 কিলোক্যালরি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
রক্তশূন্যতার জন্য নিম্নের কোন উপাদানটি দায়ী নয়?
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ফলিক এসিড
  4. ঘ) ভিটামিন বি-12
ব্যাখ্যা
রক্তশূন্যতা হচ্ছে দেহের এমন একটি অবস্থা, যখন বয়স এবং লিঙ্গভেদে রক্তে হিমােগ্লোবিনের ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। খাদ্যের মুখ্য উপাদান লৌহ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-12 ইত্যাদির অভাব ঘটলে এ রােগ দেখা যায়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
উদ্ভিদের কিসের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রস্বেদন হয়?
  1. ক) পত্ররন্ধ্র
  2. খ) কিউটিকল
  3. গ) লেন্টিসেল
  4. ঘ) মুলো রুম
ব্যাখ্যা
পত্ররন্দ্রীয় প্রস্বেদন (stromatal transpiration): পাতায়, কচিকাণ্ডে, ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে দুটি রক্ষীকোষ (Guard cell) বেষ্টিত এক ধরনের রন্ধ্র থাকে। এদেরকে পত্ররন্ধ্র (একবচন stoma, বহুবচন stomata) বলে। কোনাে উদ্ভিদের মােট প্রস্বেদনের 90-95% হয় পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইম-
  1. ক) টায়ালিন
  2. খ) পেপসিন
  3. গ) রেনিন
  4. ঘ) লাইপেজ
ব্যাখ্যা
মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইমটি হলো টায়ালিন।
টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ, গ্লাইকোজেন, ডেক্সট্রিন অণুকে আর্দ্রবিশ্লিষ্ট করে প্রথমে দ্রবণীয় স্টার্চ এবং পরে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন অণুতে পরিণত করে।
উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
কোন বস্তুর নির্দিষ্ট দিকে অতিক্রান্ত দূরত্বকে কি বলে?
  1. ক) দূরত্ব
  2. খ) বেগ
  3. গ) দৈর্ঘ্য
  4. ঘ) সরণ
ব্যাখ্যা
কোন বস্তুর নির্দিষ্ট দিকে অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ বলে। সরণ একটি ভেক্টর রাশি যার S.I একক মিটার (m)।
১২.
রকেট চালনা করা কোন সূত্রের বাস্তব উদাহরণ?
  1. ক) আর্কিমিডিসের সূত্র
  2. খ) নিউটনের প্রথম সূত্র
  3. গ) পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
  4. ঘ) নিউটনের তৃতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা

রকেট চালনা করা নিউটনের তৃতীয় সূত্রের বাস্তব উদাহরণ।
নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হল - প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে
রকেট চালনার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণ জ্বালানিকে গ্যাসে পরিণত করা হয় এবং এই গ্যাস কে বাইরের দিকে সজোরে নিক্ষেপ করা হলে রকেট বিপরীত দিকে অর্থাৎ উপরের দিকে উৎক্ষেপিত হয়।

১৩.
চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে কি কারণে?
  1. ক) ত্বরণ
  2. খ) বেগ
  3. গ) গতি
  4. ঘ) জড়তা
ব্যাখ্যা
স্থির বস্তুর স্থির এবং গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকার প্রবণতা কে জড়তা বলে। চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে বসে থাকা যাত্রীর নিচের অংশ স্থির হয়ে গেলেও জড়তার কারণে উপরের অংশ গতিশীল থাকে তাই যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
১৪.
লিফট যদি মুক্তভাবে নিচে পড়ে তবে লিফটের সাপেক্ষে আমাদের ত্বরণ হবে-
  1. ক) 0
  2. খ) অসীম
  3. গ) ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড ২
  4. ঘ) ৮.৯ মিটার/সেকেন্ড ২
ব্যাখ্যা
লিফট যদি মুক্তভাবে নিচে পড়ে অর্থাৎ, লিফটেরও যদি g ত্বরণ হয়, তবে লিফটের সাপেক্ষে আমাদের ত্বরণ হবে (g- g) অর্থাৎ শূন্য। ফলে আমরা লিফটের উপর কোনাে বল প্রয়ােগ করব না।
উৎস: অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
১৫.
শীতকালে কোন রঙেয়ের কাপড় আরামদায়ক?
  1. ক) সাদা
  2. খ) সবুজ
  3. গ) কাল
  4. ঘ) নীল
ব্যাখ্যা

কালো রং অন্য সকল রংকে শোষণ করতে পারে বলে শীতকালে কালো রঙের কাপড় পরা আরামদায়ক।
অন্যদিকে, সাদা রং অন্য সকল রংকে প্রতিফলিত করে দেয় বলে গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের কাপড় পরা আরামদায়ক।

১৬.
থার্মোমিটারে কি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) কেরোসিন
  3. গ) পারদ
  4. ঘ) পেট্রোল
ব্যাখ্যা

পারদ একটি তরল ধাতু। তাপে পারদের সুষম এবং দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে, যা তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য একটি প্রয়ােজনীয় বৈশিষ্ট্য।
এছাড়া পারদের গলনাঙ্ক পানির গলনাঙ্কের অনেক কম এবং স্ফুটনাঙ্ক পানির স্ফুটনাঙ্কের অনেক বেশি।
এজন্য সাধারণত জীবদেহের তাপমাত্রা মাপতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়।

১৭.
গাড়ির হেডলাইটে কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহার করা?
  1. ক) উত্তল
  2. খ) অবতল
  3. গ) উভউত্তল
  4. ঘ) উভঅবতল
ব্যাখ্যা

কিছু গাইড বইতে ভুল দেয়া থাকতে পারে।
গাড়ির হেডলাইটে উত্তর লেন্স এবং অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, উত্তল লেন্সের ব্যবহার গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররেও হয়।

অবতল দর্পণের ফোকাসে একটি বাল্ব রাখা থাকে। বাল্বটি জ্বললে উৎপন্ন অপসারী আলােকরশ্মি অবতল দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরাল আলােকরশ্মি গুচ্ছ পরিণত হয় এবং অনেক দূর পর্যন্ত যায়। এর ফলে চালক রাতের অন্ধকারে অনেক দূরের বস্তু কে দেখতে পায়।

নিচের ডায়াগ্রাম দেখুন -

১৮.
সুউচ্চ পর্বত‌ এ রান্না করা কঠিন কেন?
  1. ক) বায়ুর চাপ বেশি ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
  2. খ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
  3. গ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক বেশি
  4. ঘ) বায়ুর চাপ বেশি ও পানির স্ফুটনাঙ্ক বেশি
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর পৃষ্ঠে বায়ুর চাপ সবচেয়ে বেশি। তাই পৃথিবীর পৃষ্ঠে পানির স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১০০° সেলসিয়াস।
কিন্তু পৃথিবী হতে যত উপরে উঠা যায় তত বায়ুর চাপ কমে যায়, ফলে স্ফুটনাঙ্ক হ্রাস পায়।
সুউচ্চ পর্বতে বায়ুর চাপ পৃথিবীর বায়ুর চাপ অপেক্ষা কম বিধায় পর্বতের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কম। তাই পর্বতের উপর পানি কম তামপাত্রায় ফুটতে থাকে।
হিসাব করে দেখা গেছে এভারেস্ট পর্বত শৃঙ্গে মাত্র ৭০° সেলসিয়াতাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, কিন্তু মাছ, মাংস, ডিম প্রভৃতি দ্রুত সিদ্ধ হয় না।

১৯.
কোনাে মানুষ শূন্যে ভাসতে পারে না কিন্তু পানিতে ভাসতে পারে। কারণ-
  1. ক) পানির ঘনত্ব বায়ুর ঘনত্বের চেয়ে বেশি
  2. খ) বায়ুর উর্ধ্বমুখী বল পানির উর্ধ্বমুখী বল অপেক্ষা কম
  3. গ) অপসারিত বায়ুর ওজন অপসারিত পানির ওজনের চেয়ে কম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র থেকে আমরা পাই পানিতে নিমজ্জিত কোন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরলের ওজন বস্তুর হারানো ওজনের সমান। এক্ষেত্রে পানি দ্বারা উপরের দিকে একটি ঊর্ধ্বমুখী বল কাজ করে।
২০.
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) সমুদ্রের পানি
  4. ঘ) পেট্রোল
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে আসলে জ্বালানি হবে না, শক্তির উৎস হবে। তবে, প্রশ্নের ধরণ দেখে বুঝতে সমস্যা হবার কথা নয়।

যে শক্তিকে নবায়ন করা যায় অর্থাৎ যা ফুরিয়ে যাবার আশংকা নেই তাই নবায়নযোগ্য শক্তি৷
যেমনঃ সূর্যের আলো, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, নদীর বহমান পানি, বায়ুশক্তি, জিওথার্মাল ইত্যাদি।
অনবায়নযোগ্য শক্তি হলো, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ।
যেমনঃ তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২১.
সরল দোলকের সূত্রাবলী কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) কেপলার
  4. ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা

অল্প বিস্তারে আন্দোিলত কোনো সরল দোলকের দোলনকাল চারটি সূত্র মেনে চলে। বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এই সূত্রগুলো আবিস্কার করেন।
সুত্রঃ এইচএসসি পদার্থ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
অণুসমূহ পরস্পরকে যে শক্তিতে আকর্ষণ করে তাকে কি বলে?
  1. ক) রাসায়নিক বন্ধন
  2. খ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি
  4. ঘ) নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
আন্তঃআণবিক শক্তির কারণে অণুসমূহ পরস্পরের সন্নিকটে থাকতে চায় কিন্তু অণুসমূহ সর্বদা কম্পমান। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কম্পন বৃদ্ধি পায় এবং অণুসমূহ পরস্পর হতে বিচ্ছিন্ন হতে চায়। আন্তঃআণবিক শক্তি নির্ভর করে পদার্থের প্রকৃতির উপর।
২৩.
মোমবাতির দহন-
  1. ক) ভৌত পরিবর্তন
  2. খ) রাসায়নিক পরিবর্তন
  3. গ) উভয়টি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মােম হলাে বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। হাইড্রোজেন এবং কার্বন মিলে গঠিত জৈব যৌগই হলাে হাইড্রোকার্বন।
মােমের মধ্যে একটি সুতা থাকে। এ সুতাতে আগুন জ্বালালে সুতার চারদিকে হাইড্রোকার্বন অণুগুলাে তাপে গলে তরলে পরিণত হয়। ঐ তরল মােম আগুনের তাপে প্রথমে বাষ্পে পরিণত হয়।
অতএব ঐ বাষ্পীয় মােম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলােএবং তাপ উৎপন্ন করে এটা রাসায়নিক পরিবর্তন।
অন্যদিকে তরল মােমের কিছু অংশ ঠাণ্ডা হলে কঠিন মােমে পরিণত হয় এটা ভৌত পরিবর্তন।
২৪.
পানি 100 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে তখন বায়ুমন্ডলীয় চাপ কত থাকে?
  1. ক) 1 atm
  2. খ) 2 atm
  3. গ) 3 atm
  4. ঘ) 0 atm
ব্যাখ্যা
যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে তাকে স্ফুটনাংক বলে যেমন 1 বায়ুমন্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100 ডিগ্রী সেলসিয়াস। স্ফুটনাংক এর বিপরীত প্রক্রিয়াটির নাম ঘনীভবন।
২৫.
কোন পদার্থটিকে তাপ দিলে কঠিন পদার্থ থেকে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়?
  1. ক) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) নিশাদল
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা

যে প্রক্রিয়ায় কোনাে কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলাে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
নিশাদল (NH4Cl), কপূর (C10H16O), ন্যাপথলিন(C6H6), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়ােডিন (I), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) - এই পদার্থগুলােকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলাে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলােকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়।
কঠিন ন্যাপথলিনকে তাপ দিলে সেটি তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয়।

২৬.
পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত-
  1. ক) 2:1
  2. খ) 1:1
  3. গ) 1:2
  4. ঘ) 2:2
ব্যাখ্যা
যেখান থেকেই পানির নমুনা সংগ্রহ করা হোক না কেন রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলে সব সময় দুই ভাগ হাইড্রোজেন এবং এক ভাগ অক্সিজেন পাওয়া যাবে অর্থাৎ পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণু সংখ্যা 2:1।
২৭.
H2 দ্বারা বুঝায়-
  1. ক) হাইড্রোজেনের অণু
  2. খ) হাইড্রোজেনের পরমাণু
  3. গ) হাইড্রোজেন এর যৌগ
  4. ঘ) হাইড্রোজেনের প্রতীক
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেনের একটি অণুকে প্রকাশ করতে H2 ব্যবহার করা হয়। যার অর্থ হলাে একটি হাইড্রোজেনের অণুতে দুটি হাইড্রোজেনের পরমাণু (H) আছে।
২৮.
সোডিয়ামের ভর সংখ্যা ২৩ হলে এর নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৩
ব্যাখ্যা
যেহেতু ভরসংখ্যা হলাে প্রােটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যােগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রােটন সংখ্যা বিয়ােগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়।
সােডিয়ামের (Na) ভরসংখ্যা হলাে 23, এর প্রােটন সংখ্যা 11, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে = 23 -11= 12।
২৯.
বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিম্নের কোন বিক্রিয়াটি বহুল ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফিশন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) হাইড্রোলাইসিস
  4. ঘ) বিযোজন
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু পরমাণুকে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরমাণুতে পরিণত করলে অর্থাৎ ফিশন বিক্রিয়া ঘটালে প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি বের হয়। এই তাপশক্তি ব্যবহার করে জেনারেটর দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। আমরা সেটিকে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র বলি।
উৎস: নবম শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান
৩০.
নবজাতকের ত্বকের pH কত?
  1. ক) ৫ এর কাছাকাছি
  2. খ) ৬ এর কাছাকাছি
  3. গ) ৭ এর কাছাকাছি
  4. ঘ) ৮ এর কাছাকাছি
ব্যাখ্যা
বাজারে মুখ ধােয়ার জন্য যেসব প্রসাধন সামগ্রী পাওয়া যায় তার pH-এর মান থাকে সাধারনত ৫.৫। এর কারণ আমাদের ত্বক সাধারণত এসিডিক হয় এবং এর pH ৪-৬ এর মধ্যে থাকে।
তবে নবজন্ম নেওয়া শিশুদের ত্বকের pH-এর মান ৭ এর কাছাকাছি থাকে।
তাই বড়দের জন্য যেসব প্রসাধনী ব্যবহৃত হয়, তা শিশুদের জন্য প্রযােজ্য নয়। এতে শিশুদের ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
উৎস: নবম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
৩১.
গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির কারণে আমরা যে এন্টাসিড খাই তা হল-
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, খাদ্য পরিপাকের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পাকস্থলী থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসৃত হয় যার কারণে আমাদের গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির উদ্রেক হয়। এ এসিড কে প্রশমিত করতে আমরা এন্টাসিড হিসেবে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড নামক ক্ষার ব্যবহার করে থাকি।
৩২.
কোন ধরনের মাটি চাষাবাদের জন্য খুবই উপযোগী?
  1. ক) পলিমাটি
  2. খ) কাদামাটি
  3. গ) বালু মাটি
  4. ঘ) দোআঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
দো-আঁশ মাটি এই মাটি বালু, পলি আর কাদা মাটির সমন্বয়েই তৈরি হয়। দো-আঁশ মাটিতে থাকা বালু, পলি আর কাদা মাটির অনুপাতের উপর নির্ভর করে দো-আঁশ মাটির ধরন কেমন হবে।
দো-আঁশ মাটির একদিকে যেমন পানি ধারণক্ষমতা ভালাে আবার প্রয়ােজনের সময় পানি দ্রুত নিষ্কাশনও হতে পারে। তাই ফসল চাষাবাদের জন্য দো-আঁশ মাটি খুবই উপযােগী।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।
৩৩.
উচ্চ ক্ষমতার এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা হয় কোন পদ্ধতির মাধ্যমে-
  1. ক) রেডিওথেরাপি
  2. খ) কেমোথেরাপি
  3. গ) এনজিওগ্রাম
  4. ঘ) এন্ডোসকপি
ব্যাখ্যা

রেডিও থেরাপি (Radio Therapy)
রেডিও থেরাপি একটি চিকিৎসা প্রক্রিয়া যা ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয়। রেডিওথেরাপি শব্দটি ইংরেজি জধফরধঃরড়হ ঞযবৎধঢ়ু এর সংক্ষিপ্ত রূপ। রেডিওথেরাপি হলো ক্যানসার আরোগ্য বা নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল। এটি ব্যবহার করে ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যধির চিকিৎসা করা হয়। সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। শরীরের যে অঙ্গে ক্যানসার হয়েছে সে অঙ্গের আক্রান্ত স্থানে রশ্মি প্রয়োগ করা হয় এর ফলে কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় কিছু সংখ্যক সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবুও আমাদের উদ্দেশ্য হলো যত কম সংখ্যক সুস্থ কোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বহু সংখ্যক ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা। ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ সুস্থ কোষ নিজ থেকেই এই ক্ষয়পূরণ করতে পারে। দুই ধরনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের DNA ধ্বংস করা হয় একটি হলে ফোটন কণাকে কাজে লাগিয়ে অন্যটি তেজস্ক্রিয় কণার মাধ্যমে।
DNA একটি কোষের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং এটি সকল কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে DNA ধ্বংস করলে কোষটি সাথে সাথেই ধ্বংস হয়। এক্ষেত্রে তেমন সময়ের প্রয়োজন হয় না। এজন্য যে সকল রোগীর ক্যান্সার নিরাময়ে বা সামান্য সময় পাওয়া যায় তাদের ক্ষেত্রে রেডিও থেরাপিই একমাত্র ভরসা। অন্যথায় রোগীর মৃত্যু অনিবার্য।
রেডিও থেরাপিকালে রোগীর কিছু ঝুঁকি দেখা দেয়। যেমন রোগীর চুল পড়ে যায়, চামড়া ঝুলে যায়, মুখের ভিতরের অংশ ও গলা শুকিয়ে যায়, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া বা বদ হজমে দেখা দেয়। রোগী ক্লান্তি ও অবসাদে ভোগে। তাই রেডিও থেরাপি দেয়ার সময় রোগীকে প্রতিবার একই জায়গায় একই অবস্থানে রেখে চিকিৎসা দিতে হবে। থেরাপি চলাকালে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক চলা উচিৎ।
সুত্রঃ এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
মহাকাশে মানুষ বহনকারী প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহটির নাম কি?
  1. ক) স্পুটনিক-১
  2. খ) ভস্টক-১
  3. গ) ইনটেলসেট-১
  4. ঘ) ল্যান্ডসেট-১
ব্যাখ্যা

Vostok, any of a series of manned Soviet spacecraft, the initial flight of which carried the first human being into space. Launched on April 12, 1961, Vostok 1, carrying cosmonaut Yury A. Gagarin, made a single orbit of Earth before reentry.
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩৫.
p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর ডোপায়‌নের ক্ষেত্রে কিরূপ মৌল ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পঞ্চযোজী
  2. খ) ত্রিযোজী
  3. গ) দ্বিযোজী
  4. ঘ) একযোজী
ব্যাখ্যা
বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরের সাথে প্রয়ােজনমত ত্রিযােজী ভেজাল উপাদান মিশিয়ে যে সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা হয় তাকে p-type সেমিকন্ডাক্টর বলে।
বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়াম পরমাণুর সাথে একটি ত্রি-যােজী পরমাণু ভেজাল হিসেবে যুক্ত করলে ত্রি-যােজী পরমাণুর তিনটি ভ্যালেন্স ইলেকট্রন নিকটবর্তী তিনটি সিলিকনের ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সাথে শেয়ারিং এর মাধ্যমে সমযােজী বা কো-ভ্যালেন্ট বন্ড সৃষ্টি করে।
কিন্তু ত্রিযােজী পরমাণুর যােজ্যতা স্তরে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি থাকায় সিলিকনের চতুর্থ ইলেকট্রনের সাথে বন্ধন তৈরি করতে পারে না। ফলে একটি ফাঁকা স্থান বা হােল সৃষ্টি হয়। এরকমভাবে প্রত্যেকবার ত্রি-যােজী পরমাণু মেশানাের ফলে একটি করে হােল সৃষ্টি হয়। আর এই হােল পজেটিভ চার্জ বহন করে বলে এই নতুন সেমিকন্ডাক্টরকে বলা হয় P- টাইপ সেমিকন্ডাক্টর। এখানে P দ্বারা পজেটিভ বোঝানো হয়।
৩৬.
নিচের কোনটি এমপ্লিফায়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) আইসি
  3. গ) ডায়োড
  4. ঘ) মাল্টিপ্লাগ
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র,যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটার, সেলুলার ফোন এবং অন্য সকল আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল গাঠনিক উপাদান হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়।
দ্রুত সাড়া প্রদানের ক্ষমতা এবং সঠিক সম্পূর্ণ সঠিকভাবে কার্য সাধনের ক্ষমতার কারণে এটি আধুনিক ডিজিটাল বা অ্যানালগ যন্ত্রপাতি তৈরীতে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩৭.
সলিনয়েড কী?
  1. ক) লোহার দন্ড
  2. খ) পিতলের গুড়া
  3. গ) তারের কুণ্ডলী
  4. ঘ) বিদ্যুৎ পরিবাহী তার
ব্যাখ্যা
একটি লম্বা অন্তরীত পরিবাহী তারকে স্প্রিং-এর মতাে বহুপাকে ঘন সন্নিবিষ্ট করে সাজিয়ে বা কয়েল তৈরি করে তা দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে একটি দন্ড চুম্বকের ন্যায় চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এরকম কুন্ডলীকে সলিনয়েড বলে।
৩৮.
কোন বিষয়ে অবদানের জন্যে ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ক) ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপির বিকাশ
  2. খ) লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
  3. গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
  4. ঘ) হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত
ব্যাখ্যা

রসায়নে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের এমানুয়েল শারপন্টিয়ের এবং যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার ডাউডনা। জিনোম এডিটিংয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্যে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
অন্যদিকে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত ও এর চিকিৎসার উন্নতির জন্যে হার্ভে জে আল্টার (যুক্তরাষ্ট্র), চার্লস রাইস (যুক্তরাষ্ট্র), মিকায়েল হগটন (যুক্তরাজ্য) চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
(সূত্র: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট)