পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২ বাংলা ব্যাকরণ টপিক: সন্ধি বিচ্ছেদ ও কারক-বিভক্তি, বাংলা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ। উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
‘অতল’ শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. গহন
  2. আকর্ষণ
  3. খোঁজ
  4. সন্ধান
সঠিক উত্তর:
গহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গহন
ব্যাখ্যা
• ‘অতল’ শব্দের সমার্থক শব্দ - গহন

• ‘অতল’ শব্দের আরো কিছু প্রতিশব্দ:
- নিবিড়, গভীর, গহন, প্রগাঢ়।

অন্যদিকে,
‘সন্ধান’ শব্দের প্রতিশব্দ:
সংবাদ, বার্তা, তথ্য, সমাচার, বিবরণ, খবর, বৃত্তান্ত, খোঁজখবর।

‘খোঁজ’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- সন্ধান, অন্বেষণ, অনুসন্ধান, খোঁজা, তালাশ।

‘আকর্ষণ’ শব্দের প্রতিশব্দ:

- টান, প্রবণতা, ঝোঁক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'মৃদু' শব্দটির বিপরীত শব্দ নয় -
  1. প্রবল
  2. তীব্র
  3. উগ্র
  4. হালকা
সঠিক উত্তর:
হালকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালকা
ব্যাখ্যা
• 'মৃদু' শব্দটির বিপরীত শব্দ - উগ্র / তীব্র / প্রবল।

অন্যদিকে,
- 'ভারী' শব্দের বিপরীত শব্দ - হালকা।

আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
'উদ্ধত' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - বিনীত,
'ভীরু' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - নির্ভীক,
'জঙ্গম' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - স্থাবর,
'ঢালু' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - সমান,
'উদ্যত' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - বিরত,
'উদ্ধত' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো - বিনীত ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'অতিবৃষ্টি' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. অনাবৃষ্টি
  2. অল্প বৃষ্টি
  3. খুব বৃষ্টি
  4. ভারী বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
অনাবৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবৃষ্টি
ব্যাখ্যা
• ‘অতিবৃষ্টি’ শব্দের বিপরীত শব্দ - অনাবৃষ্টি

কয়েকটি বিপরীত শব্দ হলো:
- অনুগ্রহ = নিগ্রহ।
- অনুজ = অগ্রজ।
- অনুকূল = প্রতিকূল।
- অনির্বাণ = নির্বাণ।
- অধমর্ণ = উত্তমর্ণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'শৈল' শব্দটির সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. অদ্রি
  2. তপন
  3. গিরি
  4. অচল
সঠিক উত্তর:
তপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তপন
ব্যাখ্যা
• 'শৈল' শব্দটির সমার্থক শব্দ নয় - তপন।
- 'তপন' শব্দটির সমার্থক শব্দ - সূর্য। 
 
'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
-পাহাড়, অদ্রি, ভূধর, গিরি, শৈল, অচল।
 
অন্যদিকে,
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
রবি, তপন, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, ভাস্কর, দিনেশ, কিরণমালী, দিনমণি, বিভাকর, পূষণ, অংশুমান, অরুন।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি কোনটি?
  1. তস্কর
  2. উত্থাপন
  3. সংস্কার
  4. নিরস
সঠিক উত্তর:
তস্কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তস্কর
ব্যাখ্যা
• 'তস্কর ' একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি।
- এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে - তৎ + কর।

আরো কিছু নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হলো:
- মনীষা = মনস্‌ + ঈষা,
- বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি,
- আশ্চর্য = আ + চর্য,
- পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি,
- বনস্পতি = বন্‌ + পতি,
- পরস্পর = পর্‌ + পর,
- একাদশ = এক্‌ + দশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- বিশেষ নিয়মে সাধিত কতগুলো সন্ধি হচ্ছে: সম্ + কার = সংস্কার, উৎ + স্থাপন = উত্থাপন ইত্যাদি।
- বিসর্গ সন্ধ:- নিঃ + রস = নীরস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি কর্ম সম্বন্ধের উদাহরণ?
  1. রাজার হুকুম
  2. চোখের দেখা
  3. প্রভুর সেবা
  4. হাতের লাঠি
সঠিক উত্তর:
প্রভুর সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভুর সেবা
ব্যাখ্যা
সম্বন্ধ পদ:
- ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে।
যেমন-
- মতিনের ভাই বাড়ি যাবে।
- এখানে 'মতিনের' সঙ্গে 'ভাই'-এর সম্পর্ক আছে, কিন্তু 'যাবে' ক্রিয়ার সাথে সম্বন্ধ নেই।
- জ্ঞাতব্য: ক্রিয়ার সঙ্গে সম্বন্ধ পদের সম্বন্ধ নেই বলে সম্বন্ধ পদকে কারক বলা হয় না।

কারক সম্বন্ধ:
(১) কর্তৃ সম্বন্ধ: রাজার হুকুম।
(২) কর্ম সম্বন্ধ: প্রভুর সেবা, সাধুর দর্শন।
(৩) করণ সম্বন্ধ: চোখের দেখা, হাতের লাঠি।
(৪) অপাদান সম্বন্ধ: বাঘের ভয়, বৃষ্টির পানি।
(৫) অধিকরণ সম্বন্ধ: ক্ষেতের ধান, দেশের লোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।' - বাক্যে 'সূর্যোদয়ে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ভাবাধিকরণে ৭মী
  2. কালাধিকরণে ৭মী
  3. অপাদান কারকে ৭মী
  4. আধারাধিকরণে ৭মী
সঠিক উত্তর:
ভাবাধিকরণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাবাধিকরণে ৭মী
ব্যাখ্যা
ভাবাধিকরণ অধিকরণ কারক:
- যদি কোন ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিরকরণ বলে।
- ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী বলা হয়।
যেমন:
- সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। (ভাবাধিকরণে ৭মী)।
- কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।

অন্যদিকে,
আধারাধিকরণ:
- আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়। যেমন: তিলে তৈল আছে। ছেলেটি অঙ্কে কাচা। নদীতে পানি আছে।
এটি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা : - ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।

কালাধিকরণ:
- যে কালে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কালাধিকরণ কারক বলে।
উদাহরণ-
ছেলেবেলায় আমি খুব দুষ্টু ছিলাম।

অপাদান কারক:
- যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত ‘হতে’, ‘থেকে’ ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দেরে পরে বসে।
যেমন:
- জমি থেকে ফসল পাই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'নাজ্জামাই' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নাতি + জামাই
  2. নাত + জামাই
  3. নাজ + জামাই
  4. নাতিন + জামাই
সঠিক উত্তর:
নাত + জামাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাত + জামাই
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জন সন্ধি:
- ঘরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর স্বরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।
- প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি সমীভবন ( Assimilation)-এর নিয়মেই হয়ে থাকে। আর তা-ও মূলত কথ্যরীতিতে সীমাবদ্ধ।

সন্ধির নিয়ম:
- চ-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ত-বর্গীয় ধ্বনি আসে তাহলে, ত-বর্গীয় ধ্বনি লোপ হয় এবং চ-বর্গীয় ধ্বনির দ্বিত্ব হয়।
- অর্থাৎ ত-বর্গীয় ধ্বনি ও চ-বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়।
যেমন-
- নাত + জামাই = নাজ্জামাই (ত্ + জ=জ্জ),
- বদ্ + জাত = বজ্জাত,
- হাত + ছানি = হাচ্ছানি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বাক্যে দুইটি কর্ম থাকলে ব্যক্তিবাচক কর্মপদটিকে বলে-
  1. দ্বিকর্মক
  2. গৌণ কর্ম
  3. সমধাতুজ কর্ম
  4. মুখ্য কর্ম
সঠিক উত্তর:
গৌণ কর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌণ কর্ম
ব্যাখ্যা
• বাক্যে দুইটি কর্ম থাকলে বস্তুবাচক কর্মটিকে প্রধান বা মুখ্য কর্ম ও ব্যক্তিবাচক কর্মটিকে গৌণ কর্ম বলে।
- যেমন -বাবা আমাকে একটি ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন।
- কাকে দিয়েছেন? আমাকে।
- কী দিয়েছেন? ল্যাপটপ
- আমাকে- (গৌণ কর্ম) ও ল্যাপটপ- (মুখ্য কর্ম)।

• তবে দুইটি একই ধরনের কর্ম থাকলে প্রথম কর্মটিকে উদ্দেশ্য কর্ম ও দ্বিতীয়টিকে বিধেয় কর্ম বলে।
- যেমন- ‘দুধকে মোরা দুগ্ধ বলি, হলুদকে বলি হরিদ্রা’।
- এখানে ‘দুধ’ ও ‘হলুদ’ উদ্দেশ্য কর্ম, ‘দুগ্ধ’ ও ‘হরিদ্রা’ বিধেয় কর্ম।

• কর্তা নিজে কাজ না করে কর্মকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিলে তাকে প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম বলে।
- যেমন : মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
- সাপুড়ে সাপ খেলায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
'চপলা' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. জীমূত
  2. দ্রুম
  3. নলিনী
  4. বিজুরি
সঠিক উত্তর:
বিজুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজুরি
ব্যাখ্যা
• 'চপলা' শব্দের সমার্থক শব্দ - বিজুরি। 

‘বিদ্যুৎ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:

- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।

অন্যদিকে,
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।

'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।

'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জলদ, জলধর, নীরদ, বারিদ, ঘন, জীমূত, অভ্র, অম্বুবাহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
সামীপ্য অর্থে কোন অধিকরণ হয়?
  1. ঐকদেশিক
  2. ভাবাধিকরণ
  3. বৈষয়িক
  4. অভিব্যাপক
সঠিক উত্তর:
ঐকদেশিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐকদেশিক
ব্যাখ্যা
ঐকদেশিক:
- বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। 
যেমন-
- পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)
- বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)
- আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)

• সামীপ্যে অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়।
যেমন:
- ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে (ঘাটের কাছে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
'ঘোড়াকে চাবুক মার।' - বাক্যে 'চাবুক' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. করণে ২য়া
  2. কর্তায় শূন্য
  3. কর্মে শূন্য
  4. করণে শূন্য
সঠিক উত্তর:
করণে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণে শূন্য
ব্যাখ্যা
করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত ‘দ্বারা’, ‘দিয়ে’, ‘কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
যেমন -
- ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
- চাষিরা ধারালো কাস্তে দিয়ে ধান কাটছে।
- লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।
- শিকারী বিড়াল গোঁফে চেনা যায়।
- ঘোড়াকে চাবুক মার। (করণে শূন্য বিভক্তি)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
  1. ও-কার
  2. ঐ-কার
  3. ঔ-কার
  4. এ-কার
সঠিক উত্তর:
ও-কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ও-কার
ব্যাখ্যা
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ও-কার হয়। ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।
যেমন:
- গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি
- যথা + উচিত = যথোচিত
- নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া
- নীল + উৎসব = নীলোৎসব

উৎস: উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
'ত্বরা’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলাে -
  1. ধীর
  2. আশু
  3. হ্রস্ব
  4. দ্রুত
সঠিক উত্তর:
ধীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীর
ব্যাখ্যা
ত্বরা:
- এটি বিশেষ্য পদ।
- এটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
- এর অর্থ: শীঘ্র, তাড়া, অবিলম্বে।
- 'ত্বরা' এর বিপরীত শব্দ 'ধীর'।

নিম্নে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এর বিপরীত শব্দ দেওয়া হলো:
• ঘাতক - পালক,
• ধৃষ্ট - নম্র,
• জ্বলন - নির্বাপণ,
• গৃহী - সন্ন্যাসী,
• প্রাচী - প্রতীচী,
• মৌন - মুখর,
• যাচিত - অযাচিত ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২) বাংলা একাডেমি ও অভিগম্য অভিধান।
১৫.
'আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে?' - এখানে 'রাঘবে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদানে সপ্তমী
  2. কর্মে সপ্তমী
  3. কর্তৃকারকে সপ্তমী
  4. অধিকরণে সপ্তমী
সঠিক উত্তর:
অপাদানে সপ্তমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদানে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমন:
- বাবাকে বড্ড ভয় পাই।
- ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে।
- গাছ হতে ফলটি পড়ল।
- ‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে?’ - অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।

- যেহেতু প্রশ্নোক্ত বাক্যে রাঘবকে দেখে ভীত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই তা অপাদান কারক।
- আর 'রাঘবে' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, তাই এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।