ব্যাখ্যা
ব্যতীত (বিশেষণ) অতীত; বিগত; অবিবাহিত।
ব্যতীত (অব্যয়) বিনা; ছাড়া; ভিন্ন; বাদে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
DPE · ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ · ৮০ প্রশ্ন
ব্যতীত (বিশেষণ) অতীত; বিগত; অবিবাহিত।
ব্যতীত (অব্যয়) বিনা; ছাড়া; ভিন্ন; বাদে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
অভ্যন্তরীণ (অভ্যন্তর + ঈন):
১. মধ্যবর্তী
২. অভ্যন্তরে আছে এমন, ভেতরের
৩. মানসিক
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
সাক্ষীগোপাল (বিশেষ্য) নিষ্ক্রিয় দর্শক (তাহার সহধর্মিণী, তৎকালে, সাক্ষীগোপালস্বরূপ ছিলেন-ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর)
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।।
''মনীষা'' শব্দের বিপরীত শব্দ ''নির্বোধ''।
মনীষাঃ প্রজ্ঞা; তীক্ষ্ণবুদ্ধি; প্রতিভা।
নির্বোধঃ বোধহীন; অজ্ঞান; মূর্খ; বুদ্ধিশূন্য।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
গুজব শব্দটি অন্যান্য শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ নয়।
গুজবঃ রটনা; জনশ্রুতি; জনরব (গুজব ছড়ানো; গুজব ওঠা; গুজব রটা)।
খবর শব্দের সমার্থক শব্দ- সংবাদ, বার্তা, ফরমান, সন্দেশ, তথ্য, সন্ধান, সমাচার ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সত্ত্ব (বিশেষ্য)
১) সত্তা; নিত্যতা; অস্তিত্ব (অর্থ থাকা সত্ত্বেও অভাবগ্রস্ত)।
২) প্রাণ; আত্মা; চৈতন্য (তার মধ্যে সত্ত্ব নেই)।
৩) বল; শক্তি; তেজ; পরাক্রম।
৪) স্বভাব; প্রকৃতি।
৫) উৎসাহ।
৬) ভ্রূণ (অন্তঃসত্ত্বা)।
৭) সত্ত্ব; রজঃ; তমঃ-প্রকৃতির এই গুণত্রয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ গুণ।
৮) ধন; ঐশ্বর্য।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়।
যেমন:
লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি,
হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি,
কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
এরূপ- চুলাচুলি, কাড়াকাড়ি, গালাগালি, দেখাদেখি, কোলাকুলি, হাসাহাসি, গুঁতাগুঁতি, ঘুষাঘুষি ইত্যাদি।
সূত্রঃ পৃষ্ঠা নং- ৬৮, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
করণ শব্দটির অর্থ - যন্ত্র, সহায়ক, উপায়।
ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই বলে করণ কারক।
কীসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই করণ কারক।
যেমন - “কালির দাগ দাও” - এই বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে দাগ দেওয়া যাবে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘কালির’।
এবং এর সাথে ষষ্ঠী বিভক্তি ‘র’ যুক্ত হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত স্বরের একটির লোপ হয়।
যেমন-
কাঁদ + উনি = কাঁদুনি
মিথ্যা + উক = মিথ্যুক
হিংসা + উক = হিংসুক
নিন্দা + উক = নিন্দুক
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসরণ করে না। এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে।
ষট্ + দশ = ষোড়শ;
পর্ + পর = পরস্পর;
গো + পদ = গোস্পদ।
তৎ + কর = তস্কর
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি
মনস্ + ঈষা = মনীষা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলা মঙ্গলকাব্য ধারার ও সর্বোপরি মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২-১৭৬০)।
তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য রচনা (১৭৫২) করেন।
এ কাব্যের জন্য মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাকে 'গুণাকর' (সকল গুনের আধার) উপাধি দেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস - আরেক ফাল্গুন।
প্রকাশকাল - ১৯৬৮ সাল।
এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালন নিয়ে লেখা।
পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো’ যা প্রণিধানযোগ্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
ডক্টর আবুল আহসান চৌধুরীর একটা কলাম থেকে -
"এজিদই ‘বিষাদ-সিন্ধু’র প্রধান চরিত্র। তার কামনা-বাসনাকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসের সূচনা এবং তার শোচনীয় বিপর্যয়েই এই কাহিনীর সমাপ্তি। তার কর্মকাণ্ডকে অবলম্বন করেই ‘বিষাদ-সিন্ধু’র কাহিনী পল্লবিত হয়ে উঠেছে। লেখক এজিদ চরিত্র-চিত্রণে যতটা আন্তরিক ও মনোযোগী, অন্য চরিত্র অঙ্কনে ততখানি নিবিষ্ট হতে পারেননি। রিপুশাসিত রক্ত-মাংসের একজন মানুষের প্রকৃতি, প্রবণতা ও বাস্তবতা নিয়ে এজিদ চরিত্রটি উপস্থাপিত। এ-প্রসঙ্গে মুনীর চৌধুরীর বিশ্লেষণ স্মরণীয় : ‘গ্রন্থের সর্বাপেক্ষা স্পষ্ট এবং প্রদীপ্ত চরিত্র এজিদের। তার চিন্তায়-আচরণে, আবেগে-অভিব্যক্তিতে এমন একটা দৃঢ় গাঢ় ঔজ্জ্বল্য আছে যে অন্যান্য চরিত্র তার পাশে নিতান্ত মর্যাদাহীন বলে মনে হয়। নীতিবিদের দৃষ্টিতে এজিদের ক্রিয়াকর্ম যত গর্হিত ও অভিশপ্ত বিবেচিত হোক না কেন, চরিত্র বিচারের সাহিত্যিক মানদণ্ডে এজিদের মতো প্রাণময় পূর্ণাবয়ব পুরুষ সমগ্র উপন্যাসে দ্বিতীয়টি নেই। এজিদ পাপী, ধর্মদ্রোহী এবং ইন্দ্রিয়পরবশ। কিন্তু এজিদের পাপের প্রকৃতি অসামান্য, তার বিকাশ প্রলয়ঙ্করী, তার পরিণাম যেমন ভয়াবহ, তেমনি শোকাবহ।’"
ইমাম হোসেন প্রথম পর্ব তথা মহরম পর্বেই মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তী দুই পর্বের নাম - উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ।
বিষাদ সিন্ধুর - কাহিনীতে এন্টি-এস্টাবলিশমেন্টের চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদনের মেঘনাদবধ কাব্যের অনুকরণে করেছেন।
ইতিহাস মিশ্রিত এই উপন্যাসের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
ধর্ম নিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থকারীদের স্বরূপ উন্মোচন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপটে সমাজ চেতনা এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- মজিদ, জমিলা, আমেনা, খালেক ব্যাপারী, রহিমা, আক্কাস, তাহেরের বাপ, হাসুনির মা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস- চতুরঙ্গ (১৯১৬)।
এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।
উল্লেখ্য,
- হুমায়ুন কবির ‘চতুরঙ্গ' নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করতেন।
- বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় রচিত কাব্য ‘চতুর্দশী' (১৯৪৭),
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘চতুষ্কোণ' (১৯৪৮)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
'বেদের মেয়ে' (১৯৫১) জসীমউদ্দীনের রচিত নাটক।
'রাখালী' এবং 'মাটির কান্না' তার অন্যতম জনপ্রিয় খন্ডকবিতা।
'বোবা কাহিনী'(১৯৬৪) তার রচিত ও জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র উপন্যাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯৯০ সালে তার অপ্রকাশিত লেখার পান্ডুলিপি থেকে দ্বিতীয় উপন্যাস - ''বউ টুবানীর ফুল'' প্রকাশিত হয়।
'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারাটির অর্থ - সৌভাগ্যের বিষয়।
'কেউকাটা' বাগধারাটির অর্থ - সামান্য।
'গোঁফ-খেজুরে' বাগধারাটির অর্থ - নিতান্তই অলস।
‘এলাহী কাণ্ড’ বাগধারাটির অর্থ - বিরাট আয়োজন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার।
যথা-
১) সরল বাক্য,
২) মিশ্র বা জটিল বাক্য এবং
৩) যৌগিক বাক্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
প্রত্যয়ঃ
মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।
অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে।
যেমন,
পড় + উয়া = পড়ুয়া
এখানে, ‘√পড়’-এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় 'উয়া' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'পড়ুয়া' গঠন করেছে।
লাজ + উক = লাজুক
এখানে, ‘লাজ’-এর সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় 'উক' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'লাজুক' গঠন করেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
Lingua franca (noun):
1) A common language consisting of Italian mixed with French, Spanish, Greek, and Arabic that was formerly spoken in Mediterranean ports.
2) Any of various languages used as common or commercial tongues among peoples of diverse speech.
English is used as a lingua franca among many airline pilots.
3) Something resembling a common language.
Movies are the lingua franca of the twentieth century.
Source: Merriam Webster Dictionary.
Repulse- সফলতার সাথে প্রতিরোধ করা; পিছু হটতে বাধ্য করা।
Reside- বসবাস করা।
Emphasize- জোর দেওয়া।
Impulse- পরিণাম চিন্তা না-করে কিছু করার প্রবণতা; তাড়না; আবেগ।
Attract- আকর্ষণ করা; মুগ্ধ করা।
তাই ‘Repulse’ এর Antonym হচ্ছে ‘Attract’.
I wish এর পরে Past Indefinite হয়। আর এক্ষেত্রে be verb থাকলে তা were হয়।
আর এ ধরনের বাক্য Assertive হয়, তাই শেষে Full stop বসে।
Ever since সাধারণত perfect continuous tense এ ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু ‘hope’ verb টি continuous tense এ ব্যবহৃত হয় না।
তাই এখানে Perfect tense হবে; অর্থাৎ শূন্যস্থানে have hoped বসবে।
Feed (verb): Give food to.
বাংলা অর্থ - খাওয়ানো; খাদ্য জোগানো।
Feed up: Give a person or animal large amounts of food.
বাংলা অর্থ - বাড়তি খাবার দেওয়া; পুষ্টিবর্ধক খাবার দেওয়া।
(বিশেষত, রোগীদের খাওয়ানো অর্থে)
Feed on: Derive regular nourishment from a particular substance.
বাংলা অর্থ - খাওয়ানো; নির্দিষ্ট খাদ্য থেকে পুষ্টি জোগানো।
Ex: The bird feeds on cliff-top vegetation.
Feed with: To give someone or an animal a particular food item.
বাংলা অর্থ - কাউকে বা কোন প্রাণীকে নির্দিষ্ট কোন খাবার দেওয়া।
Ex: Did you feed the cat with dry fish today?
Feed out: Distribute hay or silage to livestock as supplementary feed.
বাংলা অর্থ - পশু/প্রাণীর দলকে খাদ্যদ্রব্য বিতরন করা, খাওয়ানো।
Source: Oxford, Cambridge and Bangla Academy Dictionary.
Resolute (adjective) দৃঢ়সংকল্প।
Resolutely (adverb) দৃঢ়তার সঙ্গে।
Resolve (noun) দৃঢ়সংকল্প।
Resolve (verb) সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা; স্থির করা।
Resolution (noun) দৃঢ়তা; সংকল্পে অটলতা অথবা সাহসিকতা।
বাক্যের অর্থ সম্পন্ন করতে যে verb এর object প্রয়োজন হয় না তাকে Intransitive verb বলে।
বাক্যে verb এর পরে কোনো word না থাকলে অথবা verb এর পরে adverb থাকলে অথবা শুধু preposition থাকলে verb টি অবশ্যই Intransitive verb হবে।
যেমন-
come here.
Go there.
Fire burns.
He went home.[এখানে Home শব্দটি Adverb]
The door opened automatically.
The magician vanished from our sight.
Mother laughs with us.
মূল verb দিয়ে শুরু imperative বাক্যের passive গঠন-
Let + object + be + v3 (past participle) + by + বাকি অংশ।
সুতরাং, ‘Solve this problem’- এর passive voice হবে ‘Let the problem be solved by you.’
Conquer (verb transitive)
(১) জয় করা; শক্তিবলে দখল করা: Akbar conquered the whole of India.
(২) পরাজিত করা; (শত্রু বা কুপ্রবৃত্তিকে) বশ করা।
(৩) কারো ভালোবাসা, প্রশংসা ইত্যাদি অর্জন করা: She has conquered the hearts of many men, অনেকে তার প্রতি প্রণয়াসক্ত হয়ে পড়েছে।
Conqueror (noun) বিজেতা, জয়ী, জেতা, জয়ী লোক।
Assessment [Uncountable noun] মূল্যনির্ধারণ; মূল্যাবধারণ।
Assessment [Countable noun] নির্ধারিত/স্থিরীকৃত/নির্ণীত পরিমাণ।
To keep one's head:
বাংলা অর্থঃ মাথা ঠান্ডা রাখা।
English Meaning: To remain calm and sensible when in an awkward situation that might cause a person to panic or go out of control.
Blue chips (noun), (adjective):
(১) (অর্থ.) নির্ভরযোগ্য ও মূল্যবান (ব্যক্তি) (শিল্প শেয়ার)।
(২) (লাক্ষণিক) উচ্চমূল্য বা মর্যাদাসম্পন্ন বস্তু।
Direct speech এ WH word (who, whom, whose, which, what, when, where, how) থাকলে তা Indirect speech এ অপরিবর্তিতভাবে থেকে যায়।
এখানে শুধু অপশন (ক) তে WH word ‘how’ রয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
প্রশ্নোক্ত বাক্যে Reporting verb- 'said'.
Reported speech- 'Do you like music?'
Reporting verb ‘past tense’ এ আছে এবং Reported speech ‘present indefinite tense’ এ আছে।
তাই Indirect speech এ Reported speech পরিবর্তিত হয়ে ‘past indefinite tense’ হবে।
শুধু অপশন (ঘ) তে Reported speech ‘past indefinite tense’ এ আছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
Neglect- অবহেলা করা।
Care- যত্ন নেওয়া।
Carelessness- অসতর্কতা।
Attention- মনোযোগ।
Watchfulness- নৈশপ্রহরী।
তাই, ''Neglect'' শব্দটির synonym হচ্ছে Carelessness.
কসোভোর রাজধানী প্রিস্টিনা।
আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানা।
হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট।
সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোশিয়া।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।
২০০৭ পর্যন্ত নাম ছিল Tshogdu বা সোগডু।
বর্তমান আইনসভাকে পার্লামেন্ট বলে।
ভুটানের অফিশিয়াল সাইট থেকে -
Bhutan’s democratically elected Parliament is the highest legislative institution in the country.
It consists of His Majesty the Druk Gyalpo, the National Council and the National Assembly.
The Parliament is bicameral and follows Westminster Parliamentary systems.
His Majesty the King is the Head of State.
মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি আমের কতগুলো জাত।
সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
আমিষ পরিপাক হওয়ার পর তা অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
দেহগঠনে আমিষ সহায়তা করে থাকে।
এ পর্যন্ত আমাদের শরীরে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড আবিষ্কৃত হয়েছে।
এর মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৮টি।
এগুলো হল লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইন।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ সাতটি রঙের মধ্যে মধ্যম রং - সবুজ।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদের চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন- লোহা, লোহার সংকর ধাতু, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।
যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন- বিসমাথ, অ্যান্টিমনি, পারদ, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (ডিবি)।
শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতানুসারে, সাধারণত ৬০ ডিবি শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে বধির করে ফেলতে পারে এবং ১০০ ডিবি শব্দ সম্পূর্ণ বধিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আধঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ঘটা ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে বধির হয়ে যেতে পারে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকে কিংবা রোগী কে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলে।
এ পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সার্জারিতেও অংশ নিয়ে থাকে।
ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে দূরবর্তী স্থানেও টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় হাওর হলো হাকালুকি হাওর। এটি সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত। এর আয়তন ২১,৫০০ হেক্টর৷
অন্যদিকে সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওরের আয়তন ১১,৭০০ হেক্টর।
মৌলভীবাজারে অবস্থিত হাইল হাওরের আয়তন ১৫,৬০০ হেক্টর।
সিলেটে সর্বাধিক ১০৫টি, কিশোরগঞ্জে ৯৭টি এবং সুনামগঞ্জে ৯৫টি হাওর রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
শহীদ আসাদ দিবস ২০ জানুয়ারি।
১৯৬৯ সালের এই দিনে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
পরবর্তীতে আসাদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরে 'আইয়ুব গেট' এর নাম পরিবর্তন করে 'আসাদ গেট' নামকরণ করা হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
--------------
এটা যেহেতু জব সল্যুশনের পরীক্ষার প্রশ্ন, তাই বাতিল হবে না।
প্রথম রাজধানী হিসাবে সোনারগাঁও উত্তর ধরা হচ্ছে।
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া। দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডার চেয়ে এর আয়তন প্রায় দ্বিগুণ। পূর্ব ইউরোপ ও উত্তর এশিয়াজুড়ে রাশিয়া বিস্তৃত। দেশটির সরকারি নাম রুশ ফেডারেশন। রাজধানী মস্কো রাশিয়ার বৃহত্তম শহর। এটি দেশের প্রধান প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির আট ভাগের এক ভাগ পড়েছে রাশিয়ায়। আয়তনের বিশালত্বের কারণে দেশটি নয়টি সময় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। ২০১২ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের নবম জনবহুল দেশ রাশিয়া। এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। বিশ্বের পারমাণবিক শক্তিধর শীর্ষ পাঁচটি দেশের অন্যতম এটি।
রাশিয়া একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি। সাংবিধানিকভাবে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ রাশিয়া।
রাশিয়ার সরকারব্যবস্থা বহুদলীয় গণতন্ত্র। জনগণের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হয়। দেশটির পার্লামেন্টের নাম ডুমা। এটি উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ দুই ভাগে বিভক্ত। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভাষা রুশ। প্রায় ৮০ শতাংশ লোক এ ভাষায় কথা বলে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে রুশ ছাড়া আরও ২৭টি ভাষা প্রচলিত আছে। রাশিয়ার বেশির ভাগ মানুষ খ্রিষ্টান। মুসলমানেরা প্রধানত থাকেন ভলগা তাতারস, বশখিরস ও তাতার অঞ্চলে।
রাশিয়ার অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি প্রাকৃতিক সম্পদ। তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস ১৯৯৮ সালের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে দেশটিকে সহায়তা করে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘গ্যাজপ্রম’ বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্যাস উত্পাদনকারী ও রপ্তানিকারী প্রতিষ্ঠান। ইউরোপের ক্রমবর্ধমান গ্যাস চাহিদা মিটিয়ে চলেছে গ্যাজপ্রম। দেশটির মুদ্রার নাম রুবল। রাশিয়া শীতপ্রধান দেশ। দেশটি সারা বছর হিমশীতল আবহাওয়া থাকে।
সূত্রঃ প্রথম আলো।
দুই মহাদেশে অবস্থিত নগরী হচ্ছে তুরস্কের ইস্তানবুল।
এটি এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশে পড়েছে।
এর পুরোনো নাম কন্সটান্টিনোপল।
এছাড়া এটি বাইজান্টিয়াম নামেও পরিচিত ছিল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।
‘শাহনামা’ মহাকাব্যের রচয়িতা পার্সিয়ান কবি ফেরদৌসী।
এটি ফারসি ভাষায় রচিত হয়েছে।
এই মহাকাব্যটি পারস্যের বা ইরানের অন্যতম প্রসিদ্ধ সাহিত্য।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।
যমুনা নদীঃ
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম।
তিববত, চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের ভূখন্ড জুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল।
প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ তার পুরানো গতিপথ পরিবর্তন করে দক্ষিণাভিমুখী যমুনা নদী নামে প্রবাহিত হয়ে আরিচায় গঙ্গা (পদ্মা) নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) অতিক্রম করেছে।
চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি, ও রাঙ্গামাটি জেলার ওপর দিয়ে এ রেখা অতিক্রম করেছে।
অন্যদিকে বরিশাল, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার ওপর দিয়ে ৯০° দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে।
উৎসঃ ভূগোল বোর্ড বই, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের হিসাবমতে, বাংলাদেশে মোট ৫১৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট রয়েছে।
এক্ষেত্রে, প্রশ্নে উল্লেখিত সাইটগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ হচ্ছে -
সিতাকোট বিহার:
দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সিতাকোট বিহার অবস্থিত।
বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল। এই কক্ষগলি একটি প্রশস্ত টানা বারান্দার সংগে যুক্ত ছিল। সীতাকোট বিহার আঙ্গিনার মধ্যবর্তী স্থানে কোন প্রধান মন্দির ছিলনা।
এখানে পাহাড়পুর,শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না। তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
সময়কাল - খ্রিঃ ৭ম-৮ম শতক।
সোমপুর বিহার:
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
সময়কালঃ অষ্টম-নবম শতক (আনুমানিক ৭৭০ - ৮১০ খিঃ)
শালবন বিহার:
বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি। এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
আসল নাম ''ভবদেব মহাবিহার''।
সময়কালঃ অষ্টম শতক
আনন্দ বিহার:
আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত। বিহারটি নির্মাণ করেন - প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব।
সময়কাল - অষ্টম শতক।
উৎস: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা বলা যায় যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সিতাকোট বিহার সবচেয়ে প্রাচীন।
প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে।
স্থির আয়তনে প্রেসার কুকারে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়।
এতে পানির স্ফুটনাংক বেড়ে যায়।
পানির স্ফুটনাংক (১০০°C) এর চেয়ে বেশি থাকার কারণে প্রেসার কুকারে কোনাে জিনিস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়।
১০২ এবং ১৮৬ কে নির্ণেয় সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে প্রত্যেকবার ৬ অবশিষ্ট থাকবে।
সুতরাং ১০২ - ৬ = ৯৬ এবং ১৮৬ - ৬ = ১৮০ কে ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকবে না।
অর্থাৎ বৃহত্তম সংখ্যা এমন নির্ণয় করতে হবে যা দ্বারা ৯৬ এবং ১৮০ নিঃশেষে বিভাজ্য হবে।
সুতরাং নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৯৬ এবং ১৮০ এর গ.সা.গু = ১২।
১০ সে., ১৫ সে., ২০ সে. এবং ২৫ সে. এর ল.সা.গু. = ৩০০ সেকেন্ড = ৫ মিনিট
সুতরাং, ৫ মিনিট পরে একত্রে বাজবে।
ধরি, সংখ্যা দুইটি ৫ক ও ৭ক
∴ ৫ক ও ৭ক এর গ.সা.গু. = ক
প্রশ্নমতে,
ক = ৬
∴ সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে ৫ × ৬ = ৩০ এবং ৭ × ৬ = ৪২
∴ ৩০ ও ৪২ এর ল.সা.গু. = ২১০
২৩/৩০ = ০.৭৭
১৩/১৫ = ০.৮৭
৪/৫ = ০.৮
২/৩ = ০.৬৭
সুতরাং বৃহত্তম ভগ্নাংশটি = ১৩/১৫।
ধরি, ছাত্রসংখ্যা = ক
প্রশ্নমতে, ক২ = ৬৫৬১
বা, ক = √৬৫৬১ = ৮১
১১ জনের মোট ওজন = (৭০ × ১১) = ৭৭০ কেজি
৯০ কেজির ১ জন চলে যাওয়ার ফলে মোট ওজনের সমষ্টি = ৭৭০ - ৯০ = ৬৮০ কেজি
∴ বাকি ১০ জনের গড় ওজন = ৬৮০/১০ = ৬৮ কেজি।
ধরি,
সংখ্যা দুইটি ৩ক এবং ক।
প্রশ্নমতে,
৩ক + ক = ৮
বা, ৪ক = ৮
বা, ক = ৮/৪
∴ ক = ২
এখন,
৩ক = ৩ X ২ = ৬
∴ সংখ্যা দুইটির গুণফল = ৬ X ২
= ১২
দেওয়া আছে,
এসিডঃপানি = ৭ঃ৩
অনুপাতের রাশিদ্বরের যোগফল = ৭ + ৩ = ১০
এসিডের পরিমাণ = ( ৩০ × ৭/১০ ) = ২১ লিটার
পানির পরিমাণ = ( ৩০ × ৩/১০ ) = ৯ লিটার
নতুন মিশ্রণে এসিডের পরিমাণ ঠিক থাকবে আর পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
ধরি, ক পরিমাণ পানি মিশ্রিত করতে হবে।
∴ ২১ঃক = ৩ঃ৭
⇒ ক = ( ২১ × ৭ )/৩ = ৪৯
পানি মিশ্রিত করতে হবে ( ৪৯ - ৯ ) = ৪০ লিটার।
জ্যামিতি বা Geometry:
শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘ভূমি পরিমাপ'।
প্রায় আড়াই হাজার বৎসর পূর্বে ৩০০ খিৃষ্ট পূর্বাব্দে মিশরে ভূমি চিহ্নিত করার কাজে জ্যামিতি ব্যবহৃত হতো।
মানুষ যখন থেকে আকার, আকৃতি, অবস্থান সম্পর্কে অবহিত হল, তখন এসব জ্ঞান শৃংখলাবদ্ধ করে জ্যামিতি শাস্ত্রের উদ্ভব হল।
গ্রিক পন্ডিত ও গণিতবিদ ইউক্লিড সর্বপ্রথম জ্যামিতির বিভিন্ন সূত্রকে সুবিন্যস্ত করে তাঁর ‘এলিমেন্টস' (Elements) গ্রন্থের তের খণ্ডে
জ্যামিতির ধারণা শ্রেণীবদ্ধ করেন।
‘এলিমেন্টস' গ্রন্থটিই আধুনিক জ্যামিতির ভিত্তি।
উৎসঃ গণিত, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
বৃত্তের যে কোন বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক স্পর্শগামী ব্যাসার্ধের উপর লম্ব।
সুতরাং, উৎপন্ন কোণটি এক সমকোণ বা ৯০ ডিগ্রি হবে।
১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৯৯ × (৯৯ + ১)/২
= ৯৯ × ১০০/২
= ৯৯ × ৫০
= ৪৯৫০
বৃত্তের ব্যাস = 2r একক
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r একক
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2 বর্গ একক
3 গুণ বৃদ্ধি করলে, নতুন ব্যাস = 3.2r একক
= 6r একক
নতুন ব্যাসার্ধ = 6r/2 একক
= 3r একক
সুতরাং নতুন ক্ষেত্রফল = π(3r)2 বর্গ একক
= 9πr2 বর্গ একক
= 9 × বৃত্তের ক্ষেত্রফল
অর্থ্যাৎ, বৃত্তের ক্ষেত্রফল 9 গুণ বৃদ্ধি পাবে।
0.001 / (0.1 X 0.1)
= 0.001 / 0.01
= 0.1
দিন বাকি থাকে = ২০ - ৫ = ১৫ দিন এবং লোক অবশিষ্ট থাকে = ৫০০ - ১০০ = ৪০০ জন
৫০০ জনের খাবার আছে ১৫ দিনের
১ জনের খাবার আছে (১৫ × ৫০০) দিনের
৪০০ জনের খাবার আছে (১৫ × ৫০০)/৪০০ = ১৮(৩/৪) দিনের
মোট লোকসংখ্যা = (৯+৩) = ১২ জন।
এখন,
৯ জন করতে পারে ১৫ দিনে
১ জন করতে পারে = (১৫ X ৯) দিনে
∴ ১২ জন করতে পারে (১৫ X ৯)/ ১২
= ১১(১/৪) দিনে
x3 - 1/x3
= (x - 1/x)3 + 3 . x . 1/x (x - 1/x)
= 23 + 3. 2
= 8 + 6
= 14
(x - 5) (a + x) = x2 - 25
⇒ (x - 5) (a + x) = (x - 5) (x + 5)
⇒ a + x = x + 5
∴ a = 5