পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাজব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]তারিখ২৬ এপ্রিল, ২০২৫সময়55 minutes৭৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড পদের নাম: লাইনম্যান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ২৮.০২.২০২৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড] · ২৬ এপ্রিল, ২০২৫ · ৮০ প্রশ্ন

.
আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
  1. লক্ষণ সেনের
  2. আরাকানের
  3. সম্রাট আকবরের
  4. সম্রাট শাহজাহানের
ব্যাখ্যা
• আলাওল:
- আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল ১৭শতক/ মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ছিলেন।
- ‘পদ্মাবতী’ তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।
- কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদুমাবৎ অবলম্বনে তিনি এটি রচনা করেন।
- কবি আলাওল আরাকান-রাজা উমাদারের রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহীর পেশায় নিয়োজ্জিত ছিলেন।

• তাঁর রচিত গ্রন্থসমুহ:
- সিকান্দার নামা,
- তোহ্ফা,
- সপ্তপয়কর,
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান,
- রাগতালনামা,
- সতীময়ান-লোর-চন্দ্রাণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নাট্যকার?
  1. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  2. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
  3. নুরুল মোমেন
  4. মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের রচয়িতা - গিরিশচন্দ্র ঘোষ
- এটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হয়।

• গিরিশচন্দ্র ঘোষ:
- ১৮৪৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বাগবাজারে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, মঞ্চাভিনেতা।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের প্রভাবে তিনি প্রথমে গান ও কবিতা লিখতে শুরু করেন এবং পরে নাট্যমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হলে নাটকও লিখতে থাকেন।
- ১৮৬৭ সালে বাগবাজার সখের যাত্রাদল-প্রযোজিত মধুসূদনের 'শর্মিষ্ঠা' নাটকের গীতিকার হিসেবে গিরিশচন্দ্র নাট্যজগতে প্রবেশ করেন।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'সধবার একাদশী' নাটকে তিনি নিমচাঁদ চরিত্রে অভিনয় করেন।
- প্রেমভক্তি, স্বদেশপ্রেম ও সমকালীন সামাজিক সমস্যা গিরিশচন্দ্রের নাটকের বিষয়বস্ত্ত।
-  মধুসূদনের চৌদ্দ মাত্রার অমিত্রাক্ষর ছন্দকে ভেঙ্গে তিনি অভিনয়ের উপযোগী ছোট ছোট ছত্রে বিন্যস্ত করেন।
- তাঁর নামানুসারে এ ছন্দের নাম হয় ‘গৈরিশ ছন্দ’। 
-  ১৯১২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মহান অভিনেতা ও নাট্যকার কলকাতায় পরলোক গমন করেন। 

 • তাঁর রচিত নাটক:
- আগমনী,
- অভিমন্যুবধ, 
- সীতার বনবাস,
- সীতাহরণ,
- পাণ্ডবের অজ্ঞাতবাস,
- প্রফুল্ল,
- জনা,
- বলিদান,
- সিরাজদ্দৌলা,
- মীরকাশিম,
- ছত্রপতি শিবাজী,
- শঙ্করাচার্য,
- বিল্বমঙ্গল ঠাকুর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
  1. গবেষণা গ্রন্থ
  2. ধর্মবিষয়ক গ্রন্থ
  3. ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস
  4. আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা
• বিষাদ সিন্ধু:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।

------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার। নিজগৃহে মুনশির নিকট আরবি ও ফারসি শেখার মাধ্যমে মশাররফ হোসেনের লেখাপড়ার  হাতেখড়ি হয়।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায়  সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির  গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু। গ্রামবার্তার সম্পাদক  কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু। পরে তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী বিবি কুলসুমও এক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখেন।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়। 
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার চার বছর পর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়। 

নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

উপন্যাস:
- বিষাদ সিন্ধু। 

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
ভাষার কোন রীতি পরিবর্তনশীল?
  1. সাধু
  2. চলিত
  3. কথা
  4. লেখা
ব্যাখ্যা
• চলিত রীতি:
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ সময়ের প্রবাহের কারনের চলিত রীতি পরিবর্তিত রূপ লাভ করে।
- এই রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। এছাড়াও এতে দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।
- চলিতরীতির লৈখিক ও মৌখিক দুটি রূপই বিদ্যমান।
- এই রীতি সহজবোধ্য, সংক্ষিপ্ত। বক্তৃতা, সংলাপ ও আলাপ আলোচনার জন্য উপযোগী।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ভাষার ব্যাকরণ - নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
  1. গায়ে হলুদ
  2. চালকুমড়া
  3. ছয়ানি
  4. ছায়াছবি
ব্যাখ্যা
• মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা:
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা= সাহিত্যসভা,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ= স্মৃতিসৌধ।
- চালে আশ্রিত কুমড়া = চাল কুমড়া।

অন্যদিকে:
- গায়ে হলুদ দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ - এটি অলুক বহুব্রীহি সমাস। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
‘সংশয়’ শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. অলস
  2. নিশ্চয়
  3. কর্মঠ
  4. দহন
ব্যাখ্যা
- সংশয় এর বিপরীত শব্দ হবে 'নিশ্চয়'।

সংশয় শব্দের অর্থ-
- সন্দেহ; দ্বিধা; দ্বৈধবোধ (সংশয় চিত্তের দুর্বলতা প্রকাশক)। 
- ভবিষ্যতের ব্যাপারে ভয় (জীবন সংশয়)। 
- এর স্ত্রীলিঙ্গ হবে সংশয়িতা।

উৎস: ভাষাশিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ডাক্তার ডাক’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তৃকারনে শূন্য
  2. কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
  3. কর্মকারকে শূন্য
  4. অপাদান কারকে শূন্য
ব্যাখ্যা
• 'ডাক্তার ডাক' এই বাক্যে 'ডাক্তার' কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। 
- বাক্যটিতে “ডাক্তার” শব্দটিকে আশ্রয় করেই কর্তার কাজ। তাই এটি কর্মকারকের উদাহরণ।
- প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি: ‘ডাক্তার’ ডাক৷

• কর্মকারক:
যাকে আশ্রয় করে বা অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। 

কর্মকারকের প্রকারভেদ: 
• সকর্মক ক্রিয়ার কর্ম - নাসিমা ফুল তুলছে। 
• প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম - ছেলেটিকে বিছানায় শোয়াও। 
• সমধাতুজ কর্ম - খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
• উদ্দেশ্য ও বিধেয় - দুধকে (উদ্দেশ্য কর্ম) মোরা দুগ্ধ (বিধেয় কর্ম) বলি, হলুদকে (উদ্দেশ্য কর্ম) বলি হরিদ্রা(বিধেয় কর্ম)। 

কর্ম কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ: 
- ১মা বা শূন্য বিভক্তি: ডাক্তার ডাক, বই এনো, বাঘে মানুষ খায়। 
- ২য়া বিভক্তি: ডাক্তারকে ডাক, তাকে বল।
- ৬ষ্ঠী বিভক্তি: তার দেখা পাইনি।
- ৭মী বিভক্তি: ‘জিজ্ঞাসিব জনে জনে’।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ,  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,সৌমিত্র শেখর, বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে।’ বাক্যটিতে ‘চণ্ডালে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তৃকারকে ২য়া
  2. অপাদান কারকে ৭মী
  3. কর্মে ৭মী
  4. অধিকরণে ২য়া
ব্যাখ্যা
• 'চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে।' বাক্যটিতে 'চণ্ডালে' শব্দটি- কর্মে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।

• কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- ক্রিয়ার সঙ্গে 'কী' বা 'কাকে' যোগ করে প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়।

এখানে,
- চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে।
• উল্লেখিত বাক্যটিতে ক্রিয়াকে 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'চণ্ডালে (চণ্ডালকে)'। 
এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি 'এ' যুক্ত হয়েছে।
- সুতরাং 'চণ্ডালে' শব্দটি হবে কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯সংস্করণ)।
.
চন্দ্রাবতী কী?
  1. নাটক
  2. কাব্য
  3. পদাবলি
  4. পালাগান
ব্যাখ্যা
• 'চন্দ্রাবতী' কাব্য:
- 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর।
- মধ্যযুগে আরাকান রাজ সভায় বাংলা সাহিত্যচর্চা শুরু হয়।
- কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার প্রধান উজির ছিলেন।
- তার পৃষ্ঠাপােষকতায় আরাকান বা রােসাঙ্গ রাজসভায় বাংলা সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছিল।
- তিনি আলাওলকে দুটি কাব্য ‘পদ্মাবতী’ ও ‘সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামান' লিখতে পৃষ্ঠপােষকতা করেছিলেন।
- আলাওল, দৌলত কাজী, কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার উল্লেখযােগ্য কবি।

-----------------------------------
- উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতী নামে মৈয়মনসিংহ গীতিকার একজন মহিলা কবি রয়েছেন যিনি প্রথম রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন।
- আরও উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতীকে নিয়ে মৈমনসিংহ-গীতিকায় নয়ানচাঁদ ঘোষ নামে একজন কবির পালা রয়েছে। এই পালাটি বিভিন্ন নামে পরিচিত - ‘জয়-চন্দ্রাবতী’, 'চন্দ্রাবতী চরিত', 'চন্দ্রাবতী উপাখ্যান'।
- এছাড়াও, ১৯৩২ সালে দীনেশচন্দ্র সেন চন্দ্রাবতীর রামায়ণ প্রকাশ করেন। পূর্ববঙ্গ-গীতিকার চতুর্থ খণ্ডের ২য় ভাগে এ রামায়ণ স্থান পেয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলার পুরনারী - দীনেশচন্দ্র সেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কি?
  1. পণ্ডিত
  2. বিদ্যাসাগর
  3. শাস্ত্রজ্ঞ
  4. মহামহোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি - মহামহোপাধ্যায়। 

----------------------
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- তিনি প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ, এবং সংস্কৃতের পণ্ডিত ছিলেন।
- ১৮৯৮ সালে সরকারের দেওয়া সম্মান ‘মহামহোপাধ্যায়' উপাধি (মহারানী ভিক্টোরিয়ার ৬০তম রাজ্যাঙ্কে প্রবর্তিত);
- ১৯১১ সালে ‘সি.আই.ই' উপাধি; ১৯২১ সালে ইংল্যান্ডের রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির অনারারি মেম্বার মনোনয়ন পান। 
- ১৯২৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।

তার রচিত সাহিত্যকর্ম:
- বেণের মেয়ে,
- বাল্মীকির জয়,
- মেঘদূত,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
He is _____ honors graduate.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. none
ব্যাখ্যা
• Article এর ক্ষেত্রে,

- শব্দের শুরুতে h থাকলে ও যদি উচ্চারিত না হয় তাহলে an বসে।  
এখানে indefinite article হিসেবে an ব্যবহৃত হবে কারণ Honors এর উচ্চারণ শুরু হয় vowel sound দিয়ে।

Complete sentence: He is an honors graduate.
১২.
The young man seems very-
  1. sensible
  2. sensibly
  3. sensiblely
  4. Sensitively
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: The young man seems very sensible.
- "Sensible" একটি adjective, যা যুবক (the young man)-এর গুণ বা বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে।
- বাক্যের মধ্যে adjective দরকার, যাতে যুবকটির অবস্থা বা চরিত্র বর্ণনা করা যায়।
- very = adverb এর পর adjective হিসেবে sensible বসেছে।
- Sensitive refers to someone's feelings.

• sensible (adjective) (noun)
English Meaning: having, containing, or indicative of good sense or reason/ something that can be sensed.
Bangla Meaning: বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন; সুবুদ্ধিসম্পন্ন; কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন; সুবোধ; ক্রিয়াসিদ্ধ; ব্যবহারসিদ্ধ।

Options,
খ) sensibly: [adverb]
- in a sensible or practical way.

গ) sensiblely:
- wrong word.

ঘ) Sensitively:[adverb]
- in a careful way to avoid upsetting people.
১৩.
He was absent due _____ rain.
  1. on
  2. to
  3. with
  4. for
ব্যাখ্যা
Complete sentence: He was absent due to rain.

• Due to something:
English meaning: because of something.
Bangla meaning: কিছু কারণে।

Example:
- A lot of her unhappiness is due to boredom.
- The bus was delayed due to heavy snow.

Source: Cambridge Dictionary.
১৪.
After it was repaired, the car _____ again.
  1. ran perfect
  2. run perfect
  3. ran perfectly
  4. runs perfect
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - ran perfectly.
- Complete sentence: After it was repaired, the car ran perfectly again.

এটি একটি past tense বাক্য, কারণ "was repaired" (past tense) ব্যবহার করা হয়েছে।
তাই verb-এর সঠিক past form দরকার, এবং সাথে adverb ব্যবহার করতে হবে, কারণ এটা কিভাবে চলেছে সেটা বোঝাচ্ছে।

• Perfect (adjective) - নিখুঁত;
• Perfectly (adverb) - যথেষ্ট।

• Verb-কে modify করার জন্য adverb ব্যবহৃত হয়।
- এখানে ran verb এর পরে perfectly adverb বসবে।
১৫.
'Man is mortal' which one is Negative sentence of it-
  1. Man is not mortal.
  2. No man is immortal.
  3. Man is immortal.
  4. No man is mortal.
ব্যাখ্যা
• Affirmative form: Man is mortal.
- এই বাক্যটিকে দুইভাবে negative করা যায়।
• Negative form:
- No man is immortal.
- Man is not immortal.

• Man is mortal.
- বাক্যটিকে negative করার ক্ষেত্রে affirmative শব্দটির negative form (immortal) এবং man এর পূর্বে No বসে।
-  তখন, negative form হবে- No man is immortal.

• Man is mortal.
বাক্যটিকে negative করার ক্ষেত্রে affirmative শব্দটির negative form (immortal) এবং negative শব্দের পূর্বে not বসে।
- তখন, negative form হবে- Man is not immortal.
১৬.
'He came home yesterday? এর প্রশ্নবোধক রূপ হলো:
  1. Came home he yesterday?
  2. Came he home yesterday?
  3. Did he came home yesterday?
  4. Did he come home yesterday?
ব্যাখ্যা
• ইংরেজিতে past tense-এ প্রশ্ন গঠন করার জন্য আমরা "did" ব্যবহার করি, এবং এর পর ক্রিয়ার মূল রূপ (base form) ব্যবহার করা হয়। এখানে "come" হলো মূল ক্রিয়া।
প্রশ্ন গঠনের জন্য শব্দের সঠিক ক্রম হয়: "Did" + subject + ক্রিয়ার মূল রূপ।

Correct answer: Did he come home yesterday?
১৭.
Which one is the synonym of 'adult'?
  1. mature
  2. child
  3. immature
  4. none
ব্যাখ্যা
'Adult' মানে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি।
- এর synonym বা প্রতিশব্দ হলো 'mature', যার অর্থ: পরিপক্ব বা বয়সে ও আচরণে বড়।

Options,
বাকিগুলো:
Child = শিশু → বিপরীত অর্থ (Antonym)
Immature = অপরিপক্ব → বিপরীত অর্থ
১৮.
'ঘরটি আমাদের জন্য খুব ছোট' এর English translation-
  1. The room is very small for us.
  2. The room is small us.
  3. The room is too small for us.
  4. The room is much small for us.
ব্যাখ্যা
"ঘরটি আমাদের জন্য খুব ছোট" — এখানে বোঝানো হচ্ছে যে, ঘরটি এতটাই ছোট যে আমাদের জন্য যথেষ্ট নয় বা আমাদের পক্ষে থাকা সম্ভব নয়।

• বাংলা বাক্যটি: "ঘরটি আমাদের জন্য খুব ছোট"
এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হবে: "The room is too small for us."

"too small" বোঝায় যে ঘরটি এতটাই ছোট যে সেটি আমাদের জন্য উপযুক্ত নয় — এই অর্থটাই বাংলায় বোঝানো হয়েছে।


বাকিগুলো কেন ভুল:
ক) The room is very small for us.
→ অর্থ হয়: ঘরটি আমাদের জন্য খুব ছোট, কিন্তু 'too small' এর মতো অতিরিক্ত ছোট বোঝায় না।

খ) The room is small us.
→ ভুল গঠন, for বাদ পড়েছে।

ঘ) The room is much small for us.
→ "much small" ভুল; "much smaller" হতে পারত তুলনার ক্ষেত্রে।
১৯.
If it is a genuine picture, it is-
  1. perfect
  2. false
  3. real
  4. copied
ব্যাখ্যা
Correct answer: গ) real.

Genuine শব্দের অর্থ:
- আসল, প্রকৃত, খাঁটি বা সত্যিকারের।

বাক্য: If it is a genuine picture, it is —
এখানে বলা হচ্ছে, যদি এটি একটি genuine (আসল) ছবি হয়, তবে এটি কী হবে?
- তাহলে এটি হবে real (আসল / প্রকৃত)।

Genuine means authentic or real, not fake or copied.
So, a genuine picture must be a real one.
-------------
ক) perfect
- বাংলা অর্থ: নিখুঁত, নির্ভুল, সম্পূর্ণ।

খ) false
- বাংলা অর্থ: মিথ্যা, ভুয়া, ভ্রান্ত।

গ) real
- বাংলা অর্থ: আসল, প্রকৃত, বাস্তব।

ঘ) copied
- বাংলা অর্থ: নকল, অনুকরণকৃত।
২০.
My hair stood off ends when I saw the horrible sight.
  1. Stood at ends
  2. Stood on ends
  3. Stood at end
  4. stands on ends
ব্যাখ্যা
Correct answer: Stood on ends.

• make someone's hair stand on end:

Meaning: to make someone very frightened.
এর অর্থ: ভয় বা আতঙ্কে শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাওয়া।

The correct idiom is "hair stood on end," which means someone was extremely frightened or shocked.
- "Stood on ends" is the proper usage to express fear or horror.

সেই ক্ষেত্রে অন্য অপশন গুলো এখানে ভুল। 
২১.
৪টি আপেল ২০ টাকায় কিনে ৩০ টাকায় বিক্রি করলে কত শতাংশ লাভ হয়?
  1. ৩৫%
  2. ৫০%
  3. ২০%
  4. ৫৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪টি আপেল ২০ টাকায় কিনে ৩০ টাকায় বিক্রি করলে কত শতাংশ লাভ হয়?

সমাধান:
৪টি আপেলের ক্রয়মূল্য = ২০ টাকা
৪টি আপেলের বিক্রয়মূল্য = ৩০ টাকা
লাভ = ৩০ - ২০ = ১০ টাকা

২০ টাকায় লাভ ১০ টাকা
১ টাকায় লাভ ১০/২০ টাকা
১০০ টাকায় লাভ (১০ × ১০০)/২০ টাকা
= ৫০ টাকা
২২.
দুইটি রাশির অনুপাত ৪ : ৭ । পূর্বরাশি ১৬ হলে উত্তর রাশি কত?
  1. ২৪
  2. ২৮
  3. ৩০
  4. ৩৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি রাশির অনুপাত ৪ : ৭ । পূর্বরাশি ১৬ হলে উত্তর রাশি কত?

সমাধান:
দুইটি রাশির অনুপাত = ৪ : ৭

ধরি,
রাশি দুটি যথাক্রমে = ৪ক ও ৭ক

প্রশ্নমতে,
৪ক = ১৬
∴ ক = ৪

সুতরাং, উত্তর রাশি = (৭ × ৪)
= ২৮
২৩.
পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ১০ : ৩। পুত্রের বয়স ১৮ বছর হলে পিতার বয়স কত?
  1. ৬২ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ৫৪ বছর
  4. ৫৮ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ১০ : ৩। পুত্রের বয়স ১৮ বছর হলে পিতার বয়স কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ১০ : ৩

পিতার বয়স = ১০ক বছর 
পুত্রের বয়স = ৩ক বছর 

প্রশ্নমতে,
৩ক = ১৮ 
ক = ৬ 

পিতার বয়স = ৬ × ১০ বছর = ৬০ বছর
২৪.
১ ÷ ১০০ = কত?
  1. ০.১
  2. ০.০১
  3. ০.০০১
  4. ১.০০১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ ÷ ১০০ = কত? 

সমাধান:
১ ÷ ১০০ = ০.০১
২৫.
৩ × ০ × ০.৩ = ?
  1. ০.৯
  2. ০.৩
  3. ০.০
  4. ৩.০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩ × ০ × ০.৩ = ? 

সমাধান:
৩ × ০ × ০.৩ = ০
২৬.
১ মিটার সমান কত সেন্টিমিটার?
  1. ১০ সে.মি.
  2. ১০০ সে.মি.
  3. ৫৪.৫৬ সে.মি.
  4. ৩৯.৪৭ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ মিটার সমান কত সেন্টিমিটার? 

সমাধান:
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার 
১ মিটার = ১০০০ মিলিমিটার
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার।
২৭.
১ মাইল = কত কিলোমিটার?
  1. ১.৬০৯ কি.মি.
  2. ০.৬২ কি.মি.
  3. ১ কি.মি.
  4. ১.১ কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ মাইল = কত কিলোমিটার?

সমাধান:
১ মাইল = ১.৬০৯ কিলোমিটার
১ কিলোমিটার = ০.৬২১৩ মাইল।
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার
২৮.
যে পরিমাণ খাদ্যে ২০০ জন লোকের ২০ সপ্তাহ চলে, ঐ পরিমাণ খাদ্যে কত জন লোকের ৮ সপ্তাহ চলবে?
  1. ৩০০ জন
  2. ৫০০ জন
  3. ৪০০ জন
  4. ৬০০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যে পরিমাণ খাদ্যে ২০০ জন লোকের ২০ সপ্তাহ চলে, ঐ পরিমাণ খাদ্যে কত জন লোকের ৮ সপ্তাহ চলবে?

সমাধান:
২০ সপ্তাহ খাদ্য চলে ২০০ জন লোকের
১ সপ্তাহ খাদ্য চলে ২০০ × ২০ জন লোকের
∴ ৮ সপ্তাহ খাদ্য চলে (২০০ × ২০)/৮ জন লোকের
= ৫০০ জন লোকের।
২৯.
X ও Y এর মানের গড় ৯ এবং Z = ১২ হলে, X, Y এবং Z এর মানের গড় কত হবে?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X ও Y এর মানের গড় ৯ এবং Z = ১২ হলে, X, Y এবং Z এর মানের গড় কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
X ও Y এর মানের গড় = ৯
∴ X ও Y এর মানের সমষ্টি = ৯ × ২
∴ X + Y = ১৮

এখন,
X, Y ও Z এর মানের সমষ্টি = X + Y + Z
= ১৮ + ১২
= ৩০
∴ X, Y ও Z এর মানের গড় = ৩০/৩
= ১০
৩০.
পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দ্বিগুণ অপেক্ষা ২ বছর বেশি। পিতার বয়স ৬২ বছর হলে, পুত্রের বয়স কত?
  1. ৪০ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দ্বিগুণ অপেক্ষা ২ বছর বেশি। পিতার বয়স ৬২ বছর হলে, পুত্রের বয়স কত?

সমাধান: 
ধরি, 
পুত্রের বয়স = x বছর 
তাহলে, 
পিতার বয়স = ২x + ২ বছর 

প্রশ্নমতে, 
২x + ২ = ৬২
বা, ২x = ৬২ - ২
বা, ২x = ৬০
বা, x = ৬০/২
∴ x = ৩০

∴ পুত্রের বয়স = ৩০ বছর।
৩১.
x + y = 7 এবং xy = 10 হলে, (x - y)2 এর মান কত?
  1. 3
  2. 6
  3. 9
  4. 12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 7 এবং xy = 10 হলে (x - y)2 এর মান কত?

সমাধান:
x + y = 7
xy = 10

এখন
(x - y)2 = (x + y)2 - 4xy
বা, (x - y)2 =72 - 4 × 10
বা, (x - y)2 =49 - 40
∴ (x - y)2 = 9
৩২.
দুইটি সংখ্যার যোগফল এবং বিয়োগফর যথাক্রমে ২৮ এবং ৪। বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ১৬
  2. ১৮
  3. ২০
  4. ২২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন দুইটি সংখ্যার যোগফল এবং বিয়োগফল যথাক্রমে ২৮ এবং ৪। বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
বড় সংখ্যা x
ছোট সংখ্যা y 

শর্তমতে,
x + y = 28
x - y = 4

x + y + x - y = 28 + 4
2x = 32
x = 16
৩৩.
a - {a - (a + 1)} = কত?
  1. ‍a - 1
  2. 1
  3. a
  4. a + 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - {a - (a + 1)} = কত?

সমাধান:
a - {a - (a + 1)}
= a - {a - a - 1}
= a - { - 1}
= a + 1
৩৪.
একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?
  1. ১৬
  2. ১৮
  3. ২০
  4. ২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি ক 

৩ক + ২ক = ৯০
⇒ ৫ক = ৯০
⇒ ক = ১৮
৩৫.
একটি ত্রিভুজের দুটি কোণের পরিমাণ ৩৫ ডিগ্রি ও ৫৫ ডিগ্রি। ত্রিভুজটি কোন ধরণের?
  1. সমকোণী
  2. সমবাহু
  3. সমদ্বিবাহু
  4. স্থূলকোণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাণ ৩৫ ডিগ্রি ও ৫৫ ডিগ্রি হলে ত্রিভুজটি কোন ধরনের?

সমাধান:
একটি ত্রিভুজের দুই কোণের পরিমান ৩৫ ডিগ্রি ও ৫৫ ডিগ্রি হলে,
কোণ দুইটির যোগফল = ৩৫ + ৫৫ = ৯০ ডিগ্রি 
অতএব, অপর কোণ = ১৮০ - ৯০ = ৯০ ডিগ্রি
একটি ত্রিভুজের এক কোণ সমকোণ হলে তা সমকোণী 
৩৬.
একটি ত্রিভুজের কোণগুলোর অনুপাত ২ : ৩ : ৫। এর বৃহত্তম কোণটি কত?
  1. ১৮ ডিগ্রি
  2. ৩৬ ডিগ্রি
  3. ৫৪ ডিগ্রি
  4. ৯০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের কোণগুলোর অনুপাত ২ : ৩ : ৫। এর বৃহত্তম কোণটি কত?

সমাধান: 
ধরি 
কোণগুলো = 2x , 3x, 5x

প্রশ্নমতে,
 2x + 3x + 5x = 180°
বা, 10x  = 180°
∴ x = 18°

∴ ত্রিভুজটির বৃহত্তম কোণ =  5 × 18° = 90°
৩৭.
একটি ত্রিভুজের সর্বোচ্চ কয়টি স্থূলকোণ থাকতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের সর্বোচ্চ কয়টি কোণ স্থূলকোণ হতে পারে?

সমাধান: 
- একটি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°। 
-  ত্রিভুজে কমপক্ষে ২টি সূক্ষ্মকোণ থাকতে পারে এবং সর্বোচ্চ ৩টি কোণই সূক্ষ্মকোণ হতে পারে।  
- একটি ত্রিভুজের সর্বোচ্চ ১টি কোণ স্থূলকোণ হতে পারে। 
৩৮.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের দুই বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ মিটার এবং ১২ মিটার হলে, অতিভুজের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১০ মিটার
  2. ১১ মিটার
  3. ১২ মিটার
  4. ১৩ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের দুই বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ মিটার এবং ১২ মিটার হলে অতিভুজের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ মিটার 
সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৫ মিটার 

আমরা জানি,
(অতিভুজ)2 = (ভূমি)2 + (লম্ব)2
বা, অতিভুজ = √(১২2 + ৫2)
= √(১৪৪ + ২৫)
= √১৬৯
= ১৩

∴ অতিভুজ = ১৩ সেন্টিমিটার
৩৯.
যে চতুর্ভুজের বাহুগুলি পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় তাকে কি বলে?
  1. সামান্তরিক
  2. রম্বস
  3. ট্রাপিজিয়াম
  4. আয়তক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় সেই চতুর্ভুজকে বলা হয় -

সমাধান:
সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় তাকে সামান্তরিক বলে।
আয়তক্ষেত্র: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল এবং কোণগুলো সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে।
রম্বস: যে চতুর্ভুজের বাহুগুলি পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় তাকে রম্বস বলে।
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে।
ট্রাপিজিয়াম: যে চতুর্ভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল কিন্তু অসমান অর্থাৎ সমান নয় তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে।
৪০.
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত অংকিত সরল রেখাকে কি বলে?
  1. ব্যাস
  2. ব্যসার্ধ
  3. জ্যা
  4. চাপ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত অংকিত সরল রেখাকে কি বলে?

সমাধান:
- বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত অংকিত সরল রেখাকে ব্যাসার্ধ বলে।
- অন্যভাবে বললে, বৃত্তের কেন্দ্র ও পরিধির উপর যে কোন বিন্দুর সংযোজক রেখাংশের দৈর্ঘ্যকে বৃত্তের ব্যাসার্ধ বলে।
৪১.
মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
রক্তের গ্রুপ: 
- বিভিন্ন ব্যক্তির লোহিত রক্ত কণিকায় A এবং B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন (antigens) থাকে এবং রক্তরসে a ও b দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (antibody) থাকে। 
- এই অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। 
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে। 
- রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে ব্লাড গ্রুপকে এভাবে বর্ণনা করা যায়। 
যেমন- 
• গ্রুপ A: এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে। 
• গ্রুপ B: এ শ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে। 
• গ্রুপ AB: এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। 
• গ্রুপ O: এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে। 
- O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে, এদের বলা হয় সর্বজনীন রক্তদাতা (universal donor)। 
- AB রক্তধারী ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই তাকে সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা (universal recipient) বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪২.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি?
  1. পুকুরের পানি
  2. লেকের পানি
  3. নদীর পানি
  4. সাগরের পানি
ব্যাখ্যা
- নদীর পানিতে সাধারণত অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। কারণ নদীর পানি প্রবাহিত হয় এবং এতে ঢেউ ও স্রোতের কারণে বাতাসের সংস্পর্শে বেশি আসে। ফলে পানি বাতাস থেকে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন শোষণ করতে পারে। 
- স্থির জলাশয়ের (যেমন পুকুর বা লেক) তুলনায় প্রবাহমান পানিতে গ্যাসের আদান-প্রদান বেশি কার্যকরভাবে ঘটে। 
- পুকুরের পানি ও লেকের পানি স্থির থাকে, ফলে সেখানে অক্সিজেন কম মিশতে পারে। 
- সাগরের পানি গভীরতা এবং লবণাক্ততার কারণে সাধারণত অক্সিজেনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হয়। 

উৎস: [লিঙ্ক]।
৪৩.
দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি, কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?
  1. হাইপো-থাইরয়ডিজম
  2. রাতকানা
  3. এনিমিয়া
  4. কোয়াশিয়রকর
ব্যাখ্যা
- সামুদ্রিক মাছ/শৈবাল আয়োডিনের ভাল উৎস।
- আয়োডিনের অভাবে হাইপো-থাইরয়ডিজম বা গলগণ্ড রোগ হয়।
- ফলে দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি থাকলে আয়োডিনের অভাবজনিত হাইপো-থাইরয়ডিজম রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকেই গলগণ্ড (Goitre) বলে।
- গলগন্ড (Goiter) খাদ্য ও খাবার পানিতে আয়োডিনের অভাব, সংক্রমণজনিত প্রদাহ, টিউমার, অথবা গলগ্রন্থির কম কার্যকারিতার কারণে গলগ্রন্থির (thyroid) অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। 
- "Severe and prolonged iodine deficiency, may lead to a deficient supply of thyroid hormones. This condition is referred to as hypothyroidism."

উৎস: WHO and US National Library of Medicine National Institutes of Health এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৪৪.
জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. আল্ট্রাভায়োলেট
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি: 
- গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। 
- আলট্রাভায়ােলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর। 
জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি। 
- গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অন্যান্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।
৪৫.
সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. রেডন
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়ামের ব্যবহার: 
- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা। 
- H2 গ্যাসের তুলনায় He গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী ও নাগ)।
৪৬.
গ্রিন হাউস ইফেক্ট এর পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে?
  1. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  2. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  4. ঝড়ের  প্রবণতা বেড়ে যাবে
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউজ প্রভাব: 
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়। 
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্ছে, ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে। 
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে। 

গ্রিন হাউস গ্যাস: 
- গ্রিন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রিন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রিন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭.
বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়?
  1. ওয়াট আওয়ারে
  2. ওয়াটে
  3. ভোল্টে
  4. কিলোওয়াট আওয়ারে
ব্যাখ্যা
কিলোওয়াট-ঘণ্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা। 
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা 
- অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট-ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়। 
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ জুল 
অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল। 
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়। 
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে। 
- বিদ্যুৎ বিল কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে হিসেব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮.
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ?
  1. তরল পদার্থ
  2. বায়বীয় পদার্থ
  3. কঠিন পদার্থ
  4. নরম পদার্থ
ব্যাখ্যা
- তাপ প্রয়োগে করলে সব ধরনের পদার্থই প্রসারিত হয়। 
- তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়। 
- কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম। 
- তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৯.
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর সাধারণত কি গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. নিয়ন
  4. অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
আর্গন: 
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। 
- তাছাড়া বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর সাধারণত নাইট্রোজেন এবং মাঝে মাঝে আর্গন (Ar) গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
- রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
- ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল অ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৫০.
ইলেকট্রিক বাল্ব এর ফিলামেন্ট কি দিয়ে তৈরি হয়?
  1. টাংস্টেন
  2. আয়রন
  3. কার্বন
  4. লেড
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক বাল্ব: 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে দুটি মোটা তার একটি বায়ুশূন্য বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসপূর্ণ বাল্বের বায়ুনিরুদ্ধ মুখের মধ্য দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করানো থাকে। 
- বাল্বের ভিতরে তারের দুই প্রান্তের সাথে সরু টাংস্টেনের তৈরি তারের কুন্ডলী সংযুক্ত থাকে, এটিকে ফিলামেন্ট বলে। 
- এই বাহুকে বিদ্যুৎ উৎসের সাথে সংযোগ করলে ফিলামেন্টে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয় এবং বাল্বের এই ফিলামেন্ট উত্তপ্ত হয়ে আলো বিকিরণ করতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫১.
প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে বেশী মৃদু পানি পাওয়া যায়?
  1. সাগর
  2. বৃষ্টি
  3. হ্রদ
  4. নদী
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। 
- সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। 
- নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫২.
দেহের প্রধান সৈনিক হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. অ্যান্টিজেন
  2. অ্যান্টিবডি
  3. প্রোটিন
  4. রক্ত
ব্যাখ্যা
- দেহের প্রধান সৈনিক হিসেবে কাজ করে- অ্যান্টিবডি। 

অ্যান্টিবডি (Antibody): 
- অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ। 
- অ্যান্টিবডি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। 
- এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে। 
- এরা অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হতে পারে এবং ক্লোনাল নির্বাচন দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং দেহের প্রধান সৈনিক বা রক্ষণাবেক্ষণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। 
- অ্যান্টিবডিগুলো অনুপ্রবেশকারী বা বহিরাগত অ্যান্টিজেনকে ভক্ষণ করে, কখনো বিনষ্ট করে, কখনো মেরে ফেলে, কখনো বাইরে নিক্ষেপ করে। 
- অ্যান্টিজেন হচ্ছে non-self আর অ্যান্টিবডি হচ্ছে self বস্তু। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩.
নিচের কোনটি চৌম্বক পদার্থ নয়?
  1. কাঁচা লৌহ
  2. ইস্পাত
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. কোবাল্ট
ব্যাখ্যা
চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকেই চুম্বক আকর্ষণ করে তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এবং অধিকাংশ ইস্পাতকে আকর্ষণ করে তাই এই পদার্থগুলোকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পিতল, কাঠ, রৌপ্য, প্লাস্টিক ইত্যাদি পদার্থগুলোকে আকর্ষণ করে না তাই এই পদার্থগুলোকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫৪.
কাপড় কাঁচা সোডার রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. NH4OH
  2. CuSO4.5H2O
  3. Na2CO3.5H2O
  4. Na2CO3.10H2O
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক সংকেত: 
- শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট যার রাসায়নিক সংকেত হলো- C17H35COOK. 
- কাপড় কাচার সাবানে থাকে মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট, যার রাসায়নিক সংকেত- C17H35COONa. 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O]. 
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O. 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫.
২ নিউটন বল কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর উপর প্রয়োগ করায় বস্তুটি  ৫ মিটার দূরে সরে গেলো। সম্পন্ন কাজের পরিমাণ কত?
  1. ২০ জুল
  2. ২০ ওয়াট
  3. ১০ জুল
  4. ১০ ওয়াট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ নিউটন বল কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর উপর প্রয়োগ করায় বস্তুটি  ৫ মিটার দূরে সরে গেলো। সম্পন্ন কাজের পরিমাণ কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বল = 2 নিউটন
সরণ = 5 মিটার

আমরা জানি,
কাজ = বল × সরণ
= ২ × ৫
= ১০ জুল
অর্থাৎ, সম্পন্ন কাজের পরিমাণ ১০ জুল।
৫৬.
সবচেয়ে ভালো তাপ পরিবাহক কোনটি?
  1. লোহা
  2. তামা
  3. সিদা
  4. ব্রোঞ্জ
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত অপশনের মধ্যে সবচেয়ে ভালো তাপ পরিবাহক হচ্ছে তামা

পরিবাহী: 

- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
- সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়।
যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী।
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের। 
- রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক
- পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে।
- ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত
৫৭.
ট্রান্সফরমারে কোনটি পরিবর্তন হয়?
  1. কারেন্ট
  2. ভোল্টেজ
  3. কারেন্ট ও ভোল্টেজ
  4. ফ্রিকোয়েন্সি
ব্যাখ্যা
- ট্রান্সফরমার হলো এক ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিকল্প কারেন্ট (AC) ব্যবহারের মাধ্যমে ভোল্টেজ ও কারেন্ট পরিবর্তন করে, কিন্তু ফ্রিকোয়েন্সি অপরিবর্তিত রাখে। 

ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮.
বায়ু একটি কি ধরনের পদার্থ?
  1. মৌলিক
  2. মিশ্র
  3. যৌগিক
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মিশ্র পদার্থ: 
- যে মিশ্রণে একের অধিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে তাকে বলা হয় মিশ্র পদার্থ। 
- বায়ু এক ধরনের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। 
- বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরনের পদার্থ রয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫৯.
ফল পাকানোর জন্য দায়ী কোনটি?
  1. ইথিলিন
  2. প্রপিন
  3. লাইকোপেন
  4. মিথিলিন
ব্যাখ্যা
ফল: 
- ফুলের গর্ভাশয় নিষিক্ত, পরিপুষ্ট ও পরিপক্কতা লাভ করে পূর্ণাঙ্গ ফলে পরিণত হয়। 
- বীজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে ফলকে একবীজপত্রী ও বহু বীজপত্রী ফলে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে। 
- পরাগায়নের ভিত্তিতে স্ব-পরাগী, পর-পরাগী, স্ব ও পর- পরাগী ফলে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে। 
- জীবনকালের ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী ফলে ভাগ করা হয়েছে। 
- গাছের ফল প্রদানের প্রকৃতি অনুযায়ী মনোকারপিক ও পলিকারপিক ফলে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। 
- উৎপত্তি অনুসারে প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফল এই দুই ভাগে ভাগ করতা হয়েছে। 
- ফল পাকানোর জন্য দায়ী ফাইটোহরমোনের নাম ইথিলিন। 
- লাইকোপেনের কারণে ফলের রং লাল হয়। 
- পুষ্পমঞ্জরীর ভূমিকার ওপর ভিত্তি করে সরল, যৌগিক ও গুচ্ছফল এবং পেরিকার্পের বুনটের ওপর ভিত্তি করে নিরস ও সরস ফলে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। 

উৎস: স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬০.
তামা ও টিনের মিশ্রণে কি হয়?
  1. পিতল
  2. কাঁসা
  3. ব্রোঞ্জ
  4. ডুরালুমিন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) কাঁসা ও গ) ব্রোঞ্জ। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
-------------------- 

সংকর ধাতু: 
- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না। 
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং এক বা একাধিক থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু। 
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়। 
যেমন: 
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে। যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)। 
- কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
- পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 
- স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬১.
কম্পিউটার ভাইরাস কি?
  1. একটি ক্ষতিকারণ জীবাণু
  2. একটি ক্ষতিকারক সার্কিট
  3. একটি ক্ষতিকারক চৌম্বক ফ্লাক্স
  4. একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে-Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়, এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হচ্ছে ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন ও সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
  1. লাউড স্পিকার
  2. এমপ্লিফায়ার
  3. জেনারেটর
  4. মোটর
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান উপকরণ কোনটি?
  1. ইন্টারনেট
  2. টেলিভিশন
  3. কম্পিউটার
  4. স্মার্টফোন
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT – Information and Communication Technology) হলো এমন প্রযুক্তি, যা তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- কম্পিউটার হলো ICT-এর মূল ভিত্তি বা প্রধান উপকরণ, কারণ- 
• তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (Processing), 
• ডেটা সংরক্ষণ (Storage), 
• ইন্টারনেট ব্যবহার ও কমিউনিকেশন এবং 
• সফটওয়্যার পরিচালনা ও অ্যাপ্লিকেশন চালানো ইত্যাদি কাজ করা যায়। 

অন্যদিকে, 
- ইন্টারনেট কম্পিউটারের মাধ্যমেই ব্যবহৃত হয়। 
- টেলিভিশনে দ্বিমুখী যোগাযোগ নেই। 
- স্মার্টফোন নিজেই কম্পিউটারের ক্ষুদ্র সংস্করণ। 
৬৪.
কম্পিউটার সাধারণত কোন সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করে?
  1. বাইনারি
  2. হেক্সাডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. দশমিক
ব্যাখ্যা
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। 
যেমন: 
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System), 
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System), 
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) এবং 
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System): 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি। 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়। 
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির ভিত্তি ২ ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। 
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
কোনো তথ্য ডিজিটাল উপাত্ত আকারে থাকলে তাকে কী বলে?
  1. অ্যানালগ কনটেন্ট
  2. ডিজিটাল কনটেন্ট
  3. এফটিপি
  4. ইউআরএল
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল কনটেন্ট: 
- কোনো কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয় তাহলে সেটিই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- তবে সেটি ডিজিটাল বা এনালগ যেকোনো পদ্ধতিতেই সংরক্ষিত হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে। 
- লিখিত তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা ভিডিও ডিজিটাল কনটেন্ট হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহারের ফলে তথ্য উপস্থাপন ও স্থানান্তর সহজতর হয়। 

ডিজিটাল কনটেন্ট-এর প্রকারভেদ: 
- ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা সবই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- কাজেই নানাভাবে ডিজিটাল কনটেন্টকে শ্রেণিকরণ করা যায়। 
- তবে ডিজিটাল কনটেন্টকে প্রধান চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
• টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট, 
• ছবি, 
• শব্দ বা অডিয়ো এবং 
• ভিডিয়ো ও এনিমেশন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৬.
কোনটিকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়?
  1. কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ
  2. স্মৃতি
  3. যুক্তি বর্তনী
  4. নির্গমন মুখ
ব্যাখ্যা
CPU: 
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট)। 
- সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়। 
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং রেজিস্টার স্মৃতি। 
- ALU (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। ইহা সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে। 
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিটই মূলত কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৭.
ALU এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Arithmetic Lock Unit
  2. Arithmetic Logic Unit
  3. Application Logic Unit
  4. Array Logic Unit
ব্যাখ্যা
ALU (গাণিতিক যুক্তি অংশ): 
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে। 
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি। 
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে। 
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮.
Wi-Fi এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Wireless fidelity
  2. wireless internet
  3. wireless field
  4. wireless fiber
ব্যাখ্যা
Wi-Fi: 
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity
- Wi-Fi এর অপর নাম হচ্ছে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস। 
- Wi-Fi হলো তারবিহীন এক ধরনের প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েব ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। 
- Wi-Fi প্রযুক্তিই বিশ্ব পর্যায়ে মানুষকে জোগাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওয়ারল্যাস সার্ভিস। তবে Wi-Fi এ ২.৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও ওয়েব ব্যবহার করা হয়। 
- Wi-Fi এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11 (Institute of Electrical and Electronics Engineers) । 
- তবে IEEE 802.11 হচ্ছে একটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড। 
- একটি Wi-Fi নেটওয়ার্কে দশটি বা তার অধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯.
নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য রিসোর্স ভাড়া দেওয়া কি ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং?
  1. ই-সার্ভিস
  2. ই-কম্পিউটিং
  3. অবকাঠামোগত সেবা
  4. অনলাইন কম্পিউটিং সেবা
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (laas: Infrastructure as a service): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭০.
কোন প্রজন্মের মোবাইলে IP ডাটা নেটওয়ার্ক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম: 
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- সার্কিট সুইচিং বা, প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। 
- ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপি-ভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক যা হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে। 
- ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনোও কোনোও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। 
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। 
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭১.
হার্ডিঞ্জ ব্রীজ কোন দুটি উপজেলাকে যুক্ত করেছে?
  1. ঈশ্বরদী-ভেড়ামারা
  2. চাটমোহর-ভেড়ামারা
  3. ঈশ্বরদী-দৌলতপুর
  4. চাপমোহর-দৌলতপুর
ব্যাখ্যা
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ: 
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ও পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলাকে যুক্ত করেছে। 
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু। ২৪ হাজার ৪০০ শ্রমিক-কর্মচারীর পাঁচ বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই ব্রিজ।
- তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নাম অনুসারে এই সেতুর নামকরণ করা হয়।
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার।
- ব্রিজের ওপর দুটি ব্রডগেজ রেললাইন রয়েছে।
- ১৯০৮ সালে ব্রিজ নির্মাণের মঞ্জুরি পাওয়ার পর ব্রিটিশ প্রকৌশলী স্যার রবার্ট উইলিয়াম গেইলস হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- প্রধান প্রকৌশলী রবার্ট শুধু ব্রিজের নকশা প্রণয়ন করেন।
- ব্রিজের প্রথম প্রকল্প প্রণয়ন করেন স্যার এস এম রেলডলস।
- এই ব্রিজে রয়েছে ১৫টি মূল স্প্যান।
- মূল স্প্যান ছাড়াও দুপাশে রয়েছে তিনটি করে অতিরিক্ত ল্যান্ড স্প্যান।
- ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছিল রেইথ ওয়ালটি অ্যান্ড ক্রিক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭২.
কোনটি নদী বন্দর নয়?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. বাঘাবাড়ি
  3. বেনাপোল
  4. চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থলবন্দর: 
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর।
- এই বন্দরটি বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের সাথে রপ্তানি-আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই বন্দরটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত।

এছাড়া,
- ১৯৮৩ সালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় বড়াল নদীর তীরে স্থাপিত হয়েছে বাঘাবাড়ি নদী বন্দর। 
- চাঁদপুর বন্দর বাংলাদেশের একটি প্রাচীন নদীবন্দর। 
- নারায়ণগঞ্জ বন্দর বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের একটি নদী বন্দর । 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৭৩.
নিচের চারটি পদের মধ্যে সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ কোনটি?
  1. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল
  3. মেজর জেনারেল
  4. লেফটেন্যান্ট কর্নেল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর র‍্যাঙ্ক: 
- উল্লিখিত চারটি পদের মধ্যে সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ পদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল।

জেনারেল: 
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ হলো চার তারকা জেনারেল।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হলেন চার তারকা জেনারেল।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল: 
- একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হলেন একজন তিন তারকা জেনারেল।
- তিনি কখনও কখনও সেনাবাহিনী প্রধানের পিএসও অথবা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পিএসও অথবা ডিজিএফআই-তে মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজেও কমান্ড্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন।

মেজর জেনারেল: 
- একজন মেজর জেনারেলকে ডিভিশন লেভেল বা ARTDOC-তে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- তিনি কিছু সময় সেনাবাহিনী প্রধানের পিএসও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পিএসও, ডিজিএফআই, এসএসএফ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং অন্যান্য কিছু সংস্থার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে কমান্ড্যান্ট এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস ইত্যাদির ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল: 
- একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- তিনি কিছু সময় সেনা সদর দপ্তরের বিভিন্ন অধিদপ্তরে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে বিজিবিতে সেক্টর কমান্ডার হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়।

কর্নেল: 
- একজন কর্নেলকে ভারপ্রাপ্ত ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- কিছু সময় তিনি ফর্মেশন স্তরে কর্নেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু কর্নেলকে স্টেশন কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- কিছু কর্নেলকে বিজিবিতে সেক্টর কমান্ডার এবং ডিজিএফআইতে কর্নেল জিএস হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল: 
- তিনি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার।
- কিছু সময় তিনি ফর্মেশন লেভেলে গ্রেড-১ স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি গ্রেড-১ স্টাফ অফিসার, এএ এবং কিউএমজি ইত্যাদি বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু অফিসার বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, ডিজিএফআই, এসএসএফ, এনএসআই, বিটিআরসিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবেও নিযুক্ত আছেন।

উৎস: JOIN BANGLADESH ARMY ওয়েবসাইট।
৭৪.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত সাধারণত কোথায় হয়ে থাকে?
  1. বায়তুল মোকাররম, ঢাকা
  2. জাতীয় ঈদগাহ, ঢাকা
  3. শোলাকিয়া, কিশোরগঞ্জ
  4. শাহ মাখদুম মসজিদ, রাজশাহী
ব্যাখ্যা
দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত:
পূর্বে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ-তে অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
অপশনে যেহেতু গোর-এ-শহীদ, দিনাজপুর নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে শোলাকিয়া, কিশোরগঞ্জ রাখা হয়েছে। 
---------------------

গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ:
- দিনাজপুরে গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠের আয়তন ২২ একর।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে ছোট পরিসরে এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ২০১৫ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এই ঈদগাহ মিনারটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ২০১৭ সালে মিনার নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ওই বছর প্রথম বড় পরিসরে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ:
- এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ হিসেবে শোলাকিয়া ঈদগাহ সর্বজন বিদিত।
- এ ঈদগাহে ঈদের জামায়েতে প্রায় দু’লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীগণ পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করে থাকেন।
- কথিত আছে যে, বহু বছর আগে এই ঈদগাহের একটি জামাতে সোয়ালাখ মুসুল্লীর সমাগম ঘটেছিল। এ সোয়ালাখ শব্দটিই পরবর্তীতে ‘শোলাকিয়া ঈদগাহ’ নামে পরিচিত হয়ে উঠে।
- কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বপ্রান্তে প্রায় ৬.৬১ একর জমিতে এটি অবস্থিত। 

উৎস: কিশোরগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট, প্রথম আলো, ও বাসস (৩১ মার্চ ২০২৫)।
৭৫.
টেকনাফ ও তেতুঁলিয়া কোন দুটি জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান ও নীলফামারী
  2. কক্সবাজার ও দিনাজপুর
  3. চট্টগ্রাম ও কুড়িগ্রাম
  4. কক্সবাজার ও পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
টেকনাফ উপজেলা: 
- টেকনাফ কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। 

তেতুঁলিয়া উপজেলা: 

- তেতুঁলিয়া পঞ্চগড় জেলার একটি উপজেলা। 
- ইংরেজী ১৮৬০ সন হতে ১৮৬৯ সন পর্যন্ত রংপুর জেলার একটি মহুকুমা হিসেবে প্রশাসনিক ইউনিটের মর্যাদা লাভ করে।
- শিল্প, বাণিজ্য ও নদী বন্দর হিসেবে তেতুলিয়া ছিল সুবিখ্যাত। 
- ১৯৪৭ সনের ১৮ আগস্ট স্যার রেডক্লিপ ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার অন্য ৪ টি থানার সঙ্গে তেতুলিয়াকে পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুরের সাথে যুক্ত করে দেন ।
- তেতুলিয়া বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা।
- এ উপজেলার তিন দিকে ভারত শুধুমাত্র দক্ষিন দিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৬.
প্রাথমিক স্তরে ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে-
  1. ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত
  2. ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত
  3. ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত
  4. ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মৌলিক বা বাধ্যতামূলক শিক্ষা চালু রয়েছে।
- সরকারি পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিনামূল্যে পড়াশুনা করতে পারে খুদে শিক্ষার্থীরা।
 -এবার অবৈতনিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার।
- ফলে অষ্টম শ্রেণি (নিম্ন মাধ্যমিক) পর্যন্ত পড়তে শিক্ষার্থীদের কোনো বেতন লাগবে না।
- শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকারের লক্ষ্য শিক্ষাকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করা।
- প্রথম পর্যায়ে নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে অবৈতনিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করা হবে।
- এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
- এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। 

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ (৭ মে ২০২৪)
৭৭.
বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহর কোনটি?
  1. নিউইয়র্ক
  2. মুম্বাই
  3. ম্যানিলা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দশটি শহর হল:
- ম্যানিলা, ফিলিপাইন (১১৯,৬০০/বাইল²)
- প্যাটেরোস, ফিলিপাইন (94,400/mi²)
- মান্দালুয়ং, ফিলিপাইন (৯০,৪৬০/বাইল²)
- বাগদাদ, ইরাক (৮৫,১৪০/বাইল²)
- মুম্বাই, ভারত (৮৩,৬৬০/বর্গমিটার)
- ঢাকা, বাংলাদেশ (75,290/মাইল²)
- ক্যালুকান, ফিলিপাইন (৭২,৪৯০/বর্গমিটার)
- পোর্ট-অ-প্রিন্স, হাইতি (৭০,৯৫০/মাইল²)
- বেনি ব্র্যাক, ইসরায়েল (70,810/mi²)
- লেভালয়েস-পেরেট, ফ্রান্স (68,460/mi²)

- ফিলিপাইনের ম্যানিলায় বিশ্বের সর্বোচ্চ জনসংখ্যার ঘনত্ব রয়েছে, প্রতি বর্গমাইলে ১১৯,৬০০ জন বা প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৪৬,১৭৮ জন।
- বিশ্বের ১২তম জনবহুল দেশ ফিলিপাইনে বিশ্বের ৫০টি ঘনবসতিপূর্ণ শহরের মধ্যে ১৩টি এবং শুধুমাত্র দশটি ঘনবসতিপূর্ণ শহরের মধ্যে চারটি রয়েছে।

উৎস: World Population Review
৭৮.
শেনজেন কোন দেশের অংশ?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. বেলজিয়াম
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
শেনজেন: 
- লুক্সেমবার্গ এর শেনজেন হল লুক্সেমবার্গ, জার্মানি এবং ফ্রান্সের সীমান্ত ত্রিভুজে অবস্থিত মোসেল নদীর তীরে অবস্থিত একটি গ্রাম।
- এখানেই ১৯৮৫ এবং ১৯৯০ সালে একটি নদী ক্রুজ জাহাজে শেনজেন চুক্তি এবং শেনজেন বাস্তবায়ন কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- গ্রামের বেশ কয়েকটি জায়গা চুক্তিটিকে স্মরণ করে, যার মধ্যে রয়েছে ইউরোপীয় শেনজেন কেন্দ্র এবং এর জাদুঘর।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে শেনজেন ইউরোপে অবাধ চলাচলের উপাধিতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: European Commission ওয়েবসাইট। 
৭৯.
ড্রোন কি?
  1. যাত্রীবাহী দ্রুতগামী বিমান
  2. চালকবিহীন বিমান
  3. যাত্রীবাহী বিমান
  4. চালকসহ বিমান
ব্যাখ্যা
ড্রোন: 
- প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন ছোট আকাশযান বা বিমানকে ড্রোন বলে। 
- ড্রোন যাত্রাস্থান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। 
- সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চললেও Communication Satellite দ্বারাও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- ড্রোন সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর, প্রপেলার, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পীড কন্ট্রোলার, সার্ভো মটর, পেলোড অ্যাকচুয়েটর, স্পিকার, রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে তৈরি এবং কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।
৮০.
OIC এর পূর্ণ রূপ কি?
  1. Organisation of Islamic Countries.
  2. Organisation of Islamic Cooperation.
  3. Organisation of Islamic Centres.
  4. Organisation of Islamic Conference.
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC এর পূর্ণরূপ Organisation of Islamic Cooperation বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য ৫৭ টি।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব হিসেইন ব্রাহীম তাহা (১২ তম) ।
- অফিসিয়াল ভাষা ৩ টি: আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

উৎস: OIC website.