পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩০ সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ৮ টপিক: শিল্প, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, জনমিতিক বিষয়াবলি (জনসংখ্যা, উপজাতি, জনশুমারির রিপোর্ট), কৃষি পরিসংখ্যান, ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমীক্ষা ও রিপোর্ট।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
প্রথম জনশুমারি কবে পরিচালিত হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি পরিচালিত হয়।
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
নিচের কোনটিকে বর্ষপণ্য ২০২৪ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. পাটজাত পণ্য
  2. ইলিশ
  3. হস্তশিল্প
  4. মৃৎশিল্প
সঠিক উত্তর:
হস্তশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তশিল্প
ব্যাখ্যা
হস্তশিল্প:
- সরকার হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের পণ্য বা বর্ষপণ্য ২০২৪ হিসাবে ঘোষণা করেছে।
- হস্তশিল্পের বার্ষিক অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা মূল্যের।
- কমপক্ষে ৪০,০০০ উদ্যোক্তা এই খাতে জড়িত।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো অনুসারে, হস্তশিল্প রপ্তানি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৯.৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে যা আগের অর্থবছরে ৪২.৮৩ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।
- রপ্তানিকারকরা বর্তমানে হস্তশিল্প পণ্য রপ্তানিতে আট শতাংশ নগদ প্রণোদনা পেয়েছেন।

- বর্ষপণ্য ২০২৩ ছিল পাটজাত পণ্য ।

উৎস: The Daily Star.
.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কোন পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে?
  1. ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি
  2. ডি-ফ্যাক্টো (de facto) পদ্ধতি
  3. মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
  4. মোডিফাইড ডি-জুরি (modified de jure) পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।

জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী জনশুমারি মূলত নিম্নবর্ণিত তিন ধরনের গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালনা করা হয়:

ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুধুমাত্র তাদের সচরাচর বাসস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

ডি-ফ্যাক্টো (de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহুর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহুর্তে যারা ভ্রমণরত, হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
তৈরি পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ : কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদন:
- বরাবরের মতোই শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। বর্তমানে তাদের বাজার হিস্যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে গত বছরও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- গত বছর বাংলাদেশ তিন হাজার ৮০০ কোটি বা ৩৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- বিশ্বের তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭.৩৮ শতাংশ।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৫ বিলিয়ন বা সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার।
- ভিয়েতনাম বাংলাদেশের চেয়ে ৭০০ কোটি ডলার কম মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
.
স্যার হার্বার্ট রিজলে ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে কতটি উপবিভাগে বিভক্ত করেন?
  1. ৫ ভাগে
  2. ৬ ভাগে
  3. ৭ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৭ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ ভাগে
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর মানুষের মিলন-বিরোধের ফলে বাংলাদেশে একটা সংকর জনগোষ্ঠী সৃষ্টি হয়েছে।
- স্যার হার্বার্ট রিজলের মতে বাঙালিরা হল মঙ্গোল-দ্রাবিড়-প্রভাবিত একটা সংকর জনগোষ্ঠী।
- স্যার হার্বার্ট রিজলে (Sir Herbert Risley) ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে সাতটি উপবিভাগে বিভক্ত করেন। এগুলো হচ্ছে:
১. তুর্কীয়-ইরানীয় (Turko-Iranian);
২. ভারতীয় আর্য (Indo-Aryan);
৩. শক-দ্রাবিড় (Scytho-Dravidian);
৪. আর্য-দ্রাবিড় (Aryo-Dravidian);
৫. মঙ্গোল-দ্রাবিড় (Mongolo-Dravidian);
৬. মঙ্গোলীয় (Mongoloid) এবং
৭. দ্রাবিড়ীয় (Dravidian) ।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২' কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৫-২১ জুন, ২০২১
  2. ১৫-২১ জুলাই, ২০২১
  3. ১৫-২১ জুন, ২০২২
  4. ১৫-২১ জুলাই, ২০২২
সঠিক উত্তর:
১৫-২১ জুন, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫-২১ জুন, ২০২২
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন, ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য:
- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে (১৬,১৩৯ মিলিয়ন ডলার)। যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ২৭.৪৬ শতাংশ।
- চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১০,০২৬ মিলিয়ন ডলার), যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ১৭.৬ শতাংশ।
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।
- বাংলাদেশ জাপান থেকে ২,৩৮৬ মিলিয়ন ডলার আমদানি করে যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ৪.০৬% শতাংশ। ।

অন্যদিকে,
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
.
ঔষধ শিল্প থেকে বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ৯০ শতাংশ
  2. ৯৫ শতাংশ
  3. ৯৮ শতাংশ
  4. ১০০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প: 
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- বর্তমানে শুধু মাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট (ব্লাড বায়োসিমিলার প্রোডাক্ট, এন্টিক্যান্সার ড্রাগ, ভ্যাকসিন ইত্যাদি) আমদানি করা হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 
- সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানসম্পন্ন ঔষধ সুনাম অর্জন করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করছে এবং ঔষধ রপ্তানির পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
গারোরা কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নেত্রকোনা
  3. জামালপুর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে দারিদ্রের হার কত?
  1. ১৫.৬ শতাংশ
  2. ১৮.৭ শতাংশ
  3. ৫.৬ শতাংশ
  4. ২৪.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১৮.৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' অনুযায়ী:
- দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ
- অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।

এছাড়া,
- ২০২৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১৫.৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২০-২০২৫) লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
- ২০২৮ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে, ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের অবসান এবং
- ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০১৬-২০২২ মেয়াদে জাতীয় পর্যায়ে আয় দারিদ্র্য ৫.৬ পার্সেন্টেজ পয়েন্টস হ্রাস পেয়েছে (২৪.৩% থেকে ১৮.৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
  2. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
  3. বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)
  4. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
ব্যাখ্যা
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি): 
- পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশের মেধাসম্পদ বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন ২০২২, পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন ১৯১১ এবং পেটেন্ট ও ডিজাইন বিধিমালা ১৯৩৩ মোতাবেক পেটেন্ট মঞ্জুর ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন নিবন্ধন করা হয়।
- ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ (ট্রেডমার্ক সংশোধনী আইন ২০১৫) ও ট্রেডমার্ক বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক ট্রেডমার্ক ও সার্ভিস মার্ক নিবন্ধন করা হয়।
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন ২০১৩ ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করা হয়।
- মেধাসম্পদের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় শতবর্ষী পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন, ১৯১১ এর পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি): 
- বিএবি জাতীয় মান অবকাঠামো (Quality Infrastructure) উন্নয়নের মাধ্যমে দেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন, ভোক্তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ তথা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে।
- বিএবি ২০১২ সালে প্রথম অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করে এবং ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশীয় ও বহুজাতিক মোট ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১২.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্যভিত্তিক আমদানি ব্যয় কত দাঁড়িয়েছে?
  1. ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার
  2. ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার
  3. ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার
  4. ৭ হাজার ৭৫ কোটি ডলার
সঠিক উত্তর:
৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
পণ্যভিত্তিক আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যয় ৭ হাজার ৭৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারে নেমে যায়।

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৫২,১৯০.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১৩.
বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. নেত্রকোনা
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী: 
- বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গারো, হাজং, কোচ, বানাই, হদি, মান্দাই প্রভৃতি নৃগোষ্ঠী অনাদিকাল থেকে নিজস্ব জীবন ও সমাজ তথা ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি লালন করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে বসবাস করে আসছে।
- এই সকল নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির চর্চা, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ১৯৭৭ সালে উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রথম পরিচালক ছিলেন সিস বিভা সাংমা।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ৩.২১ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- এর চারটি শাখা রয়েছে। ক) সংস্কৃতি খ) গবেষণা গ) লাইব্রেরি ও ঘ) জাদুঘর।
- এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত।
- এ প্রতিষ্ঠান উপজাতীয় সংস্কৃতিকে প্রতিপালনের মাধ্যমে আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সম্মুখে তুলে ধরার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।