সমাধান: এখানে, ধারার প্রথম পদ, a = 5 সাধারণ অন্তর, d = 11 - 8 = 8 - 5 = 3 ধরি, nতম পদ = 302 বা, a + (n - 1)d = 302 বা, 5 + (n - 1)3 = 302 বা, 3n + 2 = 302 বা, 3n = 300 বা, n = 300/3 ∴ n = 100
১৭.
ক
ক) 144
খ
খ) 25
গ
গ) 39
ঘ
ঘ) 150
সঠিক উত্তর: ক
ক) 144
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) 144
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:
সমাধান:
১৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কতজন সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে?
ক
ক) ২
খ
খ) ৩
গ
গ) ৪
ঘ
ঘ) ৫
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৫
ঘ
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদে, 'নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• সংবিধানের ১১৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, - প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।
• সংবিধানের ১১৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, - একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।
• সংবিধানের ১১৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, - এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং (ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না; (খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না।
• সংবিধানের ১১৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, - নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।
• সংবিধানের ১১৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, - সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।
• সংবিধানের ১১৮ (৬) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, - কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' এর কথা বলা হয়েছে?
ক
ক) ৪২ নং
খ
খ) ৪৩ নং
গ
গ) ৪৪ নং
ঘ
ঘ) ৪৫ নং
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৪৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৪৪ নং
গ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৪৪নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' এর কথা বলা হয়েছে'।
সংবিধানের ৪৪নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, • ৪৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, - এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।
• ৪৪ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, - এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২০.
'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় কততম সংশোধনীর মাধ্যমে?
ক
ক) পঞ্চদশ
খ
খ) সপ্তদশ
গ
গ) চতুর্দশ
ঘ
ঘ) ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ত্রয়োদশ
ঘ
ব্যাখ্যা
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
• ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল। - এর অধীনে ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। - ৩ এপ্রিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এর আগে ১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও এর সাংবিধানিক ভিত্তি ছিলো না। - ফখরুদ্দিন আহমেদ সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। - তবে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ৩০ জুন, ২০১১ সালে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২১.
জনগণের মৌলিক অধিকারের উৎস কী?
ক
ক) বিবেকবোধ
খ
খ) মূল্যবোধ
গ
গ) সংবিধান
ঘ
ঘ) সামাজিক প্রথা
সঠিক উত্তর: গ
গ) সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) সংবিধান
গ
ব্যাখ্যা
- জনগণের মৌলিক অধিকারের উৎস হলো সংবিধান। - এটি জনগণের মৌলিক অধিকারের রক্ষাকবচ।
- সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং অধিকারের নিশ্চয়তার বিধান সন্নিবেশিত থাকে। - বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। - এর মধ্যে তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। - এতে মোট ২২টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
• সংবিধানের ৫০ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে: - এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন। - তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
• সংবিধানের ৫০ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে: - একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না।
• সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে: - স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
• সংবিধানের ৫০ (৪) অনুচ্ছেদ অনুসারে: - রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।