পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৯: Full Model Test - 9
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৪ প্রশ্ন

.
'সংবাদ প্রভাকর' সাপ্তাহিক পত্রিকারূপে আবির্ভূত হয় কত সালে? 
  1. ১৮৩৪ সালে
  2. ১৮৩১ সালে
  3. ১৮৩৬ সালে
  4. ১৮৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালে
ব্যাখ্যা

• 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।

- পত্রিকাটি প্রকাশে পাথুরিয়া ঘাটার যোগেন্দ্রমোহন ঠাকুরের ভূমিকা ও সহযোগিতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ও অপরিহার্য। তাঁর মৃত্যুর কারণে ১৮৩২ সালের ২৫ মে প্রকাশিত ৬৯তম সংখ্যার পর পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর মৃত্যুর চার বছর পর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত পুনরায় সংবাদ প্রভাকর প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৮৩৬ সালের ১০ আগস্ট থেকে পত্রিকাটি বারত্রয়িক রূপে প্রকাশিত হতে থাকে। পুনরায় পাথুরিয়াঘাটার ঠাকুর পরিবার পত্রিকা প্রকাশে সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ করে।

- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সুযোগ্য সম্পাদনায় পত্রিকার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন সংবাদ প্রভাকর বাংলায় প্রকাশিত সর্বপ্রথম দৈনিক পত্রিকারূপে আবির্ভূত হয়।

- ১৮৫৩ সাল থেকে পত্রিকাটির মাসিক সংস্করণ প্রকাশিত হয়। মাসিক সংবাদ প্রভাকরে ঈশ্বরচন্দ্র প্রাচীন বাংলার ‘কবিয়াল’ ও গীতিকারদের জীবনী ও কর্মগাথা সংগ্রহ ও প্রকাশ করেছিলেন। ঈশ্বরচন্দ্রের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই রামচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক নিযুক্ত হন।

 - ১৮৪০ ও ১৮৫০-এর দশকে পত্রিকাটি নারীশিক্ষা ও বিধবা-বিবাহের প্রতি সমর্থন প্রদান করা ছাড়াও কৌলীন্য প্রথার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জমিদারদের সহায়তার কারণে পত্রিকাটি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ততটা জোরালোভাবে সমালোচনা না করে বরং শাসকদের পক্ষেই অবস্থান নেয়। তবে, নীলচাষের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে সংবাদ প্রভাকর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। 

- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাওগুলো সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হত। ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
জাতিবাচক বিশেষ্য নয় কোনটি?
  1. মানুষ
  2. পর্বত
  3. ইংরেজ
  4. জনতা
সঠিক উত্তর:
জনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনতা
ব্যাখ্যা

• জাতিবাচক বিশেষ্য:
যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন:
মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, পর্বত, ইংরেজ ইত্যাদি জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।

অন্যদিক,
---------------------
• সমষ্টিবাচক বিশেষ্য:
যে পদে বেশকিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টি বুঝায়, তা-ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
যেমন: মিছিল, সমাজ, সভা, জনতা, বহর, দল, সমিতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

.
'আড়াআড়ি' শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. প্রত্যয়যোগে
  2. দ্বিত্ব শব্দদ্বারা 
  3. উপসর্গযোগে
  4. বিভক্তির সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
দ্বিত্ব শব্দদ্বারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিত্ব শব্দদ্বারা 
ব্যাখ্যা

• 'আড়াআড়ি' শব্দটি দ্বিত্ব শব্দের সাহায্যে গঠিত হয়েছে।

--------------
• অনুকার দ্বিত্ব:
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারায় শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এত প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
যেমন:
অঙ্ক-টঙ্ক; আম-টাম, কেক-টেক; ঘর-টর; গরু-টরু; ছাগল- টাগল; আড়াআড়ি, খোঁজাখুঁজি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

.
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. নীরদ
  2. সিন্ধু
  3. দরিয়া
  4. অকূল
সঠিক উত্তর:
নীরদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীরদ
ব্যাখ্যা

• 'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় - নীরদ।



------------------ 
• 'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ:
সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, বারিধি, জলধি, অকূল, নীলাম্বু, পয়োধি ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
• 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
জলদ, জলধর, নীরদ, বারিদ, ঘন, জীমূত, অভ্র, অম্বুবাহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ) এবং একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য' এক কথায় বলে-
  1. দুরুচ্চার্য
  2. অবর্ণনীয়
  3. অনুচ্চার্য
  4. অবাচ্য
সঠিক উত্তর:
অবাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবাচ্য
ব্যাখ্যা

• 'ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য' এক কথায় বলে - অকথ্য/অবাচ্য।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'যা বাক্যে প্রকাশযোগ্য নয়/অবর্ণনা করা যায় না এমন' এক কথায় বলে-  অনির্বচনীয়/অবর্ণনীয়। 
• 'যা উচ্চারণ করা কঠিন' এক কথায় বলে - দুরুচ্চার্য।
• 'যা উচ্চারণ করা যায় না' এক কথায় বলে - অনুচ্চার্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
Choose the incorrect sentence?
  1. Bread and butter are my favourite breakfast.
  2. Slow and steady wins the race.
  3. Time and tide wait for none.
  4. Each boy and each girl has a pen.
সঠিক উত্তর:
Bread and butter are my favourite breakfast.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bread and butter are my favourite breakfast.
ব্যাখ্যা

The required answer is - ক) Bread and butter are my favourite breakfast.
Correct sentence is: Bread and butter is my favourite breakfast.

And দ্বারা যুক্ত হয়েও যদি Noun-গুলি একটি মাত্রভাব প্রকাশ করে তবে Verb Singular হয়।
Example:
Inc: Bread and butter are my favourite breakfast.
Cor: Bread and butter is my favourite breakfast.

Inc: Slow and steady win the race.
Cor: Slow and steady wins the race.
ব্যতিক্রম:
Inc: Time and tide waits for none.
Cor: Time and tide wait for none.

And দ্বারা যুক্ত Singular Noun গুলির প্রত্যেকটির পূর্বে each, every বা no থাকলে তৎপরবর্তী Verb ও Pronoun Singular হয়।
Inc: Each boy and each girl have a pen.
Cor: Each boy and each girl has a pen. 

Source: Advance Learner's Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

.
'What a rare punishment is avarice to itself' - was stated by -
  1. John Milton
  2. Ben Jonson
  3. Alexander Pope
  4. John Dryden
সঠিক উত্তর:
Ben Jonson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ben Jonson
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) Ben Jonson
- উক্তিটি 'Volpone' comedy play থেকে নেওয়া। 

Volpone:
- Volpone পাঁচ act বিশিষ্ট একটি comedy play।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৬০৭ সালে।
- ‘Volpone’ is considered a Beast Fable।
- এটি মূলত একটি prose বা verse fable অথবা short story, যাতে সাধারণত একটি moral থাকে।
- Beast Fable-এ প্রাণীগুলিকে মানুষের চরিত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং তাদের মধ্যে মানুষের সকল অনুভূতি ও উদ্দেশ্য প্রকাশ পায়।
- Ben Jonson-এর ‘Volpone’ তে বিভিন্ন প্রাণীকে মনুষ্য চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Volpone মূলত একটি শেয়াল (fox)।
- Volpone (“Fox”), একজন ধনী ভেনিসবাসী যার কোনো উত্তরাধিকারী নেই, মানুষের লোভকে কাজে লাগিয়ে আরও ধনী হওয়ার একটি পরিকল্পনা করে।

The Important characters of Volpone:
- Volpone,
- Mosca,
- Celia,
- Bonario,
- Corvino,
- Voltore.

Ben Jonson:
- তিনি একজন ইংরেজ লেখক।
- তিনি একাধারে English Stuart dramatist, lyric poet এবং literary critic।
- তাকে Father of Comedy of Humours বলা হয়।

Best Plays:
- Every Man in His Humour (1598),
- Volpone (1605),
- Epicoene; or, The Silent Woman (1609),
- The Alchemist (1610),
- Bartholomew Fair (1614)।

Source: Britannica; An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

.
“Brown study” means -
  1. Studying for long hours
  2. Deeply absorbed in thought
  3. Casual conversation
  4. A type of research
সঠিক উত্তর:
Deeply absorbed in thought
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deeply absorbed in thought
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) Deeply absorbed in thought.

• Brown study
- English Meaning: absorbed in one's thoughts and not paying attention to anything else.
- Bangla Meaning: তীব্র নিমগ্নতা বা বিমূর্ততা / আনমনা ভাব।

• Example Sentences:
- I could see she was in a brown study.
- Bangla Meaning: আমি দেখতে পাচ্ছিলাম সে খুব আনমনা হয়ে আছে।

Source: Live MCQ Lecture.

.
In spite of his bad behaviour, people mix with him. (Complex)
  1. Though his behaviour is bad, people mix with him.
  2. His behaviour is bad though people mix with him.
  3. Although his bad behaviour, people mix with him.
  4. Though people mix with him, his behaviour is bad.
সঠিক উত্তর:
Though his behaviour is bad, people mix with him.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Though his behaviour is bad, people mix with him.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ক) Though his behaviour is bad, people mix with him

• Simple থেকে Complex করার ক্ষেত্রে, 
Simple sentence-এ যদি In spite of ব্যবহৃত হয়, তাহলে Complex sentence করতে হলে Though/Although ব্যবহার করতে হয়।
আবার, Complex sentence-এ Though/Although থাকলে, সেটিকে Simple sentence করতে হলে In spite of বসে।

• Example:
Simple: In spite of his bad behaviour, people mix with him.
Complex: Though his behaviour is bad, people mix with him.

• More examples:
Simple: In spite of the bad weather, we went there.
Complex: Though the weather was bad, we went there.

Simple: In spite of his poverty, he is happy.
Complex: Though he is poor, he is happy.

Simple: In spite of his honesty, he is not happy.
Complex: Though he is honest, he is not happy.
or, Honest as he is, he is not happy.

Simple: In spite of his cruelty, I love him.
Complex: Though he is cruel, I love him.

Other options
খ) His behaviour is bad though people mix with him.
এটি ভুল, কারণ “though” clause-এর অবস্থান এমনভাবে বসানো হয়েছে যা মূল বাক্যের অর্থ ঠিকমতো প্রকাশ করছে না।

গ) Although his bad behaviour, people mix with him.
এটি ভুল, কারণ “his bad behaviour” এর সাথে verb missing আছে। “Although his behaviour is bad” হবে।

ঘ) Though people mix with him, his behaviour is bad.
এটি ভুল, কারণ clause-এর ক্রম পরিবর্তিত হয়েছে, ফলে emphasis ও মূল বাক্যের অর্থ বিপরীত হয়েছে।
 
Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

১০.
"Revolutions are not about trifles, but they spring from trifles." - Who said this?
  1. Plato
  2. Socrates
  3. Aristotle
  4. Machiavelli
সঠিক উত্তর:
Aristotle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aristotle
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) Aristotle
- The quote "Revolutions are not about trifles, but they spring from trifles." is taken from Politics.
- অ্যারিস্টটলের Politics গ্রন্থে রাজনীতি, গণতন্ত্র ইত্যাদি বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হয়েছে।

Aristotle:
- এরিস্টটল ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।
- দর্শন ও বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপনকারী অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
- খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮৪ সালে স্ট্যাগিরা শহরে তাঁর জন্ম।
- তিনি প্লেটোর ছাত্র ছিলেন।
- নীতিশাস্ত্র, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, যুক্তিবিজ্ঞান, কবিতা, নাট্যকলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অবদান রয়েছে।

Notable works:
- The Politics,
- The Nicomachean Ethics,
- The Metaphysics,
- Rhetoric,
- Poetics,
- Analytics,
- Historia Animalium.

Source: Britannica.

১১.
I don't want to ______ this place.
  1. leaving 
  2. left
  3. be left
  4. leave
সঠিক উত্তর:
leave
উত্তর
সঠিক উত্তর:
leave
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ঘ) leave
Complete sentence: I don't want to leave this place.

- To -এর পরে verb এর base form বসে।

যদি কোন Simple Sentence এ দুটি Verb থাকে তাহলে ব্রাকেটের Verb এর সাথে ing যোগ করতে হয় অথবা Verb টির পূর্বে to বসাতে হয় অথবা verb টির Past Participle করতে হয়।
(i) I don't want (leave) this place. 
Ans: I don't want to leave this place.

(ii) I saw him (go). 
Ans: I saw him going.

Other options
ক) leaving → gerund ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু “want” এর পর gerund হবে না।
খ) left → past tense ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু এখানে present/future ইঙ্গিত প্রকাশের জন্য base form দরকার।
গ) be left → passive form, যা অপ্রাসঙ্গিক।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

১২.
Percy Bysshe Shelley belonged to which literary period?
  1. Renaissance period
  2. Victorian period
  3. Romantic period
  4. Modernist period
সঠিক উত্তর:
Romantic period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Romantic period
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) Romantic period.

Romantic Period (1798–1832):
- এই সময়কে রোমান্টিসিজমের পুনর্জাগরণ বলা হয়, কারণ এলিজাবেথীয় যুগের রোমান্টিক আদর্শ আবার পুনরায় প্রকাশ পায়।
- Lyrical Ballads সাহিত্য জগতে বড় পরিবর্তন আনে: শহুরে মানুষের বদলে গ্রামীণ মানুষ প্রধান চরিত্র হয়ে ওঠে, আর জাঁকজমকপূর্ণ ভাষার বদলে সাধারণ, দৈনন্দিন ভাষা ব্যবহৃত হয়।
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge-এর Lyrical Ballads প্রকাশের মাধ্যমে এই যুগের সাহিত্যকর্মের যাত্রা শুরু হয়।
- এই যুগকে বলা হয় The Golden Age of Lyrics এবং The Age of Revolution।
- রোমান্টিক যুগের সাহিত্যিক প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো Subjectivity, অর্থাৎ কবিতায় “আমি” এর ব্যবহার।
- যুগের সাধারণ শ্লোগান ছিল “Art for Art's sake”।
- Romantic Period-এর অগ্রদূত বা Pioneers হিসেবে William Coleridge-এর নাম উল্লেখযোগ্য।

Percy Bysshe Shelley (1792–1822):
- P. B. Shelley ছিলেন Romantic Period-এর একজন প্রধান ইংরেজি কবি।
- তিনি ব্যক্তিগত প্রেম এবং সামাজিক ন্যায়ের প্রতি তাঁর আবেগময় অনুসন্ধান ধীরে ধীরে কবিতায় রূপান্তরিত করেছিলেন, যা ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবিতার মধ্যে গণ্য হয়।

• Notable Works:
- A Defence of Poetry (essay),
- A Philosophical View of Reform (book),
- Adonais (poem),
- Alastor; or The Spirit of Solitude (poem),
- The Necessity of Atheism (essay),
- Prometheus Unbound (play),
- The Cenci (tragedy play),
- Ode to the West Wind (poem).

Source: Britannica. 

১৩.
The antonym of "Audacious" is - 
  1. Dwindle 
  2. Repulsive
  3. Timid
  4. Fearless
সঠিক উত্তর:
Timid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Timid
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) Timid
- Timid (ভীক, লাজুক; মুখচোরা)

• Audacious (adjective)
- English Meaning: Showing an unusual willingness to take risks.
- Bangla Meaning: (১) দুঃসাহসী; অসমসাহসী, (২) ধৃষ্ট; প্রগলভ।

• Synonyms:
- Bold (সাহসী, দুর্দান্ত, দুর্দমনীয়),
- Fearless (নির্ভীক,),
- Reckless (অগ্রাহ্য করে এমন; বেপরোয়া),
- Heedless (অমনোযোগী),
- Brave (সাহসী)।

• Antonyms:
- Timid (ভীক, লাজুক; মুখচোরা),
- Polite (সুশীল, মার্জিত; বিনয়বান),
- Civil (সুশীল),
- Cultured (সংস্কৃতিমনা),
- Genteel (ভদ্র)।

• Other Forms:
- Audaciously (adverb) দুঃসাহসভরে, ধৃষ্টতাসহকারে, দুর্বিনীতভাবে।
- Audacity [ওদ্রাসাটি] (noun) দুঃসাহস, স্পর্ধা, ধৃষ্টতা, প্রগলভতা।

• Example Sentence:
- We need to be more audacious in what we say and do.
- Some scientists have audacious visions of the total conquest of space.

Other options:
- Dwindle (হ্রাস পাওয়া),
- Repulsive (বিরক্তিকর; ঘৃণ্য; বীভৎস)।

Source: Live MCQ Lecture.

১৪.
What is the plural of “alumnus”?
  1. Alumnuses
  2. Alumnia
  3. Alumnii
  4. Alumni
সঠিক উত্তর:
Alumni
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alumni
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ঘ) Alumni

• কিছু কিছু noun এর plural অনিয়মিতভাবে হয়ে থাকে। যেমন:
Singular --------- Plural
alumnus --------- alumni
medium --------- media
formula --------- formulae, formulas
radius ------------ radii
oasis ------------- oases
agendum -------- agenda
analysis ---------- analyses


• More Example
Singular --------- Plural
syllabus ---------- syllabi, syllabuses
vertex ------------ vertices, vertexes
basis ------------- bases
crisis ------------ crises
memorandum -- memoranda

Source:
1. A passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
2. Applied English Grammar and Composition by P. C. DAS.

১৫.
১৯৮০ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে গুণফলটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হবে?
  1. ১২
  2. ৬৫
  3. ৫৫
সঠিক উত্তর:
৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৯৮০ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে গুণফলটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হবে?

সমাধান:
১৯৮০ এর মৌলিক গুণনীয়ক বিশ্লেষণ করলে পাই,

১৯৮০ = ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ × ১১
= ২ × ৩ × ৫ × ১১

জোড়া গঠন করে পাই = (২ × ২) × (৩ × ৩) × ৫ × ১১

এখানে, জোড়া বিহীন সংখ্যা = ৫ × ১১ = ৫৫

সুতরাং পূর্ণ বর্গ সংখ্যা পেতে, ১৯৮০ কে ৫৫ দ্বারা গুণ করতে হবে।

∴ ৫৫ দ্বারা গুণ করলে গুণফলটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হবে।

১৬.
৫% হার মুনাফায় ২০,০০০ টাকার ২ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
  1. ৩২ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ৬৩ টাকা
  4. ১১০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫% হার মুনাফায় ২০,০০০ টাকার ২ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূলধন, P = ২০,০০০ টাকা
সময়, n = ২ বছর
সুদের হার, r = ৫%

সরল মুনাফা, I = Pnr/১০০
⇒ I = ২০,০০০ × ২ × ৫/১০০
⇒ I = ২০০ × ২ × ৫
∴ I = ২,০০০ টাকা

চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় চক্রবৃদ্ধিমূল, C = P(১ + r/১০০)n
= ২০,০০০ (১ + ৫/১০০)
= ২০,০০০ (১০৫/১০০) × (১০৫/১০০)
= ২০,০০০ × (২১/২০) × (২১/২০)
= ২২,০৫০ টাকা

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা, CI = C - P
= ২২,০৫০ - ২০,০০০
= ২,০৫০ টাকা।

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = CI - I
= (২,০৫০ - ২,০০০)
∴ পার্থক্য = ৫০ টাকা।

১৭.
একটি দ্রবণের pH মান কিসের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম?
  1. জলীয় অণু (H2O)
  2. হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
  3. হাইড্রোক্সাইড আয়ন (OH-)
  4. ক্লোরাইড আয়ন (Cl-)
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
ব্যাখ্যা

একটি দ্রবণের pH মান হলো হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম।

pH স্কেল:
-কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+)-এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+)-এর ঘনমাত্রার ঋনাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের PH বলে। অর্থাৎ, pH = -log[H+]
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়।
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে।
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি নিরপেক্ষ হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
যদি a + b = 9 এবং a2 + b2 = 41 হয়, তবে a3 + b3 এর মান কত?
  1. 189
  2. 343
  3. 690
  4. 232
সঠিক উত্তর:
189
উত্তর
সঠিক উত্তর:
189
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a + b = 9 এবং a2 + b2 = 41 হয়, তবে a3 + b3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a2 + b2 = 41 এবং a + b = 9

আমরা জানি,
(a + b)2 = a2 + 2ab + b2
⇒ (9)2 = 41 + 2ab
⇒ 81 = 41 + 2ab
⇒ 2ab = 81 - 41
⇒ 2ab = 40
⇒ ab = 40/2
⇒ ab = 20

এখন,
a3 + b3 = (a + b)3 - 3ab(a + b)
= (9)3 - (3 × 20 × 9)
= 729 - 540
= 189

১৯.
নিচের কোনটিকে "দেহের রসায়ন গবেষণাগার" বলা হয়?
  1.  যকৃত
  2. হৃদপিণ্ড
  3. মস্তিষ্ক
  4. পাকস্থলী
সঠিক উত্তর:
 যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 যকৃত
ব্যাখ্যা

যকৃতকে 'দেহের রসায়ন গবেষণাগার' বা 'জৈব রসায়নের কারখানা' বলার কারণ হলো এটি মানবদেহের প্রায় সকল প্রকার রাসায়নিক প্রক্রিয়া, সংশ্লেষণ এবং বিশোধন নিয়ন্ত্রণ করে। 

যকৃত (Liver):
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি।
- এটি মধ্যচ্ছদের নিচে, পাকস্থলীর ডান পাশে অবস্থিত।
- যকৃতের রঙ গাঢ় বাদামি এবং এটি আকারে ত্রিকোণাকার।
- যকৃতের নিচে কলস আকৃতির পিত্তথলি (Gallbladder) সংযুক্ত থাকে।

যকৃতের কার্যাবলি:
- যকৃত থেকে ক্ষারীয় প্রকৃতির গাঢ় সবুজ বর্ণের পিত্তরস নিঃসৃত হয়।
- পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী -পিত্তনালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবাহিত হয়।
- পাচন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
- রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে (গ্লাইকোজেন সংরক্ষণ ও মুক্তি)।
- প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট বিপাক ঘটায়।
- দেহের বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করে (ডিটক্সিফিকেশন)।
- রক্তে কোলেস্টেরল ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
- যকৃতে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, তাই একে "দেহের রসায়ন গবেষণাগার" বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
ভাইরাসঘটিত রোগ নয় কোনটি?
  1. পোলিও
  2. টাইফয়েড
  3. জন্ডিস
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
ব্যাখ্যা

টাইফয়েড হলো একটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ।

ভাইরাসজনিত রোগ:
- এইডস,
- পোলিও,
- ডেঙ্গু,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- পীতজ্বর,
- হাম,
- রুবেলা,
- মাম্পস,
- জন্ডিস,
- হার্পিস ইত্যাদি।

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- আমাশয়,
- টাইফয়েড,
- কলেরা,
- কুষ্ঠ,
- যক্ষ্মা,
- ধনুষ্টংকার,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিং কাশি ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

২১.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 154 বর্গমিটার এবং পরিধি 44 মিটার হলে, বৃত্তটির ব্যাস কত? 
  1. 14 মিটার 
  2. 21 মিটার
  3. 24 মিটার
  4. 32 মিটার
সঠিক উত্তর:
14 মিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14 মিটার 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 154 বর্গমিটার এবং পরিধি 44 মিটার হলে, বৃত্তটির ব্যাস কত?

সমাধান:
ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
∴ বৃত্তের ব্যাস = 2r

আমরা জানি,
বৃত্তের পরিধি = 2πr
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

প্রশ্নমতে, বৃত্তের পরিধি = 44 মিটার
∴ 2πr = 44
⇒ 2 × (22/7) × r = 44
⇒ (44/7) × r = 44
⇒ r = 44 × (7/44)
⇒ r = 7 মিটার

বৃত্তটির ব্যাসার্ধ = 7 মিটার
∴ বৃত্তটির ব্যাস = 2 × 7 = 14 মিটার

অতএব, বৃত্তটির ব্যাস হলো 14 মিটার।

২২.
বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়-
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়।
- সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সরকার দেশের ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুর জন্য পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেন।
- ১৯৯০ সালে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস করা হয়।
- ১৯৯২ সালে সীমিতভাবে এবং ১৯৯৩ সাল থেকে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: সিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৩.
'মিসরাতা' কোন দেশের শহর?
  1. আলজেরিয়া
  2. লিবিয়া
  3. ইয়েমেন
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
ব্যাখ্যা

লিবিয়া:
- লিবিয়া উত্তর আফ্রিকাতে ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত একটি দেশ, যার বেশিরভাগ অংশ সাহারা মরুভূমির মধ্যে পড়ে।
- লিবিয়ার উত্তরে ভূমধ্যসাগর, পূর্বে মিশর, দক্ষিণ-পূর্বে সুদান, দক্ষিণে চাদ ও নাইজার, এবং পশ্চিমে আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়া অবস্থিত।
- ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত ত্রিপোলি শহর লিবিয়ার বৃহত্তম শহর ও রাজধানী।
- মিসরাতা লিবিয়ার বন্দরনগরী।
-মিসরাতা রাজধানী থেকে পূর্বে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে।
- আয়তন: ৬৪৭,১৮৪ বর্গ মাইল (১,৬৭৬,১৯৮ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: আরবি (সরকারি); ইতালীয় এবং ইংরেজি।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি; প্রধানত সুন্নি) ও এছাড়াও খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: লিবিয়ান দিনার।

উল্লেখ্য,
- ১২মে ২০২৫ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে।
- সংঘর্ষে একটি সশস্ত্র দলের নেতা নিহত হয়েছেন।
- বর্তমানে লিবিয়া দুটি প্রশাসনের মধ্যে বিভক্ত। একটি জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকার, রাজধানী ত্রিপোলি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপরটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রশাসন, যা হাফতার পরিবার পরিচালিত।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট। [লিঙ্ক]

২৪.
দিনাজপুরের দেবকোট-কে বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন কোন মুসলিম শাসক?
  1. মুহাম্মদ ঘুরি
  2. বখতিয়ার খলজি
  3. শিরান খলজি
  4. ঈশা খা
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা

দেবকোট: 
- বাংলার সুলতানি আমলের গোড়ারদিকে রাজ্যের উত্তর সীমান্তে দেবকোট একটি গুরুত্বপূর্ণ চৌকি ছিল।
- বস্ত্তত, বখতিয়ার খলজী ও পরবর্তী খলজী মালিকদের আমলে দেবকোট বিশিষ্ট নগরীর মর্যাদা লাভ করে।
- বখতিয়ার খলজী তিববত অভিযানের পূর্বে দেবকোটে রাজধানী স্থাপন করেন।
- এবং তিববত অভিযান হতে ফিরে এসে এখানেই তার মৃত্যু হয় এবং এ স্থানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৫.
মধ্যপ্রাচ্যে MBS নামে পরিচিত ব্যক্তিটি কে?
  1. জর্ডানের রাজা
  2. দুবাইয়ের শাসক
  3. মিশরের প্রেসিডেন্ট
  4. সৌদি ক্রাউন প্রিন্স
সঠিক উত্তর:
সৌদি ক্রাউন প্রিন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি ক্রাউন প্রিন্স
ব্যাখ্যা

 সৌদি আরবের ক্রাউন: 
- MBS-এর পূর্ণরূপ হলো মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ (Mohammed bin Salman Al Saud),
- যিনি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বলা হয়ে থাকে দেশটির ক্ষমতার সব চাবিকাঠি তার হাতেই। বিরোধী গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন নাগরিকের ওপর হত্যা, নিপীড়ন চালানোর অনেক অভিযোগ এই সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে।
- সাবেক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফকে অপসারণ করে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসা সালমানি।
-‍ ‘টাইগার স্কোয়াড’ নামের একটি নৃশংস গ্যাং পরিচালনা করেন সালমান, যাকে অপহরণ ও হত্যার মতো কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করেন তিনি।

উৎস: আলজাজিরা। [লিঙ্ক]

২৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্ত ২০২৪ অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন জেলায়?
  1. বান্দারবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙ্গামাটি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্ত ২০২৪:
• মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর;
- বান্দরবান = ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর;
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর;
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর;
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২৭.
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ কোনটি? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. চীন
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ:
- সৌরশক্তি খাতে সবচেয়ে বেশি আধিপত্য চীনের।
- ২০২২ সালে বিশ্বের ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ সৌর প্যানেল স্থাপন করেছে চীন।
- এর মাধ্যমে তারা ৩৯৩ গিগাওয়াট (১ গিগাওয়াট=১০০০ মেগাওয়াট) সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে।
- আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বাকি বিশ্ব যে সৌর প্যানেল তৈরি করেছে, ২০২৩ সালে চীন একাই এর চেয়ে বেশি প্যানেল তৈরি করেছে। ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বে উৎপাদিত মোট নবায়নযোগ্য শক্তির প্রায় ৬০ শতাংশ উৎপাদন করতে পারে চীন।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ার এ দেশটি ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরশক্তি থেকে যে জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল, তা কয়েক বছর আগেই পূরণ করে ফেলবে বলেও আইইএ আশা প্রকাশ করেছে।
- চীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১ হাজার ২০০ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্য ঠিক করেছে।
- ২০৬০ সালের মধ্যে চীন তাদের কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে চায়।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।[লিঙ্ক]

২৮.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে হত্যার ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ কতটি সুপারিশ করেছে?
  1. ৩১টি
  2. ৪১টি
  3. ৪৬টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
৪১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১টি
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: 
- ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে হত্যার ঘটনায় নির্দেশদাতা এবং নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিদের বিদ্যমান আইন ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আলোকে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাসহ ৪১ সুপারিশ করেছে জাতিসংঘ।
- একই সঙ্গে স্বাধীন তদন্তে পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি এবং সশস্ত্র বাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলবে তাদের অপসারণ করতে বলা হয়েছে।
- সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর তৎপরতা ও ক্ষমতা সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছে।
- জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনের তথ্যানুসন্ধান দলের প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়েছে।
- ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাবলি নিয়ে তৈরি করা এ প্রতিবেদন।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।

২৯.
'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' কী?
  1. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সচিত্র দলিল
  2. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্য নির্মিত জাদুঘর
  3. জুলাই গণঅভ্যুত্থানর জন্য নির্মিত একটি ভাস্কর্য
  4. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি বা দেয়ালচিত্র
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি বা দেয়ালচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি বা দেয়ালচিত্র
ব্যাখ্যা

দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ':
- জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি চিত্রের একটি সংকলন 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ।
- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রখ্যাত প্রাণিবিজ্ঞানী, প্রাইমেটোলজিস্ট ও নৃতত্ত্ববিদ জেন গুডঅলকে ‘দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’ আর্টবুক উপহার দিয়েছেন।

- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৪ সেপ্টেম্বর কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি চিত্রের একটি সংকলন 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' উপহার প্রদান করেন।

উৎস: পত্রিকার রিপোার্ট। [লিঙ্ক]

৩০.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) অনুসারে, আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. শুধুমাত্র দায়েরকৃত মামলায়
  2. শুধুমাত্র বিচারাধীন মামলায়
  3. শুধুমাত্র দায়েরযোগ্য মামলায়
  4. দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
“আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

৩১.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কোন ধারায় শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৬৯
  2. ধারা ৭০
  3. ধারা ৭১
  4. ধারা ৭২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭১
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং
উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩২.
যৌতুকের জন্য জাহানাকে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী সর্বোচ্চ দণ্ড কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড + অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৩৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এ অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে ধৃত না হলে, অভিযোগ/রিপোর্ট অপরাধ সংঘটনের কত কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে?
  1. ৩ কার্যদিবস
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৭ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৭ কার্যদিবস।

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।

৩৪.
মাদকদ্রব্য অপরাধ সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র আদালতে কীভাবে ব্যবহারযোগ্য?
  1. শুধুমাত্র তদন্তের কাজে
  2. বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসেবে
  3. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে
  4. ব্যবহারযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসেবে
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫৬: ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা, ইত্যাদির সাক্ষ্য মূল্য:
Evidence Act, 1872 (Act No.I of 1872) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা তদন্তকারী সংস্থার কোনো সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ বা ক্ষতি সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোনো কথাবার্তা বা আলাপ-আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত ভিডিও, স্থিরচিত্র, টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধ বা ক্ষতি সংশ্লিষ্ট মামলা বিচারের সময় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

৩৫.
কোনো কোম্পানি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত অপরাধ করলে, কে দায়ী হবে?
  1. শুধুমাত্র কোম্পানি
  2. শুধুমাত্র কোম্পানির পরিচালক
  3. কোম্পানির মালিক এবং শেয়ারহোল্ডারগণ শুধু
  4. কোম্পানি এবং কোম্পানির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং কোম্পানির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং কোম্পানির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয়ই
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881– ধারা ১৪০ (কোম্পানির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ)-
(১) যদি ধারা ১৩৮ অনুযায়ী কোনো কোম্পানি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত অপরাধ করে, তবে যিনি ওই সময় কোম্পানির ব্যবসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি এবং কোম্পানিটি উভয়ই অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে:
- তিনি অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, অথবা
- তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, তাহলে তিনি দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

(২) যদি প্রমাণিত হয় যে কোম্পানির কোনো পরিচালক/ম্যানেজার/সেক্রেটারি/কর্মকর্তা জানিয়ে সম্মতি দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, বা অবহেলা করেছেন, তাহলে তিনিও অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
- “কোম্পানি” বলতে বোঝায়: বডি কর্পোরেট, ফার্ম, বা বিভিন্ন ব্যক্তির সমিতি।
- ফার্মের ক্ষেত্রে “ডিরেক্টর” বলতে বোঝায় অংশীদার।

৩৬.
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তিনি লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অন্য কারণে দ্রব্য মজুত করেছিলেন, তবে তার সর্বাধিক শাস্তি কী হতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি নেই
  2. তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ছয় মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. এক বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫: কালোবাজারি বা মজুতদারির জন্য শাস্তি:

(১) যে কেউ মজুতদারি বা কালোবাজারি করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইবে, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ড, অথবা আজীবন কারাদণ্ড, অথবা চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং তাহার উপর অর্থদণ্ডও আরোপযোগ্য হইবে।

তবে যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করিতে পারেন যে তিনি লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অর্থাৎ আর্থিক বা অন্য কোনো স্বার্থের জন্য নয়, অন্য কোনো কারণে দ্রব্য মজুত করিয়াছিলেন, তাহা হইলে তিনি সর্বাধিক তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) মজুতদারি বা কালোবাজারির অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত নির্দেশ দিবে যে, অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে এমন দ্রব্য বা সামগ্রী সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হইবে।

৩৭.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কত দিনের মধ্যে করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩১: আপিল:
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অথবা আদেশ বা দণ্ড ঘোষণার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে।

৩৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ২০ লাখ টাকা
  3. ৫০ লাখ টাকা
  4. ১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১ কোটি টাকা।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩৯.
দুর্নীতি দমন কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের দায়িত্ব কার?
  1. কমিশনের চেয়ারম্যানের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সচিবালয়ের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৯: বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷ 
 
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷

৪০.
Usufructuary Mortgage-এ বন্ধকদাতার ব্যক্তিগত দায় কেমন থাকে?
  1. সম্পূর্ণ দায়ী
  2. আংশিক দায়ী
  3. ব্যক্তিগত দায় নেই
  4. শুধুমাত্র সুদ পরিশোধের দায় থাকে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত দায় নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত দায় নেই
ব্যাখ্যা

উত্তর: c) ব্যক্তিগত দায় নেই।

Usufructuary Mortgage (খাই খালাসি বন্ধক) সংজ্ঞা (Section 58(d), Transfer of Property Act):

“যেখানে বন্ধকদাতা (mortgagor) বন্ধকী সম্পত্তির দখল প্রদান করে অথবা স্পষ্টভাবে বা নিকটসিদ্ধভাবে দখল প্রদান করতে বাধ্য হয় এবং বন্ধকী গ্রহণকারী (mortgagee) কে দখল রাখতে অনুমতি দেয় যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধকী অর্থ প্রদান হয়, এবং সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা লাভ (rents & profits) গ্রহণ করে সেই অর্থ বন্ধকী অর্থ বা সুদের স্থলে গ্রহণ করতে পারে, সেই লেনদেনকে Usufructuary Mortgage বলা হয় এবং গ্রহণকারীকে Usufructuary Mortgagee বলা হয়।”

Usufructuary Mortgage-এর প্রধান উপাদানসমূহ:

Delivery of Possession (দখল প্রদান): 
বন্ধকদাতা অবশ্যই সম্পত্তির দখল বন্ধকী গ্রহণকারীকে প্রদান করবে বা স্পষ্টভাবে/নৈরাশ্রিতভাবে তা করতে বাধ্য হবে।

Retention of Possession (দখল রাখা):
বন্ধকী গ্রহণকারী সম্পত্তির দখল রাখে যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধকী অর্থ পরিশোধ হয় বা সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া/লাভ দ্বারা সেটি পরিশোধ করা হয়।

No Personal Liability (ব্যক্তিগত দায় নেই):
বন্ধকদাতার উপর ব্যক্তিগত দায় আরোপিত হয় না।

No Foreclosure or Sale (উদ্ধার বা বিক্রির অধিকার নেই):
বন্ধকী গ্রহণকারী সম্পত্তি জব্দ বা বিক্রির জন্য মামলা করতে পারে না।

Right of Redemption (মুক্তির অধিকার):
বন্ধকদাতা Section 62 অনুযায়ী দেনা পরিশোধের মাধ্যমে সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারে, অথবা বন্ধকী গ্রহণকারী থেকে প্রাপ্ত ভাড়া/লাভ দিয়ে দেনা পরিশোধ করতে পারে।

No Fixed Time Limit (নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই):
বন্ধকী অর্থ পরিশোধের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই।

Registration Requirement (নিবন্ধনের শর্ত):
বন্ধকী অর্থ ১০০ টাকা বা তার বেশি হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এর কম হলে, নিবন্ধিত দলিল বা সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে করা যেতে পারে।

৪১.
'ক', 'খ'-কে ৫০০ ভেড়া ক্রয় করার ক্ষমতা দেন। 'খ' ৫০০ ভেড়া + ২০০ অতিরিক্ত ভেড়া ৬,০০০ টাকায় ক্রয় করেন। উক্ত উদাহরণের ক্ষেত্রে 'ক' কী করতে পারেন?
  1. পুরো লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
  2. শুধুমাত্র অতিরিক্ত ২০০ ভেড়া প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
  3. ৫০০ ভেড়া নিতে বাধ্য হবেন
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
পুরো লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরো লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
ব্যাখ্যা

প্রতিনিধির ক্ষমতা বহির্ভূত কার্য (Section 228, The Contract Act, 1872):
যখন কোনো প্রতিনিধি (agent) তাকে প্রদত্ত ক্ষমতার বাইরে কিছু কার্য সম্পন্ন করে এবং ক্ষমতার মধ্যে সম্পাদিত কাজকে ক্ষমতা বহির্ভূত কাজ থেকে পৃথক করা যায় না, তখন নিয়োগকারী (principal) সেই কাজকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য নয়।

উদাহরণ (Illustration):
ক তার জন্য ৫০০ ভেড়া ক্রয় করার ক্ষমতা খ-কে প্রদান করেন। খ ৫০০ ভেড়া এবং ২০০ ভেড়ার বাচ্চা মোট ৭০০ ভেড়া ৬,০০০ টাকায় ক্রয় করেন। যেহেতু ২০০ অতিরিক্ত ভেড়া ক্ষমতার বাইরে, এবং সম্পূর্ণ লেনদেন পৃথক করা সম্ভব নয়, তাই ক সম্পূর্ণ লেনদেনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।

৪২.
অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৩ ধারায় অ-কৃষি প্রজাকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. এক শ্রেণী
  2. দুই শ্রেণী
  3. তিন শ্রেণী
  4. চার শ্রেণী
সঠিক উত্তর:
দুই শ্রেণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই শ্রেণী
ব্যাখ্যা

অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৩: অ-কৃষি প্রজার শ্রেণী-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যে, অ-কৃষি প্রজা নিম্নবর্ণিত শ্রেণীসমূহে বিভক্ত, যথা:
(ক) প্রজা, এবং
(খ) অধস্তন প্রজা।

(২) “প্রজা” অর্থ যে ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত যে কোনো উদ্দেশ্যে মালিক বা ভোগ দখলের স্বত্বাধিকারীর নিকট হইতে অ- কৃষি জমি অধিকারে রাখার অধিকার অর্জন করিয়াছেন, এবং এইরূপ অধিকার অর্জনকারীর স্বার্থের উত্তরাধিকারীগণও ইহার অন্তর্ভুক্ত।

(৩) “অধস্তন প্রজা” অর্থ যে ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত যে কোনো উদ্দেশ্যে কোনো প্রজার সরাসরি বা দূরবর্তী অধীনে অ-কৃষি জমি অধিকারে রাখার অধিকার অর্জন করিয়াছেন, এবং এইরূপ অধিকার অর্জনকারীদের স্বার্থের উত্তরাধিকারিগণও ইহার অন্তর্ভুক্ত।

৪৩.
হারানো পণ্যের মালিক যদি পণ্য ফেরত পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রস্তাব দেন, হারানো পণ্যের প্রাপক কী করতে পারে?
  1. পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে
  2. পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে না
  3. পুরস্কার না পাওয়া পর্যন্ত পণ্য আটকে রাখতে পারবে না
  4. প্রাপক কোনো অধিকার রাখে না
সঠিক উত্তর:
পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে
ব্যাখ্যা

হারানো পণ্যের প্রাপকের অধিকার (Section 168, The Contract Act, 1872)
স্বেচ্ছাকৃত খরচ বা শ্রমের জন্য ক্ষতিপূরণ:
হারানো পণ্যের প্রাপক নিজের খরচ ও শ্রমের জন্য মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না। তবে, ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত প্রাপক পণ্য আটক রাখতে পারবে।

নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রস্তাব:
যদি মালিক হারানো পণ্যের জন্য নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রস্তাব দেন, তবে হারানো পণ্যের প্রাপক সেই পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারবেন। পুরস্কার না পাওয়া পর্যন্ত পণ্য আটক রাখা যাবে।

৪৪.
Under Section 145E of The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 , whose decisions and orders are considered final?
  1. The Revenue Officer
  2. The Civil Court
  3. The High Court Division
  4. The Land Survey Tribunal
সঠিক উত্তর:
The Land Survey Tribunal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Land Survey Tribunal
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: Section 45E: Finality of Tribunals decisions and orders:
Subject to the decisions and orders of the Land Survey Appellate Tribunal, the decisions and orders of the Land Survey Tribunal shall be final.

[ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশের অধীনস্থ থেকে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।]

৪৫.
'দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদান করতে হবে'- The Registration Act, 1908 এর কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৮০
  2. ধারা ৮১
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮০
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮০- দলিল দাখিলের সময় ফিস প্রদেয়:
এই আইনের অধীন দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদেয়।

Section 80- Fees payable on presentation:
All fees for the registration of documents under this Act shall payable on the presentation of such documents.

৪৬.
A-এর শেয়ার আছে X (সফল কোম্পানি) এবং Y (সমস্যাযুক্ত কোম্পানি)-তে। একক হস্তান্তরের মাধ্যমে A, B-কে তার সব শেয়ার হস্তান্তর করছে। এক্ষেত্রে, B যদি Y-এর শেয়ার নিতে অস্বীকার করে, তাহলে-
  1. B শুধুমাত্র X-এর শেয়ার নিতে পারবে
  2. B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
  3. B, Y-এর শেয়ার নিতে বাধ্য নয় কিন্তু X-এর শেয়ার নেবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
ব্যাখ্যা

উত্তর: b) B X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না।

Onerous Gifts (দায় বা শর্তযুক্ত উপহার):

Onerous gifts হলো এমন উপহার যেখানে একাধিক সম্পত্তি দেওয়া হয় এবং তার মধ্যে কিছু সম্পত্তি দায় বা শর্তযুক্ত (burdened) থাকে, অন্যগুলো শর্তমুক্ত। আইন অনুযায়ী, যদি একই সময়ে এক ব্যক্তিকে একক হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিক সম্পত্তি দেওয়া হয় এবং কিছু সম্পত্তি শর্তযুক্ত হয়, প্রাপক শুধুমাত্র শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে পারে না। তাকে হয় সব গ্রহণ করতে হবে, না হলে পুরো উপহার প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

তবে, যদি সম্পত্তিগুলি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয়, প্রাপক একটি গ্রহণ করতে পারে এবং অন্যটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে, এমনকি গ্রহণকৃতটি লাভজনক হলেও এবং অন্যটি শর্তযুক্ত হলেও।

মূল শর্তসমূহ:
- উপহার একই ব্যক্তিকে দেওয়া হবে।
- যদি একক হস্তান্তর হয় এবং কিছু সম্পত্তি শর্তযুক্ত হয় → প্রাপককে সর্বশেষে সম্পূর্ণ গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
- যদি স্বতন্ত্র হস্তান্তর হয় → প্রাপক শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে স্বাধীন।

আইনি নীতি:
এই ধারণা লাতিন maxim “Qui sentit commodum, sentire debet et onus” থেকে এসেছে:“যে সুবিধা গ্রহণ করে, তাকে দায়ও বহন করতে হবে।” অর্থাৎ, উপহার গ্রহণের সময় প্রাপককে সকল শর্ত মেনে নিতে হবে বা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

Section 127, Transfer of Property Act, 1882

Paragraph 1 – Single Transfer:
যদি উপহার একক হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং তার মধ্যে কিছু সম্পত্তি দায়যুক্ত হয়: প্রাপক সম্পূর্ণ উপহার গ্রহণ করতে হবে তিনি শুধুমাত্র শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না।

Illustration (a):
A-এর শেয়ার আছে X (সফল কোম্পানি) এবং Y (সমস্যাযুক্ত কোম্পানি)-তে। A B-কে সব শেয়ার দিচ্ছে। B যদি Y-এর শেয়ার নিতে অস্বীকার করে, তাহলে তিনি X-এর শেয়ারও নিতে পারবেন না।

Paragraph 2 – Separate Transfers:
যদি উপহার স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয়: প্রাপক একটি গ্রহণ করতে পারে এবং অন্যটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এই ক্ষেত্রে, দাতা যেভাবে ইচ্ছা করেছেন তার পুরো নীতি প্রয়োগ হয় না।

Illustration (b):
A একটি বাড়ির লিজ দেয় এবং আলাদাভাবে কিছু টাকা দেয়। B যদি লিজ নিতে অস্বীকার করে, তাহলে তিনি টাকা হারাবেন না।

৪৭.
সাব-লেটের ফলাফল স্বরুপ অ-কৃষি জমির প্রজাস্বত্ব সরকারের উপর অর্পিত হলে, তা কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1.  আদালতের রায় ঘোষণার দিন থেকে
  2. সরকারের অনুমোদনের দিন থেকে
  3. সাব-লেট প্রদানের তারিখ থেকে
  4. সাব-লেট চুক্তি সইয়ের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
সাব-লেট প্রদানের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাব-লেট প্রদানের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ২৬ক (সাব-লেট প্রদানে বাধা):
(১) এই আইনে অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অ-কৃষি প্রজা, যে কোনো শর্তেই হউক না কেন, তাহার প্রজাস্বত্বের সম্পূর্ণ বা কোনো অংশ সাব-লেট দিতে পারিবেন না।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি লঙ্ঘনক্রমে যদি কোনো প্রজাস্বত্ব বা প্রজাস্বত্বের কোনো অংশ সাব-লেট প্রদান করা হয়, তাহা হইলে, ক্ষেত্র অনুযায়ী, উক্ত প্রজাস্বত্বে বা প্রজাস্বত্বের উক্ত অংশে অ-কৃষি প্রজার স্বার্থের অবসান ঘটিবে, এবং উক্ত প্রজাস্বত্ব বা প্রজাস্বত্বের উক্ত অংশ সকল দায় হইতে মুক্তরূপে উক্ত সাব-লেট প্রদানের তারিখ হইতে সরকারে অর্পিত হইবে।

৪৮.
বিকল্প অঙ্গীকারে (Alternative Promise) যদি একটি শাখা বৈধ এবং অন্যটি অবৈধ হয়, তাহলে কী হবে?
  1. পুরো অঙ্গীকার অবৈধ হবে
  2. উভয় শাখা কার্যকর হবে
  3. শুধুমাত্র বৈধ শাখা কার্যকর থাকবে
  4. আদালতের বিবেচনায় নির্ধারিত হবে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বৈধ শাখা কার্যকর থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বৈধ শাখা কার্যকর থাকবে
ব্যাখ্যা

বিকল্প অঙ্গীকার (Alternative Promise) – Section 58, The Contract Act, 1872:
বিকল্প অঙ্গীকারে যদি একটি শাখা বৈধ (legal) এবং অন্যটি অবৈধ (illegal) হয়, তাহলে শুধুমাত্র বৈধ শাখা কার্যকর হবে। অবৈধ শাখা বাতিল বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ (Illustration):
ক ও খ একমত হন যে, ক খ-কে ১,০০০ টাকা প্রদান করবেন। এর বিনিময়ে খ ক-কে পরবর্তীতে চাল বা চোরাইকৃত আফিম সরবরাহ করবে।
- চাল সরবরাহ: বৈধ চুক্তি, তাই এটি কার্যকর।
- চোরাইকৃত আফিম সরবরাহ: অবৈধ চুক্তি, তাই এটি বাতিল।

৪৯.
'Alienatio Rei Praefertur Juri Accrescendi'- নীতি Transfer of Property Act, 1882-এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা

Alienatio Rei Praefertur Juri Accrescendi (latin maxim)
শব্দার্থ: “সংগ্রহের চেয়ে সম্পত্তি স্থানান্তরকে আইন প্রাধান্য দেয়।”এই নীতি Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা 10 এর সাথে সম্পর্কিত, যা সম্পত্তি স্থানান্তরের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করে।

Section 10 অনুযায়ী,
যে কোনো শর্ত যা সম্পত্তির পূর্ণ স্থানান্তরকে সীমাবদ্ধ করে, তা আইনত বাতিল/অবৈধ (void)। উদাহরণ: মূল স্থানান্তরকারী যদি পরে স্থানান্তর করার অধিকার রোধ করে এমন শর্ত আরোপ করে। স্থানান্তর প্রাপ্ত ব্যক্তি (transferee) এখন সম্পত্তির মালিক এবং তাকে সম্পত্তি পুনরায় স্থানান্তর করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

সীমাবদ্ধতা: সম্পত্তি স্থানান্তরের ওপর যে কোনো রোধ মালিকানার মৌলিক অধিকার (essential ownership rights) বিরোধী, এবং তা বর্জনীয়।

শর্ত: এই maxim শুধুমাত্র সম্পূর্ণ রোধ (absolute restraint) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আংশিক বা সীমিত রোধ (partial restraint) ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

৫০.
প্রধান বিচারপতি ব্যতীত সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. জাতীয় সংসদের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫(১): বিচারক-নিয়োগ:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শ গ্রহণ করেন

৯৫(২): বিচারক হতে হলে –
- বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে, অথবা
- বিচার বিভাগে অন্তত ১০ বছর পদে অধিষ্ঠান করতে হবে।

৯৫(৩):
"সুপ্রিম কোর্ট" বলতে সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমায় হাইকোর্ট হিসেবে কাজ করা কোনো আদালতও অন্তর্ভুক্ত হবে।

৫১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ 'গৃহে নিরাপত্তা লাভের' অধিকার নিশ্চিত করে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪১
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ নাগরিকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে:
- গৃহে নিরাপত্তার অধিকার (তল্লাশি বা আটক হতে নিরাপদ থাকা);
- যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষা (চিঠিপত্র ও অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা);

অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের-
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তালাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতারক্ষার অধিকার থাকিবে।

৫২.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ অনুযায়ী, যদি কোন আইন বা বিধিতে জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান না থাকে, তবে কোন পদ্ধতিতে জরিমানা আদায় হবে?
  1. নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্রভাবে
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী 
  4. সংশ্লিষ্ট আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।

৫৩.
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কোনটি পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা রাখে?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. হাইকোর্ট বিভাগের ঘোষিত রায় বা আদেশ
  3. স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

৫৪.
'Nullum crimen sine lege' নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন ম্যাক্সিম: Nullum crimen sine lege
English Meaning: No crime without a law.
বাংলা অর্থ: আইন ছাড়া কোনো অপরাধ নয়।

- এটি দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি ন্যায়বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির দ্বারা বোঝানো হয়, কোনো ব্যক্তিকে কোনো কাজের জন্য অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না, যদি সেই কাজটি সেই সময় প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকে। এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-
অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 

অর্থাৎ,
- অপরাধের সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান হবে।
- কোনো ব্যক্তিকে সেই সময়ে প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকা কাজের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- অপরাধ সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইনের তুলনায় বেশি বা ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাবে না।

৫৫.
একটি নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় শুধুমাত্র পুরুষ ভোটারদের আলাদা করে রাখা হয়েছে। এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন?
  1. অনুচ্ছেদ ১২০
  2. অনুচ্ছেদ ১২১
  3. অনুচ্ছেদ ১২২
  4. অনুচ্ছেদ ১২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ১২১।
→ সংবিধানের ১২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: প্রতিটি সংসদীয় নির্বাচনী এলাকার জন্য মাত্র একটি ভোটার তালিকা থাকবে।

অনুচ্ছেদ ১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

৫৬.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২১ অনুযায়ী “আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা” কী অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. শুধু বাতিল করার ক্ষমতা
  2. শুধু সংশোধনের ক্ষমতা
  3. শুধুমাত্র সংসদীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা
  4. প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

৫৭.
কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হলে, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তা কোথায় পেশ করবে?
  1. প্রধানমন্ত্রীর নিকট
  2. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
  3. সংসদের গোপন বৈঠকে
  4. জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) অনুযায়ী,
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং তিনি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।

বিশেষ শর্ত:
যদি কোনো চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হয়, তাহলে তা সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করতে হবে।

৫৮.
কোন ধরনের রিট যেকোনো নাগরিক করতে পারে?
  1. Prohibition, Mandamus
  2. Certiorari, Prohibition
  3. Mandamus, Certiorari
  4. Habeas Corpus, Quo-Warranto
সঠিক উত্তর:
Habeas Corpus, Quo-Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Habeas Corpus, Quo-Warranto
ব্যাখ্যা

• রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

৫৯.
হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস নয় কোনটি?
  1. সুবিচার, ন্যায়পরায়ণতা
  2. ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
  3. আদালতের সিদ্ধান্ত
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
ব্যাখ্যা

 হিন্দু আইনের প্রাচীন উৎস ৪টি। যথা-

বেদ বা শ্ৰুতি:
অতি প্রাচীনকালে দেবতাগণ প্রত্যক্ষভাবে যা বলেছিলেন ও তৎকালে মুনিগণ যা শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিবর কৃষ্ণদ্বৈপায়ন কর্তৃক সংকলিত হয় তাই বেদ। ঋক বেদ, যজু বেদ, সাম বেদ ও অথর্ব বেদ এই চারটি বেদকে একত্রে শ্রুতি শাস্ত্র বলা হয়। বেদ বা শ্ৰুতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি।

স্মৃতি:
প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরু শিষ্য পরম্পরায় আবৃত্তি আকারে স্মরণে রেখেছিলেন, যা পরবর্তীকালে মুনিগণ গ্রন্থ আকারে সংকলিত করেন ইহাই স্মৃতি শাস্ত্ৰ বা সংহিতা নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
ধর্মীয় অনুশাসনে বিভিন্ন স্মৃতির মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে ব্যাখ্যার উদ্ভব হয়। আঞ্চলিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে পণ্ডিতগণ নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে প্রাচীন আইনের সংশোধন করে থাকেন। ব্যাখ্যাসমূহের মধ্যে দুটি মতবাদই অনুসরণ করা হয়ে থাকে-
(১) মিতাক্ষরা মতবাদ,
(২) দায়ভাগ মতবাদ।

প্রথা:
ইহা এমন রীতি যা দেশ, অঞ্চল বা মহল্লায় প্রচলিত থাকাকালে আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। আদালত কর্তৃক হিন্দু প্রথাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) স্থানীয় প্রথা,
(২) শ্রেণী প্রথা,
(৩) পারিবারিক প্রথা।

• হিন্দু আইনের আধুনিক উৎসসমূহ:
(ক) আদালতের সিদ্ধান্ত বা নজির,
(খ) বিধিবদ্ধ আইন,
(গ) সুবিচার, ন্যায়পরায়ণতা।

৬০.
'Mahr-I-Muazzama' অর্থ কী?
  1. উপযুক্ত দেনমোহর
  2. নির্ধারিত দেনমোহর
  3. তাৎক্ষনিক দেনমোহর
  4. বিলম্বিত দেনমোহর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত দেনমোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত দেনমোহর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) নির্ধারিত দেনমোহর।

⇒ দেনমোহরের পরিমাণের ভিত্তিতে (On basis of Amount) মুসলিম আইনে প্রধানত দুই প্রকার দেনমোহরের কথা বলা হয়েছে-

নির্ধারিত দেনমোহর (Specified dower/Mahr-I-Muazzama): 

স্বামী স্ত্রীকে কত পরিমাণ দেনমোহর দিবে তা যদি নির্ধারিত থাকে, তাহলে উক্ত দেনমোহর হলো নির্ধারিত দেনমোহর।

উপযুক্ত দেনমোহর (Unspecified/proper dower/Mahr-I-Misl): 
যদি দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারিত না থাকে, তাহলে যে পরিমাণ দেনমোহর দেওয়া হয়, তাহলো যথার্থ বা উপযুক্ত দেনমোহর। তবে এই পরিমাণটি যুক্তিযুক্ত হবে।

⇒ আবার দেনমোহর প্রদানের সময়ের ভিত্তিতে (On basis of time) নির্ধারিত দেনমোহর (Specified dower) দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

তলবী বা চাহিদামাত্র বা তাৎক্ষনিক দেনমোহর (Prompt Dower/Mahr-I-Muajjal):
যে কোন সময় স্ত্রী চাওয়া মাত্রই যে দেনমোহর স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য, তাকে আশু বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower) বলে। অর্থাৎ স্ত্রী যে কোন সময় তাৎক্ষণিক (Prompt Dower) দাবী করতে পারে। যদি স্ত্রী চাই তবে বিবাহের পরপরই তাৎক্ষণিক দেনমোহর পরিশোধযোগ্য। ১৯৬৬ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের ১০ ধারা অনুসারে 'নিকাহনামায় বা বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহর ঋণ পরিশোধের পদ্ধতি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত না থাকলে দেনমোহরের সমগ্র অর্থ চাহিবামাত্র প্রদেয় বলে নিতে হবে।'

স্থগিত বা বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower/Mahr -I-Muwajjal):
বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনা সাপেক্ষে বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower) পরিশোধযোগ্য। Maina Bibi v Chowdhury Wakil Ahmed 52 I.A (1924) p.521 মামলার রায়ে বলা হয়, স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী দেনমোহরের টাকা পরিশোধের জন্য কোন সম্পত্তির দখল বজায় রাখতে পারে এবং এই দখল চালিয়ে যেতে পারে যতদিন পর্যন্ত না দেনমোহরের টাকা পরিশোধিত হয়।

৬১.
পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত ______________ পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে।
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

• পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩ এর ধারা ৪- পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।

(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।

৬২.
মুসলিম উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যার মধ্যে বন্টন কিভাবে হয়?
  1. ছেলে ও মেয়ের মধ্যে সমান ভাগ
  2. মেয়ে ছেলের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
  3. ছেলে মেয়ের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
  4. শুধুমাত্র ছেলে পায়
সঠিক উত্তর:
ছেলে মেয়ের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেলে মেয়ের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
ব্যাখ্যা

অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে, এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্নীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্নীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যা-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে ও মেয়ে রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ছেলে বা ছেলেরা, মেয়ে বা মেয়েদের চেয়ে দ্বিগুন সম্পত্তি পাবে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাতাপিতা ও স্বামী-স্ত্রী নির্দিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। তবে মেয়ে না থাকলে অংশীদারদের অংশ দেয়ার পর অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাকী সম্পূর্ণ সম্পত্তি ছেলে বা ছেলেরাই পাবে।

৬৩.
Muslim sunni A has two children, B (son) and C (daughter). B dies before A, leaving two sons D and E. C survives A. At the time of succession, how will A’s property be divided?
  1. D gets everything; C gets nothing
  2. B’s portion is forfeited; C gets everything
  3. D and E share B’s portion equally; C gets her share
  4. All property is divided equally among D, E, and C
সঠিক উত্তর:
D and E share B’s portion equally; C gets her share
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D and E share B’s portion equally; C gets her share
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:
A-এর দুই সন্তান আছে, B (ছেলে) এবং C (মেয়ে)। B A-এর আগে মারা যায় এবং B-এর দুই পুত্র সন্তান D ও E বেঁচে থাকে। C A-এর মৃত্যুর সময় বেঁচে থাকে। 

- এক্ষেত্রে, B-এর অংশ D ও E-এর মধ্যে সমান ভাগ হবে এবং C তার নিজস্ব অংশ পাবে।

মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৪ অনুযায়ী,
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার পূর্বে মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র বা কন্যার মৃত্যু হলে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার সময় ঐ পুত্র বা কন্যার সন্তানাদি যদি জীবিত থাকে, তাহলে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা বণ্টনের সময় জীবিত থাকলে সে যে অংশ পেতো, তার সন্তানাদি সমষ্টিগতভাবে অনুরূপ অংশ পাবে। যা 'Doctrine of Representation' নীতি নামে পরিচিত।

Section 4: Succession:
In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

৬৪.
স্বামী যদি হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হন, স্ত্রী-
  1. ভরণপোষণের অধিকার হারান
  2.  স্বামীর সঙ্গে থাকতে বাধ্য
  3. বিবাহ অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন
  4. পৃথক থেকেও ভরণপোষণের অধিকারী হন
সঠিক উত্তর:
পৃথক থেকেও ভরণপোষণের অধিকারী হন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথক থেকেও ভরণপোষণের অধিকারী হন
ব্যাখ্যা

• ১৯৪৬ সালের বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন (The Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act, 1946) অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে:

- স্বামী যদি দুরারোগা কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
- if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;

- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
- if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;

- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;

- স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;

- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
- if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;

- স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
- if he marries again; এবং

- অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
- for any other justifiable cause

৬৫.
মিতাক্ষরা ও দায়ভাগা মতবাদের প্রধান পার্থক্য কোন বিষয়ে দেখা যায়?
  1. অভিভাবকত্ব
  2. স্ত্রীধন
  3. উত্তরাধিকার
  4. বিবাহ ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা

মিতাক্ষরা ও দায়ভাগা এই দুই হিন্দু আইন মতবাদের প্রধান পার্থক্য তাদের উত্তরাধিকার নীতি ও পূর্বপুরুষের সম্পত্তির অধিকারের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

মিতাক্ষরা মতবাদ (ভারতের অধিকাংশ অংশে প্রচলিত)
উত্তরাধিকার জন্মসূত্রে: সন্তান জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই পিতৃসম্পত্তিতে তার অধিকার জন্মায়।
যৌথ পরিবার ব্যবস্থা: পরিবার যৌথভাবে সম্পত্তির মালিক হয়।
সহঅংশীদারিত্ব (Coparcenary): পিতা, পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্র – এই চার পুরুষ মিলে সহঅংশীদার গঠন করে।

ফলাফল: প্রত্যেক সহঅংশীদারের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে সম্পত্তিতে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সে তার ভাগ দাবি করতে পারে।

দায়ভাগা মতবাদ (মূলত বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত)
উত্তরাধিকার মৃত্যুর পর: পিতার মৃত্যুর পরেই পুত্র সম্পত্তিতে অধিকার পায়।
পিতার জীবিত অবস্থায় অধিকার নেই: পিতার জীবিত অবস্থায় সন্তানদের কোনো আইনগত অধিকার থাকে না।
সহঅংশীদারিত্বের সৃষ্টি হয় না: পিতার মৃত্যুর পূর্বে কোনো Coparcenary বা যৌথ মালিকানা গঠিত হয় না।

⇒ অন্যান্য ক্ষেত্রে,
- অভিভাবকত্ব (Guardianship) বিষয়ে উভয় বিদ্যালয় প্রায় একই নীতি অনুসরণ করে।
- স্ত্রীধন (Stridhan) সম্পর্কেও মিতাক্ষরা ও দায়ভাগা বিদ্যালয়ের মধ্যে কেবলমাত্র কিছু ক্ষুদ্র পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়, যেমন উত্তরাধিকার সূত্রে স্ত্রীধনের ব্যবস্থাপনা বা সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণে সামান্য ভিন্নতা থাকতে পারে। তবে এগুলো মূল মতবাদগত পার্থক্য নয়।
-  বিবাহ ব্যবস্থা (Marriage Laws) উভয় বিদ্যালয়ে প্রায় একই নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত। বিবাহ, তার বৈধতা, ও পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই।

৬৬.
যদি স্বামী শপথ করেন যে তিনি চার মাস বা তারও বেশি সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করবেন না, তবে এটি ইসলামী শরিয়তের অধীনে এক ধরনের তালাক (divorce) হিসেবে গণ্য হয়, যাকে বলা হয়-
  1. জিহার
  2. ইলা
  3. মুবারাত
  4. তাওফিজ
সঠিক উত্তর:
ইলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলা
ব্যাখ্যা

ইলা (Ila):
যখন স্বামী শপথ করে বলেন যে তিনি চার মাস বা তার বেশি সময় স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করবেন না, তখন তাকে ইলা বলা হয়।
যদি স্বামী চার মাসের মধ্যে তার শপথ ভঙ্গ না করেন, অর্থাৎ স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন না করেন, তাহলে বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন (divorce effective) হয়ে যায়।

অন্যান্য বিকল্পের অর্থ:
জিহার (Zihar):
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে নিজের মা, বোন ইত্যাদির সঙ্গে তুলনা করেন (যেমন বলেন— “তুমি আমার মায়ের মতো”), তবে একে জিহার বলা হয়।

তাওফিজ (Tafweez):
যখন স্বামী তালাক দেওয়ার অধিকার স্ত্রীকে অর্পণ করেন, তখন তাকে তাফউইজ বলা হয়।

মুবারাআত (Mubaraat):
যখন স্বামী ও স্ত্রী পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হয়, তখন সেটি মুবারাআত নামে পরিচিত।

৬৭.
নিম্নের কোনটি ‘ওয়াক্‌ফ’-এর আইনগত বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অপরিবর্তনীয়তা
  2. চিরস্থায়িত্ব
  3. সার্বজনীনতা
  4. অ-হস্তান্তরযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
সার্বজনীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বজনীনতা
ব্যাখ্যা

ওয়াক্‌ফ (Waqf) হলো মুসলমান কর্তৃক তার অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি ধর্মীয়, পবিত্র বা জনহিতকর উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা — ইসলামী আইনের অধীনে।

একটি বৈধ ওয়াক্‌ফের আইনগত বৈশিষ্ট্যসমূহ:
অপরিবর্তনীয়তা (Irrevocability):
একবার ওয়াক্‌ফ ঘোষণা করা হলে, ওয়াকিফ (যিনি ওয়াক্‌ফ করেন) তা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারেন না।

চিরস্থায়িত্ব (Perpetuity):
ওয়াক্‌ফ চিরকাল বিদ্যমান থাকে — ওয়াকিফের মৃত্যুর পরও এটি শেষ হয় না।

অহস্তান্তরযোগ্যতা (Inalienability):
ওয়াক্‌ফকৃত সম্পত্তি বিক্রি, দান বা উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তান্তর করা যায় না। এটি স্থায়ীভাবে ওয়াকিফের মালিকানা থেকে বের হয়ে যায়।

যা ওয়াক্‌ফের বৈশিষ্ট্য নয়:
“সার্বজনীনতা (Universal)” — এটি কোনো আইনগত বৈশিষ্ট্য নয়।
এই শব্দটি অস্পষ্ট এবং ইসলামী আইনের অধীনে ওয়াক্‌ফের প্রকৃত বা আইনগত চরিত্র প্রকাশ করে না।

৬৮.
Shayara Bano Vs. Union of India (2017) case is related with-
  1. Mahr
  2. Divorce
  3. Triple Talaq
  4. Muta marriage
সঠিক উত্তর:
Triple Talaq
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Triple Talaq
ব্যাখ্যা

তিন তালাক মামলা (Shayara Bano v. Union of India, 2017):
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট এক ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে ঘোষণা করে যে, তিন তালাক (Triple Talaq বা Talaq-e-Biddat) অসাংবিধানিক ও স্বেচ্ছাচারী। 

ঘটনাপ্রবাহ (Facts of the Case):
আবেদনকারী শায়ারা বানু (Shayara Bano) ও তার স্বামী রিজওয়ান আহমদ (Rizwan Ahmad)-এর বিবাহ ১১ এপ্রিল ২০০১ সালে শরিয়ত মোতাবেক সম্পন্ন হয়। তাদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। ১০ অক্টোবর ২০১৫ সালে রিজওয়ান আহমদ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তিনবার “তালাক, তালাক, তালাক” উচ্চারণ করে ত্রিপল তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শায়ারা বানু সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন এবং তিন তালাকের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।

সিদ্ধান্ত (Conclusion):
- আদালত ঘোষণা করে, তিন তালাক অসাংবিধানিক ও অবৈধ।
- আদালত সরকারকে নির্দেশ দেয়, যেন মুসলিম বিবাহ ও তালাক সংক্রান্ত প্রথা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

৬৯.
যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার উদ্দেশ্যে নিজের দখলে কোনো জাল মুদ্রা রাখে, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ২৪২: জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখা, যখন সে জানত যে এটি জাল:
যে কেউ প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা প্রতারণা সংঘটিত হওয়ার অভিপ্রায়ে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে, এবং যখন সে এই মুদ্রা নিজের কাছে গ্রহণ করে তখন জানত যে এটি জাল, তবে সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও প্রদান করতে হবে।

Possession of counterfeit coin by person who knew it to be counterfeit when he became possessed thereof:
[Whoever, fraudulently or with intent that fraud may be committed, is in possession of counterfeit coin, having known at the time when he became possessed thereof that such coin was counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.]

৭০.
ফৌজদারি মামলায় G.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. নালিশের মাধ্যমে দায়ের করা মামলা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. সরাসরি আদালতে দায়েরকৃত মামলা
  4. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
সঠিক উত্তর:
এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, বাংলাদেশে অপরাধমূলক মামলাগুলোর দুটি প্রধান ধারা রয়েছে – জি.আর (General Register Case) ও সি.আর (Complaint Register Case)।

জি.আর মামলা:
থানায় দায়ের করা সাধারণ মামলা, যা পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়।

জি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
১৫৪ ধারায় এফআইআর দায়ের: কোনো ব্যক্তি থানায় অভিযোগ জানালে তা FIR (First Information Report) হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
১৫৬ ধারার অধীনে তদন্ত: পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে (প্রয়োজনে)।
চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট দাখিল: তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।
বিচার শুরু: আদালত চার্জ গঠন করে ও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সি.আর মামলা:
সি.আর মামলা হলো কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার (Complaint Register) কেস বা নালিশী মামলা। আদালতে সরাসরি দায়ের করা মামলা, যেখানে ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ করেন ও তদন্তের নির্দেশ দেন।

সি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
অভিযোগ দাখিল: বাদী আদালতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এটি পর্যালোচনা করেন।
২০০ ধারামতে জবানবন্দী গ্রহণ: অভিযোগকারীকে হলফনামার মাধ্যমে তার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হয়।
২০২ ধারার অধীনে তদন্তের নির্দেশ: যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে তদন্ত প্রয়োজন, তবে পুলিশ বা অন্য কোনো সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
১৭৩ ধারার অধীনে তদন্ত রিপোর্ট: তদন্ত সংস্থা তাদের রিপোর্ট দাখিল করে।
২০৩ ধারায় মামলা খারিজ বা স্বীকৃতি: ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগের ভিত্তি নেই, তবে মামলা খারিজ হতে পারে।
অন্যথায়, আদালত চার্জ গঠন করেন ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৯ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসার কখন পুনরায় গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যখন অপরাধ জামিনযোগ্য
  2. যখন অপরাধী ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত
  3. যখন অপরাধী পলায়নের চেষ্টা করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধী ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধী ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যখন যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইবেন, তখন জনসাধারণ সাহায্য করবেন-
  1. প্রয়োজনে
  2. বাধ্যতামূলকভাবে
  3. নিজের ইচ্ছায়
  4. কেবল আদালতের আদেশে
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলকভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলকভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার বিধান- জনসাধারণ যখন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করবেন:
প্রত্যেক ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক বা নির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে তার সাহায্য চাইলে সেই সাহায্য প্রদান করতে-

(ক) এমন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, যাকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার আইনত গ্রেফতার করার ক্ষমতা রাখেন;

(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ বা দমন করার ক্ষেত্রে, অথবা কোনো রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তির প্রতি ক্ষতি সাধনের প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে।

The Code of Criminal Procedure- Section-42. Public when to assist:
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid-
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest;
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

৭৩.
According to Section 65A of the Evidence Act, 1872, the contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of __________.
  1. section 64
  2. section 65
  3. section 65B
  4. section 65C
সঠিক উত্তর:
section 65B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
section 65B
ব্যাখ্যা
Evidence Act, 1872: Section 65A- Special provisions as to evidence relating to digital record:
The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.

ধারা ৬৫ক: ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের বিশেষ বিধান-
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬খ-এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।
৭৪.
বেআইনি সমাবেশে যোগদান করার জন্য একজনের সর্বোচ্চ কত সময়ের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান- বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া:
যে ব্যক্তি এমন কিছু ঘটনার বিষয়ে অবগত থাকা সত্ত্বেও, যা কোনো সমাবেশকে অবৈধ সমাবেশ (unlawful assembly) হিসেবে পরিণত করে, ইচ্ছাকৃতভাবে সেই সমাবেশে যোগ দেয় অথবা তাতে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখে, সে ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশের সদস্য বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- শাস্তি: 
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

৭৫.
কোনো ধর্ষণ মামলার ভুক্তভোগীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে চাইলে, নিচে বর্ণিত কোন ধরনের প্রশ্ন করা থেকে সাক্ষ্য আইনে বারিত করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্যের অসামঞ্জস্যতা
  2. সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
  3. পূর্ববর্তী একই ধরণের মামলার রায় আছে কি না
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৪৬ – জেরা (Cross-examination)-এর সময় বৈধ প্রশ্নসমূহ:
যখন কোনো সাক্ষীকে জেরা করা হয়, তখন পূর্বে উল্লিখিত প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি তাকে এমন প্রশ্নও করা যেতে পারে, যা—
১/ তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে, 
২/ তার পরিচয় ও সামাজিক অবস্থান বা জীবনের অবস্থান জানতে, অথবা 
৩/ তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য, অর্থাৎ তার চরিত্র ক্ষুণ্ণ করার মাধ্যমে, যদিও এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সাক্ষীকে অপরাধে অভিযুক্ত করতে পারে, অথবা তাকে কোনো শাস্তি বা সম্পত্তি হানির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

তবে শর্তসাপেক্ষে:
প্রথমত, যদি কোনো মামলায় ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ থাকে, তাহলে উপধারা (৩)-এর অধীনে ভুক্তভোগীর সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন জেরা করার সময় করা যাবে না।

দ্বিতীয়ত, তবে আদালত যদি মনে করে যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে এমন প্রশ্ন করা অত্যাবশ্যক, তাহলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সে ধরনের প্রশ্ন করা যেতে পারে।

৭৬.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী। তার সরকারি কর্তব্যপালনে বাধা দেবার উদ্দেশ্যে 'খ' তাকে আক্রমণ করে। 'খ' এর সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে,
সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক:

কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৭৭.
'সমন যথাযথভাবে পৌঁছানোর পরও যদি দেওয়ানি মামলার শুনানিতে কেবল বাদী উপস্থিত থাকে এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকে, আদালত একপক্ষীয় (ex parte) শুনানি করতে পারে।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. Order XI, Rule 6
  2. Order IX, Rule 6
  3. Order X, Rule 6
  4. Order VIII, Rule 6
সঠিক উত্তর:
Order IX, Rule 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order IX, Rule 6
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি-৬ (Order IX, Rule 6):
১. যখন মামলার শুনানির জন্য আদালতে মামলা তোলা হয় এবং কেবল বাদী উপস্থিত হয়, প্রতিপক্ষ (বিবাদী) উপস্থিত হয় না, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে:

(ক) সমন যথাযথভাবে জারি ও পৌঁছানো হয়েছে (Summons duly served)
যদি প্রমাণিত হয় যে সমন যথাযথভাবে পৌঁছেছে, আদালত একপক্ষীয় (ex parte) শুনানি করতে পারে।

(খ) সমন যথাযথভাবে পৌঁছানো হয়নি (Summons not duly served)
যদি প্রমাণ না হয় যে সমন যথাযথভাবে পৌঁছেছে, আদালত নির্দেশ দেবে যে দ্বিতীয় সমন জারি করে বিবাদীর কাছে পৌঁছানো হোক।

(গ) সমন পৌঁছেছে, কিন্তু যথাযথ সময়ে নয় (Summons served, but not in due time)
যদি প্রমাণিত হয় যে সমন পৌঁছেছে, কিন্তু পর্যাপ্ত সময় না থাকায় বিবাদী নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হয়ে উত্তর দিতে পারেনি, আদালত শুনানি পরবর্তী দিনে স্থগিত করবে, এবং বিবাদীকে নতুন তারিখের নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেবে।

৭৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ১০ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত পার্ট-ফাইল ব্যবহার করে ডিক্রি কার্যকর করতে পারে?
  1. যখন পুলিশ তদন্তে ব্যর্থ হয়
  2. যখন মামলা থানায় দায়ের করা হয়
  3. যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
  4. যখন রেকর্ড পক্ষদ্বয় দ্বারা চাওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: আদেশ ২১ বিধি ১০৪: সরাসরি ডিক্রি কার্যকর করা:
(১) এই কোড বা অন্য কোনো চলমান আইন যা-ই বলবৎ থাকুক না কেন, আদালত, তামাদি আইনের সীমার মধ্যে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ করতে পারবে:
- সেই মামলার রেকর্ডে, যেখানে ডিক্রি (decree) দেওয়া হয়েছে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আবেদন; অথবা,
- যদি রেকর্ড আপিল বা রিভিশন আদালত দ্বারা চাওয়া হয়, তবে এই উদ্দেশ্যে প্রস্তুত পার্ট-ফাইলে আবেদন করা যেতে পারে।
আদালত তখন তৎক্ষণাৎ ডিক্রি কার্যকর করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যেখানে ডিক্রিধারী (decree-holder) বা ডিক্রি অনুযায়ী বিক্রি হওয়া সম্পত্তির ক্রেতা সম্পত্তির দখল নিতে গেলে মুল মামলার পক্ষ বা অন্য কোনো ব্যক্তি বাধা বা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, এবং আদালত এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে ডিক্রিধারী বা ক্রেতার আবেদন অনুযায়ী আদালত যে কোনও ব্যক্তিকে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য দায়িত্ব দেবে এবং প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার করে ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান নিশ্চিত করতে পারে।

৭৯.
দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ধারা ৩৭(২) অনুযায়ী, যদি কোনো বিষয়ে স্থানীয় আইন বা বিধি না থাকে, আদালত কী করবে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনা করবে
  3. হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবে
  4. সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে
সঠিক উত্তর:
সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ধারা -৩৭: স্থানীয় আইন অনুসারে কতিপয় সিদ্ধান্ত প্রদান: 
(১) কোনো দেওয়ানি মামলা বা অন্যান্য বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো আদালতের যদি উত্তরাধিকার, উইল ব্যতীত উত্তরাধিকার, বিবাহ বা জাত বা ধর্মীয় প্রথা বা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির বিষয় নিষ্পত্তির প্রয়োজন হয়, তাহা হইলে আদালত অনুরূপ মামলায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে, পক্ষগণ [মুসলিম] হইলে, ২[মুসলিম] আইন এবং পক্ষগণ হিন্দু হইলে, হিন্দু আইন অনুসরণ করিবে, যদি না বিধিবদ্ধ কোনো আইন দ্বারা অনুরূপ আইন পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করা হয়।

(২) যেসকল বিষয়ে উপ-ধারা (১) বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে কোনো বিধান নাই, সেই সকল বিষয়ে আদালত ন্যায় বিচার, ন্যায়পরায়ণতা এবং সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করিবে।

৮০.
বাদীর দেউলিয়াত্বের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়ানি মোকদ্দমা-
  1. স্থগিত হয়ে যাবে
  2. অ্যাবেট হবে
  3. অ্যাবেট হবে না
  4. বিবাদীর পক্ষে পরিচালিত হবে
সঠিক উত্তর:
অ্যাবেট হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাবেট হবে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ : বিধি ৮, দেওয়ানি কার্যবিধি:
কোনো মামলায় যদি বাদী দেউলিয়া হয়ে যায়, এবং সেই মামলাটি তার ক্রেডিটরদের সুবিধার জন্য কোনো অ্যাসাইনী (assignee) বা রিসিভার (receiver) পরিচালনা করতে পারে, তাহলে- বাদীর দেউলিয়াপনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলাকে বন্ধ (abate) করবে না,

যদি না সেই অ্যাসাইনী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে, অথবা যদি না আদালত বিশেষ কোনো কারণে অন্য নির্দেশনা দেয়, এবং অ্যাসাইনী বা রিসিভার আদালত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে খরচের নিরাপত্তা (security for costs) প্রদান করে না।

৮১.
‘ক’ একটি জমির মালিক। ‘খ’ উক্ত জমির কিছু গাছের মালিক। 'খ' জমির কোন ক্ষতি না করে কিছু গাছ কেটে নেয়। কিন্তু পরে গাছ কাটার কারণে জমির কিছু অংশ ধ্বসে পড়ে। এক্ষেত্রে ‘ক’ কতৃর্ক ‘খ’- এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে -
  1. ‘খ’-যেদিন গাছ কাটতে শুরু করেছে সেই দিন থেকে
  2. যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে
  3. ‘খ’-যেদিন ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেছে সেই দিন থেকে
  4. যেদিন আদালতে অভিযোগ দাখিল হয়েছে সেই দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে
ব্যাখ্যা

এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ কতৃর্ক ‘খ’- এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে - যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে।

তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, 
যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।


Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৪ এর বিধি ৪ অনুযায়ী, আদালত কখন সাক্ষী পরীক্ষা বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের আগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পরে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পরে
  4. মামলার আবেদন গৃহীত হওয়ার আগে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণের আগে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালত মনে করে যে, কোনো ব্যক্তির জবানবন্দি ছাড়া বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি পরিদর্শন ছাড়া বিচার্য বিষয় যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত ১৫ দিনের মধ্যে বিষয় নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে। একইসঙ্গে, প্রয়োজনীয় ব্যক্তিকে হাজির করতে বা সংশ্লিষ্ট নথি আদালতে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দিতে পারে।

৮৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিল বিভাগে আপিল করতে চাইলে কোথায় দরখাস্ত দায়ের করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. সরাসরি আপিল বিভাগে
  4. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে 
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: আদেশ ৪৫ বিধি-২: যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় সে আদালতে আবেদন:
যে কেউ আপিল বিভাগে আপিল করার ইচ্ছা পোষণ করলে, যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সেই আদালতেই তাকে আবেদনপত্র দ্বারা আবেদন করতে হবে।

Rule.-2:
Whoever desires to appeal to the Appellate Division shall apply by petition to the Court whose decree is complained of.

৮৪.
তামাদি আইন, ১৯০৮ সর্বশেষ সংশোধন হয় কত সালে?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

'তামাদি’:
‘তামাদি’ একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ “বিলুপ্ত হওয়া” বা “অতিক্রান্ত হওয়া”। আইনি পরিভাষায় ‘তামাদি’ বলতে বোঝায়— যখন কোনো দাবির নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ দাবিটি করার বা মামলা দায়েরের আইনানুগ সময় শেষ হয়ে যায়।অতএব, নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করা এবং আদালত কর্তৃক তা বাধ্যতামূলকভাবে খারিজ হওয়ার প্রক্রিয়াকেই সংক্ষেপে ‘তামাদি’ বলা হয়।

তামাদি আইনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
১৭৯৩ সাল - উপমহাদেশে প্রথম তামাদি আইন প্রণীত হয়। ইংরেজ শাসক লর্ড চার্লস কর্নওয়ালিস এটি প্রবর্তন করেন। তবে সে সময়ের আইনটি সঠিকভাবে বিধিবদ্ধ ছিল না।
১৮৫৯ সাল - তামাদি আইন প্রথমবারের মতো সুনির্দিষ্টভাবে বিধিবদ্ধ হয়।
১৮৬২ সাল - ১৮৫৯ সালের বিধিবদ্ধ আইন কার্যকর হয়।
১৯০৮ সালের ৭ আগস্ট - আইনটি ব্যাপক সংস্কার ও পরিমার্জন করে পুনরায় প্রকাশ করা হয়।
১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি - নবপ্রণীত আইন কার্যকর হয়, যা বর্তমানে “১৯০৮ সালের ৯ নং আইন” নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। সংশোধনীতে ১১৩ এবং ১১৪ অনুচ্ছেদের তামাদি সময় ৩ বছর থেকে কমিয়ে ১ বছর করা হয়।

বর্তমানে এতে ২৯টি ধারা ও ১টি তফসিল কার্যকর রয়েছে। ১ম তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যা ৩টি খণ্ডে বিভক্ত-
প্রথম খণ্ড (১–১৪৯)- মামলা দায়েরের সময় সম্পর্কিত;  
দ্বিতীয় খণ্ড (১৫০–১৫৭)- আপিল দায়েরের সময় সম্পর্কিত;
তৃতীয় খণ্ড (১৫৮–১৮৩)-  আবেদন বা দরখাস্ত দায়েরের সময় সম্পর্কিত।