পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই, কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
নিচের কোন জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) ভোলা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত। এছাড়া পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার কিছু অংশেও সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে।

সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
.
হাড়িভাঙ্গা কীসের নাম?
  1. ক) কলা
  2. খ) আম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) লিচু
ব্যাখ্যা
হাড়িভাঙ্গা হলো আমের একটি জাত।
আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মহানন্দা
- আম্রপালি
- হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত
- ফজলি
- ল্যাংড়া
- গোপালভোগ
- মোহনভোগ
- বান্দিগুড়ি
- গৌরমতি
- সূর্যপুরী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
.
Bangladesh Rice Research Institute কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৭০ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
BRRI বর্তমান পর্যন্ত ধানের মোট ১০৮টি আধুনিক জাত উদ্ভাবন করেছে।

(তথ্যসূত্র: BRRI ওয়েবসাইট)
.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনাঞ্চল কী ধরনের বনভূমি?
  1. ক) সরলবর্গীয়
  2. খ) পত্রপতনশীল
  3. গ) চিরহরিৎ
  4. ঘ) চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবননামে পরিচিত। শাল বা গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে এই বনভূমিকে শালবন বলা হয়।

শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মতিঝিল
  2. খ) সিলেট
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে অবস্থিত। এটি বন গবেষণা বিষয়ক দেশের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।

এটি ১৯৫৫ সালে ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি নামে যাত্রা শুরু করে যা ১৯৬৮ সালে পূর্ণাঙ্গ বন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়।
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
.
কৃষিক্ষেত্রে উত্তরণ হলো-
  1. ক) সরিষার একটি জাত
  2. খ) ভুট্টার একটি জাত
  3. গ) গমের একটি জাত
  4. ঘ) ধানের একটি জাত
ব্যাখ্যা
উত্তরণ হলো ভুট্টার একটি জাত।
ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- মোহর
- শুভ্রা
- বর্ণালি
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস)
.
ইক্ষু উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) জামালপুর
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) পাবনা
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুসারে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট ইক্ষু উৎপাদনের পরিমাণ : ৩৩.৩২ লক্ষ মে. টন।

ইক্ষু উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : নাটোর (৯.৬৮ লক্ষ মে.টন)
- দ্বিতীয় : রাজশাহী (৩.২১ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : জামালপুর (২.১৪ লক্ষ মেট্রিক টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
.
ইলিশ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৮৬ ভাগ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো প্রায় ৫.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন।

ওয়ার্ল্ড ফিশ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে বিশ্বের শীর্ষ ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহ:
- প্রথম : বাংলাদেশ (৮৬ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : ভারত (১০.৫ শতাংশ)
- তৃতীয় : মিয়ানমার (৩ শতাংশ)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)
.
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে মোট কতটি চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ১৫৯টি
  2. খ) ১৬২টি
  3. গ) ১৬৭টি
  4. ঘ) ১৬৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,

- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
১০.
স্বাদু পানির মাছের উৎপাদনের প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
FAO প্রকাশিত সর্বশেষ দ্য স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বে স্বাদুপানির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

এছাড়া:

চাষকৃত মাছ উৎপাদনে : পঞ্চম।
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে : তৃতীয়।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে : প্রথম।

২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৬.২১ লক্ষ মেট্রিক টন। যার মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৬.৩৯ লক্ষ মেট্রিক টন।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
১১.
দেশে প্রথম পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয় কোথায়?
  1. ক) খুলশী
  2. খ) রামু
  3. গ) মালিনীছড়া
  4. ঘ) সীতাকুণ্ড
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।

বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১২.
বাংলাদেশে কোন দশক থেকে উফশী ধানের চাষ শুরু হয়?
  1. ক) পঞ্চাশের দশক
  2. খ) ষাটের দশক
  3. গ) আশির দশক
  4. ঘ) নব্বইয়ের দশক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় গত শতাব্দীর ষাটের দশকে। ১৯৬৭ সালে ইরি-৮ ধানের মাধ্যমে বাংলাদেশে উফশী ধানের আবাদ শুরু হয়।

ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান। পরবর্তীতে, ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে।

(তথ্যসূত্র: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট)
১৩.
নিচের কোন দুটি গমের জাত?
  1. ক) মোহর ও শুভ্র
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. ঘ) সফল ও অগ্রণী
ব্যাখ্যা
আকবর ও সোনালিকা হলো গমের দুটি জাত।
গমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

অন্যদিকে,

মোহর ও শুভ্র : ভুট্টার জাত
গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত
সফল ও অগ্রণী : সরিষার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১৪.
কোন জেলায় সবেচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয়?
  1. ক) নওগাঁ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ধান উৎপাদন হয় ৩৭৬.০৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ময়মনসিংহ জেলায়। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ময়মনসিংহ জেলায় আউশ, আমন ও বোরো ধান মিলিয়ে মোট প্রায় ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়।
এছাড়া নওগাঁ, দিনাজপুর, কুমিল্লা, যশোর, সুনামগঞ্জ, রংপুর প্রভৃতি জেলায় অধিক পরিমাণে ধান উৎপাদন হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২০)
১৫.
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহেশপুর, ঝিনাইদহ
  2. খ) সাভার, ঢাকা
  3. গ) ভালুকা, ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কালিগঞ্জ, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।

(তথ্যসূত্র: কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট)
১৬.
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
শুরুতে এটির কার্যক্রম ঢাকাস্থ গ্রীনরোড থেকে পরিচালিত হতো। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হাইড্রোলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে একীভূত করে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট যারা শুরু করে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১৭.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) গরান
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৮.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) আলু
  2. খ) তৈলবীজ
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলসমূহ:
- পাট
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।

অন্যদিকে,

আলু, তৈলবীজ ও গম হলো খাদ্যশস্য।

(তথ্যসূত্র: ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৯.
বন বিভাগের অধীনে মোট কতটি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ২১টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ২৯টি
  4. ঘ) ৩২টি
ব্যাখ্যা
বন বিভাগের অধীনে বর্তমানে দেশে মোট ২৫.৭৫ লক্ষ হেক্টর বনভূমি রয়েছে।
এর মধ্যে ২৯টি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি বিদ্যমান যার মোট আয়তন ১৩.৩৯৯ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
২০.
নিচের কোনগুলো বেগুনের জাত?
  1. ক) নয়নতারা ও শুকতারা
  2. খ) দোয়েল ও কাঞ্চন
  3. গ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
  4. ঘ) বর্ণালি ও শুভ্রা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রচলিত বেগুনের জাতসমূহ:
- নয়নতারা
- কাজলা
- তারাপুরী
- ইসলামপুরী
- শুকতারা
- বিজয়
- মুক্তকেশী
- ঝুমকো
- শিংনাথ
- নয়ন কাজল
- কেজি বেগুন
- তাল বা তল্লা বেগুন
- উত্তরা
- লাফফা
- ঈশ্বরদী-১
- খটখটিয়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- দোয়েল ও কাঞ্চন : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- বর্ণালি ও শুভ্রা : ভুট্টার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
২১.
গঙ্গা কপোতাক্ষ প্রকল্পের উদ্দেশ্য-
  1. ক) বন্যা নিয়ন্ত্রণ
  2. খ) সেচ
  3. গ) নদীর ভাঙন রোধ
  4. ঘ) লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের প্রথম সেচ প্রকল্প। এটি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় অবস্থিত। ১৯৫৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৯ সালে শেষ হয়।

কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমি সেচের বন্দোবস্ত করা এই প্রকল্পের মুখ্য উদ্দেশ্য।
বর্তমানে দেশে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ প্রায় ৫৬ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: কুষ্টিয়া জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
২২.
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে সার আমদানিতে ভর্তুকির পরিমাণ কত কোটি টাকা?
  1. ক) ৯,৫০০ কোটি টাকা
  2. খ) ১২,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ১৪,৮০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ১৬,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে সার আমদানিতে ভর্তুকির পরিমাণ ১৬,০০০ কোটি টাকা। সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩৩,৬৯৮ কোটি টাকা।

(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২৩.
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা সিস্টেমের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
এটির অবস্থান ঢাকার ফার্মগেটে যা ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ওয়েবসাইট)
২৪.
নিচের কোনটি পেঁপের একটি জাত?
  1. ক) ওয়াশিংটন
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) কাজলা
  4. ঘ) অগ্নিশ্বর
ব্যাখ্যা
ওয়াশিংটন ও রাঁচি হলো বাংলাদেশে চাষকৃত পেঁপের জাত।

অন্যদিকে,

- ড্রামহেড : বাঁধাকপির জাত
- কাজলা : বেগুনের জাত
- অগ্নিশ্বর : কলার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
২৫.
দেশে প্রথম ইকোপার্ক স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) ডুলাহাজরা
  2. খ) সীতাকুণ্ড
  3. গ) বড়লেখা
  4. ঘ) টেকনাফ
ব্যাখ্যা
১৯৯৮ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দেশের প্রথম ইকোপার্ক স্থাপিত হয়। এর নাম হলো সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক। এটির আয়তন প্রায় ৮০৮ হেক্টর। এটিসহ বর্তমানে দেশে মোট ১০টি ইকোপার্ক রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২৬.
নিচের কোনটি জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে?
  1. ক) জৈব পদার্থ প্রয়োগ
  2. খ) মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ
  3. গ) একই জমিতে ভিন্ন ভিন্ন ফসলের চাষ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন কারণে জমির উর্বরতা হ্রাস পায়। সেক্ষেত্রে জমির উর্বরতা রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্যে করণীয় হলো:

- ভূমিক্ষয় রোধ করা
- মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করা
- মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ করা
- শিম জাতীয় উদ্ভিদের চাষ করা
- একই জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করা
- পানি ও আগাছা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক কৃষিশিক্ষা : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২৭.
জুম চাষের প্রচলন রয়েছে-
  1. ক) হাওরাঞ্চলে
  2. খ) চরাঞ্চলে
  3. গ) পাহাড়ী অঞ্চলে
  4. ঘ) উপকূলীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
জুম হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি যা পাহাড়ী এলাকায় প্রচলিত। এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুমচাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
জুমচাষ পদ্ধতি সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি নামেও পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২৮.
সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম জেলার বেতাগী ও পোমরাতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ১৯৮১-৮২ সালে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর ৭টি জেলায় সরকারী বনভূমিতে কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে।

বর্তমান পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের আওতায় ৯৯,৩১৪ হেক্টর জমি এবং ৭৩,২২৩ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হয়েছে।
উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২৯.
কোনটি কন্দাল জাতীয় ফসল?
  1. ক) তাল
  2. খ) আনারস
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
কন্দাল ফসল হলো সে সব ফসল যাদের মূল বা কাণ্ড স্ফিত হয়ে অঙ্গে পরিণত হয়। আলু, মেটে আলু, মিষ্টি আলু, কচু প্রভৃতি কন্দাল ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৩০.
বাংলাদেশের কোথায় গো-চারণের জন্যে বাথান ভূমি রয়েছে?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
এক সময় দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি ছিলো। বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর ও পাবনা, হাওরাঞ্চল এবং নতুন জেগে উঠা চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া)