পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়45 minutes
মোট প্রশ্ন৫৩
সিলেবাস
৪৬তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৮ [রাউন্ড – ২] পরীক্ষার টপিক: • ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। • ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। • ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। Live MCQ অ্যাপের আর্কাইভের "বিসিএস জব সল্যুশন" বাটন থেকে উল্লিখিত বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নগুলোর ব্যাখ্যা এবং রেফারেন্সসহ সমাধান ভালো করে পড়ে পরীক্ষা দিন। উল্লিখিত পরীক্ষাগুলোর প্রশ্ন ও ব্যাখ্যা মডিফাই করে রিভিশন পরীক্ষাটির প্রশ্ন প্রণয়ন করা হবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৩ প্রশ্ন

.
ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রা বর্ণের সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রা বর্ণের সংখ্যা - ৭টি

বর্ণ:
- ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ।
- এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে।
- ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।
- ধ্বনির বিভাজন অনুযায়ী বাংলা বর্ণমালাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- স্বরধ্বনির প্রতীক স্বরবর্ণ।
- ব্যঞ্জনধ্বনির প্রতীক ব্যঞ্জনবর্ণ।
- বাংলা বর্ণমালায় মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি। তবে মূল বর্ণের পাশাপাশি বাংলা বর্ণমালায় রয়েছে নানা ধরনের কারবর্ণ, অনুবর্ণ, যুক্তবর্ণ ও সংখ্যাবর্ণ।

• ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রা বর্ণের সংখ্যা - ৭টি
যথা: খ, গ, ণ, থ, ঢ, প, শ।

- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা - ৬টি।
যথা: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।

- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রা বর্ণের সংখ্যা - ২৬টি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
  1. আলেয়া
  2. জিঞ্জির
  3. রাজবন্দীর রোজনামচা
  4. শিউলিমালা
সঠিক উত্তর:
রাজবন্দীর রোজনামচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজবন্দীর রোজনামচা
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় - রাজবন্দীর রোজনামচা
- এটি শহীদুল্লা কায়সার রচিত স্মৃতিকথা।
- স্মৃতিকথাটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
- বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- জিঞ্জির,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ:
- ব্যথার দান,
- রিক্তের বেদন,
- শিউলিমালা

তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক:
- ঝিলিমিলি,
- আলেয়া,
- মধুমালা।

তাঁর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- রাজবন্দীর জবানবন্দী,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- রুদ্র-মঙ্গল,
- অন্যান্য প্রবন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া এবং নজরুলের প্রবন্ধ সমগ্র।
.
বাংলা সাহিত্যে একটি পঙ্‌ক্তি না লিখলেও কার নামে একটি যুগের সৃষ্টি হয়েছে?
  1. শিব
  2. শ্রীকৃষ্ণ
  3. শ্রীচৈতন্যদেব
  4. শ্রীলোচন
সঠিক উত্তর:
শ্রীচৈতন্যদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীচৈতন্যদেব
ব্যাখ্যা
শ্রীচৈতন্যদেব:
- বাংলা সাহিত্যে একটি পঙ্‌ক্তি না লিখলেও তাঁর নামে একটি যুগের সৃষ্টি হয়েছে
- তাঁর জন্ম ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দ, নবদ্বীপ; মৃত্যু ১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দ, পুরী।
- শ্রীচৈতন্যদেবের পিতৃদত্ত নাম বিশ্বম্ভর মিশ্র; ডাকনাম নিমাই।
- সামন্তযুগের অনুদার মতাদর্শকে অস্বীকার করেই তিনি প্রচার করলেন জীবে দয়া, ঈশ্বরে ভক্তি এবং সকলের অধিকার। তাঁর কল্যাণেই বাঙালির স্বাজাত্যবোধ ও নিজসংস্কৃতি রক্ষিত হয়। এজন্য তিনি স্মরণীয়।
- বাংলা সাহিত্যে ১৫০০ থেকে ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে চৈতন্যযুগ বলে।
- তাঁর জীবনী রচনার মধ্য দিয়ে বাংলায় জীবনীসাহিত্য রচনা আরম্ভ হয়।
- বাংলায় চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থের নাম - বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্য-ভাগবত'।
- বাংলায় চৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থের নাম - লোচন দাসের 'চৈতন্য মঙ্গল'।
- বাংলা ভাষায় অদ্বিতীয় ও সর্বাপেক্ষা তথ্যবহুল চৈতন্যজীবনী - কৃষ্ণদাস কবিরাজের 'চৈতন্য-চরিতামৃত' (১৬১৫)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন শব্দটি ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে?
  1. কঙ্কণ
  2. বাণিজ্য
  3. লক্ষণ
  4. শোণিত
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ
ব্যাখ্যা
• 'লক্ষণ' শব্দটি ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে।

ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম:
- ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন - কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প + অ+ণ্‌), লক্ষণ (ক্+ ষ্‌ + অ + ণ্‌)।
এরূপ - রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

• স্বভাবতই 'ণ' হয় এমন কিছু শব্দ:
- চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, কণিকা, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, শোণিত, মণি, স্থাণু ,গুণ, পুণ্য, কফণি, বেণী, ফণী, অণু , বিপণি, গণিকা, আপণ, লাবণ্য, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, কল্যাণ, গৌণ, কোণ, ভাণ, পণ, শাণ, চিক্কণ, নিক্কণ, তূণ, বণিক, গুণ, গণনা, পিণাক, পণ্য, বাণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'পরিশ্রমে ক্লান্ত নয় এমন' এর সংক্ষেপণ কোনটি?
  1. অক্লান্ত
  2. অক্লান্তকর্মা
  3. অক্লান্ত কর্মী
  4. অবিশ্রাম
সঠিক উত্তর:
অক্লান্তকর্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্লান্তকর্মা
ব্যাখ্যা
• 'পরিশ্রমে / কর্মে ক্লান্ত নয় এমন' এর সংক্ষেপণ - অক্লান্তকর্মা

অন্যদিকে,
• 'ক্লান্তিহীনভাবে চলে যা' এর সংক্ষেপণ - অক্লান্ত / অবিশ্রাম।
• 'কর্মে ক্লান্তি নেই যার' এর সংক্ষেপণ - অক্লান্ত কর্মী।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান
.
মীর মশাররফ হোসেন 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা কোথা থেকে গ্রহণ করেছেন?
  1. কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' মহাকাব্য থেকে
  2. ফেরদৌসীর 'শাহনামা' মহাকাব্য থেকে
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকে
  4. মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটক থেকে
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকে
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেন 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকে গ্রহণ করেছেন।

বিষাদ-সিন্ধু:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্টিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।
- তন্মধ্যে 'মহরম পর্ব্বে' উপক্রমণিকা ও ছাব্বিশটি প্রবাহ, 'উদ্ধার পর্ব্বে' ত্রিশটি প্রবাহ, 'এজিদ-বধ পর্ব্বে' পাঁচটি প্রবাহ ও উপসংহার-অংশ রয়েছে।
- প্রথমত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত স্পর্শকাতর কাহিনি সাধারণ মুসলিম পাঠকের কাছে এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ।
- দ্বিতীয়ত 'বিষাদ-সিন্ধু'র জাদুকরী রচনাগুণের জন্যে সাহিত্যরসিকজনের কাছেও গ্রন্থটি আদরণীয়।
- জয়নাবের রূপে বিমোহিত এজিদ এবং এই রূপতৃষ্ণার পরিণামে বহু মানুষের বিপর্যয় ও ধ্বংসের যে কথকতা বর্ণিত হয়েছে তা গ্রন্থটিকে সর্বজনীন করে তুলেছে।
- 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকেই মীর মশাররফ হোসেন গ্রহণ করেছেন।

মীর মশাররফ হোসেন:
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. পক্ষিকুজন
  2. পক্ষীকুজন
  3. পক্ষিকূজন
  4. পক্ষীকূজন
সঠিক উত্তর:
পক্ষীকূজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষীকূজন
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - পক্ষীকূজন
- শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- অর্থ: পাখির ডাক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ রচিত গবেষণা কর্ম?
  1. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
  2. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
  3. বাংলা সাহিত্যের কথা
  4. বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা
সঠিক উত্তর:
বাংলা সাহিত্যের কথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা সাহিত্যের কথা
ব্যাখ্যা
• মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ রচিত গবেষণা কর্ম - বাংলা সাহিত্যের কথা
- এটি ২ খণ্ডে (১৯৫৩, ১৯৬৫) প্রকাশিত হয়।

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌:
- ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ ছিলেন।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে এম.এ (১৯১২) পাস করেন। দুবছর পর তিনি বি.এল (১৯১৪) ডিগ্রিও অর্জন করেন।
- ১৯২৮ সালে তিনি বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদাবলি বিষয়ে গবেষণা করে প্যারিসের সোরবোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে প্রথম ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি 'আঙুর', 'দি পীস', 'বঙ্গভূমিক', 'তকবীর' পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- ‘জ্ঞানতাপস’ হিসেবে পরিচিত মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্  ১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই ঢাকায় পরলোক গমন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ হল চত্বরে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

তাঁর রচিত গবেষণা কর্ম:
- সিদ্ধা কাহ্নপার গীত ও দোহা,
- বাংলা সাহিত্যের কথা,
- বৌদ্ধ মর্মবাদীর গান,
- ভাষাতত্ত্ব: ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত।

অন্যদিকে,
• মাহবুবুল আলম রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস।
• ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়; মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম - বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত।
• গোপাল হালদার রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম - বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা (২ খণ্ড)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
'খাসখবর' শব্দে ব্যবহৃত 'খাস' -
  1. দেশি উপসর্গ
  2. বিদেশি উপসর্গ
  3. বাংলা উপসর্গ
  4. সংস্কৃত উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
বিদেশি উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• 'খাসখবর' শব্দে ব্যবহৃত 'খাস' - বিদেশি উপসর্গ
- এটি আরবি উপসর্গ।

বিদেশি উপসর্গ:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি – এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে।
- এর কতগুলো খাঁটি উচ্চারণে আবার কতগুলো বিকৃত উচ্চারণে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
- এ সঙ্গে কতগুলো বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু রয়েছে।
- দীর্ঘকাল ব্যবহারে এগুলো বাংলা ভাষায় বেমালুম মিশে গিয়েছে।
- বেমালুম শব্দটিতে 'মালুম' আরবি শব্দ আর 'বে' ফারসি উপসর্গ।

• আরবি উপসর্গ ৪টি। যথা:
- আম্‌: সাধারণ অর্থে - আমদরবার, আমমোক্তার।
- খাস: বিশেষ অর্থে - খাসমহল, খাসখবর
- লা: না অর্থে - লাজওয়াব, লাখেরাজ।
- গর্‌: অভাব অর্থে - গরমিল, গররাজি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবনকাল কোনটি?
  1. ১৮২০ - ১৮৯১
  2. ১৮২৪ - ১৮৭৩
  3. ১৮৩৮ - ১৮৯৪
  4. ১৮৪৭ - ১৯১১
সঠিক উত্তর:
১৮২০ - ১৮৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২০ - ১৮৯১
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবনকাল - ১৮২০ - ১৮৯১

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
উচ্চারণে দ্রুততা ও সবলতা কোন ছন্দের বৈশিষ্ট্য?
  1. অক্ষরবৃত্ত
  2. অমিত্রাক্ষর
  3. মাত্রাবৃত্ত
  4. স্বরবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
স্বরবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণে দ্রুততা ও সবলতা স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য।

স্বরবৃত্ত:
 - উচ্চারণে দ্রুততা ও সবলতা স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- প্রতি পর্বের প্রথমে প্রবল শ্বাসাঘাত যেমন এ ছন্দের দ্রুততার প্রধান কারণ, তেমনি শ্বাসাঘাতের শক্তিই একে করে তুলেছে সবল ও প্রাণবান।
- আবার স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান পর্ব যেহেতু চার মাত্রার এবং তার পরেই থাকে একটি ক্ষুদ্র পর্ব, সেজন্যও এ ছন্দ দ্রুত উচ্চারিত হয়।
- স্বরবৃত্ত ছন্দের পর্বের এ স্থিতিস্থাপক গুণ বাংলা কাব্যে বিভিন্ন সময়ে পরিলক্ষিত হয়েছে।
- দ্রুততা ও প্রবল শ্বাসাঘাতের জন্যই স্বরবৃত্ত ছন্দ অধিকতর প্রাণবন্ত এবং কথ্যভাষার উপযোগী হয়ে উঠেছে।

অর্থাৎ, শ্বাসাঘাতপ্রধান ছন্দ হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
কোন নাটকের অনুসরণে মুনীর চৌধুরী 'কবর' নাটকটি রচনা করেন?
  1. Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead'
  2. John Milton রচিত 'Lycidas'
  3. Percy Bysshe Shelley রচিত 'Adonais'
  4. Thomas Gray রচিত 'Elegy Written in Country Churchyard'
সঠিক উত্তর:
Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead'
ব্যাখ্যা
Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead' নাটকের অনুসরণে মুনীর চৌধুরী 'কবর' নাটকটি রচনা করেন।

কবর:
- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক 'কবর'।
- নাটকটি লেখক জেলে থাকা অবস্থায় রচনা করেন এবং ১৯৫৩ সালে জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।
- নাটকটি ১৯৬৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ:
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead' (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে 'কবর' নাটক লেখা হয়েছে।
- 'কবর' নাটকে মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে শহরে কারফিউ দিয়ে লাশ গুম করতে গভীর রাতে কবরস্থানে নিয়ে যায়। পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ এবং নেতা (নাটকে তার নাম নেই) যৌথভাবে এ দায়িত্ব নেয়। কিন্তু লাশগুলো ছিন্নভিন্ন দেখে তারা ধর্মীয় প্রথা অনুসারে কবরস্থ না করে একত্র মাটিচাপা দেবার সিদ্ধান্ত হয়। এতে বাধা দেয় গোর-খোদক। কবরস্থানে আশ্রয় নেয়া আরেক স্বজনহারা পাগল মুর্দা ফকিরও প্রতিবাদ জানায়। বলে - 'এ লাশগুলো আন্দোলনকারীর। এরা এভাবে কবরে যাবে না'। লাশগুলোও তখন উঠে দাঁড়ায় এবং বলে - 'আমরা কবরে যাবো না'। এসব দেখে মদ্যপ ইন্সপেক্টর ও নেতা ভয় পেয়ে যায়।
- 'কবর' একুশের পটভূমিতে রচিত প্রথম বাংলা নাটক।

মুনীর চৌধুরী:
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- তিনি শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- দণ্ডকারণ্য,
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।

তাঁর রচিত অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
সমর সেন রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. উত্তম পুরুষ
  2. কালপুরুষ
  3. তিন পুরুষ
  4. পুরুষপরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
তিন পুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন পুরুষ
ব্যাখ্যা
• সমর সেন রচিত কাব্যগ্রন্থ - তিন পুরুষ
- এটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য, 'তিন পুরুষ' নামে সমরেশ বসুর ও শাওন আসগরের উপন্যাস রয়েছে।

সমর সেন:
- তিনি ১৯১৬ সালের ১০ অক্টোবর কলকাতার বাগবাজারে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রথিতযশা গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন  তাঁর পিতামহ।
- তিনি মূলত কবি ছিলেন। তাঁকে আধুনিক যুগের নাগরিক কবি বলা হয়।
-  ‘Frontier’ (ফ্রন্টিয়ার) ও ‘নাও’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। 
- ‘আমি রোমান্টিক কবি নই, আমি মার্ক্সিস্ট’ - এভাবেই তিনি মার্কসবাদের  প্রতি তাঁর প্রবল আকর্ষণ ঘোষণা করেন।
- তাঁর কবিতায় নগর জীবনের ক্লেদ ও গ্লানি, মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট, সংশয়, নীতিহীনতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা এবং সংগ্রামী গণচেতনা বলিষ্ঠভাবে রূপায়িত হয়েছে।
- তিনি রুশ সাহিত্যের একজন দক্ষ অনুবাদক ছিলেন।
- ১৯৮৭ সালের ২৩ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- কয়েকটি কবিতা,
- গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা,
- নানাকথা, 
- খোলাচিঠি, 
- তিন পুরুষ,
- সমর সেনের কবিতা।

অন্যদিকে,
• রশীদ করীম রচিত উপন্যাস - উত্তম পুরুষ।
• সমরেশ মজুমদার রচিত উপন্যাস - কালপুরুষ।
• হরপ্রসাদ রায় রচিত গ্রন্থ - পুরুষপরীক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪.
ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. কলে ছাঁটা
  2. কলের গান
  3. কানাকানি
  4. কানে-খাটো
সঠিক উত্তর:
কানাকানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাকানি
ব্যাখ্যা
• ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ - কানাকানি

ব্যতিহার বহুব্রীহি:
- ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
- এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং উত্তরপদে 'ই' যুক্ত হয়।
যথা:
• হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি,
• কানে কানে যে কথা = কানাকানি

এমনি ভাবে - চুলাচুলি, কাড়াকাড়ি, গালাগালি, দেখাদেখি, কোলাকুলি, লাঠালাঠি, হাসাহাসি, গুঁতাগুঁতি, ঘুষাঘুষি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ - কলে ছাঁটা, কলের গান।
• অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ - কানে-খাটো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
'বহুরূপী' কার রচনা?
  1. সমরেশ বসু
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. সুকুমার রায়
  4. হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা
বহুরূপী:
- 'বহুরূপী' সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য।
- গ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- গিরগিটির খুড়তুত ভাই, ব্যা, মোট্‌কা ও শুট্‌কো, অসি-লক্ষণ পণ্ডিত, হিংসুটি, পুতুলের ভোজ, দুই বন্ধু, বুদ্ধিমান শিষ্য,  এক বছরের রাজা, ডাকাত নাকি?, গরুর বুদ্ধি, দ্রিঘাংচু, ব্যাঙের রাজা এই গ্রন্থভুক্ত রচনা।

সুকুমার রায়:
- ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার মসুয়ায়।
- তিনি ছিলেন শিশুসাহিত্যিক।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী  উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী  তাঁর পিতা এবং অস্কারপ্রাপ্ত  চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়  তাঁর পুত্র।
- তিনি সুগায়ক ও সুঅভিনেতা হিসেবে খ্যাত ছিলেন।
- তিনি ১৯২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত শিশুতোষ সাহিত্য:
- আবোল তাবোল,
- হ-য-ব-র-ল,
- পাগলা দাশু,
- বহুরূপী,
- খাই খাই,
- অবাক জলপান,
- শব্দকল্পদ্রুম,
- ঝালাপালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
He insisted _______ seeing her. 
  1. of
  2. in
  3. to
  4. on
সঠিক উত্তর:
on
উত্তর
সঠিক উত্তর:
on
ব্যাখ্যা
• Insist on/upon/ Insist on doing something:
- To keep doing something, even if it annoys other people, or people think it is not good for you.
- বাংলায়, কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা।
- Insist on/upon এর সাথে verb এর ing form বসে।

যেমন:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.

Complete sentence: He insisted on seeing her. 


Source: Cambridge Dictionary Grammar Reference.
১৭.
Choose the synonym of 'Transitory'.
  1. Brief
  2. Perpetual
  3. Apathy
  4. Indolence
সঠিক উত্তর:
Brief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Brief
ব্যাখ্যা
• Transitory: 
English meaning: lasting for only a short time.
Bangla meaning: ক্ষণস্থায়ী, অনিতা।

Options,
- Brief: সংক্ষিপ্ত।
- Perpetual: চিরস্থায়ী, অবিরাম, প্রায়শঃ।
- Apathy: ঔদাস্য; অনুৎসাহী; অনীহা; অভক্তি; অনুভূতি বা আগ্রহের অভাব।
- Indolence: আলস্য।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of 'Transitory' - Brief.

Source: Cambridge Dictionary.
১৮.
The wind was so strong that it could ____________ small objects.
  1. blow in
  2. blow away
  3. blow out
  4. blow up
সঠিক উত্তর:
blow away
উত্তর
সঠিক উত্তর:
blow away
ব্যাখ্যা
♦ The wind was so strong that it could blow away small objects.
 
Options,
- Blow away - এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া (বাতাসে)।
- blow out - আগুন নেবানো।
- blow up - বিস্ফোরক ব্যবহার করে ধ্বংস করা।
- blow in: হঠাৎ হাজির হত্তয়া।
১৯.
The word 'Number' is both -
  1. adjective & verb
  2. noun & adjective
  3. noun & verb
  4. adjective & adverb
সঠিক উত্তর:
noun & verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
noun & verb
ব্যাখ্যা
• Number: [noun]
Meaning: a unit that forms part of the system of counting and calculating.

• Number: [verb]
Meaning: to give something a number in a series and usually to write this number on it.

Source: Cambridge Dictionary.
২০.
I don't like idle people. (Make it passive)
  1. Idle people is not liked by me.
  2. Idle people are not liked by me.
  3. Idle peoples are not liked by me.
  4. Idle people are not likeable to me.
সঠিক উত্তর:
Idle people are not liked by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Idle people are not liked by me.
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত বাক্যটি Present indefinite tense এ রয়েছে।
- Present indefinite tense যুক্ত negative বাক্যের Passive voice এর গঠন করার নিয়ম - 
- Object টি subject রূপে বসে।
- এরপর  subject ও tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
-  not + verb এর past participle form হয়।
- by + object.

• তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক Passive form টি হবে - Idle people are not liked by me.
২১.
________ Nile River is famous for its annual flooding, which brings nutrient-rich sediment to the surrounding land.
  1. A
  2. An
  3. The
  4. Zero article
সঠিক উত্তর:
The
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The
ব্যাখ্যা
• Article এ,
- Articles মুলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Articles: A, An.
• Definite Articles: The.

• Nile - নীলনদ।
- যে কোন নদীর নামের পূর্বে the বসবে।

• নদী, সাগর, উপসাগর, মহাসাগর, পর্বতশ্রেণী, দ্বীপ, জাহাজ ইত্যাদি নামের পূর্বে The বসে।
- যেমন: The Andamans, The Himalayas, The Pacific.

Complete sentence: The Nile River is famous for its annual flooding, which brings nutrient-rich sediment to the surrounding land.
২২.
Choose the correct spelling.
  1. Eqeivocasion
  2. Equivacation
  3. Eqivocation
  4. Equivocation
সঠিক উত্তর:
Equivocation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Equivocation
ব্যাখ্যা
• Equivocation: 
English meaning: The use of ambiguous language to conceal the truth or to avoid committing oneself; prevarication;  two contradictory things in the same statement.
Bangla Meaning: কথার দুটি অর্থ হয় এমন ভাব; বাকচাতুরী।

Source: Live MCQ Lecture.
২৩.
"Lyrical Ballads" was published in -
  1. 1788
  2. 1798
  3. 1778
  4. 1780
সঠিক উত্তর:
1798
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1798
ব্যাখ্যা
• Lyrical Ballads:
- 'Lyrical Ballads' 1798 সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- Lyrical Ballads এ মোট 23 টি কবিতা রয়েছে। 
- তার মধ্যে 19 টি William Wordsworth ও 4 টি S.T. Coleridge এর।
- The Romantic period began with the publication of Preface to Lyrical Ballads.
- Lyrical Ballads is a collection of Romantic poems.
- It is written by William Wordsworth and S.T. Coleridge.

Source: An ABC of English Literature by Dr M. Mofizar Rahman.
২৪.
"Adela Quested" is a famous character created by -
  1. Rudyard Kipling
  2. Galls Worthy
  3. E. M. Forster
  4. A. H. Auden
সঠিক উত্তর:
E. M. Forster
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E. M. Forster
ব্যাখ্যা
• A Passage to India:
- এটি E.M. Forster লিখিত একটি novel.
- এটি ১৯২৪ সালে published হয়।
- বইটিতে ব্রিটিশ ও ইন্ডিয়ানদের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The tensions that arise when a visiting Englishwoman, Adela Quested, accuses a well-respected Indian man, Dr. Aziz, of having attacked her during an outing.

• Characters:
- Dr. Aziz,
- Mrs. Moore,
- Adela Quested,
- Rony Hislop,
- Cyril Fielding.

• E.M. Forster:
- তিনি একজন British writer.
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- His fame rests largely on his novels Howards End and A Passage to India and on a large body of criticism.

Source: Britannica.
২৫.
প্লটার হলো এক ধরনের - 
  1. প্রিন্টার
  2. ইমেজ
  3. প্রোগ্রাম
  4. লেজার জেট
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
প্লটার (Ploter): 
- প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইস যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে। 
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়। 
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়। 
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। 
যথা: 
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও 
২. ড্রাম (Drum) প্লটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম নয়? 
  1. প্লাটিপাস
  2. ভেড়া
  3. লিমুলাস
  4. স্ফোনোডন
সঠিক উত্তর:
ভেড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেড়া
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ। 
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭.
বাইনারি পদ্ধতির প্রতীক চিহ্ন কোনটি? 
  1. ০ এবং ২
  2. ০ এবং ১
সঠিক উত্তর:
০ এবং ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০ এবং ১
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত বাইনারি পদ্ধতির প্রতীক চিহ্ন দুটি অংক হচ্ছে ০ এবং ১। 
- প্রতীক, মৌলিক চিহ্ন দ্বারা কোনো সংখ্যা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বা number system বলে। 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- বাইনারির সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২৮.
'উচ্চতর ভাষা' কোন প্রজন্মের ভাষা? 
  1. চতুর্থ প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. পঞ্চম প্রজন্ম
  4. তৃতীয় প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সাল থেকে শুরু হয়ে এ পর্যন্ত অনেক প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভব  হয়েছে। 
১. প্রথম প্রজন্মের ভাষা: মেশিন ভাষা, 
২. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা: অ্যাসেম্বলি ভাষা, 
৩. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা: উচ্চতর ভাষা
৪. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা: অতি উচ্চতর  ভাষা এবং 
৫. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা: স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৯.
ইংরেজি বর্ণমালার ধারাবাহিকভাবে ২০তম বর্ণের বামদিকে ৫তম বর্ণ কোনটি? 
  1. O
  2. P
  3. Y
  4. X
সঠিক উত্তর:
O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ইংরেজি বর্ণমালার ধারাবাহিকভাবে ২০তম বর্ণের বামদিকে৫তম বর্ণ কোনটি? 

সমাধান:
ইরেজি বৰ্ণমালার ধারাবাহিকভাবে ১৭তম বর্ণ = T  
 Q এর বামদিকে ৫তম বর্ণ হলো = O
A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X, Y, Z

৩০.
একটি সরল রেখার উপর অংকিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক-সপ্তাংশের উপর অংকিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?
  1. 7
  2. 14
  3. 21
  4. 49
সঠিক উত্তর:
49
উত্তর
সঠিক উত্তর:
49
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সরল রেখার উপর অংকিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক-সপ্তাংশের উপর অংকিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?

সমাধান:
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = x
সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গ = x²
সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গ = (x/7)2
= x2/49

∴ একটি সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের 49 গুণ।
৩১.
x2 - 3x - 1 = 0 হলে, x3 - 1/x3 = ?
  1. 36
  2. 18
  3. 54
  4. 72
সঠিক উত্তর:
36
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 3x - 1 = 0 হলে, x3 - 1/x3 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x2 - 3x - 1 = 0
x2 - 1 = 3x
x2/x - 1/x = 3x/x
x - 1/x = 3

আমরা জানি
x3 - 1/x3 = (x - 1/x)3 + 3.x.1/x(x - 1/x)
x3 - 1/x3 = 33 + 3 × 3
x3 - 1/x3 = 27 + 9
x3 - 1/x3 = 36
৩২.
একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ১৮২ বর্গগজ। ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু থেকে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য ১৪ গজ। এর ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২২ গজ
  2. ২৪ গজ
  3. ২৬ গজ
  4. ২৮ গজ
সঠিক উত্তর:
২৬ গজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ গজ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ১৮২ বর্গগজ। ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু থেকে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য ১৪ গজ। এর ভূমির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সমান = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
১৮২ = (১/২) × ভূমি × ১৪
বা, ১৮২ = ভূমি × ৭
ভূমি = ২৬ গজ
৩৩.
১০ জন লোক একটি কাজ ১৬ দিনে করতে পারে। দু’জন লোক কমিয়ে দিলে কাজটি সমাধা শতকরা কত দিন বেশী লাগবে?
  1. ২০%
  2. (১০০/৩)% 
  3. ১৫% 
  4. ২৫% 
সঠিক উত্তর:
২৫% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫% 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০ জন লোক একটি কাজ ১৬ দিনে করতে পারে। দু’জন লোক কমিয়ে দিলে কাজটি সমাধা শতকরা কত দিন বেশী লাগবে?

সমাধান: 
২ জন লোক কমে যাওয়ায় মোট লোক হয় =(১০ - ২)= ৮ জন।

১০ জন লোক একটি কাজ করে = ১৬ দিনে
১ জন লোক একটি কাজ করে = ১০ × ১৬ দিনে
৮ জন লোক একটি কাজ করে = (১০ × ১৬)/৮ দিনে
= ২০ দিনে

পূর্বের চেয়ে সময় বেশি লাগে =(২০ - ১৬) = ৪দিন

শতকরা সময় বেশি লাগে = {(৪/১৬) × ১০০}% = ২৫% 
৩৪.
একটি সোনার গহনার ওজন ৪৮ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। গহনায় কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?
  1. ৬ গ্রাম
  2. ৮ গ্রাম
  3. ১৬ গ্রাম
  4. ১২ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
১২ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গহনার ওজন ৪৮ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। গহনায় কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?

সমাধান: 
গহনার ওজন = ৪৮ গ্রাম
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ১ = ৪
∴ সোনার পরিমাণ = (৪৮ × ৩)/৪ = ৩৬ গ্রাম
∴ তামার পরিমাণ = (৪৮ × ১)/৪ = ১২ গ্রাম

ধরি,
ক পরিমাণ সোনা মিশাতে হবে

প্রশ্নমতে,
ক + ৩৬ : ১২ = ৪ : ১
(ক + ৩৬)/১২ = ৪/১
ক + ৩৬ = ৪৮
ক = ৪৮ - ৩৬
ক = ১২
∴ অতিরিক্ত সোনা মেশাতে হবে ১২ গ্রাম
৩৫.
যদি (36)2x + 3 = 63x + 7 হয় তবে x = কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (36)2x + 3 = 63x + 7 হয় তবে x = কত?

সমাধান:
(36)2x + 3 = 53x + 7
⇒ (62)2x + 3 = 53x + 7
⇒ 64x + 6 = 53x + 7
⇒ 4x + 6 = 3x + 7
⇒ 4x - 3x = 7 - 6
∴ x = 1
৩৬.
আয়নায় প্রতিফলিত হলে কোন শব্দটি কোনো পরিবর্তন হবে না? 
  1. MOOP
  2. UXXU
  3. POT
  4. IS
সঠিক উত্তর:
UXXU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UXXU
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়নায় প্রতিফলিত হলে কোন শব্দটি কোনো পরিবর্তন হবে না? 

সমাধান:
আয়নায় প্রতিফলন হওয়ার পরেও A, H, I, M, O, T, U, V, W, X এবং Y এর পরিবর্তন হবে না,
তাই এদের মধ্য থেকে অক্ষর নিয়ে গঠিত শব্দ UXXU এর কোনো পরিবর্তন হবে না। 
৩৭.
একটি ক্লাসে ৪০ জন ছাত্র আছে। তাদের মধ্যে ২২ জন ফুটবল খেলে, ১৭ জন ক্রিকেট খেলে এবং ৬ জন কিছুই খেলে না। কতজন ছাত্র উভয়টিই খেলে?
  1. ৫ জন
  2. ৬ জন
  3. ৭ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্লাসে ৪০ জন ছাত্র আছে। তাদের মধ্যে ২২ জন ফুটবল খেলে, ১৭ জন ক্রিকেট খেলে এবং ৬ জন কিছুই খেলে না। কতজন ছাত্র উভয়টিই খেলে? 

সমাধান: 
মোট ছাত্র = ৪০ জন,
কোন খেলাই খেলে না = ৬ জন
∴ যেকোন একটি খেলা খেলে = ৪০ - ৬ = ৩৪ জন

∴ উভয় খেলা খেলে = (২২ + ১৭) - ৩৪ = ৫ জন।
৩৮.
একজন চাকরিজীবীর বেতনের ১/৫ অংশ কাপড় ক্রয়ে, ১/২ অংশ খাদ্য ক্রয়ে এবং ১/৪ অংশ বাসা ভাড়ায় ব্যয় হয়। তার আয়ের শতকরা কত ভাগ অবশিষ্ট রইল?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন চাকরিজীবীর বেতনের ১/৫ অংশ কাপড় ক্রয়ে, ১/২ অংশ খাদ্য ক্রয়ে এবং ১/৪ অংশ বাসা ভাড়ায় ব্যয় হয়। তার আয়ের শতকরা কত ভাগ অবশিষ্ট রইল?

সমাধান:
মোট ব্যায় = (১/৫) + (১/২) + (১/৪) অংশ 
= (৪ + ১০ + ৫)/২০ অংশ
= ১৯/২০ অংশ 

বাকি থাকে = ১ - (১৯/২০) অংশ
= ১/২০ অংশ

শতকরা বাকী থাকে = [(১/২০) × ১০০]℅ = ৫%
৩৯.
যদি ৩ + ২ = ১৫, ৭ + ২ = ৫৯, ৮ + ৭ = ১১৫ হয় তবে, ৬ + ৩ = ?
  1. ৬৩
  2. ৯১৮
  3. ৩৯
  4. ১৮৯
সঠিক উত্তর:
৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ৩ + ২ = ১৫, ৭ + ২ = ৫৯, ৮ + ৭ = ১১৫ হয় তবে, ৬ + ৩ = ?

সমাধান:
এখানে যোগফলের প্রথম অঙ্কটি হবে অঙ্কদ্বয়ের বিয়োগফল এবং দ্বিতীয় অঙ্কটি হবে অঙ্কদ্বয়ের যোগফল। যথা-
৩ + ২ = ৩ - ২ এবং ৩ + ২ = ১৫
৭ + ২ = ৭ - ২ এবং ৭ + ২ = ৫৯
৮ + ৭ = ৮ - ৭ এবং ৮ + ৭ = ১১৫
৬ +৩ = ৬ - ৩ এবং ৬ + ৩ = ৩৯
৪০.
শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির আসল নাম কী?
  1. মরিয়ম বেগম
  2. ইরান দুখত
  3. রহিমা খানম
  4. জাহানারা পারভীন
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

 উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
          ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৪১.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর-এর ফলে বাংলার কত জনসংখ্যা মৃত্যুমুখে পতিত হয়?
  1. প্রায় এক-তৃতীয়াংশ
  2. প্রায় অর্ধেক
  3. প্রায় এক-চতুর্থাংশ
  4. প্রায় এক-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় এক-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় এক-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে।
- প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে।
- যার ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয় ।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয় ৷

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪২.
ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে কে?
  1. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. ছাত্রলীগ
  3. তমদ্দুন মজলিশ
  4. পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা প্রকাশিত হয়।
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। 
- এর আহ্বায়ক মনোনিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১৩ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
৪৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয় -
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনাকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয়।
- ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়।
- এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii)  ৭ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
৪৪.
'লিঙ্গ সমতা' এসডিজর-এর কত নং লক্ষ্যমাত্রা
  1. ১ নং
  2. ৪ নং
  3. ৩ নং
  4. ৫ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৫.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডারের সংখ্যা -
  1. ২৫টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারের নাম:
১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন),
২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি),
৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার),
8. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব),
৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়),
৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি),
৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা),
৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য),
৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য),
১০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র),
১১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন),
১২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা),
১৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য),
১৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য),
১৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ),
১৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ),
১৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক),
১৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল),
১৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত),
২০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল),
২১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক),
২২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ),
২৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান),
২৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর),
২৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা),
২৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
৪৬.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'-এর স্থপতি কে ছিলেন?
  1. ফ্রেডেরিক বার্থোলডি
  2. রেম কুলহাস
  3. মাইস ভ্যান ডের রোহে
  4. মাইকেল গ্র্যাভস
সঠিক উত্তর:
ফ্রেডেরিক বার্থোলডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেডেরিক বার্থোলডি
ব্যাখ্যা
স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- সে তার উত্থিত ডান হাতে একটি টর্চ ধরেছে এবং তার বাম হাতে একটি ট্যাবলেট ধরেছে।
- বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ ফ্রান্সের পক্ষ থেকে ভাস্কর্যটি যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দেওয়া হয়।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট।
- বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- ভাস্কর্যটি রোমান দেবী লিবার্টাসের আদলে গড়া।
- ভাস্কর্যটির নকশা করেন ফরাসি স্থপতি ফ্রেডেরিক বার্থোলডি।

উল্লেখ্য,
 - স্ট্যাচু অব লিবার্টি ১৮৭৫ এবং ১৮৮৪ সালের মধ্যে ফ্রান্সে নির্মিত হয়েছিল।
- ভাস্কর্যটি তৈরির জন্য পৃথকভাবে ৩৫০টি অংশ বানানো হয়।
- স্টাচু অব লিবার্টির সেই অংশগুলো নিয়ে ফ্রান্স থেকে একটি জাহাজ ১৮৮৫ সালের ১৭ জুন নিউইয়র্কে পৌঁছায়।
- পরে পৃথক অংশগুলো একে একে যুক্ত করে পুরো ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়।
- ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
৪৭.
কোন সালের ভূমিকম্পের ফলে যমুনা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৮৭ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna): 
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- আজকের চঞ্চলা যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যার ফলে যমুনা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৮.
'OPEC' সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা
  2. বর্তমান সদস্য ১২টি
  3. সদরদপ্তর ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত
  4. ১৯৬০ সালে গঠিত
সঠিক উত্তর:
সদরদপ্তর ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদরদপ্তর ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত
ব্যাখ্যা
OPEC:
-  OPEC এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries. 
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- ১৯৬০ সালে OPEC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উল্লেখ্য,
- ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী অ্যাঙ্গোলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মত বিরোধের পর OPEC থেকে বেরিয়ে এসেছে।

উৎস: i) OPEC এর ওয়েবসাইট। 
         ii) ২১ ডিসেম্বর ২০২৩, রয়টার্স।
৪৯.
Uniting for peace resolution কত সালে পাশ হয়?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘উত্তর কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে।
- এই যুদ্ধকে  'the Forgotten War'  বলে অভিহিত করেছেন।

যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়। 
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে  'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৫০.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আলু চাষ করে কারা?
  1. পর্তুগিজরা
  2. ডাচরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. দিনেমাররা
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
প্রথম আলু চাষ:
- ভারতীয় উপমহাদেশে সতেরো শতকের গোড়ার দিকে পর্তুগিজ নাবিকরা ভারতে প্রথম আলু নিয়ে আসে।
- ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত The Gardening Monthly ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম রেকর্ড দেখা যায়।
- প্রথমদিকে আলুর চাষ হতো কলকাতার পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহে, সেখান থেকে আলু চাষের প্রবর্তন হয় চেরাপুঞ্জিতে।
- ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর থাকাকালীন সময়ে (১৭৭২-১৭৮৫), তাঁর উদ্যোগে আলুর চাষ বোম্বেসহ অনেক প্রদেশে বিস্তার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- আলু সম্ভবত আমেরিকার স্থানীয় ফসল।
- স্পেনীয় অনুসন্ধানকারীরা ষোল শতকে পেরু থেকে এটি নিয়ে আসে স্পেনে যেখান থেকে তা উত্তর ও পূর্বে সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকরা সম্ভবত ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে এটিকে উত্তর আমেরিকায় নিয়ে আসে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫১.
ভেঙ্গি ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
ভেঙ্গি ভ্যালি:
- ভেঙ্গি ভ্যালি রাঙামাটির কাপাতাই লেকে অবস্থিত।
- কাপ্তাই থেকে প্লাবিত চট্রগ্রামের উপত্যকা এলাকা 'ভেঙ্গি ভ্যালি' নামে পরিচিত।

ভ্যালি:
- ভেঙ্গি ভ্যালি: রাঙ্গামাটি,
- হালদা ভ্যালি: খাগড়াছড়ি,
- বলিশিয়া ভ্যালি: মৌলভীবাজার,
- সাজেক ভ্যালি: রাঙামাটি,
- সাঙ্গু ভ্যালি: চট্টগ্রাম,
- নাপিত খালি ভ্যালি: কক্সবাজার,
- মাইনমুখী ভ্যালি: রাঙামাটি।

উল্লেখ্য,
-  দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী প্রশস্ত সমতল ক্ষেত্র বা অসমতল ঢালু ক্ষেত্রকে উপত্যকা বা ভ্যালি বলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৫৪ সালে
  2. ১৮৫৫ সালে
  3. ১৮৫৬ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

মালনীছড়া চা-বাগান:
- সিলেট শহরতলির বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত মালনীছড়া চা-বাগান।
- ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ইংরেজ ভদ্রলোক লর্ড হার্ডসন বাগানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- চা-বাগানটির মোট আয়তন ২ হাজার ৫০০ একর। 

উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে প্রকাশিত আসাম ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারস, সিলেট-এ বলা হয়, সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। 
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।

উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো। [link]
         ii) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৫৩.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. রাজ কাঁকড়া
  2. স্ফেনোডন
  3. প্লাটিপাস
  4. স্লো লোরিস
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
ব্যাখ্যা

জীবন্ত জীবাশ্ম:
- যে সকল জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনাে রকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনও পৃথিবীতে টিকে আছে অথচ এদের সমসাময়িক ও সমগোত্রীয় সকলেরই বহু পূর্বে বিলুপ্তি ঘটেছে তাদেরকে জীবন্ত জীবাশ্ম  বা লিভিং ফসিল বলে।

জীবন্ত জীবাশ্মের উদ্ভিদ:
- ইকুইজিটাম, নিটাম ও গিঙ্কো বাইলোবা।
জীবন্ত জীবাশ্মের প্রাণী:
- সন্ধিপদ প্রাণী: লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া,
- সরীসৃপ প্রাণী: স্ফেনোডন নামক,
- স্তন্যপায়ী প্রাণী: প্লাটিপাস নামক.

উল্লেখ্য,
রাজ কাঁকড়া:
- অশ্বক্ষুরের ন্যায় দেখতে উপবৃত্তাকার এই কাঁকড়াটি হলো Horseshoe Crab লিমুলাস।
- প্রকৃত পক্ষে এরা কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড। 
- প্রজাতিগত দিক থেকে মাকড়সার সঙ্গে বেশি মিল রয়েছে এটির।
- এরা লিমুলিডি গোত্রের অন্তর্গত সামুদ্রিক সন্ধিপদী।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে ’জীবন্ত জীবাশ্ম' বলা হয়।
- কারণ প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে এরা উৎপত্তি লাভ করেছে।
- পূর্ণ জোয়ারের সময় এরা প্রজনন করে।
- তখন এরা কক্সবাজার, সোনাদিয়া, মহেশখালি এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিকটে খাড়ি বা জলাভূমির বালুময় সৈকতে ফিরে আসে।
- সুন্দরবনের চর এলাকা হচ্ছে  রাজ কাঁকড়া এর প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।