পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ১১ টপিক: বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১,৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, স্বাধীনতা ঘোষণা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-মুজিবনগর সরকারের গঠন ও কার্যাবলী, মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল, মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূমিকা, পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পন এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয় [Live Class – 15 & 16] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন কে?
  1. এম মনসুর আলী
  2. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়, যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- এই ঘোষণাপত্রটি জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানে ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা সংযুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানে ৭ম তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
.
মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী -
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  4. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মুশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মুশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
→ মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত (অস্থায়ী) রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)।
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান (আবুল হাসানাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান)।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
.
পাকিস্তানের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি এম. ইদ্রিস
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  4. বিচারপতি ফজল-ই-আকবর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচন পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পায়।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর কেন্দ্রীয় আইন পরিষদ গঠনের জন্য প্রথমবার প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারভিত্তিক প্রত্যক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২টি সাধারণ আসনে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ সবকটি আসনে প্রার্থী দেয়।
- আওয়ামী লীগ ছয় দফাকে নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে ঘোষণা করে।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৬২টি সাধারণ আসন এবং ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- আওয়ামী লীগ ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি মহিলা আসনে জয়লাভ করে।
- পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে ১৬৭টি আসনে।
- পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে ২৮৮টি আসনে।
- পশ্চিম পাকিস্তানের ১৩৮টি আসনের মধ্যে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (জুলফিকার আলী ভুট্টোর নেতৃত্বে) জয়লাভ করে ৮১টি আসনে।
- আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় আইন পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ইয়াহিয়া খান সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেননি।
- এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
- অসহযোগ আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

অন্যদিকে, 
- বিচারপতি এম. ইদ্রিস ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
- তাঁর মেয়াদ ছিল ৭ জুলাই ১৯৭২ থেকে ৭ জুলাই ১৯৭৭।
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ তার অধীনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
.
মুক্তিযুদ্ধকালীন 'জেড' ফোর্সের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. মেজর কে. এম সফিউল্লাহ
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মেজর জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
→ মুক্তিযুদ্ধকালীন 'জেড' ফোর্সের অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন।

ব্রিগেড ফোর্স:
- ১১টি সেক্টর ও তার অধীন অনেক সাব-সেক্টর ছাড়াও রণাঙ্গনকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়।
- মে ও জুন মাসে মুক্তিবাহিনীকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল।
- ফোর্সের নামকরণ করা হয় ব্রিগেডগুলোর অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।
- ব্রিগেড ফোর্সগুলোর নাম হলো:
→ 'কে' ফোর্স, যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ।
→ 'এস' ফোর্স, যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর কে. এম সফিউল্লাহ।
→ 'জেড' ফোর্স, যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়, যাতে সামরিক ও বেসামরিক জনগণকে একত্রিত করা হয়।
- মুক্তিবাহিনী দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল: নিয়মিত বাহিনী এবং অনিয়মিত বাহিনী। অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- গণবাহিনীতে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সেক্টরে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।
- নিয়মিত বাহিনীতে ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্র বাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছিল।
- ১৪ এপ্রিল, কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ বাহিনীর হেড কোয়ার্টার কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে স্থাপিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম কোথায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল?
  1. লন্ডন
  2. লাহোর
  3. কলকাতা
  4. নিউ ইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের বাইরে প্রথমবারের মতো পতাকা উত্তোলন করা হয় কলকাতার পাকিস্তানি ডেপুটি হাইকমিশনার কার্যালয়ে।

প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- পতাকার মাঝখানে ছিল হলুদ বৃত্ত, যার মধ্যে আঁকা ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- এরপর থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথমবারের মতো পতাকা উত্তোলন করা হয় কলকাতার পাকিস্তানি ডেপুটি হাইকমিশনার কার্যালয়ে।
- ডেপুটি হাইকমিশনার এম. হোসেন আলী বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।


উল্লেখযোগ্য তথ্য:
- বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা হলো সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত।
- সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, আর লাল বৃত্ত উদীয়মান সূর্য ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
- জাতীয় পতাকা ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬ বা ৫:৩।

তথ্যসূত্র: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
.
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীর প্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী নাগরিক কে?
  1. গি. রিচার্ড
  2. জর্জ হ্যারিসন
  3. মাইকেল হ্যারিসন
  4. ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড:
- ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড একজন অস্ট্রেলিয়ার ওলন্দাজ নাগরিক।
- তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশের ‘বীর প্রতীক’ খেতাব লাভ করেন।
- ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড মুক্তিযুদ্ধের জন্য এই খেতাব পাওয়া একমাত্র বিদেশি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ওলন্দাজ বাহিনীর গেরিলা কমান্ডো হিসেবে কাজ করেছিলেন।
- ১৯৭০ সালের শেষের দিকে ঢাকায় বাটা সু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য, আর্থিক সহায়তা এবং অন্যান্য উপায়ে সাহায্য করতেন।
- ‘বীর প্রতীক’ পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম ২ নম্বর সেক্টরের গণবাহিনীর তালিকায় ৩১৭ নম্বরে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন -
  1. ইউসুফ আলী
  2. আবদুল মান্নান
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান
ব্যাখ্যা
→ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান।

মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার ছিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ২৬ মার্চ ১৯৭১ স্বাধীনতা ঘোষণার পর, ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলা গ্রামটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে মুজিবনগর নামে পরিচিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলায় সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান (এম.এন.এ)।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী (এম.এন.এ)।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে যৌথ বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করে।
- এই যৌথ বাহিনী গঠিত হয় পুলিশ, আনসার এবং স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কত সালে মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
→ স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:

- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিভিন্ন খেতাব প্রদান করা হয়:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

উল্লেখ্য, 
- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের হেডকোয়ার্টার কোথায় ছিল?
  1. কালুরঘাটে
  2. বারিয়ার হাটে
  3. হরিনাতে
  4. করিমগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
হরিনাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিনাতে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- প্রথমে এ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। (১০ এপ্রিল থেকে ২৫ জুন)
- পরে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মেজর রফিকুল ইসলাম। (২৮ জুন থেকে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি)
- মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- এ সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন প্রায় ১০,০০০ মুক্তিযোদ্ধা। 
- এর মধ্যে ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর প্রায় ২,০০০ নিয়মিত সৈন্য অংশগ্রহণ করেন।
- গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৮,০০০ জন।
- এই সেক্টরের গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে বিভক্ত করে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০.
২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে 'স্বাধীনতার ঘোষণা' কে প্রথম প্রচার করেন?
  1. এম এ হান্নান
  2. ইউসুফ আলী
  3. মেজর রফিকুল ইসলাম
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

এ প্রশ্নটি নিয়ে দ্বিমত আছে। বর্তমান NCTB বইয়ে পরিবর্তন এসেছে; কিন্তু বিস্তারিত উল্লেখ নেই। 
মতানৈক্য এড়ানোর জন্য প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
================== 

→ ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে 'স্বাধীনতার ঘোষণা' এম এ হান্নান প্রথম প্রচার করেন। 

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা:-

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হান্নানের কাছে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠান।
- এই ঘোষণাটি স্বাধীনতার দলিলপত্র তৃতীয় খণ্ডে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার বাংলা অনুবাদ:
"আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। এই আমার শেষ কথা। যে যেখানেই থাকুন না কেন, সকলের প্রতি আমার আবেদন, যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে দখলদার বাহিনীর মোকাবিলা করুন এবং বাংলার মাটি থেকে পাক দখলদার বাহিনীকে সমূলে উৎখাত করে চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়ে যান।"
- এম. এ. হান্নান এই ঘোষণাটি ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ কালুরঘাটের স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার (পরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
- মেজর জিয়ার এই ঘোষণাটিও স্বাধীনতার দলিলপত্রে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় কোন দফতরের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. স্বরাষ্ট্র ও কৃষি
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. ত্রাণ ও পুনর্বাসন
  4. পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
অর্থ ও বাণিজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ ও বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
→ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় 'অর্থ ও বাণিজ্য' দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। 

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা ও তাদের দফতর:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম. মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।