পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
কম্পিউটার বুটিং হলো-
  1. ডেটাবেজে কোনো তথ্য খুঁজে বের করা
  2. কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার প্রক্রিয়া
  3. প্রোগ্রামিং এর ভুল খুঁজে বের করা
  4. কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বুটিং: 
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে। 
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং
কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে নিচের কোন প্রযুক্তি?
  1. ক) Wi-Fi
  2. খ) Bluetooth
  3. গ) WiMAX
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11.
• WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ইনপুটের সংখ্যা n হলে আউটপুট 2n হয় কোন সার্কিটের ক্ষেত্রে?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) কাউন্টার
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে। 

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। 

• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় কোন কোডের মাধ্যমে?
  1. ক) EBCDIC
  2. খ) ASCII
  3. গ) BCD
  4. ঘ) Unicode
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দৈনন্দিন হিসাব নিকাশে আমরা সবসময় দশমিক সংখ্যা ব্যবহার করলেও কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক সার্কিট দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার জন্য এগুলোকে বাইনারিতে রূপান্তর করে নিতে হয়। 
- কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় রূপান্তরের পরে এর দশমিক রূপটি অক্ষুণ্ণ থাকেনা।
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Coded Decimal. 

• অ্যাসকি কোড:
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

• ইবিসিডিক কোড:
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। 

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২ এর পরিপূরক নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?
  1. ক) ১ এর পরিপূরক + ১
  2. খ) ১ এর পরিপূরক - ১
  3. গ) ১ এর পরিপূরক + ১০
  4. ঘ) ১ এর পরিপূরক + সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি
ব্যাখ্যা
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement): 
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে। 
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়। 
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য কোন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অ্যাকিউমুলেটর
  2. খ) প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
  3. গ) মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
  4. ঘ) ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• আ্যাকিউমুলেটর: 
- আ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার। গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য আ্যাকিউমুলেটর ব্যবহৃত হয়। 

• মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার:

- প্রধান মেমোরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমোরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।

• প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার:
- প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টারে মেমোরি অ্যাড্রেসের পর্যায়ক্রম সংরক্ষিত থাকে।
- একটি নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তী নির্দেশ মেমোরির কোন অ্যাড্রেস থেকে গ্রহণ করতে হবে তা প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার নির্দেশ করে।

• ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার:
- Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমোরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে কোন প্রোটোকল?
  1. ক) DNS
  2. খ) TCP
  3. গ) HTTP
  4. ঘ) FTP
ব্যাখ্যা
• HTTP: 
- Hyper Text Transfer Protocol এর সংক্ষিপ্ত নাম হলো HTTP.
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

• FTP:
- FTP এর পূর্ণনাম হলো File Transfer Protocol.
- এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 
- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে FTP এর সাহায্যে এক ধরনের কম্পিউটার অন্য আরেক ধরনের কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। 

• TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।

• DNS:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। 
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
কোনটি গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) MS DOS
  2. খ) Unix
  3. গ) Windows XP
  4. ঘ) PC DOS
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating System):
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- তবে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ করতে হয় না।
- উদাহরণ: Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

• বর্ণ বা টেক্সট ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপন এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কী-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেকগুলো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়।
- উদাহরণ: Unix, MS DOS, PC DOS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ফ্রিকিং
  2. খ) প্ল্যাজিয়ারিজম
  3. গ) স্প্যামিং
  4. ঘ) স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলা হয়। 
- একসময় যখন কম্পিউটার সিস্টেম প্রচলিত ছিলনা, তখন হ্যাকাররা টেলিফোনে নানা ধরনের হ্যাকিং পরিচালনা করত।
- সাধারণভাবে ফোন হ্যাকারদের ফ্রেকার (Phreaker) নামে অভিহিত করা হয়।

• প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবাহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং। 

• স্নিকিং (Sneaking):
গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০.
হাইব্রিড ওয়েবসাইট কাঠামো কোন কোন কাঠামোর সমন্বয়ে গঠিত করা যায়?
  1. ক) নেটওয়ার্ক এবং ট্রি স্ট্রাকচার
  2. খ) লিনিয়ার এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
  3. গ) লিনিয়ার এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামো
  4. ঘ) হায়ারারকিক্যাল এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড বা কম্বিনেশন কাঠামো (Hybrid or Combination structure):
- একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন বা মিক্সড স্ট্রাকচার বলা হয়।
- সাধারণভাবে লিনিয়ার এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামোর মাধ্যমে হাইব্রিড কাঠামো তৈরি করা যায়।
- এ ধরনের কাঠামোতে অনেক দিক থেকে লিংক করা থাকে। ফলে তথ্য খুঁজে পেতে সহজ হয়।
- এ ধরনের কাঠামো ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- মেমোরি স্পেস কমানোর জন্য এ কাঠামো ব্যবহৃত হয়।
- ভিজিটরদের জন্য ভিজিট করা সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) হায়ারারকিক্যাল
  2. খ) নেটওয়ার্ক
  3. গ) লিনিয়ার
  4. ঘ) হাইব্রিড
ব্যাখ্যা
• ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এর কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure)
২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure)
৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure)
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure)

১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure):
- যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল কাঠামো বলা হয়।

২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure):
- যে ওয়েবসাইটের কাঠামোতে সবগুলো পেইজ থেকে একটি অপরটির সাথে লিংক থাকে তাকে নেটওয়ার্ক কাঠামো বলা হয়।

৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure):
- কোন ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ক্রমানুসারে করার স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে লিনিয়ার স্ট্রাকচার বলা হয়।

৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure):
- একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন স্ট্রাকচার বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২.
কম্পিউটার পেরিফেরাল বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) কম্পিউটারের মূল যন্ত্রাংশ
  2. খ) কম্পিউটারে সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস
  3. গ) কম্পিউটারের প্রসেসিং ইউনিট
  4. ঘ) কম্পিউটার চালু হতে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরাল
২. আউটপুট পেরিফেরাল এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
HPFS- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High Performance File System
  2. খ) High Performance File Service
  3. গ) High Performance File Syntax
  4. ঘ) High Performance File Sharing
ব্যাখ্যা
• HPFS:
- HPFS এর পূর্ণরূপ High Performance File System.
- এটি শুধুমাত্র OS/2 অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রযোজ্য।
- তাছাড়া এর Windows NT এর 3.51 ভার্সনটি এতে ইনস্টল করা হয়।
- HPFS পার্টিশনের ডেটা সংরক্ষণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা 8GB।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো এক ধরণের-
  1. ক) SRAM
  2. খ) DRAM
  3. গ) PROM
  4. ঘ) EEPROM
ব্যাখ্যা
• EEPROM:
- EEPROM এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- অবশ্য সংরক্ষিত তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো একটি ডেটা-স্টোরেজ মাধ্যম যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- ফ্ল্যাশ মেমোরি এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory). 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
১৫.
প্রতিটি URL এ থাকে-
  1. ক) ওয়েব প্রোটোকল
  2. খ) ওয়েব সার্ভারের নাম
  3. গ) সার্ভারের ডিরেক্টরি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ইউআরএল (URL):
- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।

• প্রতিটি URL এ থাকে:
 ১. ওয়েব প্রোটোকল
 ২. ওয়েব সার্ভারের নাম
 ৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ
 ৪. HTML ফাইলের নাম

১. ওয়েব প্রোটোকল:
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।

২. ওয়েব সার্ভার:
- সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।

৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ:
- সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।

৪. HTML ফাইল নাম:
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬.
বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে কোন মেমোরি থেকে তথ্য চলে যায়?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) SSD
  4. ঘ) Flash memory
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• র‍্যাম (RAM) এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার ও টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য কোন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) EBCDIC
  2. খ) Unicode
  3. গ) ASCII
  4. ঘ) BCD
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation -এর বিভিন্ন প্রকৌশলী ১৯৯১ সালে Unicode আবিষ্কার করেন।
- Unicode-এর পুরো নাম হলো Universal Code. একটি হলো 16 বিটের কোড যার সাহায্যে 216 বা 65536টি কোড গ্রুপ তৈরি করা যায়।
- কম্পিউটার টেকনোলজিতে ইউনিকাডকে কোড পয়েন্ট (Code Point) বলা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার ও টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- MS Windows, Mac OS, Linux ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম Unicode সাপোর্ট করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম নিচের কোন প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম
  2. খ) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
  3. গ) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বা সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (System Management or Control Program),
২. সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (System Development Program) এবং
৩. সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম (System Support Program)।

• সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বা সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম:
- সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার সিস্টেমের সকল অংশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- অর্থাৎ সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা, প্রোগ্রাম, বিভিন্ন ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম নিম্নলিখিত প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত:
১. অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম,
২. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম এবং 
৩. নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
IBM-360 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ২য় প্রজন্ম
  3. গ) ৩য় প্রজন্ম
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation,1965-1971):
- ১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- একীভূত বর্তনী (Integrated Circuit), অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, উন্নত কার্যকারিতা, নির্ভরশীলতা এই প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- একীভূত বর্তনীতে অনেক ট্রানজিস্টর , অর্ধপরিবাহী ডায়োড এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ থাকে। 
- কম্পিউটারের আকার আরও ছোট হয়, দাম কমে, কাজের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- অধিক সংখ্যক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সংযোজন, অধিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা, সুর ও শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতা, তারের সাহায্যে দূরবর্তী কোন কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান প্রদান ক্ষমতা ইত্যাদি।
- এই সময়ে মিনি কম্পিউটারের উদ্ভব ঘটে।
- এই প্রজন্মে উচ্চতর ভাষার প্রচলন এবং নির্বাহী পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটে।
- IBM 360, IBM 370, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
Stoned ও Vienna হলো-
  1. ক) Operating System
  2. খ) Programming Language
  3. গ) Antivirus Software
  4. ঘ) Computer Virus
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো 'Vital Information Resources Under Seize.'
- এটি কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে। 
- উদাহরণ: স্টোনড (Stoned), ভিয়েনা (Vienna), সিআইএইচ (CIH), ফোল্ডার (Folder), Trojan Horse ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (বোর্ড বই)।
২১.
11101 এর 1's complement কোনটি?
  1. ক) 01110
  2. খ) 00010
  3. গ) 00111
  4. ঘ) 00110
ব্যাখ্যা
• ১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়। অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
11101 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 00010 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২২.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
• দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়।

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য • হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
ওয়েবপেইজ তৈরি করার পর তা কোনো একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েব সার্ভারে রাখার প্রক্রিয়াটিকে বলা হয়-
  1. ক) ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন
  2. খ) ওয়েব পেইজ ডিজাইন
  3. গ) ওয়েব সার্ভারে পেইজ হোস্টিং
  4. ঘ) সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ওয়েবসাইট সংযুক্তকরণ
ব্যাখ্যা
• ওয়েবসাইট পাবলিশিং:
- ওয়েব পেইজ তৈরি করার পর তা কোনো একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করা প্রয়োজন। এই হোস্টিং প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ওয়েবসাইট পাবলিশিং। 
- ওয়েবসাইট পাবলিশিংয়ের ধাপসমূহ:

১. ওয়েব পেইজ ডিজাইন:
ওয়েবসাইট পাবলিশিং এ ওয়েব পেইজ ডিজাইন প্রথম ধাপ। অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে ওয়েব পেইজ ডিজাইন করে দিয়ে থাকে।

২. ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন:
ওয়েবসাইটের একটি নাম যা সহজে মনে রাখা যায় এবং অর্থবোধক তা নির্বাচন করে সেই নামের ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন করা।

৩. ওয়েব সার্ভারে পেইজ হোস্টিং: 
ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ও ওয়েব পেইজ ডিজাইন সম্পন্ন করার পর ওয়েব সাইট/ পেইজগুলো নির্ভরযোগ্য কোনো সার্ভারে হোস্ট করা। 

৪. সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ওয়েবসাইট সংযুক্ত:
ওয়েব পেইজ/সাইটটি আরো বেশী প্রচারমূখী করার জন্য সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (2B6)16 এর দশমিক সংখ্যা কত? 
  1. ক) 512
  2. খ) 678
  3. গ) 694
  4. ঘ) 778
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A,B,C,D,E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে, 
(2B6)16 
= 2 × 162 + B × 161 + 6 × 160 
= 2 × 256 + 11 × 16 + 6 × 1
= 512 + 176 + 6
= (694)10

সুতরাং, (2B6)16 = (694)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
PSD কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) Document
  2. খ) Audio
  3. গ) Video
  4. ঘ) Image
ব্যাখ্যা
• ইমেজ:
- ইমেজ বা ছবির আরেক নাম স্থিরচিত্র। কোন একটি নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্তের ছবি ধরে রাখা হয় ইমেজের মাধ্যমে। আবার কোন ব্যক্তি বা বস্তুর ছবিও ইমেজের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।
- ইমেজের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .jpg, .png, .gif, .psd, .bmp, .dds, .pspimage ইত্যাদি।

• অডিও:
- যে কন্টেন্ট থেকে কেবল শব্দ বা সাউন্ড শোনা যায়, তাকে অডিও কন্টেন্ট বলা যায়।
- অডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে: .mp3, .wma, .wav, .aif, .iff, .m3u, .m4a, .mid, .mpa ইত্যাদি।

• ভিডিও:
- একই সাথে সাউন্ড ও চলমান চিত্র সমৃদ্ধ কন্টেন্টই ভিডিও।
- ভিডিওর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে চলমান চিত্র ফুটে ওঠে।
- যে কোনো মুভি, অ্যানিমেশন, কার্টুন কিংবা ডুকমেন্টারি ভিডিও কন্টেন্টের অন্তর্ভুক্ত।
- ভিডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .mp4, .mpeg, .avi, .flv, .3gp, .vob, .mov, .wmv, .srt, .swf ইত্যাদি।

• ডকুমেন্ট:
- মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ডের মাধ্যমে তৈরি বা ব্যবহারকৃত সব ফাইলই ডকুমেন্ট। তাছাড়া, Portable Document Format (PDF) বা পিডিএফ, নোটপ্যাডে সকল অ্যাপ্লিকেশনে তৈরি বা ব্যবহৃত সকল ফাইলই ডকুমেন্ট।
- একটি ডকুমেন্ট ফাইলের এক্সটেনশন কয়েক ধরনের হতে পারে। যথা: .doc, .docx, .rtf, .txt, .pdf ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং এর ভিত্তি কোনটি?
  1. ক) বর্ণ ভিত্তিক
  2. খ) টেক্সট ভিত্তিক
  3. গ) GUI ভিত্তিক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং:
- যে প্রোগ্রামিং সিস্টেমে মেন্যু বা চিত্রের সাহায্যে কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করা হয় তাকে ভিজ্যুয়াল বা দৃশ্যমান প্রোগ্রামিং বলে। অর্থাৎ এটা একটি চিত্রভিত্তিক প্রোগ্রামিং মডেল।
- উইন্ডোজ (Windows) অপারেটিং সিস্টেম এ মডেলটি সমর্থন করে। ডস (DOS) অপারেটিং সিস্টেমে এ মডেলের প্রোগ্রাম রচনা সম্ভব নয়।
- গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস তৈরির জন্য ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং টুল ব্যবহৃত হয়, যা সকল GUI ডিজাইনার গ্রাফিকাল ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে ইন্টারেক্টিভ, গ্রাফিকাল এবং সরাসরি ম্যানিপুলেটেড ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করতে সক্ষম হয়। 
- উদাহরণ: Visual Basic, Visual C, Visual FoxPro ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং IEEE Xplore.
২৭.
কী-বোর্ডের Home key, Delete, insert কী-গুলোকে বলা হয়-
  1. ক) Function key
  2. খ) Numeric key
  3. গ) Control key
  4. ঘ) Navigation key
ব্যাখ্যা
• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে: Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়। 

• কন্ট্রোল কী:
- এই কী-গুলো একা বা অন্য কোনো কী-এর সাথে মিলে কাজ সম্পাদন করতে পারে। যেমন: Shift, Ctrl, Alt, Esc.

• নিউমেরিক কী:
- 0-9 এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত ১৭টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
২৮.
F = (A + B) + C সমীকরণটি কোন গেইট নির্দেশ করে?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) NOR
  4. ঘ) NOT
ব্যাখ্যা
• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
 

• F = (A + B) + C = A + B + C অর গেইট এর সমীকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।