পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
Exam - 41 Daily Quiz Bangla: Topic: কারক-বিভক্তি, ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়াপদ, বাচ্য ও উক্তি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
"রাখাল গোরুর পাল লয়ে যায় মাঠে।" - এখানে 'রাখাল' কোন কারকের উদাহরণ?
  1. কর্তৃকারক
  2. কর্মকারক
  3. করণকারক
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক:
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
- ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
যেমন:
- খোকা বই পড়ে। (কে পড়ে? খোকা - কর্তৃকারক)।
- মেয়েরা ফুল তোলে। (কে তোলে? মেয়েরা - কর্তৃকারক)।

এরূপ-
- "রাখাল গোরুর পাল লয়ে যায় মাঠে।" - এই বাক্যে ‘রাখাল’ কর্তৃকারক।
[কারণ "কে" পাল লয়ে যায় মাঠে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় - 'রাখাল'। সুতরাং এখানে ‘রাখাল’ কর্তৃকারকের উদাহরণ।] 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কারক বাদ দিতে মতবাদ দিয়েছিলেন?
  1. কর্মকারক
  2. অপাদান কারক
  3. সম্প্রদান কারক
  4. করণ কারক
সঠিক উত্তর:
সম্প্রদান কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্প্রদান কারক
ব্যাখ্যা
• কারক ও এর প্রকারভেদ:
বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে নাম পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
যথা: কর্তৃ কারক, কর্ম কারক, করণ কারক, অপাদান কারক, সম্প্রদান কারক ও অধিকরণ কারক।

তবে,
• মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২০২১ সংস্করণ) অনুসারে, সম্প্রদান কারককে বাদ দেওয়া হয়েছে।
- নতুন সংস্করণ অনুসারে, কারক ছয় প্রকার।
- যথা: কর্তৃ কারক, কর্ম কারক, করণ কারক, অপাদান কারক, অধিকরণ কারক ও সমন্ধ কারক।
- ড. হায়াৎ মামুদ তার ভাষা শিক্ষা বইয়ে, নিমিত্ত কারক নামে একটি কারকের শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

• মাধ্যমিক ব্যাকরণের নতুন সংস্করণ এবং হায়াৎ মামুদ সহ অনেক বইয়ে সম্প্রদান কারক নেই।
- কারণ, সম্প্রদান কারকের তাত্ত্বিক বৈধতা স্বীকার্য নয়।
- বাংলায় সম্প্রদান কারকের দরকার নেই - এই কথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেকেই বলে গেছেন।

• নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই (২০২১) অনুসারে,
- সম্প্রদান কারককে কর্ম কারকের মধ্যে দেখানো হয়েছে।
- আর সম্বন্ধ পদকে সম্বন্ধ কারক হিসেবে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ), ভাষাশিক্ষা- হায়াৎ মামুদ, বাংলা ব্যাকরণ- পবিত্র সরকার।
.
"এই পথ দিয়ে সীমান্ত পর্যন্ত যাওয়া যায়।" - কোন বাচ্যের উদাহরণ?
  1. কর্তৃবাচ্য
  2. কর্মবাচ্য
  3. ভাববাচ্য
  4. কর্মকর্তৃবাচ্য
সঠিক উত্তর:
ভাববাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাববাচ্য
ব্যাখ্যা
• ভাববাচ্যের বৈশিষ্ঠ্য:
- ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন - আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)

- কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন - এ পথে চলা যায় না; এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
তেমনিভাবে,
কোথা থেকে আসা হচ্ছে?

- মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন - এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
----------------------
সে অনুসারে, 
"এই পথ দিয়ে সীমান্ত পর্যন্ত যাওয়া যায়।"- ভাববাচ্যের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বাক্যের ক্রিয়া পদের সাথে কোন পদের সম্পর্ক থাকলে, তাকে কারক বলে?
  1. বিশেষ্য
  2. সর্বনাম
  3. ক এবং খ উভয়ই
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• কারক:
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলে।
আবার,
বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে যে পদ গঠন করে তাকে নামপদ বলে। 
- মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
- অর্থ্যাৎ, বাক্যের ক্রিয়া পদের সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। 
- কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
.
শিক্ষক বললেন, "চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করে।" - বাক্যটির পরোক্ষ উক্তিতে কী হবে?
  1. শিক্ষক বললেন, চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করেছিল।
  2. শিক্ষক বললেন যে, চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করে।
  3. শিক্ষক বলল, চুম্বক থেকে লোহা আকর্ষণ করে।
  4. শিক্ষক বলেছিলেন, চুম্বক লোহাকে আকর্শিত করে।
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক বললেন যে, চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক বললেন যে, চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করে।
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত বাক্যটি - শিক্ষক বললেন, "চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করে।" - 
পরোক্ষ উক্তিতে বাক্যটি হবে:
শিক্ষক বললেন যে, চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করে।

• উক্তি পরিবর্তনের নিয়ম:
প্রত্যক্ষ উক্তিতে চিরন্তন সত্যের উদ্ধৃতি থাকলে পরােক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোনাে পরিবর্তন হয় না।
যেমন -
প্রত্যক্ষ উক্তি:
- শিক্ষক বললেন, “চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।”
পরােক্ষ উক্তি:
- শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
"হেসেছিলেন" - ক্রিয়ার কোন কাল নির্দেশ করে?
  1. সাধারণ অতীত
  2. ঘটমান অতীত
  3. পুরাঘটিত অতীত
  4. পুরাঘটিত বর্তমান
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত
ব্যাখ্যা
• পুরাঘটিত অতীত:
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
পুরাঘটিত অতীত = ধাতু + এছিল/এছিলে/ এছিলাম/এছেলিনে।

যেমন -
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম। 
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?
- আপনি সুন্দর করে হেসেছিলেন

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
.
"বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছিল।" - বাক্যে "স্কুলে" শব্দটি কোন কারকের উদাহরণ?
  1. অপাদান কারক
  2. করণ কারক
  3. অধিকরণ কারক
  4. কর্মকারক
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।

- অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
----------------------------------------
• "বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছিল।" - বাক্যে ক্রিয়াকে 'কোথায়' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'স্কুলে'।
তাই,
'স্কুলে' শব্দটি অধিকরণ কারকের উদাহরণ।

উৎস:
- মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ?
  1. তবে আসা হল কেন?
  2. আমার যাওয়া হবে না কোথাও।
  3. আপনি শ্রবণ করুণ।
  4. শিক্ষক কর্তৃক স্বে জ্ঞানী হয়েছে।
সঠিক উত্তর:
আপনি শ্রবণ করুণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপনি শ্রবণ করুণ।
ব্যাখ্যা
• "আপনি শ্রবণ করুণ।" - কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ।

• কর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রাধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
যেমন -
- আপনি শ্রবণ করুণ।

১. কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয়।
২. কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।

অন্যদিকে,
• "তবে আসা হল কেন?", "আমার যাওয়া হবে না কোথাও।" - ভাববাচ্যের উদাহরণ।
• "শিক্ষক কর্তৃক স্বে জ্ঞানী হয়েছে।" - কর্মবাচ্যের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কীসের ভেদে ক্রিয়ার রূপের কোন পার্থক্য হয় না?
  1. মধ্যম পুরুষভেদে
  2. বচনভেদে
  3. কালভেদে
  4. প্রয়ােগভেদে
সঠিক উত্তর:
বচনভেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বচনভেদে
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াপদ:
ক্রিয়ামূল অর্থাৎ ধাতুর সঙ্গে কাল সময় ও পুরুষজ্ঞাপক (ক্রিয়া) বিভক্তিযোগে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।

খ. বচনভেদে ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য হয় না।
যেমন:
- আমি (বা আমরা) যাই।
- তুমি (বা তোমরা) যাও।
- সে (বা তারা) যায়।

এখানে, 
ক. পুরুষভেদে ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য দেখা যায়।
যেমন:
- আমি যাই।
- তুমি যাও।
- আপনি যান।
- সে যায়। তিনি যান। (সাধারণ ভবিষ্যৎ কালে নাম পুরুষ ও মধ্যম পুরুষের রূপ অভিন্ন।)

গ. সাধারণ, সম্ভ্রমাত্মক, তুচ্ছার্থকভেদে মধ্যম ও নাম পুরুষের ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য হয় হয়ে থাকে (উত্তম পুরুষের হয় না)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
"সে আমাকে সাহায্য করবে।" - এ বাক্যে "আমাকে" শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
  1. কর্তৃকারকে ২য়া বিভক্তি
  2. কর্মকারকে ২য়া বিভক্তি
  3. অধিকরণ কারকে ২য়া বিভক্তি
  4. অপাদান কারকে ২য়া বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
কর্মকারকে ২য়া বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মকারকে ২য়া বিভক্তি
ব্যাখ্যা
• কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম, গৌণ কর্ম।
যেমন -

• "সে আমাকে সাহায্য করবে।"- 
এখানে,
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদকে কী / কাদের/ কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যা উত্তর আসে তাই কর্মকারক।
- "সে আমাকে সাহায্য করবে।" - এখানে 'কাকে' সাহায্য করবে? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'আমাকে'।
তাই 'আমাকে' কর্মকারক। আবার, এর সাথে যুক্ত হয়েছে 'কে' - দ্বিতীয়া বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
নিচের কোন বাক্যে সকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ পাওয়া যায়?
  1. সে ঘুমায়।
  2. সে বই পড়ছে।
  3. সে মাটিতে শোয়।
  4. সে দৌড়ায়।
সঠিক উত্তর:
সে বই পড়ছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে বই পড়ছে।
ব্যাখ্যা
• "সে বই পড়ছে।" - সকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ।
অপশনের অন্যগুলো - অকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ।
------------ 
বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার। 
যথা:
১. অকর্মক ক্রিয়া: 
বাক্যে ক্রিয়ার কোনাে কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে ঘুমায়।
- সে মাটিতে শোয়।
- সে ভালো দৌড়ায়।
[এই বাক্যেগুলোতে কোনাে কর্ম নেই।]
 
২. সকর্মক ক্রিয়া: 
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে বই পড়ছে।
- বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।

৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া: 
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তপু দীপুকে বলটি দিল।
- শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
[এই বাক্যে ‘দিলেন একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। কী দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (বই), আর কাকে দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (ছাত্রকে)।]
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
"আমি গান গেয়ে থাকব।" - ক্রিয়ার কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ ভবিষ্যৎ
  2. ঘটমান ভবিষ্যৎ
  3. পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ
  4. ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ
ব্যাখ্যা
• পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল: 
ভবিষ্যৎ কালে কোনো ক্রিয়া সংঘটিত হবে এবং শেষ হয়ে থাকবে, এরূপ বোঝালে তার কালকে পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল বলে।
পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল = এ-কারযুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়া + থাকব/থাকবে/থাকবেন।
যেমন:
- আমার কথা হয়তো মনে পড়ে থাকবে।
- আমি গান গেয়ে থাকব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
"ভুট্টা থেকে তেল তৈরি হয়।" - নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি
  2. অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
  3. অপাদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
  4. অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
ব্যাখ্যা
• অপাদান কারক:
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলো অপাদান কারক।

সে অনুসারে,
'ভুট্টা থেকে তেল তৈরি হয়।' - বাক্যে 'ভুট্টা থেকে' অপাদান কারকের উদাহরণ।
কারণ, তেল তৈরির উৎস বা জাত হলো ভুট্টা।
আবার, 'হতে, থেকে, চেয়ে' - পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ।
তাই, 'ভুট্টা থেকে' - অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ।
---------------

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে পুরুষ অনুযায়ী কী যোগ করে ক্রিয়াপদ গঠন করতে হয়?
  1. কেবল ধাতু
  2. উপসর্গ
  3. কালসূচক ক্রিয়াবিভক্তি
  4. অনুসর্গ
সঠিক উত্তর:
কালসূচক ক্রিয়াবিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালসূচক ক্রিয়াবিভক্তি
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া পদ:
বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।
- যে পদের দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে৷

ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে পুরুষ অনুযায়ী কালসূচক ক্রিয়াবিভক্তি যোগ করে ক্রিয়াপদ গঠন করতে হয়।
- ক্রিয়াপদ বাক্যগঠনের অপরিহার্য অঙ্গ।
- ক্রিয়াপদ ভিন্ন কোন মনোভাবই সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায় না৷
- তবে কখনো কখনো বাক্যে ক্রিয়াপদ উহ্য বা অনুক্ত থাকতে পারে৷

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।