পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৯২
সিলেবাস
Live MCQ রিয়েল টাইম মডেল টেস্ট [১০.০০ - ১১.০০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা দেয়া যাবে।] ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১২ -------------------------------------------- "Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯২ প্রশ্ন

.
‘খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না’ - চর্যাপদের ভাষা সম্পর্কে এই মন্তব্যটি কার?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. ড. সুকুমার সেন
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ:
- চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় 'সন্ধ্যা' বা 'সান্ধ্য ভাষা'। এ ভাষা কোথাও স্পষ্ট, কোথাও অস্পষ্ট। তাই একে 'আলো-আঁধারি' ভাষাও বলা হয়।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এ ভাষা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, 'আলো আঁধারি ভাষা, কতক আলো, কতক অন্ধকার, খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না। যাঁহারা সাধন-ভজন করেন, তাঁহারাই সে কথা বুঝিবেন, আমাদের বুঝিয়া কাজ নাই।'
- চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভপর নয়। তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অধীনে বিবেচ্য।

চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:
বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃতি দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। ১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভলোপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন। ১৯২৭ সালে সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে-চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
'আর কতদিন' - উপন্যাসের উপজীব্য কী?
  1. আসন্ন মুক্তিযুদ্ধ
  2. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের
  4. ভাষা আন্দোলনের
সঠিক উত্তর:
আসন্ন মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসন্ন মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

'আর কতদিন' উপন্যাস:
- মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সময়ের অস্থির সমাজ ব্যবস্থার চিত্র পাওয়া যায় জহির রায়হান রচিত 'আর কতদিন' উপন্যাসে।
- যুদ্ধকালীন বাস্তবতা, লাঞ্ছিত মানবতার আর্তি, ও শান্তির স্বপক্ষে জোরালো আবেদন জানিয়ে, জহির রায়হানের 'আর কতদিন' উপন্যাসটি ১৯৭০ সালে প্রথম প্রকাশ পায়।
- গ্রন্থটির প্রকাশকাল ও ঘটনা বিন্যাসের আলোকে নবুঝতে পারা যায় যে মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সময়ের অস্থির সমাজিক রাজনৈতিক আন্দোলন মুখর প্রেক্ষাপটে আসন্ন যুদ্ধের একটি ভয়াবহ সম্ভাবনা লেখপক মনে উদয় হয়েছিল।

জহির রায়হান:
- তিনি ১৯৩৫ সালে ফেনি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাশিল্পী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।
- তার প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
- জহির রায়হান সৃষ্টি প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সঙ্গম’। তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনো আসেনি’।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- হাজার বছর ধরে,
- আরেক ফাল্গুন,
- বরফ গলা নদী,
- আর কতদিন,
- শেষ বিকেলের মেয়ে,
- তৃষ্ণা,
- কয়েকটি মৃত্যু।

উৎস:
১) সাহিত্য পাঠ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'ব্যথার দান' গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্প নয় কোনটি?
  1. ঘুমের ঘোরে
  2. রাজবন্দীর চিঠি
  3. হেনা
  4. অগ্নি-গিরি
সঠিক উত্তর:
অগ্নি-গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নি-গিরি
ব্যাখ্যা

'ব্যথার দান' গল্পগ্রন্থ:
- ছয়টি গল্প নিয়ে 'ব্যথার দান' গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- 'ব্যথার দান' নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ; প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ তো বটেই।
- এই গ্রন্থের গল্পগুলোর ভাষা আবেগাশ্রয়ী, বক্তব্য নরনারীর প্রেমকেন্দ্রিক।

• 'ব্যথার দান' গল্পগ্রন্থের গল্পগুলো হলো:
- ব্যথার দান,
- হেনা,
- অতৃপ্ত কামনা,
- বাদল-বরিষণে,
- ঘুমের ঘোরে,
- রাজবন্দীর চিঠি

অন্যদিকে,
'শিউলিমালা' গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্প - অগ্নি-গিরি।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। 
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্পগ্রন্থ: 
- ব্যাথার দান,
- রিক্তের বেদন, 
- শিউলিমালা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রথম খণ্ডে কীসের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে?
  1. রাধার নৌকাডোবার কাহিনি
  2. সূর্যতাপ থেকে রক্ষা করার কাহিনি
  3. রাধাকৃষ্ণের জন্ম কাহিনি
  4. রাধাকৃষ্ণের মিলনের কাহিনি
সঠিক উত্তর:
রাধাকৃষ্ণের জন্ম কাহিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাধাকৃষ্ণের জন্ম কাহিনি
ব্যাখ্যা

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কাহিনি:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তের খণ্ডে বিভক্ত। খণ্ডগুলো হল: জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, কালিয়দমনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, হারখণ্ড, বাণখণ্ড, বংশীখণ্ড ও রাধাবিরহ।
- প্রথম সর্গ জন্মখণ্ডে দেবগণের প্রার্থনায় ভূভার হরণের জন্য রাধাকৃষ্ণের জন্মকাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
- বিষ্ণু কৃষ্ণরূপে বসুদেবের পুত্র হিসেবে জন্মগ্রহণ করে এবং বৃন্দাবনে নন্দের গৃহে স্থানান্তরিত হয়।
- কৃষ্ণের সম্ভোগের জন্য লক্ষ্মীদেবী সাগর গোয়ালার ঘরে পদুমার গর্ভে রাধারূপে জন্ম নেয়।

উল্লেখ্য,
- নৌকাখণ্ডে কৃষ্ণ যমুনায় কাণ্ডারী সেজে গোপীগণকে পার করে নৌকা ডুবিয়ে রাধার সঙ্গে জলবিহারে মগ্ন হয়। এখান থেকেই রাধার মনের প্রতিকূলতা দূর হতে থাকে।
- 'ভারখণ্ডে' কৃষ্ণ ভারবাহীরূপে রাধার পসরা বহন করে। ছত্রখণ্ডে রাধাকে সূর্যতাপ থেকে রক্ষা করার জন্য কৃষ্ণের ছত্রধারণ এবং রাধাকর্তৃক রতিদানের আশ্বাস প্রদান করা হয়।
- বৃন্দাবনখণ্ডে গোপীদের সঙ্গে কৃষ্ণের বনবিহার এবং রাধাকৃষ্ণের মিলন

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৬৩ সালে
  2. ১৮৪৩ সালে
  3. ১৮৮৭ সালে
  4. ১৮২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৪৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৪৩ সালে
ব্যাখ্যা

'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা:
- এটি ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র ছিলো। 
- ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং তত্ত্ববোধিনী সভার সভ্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- উনিশ শতকের শ্রেষ্ঠ গদ্যলেখক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজনারায়ণ বসু, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ এ পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন এবং তাঁদের লেখার মাধ্যমে তখন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এক নবযুগের সূচনা হয়।
- বেদান্ত-প্রতিপাদ্য ব্রহ্মবিদ্যার প্রচার পত্রিকারমুখ্য উদ্দেশ্য হলেও জ্ঞানবিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য, ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজতত্ত্ব এবং দর্শনবিষয়ক মূল্যবান রচনাও এতে প্রকাশিত হতো।
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ১৯৩২ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে।
- অক্ষয়কুমারের পরে বিভিন্ন সময়ে এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন নবীনচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, অযোধ্যানাথ পাকড়াশী, হেমচন্দ্র বিদ্যারত্ন, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
মঙ্গলকাব্যের প্রধান শাখাগুলো কী কী?
  1. মনসা, চণ্ডী ও অন্নদামঙ্গল
  2. সারদা, চণ্ডী ও কালিকা
  3. মনসা, চণ্ডী ও ধর্মমঙ্গল
  4. কালিকা, চণ্ডী ও মনসামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
মনসা, চণ্ডী ও ধর্মমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনসা, চণ্ডী ও ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা

মঙ্গলকাব্য:
- দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনীকাব্য। 
- ধারণা করা হয়, পনের থেকে আঠারাে শতকের শেষ অবধি এই ধারার কাব্য বাংলায় রচিত হয়।
- এই কাব্য রচনার মূল উল্লেখিত কারণ, প্রায় সব কবিই স্বপ্নে দেবতাদের নির্দেশ পেয়ে রচনা করেছেন।
- এর প্রধান শাখা ৩টি - মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল।
- মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চণ্ডী ও ধর্মঠাকুর। এঁদের মধ্যে মনসা ও চণ্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি।
- একটি সার্থক মঙ্গলকাব্যে ৫টি অংশ থাকে: বন্দনা, আত্নপরিচয়, দেবখন্ড, মর্ত্যখন্ড এবং শ্রুতিফল।
- মঙ্গলকাব্যে ৬২ জন কবির সন্ধান পাওয়া যায়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কানাহারি দত্ত,মানিক দত্ত, ভারতচন্দ্র, দ্বিজমাধম, ঘনরাম চক্রবর্তী প্রমুখ।
- মঙ্গলকাব্যের দেবীদের মধ্যে মনসা ও চণ্ডী দেবী সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলকাব্যের দেব দেবীরা মূলত অনার্যদের দেব-দেবী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
'শ্যামলী' কাব্যগ্রন্থের সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য কোন কাব্যগ্রন্থের মিল পাওয়া যায়?
  1. মানসী
  2. পুনশ্চ
  3. বলাকা
  4. সোনার তরী
সঠিক উত্তর:
পুনশ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনশ্চ
ব্যাখ্যা

'শ্যামলী' কাব্যগ্রন্থ:
- 'শ্যামলী' (১৯৩৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এ গ্রন্থের নাম দেয়া হয়েছে শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের মাটির ঘরের নামে। এটি মোট বাইশটি কবিতার সংকলন। এগুলো গদ্যকবিতার বিশেষ উদাহরণ। 'পুনশ্চ' কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে এর মিল আছে।
- 'আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ (আমি কবিতা)', 'বাঁশিওয়ালা', 'হঠাৎ দেখা', 'শেষ পহরে', 'সম্ভাষণ', 'চিরযাত্রী' প্রভৃতি পরিচিতি পঙ্‌ক্তি বা কবিতাগুলি এ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
- রবীন্দ্রনাথের-কাব্যজীবনের শেষ পর্বের নিরলঙ্কারী ভাষা, উদাসীনতা ও জীবনের প্রতি আসক্তির বিরোধী অনুভূতি 'শ্যামলী' কাব্যের বৈশিষ্ট্য।
- রবীন্দ্রনাথ "শ্যামলী" কাব্যগ্রন্থটি শ্রীমতী রানী মহলানবীশকে উৎসর্গ করেছেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'শ্যামলী' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'ডাহুকী' - উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. আল মাহমুদ
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

‘ডাহুকী’ উপন্যাস:
- আল মাহমুদ রচিত প্রথম উপন্যাস - ডাহুকী।
- নব্বইয়ের দশকের প্রথমার্ধেই ১৯৯২ সালে বের হয় আল মাহমুদ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘ডাহুকী।
- গড়পড়তা আয়তনের উপন্যাস ‘ডাহুকী’র প্রধান চরিত্র আতেকা বানু। তাঁর সঙ্গে তীব্রভাবে জড়িয়ে রয়েছে তাঁর কিশোরীকালের আবেগ।

আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- আগুনের মেয়ে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
চর্যাপদে তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন কোন কবি?
  1. কুক্কুরীপা
  2. সরহপা
  3. কাহ্নপা
  4. ভুসুকুপা
সঠিক উত্তর:
সরহপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরহপা
ব্যাখ্যা

সরহপা:
- সরহপা ছিলেন ব্রাহ্মণ। তাঁর জন্মস্থান রাজ্ঞীদেশ সম্ভবত উত্তরবঙ্গ-কামরূপ।
- কামরূপের রাজা রত্নপাল (১০০০-৩০ সাল) ছিলেন তাঁর শিষ্য।
- তিনি এগার শতকের প্রথমার্ধে জীবিত ছিলেন। তিনি অপভ্রংশ ভাষায় দোহাকোষ রচনা করেছিলেন।
- তাঁর পদাবলীর ভাষা বঙ্গ-কামরূপী। তিনি ছিলেন ভিক্ষু ও সিদ্ধা। তিনি বহু গ্রন্থের রচয়িতা।
- সরহপা চর্যাপদে তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন। তাঁর রচিত পদগুলো হলো- (৪টি; ২২,৩২, ৩৮, ৩৯)।

উল্লেখ্য,
- চর্যাপদে সর্বাপেক্ষা বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা (১৩টি)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন ভুসুকুপা (৮টি)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন সরহপা (৪টি; ২২, ৩২, ৩৮, ৩৯)।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন কুক্কুরীপা (৩টি)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
"সুনন্দ" কোন লেখকের ছদ্মনাম?
  1. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
  2. বিমল ঘোষ
  3. মধুসূদন মজুমদার
  4. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - সুনন্দ।

অন্যদিকে,
বিমল ঘোষের ছদ্মনাম - মৌমাছি।
মধুসূদন মজুমদারের ছদ্মনাম - দৃষ্টিহীন।
বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - যাযাবর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১১.
‘নবীবংশ’ কাব্যটি কোন ফারসি গ্রন্থের অনুসরণে রচিত?
  1. ওফাত উল রসুল
  2. কাসাসুল আম্বিয়া
  3. কিসাসুল আম্বিয়া
  4. কিসসায়ে আম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
কাসাসুল আম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাসাসুল আম্বিয়া
ব্যাখ্যা

নবীবংশ:
- কবির সর্ববৃহৎ ও শ্রেষ্ঠ রচনা নবীবংশ কাব্য। ফারসি কাসাসুল আম্বিয়া অনুসরণে এটি রচিত।
- এতে সৃষ্টির সূচনা থেকে  হযরত মুহাম্মাদ (স.) পর্যন্ত সকল নবী-রসুলের কর্ম ও ধর্মজীবনের বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
- এছাড়া বিভিন্ন পৌরাণিক দেবদেবীকেও নবীদের ধারাভুক্ত করা হয়েছে।
- তবে ইসলামের গৌরব ও মাহাত্ম্য প্রতিষ্ঠা ও প্রচারই এতে প্রাধান্য পেয়েছে। বিষয়-বৈচিত্র্য ও বিশালতার বিচারে নবীবংশ মহাকাব্যের সমতুল্য।

সৈয়দ সুলতান:
- তাঁর বাসস্থান ছিল চট্টগ্রামের চক্রশালা চাকলার অধীন পটিয়া গ্রাম। 
- মক্তুল হুসেন কাব্যের রচয়িতা মুহম্মদ খান ছিলেন তাঁর শিষ্য।
- কাহিনীকাব্য ও শাস্ত্রকাব্য রচয়িতা হিসেবে সৈয়দ সুলতানের খ্যাতি ছিল।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য
-  নবীবংশ,
- জ্ঞানপ্রদীপ,
- জ্ঞানচৌতিশা,
- শব—ই—মিরাজ, 
- ওফাত—উ—রসুল,
- জয়কুম রাজার লড়াই  । 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
'হরগজ' নাটকটির পটভূমি কোন জেলা?
  1. মুন্সীগঞ্জ
  2. মানিকগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

'হরগজ' নাটক:
- মানিকগঞ্জ জেলার হরগজ নামক স্থানে ১৯৮৯ সালে সংঘটিত প্রলয়সদৃশ টর্নেডোর অভিজ্ঞতা নিয়ে ১৯৯২ সালে সেলিম আল দীন এ নাটক লিখেন। 
- টর্নেডো-পরবর্তী সর্বপ্রথম উদ্ধারপর্বে একটি ত্রাণের দলের দেখা প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের নানান স্তরে ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলার অভূতপূর্ব চিহ্ন এ নাটকের উপজীব্য ।
- এতে প্রায় আণবিক বিস্ফোরণকল্প ঝড়ের অভিজ্ঞতায় তাদের ভ্রমণ শেষাবধি যেন হয়ে ওঠে আকৃতির জগত থেকে নিরাকৃত বিশ্বে অভিপ্রয়াণ।

সেলিম আল দীন:
- তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনী জেলার অন্তর্গত সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের প্রকৃত নাম মইনুদ্দিন আহমেদ।
- ১৯৬৮ সালে কবি আহসান হাবিব সম্পাদিত ‘দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে আমেরিকার কালো মানুষদের নিয়ে তাঁর প্রথম বাংলা প্রবন্ধ 'নিগ্রো সাহিত্য' প্রকাশিত হয়।
 
• তাঁর রচিত নাট্যগ্রন্থ:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কিত্তন খোলা, 
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৩.
'ললিতা তথা মানস' - গ্রন্থটি কোন প্রকার সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. ছোটগল্প
  3. প্রবন্ধ
  4. কাব্যগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

'ললিতা তথা মানস' কাব্যগ্রন্থ:
- প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ললিতা তথা মানস'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৬ সালে।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫। এটি তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৪.
"বছির" - কোন উপন্যাসের চরিত্র? 
  1. আগুনের পরশমণি
  2. লালসালু
  3. বোবা কাহিনী
  4. সূর্য দীঘল বাড়ী
সঠিক উত্তর:
বোবা কাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোবা কাহিনী
ব্যাখ্যা

"বোবা কাহিনী" উপন্যাস:
- বোবা কাহিনী (১৯৬৪) জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি সুখপাঠ্য উপন্যাস।
- জসীম উদ্‌দীন রচিত 'বোবা কাহিনী' উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া, শহরের সুবিধাবাদী - উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসে কোন জটিলতা নেই। নিছক সরল ও সাদামাটা একটি গল্প আছে উপন্যাসটিতে।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চরিত্র:
- বছির,
- আজহার,
- আরজান,
- রহিমুদ্দিন।

অন্যদিকে,
‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের চরিত্র - বদিউল আলম।
'লালসালু' উপন্যাসের চরিত্র - মজিদ, জমিলা, আমেনা।
'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের চরিত্র - জয়গুন, হাসু, মায়মুন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
প্রত্যয়ঘটিত অপপ্রয়োগ কোনটি?
  1. সুস্বাস্থ্য
  2. প্রতিদ্বন্দ্বিতা
  3. প্রাতঃরাশ
  4. সখ্যতা
সঠিক উত্তর:
সখ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সখ্যতা
ব্যাখ্যা

• 'সখ্যতা' শব্দটিতে প্রত্যয়জনিত 'অপপ্রয়োগ' ঘটেছে।
- 'সখ্যতা' এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে: সখ্য।

তা- প্রত্যয়ের শুদ্ধ- অশুদ্ধ প্রয়োগ:
- তা, ত্ব প্রত্যয় বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। এই প্রত্যয় কেবল বিশেষণকে বিশেষ্য করে।
- তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তা বা ত্ব প্রত্যয় প্রয়োগ অশুদ্ধ হবে।

অন্যদিকে,
• 'সুস্বাস্থ্য' শব্দটিতে সমাসজনিত 'অপপ্রয়োগ' ঘটেছে।
- 'সুস্বাস্থ্য' এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে: স্বাস্থ্য।

• 'প্রাতঃরাশ' শব্দটিতে সন্ধিজনিত 'অপপ্রয়োগ' ঘটেছে।
- 'প্রাতঃরাশ' এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে: প্রাতরাশ।

• 'প্রাতঃরাশ' শব্দটিতে সন্ধিজনিত 'অপপ্রয়োগ' ঘটেছে।
- 'প্রাতঃরাশ' এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে: প্রাতরাশ।

• 'প্রতিদ্বন্দ্বিতা' শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬.
কোন শব্দটির বানান অশুদ্ধ?
  1. বাষ্পীয়
  2. পীড়াপিড়ী
  3. সময়োপযোগী
  4. জিগীষা
সঠিক উত্তর:
পীড়াপিড়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীড়াপিড়ী
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - পীড়াপিড়ী
- শব্দটির শুদ্ধ বানান - পীড়াপীড়ি।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- বারবার অনুরোধ উপরোধ বা চাপ প্রয়োগ।

অন্যদিকে,
- বাষ্পীয়, সময়োপযোগী এবং জিগীষা - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১৭.
'ভব্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ কী?
  1. মার্জিতবুচি
  2. অভবিতব্য
  3. কল্যাণকর
  4. অভদ্র
সঠিক উত্তর:
অভদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভদ্র
ব্যাখ্যা

• 'ভব্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ - অভদ্র।

উল্লেখ্য,
'ভব্য' শব্দের অর্থ - মার্জিতবুচি; শান্ত, সৎ, কল্যাণকর
‘অভব্য’ শব্দের অর্থ - অশিষ্ট, অভদ্র, গোঁয়ার, অভব্যতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১৮.
'চাঙ্গা' শব্দটির উৎপত্তি - 
  1. ফারসি শব্দ 'চংগ্‌' থেকে
  2. পর্তুগিজ শব্দ 'চোঙ্গ' থেকে
  3. আরবি শব্দ 'চংগ্‌' থেকে
  4. ফারসি শব্দ 'চোঙ্গ' থেকে
সঠিক উত্তর:
ফারসি শব্দ 'চংগ্‌' থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি শব্দ 'চংগ্‌' থেকে
ব্যাখ্যা

• 'চাঙ্গা' শব্দটির উৎপত্তি হচ্ছে - ফারসি শব্দ 'চংগ্‌' থেকে
- এটি একটি বিশেষণ পদ।

শব্দের অর্থ:
- বল, সতেজ, সজীব।
- রোগমুক্ত, সুস্থ।

কিছু ফারসি শব্দ:
- কারিগর,
- খোয়াব,
- চশমা,
- চেহারা,
- দরদি,
- দরবার,
- দারোগা,
- দারোয়ান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
'প্রভাত' শব্দটি কোন সমাস?
  1. নিত্য সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. প্রাদি সমাস 
  4. বহুব্রীহি সমাস 
সঠিক উত্তর:
প্রাদি সমাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদি সমাস 
ব্যাখ্যা

প্রাদি সমাস:
- প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যেও সমাস হয় তাকে বলে প্রাদি সমাস।

যেমন:
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি= প্রগতি, 
- প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন, 
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত = প্রভাত

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
'নিগড় এবং নিগূঢ়' শব্দদ্বয়ের অর্থ যথাক্রমে -
  1. ইতর - গোপন
  2. শৃঙ্খল - গোপন
  3. শান্তি - শৃঙ্খল
  4. গোপন - শান্তি
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খল - গোপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খল - গোপন
ব্যাখ্যা

• 'নিগড়' শব্দের অর্থ - শৃঙ্খল, বেড়ি।
• 'নিগূঢ়' শব্দের অর্থ - গোপন, দুর্ভেয়; জটিল, রহস্যময়, অত্যন্ত গভীর।

অন্যদিকে,
‘প্রাকৃত’ শব্দের অর্থ - নীচ, ইতর।
‘শম’ শব্দের অর্থ - শান্তি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২১.
বিদেশি ধাতু কোনটি?
  1. টান্
  2. কাট্
  3. গম্
  4. কাঁদ
সঠিক উত্তর:
টান্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টান্
ব্যাখ্যা

বিদেশি ধাতু:
- তৎসম ও বাংলা ধাতু ছাড়া যেসব ধাতু বিদেশি ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় বিদেশি ধাতু।

যেমন:
- আঁট (শক্ত করে বাঁধা) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- খাট্ (মেহনত করা) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- টান্ (আকর্ষণ) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ডর্ (ভীত হওয়া) অর্থে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
যেমন - কাট্, কাঁদ, জান্‌, নাচ্ ইত্যাদি।

সংস্কৃত ধাতু:
- বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন
- কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্‌, স্থা, কথ্‌, গঠ্‌, পঠ্‌ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
'Nemesis' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. প্রতিফল
  2. অপকর্ম
  3. রাজবিদ্রোহ
  4. বিচ্যুতি
সঠিক উত্তর:
প্রতিফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফল
ব্যাখ্যা

• 'Nemesis' এর বাংলা পরিভাষা - প্রতিফল

অন্যদিকে,
Malpractice - অপকর্ম।
Mutiny - রাজবিদ্রোহ।
Omission - বিচ্যুতি/ভুল/ বাদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।

২৩.
'শয়ন' শব্দটি কোন পদ?
  1. অব্যয়
  2. বিশেষ্য
  3. বিশেষণ
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

ক্রিয়া-বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে।
যেমন: 
- পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার: ১. নাম-বিশেষ্য, ২. জাতি-বিশেষ্য, ৩. বস্তু-বিশেষ্য, ৪. সমষ্টি-বিশেষ্য, ৫. গুণ-বিশেষ্য এবং ৬. ক্রিয়া-
বিশেষ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।

২৪.
স্বরসঙ্গতির উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. জিলাপি > জিলিপি
  2. মুলা > মুলো
  3. আজি > আইজ
  4. দেশি > দিশি
সঠিক উত্তর:
আজি > আইজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজি > আইজ
ব্যাখ্যা

স্বরসঙ্গতি:
- একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে বরসঙ্গতি বলে।

যেমন:
- দেশি > দিশি,
- বিলাতি > বিলিতি,
- জিলাপি > জিলিপি
- মুলা > মুলো ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
অপিনিহিতির উদাহরণ - আজি > আইজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৫.
'চপলা' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পদ্ম
  2. বিদ্যুৎ
  3. বৃক্ষ
  4. মেঘ
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা

'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা

অন্যদিকে,
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।

'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।

'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জলদ, জলধর, নীরদ, বারিদ, ঘন, জীমূত, অভ্র, অম্বুবাহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৬.
নিচের কোনগুলো অর্ধস্বরধ্বনি?
  1. [আ], [ই], [উ], [এ]
  2. [ই্‌], [উ্‌], [এ্‌], [ও্‌]
  3. [অ], [আ], [ই], [ঈ]
  4. [এ], [ঐ], [ও], [ঔ]
সঠিক উত্তর:
[ই্‌], [উ্‌], [এ্‌], [ও্‌]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
[ই্‌], [উ্‌], [এ্‌], [ও্‌]
ব্যাখ্যা

অর্ধস্বরধ্বনি:
- যেসব স্বরধ্বনি পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না, সেগুলোকে অর্ধস্বরধ্বনি বলে। 
- বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি।
যথা- [ই্‌], [উ্‌], [এ্‌] এবং [ও্‌]।
 
• স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনোভাবেই দীর্ঘ করা যায় না। 
যেমন:
- ‘চাই” শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [ই্‌]। 
- এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [ই্‌] হলো অর্ধস্বরধ্বনি। 

একইভাবে, 
- ‘লাউ’ শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [উ্‌]। 
এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [উ্‌] হলো অর্ধস্বরধ্বনি।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৭.
‘জলৌঘ’ - শব্দে সন্ধির কোন নিয়ম প্রয়োগ হয়েছে?
  1. আ + ও = ঔ
  2. আ + ঔ = ঔ
  3. অ + ঔ = ঔ
  4. অ + ও = ঔ
সঠিক উত্তর:
অ + ও = ঔ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ + ও = ঔ
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- প্রথম পদের শেষের অ-ধ্বনি বা আ-ধ্বনি সঙ্গে দ্বিতীয় পদের প্রথম ও-ধ্বনি বা ঔ-ধ্বনির যোগে ঔ- ধ্বনি হয়। বানানে তা ঔ-কারের রূপ নিয়ে আগের বর্ণে যুক্ত হয়।

যেমন:
নিয়ম: অ + ও = ঔ:
- বন + ওষধি = বনৌষধি,
- জল + ওকা = জলৌকা,
- জল + ওঘ = জলৌঘ

নিয়ম: আ + ও = ঔ:
- মহা + ওষধি = মহৌষধি,
- গঙ্গা + ওঘ = গঙ্গৌঘ।

নিয়ম: অ + ঔ = ঔ;
- পরম + ঔষধ = পরমৌষধ,
- চিত্ত + ঔদার্য = চিত্তৌদার্য,
- দিব্য + ঔষধ = দিব্যৌষধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৮.
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ - 
  1. সুখিন
  2. থালা
  3. চোরাই
  4. ঘরোয়া
সঠিক উত্তর:
সুখিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুখিন
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
- সংস্কৃত শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব প্রত্যয় কে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- কণ্টক + ইত = কণ্টকিত;
- ফেন + ইল্ = ফনিল;
- সুখ + ইন্ = সুখিন;
- নীল + ইমন = নীলিমা।

অন্যদিকে,
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ -  থাল + আ = থালা; চোর + আই = চোরাই; ঘর + ওয়া = ঘরোয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৯.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ বাক্য?
  1. ইহার আবশ্যকতা নাই।
  2. দুর্বিষহ বনানটি অধিকাংশ ব্যাক্তি ভুল লেখে।
  3. দরিদ্রকে দয়া কর।
  4. শশিভূষণ কি আসে নাই?
সঠিক উত্তর:
দুর্বিষহ বনানটি অধিকাংশ ব্যাক্তি ভুল লেখে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বিষহ বনানটি অধিকাংশ ব্যাক্তি ভুল লেখে।
ব্যাখ্যা

 অশুদ্ধ বাক্য: দুর্বিষহ বনানটি অধিকাংশ ব্যাক্তি ভুল লেখে।
শুদ্ধ বাক্য: দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লেখে।

অন্যদিকে,
শুদ্ধ বাক্য: ইহার আবশ্যকতা নাই।
শুদ্ধ বাক্য: দরিদ্রকে দয়া কর।
শুদ্ধ বাক্য: শশিভূষণ কি আসে নাই?

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩০.
"Child is the father of the man" –Who quoted this?
  1. Lord Byron
  2. John Keats
  3. Francis Bacon
  4. William Wordsworth
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা

"Child is the father of the man." famous quotation টি William Wordsworth এর লেখা।
- এটি তার poem “My Heart Leaps Up” থেকে এসেছে।
- অর্থ: শিশু যে মানসিকতা, চরিত্র বা অভ্যাস তৈরি করে, সেটিই মানুষের ভবিষ্যত চরিত্র গঠন করে।

• My Heart Leaps Up/ The Rainbow:
- এই কবিতাটি একটি short lyric poem.
- The poem is also called The Rainbow.
- Like many of his poems from this period, "My Heart Leaps Up" was inspired by nature, as the speakers describes the feeling of joy upon seeing a simple rainbow.
- The poem also appreciates the importance of carrying child-like enthusiasm and wonder throughout life, an idea that Wordsworth returns to throughout much of his work.

''My heart leaps up when I behold
A rainbow in the sky:
So was it when my life began;
So is it now I am a man;
So be it when I shall grow old,
Or let me die!
The Child is father of the Man;
And I could wish my days to be
Bound each to each by natural piety.''

-----------My Heart Leaps Up
By William Wordsworth.

• His famous quotations:
- 'Child is the father of man',
- 'Our birth is but a sleep and a forgetting',
- 'Nature never did betray the heart that loved her',
- 'Poetry is a spontaneous overflow of powerful feelings',
- 'Poet is the breath and final speed of knowledge',
- 'Come forth into the light of things, let nature be your teacher'.

• William Wordsworth:
⇒ একজন English poet ছিলেন। 
⇒ তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই ভূমিকা পালন করেন।
⇒ Wordsworth এর জন্ম Northern England এর Lake District এ হওয়ার কারণে তাকে Lake Poet বলা হয়।

Notable works:
Poems:
- The Solitary Reaper,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- Lucy Poems,
- The Daffodils,
- Ode on Immortality,
- The Excursion,
- Michael, etc.

- The only play of William Wordsworth is The Borderers.
- The Borderers, a tragedy in five acts, was Wordsworth's first major work. 

Source: Encyclopaedia Britannica.

৩১.
Who of the following poets composed the poem 'Dover Beach'?
  1. Matthew Arnold
  2. Alfred Lord Tennyson
  3. Robert Browning
  4. Robert Frost
সঠিক উত্তর:
Matthew Arnold
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Matthew Arnold
ব্যাখ্যা

Dover Beach একটি বিখ্যাত lyrical poem.
- এটি লিখেছেন Matthew Arnold.
- কবিতায় সমুদ্র, মানব জীবনের অস্পষ্টতা এবং ধর্মীয় ও নৈতিক সংকটের কথা প্রতিফলিত হয়েছে।

• Dover Beach:
- "Dover Beach" কবিতাটি Matthew Arnold রচিত।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬৭ সালে তাঁর New Poems সংকলনে।
- এটি Arnold-এর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং প্রশংসিত কবিতা।
- মোট ৩৭ লাইনের এই কবিতায় আধুনিক পৃথিবীতে ধর্মীয় বিশ্বাসের পতনের কথা বলা হয়েছে।
- কবি বিশ্বাস করেন, এই ধর্মীয় শূন্যতার পরিবর্তে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা হতে পারে মানুষের একমাত্র আশ্রয়।

• Matthew Arnold (1822-1888):
- তিনি একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের ইংরেজ কবি ছিলেন, এবং সাহিত্য ও সামাজিক critic হিসেবে পরিচিত।
- তিনি সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির রুচি ও আচরণের সমালোচনার জন্য পরিচিত।
- তিনি সংস্কৃতির একজন প্রচারক হিসেবে খ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত রচনা Culture and Anarchy (1869)-এর জন্য।

• Notable Works:
Famous elegies:
- Thyrsis,
- Rugby Chapel.

Famous poems:
- Dover Beach,
- The scholar gypsy,
- Sohrab and Rustom,
- Cromwell.

Famous books:
- Culture and Anarchy,
- The Study of Poetry,
- Literature and Dogma,
- Essays in Criticism.

Source: Britannica.

৩২.
For Whom the Bell Tolls is a/an _____ by Ernest Hemingway.
  1. play
  2. novel
  3. poem
  4. short story
সঠিক উত্তর:
novel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
novel
ব্যাখ্যা

For Whom the Bell Tolls হলো একটি বিখ্যাত novel.
- এটি লিখেছেন Ernest Hemingway।
- উপন্যাসটি Spanish Civil War–এর প্রেক্ষাপটে রচিত।

For Whom the Bell Tolls:
- এই উপন্যাসটি লিখেছেন Ernest Hemingway. 
- এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪০ সালে।
- কাহিনী গড়ে উঠে স্পেনের Segovia শহরে।
- This novel is set against the backdrop of the Spanish Civil War
- উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র Robert Jordan, Maria, Pablo, Pilar. 

Ernest Hemingway: 
- Ernest Hemingway একজন আমেরিকান novelist এবং short-story writer. 
- তিনি ১৯৫৪ সালে ‘The Old Man and The Sea’ উপন্যাসের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

• His famous novels:
- For Whom The Bell Tolls;
- The Old Man and The Sea;
- A Farewell to Arms;
- The Sun Also Rises;
- Death in the Afternoon.

উল্লেখ্য, 'For Whom the Bell Tolls' কবিতাটি লিখেছেন John Donne. 

Source: 
1. Encyclopedia Britannica. 
2. English Essence by Live MCQ. 

৩৩.
"Beauty is truth, truth beauty." – Identify the poet who wrote this line.
  1. William Wordsworth
  2. T.S. Eliot
  3. P.B. Shelley
  4. John Keats
সঠিক উত্তর:
John Keats
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Keats
ব্যাখ্যা

"Beauty is truth, truth beauty."
- এই লাইনটি এসেছে John Keats এর poem “Ode on a Grecian Urn” থেকে।
- সম্পূর্ণ লাইন: “Beauty is truth, truth beauty,—that is all / Ye know on earth, and all ye need to know.”

• উদ্ধৃতিটি কবিতার শেষ দুটি লাইন:
- "Beauty is truth, truth beauty, – that is all
Ye know on earth, and all ye need to know."
- অর্থাৎ, মানুষ যদি এটাই বোঝে — যে সৌন্দর্যই সত্য এবং সত্যই সৌন্দর্য — তবে তার আর কিছু জানার দরকার নেই।

• Ode on a Grecian Urn:
- Ode on a Grecian Urn (Poem) is written by John Keats.
- এটি Romantic Period এর উল্লেখযোগ্য কবিতাদের মধ্যে অন্যতম।
- এটি 5 stanza বিশিষ্ট কবিতা যা ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- একটি Grecian urn এর উপর অঙ্কিত শিল্পকর্মের কথা উঠে এসেছে এই কবিতায়।
- যার মাধ্যমে কবি, শিল্প, সৌন্দর্য আর সত্যের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন।

• John Keats:
- John Keats একজন English Romantic lyric poet ছিলেন।
- তিনি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন।
- তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেও, তার লেখা কবিতা তাকে চিরস্মরণীয় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।
- তার কাব্য সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য আজও বিশ্ব সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।

• Famous Quotations of John Keats:
- "Beauty is truth, truth beauty."
- "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never
Pass into nothingness." (Endymion)
- "Heard melodies are sweet, but those unheard
 Are sweeter." (Ode on a Grecian Urn)
- "Where are the songs of spring? Aye, where are they?" (To Autumn)

• Notable Works:
Poem
- Endymion,
- Hyperion,
- Isabella,
- La Belle Dame sans merci,
- Lamia,
- Ode on a Grecian Urn,
- Ode to Psyche,
- Ode to a Nightingale,
- On First Looking into Chapman’s Homer,
- On Indolence,
- On Melancholy,
- Sleep and Poetry,
- The Eve of St. Agnes,
- The Fall of Hyperion,
- To Autumn.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৩৪.
The protagonist of T. S. Eliot’s Murder in the Cathedral is:
  1. Thomas More
  2. Thomas Becket
  3. Henry II
  4. Archbishop Cranmer
সঠিক উত্তর:
Thomas Becket
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Becket
ব্যাখ্যা

Murder in the Cathedral হলো T. S. Eliot এর লেখা নাটক।
নাটকটি Archbishop Thomas Becket এর জীবনের ওপর ভিত্তি করে।
এটি historical tragedy, যেখানে Becket এর হত্যা এবং ধর্ম ও রাজনীতির মধ্যে সংঘাত দেখানো হয়েছে।

• Murder in the Cathedral:

- "Murder in the Cathedral" হলো Thomas Stearns Eliot রচিত একটি কাব্যনাট্য (poetic drama), যা দুটি অংশে বিভক্ত এবং যার মধ্যে একটি গদ্যধর্মী ধর্মোপদেশ (sermon interlude) রয়েছে।
- এটি এলিয়টের সবচেয়ে সফল নাটক এবং প্রথমবার ১৯৩৫ সালে Canterbury Cathedral -এ মঞ্চস্থ হয় ও একই বছরে প্রকাশিত হয়।
- St. Thomas Becket -কে Canterbury Cathedral বা গীর্জাতে রাজা হেনরি কর্তৃক অন্যায় ভাবে নিহত করার ঘটনাটি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- এজন্য এই নাটকটিকে Miracle Play বা Saint’s Play ও বলা হয়ে থাকে।
- এটি রাজনীতি ও ধর্মের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং আত্মোৎসর্গের মহিমা নিয়ে লেখা এক গভীর দার্শনিক নাট্যকর্ম।
- নাটকটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল প্রাচীন গ্রিক নাটকের ধরনে কোরাসের (Chorus) ব্যবহার।

• T. S. Eliot:
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- T.S. Eliot ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান কবি, নাট্যকার, এবং সাহিত্য সমালোচক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে তাঁর অভিনব রচনা এবং গুরত্বপূর্ণ চিন্তাধারার জন্য পরিচিত।
- Eliot -কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী একজন কবি, যিনি আধুনিক কবিতার ধারায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

• His famous plays:
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Family Reunion,
- The Elder Statesman.

• poems:
- The Waste Land,
- Ash Wednesday,
- Four Quartets,
- The Sacred Wood (Collection of Essays), etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৫.
The Shakespearean play Hamlet is set in which location?
  1. Denmark
  2. Venice
  3. Verona
  4. England
সঠিক উত্তর:
Denmark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Denmark
ব্যাখ্যা

Shakespeare-এর Hamlet নাটকটি Denmark-এর একটি দুর্গ (Elsinore Castle)-এ সেট করা হয়েছে।
নাটকের মূল চরিত্র হল Prince Hamlet, এবং কাহিনী মূলত রাজপ্রাসাদ ও রাজপরিবারের ঘটনা কেন্দ্র করে।

• Hamlet:

- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- Hamlet in Shakespeare's Hamlet is a prince of Denmark.
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর দেখা যায়  প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- 'There is divinity that shapes our end'.
 
• Willaim Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford-upon-Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৩৬.
Who wrote the play The Cherry Orchard?
  1. Oscar Wilde
  2. Samuel Beckett
  3. Fyodor Dostoyevsky
  4. Anton Chekhov
সঠিক উত্তর:
Anton Chekhov
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anton Chekhov
ব্যাখ্যা

• The Cherry Orchard:
- রচনা করেন  Anton Chekhov.
- এটি একটি play.
- ১৯০৪ সালে প্রথম মঞ্চায়িত হয়।
- It is a drama in four acts.

Anton Chekhov: (জন্ম: ২৯ জানুয়ারি ১৮৬০, তাগানরগ, রাশিয়া — মৃত্যু: ১৪/১৫ জুলাই ১৯০৪, জার্মানি):
- একজন প্রখ্যাত রাশিয়ান নাট্যকার ও আধুনিক ছোটগল্পকার ছিলেন।
- তিনি জীবন ও মানুষকে খুব সরল কিন্তু গভীরভাবে উপস্থাপন করতে পারদর্শী ছিলেন, যেখানে দর্শকের মননের গভীরে যাওয়া প্রতিফলিত হয়।
- তাঁর গল্প ও নাটকগুলোতে জটিল কাহিনি না থাকলেও চরিত্রের মানসিক ও সামাজিক বাস্তবতা ফুটে ওঠে। “Chekhov’s gun” নামে পরিচিত একটি নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যেখানে প্রত্যেক উপাদান গল্পের জন্য জরুরি হওয়া উচিত — এবং তিনি নিজে সেই নীতি বহুবার প্রয়োগ করেছেন।

Source: Britannica.

৩৭.
Which of the following literary creations was composed by G.B. Shaw?
  1. The Importance of Being Earnest
  2. Man and Superman
  3. Great Expectations
  4. The Return of the Native
সঠিক উত্তর:
Man and Superman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Man and Superman
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Man and Superman.

G.B. Shaw একজন আয়ারল্যান্ডীয় নাট্যকার ও সমাজব্যঙ্গ লেখক।
তাঁর জনপ্রিয় নাটকগুলোর মধ্যে অন্যতম Man and Superman.

• Man and Superman:

- The play 'Man and Superman' is written by G.B. Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- "Man and Superman" হলো একটি বুদ্ধিদীপ্ত নাটক, যেখানে প্রেম, বিবাহ, সমাজ এবং দার্শনিক চিন্তাধারার উপর আলোচনা করা হয়েছে।
- নাটকের মূল চরিত্র John Tanner, একজন স্বাধীনচেতা, বুদ্ধিমান পুরুষ, যিনি বিয়ে এবং সামাজিক বাধা থেকে মুক্ত থাকতে চান। কিন্তু Ann Whitefield নামে এক চতুর মেয়ে তাকে বিয়ে করার জন্য পরিকল্পনা করে। নাটকের মাধ্যমে Shaw দেখান যে, প্রকৃতির উদ্দেশ্য হলো মানুষের উন্নতি এবং উচ্চতর মানবজাতি (Superman) তৈরি করা।
- নাটকের মধ্যে একটি বিখ্যাত অংশ হলো "Don Juan in Hell", যেখানে গভীর দার্শনিক আলোচনা করা হয় জীবন ও নৈতিকতার উপর।
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes.

• G. B. Shaw:
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw হলেন 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো- The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature ও বলা হয়।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- Major Barbara (Social satire),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc, etc.

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

- The Importance of Being Earnest – Oscar Wilde.
- Great Expectations – Charles Dickens.
- The Return of the Native – Thomas Hardy.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৮.
"Come live with me and be my love,
And we will all the pleasures prove" - These lines are from which literary creation?
  1. To His Coy Mistress
  2. Don Juan
  3. Romeo and Juliet
  4. The Passionate Shepherd to His Love
সঠিক উত্তর:
The Passionate Shepherd to His Love
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Passionate Shepherd to His Love
ব্যাখ্যা

• "Come live with me and be my love,
And we will all the pleasures prove" এই লাইনটি এসেছে Christopher Marlowe এর poem “The Passionate Shepherd to His Love” থেকে।

• The Passionate Shepherd to His Love:
- এটি Christopher Marlowe রচিত একটি pastoral poem.
- 1599 সালে প্রকাশিত।
- Marlowe’s poem features a “passionate shepherd” pleading with his “love” to live with him in the country.

• ''Come live with me and be my love,
And we will all the pleasures prove,
That Valleys, groves, hills, and fields,
Woods, or steepy mountain yields.''

- The Passionate Shepherd to His Love
by Christopher Marlowe

• Christopher Marlowe:
- তিনি একজন Elizabethan poet.
- তিনি একজন University Wit ছিলেন।
- Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.

• Notable work play:
- Doctor Faustus,
- Hero and Leander,
- Tamburlaine the Great,
- The Jew of Malta.

Source: Britannica.

৩৯.
Which of the following is Charles Dickens' unfinished novel at the time of his death? 
  1. Edwin Drood
  2. Bleak House
  3. Nicholas Nickleby 
  4. Hard Times
সঠিক উত্তর:
Edwin Drood
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Edwin Drood
ব্যাখ্যা

• Edwin Drood: 
- এটি হলো চার্লস ডিকেন্সের শেষ উপন্যাস, যা তিনি মৃত্যুর আগে অসমাপ্ত রেখে যান (১৮৭০ সালে প্রকাশ শুরু হয়)।
• গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র Edwin Drood, একজন তরুণ প্রকৌশলী, যার সাথে তার খালাতো বোন Rosa Bud-এর বাগদান হয়েছে শৈশব থেকে। কিন্তু এই বাগদান দুজনেরই খুব একটা পছন্দ নয়।

• এক রাতে Edwin হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। তারপর থেকে গল্পটা একটা রহস্যময় হত্যাকাণ্ডের দিকে মোড় নেয়। সন্দেহের তীর সবচেয়ে বেশি পড়ে Edwin-এর চাচা John Jasper-এর উপর — যিনি Cloisterham-এর ক্যাথেড্রালের অর্গানিস্ট, অপিয়ামের নেশায় আসক্ত এবং Rosa-এর প্রতি গভীর (কিন্তু অন্ধকার) আকর্ষণ রাখেন। Jasper-এর মধ্যে ঈর্ষা, রাগ এবং অস্থিরতা কাজ করে।

• ডিকেন্স মাত্র ৬টা অধ্যায় (প্রায় অর্ধেক) লিখে মারা যান, তাই গল্পের শেষ অংশ (এডউইনকে খুন করা হয়েছে কি না, কে খুন করেছে, কীভাবে) কখনো জানা যায়নি। এটাই সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত অসমাপ্ত রহস্য।

• Charles Dickens (1812–1870):
- Charles Dickens ছিলেন একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক।
- তাঁকে ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ লেখকদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর রচনাগুলো সাধারণ মানুষ, শিক্ষিত সমাজ, দরিদ্র শ্রেণি এমনকি রাজপরিবার—সব স্তরের পাঠকের কাছেই সমান জনপ্রিয় ছিল।
- প্রযুক্তির উন্নতির কারণে তাঁর রচনাগুলো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁর খ্যাতি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

• Notable Works (Novel):
- Oliver Twist,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Nicholas Nickleby,
- Great Expectations,
- Dombey and Son,
- Hard Times.

Non-fiction Book:
- American Notes.

Source: Britannica.

৪০.
Alexandre Dumas was a famous novelist and playwright from-
  1. Russian
  2. France
  3. Italy
  4. Ireland
সঠিক উত্তর:
France
উত্তর
সঠিক উত্তর:
France
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) France.
Alexandre Dumas একজন বিখ্যাত ফরাসি (French) ঔপন্যাসিক এবং নাট্যকার।

- তিনি বিশেষভাবে পরিচিত The Three Musketeers এবং The Count of Monte Cristo উপন্যাসের জন্য।

• Alexandre Dumas:
- ছিলেন একজন বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন ২৪ জুলাই ১৮০২, ফ্রান্সের Villers-Cotterêts শহরে।
- তাঁর বাবা ছিলেন একজন কৃষ্ণাঙ্গ ফরাসি জেনারেল, যা তাঁর জীবনে ও লেখায় প্রভাব ফেলেছিল।
- Dumas মূলত ঐতিহাসিক রোমাঞ্চ উপন্যাস লেখার জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস হলো The Three Musketeers ও The Count of Monte Cristo.
- তিনি নাটক লিখে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন এবং পরে উপন্যাসে ব্যাপক সাফল্য পান।
- Dumas-এর লেখায় বন্ধুত্ব, প্রতিশোধ, সম্মান ও বীরত্বের গল্প উঠে আসে।
- তার লেখা বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে পাঠকপ্রিয়।
- তিনি একজন অত্যন্ত উৎপাদনশীল লেখক ছিলেন - প্রায় ১০০টির বেশি বই তাঁর নামে আছে।
- ৫ ডিসেম্বর ১৮৭০ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন, কিন্তু তাঁর সাহিত্য আজও অমর।

Source: Britannica.

৪১.
A hymn is best described as:
  1. A funny poem of five lines
  2. A sacred or religious song of praise
  3. The purgation or purification of pity and fear in tragedies
  4. A play upon words that are similar in sound but different in meaning
সঠিক উত্তর:
A sacred or religious song of praise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A sacred or religious song of praise
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) A sacred or religious song of praise.

Hymn হলো একটি ধর্মীয় বা পূজার গান, যা সাধারণত ভক্তি, প্রশংসা বা উপাসনার উদ্দেশ্যে গাওয়া হয়।
এটি কবিতা বা গান হিসেবে লেখা হতে পারে, কিন্তু মূল লক্ষ্য হলো ধর্মীয় অনুপ্রেরণা ও প্রশংসা।

• Hymn:
- A lyric poem or song in praise of God is called Hymn.
- সাধারণত এটি religious emotion প্রকাশের  উদ্দেশ্যে chorus দ্বারা গাওয়া।
- Edmund Spenser এর 'Fowre Hymnes', and John Keats 'Hymn to Apollo' are some of the well-known hymns in English literature.
- Martin Luther’s “A Mighty Fortress Is Our God” and Shelley’s “Hymn of Apollo” are some of the well-known hymns in English.

অন্য বিকল্পগুলো ভুল:
A funny poem of five lines – Limerick.

The purgation or purification of pity and fear in tragedies – Catharsis.

A play upon words that are similar in sound but different in meaning – pun.

Source: An ABC of English Literature - Dr. M. Mofizar Rahman.

৪২.
Prospero, the protagonist of Shakespeare’s play The Tempest, is —
  1. A soldier
  2. A magician
  3. A merchant
  4. A moor
সঠিক উত্তর:
A magician
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A magician
ব্যাখ্যা

Prospero হলো Shakespeare এর নাটক The Tempest এর protagonist.
Prospero একজন magician, যিনি নিজের ক্ষমতা এবং জাদুর মাধ্যমে দ্বীপকে নিয়ন্ত্রণ করেন।
তিনি এক সময়ের ডিউক ছিলেন, কিন্তু রাজনীতি ও বিশ্বাসঘাতনের কারণে দ্বীপে নির্বাসিত হন। নাটকের মূল কাহিনী তার ক্ষমতা, শাস্তি, এবং ক্ষমা প্রদানের গল্প ঘিরে আবর্তিত।

• The Tempest: 
- William Shakespeare এর last work বা Swan Song, "The Tempest".
- এর  কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম হচ্ছে Prospero, who is a magician.
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.

• Main Characters: 
- Prospero (Duke),
- Miranda(Heroine),
- Ariel (Supernatural creature - good character),
- Caliban (Supernatural creature - bad in character),
- Antony (Villain/ brother of Duke),
- Ferdinand (Hero),
- Gonzalo ইত্যাদি।

• Some quotations from The Tempest: 
- “Hell is empty and all the devils are here.”
- “We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep.”
- “This thing of darkness, I Acknowledge mine.”
- “Thought is free.”

- “O, brave new world, that has such people in't!”
- “Awake, dear heart, awake. Thou hast slept well. Awake.”
- “Misery acquaints a man with strange bedfellows.”

Source:
- Britannica.com
- Live MCQ English Essence.

৪৩.
You can park your car outside our house. Here 'outside' is a/an -
  1. noun
  2. adjective
  3. adverb
  4. preposition
সঠিক উত্তর:
preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
preposition
ব্যাখ্যা

You can park your car outside our house. Here 'outside' is a - preposition.
- এখানে outside শব্দটি our house এর সাথে সম্পর্ক তৈরি করছে। এটা বলছে গাড়িটি কোথায় পার্ক করা যাবে → our house এর বাইরে।

- Outside এখানে একটা জায়গা/অবস্থান বোঝাচ্ছে এবং এর পরে our house নামের একটা noun আছে। যখন কোনো শব্দ অন্য একটা noun বা noun phrase-কে অনুসরণ করে এবং তাদের মধ্যে সম্পর্ক (location, direction, time ইত্যাদি) দেখায়, তখন সেটাকে preposition বলা হয়।

• Preposition হলো এমন শব্দ যা একটি বাক্যে কোনো বিশেষ্য (noun) বা সর্বনাম (pronoun)-এর আগে বসে সেটির সাথে বাক্যের অন্য শব্দগুলোর স্থান, সময়, দিক, বা সম্পর্ক নির্দেশ করে, যেমন 'in', 'on', 'at', 'to', 'from' ইত্যাদি; এটি বাক্যের অংশগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে অর্থপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করে। 
- অর্থাৎ, Preposition এর কাজ হলো: একটি noun বা pronoun এর সাথে বাক্যের অন্যান্য অংশের সম্পর্ক তৈরি করা এবং স্থান, সময়, দিক ইত্যাদি নির্দেশ করা।

Outside: [preposition]
English meaning: on or to a place on the outside of something.
Bangla meaning: বাইরে; বহির্ভাগে বা বহির্দেশে।

Example: 
- You can park your car outside our house.

Other options:

ক) Noun: নাম বাচক শব্দ - ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, ভাব ইত্যাদির নাম।

যদি 'outside' noun হতো, তাহলে বাক্য এরকম হতো:

"The outside of the house is beautiful." (বাড়ির বাইরের অংশটি সুন্দর)
এখানে 'outside' একটি স্থানের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

খ) Adjective: যে শব্দ noun বা pronoun এর গুণ, অবস্থা, সংখ্যা ইত্যাদি প্রকাশ করে।
- যদি 'outside' adjective হতো, তাহলে বাক্য এরকম হতো:

- We need an outside opinion.
- The outside door is locked.
এখানে 'outside' একটি noun (opinion, door) কে বর্ণনা করছে।

গ) Adverb: যে শব্দ verb, adjective বা অন্য adverb এর অবস্থা, স্থান, কাল, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে।
- যদি 'outside' adverb হতো, তাহলে বাক্য এরকম হতো:

- Please wait outside.
- The children are playing outside.
- এখানে 'outside' এর পরে কোনো object নেই।
- অর্থাৎ, adverb → হলে সাধারণত verb-কে বর্ণনা করতো এবং তার পরে সরাসরি noun আসতো না (যেমন: He is waiting outside.)

Source: Oxford Dictionary.

৪৪.
'Running fast, he caught the bus.' Here 'running' is a/an ______.
  1. gerund
  2. preposition
  3. participle
  4. verbal noun
সঠিক উত্তর:
participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
participle
ব্যাখ্যা

'Running fast, he caught the bus.' Here 'running' is a - participle.
- এখানে "Running fast" পুরোটাই একটা participial phrase (বিশেষ করে present participle phrase).
- "Running" হলো present participle (verb run-এর -ing যুক্ত রূপ)।
- এখানে 'running' শব্দটি present participle হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি 'he' (subject) কে বর্ণনা করছে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed. 

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৪৫.
Choose the synonym of “Munificent”:
  1. Meticulous 
  2. Intelligent
  3. Generous
  4. Eternal
সঠিক উত্তর:
Generous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Generous
ব্যাখ্যা

• Munificent:
English meaning: very generous with money.
Bangla meaning: দানবীর; মহাপ্রাণ; (প্রদত্ত কোনো বস্তু) পরিমাণে বিশাল কিংবা গুণগতভাবে অতুলনীয়। 

Options,
ক) Meticulous:
- খুঁটিনাটির ব্যাপারে অতি যত্নশীল; অতি সতর্ক ও যথাযথ। 

খ) Intelligent:
- বু্ি‌দ্ধমান; বোধশক্তি-সম্পন্ন

গ) Generous:
-  উদার; সহৃদয়

ঘ) Eternal:
- (১) চিরন্তন; আদি-অন্তহীন: the Eternal God. (২) (কথ্য) অবিরাম। 

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of “Munificent”: Generous.

Source: Accessible Dictionary.

৪৬.
Fill in the blank:
I would rather you _____ (go) now. 
  1. go
  2. went
  3. have gone
  4. had go
সঠিক উত্তর:
went
উত্তর
সঠিক উত্তর:
went
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) went.
Complete sentence: I would rather you went now. 

এখানে “I” আর “you” — দুইটা আলাদা subject, তাই would rather you এর পরে past simple (went) ব্যবহার হবে।

• আমরা would rather বা ’d rather ব্যবহার করি একটা জিনিসকে অন্য জিনিসের চেয়ে বেশি পছন্দ করা বা প্রেফার করার কথা বলতে। Would rather-এর দুইটা আলাদা আলাদা গঠন (constructions) রয়েছে।

• যখন subject একই (same subject):

• Would rather + base form of verb (infinitive without ‘to’)
- অর্থাৎ নিজের পছন্দ নিজের কাজের জন্য।

Example:
- I’d rather stay at home than go out. (আমি বরং বাড়িতে থাকতে চাই বাইরে যাওয়ার চেয়ে।)
- She’d rather not eat sweets. (সে বরং মিষ্টি খেতে চায় না।)

• যখন subject আলাদা (different subject):

• Would rather + subject + past simple tense
এটা ব্যবহার হয় যখন আমরা অন্য কাউকে কিছু করতে বলি বা চাই (অর্থাৎ অন্যের কাজের জন্য পছন্দ প্রকাশ)।

Example:
- I’d rather you stayed at home tonight. (আমি চাই তুমি আজ রাতে বরং বাড়িতে থাকো।)
- I’d rather he didn’t come late. (আমি চাই সে দেরি করে না আসুক।)

-------------
Much rather:
- আমরা would rather এর সাথে much যোগ করে পছন্দকে আরও জোরালো/শক্তিশালী করে প্রকাশ করতে পারি। কথা বলার সময় আমরা much-এর উপর জোর দিই।

Example:
- I’d much rather make a phone call than send an email. 
- She’d much rather they didn’t know about what had happened. 

-------------

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) go → base form → শুধু নিজের জন্য ব্যবহার হয় (I would rather go)। এখানে subject আলাদা বলে ভুল।

গ) have gone → Present Perfect → would rather-এর সাথে এটা ব্যবহার হয় না।

ঘ) had go → ভুল ফর্ম। (had gone হলেও Past Perfect — would rather-এর সাথে Past Perfect ব্যবহার হয় না।)
 
Source: Cambridge Dictionary.

৪৭.
They live up in the mountains. Here 'up' is a/an ______.
  1. preposition
  2. adverb
  3. adjective
  4. noun
সঠিক উত্তর:
adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adverb
ব্যাখ্যা

They live up in the mountains. Here 'up' is an - adverb.

- এখানে up শব্দটি live (verb) কে modify করছে → অবস্থান বোঝাচ্ছে।
- অর্থ: they live in a higher place / at a higher elevation.
- যখন verb-এর সাথে বসে অবস্থান, দিক বা পরিমাণ বোঝায় → adverb হয়।

up: [adverb]
English meaning: towards or in a higher position.
Bangla meaning: উচ্চতর স্থানে, অবস্থানে, মাত্রায় ইত্যাদি; উপরে; ঊর্ধ্বে।

Example:
- Two men were up on the roof, repairing a leak.
- I pinned the notice up on the wall.
- They live up in the mountains.

Source: Oxford Dictionary.

৪৮.
Which of the following words has identical singular and plural forms?
  1. Crisis
  2. Swine
  3. Media
  4. Bureau
সঠিক উত্তর:
Swine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Swine
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Swine.
Swine → singular এবং plural উভয় ক্ষেত্রেই swine হয়।

Swine:
Meaning: শূকর; শুয়োর; বরাহ। 
Plural form: [অপরিবর্তিত] Swine.

Other options,
ক) Crisis (noun)
Plural: Crises.
English Meaning: the turning point for better or worse in an acute disease or fever.
Bangla Meaning: সংকটকাল; চূড়ান্ত পর্যায়; সন্ধিক্ষণ।

গ) Media - যোগাযোগমাধ্যম। 
- এটি Plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।  
- এর singular form হচ্ছে Medium (মাধ্যম)। 

ঘ) Bureau: [singular]
English meaning: an organization or a business that collects or provides information.
Bangla meaning: অফিস বা দপ্তর ; সংস্থা ; করণ ; লিখবার টেবিল ; দেরাজবিশিষ্ট ডেস্ক।

Plural: Bureaus & bureaux.

Source:
- Cambridge Dictionary, 
- Merriam-Webster Dictionary,
- Accessible Dictionary.

৪৯.
Choose the correct spelling:
  1. Temparature
  2. Temperature
  3. Tempereture
  4. Tempreature
সঠিক উত্তর:
Temperature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temperature
ব্যাখ্যা

Correct answer: খ) Temperature.

Temperature:
English meaning: the measured amount of heat in a place or in the body.
Bangla meaning: তাপমাত্রা; শরীর বা বাতাসের তাপ (থার্মোমিটার বা ব্যারোমিটারে নির্ণীত)। 

Example: 
- Preheat the oven to a temperature of 200 degrees Celsius.
- Temperatures have risen over the past few days (= the weather has become warmer).

Source: Cambridge Dictionary.

৫০.
Choose the correct sentence.
  1. Jett maintains that he is completely innocent to the charges against him.
  2. Jett maintains that he is completely innocent on the charges against him.
  3. Jett maintains that he is completely innocent of the charges against him.
  4. Jett maintains that he is completely innocent in the charges against him.
সঠিক উত্তর:
Jett maintains that he is completely innocent of the charges against him.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jett maintains that he is completely innocent of the charges against him.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Jett maintains that he is completely innocent of the charges against him.

innocent (of):
Meaning: নিরপরাধ; নির্দোষ।

Example:
- Jett maintains that he is completely innocent of the charges against him.
- Dave Bassett has been found innocent of allegations of obscene behaviour at Chelsea last month.

Source: Accessible Dictionary.

৫১.
Many people still read a daily newspaper. Here 'daily' is a/an -
  1. verb
  2. adverb
  3. noun
  4. adjective
সঠিক উত্তর:
adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adjective
ব্যাখ্যা

Many people still read a daily newspaper. Here 'daily' is an -adjective.
- এখানে daily শব্দটি newspaper (noun)–কে modify করছে।
- অর্থ: প্রতিদিন প্রকাশিত সংবাদপত্র।
- যখন কোনো noun-এর আগে বসে তার গুণ/ধরন বোঝায়, তখন তা adjective হয়।

Daily: [adjective]
English meaning: happening, done or produced every day.
Bangla meaning: প্রাত্যহিক; দৈনিক; প্রত্যহ; প্রতিদিন।

Example: 
- Many people still read a daily newspaper.
- The daily routine is the same for all prisoners.
- Keep a record of your daily activities.

-------
অন্য অপশনগুলো নয়:

খ) Adverb:
- Adverb হলো যা verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে।

'Daily' adverb হলে বাক্য হতো:
- Many people still read newspapers daily. (প্রতিদিন)
- এখানে 'daily' verb (read) কে modify করছে - কখন/কত ঘন ঘন পড়ে।
- কিন্তু, প্রশ্নোল্লিখিত বাক্যে "a daily newspaper" - এখানে 'daily' newspaper (noun) কে modify করছে, verb কে নয়।

গ) Noun:
- 'Daily' শব্দটি noun হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে, তবে এই বাক্যে নয়।
- যখন 'daily' noun হয়:

- I read the daily. (আমি দৈনিক পত্রিকাটি পড়ি)
- He subscribes to two dailies. (সে দুটি দৈনিক পত্রিকার গ্রাহক)
- এখানে "daily/dailies" = দৈনিক পত্রিকা (একটি জিনিসের নাম)
 
daily: [noun]
Meaning: a newspaper published every day except Sunday.
Example: The story was in all the dailies.

Source: Oxford Dictionary.

৫২.
Fill in the gap with an appropriate preposition:
It's not far. It'll take you about ten minutes _____ foot.
  1. by
  2. on
  3. with
  4. in
সঠিক উত্তর:
on
উত্তর
সঠিক উত্তর:
on
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) on.
Complete sentence: It's not far. It'll take you about ten minutes on foot.

On foot: 
- English meaning: by walking or running, if you go somewhere on foot, you walk there.
- যদি কেউ কোথাও পায়ে হেঁটে যায়, তখন on foot ব্যবহার হয়।

Example:
• It's not far. It'll take you about ten minutes on foot.
• The two men had attempted to cross the mountains on foot.
• The bus left us at the bottom of the hill, and we went the rest of the way on foot.

Source: 
- Cambridge Dictionary.
- Longman Dictionary.

৫৩.
He is known for how quickly he learns new things. Here, 'how quickly he learns new things' is  -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverbial clause
  4. Adverbial phrase
সঠিক উত্তর:
Noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun clause
ব্যাখ্যা

He is known for how quickly he learns new things. The underlined part is - Noun clause.
- 'how quickly he learns new things' পুরোটা একটি clause (কারণ এর মধ্যে subject + verb আছে: he learns).
- এটি 'for' preposition-এর object হিসেবে ব্যবহার হয়েছে, অর্থাৎ noun-এর কাজ করছে।

• Noun clause:
- যে সব subordinate clause noun এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition- এর কাজ করে থাকে তাদেরকে বলে noun clause.
- Noun clauses are used when a single word isn't enough.

• একটি বাক্যের যেসব স্থানে Noun clause  বসতে পারে -

1. Verb এর subject হিসেবে। 
Example: That he has much money is known to all.

2. Verb এর object হিসেবে।
Example: I know that he has done it.

3. Verb এর complement হিসেবে।
Example: This is what I said.

4. Preposition এর object হিসেবে;
Example: I cannot understand the meaning of what he said.

5. Noun/ pronoun - এর apposition হিসেবে।
Example: The fact that he is a thief is clear to all.

Other options,
Adjective clause:
- যে sub-ordinate clause কোনো noun/pronoun এর পরে বসে ঐ noun/pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে। 
- অর্থাৎ noun এর post modifier হিসাবে adjective clause বসে।

Adverbial clause:
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
 - Adverb এর মতো এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।

Adverbial phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.

Source:
- A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
- Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

৫৪.
Select the word opposite in meaning to “Pernicious”:
  1. Melodious
  2. Stubborn
  3. Beneficial
  4. Joyful
সঠিক উত্তর:
Beneficial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Beneficial
ব্যাখ্যা

Pernicious:
English meaning: having a very harmful effect or influence.
Bangla meaning: ক্ষতিকর; ধ্বংসকর।

Options,
ক) Melodious:
- সুরসংক্রান্ত; সুর সৃষ্টিকারী; সুশ্রাব্য; সুরেলা। 

খ) Stubborn:
- একগুঁয়ে; জেদি; সংকল্পবদ্ধ; শক্ত; কঠিন; বিরূপ; দুঃসাধ্য।

গ) Beneficial:
- লাভজনক; মঙ্গলজনক; হিতকর।

ঘ) Joyful:
- হর্ষোত্ফুল্ল; আনন্দিত; সানন্দ। 

অপশন বিবেচনা কে দেখা যায়, the word opposite in meaning to “Pernicious”: Beneficial.

Source: Accessible Dictionary.

৫৫.
Identify the passive form of the following sentence:
Who is writing the report?
  1. By whom is the report been written?
  2. Whom wrote the report?
  3. By whom is the report be written?
  4. By whom is the report being written?
সঠিক উত্তর:
By whom is the report being written?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By whom is the report being written?
ব্যাখ্যা

Active: Who is writing the report?
Passive: By whom is the report being written?

• Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive Voice এ পরিণত করার নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- এরপর Tense ও Person অনুযায়ী modal auxiliary Verb বসাতে হয়। 
- Object টি Subject হয় 
- Tense অনুযায়ী কর্তার পরে  be/being/been বসাতে হয়। 
- মূল Verb এর Past Participle বসে।
- সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। 

• Present Continuous Tense passive voice করার structure নিম্ন রূপ:
- Active form এর object + am/is/are + being + verb এর past participle + Active form এর Subject এর Objective form + extension.

অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) By whom is the report been written?
- ভুল structure — is been কখনো হয় না।

খ) Whom wrote the report?
- এটি active voice, passive নয়।

গ) By whom is the report be written?
- ভুল verb form — is be written ব্যাকরণগতভাবে ভুল।

৫৬.
Identify the Simple sentence form of the following sentence:
She studied hard so that she might pass the exam.
  1. She studied hard to passed the exam.
  2. She studied hard and so pass the exam.
  3. She studied hard to pass the exam.
  4. She studied hard then pass the exam.
সঠিক উত্তর:
She studied hard to pass the exam.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She studied hard to pass the exam.
ব্যাখ্যা

Complex: She studied hard so that she might pass the exam.
Simple: She studied hard to pass the exam.

• So that যুক্ত complex কে simple করার নিয়ম:

- প্রদত্ত sentence এর প্রথম থেকে so এর পূর্ব পর্যন্ত বসে,
- so that থেকে many/might/can/could/ পর্যন্ত উঠে যায়,
- to বসে,
- প্রদত্ত sentence এর বাকি অংশ বসে।

Complex: He worked hard so that he could prosper.
Simple: He worked hard to prosper.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৫৭.
When a politician throws his hat in the ring, it means he –
  1. Starts a fight
  2. Retires from public life
  3. Participates in an election
  4. Makes a public apology 
সঠিক উত্তর:
Participates in an election
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participates in an election
ব্যাখ্যা

Correct answer: গ) Participates in an election.

Idiom 'throw your hat into the ring' অর্থ হলো নিজেকে কোনো প্রতিযোগিতা বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ঘোষণা করা।
- তাই একজন রাজনীতিবিদ যখন throws his hat in the ring করে, তা বোঝায় যে তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

throw your hat into the ring: [idiom]
English meaning: to announce your intention of entering a competition or election.
Bangla meaning: প্রতিযোগিতা বা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা।

Example: 
- He decided to throw his hat into the ring for the student council election.
- Yet another candidate has thrown his hat into the ring.

Source: Cambridge Dictionary.

৫৮.
চারটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যথাক্রমে ১, ৫/৪, ৩/২ এবং ৭/৪ মিনিট অন্তর অন্তর সংকেত দেয়। তারা একত্রে সংকেত দেওয়ার কতক্ষণ পর পুনরায় একত্রে সংকেত দেবে?
  1. ৪৫ মিনিট
  2. ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট
  3. ৫৫ মিনিট
  4. ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চারটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যথাক্রমে ১, ৫/৪, ৩/২ এবং ৭/৪ মিনিট অন্তর অন্তর সংকেত দেয়। তারা একত্রে সংকেত দেওয়ার কতক্ষণ পর পুনরায় একত্রে সংকেত দেবে? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
ভগ্নাংশের ল.সা.গু = লবগুলোর ল.সা.গু/হরগুলোর গ.সা.গু 

এখন, 
লব(১, ৫, ৩, ৭) এর ল.সা.গু = ১ × ৫ × ৩ × ৭ = ১০৫ 
এবং (১, ৪, ২, ৪) এর গ.সা.গু = ১ 

∴ ভগ্নাংশের ল.সা.গু = লবগুলোর ল.সা.গু/হরগুলোর গ.সা.গু = ১০৫/১ = ১০৫ মিনিট
∴ ১০৫ মিনিটকে ঘণ্টায় প্রকাশ করে পাই = (৬০ + ৪৫) মিনিট = ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট 

অতএব, যন্ত্রগুলো পুনরায় একত্রে ১০৫ মিনিট বা ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর সংকেত দেবে।

৫৯.
3x + (5 × 3x) + (21 × 3x) = 9 হলে x এর মান কত?
  1. 0
  2. - 2
  3. 3
  4. - 1
সঠিক উত্তর:
- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3x + (5 × 3x) + (21 × 3x) = 9 হলে x এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
3x + (5 × 3x) + (21 × 3x) = 9
⇒ 3x(1 + 5 + 21) = 9 
⇒ 3x × 27 = 9
⇒ 3x = 9/27
⇒ 3x = 1/3
⇒ 3x = 3 - 1
∴ x = - 1

৬০.
  1. 7√13
  2. 36
  3. 4
  4. 19√13
সঠিক উত্তর:
36
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 

সমাধান: 

৬১.
'STUDIO' শব্দের স্বরবর্ণগুলোকে জোড় স্থানে রেখে কতভাবে সাজানো যায়? 
  1. ১২০টি উপায়ে
  2. ৭২টি উপায়ে
  3. ১০৮টি উপায়ে
  4. ৩৬টি উপায়ে
সঠিক উত্তর:
৩৬টি উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬টি উপায়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'STUDIO' শব্দের স্বরবর্ণগুলোকে জোড় স্থানে রেখে কতভাবে সাজানো যায়?  

সমাধান:
S T U D I O মোট বর্ণ ৬টি
 অবস্থান- ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬
জোড় স্থান = ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ (মোট ৩টি)
বেজোড় স্থান = ১ম, ৩য়, ৫ম (মোট ৩টি)

স্বরবর্ণ U, I, O (৩টি ভিন্ন) 
ব্যঞ্জনবর্ণ S, T, D (৩টি ভিন্ন)
জোড় স্থানে ৩টি স্বরবর্ণ U, I, O সাজানো যাবে = ৩! = ৩ × ২ × ১ = ৬ উপায়
এবং 
বেজোড় স্থানে ৩টি ব্যঞ্জনবর্ণ S, T, D সাজানো যাবে = ৩! = ৩ × ২ × ১ = ৬ উপায়

∴ মোট উপায় = ৬ × ৬ = ৩৬

সুতরাং, ৩৬টি উপায়ে সাজানো যায়।

৬২.
O কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তে জ্যা PQ = 6 সে.মি. এবং OR ⊥ PQ হলে, ∠QOS কোণের পরিমাণ কত?
  1.  120°
  2.  60°
  3.  90°
  4.  30°
সঠিক উত্তর:
 60°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 60°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: O কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তে জ্যা PQ = 6 সে.মি. এবং OR ⊥ PQ হলে, ∠QOS কোণের পরিমাণ কত?

সমাধান: 
ΔPOQ- এ OQ = OP
অতএব, ΔPOQ একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
দেওয়া আছে,
∠OQP = 30° এবং ∠OPQ = 30°

∴ ∠QOP = 180° - (30° + 30°) = 120°

এবং চিত্রে দেখা যাচ্ছে, S, O, P একই সরলরেখায় অবস্থিত
অর্থাৎ,
∠QOS = 180° - ∠QOP 
= 180° - 120°
= 60°
∴ ∠QOS = 60°

৬৩.
বার্ষিক ৮% মুনাফায় ৫০০০ টাকা এবং ১২% মুনাফায় ৩০০০ টাকা বিনিয়োগ করা হলো। মোট মূলধনের উপর গড় মুনাফার হার কত? 
  1. ৯.৫%
  2. ১২%
  3. ১০%
  4. ৭.৫%
সঠিক উত্তর:
৯.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ৮% মুনাফায় ৫০০০ টাকা এবং ১২% মুনাফায় ৩০০০ টাকা বিনিয়োগ করা হলো। মোট মূলধনের উপর গড় মুনাফার হার কত? 

সমাধান:
আমরা জানি, 
মুনাফা = (আসল × মুনাফার হার × সময়)/১০০ 

এখন, 
প্রথম বিনিয়োগের মুনাফা = ৫০০০ × ৮% = ৫০০০ × (৮/১০০) = ৪০০ টাকা
দ্বিতীয় বিনিয়োগের মুনাফা = ৩০০০ × ১২% = ৩০০০ × (১২/১০০) = ৩৬০ টাকা

∴ মোট মূলধন = ৫০০০ + ৩০০০ = ৮০০০ টাকা
∴ মোট মুনাফা = ৪০০ + ৩৬০ = ৭৬০ টাকা

∴ গড় মুনাফার হার = (মোট মুনাফা × ১০০)/মোট মূলধন
= (৭৬০ × ১০০)/৮০০০
= ৭৬/৮ 
= ৯.৫%

সুতরাং, মোট মূলধনের উপর গড় মুনাফার হার ৯.৫%।

৬৪.
যদি logn3 = a এবং logn5 = b হয়, তবে logn(75/9) = ?
  1. a + 2b
  2. b - 2a
  3. 2b - a
  4. 2a - b
সঠিক উত্তর:
2b - a
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2b - a
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি logn3 = a এবং logn5 = b হয়, তবে logn(75/9) = ? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
logn3 = a এবং logn5 = b

প্রদত্ত রাশি, 
logn(75/9)
= logn{(3 × 25)/9}
= logn(25/3)
= logn25 - logn3
= logn52 - logn3
= 2logn5 - logn3
= 2b - a

৬৫.
x2 - a2 + 2ab - b2 এর একটি উৎপাদক (x + a - b) হলে, অপর উৎপাদকটি কত? 
  1. (x - a + b)
  2. (x + a + b)
  3. (x - a - b)
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
(x - a + b)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x - a + b)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 - a2 + 2ab - b2 এর একটি উৎপাদক (x + a - b) হলে, অপর উৎপাদকটি কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
x2 - a2 + 2ab - b2
= x2 - (a2 - 2ab + b2)
= x2 - (a - b)2
= (x + a - b)(x - a + b)

সুতরাং, x2 - a2 + 2ab - b2 এর একটি উৎপাদক (x + a - b) হলে, অপর উৎপাদকটি হলো (x - a + b)। 

৬৬.
বাক্সে ৭টি লাল, ৯টি কালো এবং ৬টি সাদা বল আছে। এলোমেলো ভাবে ১টি বল তুলে নেওয়া হলো। বলটি সাদা বা লাল হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১১/১৩ 
  2. ১/৮ 
  3. ৩/১১ 
  4. ১৩/২২
সঠিক উত্তর:
১৩/২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩/২২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বাক্সে ৭টি লাল, ৯টি কালো এবং ৬টি সাদা বল আছে। এলোমেলো ভাবে ১টি বল তুলে নেওয়া হলো। বলটি সাদা বা লাল হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
বাক্সে লাল আছে = ৭টি 
বাক্সে  কালো আছে = ৯টি 
সাদা বল আছে = ৬টি 

∴ মোট বল = (৭ + ৯ + ৬)টি  = ২২ টি 

বলটি সাদা হওয়ার সম্ভাবনা = ৬/২২ = ৩/১১  
বলটি লাল হওয়ার সম্ভাবনা = ৭/২২

∴ বলটি সাদা বা লাল হওয়ার সম্ভাবনা  = (৩/১১) + (৭/২২)
= (৬ + ৭)/২২
= ১৩/২২

সুতরাং, বলটি সাদা বা লাল হওয়ার সম্ভাবনা ১৩/২২।

৬৭.
একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 7 সে.মি. এবং 5 সে.মি. হলে, এর পরিসীমার অর্ধেক কত সে.মি.?
  1. 12 সে.মি.
  2. 20 সে.মি.
  3. 24 সে.মি.
  4. 28 সে.মি.
সঠিক উত্তর:
12 সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 7 সে.মি. এবং 5 সে.মি. হলে, এর পরিসীমার অর্ধেক কত সে.মি.?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 7 সে.মি. এবং 5 সে.মি.। 

সুতরাং, চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য হলো যথাক্রমে, 
7 সে.মি., 5 সে.মি., 7 সে.মি. এবং 5 সে.মি।

∴ পরিসীমা = 7 + 5 + 7 + 5 = 24 সে.মি.
∴ পরিসীমার অর্ধেক = 24/2 = 12 সে.মি.

অতএব, পরিসীমার অর্ধেক 12 সে.মি.। 

৬৮.
একটি পেন্সিল এবং একটি কলমের ক্রয়মূল্যের অনুপাত ৩ : ৭। তাদের বিক্রয় মূল্যের অনুপাত ১ : ৪। যদি পণ্য দুটি বিক্রয় করে লোকসানের পরিমাণ সমান হয়, তবে কলমের ক্রয়মূল্য এবং বিক্রয়মূল্যে অনুপাত কত?
  1. ৭ : ১৬
  2. ১১ : ২১
  3. ২১ : ১৬
  4. ৩ : ৪
সঠিক উত্তর:
২১ : ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ : ১৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পেন্সিল এবং একটি কলমের ক্রয়মূল্যের অনুপাত ৩ : ৭। তাদের বিক্রয় মূল্যের অনুপাত ১ : ৪। যদি পণ্য দুটি বিক্রয় করে লোকসানের পরিমাণ সমান হয়, তবে কলমের ক্রয়মূল্য এবং বিক্রয়মূল্যে অনুপাত কত?
 
সমাধান:
ধরি,
পেন্সিলের ক্রয়মূল্য = ৩ক
এবং কলমের ক্রয়মূল্য = ৭ক।

আবার,
পেন্সিলের বিক্রয়মূল্য = খ
এবং কলমের বিক্রয়মূল্য = ৪খ

যেহেতু, পণ্য দুটি বিক্রয় করে লোকসানের পরিমাণ সমান।
∴ ৩ক - খ = ৭ক - ৪খ
⇒ ৪ক = ৩খ
⇒ ক/খ = ৩/৪
∴ ক = ৩খ/৪

∴ কলমের ক্রয়মূল্য ও বিক্র্যমূল্যের অনুপাত = ৭ক : ৪খ
= ৭ × (৩/৪)খ : ৪খ
= (২১/৪)খ : ৪খ
= ২১/৪ : ৪
= ২১ : ১৬

অতএব, কলমের ক্রয়মূল্য এবং বিক্রয়মূল্যের অনুপাত ২১ : ১৬

৬৯.
3 + 4 + 5 + 6 +................. এর ৩য় আংশিক সমষ্টি কত?
  1. 12
  2. 18
  3. 7
  4. 11
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 + 4 + 5 + 6 +................. এর ৩য় আংশিক সমষ্টি কত?

সমাধান:
3 + 4 + 5 + 6 +.................এর ৩য় আংশিক সমষ্টি = ১ম তিনটি পদের যোগফল।
= 3 + 4 + 5
= 12

৭০.
'N' সংখ্যক আম থেকে একটি ক্লাসের সকল ছাত্র কে ৮টি করে আম দিলে ১৪টি আম অবশিষ্ট থাকে। কিন্তু ৯টি করে আম দিতে গেলে আরো ১০টি আম এর প্রয়োজন হয়। ঐ ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা কত?
  1. ৩২ জন
  2. ২৪ জন
  3. ৪০ জন
  4. ২২ জন
সঠিক উত্তর:
২৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'N' সংখ্যক আম থেকে একটি ক্লাসের সকল ছাত্র কে ৮টি করে আম দিলে ১৪টি আম অবশিষ্ট থাকে। কিন্তু ৯টি করে আম দিতে গেলে আরো ১০টি আম এর প্রয়োজন হয়। ঐ ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা কত?

সমাধান: 
ধরি,
ছাত্রের মোট সংখ্যা = ক 

প্রথম শর্তানুসারে,
৮টি করে আম দিলে ১৪টি অবশিষ্ট থাকে।
সুতরাং, মোট আমের সংখ্যা = ৮ক + ১৪

আবার, 
দ্বিতীয় শর্তানুসারে,
৯টি করে আম দিতে গেলে ১০টি আমের অভাব হয়।
সুতরাং, মোট আমের সংখ্যা = ৯ক - ১০

যেহেতু উভয় ক্ষেত্রেই আমের মোট সংখ্যা অপরিবর্তিত,
⇒ ৮ক + ১৪ = ৯ক - ১০
⇒ ৯ক - ৮ক = ১৪ + ১০ 
∴ ক = ২৪ 

সুতরাং, ঐ ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা ২৪ জন 

৭১.
যদি দুইটি সেটের মধ্যে কোনো সাধারণ উপাদান না থাকে তবে সেট দুইটি পরস্পর-
  1. পূরক সেট 
  2. ছেদ সেট 
  3. নিশ্ছেদ সেট
  4. সঠিক উত্তর নেই 
সঠিক উত্তর:
নিশ্ছেদ সেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশ্ছেদ সেট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি দুইটি সেটের মধ্যে কোনো সাধারণ উপাদান না থাকে তবে সেট দুইটি পরস্পর-

সমাধান: 
যদি দুইটি সেটের মধ্যে যদি কোনো সাধারণ উপাদান না থাকে তবে সেট দুইটিকে পরস্পর নিশ্ছেদ সেট বলে। 
মনে করি,
A ও B দুইটি সেট।
A ∩ B = Ø হলে A ও B পরস্পর নিশ্ছেদ সেট হবে।

৭২.
একটি সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ 14 সে.মি. এবং  উচ্চতা 30 সে.মি. হলে বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 2832 বর্গ সে.মি.
  2. 2640 বর্গ সে.মি.
  3. 1678 বর্গ সে.মি.
  4. 1296 বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
2640 বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2640 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ 14 সে.মি. এবং  উচ্চতা 30 সে.মি. হলে বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ব্যাসার্ধ, r = 14 সে.মি.
উচ্চতা, h = 30 সে.মি.

আমরা জানি, 
সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 2πrh
= 2 × π × 14 × 30
= 2 × (22/7) × 14 × 30
= 44 × 60
= 2640 বর্গ সে.মি.

৭৩.
রহিমের মাসিক আয় করিমের মাসিক আয়ের ২৫% কম এবং জামালের আয়ের ৩/৫ অংশ। করিমের মাসিক আয় ৮০০০ টাকা হলে তিনজনের মোট মাসিক আয় কত?
  1. ২২০০০ টাকা
  2. ২৬০০০ টাকা
  3. ২০০০০ টাকা
  4. ২৪০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৪০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রহিমের মাসিক আয় করিমের মাসিক আয়ের ২৫% কম এবং জামালের আয়ের ৩/৫ অংশ। করিমের মাসিক আয় ৮০০০ টাকা হলে তিনজনের মোট মাসিক আয় কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
করিমের মাসিক আয় = ৮০০০ টাকা
রহিমের আয় = করিমের আয়ের ২৫% কম
= ৮০০০ - (২৫% × ৮০০০)
= ৮০০০ - (২৫/১০০) × ৮০০০
= ৮০০০ - ২০০০
= ৬০০০ টাকা

∴ রহিমের আয় = জামালের আয়ের ৩/৫ অংশ
অর্থাৎ, রহিমের আয় = (৩/৫) × জামালের আয়
⇒ ৬০০০ = (৩/৫) × জামালের আয়
⇒ জামালের আয় = ৬০০০ × (৫/৩)
⇒ জামালের আয় = ২০০০ × ৫
∴ জামালের আয় = ১০০০০ টাকা

∴ তিনজনের মোট মাসিক আয় = রহিম + করিম + জামাল
= ৬০০০ + ৮০০০ + ১০০০০
= ২৪০০০ টাকা

সুতরাং, তিনজনের মোট মাসিক আয় ২৪০০০ টাকা।

৭৪.
3 + 6 + 12 + 24 + ....… ধারার n সংখ্যক পদের সমষ্টি 765 হলে, n এর মান কত?
  1. 8
  2. 12
  3. 7
  4. 9
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 + 6 + 12 + 24 + ....… ধারার n সংখ্যক পদের সমষ্টি 765 হলে, n এর মান কত?

সমাধান:
প্রদত্ত ধারাটি হলো, 
3 + 6 + 12 + 24 + …
এটি একটি গুণোত্তর ধারা।
যার, প্রথম পদ, a = 3
সাধারণ অনুপাত, r = 6/3 = 2  ; r > 1

আমরা জানি, 
n সংখ্যক পদের সমষ্টি, Sn = a × (rn - 1)/(r - 1)
= 3 × (2n - 1)/(2 - 1)  ; [এখানে a = 3, r = 2] 
= 3 × (2n - 1)

প্রশ্নানুসারে,
3 × (2n - 1) = 765
⇒ 2n - 1 = 765/3
⇒ 2n - 1 = 255
⇒ 2n = 256
⇒ 2n = 28
∴ n = 8

৭৫.
2x - 7 < 8 < 3x - 11 হলে, x এর মান পূর্ণ সংখ্যায় কত? 
  1. 6
  2. 9
  3. 7
  4. 8
সঠিক উত্তর:
7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2x - 7 < 8 < 3x - 11 হলে, x এর মান পূর্ণ সংখ্যায় কত? 

সমাধান:
এটি দুটি অসমতা একসঙ্গে দেওয়া আছে।
2x - 7 < 8
⇒ 2x < 8 + 7
⇒ 2x < 15
⇒ x < 15/2
∴ x < 7.5

আবার, 
8 < 3x - 11
⇒ 8 + 11 < 3x
⇒ 3x > 19
⇒ x > 19/3
∴ x > 6.33

∴ দুটি অসমতা একত্রে,  6.3 < x < 7.5
এই ব্যাপ্তিতে পূর্ণসংখ্যা 7 ; [অন্য কোনো পূর্ণসংখ্যা (যেমন 6, 8) এই ব্যাপ্তিতে পড়ে না] 

সুতরাং, x-এর মান পূর্ণ সংখ্যায় 7।

৭৬.
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গড় 28। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গড় 32 হলে, তৃতীয় সংখাটি কত?
  1. 40
  2. 38
  3. 52
  4. 32
সঠিক উত্তর:
40
উত্তর
সঠিক উত্তর:
40
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গড় 28। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গড় 32 হলে, তৃতীয় সংখাটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
প্রথম এবং দ্বিতীয় সংখ্যার গড় = 28
প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গড় = 32

∴ (a + b) সংখ্যার সমষ্টি = 28 × 2 = 56
এবং (a + b + c) সংখ্যার সমষ্টি = 32 × 3 = 96 

∴ c = (a + b + c) - (a + b) 
= 96 - 56
= 40

সুতরাং, তৃতীয় সংখাটি 40। 

৭৭.
cotθ = 3/4 হলে, tan2θ + 1 এর মান কত?
  1. 4/3
  2. 25/9
  3. 16/9
  4. 5/4
সঠিক উত্তর:
25/9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25/9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: cotθ = 3/4 হলে, tan2θ + 1 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
 cotθ = 3/4

আমরা জানি,
tanθ = 1/cotθ 
= 1/(3/4)
= 4/3
∴ tan θ = 4/3

এখন, 
tan2θ + 1
= (4/3)2 + 1
= (16/9) + 1
= (16 + 9)/9
= 25/9

সুতরাং, tan2θ + 1 = 25/9

৭৮.
নিচের কোন জোড়াটি অন্য জোড়াগুলো থেকে ভিন্নভাবে সম্পর্কিত?
  1. Shopkeeper: Customer
  2. Doctor: Patient
  3. Lawyer: Client
  4. Clerk: File
সঠিক উত্তর:
Clerk: File
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clerk: File
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ঘ) Clerk: File।
- কারণ প্রথম তিনটি জোড়ায় একজন সেবাদানকারী ব্যক্তি এবং সেবা গ্রহণকারী ব্যক্তির (মানুষ) মধ্যকার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। কিন্তু চতুর্থ জোড়ায় একজন ব্যক্তি এবং জড়বস্তুর (ফাইল) সম্পর্ক দেখানো হয়েছে।

Shopkeeper: Customer – এখানে দোকানদার তার গ্রাহককে পণ্য বা সেবা প্রদান করেন।
Doctor: Patient – এখানে ডাক্তার তার রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
Lawyer: Client – এখানে আইনজীবী তার মক্কেলকে আইনি সেবা প্রদান করেন।
Clerk: File – এখানে ক্লার্ক বা কেরানি ফাইলের কাজ করেন, কিন্তু ফাইল কোনো মানুষ বা সেবা গ্রহণকারী নয়।

৭৯.
একটি পুকুরে কচুরিপানা প্রতিদিন দ্বিগুণ হারে বাড়ে। ২৮ দিনে পুকুর ভরে গেলে, ১/৮ অংশ পূর্ণ হতে কত দিন সময় লেগেছিল?
  1. ২৫ দিন
  2. ২৬ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
২৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পুকুরে কচুরিপানা প্রতিদিন দ্বিগুণ হারে বাড়ে। ২৮ দিনে পুকুর ভরে গেলে, ১/৮ অংশ পূর্ণ হতে কত দিন সময় লেগেছিল?

সমাধান:
কচুরিপানা প্রতিদিন দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পায়
সম্পূর্ণ পুকুর ভরতে সময় লাগে = ২৮ দিন

যেহেতু কচুরিপানা প্রতিদিন দ্বিগুণ হয়:
২৮তম দিনে = সম্পূর্ণ পুকুর ভরে = ১ (পূর্ণ অংশ)
২৭তম দিনে = অর্ধেক পুকুর ভরে = ১/২ অংশ
২৬তম দিনে = এক-চতুর্থাংশ পুকুর ভরে = ১/৪ অংশ
২৫তম দিনে = এক-অষ্টমাংশ পুকুর ভরে = ১/৮ অংশ

৮০.
যদি TOUR দিয়ে 1234, CLEAR দিয়ে 56784 এবং SPARE দিয়ে 90847 বোঝায়, RULES দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?
  1. 43769
  2. 34679
  3. 43697
  4. 43679
সঠিক উত্তর:
43679
উত্তর
সঠিক উত্তর:
43679
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি TOUR দিয়ে 1234, CLEAR দিয়ে 56784 এবং SPARE দিয়ে 90847 বোঝায়, RULES দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?

সমাধান:
এখানে 
T → 1
O → 2
U → 3
R → 4

C → 5
L → 6
E → 7
A → 8
R → 4

S → 9
P → 0
A → 8
R → 4
E → 7

সুতরাং 
RULES  →  43679

৮১.
'X' চিত্রের পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'X' চিত্রের পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?


সমাধান:
সঠিক উত্তর: ঘ) 4

৮২.
গাছের একটি সারিতে একটি আমগাছ বাম দিক থেকে ১১তম এবং ডান দিক থেকে ১৫তম স্থানে আছে। ওই সারির ঠিক মাঝখানের গাছটি যেকোনো এক প্রান্ত থেকে কত নম্বর অবস্থানে আছে?
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
সঠিক উত্তর:
১৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩তম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: গাছের একটি সারিতে একটি আমগাছ বাম দিক থেকে ১১তম এবং ডান দিক থেকে ১৫তম স্থানে আছে। ওই সারির ঠিক মাঝখানের গাছটি যেকোনো এক প্রান্ত থেকে কত নম্বর অবস্থানে আছে?

সমাধান:
আমরা জানি,
মোট গাছের সংখ্যা = বাম দিক থেকে অবস্থান + ডান দিক থেকে অবস্থান - ১

∴ মোট গাছ = ১১ + ১৫ - ১
= ২৬ - ১
= ২৫টি

যেহেতু মোট ২৫টি গাছ আছে (বিজোড় সংখ্যা), তাই ঠিক মাঝখানে একটি গাছ থাকবে।

মাঝখানের গাছের অবস্থান = (মোট গাছের সংখ্যা + ১)/২
= (২৫ + ১)/২
= ২৬/২
= ১৩তম

৮৩.
'A' গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে 'Y' গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে?
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  3. উভয় দিকে
  4. স্থির থাকবে
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'A' গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে 'Y' গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে?


সমাধান:
'Y' গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে (Counter-clockwise) ঘুরবে।

'A' গিয়ার ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে B গিয়ার ক্রসিং বেল্ট দিয়ে যুক্ত থাকায় ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে

'C' গিয়ারটি 'B'এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকায় 'B'-এর বিপরীত দিকে অর্থাৎ, ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।

'D' গিয়ারটি 'C'-এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকায় ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

'Y' গিয়ারটি 'D'-এর সাথে সমান্তরাল বা ওপেন বেল্ট দিয়ে যুক্ত থাকায় দিক একই থাকবে অর্থাৎ, ঘড়ির কাঁটার দিকে।

সুতরাং, 'Y' গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

৮৪.
রাকিব A থেকে B পর্যন্ত পূর্ব দিকে 10 ফুট হাঁটল। তারপর সে ডানে মোড় নিয়ে 3 ফুট হাঁটল। পুনরায় সে ডানে মোড় নিয়ে 14 ফুট হাঁটল। সে এখন A থেকে কত দূরে আছে?
  1. 5 ফুট
  2. 8 ফুট
  3. 9 ফুট
  4. 13 ফুট
সঠিক উত্তর:
5 ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5 ফুট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রাকিব A থেকে B পর্যন্ত পূর্ব দিকে 10 ফুট হাঁটল। তারপর সে ডানে মোড় নিয়ে 3 ফুট হাঁটল। পুনরায় সে ডানে মোড় নিয়ে 14 ফুট হাঁটল। সে এখন A থেকে কত দূরে আছে?

সমাধান:

এখানে, A থেকে D বিন্দুর সোজাসুজি দূরত্ব নির্ণয় করতে হবে।

যদি আমরা A বিন্দু থেকে CD রেখার উপর একটি লম্ব AE অঙ্কন করি,
AE = BC = 3 ফুট
EC = AB = 10 ফুট

সুতরাং,
DE = CD - EC = 14 - 10 = 4 ফুট

এখন, ADE একটি সমকোণী ত্রিভুজ,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
AD2 = AE2 + DE2
⇒ AD2 = 32 + 42
⇒ AD2 = 9 + 16
⇒ AD2 = 25
⇒ AD = √25 = 5

অতএব, সে শুরুর বিন্দু A থেকে 5 ফুট দূরে আছে।

৮৫.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে?


সমাধান:
সঠিক উত্তর: গ) 3
"চিত্রটি ৯০ ডিগ্রি ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে (ACW) ঘোরে এবং এর একটি কালো উল্টানো প্রতিচ্ছবি এর উপরে বসানো হয়।"

৮৬.
একজন বিক্রয় প্রতিনিধির মাসিক আয় হলো তার মূল বেতন এবং বিক্রয়ের উপর প্রাপ্ত কমিশনের যোগফল। গত মাসে তার প্রাপ্ত কমিশন ছিল তার মূল বেতনের 5/4 অংশ। তার মোট আয়ের কত অংশ কমিশন থেকে এসেছে?
  1. 3/8
  2. 4/9
  3. 5/8
  4. 5/9
সঠিক উত্তর:
5/9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5/9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন বিক্রয় প্রতিনিধির মাসিক আয় হলো তার মূল বেতন এবং বিক্রয়ের উপর প্রাপ্ত কমিশনের যোগফল। গত মাসে তার প্রাপ্ত কমিশন ছিল তার মূল বেতনের 5/4 অংশ। তার মোট আয়ের কত অংশ কমিশন থেকে এসেছে?

সমাধান:
ধরি, বিক্রয় সহযোগীর মূল বেতন = x টাকা।

প্রশ্নমতে, তার প্রাপ্ত কমিশন = বেতনের 5/4 অংশ = 5x/4 টাকা।

সুতরাং, তার মোট আয় = মূল বেতন + কমিশন
= x + 5x/4
= (4x + 5x) / 4
= 9x/4 টাকা

এখন,
কমিশনের অংশ = কমিশন/মোট আয়
= (5x/4)/(9x/4)
= (5x/4) × (4/9x)
= 5/9

অতএব, তার মোট আয়ের 5/9 অংশ কমিশন থেকে এসেছে।

৮৭.
নিচের কোন শব্দটি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়? 
  1. Soft Power
  2. Necklace of Diamonds
  3. White Elephant
  4. Salami Slicing
সঠিক উত্তর:
White Elephant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
White Elephant
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) White Elephant।
- ভূ-রাজনীতিতে অন্যান্য শব্দগুলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, কৌশল বা প্রভাব বিস্তারের সাথে সরাসরি যুক্ত হলেও হোয়াইট এলিফ্যান্ট একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা।
- এটি একটি প্রবাদ বা বাগধারা যার অর্থ: ব্যয়বহুল কিন্তু অকেজো সম্পদ; যা রক্ষণাবেক্ষণে খরচ বেশি কিন্তু উপকার কম।
- উদাহরণ: "This unused stadium has become a white elephant for the city."

অন্যান্য অপশন:
ক) Soft Power: এটি একটি ভূ-রাজনৈতিক ধারণা যা বলপ্রয়োগ না করে সংস্কৃতি বা আদর্শের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারকে বোঝায়।
খ) Necklace of Diamonds: এটি ভারত কর্তৃক মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের স্ট্রিং অফ পার্লস নীতিকে প্রতিহত করার একটি ভূ-রাজনৈতিক কৌশল।
ঘ) Salami Slicing: এটি একটি ভূ-রাজনৈতিক কৌশল যেখানে কোনো দেশ ধীরে ধীরে ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ভূখণ্ড দখল করে।

৮৮.
As the vessel’s hull groaned under abyssal pressure, the captain’s __________ demeanor anchored the crew, preventing total bedlam.
  1. Effusive
  2. Mercurial
  3. Sangfroid
  4. Puerile
সঠিক উত্তর:
Sangfroid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sangfroid
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: (গ) Sangfroid

- এখানে বাক্যের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী চরম বিপদের মুহূর্তে (abyssal pressure) ক্যাপ্টেনের এমন একটি গুণের কথা বলা হয়েছে যা ক্রুদের শান্ত রাখতে সাহায্য করেছে এবং বিশৃঙ্খলা (bedlam) রোধ করেছে। Sangfroid শব্দটির অর্থ হলো কঠিন বা বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে শান্ত ও স্থির থাকা।

অন্যান্য অপশন:
ক) Effusive → অত্যধিক আবেগপ্রবণ, উচ্ছ্বাসপূর্ণ 
খ) Mercurial → চঞ্চল, অস্থির, মেজাজ খুব দ্রুত বদলায় 
ঘ) Puerile → শিশুসুলভ, বোকামিপূর্ণ, অপরিণত

৮৯.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 18
  2. 28
  3. 16
  4. 12
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
এখানে প্রতিটি সারিতে একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
প্রথম সংখ্যাটিকে তৃতীয় সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে প্রাপ্ত ভাগফলকে 2 দিয়ে গুণ করলে মাঝের সংখ্যাটি পাওয়া যায়।

প্রথম সারি:
(72 ÷ 6) × 2 = 12 × 2 = 24

দ্বিতীয় সারি:
(96 ÷ 12) × 2 = 8 × 2 = 16

তৃতীয় সারি:
(108 ÷ 18) × 2 = 6 × 2 = 12

সুতরাং, প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 12 বসবে।

৯০.
নিচের অক্ষরজোড়াগুলোর মধ্যে কোনটি ভিন্ন?
  1. XT
  2. RL
  3. JF
  4. PL
সঠিক উত্তর:
RL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RL
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের অক্ষরজোড়াগুলোর মধ্যে কোনটি ভিন্ন?

সমাধান:
ইংরেজি বর্ণমালায় অক্ষরগুলোর অবস্থান দেখি—

X (24), T (20) ⇒ পার্থক্য = 4
R (18), L (12) ⇒ পার্থক্য = 6
J (10), F (6) ⇒ পার্থক্য = 4
P (16), L (12) ⇒ পার্থক্য = 4

এখানে XT, JF এবং PL — এই তিনটি জোড়ায় অক্ষরগুলোর অবস্থানগত পার্থক্য 4
কিন্তু RL-এ পার্থক্য 6, যা অন্যদের সাথে মিলছে না।

RL ভিন্ন।

৯১.
নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
  1. 13
  2. 15
  3. 16
  4. 18
সঠিক উত্তর:
18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?


সমাধান:


একটি উপাদান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AHB, GHI, BJC, GFE, GIE, IJE, CEJ এবং CDE অর্থাৎ মোট 8টি।

দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: HEG, BEC, HBE, JGE এবং ICE — অর্থাৎ মোট 5টি।

তিনটি উপাদান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: FHE, GCE এবং BED — অর্থাৎ মোট 3টি।

চারটি উপাদান নিয়ে গঠিত মাত্র একটি ত্রিভুজ আছে, সেটি হলো AGC

নয়টি উপাদান নিয়ে গঠিত মাত্র একটি ত্রিভুজ আছে, সেটি হলো AFD

অতএব, প্রদত্ত চিত্রে মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = 8 + 5 + 3 + 1 + 1
= 18টি।

৯২.
একজন মহাকাশচারী একটি অতিদানবীয় ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের খুব কাছ দিয়ে পরিভ্রমণ করছেন, অন্যদিকে একজন বিজ্ঞানী অনেক দূর থেকে নিরাপদ দূরত্বে থেকে তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। মহাকাশচারী যদি তার নিজের হাতের ঘড়ি অনুযায়ী ঠিক ৫ মিনিট ধরে একটি কাজ সম্পাদন করেন, তবে দূরবর্তী ওই বিজ্ঞানীর ঘড়িতে সেই একই কাজের জন্য কত সময় রেকর্ড হবে?
  1. ৫ মিনিটের কম
  2. ঠিক ৫ মিনিট
  3. ৫ মিনিটের বেশি
  4. সময় স্থির হয়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
৫ মিনিটের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ মিনিটের বেশি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (গ) ৫ মিনিটের বেশি।

• আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (General Relativity) অনুযায়ী, মহাকর্ষীয় বল যত তীব্র হয়, সময় তত ধীর গতিতে চলে। একে Gravitational Time Dilation বলা হয়। ব্ল্যাক হোলের প্রচণ্ড মহাকর্ষের কারণে সেখানে থাকা অভিযাত্রীর ঘড়ি বাইরের দর্শকের তুলনায় অনেক ধীরে চলবে। তাই অভিযাত্রীর কাছে যা ৫ মিনিট, বাইরের বিজ্ঞানী যখন তা দেখবেন, তার ঘড়িতে সেটি অনেক বেশি সময় (কয়েক ঘণ্টা, দিন বা বছরও হতে পারে) বলে মনে হবে।

অন্যান্য অপশন:
- ৫ মিনিটের কম: তীব্র মহাকর্ষে সময় কখনো দ্রুত চলে না, বরং ধীর হয়ে যায়।
- ঠিক ৫ মিনিট: সময় পরম নয়; মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের পার্থক্যের কারণে সময় অবশ্যই ভিন্ন হবে।
- সময় স্থির হয়ে যাবে: সময় কেবল ব্ল্যাক হোলের 'Event Horizon'-এ গিয়ে স্থির বলে মনে হবে, কক্ষপথে থাকাকালীন নয়।

৯৩.
বোরের পরমাণু মডেল কোন মূল ধারণার উপর ভিত্তি করে উদ্ভাবিত? 
  1. পাউলির বর্জন সূত্র
  2. প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  3. আরহেনিয়াসের তড়িৎ বিযোজন তত্ত্ব
  4. ডাল্টনের পারমাণবিক তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• বোরের পরমাণু মডেল মূলত প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব এর উপর ভিত্তি করে উদ্ভাবিত। প্লাঙ্ক দেখিয়েছিলেন যে তাপীয় বিকিরণ নির্দিষ্ট পরিমাণের শক্তি “কোয়ান্টাম” আকারে নিঃসৃত হয়। এই ধারণা ব্যবহার করে নীলস বোর ১৯১৩ সালে হাইড্রোজেন পরমাণুর জন্য একটি নতুন মডেল প্রস্তাব করেন। বোরের মডেল অনুযায়ী, ইলেকট্রন নির্দিষ্ট স্থির কক্ষপথে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে পারে এবং এই কক্ষপথে অবস্থান করার সময় কোনো বিকিরণ নিঃসৃত হয় না। শুধুমাত্র ইলেকট্রন যখন একটি কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে স্থানান্তরিত হয়, তখনই নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি আলো বা ফোটনের আকারে নির্গত হয়। এটি কোয়ান্টাইজড শক্তির ধারণাকে পরমাণুর মধ্যে প্রয়োগ করার প্রথম পদক্ষেপ ছিল। তাই বোরের মডেল প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত।

- সঠিক উত্তর: খ) প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব। 

• বোরের পরমাণু মডেল (Bohr's Atomic Model):
- বোরের পরমাণু মডেল মূলত প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব এর ধারণার উপর ভিত্তি করে উদ্ভাবিত হয়।
- নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রনের কক্ষপথের শক্তি নির্দিষ্ট কোয়ান্টাম সংখ্যার (quantum number) মান অনুসারে নির্ধারিত হয়।
- ইলেকট্রন নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে এবং সেই কক্ষপথের মধ্যে অবস্থান পরিবর্তনের সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি গ্রহণ বা বিকিরণ করে।
- এটি পরমাণুর স্থায়িত্ব এবং তার বিকিরণ রশ্মি বর্ণনায় সহায়ক হয়েছে।
- বোরের মডেল ক্লাসিক্যাল বৈদ্যুতিক তত্ত্বের সীমাবদ্ধতা দূর করতে সাহায্য করেছে এবং পরমাণুর কোয়ান্টাইজড প্রকৃতি প্রকাশ করেছে।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

৯৪.
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে রক্তের কোন উপাদানটি স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়?
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. অনুচক্রিকা
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যা

• ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে শরীরে বিশেষ ধরনের ভাইরাস সংক্রমণ ঘটে, যা মূলত রক্তের শ্বেত রক্তকণিকা এবং প্লেটলেট (অনুচক্রিকা) কে প্রভাবিত করে। তবে ডেঙ্গুর সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রায়শই বিপজ্জনক লক্ষণ হলো প্লেটলেট বা অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যাওয়া। অনুচক্রিকা রক্ত জমে যাওয়া এবং রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডেঙ্গু ভাইরাস শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মাধ্যমে অনুচক্রিকার উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তাদের ধ্বংস বৃদ্ধি করে। এর ফলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে এবং হেমোরেজিক অবস্থার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়, যা চিকিৎসার জন্য বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন।

- সঠিক উত্তর: গ) অনুচক্রিকা। 

রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 
১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। পারপুরা: 
- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে, এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৪। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৫। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৬। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৫.
শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে কোন খাদ্য উপাদান?
  1. আমিষ
  2. খনিজ লবণ
  3. ভিটামিন
  4. শর্করা
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন
ব্যাখ্যা

• শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে ভিটামিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, এবং ভিটামিন এ ইমিউন সেলের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি ফলমূল ও সবজিতে থাকে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায় এবং ইমিউন সিস্টেমের ব্যালান্স বজায় রাখে। ভিটামিন এ চোখ, ত্বক ও শ্বেতরক্তকোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে পর্যাপ্ত ভিটামিন থাকা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, যাতে শরীর বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করতে পারে।

- সঠিক উত্তর: গ) ভিটামিন।
 
খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা: 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 
 
- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন: 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 
 
- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৬.
অম্লীয় মাটির pH কত হলে গাছপালা জীবিত থাকতে পারে না?
  1. 3
  2. 6
  3. 7
  4. 9
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

• গাছপালা সাধারণত মধ্যম বা হালকা অম্লীয় মাটিতেই ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়। মাটির pH যদি অত্যন্ত অম্লীয় হয়, যেমন pH ৩, তাহলে মাটিতে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান যেমন নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম গাছের জন্য গ্রহণযোগ্য অবস্থায় থাকে না। এছাড়া, অতিরিক্ত অম্লত্ব অনেক ধরনের ক্ষতিকারক ধাতু যেমন অ্যালুমিনিয়ামকে দ্রবীভূত করে, যা গাছের মূলের ক্ষতি করতে পারে। ফলে গাছপালা যথাযথভাবে বৃদ্ধি পায় না বা মৃত্যুবরণ করতে পারে। অন্যদিকে, pH ৬, ৭ বা ৯-এর মাটি সাধারণত গাছপালার জীবনের জন্য সহনীয় এবং পুষ্টি গ্রহণের জন্য উপযুক্ত। তাই অত্যন্ত অম্লীয় মাটিতে (pH ৩) গাছপালা বাঁচতে পারে না।

- সঠিক উত্তর: ক) 3

pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্বক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- অম্লীয় মাটিতে pH 4.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা মারা যায়। pH 5.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশী হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭.
দুটি আলোক রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল ও অন্ধকার অবস্থা সৃষ্টির ঘটনাকে কী বলে?
  1. বর্ণালী
  2. প্রতিসরণ
  3. ব্যতিচার
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
ব্যাখ্যা

• দুটি আলোক রশ্মির উপরের বা মিলিত অবস্থানে উজ্জ্বল এবং অন্ধকার অংশ তৈরি হওয়ার ঘটনা ব্যতিচার (ইন্টারফেরেন্স) নামে পরিচিত। যখন দুটি সমমিত বা সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর রশ্মি একসাথে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছায়, তখন তাদের তীব্রতার সংযোজন বা কমিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া ঘটে। একই ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তীব্রতা বাড়ে এবং উজ্জ্বল স্থান তৈরি হয়, যা উজ্জ্বল লব (Bright Fringe) নামে পরিচিত। অন্যদিকে বিপরীত ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তারা পরস্পরের প্রভাব কমিয়ে দেয়, ফলে অন্ধকার বা ডার্ক লব (Dark Fringe) তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গের প্রকৃতি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়, যা পদার্থবিদ্যায় আলো সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্যতিচার।
 
• ব্যতিচার (Interference):
- দুটি আলোক উৎস থেকে একই বিড়ারের এবং একই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো নির্গত হয়ে কোনো বিন্দুতে আপতিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোথাও উজ্জ্বল এবং কোথাও অন্ধকার সৃষ্টি হয়। আলোর এই উজ্জ্বলতার হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।
- সমদশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল বা চরম এবং বিপরীত দশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে অন্ধকার বা অবম-এর সৃষ্টি হয়। এটি একটি অবস্থানিক ঘটনা।

• ব্যতিচারের শর্তঃ-
১। উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে।
২। একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে।
৩। তরঙ্গ দুটির বিস্তার সমান হতে হবে।
৪। তরঙ্গ উৎস দুটি খুব কাছাকাছি হতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮.
Stainless steel-এর কম্পোজিশনে steel ছাড়া আর কী উপাদান মিশ্রিত আছে?
  1. তামা
  2. নিকেল
  3. সোডিয়াম
  4. ভ্যানাডিয়াম
সঠিক উত্তর:
নিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকেল
ব্যাখ্যা

• Stainless steel মূলত লোহা (iron) এবং কার্বনের মিশ্রণ, তবে এটিকে ক্ষয়রোধী এবং শক্তিশালী করতে অন্যান্য উপাদানও মিশ্রিত করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিকেল। নিকেল stainless steel-এর ক্রমবর্ধমান জং প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং নরম লৌহের তুলনায় দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে। এছাড়া কিছু stainless steel-এ ক্রোমিয়ামও মিশ্রিত থাকে, যা পৃষ্ঠকে অক্সিডেশন থেকে রক্ষা করে। অন্যদিকে, তামা, সোডিয়াম বা ভ্যানাডিয়াম সাধারণত stainless steel-এর প্রধান কম্পোজিশনে থাকে না। তাই প্রশ্নের চার অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) নিকেল, যা steel-এর সঙ্গে মিশে এটি আরও টেকসই এবং জং-প্রতিরোধী করে।

• সংকর ধাতু:
- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়।
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না।
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু।
যেমন - পিতলের মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং জিংক 35% থাকে।
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়।

যেমন-
• স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়।
• কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু।
• আবার, পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু।
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে। যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)।
 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৯.
ইলেকট্রন ভোল্ট কোন ফিজিক্যাল কোয়ান্টিটির জন্য ব্যবহার হয়?
  1. ধারকত্ব
  2. বিভব
  3. শক্তি
  4. আধান
সঠিক উত্তর:
শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রন ভোল্ট (eV) মূলত শক্তি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি একক। এটি একটি ছোট মানের শক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা পারমাণবিক এবং উপ-পরমাণবিক কণার ক্ষেত্রে সহজে বোঝা যায়। একটি ইলেকট্রন ভোল্ট হলো সেই শক্তি যা একটি একক ইলেকট্রন একটি ভোল্টের বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য অতিক্রম করলে অর্জন করে। বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং কণার শক্তি সংক্রান্ত সমস্যায় এই এককটি খুবই সুবিধাজনক, কারণ জুলের তুলনায় এটি খুব ছোট এবং কণার দিক থেকে প্রাকৃতিক। তাই ইলেকট্রন ভোল্ট শক্তি (Energy) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, ধারকত্ব, বিভব বা আধানের জন্য নয়।

- সঠিক উত্তর: গ) শক্তি।
 
• ইলেকট্রন ভোল্ট (Electron Volt):
- ইলেকট্রন ভোল্ট হলো একটি শক্তির একক, যা মূলত পরমাণুর ইলেকট্রন বা চার্জযুক্ত কণার শক্তি পরিমাপের জন্য ব্যবহার হয়।
- ১ ইলেকট্রন ভোল্ট (1 eV) হলো সেই শক্তি যা একটি ইলেকট্রন একটি ভোল্ট বিভব পার্থক্য অতিক্রম করার সময় অর্জন করে।
- এটি মূলত শক্তি সম্পর্কিত সমস্যা, যেমন- পরমাণুর আভ্যন্তরীণ শক্তি, আলোর ফোটন শক্তি, এবং ইলেকট্রনের কাইনেটিক শক্তি নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রন ভোল্ট ধারকত্ব, বিভব বা আধানের একক নয়।
- বিজ্ঞানী এবং প্রকৌশলী এটি ক্ষুদ্র শক্তি মান পরিমাপের জন্য ব্যবহার করে থাকেন, বিশেষ করে কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানে।  

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

১০০.
কোন পদার্থটি বায়োলজি ল্যাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়?
  1. টলুইন
  2. ফরমালিন
  3. গ্লুটারাল্ডিহাইড
  4. গ্লিসারিন
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
ব্যাখ্যা

• বায়োলজি ল্যাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য সাধারণত ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। ফরমালিন মূলত পানিতে দ্রবীভূত ফরমালডিহাইড, যা জীবন্ত কোষ ও টিস্যুর প্রোটিনকে কঠিন করে দেয় এবং জীবাণু নিধন করে। এর ফলে উদ্ভিদ ও প্রাণীর নমুনাগুলি দীর্ঘ সময় ধরে পচনরোধী অবস্থায় রাখা যায়। ফরমালিন নমুনার আকার, রঙ এবং কাঠামো বেশি পরিবর্তন না করে সংরক্ষণ করে, যা শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্য বিকল্প যেমন টলুইন, গ্লুটারাল্ডিহাইড বা গ্লিসারিনও ব্যবহৃত হয়, তবে প্রধান ও প্রচলিত সংরক্ষক হিসেবে ফরমালিনই সর্বাধিক কার্যকর এবং জনপ্রিয়। এটি বায়োলজি ল্যাবে নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে।
 
• উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত পদার্থ (Preservative in Biology Lab):
- বায়োলজি ল্যাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণ করার জন্য একটি রসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা পচন রোধ করে।
- এটি কোষ এবং টিস্যুর কাঠামো দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত রাখে।
- সাধারণত ব্যবহৃত কিছু সংরক্ষণকারী পদার্থ হলো: টলুইন, ফরমালিন, গ্লুটারাল্ডিহাইড, এবং গ্লিসারিন। 
- তবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং কার্যকরী পদার্থ হলো ফরমালিন।  
- ফরমালিন হলো ৩-৪% ফর্মালডিহাইড সমাধান যা জীবদেহের প্রোটিনকে স্থিতিশীল করে এবং পচন প্রক্রিয়া রোধ করে।  
- টলুইন মূলত রঙিন পদার্থের জন্য, গ্লুটারাল্ডিহাইড মাইক্রোবায়োলজি বা টিস্যু ফিক্সেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং গ্লিসারিন শোষণীয় বা আর্দ্রতা রোধে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি সংরক্ষণের জন্য নয়।  

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

১০১.
কোনটি  জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ?
  1. Cycas
  2. Pinus
  3. Netum
  4. Royal Plam
সঠিক উত্তর:
Cycas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cycas
ব্যাখ্যা

• জীবন্ত জীবাশ্ম বা “living fossil” হলো এমন উদ্ভিদ বা প্রাণী যা পৃথিবীতে বহু মিলিয়ন বছর ধরে কম পরিবর্তিত অবস্থায় টিকে আছে। এই প্রজাতিগুলি প্রায় প্রাচীন রূপে বর্তমানেও বিদ্যমান থাকে। প্রশ্নে যে চারটি উদ্ভিদ উল্লেখ করা হয়েছে, তার মধ্যে Cycas জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। Cycas উদ্ভিদটি প্রায় ২ কোটি বছরের বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে রয়েছে এবং এর গঠন ও জীবনচক্র প্রায় অপ্রচলিত অবস্থায় রয়ে গেছে। অন্যদিকে Pinus, Netum এবং Royal Palm তুলনামূলকভাবে আধুনিক উদ্ভিদ এবং জীবন্ত জীবাশ্মের সংজ্ঞায় পড়ে না। তাই প্রাচীন গঠন ও ইতিহাসের কারণে Cycas পরিচিত জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে।

• জীবন্ত জীবাশ্ম :
- বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

• Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ:
- এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল।
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত।
- এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে।
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদি কালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির।
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
আমাদের সৌরজগৎ কোন গ্যালাক্সিতে অবস্থিত?
  1. অ্যান্ড্রোমিডা
  2. প্রক্সিমা সেন্টোরি
  3. সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
  4. মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
ব্যাখ্যা

• আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে অবস্থিত। মিল্কিওয়ে একটি বিশাল স্পাইরাল আকারের গ্যালাক্সি, যার ব্যাস প্রায় ১,০০,০০০ আলোকবর্ষ এবং এতে কয়েকশ কোটি তারা রয়েছে। আমাদের সৌরজগৎ এই গ্যালাক্সির এক বাহ্যিক কক্ষপথে অবস্থান করছে, যা কেন্দ্রে থাকা সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল থেকে প্রায় ২৭,০০,০০০ আলোকবর্ষ দূরে। মিল্কিওয়ে ছায়াপথ হিসেবে পরিচিত, কারণ প্রাচীন মানুষ আকাশে এর আলোকিত রেখার মতো চিহ্ন দেখতে পেত। গ্যালাক্সিটি বিভিন্ন ধরনের তারা, গ্যাস ও ধূলিকণার সমন্বয়ে গঠিত। তাই সৌরজগৎ কোন অনন্য বা ছোট গ্যালাক্সির অংশ নয়, বরং এই বিশাল মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অন্তর্গত। উত্তর: ঘ) মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ।
 
• মহাবিশ্ব (Universe): 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- মহাবিশ্ব যে কত বড় তা কেউ জানে না এবং কেউ জানে না মহাবিশ্বের আকার বা আকৃতি কেমন। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। 
- গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি যেভাবে হয়েছে: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

• অন্যান্য অপশন:
- সোমব্রেরো গ্যালাক্সি: এটি একটি বিখ্যাত সর্পিলাকার গ্যালাক্সি, যা আমাদের মিল্কিওয়ে থেকে প্রায় ২৮ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- অ্যান্ড্রোমিডা: এটি আমাদের নিকটতম বৃহৎ প্রতিবেশী গ্যালাক্সি।
- প্রক্সিমা সেন্টোরি: এটি কোনো গ্যালাক্সি নয়, বরং আমাদের নিকটতম নক্ষত্র (সূর্য ছাড়া)।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

১০৩.
যদি কোনো বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করা হয়, ভরবেগের পরিবর্তনের মান কত হবে?
  1. অসীম
  2. ধ্রুব
  3. শূন্য
  4. উপরের যে কোনোটি হতে পারে 
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা

• যদি কোনো বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করা হয়, তাহলে সিস্টেমটি নিউটনের দ্বিতীয় আইন অনুসারে অভ্যন্তরীণ বলের মাধ্যমে ভরবেগের পরিবর্তন করতে পারে না। ভরবেগের পরিবর্তন একটি বস্তুতে বাহ্যিক বলের উপস্থিতির উপর নির্ভর করে, এবং বাহ্যিক বল শূন্য হলে ভরবেগের মান অপরিবর্তিত থাকে। তাই কোনো বাহ্যিক বল না থাকলে ভরবেগের পরিবর্তনের মান শূন্য হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) শূন্য। এটি লিনিয়ার মোমেন্টাম সংরক্ষণ নীতির সরাসরি ফল।

• ভরবেগের পরিবর্তন (Change in Momentum):
- ভরবেগ হলো কোনো বস্তুর ভরের সাথে তার গতিবেগের গুণফল।
- ভরবেগের পরিবর্তন ঘটে তখন, যখন কোনো বাহ্যিক বল প্রয়োগ করা হয়।
- যদি কোনো বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করা হয়, বস্তুর ভরবেগ অপরিবর্তিত থাকে।
- এর মানে হলো ভরবেগের পরিবর্তনের মান শূন্য হবে।
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ করা হলে ভরবেগ বাড়তে বা কমতে পারে, কিন্তু প্রশ্নে বলা হয়েছে কোন বাহ্যিক বল প্রয়োগ নেই।  

• ১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ "ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকা" তে বস্তুর ভর, গতি ও বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। এ তিনটি সূত্র নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত। 

নিউটনের সূত্র তিনটি। যথা:

প্রথম সূত্র:
- বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।

দ্বিতীয় সূত্র:
- কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।

তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।  

১০৪.
নিচের কোন ধরণের বন্ধনে অণুগুলির আকর্ষণশক্তি সবচেয়ে কম?
  1. ধাতব
  2. হাইড্রোজেন
  3. সমযোজী
  4. আয়নিক
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

• বন্ধনগুলির মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধনে অণুগুলির আকর্ষণ সবচেয়ে কম। হাইড্রোজেন বন্ধন অন্যান্য বন্ধনের তুলনায় খুব দুর্বল এবং কম স্থায়ী। আয়নিক, সমযোজী বা ধাতব বন্ধনের তুলনায় হাইড্রোজেন বন্ধনের শক্তি কম হওয়ায় অণুগুলির মধ্যে আকর্ষণও সর্বনিম্ন থাকে। উদাহরণস্বরূপ, জল অণুর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকলেও, এটি কেবল অপেক্ষাকৃত সামান্য শক্তি প্রদান করে এবং সহজে ভেঙে যায়। তাই বন্ধনের শক্তির ক্রম হয়: আয়নিক > সমযোজী > ধাতব > হাইড্রোজেন। এই কারণে হাইড্রোজেন বন্ধন অণুগুলিকে একে অপরের সাথে সবচেয়ে কম টান ধরে রাখে।

 • বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক বন্ধন:
- রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে পরমাণু বা অণু একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
- বন্ধনের শক্তি নির্ভর করে পরমাণু বা আয়নের মধ্যে আকর্ষণ বলের উপর।
- বিভিন্ন বন্ধনের ক্ষেত্রে এই আকর্ষণ শক্তি ভিন্ন ভিন্ন হয়।

• আয়নিক বন্ধন (Ionic Bond):
- আয়নিক বন্ধনে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে শক্তিশালী তড়িৎস্থিতিক আকর্ষণ থাকে।
- এই আকর্ষণ বল খুব শক্তিশালী হওয়ায় আয়নিক বন্ধন অত্যন্ত স্থিতিশীল।
- তাই আয়নিক বন্ধনে আকর্ষণশক্তি সবচেয়ে বেশি।

• সমযোজী বন্ধন (Covalent Bond):
- সমযোজী বন্ধনে পরমাণুগুলি ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে।
- ইলেকট্রন ভাগাভাগির কারণে পরমাণুগুলির মধ্যে যথেষ্ট শক্তিশালী আকর্ষণ সৃষ্টি হয়।
- আয়নিক বন্ধনের তুলনায় এটি কিছুটা দুর্বল হলেও যথেষ্ট স্থিতিশীল।

• ধাতব বন্ধন (Metallic Bond):
- ধাতব বন্ধনে ধাতব আয়ন ও মুক্ত ইলেকট্রনের মধ্যে আকর্ষণ থাকে।
- এই আকর্ষণ সমযোজী ও আয়নিক বন্ধনের তুলনায় তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
- তবুও এটি হাইড্রোজেন বন্ধনের চেয়ে শক্তিশালী।

• হাইড্রোজেন বন্ধন (Hydrogen Bond):
- হাইড্রোজেন বন্ধন একটি দুর্বল আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল।
- এটি মূলত অণুর মধ্যে সৃষ্টি হয়, পরমাণুর মধ্যে নয়।
- এই বন্ধনের স্থায়িত্ব কম এবং বন্ধন শক্তি তুলনামূলকভাবে খুব দুর্বল।
- তাই সকল বন্ধনের মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধনে আকর্ষণশক্তি সবচেয়ে কম।

• বন্ধনের আকর্ষণ শক্তির ক্রম:
- আয়নিক বন্ধন > সমযোজী বন্ধন > ধাতব বন্ধন > হাইড্রোজেন বন্ধন। 

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

১০৫.
হৃদপিণ্ডের বাইরে আচ্ছাদিত করা পাতলা ঝিল্লিটিকে কী নামে চিহ্নিত করা হয়?
  1. মায়োকার্ডিয়াম
  2. এপিকার্ডিয়াম
  3. পেরিকার্ডিয়াম
  4. এন্ডোকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা

• হৃদপিণ্ডের বাইরে থাকা পাতলা ঝিল্লিটিকে পেরিকার্ডিয়াম বলা হয়। এটি একটি দোতলা ঝিল্লি যা হৃদপিণ্ডকে ঘিরে রাখে এবং রক্ষা করে। পেরিকার্ডিয়ামের বাইরের স্তরটি শক্ত এবং ফাইব্রাস দিয়ে গঠিত, যা হৃদপিণ্ডকে শারীরিক আঘাত থেকে রক্ষা করে, আর ভিতরের স্তরটি সেরোস ঝিল্লি, যা হৃদপিণ্ডের পৃষ্ঠের সাথে সংযুক্ত। এই ঝিল্লি হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক গতিশীলতা নিশ্চিত করে এবং তার চারপাশে ছোট পরিমাণের তরল রাখে, যা ঘর্ষণ কমায়। তাই হৃদপিণ্ডের বাইরের এই ঝিল্লিটিকে পেরিকার্ডিয়াম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) পেরিকার্ডিয়াম।

হৃদপিণ্ডের আবরণ:
- হৃদপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত।
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে।
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- পেরিকার্ডিয়াম হৃদপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
- হৃদপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে।
- হৃদপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে।

হৃদপিণ্ডের প্রাচীর:
- অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি (Cardiac muscle) বলে।
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট।
যেমন -
ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium):
- এটি হৃদপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি।
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে।

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium):
- এটি হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium):
- এটি হৃদপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃদকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃদপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
নিচের কোনটি একটি সফট কপি আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. মনিটর
  2. প্রিন্টার
  3. প্লটার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মনিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিটর
ব্যাখ্যা

• সফট কপি আউটপুট ডিভাইস হলো এমন একটি ডিভাইস যা তথ্য প্রদর্শন করে কিন্তু সরাসরি কাগজে ছাপায় না। এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহারকারীকে তথ্য দেখতে সাহায্য করে, কিন্তু স্থায়ী রেকর্ড তৈরি করে না। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে মনিটর একটি সফট কপি আউটপুট ডিভাইস। মনিটর কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত তথ্যকে আলোর মাধ্যমে ডিসপ্লেতে দেখায়, যা ব্যবহারকারী পর্যবেক্ষণ করতে পারে। অন্যদিকে, প্রিন্টার এবং প্লটার হার্ড কপি আউটপুট ডিভাইস, কারণ তারা তথ্যকে কাগজে ছাপিয়ে স্থায়ী রেকর্ড তৈরি করে।সুতরাং, সফট কপির উদাহরণ হিসেবে মনিটরই সঠিক উত্তর।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস:
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস:
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

১০৭.
গুগল শিটস থেকে এক্সেল ফরম্যাটে ফাইল ডাউনলোড করলে ডিফল্ট এক্সটেনশন কোনটি হবে?
  1. .docx
  2. .csv
  3. .xlsx
  4. .txt
সঠিক উত্তর:
.xlsx
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.xlsx
ব্যাখ্যা

গুগল শিটস হলো একটি ক্লাউড ভিত্তিক স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন। যখন কোনো ব্যবহারকারী এই শিটটিকে অফলাইনে ব্যবহারের জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল ফরমেটে ডাউনলোড করেন, তখন এটি আধুনিক এক্সেল ফাইল ফরমেট .xlsx এক্সটেনশন হিসেবে কম্পিউটারে জমা হয়।
- এটি স্প্রেডশিটের গাণিতিক সূত্র ও ফরমেটিং বজায় রাখে।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:

1. Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.

2. Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets.

3. Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৮.
কোন উপায়ে ট্রোজান হর্স সাধারণত একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হয়?
  1. ইউজার পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের মাধ্যমে
  2. সফটওয়্যার আপডেট করে
  3. স্বয়ংক্রিয় প্রতিলিপি তৈরির মাধ্যমে
  4. ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়ায়।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) বা ট্রোজান ভাইরাস নিজে নিজে ছড়াতে পারে না (যা ওয়ার্ম পারে)। হ্যাকাররা সাধারণত লোভনীয় কোনো অফার বা জরুরি ফাইলের ছদ্মবেশে এটি ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে পাঠায়। ব্যবহারকারী সেই ফাইলটি ডাউনলোড বা ওপেন করলেই ট্রোজানটি সক্রিয় হয়ে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৯.
এইচটিএমএল (HTML) মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
  2. ওয়েব পেজের স্টাইল তৈরি করা 
  3. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং করা 
  4. ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
ব্যাখ্যা

• HTML-এর মূল ব্যবহার ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা। এটি একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কোন উপাদান কীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। HTML দিয়ে আমরা প্যারাগ্রাফ, হেডিং, তালিকা, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি উপাদান তৈরি করতে পারি। এটি ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং শুধুমাত্র কনটেন্টের কাঠামো নির্ধারণ করে; স্টাইলিং বা ফাংশনালিটি যোগ করতে CSS এবং JavaScript ব্যবহার করা হয়। তাই HTML-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজে তথ্য এবং উপাদানগুলোর সঠিক কাঠামো গঠন করা, যা ব্যবহারকারীরা সহজে দেখতে এবং পড়তে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা।

• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

১১০.
TCP প্রোটোকলের প্রধান কাজ কী?
  1. ডাটা প্যাকেটের গন্তব্য পথ নির্ধারণ করা
  2. ব্রাউজারে ওয়েব পেজ প্রদর্শন করা
  3. ডোমেইন নেমকে আইপি-তে রূপান্তর করা
  4. ডাটা প্যাকেট করা ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো
সঠিক উত্তর:
ডাটা প্যাকেট করা ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা প্যাকেট করা ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো
ব্যাখ্যা

• TCP (Transmission Control Protocol) হলো কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রোটোকল যা বড় আকারের ডাটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বা সেগমেন্টে বিভক্ত করে। এর প্রধান বিশেষত্ব হলো এটি ডাটা গন্তব্যে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা দেয়; যদি কোনো প্যাকেট পথে হারিয়ে যায়, তবে এটি তা পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করে এবং প্যাকেটের সঠিক ক্রম বজায় রাখে।

• TCP প্রোটোকলের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ওএসআই (OSI) মডেলের চতুর্থ স্তর বা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে কাজ করে।
- ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে কানেকশন স্থাপন করে যা থ্রি-ওয়ে হ্যান্ডশেক নামে পরিচিত।
- একটি নির্ভরযোগ্য প্রোটোকল কারণ এটি ডাটা প্রাপ্তির পর অ্যাকনলেজমেন্ট (Acknowledgement) প্রদান করে।
- ডাটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক সিকোয়েন্স বা ক্রমানুসারে সাজাতে সাহায্য করে যাতে তথ্য এলোমেলো না হয়।
- ফ্লো কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে যাতে রিসিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।

অন্যান্য অপশন:
- ডাটা প্যাকেটগুলোর সঠিক গন্তব্য পথ খুঁজে বের করা: এটি মূলত আইপি (IP - Internet Protocol) এর কাজ, যা নেটওয়ার্ক লেয়ারে রাউটিং সম্পন্ন করে।
- ওয়েব পেজ ব্রাউজারে প্রদর্শন করা: এটি ওয়েব ব্রাউজারের (যেমন- ক্রোম বা ফায়ারফক্স) কাজ, কোনো ট্রান্সপোর্ট প্রোটোকলের নয়।
- ডোমেইন নেমকে আইপি-তে রূপান্তর করা: এটি ডিএনএস (DNS - Domain Name System) এর কাজ।

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

১১১.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে প্রধানত ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
  2. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  3. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  4. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, চিহ্ন এবং প্রতীক সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করলে অ্যাপ্লিকেশনে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি কিংবা যেকোনো ভাষার লেখা ঠিকমতো দেখা যায়। ইউনিকোড ব্যবহার না করলে ভাষাগত অক্ষরগুলোর অবস্থান, চিহ্ন এবং ফন্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করে। তাই মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপাররা ইউনিকোডকে অগ্রাধিকার দেন, যাতে টেক্সট সব প্ল্যাটফর্মে এবং ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১২.
ডাটাবেজে 'Many-to-Many' রিলেশন বাস্তবায়নে কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. Composite Primary Key
  2. Junction Table
  3. Self-referencing Table
  4. Foreign Key
সঠিক উত্তর:
Junction Table
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Junction Table
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে দুটি টেবিলের মধ্যে সরাসরি 'Many-to-Many' রিলেশন তৈরি করা সম্ভব নয়। এই সম্পর্কটি বাস্তবায়নের জন্য মাঝখানে একটি তৃতীয় টেবিলের প্রয়োজন হয়, যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়। এটি মূল দুটি টেবিলের প্রাইমারি কি-গুলোকে ফরেন কি হিসেবে ধারণ করে দুটি 'One-to-Many' রিলেশন তৈরির মাধ্যমে many-to-many সম্পর্ক স্থাপন করে।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৩.
নিচের কোন সার্চ ইঞ্জিনটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং ট্র্যাকিং না করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয়?
  1. Yandex
  2. Baidu
  3. DuckDuckGo
  4. Bing
সঠিক উত্তর:
DuckDuckGo
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DuckDuckGo
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) DuckDuckGo.
- অধিকাংশ জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন (যেমন: গুগল বা বিং) ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি এবং ব্যক্তিগত তথ্য ট্র্যাক করে প্রোফাইল তৈরি করে। কিন্তু DuckDuckGo এমন একটি 'প্রাইভেসি ফোকাসড' সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর আইপি অ্যাড্রেস বা ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে না এবং কোনো থার্ড-পার্টি ট্র্যাকার ব্যবহার করে না।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর প্রোফাইল তৈরি এবং পার্সোনালাইজড রেজাল্ট দেখানোর জন্য ট্র্যাকিং করে।
- Yandex রাশিয়ার জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর ডেটা ট্র্যাক করে এবং বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য তথ্য ব্যবহার করে।
- Baidu: এটি চীনের প্রধান সার্চ ইঞ্জিন যা সে দেশের সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে তথ্য নিয়ন্ত্রণ ও ট্র্যাকিং করে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১১৪.
ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলবিশিষ্ট নেটওয়ার্কসমূহকে একত্রে যুক্ত করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্রিজ
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. হাব
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: খ) গেটওয়ে।
গেটওয়ে হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার বা প্রোটোকল বিশিষ্ট দুটি নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ডাটা প্যাকেটকে এক প্রোটোকল থেকে অন্য প্রোটোকলে রূপান্তর বা ট্রান্সলেশন করতে পারে।

​• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৫.
আধুনিক 'ফেস রিকগনিশন' সিস্টেমের উচ্চতর নির্ভুলতার পেছনে কোন প্রযুক্তিটি কাজ করে?
  1. Recurrent Neural Network
  2. Generative Adversarial Network
  3. Convolutional Neural Network
  4. Blockchain Technology
সঠিক উত্তর:
Convolutional Neural Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Convolutional Neural Network
ব্যাখ্যা

• Convolutional Neural Network (CNN)। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি বিশেষায়িত শাখা যা মূলত ডিজিটাল ইমেজ বা ছবি বিশ্লেষণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সিএনএন ছবির পিক্সেলগুলো থেকে মানুষের চেহারার সূক্ষ্ম জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য এবং প্যাটার্নগুলো ধাপে ধাপে শনাক্ত করতে পারে, যা ফেস রিকগনিশনকে অত্যন্ত নিখুঁত করে তোলে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

AI মডেলগুলোর বৈশিষ্ট্য:
- CNN ((Convolutional Neural Network): এটি গ্রিড ডেটা বা ছবির পিক্সেল বিশ্লেষণে পারদর্শী এবং চেহারার সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে।
- RNN (Recurrent Neural Network): এটি টেক্সট অনুবাদ (Google Translate) বা কথা থেকে লেখা (Speech-to-Text) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- GAN (Generative Adversarial Network): এটি নতুন কৃত্রিম ছবি বা ডেটা তৈরি (যেমন ডিপফেক) করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল কাজ চেহারা শনাক্তকরণ নয়।
- ANN (Artificial Neural Network): এটি মানুষের মস্তিষ্কের সাধারণ কাজের অনুকরণে ডেটা ক্লাসিফিকেশন বা প্রিডিকশন করে।

Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

১১৬.
(.F5D)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. (.7535)8
  2. (.7625)8
  3. (.7484)8
  4. (.7545)8
সঠিক উত্তর:
(.7535)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(.7535)8
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 থেকে 9 পর্যন্ত অঙ্কের পর 10 থেকে 15 পর্যন্ত মানগুলোকে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী: A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15।
- সুতরাং, F = 15 এবং D = 13.

•  হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে রূপান্তরের জন্য প্রথমে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল ডিজিটকে 4-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করতে হয় এবং এরপর সেই বাইনারি মানকে 3-বিট করে সাজিয়ে অক্টাল মান বের করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৭.
নিচের কোনটি CPU-এর 'L1 Cache'-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. এটি সরাসরি প্রসেসর কোরের ভেতর থাকে
  2. এটি ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি
  3. এটি র‍্যাম অপেক্ষা অধিক এক্সেস টাইম সম্পন্ন
  4. সেকেন্ডারি মেমোরি এবং র‍্যামের মধ্যে বাফার হিসেবে কাজ করে
সঠিক উত্তর:
এটি সরাসরি প্রসেসর কোরের ভেতর থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি সরাসরি প্রসেসর কোরের ভেতর থাকে
ব্যাখ্যা

• L1 ক্যাশ বা লেভেল ১ ক্যাশ হলো কম্পিউটারের দ্রুততম মেমোরি যা প্রসেসর চিপের (Die) একদম ভেতরে বা কোরের খুব কাছে অবস্থিত। এটি প্রসেসরকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডেটা সরবরাহ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।• 

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory কেন প্রয়োজনতা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।

১১৮.
'Object-Oriented Programming' (OOP)-এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
  1. টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ
  2. এনক্যাপসুলেশন
  3. গ্লোবাল ডেটা শেয়ারিং
  4. ফাংশনাল ডিকম্পোজিশন
সঠিক উত্তর:
এনক্যাপসুলেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনক্যাপসুলেশন
ব্যাখ্যা

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) এর চারটি মূল স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্য রয়েছে: এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation), ইনহেরিটেন্স (Inheritance), পলিমরফিজম (Polymorphism) এবং অ্যাবস্ট্রাকশন (Abstraction)। এনক্যাপসুলেশন বলতে ডেটা এবং সেই ডেটা নিয়ে কাজ করা মেথডগুলোকে একটি একক ইউনিট বা 'ক্লাস'-এর মধ্যে আবদ্ধ রাখাকে বোঝায়।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation) I

অন্যান্য অপশন:
- টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং মূলত বটম-আপ পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করে।
- গ্লোবাল ডেটা শেয়ারিং: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং-এ নিরুৎসাহিত করা হয় কারণ এটি ডেটা সিকিউরিটি বা এনক্যাপসুলেশন নীতির পরিপন্থী।
- ফাংশনাল ডিকম্পোজিশন: প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য যেখানে কাজকে ছোট ছোট ফাংশনে ভাগ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৯.
ফার্মওয়্যার আপডেট করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. Debugging
  2. Compiling
  3. Formatting
  4. Flashing
সঠিক উত্তর:
Flashing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flashing
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রোগ্রাম। ফার্মওয়্যার আপডেট বলতে বোঝায় ডিভাইসের এই প্রোগ্রামকে নতুন বা সংশোধিত সংস্করণে আপগ্রেড করা, যাতে ডিভাইস আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, বাগ ঠিক করা যায় বা নতুন ফিচার যোগ করা যায়। ফার্মওয়্যার আপডেট করার প্রক্রিয়াকে সাধারণত “Flashing” বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পুরনো ফার্মওয়্যার মুছে ফেলা হয় এবং নতুন ফার্মওয়্যার মেমরিতে লেখা হয়। তাই ডিবাগিং, কম্পাইলিং বা ফরম্যাটিং নয়, বরং ফার্মওয়্যার আপডেটের সঠিক নাম হলো Flashing। এটি ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১২০.
'SWIFT' নেটওয়ার্কের প্রধান কাজ বা উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ব্যাংকগুলিকে ঋণ প্রদান করা
  2. ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
  3. একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজ করা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন পরিচালনা করা
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
ব্যাখ্যা

• SWIFT-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা। এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা স্টক এক্সচেঞ্জ নয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে অর্থমূলক বার্তা আদানপ্রদান করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, লোন বা অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিরাপদে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়। তাই এটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সেক্টরে লেনদেনের নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১২১.
মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র বিদেশি হিসেবে 'বীর প্রতীক' খেতাব পান কে?
  1. সাইমন ড্রিং
  2. ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
  3. এডওয়ার্ড কেনেডি
  4. জর্জ হ্যারিসন
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র বিদেশি হিসেবে 'বীর প্রতীক' খেতাব পান ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ড।
- ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ড ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

মুক্তিযুদ্ধ:

- বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ডকে বীর প্রতীক উপাধি দেয়া হয়।
- ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ড ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।
- ওডারল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকায় বাটা সু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে ওডারল্যান্ড ১৯৭০ সালের শেষের দিকে প্রথম ঢাকায় আসেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গেরিলা কমান্ডো হিসেবে স্বীয় অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এবং স্বয়ং ২নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা শাখার সক্রিয় সদস্যরূপে অকুতোভয় ওডারল্যান্ড বাটা ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণসহ টঙ্গীর কয়েকটি গোপন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত গেরিলা রণকৌশলের প্রশিক্ষণ দিতেন।
- উইলিয়ম ওডারল্যান্ড ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত ঢাকায় বাটা সু কোম্পানিতে চাকুরিরত ছিলেন।
- পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় পার্থের এক হাসপাতালে ২০০১ সালের ১৮ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু খ্যাতনামা সাংবাদিক সাইমন ড্রিং।
- এডওয়ার্ড কেনেডি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন নানা দেশের অজস্র সহমর্মী মানুষ। যুদ্ধের মাঠে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে, শরণার্থী শিবিরে, প্রতিবাদে বা জনমত গঠনে কঠিন সেই সময়ে তাঁরা ভূমিকা রেখেছেন।
- জর্জ হ্যারিসন ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ সঙ্গীতশিল্পী যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ» আয়োজন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২২.
প্রাচীন 'বঙ্গ' জনপদটি বর্তমানে কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?
  1. খুলনা ও যশোর
  2. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
  3. রাজশাহী ও পাবনা
  4. ফরিদপুর ও  পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর ও  পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর ও  পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

- প্রাচীন 'বঙ্গ' জনপদটি বর্তমানে ফরিদপুর ও  পটুয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল ।

বঙ্গ:

- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে বঙ্গ বলে একটি জাতি বাস করত।
- তাই জনপদটি পরিচিত হয় বঙ্গ নামে।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গে দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর আর অন্যটি নাব্য। 
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- প্রাচীন বঙ্গ জনপদ ছিল খুব শক্তিশালী অঞ্চল।
- বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তারের প্রাথমিক পর্যায়েও 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলকে বোঝানো হতো।

এছাড়াও, 
- কুমিল্লা ও নোয়াখালী সমতট জনপদের অন্তর্ভূক্ত ছিল।
- বর্তমান কুমিল্লা জেলার লালমাই এলাকা ছিল এ অঞ্চলের মূল কেন্দ্র।
- বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং সম্ভবত পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইহিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১২৩.
'জলকেলি' উৎসব কাদের সংস্কৃতির অংশ?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা 
  3. সাঁওতাল
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- রাখাইনদের বসবাস পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায়।
- রাখাইনদের আদিনিবাস মিয়ানমার।
- রাখাইনদের ধর্ম বৌদ্ধ।

অন্যদিকে:
- চাকমা: প্রধান উৎসবের নাম বিজু (এটি মূলত তিন দিনব্যাপী পালিত হয়— ফুল বিজু, মূল বিজু এবং নুজ্যা পিদ্যা বা গোজ্যাপোজ্যা দিন)।
- ত্রিপুরা: এদের প্রধান উৎসবের নাম বৈসু।
সাঁওতাল: এদের প্রধান উৎসবের নাম সোহরাই (এটি মূলত ফসল কাটার উৎসব)। এছাড়া তারা 'বাহা' উৎসবও বেশ ঘটা করে পালন করে।
- ওয়ানগালা হচ্ছে গারো সম্প্রদায়ের একটি নবান্ন উৎসব।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।

উল্লেখ্য যে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের এই উৎসবগুলোকে একত্রে 'বৈসাবি' (বৈসু, সাঙ্গ্রাই ও বিজু) বলা হয়।


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি ও প্রথম আলো।

১২৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ’কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি ' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১০
  2. অনুচ্ছেদ-১৪
  3. অনুচ্ছেদ-১২
  4. অনুচ্ছেদ-১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে-এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।
-  সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১০ নং অনুচ্ছেদে 'সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের শোষণমুক্ত, ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২৫.
ভাষা আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. আবুল কাসেম
  2. শাহেদ আলী
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা

- ভাষা আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন শাহেদ আলী।
- সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

তমদ্দুন মজলিশ:

- তমদ্দুন মজলিশের মুখপাত্র ছিলো সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী।

১২৬.
লর্ড ডালহৌসি প্রবর্তিত 'স্বত্ববিলোপ নীতি'র মাধ্যমে প্রথম কোন রাজ্যটি ব্রিটিশরা দখল করে?
  1. অযোধ্যা
  2. নাগপুর
  3. সাতারা
  4. ঝাঁসি
সঠিক উত্তর:
সাতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতারা
ব্যাখ্যা

- লর্ড ডালহৌসি প্রবর্তিত 'স্বত্ববিলোপ নীতি' (Doctrine of Lapse) অনুসারে ব্রিটিশরা প্রথম যে রাজ্যটি দখল করে সাতারা।
- ১৮৪৮ সালে, যখন সেখানকার রাজা কোনো বৈধ পুরুষ উত্তরাধিকারী না রেখে মারা যান। এটি ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য ডালহৌসির একটি প্রধান কৌশল, যার মাধ্যমে একাধিক রাজ্য ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। 

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ:

- স্বত্ববিলোপ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ডালহৌসী প্রথমেই ব্রিটিশ প্রভাবাধীন সাতারা রাজ্যটি দখল করেন ১৮৪৮ খ্রিঃ,
- এরপর ১৮৫৩ সালে নাগপুরের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে তাঁর রাজ্যটি গ্রাস করা হয়, এক্ষেত্রে ডালহৌসীর যুক্তি ছিল যে, নাগপুর রাজ্যটি নাকি ইংরেজরাই সৃষ্টি করেছিল।
- ঝাঁসির রাজা গঙ্গাধর রাও-এর প্রয়াণ হলে ডালহৌসী তাঁর দত্তক পুত্রকে মেনে নিতে রাজি হলেন না এবং ঝাঁসির রানির মতামতকে উপেক্ষা করেই ঝাঁসি রাজ্যটি দখল করা হল।
এছাড়া ভগৎপুর, করৌলী, সম্বলপুর, উদয়পুর, বাগৎ প্রভৃতি রাজ্যগুলি একই কারণে গ্রাস করা হয়, যদিও উদয়পুর কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য ছিল না।

উৎস: দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস ১ম পত্র বই, বাংলাপিডিয়া।

১২৭.
সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগ 'রিট' (Writ) জারি করতে পারে?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  4. বর্নিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

- সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ  'রিট' (Writ) জারি করতে পারে।

- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্ট তা বলবত করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যাচলোনাকে কার্যকর করতে পারে, যা হাইকোর্ট বিভাগের 'রিট এখতিয়ার' নামে পরিচিত।

রিট (Writ) জারি:

- রিট শব্দটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত আদেশ।
- রিট হল এমন এক আদেশ যার মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হত বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে।
- সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিকার প্রাপ্তির জন্য যে পিটিশন দায়ের করে, তা রিট পিটিশন নামে পরিচিত।
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্ট তা বলবত করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যাচলোনাকে কার্যকর করতে পারে, যা হাইকোর্ট বিভাগের 'রিট এখতিয়ার' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ  খান।

১২৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী প্রথমবারের মতো কোন জনগোষ্ঠীকে আলাদাভাবে গণনা করা হয়েছে?
  1. প্রতিবন্ধী ব্যক্তি
  2. প্রবাসী বাংলাদেশী
  3. তৃতীয় লিঙ্গ 
  4. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় লিঙ্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় লিঙ্গ 
ব্যাখ্যা

- জনশুমারি ২০২২ -এ প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীকে  আলাদাভাবে গণনা করা হয়েছে।
- তৃতীয় লিঙ্গ জনসংখ্যা-  ৮,১২৪ জন
- যা মোট জনসংখ্যার ০.০০৫%।

এছাড়াও, 
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত মোট জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ যার মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যার মধ্যে সর্বাধিক ৯,৯১,০১৩ জন চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস করে।

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১২৯.
১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের সীমানা নির্ধারণী কমিশনের প্রধান কে ছিলেন?
  1. স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
  2. ক্লিমেন্ট এটলি
  3. স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস
  4. লর্ড ওয়েভেল
সঠিক উত্তর:
স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের সীমানা নির্ধারণী কমিশনের প্রধান ছিলেন স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ।
- স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ নেতৃত্বেই ভারত ও পাকিস্তানের বর্তমান সীমানা রেখা (Radcliffe Line) টানা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
• ১৯৪৭ সালের ৩০ জুন পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমানা নির্ধারণের জন্যে বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনের সদস্য ছিলো পাঁচজন। এরা হলেন-
- সিরিল রেডক্লিফ (চেয়ারম্যান)
- বিচারপতি বিজন কুমার মুখার্জী
- বিচারপতি সি.সি. বিশ্বাস
- বিচারপতি আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
- বিচারপতি এস.এ. রহমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড।

১৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৭০ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৪৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৪২ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দশম ভাগের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা বর্ণিত আছে।
- ১৪২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও -
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা
সংশোধিত হতে পারবে:

তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরুপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হক] ব বলে স্পষ্টরুপে উল্লেখ না থাকলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরুপ কোন বিলে সম্মতিদানের
জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন, এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৫৩ (১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে ইহা বলবৎ হইবে, যাহাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে।
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি কথা বলা হয়েছে।
- ৭০ নং অনুচ্ছেদ:  রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩১.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কে 'র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার'(Ramon Magsaysay Award) লাভ করেন?
  1. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  2. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
  3. ড. জাফর ইকবাল
  4. তহফুন নেসা আবদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
তহফুন নেসা আবদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তহফুন নেসা আবদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

 - বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম  'র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।(১৯৭৮)
-  বাংলাদেশের ১৩তম র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (২০২৩) বিজয়ী ব্যক্তি হলেন করভি রাকসান্দ।

'ম্যাগসেসে পুরস্কার':
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম 'র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।

- তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে।
- তিনি প্রধানত নারী সমবায় সমিতি গঠন ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করেন।
- পুরস্কারের ধরন: সমাজসেবা/কমিউনিটি লিডারশিপ।
- পরিচিতি: এশিয়ার নোবেলখ্যাত এই পুরস্কার ফিলিপাইনের ম্যানিলাভিত্তিক ফাউন্ডেশন থেকে দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন।
- তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ (১৯৭৮)।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪)।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫)।
- রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭)।
 - মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮)।
- অ্যাঞ্জেলা গোমেজ এ পুরস্কার পান ১৯৯৯ সালে।
- অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে।
- মতিউর রহমান ২০০৫ সালে
- এম নোমান খান ২০১০ সালে।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে।
- বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১ সালে।
- বাংলাদেশের ১৩তম র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (২০২৩) বিজয়ী ব্যক্তি হলেন করভি রাকসান্দ।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১৩২.
’গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স- ২০২৫’ এ দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম? 
  1. ২য়
  2. ৪র্থ
  3. ১ম
  4. ৩য় 
সঠিক উত্তর:
১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম
ব্যাখ্যা

- গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স'- ২০২৫ এ দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- বিশ্বের ১৪৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২৪তম স্থানে। 
- অঞ্চলগতভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় (সাতটি দেশের মধ্যে) সবার ওপরে রয়েছে বাংলাদেশ।
- এরপরে যথাক্রমে রয়েছে—ভুটান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভারত, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান।

গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২৫:

- ২০২৫ সালের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট অনুযায়ী, লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ আইসল্যান্ড।
- সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে পাকিস্তান (১৪৮তম)।
- প্রকাশক: World Economic Forum.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, শীর্ষ অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড।
- প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২৪তম।
- মূলত চারটি মাপকাঠির ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এগুলো হলো: অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ,
শিক্ষাগত অর্জন, স্বাস্থ্য ও আয়ু, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।

উৎস: Global Gender Gap Report 2025. এবং প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১৩৩.
ওষুধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের 'অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট' (API) পার্ক কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ভালুকা, ময়মনসিংহ 
  4. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা

'অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট' (API) পার্ক: 
- অবস্থান: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়।
- অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) বা ওষুধ শিল্পপার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে।
- দেশে ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের লক্ষ্যে এ শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। 
- ২০১৮ সালের নভেম্বরে  এটি উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- এপিআই শিল্পপার্কে মোট ২৭টি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে কারখানা স্থাপন করেছে মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠান।
- তবে তাদের কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করতে পারেনি। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১৩৪.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার সম্প্রতি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়েছেন? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. তাইজুল ইসলাম
  2. রিশাদ হোসেন
  3. তাসকিন আহমেদ
  4. মোস্তাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

-  আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান।
- বর্তমানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার উইকেট সংখ্যা ১৫৮টি।
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সাকিব আল হাসানের উইকেট এখন ১৪৯টি।

উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়েছেন তাইজুল ইসলাম।
- মুশফিকুর রহিম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাট মিলিয়ে মুশফিকুর রহিমের মোট রানই সর্বোচ্চ।(টেস্ট (৬৩২৮), ওয়ানডে (৭৭৯৫) ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে (১৫০০)) 

• সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক:
- আন্তর্জাতিক সব ফরম্যাট - মুশফিকুর রহিম
- ওয়ানডে (ODI) - তামিম ইকবাল (8,357 রান)
- টি-টোয়েন্টি (T201) সাকিব আল হাসান (2,551 রান)।

উৎস: Cricinfo.com.

১৩৫.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. মুসা ইব্রাহিম
  3. বাবর আলী
  4. ইকরামুল ইসলাম শাকিল
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা

- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে  অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন বাবর আলী।

• অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী: 

- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে অন্নপূর্ণা-১ পর্বত জয় করেছেন বাবর আলী।
- পর্বতারোহী বাবর আলী পেশায় চিকিৎসক।
- তিনি চট্টগ্রামভিত্তিক পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯ মে, ২০২৪ তারিখে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।
- গত বছর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন।

উল্লেখ্য,
-  এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১৩৬.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (JFCL) কোথায় অবস্থিত?
  1.  তারাকান্দি, জামালপুর
  2. আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. চর পলাশ, নরসিংদী
  4. পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
 তারাকান্দি, জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 তারাকান্দি, জামালপুর
ব্যাখ্যা

যমুনা সার কারখানার: 
- জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্হিত।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিসিআইসি’র এ সংস্থার অধীনে ১১ টি চালু কারখানা আছে।
- চালু কারখানাসমূহের মধ্যে ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত  পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার। তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন।

১৩৭.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করেন কত তারিখে? 
  1. ৯ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৭ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

- ৬ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করেন।

• দ্বাদশ জাতীয় সংসদ: 

- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন।
- সময়: ৬ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ।
- ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর দেশ ছেড়ে ভারতে যান শেখ হাসিনা।
-  শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দেশ পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়ে।
- এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদের অধীন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভাংগিয়া দিলেন।
- প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।নির্বাহী আদেশে এই সংসদ বিলুপ্ত করা হলো।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণের মাধ্যমে মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।
- জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবস পালন করা  হয় ৫আগস্ট।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।

১৩৮.
একটি রাজনৈতিক দল মূলত কাদের মধ্যে 'সেতুবন্ধন' হিসেবে কাজ করে?
  1. শুধুমাত্র বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে
  2. বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে
  3. জনগণ ও সরকার
  4. শুধুমাত্র সেনাবাহিনী ও আমলাতন্ত্রের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
জনগণ ও সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ ও সরকার
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে রাজনৈতিক দল।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে।
- সমমতাদর্শে অনুপ্রাণিত, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।

এছাড়াও, 
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল মাত্রই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়।
- প্রত্যেক দল সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সাধনে আত্মনিয়োগ করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৯.
উদ্ভিদ প্রজনন ও শস্যের জাত উন্নয়নে কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. BFRI
  2. SRDI
  3. BARI
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) বিভিন্ন দানাদার ফসল, তৈলবীজ ও সবজির উন্নত জাত উদ্ভাবনে কাজ করে।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার  পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মহাপরিচালক ৪(চার)টি উইং যথা গবেষণা উইং, সেবা ও সরবরাহ উইং,  প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ উইং এবং পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং এর ৪(চার) জন পরিচালকের মাধ্যমে তাঁর কার্য সম্পাদন করেন।
- গবেষণা উইং ৬টি কেন্দ্র, ১৭টি বিভাগ, ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ২৮টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে যাবতীয় গবেষণা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

অন্যদিকে,
- বিএডিসি (BADC) মূলত বীজ উৎপাদন ও কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে থাকে।
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১৪০.
সংবিধানের 'সপ্তদশ সংশোধনী' কত সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে ২০১৮ সালের ৮ জুলাই পাস হয়েছিল,
- যার মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর বাড়ানো হয়। 

'সপ্তদশ সংশোধনী: 

- ২৫ বছরের জন্য জাতীয় সংসদের ৫০টি আসন শুধুমাত্র নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রেখে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী পাস করেছে সংসদ।
- এর আগে পর্যায়ক্রমে সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ আরও চারবার সংশোধনীর মাধ্যমে নারী আসনের মেয়াদ ও সংখ্যা বাড়ানো হয়। 
- ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন- ২০১৮’ নামে বিলটি পাস হয়।
- বিলের সংশোধনীর পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে ২৯৮টি
- এবং বিলের বিপক্ষে কোনো ‘না’ ভোট পরেনি। ফলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত আকারে বিলটি পাস হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে সংবিধানের দশম সংশোধনীর মাধ্যমে আরও দশ বছরের জন্য ৩০ জন নারী সদস্যদের আসন সংরক্ষণ করা হয়।
- ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে আরও দশ বছরের জন্য আইনটি অব্যাহত রাখা হয় এবং নারী সদস্যদের আসন বাড়িয়ে ৪৫জন করা হয়।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে পরবর্তী দশ বছরের জন্য আইনটি অব্যাহত রাখা হয় এবং নারী সদস্যদের আসন বাড়িয়ে ৫০ করা হয়।  সে অনুযায়ী, ৩৫০ জন সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১৪১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে (Development Budget) সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে কোন খাতটি?
  1. সুদ পরিশোধ
  2. প্রতিরক্ষা
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
ব্যাখ্যা

- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে  সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্প এবং অবকাঠামো নির্মাণের জন্য উন্নয়ন বাজেটে এই খাতটি শীর্ষ বরাদ্দ পেয়েছে।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ খাত।
- পরিবহন ও যোগাযোগ :৫৮,৭৫১ কোটি টাকা।
- পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ সুদ: ১ লক্ষ ২২ হাজার কোটি টাকা।

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
- প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন ২৩.৫%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি ১৪.০%।
- তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১৪২.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন দেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার?
  1. ১৪তম
  2. ১৫তম
  3. ১৩তম
  4. ১২তম
সঠিক উত্তর:
১৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪তম
ব্যাখ্যা

- বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন দেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
-
জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দীন।
- তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- অন্য চার নির্বাচন কমিশনার হলেন:
- অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- জেলা ও দায়রা জজ (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- যুগ্ম সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) বেগম তহমিদা আহমদ এবং
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উল্লেখ্য, 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।

১৪৩.
মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী গান 'জয় বাংলা বাংলার জয়' এর গীতিকার কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী গান 'জয় বাংলা বাংলার জয়' এর গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

জয় বাংলা বাংলার জয়:

- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই গানের সুরকার আনোয়ার পারভেজ।
- গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- আনোয়ার পারভেজ ২০০৬ সালের ১৭ জুন মারা গেছেন।
- এক সাক্ষাৎকারে গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, 'আমার কথার আনোয়ার পারভেজ যে সুরের অলংকার পরিয়ে দিয়েছিলেন, তা মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টা মাস মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

এছাড়াও, 
- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি'—এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা গোবিন্দ হালদার।
- মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণাদায়ক গান 'তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবো রে' গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ।

উৎস: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রাম।

১৪৪.
Earth Hour সাধারণত কোন মাসে পালিত হয়?
  1. জানুয়ারি
  2. ফেব্রুয়ারি
  3. মার্চ
  4. ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ
ব্যাখ্যা

Earth Hour:
- আর্থ আওয়ার (Earth Hour) সাধারণত প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবারে পালিত হয়।

⇒ Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে মানুষ, সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিশ্বের প্রথম আর্থ আওয়ারে ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এক ঘন্টার জন্য তাদের বাতি নিভিয়ে রেখেছিলেন।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hour ওয়েবসাইট। 

১৪৫.
সর্বশেষ ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির কত শতাংশ ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ৩%
  2. ৩.৫%
  3. ৫.৫%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের হেগ ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে বার্ষিক জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

২০২৫ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
- উল্লেখ্য, এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

⇒ সামরিক সহযোগিতার জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

এছাড়াও,
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১৪৬.
২০২৬ সালের FIFA World Cup-এর ফাইনাল ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. মেক্সিকো সিটি
  2. মায়ামি
  3. নিউজার্সি
  4. লস অ্যাঞ্জেলেস
সঠিক উত্তর:
নিউজার্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজার্সি
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- গ্রুপ: ১২টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকো সিটিতে, ফাইনাল নিউজার্সিতে।
- ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিশিয়াল বলের নাম ট্রায়োন্ডা।
- ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের তিনটি মাসকট উন্মোচন করেছে ফিফা। তিনটি মাসকট হলো ‘ক্লাচ’ নামের টাক ঈগল, ‘মেপল’ নামের মুজ আর মেক্সিকোর জঙ্গল থেকে আসা ‘জায়ু’ নামের জাগুয়ার। ‘মেপল, জায়ু ও ক্লাচ—আনন্দ, উদ্যম আর একতার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে লস অ্যাঞ্জেলস, কানসাস সিটি, মায়ামি ও বোস্টনে।
- ডালাস ও আটলান্টায় দুই সেমিফাইনাল হবে ১৪ ও ১৫ জুলাই, ২০২৬।
- ১৮ জুলাই, ২০২৬ মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচ।
- সবশেষে ১৯ জুলাই, ২০২৬ নিউজার্সিতে হবে ফাইনাল।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

১৪৭.
ক্রিকেট সংস্থা ICC (International Cricket Council)-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  2. দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. নয়াদিল্লী, ভারত
  4. মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

ICC:
- ICC-এর পূর্ণরূপ: The International Cricket Council.
- International Cricket Council (ICC) হলো ক্রিকেট খেলার বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এটি ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন, টুর্নামেন্ট আয়োজন, খেলোয়াড়দের আচরণবিধি এবং খেলার বিকাশের দায়িত্ব পালন করে।
- গঠিত হয়: ১৯০৯ সালের ১৫ জুন।
- ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্যোগে গঠিত হয়। 
- সদরদপ্তর: দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত। 
- বর্তমান মোট সদস্য: ১১০টি (পূর্ণাঙ্গ সদস্য: ১২টি, সহযোগী সদস্য: ৯৮টি)।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: জয় শাহ (ভারত)।
- নীতিবাক্য: ভালোর জন্য ক্রিকেট।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।

১৪৮.
রোম সংবিধি অনুযায়ী, ICC-তে কোন ধরণের অপরাধের বিচার করা হয় না?
  1. সাইবার অপরাধ
  2. যুদ্ধাপরাধ
  3. গণহত্যা
  4. মানবতাবিরোধী অপরাধ
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা

রোম সংবিধি অনুযায়ী, ICC-তে সাইবার অপরাধের বিচার করা হয় না।

ICC:
- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- ICC বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৫টি।
- ১২৫তম সদস্য: ইউক্রেন।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)।
- প্রেসিডেন্সির সদস্যরা অবিলম্বে তিন বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন।

⇒ রোম সংবিধির অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী, আইসিসিতে চার ধরনের অপরাধের বিচার করা যায়:
- জেনোসাইড,
- মানবতাবিরোধী অপরাধ,
- যুদ্ধাপরাধ,
- আগ্রাসনের অপরাধ।

উল্লেখ্য, রোম সংবিধি:
- রোম সংবিধি হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court - ICC) প্রতিষ্ঠার জন্য গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- ১৯৯৮ সালে রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইসিসি (ICC)।
- ১৯৯৮ সালের ১৫ জুন ১৭ জুলাই ইতালির রোমে বিশ্বের ১২০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কূটনীতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১২০-৭ ভোটের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত সংবিধি বা রোম সংবিধি গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক রাষ্ট্র কর্তৃক সংবিধিটি অনুমোদিত হওয়ায় ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কার্যকারিতা লাভ করে।
- রোম সংবিধিতে মোট ১৩টি অধ্যায় এবং ১২৮টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

১৪৯.
চেরনোবিল বিপর্যয় বর্তমান কোন দেশে ঘটেছিল?
  1. জার্মানি
  2. বেলারুশ 
  3. ইউক্রেন
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

চেরনোবিল বিপর্যয় (Chernobyl Disaster):
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিল বিপর্যয় ঘটেছিল ইউক্রেনে (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের Ukrainian SSR-এ)।
- এটি চেরনোবিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের রিয়্যাক্টর নং ৪-এ বিস্ফোরণের ফলে ঘটে। 
- এটি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এটি ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম পারমাণবিক বিপর্যয় হিসেবে পরিচিত।
- এই বিস্ফোরণে সঙ্গে সঙ্গে ৩১ জন প্রাণ হারান।

উল্লেখ্য,
- চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পারমাণবিক চুল্লি ছিল চারটি।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৮৬ তারিখে চতুর্থ পারমাণবিক চুল্লিতে নিরাপদ শীতলীকরণের ওপর একটি পরীক্ষা চালানোর সময় দুর্ঘটনা ঘটে।
- রাতের শিফটে দায়িত্বরত কর্মীরা ভুল করে পারমাণবিক চুল্লির টার্বাইনে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি দিলে বাষ্প কম উৎপাদিত হয়। ফলে চুল্লি উত্তপ্ত হয়ে একপর্যায়ে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটে।

⇒ ১৯৮৬ সালে চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিস্ফোরণের ফলে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশাল অংশ, বর্তমানে বেলারুশ, ইউক্রেন এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের অঞ্চলগুলিতে তেজস্ক্রিয় মেঘ ছড়িয়ে পড়ে।
- তিনটি দেশের প্রায় ৮.৪ মিলিয়ন মানুষ তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে এসেছিলেন।
- ৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষ এ দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হন।

উৎস: i) Britannica.
iiI BBC.
iii) International Atomic Energy Agency ওয়েবসাইট।

১৫০.
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ২২ জুন
  2. ১৮ জুলাই
  3. ৩০ আগস্ট
  4. ২৯ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
৩০ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ আগস্ট
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস:
- আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস (International Day of the Victims of Enforced Disappearances) প্রতি বছর ৩০ আগস্ট পালিত হয়।

⇒ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১০ সালের ২১ ডিসেম্বর রেজোলিউশন ৬৫/২০৯-এর মাধ্যমে এই দিবস ঘোষণা করে।
- এটি ২০১১ সাল থেকে পালিত হচ্ছে।
- এর উদ্দেশ্য হলো জোরপূর্বক গুম (enforced disappearances) এর শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ, তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো এবং এই অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৫১.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এখনো অনুমোদন করেনি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

CTBT:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।
- চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।

উল্লেখ্য,
- কিন্তু চুক্তিটি কার্যকর (entry into force) হওয়ার জন্য Annex 2-এর ৪৪টি নির্দিষ্ট "nuclear-capable" দেশের র‍্যাটিফিকেশন দরকার। 
- ৪৪টি নির্দিষ্ট দেশ কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে পারে না, যার মধ্যে নয়টি দেশকে এখনও তা করতে হবে: চীন, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল, ইরান, মিশর, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization).
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্র (USA): ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু এখনো অনুমোদন করেনি (Senate-এ ১৯৯৯ সালে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, পরবর্তীতে কোনো অগ্রগতি হয়নি)।
- যুক্তরাজ্য, জাপান, ফ্রান্স স্বাক্ষর করেছে এবং অনুমোদনও করেছে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১৫২.
'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম' এই বিখ্যাত কথাটি কে বলেছেন?
  1. আলেকজান্ডার
  2. হিটলার
  3. জুলিয়াস সিজার
  4. নেপোলিয়ন
সঠিক উত্তর:
জুলিয়াস সিজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলিয়াস সিজার
ব্যাখ্যা

এলাম, দেখলাম, জয় করলাম:
- ‘এলাম, দেখলাম, জয় করলাম’ এই বিখ্যাত উক্তিটি বলেছেন রোমান সেনাপতি ও রাষ্ট্রনায়ক জুলিয়াস সিজার।
- তিনি ৪৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পন্টাস রাজ্যের বিরুদ্ধে এক দ্রুত ও চূড়ান্ত বিজয়ের পর রোমান সিনেটকে লেখা একটি চিঠিতে ব্যবহার করেছিলেন।
- এটি তার বিজয়ের দ্রুততা ও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
- জুলিয়াস সিজার একজন রোমান সম্রাট।
- তিনি একজন বিখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ, সেনাপতি ও জনপ্রিয় রোমান সম্রাট।
- তিনি ১০০ খ্রিস্টপূর্বে ইতালির রোমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। 
- তিনি নিজেকে রোমান সাম্রাজ্যের স্বৈরশাসক নামে অভিহিত করেছিলেন। 
- রোমের নাগরিকরা গল, ব্রিটেন, মিশর এবং আফ্রিকায় সিজারের অভিযানগুলোর জন্য তাকে পছন্দ করেছিল।
- ৪৪ খ্রিস্টপূর্বে রোমীয় সিনেটে জুলিয়াস সিজারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছিল। 
- এর ফলে রোমীয় প্রজাতন্ত্রের পতনের সূত্রপাত হয়।

উৎস: Britannica.

১৫৩.
দক্ষিণ আমেরিকার আঞ্চলিক জোট 'MERCOSUR'-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. আর্জেন্টিনা
  2. ব্রাজিল
  3. উরুগুয়ে
  4. চিলি
সঠিক উত্তর:
চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলি
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আমেরিকার আঞ্চলিক জোট 'MERCOSUR'-এর সদস্য দেশ নয়- চিলি। 
উল্লেখ্য যে, এখানে প্রশ্নে সদস্য বলতে পূর্ণ সদস্য বোঝানো হয়েছে। চিলি পূর্ণ সদস্য দেশ নয়, এটি সহযোগী সদস্য দেশ।

MERCOSUR:
- MERCOSUR বা The Southern Common Market দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: Treaty of Asuncion.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯১।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আসুনসিয়ন, প্যারাগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে।
- বর্তমান সদস্য: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে ও বলিভিয়া)।  
- সহযোগী সদস্য: ৭টি (বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, গায়ানা, পেরু, পানামা, সুরিনাম)।

- সদরদপ্তর: মণ্টেভিডিও, উরুগুয়ে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ স্থগিত রয়েছে।
- বলিভারিয়ান রিপাবলিক অব ভেনেজুয়েলা উশুয়ায়ার প্রোটোকলের ৫ অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে, মার্কোসুর রাষ্ট্রীয় পক্ষ হিসাবে তার অধিকার এবং বাধ্যবাধকতা স্থগিত করা হয়েছে।

উৎস: Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।

১৫৪.
Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) কোন দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার জন্য প্রণীত হয়?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA):
- Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার জন্য প্রণীত হয়।
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি বা ‘ইরান ডিল’ হিসেবেও পরিচিত।
- পক্ষ: ইরান ও পি৫+১ (জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি)।

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- এতে ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা আরোপের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছিল।
- তবে পশ্চিমা দেশগুলো এমনকি ওবামা প্রশাসনের সময়ও প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক সুফল ইরানকে দিতে ব্যর্থ হয়।

⇒ ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন। 
- পরবর্তীতে ইউরোপীয় দেশগুলোর তৈরি অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া ‘ইনস্টেক্স’ ব্যর্থ হয় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কাটাতে।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।
- ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয় এবং যা Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) আনুষ্ঠানিকভাবে পরিসমাপ্ত হয়।

উৎস: i) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

১৫৫.
‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ কোন দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ র‍য়েছে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

স্যার ক্রিক অঞ্চল:
- ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ র‍য়েছে।

উল্লেখ্য,
- সার ক্রিক হলো গুজরাটের কচ্ছ এবং পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক খাঁড়ি। জোয়ারের সময়ে এই খাঁড়িতে জল থাকে, তা ছাড়া জল থাকে না বললেই চলে।
- এই অঞ্চলের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের।
- এই সংকীর্ণ খাঁড়ি আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত। আগে এর নাম ছিল বনগঙ্গা। পরে ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে এর নাম বদলে 'স্যার ক্রিক' রাখা হয়।

⇒ কৌশলগত ভাবে এই অঞ্চল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ভারতের সামরিক উপস্থিতি থাকলে, করাচি বন্দরে সরাসরি সমুদ্রপথে প্রবেশা করতে পারবে না কোনও নৌযান। রাচি পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য কেন্দ্র। যুদ্ধের ক্ষেত্রেও করাচি বন্দর ভারতের অন্যতম সামরিক লক্ষ্য।
- অন্য দিকে সার ক্রিকে পাকিস্তানের সামরিক উপস্থিতি তাদের যুদ্ধের সময়ে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর, রাজস্থান, পাঞ্জাব সীমান্তের পাশাপাশি সার ক্রিক দিয়েও একযোগে আক্রমণ চালানোর সুযোগ করে দেবে। এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ পেলে পাক নৌবাহিনীকে উপকূলরেখা বরাবর রণতরী মোতায়েন করতে পারবে।

উৎস: BBC.

১৫৬.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. লন্ডন
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. ওয়াশিংটন
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন (First Session of the UN General Assembly):
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৪৬ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার সেন্ট্রাল হল-এ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের প্রথম আনুষ্ঠানিক সভা ছিল যেখানে ৫১টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
- এখানে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়। 
- বেলজিয়ামের পল-হেনরি স্পাক সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন যিনি পরবর্তীতে জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনে দুটি ভিন্ন স্থানে পরপর দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম সভাটি ১৯৪৬ সালের ১০ জানুয়ারী ইংল্যান্ডের লন্ডনের মেথোডিস্ট সেন্ট্রাল হলে অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় সভাটি ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর নিউ ইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোজে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৫৭.
কোন ক্ষেত্রটি আলফ্রেড নোবেল ঘোষিত মূল নোবেল পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সাহিত্য 
  2. চিকিৎসা 
  3. অর্থনীতি 
  4. রসায়ন
সঠিক উত্তর:
অর্থনীতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনীতি 
ব্যাখ্যা

আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী মূল নোবেল পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত ক্ষেত্রগুলো হলো পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শান্তি। অর্থনীতিতে পুরস্কারটি ১৯৬৯ সালে প্রবর্তিত হয় যা আলফ্রেড নোবেল ঘোষিত পুরস্কার নয়।

নোবেল পুরস্কার:
- সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল-এর নামে ও তার রেখে যাওয়া অর্থে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।
- প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেয়া হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার।
- ১৮৯৫ সালে এক উইলে ‘মানবজাতির সর্বোচ্চ সেবায় অবদান রাখা’ ব্যক্তিদের জন্য এই পুরস্কার নিবেদিত করেছেন তিনি।

• Nobel Prize in Economic Sciences:
- ১৯৬৮ সাল থেকে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Sveriges Riksbank) অর্থনীতিতে অবদানের কথা স্মরণ করে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।
- এই পুরস্কারটিও রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সে নির্ধারণ করে।
- ১৯৬৯ সালে প্রথমবার এই পুরস্কার Ragnar Frisch এবং Jan Tinbergen-কে প্রদান করা হয়।

⇒ আলফ্রেড নোবেল সুইডিশ শিল্পপতি।
- তার জন্ম ১৮৩৩ সালের ২১ অক্টোবর সুইডেনের স্টকহোমে।
- বাবা ইমানুয়েল নোবেল ছিলেন প্রকৌশলী।
- যুদ্ধাস্ত্র তৈরির পাশাপাশি নতুন নতুন বিস্ফোরক উদ্ভাবন করতেন তিনি। তার বাবার কারখানায় কাজ শিখে আলফ্রেড নোবেল। তিনি প্রথমে স্টকহোমে এবং পরে জার্মানিতে রাসায়নিক গবেষণাগার স্থাপন করেন।
- ১৮৬৬ সালে জার্মানির গবেষণাগারে আবিষ্কার করেন ডিনামাইট।
- ডিনামাইট উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে কয়েক বছরে তাঁর ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপ এবং ইউরোপের বাইরে।
- ব্যবসা বিস্তারের পাশাপাশি চলতে থাকে নতুন নতুন উদ্ভাবন।
- অল্প দিনের মধ্যে প্রচুর অর্থের মালিক হয়ে যান আলফ্রেড।
- তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী বিশ্বমানবতার কল্যাণে কাজ করে যাঁরা পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, তাঁদেরকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা ৪ টি। যথা:
ক। নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট (নরওয়ে): শান্তি,
খ। সুইডিশ একাডেমি (সুইডেন): সাহিত্য, 
গ। রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স (সুইডেন): পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতি,
ঘ। ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট (সুইডেন): চিকিৎসা শাস্ত্র।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১৫৮.
‘পিংপং ডিপ্লোম্যাসি’ কোন দুটি দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন ও জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
ব্যাখ্যা

পিংপং ডিপ্লোম্যাসি’ বা পিংপং কূটনীতি মূলত যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন-এর মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট।

Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপলোমেসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

⇒ পিংপং ডিপ্লোম্যাসির প্রভাব:
​- ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল চীনের উপর ২০ বছর ধরে থাকা ভ্রমণ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
​- ১৯৭১ সালের অক্টোবরে ভোটের মাধ্যমে জাতিসংঘে বৈধ পদ লাভ করে চীন। পাশাপাশি তারা খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সক্ষম হয়।
​- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর সমাপ্ত হয় ‘সাংহাই কম্যুনিক’ এর মাধ্যমে। 
​- ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে পিপলস রিপাবলিক অব চায়নাকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: Britannica.

১৫৯.
এল-ফাশের শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সুদান 
  2. সিরিয়া 
  3. ইরান 
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
সুদান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান 
ব্যাখ্যা

এল-ফাশের শহর:
- এল-ফাশের শহরটি সুদান-এ অবস্থিত।
- এটি সুদানের উত্তর দারফুর অঞ্চলের রাজধানী।
- সম্প্রতি সুদানের গৃহযুদ্ধে সুদানের আধা সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) কাছে দেশটির এল–ফাশের শহরের পতনের পর সেখানকার বাসিন্দারা ‘চরম বিপদের’ মধ্যে রয়েছেন। 

⇒ সুদান:
- সুদান উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশগুলোর একটি।
- এর উত্তরে মিশর, পশ্চিমে চাদ ও লিবিয়া, দক্ষিণে দক্ষিণ সুদান, পূর্বে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে ইরিত্রিয়া ও ইথিওপিয়ার সীমান্তবর্তী।
- রাজধানী: খার্তুম।
- ভাষা: আরবি ও ইংরেজি।
- মুদ্রা: সুদানিজ পাউন্ড।

উৎস: Britannica.

১৬০.
২০২৫ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে কোন দেশ শীর্ষস্থানে রয়েছে?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. সুইডেন 
  3. নরওয়ে 
  4. লুক্সেমবার্গ
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ ফাউন্ডেশন প্রকাশিত ২০২৫ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। 

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৫:
- প্রকাশক: যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন (The Heritage Foundation)।
- প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।
- ১৯৯৫ সালে চালু হয় অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এই সূচক।
- মূলত চারটি নীতির বিস্তৃত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশকে মূল্যায়ন করা হয়। এগুলো হলো আইনের শাসন, সরকারের আকার, নিয়ন্ত্রক দক্ষতা ও উন্মুক্ত বাজারে ব্যবস্থাপনা।
- ২০২৫ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ সিঙ্গাপুর এবং সর্বনিম্ন দেশ উত্তর কোরিয়া।
- সূচকে ৫৪.৭ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১২২তম।

⇒ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ:
১. সিঙ্গাপুর (পয়েন্ট ৮৪.১)।
২. সুইজারল্যান্ড (পয়েন্ট ৮৩.৭)।
৩. আয়ারল্যান্ড (পয়েন্ট ৮৩.১)।
৪. তাইওয়ান (পয়েন্ট ৭৯.৭)।

উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট।

১৬১.
Global Methane Pledge অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে মিথেন নিঃসরণ কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ২০%
  2. ২৫%
  3. ৩০%
  4. ৩৩%
সঠিক উত্তর:
৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০%
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল মিথেন প্লেজ 'Global Methane Pledge':
- গ্লোবাল মিথেন প্লেজ হলো একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ। 
- এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ  কমানো।
- এটি ২০২১ সালে গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলন COP-26-এ চালু করা হয়।
- উদ্যোক্তা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের মানুষের কারণে উৎপন্ন মিথেন নিঃসরণকে ২০২০ সালের তুলনায় অন্তত ৩০% কমানো। এর ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি কমপক্ষে ০.২ °C কমানো সম্ভব হবে।
- মিথেন গ্যাসের তাপ ধারণ ক্ষমতা কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় প্রায় ৮০ গুণ বেশি, তাই অল্প সময়ের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের গতি কমাতে মিথেন নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত কার্যকর।

⇒ গ্লোবাল মিথেন প্লেজ মূলত তিনটি খাতে মিথেন নিঃসরণ কমানোর ওপর জোর দেয়। এগুলো হলো:
- জ্বালানি খাত (তেল, গ্যাস ও কয়লা উত্তোলন ও পরিবহন),
- কৃষি খাত (পশুপালন ও ধান চাষ),
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাত (ল্যান্ডফিল ও পয়ঃবর্জ্য)।

উৎস: Global Methane Pledge ওয়েবসাইট।

১৬২.
বেনিতো মুসোলিনি কোন দেশের স্বৈরশাসক ছিলেন?
  1. ইতালি 
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ইতালি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি 
ব্যাখ্যা

বেনিতো মুসোলিনি:
- বেনিতো মুসোলিনি ইতালির স্বৈরশাসক ছিলেন।
- বেনিতো মুসোলিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒ বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক।
- একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরশাসনকে সাংবিধানিক মর্যাদায় উন্নীত করা মুসোলিনি একজন রাজনৈতিক সাংবাদিকও ছিলেন।
- বেনিতো মুসোলিনির জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.

১৬৩.
২০২৬ সালের ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল
  2. সাংহাই, চীন
  3. জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. নয়াদিল্লী, ভারত
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লী, ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লী, ভারত
ব্যাখ্যা

১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সমেলন-২০২৬:
- ২০২৬ সালের ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হবে।
- ভারত ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে এবং নয়াদিল্লিতে এই সম্মেলন আয়োজন করবে বলে নিশ্চিত করেছে।

• BRICS একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া।
- এর কোনো সদরদপ্তর নেই।
- বর্তমানে ব্রিকস-এর সভাপতি দেশ: ভারত।
- ব্রিকস-এর অংশীদার দেশগুলি হলো: বেলারুশ, বলিভিয়া, কিউবা, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং উজবেকিস্তান।
বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোয় বসবাস করে। এর পরিসংখ্যান অনুসারে, বৈশ্বিক জিডিপিতে এ জোটের দেশগুলোর হিস্যা ৩০ শতাংশের বেশি। এছাড়া ক্রয়ক্ষমতা সমতার (পিপিপি) ভিত্তিতে বৈশ্বিক জিডিপিতে দেশগুলোর হিস্যা এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি।

এছাড়াও,
- ৬ - ৭ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ১৭তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়। 
- ব্রাজিল এই বৈঠকে সভাপতিরাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) BRICS ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৬৪.
মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী সংসদে কত শতাংশ আসন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে?
  1. ২০%
  2. ২৫%
  3. ৩৫%
  4. ৪০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা

মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী, দেশের জাতীয় সংসদ বা আইনসভার (পাইডাংসু হ্লুত্তাও) মোট আসনের ২৫ শতাংশ (এক-চতুর্থাংশ) আসন সামরিক বাহিনীর (তাতমাদাও) সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
- এই আসনগুলো সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন না, বরং সামরিক বাহিনীর প্রধানের দ্বারা মনোনীত হন।

মিয়ানমারের সংসদ ব্যবস্থা:
- স্বাধীনতার পর থেকে মিয়ানমারের ইতিহাসে সামরিক শাসনের প্রভাবই বেশি ছিল।
- অং সান সু চির নেতৃত্বে এক সময় গণতান্ত্রিক শাসনের সূচনা হলেও তা টেকেনি।
- ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এতে সু চির সরকার উৎখাত হয় এবং তাঁকে আটক করা হয়। সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশটি ভয়াবহ গৃহসংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে।
- মিয়ানমারের নিম্নকক্ষে মোট ৪৪০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী ১১০টি আসন সরাসরি সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি জানুয়ারি, ২০২৬) অনুষ্ঠিত মিয়ানমারের সেনাশাসিত সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের অধিকাংশ আসনে জয় পাওয়ার দাবি করেছে দেশটির সেনাপন্থি রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি)।

উৎস: ASEAN Parliamentarians for Human Rights ওয়েবসাইট। [link]

১৬৫.
কোন দেশগুলোর নেতৃত্বে জি-জিরো ফোরাম গঠিত হয়েছে?
  1. সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ
  2. শিল্পোন্নত উন্নয়নশীল দেশ
  3. কার্বন-নেতিবাচক দেশ
  4. জি-২০ সদস্য দেশ
সঠিক উত্তর:
কার্বন-নেতিবাচক দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-নেতিবাচক দেশ
ব্যাখ্যা

জি-জিরো ফোরাম (G-ZERO Forum):
- জি-জিরো ফোরাম ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম এই চারটি দেশের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে।
- এই চারটি দেশই কার্বন-নেতিবাচক বা কার্বন-নিরপেক্ষ স্ট্যাটাস অর্জন করেছে।
- লক্ষ্য: নিজেদের কার্বন নিরপেক্ষতা (Carbon Neutral) বজায় রাখা এবং বিশ্বে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া।
- এটি ২০২৪ সালে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত COP-29 সম্মেলনে চালু করা হয়।
- জি-জিরো গঠনের উদ্যোক্তা হলো ভুটান।

উল্লেখ্য,
- গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা ও প্রকোপ কমাতে পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর যখন হিমশিম অবস্থা, ঠিক সেই সময় ভুটানের নেতৃত্বে 
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- এই চার দেশে যতটুকু কার্বন নিঃসরণ হয়, তা হয় দূষণমাত্রার চেয়ে কম নতুবা সেই দূষণ শুষে নেওয়ার মতো পরিবেশব্যবস্থা তারা তৈরি করতে পেরেছে। কাজেই এসব দেশ থেকে নিঃসরিত কার্বন উষ্ণায়নের কারণ হয় না।

উৎস: Carbon Pulse.

১৬৬.
অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম কোন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয়?
  1. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  2. ইরাক যুদ্ধ
  3. নাইন-ইলেভেন হামলা
  4. পার্ল হারবার আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
নাইন-ইলেভেন হামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইন-ইলেভেন হামলা
ব্যাখ্যা

অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম (Operation Enduring Freedom):
- অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম মূলত ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে (৯/১১) যুক্তরাষ্ট্রে চালানো আল-কায়েদার সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয়েছিল।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযান অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়।
- ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অপারেশনটি মূলত আল-কায়েদা ও তালেবানদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে পরিচালিত হয়।
- মূল লক্ষ্য: আল-কায়েদা ধ্বংস করা ও তালেবানদের ক্ষমতা থেকে সরানো।
- ফলাফল: ২০০১ সালের ডিসেম্বরে তালেবান সরকার পতন ঘটে ও আল-কায়েদা নেতারা আত্মগোপনে যায় (ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালে হত্যা করা হয়)।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রে একইসাথে চারটি সন্ত্রাসী হামলা চালায় যা নাইন-ইলেভেন নামে পরিচিত।
- ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে, ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায়।
- আক্রমনে ২,৯৯৭ জন নিহত এবং ৬,০০০ এর অধিক মানুষ আহত হয়, এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক অবকাঠামো ও সম্পদ।
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে এই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Britannica.

১৬৭.
দোহা সংশোধনী পরিবেশ বিষয়ক কোন প্রোটোকলের সাথে জড়িত?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

দোহা সংশোধনী (Doha Amendment) পরিবেশ বিষয়ক কিয়োটো প্রোটোকল-এর সাথে সরাসরি জড়িত।

দোহা সংশোধনী:
- ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর কাতারের দোহাতে অনুষ্ঠিত কপ-১৮ জলবায়ু সম্মেলনে এটি গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় পর্ব (২০১৩-২০২০) এবং কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত হয়েছিল।
- একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।
- কার্বনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়ে পৃথিবীকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া থেকে উদ্ধার করার জন্যেই মূলত এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।‍
- প্রথম পর্বের পর কিয়োটো প্রটোকলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল, এবং সেগুলোই দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৬৮.
কমনওয়েলথভুক্ত কোন দেশ কখনোই ব্রিটিশ কলোনি ছিল না?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. পাকিস্তান
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. রোয়ান্ডা 
সঠিক উত্তর:
রোয়ান্ডা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়ান্ডা 
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- আধুনিক কমনওয়েলথ গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে যখন এর নাম থেকে 'ব্রিটিশ' শব্দটি সরিয়ে ফেলা হয়।
- ক্লাবের প্রধান হিসাবে রানীর প্রতি আনুগত্যের বাধ্যবাধকতাও প্রত্যাহার করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা আর যুক্তরাজ্য।
২০১২ সালের আগে কমনওয়েলথে কোন সংবিধান ছিল না।
- বর্তমানে কমনওয়েলথভুক্ত দেশ ৫৬টি।

উল্লেখ্য,
- অনেক সদস্য দেশ কখনোই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ ছিল না।
- ১৯৯৫ সালে মোজাম্বিক আর ২০০৯ সালে রোয়ান্ডা কমনওয়েলথের সদস্য হয় কিন্তু দেশ দুটি কখনোই ব্রিটিশ কলোনি ছিল না।
- তবে কয়েকবার সংগঠনটি তাদের সদস্যও হারিয়েছে। নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে জিম্বাবুয়ের সদস্যপদ স্থগিত করা হলে, ২০০৩ সালে রবার্ট মুগাবে কমনওয়েলথ থেকে বেরিয়ে যান।
- ১৯৯৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের জেরে পাকিস্তানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। তবে সাড়ে চার বছর পর তারা আবার সেই পদ ফেরত পান। বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯৯৪ সালে তারা আবার এর সদস্য হয়।
- সর্বশেষ মালদ্বীপ ২০১৬ সালে কমনওয়েলথ থেকে বেরিয়ে যায়।

উৎস: i) Commonwealth ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৬৯.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খাগড়াছড়ি
  3. হবিগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

♦ বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।

⇒ ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

♦ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

♦ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

♦ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে।
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭০.
ডেথ ভ্যালি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. ব্রাজিল
  3. লিবিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

♦ ডেথ ভ্যালি বা মৃত্যু উপত্যকা:
- ডেথ ভ্যালি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
- ডেথ ভ্যালি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক নিম্নভূমি বা গহ্বর।
- এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু, উষ্ণ এবং শুষ্ক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
- অবস্থান: গ্রেট বেসিন ও মোহাভে মরুভূমি এর সীমান্তবর্তী এলাকা।
- এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু স্থান, যার সর্বনিম্ন বিন্দু বেডওয়াটার বেসিন , সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৮২ ফুট নিচে।
- এটি বিশ্বের অন্যতম গরমতম স্থান, গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা প্রায়শই ৫০°C ছাড়িয়ে যায়।
- বার্ষিক বৃষ্টিপাত খুবই কম, মাত্র কয়েক ইঞ্চি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৭১.
এফসিডিআই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  2. বন্যা নিয়ন্ত্রণ
  3. বনায়ন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বন্যা নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

♦ এফসিডিআই প্রকল্প:
- FCDIP-এর পূর্ণরপ Flood Control, Drainage and Irrigation Projects.
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects) অনুচ্চ ভূ-সংস্থানের কারণে একটি স্বাভাবিক বৎসরে বাংলাদেশের ভৌগোলিক এলাকার কমপক্ষে ২০% এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে থাকে।
- ১৯৯৮ সালের মতো মারাত্মক পর্যায়ে গেলে বন্যা কবলিত এলাকার পরিমাণ প্রায় ৭০% এ গিয়ে পৌঁছতে পারে।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পসমূহ বন্যার তীব্রতা হ্রাসকরণে অথবা বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশনের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেগুলো শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনুকূল অবস্থার সৃষ্টি করে।
- প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Water Development Board সংক্রান্ত বিধানাবলী রহিত করিয়া পানি সম্পদের উন্নয়ন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা হয় ।
- এই আইন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০০০ নামে পরিচিত।

⇒ এফসিডিআই প্রকল্পের উদ্দেশ্য -
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ,
• পানি নিষ্কাশন ও
• সেচ প্রকল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর।

১৭২.
নিচের কোনটি 'পৃথিবীর ফুসফুস' হিসেবে পরিচিত?
  1. আর্কটিক টুন্ড্রা
  2. কঙ্গো বনভূমি
  3. আমাজন
  4. তৈগা বনভূমি
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা

⇒ 'পৃথিবীর ফুসফুস' হিসেবে পরিচিত আমাজন।

আমাজন:

- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল ।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান ।
- আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে: ব্রাজিলে (৬৪%)।
- আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত।
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৭৩.
নিচের কোনটি ভঙ্গিল পর্বত?
  1. আন্দিজ
  2. রকি
  3. আল্পস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

♦ পর্বত:
- ভূ-পৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢাল বিশিষ্ট শিলাস্তুপকে পর্বত বলে।
- পর্বত সাধারণত ৬০০ মিটারের বেশি উচ্চতা সম্পন্ন হয়।
- তবে পর্বতের উচ্চতা সমুদ্র সমতল থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- পর্বত গঠনের প্রক্রিয়াকে ওরোজেনেসিস (Orogenesis) বলে।
- পৃথিবীর প্রতিটি পর্বত দেখতে বাহ্যিকভাবে স্বতন্ত্র হলেও উৎপত্তিগত ও গঠন প্রকৃতির দিক দিয়ে এদের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• ভঙ্গিল পর্বত,
• আগ্নেয় পর্বত,
• চ্যুতি-স্তূপ পর্বত,
• উত্থিত ক্ষয়জাত পৰ্বত।

⇒ ভঙ্গিল পর্বত:
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সৰ্বাধিক বিস্তৃত।
- অভিসারী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে এ ধরনের পর্বত গঠিত হয় বলে এর শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। যেমন:
• এশিয়ার হিমালয়,
• দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ,
• উত্তর আমেরিকার রকি এবং
• ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৪.
রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কেলাসিত
  2. অধিকতর শক্ত
  3. জীবাশ্মযুক্ত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্মযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্মযুক্ত
ব্যাখ্যা

- রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম থাকে না। 
⇒ তাই 'জীবাশ্মযুক্ত' রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য নয়।


♦ রূপান্তরিত শিলা:
- প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন-
• চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
• বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
• কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
• গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
• কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 

♦ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য:
• কেলাসিত।
• অধিকতর শক্ত ও মজবুত।
• জীবাশ্মহীন।
• সমান্তরাল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৫.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়?
  1. দুর্যোগের পর ত্রাণ বিতরণ
  2. দুর্যোগের পর পুনর্বাসন কার্যক্রম
  3. দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়িত্ব হ্রাস এবং পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ
  4. দুর্যোগের সময় উদ্ধার অভিযান
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়িত্ব হ্রাস এবং পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়িত্ব হ্রাস এবং পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ
ব্যাখ্যা

♦ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ীত্ব হ্রাস এবং দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
- এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি।
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

⇒ উল্লেখ্য:
- পুনরুদ্ধার, সাড়াদান, পূর্বপ্রস্তুতি প্রভৃতি অল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।
- প্রশমন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদান।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদানসমূহ:
• দুর্যোগ প্রতিরোধ,
• দুর্যোগ প্রশমন এবং
• দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে:
• সাড়াদান,
• পুনরুদ্ধার ও
• উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

১৭৬.
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. বৃষ্টিপাত কম হয়
  2. তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে
  3. চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়
  4. গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত কম হয়
ব্যাখ্যা

♦ নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর জলবায়ুর পার্থক্যের জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
- কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়।
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

♦ অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

♦ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
• নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
• দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
• এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়৷
• অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়৷

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৭.
নিচের কোনটি স্থানীয় বায়ু?
  1. পার্বত্য বায়ু
  2. স্থলবায়ু
  3. সমুদ্রবায়ু
  4. মেরু বায়ু
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বায়ু
ব্যাখ্যা

♦ বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
• নিয়মিত বায়ু।
• স্থানীয় বায়ু।
• সাময়িক বায়ু।
• অনিয়মিত বায়ু।

♦ নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
• অয়ন বায়ু।
• মেরু বায়ু।
• পশ্চিমা বায়ু।

♦ সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
• স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
• মৌসুমি বায়ু।

♦ স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
• পার্বত্য বায়ু।
• উপত্যকা বায়ু।

♦ অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
• ঘূর্ণিবাত বায়ু।
• প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৮.
বাব এল মান্দেব প্রণালী কোন দুটি জলভাগকে সংযুক্ত করেছে?
  1. লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
  2. লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
  3. এডেন উপসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. লোহিত সাগর ও কৃষ্ণসাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
ব্যাখ্যা

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৭৯.
'The Prince' গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. থমাস মোর
  2. জন লক
  3. ভলতেয়ার
  4. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
সঠিক উত্তর:
নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা

নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি:
- নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ইতালির ফ্লোরেন্স নগরীতে ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন নিকোলো।
- ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
- আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সর্বপ্রথম পার্থক্য নির্ণয় করেন।
- ১৫২৭ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে তিনি মারা যান ৷
- নিকোলো মেকিয়াভেলি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, উপদেষ্টা, নাট্যকার, কবি, দার্শনিক, ঐতিহাসিক, সামরিকবিদ ও
আরও অনেক কিছু।
- তাকে আধুনিক রাজনীতি ও দর্শনের জনক বলা হয়ে থাকে।
- তিনি প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞানেরও প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ তার বিখ্যাত গ্রন্থ:
- The Prince,
- Discourses on Livy,
- The Life of Castruccio Castracani of Lucca,
- Florentine Histories,
- Lettera to Francesco Vettori,
- The Portable Machiavelli,
- The Complete Art of War ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - Britannica ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮০.
সরকার ও জনগণের win win game বলা হয় কোনটিকে?
  1. সুশাসন
  2. নৈতিকতা
  3. মূল্যবোধ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
ব্যাখ্যা

⇒ সুশাসনের ফলে সরকার ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় ও উভয়েই লাভবান হয় বলে সুশাসনকে সরকার ও জনগণের ‘Win Win Game' বলা হয়৷

সুশাসন:
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা ।
- ‘সুশাসন' হলো একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতিফলন।
- সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়।
- সুশাসন হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল ও ন্যায়সংগত ব্যবস্থা যা আইনের শাসনকে নিশ্চিত করে।
- সুশাসনকে সরকারের উচ্চতর দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।
- মূলত ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতার ফলে ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক সুশাসনের ধারণাটি উদ্ভব
হয় ।
- এটি বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশন নামে পরিচিত।
- আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বিশ্বব্যাংক সুশাসনকে উন্নয়নের এজেন্ডাভুক্ত করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক ও সুশাসন বনাম সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ, ndicia24.com

১৮১.
World Justice Project কয়টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আইনের শাসনের সূচক তৈরি করে?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

World Justice Project:
- World Justice Project একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি বিশ্বব্যাপী আইন ব্যবস্থা এবং সুশাসন নিয়ে কাজ করে থাকে।
- 'World Justice Project' আইনের শাসনের সূচক প্রকাশ করে ৷
- সংস্থাটি ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের আইন ব্যবস্থা এবং সুশাসনের অবস্থা পরিমাপ ও মূল্যায়ন করে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।
- 'WJP Rule of Law Index' শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

⇒ ৮টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আইনের শাসনের এই সূচক তৈরি করা হয়:
• রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা,
• নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতার প্রয়োগ,
• জননিরাপত্তা,
• মৌলিক অধিকার,
• দুর্নীতি,
• সরকারি তথ্য প্রকাশ,
• দেওয়ানি বিচার ও
• ফৌজদারি বিচার।

তথ্যসূত্র - World Justice Project ওয়েবসাইট।

১৮২.
'ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক এবং আকাঙিক্ষত-অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্কে সমাজে বিদ্যমান ধারণার নামই মূল্যবোধ' - উক্তিটি কার?
  1. শেফার
  2. উইলিয়াম
  3. ফ্রাঙ্কেল
  4. মেরিল
সঠিক উত্তর:
শেফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেফার
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হল মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- অন্যভাবে বলতে গেলে মূল্যবোধ হল কতগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিশ্বাস ।
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হল মূল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ হল সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি।
- এটি মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে ।

♦ উল্লেখ্য:
⇒ শেফার মূল্যবোধ সম্পর্কে বলেন:
- "ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক এবং আকাঙিক্ষত-অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্কে সমাজে বিদ্যমান ধারণার নামই মূল্যবোধ।"

⇒ সমাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম এর মতে:
- 'মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি মানদণ্ড।'

⇒ ফ্রাঙ্কেল মূল্যবোধ সম্পর্কে বলেন:
- "মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ।"

⇒ মেরিল এর মতে:
- "সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরন, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।"

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৩.
গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র কোনটি?
  1. সাম্য
  2. স্বাধীনতা
  3. ভ্রাতৃত্ব
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

♦ গণতন্ত্ৰ:
- গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- বর্তমান বিশ্বে এটি একটি জনপ্রিয় শাসনব্যবস্থা ।
- যে শাসনব্যবস্থায় জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকে তাকেই গণতন্ত্র বলে ।
- প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক হেরোডোটাস বলেছেন, 'গণতন্ত্র এক প্রকার শাসনব্যবস্থা, যেখানে শাসনক্ষমতা কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের উপর ন্যস্ত থাকে না, বরং সমাজের সদস্যগণের উপর ন্যস্ত হয় ব্যাপকভাবে।'
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, 'Democracy is a government of the people, by
the people, and for the people.' অর্থাৎ, 'গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত এবং জনগণের জন্য পরিচালিত সরকারব্যবস্থা।'
- গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হল -
• সাম্য, 
• স্বাধীনতা ও 
• ভ্রাতৃত্ব।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ৷

১৮৪.
প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে -
  1. জনগণের অংশগ্রহণ কমে যায়
  2. প্রশাসনিক কাজের গতি কমে যায়
  3. জনগণের রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়
  4. দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
জনগণের রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে, তাহলে নাগরিকরা প্রশাসনের ওপর আস্থাশীল হয়৷

♦ সুশাসন:

- জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো সুশাসন ।
- সুশাসন এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কার্যক্রম জনগণের কল্যাণে পরিচালিত হয় এবং জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্র ও প্রশাসনের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- যখন জনগণ রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে, তখনই সুশাসনের প্রকৃত রূপ প্রকাশ পায় ।
- জনগণের মতামত, চাহিদা ও প্রত্যাশার ভিত্তিতে প্রশাসন পরিচালিত হলে রাষ্ট্রের প্রতি তাদের আস্থা বৃদ্ধি পায়।
- সুশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণ ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক মজবুত হয় এবং সমাজে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন নিশ্চিত হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৫.
সামাজিক মূল্যবোধের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি কোনটি?
  1. সহনশীলতা
  2. যৌক্তিকতা
  3. প্রজ্ঞা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সহনশীলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহনশীলতা
ব্যাখ্যা

⇒ সামাজিক মূল্যবোধের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি সহনশীলতা।

সহনশীলতা:
- একটি বহুমাত্রিক সমাজে বিভিন্ন মতাদর্শ, সংস্কৃতি, ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষ একত্রে বসবাস করে।
- সহনশীল মানসিকতা ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি করে, যা সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- সহনশীলতা ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মানবোধ বৃদ্ধি করে।
- যদি সহনশীলতা না থাকে, তবে সমাজে বিভাজন, সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।
- সহনশীলতা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্কেই নয়, বরং সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার উন্নতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ এটি গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- অতএব, সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে সহনশীলতা একটি অপরিহার্য উপাদান বা ভিত্তি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৮৬.
কাদের ক্ষেত্রে ‘বিপরীত বৈষম্য' নীতি প্রয়োগ করা হয়?
  1. নারী
  2. শিশু
  3. পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা

⇒ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে 'বিপরীত বৈষম্য'-এর নীতিটি প্রয়োগ করা হয়।

♦ 'বিপরীত বৈষম্য':
- সমতার প্রশ্নে "বিপরীত-বৈষম্যের" ধারণা গুরুত্বপূর্ণ।
- অনেক সময় বহু সমাজে এমন কিছু লোক থাকে যারা অন্যান্যদের চেয়ে কোন কোন দিক থেকে পিছিয়ে থাকে।
- অন্যান্যদের সমান করার জন্য তাদেরকে তখন ঐসব দিকগুলোতে কিছু অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দিতে হয় ।
- বাইরের দিক থেকে একে বৈষম্যমূলক আচরণ বলে মনে হলেও, তা সমতা-নীতিরই একটি প্রতিফলন।
- বিপরীত বৈষম্য নীতি অনুসারে, সমাজে যেসব জনগোষ্ঠী ঐতিহাসিকভাবে বৈষম্যের শিকার হয়েছে বা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে, তাদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ সুবিধা বা কোটা প্রদান করা হয়।
- এটি সংরক্ষণ নীতি বা Affirmative Action হিসেবেও পরিচিত, যা সমাজে সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৭.
মূল্যবোধের উপাদান নয় কোনটি?
  1. সাম্প্রদায়িকতা
  2. শৃঙ্খলাবোধ
  3. আইনের শাসন
  4. শ্রমের মর্যাদা
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িকতা
ব্যাখ্যা

⇒ সাম্প্রদায়িকতা মূল্যবোধের উপাদান নয়।

 ♦ মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- মূল্যবোধের প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র হলো পরিবার এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো শিক্ষালয়।

♦ মূল্যবোধের উপাদান:
- নীতি ও ঔচিত্যবোধ,
- সামাজিক ন্যায়বিচার,
- শৃঙ্খলাবোধ,
- সহনশীলতা,
- সহমর্মিতা,
- শ্রমের মর্যাদা,
- আইনের শাসন,
- নাগরিক সচেতনতা, কর্তব্যবোধ,
- সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা,
- সরকার ও রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৮.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ?
  1. শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ চর্চা করা
  2. দায়িত্বশীলতার নীতি বাস্তবায়ন করা
  3. ভিন্ন মতের প্রতি সহিষ্ণু মনোভাব বজায় রাখা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক মূল্যবোধ:
- রাজনৈতিক মূল্যবোধ হলো এমন একগুচ্ছ চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প, যা মানুষের রাজনৈতিক আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করে।

♦ রাজনৈতিক মূল্যবোধের উপাদানসমূহ:
• রাজনৈতিক সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখা ৷
• শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ চর্চা করা।
• রাজনৈতিক সহনশীলতা প্রদর্শন করা।
• দায়িত্বশীলতার নীতি বাস্তবায়ন করা।
• ভিন্ন মতের প্রতি সহিষ্ণু মনোভাব বজায় রাখা।
• বিরোধী মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা প্রদান করা ৷
• বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধা না দেয়া
• নির্বাচনের ফলাফল (জয়-পরাজয়) মেনে নেয়া ৷
• রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা গড়ে তোলা ।
• আইনসভার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করা।
• সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ নিশ্চিত করা।
• সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৯.
নিচের কোনটি দ্বারা নৈতিক অধিকার জাগ্রত হয়?
  1. রাষ্ট্রের সংবিধান
  2. নীতি
  3. রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত
  4. আইন
সঠিক উত্তর:
নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতি
ব্যাখ্যা

♦ অধিকারের শ্রেণিবিভাগ:
- অধিকার প্রধানত ২ প্রকার। যথা-
• নৈতিক অধিকার ও
• আইনগত অধিকার।

♦ নৈতিক অধিকার:
- নৈতিক অধিকার নীতি এবং বিবেকদ্বারা জাগ্রত।
- ন্যায়বোধ থেকে এটি তৈরি হয়।
- নৈতিক অধিকারের আইনগত ভিত্তি নেই।
- যেমন: ভিখারির ভিক্ষা পাওয়ার অধিকার।

♦ আইনগত অধিকার:
- আইনগত অধিকার নাগরিকের জীবনধারণ ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
- এ অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত বা অনুমোদিত।
- এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌম কর্তৃত্ব দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- এ অধিকার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত।
- ফলে এরূপ অধিকার ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র শাস্তি বিধান করে।
- যেমন: জীবনধারণের অধিকার, অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থানের অধিকার ইত্যাদি।
- সমাজ ও রাষ্ট্রভেদে এ অধিকারের তারতম্য ঘটে না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯০.
যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পদ ও সুযোগের সঠিক বণ্টন কোন ধরনের সাম্য?
  1. সামাজিক সাম্য
  2. অর্থনৈতিক সাম্য
  3. নাগরিক সাম্য
  4. আইনগত সাম্য
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সাম্য
ব্যাখ্যা

♦ সাম্যের বিভিন্ন দিক:
⇒ স্বাভাবিক সাম্য:
- জন্মগতভাবে সব মানুষ সমান। অর্থাৎ, সকল মানুষের মূল্য ও অধিকার জন্মগতভাবে সমান।

⇒ সামাজিক সাম্য:
- সমাজে ব্যক্তির যোগ্যতা অনুযায়ী সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া হয়। এখানে সামাজিক বৈষম্য থেকে মুক্তি এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয় ।

⇒ অর্থনৈতিক সাম্য:
- যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পদ ও সুযোগের সঠিক বণ্টন। অর্থাৎ, সমাজের সব সদস্য যাতে সমানভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা লাভ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা।

⇒ নাগরিক সাম্য:
- ব্যক্তিগত নাগরিক অধিকার ও সুযোগে সমান অধিকার প্রদান। এর মাধ্যমে সব নাগরিককে সমান মর্যাদা ও সুযোগ দেওয়া
হয় ৷

⇒ রাজনৈতিক সাম্য:
- রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে সমান অধিকার। এখানে ব্যক্তির রাজনৈতিক অধিকার যেমন ভোটাধিকার, নির্বাচনে অংশগ্রহণ ইত্যাদি সমান থাকে।

⇒ আইনগত সাম্য: আইনের কাছে সকল মানুষ সমান। আইন সকলের জন্য একেবারে সমান এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না৷

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯১.
UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

UNDP ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- UNDP-এর মতে, “একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন” (Good Governance is the exercise of economic, Political and administrative authority to manage a country's affairs at all levels) |
- UNDP-এর মতে সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে৷
- UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি। এগুলো হলো -
• স্বচ্ছতা, 
• আইনের শাসন,
• সকলের অংশগ্রহণ,
• সংবেদনশীলতা,
• সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য,
• সমতা,
• ন্যায্যতা,
• জবাবদিহিতা,
 • কৌশলগত লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - UNDP ওয়েবসাইট।

১৯২.
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

♦ জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়। এর দ্বারা একটি সমাজের কালোত্তীর্ণ মানদণ্ড, নীতি ও প্রথার প্রতি আনুগত্যও বোঝানো হয়।
- ব্যক্তি-পর্যায়ে এর অর্থ হল কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা, তথা চরিত্রনিষ্ঠা। এই দলিলটিতে শুদ্ধাচারের এই অর্থই গ্রহণ করা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এ কৌশলের মূল লক্ষ্য হল শুদ্ধাচার চর্চা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- রূপকল্প: সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা ।
- অভিলক্ষ্য: রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ৷

♦ শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
• নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, 
•  জাতীয় সংসদ,
• বিচার বিভাগ, 
• নির্বাচন কমিশন, 
• অ্যাটর্নি জেনারেল, 
• সরকারি কর্ম কমিশন, 
• মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, 
• ন্যায়পাল, 
• দুর্নীতি দমন কমিশন, 
• স্থানীয় সরকার।

♦ শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
• রাজনৈতিক দল,
• বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, 
• এনজিও ও সুশীলসমাজ, 
• পরিবার, 
• শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,
• গণমাধ্যম।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।