পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ৯ এপ্রিল, ২০২৪সময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৬ষ্ঠ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০১১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ৯ এপ্রিল, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ১৯৩ ধারায়
  2. ১৯০ ধারায়
  3. ১৯৫ ধারায়
  4. ১৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-
i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।
.
যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করেন-
  1. ১৯৩১ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯০২ সালে
  4. ১৮৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
নারীদের ভোটাধিকারঃ

- ১৮৯৩ সালে বিশ্বে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। তবে সে সময় নারীরা ভোটাধিকার পেলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারতেন না।
- ১৯ মে ১৯১৯ যুক্তরাষ্ট্রের  আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউজ অভ রেপ্রেজেন্টেটিভ্‌স এ নারীদের ভোটাধিকারের জন্য সংবিধান সংশোধন বিলটি পাশ হয়। 
- অবশেষে ১৯২০ সালে ৩৬ তম রাজ্য হিসেবে টেনিসি বিলটিতে সমর্থন করার মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠা পায় আমেরিকায় নারীদের ভোটাধিকার।
- আমেরিকার ইতিহাসে এটা ছিল ১৯ তম সংবিধান সংশোধন।

তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা।
.
'অ্যাবোটাবাদ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তানে
  2. রাজস্থানে
  3. পাকিস্তানে
  4. ইরানে
ব্যাখ্যা
অ্যাবোটাবাদ পাকিস্তানের একটি শহর।
- শহরটি উত্তর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাজারা অঞ্চলে অবস্থিত।
- পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামবাদের ১২০ কি.মি. উত্তরে অবস্থিত।
- এই শহরেই জঙ্গি ইসলামি সংগঠন আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন ২ মে, ২০১১ সালে মার্কিন কমান্ডো হামলায় নিহত হন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
সদস্য রাষ্ট্র হিসাবে আফগানিস্তান কত সালে সার্কে যোগদান করে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
সার্ক:
- সার্ক (SAARC) হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক জোট।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অবস্থিত।

• সার্কের ৮টি সদস্য দেশের নাম:
- ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ এবং আফগানিস্তান।
- আফগানিস্তান সর্বশেষ সদস্য হিসেবে ২০০৭ সালে সার্কে যোগ দেয়।

উৎস: সার্ক ওয়েবসাইট।
.
বিশ্বের কোন দেশে সাগরতলে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জাপানে
  2. মালদ্বীপে
  3. শ্রীলঙ্কায়
  4. আইসল্যান্ডে
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপারে বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে এক অভিনব কাজ করেছে মালদ্বীপের সরকার।
- ২০০৯ সালের ১৭ অক্টোবর মালদ্বীপের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মােহাম্মদ নাশিদের সভাপতিত্বে তার দেশের মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক সাগরতলে অনুষ্ঠিত হয়।
- বৈঠকের সময় তারা হাতের ইশারায় কথা বলেন এবং পরে জলের উপরিভাগে উঠে এসে দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- ২১০০ সালের মধ্যেই মালদ্বীপের দ্বীপগুলাে সাগরগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার পূর্বাভাসে মালদ্বীপের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে ঐ অভিনব বৈঠকের আয়ােজন করেছিল।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
.
রীট কত প্রকার?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• রীট হলো এক ধরনের আইনি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার লঙ্ঘিত হলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার লঙ্ঘিত অধিকার  বাস্তবায়নের জন্য আদালতের নিকট প্রতিকার  চাইতে পারে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রতিকার চাওয়া হয় তাকেই বলা হয় Writ (রীট)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ নাম্বার আর্টিকেল অনুযায়ী মোট পাঁচ ধরনের  Writ (রীট) সম্পর্কে  জানা যায়। সেগুলো হল-

ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari),
ঘ. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
ঙ. কারণ দর্শাও রীট ( Writ of Quo warranto)।
.
বাংলাদেশের সংবিধান কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ৫ আগস্ট, ১৯৭৩
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১১ নভেম্বর, ১৯৭৬
  4. ৪ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে। 
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বঙ্গভঙ্গ ব্যবস্থা রহিত করেন-
  1. লর্ড বেন্টিংক
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদ:

- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- এই সফরে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।
- ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সি ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পূনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ।
- প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বান্দুং' কোথায় অবস্থিত?
  1. মালয়েশিয়াতে
  2. থাইল্যান্ডে
  3. ইন্দোনেশিয়ায়
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
বান্দুং ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত। 

- বান্দুং হলাে ইন্দোনেশিয়ার জাভা প্রদেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- শহরটি জাভা দ্বীপ-এর পশ্চিম দিকে অবস্থিত।
- জনসংখ্যার দিক দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম এ শহরটির মােট আয়তন ১,৮৭৬ বর্গ কিমি।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
১০.
'অটোমেটেড টেলার মেশিন'-
  1. ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়
  2. টিকেট কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়
  3. স্বল্প খরচে ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়
  4. ভবিষ্যৎ বাণীর জন্য ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
'অটোমেটেড টেলার মেশিন' ব্যাংকিং কার্যক্রমে কাজে ব্যবহৃত হয়।

Automated Teller Machine (ATM):  
- এটি একটি আধুনিক তহবিল স্থানান্তর যন্ত্র। 
- এর মাধ্যমে ব্যাংকে অর্থ জমা,উত্তোলন ও স্থানান্তর করা যায়।
- ব্যাংক তার গ্রাহককে সুবিধার্থে প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১.
বর্তমান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্র-
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. চীন
  4. আমেরিকা
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।]

- সর্বশেষ জরিপে ২০২৩ সালে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্র।
- আর বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির তালিকায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে আছে যথাক্রমে চীন, জাপান, জার্মানি ও ভারত।
- বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় এই পাঁচ দেশই অনুমিতভাবে তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে।

উল্লেখ্য,
- প্রথাগত পদ্ধতিতে একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সামষ্টিক মূল্যকেই জিডিপি বলা হয়।
- এ ছাড়া একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের অভ্যন্তরে ভোক্তা ব্যয়, সরকারি ব্যয়, ব্যবসায়িক ব্যয় বা নতুন বিনিয়োগ এবং নিট রপ্তানি মূল্য যোগ করেও জিডিপি নির্ধারণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১২.
'এক দেশ দুই নীতি' কোন দেশে চালু আছে?
  1. কানাডায়
  2. ভারতে
  3. চীনে
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
‘একদেশ, দুই নীতি’:

- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন।
- হংকং শাসনের ক্ষেত্রে যে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে, তা বজায় থাকবে।
- হংকং ও চীনের 'এক দেশ দুই নীতি' চালু করে ১৯৯৭ সালে যা থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি’ বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। 
- ব্রিটেন হংকংকে ১৫৬ বছর পর চীনের কাছে হস্তান্তর করে - ১৯৯৭ সালে।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
১৩.
বিশ্বের কোন রাষ্ট্রটি সর্বাধিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সর্বাধিক প্রতিবেশি রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত চীন।

- আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ১৪টি দেশ চীনের প্রতিবেশী এবং আরও ৩টি দেশ দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ফিলিপাইন (আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত) জলসীমা দ্বারা পরিবেষ্টিত প্রতিবেশী রাষ্ট্র।

- অর্থাৎ চীন মোট ১৭টি রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত।

চীন সম্পর্কিত গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
- গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সে তুং।
- গ্রেট হল বেইজিং, চীনে অবস্থিত।
- প্রথম আফিম যুদ্ধ (১৮৩৯-৪২) সংগঠিত হয় চীন এবং ব্রিটেনের মধ্যে।
- চীনে কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয় ১৯৬৬-১৯৭৬ সাল পর্যন্ত।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্বদান করেন মাও সে তুং।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৪.
আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম প্রতিযোগিতা কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকায়
  2. ভারতে
  3. বাংলাদেশে
  4. ইংল্যান্ডে
ব্যাখ্যা
ICC চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি:
- ১৯৯৮ সালে ICC চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
- প্রথম আসর ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের ঢাকাতে হয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকা এ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়।
- ২০০০ সালে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম এই আসরে অংশগ্রহণ করে।

• উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন আইসিসি'র ওয়ানডে ম্যাচ খেলার মর্যাদা বা স্ট্যাটাস লাভ করে। 
- একই বছর বাংলাদেশ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয় লাভের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলারও মর্যাদা লাভ করে। 
- ২৬ জুন ২০০০ সালে বাংলাদেশ দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। 
- প্রথম ভারতের সাথে বাংলাদেশ টেস্ট খেলে। 
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায়।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালের ২ এপ্রিল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।

উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার?
  1. বীর উত্তম
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীর বিক্রম
  4. বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা
• সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক:
- স্বাধীনতা পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।

প্রশ্নের ভাষাগত ভুলের কারণে এখানে অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে সঠিক উত্তর 'বীরশ্রেষ্ঠ' নেয়া হয়েছে। তবে অপশনে 'স্বাধীনতা পুরস্কার' থাকলে সঠিক উত্তর এটাই নিতে হবে।

• উল্লেখ্য:
- বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। 
- যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে।

সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
ঢাকা শেরাটন হোটেলের বর্তমান নাম কী?
  1. রূপসী বাংলা
  2. চিরন্তন বাংলা
  3. শ্বাশত বাংলা
  4. অপূর্ব বাংলা
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল। সেই অনুযায়ী উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে নাম হচ্ছে- হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল।

হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল:
যাত্রা শুরু: ১৯৬৬ খ্রি.।
স্বত্বাধিকারী: বাংলাদেশ সার্ভিসেস লি।
স্থপতি: উইলিয়াম বি. ট্যাবলার।
অবস্থান: ঢাকার শাহবাগ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ১ম পাঁচ তারকা হোটেল।
- রেডক্রস মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে 'নিরপেক্ষ স্থান' ঘোষণা করেছিল।
- নাম পরিবর্তন ক্রম:
ইন্টার কন্টিনেন্টাল> শেরাটন> রূপসী বাংলা> ইন্টার কন্টিনেন্টাল (সর্বশেষ)।

তথ্যসূত্র: হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল ওয়েবসাইট।
১৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ কোনটি?
  1. ঘানা
  2. মোজাম্বিক
  3. সুদান
  4. সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ:

সমাজতান্ত্রিক বা ইউরোপীয় দেশ- পূর্ব জার্মানি।
উত্তর আমেরিকার দেশ- বার্বাডোস।
প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ- ভেনেজুয়েলা।
প্রথম মুসলিম দেশ বা আফ্রিকান দেশ- সেনেগাল।
প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ- ইরাক।
প্রথম উপসাগরীয় দেশ- কুয়েত।
প্রথম ওশেনিয়ার দেশ- টোংগা।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট।
১৮.
'বিজয় উল্লাস' ভাস্কর্যটি কোথায় অবিস্থত?
  1. খুলনা
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত বিভিন্ন ভাস্কর্য:

• বিজয় উল্লাস
- এটি কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের আনন্দকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৯৭ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভার উদ্যোগে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য 'বিজয় উল্লাস'।
- ১৯৯৫ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভার সামনের চত্বরে ভাস্কর মাহাবুব জামিল শামীমের নিপুণ হাতে ভাস্কর্য নির্মাণকাজ শুরু হয়।
- দুই বছর পর ১৯৯৭ সালের ১৯ মার্চ পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান আনোয়ার আলী ভাস্কর্য 'বিজয় উল্লাস' সবার জন্য উন্মুক্ত করেন।

উৎস: কুষ্টিয়া পৌরসভা ওয়েবসাইট।
১৯.
পাটের জীবন রহস্য উন্মোচিত হয় কোন বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে?
  1. সাইদুল আলম
  2. মাহবুব আলম
  3. মাকসুদুল আলম
  4. আব্দুল কাইয়ুম
ব্যাখ্যা
• পাটের জীবন রহস্য:

- ২০১০ সালে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষণাদল।
- প্রথমে তোষা পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কৃত হয়।
- ২০১৩ সালে মাকসুদুল আলম দ্বিতীয় ধাপে দেশি পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন।
- যার মাধ্যমে প্রাণী বা উদ্ভিদের জেনেটিক (জন্মগত) বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা জানা যায়।
- ২০১২ সালে পাটের জন্য ক্ষতিকর ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের এক ধরনের ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্স—জীবনরহস্য উন্মোচন করা।

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য ২০০৯ সালে পাটের জিনোম সিকুয়েন্সিং-এর কার্যক্রম শুরু করান।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের পাটবান্ধব নীতির কল্যাণে বিগত ১০ বছরে পাটের উৎপাদন বেড়েছে ৩৩ লাখ বেল।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে পাট উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৮৪ লাখ বেল।
- এর মধ্যে প্রায় ৪৩ লাখ বেল পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি হয়েছে।
- পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি মাধ্যমে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২০.
'ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান:

- ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত।
- এর মোট আয়তন ৫০২২ হেক্টর।
- এটি ঢাকা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।
- এটি একটি ক্রান্তিয়, আর্দ্র পর্ণমোচী বৃক্ষের বন।

তথ্যসূত্র - বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২১.
'আড়িয়াল বিল' কোথায় অবস্থিত?
  1. মানিকগঞ্জে
  2. মুন্সীগঞ্জে
  3. রুপগঞ্জে
  4. হবিগঞ্জে
ব্যাখ্যা
আড়িয়াল বিল:

- আড়িয়াল বিল পদ্মা নদী ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝখানে অবস্থিত ও মুন্সীগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি অবভূমি।
- এটি দেশের মধ্যাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন বিল।
- আড়িয়াল বিলের বেশিরভাগ এলাকাই শুষ্ক ঋতুতে আর্দ্র থাকে এবং বিলে যথেষ্ট পরিমাণ পানি সঞ্চিত থাকে।
- বর্ষায় পানিতে টইটুম্বুর থাকলেও শীতকালে এটি বিস্তীর্ণ শস্য ক্ষেতে পরিণত হয়।

তথসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২.
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
  1. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  2. আলাউদ্দীন আল আজাদ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. আবু জাফর শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটি লিখেছেন- 'অদ্বৈত মল্লবর্মণ'। 

‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা: 
- উপন্যাসটির রচয়িতা- অদ্বৈত মল্লবর্মণ।
- উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসে তিতাস নামক নদীতীরের ধীবর ( জেলে ও মৎসজীবী) সমাজের রীতি- নীতি, ধর্ম- সংস্কার উৎসব ও জীবনযাপনের কাহিনি বর্ণিত।
 - ঋত্বিক ঘোটক উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়ণ করেন ১৯৭৩ সালে।
- উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনো মানুষ নয় একটি নদী, নাম 'তিতাস'।
- উপন্যাসে কিশোর, সুবল, অনন্ত, তিলক, বাসন্তী ও মনমালী চরিত্রের মাধ্যমে লেখক কাহিনী রূপ দিয়েছেন।

অদ্বৈত মল্লবর্মণ: 
- ১৯১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোকর্ণ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
- নয়া বসত,
- রামধনু,
- দু রঙা প্রজাপতি,
- সাদা হাওয়া,
- দলবেঁধে,
- সাগরতীর্থে,
- রাঙামাটি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. কালিপ্রসন্ন সিংহ
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. ভবানীচরণ বন্দোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
আলালের ঘরের দুলাল:

- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।
- তার আগে ১৮৫৪ সাল থেকে ‘মাসিক পত্রিকা’তে ধারাবাহিকভাবে এটি প্রকাশিত হতে থাকে।
- উপন্যাসটিতে দেশীয় শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।
- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়।
- পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।
- উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা।
- 'দুনিয়া সাচ্চা নয়-মুই একা সাচ্চা হয়ে কি করবো?' উপন্যাসে উক্তিটি বলেছেন ঠকচাচা।
- এছাড়াও উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রে হচ্ছে- বাবুরাম, বাবুরামের পুত্র মতিলাল, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।

উৎস: ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
'আবার আসিব ফিরে ধানসঁড়িটির তীরে'- চরণটি কোন কবির কবিতায় পাওয়া যায়?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
'আবার আসিব ফিরে' কবিতাটির রচয়িতা: 'জীবনানন্দ দাশ'।
- ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে।
- ‘রূপসীবাংলা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।

জীবনানন্দ দাশ: 
- কবি জীবনানন্দ দাশ  ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম সত্যানন্দ দাশ। পেশায় ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- জীবনানন্দ দাশের মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- গ্রামবাংলার নিসর্গ প্রকৃতি ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ তাঁর কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়।
- তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ হিসেবে খ্যাত বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতাকে ‘চিত্ররূপময় কবিতা’ বলেছেন।
- এছাড়াও তাকে ধূসরতার কবি,তিমির হননের কবি ,নির্জনতার কবি ও রূপসী বাংলার কবি বলা হয়ে থাকে।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হল-
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা ও কালবেলা।

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হল-
- মাল্যবান,
- সতীর্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
'কবর' নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. কবীর চৌধুরী
  2. জসীম উদ্দীন
  3. আনোয়ার পাশা
  4. মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'কবর' নাটকের রচয়িতা- অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী।

'কবর' নাটক:
- 'কবর' নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের লক্ষে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান।
- এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি এ নাটকটি রচনা করেন।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক: 
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দন্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
'বনফুল' কার ছদ্মনাম?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. মোহিত লাল চৌধুরী
  3. বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়
  4. যতীন্দ্র মোহন বাগচী
ব্যাখ্যা
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ‘বনফুল' ছদ্মনামে পরিচিত।

অন্যদিকে: 
- মোহিতলাল মজুমদার এর ছদ্মনাম 'সত্যসুন্দর দাস'। 
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।

কিছু উল্লেখযোগ্য লেখকের ছদ্মনাম নিম্নরুপ-  

মীর মোশাররফ হোসেন - গাজী মিয়া;
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - ভানুসিংহ;
প্যারীচাঁদ মিত্র - টেকচাঁদ ঠাকুর;
কাজেম আল কোরায়েশী - কায়কোবাদ;
কালী প্রসন্ন সিংহ - হুতোম পেঁচা;
ফররুখ আহমদ - বানভট্ট;
বিমল ঘোষ - মৌমাছি;
রাজশেখর বসু - পরশুরাম;
সমরেশ বসু - কাল্কূট;
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় - নীল লোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৭.
সর্বাধিক বাংলাদেশী জনশক্তি রপ্তানি করা হয় কোন দেশে?
  1. সৌদি আরবে
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাতে
  3. মালেশিয়াতে
  4. কুয়েতে
ব্যাখ্যা
• এটি সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত 'বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা' অনুযায়ী আলোচ্য প্রশ্নের উত্তর সময়ের সাথে পরিবর্তন হয়ে থাকে। তবে স্বাধীনতার পর থেকে এখন অবধি সর্বাধিক বাংলাদেশী জনশক্তি/শ্রমশক্তি রপ্তানী হয়- সৌদি আরবে

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে বিদেশে রেকর্ডসংখ্যক জনশক্তি রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি।
- আর এই অর্জনের পেছনে অন্যতম কারণ হলো সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী (জনশক্তি) নিয়োগে কোটা বাড়ানো এবং মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবার খুলে দেওয়া।
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যমতে, গত বছর বিশ্বের ১৩৭টি দেশে বাংলাদেশের ১৩ লাখ কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. নুরুল আমিন
  3. আবুল হাশেম
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। 
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।  
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
-  ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তনের পর ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় যার মুখ্যমন্ত্রী (অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী) নির্বাচিত হন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. মানিক বন্দোপাধ্যায়
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'চাঁদের অমাবস্যা'  উপন্যাসটির রচয়িতা- 'সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'।

• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস: 
- এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

-----------------------------------
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম। 
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহ'র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু।
- চাঁদের অমাবস্যা।
- কাঁদো নদী কাঁদো।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা।
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর।
- তরঙ্গভঙ্গ।
- সুড়ঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০.
বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল কবে?
  1. সপ্তম শতাব্দী
  2. অষ্টম শতাব্দী
  3. নবম শতাব্দী
  4. দশম শতাব্দী
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার উৎপত্তির সময়:
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বলেছেন - সপ্তম শতাব্দীতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি।
- স্যার জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশ পণ্ডিত বলেছেন - দশম শতাব্দীতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি।

তাই অধিকাংশ পণ্ডিতগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে সঠিক উত্তর 'দশম শতাব্দী' গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলা ভাষা:
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা।
- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য।
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'।
- ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে।
- এই বিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে, সেগুলো হলো:
ইন্দো-ইউরোপীয় → ইন্দো-ইরানীয় → ভারতীয় আর্য → প্রাকৃত → বাংলা।
- বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩১.
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছন্দনাম কী?
  1. চেনাকণ্ঠ
  2. নীল লোহিত
  3. কালকূট
  4. কালপেঁচা
ব্যাখ্যা
নীল লোহিত, সনাতন পাঠক, নীল উপাধ্যায় এগুলো সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।

অন্যদিকে,
সমরেশ বসুর ছদ্মনাম- 'কালকূট', 'ভ্রমর'।
বিনয় ঘোষ এর ছদ্মনাম- 'কালপেঁচা'।
সৈয়দ আলী আহসানের ছদ্মনাম-'চেনাকণ্ঠ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
'নদীমাতৃক' শব্দের সমাস হলো-
  1. নদী মাতা যার
  2. নদীতে মাতা আছে যার
  3. নদী ও মাতা
  4. নদী এবং মাতৃকা
ব্যাখ্যা
নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক; বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। 

বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- বহুব্রীহি সমাসে পরপদের মাতৃ, পত্নী, পুত্র, স্ত্রী ইত্যাদি শব্দ থাকলে এ শব্দগুলোর সঙ্গে ‘ক’ যুক্ত হয়।

যেমন:
- বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক,
- নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক, 
- নাই পুত্র যার = অপুত্রক, 
- স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান = সস্ত্রীক,
- জনের মুখ হতে শ্রুত যা = জনশ্রুতি ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৩.
'অপু' কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. পথের পাঁচালী
  2. পদ্মা নদীর মাঝি
  3. লালসালু
  4. কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের চরিত্র হচ্ছে ‘অপু ও দুর্গা’।

পথের পাঁচালী:
- 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
- এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের তিনটি ভাগ। বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রূর সংবাদ।
- 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু।
- এছাড়াও 'পথের পাঁচালী' ও 'অপরাজিত' উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো- 
- অপু, দুর্গা, ইন্দির ঠাকরুন, সর্বজয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৪.
'নীলদর্পণ' নাটক কে রচনা করেছেন?
  1. দ্বিজেন্দ্র লাল রায়
  2. আনোয়ার পাশা
  3. দীনবন্ধু মিত্র
  4. মমতাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
'নীলদর্পণ' নাটক  

- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৫.
বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কী?
  1. ধ্বনি
  2. বর্ণ
  3. অক্ষর
  4. শব্দ
ব্যাখ্যা
• বাক্যের উপাদান/ ক্ষুদ্রতম একক - ধ্বনি।

অন্যদিকে,
বাক্যের উপকরণ/ বৃহত্তম একক - শব্দ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
ভাষার মূল উপকরণ/প্রাণ - বাক্য।
ভাষার মূল উপাদান /ক্ষুদ্রতম একক - ধ্বনি এবং
বর্ণ হচ্ছে শব্দের গঠনগত একক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৬.
'ঠাকুর' পরিবারের আসল কী পদবী ছিল?
  1. কুশারী
  2. মুখোপাধ্যায়
  3. শাস্ত্রী
  4. ঘোষ
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- ঠাকুর পরিবারের আসল পদবি ছিলো কুশারী।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৭.
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকী হলো-
  1. দিগদর্শন
  2. বেঙ্গল গেজেট
  3. সমাচার দর্পন
  4. নবযুগ
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো 'দিগদর্শন'।

- 'দিগদর্শন‌' ছিলো মাসিক পত্রিকা। 
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারিদের উদ্যোগে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় দিগদর্শন সাময়িকপত্র প্রকাশিত হয়।
- দিগদর্শনের মোট ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ১৮২১ সালের পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
- দিগ্দর্শন প্রকাশিত হওয়ার একমাস পর (২৩ মে, ১৮১৮) জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘সমাচার দর্পণ’ সাময়িকী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৮.
কে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন?
  1. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর
  3. চন্ডীদাস
  4. বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:

- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গলকাব্য রচনা করেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন।
-  ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের 'শেষ বড় কবি' বলা হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৯.
'কাশবনের কন্যা'- কোন ধরনের রচনা?
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. ছোটগল্প
  4. নাটক
ব্যাখ্যা
'কাশবনের কন্যা' উপন্যাস:
- বরিশাল অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, লোকজীবন গ্রামীণ দিগন্ত ফটোগ্রাফিকভাবে চিত্রায়িত হয়েছে শামসুদ্দিন আবুল কালামের 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসে। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ সালে। 
============ 
শামসুদ্দীন আবুল কালাম:
- ১৮৯৭ সালের ৩ নভেম্বর  ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবুল কালাম শামসুদ্দীন ।

তাঁর কয়েকটি গল্পগ্রন্থের নাম:
- অনেক দিনের আশা,
- ঢেউ,
- পথ জানা নেই,
- শাহের বানু,
- পুঁই ডালিমের কাব্য।

তাঁর কয়েকটি উপন্যাসের নাম:
- আলমগড়ের উপকথা,
- কাশবনের কন্যা, 
- কাঞ্চনমালা,
- জায়জঙ্গল,
- সমুদ্র বাসর,
- কাঞ্চনগ্রাম।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৪০.
'সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই' উক্তিটি কার?
  1. চণ্ডীদাস
  2. বিদ্যাপতি
  3. বিবেকানন্দ
  4. কালিদাস
ব্যাখ্যা
‘শোন হে মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।’
উক্তিটি চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি চণ্ডীদাসের।

- চণ্ডীদাস চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন।
- তিনি ছিলেন সহজিয়াপন্থী কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে সহজ ভাষার সহজ ভাবের কবি বলে এবং এই গুণে তাকে বঙ্গীয় প্রাচীন কবিদের মধ্যে প্রধান কবি বলে অভিহিত করেছেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবিও বলেছিলেন।

তাঁর বিখ্যাত উক্তি-
- ‘বহুদিন পরে বঁধুয়া এলে। দেখা না হইত পরাণ গেলে।’
- ‘শোন হে মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।’
- ‘সখি কেমনে ধরিব হিয়া, আমারি বধূয়া আনবাড়ী যায় আমারি আঙিনা দিয়া।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪১.
'বিরাজ বৌ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. মানিক বন্দোপাধ্যায়
  2. সত্যেন সেন
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য্য
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'বিরাজ বৌ' উপন্যাসের রচয়িতা- 'শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়'। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া। 
৪২.
'বিদ্যাপতি' কোথাকার কবি ছিলেন?
  1. পাটনার
  2. আসামের
  3. মিথিলার
  4. কলকাতার
ব্যাখ্যা
বিদ্যাপতি:

- মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন বিদ্যাপতি।
- তিনি ছিলেন চতুর্দশ শতকের কবি।
- কবির রচনায় মোহিত ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহ।
- এ জন্য সে বিদ্যাপতিকে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- ‘মৈথিল কোকিল’ বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।
- কোকিল যেমন সুললিত সুমধুর গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে, মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতিও মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
- তিনি ছিলেন বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৩.
The word 'inept' means the same as-
  1. Unlucky
  2. Humble
  3. disorganized
  4. incompetent
ব্যাখ্যা
Inept
English meaning: not skilled or effective.
Bangla meaning: অপটু; অযোগ্য; অসময়োচিত।

Options,
- Unlucky: অভাগা।
- Humble: বিনয়ী; নম্র; বিনম্র; বিনীত; নিরভিমান; বিনয়নম্র।
- Disorganize: বিশৃঙ্খল করা; স্বাভাবিক কর্মপদ্ধতি ব্যাহত করা।
- Incompetent: অযোগ্য; যোগ্যতাহীন; অনুপযুক্ত; অনধিকারী।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of 'Inept'- Incompetent.


Source: Accessible & Cambridge Dictionary.
৪৪.
'Run counter to' means-
  1. disobey
  2. rebel
  3. remove
  4. contradict
ব্যাখ্যা
The expression 'Run counter to' means - 'to disagree with/contradict'.

Run counter to
English Meaning: to be opposed to / to disagree with.
Bangla Meaning: বিরুদ্ধ হওয়া / কারো সাথে মতের অমিল হওয়া।

Ex. Sentence: His theory ran counter to the beliefs of his time.
Bangla Meaning: তার তত্ত্ব তার সময়ের বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ছিলো।

Source: live MCQ Lecture.
৪৫.
'Pass for' means-
  1. appear to be
  2. allow
  3. brush aside
  4. qualify
ব্যাখ্যা

Pass as/for sth/sb - to appear to be someone or something else, or to cause people to believe that you are someone or something else.

Source: Cambridge Dictionary

৪৬.
'Cry wolf' means-
  1. give a false alarm
  2. bare one's teeth
  3. clear the road
  4. show anger
ব্যাখ্যা
Cry wolf (Idiom)
English Meaning: call for help when it is not needed, with the effect that one is not believed when one really does need help.
Bangla Meaning: অপ্রয়োজনে সাহায্য চেয়ে প্রয়োজনের সময় সাহায্য না পাওয়া

Ex. Sentence: If you cry wolf too often, people will stop believing you.
Bangla Meaning: যদি তুমি অপ্রয়োজনে সাহায্য চেয়ে বেড়াও, মানুষ তোমার উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে।

সুতরাং, এখানে অপশন (ক) to give false alarm বেশি যুক্তিযুক্ত।

Source: Live MCQ Lecture.
৪৭.
'Cupboard love' is-
  1. flattery
  2. open love
  3. show of affection
  4. reckless love
ব্যাখ্যা
Cupboard love

English Meaning: love shown by someone, typically a child, in order to get something that they want, such as food.
Bangla Meaning: কিছু পাওয়ার জন্য স্নেহের ভান করা / টাকাপয়সা হাতানোর লোভে প্রেম।

Ex. Sentence: I hope that it is not just cupboard love on the part of the regions.
Bangla Meaning: আশা করি এলাকার এই অংশে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য এমন যত্ন আত্তি করে না।

Source: Live MCQ Lecture and Merriam-Webster Dictionary.
৪৮.
'Look over' means-
  1. ignore
  2. examine closely
  3. neglect
  4. choose
ব্যাখ্যা
Look over

English Meaning: to quickly examine something.
- কারণ কোন বিষয়ে পরীক্ষা করা বোঝাতে look এরপর over ব্যবহৃত হয়।
- Complete sentence: The teacher will look over the answer scripts.

অন্যদিকে, 
Look after = দেখাশুনা করা।
Look into = গভীর পর্যবেক্ষন।
look upon = বিবেচনা করা।
Look down upon = খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি।
Look upto = শ্রদ্ধা করা।
Look out for = আশা করা।
Look to = সতর্ক করা।
Look in - (on somebody) অল্পক্ষণের জন্য আসা।
Look on - বিবেচনা করা।
Look up - অভিধানে খোঁজা অর্থে ব্যবহৃত হয়।

Source: Bangla Academy Dictionary and Cambridge Dictionary.
৪৯.
'রামায়ণ' কোন ভাষায় রচিত হয়?
  1. হিন্দি ভাষায়
  2. সংস্কৃত ভাষায়
  3. উর্দু ভাষায়
  4. বাংলা ভাষায়
ব্যাখ্যা
রামায়ণ:
- রামায়ণ সংস্কৃত ভাষার কাব্য। 
- সংস্কৃত ভাষায় রামায়ণ রচনা করেন 'বাল্মীকি'।
- রামায়ণের প্রথম বাংলা অনুবাদ করেন- কৃত্তিবাস ওঝা। 
- গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের নির্দেশে কৃত্তিবাস ওঝা বাংলায় 'রামায়ণ' অনুবাদ করেন। 
- রামায়ণের প্রথম মহিলা অনুবাদক ছিলেন 'চন্দ্রাবতী'।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫০.
'Cataclysm' means-
  1. disorder
  2. anarchy
  3. violence
  4. sudden violent change or disaster
ব্যাখ্যা
• Cataclysm এর অর্থ- আকস্মিক পরিবর্তন (হোক তা ভূমিকম্প, প্লাবন বা সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে)।

Other options:
Disorder - বিশৃঙ্খলা।
Anarchy - অরাজকতা।
Violence – সহিংসতা।
Sudden violent change or disaster - মহাদুর্যোগ বা সহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে হঠাৎ পরিবর্তন হওয়া।

সুতরাং, অপশন (ঘ) সঠিক উত্তর হবে।
৫১.
'At one go' means-
  1. at once
  2. in one single attempt
  3. losing no more time
  4. extremely fast
ব্যাখ্যা
'At one go'

English Meaning: in one single attempt.
Bengali Meaning: একক প্রচেষ্টায়।

Source: Bangla Academy Dictionary and Cambridge Dictionary.
৫২.
'Proscribe' means-
  1. advise
  2. seize
  3. take into custody
  4. prohibit
ব্যাখ্যা
Proscribe (verb transitive)

English Meaning: To forbid an action or practice officially.
Bangla Meaning: (১) (প্রাচীন প্রয়োগ) (ব্যক্তিকে) প্রকাশ্যে আইনের আশ্রয়চ্যুত করা; অধিকারচ্যুত/সমাজচ্যুত করা; নির্বাসিত করা।
(২) (ব্যক্তি, রীতিনীতি, ইতিহাস) (বিপজ্জনক বলে) প্রতিসিদ্ধ/অভিযুক্ত করা।

Synonyms: Veto (নিষিদ্ধ করা), Prohibit (নিষেধ/ধারণ করা), Ban (নিষিদ্ধ ঘোষণা করা), Forbid (নিষেধ), Disallow (অস্বীকৃতি)।  
Antonyms: Allow (অনুমতি দেওয়া), Permit (অনুমতি দান করা), Grant (মঞ্জুর করা), Take into account (বিবেচনায় নেয়া), Approve (অনুমোদন নেয়া)। 

Example Sentence:
1. The Athletics Federation has banned the runner from future races for using proscribed drugs.
2. I proscribe you to call me late at night.

Other options:
• Take into custody জেলে বন্দি করা।
• Advise - উপদেশ দেওয়া।
• Seize - জব্দ করা।

Source: Live MCQ Lecture.
৫৩.
A fall guy is __________.
  1. a silly person
  2. one who has been betrayed
  3. a scapegoat
  4. an irresponsible person
ব্যাখ্যা
A fall guy

English Meaning: a scape goat, an easy victim.
Bangla Meaning: মিথ্যা অপবাদে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা, বলির পাঁঠা;

Source: Live MCQ Lecture.
৫৪.
'Circumvent' means-
  1. prevent
  2. limit
  3. find a way of overcoming or avoiding
  4. oppose
ব্যাখ্যা
• 'Circumvent' এর অর্থ- (কোনো উপায়ে) পাশ কাটিয়ে যাওয়া।

Other options:
Limit- সীমাবদ্ধ করা।
Prevent - রক্ষা করা।
Find a way of overcoming or avoiding- সমাধান বা পরিত্যাগ করার কোনো উপায় বের করা।
Oppose- বিরোধিতা করা।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হচ্ছে- 'গ'।
৫৫.
The synonym for 'corrective' is-
  1. righteous
  2. preventive
  3. prohibitive
  4. remedial
ব্যাখ্যা
Corrective - সংশোধনমূলক।

Other options:

Remedial - সংশোধনমূলক।
Prohibitive- নিষেধমূলক।
Righteous - নীতিবান।
Preventive – প্রতিরোধমূলক।

সুতরাং, অর্থানুযায়ী Remedial-ই সঠিক উত্তর।

Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary. 
৫৬.
'Allegation' means-
  1. accusation
  2. rebuke
  3. disapproval
  4. statement made without proof
ব্যাখ্যা
Allegation অর্থ- অভিযোগ।

Other options:
Accusation- অভিযোগ।
Rebuke- তিরস্কার করা।
Disapproval অননুমোদন।
Statement made without proof প্রমানহীন বিবৃতি। 

সুতরাং, accusation-ই সঠিক উত্তর হবে।

Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary. 
৫৭.
It is difficult to part ______ a long-held belief.
  1. from
  2. for
  3. up
  4. with
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: It is difficult to part with a long-held belief. 

• Part from someone
- to leave someone
- কাউকে ছেড়ে যাওয়া।

যেমন:
I just hate parting from you.
He parted from his friends in tears.

Part with something
- হচ্ছে বিচ্ছিন্ন হওয়া /বিদায় জানানো।

যেমন:
I just couldn’t part with my old car, even though it uses too much gas.

সুতরাং, Sentence অনুযায়ী 'with' সঠিক উত্তর হবে।

Source: Cambridge Dictionary.
৫৮.
Over-work will tell _______ your health.
  1. upon
  2. at
  3. up
  4. with
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: Over-work will tell upon your health.

• Tell upon = ক্ষতি করা, harm.
Example: Smoking tells upon our body.
৫৯.
His views often cut ______ the party-line.
  1. upon
  2. about
  3. across
  4. off
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: His views often cut across the party-line.

Sentence-টির অর্থ হচ্ছে- 'তার মতামতসমূহ প্রায়ই দলীয় নীতির সীমা ছাড়িয়ে যায়।'

• cut across - সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া, ভিন্নমত পোষণ করা।
• cut off- কেটে ফেলা।

সুতরাং, Sentence অনুযায়ী 'across' সঠিক উত্তর হবে।
৬০.
She has great fondness _______ Classical music.
  1. of
  2. for
  3. in
  4. with
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: She has great fondness of Classical music.

fondness of অর্থ- আসক্তি, অনুরাগী।

সুতরাং, শূন্যস্থানে Appropriate preposition 'of'-ই হবে সঠিক উত্তর।
৬১.
Try to fill _______the cracks first.
  1. up
  2. in
  3. against
  4. about
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: Try to fill up the cracks first.

• Fill up – পূর্ণ করা।
1. (chiefly of a fuel tank) to make full.
2. to become full.
৬২.
The meaning of the word 'antiquated' is-
  1. very old
  2. ridiculous
  3. out of date
  4. absure
ব্যাখ্যা
'antiquated' এর অর্থ- সেকেলে, প্রাচীন।

Other options:
ridiculous- হাস্যকর।
out of date- মেয়াদ উত্তীর্ণ।
very old - অনেক পুরনো।
absurd - অযৌক্তিক।

সুতরাং, antiquated এর অর্থ 'out of date' অপশন সঠিক উত্তর।
৬৩.
The word 'anathema' means-
  1. detested person or thing
  2. poison
  3. imprisonment
  4. short musical composition
ব্যাখ্যা
Anathema অর্থ- Detested person or thing.
অর্থাৎ- ঘৃণিত বা অভিশপ্ত ব্যক্তি বা বস্তু।

Other options:
Short musical composition- সংক্ষিপ্ত সুরেলা সংগীত।
Imprisonment- কারারুদ্ধ।
Poison- বিষ।
৬৪.
১ কোটিতে কত মিলিয়ন?
  1. ১০
  2. ০.১
  3. ১০০
  4. ১০০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ কোটিতে কত মিলিয়ন?

সমাধান:
১ মিলিয়ন = ১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন = ১ কোটি
১০০ কোটি = ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন = ১০০০ মিলিয়ন
৬৫.
কিসের আকর্ষণে জোয়ার ভাটা হয়?
  1. সূর্য
  2. চন্দ্র
  3. নক্ষত্র
  4. মঙ্গল গ্রহ
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং
- পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি।
- ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়।

জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
আমলকি, লেবু, পেয়ারা কোন ভিটামিনের উৎস?
  1. ভিটামিন - C
  2. ভিটামিন- D
  3. ভিটামিন - E
  4. ভিটামিন- K
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ভিটামিনের উৎস:
- ভিটামিন এ - দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।
- ভিটামিন বি - ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদাম, শিমের বীচি, কলিজা, হৃদ্পিণ্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি ।
- ভিটামিন সি - পেয়ারা, আমলকি, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস, কাঁচামরিচ, তাজা শাকসবজি ইত্যাদি।
- ভিটামিন ডি - ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।
- উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন 'ই' ও ভিটামিন 'কে' পাওয়া যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
ডেঙ্গু জ্বরের বাহক মশা-
  1. এনোফিলিস
  2. কিউলেক্স
  3. এডিস
  4. সকল ধরনের মশা
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা।

- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়।
- এছাড়াও এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। 
- ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ: জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি। 
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়। 
- এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে। 
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

অন্যদিকে,
- ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুবাহী মশা হলো- অ্যানোফিলিস। 
- ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা- কিউলেক্স। 

উৎস: জীববিজ্ঞান- ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং WHO ওয়েবসাইট।
৬৮.
প্রাকৃতিক গ্যাস হচ্ছে-
  1. ইথিন
  2. মিথেন
  3. ইথাইন
  4. প্রোপাইন
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস:

- প্রাকৃতিক গ্যাসে সবচেয়ে পরিমানে বেশি থাকে মিথেন।
• মিথেনের পরিমান ৮০%।
• প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেন ৭%।
• প্রাকৃতিক গ্যাসে প্রোপেন ৬%।
• প্রাকৃতিক গ্যাসে বিউটেন ৪%।
• প্রাকৃতিক গ্যাসে পেন্টেন  ৩%।
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমান ৯৯.৯৯%।

তাই প্রাকৃতিক গ্যাস বলতে 'মিথেন' কে বোঝায়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
কয়লার মূল উপাদান কোনটি?
  1. গ্রাফাইট
  2. কার্বন
  3. জিংক
  4. কার্বন-মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
কয়লা:
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা।
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)।
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। যথা: অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট।
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে।
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে।
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭০.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য
  2. লোহা
  3. পানি
  4. বাতাস
ব্যাখ্যা
- লোহা মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।

শব্দের বেগ:
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল  পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭১.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি-
  1. ০°C
  2. ১০°C
  3. ৪°C
  4. ১০০°C
ব্যাখ্যা
-  পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। 
- ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। 
- ০°C তাপমাত্রায় পানি বরফে পরিণত হয়।
- ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব ১গ্রাম/সি.সি. বা ১০০০ কেজি/মিটার৩। 
- ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।
- - প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেনি।
২. বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
১ কিলোমিটার সমান কত মাইল?
  1. ১.৬০
  2. ০.৬২
  3. ১.৬২
  4. ০.৬৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ কিলোমিটার সমান কত মাইল?

সমাধান:
১ মাইল = ১.৬০৯ কিলোমিটার
 ১ কিলোমিটার = ০.৬২১৩ মাইল।
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার
১ মাইল = ১৭৬০ গজ
১ মাইল = ৫২৮০ ফুট
৭৩.
নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১০ ও ৫ কিলোমিটার। নদীপথে ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ১০ ঘণ্টা
  3. ১৫ ঘণ্টা
  4. ২০ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১০ ও ৫ কিলোমিটার। নদীপথে ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ ঘণ্টায় ১৫ কি.মি.
এবং স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ ঘন্টায় ৫ কি.মি.

∴ ৪৫ কি.মি. অতিক্রম করতে সময় লাগে = (৪৫/১৫) ঘণ্টা = ৩ ঘণ্টা

এবং ৪৫ কি.মি. ফিরে আসতে সময় লাগে = (৪৫/৫) ঘণ্টা = ৯ ঘণ্টা

∴ মােট সময় লাগে = (৩ + ৯) ঘণ্টা = ১২ ঘণ্টা
৭৪.
৬০ জন ছাত্রের মধ্যে ৪২ জন ফেল করলে পাসের হার কত?
  1. ২৫%
  2. ২৮%
  3. ৩০%
  4. ৩২%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ জন ছাত্রের মধ্যে ৪২ জন ফেল করলে পাশের হার কত?

সমাধান: 
পাশ করে = (৬০ - ৪২) জন = ১৮ জন 

৬০ জন ছাত্রের মধ্যে পাশ করে = ১৮ জন 
১ জন ছাত্রের মধ্যে পাশ করে = ১৮/৬০ জন
∴ ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে পাশ করে = (১৮ × ১০০)/৬০ জন 
= ৩০ জন
৭৫.
কোন পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর ৮০% গণিতে এবং ৭০% বাংলায় পাস করল। উভয় বিষয়ে ৬০% পাস করলে উভয় বিষয়ে কতজন ফেল করল?
  1. ১৫%
  2. ১০%
  3. ১২%
  4. ১৪%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর ৮০% গণিতে এবং ৭০% বাংলায় পাস করল। উভয় বিষয়ে ৬০% পাস করলে উভয় বিষয়ে কতজন ফেল করল?

সমাধান: 
গণিতে পাশ = ৮০%
শুধু গণিতে পাশ = (৮০ - ৬০)% = ২০%

বাংলায় পাশ = ৭০%
শুধু বাংলায় পাশ = (৭০ - ৬০)% = ১০%

এক এবং উভয় বিষয়ে পাশ = (২০ + ১০ + ৬০)% = ৯০%

∴ উভয় বিষয়ে ফেল = (১০০ - ৯০)% = ১০% 
৭৬.
একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?
  1. ২৪
  2. ২০
  3. ১৮
  4. ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি ক 

প্রশ্নমতে
৩ক + ২ক = ৯০
⇒ ৫ক = ৯০
⇒ ক = ১৮
৭৭.
এক কুইন্টাল সমান কত কিলোগ্রাম?
  1. ১০
  2. ১০০
  3. ১০০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক কুইন্টাল সমান কত কিলোগ্রাম?

সমাধান: 
১  কুইন্টাল = ১০০ কিলোগ্রাম
১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম 
১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন
৭৮.
একটি কলম ৫০ টাকায় ক্রয় করে ৫৬ টাকায় বিক্রয় করা হলো। এতে শতকরা কত লাভ হলো?
  1. ৮%
  2. ৯%
  3. ১০%
  4. ১২%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কলম ৫০ টাকায় ক্রয় করে ৫৬ টাকায় বিক্রয় করা হলো। এতে শতকরা কত লাভ হলো?

সমাধান:
ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা

লাভ = (৫৬ - ৫০) টাকা
= ৬ টাকা

৫০ টাকায় লাভ = ৬ টাকা
১ টাকায় লাভ = ৬/৫০ টাকা
১০০ টাকায় লাভ = (৬ × ১০০)/৫০ টাকা
= ১২ টাকা
৭৯.
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ৪৫ মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. ২০২৫ বর্গমিটার
  2. ২০১৫ বর্গমিটার
  3. ২৪৭৫ বর্গমিটার
  4. ১০১৫ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ৪৫ মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহু2
= (৪৫)
= ২০২৫
৮০.
১২ হতে ৩২ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১২ হতে ৩২ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?

সমাধান : 
মৌলিক সংখ্যা: যে সংখ্যাকে ১ এবং ঐ সংখ্যা ব্যতীত অন্য সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
১২ হতে ৩২ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, মোট ৬টি
৮১.
দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটির ল. সা. গু ৯৬ হলে গ. সা. গু কত?
  1. ১৬
  2. ২৪
  3. ১২
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটির ল. সা. গু ৯৬ হলে গ. সা. গু কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গ. সা. গু = দুটি সংখ্যার গুণফল/সংখ্যা দুটির ল. সা. গু
= ১৫৩৬/৯৬
= ১৬
৮২.
কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
  1. √০.৩
  2. ০.৩
  3. ১/৩
  4. ২/৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?

সমাধান:
√০.৩ = ০.৫৪
০.৩ = ০.৩
১/৩ = ০.৩৩
২/৫ = ০.৪
৮৩.
- ১ থেকে কত বিয়োগ করলে বিয়োগফল শূন্য হবে?
  1. - ১
  2. - ২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: - ১ থেকে কত বিয়োগ করলে বিয়োগফল শূন্য হবে?

সমাধান: 
ধরি
সংখ্যাটি ক 
প্রশ্নমতে,
- ১ - ক = ০
- ১ = ক 
ক = - ১
৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের কি প্রতিকার আছে-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রেফ্যারেন্স
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে,
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৮৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৪৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার জন্য কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে।

অনুচ্ছেদ -৪৮ : রাষ্ট্রপতি
১. বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবে, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবে।

২. রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবে এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবে।

৩. এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

৪. কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন।

৫. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৬.
ঘোষণামূলক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফী দিতে হয়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit)  

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

এই মোকদ্দমার জন্য নির্দিষ্ট ৩০০ টাকা কোর্ট ফী দিতে হবে।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৮৭.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।

• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা ২৬২ এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি (Procedure for summary trials) দেয়া আছে। বর্ণিত ব্যতিক্রম ছাড়া বিচারের ক্ষেত্রে বিংশ অধ্যায় (ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার) নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। সেই সাথে কারাদণ্ডের সীমা উল্লেখ করা আছে।

• No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
অর্থ্যাৎ সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।
৮৮.
কোন ব্যক্তি কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ফৌজদারী মামলা দায়ের করলে, তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারায়
  2. ২১১ ধারায়
  3. ৩০৫ ধারায়
  4. ৪১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান- ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগঃ

কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে,

তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৮৯.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ৪ লক্ষ টাকা
  4. সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
৯০.
তামাদি আইনের কোন ধারায় আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে?
  1. ৫ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

তামাদি আইনের কঠোরতা লাঘবের জন্য এই আইনে যুক্ত করা হয়েছে ‘কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণ’ শিরোনামে ৫ ধারা। যেখানে বলা হয়েছে, কোন পক্ষ শুধুমাত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন, লিভ টু আপীল এবং বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত দায়েরে ক্ষেত্রে তামাদির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন করতে পারে। এই সকল আবেদন করার সময় উল্লেখ করতে হবে ‘কেন সঠিক সময় আবেদন দায়ের করা যায়নি তার কারণ’। আদালত উক্ত ‘কারণ’ বিবেচনায় নিয়ে সন্তুষ্টচিত্তে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বৃদ্ধির আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন। তবে মূল মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা কখনো গ্রহণযোগ্য হয় না।

এই ৫ ধারায় মূলত ’Equity will not suffer a wrong to be without a remedy’- অর্থাৎ ‘ইকুইটিতে ভুলের প্রতিকার বিদ্যমান’ নীতির প্রকাশ পেয়েছে। তামাদি আইনের ৫ ধারার বক্তব্য বুঝার জন্য এই ধারার ব্যাখ্যা অংশে বলা আছে- হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা কিংবা সিদ্ধান্তের দ্বারা তামাদির সময়কাল হিসাব কিংবা নির্ধারণে বিভ্রান্ত হলে তা বর্তমান ধারা অনুযায়ী ‘যথার্থ কারণ’ বলে বিবেচিত হতে পারে। তবে বর্তমান আইনে বা আরও যেসব আইনে ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সে সকল কোন আইনেই শব্দ গুলোর ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত থেকে বলা যায় ১.অসুস্থতা (অবশ্যই গুরুতর বা মারাত্মক) ২.কারাবাস ৩.সরল বিশ্বাসে ভুল ৪.কৌসুলি বা উকিলের ভুল ৫.আদালতের সংঘাতপূর্ণ সিদ্ধান্ত ৬.রায় বা ডিক্রি তুলতে আদালতের কর্মচারীর ভুল ইত্যাদি ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ হিসেবে আদালত বিবেচনায় নিতে পারে। তবে কোন ভাবেই এই ৫ ধারার সময় বৃদ্ধির আবেদন কোন পক্ষ অধিকার হিসেবে আদালতে দাবি করতে পারবে না।
৯১.
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৭ ভাগে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
৯২.
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলার রায় প্রদান করা হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:

সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
৯৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৬০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):

যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ উল্লেখ্য যে পরবর্তীতে সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারাইয় বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
৯৪.
Arbitration Council এর গঠন প্রণালি কোন আইনে আছে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি আইন, ১৯০৮
  2. The Family Court Ordinance, 1985
  3. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  4. সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা
সালিশি পরিষদের গঠন প্রণালী The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ২ ধারায় বর্ণিত আছে।

Arbitration Council (সালিশি পরিষদ) গঠন: 
সালিশি পরিষদ গঠিত হবে= ৩ জন নিয়ে।
চেয়ারম্যান= ১ জন।
প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি = ২ জন।

⇒ কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনয়ন করতে ব্যর্থ হলে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।

⇒ চেয়ারম্যান বলতে বোঝাবে:
১. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান,
২. পৌরসভার মেয়র,
৩. সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।

⇒ চেয়ারম্যান একজন অমুসলিম হলে বা অসুস্থ বা অন্য কোনো কারণে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, উক্ত পরিষদের একজন মুসলমান সদস্যকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।

Arbitration Council  ৩ ক্ষেত্রে এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে:
১. বহু বিবাহ (Polygamy);
২. তালাক (Talaq);
৩. ভরণপোষণ (Maintenance)।
৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল বাতিলের বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩৯ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের বিধান আছে। ৩৯ ধারামতে আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের (cancellation of instrument) আদেশ দিতে পারে। যথা-

i) চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা বাতিল বা অবৈধ হলে; এবং

ii) দলিলটি নাকচ (Cancellation) না করলে বাদীর ব্যাপক ক্ষতির আশংকা থাকলে (reasonable apprehension of serious injury) আদালত কোন দলিল বিলোপের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
১. দলিলের পক্ষ;
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য; বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং সে যদি প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলটির কারণে সে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাহলে সে মামলা দায়েরের অধিকারী।

ধারা ৩৯- যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদানযোগ্যঃ
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।
৯৬.
স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলদারের স্বত্ব অস্বীকারপূর্বক বেদখল করা হলে, মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের সময় সীমা-
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলদারের স্বত্ব অস্বীকারপূর্বক বেদখল করা হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা করা হয়।

• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১২ বৎসরের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মামলা করতে হবে। 
৯৭.
ডাকাতি সংঘটনের জন্য কমপক্ষে কয় জন সদস্যের প্রয়োজন?
  1. ৭ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
• ডাকাতির অভিযোগ প্রমান করতে হলে দস্যুতার অভিযোগকেও প্রমান করতে হবে।

ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;
(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

• ডাকাতির চেষ্টা করা কোন আলাদা অপরাধ নয়, ডাকাতির চেষ্টা করাও ডাকাতির অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
• যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারেনা কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৯৮.
কোর্ট ফী আইনে কয় প্রকারের কোর্ট ফীর উল্লেখ আছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
• কোর্ট ফি:
দেওয়ানী মামলা করতে গেলে, প্রতি মামলায় আদালতকে একটি নিদিষ্ট পরিমাণ ফি বা খরচ দিতে হয়, আদালতকে দেওয়া এই খরচ কে কোর্ট ফি বলে। কোর্ট ফি সরকারের আয়ের একটি উৎস, সাধারণত প্রতি বছর সরকার তার বার্ষিক অর্থ পরিকল্পনায় কি বা কত হারে কোন বিষয়ে কেমন কোর্ট ফি নেয়া হবে তা নির্ধারণ করে।

কোর্ট ফি নির্ধারণ:
কিভাবে কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হবে তা Court Fees Act 1870 এর Chapter III এবং Schedule I এবং II তে বলা আছে।

কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।

মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।
৯৯.
দণ্ডবিধি আইনে অপহরণ কত প্রকার?
  1. ৭ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
১০০.
দলিল সংশোধন (Rectification) বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪০ ধারা
  2. ৩৩ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৩১ ধারা
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারনা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হইলে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।