পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
৪৩তম বিসিএস সাবজেক্ট ফাইনাল - সাধারণ বিজ্ঞান সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
মানুষের মধ্যে আকার, গায়ের রং, চুলের রং ইত্যাদি ভিন্নতা দেখা যায় কোন বৈচিত্রতার কারণে?
  1. ক) ভৌগোলিক
  2. খ) জিনগত
  3. গ) বাস্তুতান্ত্রিক
  4. ঘ) প্রজাতিগত
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত
ব্যাখ্যা


উৎস: প্রাণি বিজ্ঞান, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিংকে কত সালে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ১৯২৮ সালে
  2. খ) ১৯৪৫ সালে
  3. গ) ১৯৪০ সালে
  4. ঘ) ১৯৩৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯২৮ সালে স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং প্রথম পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
- ১৯৪০ সালে বিজ্ঞানী চেইন ও ফ্লোরি এবং তাঁদের সহকর্মীরা ১৯৪০ সালের শুরুতেই বিশুদ্ধ পেনিসিলিন উৎপাদনে সক্ষম হন এবং পেনিসিলিনের বানিজ্যিক উৎপাদনেও অবদান রাখেন।
- বিজ্ঞানী ফ্লেমিং, চেইন ও ফ্লোরিকে এজন্য ১৯৪৫ সালে শারীরিবিদ্যা বা চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।

.
পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ক) থমাস হান্ট মর্গান
  2. খ) থিওডোর সোয়ান
  3. গ) স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা

- লুই পাস্তুর মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন।
- থমাস হান্ট মর্গান বংশগতির সঞ্চারণে ক্রোমোজোমের ভূমিকা আবিষ্কার করেন।
- স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার প্রথম প্রিয়ন আবিষ্কার করেন।
- থিওডোর সোয়ান কোষ মতবাদ বর্ণনা করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য মাইক্রো উপাদান কয়টি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
ব্যাখ্যা

ম্যাক্রো উপাদানঃ
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
এরূপ উপাদানের সংখ্যা ১০টি
যথা - নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।
মাইক্রো উপাদানঃ
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়।
এদের সংখ্যা ৬টি।
যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

.
প্রাণিবিজ্ঞানের কোন শাখায় পাখি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) Ornithology
  2. খ) Ichthyology
  3. গ) Herpetology
  4. ঘ) Conchology
সঠিক উত্তর:
ক) Ornithology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ornithology
ব্যাখ্যা

- Ornithology শাখায় পাখি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- Ichthyology শাখায় মৎসবিদ্যা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- Herpetology শাখায় সরীসৃপ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- Conchology শাখায় কম্বোজ প্রাণী বা Mollusca পর্বভুক্ত প্রাণী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
বাংলাদেশ কোন প্রাণিভৌগলিক অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) ওরিয়েন্টাল
  2. খ) নিওট্রপিক্যাল
  3. গ) নিআর্কটিক
  4. ঘ) প্যালিআর্কটিক
সঠিক উত্তর:
ক) ওরিয়েন্টাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওরিয়েন্টাল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গপুর, ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি এলাকাসমূহ ওরিয়েন্টাল প্রাণিভৌগলিক অঞ্চলে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকা ও অধিকাংশ মধ্য আমেরিকা এলাকা নিওট্রপিক্যাল প্রাণিভৌগলিক অঞ্চলে অবস্থিত।
- উত্তর আমেরিকার অধিকাংশ, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড নিআর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত।
- সম্পূর্ণ ইউরোপ, আফ্রিকার উত্তরাংশ ইত্যাদি এলাকা প্যালিআর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য ও বিয়োজন অযোগ্য দূষক পদার্থসমূহকে জারণের জন্যে প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের চাহিদাকে কী বলে?
  1. ক) COD
  2. খ) WOD
  3. গ) BOD
  4. ঘ) TOD
সঠিক উত্তর:
ক) COD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) COD
ব্যাখ্যা

প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Biological/Biochemical Oxygen Demand - BOD):
পানিতে উপস্থিত অনুজীব কর্তৃক জৈব ও অজৈব পদার্থকে বিয়োজিত করতে প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা বায়োলজিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড BOD বলে।
পানির উৎকর্ষতা নির্ধারণে BOD নির্দেশক রূপে কাজ করে।

রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Chemical Oxygen Demand - COD):
পানির মধ্যে কিছু অপচনশীল বা জৈব বিয়োজনের অযোগ্য (nonbiodegradable) বস্তু থাকে যাদের বিয়োজন ব্যাকটেরিয়া বা জীবণু দ্বারা সম্পন্ন হয় না।
এগুলিকে বিয়োজনের জন্য শক্তিশালী জারক পদার্থ যেমন K2Cr2O7 (যা অক্সিজেন সরবরাহ করে) প্রয়োজন হয়। এরা দূষক পদার্থকে জারিত করে। পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য ও বিয়োজন অযোগ্য দূষক পদার্থসমূহকে জারণের জন্যে প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের চাহিদাকে রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (COD) বলে।

উল্লেখ্য যে,
কোন নমুনার COD এর মান BOD এর মান অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা COD নির্ণয়ের ক্ষেত্রে জৈব ভাঙ্গনযোগ্য বা বিয়োজন যোগ্য এবং বিয়োজন অযোগ্য এই উভয় প্রকার জৈব বস্তুই জারিত হয়। পানিতে COD এর মান বৃদ্ধির অর্থ হলো দূষণের হার বৃদ্ধি।

উৎসঃ পরিবেশ রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে কোনটি গঠন করে?
  1. ক) ভ্রূণ
  2. খ) বীজ
  3. গ) ফল
  4. ঘ) ফলত্বক
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
ব্যাখ্যা

- নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে বীজ গঠন করে।
- নিষেকের পরে ডিম্বাণু পরিবর্তিত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় পরিবর্তিত হয়ে ফল গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় প্রাচীর পরিবর্তিত হয়ে ফলত্বক গঠন করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণকারী প্রধান অঙ্গ কোনটি?
  1. ক) সবুজ কচি কাণ্ড
  2. খ) ফলের সবুজ ত্বক
  3. গ) ফুলের বৃন্ত
  4. ঘ) পাতার সবুজ অংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতার সবুজ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতার সবুজ অংশ
ব্যাখ্যা

- পাতার সবুজ অংশ, সবুজ কচি কাণ্ড, ফুলের বৃতি ও বৃন্ত, ফলের সবুজ ত্বক, থ্যালয়েড সবুজ উদ্ভিদের সম্পূর্ণ থ্যালাস, কখনো কখনো সাইটোপ্লাজম (কতিপয় সায়ানোব্যাক্টেরিয়াতে সুগঠিত প্লাস্টিড না থাকায়) হলো উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণকারী অঙ্গসমূহ।
- এদের মধ্যে পাতার সবুজ অংশ হলো উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের প্রধান অঙ্গ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১০.
সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন উভয় প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) সবুজ উদ্ভিদ
  4. ঘ) অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা

- সালোকসংশ্লেষণ শুধু সবুজ উদ্ভিদেই ঘটে থাকে যাদের ক্লোরোফিল আছে। শ্বসন সকল সজীব কোষে ঘটে থাকে।
- ছত্রাক, ভাইরাস, অ্যামিবা ইত্যাদিতে সালোকসংশ্লেষণ হয় না, কারণ এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে না।
- সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন উভয় প্রক্রিয়াই সংঘটিত হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১.
মানুষের রক্তের প্রকৃতি কেমন?
  1. ক) নিরপেক্ষ
  2. খ) ঈষৎ ক্ষারধর্মী
  3. গ) ঈষৎ অম্লধর্মী
  4. ঘ) তীব্র ক্ষারধর্মী
সঠিক উত্তর:
খ) ঈষৎ ক্ষারধর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঈষৎ ক্ষারধর্মী
ব্যাখ্যা

মানুষের রক্তের pH এর মান 7.35-7.45। অর্থাৎ স্বাভাবিক অবস্থায় রক্ত ঈষৎ ক্ষারীয় প্রকৃতির।
কোনো দ্রবণের pH এর মান 7 হলে তা নিরপেক্ষ।
কোনো দ্রবণের pH এর মান 0-6.9 হলে তা অম্লধর্মী।
কোনো দ্রবণের pH এর মান 7.1-14 হলে তা ক্ষারধর্মী।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২.
রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ কোনটি?
  1. ক) পানি
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- রক্তরসের দুইটি প্রধান উপাদান হলো পানি এবং কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থ জৈব এবং অজৈব উভয় ধরনের হতে পারে।
- লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, তামা, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অজৈব পদার্থ।
- ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, বিলিরুবিন, হরমোন ইত্যাদি রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৩.
নিচের কোন অবদানের জন্য চিকিৎসা শাস্ত্রে ২০২০ সালের নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ক) আত্মভক্ষণ প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য
  2. খ) হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্তের জন্য
  3. গ) জিনোম ইডিটিংয়ের জন্য
  4. ঘ) ক্যান্সারের চিকিৎসা আবিষ্কার
সঠিক উত্তর:
খ) হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্তের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্তের জন্য
ব্যাখ্যা

- হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত ও এর চিকিৎসার উন্নতির জন্যে হার্ভে জে আল্টার (যুক্তরাষ্ট্র), চার্লস রাইস (যুক্তরাষ্ট্র), মিকায়েল হগটন (যুক্তরাজ্য) চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

- রসায়নে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের এমানুয়েল শারপন্টিয়ের এবং যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার ডাউডনা।
- জিনোম এডিটিংয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্যে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

(সূত্র: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট)

১৪.
মানবদেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ কোনটি?
  1. ক) চোখ
  2. খ) কান
  3. গ) নাক
  4. ঘ) জিহ্বা
সঠিক উত্তর:
খ) কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কান
ব্যাখ্যা

কানের অংশ হলো তিনটি- বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ এবং অন্তঃকর্ণ। অন্তঃকর্ণের স্যাকুলাস ও ইউট্রিকুলাস শরীরের ভারসাম্য রক্ষার সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
এটি দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে মস্তিষ্ককে সাহায্য করে এবং দেহ অবস্থানের অনুভূতির উদ্রেক করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৫.
মানুষের দেহকোষে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোমের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৪৬টি
  2. খ) ২৩টি
  3. গ) ৪৪টি
  4. ঘ) ২টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা

মানব দেহকোষে ক্রোমোসোমের সংখ্যা হলো ২৩ জোড়া বা ৪৬টি। এর মধ্যে ২২জোড়া বা ৪৪টি হলো অটোসোম। আর ১ জোড়া বা ২টি হলো সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
সেক্স ক্রোমোসোম XX হলে তা হবে নারী এবং XY হলে তা হবে পুরুষ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৬.
পরীক্ষাগারে উৎপাদিত প্রথম জৈব যৌগ কোনটি?
  1. ক) অ্যালকোহল
  2. খ) ইথানল
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) পাইরিন
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- ১৮১৫ সালে বিজ্ঞানী বার্জেলিয়াস প্রস্তাব করেন যে, জৈব যৌগসমূহ কেবল সজীব উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে এক রহস্যময় প্রাণশক্তির প্রভাবে উৎপন্ন হয়ে থাকে। তাই একে পরীক্ষাগারে উৎপন্ন করা সম্ভব নয়। একে প্রাণশক্তি মতবাদ বলা হয়। তখন সব বিজ্ঞানী এ মতবাদ গ্রহণ করেন।
- ১৮২৮ সালে বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলার পরীক্ষাগারে অজৈব অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড লেড সায়ানেট দ্রবণের বিক্রিয়া ঘটিয়ে আকস্মিকভাবে পরীক্ষাগারে ইউরিয়া প্রস্তুত করেন।
- ইউরিয়া হলো প্রথম জৈব যৌগ যা পরীক্ষাগারে উৎপাদন করা সম্ভব হয়। এজন্য বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৭.
আমাশয় রোগ প্রতিরোধের উপায় কী?
  1. ক) হাঁচি-কাশির সময় রুমাল ব্যবহার করা
  2. খ) বিশুদ্ধ খাবার ও পানি পান করা
  3. গ) মাদকদ্রব্য সেবন পরিহার করা
  4. ঘ) অনিরাপদ যৌনসংসর্গ এড়িয়ে চলা
সঠিক উত্তর:
খ) বিশুদ্ধ খাবার ও পানি পান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশুদ্ধ খাবার ও পানি পান করা
ব্যাখ্যা

আমাশয় রোগটি ব্যাকটেরিয়া কিংবা পরজীবী উভয় কারণে হতে পারে। দূষিত খাবার ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
তাই বিশুদ্ধ খাবার গ্রহণ ও বিশুদ্ধ পানি পানের মাধ্যমে আমাশয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৮.
নিচের কোনটি সংক্রামক রোগ নয়?
  1. ক) যক্ষ্মা
  2. খ) অ্যানথ্রাক্স
  3. গ) ক্যান্সার
  4. ঘ) কলেরা
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, পরজীবী ইত্যাদির কারণে সৃষ্ট রোগগুলো যা আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে খাবার, পানি, বায়ু, সংস্পর্শ ইত্যাদি নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাদেরকে সংক্রামক রোগ বলে।
ধনুষ্টংকার, জলবসন্ত, এইডস, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, কলেরা, অ্যানথ্রাক্স ইত্যাদি হলো সংক্রামক রোগ।
- যে রোগগুলো সাধারণভাবে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে না তাকে অসংক্রামক রোগ বলে।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ক্রোনিক কিডনি ডিজিজ, ক্যান্সার ইত্যাদি হলো অসংক্রামক ব্যাধি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৯.
নিচের কোন রোগটির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে?
  1. ক) দাদ
  2. খ) আমাশয়
  3. গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  4. ঘ) এইডস
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা

- দাদ, আমাশয়, এইডস ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন প্রচলিত নেই।
- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা, ধনুষ্টংকার, হুপিং কাশি, হাম, রুবেলা, জলবসন্ত, পীতজ্বর, যক্ষ্মা, পোলিও ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে৷
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২০.
নিচের কোনটি ফোটন কণার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) মহাকর্ষ
  2. খ) আলো
  3. গ) শব্দ
  4. ঘ) বিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
খ) আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলো
ব্যাখ্যা

ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২১.
হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসের প্রকৃত ভর কত?
  1. ক) ১.৬৭ x ১০-২৮ গ্রাম
  2. খ) ০
  3. গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
  4. ঘ) ১
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা

হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১। একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে তাই প্রোটন থাকে ১টি এবং কোনো নিউট্রন থাকে না।
তাই হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসের ভর হলো একটি প্রোটনের ভর। প্রোটনের ভর তথা প্রকৃত ভর হলো ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম। প্রোটনের আপেক্ষিক ভর ১।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২২.
জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১ লিটার পানিতে কমপক্ষে কতটুকু অক্সিজেন থাকা দরকার?
  1. ক) ১০ মিলিগ্রাম
  2. খ) ৫ মিলিগ্রাম
  3. গ) ৮ ডেসিগ্রাম
  4. ঘ) ৪ পিকোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা

কোনো কারণে যদি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকা অক্সিজেন নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে যায়, তাহলে জলজ প্রাণীগুলোর সমস্যা হতে থাকে।
যদি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন না থাকে, তাহলে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাঁচতেই পারে না। জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১ লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম অক্সিজেন থাকা দরকার।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৩.
নিচের কোনটি মুদ্রা ধাতু নয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) রূপা
  3. গ) সোনা
  4. ঘ) দস্তা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দস্তা
ব্যাখ্যা

পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর ৪টি মৌল হচ্ছে- তামা, রূপা, সোনা এবং রন্টজেনিয়াম।
- এই চারটি মৌলের মধ্যে প্রথম ৩টি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে।
- কারণ এই গ্রুপের রন্টজেনিয়াম ছাড়া অন্য ৩টি মৌল দিয়ে প্রাচীনকালে মুদ্রা তৈরি হতো এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হতো।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৪.
নিচের কোন যৌগটি একটি লবণ?
  1. ক) ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) কার্বনিক এসিড
  4. ঘ) পটাশিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটাশিয়াম নাইট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটাশিয়াম নাইট্রেট
ব্যাখ্যা

- প্রশমন বিক্রিয়ার সাহায্যে এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন হয়। তাই ধনাত্মক আয়নকে ক্ষারীয় মূলক বলে।
- আর লবণের ঋণাত্মক অংশটি এসিড বা অম্ল থেকে আসে। তাই লবণের ঋণাত্মক আয়নকে অম্লীয় মূলক বলে৷
- ক্যালসিয়াম অক্সাইড এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড হলো ক্ষার।
- কার্বনিক এসিড হলো একটি অম্ল।
- পটাশিয়াম নাইট্রেট হলো একটি লবণ।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৫.
নিচের কোনটি প্রকৃতিতে প্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়?
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) সীসা
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
ব্যাখ্যা

প্লাটিনাম এবং সোনা দুইটি প্রায় অসক্রিয় ধাতু। এদের অবস্থান ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজের একেবারে নিচে। তাই পারতপক্ষে অন্য কোনো মৌলের সাথে এরা বিক্রিয়া করতে চায় না।
তাই প্রকৃতিতে এদের প্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৬.
নিচের কোনটি কাপড় কাচার সোডা হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
  3. গ) সোডিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

- সোডিয়াম বাই কার্বনেট অর্থাৎ সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট হলো খাবার সোডা বা বেকিং সোডা।
- সোডিয়াম কার্বনেট হলো কাপড় কাচার সোডা
- সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ হলো বেকিং পাউডার।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৭.
বিগ ব্যাং (Big Bang) থিউরির প্রবক্তা___।
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) জি. ল্যামেটার
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) এ. হাবল
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
অন্যদিকে,
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।

সুতরাং বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: ব্রিটানিকা

২৮.
সুনামি কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) চীনা
  2. খ) উত্তর কোরিয়ান
  3. গ) জাপানি
  4. ঘ) ইংরেজি
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানি
ব্যাখ্যা

Tsunami একটি জাপানি শব্দ। সু অর্থ বন্দর এবং নামি অর্থ ঢেউ। সুতরাং সুনামি অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্মরণকালের ভয়ঙ্কর সুনামি ঘটেছিলো।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৯.
শব্দেতর তরঙ্গের কম্পাঙ্ক কত?
  1. ক) ২০০০০ Hz এর চেয়ে কম
  2. খ) ২০০০০ Hz এর চেয়ে বেশি
  3. গ) ২০ Hz - ২০০০০ Hz
  4. ঘ) ২০ Hz এর কম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০ Hz এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০ Hz এর কম
ব্যাখ্যা

উৎসের কম্পাঙ্ক ২০ Hz - ২০০০০ Hz এর মধ্যে থাকলেই কেবল তা শুনতে পায় মানুষ। একে শ্রাব্যতার পাল্লা বলে।
- যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০০০০ Hz এর চেয়ে বেশি- তাকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে।
- আর যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০ Hz এর চেয়ে কম-তাকে শব্দেতর তরঙ্গ বলে।
সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৩০.
চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কতক্ষণ পরে পৃথিবীতে শোনা যাবে?
  1. ক) সাথে সাথেই
  2. খ) ৮.৩২ মিনিট পরে
  3. গ) ১.৩ মিনিট পরে
  4. ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
ব্যাখ্যা

- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ আরো কম৷
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। কারণ শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন হয়।
- চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কখনোই পৃথিবী থেকে শোনা যাবে না।
- কারণ চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই- তাই শব্দ সঞ্চালিত হয়ে পৃথিবীতে পৌছাতে পারবে না।
সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৩১.
ফটো- ইলেকট্রিক কোষে শক্তির কীরূপ পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) তড়িৎশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  2. খ) আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  3. গ) আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
খ) আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা

- ফটো- ইলেকট্রিক কোষে আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোকক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩২.
তেজস্ক্রিয়তার আন্তর্জাতিক একক কী?
  1. ক) রন্টজেন
  2. খ) কুরি
  3. গ) জুল
  4. ঘ) বেকেরেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল
ব্যাখ্যা

Radioactivity refers to the amount of ionizing radiation released by a material. Whether it emits alpha or beta particles, gamma rays, x-rays, or neutrons, a quantity of radioactive material is expressed in terms of its radioactivity (or simply its activity).
This represents how many atoms in the material decay in a given time period. The units of measurement for radioactivity are the becquerel (Bq, international unit) and the curie (Ci, U.S. unit).
সূত্র: Encyclopedia Britannica

৩৩.
কোনটির গতিবেগ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) আলো
  2. খ) শব্দ
  3. গ) বুলেটের গতি
  4. ঘ) রকেটের গতি
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
ব্যাখ্যা

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে কোনো বস্তুই আলোর গতির সমান বা অধিক গতিবেগ নিয়ে চলতে পারে না।
আলোর গতি শূন্যমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি এবং তা প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি