পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৩: আইন বিষয়াবলী - ১৭ Subject: The Evidence Act, 1872 Topic: Section 101-167 (Burden of Proof, Estoppel, Witnesses, Examination of Witnesses, Improper Admission and Rejection of Evidence).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
"Testes ponderantur, non numerantur" এর অর্থ কী?
  1. সাক্ষীদের সংখ্যা গণনা করা হয়
  2. সাক্ষীদের অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে
  3. সাক্ষীদের অবশ্যই নির্দিষ্ট সংখ্যক হতে হবে
  4. সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়
ব্যাখ্যা
• "Testes ponderantur, non numerantur" একটি ল্যাটিন বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হল: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"

এই বাক্যাংশটি প্রাচীন রোমান আইনের একটি নীতি থেকে উদ্ভূত। এটি সাক্ষীদের গুণগত মূল্যায়নের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর তাৎপর্য হল, একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় সাক্ষীদের গুণগত মান এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বিবেচনা করা উচিত, তাদের সংখ্যাকে নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
.
The Evidence Act, 1872-এর 162 ধারা অনুযায়ী, আদালতের সমন পাওয়ার পর সাক্ষী কী করতে বাধ্য?
  1. দলিল গোপন রাখতে
  2. আদালতে দলিল হাজির করতে
  3. মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতে দলিল হাজির করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে দলিল হাজির করতে
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১৬২ ধারা এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়। এই ধারা অনুসারে,
আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।

যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন। সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।

The Evidence Act, 1872-Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 

The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.

Translation of documents:
If for such a purpose it is necessary to cause any document to be translated, the Court may, if it thinks fit, direct the translator to keep the contents secret, unless the document is to be given in evidence: and, if the interpreter disobeys such direction, he shall be held to have committed an offence under section 166 of the Penal Code.
.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'Principle of Estoppel' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১১৫
  2. ১১৬
  3. ১১৭
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে Estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ, Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।
.
ধারা-১০৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতকে একটি বিষয় বিশ্বাস করাতে চায়, তখন তার কী করতে হবে?
  1. আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে
  2. অন্য পক্ষের বক্তব্য শুনতে হবে
  3. আদালতে পিটিশন জমা দিতে হবে
  4. সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৩- কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:
কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

উদাহরণ:
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।
⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।
.
'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। এখানে-
  1. 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  2. আদালতকে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  3. 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  4. পুলিশকে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
 সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে,
একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।
.
According to Section 120, in civil proceedings, who is considered a competent witness?
  1. Only the parties to the suit
  2. Only the spouses of the parties
  3. The parties to the suit and their spouses
  4. Neither the parties nor their spouses
সঠিক উত্তর:
The parties to the suit and their spouses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The parties to the suit and their spouses
ব্যাখ্যা
Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trial:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
.
'জবানবন্দি গ্রহণ' বলা হয়-
  1. বিরোধী পক্ষের সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  2. সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করাকে
  3. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  4. বিচারকের নির্দেশে সাক্ষীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করাকে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]-
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]-
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]-
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
.
ধারা ১০৮ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে হলে, তাকে কত বছর নিখোঁজ থাকতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
.
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারা অনুসারে, কার উপর মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণের দায়িত্ব থাকে?
  1. আদালত
  2. অভিযুক্ত পক্ষ
  3. প্রধান সাক্ষীর
  4. যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।
 
⇒ উদাহরণঃ
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
১০.
১১৮ ধারার অধীনে, প্রশ্ন বুঝতে এবং যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে সক্ষম ব্যক্তির কোন অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধা সৃষ্টি করবে না?
  1. বয়স
  2. দৈহিক ব্যাধি
  3. মানসিক ব্যাধি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 

Explanation- A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
১১.
Under Section 151, the Court can forbid questions that are:
  1. Unimportant
  2. Relevant to the case
  3. Indecent or scandalous
  4. Provided by the defense
সঠিক উত্তর:
Indecent or scandalous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indecent or scandalous
ব্যাখ্যা
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
১২.
হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' আত্মপক্ষ সমর্থনে বলে যে, মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী 'ক'-এর উপর তা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত?
  1. ১০৫ ধারা
  2. ১০৯ ধারা
  3. ১১১ ধারা
  4. ১১৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্ব:
কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

উদাহরণ:
(ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

(খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
১৩.
ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণের মানদণ্ড হলো-
  1. সন্দেহাতীত প্রমাণ
  2. সম্ভাব্য ভারসাম্যপূর্ণ প্রমাণ
  3. যুক্তি সংগত ভারসাম্যপূর্ণ প্রমাণ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীত প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীত প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমাণের মান (standard of proof)- একটি মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য মামলাটির যতটুকু প্রমাণ করতে হয়, সেই মাপকাঠিকে বলা হয় প্রমাণের মান বা standard of proof। মামলার প্রকৃতির উপর প্রমাণের মান বা standard of proof নির্ভর করে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান এক ধরণের এবং ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান আরেক ধরণের যা নিম্নে আলোচনা করা হল-

⇒ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in civil case)- একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা কতটুকু প্রমাণ করতে হবে তা হল Civil Standard of Proof। দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মানকে যে নীতি দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয় তা হল Balance of Probability বা Preponderence of Evidence.

⇒ যে পক্ষের সাক্ষ্যের মূল্য বেশী সে পক্ষ দেওয়ানি মোকদ্দমায় জয়ী হবে বা প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের সংখ্যাধিক্য থাকলেই যথেষ্ট অর্থাৎ ১০০টি তথ্যের মধ্যে ৫১টি সত্য (more than 50% truth) হওয়াই যথেষ্ট বা যখন 'মিথ্যার চেয়ে সত্যের সম্ভাবনা বেশী'(more probably true than false) যা সম্ভাব্যতার ভারসাম্য নীতি বা balance of probabilities নামে পরিচিতি।

⇒ ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in criminal case)- ফৌজদারি মামলায় মামলাকারী অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ এমনভাবে প্রমাণ করবেন যাতে প্রতিকূল সকল স্বাভাবিক সন্দেহের পরিসমাপ্তি ঘটে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত নীতি বা Proved Beyond all reasonable doubts নামে পরিচিতি।
১৪.
টিকেট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণের অভিযোগে 'A'-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তার কাছে টিকেট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'A' এর নিজের
  2. আদালতের
  3. টিকেট চেকারের
  4. রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের
সঠিক উত্তর:
'A' এর নিজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' এর নিজের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে। এই ধারা অনুসারে, 'A'-কেই প্রমাণ দিতে হবে যে, তার কাছে টিকেট ছিল।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) 'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
১৫.
What is the legal status of evidence given by a dumb witness through signs or writing?
  1. It is considered oral evidence
  2. It is considered secondary evidence
  3. It is considered documentary evidence
  4. It is not considered as evidence
সঠিক উত্তর:
It is considered oral evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is considered oral evidence
ব্যাখ্যা
Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
১৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষীর গোপনীয়তা
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম
  3. দলিলের সত্যতা যাচাই
  4. বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১৭.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থানান্তরযোগ্য সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন, বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
১৮.
_____________ রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে না।
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  2. তথ্য প্রমাণ যথেষ্ট না হলে
  3. তদন্ত কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারা: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য:
কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যেই মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, সেই মত দিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

অর্থাৎ, রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।

Section 123- Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
১৯.
Section 110 of The Evidence Act, 1872 applies when-
  1. There is a criminal accusation
  2. Ownership of an item is disputed
  3. The possessor voluntarily gives up the item
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Ownership of an item is disputed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ownership of an item is disputed
ব্যাখ্যা
Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
২০.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম
  2. ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্নের সংজ্ঞা
  3. ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কখন করা যাবে
  4. কখন ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কখন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কখন করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

⇒ ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না:
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

⇒ ১৪৩ ধারা- যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে:
জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
২১.
কোন ধারায় সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষকে নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেয়?
  1. ধারা ১৩৭
  2. ধারা ১৩৮
  3. ধারা ১৫০
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষীর সংজ্ঞা:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীনে, যখন কোনো সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিপরীতে বক্তব্য প্রদান করে বা বিরোধী পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়, তখন সেই সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী বলে ঘোষণা করা হয়। বৈরী সাক্ষীর প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বৈরী সাক্ষ্য বলা হয়। সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। সাক্ষীকে তখনই বৈরী ঘোষণা করা হয়, যখন:
- নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করে;
- বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে;
- পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার অধিকার বিরুদ্ধ পক্ষের থাকে, তবে বৈরী সাক্ষীর ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। কোনো সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য, সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষকে আদালতে আবেদন করতে হয়। আদালত যদি সেই আবেদন মঞ্জুর করে, তবে সাক্ষী বৈরী হিসেবে গণ্য হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার মূল উদ্দেশ্য হলো তার বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা।

উদাহরণস্বরূপ:
ধরা যাক, একজন সাক্ষী মামলার একটি পক্ষের সমর্থনে আদালতে হাজির হয়। কিন্তু সাক্ষী যখন সাক্ষ্য প্রদান শুরু করে, তখন সে এমন বক্তব্য দেয় যা তার নিজপক্ষের স্বার্থের বিরোধিতা করে এবং অপর পক্ষের পক্ষে যায়। এই পরিস্থিতিতে, সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করতে পারে এবং তাকে জেরা করতে পারে।
২২.
সন্তানের জন্ম বৈধ বলে প্রমাণিত হয়, যদি সন্তানের জন্ম হয় বিবাহবিচ্ছেদের:
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ১৮০ দিনের মধ্যে
  3. ২৮০ দিনের মধ্যে
  4. ১ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা: সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ-
কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।
 
Section 112: Birth during marriage conclusive proof of legitimacy-
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.
২৩.
আদালত ১৫২ ধারা অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবীকে প্রশ্ন করতে দিতে পারে
  3. সাক্ষীকে প্রশ্ন করার জন্য সময় বৃদ্ধি করতে পারে
  4. সাক্ষীকে বাধ্য করতে পারে প্রশ্নের উত্তর দিতে
সঠিক উত্তর:
অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ, এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।
২৪.
ম্যাজিস্ট্রেটকে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে?
  1. আইন সংক্রান্ত বিষয়ে
  2. তার উপস্থিতিতে ঘটা কোনো ঘটনা সম্পর্কে
  3. আদালতের অধীনে তার নিজস্ব কার্যসম্পর্কিত
  4. আদালতের বাইরে ঘটে যাওয়া কোনো বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতিতে ঘটা কোনো ঘটনা সম্পর্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতিতে ঘটা কোনো ঘটনা সম্পর্কে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২১: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।

⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।
২৫.
একজন দুষ্কর্মে সহযোগী যোগ্য সাক্ষী হবে-
  1. পরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  2. খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  3. ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  4. সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
২৬.
'কোনো অপরাধ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য বা সংবাদ কোনো পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রকাশ করতে বাধ্য নয়' - এই বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২৩ ধারা
  3. ১২৫ ধারা
  4. ১২৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
২৭.
আদালতে নোটিশপ্রাপ্ত দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করা হলে, পরবর্তীতে তা দাখিল করতে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. অপর পক্ষের সম্মতি
  3. শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় প্রমাণ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ, অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
২৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার কয়টি পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়-
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
 
Section 155⇒ Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
 
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
২৯.
What type of evidence mistake is covered by Section 167 of The Evidence Act, 1872?
  1. Evidence that is unclear.
  2. Evidence that is unrelated to the case.
  3. Improper admission or rejection of evidence.
  4. Evidence presented after the trial ends.
সঠিক উত্তর:
Improper admission or rejection of evidence.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Improper admission or rejection of evidence.
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৩০.
'যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কোনো সাক্ষীকে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না' - এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৩৯
  2. ধারা ১৪৯
  3. ধারা ১৫৯
  4. ধারা ১৬১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
ব্যাখ্যা
Section 149- Question not to be asked without reasonable grounds:
No such question as is referred to in section 148 ought to be asked, unless the person asking it has reasonable grounds for thinking that the imputation which it conveys is well-founded.

অর্থ:
ধারা ১৪৮-এ যে ধরণের প্রশ্ন উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ধরণের প্রশ্ন শুধুমাত্র তখনই করা উচিত, যখন প্রশ্নকারী ব্যক্তির কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ বা প্রমাণ থাকে যে, প্রশ্নে যে অভিযোগ বা ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা ভিত্তিসম্পন্ন বা সঠিক হতে পারে।

অর্থাৎ, কোনো ভিত্তি ছাড়াই এমন প্রশ্ন করা যাবে না, যা অন্য কারো সুনাম বা চরিত্রকে আঘাত করতে পারে।