উত্তর
ব্যাখ্যা
বিবেকানন্দের পারিবারিক ভাবে প্রদত্ত নাম নরেন্দ্রনাথ। পরবর্তীতে বিবেকানন্দ নাম ধারণ করেন। তার গুরু শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস তাকে "স্বামী" উপাধি দেন।
Source : Britannica
৪৯তম বিসিএস ⎯ দর্শন [২১১] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন
বিবেকানন্দের পারিবারিক ভাবে প্রদত্ত নাম নরেন্দ্রনাথ। পরবর্তীতে বিবেকানন্দ নাম ধারণ করেন। তার গুরু শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস তাকে "স্বামী" উপাধি দেন।
Source : Britannica
দেবের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা মোট নয়টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস (১৯৫২)(Idealism and Progress), আইডিয়ালিজম: এ নিউ ডিফেন্স অ্যান্ড এ নিউ এ্যাপলিকেশন (১৯৫৮)(Idealism: A new defense and new application), আমার জীবনদর্শন (১৩৬৭), এ্যাসপিরেশন অব দি কমন ম্যান (১৯৬৩)(Aspiration of the common man), দি ফিলোসফি অব বিবেকানন্দ অ্যান্ড দি ফিউচার অব ম্যান (১৯৬৩), তত্ত্ববিদ্যাসার (১৯৬৬), বুদ্ধ: দি হিউম্যানিস্ট (১৯৬৯)(Buddha: The humanist)। গ্রন্থগুলো তাঁর জীবিতকালেই প্রকাশিত হয়। দি প্যারাবুলস অব দি ইস্ট (১৯৮৪)(parables of the east) এবং মাই আমেরিকান এক্সপিরিয়েন্স (১৯৯৩)(My American experience) নামক গ্রন্থদুটি তাঁর মরণোত্তর প্রকাশনা।
Source: বাঙালির দর্শন - ড. আমিনুল ইসলাম
বিবেকানন্দের কিছু বিখ্যাত উক্তি:-
"ঈশ্বর সকল বস্তুতেই বিদ্যমান, তাঁহাকে লাভ করিবার জন্য আবার কোথায় যাইব”
" জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর "
"Arise, awake and stop not till the goal is reached "
Source : বাঙালির দর্শন - আমিনুল ইসলাম
শ্রী অরবিন্দ ঘোষের বিখ্যাত গ্রন্থসমূহ: The Life Divine, On Himself( আত্মজীবনী) , The Synthesis of Yoga, Secrets of the Vedas, Essays on the Gita বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য
Source: বাঙালির দর্শন - আমিনুল ইসলাম
অরবিন্দ ঘোষের মতে, জীবনসাধনার লক্ষ্য ক্রমশ ওপরের দিকে ওঠা। বিবর্তন প্রক্রিয়ায় পৃথিবীর বুকে জড়ের মধ্যে প্রাণের সঞ্চার হতে হতে সৃষ্টি হয়েছে মানুষ। মানুষের স্বকীয়তা নিহিত মনে; আর এই মনসম্পন্ন ব্যক্তিকেই বিবর্তিত হতে হবে অতিমানসিক ব্যক্তিতে। বিবর্তন প্রক্রিয়ায় এ মানুষই রূপান্তরিত হয় অতিমানবে। সত্তা ক্রমশ ওপরের দিকে অগ্রসর হয়ে চলেছে দিব্যজীবনের(Divine Life) চূড়ান্ত উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। অরবিন্দের দর্শনের মূখ্য বিষয় পৃথিবীতেই দিব্যজীবন দর্শন।
Source: বাঙালির দর্শন - আমিনুল ইসলাম
অরবিন্দ ঘোষ আলিপুর জেলে নিজের বন্দীজীবনের উপর "কারাকাহিনী" নামে একটি পুস্তিকা তিনি রচনা করেছিলেন।পরবর্তীকালে তিনি 'ধর্ম' নাম দিয়ে বাংলাভাষায় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিচালনা করেছিলেন।
Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়
শ্রীঅরবিন্দ বলেন : 'বস্তু আসলে চৈতন্যে বিধৃত।' (Matter is another form of the spirit)। নিখিল বিশ্বের ইতিহাস চৈতন্যের ক্রমাভিব্যক্তিরই ইতিহাস। বস্তু, প্রাণ, মন সবই যে এক চৈতন্য শক্তির ক্রমিক অভিব্যক্তি।
source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়
অরবিন্দের মতে, জড়বস্তু পরমসত্তা নয়, বরং এ বস্তুজগতের প্রতিটি কর্মকাণ্ডের মধ্যে প্রতিফলিত হচ্ছে পরমসত্তা ঈশ্বরের ইচ্ছা। এ সমগ্র জগৎ এক সুদূরপ্রসারী দিব্য-ইচ্ছা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। “মহাবিশ্বের মধ্যে একটি উদ্দেশ্য ক্রিয়াশীল থেকে সৃষ্টি প্রবাহকে তার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই শ্রেণীর দার্শনিক মত উদ্দেশ্যবাদ (teleology) নামে পরিচিত। ... বিশ্বশক্তি কিভাবে তাঁর ইচ্ছা পূরণের ব্যবস্থা করেছেন শ্রীঅরবিন্দের The Life Divine' গ্রন্থে তার ব্যাখ্যা দেয়া আছে।"
Source: The Life Divine by Aurobindo
অরবিন্দ পূর্ণযোগের সাধনায় ৩ টি মৌলিক নীতির উল্লেখ করেছেন:
১. উদগ্র অভিলাষ: মুক্তি ও রুপান্তরের জন্য অন্তরের ডাক
২. বর্জন : অজ্ঞতা, অহংকার,কামনা ত্যাগ
৩. সমর্পন : ঈশ্বরীয় শক্তির কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ
Source: The Life Divine by Aurobindo ghosh
শ্রী অরবিন্দ ভাববাদী ধারার দার্শনিক ছিলেন। হেগেলের দ্বান্দ্বিক ভাববাদ ও রামানুজের বিশিষ্টাদ্বৈতবাদের সাথে তার দর্শন চিন্তার সাদৃশ্য রয়েছে।
Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়
শ্রী অরবিন্দ শংকরাচার্যের মায়াবাদকে প্রত্যাখ্যান করেন। শংকরের মায়াবাদ অনুসারে কেবল ব্রহ্মই সত্য, জগৎ মিথ্যা। অরবিন্দের মতে ব্রহ্ম ও জগৎ উভয়ই বাস্তব ও সত্য
Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে ১৮৯৩ সালে বিশ্বধর্ম মহাসভায় বিবেকানন্দের দেওয়া বেশ কয়েকটি বক্তৃতার সমন্বয় "Chicago Addresses"।
Source: Britannica
অরবিন্দের মতে বিবর্তন এক মহাযাত্রা যেখানে জড় পদার্থের অন্তর্নিহিত দিব্য চেতনা ধাপে ধাপে প্রকাশিত হয়, শেষে অতিমানসে রুপান্তরিত হয়, জড় <প্রাণ < মন < অতিমানস
Source: The Life Divine by Aurobindo ghosh
"All life is yoga" "সমগ্র জীবনই যোগ" উক্তিটি শ্রী অরবিন্দের। বিভিন্ন যোগপদ্ধতির সমন্বয় ও একীভূত রূপ নিয়ে "The Synthesis of Yoga" গ্রন্থটি রচনা করেন।
source: বাঙালির দর্শন - আমিনুল ইসলাম
১৮৬৩ সালেরর ১২ জানুয়ারি কলকাতার এক ব্রাহ্মণ পরিবারে বিবেকানন্দ জন্মগ্রহণ করেন। এবং ১৯০২ সালে কলকাতাতেই মৃত্যুবরণ করেন।
source: Britannica
বিখ্যাত ফরাসি সাহিত্যিক রোমাঁ রোলাঁর মতে, শ্রীঅরবিন্দ উপমহাদেশের চিন্তাবিদ ও ঋষিপুরুষদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।
তাঁর বিখ্যাত গৃন্থসমূহের মধ্যে The Life Divine, The Synthesis of Yoga, Secrets of the Vedas, Essays on the Gita বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ।
source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়
বিবেকানন্দ উপলব্ধি করলেন যে, বেদান্তকে জীবনে সক্রিয় রূপ দিতে হবে। এরই নাম তিনি দিলেন বাস্তব বা ক্রিয়াশীল বেদান্ত, Practical Vedanta। তাঁর প্রচারিত বেদান্ত নব্য-বেদান্ত নামে পরিচিত। তিনি সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন যে, জীব ও ব্রহ্ম অভিন্ন এবং জীবের মধ্যেই ঈশ্বরের প্রকাশ ৷ "ঈশ্বর সকল বস্তুতেই বিদ্যমান, তাঁহাকে লাভ করিবার জন্য আবার কোথায় যাইব” বলে তিনি অনুভব করেন। ঈশ্বর সকল বস্তুতে বিরাজমান। সর্ববস্তু ও জীবেই ঈশ্বর আছেন এবং মানুষের কাছে তিনি মানুষ্যরূপেই প্রকাশিত। এ তত্ত্ব বেদান্তেরই।
source: বাঙালির দর্শন - আমিনুল ইসলাম
বিবেকানন্দের দর্শনে প্রাচ্যের দুজন দার্শনিকের প্রভাব লক্ষ করা যায়। এর একজন হলেন শংকর এবং অপরজন গৌতম বুদ্ধ। শংকরের, মায়াবাদের প্রভাব তাঁর দর্শনে পরিলক্ষিত হয়। বুদ্ধদেবের দর্শন দ্বারা পুরাপুরি প্রভাবিত না হলেও বিবেকানন্দ তাঁর বৈশ্বিক মানবতা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। বিবেকানন্দের ওপর শংকরের প্রভাব মূলত দর্শনগত; পক্ষান্তরে বুদ্ধের প্রভাব ছিল ব্যবহারগত । শংকরের কাছ থেকে তিনি বিশ্ব প্রপ্রঞ্চের স্বরূপ সম্পর্কিত জ্ঞানের সন্ধান পান। আর বুদ্ধের কাছ থেকে ইহ জীবনে মানুষের কতর্ব্য সম্পর্কিত ব্যবহারিক নির্দেশ পান। বিবেকানন্দের হৃদয় ছিল বুদ্ধের, আর মস্তিষ্ক শংকরের।”
Source: বাঙালির দর্শন - আমিনুল ইসলাম
বিবেকানন্দ ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠিত করেন। মিশন স্থাপনের উদ্দেশ্য ছিল :
১. জনসাধারণের মানসিক ও বৈষয়িক কল্যাণ সাধনের উপযোগী শিক্ষাদানের জন্য কর্মীদের শিক্ষিত করে তোলা
২. শিল্প ও কারিগরি বিদ্যার শিক্ষাদান ।
৩. জনসাধারণকে বেদান্ত ও ধর্ম চিন্তায় উৎসাহিত করা ।
মিশনের কর্মসূচি সম্পর্কে স্পষ্টই বলা হয়-
"The aims and ideals of the Mission being purely spiritual and humanitarean, it shall have no connection with politics."
source: বাঙালির দর্শন - আমিনুল ইসলাম
সুশাসনের পূর্বশর্ত সমূহ হচ্ছে:
- আইনের শাসন
- স্বচ্ছতা
- জজবাবদিহিতা
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা
- ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ
- দায়বদ্ধতা
প্রভৃতি।
Source: পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র) একাদশ শ্রেণি
সুবর্ণ মধ্যক একটি দার্শনিক মতবাদ, যেটি এরিস্টটল প্রবর্তন করেন। যেখানে দুটি চরম অবস্থার মধ্যবর্তী অবস্থার কথা বলা হয়। যেমন: নিয়ন্ত্রণবাদ ও অনিয়ন্ত্রণবাদ এর মধ্যবর্তী মত স্বনিয়ন্ত্রণবাদ।
Source: ব্রিটানিকা
মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণকে পরিচালিত করে এমন নীতি ও মানদণ্ড, যা ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত বিচার করতে সাহায্য করে। মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ সামজিক অবক্ষয় রোধ করা।
Source: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ শ্রেণি)
Nihilism শব্দটি ল্যাটিন Nihil থেকে এসেছে, যার অর্থ কিছুই না( nothing) । Nihilism এর ইংরেজি প্রতিশব্দ শূন্যবাদ। এ মতবাদের মূলকথা সবকিছুই শূন্য বা শূন্য থেকেই সবকিছুর সৃষ্টি।
Source : Britannica
John Stuart Mill:
Notable works -
1. A System of Logic (1843)
2. Principles of Political Economy (1848)
3. On Liberty (1859)
4. Utilitarianism (1861)
5. The Subjection of Women (1869)
Source: Britannica
"রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার" লক্ষ্য নিয়ে ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয়। সেখানে শুদ্ধাচার-এর একটি ধারণা দেয়া হয়েছে।
"শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়। এর দ্বারা একটি সমাজের কালোত্তীর্ণ মানদণ্ড, নীতি ও প্রথার প্রতি আনুগত্যও বোঝানো হয়। ব্যক্তিপর্যায়ে এর অর্থ হলো কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা তথা চরিত্রনিষ্ঠা।"
Source: BBC
ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল, যিনি ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। রাসেলের মতে দর্শনের স্থান, No mans Land এ - অর্থাৎ
"দর্শন হচ্ছে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এক অনধিকৃত প্রদেশ"
Source: An introduction to philosophy by Jadunath Sinha
পেশাগত নৈতিকতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহ:
* সততা ও স্বচ্ছতা
* দায়বদ্ধতা
* পেশাগত সচেতনতা
* দায়িত্বশীলতা
* দক্ষতা ও জ্ঞান
Source: পৌরনীতি ও সুশাসন ( উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)